Saturday, January 14, 2012
সব অভিযোগ ডাহা মিথ্যাঃ নিরপেক্ষ বিচার হলে একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে নাঃ অধ্যাপক গোলাম আযম
সব অভিযোগ ডাহা মিথ্যাঃ নিরপেক্ষ বিচার হলে একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে নাঃ অধ্যাপক গোলাম আযম
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ, ভাষা আন্দোলনের নেতা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপকার অধ্যাপক গোলাম আযম গত বুধবার আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করছি যে এসব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা।
নিরপেক্ষ বিচার হলে এগুলোর একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে না। আমি জেল, জুলুম, নির্যাতন, এমনকি মৃত্যুকেও ভয় পাই না। তিনি বলেন, হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই বিচারের নামে এ প্রহসন চলছে। এ মামলার বাদী বর্তমান সরকার। আসামীদের অপরাধের তদন্ত করার জন্য যে সংস্থা, তা এ সরকারই তাদের নিজেদের লোকদের সমন্বয়ে গঠন করেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যে সেক্যুলার সরকার কায়েম হয়েছে, তারা আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের চরম বিরোধী। তাই তারা বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতিকে বেআইনী ঘোষণা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ জঘন্য উদ্দেশ্যেই ১৯৭৩ সালের মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুর দোহাই দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে তাদের মনগড়া ট্রাইব্যুনালে এক জংলী আইনে বিচার করে শাস্তি দেয়ার চক্রান্ত করছে।

গত বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে যাওয়ার পূর্বে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে প্রদত্ত একটি বক্তব্য তার একান্ত সচিব নাজমুল হকের নিকট হস্তান্তর করে যান। আদালতে হাজির হতে যাওয়ার পূর্বে তিনি যে বক্তব্য প্রদান করেছেন তা জনগণের অবগতির জন্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও সকল মিডিয়ায় প্রকাশ করার জন্য প্রেস বিজ্ঞপ্তির সাথে পাঠানো হয়।
জাতির উদ্দেশে অধ্যাপক গোলাম আযমের দেয়া বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়া-নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, ওয়া-আলা আলিহি ওয়া আসহাবিহী আজমাঈন
আমার প্রিয় দেশবাসী,
আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যে সেক্যুলার সরকার কায়েম হয়েছে, তারা আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের চরম বিরোধী। তাই তারা বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতিকে বেআইনী ঘোষণা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ জঘন্য উদ্দেশ্যেই ১৯৭৩ সালের মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুর দোহাই দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে তাদের মনগড়া ট্রাইব্যুনালে এক জংলী আইনে বিচার করে শাস্তি দেয়ার চক্রান্ত করছে।
ঐ আইন অনুযায়ী গঠিত তদন্ত সংস্থা আমার বিরুদ্ধে ৬২টি অভিযোগ এনেছে। জেলে নেয়ার পর এক তরফা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার বন্যা বইতে থাকবে। আমার কোনো বক্তব্য জনগণের নিকট পৌঁছাবার সামান্য সুযোগও থাকবে না। তাই গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথেই যাতে আমার বক্তব্য জনসাধারণ অবগত হতে পারে, সে উদ্দেশ্যেই আমি আমার এ বক্তব্য পেশ করছি। সম্প্রতি কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল আমার সাক্ষাৎকার প্রচার করলেও যেহেতু সেগুলোতে আমার সকল বক্তব্য আসেনি, তাই এ ব্যবস্থা করেছি।
প্রিয় দেশবাসী,
২০১১ সালের নবেম্বরে আমার ৮৯ বছর পূর্ণ হয়ে গেল। বার্ধক্যে রোগের অন্ত থাকে না। আমার ডান পায়ে সায়াটিকা ও বাম হাঁটুতে আর্থরাইটিস। এর জন্য দু'বেলা এমন কতক ব্যায়াম করতে হয়, যা অন্য কারো সাহায্য ছাড়া করা যায় না। একা চলাফেরা করতে পারি না। ডান হাতে ক্র্যাচে ভর দিয়ে বাম হাত একজনের কাঁধে রেখে মসজিদে যেতে হয়। তাই অত্যাবশ্যক না হলে কোথাও যাই না। ব্লাডপ্রেসারসহ নানা অসুখের কারণে রোজ নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। এ অবস্থায়ও সরকার ৯০ বৎসর বয়সে আমাকে জেলে নিচ্ছে। আমি জীবনে চারবার জেলে গিয়েছি। জেল বা মৃত্যুকে আমি ভয় পাইনা। আমি আল্লাহ্ ছাড়া কাউকেই ভয় পাইনা। শহীদ হওয়ার জয্বা নিয়েই ইসলামি আন্দোলনে শরীক হয়েছি। মিথ্যা মামলায় ফাঁসি দিলে শহীদ হওয়ার মর্যাদা পাবো ইনশাআল্লাহ্। এবার বার্ধক্যে ও অসুস্থতা নিয়ে বন্দিজীবন কেমন করে কাটবে সে ব্যাপারে মহান মাবুদের উপর ভরসা করে আছি।
আপনারা অবহিত আছেন যে, ১১ বৎসর পূর্বে, ২০০০ সালে, আমি স্বেচ্ছায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর-এর পদ হতে অব্যাহতি নেয়ার পর কোনো রাজনৈতিক বিবৃতি দেই না। কিন্তু, বিগত কিছু দিন থেকে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও বানোয়াট খবর, কেবলমাত্র বিদ্বেষ ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নির্লজ্জভাবে প্রচার করা হচ্ছে। তাই, সত্য প্রকাশের তাড়নায় আমি আপনাদের সামনে এ বক্তব্য পেশ করতে বাধ্য হলাম।
প্রিয় দেশবাসী,
