Saturday, October 10, 2026
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দুটি হামলার লক্ষ্য ছিল সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি তারা।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। দেশটির দাবি, হামাস আবারও অস্ত্রের মজুত গড়ে তুলছে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে হামলা চালাচ্ছে।
তবে হামাস অস্ত্রের মজুত বাড়ানো বা নতুন হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এক বছর আগে হওয়া যুদ্ধবিরতি দুর্বল করার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, গাজা পুনর্গঠনের কথা রয়েছে। তবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারসহ সংঘাতের অবসানে করা চুক্তি বাস্তবায়নে এখনো তেমন অগ্রগতি হয়নি।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১ হাজার ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে গাজায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলের চার সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার মধ্য দিয়ে গাজা যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এরপর গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলা ও স্থল অভিযানে ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: রয়টার্স
![]() |
| গাজার ধ্বংসস্তূপ। ছবি: শাফাক নিউজ থেকে নেওয়া |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় যুদ্ধবিরতির এক বছর, বেশির ভাগ প্রতিশ্রুতিই অপূর্ণ
২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো:
যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘোষণার তিন দিন পর হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় আটক জীবিত ২০ জিম্মিকে মুক্তি দেয়।
জিম্মিদের মুক্তি ইসরাইলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার ছিল। তাদের ভাগ্য নিয়ে দেশটির জনগণ দীর্ঘদিন উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ছিল।
যুদ্ধবিরতির বর্ষপূর্তি গাজা সীমান্ত থেকে ইসরাইলের এক বছর রকেট হামলামুক্ত থাকারও স্মারক। এ সময়ে হামাস কোনো রকেট হামলা চালায়নি।
ইসরাইলের প্রায় অবিরাম বোমাবর্ষণে হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিঃশেষ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অধিকাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গাজা সীমান্তের কাছে বিদেশি মিত্রদের নিয়ে একটি কমান্ড পোস্ট স্থাপন করেছে।
শর্ত অনুযায়ী গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের কথা থাকলেও তা হয়নি, হামলাও কমেনি। ইসরাইল হামলার মাত্রা কমালেও প্রায় প্রতিদিনই গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় প্রায় ১ হাজার ৪৫০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ে হামাসের শাসন থেকে রাজনৈতিক উত্তরণের কথা ছিল। এ লক্ষ্যে নতুন গাজা প্রশাসনের জাতীয় কমিটির (এনসিএজি) প্রধান হিসেবে কারিগরি বিশেষজ্ঞ আলি শা’থকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
জুলাইয়ে হামাস ঘোষণা করে, তারা নিজেদের শাসনকাঠামো বিলুপ্ত করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট এনসিএজির কাছে গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তর করছে।
তবে বাস্তবে গাজায় নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ এখনো হামাসের হাতেই রয়েছে। অন্যদিকে, শা’থও নিজেকে অনেকটা আড়ালে রেখেছেন।
জুলাইয়ে ফিলিস্তিনের ইসলামপন্থি সংগঠনটি নতুন নেতা হিসেবে খলিল আল-হাইয়াকে নির্বাচিত করে। এর কিছুদিন পর হামাস জানায়, তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে। ট্রাম্প এ ঘোষণাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে স্বাগত জানান।
তবে এ বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ইসরাইল। নেতানিয়াহু প্রতিটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ সব অস্ত্রের যাচাইযোগ্য নিরস্ত্রীকরণের দাবি জানিয়েছেন।
হামাস এখনো নিরস্ত্রীকরণের পদক্ষেপ নেয়নি। অন্যদিকে, ইসরাইলও সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা থাকলেও বাস্তবে অগ্রগতি নেই।
চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন বৈশ্বিক সংস্থা গঠন করেন। এতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয় যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং বুলগেরীয় কূটনীতিক নিকোলাই ম্লাদেনভকে। ম্লাদেনভ ‘গাজার উচ্চ প্রতিনিধি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিদেশি সহায়তার সমালোচক ট্রাম্প জানুয়ারিতে তার নিয়ন্ত্রণাধীন বোর্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্ররাও অর্থ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। তবে গাজা পুনর্গঠনে এসব অর্থের কোনোটি পৌঁছেছে বলে জানা যায়নি।
সেপ্টেম্বরে বোর্ডের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর এক বৈঠকে গাজা পুনরুদ্ধারের জন্য ২ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনার প্রস্তাব করা হয়। পরিকল্পনাটি ছয় মাসের বেশি সময় ধরে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করে তৈরি করা হয়েছে।
সূত্র: বাসস
![]() |
| ছবি: বাসস |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের ওমানি কো-পাইলটের: আমিরাত
আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তদন্তকারীদের ধারণা, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে চালানো সন্ত্রাসী হামলা থেকে ওই পরিকল্পনার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন অভিযুক্ত পাইলট। ১ অক্টোবর এ ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল আবিবের উদ্দেশে এর আগে দুটি ফ্লাইটে সহকারী পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। তদন্তে দেখা গেছে, বিমানপথ ও বিমানবন্দর সম্পর্কে ধারণা নিতে তিনি ওই দুটি ফ্লাইট ব্যবহার করেছিলেন।
ঘটনার সময় উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের আকাশসীমায় ছিল। এ সময় সহকারী পাইলট ককপিটে থাকা জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেনের ওপর হামলা চালান।
এরপর মাত্র ৩০ সেকেন্ডে উড়োজাহাজটি প্রায় ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। পরে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। উড়োজাহাজে থাকা অন্য দুই পাইলট নিরাপদে সেটি সৌদি আরবে অবতরণ করান। পরে অভিযুক্তকে ফ্লাইদুবাইয়ের সদর দপ্তর সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্তে পাইলট নিয়োগের প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখেছে আমিরাতের কর্তৃপক্ষ। এতে দেখা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পাইলটের লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় পেশাগত যোগ্যতা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ভালো আচরণের সনদও ছিল।
আল শামসি বলেন, নিয়োগের কোনো পর্যায়েই তার উগ্রবাদী চিন্তাভাবনা বা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
২৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগে ওমান এয়ারসহ বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থায় কাজ করেছিলেন। তদন্তে দেখা গেছে, ২০১৭ সাল থেকেই তার মধ্যে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ার লক্ষণ ছিল। সে সময় তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছিলেন।
রয়্যাল এয়ার মারোক জানিয়েছে, ২০২৫ সালে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের প্রতিষ্ঠানে তিন মাসের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তবে পরে ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।
আমিরাতের কর্মকর্তারা অভিযুক্তের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেননি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত এক ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তার নাম হাম্মাম আল-হাম্মামি। তিনি ওমানের নাগরিক।
আল শামসি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদে উৎসাহ জোগায়—এমন প্রচারসামগ্রী দেখে এবং বক্সিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।
এদিকে রয়টার্সের সূত্র জানিয়েছে, ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি আরব পৃথক তদন্ত শুরু করেছে।
সূত্র: রয়টার্স
![]() |
| ফ্লাইদুবাই। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ইরানের নেতৃত্ব আরও কট্টরপন্থিদের হাতে চলে গেছে’
শনিবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার তেল আবিবের দক্ষিণে রিশন লেৎসিয়ন শহরে একটি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন গোলান।
তিনি বলেন, ‘আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে মনে করি, খামেনিকে হত্যা করা একটি ভুল ছিল। এটা এ কারণে নয় যে তিনি হত্যার যোগ্য ছিলেন না; বরং এ কারণে যে এটি ইসরায়েল রাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করেনি।’
৮৬ বছর বয়সী আলী খামেনিকে হত্যার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে গোলান দাবি করেন, তার ছেলে মোজতবা খামেনি উত্তরসূরি হওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব আরও চরমপন্থী ও সহিংস ব্যক্তিদের হাতে চলে গেছে।
এ ছাড়া ইরান সরকার উৎখাতের লক্ষ্যকে অবাস্তব বললেন গোলান। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুরও সমালোচনা করেন তিনি। ইরানের সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যকে তিনি ‘অবাস্তব’ বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, এ লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি।
প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পরপরই আলী খামেনি নিহত হন। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। একই সময়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
![]() |
| ইয়াইর গোলান। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লিতে আন্দোলন, বিমান থেকে আটক অভিজিৎ দিপকে
অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে আটকের ঘটনাটি তুলে ধরেন। তার প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, দিল্লি পুলিশের সদস্যরা বিমানের ভেতরে প্রবেশ করছেন। এ সময় যাত্রীদের মধ্যে হইচই শুরু হয় এবং সিজেপির সদস্যদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়।
ভিডিওতে অভিজিৎ দিপকেকে নারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, যাত্রীরা বিমান থেকে নেমে আসা পর্যন্ত পুলিশ অপেক্ষা করতে পারত। এরপর তিনি বলেন, ‘আপনারা আমাদের গ্রেপ্তার করতে পারতেন। আমরা ভয় পাই না।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। ওই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপের খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই আলোচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার সকালে হরিয়ানার গুরুগ্রামে নিজের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর সেন্ট্রাল পার্ক বিহারে ধ্রুব রাঠির পারিবারিক বাসায় সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে প্রবেশ করেন পুলিশ সদস্যরা। তার মা দরজা খুলে দিলে পুলিশ বাসার ভেতরে যায়। এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে ওই বাসার বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য অবস্থান নেন বলে জানা গেছে।
দিল্লির জন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভে অংশ নিতে ধ্রুব রাঠি দিল্লিতে এসেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু ধ্রুব নয়, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই থেকে জানা গেছে, আরেক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাব্য কর্ণাটককেও আটক করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
![]() |
| অভিজিৎ দিপকে। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘তোমাদের হাঁটু গেড়ে বসতে হবে’, রুবিওকে কড়া জবাব গালিবাফের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, ‘ইতিহাসজুড়ে আমরা ইরানিরা নিজেদের মহাবিশ্বের অধিপতি দাবি করা এমন শক্তির মুখোমুখি হয়েছি, যারা প্রাচীন সভ্যতাগুলোকে মুছে ফেলতে চেয়েছে। তারা আগুন আর ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে এসেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধুলো আর লজ্জা নিয়ে ফিরে গেছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যারা আলেকজান্ডারের উত্তরাধিকার অনুসরণ করতে চায়, তাদের পরিণতিও হবে ভ্যালেরিয়ানের মতো। তোমাদের হাঁটু গেড়ে বসতে হবে।’
গত ৮ অক্টোবর রুবিওর দেওয়া এক বক্তব্যের জবাবে গালিবাফ এসব কথা বলেন। ওই বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, পশ্চিমা বিশ্ব দীর্ঘ ঘুম থেকে জেগে উঠে হাজার বছর আগে প্রাচীন গ্রিসে জ্বলে ওঠা আগুন আবার প্রজ্বালিত করতে পারে।
রুবিও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পশ্চিমা বিশ্ব তার দীর্ঘ ঘুম থেকে জেগে উঠতে পারে এবং হাজার বছর আগে প্রাচীন গ্রিসে প্রথম জ্বলে ওঠা আগুন আবার প্রজ্বালিত করতে পারে।’
সমালোচকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তারের মার্কিন আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়। তাদের অভিযোগ, সভ্যতার পুনর্জাগরণের কথা বলে অন্য দেশগুলোকে নিজেদের অধীন করার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
গালিবাফের বক্তব্যে রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ানের প্রসঙ্গও ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ২৬০ খ্রিষ্টাব্দে এডেসার যুদ্ধে সাসানীয় পারস্যের রাজা প্রথম শাপুরের কাছে বন্দি হন ভ্যালেরিয়ান। যুদ্ধবন্দি হিসেবে আটক হওয়া একমাত্র রোমান সম্রাট হিসেবে তিনি ইতিহাসে পরিচিত।
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ও ভ্যালেরিয়ানের প্রসঙ্গ টেনে গালিবাফের বার্তা হলো, প্রাচীন সাম্রাজ্যগুলোর সাময়িক বিজয়ের পথ অনুসরণ করলেও পশ্চিমা শক্তিগুলোর শেষ পরিণতি হতে পারে পরাজয় ও অপমান।
ইরানকে ঘিরে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য সামনে এলো। সামরিক হামলা, অর্থনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে তেহরানকে নতি স্বীকারে ওয়াশিংটন বাধ্য করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে আসছে ইরানের নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য, পশ্চিমা শক্তির হুমকি ও আলটিমেটাম অতীতের ব্যর্থ সামরিক অভিযানেরই পুনরাবৃত্তি।
সূত্র : প্রেস টিভি
![]() |
| ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি : আইআরআরবি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ‘সমঝোতা’, ৩ লাখ টন ডিজেল ছাড়বে রাশিয়া
শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) এ ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করেছে তার প্রশাসন। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মস্কোর আয় কমানোর লক্ষ্যেই এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। খবর রয়টার্সের।
কৃষিকাজ, ঘরবাড়ি গরম রাখা ও পণ্য পরিবহনের ট্রাকে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম বর্তমানে রেকর্ডের কাছাকাছি। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে জ্বালানির উচ্চমূল্য ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করেছে। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে কংগ্রেসে দলটির সামান্য ব্যবধানে থাকা নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে কি না, তা নির্ধারিত হবে।
চুক্তির ঘোষণার পর ডিজেলের দাম কমেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই চুক্তি যথেষ্ট নাও হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার অত্যন্ত সফল আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় রাশিয়া অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল জ্বালানির সমান। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে।
আলোচনার পর পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সহযোগিতার প্রশংসা করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত মাসে ওয়াশিংটন সফরের সময় রাশিয়ার প্রধান তেল কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল রপ্তানির অনুমতি দিতে মার্কিন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
২০২২ সালে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ২০২৫ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার তেল কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন চুক্তির ফলে ডিজেল রপ্তানি করে মস্কো বিপুল অর্থ আয় করতে পারে, যা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পুতিনকে সহায়তা করবে।
চুক্তির সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। যুদ্ধের সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনার জন্য ইউক্রেনের একটি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার সময় এ ঘোষণা আসে। জেলেনস্কি একে শক্তিশালী মিত্রদের দুর্বল সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন।
এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘পুতিনকে উপহার দিলে শান্তি আসবে না, সভ্য বিশ্বেরও কোনো উপকার হবে না। রাশিয়া ডিজেলের বিনিময়ে আরও সন্ত্রাস ও বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে প্রতিদান দেবে।’
ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির আইনপ্রণেতা ডন বেকনও চুক্তির সমালোচনা করেছেন। তার মতে, সম্প্রতি কংগ্রেসে পাস হওয়া আরও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার সময় এখন; বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নয়।
এক্সে বেকন লেখেন, ‘পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রকে চাপে ফেলতে এখনই ওই নিষেধাজ্ঞাগুলো ব্যবহার করা উচিত। ইউক্রেনের বেসামরিক মানুষদের লক্ষ্য করে হামলা ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার সময় কোনো স্বৈরশাসকের হাতে আরও অর্থ তুলে দিয়ে তাকে পুরস্কৃত করা উচিত নয়।’
এদিকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির অনুমতি দিয়ে একটি লাইসেন্স জারি করেছে।
ট্রাম্প আরও জানান, নভেম্বরে রাশিয়া অতিরিক্ত পাঁচ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করবে। এর পরপরই আরও ১০ লাখ টন সরবরাহ করা হবে। রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরও ডিজেল সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি। ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার এসব শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্রের কিন্ডার মরগান টার্মিনালে মজুত জ্বালানির ট্যাঙ্ক। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার থেকে ডিজেল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র, দুই দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। ট্রাম্পের মতে, রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা এবং ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় রাশিয়ার হামলা সমতুল্য নয়।
শুক্রবার মায়ামিতে ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আট ঘণ্টার বৈঠকে ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলবেন ট্রাম্প। এরপর রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হতে পারে বলেও জানানো হয়।
পরে পুতিনের সঙ্গে আলোচনাকে ‘অত্যন্ত সফল’ বলে বর্ণনা করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, রাশিয়া অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। নভেম্বরে সরবরাহ করা হবে ৫ লাখ টন, এরপর আরও ১০ লাখ টন। এ ছাড়া স্বল্প সময়ের মধ্যে আরও ৩০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পরবর্তী চালানগুলোর পরিমাণ রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
এর আগে ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর জেনারেল লাইসেন্স ১৩৫ জারি করে। এর আওতায় ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিয়ায় উৎপাদিত ডিজেল বিক্রি, সরবরাহ, জাহাজ থেকে খালাস ও আমদানিসংক্রান্ত লেনদেনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তার ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা প্রশমনের চুক্তি ছাড়াই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা দুর্বলতার পরিচয়। তবে রাশিয়া ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা বন্ধ করলে ইউক্রেনও রুশ তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, অ্যাক্সিওসকে এক ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে বলে বৈঠকে সতর্ক করেছিলেন উইটকফ ও কুশনার।
তবে এমন হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন মার্কিন ওই কর্মকর্তা। তার দাবি, মার্কিন দূতেরা ইউক্রেনকে জানিয়েছেন, অস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ওয়াশিংটন দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ভোক্তাদের ক্ষতি হয়, এমন পদক্ষেপ না নিতেও ইউক্রেনকে সতর্ক করা হয়েছে।
সূত্র: শাফাক নিউজ
![]() |
| রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লিতে বিক্ষোভে আটক মমতা-কেজরিওয়ালসহ নেতারা
শনিবার ( ১০ অক্টোবর) তাদের পাশাপাশি বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য ও অন্যান্য নেতাকেও আটক করে পুলিশ। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি বাসস্ট্যান্ডে বসে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তার মুখে ব্যান্ডেজ দেখা যায়।
তৃণমূলের পাঁচ সংসদ সদস্য, যাদের মধ্যে ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেনও ছিলেন, তাদের আটক করে পুলিশের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশের বাসের ভেতর থেকে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় মমতা বলেন, ‘সরকার আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।’ তিনি আরও বলেন, মানুষের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করতে ইন্ডিয়া জোটের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, সকাল থেকেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবন ঘিরে রেখেছিল দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও আটক করা হয়।
পরে ভিডিওবার্তায় কেজরিওয়াল বলেন, দেশের তরুণেরা এই দমন-পীড়নে ভয় পাবে না। ‘ভোট চুরি’র অভিযোগের বিরুদ্ধে সবাইকে প্রতিবাদে নামার আহ্বান জানান তিনি।
কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও সিপিএমের সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসকেও আটক করে ছত্রসাল স্টেডিয়ামের আটককেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। যন্তর মন্তরে বিরোধীদের কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে আরও কয়েকজন বিরোধী ও ছাত্রনেতা আটক হন।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের এই আন্দোলন। শুক্রবার ( ৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাদের দাবি, গত দুই বছরে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচন বাতিল করতে হবে।
বৈঠকের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানান, সোমবার ( ১২ অক্টোবর) তারা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেবেন। নির্বাচন কমিশনের কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে সোমবার বড় কর্মসূচিরও ঘোষণা দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট।
তবে রাহুল গান্ধী রাষ্ট্রপতি ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তার এই দাবি সঠিক নয়।
সূত্র: এনডিটিভি
![]() |
| মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ছবি: এনডিটিভি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চা–বাগানে শৈশব: মাইকেল স্টোরিয়ারের বাংলাদেশ–যাত্রা by আশরাফ আহমদ
এ লেখা মাইকেল স্টোরিয়ারের। ৫০ বছর পর তাঁর জন্মভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসার গল্প।
হঠাৎ জানতে পারলাম, ডানকানের পুরোনো প্ল্যান্টার জিম স্টোরিয়ারের ছেলে মাইকেল আলীনগর চা-বাগানে এসেছেন। তাঁর বাবা ১৯৬৪ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এখানে ম্যানেজার ছিলেন। মাইকেল তখন মাত্র আট বছর বয়সে দেশ ছেড়েছিলেন। চা-ইতিহাসে আমার আগ্রহ আছে, তাই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলাম। ভাবলাম, তাঁর বাবা সম্পর্কে একটি ছোট লেখা লিখব। কিন্তু কথা বলতে বলতে গল্পটি আরও গভীর হয়ে উঠল।
মাইকেল তখন বাংলাদেশ ঘুরছিলেন। তিনি জন্মেছিলেন ১৯৬২ সালে, ঢাকার হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে। অনেক বছর পর নিজের জন্মভূমিতে ফিরে এসে তাঁর ভেতরে নানা আবেগ জেগে উঠেছিল। ফোনে বললেন, এই সফরটা তাঁর কাছে ‘অবিশ্বাস্য রকম আবেগপূর্ণ’। মানুষ যেভাবে তাঁর মা–বাবাকে মনে রেখেছেন আর যেসব বাগানে তিনি ছোটবেলায় দৌড়াতেন, এসবই তাঁকে বারবার ছুঁয়ে যাচ্ছিল।
এরপর এল সবচেয়ে ছোঁয়াচে মুহূর্তটি।
আলীনগরে এক নারী এলেন, দূর পথ পাড়ি দিয়ে।
তিনি ছিলেন মাইকেলের ছোটবেলার আয়া।
তেলিয়াপাড়া থেকে আলীনগরে আসার সময় মাইকেলের বয়স ছিল মাত্র দুই। তবু সেই বন্ধন ৫০ বছর পরও টিকে আছে। মাইকেল তাঁকে বললেন, তিনি একটা ঘুমপাড়ানি গান মনে করতে পারেন—‘নিনি বাবা নিনি...’
আয়া সঙ্গে সঙ্গে গানটা পুরোটা গেয়ে শোনালেন।
দুজনের চোখেই পানি চলে এল। দুজনই বসে বসে কাঁদছেন।
চা-বাগানের ইতিহাসে মানুষের এমন গভীর সম্পর্ক খুব কমই দেখা যায়—এক প্ল্যান্টারের ছেলে আর তাঁকে একসময় কোলে নিয়ে মানুষ করা আয়া, এত বছর পর আবার একই সুরে মিলিত।
আলীনগর কারখানায় ম্যানেজার রফিউল আলমের সঙ্গে হাঁটার সময় তাজা চায়ের গন্ধ মাইকেলকে ১৯৬০-এর দশকে ফিরিয়ে নিল। বাংলা, হিন্দি, উর্দু—যে ভাষাগুলো একসময় তিনি সাবলীল বলতেন, সেগুলো ভুলে যাওয়ার আক্ষেপও প্রকাশ করলেন।
তবু যাঁদের তিনি পেলেন, যেসব পথ আবার হাঁটলেন—সব মিলিয়ে তিনি যেন নতুন করে নিজের শৈশবকে ফিরে পেলেন। সুরমা উপত্যকা যেন চুপচাপ তাঁর জন্যই অপেক্ষা করছিল।
বিদেশে ফিরে যাওয়ার আগে তিনি তাঁর আয়ার সঙ্গে তোলা একটি ছবি পাঠালেন—ইতিহাস আর বর্তমান কীভাবে নরম ভাঁজে মিলেমিশে যায়, তার এক নিদর্শন।
আজ বিকেলে লো মেরিডিয়েন হোটেলের লবিতে তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা হলো—আমার ও ন্যাশনাল টি কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা মানজুর হোসেনের সঙ্গে। অনেক বিষয়ে কথা হলো—চা, স্মৃতি আর সময়ের তৈরি অদ্ভুত সব যোগসূত্র।
মাইকেল বললেন, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে ফিরে স্কটল্যান্ডে ফিনলের সাবেক ‘নাম্বার ওয়ান’ বিল পেট্রির বাসায় এক আড্ডায় যাচ্ছেন তাঁর ৮৭ বছরের মাকে নিয়ে।
আরও জানালেন, তিনি একসময় ডানব্লেনে থাকতেন, যে শহরে ফিনলের অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা থাকতেন। আমি নিজেও বহুবার গেছি সেখানে।
তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলে মনে হলো, চা-ঐতিহ্যের আরেকটি হারানো অংশ যেন জায়গামতো বসে গেল।
এ গল্প আসলে বড় একটি আখ্যানের শুরু।
আগামী সপ্তাহগুলোতে তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাঁর বাবা ও চাচা সম্পর্কে আরও তথ্য, ছবি ও স্মৃতি পাঠাবেন।
সেখান থেকে তৈরি হবে আরেকটি গল্প।
![]() |
| মাইকেল স্টোরিয়ার ও ছোটবেলায় তাঁকে দেখভাল করা আয়া। লেখকের সৌজন্যে, গ্রাফিকস: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মধ্যযুগীয়’ ও ‘উদ্বেগজনক’: যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দা
২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত নিদাল মালিক হাসানের মৃত্যুদণ্ড আগামী ৩ ডিসেম্বর সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন।
শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, হত্যার ঘটনা সম্প্রচার করা হলে তা প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের শামিল হবে এবং ‘নির্যাতনের ওপর আরোপিত নিরঙ্কুশ নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করবে’।
যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের রাজনীতিক, ধর্মীয় নেতা এবং মানবাধিকারকর্মীরাও এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এটি একটি বর্বর ধারণা, যা একটি দেশ হিসেবে আমাদের মর্যাদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।’
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডেমোক্র্যাট সদস্য ইয়াসামিন আনসারি লিখেছেন, ‘ট্রাম্পের আমেরিকায় এখন প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে। কী হচ্ছে এসব! ইরান ও আফগানিস্তানের মতো নিষ্ঠুর স্বৈরশাসনের অধীনে এমনটাই ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রকে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে নিয়ে যাওয়ার ট্রাম্পের প্রচেষ্টারই অংশ এটি।’
১৯৬০-এর দশকে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা যুক্তরাজ্যও এই পরিকল্পনা থেকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। দেশটির সমতাবিষয়ক মন্ত্রী ও লেবার পার্টির চেয়ার ব্রিজেট ফিলিপসন বিবিসি রেডিও ফোরের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে বলেন, বিষয়টি তার কাছে বেশ উদ্বেগজনক মনে হয়েছে।
ফিলিপসন বলেন, সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিজস্ব বিষয়। তবে তিনি যোগ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তার মানে কি দেশটির সরকার যা করে, আমরা সবকিছু সমর্থন করি? উত্তর হচ্ছে, না।’
মার্কিন সামরিক আইনে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য প্রেসিডেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সুপারিশের ভিত্তিতে এ অনুমোদন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, তিনি হাসানের মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার দেখবেন না। তবে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেননি তিনি।
খ্রিষ্টান ধর্মবিশ্বাস কীভাবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে, এমন প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ককে গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে সরাসরি সম্প্রচার আদৌ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ভ্যান্স বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে যে বিতর্কই থাকুক না কেন, মানুষ যেন ভুলে না যায় যে এই ব্যক্তি নির্মমভাবে অনেক নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, আমি তা দেখব না।’
এর আগে মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে কার্যকরের কথা বলেছিলেন হেগসেথ। পরে রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম রিয়েল আমেরিকাস ভয়েসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তার বক্তব্য, মানুষকে এটি দেখতে দেওয়া উচিত, কারণ এ ধরনের অপরাধের গুরুতর পরিণতি সম্পর্কে তাদের জানা প্রয়োজন।
হাসান শেষ কোনো অনুরোধ জানিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে হেগসেথ বলেন, ‘এসব নিয়ে আমার আগ্রহ নেই। ৩ ডিসেম্বর তার সঙ্গে দেখা হবে।’
বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী হাসানকে ২০১৩ সালে সামরিক আদালতের জুরি মৃত্যুদণ্ড দেন। ১৩টি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং আরও ৩২ জনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টার দায়ে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে ১২ জন এবং আহতদের মধ্যে ৩০ জন ছিলেন সেনাসদস্য।
সাবেক এই সেনা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুডের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে পিস্তল দিয়ে গুলি চালান। ওই সময় সেনাসদস্যরা মোতায়েনের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। গ্রেপ্তারের সময় এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে গুলি করেন। এতে তিনি আংশিকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং বর্তমানে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন।
হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে তা হবে ১৯৪৫ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ফায়ারিং স্কোয়াডে প্রথম মৃত্যুদণ্ড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দায়িত্ব ছেড়ে পালানোর দায়ে সেনাসদস্য এডি স্লোভিককে সে বছর গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ১৯৬১ সালে। সে সময় জন বেনেটকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল।
গত সপ্তাহে টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইকের প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগে ত্রুটির ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পাইকের আইনজীবীদের দাবি, হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর তিনি ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত ছিলেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালের বিছানায় হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়েছিল।
অতীতেও যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা টেলিভিশনে সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে আদালতের বাধায় সেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য কোনো দেশে আইনগতভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা টেলিভিশনে বা সরাসরি সম্প্রচার করার নজির জানা নেই।
বিশ্বজুড়েই প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচলন অনেকটাই কমে এসেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে অন্তত ১৭টি প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইরানে ১১টি এবং তালেবানশাসিত আফগানিস্তানে ৬টি ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৯০ বছর ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে ব্যক্তিগত পরিসরে। ১৯৩৬ সালে কেন্টাকিতে রেইনি বেথিয়াকে ফাঁসিতে ঝোলানোর ঘটনাকে সাধারণত দেশটির সর্বশেষ প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই ঘটনায় হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তবে পরের বছর মিসৌরিতে আরেকটি ফাঁসি কার্যকরের ঘটনাও ঘটেছিল।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান
![]() |
| ছবি আমার দেশ অনলাইন থেকেঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত মেজর নিদাল মালিক হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম রিয়েল আমেরিকাস ভয়েসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেগসেথ একথা জানান। ফায়ারিং স্কোয়াডে হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। হেগসেথ এ সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একে ‘নিঃসন্দেহে সঠিক সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ যাতে এটি দেখতে পারে, আমরা তা নিশ্চিত করব। এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কারণ, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের গুরুতর পরিণতি রয়েছে-মানুষের তা বোঝা প্রয়োজন।’ হেগসেথ আরো জানান, ৩ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় ফোর্ট হুডে হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। ২০০৯ সালে ওই সময়েই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছিল। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়টি হবে ৪ ডিসেম্বর রাত ১টা। প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। নিদাল মালিক হাসান ছিলেন মেজর পদমর্যাদায় মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন মনোরোগ চিকিৎসক। ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটির একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তিনি গুলি চালান। এতে ১৩ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন সক্রিয় সেনাসদস্য ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। পরে তিনি দাবি করেন, মুসলিম দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতেই তিনি ওই হামলা চালিয়েছিলেন। সূত্র: আল জাজিরা |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যানের
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্মিথ বলেন, সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চললেও ট্রাম্প প্রশাসন তার কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাস্তবতা উপলব্ধি করার এবং মার্কিন জনগণ ও আঞ্চলিক অংশীদারদের স্বার্থ রক্ষায় সম্ভাব্য বিকল্পগুলো মূল্যায়ন করার সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে।’
স্মিথের মতে, এই যুদ্ধের যৌক্তিক সমাপ্তি হতে পারে আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। এ ক্ষেত্রে ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত যৌথ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ) বা ইরানের পারমাণবিক চুক্তির আদলে একটি সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের বিনিময়ে দেশটির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।
স্মিথের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তাঁর প্রস্তাবের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান বা এ ধরনের সমঝোতা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
![]() |
| অ্যাডাম স্মিথ। ছবি: এপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেন যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করলেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে গ্রুন্ডবার্গ সেসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান সহিংসতার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে বেসামরিক মানুষকে। এর মধ্যে নারী ও শিশুরা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীলতা ইয়েমেনের পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে। একইভাবে ইয়েমেনের ঘটনাপ্রবাহও পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলছে।
গ্রুন্ডবার্গ আরও বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে ইয়েমেন নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশটির বাস্তব পরিস্থিতি এবং জনগণের প্রয়োজন ও আকাঙ্ক্ষাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
যুদ্ধকে ইয়েমেনের স্থায়ী বাস্তবতায় পরিণত হতে না দিতে এখনই রাজনৈতিক সমাধানের কৌশল নিয়ে ভাবতে হবে বলে মন্তব্য করেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত।
তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক সাফল্য সংঘাতের অবসানের বিকল্প হতে পারে না। সংকটের স্থায়ী সমাধানে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতেই হবে। এ জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট থেকে ইয়েমেনে চলমান সংঘাতে অন্তত ৪৬ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৩০ জনের বেশি। হতাহতদের মধ্যে শিশুরা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা ইয়েমেনের সংঘাতে হুথি বিদ্রোহী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। নতুন করে সহিংসতা বৃদ্ধি দেশটিতে রাজনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
সূত্র: আল জাজিরা
![]() |
| ইয়েমেনের মানচিত্র। ছবি: আল জাজিরা |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সভ্যতার যুদ্ধ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের জবাবে রোমের পরাজয়ের ইতিহাস টানলেন রেজায়ি
গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন রেজায়ি। ওই বক্তব্যে রুবিও পশ্চিমা সভ্যতার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইরান ও দেশটির সভ্যতা নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করেছেন রেজায়ি।
তিনি বলেন, ‘ইরানের কাছে পরাজয় ও অপমানের পর তারা যখন সভ্যতার যুদ্ধের বয়ান তৈরি করতে এথেন্সে যায়, তখন ইতিহাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পড়া তাদের জন্য ভালো হবে। সেই অধ্যায়ে দেখা যায়, সাসানীয় সাম্রাজ্যের প্রথম শাপুরের সামনে রোমান সম্রাটকে নতজানু হতে হয়েছিল।’
রেজায়ি আরও বলেন, ‘যে ইতিহাস টেনে আনবে, তাকে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে।’
রেজায়ির বক্তব্যে প্রাচীন ইরানের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। সাসানীয় সাম্রাজ্যের শাসক প্রথম শাপুরের সঙ্গে রোমান সাম্রাজ্যের সংঘাত এবং রোমের সম্রাটকে বন্দি করার ঘটনাকে সামনে এনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘সভ্যতার যুদ্ধ’ সংক্রান্ত বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন।
খ্রিষ্টীয় ২৪১ থেকে ২৭২ সাল পর্যন্ত সাসানীয় সাম্রাজ্য শাসন করেন প্রথম শাপুর। এ সময়ে তিনি রোমের বিরুদ্ধে একাধিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন এবং মেসোপটেমিয়া ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের কিছু অংশে পারস্যের প্রভাব বিস্তার করেন।
২৬০ খ্রিষ্টাব্দে বর্তমান তুরস্কের এডেসা শহরের কাছে শাপুরের বাহিনী রোমান সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে। এ সময় পারস্যের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকারী রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ানকে বন্দি করা হয়। বিদেশি শত্রুর হাতে বন্দি হওয়া প্রথম রোমান সম্রাট ছিলেন তিনি।
এই বিজয় স্মরণীয় করে রাখতে শাপুর বিভিন্ন স্থানে পাথরে খোদাই করা ভাস্কর্য নির্মাণ করান। পার্সেপোলিসের কাছে নাকশে রুস্তমের ভাস্কর্যেও তাকে রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ানের নতজানু অবস্থায় আত্মসমর্পণের দৃশ্যের সঙ্গে দেখানো হয়েছে। রোমের বিরুদ্ধে সাসানীয় সাম্রাজ্যের সামরিক বিজয়ের প্রতীক হয়ে ওঠে এই দৃশ্য।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিক হুমকির প্রেক্ষাপটে রেজায়ির এই বক্তব্য এসেছে।
গত ১ এপ্রিল ট্রাম্প ইরানে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে বলেন, মার্কিন বাহিনী দেশটিকে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে’। পরবর্তী দুই থেকে তিন সপ্তাহে হামলা জোরদারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংসেরও হুমকি দেন।
এর কয়েক দিন পর, ৭ এপ্রিল ট্রাম্প আরও বিস্তৃত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান তার দাবি না মানলে ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা মারা যাবে, যা আর কখনো ফিরিয়ে আনা যাবে না’। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা এবং সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধে ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে। একই সময়ে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে হামলার হুমকিও জোরালো করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে তারা কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
সূত্র : প্রেস টিভি
![]() |
| ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি। ছবি : আইআরআইবি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এডেন বিমানবন্দরে হামলা, জাতিসংঘের পদক্ষেপ চায় ইয়েমেন
শনিবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইয়েমেনের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আল-সাদি জানান, গত ৭ অক্টোবর এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। ওই সময় একটি বেসামরিক বিমান বিমানবন্দরের দিকে এগিয়ে আসছিল।
ইয়েমেন সরকারের দাবি, এ হামলায় বিমানের যাত্রী, বিমানবন্দরের কর্মী এবং উড়োজাহাজের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। বেসামরিক বিমান চলাচলকে লক্ষ্য করে এমন হামলা সংঘাতের ক্ষেত্রে গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে হুথিদের কাছে অস্ত্র, অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সামরিক প্রযুক্তিগত সহায়তা পৌঁছানো বন্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনের সরকারের মতে, হুথিদের ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর করা গেলে তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পথ সীমিত করা সম্ভব হবে। এ জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সক্রিয় ভূমিকা চেয়েছে সরকারটি।
সূত্র: আল জাজিরা
![]() |
| ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনের বিমানবন্দর। ছবি: এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৩০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল: রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা পাইলটসহ নিহত ৩
গত বৃহস্পতিবার জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বিমানবন্দরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। নিরাপত্তার কারণে ৩৩০টির বেশি ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া গেছে। তবে বাতিলের এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, রিয়াদ বিমানবন্দর ছাড়াও ইয়েমেন সীমান্তবর্তী নাজরান শহরের একটি বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ হামলার জন্য দায়ীদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি বিমানবন্দরের স্থাপনায় আঘাত হানে। দ্বিতীয়টি আঘাত করে বিমানবন্দরে মাটিতে থাকা সৌদিয়ার একটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজে। হামলার সময় বিমানটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না। আগুনে উড়োজাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জরুরি সেবাদানকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নেয়।
ফ্লাইট চলাচলে বিপর্যয়: হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত আগমন ও প্রস্থানের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়। অনেক ফ্লাইটের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়।
নিরাপত্তার উদ্বেগে ভারতের কয়েকটি বিমান সংস্থা এবং জার্মানির লুফথানসা রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত করে। সৌদি জানিয়েছে, জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
সৌদি-হুতি সংঘাতের শুরু: সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে বর্তমান সংঘাতের সূত্রপাত ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংকট ও গৃহযুদ্ধ থেকে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে। পরে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বুহ মানসুর হাদির সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে হাদি দেশ ছেড়ে সৌদি আরবে আশ্রয় নেন।
হাদির সরকারকে পুনর্বহাল করা এবং হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকানোর লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে।
এর জবাবে হুতিরা সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী শহরগুলোতে হামলা চালাতে শুরু করে। ২০১৫ সালের মে মাসে ইয়েমেন থেকে সৌদি শহর নাজরানে মর্টার হামলায় তিনজন নিহত হন। এরপর সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে।
যুদ্ধবিরতির পর আবার উত্তেজনা: ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইয়েমেনে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। এতে বড় ধরনের সংঘর্ষ কিছুটা কমলেও সংকটের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান হয়নি। হুতিরা ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও তাদের সমর্থক বাহিনী দেশের বিভিন্ন অংশে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালি: ইয়েমেনের সংঘাত শুধু সৌদি আরব ও দেশটির প্রতিবেশীদের নিরাপত্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশটির পশ্চিম উপকূলের কাছে বাব আল-মান্দেব প্রণালি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ।
এ অঞ্চলে সংঘাত বাড়লে জাহাজ চলাচল, পণ্য পরিবহন ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে। একইভাবে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
![]() |
| রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা পাইলটসহ নিহত ৩ |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিতর্ক, স্বজনপ্রীতি থেকে গোপন সত্য, শাহরুখ–পুত্র আরিয়ানের সিরিজে কী আছে by পৃথা পারমিতা নাগ
- একনজরে
- সিরিজ: ‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’
- জনরা: কমেডি, ড্রামা
- পরিচালক: আরিয়ান খান
- চিত্রনাট্য: আরিয়ান খান, বিলাল সিদ্দিকী ও মানব চৌহান
- অভিনয়: ববি দেওল, লক্ষ্য লালওয়ানি, সাহের বাম্বা, মোনা সিং, রাঘব জুয়াল
- পর্ব: ৭
- রানটাইম: ৩৫-৫০ মিনিট
- স্ট্রিমিং: নেটফ্লিক্স
বলিউড সিনেমা মানেই প্রেম, ধুন্ধুমার অ্যাকশন আর একজন আবশ্যিক পথের কাঁটা ভিলেন—মোটাদাগে বলিউডের জনপ্রিয়তা পাওয়া বাণিজ্যিক সিনেমার ফর্মুলা এটাই। এই ফর্মুলা মেনেই পরিচালক হিসেবে শুরু করেছেন আরিয়ান খান। তবে প্রচলিত ফর্মুলা মেনে সিরিজটি বানালেও নিজের প্রথম কাজেই মাত করেছেন আরিয়ান। আলোচনা যেমন হচ্ছে, তেমনি সমালোচনার তিরও বিদ্ধ করছে তাঁকে। তবে আলোচনা হোক, কিংবা সমালোচনা, আরিয়ান খানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। কী আছে এই ‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’ সিরিজটিতে?
প্রথমে নাম দিলেই সবার নজর কেড়েছিল ‘ব্যা***ডস অব বলিউড’। ‘ব্যা***ডস’–এর আড়ালের ‘বাসটার্ড’ শব্দটিই জানান দিচ্ছিল প্রথাভাঙা, সাহসী কিছু নিয়ে আসতে চলেছেন আরিয়ান। ‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’ সিরিজটি মূলত ঝাঁ–চকচকে বলিউডের আড়ালের গল্প বলতে চেয়েছেন তিনি। তারকারা, তাঁদের সন্তান, ক্ষমতার রাজনীতি, নেপোটিজম, মাফিয়া চক্র, মিডিয়ার ভূমিকা; সবকিছুর একটা অংশ উঠে এসেছে এ সিরিজে। তবে প্রথমদিকে গল্প যতটা মজার ছলে এগোচ্ছিল, শেষ দিকে ‘অন্য বাস্তবতা’ দেখাতে গিয়ে গল্প একটু ক্লিশে হয়ে যায়।
‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’-এর গল্পে আসা যাক। আসমান সিং (লক্ষ্য লালওয়ানি) এক উঠতি নায়ক, বলিউডে নবাগত। ‘রিভলবার’ নামের প্রথম সিনেমাতেই মাত করেন তিনি। অন্যদিকে, বলিউড রাজত্ব করে বেড়ানো বর্ষীয়ান অভিনেতা অজয় তলওয়ার (ববি দেওল) প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাঁর একমাত্র মেয়ে কারিশমার (সাহের বাম্বা) বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে করণ জোহরের হাত ধরে। কারিশমার বিপরীতে অভিনয়ের জন্য করণ জোহরের পছন্দ আসমানকে। কিন্তু নিজের মেয়ের প্রথম সিনেমায় এই চাল-চুলোহীন নবাগতকে কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না অজয়। অন্যদিকে প্রযোজক ফ্রেডি সোডাওয়ালা (মনিশ চৌধুরী) নিজের স্টুডিও টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে নামেন। আর পর্দার আড়ালে চলতে থাকে নানান ষড়যন্ত্র।
সোশ্যাল মিডিয়ার আগের যুগে, বলিউডকে নিয়ে বলিউডের সিনেমা মানে ছিল সিনেমা তৈরির গল্প। যেমন ফারাহ খানের ‘ওম শান্তি ওম’ বা জোয়া আখতারের ‘লাক বাই চান্স’। এই সিনেমাগুলো ইন্ডাস্ট্রির রঙিন মানুষ, সেটের মজার সব গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে। কিন্তু ডিজিটাল যুগে চিত্রটা পাল্টেছে। এখন বলিউডের এই ঘরানার গল্পগুলো তৈরি হয় দর্শকের ধারণা, গসিপ, কৌতূহল ও তারকাদের নিয়ে গুঞ্জন থেকে। সমস্যা হলো, স্রেফ নিজেদের বিদ্রূপ করে সাত পর্বজুড়ে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। সে কারণেই আগে ‘দ্য ফেম গেম’ বা ‘শোটাইম’-এর মতো সিরিজগুলো জমেনি। আরিয়ান খানের প্রথম সিরিজটি আত্ম-বিদ্রূপের মধ্য দিয়েই যেন নিজের উত্তর খোঁজে। মাঝেমধ্যে এই মজার ভেতর ফুটে ওঠে ব্যথা, তীব্রতা। এক পর্ব শেষে যখন পর্দায় মাদকবিরোধী স্লোগান দেখা যায়, তখনই আসে টাইটেল কার্ড—ডিরেক্টটেড বাই আরিয়ান খান। এক এনসিবি অফিসারকে দেখে মনে হয় বাস্তবের সামির ওয়াংখেড়ে; যিনি বাস্তবে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন। নিজের প্রথম কাজেই সেই ঘটনার বলা যায় মধুর প্রতিশোধ নিলেন আরিয়ান।
‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’-এ মজার আড়ালে আছে হিন্দি সিনেমার ভেতরের অন্ধকারও। যেখানে এক বাবা মেয়েকে ঘরে বন্দী করে রাখে, প্রযোজক মারধর করে, ‘মি টু’ নিয়ে নোংরা মজা করে। বলিউডের গ্ল্যামারের ভেতর যে পচন, সেই ক্ষতটা এখানে খোলামেলাভাবে দেখানো হয়েছে। সিরিজজুড়ে নব্বইয়ের অনেক সিনেমা, নির্মাতাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হয়েছে। যখনই মনে হচ্ছিল সিরিজটি আদতে মজা আর নস্টালজিয়ার মিশেল, তখনই সুর উল্টো যায়, মনে হয় হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে চপেটাঘাত করতেই এটা বানিয়েছেন আরিয়ান। বোঝা যায়, এখানে কেউ সিনেমা বানাচ্ছে না, সবাই কেবল সিনেমা বানানোর অভিনয় করছে। সিনেমার গল্প, প্রেম, ক্লিশে—সবই যেন ফাঁপা, যদি এর ভেতরে থাকে কেবল ক্ষমতার রাজনীতি আর গোপন স্বার্থ।
এবার আসা যাক অভিনয়ে। ববি দেওল এই সিরিজটিকে পুরোটা সময় টেনে নিয়ে গেছেন। নিজের চরিত্রের ভারিক্কি চাল তিনি সামলাছেন খুব ভালোভাবে। সাহের বাম্বা ও লক্ষ্যের রসায়ন পুরো সিরিজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁরা দুজনই চেষ্টা করেছেন ভালো করার। তবে সাহেরের চেয়ে লক্ষ্য এগিয়ে থাকবেন অভিনয়ের দিক দিয়ে। আসমানের মা-বাবার চরিত্রে মোনা সিং ও বিজয়ন্ত কোহলি ভালো অভিনয় করেছেন। বিশেষত আসমানের সঙ্গে যখন তাঁর বাবা কথা বলেন, আসমানকে সাহস জোগান; দৃশ্যটি দর্শকদেরও আবেগতাড়িত করে। আসমানের চাচার চরিত্রে মনোজ পাহওয়া ভালো অভিনয় করেছেন। তবে বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ নজর কেড়েছেন রাঘব জুয়াল। সিরিজে ছিল একঝাঁক অতিথি চরিত্র; তবে ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের চরিত্রে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ইমরান হাশমি। লক্ষ্যের বন্ধুর চরিত্রে রাঘব জুয়ালও দুর্দান্ত। তাঁর কমিক টাইমিংয়ের আলাদাভাবে প্রশংসা করতেই হয়। গত বছরের আলোচিত অ্যাকশন সিনেমা ‘কিল’-এ নায়ক ও ভিলেন ছিলেন লক্ষ্য ও রাঘব। এই সিরিজে তাঁরাই বন্ধুর চরিত্রে; সাত পর্বজুড়ে তাদের রসায়ন মুগ্ধ করে রাখে। ফ্রেডি সোডাওয়ালার চরিত্রে মনীশ চৌধুরীও দারুণ। এ চরিত্রের কঠোর দিক ও তাঁর খারাপ মুহূর্তগুলো তিনি তুলে ধরেছেন খুব ভালোভাবে। তবে আলাদাভাবে বলতে হবে দিভিক শর্মার নাম, কারিশমার ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই তরুণ অভিনেতা। ছোট চরিত্র হলেও তাঁর ডার্ক কৌতুক আর শেষদিকের চমকের জন্য দর্শকেরা যে তাঁকে মনে রাখবেন, তা বলাই বাহুল্য।
‘দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড’ সিরিজের পুরোটা জুড়েই দেখা যায় ক্যামিও চরিত্রেরা হেসেছেন, নিজেদের নিয়ে মজা করেছেন, দর্শকদেরও হাসিয়েছেন। আমির খান, রাজামৌলি, সালমান খানের ক্যামিও খুব একটা প্রভাব রাখতে না পারলেও করণ জোহর, আরশাদ ওয়ার্সি, ইমরান হাশমির কথা সিরিজ শেষেও মনে রাখে। তবে সিরিজে বহু তারকার এই উপস্থিতি এসেছে অনেকটা ফারাহ খানের কমেডির ঢঙে। এটা বড় কোনো চমক না হলেও তারকারা এই সিরিজের আলাদা আকর্ষণ তো বটেই। ক্যামিও চরিত্ররা কম সময়ের জন্য উপস্থিত হলেও প্রত্যেককে একটা মুহূর্ত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আরিয়ান। ক্যামিও চরিত্রদের হাত ধরেই গল্প অনেকটা এগিয়ে যায়। বোঝা যায়, প্রতিটি চরিত্রের জন্য আলাদাভাবে ভেবেছেন নির্মাতা। এ ছাড়া এ সিরিজে নেতিবাচক চরিত্রের মানুষ দেখানো হলেও দর্শকেরা একপর্যায়ে তাদের কষ্টের সঙ্গে একাত্মতা বোধ করে, যেমন, সোডাওয়ালার চরিত্রটি।
তবে সব দেখাতে চাওয়াই এই সিরিজের বড় সমস্যা। বলিউডের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগসূত্র, রিভিউ বাণিজ্য, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে কেন্দ্র করে বলিউডে যা যা হয় তা দেখানো হয়েছে। কিন্তু কোনো ঘটনাই দেখানো হয়নি ভালোভাবে। যেমন আন্ডারওয়ার্ল্ডের গ্যাং-কে দেখানো অপ্রয়োজনীয় লাগে। গল্পের সঙ্গে এটি ঠিকমতো খাপও খায় না।
আসমানের মা–বাবার সঙ্গে সম্পর্ক, অজয় তালওয়ারের নিজের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কগুলো খুব ভালোভাবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু গল্প যতই এগিয়েছে, প্রথমদিকের মজা করে সবকিছু দেখানোর ভাবটা উধাও হয়ে গেছে। প্রথম দিকে যাকে সাধারণ, মজার চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে; শেষদিকে গিয়ে সে হয়ে উঠেছে ভিন্ন ব্যক্তিত্বের একজন। চরিত্রের এ পরিবর্তন ধরতে সময় লাগে। আবার পরিবর্তিত স্বভাবের চরিত্ররা যখন মজা করে, তখন সেটাও বেশ ক্লিশে লাগে।
তবে সিরিজের ক্লাইম্যাক্সের দৃশ্যে লুকিয়ে ছিল বড় চমক। শেষ দৃশ্য আসার আগপর্যন্ত অনুমান করতে না পারা, কী হতে যাচ্ছে। এই চমকের মাধ্যমেই যেন আরিয়ান খান এই সিরিজের নামকরণের সার্থকতা প্রমাণ করেন। যাঁরা বলিউডের গ্ল্যামার, তারকাদের ঝলমলে জগৎ আর আড়ালের বাস্তবতা দেখতে চান, তাদের জন্য ‘দ্য ব্যা**ডস অব বলিউড’ সিরিজটি হবে এক আনন্দময় অভিজ্ঞতা। তবে যাঁরা চান বাস্তবধর্মী গল্প ও গভীরতাসম্পন্ন চরিত্র ও নির্মাণ দেখতে চান, তাদের জন্য সিরিজটি কিছুটা কম মনে হতে পারে। আরিয়ানের নির্মাণ কাঁচা হলেও সাহস তারিফ করার মতো।
![]() |
| ‘দ্য ব্যা**ডস অব বলিউড’–এর পোস্টার থেকে। আইএমডিবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2180)
-
▼
October
(108)
-
▼
Oct 10
(17)
- গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫
- গাজায় যুদ্ধবিরতির এক বছর, বেশির ভাগ প্রতিশ্রুতিই অ...
- ইসরায়েলে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল ফ্লাইদুবাইয়...
- ‘ইরানের নেতৃত্ব আরও কট্টরপন্থিদের হাতে চলে গেছে’
- দিল্লিতে আন্দোলন, বিমান থেকে আটক অভিজিৎ দিপকে
- ‘তোমাদের হাঁটু গেড়ে বসতে হবে’, রুবিওকে কড়া জবাব গা...
- পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ‘সমঝোতা’, ৩ লাখ টন ডিজেল ছ...
- রাশিয়ার থেকে ডিজেল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- দিল্লিতে বিক্ষোভে আটক মমতা-কেজরিওয়ালসহ নেতারা
- চা–বাগানে শৈশব: মাইকেল স্টোরিয়ারের বাংলাদেশ–যাত্র...
- ‘মধ্যযুগীয়’ ও ‘উদ্বেগজনক’: যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্...
- ইরান যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্য...
- ইয়েমেন যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করলেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত
- ‘সভ্যতার যুদ্ধ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের জবাব...
- এডেন বিমানবন্দরে হামলা, জাতিসংঘের পদক্ষেপ চায় ইয়েমেন
- ৩৩০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল: রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা...
- বিতর্ক, স্বজনপ্রীতি থেকে গোপন সত্য, শাহরুখ–পুত্র আ...
-
▼
Oct 10
(17)
-
▼
October
(108)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
















