Friday, June 22, 2012
সহজিয়া কড়চা-নভেম্বর উপাখ্যানের এপিঠ-ওপিঠ by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সহজিয়া কড়চা-নভেম্বর উপাখ্যানের এপিঠ-ওপিঠ by সৈয়দ আবুল মকসুদ
লিখতে বসেছিলাম এক বিষয়ে। সে লেখা সরিয়ে রাখতে হলো। নভেম্বরের প্রথম সাত দিনের ১০টি দৈনিকের ৭০টি সংখ্যা পড়ে মনে হলো, প্রসঙ্গ পাল্টানো দরকার। একটি জাতির সংবাদমাধ্যম যদি ৩৫ বছর পর ভোল পাল্টাতে পারে, রাজনৈতিক নেতারা যদি ভোল পাল্টাতে পারেন, একজন উপসম্পাদকীয় লেখকের পাঁচ মিনিটের মধ্যে প্রসঙ্গ পাল্টাতে অসুবিধা কোথায়?
খুব বড় মিলিটারি রেজিমেন্টেশনের মধ্যে ইতিহাস গায়েব করা হয় অথবা বিকৃত করা হয় এবং সত্য ধামাচাপা দেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশে এবং সম্পূর্ণ বিনা প্ররোচনায় ইতিহাসকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলার দৃষ্টান্ত শুধু বাংলাদেশেই পাওয়া যাবে। কঠোর সামরিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রে সাংবাদিককে সত্য চেপে যেতে হয়। কিন্তু গায়ে পড়ে সত্য গোপন করা অতি নিন্দনীয় কাজ। আজ বাংলার রঙ্গমঞ্চে কুশীলবদের রাজনীতির অভিনয় দেখে ক্ষুধিত পাষাণ-এর পাগলা মেহের আলীর মতো বলতে ইচ্ছা হয়: ‘তফাত যাও! তফাত যাও! সব ঝুট্ হ্যায়! সব ঝুট্ হ্যায়!’ আজ বাংলাদেশে যাঁদের বয়স ৬০-এর ওপরে, তাঁদের অধিকাংশের অবস্থা পাগলা মেহের আলীর মতো।
১৯৭৫-এর নভেম্বরের প্রথম হপ্তায় অ্যাবসার্ড নাটকগুলো অভিনীত হয়েছে এখনকার ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষদের সামনে। তাঁরা সব দেখেছেন, তাঁরা সব জানেন। এখন আর নতুন কিছু যোগ করা যাবে না।
বাঙালি স্বার্থসিদ্ধির জন্য সব সময়ই একজন নন্দ ঘোষ খোঁজে। নিজের দোষ তার ওপর চাপিয়ে দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বাঙালি দিব্যি ঘুরে বেড়ায়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত মহাজোট সরকারের আমলে জিয়াউর রহমানকে নন্দ ঘোষের ভূমিকায় বসানো হয়েছে। অবশ্য জিয়া ও এরশাদের সময় নন্দ ঘোষ ছিলেন অন্য কেউ।
পঁচাত্তরের পরবর্তী ৩১ বছর নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অজস্র সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়, প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে আমাদের জাতীয় দৈনিকগুলোতে। প্রকাশিত হয়েছে রাশি রাশি প্রতিবেদন ও সাক্ষাৎকার। সেগুলো যদি বন্দুকের নলের মুখে প্রকাশিত না হয়ে থাকে, তাহলে সেসবকে অগ্রাহ্য করা যাবে না।
একটি গণতান্ত্রিক সমাজের প্রধান গুণই হলো বিশুদ্ধ যুক্তিবাদিতা। কোনো রাষ্ট্রে তা যদি না থাকে, তাহলে জাতীয় জীবনকে অন্ধত্ব গ্রাস করে। সেখানে সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকে না। সেখানে বৈজ্ঞানিক চিন্তার সুযোগও থাকে না। শিক্ষা-সংস্কৃতির অমূল্য উপাদানগুলো চূর্ণ হয়ে যায়। সে অবস্থায় বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থে ইতিহাসের নামে বহু রকম কল্পকথা প্রচারিত হয়। তা প্রচারিত হয় কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী ও তাদের দোসরদের অথবা সুবিধাভোগীদের স্বার্থে।
পঁচাত্তরের নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অপরিহার্য অংশ। ওই ঘটনাপ্রবাহের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ছাড়া, কল্পকথা ছড়িয়ে জাতির কোনো উপকার হবে না। কাগজে বা বইপত্রে যা লেখা হলো তা-ই ইতিহাস নয়, মানুষ যা জানে, তা-ই ইতিহাস। মার্কিন দলিলপত্রের মাধ্যমে মিজানুর রহমান খান প্রথম আলোয় যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন, বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস রচনায় তা সহায়ক। কিন্তু মার্কিন কূটনীতিকদের পাঠানো প্রতিবেদনই ইতিহাস নয়—ইতিহাসসংক্রান্ত মন্তব্য প্রতিবেদন, যে প্রতিবেদন লিখিত হয়েছে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও বিভিন্ন প্রচারপত্রের ভিত্তিতে। সেই সঙ্গে আছে ওই প্রতিবেদন প্রেরকের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ। ইতিহাস রচনা করতে চাইলে তখনকার রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মূল প্রচারপত্র-লিফলেটের সাহায্য নিতে হবে।
বাংলাদেশের পঁচাত্তর-পরবর্তী রাজনীতি একটি যৌথ রাজনৈতিক প্রকল্প—কোনো এক ব্যক্তি বা একাধিক ব্যক্তির কাজ নয়। যে রাজনীতির প্রবর্তনে গোটা দেশের অধিকাংশ মানুষের নীরব অথবা প্রকাশ্য সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। তা না থাকলে কোনো ব্যক্তি, তা তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি শক্তিমান মানুষও যদি হন, টিকে থাকতে পারতেন না। যৌথ প্রকল্প না হলে ওই ধারার রাজনীতি ২১টি বছর বা তারও বেশি টিকে থাকত পারত না।
নভেম্বর উপাখ্যান সম্পর্কে প্রথম আলোয় দুই দলের দুই জেনারেলের সাক্ষাৎকার বেরিয়েছে। মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ পূরণ ও ক্ষমতা সংহত করতেই সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেন।’ তাঁর এই বক্তব্য থেকে ১২-১৪ বছর বয়স্ক যেকোনো পাঠক মনে করবে, যেকোনো জেনারেলই ইচ্ছা করলে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে পারেন। একজন জনপ্রিয় জেনারেল তাঁর বাহিনীকে ব্যবহার করতেই পারেন, অন্যদিকে দুর্বল ও ব্যর্থরা অধীনস্থের অধীনে গোলামি করেন। একজন সেনাশাসক সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করবেন না তো কি রাস্তার হকার, পত্রিকার উপসম্পাদকীয় লেখক, কবি, নাটকের কলাকুশলী বা ট্যাক্সি ড্রাইভারদের ব্যবহার করবেন?
১৭ আগস্ট আমি বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও সম্পাদক জাওয়াদুল করীমের সঙ্গে বঙ্গভবনে গিয়েছিলাম। সেখানে বারান্দায় দাঁড়িয়ে যে দৃশ্য দেখেছিলাম, তা আজ অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমার কাছে তখন ‘বিশ্বাসঘাতক’ বা ‘নিমক হারাম’ শব্দ দুটিকে বাঙালির জন্য যথেষ্ট শক্ত শব্দ মনে হয়নি।
দিনের পর দিন সেনাবাহিনীর কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমে ইন্টারভিউ দিয়ে যাচ্ছেন। ৭ নভেম্বর উপলক্ষে জেনারেল সফিউল্লাহর স্মৃতি রোমন্থন অথবা পর্যবেক্ষণ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ, মানবজাতির ইতিহাসে তিনিই একমাত্র সেনাপতি, যিনি ১০টি দিন তিন-চারজন মেজরের অধীনে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করেছেন। এবং সেই মেজররাই তাঁকে, তাঁর ভাষায়, ‘বরখাস্ত’ করেন। তিনি নিজেই বলছেন, ‘বরখাস্ত’, আমরা জানি তাঁকে ‘অবসর’ দেওয়া হয়েছিল। সে জন্যই এখন ‘অব’ লেখা হয়, ‘বরখাস্ত’ লেখা হয় না। তিনিই একমাত্র সেনাপ্রধান, যিনি দুজন রাষ্ট্রপতির অধীনে বহুকাল রাষ্ট্রদূতের চাকরি করেন—যে দুই রাষ্ট্রপতি একসময় ছিলেন তাঁরই অধীনে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে মূর্ছিত হয়ে পড়ে যাওয়ার আগে তিনি যে জবানবন্দি দেন, তা আমাদের অনেকের কাছে আছে। জিয়াউর রহমান বা জেনারেল এরশাদের মতো সামরিক শাসকদের প্রতি আমার বিন্দুমাত্র কৃতজ্ঞ থাকার কারণ নেই, সফিউল্লাহর তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। মোশতাক-জিয়া তাঁকে চাকরি দিয়েছেন এবং কখনোই জিয়া তাঁকে কূটনীতিকের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেননি। এটা জিয়ার কম উদারতা নয়।
আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের মানুষের যদি কৃতজ্ঞতাবোধ না থাকে, সৌজন্যবোধ না থাকে ও উপকারী বন্ধুর উপকারের ঋণ তারা স্বীকার না করে—তাদের দোষ দেওয়া যাবে না। আমাদের মতো মধ্যশ্রেণীর মানুষকে জীবনের বিশেষ বিশেষ অবস্থায় সুখ-শান্তিতে থাকার জন্য আপস করতে হয়। বিত্তবান ও সবলের কাছে নত হতে হয়। মেরুদণ্ড সোজা রাখা যায় না। তা যে বড় দোষ, তা-ও নয়। জিয়ার অব্যাহত নিন্দা সফিউল্লাহর মুখে শোভনীয় নয়।
পঁচাত্তরের নভেম্বর সম্পর্কে মার্কিন দলিল গুরুত্বপূর্ণ; তার চেয়ে বেশি মূল্যবান সেই সময়ের রাজনৈতিক দলগুলোর দলিল, প্রচারপত্র প্রভৃতি। খালেদ মোশাররফের দোষ স্খলনের একটা চেষ্টা চলছে কয়েক বছর ধরে, এখন হচ্ছে তাঁকে একজন চমৎকার নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আয়োজন। মিজানুর রহমান খান তাঁর ‘১৯৭৫ নভেম্বর মার্কিন দলিল ৫’-এ লিখেছেন, ‘রব-জলিল এক যৌথ বিবৃতিতে খালেদ মোশাররফকে “বিশ্বাসঘাতক” এবং “ভারত, রাশিয়া ও আমেরিকার উসকানিতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব মুছে ফেলার চক্রান্ত” করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।’ হাসানুল হক ইনু এ সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা জাসদের কোনো দলিলে কখনো খালেদ মোশাররফ সম্পর্কে এমন মত দেইনি।...তবে তিনি উচ্চাভিলাষী, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী ও সামরিক শাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠাকারী।’ ইনু সাহেবের শেষ বাক্যটির সঙ্গে দ্বিমত করার সুযোগ নেই, কিন্তু প্রথম কথাটি সঠিক নয়। জাসদের অসংখ্য প্রচারপত্র প্রমাণ দেয় মিজানুর রহমান খানের কথাই ঠিক। ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬, তাঁদের এক প্রচারপত্রে বলা হয়েছিল: ‘১৯৭১-এর জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে আধিপত্যবাদী ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর সহায়তায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করল। জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হলো না। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে নিহত অগণিত মানুষের জমাট রক্তের বিনিময়ে সুখের সৌধ নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ল নব্য বুর্জোয়া শাসক ও শোষকগোষ্ঠী। ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদের কাঁধে ভর দিয়ে ক্ষমতা আত্মসাৎ করল মুজিবেরই এককালীন দোসর খোন্দকার মোশতাক, ৩রা নভেম্বর আবার ঘটল সামরিক অভ্যুত্থান, কুখ্যাত ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ভারত-রাশিয়ার প্ররোচনায় প্রতিক্রিয়াশীল মহল দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্বকে চিরতরে বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্র করল; তারপর ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরে জাসদ ও বিপ্লবী গণবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর বিপ্লবী জওয়ানরা মহান সিপাহি অভ্যুত্থানে ফেটে পড়ল; কিন্তু আবার দেশি-বিদেশি শোষকরা জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলো, অর্জিত হলো না লক্ষ্য,...।’