আমি জন্মগতভাবে এ দেশের নাগরিক। ১৯২২ সালে ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে আমার নানার বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করি। ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট ঢাকা থেকে পাস করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাস করি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আমি ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হই। ১৯৪৭-৪৮ ও ৪৮-৪৯ সালে পরপর দু'বছর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর জিএস (জেনারেল সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। আমি ফজলুল হক মুসলিম হল ছাত্র সংসদেরও জিএস ছিলাম। ১৯৪৮ সালের নবেম্বরে রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াবযাদা লিয়াকত আলী খানের নিকট আমিই পেশ করেছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন ১৯৪৮-৫০ সালে আমি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম এবং পরবর্তীতে রংপুর কারমাইকেল কলেজে অধ্যাপনাকালে ১৯৫২ ও ১৯৫৫ সালে ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দানের জন্য আমি দু'বার কারাবরণ করি।
১৯৫৪ সালে আমি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করি এবং প্রত্যক্ষভাবে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। অখন্ড পাকিস্তানে ১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আমি সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। কপ (COP- Combined Opposition Party), পিডিএম (PDM- Pakistan Democratic Movement), ডাক (DAC- Democratic Action Committee) ইত্যাদি আন্দোলনে জনাব শেখ মুজিবুর রহমান সহ অন্য সকল দলের নেতাদের সাথে অংশগ্রহণ করে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি। রাজনৈতিক কারণে ১৯৬৪ সালেও আমাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভের পর আমি বিবৃতি দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর দলকে অভিনন্দন জানাই। সেই সাথে কালবিলম্ব না করে বিজয়ী দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট-এর নিকট আহবান জানাই। এরপর আসে মার্চ ১৯৭১।
১৯৭১-এর মার্চ মাসের ঐ উত্তাল দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহইয়ার সাথে শেখ সাহেবের আলোচনার সময় আমার সাথে শেখ সাহেবের একান্ত ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জনাব সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম-এর পিতা জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং জনাব আব্দুস সামাদ আযাদ-এর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তাঁরা আমাকে জানিয়েছিলেন যে, অখন্ড পাকিস্তান-এর চিন্তা নিয়েই উনারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। জনাব আব্দুস সামাদ আযাদের সাথে ২৫শে মার্চেও আমার টেলিফোনে আলোচনা হয়। তিনি আমাকে পুনরায় আশ্বস্ত করে বলেন যে, তাঁরা অখন্ড পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন বিকল্প চিন্তা করছেন না।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের পর
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে ঢাকায় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যে নির্মম হত্যাকান্ড চালায় তা থেকে বুঝা গেল যে, ইয়াহইয়া-মুজিব সংলাপ ব্যর্থ হয়ে গেছে। পরে জানা গেল যে, '৭০-এ নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু শেখ সাহেব পাক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। ইচ্ছা করলে তিনিও ভারতে চলে যেতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাননি। শেখ সাহেব গ্রেফতার হওয়ায় তাঁর কথা কিছুই জানা গেল না। অন্যদিকে বুঝা গেল যে, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ভারত সরকারের সহযোগিতা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করতে চান। এদিকে, '৭০-এর নির্বাচনে বিজয়ী নেতৃবৃন্দ ভারতে চলে যাওয়ায় অসহায় নির্যাতিত জনগণ আত্মরক্ষার জন্য দেশে অবস্থানরত আমাদের মত রাজনৈতিক নেতাদের নিকটই ধরণা দিতে বাধ্য হলো।
১৯৪৭ সাল থেকে '৭০ সাল পর্যন্ত ভারত সরকার এ দেশের সাথে যে আধিপত্যবাদী আচরণ করেছে তাতে আমাদের নিশ্চিত এ বিশ্বাস ছিল যে, ভারতের সহযোগিতা নিয়ে দেশ স্বাধীন হলে তা ভারতের তাবেদার রাষ্ট্রই হবে। তাই, কিছু বামপন্থী, সকল ডানপন্থী ও সকল ইসলামী দলগুলোসহ প্রায় সকল সুপরিচিত ইসলামী ব্যক্তিত্ব এ সুস্পষ্ট ধারণার কারণেই ভারতের সাহায্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা সঠিক মনে করেননি। ভারতের সাহায্য না নিয়ে যদি স্বাধীনতা যুদ্ধ করা হতো, তাহলে আমরা অবশ্যই সে যুদ্ধে যোগদান করতাম।
ভারত বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সাবেক পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক প্রধানমন্ত্রী ও ১৯৭০-এ নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য জনাব নুরুল আমীনের বাসায় সমবেত হয়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে, জেনারেল টিক্কা খানের সাথে সাক্ষাৎ করে গণহত্যা বন্ধ করার দাবি জানাতে হবে এবং সেনাবাহিনীর যুলুম-নির্যাতনের শিকার অসহায় জনগণের সহায়তার জন্য আমাদেরকে সুযোগ দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই অনুযায়ী আমরা ৭/৮ জন একসাথেই টিক্কা খানের সাথে সাক্ষাৎ করি। পিডিপি'র জনাব নূরুল আমীন, জামায়াতে ইসলামী থেকে আমি, নেজামে ইসলাম পার্টির মৌলভী ফরিদ আহমদ, মুসলিম লীগের খাজা খায়রুদ্দীন, কেএসপি'র এ এস এম সুলাইমান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ তাতে সামিল ছিলেন। এখন ঐ মিটিং-এর ছবির বরাত দিয়ে আমার নামে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উনাদের কি ধারণা যে, ছবি কথা বলে? তাহলে শেখ সাহেবের সাথেও তো আমার এবং মাওলানা মওদূদী (র)-এর মিটিং-এর ছবি আছে। সেগুলোর আলোচনার বিষয়বস্তু কী ছিল তা কি তারা বলতে পারবেন?
১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে না পারা রাজনৈতিক নেতাগণ জনগণকে যুলুম থেকে রক্ষা করার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনে বিজয়ী নেতৃবৃন্দ দেশে না থাকায় সাহায্যপ্রার্থী অসহায় জনগণের সমস্যার সমাধান করাই তাদের একমাত্র দায়িত্ব ও চেষ্টা ছিল। আমিও এ চেষ্টাই করেছি। আমি ১৪ই আগস্ট ১৯৭১-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের এক মিটিং-এ সেনাবাহিনীর জুলুম-নির্যাতনের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিকার দাবী করেছিলাম। বায়তুল মোকাররমের সামনে আরেকটি মিটিং-এও আমি এই প্রতিবাদ ও প্রতিকার দাবি উত্থাপন করেছিলাম। আমার বক্তব্য পত্রিকায় আসতে দেয়া হয়নি; বক্তব্য প্রকাশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের স্থপতি স্বয়ং যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর চূড়ান্ত মীমাংসা করে গেছেন
শেখ সাহেব এর সরকার তদন্তের মাধ্যমে পাক-সেনাবাহিনী ও সহযোগী অন্যান্য বাহিনীর মধ্যে থেকে ১৯৫ জন পাকিস্তানী সেনা কর্মকর্তাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। তাদের বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালের ১৯ জুলাই জাতীয় সংসদে International Crimes (Tribunals) Act পাস করা হয়। পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালের ৯ এপ্রিল নয়াদিল্লীতে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি চুক্তির মাধ্যমে ঐ যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করা হয়। শেখ সাহেব বাংলাদেশের কোন বেসামরিক ব্যক্তিকে যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় শামিল করেননি। যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়নি, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল এবং যারা সেনাবাহিনীর সহযোগী হয়েছিল, তাদেরকে শেখ সাহেবের সরকার ‘কলাবরেটর' আখ্যা দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের সামরিক সরকার সরকারি আদেশের মাধ্যমে জনগণ থেকে রাজাকার, আল-বদর, আশ-শামস নামে বিভিন্ন বাহিনী গঠন করে।
এসব বাহিনীকেও শেখ সাহেব এর সরকার ‘কলাবরেটর' আখ্যা দেন। ‘কলাবরেটরদের' বিচার করার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি ‘কলাবরেটর্স অর্ডার' নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। এ আইনে বিচারের জন্য লক্ষাধিক লোককে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। এদের মধ্যে অভিযোগ আনা হয়েছিল ৩৭ হাজার ৪শ' ৭১ জনের বিরুদ্ধে। এই অভিযুক্তদের মধ্যে ৩৪ হাজার ৬শ' ২৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষী-প্রমাণের অভাবে কোন মামলা দায়েরই সম্ভব হয়নি। মাত্র ২ হাজার ৮শ' ৪৮ জনকে বিচারে সোপর্দ করা হয়। বিচারে ৭শ' ৫২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং অবশিষ্ট ২ হাজার ৯৬ জন বেকসুর খালাস পেয়ে যায়। পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালের নবেম্বরে সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করার পর গ্রেফতারকৃত ও সাজাপ্রাপ্ত সকলেই মুক্তি পায়। অবশ্য যারা হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মত অপরাধে অপরাধী তাদেরকে ঐ আইনে বিচার করার সিদ্ধান্ত অব্যাহত রাখা হয়। কিন্তু, এরপর দু'বছর পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে ঐসব অভিযোগে মামলা দায়ের না হওয়ায় এ আইনটিই বিলুপ্ত করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে সে সময় অভিযোগ উঠেনি, কোন মামলা দায়ের হয়নি, সেই নিরপরাধীদেরকেই যুদ্ধাপরাধী সাজাবার জন্যে আজ মামলা তালাশ করা হচ্ছে।
যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর উদ্ভাবন
১৯৮০'র দশকে এবং ১৯৯০ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে এবং ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে বিএনপি'র বিরুদ্ধে আন্দোলনে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ যুগপৎ আন্দোলন করেছিল। সকল আন্দোলনকারী দলের লিয়াজোঁ কমিটি একত্রে বৈঠক করে কর্মসূচি ঠিক করতো। তখন তো কোন দিন আওয়ামী লীগ জামায়াত নেতৃবৃন্দকে যুদ্ধাপরাধী মনে করেনি। ফেব্রুয়ারি ১৯৯১-এর নির্বাচনের পর সরকার গঠনের জন্য আওয়ামী লীগ জামায়াতের সহযোগিতা প্রার্থনা করে আমার নিকট ধরনা দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের নেতা আমির হোসেন আমু সাহেব জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ সাহেবের মাধ্যমে আমাকে মন্ত্রী বানাবার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তখনও তো আওয়ামী লীগের মনে হয়নি যে, জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধী! পরবর্তীতে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী জামায়াতের সমর্থন লাভের আবদার নিয়ে যখন আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন, তখনও তো তাদের দৃষ্টিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ ‘যুদ্ধাপরাধী' ছিল না। এরপর এমন কী ঘটলো যে আওয়ামী লীগ ও কতক বাম দল জামায়াতকে ‘যুদ্ধাপরাধী' আখ্যা দিয়ে জামায়াতকে নির্মূল করার জন্য জেহাদে নামলেন? এরূপ দু'মুখো নীতি কোনো সুস্থ রাজনীতির পরিচয় বহন করে না।
২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মাত্র ৫৮টি আসনে বিজয়ী হয় আর বিএনপি ১৯৭টি আসন পায়। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হওয়ায় নির্বাচনে ইসলামপন্থী দলসমূহের শতকরা ২০ ভাগ ভোট একতরফা বিএনপি পাওয়ায় এসব ভোট থেকে বঞ্চিত হয়ে আওয়ামী লীগ মাত্র পাঁচ হাজার থেকে বিশ হাজার ভোটের ব্যবধানে বহু আসন হারায়।
আওয়ামী লীগ নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার কারণ হিসেবে বুঝতে পেরেছিল যে, জামায়াতে ইসলামীকে ঘায়েল করতে না পারলে ভবিষ্যতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো আশা নেই। এ উপলব্ধি থেকেই ২০০১ সালের নির্বাচনের পর থেকে জামায়াত নেতাদেরকে যুদ্ধাপরাধীর অপবাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ ব্যাপক প্রচারাভিযান চালায়। যাদেরকে এক সময় ‘কলাবরেটর' আখ্যা দেয়া হয়েছিল তাদেরকেই এখন আওয়ামী লীগ ‘যুদ্ধাপরাধী' হিসেবে বিচার করতে চাচ্ছে। ২০০১ সালের পূর্বে কখনো জামায়াত নেতাদেরকে যুদ্ধাপরাধী বলা হয়নি। এখন পাকিস্তানী ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালে যে আইন করা হয়েছিল সে আইনেই আওয়ামী লীগ নতুনভাবে আমাদেরকে যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে বিচার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগে আওয়ামী লীগ ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০১, মোট দু'বার ক্ষমতায় ছিল। তখনতো তারা আমাদের এ আখ্যাও দেয়নি এবং ঐ আইনে বিচারের উদ্যোগও নেয়নি। সেটা কেন নেয়নি এর কি কোন সন্তোষজনক জবাব আওয়ামী লীগ জনগণের সামনে দিয়েছে বা দিতে পারবে?
এ বিচারের অসাধু উদ্দেশ্য
এ বিচারের অপচেষ্টার উদ্দেশ্য আসলে মোটেও সৎ নয়। হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই বিচারের নামে এ প্রহসন চলছে। জামায়াতকে নেতৃত্ব শূন্য করে যাতে আগামী নির্বাচনে জামায়াত আওয়ামী লীগের পরাজয়ের কারণ হতে না পারে সে উদ্দেশ্যেই এ বিচার।
যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর যে মীমাংসা শেখ সাহেব স্বয়ং করে গেছেন তা নাকচ করে নতুনভাবে বিচার করাই যদি আসল উদ্দেশ্য হতো, তাহলে ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীর বিচার আগে করতে হতো। কিন্তু সেটা সরকার করছে না। শেখ সাহেবের সমাপ্ত করা সে বিচার নাকচ না করেই অন্যায়ভাবে গোঁজামিলের আশ্রয় নিয়ে সরকার শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিদ্বনদ্বী জামায়াতকে দুর্বল ও জামায়াত নেতৃবৃন্দকে দৃশ্যপট থেকে সরানোর জন্যেই নতুন করে যুদ্ধাপরাধ ইস্যু সৃষ্টি করেছে।
যে আইনে বিচার করা হচ্ছে
যে কালো আইনে বিচার করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে সে আইনে ন্যায় বিচারের পরিপন্থী ১৭টি ধারা আন্তর্জাতিক আইনজীবী সমিতি চিহ্নিত করেছে। হোটেল সোনারগাঁও-এ অনুষ্ঠিত আইনজীবী সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠতম আইনজীবী বিচারপতি টিএইচ খান বলেছেন, ‘এ আইনটি চরম জংলী আইন। কুরবানীর পশুকে যেভাবে বেঁধে জবাই করা হয়, এ আইনে সেভাবেই বিচার করা হবে। আইনটির শিরোনামে আন্তর্জাতিক শব্দটি থাকলেও এ আইনে আন্তর্জাতিক মানের কোন চিহ্নও নেই।' অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছে, যাতে আইনটি সংশোধন করে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়। কিন্তু, সরকার এ সব কথায় কান দিচ্ছে না; কারণ যুদ্ধাপরাধ আইনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে ন্যায় বিচার করা হলে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মত নিরপরাধ কাউকে সাজা দেয়া যাবে না এবং জামায়াতকে পথ থেকে সরানোর তাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না।
১৩ অক্টোবর ২০১০ তারিখে হোটেল সোনারগাঁও-এ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন আয়োজিত সেমিনারে যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যুগোস্লাভিয়া ও রুয়ান্ডার আইনজীবী স্টিফেন কেয়ি কিউসি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বর্তমান যুদ্ধাপরাধ বিচার সম্পর্কে তার অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি সে সেমিনারে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও যুদ্ধাপরাধ আইনকে বাংলাদেশের সংবিধান, ফৌজদারী দন্ডবিধি ও আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটাকে নিরপেক্ষ আইন ও নিরপেক্ষ বিচারিক প্রক্রিয়া বলে গণ্য করবে না। যুদ্ধাপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক মানে করতে হলে সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে করতে হবে, বিচারক হতে হবে উভয়পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিক মানের নিরপেক্ষ বিচারকও সেখানে থাকতে হবে। প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তিকে এমন কোনো অপরাধের জন্য সাজা দেয়া যাবে না, যা কিনা তৎকালীন সময়ে কোন আইন দ্বারা ঐ অপরাধকে চিহ্নিত করা হয়নি।
প্রহসনমূলক বিচার
এ মামলার বাদী বর্তমান সরকার। আসামীদের অপরাধের তদন্ত করার জন্য যে সংস্থা, তা এ সরকারই তাদের নিজেদের লোকদের সমন্বয়ে গঠন করেছে। ট্রাইব্যুনালের বিচারকদেরকেও এ সরকারই বাছাই করে নিজেদের পছন্দের লোকদের নিয়োগ দান করেছে। একদিকে আইনের দুর্বলতা, অন্যদিকে নিজেদের মনোনীত দলীয় লোকদের দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত ও বিচার। এ অবস্থায় ন্যায় বিচারের সামান্য সম্ভাবনাও থাকতে পারে না।
তদন্ত সংস্থা তাদের সাজানো লোকদেরকেই মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে সুযোগ দিচ্ছে। ওয়াকিবহাল ও নিরপেক্ষ সাক্ষ্যদাতাদেরকে পুলিশ দিয়ে তাড়িয়ে দেয়ার কথাও জানা গেছে। এটা এক হাস্যকর তদন্ত প্রক্রিয়া। আসলে নিরপেক্ষ তদন্ত তারা করতে চায় না। সরকারের রায় হয়েই আছে। ঐ রায়কে ঠিক রাখার জন্যে যে ধরণের তদন্ত দরকার সেটাই করা হচ্ছে। তাই, সরকারের পছন্দ মত বিচার ও রায় ঘোষণা হবার আশংকাই বেশি।
আমার সম্পর্কে তদন্তের নমুনা
তদন্ত সংস্থা কিছুদিন আগে আমার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। এতে একটি অভিযোগ আমার যে, আমি নাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গণহত্যার হুকুমদাতা। অথচ ১৯৭১ সালে আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাইইনি। আরো অভিযোগ করেছে, আমার পরামর্শেই নাকি সামরিক সরকার রাজাকার বাহিনী ও শান্তি কমিটি গঠন করেছে। স্বাধীনতার পর আমি নাকি পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার বা রক্ষা কমিটি গঠন করেছিলাম। এর প্রমাণ তারা কোথায় পেলেন? আসলে তারা যা বলছে তাকেই তারা প্রমাণ বলতে চায়। এগুলো সবই অপবাদ, অভিযোগ নয়। তদন্ত সংস্থা আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ এনেছে এসবই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যারা রাজনৈতিকভাবে আমাকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ তারাই নিজস্ব হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে এ জঘন্য পন্থা বেছে নিয়েছে । আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবি করছি যে এসব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা। নিরপেক্ষ বিচার হলে এগুলোর একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে না। আমার সারা জীবনে আমি কখনো কোন খারাপ কাজ করা তো দূরের কথা, কোন খারাপ কাজের চিন্তাও আমার মাথায় আসেনি। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবসহ এ দেশের সকল বর্ষীয়ান ব্যক্তি আমার এ দাবির পক্ষেই কথা বলবেন। যারা আমার বিরুদ্ধে সোচ্চার তারাও জানেন যে, এ সকল অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা।
ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা আমার বিরুদ্ধে যে সব অপবাদ ও মিথ্যা তথ্য লিখে প্রচার করেছে সেসব তথ্যই ঐ জংলী আইনে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার বিধান রয়েছে, যাতে বিচারে সরকারের মনমতো শাস্তি দেয়া যায়। তাই, এ আইনে বিচার হলে সুবিচারের কোনো আশাই করা যায় না।
বাংলাদেশে ভারতের ভূমিকা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত তাদের সেনাবাহিনীর ভূমিকাকেই বড় করে দেখে। বাংলাদেশকে স্বাধীন করার কৃতিত্ব সবটুকুই ভারত তাদের বলে মনে করে। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে তারা স্বীকারই করে না। তাই, '৭১-এর ১৬ই ডিসেম্বর পাক সেনাবাহিনী ভারতীয় বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীকে সেখানে হাজির হতেই দেওয়া হয়নি। প্রায় এক লাখ বন্দী পাকিস্তানী সৈন্যকে বাংলাদেশে না রেখে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পাক বাহিনীর সকল অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম লুট করে ভারতে নিয়ে গিয়েছিল তারা। অথচ, এসব বাংলাদেশের সম্পদ ছিলো। বাংলাদেশ রেলওয়েসহ অন্যান্য সংস্থার সম্পদও ভারত লুট করে নিয়ে যায়। এমনকি আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোও তাদের লুণ্ঠনের হাত থেকে রেহাই পায়নি।
আসলে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার উদ্দেশ্যে ভারত এগিয়ে আসেনি। তাদের চিরশত্রু পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে তাদের কুক্ষিগত করে রাখার উদ্দেশ্যেই তারা সবকিছু করেছে। তাদের পরবর্তী আচরণ সে কথাই প্রমাণ করে। দেশবাসী বিবেচনা করে দেখুন, ১৯৭১ সালে ভারতীয় আধিপত্যের যে আশংকা প্রকাশ করা হয়েছিলো তা সত্যে পরিণত হচ্ছে কিনা? বিগত ৪০ বৎসরের ইতিহাস এ সত্যের এক জ্বলন্ত সাক্ষী।
ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষশক্তি হলে পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি বিদ্রোহীদেরকে অস্ত্র ও ট্রেনিং দিয়ে সাহায্য করতো না, আমাদের পানি সম্পদ নিয়ে আমাদের সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করে বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করতো না বা বর্ষায় পানি ছেড়ে দিয়ে বন্যার সৃষ্টি করতো না। ভারতের পণ্য বাংলাদেশকে ভারতের বাজারে পরিণত করেছে। সীমান্তে অব্যাহতভাবে বাংলাদেশী মানুষকে পাখি শিকারের মতো গুলী করে হত্যা করছে ভারত। জনগণ বিক্ষুব্ধ হলেও সরকার এর প্রতিকার করছে না। এর পাশাপাশি ভারত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট ও করিডোর আদায় এবং চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করার সুযোগ নেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশকে তার আঙ্গিনা বানাতে চাচ্ছে। এটা হলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হারিয়ে ফেলবে।
এসব কারণেই বাংলাদেশের জনগণ ভারতকে বন্ধু মনে করে না। নিরপেক্ষভাবে জনমত যাচাই করলে তা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে। ভারত বাংলাদেশকে প্রায় চারদিক দিয়ে ঘেরাও করে আছে। যদি কখনো এ দেশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহলে একমাত্র ভারতই করবে। এটা বড়ই দুঃখের বিষয় যে, জনগণ ভারতকে বন্ধু মনে না করলেও সরকার ভারতকে শুধু বন্ধুই মনে করে না, জনগণের মধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে যত অভিযোগই থাকুক তারা কখনো ভারতের কোন মন্দ আচরণের প্রতিবাদ করে না। বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য কায়েমের উদ্দেশ্যে ভারত যা দাবি করে তা সবই তারা বিনা দ্বিধায় দিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের স্বার্থের বিরোধী হলেও ভারতের স্বার্থ বজায় রাখতে তারা অতি উৎসাহী। অথচ, বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে।
প্রিয় দেশবাসী,
আপনাদেরকে সম্বোধন করে আবার কিছু বলার সুযোগ পাবো কিনা জানি না। তাই, প্রাসঙ্গিকভাবে আমি যা বলতে চাই তার প্রয়োজনে পাকিস্তান আন্দোলন সম্পর্কে দু'এক কথা উল্লেখ করতে হয়।
চল্লিশের দশকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে বৃটিশ সরকার ঘোষণা করে যে, যুদ্ধের পর তারা ভারতবর্ষকে স্বাধীনতা দিবে। মি. গান্ধি ও মি. নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস দল থেকে দাবি করা হয় যে, ভারতীয় জাতীয়তা ও সেক্যুলার গণতন্ত্রের ভিত্তিতে অখন্ড ভারত ‘এক রাষ্ট্র' হবে, কারণ ভারতের সকল ধর্মের মানুষ এক জাতি। কায়েদে আযম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবের মত নেতারা দাবি করলেন যে, ‘মুসলিমরা আলাদা জাতি'। ৪০ কোটি ভারতবাসীর রাষ্ট্রে ১০ কোটি মুসলমান ৩০ কোটি হিন্দুর শাসনাধীন হলে মুসলিমরা স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারবে না। তাই, মুসলিম জাতীয়তার ভিত্তিতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোকে ভারত থেকে আলাদা করে পাকিস্তান কায়েম করার আন্দোলন হয়। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে ১০ কোটি মুসলমান পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দেয়ার কারণে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তানের জন্ম হয়।
কিন্তু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আদর্শিক লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। তার ফলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়। এই বিভেদ বঞ্চনা থেকেই পৃথক হওয়ার ধারণার জন্ম। আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ বিভক্ত ভারত ও বিভক্ত পাকিস্তানের উত্তরসূরী। এই বিভক্তির ফলে আমরা আলাদা জাতিসত্তা ও স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
বিগত ৬০ বৎসর ধরে ভারতে মুসলমানদের যে দুর্দশা চলছে, ভারত বিভক্ত না হলে বাংলাদেশের মুসলমানদেরও একই দুরবস্থা হতো। পাকিস্তান হওয়ার কারণেই সর্বক্ষেত্রে মুসলমানদের এত ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছিল। ভারত বিভক্ত না হলে ১৯৪৭ সালের পর বাংলাদেশ ভূখন্ডের যে উন্নতি হয়েছে তা কখনো হতো না। আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি ৪৭ এর দেশ বিভাগের ফল হিসেবেই।
বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ আল্লাহকে বিশ্বাস করে, রাসূল (সা.)-কে মহববত করে এবং কুরআনকে ভক্তি ও শ্রদ্ধা করে। রাসূল (সা.) কুরআনের জীবন বিধান বাস্তবে চালু করেই ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েম করেন। তিনি ইসলামকে শুধু কতক অনুষ্ঠানসর্বস্ব ধর্ম মনে করেননি। মানবজাতির পার্থিব সুখ-শান্তি ও আখিরাতে সাফল্যের জন্যই আল্লাহ কুরআন নাযিল করেন।
বাংলাদেশে ধর্মহীন সেক্যুলার মতবাদ কায়েম করা হলে কংগ্রেসের ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সাথে কোন পার্থক্য আর থাকবে না এবং ভারত বিভাগ ও আমাদের আলাদা স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের কোন যৌক্তিকতা থাকবে না। এই কারণেই আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন, সুখী ও ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই। তাহলেই আমাদের স্বাধীনতা অর্থবহ হবে। তা না হলে এদেশ একদিন ভারতীয় জাতীয়তাবাদের কবলে পড়ে ভারতের অঙ্গরাজ্যে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের সেক্যুলার সরকার আমাদের স্বাধীন ও স্বতন্ত্র জাতীয়তার ভিত্তি ইসলামকে এ দেশের জনজীবন থেকে উচ্ছেদ করে কংগ্রেসের ভারতীয় জাতীয়তাবাদের আগ্রাসনের পথই পরিষ্কার করছে।
আমি মুসলিম দেশবাসীর প্রতি আকুল আবেদন জানাই, যেন তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে এ দেশে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েমের জন্য জান-মাল দিয়ে প্রচেষ্টা চালান। কারণ, এটা ঈমানেরই দাবি এবং এটা স্বাধীনতারও একমাত্র গ্যারান্টি।
প্রিয় দেশবাসী,
দেশ বর্তমানে এক কঠিন সঙ্কটের মধ্য দিয়ে চলছে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সমাধান ব্যতীত দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই, দলমত নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসব জাতীয় সঙ্কট উত্তরণে কাজ করে যাওয়া একান্ত জরুরি।
এখন বিভাজনের সময় নয়- জাতীয় বৃহত্তর ঐক্যের সময়। দেশের অগ্রগতি অর্জনের স্বার্থে আমাদের পেছনে তাকানোর সময় নেই; আমাদেরকে সামনে অগ্রসর হতে হবে। আমি কামনা করি, বর্তমান সরকার এবং ভবিষ্যতেও যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন তারা দলমত নির্বিশেষে সামাজিক শৃক্মখলা প্রতিষ্ঠা ও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থে কাজ করে বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করবেন। আমি দোআ করি, দেশের শাসকগণকে আল্লাহ যেন হীন দলীয় স্বার্থ ও হিংসা-বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে সঠিকভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার তাওফীক দেন, আইনি সাম্যের ভিত্তিতে সামাজিক ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে যা করণীয় তা তারা করেন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিকদের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, এবং বয়স্ক, দরিদ্র ও ইয়াতিমদের ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান হন। তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে, এ দেশের মানুষকে আধুনিক, সুশিক্ষিত, দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা।
প্রিয় দেশবাসী,
আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করছি যে, আমি কখনও কোন মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলাম না। এক শ্রেণীর অন্ধ স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বিগত প্রায় ৪০ বৎসর যাবত এ ধরনের ঘৃণ্য অপপ্রচার করে জনমনে আমার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুট করছে। আজ পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের জন্য কোথাও কোন মামলা হয়নি। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন সরকার অন্যায়ভাবে আমার জন্মগত নাগরিকত্ব অধিকার হরণ করলেও পরবর্তীতে, ১৯৯৪ সালে, সুপ্রিম কোর্টের সর্বসম্মত রায়ে আমি আমার জন্মগত নাগরিক অধিকার ফিরে পাই এবং আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এখন নতুন করে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আবার সেই একই অভিযোগের অবতারণা করা হচ্ছে।
আমি জেল, জুলুম, নির্যাতন, এমনকি মৃত্যুকেও ভয় পাই না। মৃত্যু অত্যন্ত স্বাভাবিক, অনিবার্য। একদিন সবাইকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে আল্লাহকে বিশ্বাস করি, আখিরাতে বিশ্বাস করি, তাক্বদির বিশ্বাস করি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
January
(4234)
-
▼
Jan 14
(74)
- বাবরি মসজিদ ধ্বংসকাণ্ডের ইস্যুতে তোলপাড় ভারতের রাজ...
- সাম্রাজ্যবাদ ও কিছু অভিজ্ঞতা by হায়দার আকবর খান রনো
- ট্রলারডুবিতে সলিল-সমাধিঃ এই ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্ত...
- ভারতীয় বই দিয়ে হচ্ছে শিশুদের হাতেখড়িঃ এরা ভিন্ন সং...
- রাজনীতিতে সহিষুষ্ণতা আসবে কি? by মোঃ জাহেদুল ইসলাম
- বাংলাদেশে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় by মামুনূর রশীদ
- গোলাম আযমের জন্য চিকন চালের ভাত, সুগন্ধি কম্বল! by...
- সব অভিযোগ ডাহা মিথ্যাঃ নিরপেক্ষ বিচার হলে একটিরও প...
- মিডিয়া পিকনিকে তারার মেলা
- আমার সমাজ আমার বিবেক by মেহেরুন নেছা রুমা
- শিক্ষাঙ্গন যখন রণক্ষেত্র by মোঃ মাইন উদ্দিন সোহাগ
- নকল দুধ-ভেজালদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন
- অশান্ত জাবি ক্যাম্পাস-শিক্ষার্থীদের স্বার্থ প্রাধা...
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে অ...
- জাতিসংঘে বাংলাদেশ দূতাবাসের উপদেষ্টা হুমায়ূন আহমেদ
- সাতজন মুসল্লির মৃত্যু-বিশ্ব ইজতেমায় জুমার নামাজে ল...
- আস্থা ভোটের আগে গিলানি-গণতন্ত্র না স্বৈরশাসন সেই স...
- অধ্যক্ষ জেমসের হকি-প্রেম
- একটু দুশ্চিন্তাতেই থাকবেন ফার্গি
- আরও দুটি ‘এল ক্লাসিকো’
- ওয়াকাতেই ওয়ার্নারের রুদ্র রূপ!
- পার্থ টেস্ট-আরও অন্ধকারে ভারত
- ঝুলে আছে বড়দহ সেতু
- ডবএনপি : গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা-ঐক্যের গান শোনা যা...
- আওয়ামী লীগ : গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা-উঁকি দিয়ে যায় ...
- তৈরি পোশাক শিল্প-উদ্যোক্তাদের শঙ্কা দূর করুন
- শুরুতেই হোঁচট খেল মেট্রোরেল-বিমানবাহিনী তাদের আপত্...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষের দেহে সভ্য-শালীন পোশাক এ...
- এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকার-সংকটের মূলে রয়েছে উচ্চাভিলাষ...
- পোশাক খাতের সরঞ্জাম ও মোড়ক এখন দেশজ পণ্য by শুভংকর...
- পুঁজিবাজারের কাঁটা by ইফতেখার আহমেদ টিপু
- গাদ্দাফির মৃত্যু ও পরবর্তী রাজনীতি by তারেক শামসুর...
- চরাচর-আমরা অতিথি পাখির ক্ষেত্রে অতিথিপরায়ণ নই by স...
- রঙ্গব্যঙ্গ-রনির কাল্পনিক সাক্ষাৎকার by মোস্তফা কামাল
- বৃত্তের ভেতর বৃত্ত-কারা প্রশাসন : পতনের শুরুটা জান...
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কৃষিবিষয়ক নীতি ও কৌশ...
- বন্ধ হোক সর্বনাশা মানবপাচার-শুধু কঠোর আইন করা নয়, ...
- পুলিশের ওপর হামলা-সারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চ...
- চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে উল্লুক by আজিজুর রহমান
- পবিত্র কোরআনের আলো-কাফির ও মুসলিম পরস্পরের ওয়ারিশ ...
- দায়ী দুই মেরিন সেনা শনাক্ত
- পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে যুক্তরাষ্ট্র-মি...
- আন্দামানের ‘মানব চিড়িয়াখানা’
- সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা আরব লিগ-প্রধানের
- বিশ্লেষণ-হামলার ঝুঁকিতে ইরানের পরমাণুবিজ্ঞানীরা
- ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল-সরকার ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোক...
- আদিবাসীরা আবার সংগ্রামের প্রস্তুতি নিচ্ছে: সন্তু ল...
- সদরে অন্দরে-জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় রেফার্ডপ্রাপ্তদ...
- নাসিক-কুসিক নির্বাচন : বিপ্রতীপ এবং সমরূপের সমাহার...
- মূল রচনা-‘ছিলেন মাটির কাছের মানুষ’ by মাহবুবুর রহমান
- মূল রচনা-‘তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে আসছি’ by মেজর জেনা...
- মূল রচনা: স্যামসন এইচ চৌধুরী-শ্রদ্ধার্ঘ্য by ফারুক...
- বিদায় কীর্তিমান!
- মূল রচনা-অনন্য একজন by দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
- স্মরণ-সেলিম আল দীনের সমাধি প্রাঙ্গণে
- প্রতিক্রিয়া-টিপাইমুখ ড্যামের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে ...
- কৃষি-প্রযুক্তির আধুনিকায়ন by আসাদউল্লাহ খান
- দাহকালের কথা-‘যখন আশ্চর্য বলে কোনো কিছু নেই’ by মা...
- দুর্বৃত্তদের কঠোর হাতে দমন করুন-পুলিশের ওপর জামায়া...
- সরকার ও বিরোধী দলের সমঝোতাই আসল কথা-রাষ্ট্রপতির সংলাপ
- স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি-যুদ্ধাপরাধ ও আমাদের বিচিত্র ...
- ছবি দেখে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা-পুলিশের লুণ্ঠি...
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-লেখাপড়ায় আনন্দযোগ by ...
- রেলইঞ্জিন থেকে তেল চুরি-নেতৃত্বে বহিষ্কৃত নেতা, বড়...
- ব্যাংকে পরিচালক পদ-বছরের পর বছর পরিচালক by মনজুর আ...
- টিআরের নামে প্রতারণা!-সেই সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্ত শ...
- প্রিজন সেলে গোলাম আযম-কারা কর্তৃপক্ষের কাছে মেডিকে...
- রাজধানীতে পৃথক ঘটনা-র্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুক...
- ফল-পাহাড়ের রক্তিম আমিলা by পলাশ বড়ুয়া
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ফেনসিডিলের আদলে কোমল পানীয়ঃ আফিম থেকে এনার্জি ড্রি...
- আমিনবাজারে ছয় ছাত্র হত্যা-জড়িত পুলিশের বিচার দাবি ...
- নকল পুনম পান্ডে!
- এইবার মাইর খাইলে আত্মহত্যা করবঃ আলুচাষী by আল মাসু...
-
▼
Jan 14
(74)
-
▼
January
(4234)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment