নির্বাচনে ভরাডুবির পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথকে সরানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে পদে রাখা উচিত কি না, তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের কাছে জানতে চাইছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র সিবিএস নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রগুলো জানায়, হোয়াইট হাউসের ভেতরে ও ফোনে উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনায় হেগসেথের দায়িত্বে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তবে তাকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা ধারণা করছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের দায় কিছুটা বর্তাতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের ওপর। ইরান যুদ্ধ পরিচালনার দিকনির্দেশনা তৈরিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

তবে অন্য সূত্রগুলো বলছে, হেগসেথকে সরানোর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনের আগেই ডেমোক্র্যাটরা তার বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর চেষ্টা করছিল। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হওয়ায় সেই উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে।

রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয়ের জন্য যুদ্ধকেই দায়ী করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমরা যে কারণে হেরেছি, তা হলো যুদ্ধ।’

হেগসেথের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিস্যান্টিসের নামও আলোচনায় এসেছে বলে সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন একটি সূত্র। ওই সূত্রের মতে, গভর্নর হিসেবে ডিস্যান্টিসের মেয়াদ আগামী ৫ জানুয়ারি শেষ হবে। এর আগে কংগ্রেসের বিদায়ী অধিবেশন চলাকালে সিনেটের অনুমোদন নিয়ে তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

সূত্র : সিবিএস নিউজ

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দিকে তাকিয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দিকে তাকিয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স