Monday, October 19, 2026
ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী কে এই মেহরদাদ আখলাঘি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই ইরানের পার্লামেন্ট অধিবেশন অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে আখলাঘির মনোনয়নের পক্ষে ২৩৭ আইনপ্রণেতা ভোট দেন, আর বিপক্ষে ভোট দেন ১৫ জন।
ফেব্রুয়ারির যুদ্ধের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ ইরানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর পর থেকে মজিদ ইবনে-রেজা সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এখন তিনি উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন।
আখলাঘির প্রযুক্তিগত দক্ষতা
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আখলাঘির মূল দক্ষতা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিন, অ্যারোস্পেস প্রযুক্তি ও সামরিক পণ্য উৎপাদনে। এর আগে তিনি শাহিদ বাঘেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ, অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন ও ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আখলাঘি ও তাঁর পরিচালিত এই সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়ও রয়েছেন।
ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ‘তাসনিম’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক দশকে ইরানের বেশ কিছু বড় ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উন্নয়ন প্রকল্পে আখলাঘি সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ইরানের বিখ্যাত ‘সেজিল’ ও ‘জুলফিকার’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘আলমাস’ ক্ষেপণাস্ত্র ও গাইডেড বোমা ‘ইয়াসিন’-এর মতো নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্র তৈরিতে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।
এ ছাড়া সেমনানের ইমাম খোমেনি স্পেস সেন্টারের মহাকাশ যান ও গবেষণা রকেটের অবকাঠামো উন্নয়নেও আখলাঘি কাজ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের সামরিক শিল্প অবকাঠামো পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণের মূল দায়িত্ব এখন আখলাঘির ওপর।
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এ–সম্পর্কিত সংস্থাগুলোতে আখলাঘির ৪২ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাগুলো আগেই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তৃপক্ষ, প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির অনুমোদন পেয়েছে।
পার্লামেন্টে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কোনো দেশের ওপর আগ্রাসনকারী প্রথম পক্ষ হবে না। তবে যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় শেষনিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করবে।’
কৌশলগত লক্ষ্য ও মার্কিন হুমকি
চলতি মাসের শুরুতে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আখলাঘির এই মনোনয়ন মূলত কৌশলগত অস্ত্র, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রযুক্তির গুণগত ও সংখ্যাগত বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তারই প্রতিফলন।
যুক্তরাষ্ট্র বারবার দাবি করে আসছে, তারা ইরানের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতার বেশির ভাগ ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, মার্কিন বা ইসরায়েলি বোমার নাগালের বাইরেও তাদের পর্যাপ্ত আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বহাল রয়েছে এবং যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে সেগুলো আরও উন্নত করা হচ্ছে।
আখলাঘির হুঁশিয়ারি
গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দেন আখলাঘি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা (মাদার অব অল বোম্বস) ফেলার হুমকির জবাবে আখলাঘি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি এবং সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে আমাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’
আখলাঘি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এখন চিন্তা করতে হবে, কীভাবে তিনি এই অঞ্চল থেকে তাঁর বাহিনীকে বহাল তবিয়তে ফিরিয়ে নেবেন। তিনি যদি এখানে একটি বোমাও ফেলেন, তবে তাঁর কতজন সেনাকে কফিনে করে ফেরত নিতে হবে, তা তিনি নিজেই দেখতে পাবেন।
আখলাঘি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ও যুদ্ধ–পরবর্তী সামরিক প্রয়োজন ভালোভাবে বোঝার জন্য তিনি আইআরজিসির প্রধান জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদিসহ শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন। তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে সামরিক শিল্পের দ্রুত বিকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তির সংযোজন এবং সশস্ত্র বাহিনীর কল্যাণ ও আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো।
![]() |
| ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি। ছবি: প্রেসটিভির ভিডিও থেকে নেওয়া |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লন্ডনে আজানের সম্মিলিত ধ্বনি
‘কসমিক ব্রেথ’ নামের এই শিল্পকর্মে ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক আজানের রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি, মানুষের সংযোগ ও প্রতিবাদের গল্প তুলে ধরেছেন লেবানিজ বংশোদ্ভূত মার্কিন শিল্পী ও সুরকার জো নামি। শনিবান (১৭ অক্টোবর) আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের কাছাকাছি ইব্রাজের ‘মুসাল্লা’ নামের একটি স্থানে স্থাপনাটি প্রদর্শিত হচ্ছে। এখানে বিভিন্ন হর্ন স্পিকারের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক আজানের রেকর্ডিং শোনানো হয়। নামাজের সময় শব্দের মাত্রা বাড়ানো হয়, যাতে পুরো কক্ষে আজানের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে।
২০২৩ সালে সৌদি আরবের জেদ্দায় ইসলামিক আর্টস বিয়েনালের জন্য প্রথম এই শিল্পকর্ম তৈরি করা হয়। স্থাপনাটির স্থানিক নকশায় সহযোগিতা করেন স্থপতি ও শিল্পনির্দেশক সুমাইয়া ভ্যালি।
জো নামির মতে, শব্দ মানুষের জীবন, সমাজ ও আধ্যাত্মিকতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পৃথিবীর কোনো না কোনো স্থানে প্রতিনিয়ত আজান হচ্ছে এই ভাবনা থেকেই শিল্পকর্মটির ধারণা আরও গভীর হয়েছে। তার ভাষায়, বিভিন্ন দেশের আজানের স্বতন্ত্র সুর, উচ্চারণ ও পরিবেশের মধ্য দিয়ে মানুষের বিশ্বাসের বৈচিত্র্য ফুটে ওঠে।
এই প্রদর্শনীতে রয়েছে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় লন্ডনের ওয়ালথামস্টো এলাকায় প্রচারিত আজানের রেকর্ডিংও। সামাজিক দূরত্বের কারণে মানুষ যখন একত্র হতে পারছিল না, তখন এই আজান স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংযোগের অনুভূতি তৈরি করেছিল।
শিল্পকর্মটিতে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম থেকে উনিশ শতকের শেষভাগের বলে বিবেচিত একটি ঐতিহাসিক রেকর্ডিং, জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ, সিঙ্গাপুরের সুলতান মসজিদ এবং সুদানের খার্তুমের আজানও রয়েছে। পাশাপাশি জর্জিয়ার তিবলিসি, ফিলিপাইন, জাপান ও আলজেরিয়ার সাহারাউই শরণার্থীশিবিরের রেকর্ডিং স্থান পেয়েছে।
‘কসমিক ব্রেথ’-এর ধারণার পেছনে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি প্রতিবাদও। ২০২০ সালে ডারবানে প্রকাশ্যে আজান প্রচারে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে একটি আন্তঃধর্মীয় কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
করোনা বিধিনিষেধের কারণে মানুষ গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হন এবং গাড়ির স্পিকারে আজান বাজান। সেই সম্মিলিত ধ্বনির রেকর্ডিং থেকেই শিল্পকর্মটির প্রাথমিক ভাবনা তৈরি হয়।
নামির মতে, লন্ডনের বর্তমান সামাজিক পরিবেশে এই শিল্পকর্ম ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি নিয়ে ভাবনার পাশাপাশি মানুষের জন্য শান্তি ও সংযোগের একটি পরিসর তৈরি করছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
![]() |
| লন্ডনের ইব্রাজের মুসাল্লায় জো নামির ‘কসমিক ব্রেথ’ শিল্পকর্মে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের আজানের রেকর্ডিং শোনানো হচ্ছে। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনে তীব্র হচ্ছে লড়াই, বাড়ছে বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ
জাতিসংঘের সংস্থা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, লড়াইয়ের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ২ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ।
ইয়েমেনে পশ্চিমা সমর্থিত সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রোববার মারিব শহর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হুথিরা। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় তায়েজে অগ্রগতির দাবি করেছে সরকারি সেনারা।
পশ্চিমা সমর্থিত সরকারপন্থি কমান্ডারদের ভাষ্য, শনিবার লাহিজ প্রদেশে সংঘর্ষে আট সেনা নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ তাইজে ১২ জন হুথি যোদ্ধাকে হত্যার দাবিও করেছে সরকারি বাহিনী। তবে হতাহতের এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
গত মাসে লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় হুথিদের অগ্রগতির পর যুদ্ধের এই নতুন পর্যায় শুরু হয়। হুথিদের দখলে থাকা ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পাল্টা অভিযান শুরু করে সরকারি বাহিনী। ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নেয় হুথিরা।
এদিকে ইয়েমেনে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)। সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে নিয়ে গঠিত এই জোট গত রোববার এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের প্রতি সমর্থন জানায়।
বাহরাইনের রাজধানী মানামায় জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর বিবৃতিটি দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, জোটের কোনো একটি সদস্যদেশের ওপর হামলা হলে তা ছয়টি দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা উল্লেখ করে নিজেদের সুরক্ষায় সৌদি আরবের পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকারের প্রতি সমর্থন জানানো হয়।
সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি, রোববার ভোরে রিয়াদ ও সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের কাছে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে রাজধানীর কাছে আরেকটি ড্রোন প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে জোটটি। তবে আগের ড্রোনটি কারা পাঠিয়েছিল, তা জানানো হয়নি।
উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা হুথিদের বিরুদ্ধে বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রাণঘাতী হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন। তারা গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোরভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের প্রতি হুথিদের আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গত ১৫ অক্টোবর এক বিবৃতিতে সৌদি আরবে হুথিদের হামলা এবং লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের প্রতি হুমকির নিন্দা জানায়। জিসিসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ওই বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।
ইয়েমেনের পশ্চিমা সমর্থিত সরকারও হুথিদের হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং অক্টোবর মাসের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি আগলিয়া বালতাকে পাঠানো চিঠিতে এ আহ্বান জানানো হয়। চিঠিতে ইয়েমেনের অস্থায়ী সরকারি সদর দপ্তর এডেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হামলার কথা উল্লেখ করেছে সরকার।
রোববার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান আল সৌদ। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।
তাইজে বাড়ছে খাদ্য ও চিকিৎসাসংকট
যুদ্ধের কারণে ইয়েমেনে ২ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা। তাদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার তায়েজ প্রদেশের বাসিন্দা। সেখানে লড়াইয়ের কারণে সরবরাহের পথগুলো ব্যাহত হয়েছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদক হাদিল আল-ইয়ামানি তায়েজ থেকে জানিয়েছেন, শহরটির পশ্চিম প্রবেশপথ দিয়ে পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে হুথি বাহিনী। ফলে রান্নার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। খাদ্যের মজুতও দ্রুত কমে আসছে।
অবরোধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী স্থানীয় একটি কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শহরটিতে খাদ্যের দাম পাঁচ গুণ বেড়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে বলেছে, তাইজের ১২টি হাসপাতালে আর মাত্র চার দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। হাসপাতালগুলোতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও শেষ হয়ে গেছে। শহরটিতে কলেরার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে অক্সিজেন ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে রোগীদের চিকিৎসা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
![]() |
| তাইজ প্রদেশে পশ্চিমা সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিচ্ছেন একজন ইরান সমর্থিত হুথি যোদ্ধা। ছবি: ইপিএ |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলের নির্বাচনে ‘কিং মেকার’ হতে পারে আরব দলগুলো
২০২১ সালে রা’আম’ ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। একটি বৃহত্তর জোটে যোগ দিয়ে প্রথম আরব দল হিসেবে ইসরাইলি সরকারের অংশ হয়েছিল তারা। এর ফলে সাময়িকভাবে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয়েছিল।
দলটির নেতা মানসুর আব্বাস এবারও বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে দর-কষাকষির সুযোগ ধরে রাখতে চান। তবে নেতানিয়াহু ও প্রধান বিরোধী নেতারা আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি প্রচারণায় দাবি করছে, তিনি ক্ষমতাচ্যুত হলে আরব দলগুলোই বিরোধী সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে যে, নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টি এবং তার নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থি জোটের সঙ্গে জায়নবাদী বিরোধী জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। ১২০ সদস্যবিশিষ্ট ইসরাইলি পার্লামেন্টে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার অবস্থানে নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলের রাজনীতিতে ডানপন্থিদের প্রভাব আরো বেড়েছে। আরব দলগুলোকে ওই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। সেপ্টেম্বরে ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি রা’আম ও জয়েন্ট লিস্টকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করলেও ২ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
নির্বাচনে নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের মিত্র অতি-গোঁড়া ইহুদি দল শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমও চাপের মুখে রয়েছে। বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ থেকে ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের অব্যাহতি এবং সরকারি ভর্তুকি নিশ্চিত করার দাবিতে দল দুটির সঙ্গে লিকুদের বিরোধ তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা তাদের বিরুদ্ধে সামরিক দায়িত্ব এড়ানো ও বিপুল রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগের অভিযোগ তুলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনে আরব দল ও কট্টর ইহুদি দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এসব দলের সঙ্গে জোট বা সমঝোতা করতে গিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও সমর্থকদের প্রত্যাশার মধ্যে কঠিন ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দিল ১০ মসজিদ
রাজ্যটিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে বাঙালি মুসলিমদের লক্ষ্য করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।
অভিযানের দ্বিতীয় দিন রোববার নগাঁও জেলার লুটুমারি লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চল কর্তৃপক্ষ ছয় শতাধিক মুসলিম পরিবারের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিবারগুলো বনভূমির জমি অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করছিল।
এর আগের দিন শনিবার তিন জেলায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে নগাঁও জেলায় ৩৩৬টি, হোজাইয়ে ১৫২টি এবং গোলাঘাটে ৫৯টি পরিবার রয়েছে।
লুটুমারিতে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলো সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৩০০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে কয়েক দশক ধরে বসবাস করে আসছিল।
সংবাদমাধ্যম স্ক্রলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দারা জমি দখলের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, তারা মূলত বন বিভাগের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং সরকারই তাদের সেখানে বসতি স্থাপনের ব্যবস্থা করেছিল।
গত জুনে অল ইন্ডিয়া ইউনিয়ন অব ফরেস্ট ওয়ার্কিং পিপলস আসাম সরকারকে লুটুমারি লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গ্রামবাসীদের উচ্ছেদের পরিকল্পনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিল। সংগঠনটির যুক্তি ছিল, ওই এলাকার চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের ঔপনিবেশিক আমলে চালু হওয়া বন ব্যবস্থাপনার ‘তাউঙ্গিয়া’ পদ্ধতির আওতায় সেখানে বসতি স্থাপন করা হয়েছিল। তাই তাদের সাধারণ অবৈধ দখলদার হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
রোববার উচ্ছেদ অভিযানে বাড়িঘর হারানো লুটুমারির ৪৪ বছর বয়সী বাসিন্দা আবদুল নূরকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ‘১৯৭৪ সালে সরকার আমাদের এখানে বসতি স্থাপনের ব্যবস্থা করেছিল। আমরা মূলত কাছের জুরিয়া শহরের বাসিন্দা। আমাদের পূর্বপুরুষেরা ভূমিহীন ছিলেন বলে সরকার আমাদের এখানে বসতি গড়ার ব্যবস্থা করে। সব মিলিয়ে ৩০০টি ভূমিহীন পরিবারকে চার বিঘা করে জমি দেওয়া হয়েছিল।’
এদিকে, উচ্ছেদ অভিযানে ১০টিরও বেশি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে স্ক্রল-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মসজিদ ৫০ বছরেরও বেশি পুরনো।
সূত্র: মাকতুব মিডিয়া
![]() |
| ছবি: মাকতুব মিডিয়া |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় তীব্র খাদ্য সংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি: ডব্লিউএফপি
সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, খাদ্য সহায়তার রেশন অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। অর্থ সংকটের কারণে সহায়তা কার্যক্রম এক-তৃতীয়াংশ কমাতে বাধ্য হয়েছে ডব্লিউএফপি। এর ফলে গাজার প্রায় ৫ লাখ ফিলিস্তিনি খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর শন হিউজ বলেন, ‘মানুষ এখনো নিরাপদ নয়। প্রতিদিনই বিমান হামলা চলছে। মানুষকে এখনো বাস্তুচ্যুত হতে হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, প্রায় সবারই বসবাসের জন্য কোনো স্থায়ী ঠিকানা নেই। আর মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
এদিকে, ইসরাইল গাজা উপত্যকায় বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে খাদ্যসহায়তা কমানোর এ সিদ্ধান্ত এসেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় যিশুর ক্রুশ পড়ে প্রাণ গেল যাজকের
নিহত যাজকের নাম পাত্রিসিও আলফ্রেদো সানচেজ মোলিনারি। তিনি বেদিতে দাঁড়িয়ে প্রার্থনার সময় পবিত্র কমিউনিয়ন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় তার পেছনে থাকা বড় কাঠের ক্রুশটি হঠাৎ সামনে পড়ে তার ওপর আঘাত করে।
ঘটনার ভিডিওতে গির্জার ভেতরে উপস্থিত লোকজনের চিৎকার এবং তাকে বাঁচাতে ছুটে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওতে এক নারীকে অ্যাম্বুলেন্স ডাকার অনুরোধ করতেও শোনা যায়।
গুয়ায়াকিলের আর্চডায়োসিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে যাজকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তিনি ওই গির্জার দায়িত্বপ্রাপ্ত যাজক ছিলেন।
ইকুয়েডরের সংবাদমাধ্যম প্রিমিসিয়াস জানিয়েছে, ঘটনার মাত্র এক দিন আগে যাজকের ধর্মযাজক হিসেবে অভিষেকের বার্ষিকী উপলক্ষে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছিল আর্চডায়োসিস।
যাজক সানচেজ মোলিনারি রেডেম্পটরিস্ট নামে পরিচিত ধর্মীয় সংগঠনের সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি ইকুয়েডরের লস রিওস প্রদেশের ভিনসেস শহরের সান লরেঞ্জো গির্জায় কয়েক বছর দায়িত্ব পালন করেন।
ক্রুশটি কী কারণে পড়ে গিয়েছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। গির্জা কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।
সূত্র: ফক্স নিউজ
![]() |
| ক্রুশ পড়ে নিহত হন ক্যাথলিক যাজক পাত্রিসিও আলফ্রেদো সানচেজ মোলিনারি। ছবি: পাত্রিসিও সানচেজের ফেসবুক |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টি-রেক্সের মুখে কয়টি দাঁত ছিল by শিউলী সুলতানা
নতুন এক কম্পিউটার মডেলিং স্টাডি বলছে, আমরা টি-রেক্সকে যতটা বিশাল ভাবতাম, এরা আসলে তার চেয়েও বড় ছিল! বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, জীবাশ্ম বা ফসিল রেকর্ড দেখে আমরা যে ওজন অনুমান করতাম, বাস্তবে টি-রেক্স তার চেয়েও ৭০ শতাংশ বেশি ভারী হতে পারে।
ভাবতে পারছ! এমনিতেই এরা ছিল বিশাল, তার ওপর যদি ওজন আরও ৭০ শতাংশ বেড়ে যায়, তবে এই দানবীয় শরীর টিকিয়ে রাখতে এদের কী পরিমাণ খাবার লাগত? আর সেই খাবার শিকার করার জন্য ওদের মুখের দাঁতগুলো কেমন ছিল?
চলো সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগে একটু ঢুঁ মেরে জেনে নেই, টি-রেক্সের দাঁতের ব্যাপারে। বিশেষ টি-রেক্সের কয়টি দাঁত ছিল?
টি-রেক্স কী খাবার খেত
দাঁতের হিসাবে যাওয়ার আগে দেখা যাক এরা খেত কী। টি-রেক্সের সময়পর্বটা ছিল শিকারের জন্য স্বর্গরাজ্য। এরা ছিল অত্যন্ত সক্রিয় বা অ্যাকটিভ প্রিডেটর। কখনো ওত পেতে বসে থাকত, আবার কখনো শিকারকে ধাওয়া করত।
এদের খাদ্যতালিকায় বাছবিচার ছিল না। ট্রাইসেরাটপস বা এডমন্টোসরাসের মতো বিশাল সব ডাইনোসর তো ছিলই, এমনকি অন্য প্রজাতির টিরানোসরাসকেও এরা খেয়ে ফেলত। বিজ্ঞানীরা টি-রেক্সের পেটের জীবাশ্ম বা ফসিল পরীক্ষা করে বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছেন। দেখা গেছে, এরা প্রচুর ডাইনোসরের বাচ্চা খেয়ে ফেলত।
শুনতে নিষ্ঠুর মনে হলেও প্রকৃতির নিয়মেই এটা এদের জন্য ছিল ‘সহজ খাবার’। তবে শুধু বাচ্চা নয়, বিশাল সব দানব শিকার করে তাদের হাড়গোড় চিবিয়ে খাওয়ার ক্ষমতাও এদের ছিল। আর এই হাড় চিবানোর জন্যই দরকার ছিল বিশেষ একপাটি দাঁত।
মুখে কয়টা দাঁত ছিল
এখন আসি আসল প্রশ্নে। টি-রেক্সের ওই বিশাল মুখে ঠিক কতগুলো দাঁত সাজানো ছিল? বিজ্ঞানীদের মতে, একটি পূর্ণবয়স্ক টি-রেক্সের মুখে সাধারণত ৫০ থেকে ৬০টি দাঁত থাকত।
সংখ্যাটা শুনে হয়তো মনে হচ্ছে, মাত্র ৫০-৬০টা? মানুষেরই তো ৩২টা থাকে! কিন্তু সংখ্যা দিয়ে এদের বিচার করতে যাওয়া ভুল হবে। আসল খেলাটা ছিল দাঁতের আকারে।
এদের একেকটা দাঁত ছিল বিশাল বড়! টি-রেক্সের দাঁতের দৈর্ঘ্য ছিল ১৯ থেকে ৩০.৫ সেন্টিমিটার। পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর প্রাণী বলা হয় প্রাগৈতিহাসিক হাঙর মেগালোডনকে। কিন্তু তুমি জানলে হয়তো অবাক হবে, টি-রেক্সের দাঁত লম্বায় সেই মেগালোডনের দাঁতের চেয়েও বড় ছিল!
এই দাঁতগুলো শুধু লম্বাই ছিল না, এগুলোর দুই পাশ ছিল করাতের মতো খাঁজকাটা। অনেকটা আজকের দিনের মাংস কাটার ছুরির মতো।
টি-রেক্স হাড় গুঁড়া করত যেভাবে
কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবার মেরুদণ্ডী প্রাণী বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিন ব্রিঙ্ক বলেন, ‘টি-রেক্সের দাঁতগুলো অন্য ছোট থেরোপড ডাইনোসরদের চেয়ে অনেক বেশি মজবুত ছিল। এগুলো প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে পারত।’
কেন এত মজবুত ছিল? কারণ, ছোট আকারের মাংসাশী ডাইনোসররা ওদের দাঁত ব্যবহার করত মূলত মাংস ছিঁড়ে খাওয়ার জন্য। কিন্তু টি-রেক্সের কাজ শুধু মাংস ছেঁড়া ছিল না। এরা শিকারের হাড়সুদ্ধ চিবিয়ে গুঁড়া করে ফেলত। আর প্রায় ৩০ সেন্টিমিটারের একেকটা মজবুত দাঁত যখন করাতের মতো চেপে বসত, তখন শিকারের বাঁচার কোনো উপায়ই থাকত না।
বয়সের সঙ্গে কি টি-রেক্সের দাঁত বাড়ত
টি-রেক্সের দাঁত নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটা রহস্য অনেক দিন ধরেই ছিল। সরীসৃপজাতীয় প্রাণীদের ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের দাঁতের সংখ্যা বাড়ে। কিন্তু টি-রেক্সের ক্ষেত্রে মনে করা হতো উল্টোটা। বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, ছোট টি-রেক্সের দাঁত বেশি থাকে, আর বড় হলে কমে যায়।
কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় এই ধারণাটা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এত দিন যেগুলোকে বাচ্চা টি-রেক্স ভেবে ভুল করতেন, সেগুলো আসলে টি-রেক্স ছিলই না! ওগুলো ছিল সম্পূর্ণ আলাদা এক প্রজাতির ডাইনোসর। সেগুলোর নাম ন্যানোটাইরানুস।
যেহেতু ওই ছোট ডাইনোসরগুলো টি-রেক্সের বাচ্চা নয়, তাই টি-রেক্সের বয়স বাড়লে দাঁত কমে যায়, এই তত্ত্বটা আর ধোপে টেকে না। ক্রিস্টিন ব্রিঙ্কের মতে, অন্যান্য সরীসৃপের মতো টি-রেক্সের দাঁতের সংখ্যাও হয়তো বয়সের সঙ্গে বাড়ত অথবা একই থাকত। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের দাঁতগুলো আরও বিশাল এবং ভয়ংকর হয়ে উঠত।
সরীসৃপ ও ডাইনোসরদের একটা দারুণ সুবিধা হলো, ওদের দাঁত মানুষের মতো একবার পড়ে গেলেও হাহাকার করতে হতো না। আমৃত্যু এদের পুরোনো দাঁত পড়ে গেলে সেখানে নতুন দাঁত গজায়।
টি-রেক্সের ক্ষেত্রেও তাই হতো। প্রতিটি নতুন জেনারেশনের দাঁত আগেরটার চেয়ে একটু বড় এবং শক্তিশালী হয়ে উঠত। এভাবেই ধীরে ধীরে ওরা ওই ৬০টি দাঁতের মালিক হতো।
পৃথিবী থেকে টি-রেক্স হারিয়ে গেছে কোটি কোটি বছর আগে, কিন্তু তাদের সেই দানবীয় দাঁত আজও আমাদের ভাবায়—প্রকৃতি কতটা ভয়ংকর সুন্দর হতে পারে।
তথ্যসূত্র: আইএফএল সায়েন্স, ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবা, কানাডা
![]() |
| টি-রেক্স ডাইনোসরের প্রতীকী ছবি, টি–রেক্সের দাঁত ছিল ভয়ংকর। ছবি: আর্থ ডটকম |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্ত্রী-সন্তানসহ ছয় স্বজন হারিয়ে নির্বাক নূর আলম
উজিরপুর (বরিশাল) থেকে মাহফুজুর রহমান মাসুম জানান, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী, একমাত্র সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারিয়েছেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার নূর আলম। অফিসের জরুরি কাজে একদিন আগে কক্সবাজার থেকে চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসায় প্রাণে বেঁচে গেলেও মুহূর্তেই তার জীবনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। নূর আলম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়কোঠা ইউনিয়নের গাজীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত। চাকরির সুবাদে প্রায় আট বছর ধরে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ায় স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নূর আলমের স্ত্রী ফারিয়া কবির (৩৩) বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার মধ্যেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে তারা কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। গত ১৪ অক্টোবর স্ত্রী ফারিয়া কবির ও পাঁচ বছর বয়সি একমাত্র ছেলে ফাইজান নূরকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকায় যান নূর আলম। পরদিন বৃহস্পতিবার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন তারা।
কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর অফিসের জরুরি কাজ থাকায় শুক্রবার নূর আলম একাই চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন। কিন্তু পরদিন শনিবার সকালে গণমাধ্যমে কক্সবাজারের ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের খবর দেখে তিনি স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে জানতে পারেন, ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহতের মধ্যে ছয়জনই তার পরিবারের সদস্য।
নিহতরা হলেনÑনূর আলমের স্ত্রী ফারিয়া কবির (৩৩), তাদের পাঁচ বছর বয়সি ছেলে ফাইজান নূর, শ্যালক নাসির উদ্দিন (২৫) এবং তিন শ্যালিকা ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩)। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নাফিসতা মীম (২৭) নামের একজনের পরিচয়ও জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে মোট ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জন দগ্ধ হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
দগ্ধদের মধ্যে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন ও তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান, ইসমাইল হোসেন মাসুদ ও তার স্ত্রী মেহেরুন নেছা, মান্নান এবং সামিদা রয়েছেন। ইসমাইল হোসেন ও তার স্ত্রী মেহেরুন নেছা নিহত ফারিয়া কবিরের মামা-মামি। তাদের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ঠেটালিয়া গ্রামে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকেও রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ঝুঁকির কথা জানানো হয়েছে এবং এর আগে সতর্ক করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ছেলে বিয়ে করার পর আর গ্রামে আসেননি
নূর আলমের বাবা মোহাম্মদ আলী রাড়ি জানান, ছেলে বিয়ে করার পর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কখনই তাদের উজিরপুরের গ্রামের বাড়িতে আসেননি। নূর আলমের শ্বশুরবাড়ি পটুয়াখালীর তালতলীতে হলেও তার শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যরা ঢাকার বনশ্রী এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। মোহাম্মদ আলী রাড়ি বলেন, পুত্রবধূ, নাতি এবং ছেলের শ্যালক-শ্যালিকাসহ পরিবারের ছয়জনকে হারানোর খবর তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। লাশ আপাতত ঢাকায় দাফন করার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একসঙ্গে স্ত্রী, একমাত্র সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারিয়ে নূর আলম এখন নির্বাক। যে ভ্রমণ ছিল পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানোর আয়োজন, সেটিই পরিণত হয়েছে জীবনের সবচেয়ে বড় শোকে।
অফিসের জরুরি কাজে এক দিন আগে কক্সবাজার থেকে ফিরে আসায় নূর আলম বেঁচে গেলেও হারিয়েছেন তার সবচেয়ে কাছের ছয়জনকে। স্বজনদের সঙ্গে তোলা ছবিগুলো এখন তার কাছে শুধুই স্মৃতি।
নূর আলমের পরিবারের ছয় সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে বরিশালের উজিরপুরের গাজীরপাড় গ্রামসহ এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা থেকে মফিজুর রহমান জোয়ারদার জানান, ইনানী এলাকার একটি রিসোর্টে আগুন কেড়ে নিয়েছে একটি পরিবারের হাসি-খুশি দুই সদস্যের প্রাণ। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে গেছেন চুয়াডাঙ্গা শহরের দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা ফারিয়া কবীর (৩৩) এবং তার পাঁচ বছরের সন্তান ফাইজান। তাদের চিরবিদায়ে চুয়াডাঙ্গায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ফারিয়ার পৈতৃক বাড়ি ছিল বরিশালে। গত ১৪ অক্টোবর পরিবারের সবাই মিলে অবকাশযাপনে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু কে জানত এই আনন্দ ভ্রমণই তাদের জীবনের শেষ ভ্রমণ হয়ে থাকবে।
শনিবার সকালে ইনানীর ওই রিসোর্টটিতে হঠাৎ করেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ভয়াবহ রূপ নিলে ভেতরে আটকা পড়েন অনেকে। এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান মা ফারিয়া ও ছোট্ট ফাইজান। একই পরিবারের মা ও অবুঝ শিশুর এমন করুণ পরিণতিতে স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং এলাকাবাসীর চোখ আজ অশ্রুসিক্ত। আনন্দময় একটি ছুটি কীভাবে একটি পরিবারের জন্য চিরন্তন কান্নার কারণ হয়ে দাঁড়াল, তা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না কেউ।
মতলব উত্তর (চাঁদপুর) থেকে শেখ ওমর ফারুক জানান, ঢাকা থেকে কক্সবাজারে পাটুয়ারটেক টুকটুক রিসোর্টে ওঠে মতলব উত্তরের ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ ঠেটালীয়া গ্রামের রুহুল আমিন ঢালীর পরিবার। তারা একই পরিবারের ১০ জন ওই রিসোর্টে ওঠেন। ওই রিসোর্টে ২৮ জন অতিথি ছিলেন। তন্মধ্যে রুহুল আমিন ঢালির পরিবারের সদস্য ছিলেন ১০ জন। শনিবার টুকটুক রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে রুহুল আমিন ঢালির ছয় সদস্য আগুনে পুড়ে মারা যান।
মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ঠেটালীয়া গ্রামের রুহুল আমিন (লিলু) ঢালীর আত্মীয়র পরিবারের ১০ জনের মধ্যে ছয়জন নিহত হন। জীবিত চারজনের মধ্যে আহত রুহুল আমিন (লিলু) ঢালীর ছেলে মাসুদ, রুহুল আমিন লিলুর ছেলের স্ত্রী মেহেরুন নেছা মিলা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নুরে আলম ও আসিক সুস্থ আছেন। শনিবার সকাল ৭টায় টুকটুক রিসোর্টে আগুনে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান মতলবের রুহুল আমিন (লিলু) ঢালী।
![]() |
| ছবি: বেঁচে যাওয়া নূর আলম এবং আগুনে পুড়ে মুত স্ত্রী-সন্তান |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোপজুড়ে কেন বিক্ষোভ, কী চাইছেন তরুণেরা
ফ্রান্সে শিক্ষাব্যবস্থা ও ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ
ফ্রান্সে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর এক সপ্তাহ পর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। দীর্ঘ ক্লাসের সময়, শিক্ষকের ঘাটতি, জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অস্পষ্ট পদ্ধতি নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষক পদে শূন্যতা পূরণ না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে নিয়মিত কয়েক মাস পর্যন্ত পাঠদান থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়। এসব সমস্যার প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলনে পরে অন্যরাও যোগ দেন। তারা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বিশেষ করে জ্বালানির দাম নিয়ে ক্ষোভ জানান। যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ ও দাম নিয়ে উদ্বেগ আরো বেড়েছে।
ফ্রান্সের অন্যতম বৃহৎ শ্রমিক সংগঠন জেনারেল কনফেডারেশন অব লেবার (সিজিটি) বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সংগঠনটি দ্রব্যমূল্য কমানো, পেনশন বাড়ানো এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবি তুলেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর দুই মেয়াদের শাসনের শেষ পর্যায় চলছে। দেশটিতে আগামী ২০২৭ সালের এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা।
স্পেনে বাড়িভাড়া ও উচ্ছেদের প্রতিবাদ
স্পেনে গত সেপ্টেম্বরে বাড়ির দাম ও ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজপথে নামেন অধিকারকর্মীরা। ৮৭ বছর বয়সি মারিকারমেন আবাসকালকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটায়। একটি বিনিয়োগ তহবিল তার বাড়িভাড়া ২৩০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দুই সপ্তাহ পর মারা যান তিনি।
বিক্ষোভকারীরা বাড়িভাড়া কমানো, উচ্ছেদ বন্ধ এবং বিনিয়োগ তহবিলের আবাসন কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছেন।
স্পেনের সমাজতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ভাড়াটেদের সুরক্ষায় জরুরি আবাসন আইন পাসের চেষ্টা করেছিলেন। তবে পার্লামেন্টে ডানপন্থি ও উগ্রডানপন্থি দলগুলোর বিরোধিতায় আইনটি পাস হয়নি। এরপর ২৯ নভেম্বর আগাম নির্বাচনের ডাক দেন সানচেজ। সংস্কার কার্যকর করতে তার আরো বিস্তৃত প্রগতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনের আগে পার্লামেন্টের স্থায়ী পরিষদের মাধ্যমে আবাসনসংক্রান্ত কিছু অধ্যাদেশ পাস করাতে পারলে স্পেনের বিক্ষোভ কমতে পারে। সানচেজের সমাজতান্ত্রিক দল ও রক্ষণশীল পিপলস পার্টি—দুই পক্ষই আগামী নির্বাচনে জিতলে আরো বাড়ি নির্মাণ এবং আবাসন সংকট সমাধানে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পর্তুগালে বাড়ির দাম বেড়েছে ১২৪ শতাংশ
স্পেনের প্রতিবেশী পর্তুগালেও শনিবার আবাসন সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী লিসবনের কেন্দ্রীয় এলাকায় জড়ো হন শত শত মানুষ।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পর্তুগালে বাড়ির দাম বেড়েছে ১২৪ শতাংশ। এই বৃদ্ধির হার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। বাড়ির দাম ও ভাড়া সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় আবাসন সংকট এখন দেশটির অন্যতম বড় উদ্বেগ।
ইতালিতে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভ
ইতালির মিলানেও সংসার চালানোর ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবারের মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও পরে সহিংসতায় রূপ নেয়। মুখোশ পরা বিক্ষোভকারীরা দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত পুলিশের দিকে পাথর, পেভমেন্টের ব্লকসহ বিভিন্ন বস্তু ছোড়েন। বার ও রেস্তোরাঁর টেবিল দিয়ে তৈরি প্রতিবন্ধকতায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
ইতালিতে শনিবারই জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভের প্রথম দিন ছিল। এদিকে ফ্রান্সের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বেলজিয়ামেও বিক্ষোভ হয়েছে।
আলবেনিয়ায় দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাবের অভিযোগ
আলবেনিয়ায় প্রধানমন্ত্রী এদি রামার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ রোববার ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। দুর্নীতি, কর্মসংস্থানের অভাব এবং শিক্ষার নিম্নমান নিয়ে ক্ষোভ জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।
গত গ্রীষ্মে দেশটির উপকূলে একটি বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রকল্পটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সমর্থনপুষ্ট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিক্ষোভে কি পরিবর্তন এসেছে?
ফ্রান্সে শিক্ষকসংকট মোকাবিলায় আরো তিন হাজার অস্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বিদ্যালয় পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদেরও যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। আগামী বছরের বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু নিবন্ধন ফি বাড়ানোর যে পরিকল্পনা ছিল, তা-ও বাতিল করেছে সরকার।
সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি জ্বালানির দাম নিয়ে বিক্ষোভের পর নির্দিষ্ট কিছু শিল্প খাতে পেট্রলের ভর্তুকি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল ফরাসি প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
তবে এসব পদক্ষেপে বিক্ষোভ পুরোপুরি থামেনি। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সহিংসতার জন্য চরম বামপন্থি বিক্ষোভকারী ও লুটপাটকারীদের দায়ী করেছেন। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, সরকার আরো ছাড় দিতে আগ্রহী নয়।
ফ্রান্সে বিক্ষোভের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ভর করছে সরকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দাবির বিষয়ে কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তার ওপর।
স্পেনে আবাসনসংক্রান্ত কিছু প্রস্তাব পার্লামেন্টের স্থায়ী পরিষদের মাধ্যমে পাস করানো গেলে বিক্ষোভের চাপ কমতে পারে। তবে বাড়িভাড়া, আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের ক্ষোভ কত দ্রুত কমবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সব মিলিয়ে ইউরোপের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে ভিন্ন ভিন্ন দেশের স্থানীয় সমস্যা সামনে এলেও কয়েকটি বিষয়ে মিল রয়েছে। যেমন—তরুণদের শিক্ষার সুযোগ, কর্মসংস্থান, সাশ্রয়ী আবাসন এবং জীবনযাত্রার ব্যয়। এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তনের দাবিতেই রাজপথে নামছেন তারা।
![]() |
| প্যারিসের প্লাস দে লা রিপাবলিক-এ আয়োজিত এক বিক্ষোভের সময় কাঁদানে গ্যাসের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকারীদের হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদিতে হুতিদের মুহুর্মুহু হামলা: কিংডম সেন্টারের কর্মীদের বাধ্যতামূলক বাসা থেকে কাজের নির্দেশ
৯৯ তলাবিশিষ্ট এই ভবনের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ইমেইলে জানিয়েছে, সব অফিসকর্মীর জন্য দূর থেকে কাজ করা বাধ্যতামূলক। এ সময়ে কাউকে অফিসে না আসার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে ভবনটির নিচের অংশে থাকা বিপণিবিতান খোলা রয়েছে।
এর এক সপ্তাহ আগে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের বড় ধরনের হামলায় ১৩ জন নিহত হন। ওই ঘটনার পর থেকে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। নিরাপত্তার কারণে রাজধানীর স্কুলগুলোতেও দূর থেকে পাঠদানের সময় বাড়ানো হয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সম্প্রতি ইয়েমেন সীমান্তের কাছে নাজরানে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই ক্রু নিহত হওয়ার কথা জানায়। জোটের দাবি, যান্ত্রিক ত্রুটিতে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে হুতিরা দাবি করেছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে।
ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, ট্যাংকার ও রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটও হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা চালাচ্ছে।
জোট জানিয়েছে, রাতভর রিয়াদ এলাকায় দুটি এবং তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলে একটি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। এ ছাড়া সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিহত করা হয়।
এদিকে হুতিরা দাবি করেছে, শনিবার ইয়েমেনে সৌদি হামলায় তিন শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশের কৌশলগত এলাকাও তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ পথ দিয়ে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করে।
সৌদি আরবকে হুতিদের হামলা থেকে রক্ষায় সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে রোববার মিসরের পার্লামেন্টে জরুরি অধিবেশন হওয়ার কথা রয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেছেন, সৌদি নেতৃত্ব অনুরোধ করলে দেশটিকে রক্ষায় যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তিনি প্রস্তুত। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, তার বক্তব্য আক্রমণ নয়, প্রতিরক্ষার বিষয়ে।
সূত্র: এএফপি/নিউ স্ট্রেইট টাইমস
![]() |
| সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের অন্যতম পরিচিত স্থাপনা কিংডম সেন্টার ভবন। হুতিদের বারবার হামলার পর ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ভবনটির অফিসকর্মীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ১ আগস্ট ২০২৩ তোলা ছবি। ছবি: এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবে নজরকাড়া ‘ব্লু হোলস’
এই ব্লু হোলসের অবস্থান সৌদি আরবে। দেশটির দক্ষিণ–পশ্চিমে পবিত্র মক্কা থেকে জাজান শহর পর্যন্ত সাগরের উপকূলজুড়ে রয়েছে খাদগুলো। অপরূপ সৌন্দর্যের কারণে একে সৌদি আরবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বলা হচ্ছে। তবে এই সৌন্দর্য এক–দুই দিনে নয়, গড়ে উঠেছে লাখ লাখ বছর ধরে।
ছোটখাটো কোনো ঘটনার জেরেও এই খাদগুলো সৃষ্টি হয়নি। সাগরের গভীরে পাথরে ধরা ফাটল, পানির সঙ্গে মিশে যাওয়া চুনাপাথর, ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটের স্থানবদল এবং সাগরের নিচের গুহাগুলো ধসে পড়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এই খাদগুলো তৈরি হয়েছে। তাই তো এই খাদগুলোকে বলা হচ্ছে ভূতাত্ত্বিকদের জন্য অমূল্য তথ্যের ভান্ডার।
খাদগুলোর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ফিরে যেতে পারবেন সুদূর অতীতে। খাদের দেয়াল ও নিচে স্তরে স্তরে জমে থাকা পলিমাটি থেকে জানতে পারবেন প্রাচীনকালের জলবায়ুর ধরন সম্পর্কে। বুঝতে পারবেন, কীভাবে বদল এসেছে সমুদ্রপৃষ্ঠে। গবেষণার সুযোগ রয়েছে, লোহিত সাগরের অববাহিকা কীভাবে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়েছে, তা নিয়েও।
মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজ ও চীনেও সাগরের অগভীর তলদেশে এমন খাদ দেখা যায়। সৌদি আরবের প্রতিবেশী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তুলনামূলক ছোট আকারের এই খাদ রয়েছে। এমন খাদগুলোয় ভিন্ন একধরনের বাস্তুসংস্থান সৃষ্টি হয়। এখানে ঠিকানা তৈরি করে নেয় কচ্ছপ, প্রবাল প্রাচীর ঘিরে বসবাস করে মাছ, বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী—এমনকি অমেরুদণ্ডী প্রাণীও।
পরিবেশগত এসব কারণ এবং বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের কথা চিন্তা করে লোহিত সাগরের খাদগুলোকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। ১৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা এবং ২০টির বেশি দ্বীপ নিয়ে এই অঞ্চল এখন সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় সংরক্ষিত এলাকা। সংরক্ষণের এই উদ্যোগের সঙ্গে মিল রয়েছে দেশটির ‘ভিশন–২০৩০’–এর লক্ষ্যেও।
ভিশন–২০৩০–এর একটি লক্ষ্য হলো, সংরক্ষিত প্রাকৃতিক এলাকার আকার বাড়ানো আর এর মাধ্যমে দেশি–বিদেশি মানুষকে পর্যটনে আগ্রহী করে তোলা। লোহিত সাগরের নজরকাড়া খাদগুলোর মাধ্যমে সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব। আর এই খাদগুলো সম্পর্কে যত নিত্যনতুন রহস্য সামনে আসবে, তখন পর্যটকদের আগ্রহ আরও বাড়বে, তা বলাই চলে।
![]() |
| লোহিত সাগরে নজরকাড়া ‘ব্লু হোলস’। ছবি: সৌদি প্রেস এজেন্সির সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2506)
-
▼
October
(342)
-
▼
Oct 19
(12)
- ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী কে এই মেহরদাদ আখলাঘি
- ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লন্ডনে আজানের সম্মিলিত ধ্বনি
- ইয়েমেনে তীব্র হচ্ছে লড়াই, বাড়ছে বেসামরিক মানুষের দ...
- ইসরাইলের নির্বাচনে ‘কিং মেকার’ হতে পারে আরব দলগুলো
- আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দিল ১০ ...
- গাজায় তীব্র খাদ্য সংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি: ডব্লিউ...
- লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় যিশুর ক্রুশ পড়ে প্র...
- টি-রেক্সের মুখে কয়টি দাঁত ছিল by শিউলী সুলতানা
- স্ত্রী-সন্তানসহ ছয় স্বজন হারিয়ে নির্বাক নূর আলম
- ইউরোপজুড়ে কেন বিক্ষোভ, কী চাইছেন তরুণেরা
- সৌদিতে হুতিদের মুহুর্মুহু হামলা: কিংডম সেন্টারের ক...
- সৌদি আরবে নজরকাড়া ‘ব্লু হোলস’
-
▼
Oct 19
(12)
-
▼
October
(342)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...