ক্ষণিকের জন্য রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করতে গিয়ে দরজার কাছ থেকেই খালেদকে বিদায় নিতে হয়। কিন্তু দেশের সর্বনাশ অর্ধেক করেছিলেন মোশতাক ও মেজররা, বাকি অর্ধেক সম্পন্ন করলেন খালেদ। মোশতাকের সময় ইসলামি চেতনা জোরদার হয়, কিন্তু ভারতবিরোধী জিগির ছিল না। বাংলাদেশে ভারতবিরোধী চেতনা সুদৃঢ় করে যান খালেদ। সেই চেতনা ব্যবহার করে জিয়া পাঁচ বছর, এরশাদ নয় বছর এবং খালেদা পাঁচ-পাঁচ ১০ বছর ক্ষমতায় থাকেন। নিজের ক্ষমতা পোক্ত করতে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করতে গিয়ে খালেদ আওয়ামী লীগকে ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে রাখার ব্যবস্থা করে যান। আওয়ামী লীগের যে ক্ষতি খালেদ করেছেন আর কেউ তা করেননি। তিনি ভারতপন্থী—নিজেই এ কথা চাউর করে দিয়েছিলেন এই আশায় যে তাতে ভারত সামরিক সাহায্য নিয়ে তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসবে। ভারতীয় নেতারা এত কাঁচা নন। কিন্তু ফল যা হওয়ার তা-ই হলো। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের প্রতি বৈরীভাবাপন্ন হয়ে গেল বহুদিনের জন্য। দুই বন্ধু প্রতিবেশীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেল। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক মনস্তত্ত্বের জন্ম হয় ৩ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বরের তিন দিনে। সেই মনস্তত্ত্ব থেকে জাতি এখনো মুক্ত নয়।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩-৭ নভেম্বরের দিনগুলো আকাশ থেকে হঠাৎ পড়েনি। সব ঘটনারই একটি পটভূমি থাকে। ওই ঘটনাপ্রবাহেরও একটি প্রেক্ষাপট রয়েছে। ১৯৭৪-এর ১৩ অক্টোবর জাসদ গণ-আন্দোলনের ডাক দেয় এবং ২৬ নভেম্বর দেশব্যাপী হরতালের আহ্বান জানায়। হরতাল ও গণ-আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাদের প্রচারপত্রে বলা হয়: ‘ভারতের আধিপত্যবাদী, রাশিয়ার সংশোধনবাদী ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের সকল চক্রান্ত ও অশুভ প্রভাবের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পূর্ণ বিধানের জন্য; সাম্রাজ্যবাদ ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় সরকার গঠন।’
১৯৭৩-৭৪-এ প্রধান বিরোধী দল ছিল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) ও জাসদ। সরকারের সঙ্গে এই দুই দল ও অন্যান্য বাম দলের সম্পর্ক কেমন ছিল, তা আলোচনা ছাড়া পঁচাত্তরের আগস্ট-নভেম্বরের আলোচনা সম্পন্ন হতে পারে না। ১৯৭৩-৭৫-এ ন্যাপ, জাসদ ও বিভিন্ন বাম দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী ছিলেন কারাগারে। তাঁদের জেলে ঢোকাতে সরকারের নীতিনির্ধারকদের যাঁরা পরামর্শ দিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই আজও ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং দাঁত বের করে হাসেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে চলে যেতে হলো।
অপ্রীতিকর সত্য আলোচনা করে যত খোলাসা করা যায়, তত গণতন্ত্রের উপকার। চাটুকারিতা করে বর্তমান মহাজোটের অসাম্প্রদায়িক সরকারকে সংহত করা যাবে না। তাতে সরকারের বরং ক্ষতি হবে। ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পরে সেই দায় কেউ নেবেন না।
বাস্তবতাকে অস্বীকার করা বোকামি। বোস্টার বোকা ছিলেন না। তাই তিনি তাঁর ছাদের ওপর থেকে তাকিয়ে দেখে লিখেছিলেন: ‘জেনারেল জিয়া ৭ নভেম্বর সম্পূর্ণ ক্ষমতা করায়ত্ত করার একটি চমৎকার সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি চাইলেই ক্ষমতা নিতে পারতেন। রাজপথে আমরা ৭ নভেম্বর যা দেখেছি, তা যদি কোনো অর্থ বহন করে থাকে, তাহলে এটাই প্রমাণ দেয়, জিয়ার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।’
রাজপথে মি. বোস্টার সেদিন যা দেখেছিলেন, তা আর কারও কাছে অর্থ বহন করুক আর না করুক, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাছে খুবই অর্থবহ ছিল। সেনাবাহিনীর একজন জনপ্রিয় মানুষই তাঁরা খুঁজছিলেন। তা তাঁরা পেয়ে গেলেন ৭ নভেম্বর। শুধু বোস্টার পাননি, বাংলার মাটির বাম ও অতি ডান সংগঠনের নেতারাও পান। জিয়ার নিজের কোনো শক্তি ছিল না। তাঁর শক্তির উৎস ছিল সোভিয়েত বলয়ের বাইরের গোটা পুঁজিবাদী বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্য এবং দেশের ভেতরের বিভিন্ন ক্ষুদ্র শক্তি। চীন তাঁর পক্ষে দাঁড়ায়। তা ছাড়া ১৯৭৫-৭৬-এ দেশের ভেতরে জিয়ার এতই বন্ধু ছিলেন, যাঁদের সংখ্যা প্রথম আলোর বন্ধুসভার সদস্যদের চেয়ে বেশি।
১৬ নভেম্বর জিয়ার সমর্থনে এগিয়ে আসে পাঁচটি বাম সংগঠন: পূর্ব বাংলার সাম্যবাদী দল (এম-এল), পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি, পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এল-এম), পূর্ব বাংলার গণবিপ্লবী পার্টি এবং কমিউনিস্ট কর্মী সংঘ। তারা তাদের ‘ভারত-রাশিয়ার নয়া চক্রান্তকে ব্যর্থ করুন’ শীর্ষক প্রচারপত্রে বলে: ‘জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর মূল নেতৃত্ব ভারতের এজেন্ট হিসেবে বিশ্বাসঘাতক ও দেশদ্রোহিতার ভূমিকা পালন করলেও বহু দেশপ্রেমিক তাঁদের সমাজতন্ত্র ও ভারতবিরোধী স্লোগানের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে এখনো সেই সংগঠনে অবস্থান করছেন। তাঁদের কাছে আমাদের আহ্বান, আপনারা দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজ দলের নেতৃত্বের কার্যকলাপ বোঝার চেষ্টা করুন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করুন।’
১৪ নভেম্বর পূর্ব বাংলার সাম্যবাদী দল এক প্রচারপত্রে বলে: ‘জাসদের অভ্যন্তরস্থ দেশপ্রেমিক ভাইদের প্রতি আমাদের আহ্বান; আপনারা সংগঠনের ভিতরের বিশেষ করে ভারত-রাশিয়ার ও অপর বিদেশি শক্তির দালালদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, তাদের বিতাড়িত করুন।...হিন্দু ভাইবোনদের প্রতিও আমাদের বিশেষ আহ্বান; আপনাদের দুঃখ-দুর্গতি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদ্বেষমূলক আচরণ থেকে মুক্তি লাভের জন্য ভারতের ইন্দিরা সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবেন না।’
জিয়ার সেদিন কোনো দল ছিল না, তাঁর কাজ অন্য দলের নেতারাই করে দেন। পূর্ব বাংলার গণবিপ্লবী পার্টি, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, বিভিন্ন ছাত্র, যুব ও শ্রমিক সংগঠন; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নেতারা জিয়ার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ান। কোনো কোনো সংগঠনের প্রচারপত্রের ভাষা লোমহর্ষক অথবা ঘৃণা উদ্রেককারী। সফিউল্লাহ যে বলেন, জিয়া কিচ্ছু না, সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন, তা বড়ই করুণ শোনায়। দেশের ভেতরে তাঁর জনপ্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা না থাকলে আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি ওআইসি গঠিত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনার একজন নেতা নির্বাচিত হতেন না।
শত্রুকে নিন্দা করারও একটা ভাষা আছে, একটা রীতি আছে। তার বাইরে গিয়ে কিছু করলে শত্রু উপকৃত হয়। শেখ হাসিনাকে খুশি করতে গিয়ে অনেকেই যা করছেন, তাতে জিয়ার উপকার হচ্ছে।
আরেকটি কথা বলে শেষ করতে চাই। বাংলার সংগ্রামী রাজনীতির ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে। দেশের বারো মাসের নয় মাসের সংবাদপত্র পড়ে মনে হবে—এই দেশের নেতা হলেন কয়েকজন ক্ষমতালোভী ও নষ্ট সেনা কর্মকর্তা। প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকদের কোনো প্রচার নেই। মিডিয়ায় জামায়াত নেতা গোলাম আযম ও বিভিন্ন চরের পীরেরা যে প্রচার পান, তার এক শ ভাগের এক ভাগ পান না তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতা শেখ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। মিডিয়াকে নজরুলের কথাটা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই: দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
১৯৭৫-এর নভেম্বরের প্রথম হপ্তায় অ্যাবসার্ড নাটকগুলো অভিনীত হয়েছে এখনকার ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষদের সামনে। তাঁরা সব দেখেছেন, তাঁরা সব জানেন। এখন আর নতুন কিছু যোগ করা যাবে না।
বাঙালি স্বার্থসিদ্ধির জন্য সব সময়ই একজন নন্দ ঘোষ খোঁজে। নিজের দোষ তার ওপর চাপিয়ে দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বাঙালি দিব্যি ঘুরে বেড়ায়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত মহাজোট সরকারের আমলে জিয়াউর রহমানকে নন্দ ঘোষের ভূমিকায় বসানো হয়েছে। অবশ্য জিয়া ও এরশাদের সময় নন্দ ঘোষ ছিলেন অন্য কেউ।
পঁচাত্তরের পরবর্তী ৩১ বছর নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অজস্র সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়, প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে আমাদের জাতীয় দৈনিকগুলোতে। প্রকাশিত হয়েছে রাশি রাশি প্রতিবেদন ও সাক্ষাৎকার। সেগুলো যদি বন্দুকের নলের মুখে প্রকাশিত না হয়ে থাকে, তাহলে সেসবকে অগ্রাহ্য করা যাবে না।
একটি গণতান্ত্রিক সমাজের প্রধান গুণই হলো বিশুদ্ধ যুক্তিবাদিতা। কোনো রাষ্ট্রে তা যদি না থাকে, তাহলে জাতীয় জীবনকে অন্ধত্ব গ্রাস করে। সেখানে সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকে না। সেখানে বৈজ্ঞানিক চিন্তার সুযোগও থাকে না। শিক্ষা-সংস্কৃতির অমূল্য উপাদানগুলো চূর্ণ হয়ে যায়। সে অবস্থায় বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থে ইতিহাসের নামে বহু রকম কল্পকথা প্রচারিত হয়। তা প্রচারিত হয় কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী ও তাদের দোসরদের অথবা সুবিধাভোগীদের স্বার্থে।
পঁচাত্তরের নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অপরিহার্য অংশ। ওই ঘটনাপ্রবাহের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ছাড়া, কল্পকথা ছড়িয়ে জাতির কোনো উপকার হবে না। কাগজে বা বইপত্রে যা লেখা হলো তা-ই ইতিহাস নয়, মানুষ যা জানে, তা-ই ইতিহাস। মার্কিন দলিলপত্রের মাধ্যমে মিজানুর রহমান খান প্রথম আলোয় যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন, বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস রচনায় তা সহায়ক। কিন্তু মার্কিন কূটনীতিকদের পাঠানো প্রতিবেদনই ইতিহাস নয়—ইতিহাসসংক্রান্ত মন্তব্য প্রতিবেদন, যে প্রতিবেদন লিখিত হয়েছে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও বিভিন্ন প্রচারপত্রের ভিত্তিতে। সেই সঙ্গে আছে ওই প্রতিবেদন প্রেরকের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ। ইতিহাস রচনা করতে চাইলে তখনকার রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মূল প্রচারপত্র-লিফলেটের সাহায্য নিতে হবে।
বাংলাদেশের পঁচাত্তর-পরবর্তী রাজনীতি একটি যৌথ রাজনৈতিক প্রকল্প—কোনো এক ব্যক্তি বা একাধিক ব্যক্তির কাজ নয়। যে রাজনীতির প্রবর্তনে গোটা দেশের অধিকাংশ মানুষের নীরব অথবা প্রকাশ্য সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। তা না থাকলে কোনো ব্যক্তি, তা তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি শক্তিমান মানুষও যদি হন, টিকে থাকতে পারতেন না। যৌথ প্রকল্প না হলে ওই ধারার রাজনীতি ২১টি বছর বা তারও বেশি টিকে থাকত পারত না।
নভেম্বর উপাখ্যান সম্পর্কে প্রথম আলোয় দুই দলের দুই জেনারেলের সাক্ষাৎকার বেরিয়েছে। মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ পূরণ ও ক্ষমতা সংহত করতেই সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেন।’ তাঁর এই বক্তব্য থেকে ১২-১৪ বছর বয়স্ক যেকোনো পাঠক মনে করবে, যেকোনো জেনারেলই ইচ্ছা করলে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে পারেন। একজন জনপ্রিয় জেনারেল তাঁর বাহিনীকে ব্যবহার করতেই পারেন, অন্যদিকে দুর্বল ও ব্যর্থরা অধীনস্থের অধীনে গোলামি করেন। একজন সেনাশাসক সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করবেন না তো কি রাস্তার হকার, পত্রিকার উপসম্পাদকীয় লেখক, কবি, নাটকের কলাকুশলী বা ট্যাক্সি ড্রাইভারদের ব্যবহার করবেন?
১৭ আগস্ট আমি বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও সম্পাদক জাওয়াদুল করীমের সঙ্গে বঙ্গভবনে গিয়েছিলাম। সেখানে বারান্দায় দাঁড়িয়ে যে দৃশ্য দেখেছিলাম, তা আজ অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমার কাছে তখন ‘বিশ্বাসঘাতক’ বা ‘নিমক হারাম’ শব্দ দুটিকে বাঙালির জন্য যথেষ্ট শক্ত শব্দ মনে হয়নি।
দিনের পর দিন সেনাবাহিনীর কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমে ইন্টারভিউ দিয়ে যাচ্ছেন। ৭ নভেম্বর উপলক্ষে জেনারেল সফিউল্লাহর স্মৃতি রোমন্থন অথবা পর্যবেক্ষণ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ, মানবজাতির ইতিহাসে তিনিই একমাত্র সেনাপতি, যিনি ১০টি দিন তিন-চারজন মেজরের অধীনে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করেছেন। এবং সেই মেজররাই তাঁকে, তাঁর ভাষায়, ‘বরখাস্ত’ করেন। তিনি নিজেই বলছেন, ‘বরখাস্ত’, আমরা জানি তাঁকে ‘অবসর’ দেওয়া হয়েছিল। সে জন্যই এখন ‘অব’ লেখা হয়, ‘বরখাস্ত’ লেখা হয় না। তিনিই একমাত্র সেনাপ্রধান, যিনি দুজন রাষ্ট্রপতির অধীনে বহুকাল রাষ্ট্রদূতের চাকরি করেন—যে দুই রাষ্ট্রপতি একসময় ছিলেন তাঁরই অধীনে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে মূর্ছিত হয়ে পড়ে যাওয়ার আগে তিনি যে জবানবন্দি দেন, তা আমাদের অনেকের কাছে আছে। জিয়াউর রহমান বা জেনারেল এরশাদের মতো সামরিক শাসকদের প্রতি আমার বিন্দুমাত্র কৃতজ্ঞ থাকার কারণ নেই, সফিউল্লাহর তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। মোশতাক-জিয়া তাঁকে চাকরি দিয়েছেন এবং কখনোই জিয়া তাঁকে কূটনীতিকের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেননি। এটা জিয়ার কম উদারতা নয়।
আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের মানুষের যদি কৃতজ্ঞতাবোধ না থাকে, সৌজন্যবোধ না থাকে ও উপকারী বন্ধুর উপকারের ঋণ তারা স্বীকার না করে—তাদের দোষ দেওয়া যাবে না। আমাদের মতো মধ্যশ্রেণীর মানুষকে জীবনের বিশেষ বিশেষ অবস্থায় সুখ-শান্তিতে থাকার জন্য আপস করতে হয়। বিত্তবান ও সবলের কাছে নত হতে হয়। মেরুদণ্ড সোজা রাখা যায় না। তা যে বড় দোষ, তা-ও নয়। জিয়ার অব্যাহত নিন্দা সফিউল্লাহর মুখে শোভনীয় নয়।
পঁচাত্তরের নভেম্বর সম্পর্কে মার্কিন দলিল গুরুত্বপূর্ণ; তার চেয়ে বেশি মূল্যবান সেই সময়ের রাজনৈতিক দলগুলোর দলিল, প্রচারপত্র প্রভৃতি। খালেদ মোশাররফের দোষ স্খলনের একটা চেষ্টা চলছে কয়েক বছর ধরে, এখন হচ্ছে তাঁকে একজন চমৎকার নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আয়োজন। মিজানুর রহমান খান তাঁর ‘১৯৭৫ নভেম্বর মার্কিন দলিল ৫’-এ লিখেছেন, ‘রব-জলিল এক যৌথ বিবৃতিতে খালেদ মোশাররফকে “বিশ্বাসঘাতক” এবং “ভারত, রাশিয়া ও আমেরিকার উসকানিতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব মুছে ফেলার চক্রান্ত” করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।’ হাসানুল হক ইনু এ সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা জাসদের কোনো দলিলে কখনো খালেদ মোশাররফ সম্পর্কে এমন মত দেইনি।...তবে তিনি উচ্চাভিলাষী, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী ও সামরিক শাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠাকারী।’ ইনু সাহেবের শেষ বাক্যটির সঙ্গে দ্বিমত করার সুযোগ নেই, কিন্তু প্রথম কথাটি সঠিক নয়। জাসদের অসংখ্য প্রচারপত্র প্রমাণ দেয় মিজানুর রহমান খানের কথাই ঠিক। ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬, তাঁদের এক প্রচারপত্রে বলা হয়েছিল: ‘১৯৭১-এর জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে আধিপত্যবাদী ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর সহায়তায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করল। জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হলো না। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে নিহত অগণিত মানুষের জমাট রক্তের বিনিময়ে সুখের সৌধ নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ল নব্য বুর্জোয়া শাসক ও শোষকগোষ্ঠী। ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদের কাঁধে ভর দিয়ে ক্ষমতা আত্মসাৎ করল মুজিবেরই এককালীন দোসর খোন্দকার মোশতাক, ৩রা নভেম্বর আবার ঘটল সামরিক অভ্যুত্থান, কুখ্যাত ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ভারত-রাশিয়ার প্ররোচনায় প্রতিক্রিয়াশীল মহল দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্বকে চিরতরে বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্র করল; তারপর ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরে জাসদ ও বিপ্লবী গণবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর বিপ্লবী জওয়ানরা মহান সিপাহি অভ্যুত্থানে ফেটে পড়ল; কিন্তু আবার দেশি-বিদেশি শোষকরা জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলো, অর্জিত হলো না লক্ষ্য,...।’
ক্ষণিকের জন্য রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করতে গিয়ে দরজার কাছ থেকেই খালেদকে বিদায় নিতে হয়। কিন্তু দেশের সর্বনাশ অর্ধেক করেছিলেন মোশতাক ও মেজররা, বাকি অর্ধেক সম্পন্ন করলেন খালেদ। মোশতাকের সময় ইসলামি চেতনা জোরদার হয়, কিন্তু ভারতবিরোধী জিগির ছিল না। বাংলাদেশে ভারতবিরোধী চেতনা সুদৃঢ় করে যান খালেদ। সেই চেতনা ব্যবহার করে জিয়া পাঁচ বছর, এরশাদ নয় বছর এবং খালেদা পাঁচ-পাঁচ ১০ বছর ক্ষমতায় থাকেন। নিজের ক্ষমতা পোক্ত করতে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করতে গিয়ে খালেদ আওয়ামী লীগকে ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে রাখার ব্যবস্থা করে যান। আওয়ামী লীগের যে ক্ষতি খালেদ করেছেন আর কেউ তা করেননি। তিনি ভারতপন্থী—নিজেই এ কথা চাউর করে দিয়েছিলেন এই আশায় যে তাতে ভারত সামরিক সাহায্য নিয়ে তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসবে। ভারতীয় নেতারা এত কাঁচা নন। কিন্তু ফল যা হওয়ার তা-ই হলো। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের প্রতি বৈরীভাবাপন্ন হয়ে গেল বহুদিনের জন্য। দুই বন্ধু প্রতিবেশীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেল। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক মনস্তত্ত্বের জন্ম হয় ৩ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বরের তিন দিনে। সেই মনস্তত্ত্ব থেকে জাতি এখনো মুক্ত নয়।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩-৭ নভেম্বরের দিনগুলো আকাশ থেকে হঠাৎ পড়েনি। সব ঘটনারই একটি পটভূমি থাকে। ওই ঘটনাপ্রবাহেরও একটি প্রেক্ষাপট রয়েছে। ১৯৭৪-এর ১৩ অক্টোবর জাসদ গণ-আন্দোলনের ডাক দেয় এবং ২৬ নভেম্বর দেশব্যাপী হরতালের আহ্বান জানায়। হরতাল ও গণ-আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাদের প্রচারপত্রে বলা হয়: ‘ভারতের আধিপত্যবাদী, রাশিয়ার সংশোধনবাদী ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের সকল চক্রান্ত ও অশুভ প্রভাবের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পূর্ণ বিধানের জন্য; সাম্রাজ্যবাদ ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় সরকার গঠন।’
১৯৭৩-৭৪-এ প্রধান বিরোধী দল ছিল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) ও জাসদ। সরকারের সঙ্গে এই দুই দল ও অন্যান্য বাম দলের সম্পর্ক কেমন ছিল, তা আলোচনা ছাড়া পঁচাত্তরের আগস্ট-নভেম্বরের আলোচনা সম্পন্ন হতে পারে না। ১৯৭৩-৭৫-এ ন্যাপ, জাসদ ও বিভিন্ন বাম দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী ছিলেন কারাগারে। তাঁদের জেলে ঢোকাতে সরকারের নীতিনির্ধারকদের যাঁরা পরামর্শ দিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই আজও ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং দাঁত বের করে হাসেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে চলে যেতে হলো।
অপ্রীতিকর সত্য আলোচনা করে যত খোলাসা করা যায়, তত গণতন্ত্রের উপকার। চাটুকারিতা করে বর্তমান মহাজোটের অসাম্প্রদায়িক সরকারকে সংহত করা যাবে না। তাতে সরকারের বরং ক্ষতি হবে। ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পরে সেই দায় কেউ নেবেন না।
বাস্তবতাকে অস্বীকার করা বোকামি। বোস্টার বোকা ছিলেন না। তাই তিনি তাঁর ছাদের ওপর থেকে তাকিয়ে দেখে লিখেছিলেন: ‘জেনারেল জিয়া ৭ নভেম্বর সম্পূর্ণ ক্ষমতা করায়ত্ত করার একটি চমৎকার সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি চাইলেই ক্ষমতা নিতে পারতেন। রাজপথে আমরা ৭ নভেম্বর যা দেখেছি, তা যদি কোনো অর্থ বহন করে থাকে, তাহলে এটাই প্রমাণ দেয়, জিয়ার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।’
রাজপথে মি. বোস্টার সেদিন যা দেখেছিলেন, তা আর কারও কাছে অর্থ বহন করুক আর না করুক, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাছে খুবই অর্থবহ ছিল। সেনাবাহিনীর একজন জনপ্রিয় মানুষই তাঁরা খুঁজছিলেন। তা তাঁরা পেয়ে গেলেন ৭ নভেম্বর। শুধু বোস্টার পাননি, বাংলার মাটির বাম ও অতি ডান সংগঠনের নেতারাও পান। জিয়ার নিজের কোনো শক্তি ছিল না। তাঁর শক্তির উৎস ছিল সোভিয়েত বলয়ের বাইরের গোটা পুঁজিবাদী বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্য এবং দেশের ভেতরের বিভিন্ন ক্ষুদ্র শক্তি। চীন তাঁর পক্ষে দাঁড়ায়। তা ছাড়া ১৯৭৫-৭৬-এ দেশের ভেতরে জিয়ার এতই বন্ধু ছিলেন, যাঁদের সংখ্যা প্রথম আলোর বন্ধুসভার সদস্যদের চেয়ে বেশি।
১৬ নভেম্বর জিয়ার সমর্থনে এগিয়ে আসে পাঁচটি বাম সংগঠন: পূর্ব বাংলার সাম্যবাদী দল (এম-এল), পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি, পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এল-এম), পূর্ব বাংলার গণবিপ্লবী পার্টি এবং কমিউনিস্ট কর্মী সংঘ। তারা তাদের ‘ভারত-রাশিয়ার নয়া চক্রান্তকে ব্যর্থ করুন’ শীর্ষক প্রচারপত্রে বলে: ‘জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর মূল নেতৃত্ব ভারতের এজেন্ট হিসেবে বিশ্বাসঘাতক ও দেশদ্রোহিতার ভূমিকা পালন করলেও বহু দেশপ্রেমিক তাঁদের সমাজতন্ত্র ও ভারতবিরোধী স্লোগানের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে এখনো সেই সংগঠনে অবস্থান করছেন। তাঁদের কাছে আমাদের আহ্বান, আপনারা দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজ দলের নেতৃত্বের কার্যকলাপ বোঝার চেষ্টা করুন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করুন।’
১৪ নভেম্বর পূর্ব বাংলার সাম্যবাদী দল এক প্রচারপত্রে বলে: ‘জাসদের অভ্যন্তরস্থ দেশপ্রেমিক ভাইদের প্রতি আমাদের আহ্বান; আপনারা সংগঠনের ভিতরের বিশেষ করে ভারত-রাশিয়ার ও অপর বিদেশি শক্তির দালালদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, তাদের বিতাড়িত করুন।...হিন্দু ভাইবোনদের প্রতিও আমাদের বিশেষ আহ্বান; আপনাদের দুঃখ-দুর্গতি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদ্বেষমূলক আচরণ থেকে মুক্তি লাভের জন্য ভারতের ইন্দিরা সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবেন না।’
জিয়ার সেদিন কোনো দল ছিল না, তাঁর কাজ অন্য দলের নেতারাই করে দেন। পূর্ব বাংলার গণবিপ্লবী পার্টি, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, বিভিন্ন ছাত্র, যুব ও শ্রমিক সংগঠন; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নেতারা জিয়ার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ান। কোনো কোনো সংগঠনের প্রচারপত্রের ভাষা লোমহর্ষক অথবা ঘৃণা উদ্রেককারী। সফিউল্লাহ যে বলেন, জিয়া কিচ্ছু না, সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন, তা বড়ই করুণ শোনায়। দেশের ভেতরে তাঁর জনপ্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা না থাকলে আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি ওআইসি গঠিত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনার একজন নেতা নির্বাচিত হতেন না।
শত্রুকে নিন্দা করারও একটা ভাষা আছে, একটা রীতি আছে। তার বাইরে গিয়ে কিছু করলে শত্রু উপকৃত হয়। শেখ হাসিনাকে খুশি করতে গিয়ে অনেকেই যা করছেন, তাতে জিয়ার উপকার হচ্ছে।
আরেকটি কথা বলে শেষ করতে চাই। বাংলার সংগ্রামী রাজনীতির ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে। দেশের বারো মাসের নয় মাসের সংবাদপত্র পড়ে মনে হবে—এই দেশের নেতা হলেন কয়েকজন ক্ষমতালোভী ও নষ্ট সেনা কর্মকর্তা। প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকদের কোনো প্রচার নেই। মিডিয়ায় জামায়াত নেতা গোলাম আযম ও বিভিন্ন চরের পীরেরা যে প্রচার পান, তার এক শ ভাগের এক ভাগ পান না তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতা শেখ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। মিডিয়াকে নজরুলের কথাটা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই: দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 22
(113)
- প্রশাসন-আমলাতন্ত্র, তোমাকে সালাম! by ফারুক ওয়াসিফ
- মিডিয়া ভাবনা-চাই সংবাদ জাদুঘর, নিউজিয়াম by মুহাম্ম...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-ক্ষতিপূরণ আদায়ে নতুন আইনি কাঠামো ...
- শিক্ষার্থীরা কবে শিক্ষাজীবন ফিরে পাবে?-আইলা-আক্রান...
- গণতন্ত্র ও শান্তির জয় হোক-মুক্ত অং সান সু চি
- চারদিক-‘গীতাঞ্জলি’র এক শ বছর by এম এম খালেকুজ্জামান
- কৃষি-বাংলাদেশের কৃষক বিজ্ঞানী by শাইখ সিরাজ
- সপ্তাহের হালচাল-জলবায়ু পরিশোধনের একটি ব্যতিক্রমী প...
- পোশাকশিল্প-নতুন বেতনকাঠামোতে বোনাস কেন নয়? by খন্দ...
- জ্বালানি-গ্যাস দিগন্তে বাপেক্সের নতুন আশা by বদরূল...
- চিরকুট-পাতালপুরীর মন্ত্র by শাহাদুজ্জামান
- সাদাসিধে কথা-কারিগরি শিক্ষা সবার জন্য by মুহম্মদ জ...
- জনগণের অর্থের অপচয় মেনে নেওয়া যায় না-নদী খনন, না প...
- বিশিষ্ট নাগরিকদের আহ্বান আমলে নিন-লেজুড় সংগঠন নয়
- স্বাধীনতাস্তম্ভ নিয়ে জটিলতা নয়
- একটি উত্তম সিদ্ধান্ত
- পবিত্র কোরআনের আলো-খ্রিস্টানরা একত্ববাদ থেকে বিচ্য...
- কলকাতা বইমেলা এবং পিকনিক স্পট by সুব্রত আচার্য্য
- ইভ টিজিং : সভ্যতা-মানবতার কলঙ্ক by সি এ খান
- স্মরণ-মনে পড়ে রেজা-ইকবালকে? by মহিউদ্দিন কাউসার
- রাজনীতি-রাজপথ কোনটি রক্ষা করবে, দেশ না বাড়ি? by এ ...
- ধর্ম-জমজমের পানি ও কূপের ইতিবৃত্ত by মুহাম্মদ আবদু...
- যানজট নিরসন-বিবেচনার জন্য একটি প্রস্তাব by মোহাম্ম...
- মত দ্বিমত-ক্ষুদ্রঋণের জালে বিপর্যস্ত গরিব মানুষ by...
- মত দ্বিমত-সুদের হার বেঁধে দেওয়া কতটা যৌক্তিক by সা...
- নজর দিতে হবে সমস্যার গোড়ায়-নারীর প্রতি সহিংসতা
- অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধ করুন-ঈদুল আজহা সামন...
- বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে মহাজোট সরকারের আশু করণীয় by...
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-১১)-সিনেমাই ছিল বিনোদনের...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-শহীদ এম এন লারমার সংগ্রাম by সোহরাব হ...
- রাজনৈতিক সংস্কৃতি-আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ‘কাজ’...
- প্রতিক্রিয়া-‘প্রকৌশলী-স্থপতিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে’ by...
- ওবামা ও ভারত-কাশ্মীরের অসন্তোষের ফল by অরুন্ধতী রায়
- খোলা চোখে-ওবামা এবার কী করবেন? by হাসান ফেরদৌস
- সংসদীয় কমিটির উদ্বেগকে আমলে নিন-পদোন্নতির ক্ষেত্রে...
- ভুয়া সনদধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন-মুক্তিযোদ্ধা...
- স্মরণ-শরীফ হোসেন : দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বইমেলার জনক...
- শেকড়ের ডাক-উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় জনজীবন : সরকার উদাসীন b...
- যুগের বাণী-বাংলা ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি-মাসে বিবেকী...
- রিট খারিজ, উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার কিনতে হবে
- আশুলিয়ায় বেশির ভাগ শ্রমিক কাজে ফিরেছে-'ন্যায্য দাব...
- চারদিক-রমনা-নিসর্গের স্থপতি by মোকারম হোসেন
- সপ্তাহের হালচাল-বেতন-বোনাস দিন, ট্রেড ইউনিয়নও দিন ...
- এই দিনে-স্মৃতিতে নূর হোসেন by মো. মাসুদ
- নূর হোসেন যেভাবে আমাদের হলো by পাভেল রহমান
- ওবামার এশিয়া সফর-ওবামা জানেন, এশিয়ায় মার্কিন আধিপত...
- সরল গরল-বিচারক নিয়োগ স্থগিত রাখা দরকার by মিজানুর ...
- ক্যাম্পাসগুলোতে ‘শিয়াল-মুরগি’ খেলা থামান-দখলবাজদের...
- দ্রুত বিধি প্রণয়ন ও লোকবল বাড়ানো হোক-মানবাধিকার কম...
- পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন আজ-পিপিপি প্রার্...
- প্রণবের প্রতিদ্বন্দ্বী সাংমা-প্রণব-মমতা বিরোধের সু...
- রাজনৈতিক তৃতীয় শক্তিকে স্বাগত অরাজনৈতিক হলে প্রতির...
- সম্পাদকের কলাম-বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী by ইমদ...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-মুজাহিদের বিচার শুরু
- এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ-মানবপাচার পরিস্থিতির আরো উন্...
- চারদিক-ডলুছড়ার শান্ত পল্লি by আকমল হোসেন
- স্মরণ-সিদ্ধার্থ শংকর রায়: মহৎ মানুষের মহাপ্রস্থানে...
- গদ্যকার্টুন-রবির আলো, আইওয়াতেও by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-নভেম্বর উপাখ্যানের এপিঠ-ওপিঠ by সৈয়দ আ...
- জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে কবে?-রাস্তা ...
- বাড়ি বানানোর নামে গণবিধ্বংসী মৃত্যুফাঁদ বানানো থাম...
- গ্রামীণ অর্থনীতি-ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে কী হচ্ছে by শিবনার...
- বয়স ১৭ মাস by ইকবাল জুমি
- শপিং মলে কেনাকাটা by ইয়াসমিন আক্তার
- ফ্যাশনেবল by রোদেলা হাসান
- দুয়ারে এসেছে পাঠকসংখ্যা-বাংলার ঘরে ঘরে আনন্দের ফোয়ারা
- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক-অ্যাল...
- শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা by নু...
- শখের সেই শার্কি
- দেশকে তুমি কী দিয়েছ by ফারুক নওয়াজ
- বর্ণচোরা by আমীরুল ইসলাম
- ভারি মজা তো! by ধ্রুব এষ
- ভূত আমার বন্ধু by সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ক বি তা-দু খণ্ড by সানাউল হক খান
- রূপক কাহিনি by লুনা রুশদী
- শিকাগো থেকে সিয়াটল-গাহি বাংলার জয়গান by সাইমন জাকা...
- শিল্পীর ভুবন-বহুবর্ণিল জটিলতার সরল স্বীকারোক্তি by...
- চারুশিল্প-মেঘ বৃষ্টি জল by মোবাশ্বির আলম মজুমদার
- চারদিক-তালা-চাবির কারিগর by কিঙ্কর আহ্সান
- যুক্তি তর্ক গল্প-নাগরিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে by আ...
- ধর্ম-মাদক প্রতিরোধে ধর্মীয় অনুশাসন by মুহাম্মদ আবদ...
- প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল কই?-ব...
- একি ব্যাপক দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক রূপ!-তিতাসের ১০...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-নিয়মনিষ্ঠ হওয়ার আহ্বান
- রিও+২০-উন্নয়নকে টেকসই করার বড় সুযোগ এ সম্মেলন by ই...
- নীতিমালা চূড়ান্ত-চিকিৎসকদের শিক্ষাছুটির রাশ টেনে ধ...
- এ গ্রেট স্টোরিটেলার by আনিসুল হক
- ইতিহাসের উপাদান মানবিক দলিল by আনিসুজ্জামান
- এসইসির ২সিসি ধারা চ্যালেঞ্জ করে করা সব রিট খারিজ
- পদ্মা সেতু প্রসঙ্গ-দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত তথ্য ...
- প্রভাবশালী খেলাপিদের গ্যাসলাইন কাটা হয় না by অরুণ ...
- শেয়ারবাজারে আবার দরপতন-ধস ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা ...
- চরাচর-সিটি কলোনির দলিত নারীরা by তামান্না ইসলাম অলি
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৮১)-'আবার আসিব ফিরে ...'...
- বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৪ বছর by মেজর শেখ মাসুমুল হাসান (...
- সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে -ড. ইউনূসের বক্তব্য
- রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী-পরতে পরতে তাহার পরশ by আতিকু...
- দূর থেকে ভেসে আসে... by অজয় দাশগুপ্ত
- রবীন্দ্রভাবনায় কৃষকের অধিকার by আতিউর রহমান
- জিজ্ঞাসা আজ নিজের কাছেই by হাসান আজিজুল হক
- রবীন্দ্রজন্ম সার্ধ শতবার্ষিকী-জয় হোক জীবনের, সত্যে...
- তাইওয়ানের মুসলমানদের হালচাল by জহির উদ্দিন বাবর
- মৌসুমি ফল আল্লাহর নিয়ামত by হাবীবুর রহমান খান
- আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা by মাওলানা শাহ আবদুস সাত্তার
- শ্রমিক নির্যাতন রোধে ইসলামের বিধান by মুফতি এনায়েত...
- একা! by সুভাষ সাহা
- ভারত-মেড ইন দিলি্লই হচ্ছেন দিলি্লর অধীশ্ব by পার্থ...
- হৃদয়নন্দন বনে-কুশিক্ষার পঙ্কিল আবর্ত থেকে আকাশের আ...
- ওষুধের দাম-সম্প্রসারিত ও কার্যকর তালিকা চাই
- শেয়ারবাজার-রক্তক্ষরণ কে থামাবে?
- সেলাই করা খোলা মুখ-আপনি বড়ই ভাগ্যবান মোজাফ্ফর আহম...
- কারিনার বদলে দীপিকা
-
▼
Jun 22
(113)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment