Tuesday, December 13, 2011
বিশ্লেষণ-'হীরক রাজার দেশ'-এর কথা ও ৯/১১ by শামস্ বিশ্বাস
বিশ্লেষণ-'হীরক রাজার দেশ'-এর কথা ও ৯/১১ by শামস্ বিশ্বাস
আফ্রিকায় হীরার কারবার শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে। তখন সবে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করে ঘরে ফেরার পর সিয়েরা লিওনবাসী বুঝতে পারে যে তাদের দেশের বুকে ব্রিটিশরা লুটতরাজ চালাচ্ছে। সে সময় যে হীরার খনন শুধু সিয়েরা লিওনে সীমাবদ্ধ ছিল না ঠিকই, তবে আফ্রিকার বাকি দেশ ও সিয়েরা লিওনের হীরার মধ্যে একটা পার্থক্য ছিল। আফ্রিকার অন্যান্য দেশে হীরা পাওয়া যায় দেশের বিশেষ কিছু অংশে।
আর সেখানে পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশটিতে হীরা পাওয়া যায় তাদের ভূখণ্ডের বিভিন্ন অংশে। তাই সেখানে লুটতরাজ চালানো অনেক বেশি সহজ এবং সেই লুটের মূল্যও অনেক বেশি। ক্রমেই ৫০ থেকে ৬০-এর দশকে সিয়েরা লিওনের স্থায়ী বাসিন্দারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই হীরার খনন শুরু করে এবং স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা শুরু করে। পুরো ভূখণ্ডটা 'ওপেন ফিল্ড' হওয়ার ফলে সেখানে নিরাপত্তা বা সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা ছিল প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। স্থানীয়দের এভাবে হীরার খনন থেকে বিরত রাখতে প্রথমে ব্রিটিশরা পুলিশ ব্যবহার করে, কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা ক্রমেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের সহায়তায় যুদ্ধবিদ্যাটা রপ্ত করে ফেলে। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেআইনি খনির কাজ বাড়তে থাকে। তা ছাড়া সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা তাদের হীরা লেবাননে পাচার করতে শুরু করে। আর লেবানন থেকে সরবরাহ হতে থাকে খননকাজের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি। এ ছাড়া হীরা পাচার হতে থাকে লাইবেরিয়াতেও। লাইবেরিয়ায় আইনকানুন শিথিল থাকায় সেখানে এই হীরার বেচাকেনা অত্যন্ত সহজ হতো। তারপর সেখান থেকেই সেই হীরা চলে যেতে থাকে আন্তর্জাতিক বাজারে।
ঠিক তখনই এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার জন্য এবং মূল্যবান হীরার বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য আন্তজার্তিক হীরা কম্পানি 'ডি বিয়ার্স' অ্যাঙ্গোলা এবং সিয়েরা লিওনের মতো পশ্চিম আফ্রিকার প্রায় সব দেশ থেকেই হীরা কিনতে শুরু করে। ওই কম্পানি বেশি মাত্রায় হীরা কিনে গোপনে তা জমাতে শুরু করে। এর ফলে বাজারে জোগানের পরিমাণ একদিকে যেমন কমতে থাকে অন্যদিকে চাহিদা ও দাম দুটোই বহু গুণ বাড়তে থাকে। ঘটনাক্রমে ঠিক এই সময়েই 'ডি বিয়ার্স' তার 'চিরন্তর হীরক' বা 'ডায়মন্ড ফরএভার' ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল। এর পর আফ্রিকাজুড়ে হীরার খনন করার চাহিদা বহুমাত্রায় বেড়ে যায়। চাহিদা এতটাই বেড়ে যায় যে ওই মহাদেশের বিভিন্ন দেশের স্বৈরাচারী নেতৃত্ব এবং বিদ্রোহীরা হীরার খনন অব্যাহত রাখার জন্য নিষ্ঠুরতম পন্থা অবলম্বন করতেও দ্বিধা করেনি। তারা স্থানীয়দের খনি থেকে দূরে রাখার জন্য নির্যাতন ও হত্যার মতো পন্থা বেছে নেয়। তাদের মধ্য থেকে অনেককে জোর করে 'বন্ডেড লেবার' বানিয়ে হীরা খোঁজার কাজ চালিয়ে যেতে থাকে, যাদের মধ্যে অনেকে ছিল শিশু ও মহিলা। বলাই বাহুল্য, সেসব শ্রমিক আজও চরম অমানবিক পরিস্থিতিতেও কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। সেসব দেশের কথিত নেতারা ওই হীরা বিক্রি করে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য কিনতে থাকের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। বেআইনি হীরার ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতাও বাড়তে থাকে। সেখানকার সরকার, বিদ্রোহী এবং গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত অংশ মিলে গোটা আফ্রিকায় এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করে। হীরাসর্বস্ব এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রাজনৈতিক ও সামরিক অনিশ্চয়তা ইচ্ছে করে জিইয়ে রাখে দেশি-বিদেশি শক্তি। সিয়েরা লিওনে বিদ্রোহী গোষ্ঠী রেভেলিউশন ইউনাইটেড ফ্রন্ট (আরইউএফ) বহু মানুষকে হত্যা করে এবং তাদের এই খননকাজে জোর করে ধরে রাখার জন্য তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলতেও দ্বিধা করেনি। এত বছরে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা চার মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে! সে জন্যই এসব এলাকা থেকে আসা হীরাকে সবাই 'কনফ্লিক্ট ডায়মন্ড' বা 'ব্লাড ডায়মন্ড' নাম দিয়েছে। আর তাই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে সেখানকার সাধারণ মানুষের সামাজিক জীবন আজ কেন এত দুর্দশার শিকার হয়েছে। গোড়ার দিকে শুধু দ্বন্দ্ব জর্জরিত এলাকাতেই খনন হতো। কিন্তু ক্রমেই জাতি হত্যা এবং গণহত্যার ধারা শুরু হয়। হীরা খনি কবজা করার জন্য সেখানে গণহত্যা যেন এক প্রাত্যহিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতা এবং অর্থের লোভে উন্মাদ হয়ে রক্তের বন্যা বইয়ে দেয়। ১৯৬৮ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সিয়েরা লিওনে একের পর এক মন্ত্রীরা হিংসাত্মক পথে হীরার ব্যবসা চালিয়ে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ আয় করেন। ১৯৯১ সালে আরইউএফ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের হিংসাত্মক বিদ্রোহ শুরু করে এবং দুর্নীতির হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার সংকল্প থেকে সরে গিয়ে তারা নিজেরাই রক্তের বন্যা বইয়ে হীরার ব্যবসার মূল কারিগরে পরিণত হতে থাকে। হিসাব অনুযায়ী, এটুকু সময়েই নাকি সেখান থেকে ইউরোপে মোট ১২৫ মিলিয়ন ডলারের হীরা রপ্তানি হয়েছিল। আর সেই অর্থের বিনিময়ে আরইউএফ অনেক অস্ত্রশস্ত্র কেনে। ২০০১ সালের গোড়ার হিসাব অনুযায়ী, প্রায় এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তখন গৃহহারা হয়েছিল এবং তাদের এই দুর্দশার কারণেই জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে সবার নিচে চলে যায় সিয়েরা লিওন।
শুধু সিয়েরা লিওন নয়, বলতে গেলে গোটা পশ্চিম এবং মধ্য আফ্রিকাই এই রক্তাক্ত হীরা ইন্ডাস্ট্রির কবজায় চলে যায়! সিয়েরা লিওনে যে রক্তাক্ত হিংসা শুরু হয়, তা ক্রমেই লাইবেরিয়া, কঙ্গো এবং অ্যাঙ্গোলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সব দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে যায় অ্যাঙ্গোলা। ১৯৭৫ সালে অ্যাঙ্গোলা যখন পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়, তখন থেকে সেখানে বিষাক্ত এক গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা ২০০১ সাল পর্যন্ত চলে। যুক্তরাষ্ট্র তখন 'ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য টোটাল ইনডিপেনডেন্স অব অ্যাঙ্গেলা'কে (ইউএআইটিএ) সমর্থন করে। এই গোষ্ঠী ছিল সেখানকার মূল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং শীতলযুদ্ধের পুরো সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থ পায়। সেই অর্থকে সম্বল করে তারা সোভিয়েত রাশিয়া সমর্থিত গোষ্ঠী 'পপুলার মুভমেন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ অ্যাঙ্গোলা'র (এমপিএলএ) বিরুদ্ধে লড়তে থাকে আটের দশকের শেষ পর্যন্ত। ১৯৯২-১৯৯৮ পর্যন্ত ইউএনআইটিএ মোট ৩.৭২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের হীরা রপ্তানি করে। এতে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী পর্যন্ত আঁতকে ওঠে। এর পর জাতিসংঘ 'ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজিলিউশন ১১৭৩' এবং 'ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজিলিউশন ১১৭৬' নামের দুটো আইন পাস করে অ্যাঙ্গোলা থেকে হীরা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে বিদ্রোহীদের হিংসাত্মক পিপাসা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকার নিজে বেসরকারি খনি অঞ্চলগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। কিন্তু তাতেও বিদ্রোহীদের বেআইনি হীরার ব্যবসা কোনো মতেই কমেনি। তারা তখন সুচতুরভাবে গোপন পথে হীরা বিদেশে পাচার করতে শুরু করে। সেখানে ওই রক্তাক্ত হীরা অন্যান্য হীরার সঙ্গে মিশে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে চলে যেতে থাকে। আর ইউরোপ ও আমেরিকার হীরার খিদে তো সব সময় বেশি ছিলই। সেসব হীরা ইউরোপ ও আমেরিকার কম্পানিগুলো নিজেদের বাজারে বিক্রি করে। আফ্রিকার দুর্নীতিপ্রবণ এবং অক্ষম এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলও এই নগ্ন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছিল। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে এই রক্তাক্ত হীরার ব্যবসা করে বিদ্রোহীরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার রোজগার করে।
অমানবিক রক্তাক্ত শোষণের ইতিহাস
মূলত যেসব জায়গা থেকে এই অবৈধ হীরা পাচার করা হয়, সেগুলোর অধিকাংশই কিন্তু এখনো চরম দুর্দশায় ভুগছে। সেসব দেশের নেতৃত্বের অর্থ আর ক্ষমতার লোভকে পুঁজি করে একের পর এক বিদেশি হীরা কম্পানি সেখানে ব্যবসা করছে, কিন্তু আজও সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবন সংকটাপন্ন। যেসব হীরা কম্পানি সেখানে রমরমা ব্যবসা করছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো 'পেট্রা ডায়মন্ড', 'ট্রান্স হেঙ্ অব সাউথ আফ্রিকা' এবং 'কাটোকা'। 'ডি বিয়ার্স'ও সেখানে ছিল, তারা দাবি করে, সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের পর তারা সেখান থেকে চলে আসে। খনির কর্মীদের ওপর চরম শোষণের ফলে নিরাপত্তা পরিষদ অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে হীরার কারবার করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ঠিকই, কিন্তু তাদের সেই পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত ব্যর্থ। কারণ একের পর এক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অ্যাঙ্গোলার হীরার চোরাকারবার বন্ধ করার কোনো ইচ্ছেই নেই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলোর। তাই তো তারা 'নিয়ন্ত্রণের বাইরে' এলাকার অজুহাত দেখিয়ে চোরাকারবারের বিরুদ্ধে হাত গুটিয়ে বসে থেকে এক ধরনের ব্যবসার সুযোগ করে দিচ্ছে বিদেশি হীরা ব্যবসায়ী করপোরেট হাউসগুলোকে। এর জন্য অবশ্য করপোরেট হাউসগুলোর আন্তর্জাতিক লবি এবং এই হীরার ক্রেতা দেশগুলোকেই 'সাধুবাদ' জানাতে হবে!
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সেখানকার রক্তাক্ত শোষণের ইতিহাস সত্যিই অমানবিক। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ব্লাড ডায়মন্ডের এই রক্তাক্ত বাস্তবতা আজও বিরাজমান। গত মাসে তো জিম্বাবুয়ে ২০০ মিলিয়ন ডলারের অবৈধ হীরা বিক্রি করে অপরাধমূলক কাজে সেই অর্থ ব্যবহার করেছে। সেই অর্থের অধিকাংশই ব্যবহৃত হয় নির্বাচনী উদ্দেশ্য সাধন বা অস্ত্র কেনার মতো কাজে। আজ সিয়েরা লিওনে গৃহহীনের সংখ্যা চার মিলিয়নেরও বেশি, লাইবেরিয়াতে ১.৫ মিলিয়ন এবং অ্যাঙ্গোলাতে ১.৭ মিলিয়ন। জোর করে তথাকথিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার মাসুল হিসেবে মাদক আর এইডসে আক্রান্ত সেসব দেশের শিশুরা।
এ তো গেল আফ্রিকার করুণগাথা। রক্তাক্ত হীরার জন্য কিন্তু রক্তাক্ত আজ সারা বিশ্ব। আফগানিস্তান, পাকিস্তান আর ইরাকের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন। কিভাবে? নানা হৈচৈর মাঝে একটা কথা সবাই চেপে গেছে। ৯/১১-আক্রমণের অর্থয়ান হলো কিভাবে? খুব কম লোকই জানে যে পুরো অর্থই এসেছিল আফ্রিকা থেকে। আর সেটা সম্ভব হয়েছিল কারণ, লাখ লাখ পাশ্চাত্যবাসী হীরার কুৎসিত অন্ধকার দিকটা উপেক্ষা করে চকচকে দিকটার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ার জন্য, সেটাকে গত প্র্রায় সাড়ে চার দশক ধরে মহিলাদের দেওয়ার মতো সব থেকে মূল্যবান 'উপহার' হীরা বা কনফ্লিক্ট ডায়মন্ড হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে, যা এত দিনে 'ব্লাড ডায়মন্ড' বা 'রক্তাক্ত হীরা'র উপাধি অর্জন করেছে। ৯/১১-এর পর একাধিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে। এমন কি জাতিসংঘের ক্রাইম রিপোর্টেও আছে যে আল-কায়দা লাইবেরিয়ার রাষ্ট্রপতি চার্লস টেলরের সঙ্গে আফ্রিকান হীরা ব্যবসায় যোগ দিয়েছিল এবং সেখান থেকে আসা অর্থ দিয়েই সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ চালানো হতো। এসব অবৈধ হীরার ব্যবসা করে পাওয়া অর্থ দিয়ে আক্রমণ চালাত জঙ্গিরা। কারণ ওই হীরার বাজারমূল্য অনেক বেশি এবং হিসাব রাখা অত্যন্ত কঠিন। মার্কিনদের কাছে ৯/১১-এর দশম বার্ষিকী ছিল সত্যিই ব্যতিক্রম। এক দশকের প্রতীক্ষা সমাপ্ত হলো এবং মানতেই হবে যে ৯/১১-এর কারণ আজ 'মৃত'। এই ৯/১১ বার্ষিকীতে এই প্রথমবার মার্কিনরা 'তৃপ্তি' বোধ করল। কারণ তাদের প্রতিশোধস্পৃহা এত দিনে পূর্ণ হয়েছে এবং বাকি বিশ্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য আবার একবার প্রমাণিত হয়েছে। তবে এই 'দুঃখের উৎসব' কিন্তু এখনো শেষ হয়ে যায়নি। হ্যাঁ, ৯/১১-এর মূল নায়ক হয়তো আজ মৃত, কিন্তু তাঁর তৈরি সন্ত্রাসবাদের ছক আজও সক্রিয়। ওসামা বিন লাদেনের হত্যায় কাজ মাত্র অর্ধসমাপ্ত হলো। কিন্তু যে অর্থায়নের ফলে ওসামা ৯/১১-এর আক্রমণ চালাতে পেরেছিলেন, সেই সেই অর্থব্যবস্থা আজও বিদ্যমান।
হীরার ব্যবসা অবৈধ নয়, কিন্তু এখানে নেই কোনো স্বচ্ছতা, নেই হীরাটা কোন পথে আফ্রিকা থেকে কিভাবে এসেছে_তা জানার ব্যবস্থা। এখানে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার। দেখা যায় নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া ও বতসোয়ানা তাদের হীরা খনি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব ব্যবহার করছে দেশের উন্নয়নে। বাতসোয়ানা আফ্রিকার মধ্যে দেখাচ্ছে কিভাবে খনির আয় স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর পুনর্বাসনে ব্যবহার করা যায়। রক্তাক্ত হীরার ব্যবসা একটা স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে জাতিসংঘ ২০০৩ সাল থেকে কিমব্যারি প্রসেস সার্টিফিকেশন স্কিম (কেপিসিএস) চালু করে। তার পরও কেপিসিএস অবৈধ হীরা ব্যবসা বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট নয়।
আন্তর্জাতিক হীরা এবং খনি ফোরামগুলো যদি অনতিবিলম্বে হীরা নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের প্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে এই সমস্যার সমাধান অসম্ভব। কিন্তু তারা সেটা করতে চায় না বলেই এই ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফাই সন্ত্রাসবাদে বিনিয়োগ হয়। পাশ্চাত্যের লোভই তাই পরোক্ষভাবে তাদেরই সর্বনাশ করছে। আর আফ্রিকাকে রেখে দিচ্ছে চিরন্তন অন্ধকারে। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী হীরা ও খনিজ ফোরামের হীরা চারপাশে প্রতারণা কমানো, এভাবে দাম নিয়ন্ত্রণ, বাজার সিন্ডিকেট এবং উদ্দেশ্য সাধনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তা না হলে, হীরার লোভে যাচ্ছে সুযোগসন্ধানী মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা, তাদের প্রত্যক্ষ মদদে কিংবা পরোক্ষ ইন্ধনে তৈরি হচ্ছে স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র কিংবা বিদ্রোহী গ্রুপ, রক্তাক্ত হীরার অর্থের জন্য অনর্থক ঝরিয়ে যাচ্ছে নিজেদের রক্ত। আফ্রিকার যন্ত্রণা কেউ বুঝতে চায় না। এমনকি আমেরিকার সর্বোচ্চ পদে বসে থাকা আফ্রিকান-আমেরিকান রাষ্ট্রপতিও নন! তাঁর 'আমার পিতার স্বপ্ন' কি হয়ে গেছে শুধু স্বপ্ন! 'ইয়েস উই ক্যান' কি শুধু একটা নির্বাচনী স্লোগান, না বিশ্বকে বদলে দেওয়ার প্রত্যয়? মুনাফাসর্বস্ব মার্কিন কম্পানিগুলোর স্বার্থই যদি তাদের কাছে এত বড় হয়, তাহলে তাদের কাছে সাধারণ মার্কিনদের জীবনের মূল্য কতটা? সে হিসেবে আফ্রিকাবাসীর তথা বিশ্ববাসীর জীবনের মূল্যের কথা তো ছেড়েই যান। ভুলে গেলে চলবে না, বিদ্যমান ব্যবস্থায় পরিবর্তন না এলে রক্তাক্ত হীরার মাধ্যমে আবার রক্তে রঞ্জিত হতে পারে বিশ্ব।
ঠিক তখনই এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার জন্য এবং মূল্যবান হীরার বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য আন্তজার্তিক হীরা কম্পানি 'ডি বিয়ার্স' অ্যাঙ্গোলা এবং সিয়েরা লিওনের মতো পশ্চিম আফ্রিকার প্রায় সব দেশ থেকেই হীরা কিনতে শুরু করে। ওই কম্পানি বেশি মাত্রায় হীরা কিনে গোপনে তা জমাতে শুরু করে। এর ফলে বাজারে জোগানের পরিমাণ একদিকে যেমন কমতে থাকে অন্যদিকে চাহিদা ও দাম দুটোই বহু গুণ বাড়তে থাকে। ঘটনাক্রমে ঠিক এই সময়েই 'ডি বিয়ার্স' তার 'চিরন্তর হীরক' বা 'ডায়মন্ড ফরএভার' ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল। এর পর আফ্রিকাজুড়ে হীরার খনন করার চাহিদা বহুমাত্রায় বেড়ে যায়। চাহিদা এতটাই বেড়ে যায় যে ওই মহাদেশের বিভিন্ন দেশের স্বৈরাচারী নেতৃত্ব এবং বিদ্রোহীরা হীরার খনন অব্যাহত রাখার জন্য নিষ্ঠুরতম পন্থা অবলম্বন করতেও দ্বিধা করেনি। তারা স্থানীয়দের খনি থেকে দূরে রাখার জন্য নির্যাতন ও হত্যার মতো পন্থা বেছে নেয়। তাদের মধ্য থেকে অনেককে জোর করে 'বন্ডেড লেবার' বানিয়ে হীরা খোঁজার কাজ চালিয়ে যেতে থাকে, যাদের মধ্যে অনেকে ছিল শিশু ও মহিলা। বলাই বাহুল্য, সেসব শ্রমিক আজও চরম অমানবিক পরিস্থিতিতেও কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। সেসব দেশের কথিত নেতারা ওই হীরা বিক্রি করে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য কিনতে থাকের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। বেআইনি হীরার ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতাও বাড়তে থাকে। সেখানকার সরকার, বিদ্রোহী এবং গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত অংশ মিলে গোটা আফ্রিকায় এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করে। হীরাসর্বস্ব এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রাজনৈতিক ও সামরিক অনিশ্চয়তা ইচ্ছে করে জিইয়ে রাখে দেশি-বিদেশি শক্তি। সিয়েরা লিওনে বিদ্রোহী গোষ্ঠী রেভেলিউশন ইউনাইটেড ফ্রন্ট (আরইউএফ) বহু মানুষকে হত্যা করে এবং তাদের এই খননকাজে জোর করে ধরে রাখার জন্য তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলতেও দ্বিধা করেনি। এত বছরে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা চার মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে! সে জন্যই এসব এলাকা থেকে আসা হীরাকে সবাই 'কনফ্লিক্ট ডায়মন্ড' বা 'ব্লাড ডায়মন্ড' নাম দিয়েছে। আর তাই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে সেখানকার সাধারণ মানুষের সামাজিক জীবন আজ কেন এত দুর্দশার শিকার হয়েছে। গোড়ার দিকে শুধু দ্বন্দ্ব জর্জরিত এলাকাতেই খনন হতো। কিন্তু ক্রমেই জাতি হত্যা এবং গণহত্যার ধারা শুরু হয়। হীরা খনি কবজা করার জন্য সেখানে গণহত্যা যেন এক প্রাত্যহিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতা এবং অর্থের লোভে উন্মাদ হয়ে রক্তের বন্যা বইয়ে দেয়। ১৯৬৮ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সিয়েরা লিওনে একের পর এক মন্ত্রীরা হিংসাত্মক পথে হীরার ব্যবসা চালিয়ে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ আয় করেন। ১৯৯১ সালে আরইউএফ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের হিংসাত্মক বিদ্রোহ শুরু করে এবং দুর্নীতির হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার সংকল্প থেকে সরে গিয়ে তারা নিজেরাই রক্তের বন্যা বইয়ে হীরার ব্যবসার মূল কারিগরে পরিণত হতে থাকে। হিসাব অনুযায়ী, এটুকু সময়েই নাকি সেখান থেকে ইউরোপে মোট ১২৫ মিলিয়ন ডলারের হীরা রপ্তানি হয়েছিল। আর সেই অর্থের বিনিময়ে আরইউএফ অনেক অস্ত্রশস্ত্র কেনে। ২০০১ সালের গোড়ার হিসাব অনুযায়ী, প্রায় এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তখন গৃহহারা হয়েছিল এবং তাদের এই দুর্দশার কারণেই জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে সবার নিচে চলে যায় সিয়েরা লিওন।
শুধু সিয়েরা লিওন নয়, বলতে গেলে গোটা পশ্চিম এবং মধ্য আফ্রিকাই এই রক্তাক্ত হীরা ইন্ডাস্ট্রির কবজায় চলে যায়! সিয়েরা লিওনে যে রক্তাক্ত হিংসা শুরু হয়, তা ক্রমেই লাইবেরিয়া, কঙ্গো এবং অ্যাঙ্গোলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সব দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে যায় অ্যাঙ্গোলা। ১৯৭৫ সালে অ্যাঙ্গোলা যখন পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়, তখন থেকে সেখানে বিষাক্ত এক গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা ২০০১ সাল পর্যন্ত চলে। যুক্তরাষ্ট্র তখন 'ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য টোটাল ইনডিপেনডেন্স অব অ্যাঙ্গেলা'কে (ইউএআইটিএ) সমর্থন করে। এই গোষ্ঠী ছিল সেখানকার মূল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং শীতলযুদ্ধের পুরো সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থ পায়। সেই অর্থকে সম্বল করে তারা সোভিয়েত রাশিয়া সমর্থিত গোষ্ঠী 'পপুলার মুভমেন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ অ্যাঙ্গোলা'র (এমপিএলএ) বিরুদ্ধে লড়তে থাকে আটের দশকের শেষ পর্যন্ত। ১৯৯২-১৯৯৮ পর্যন্ত ইউএনআইটিএ মোট ৩.৭২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের হীরা রপ্তানি করে। এতে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী পর্যন্ত আঁতকে ওঠে। এর পর জাতিসংঘ 'ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজিলিউশন ১১৭৩' এবং 'ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজিলিউশন ১১৭৬' নামের দুটো আইন পাস করে অ্যাঙ্গোলা থেকে হীরা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে বিদ্রোহীদের হিংসাত্মক পিপাসা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকার নিজে বেসরকারি খনি অঞ্চলগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। কিন্তু তাতেও বিদ্রোহীদের বেআইনি হীরার ব্যবসা কোনো মতেই কমেনি। তারা তখন সুচতুরভাবে গোপন পথে হীরা বিদেশে পাচার করতে শুরু করে। সেখানে ওই রক্তাক্ত হীরা অন্যান্য হীরার সঙ্গে মিশে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে চলে যেতে থাকে। আর ইউরোপ ও আমেরিকার হীরার খিদে তো সব সময় বেশি ছিলই। সেসব হীরা ইউরোপ ও আমেরিকার কম্পানিগুলো নিজেদের বাজারে বিক্রি করে। আফ্রিকার দুর্নীতিপ্রবণ এবং অক্ষম এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলও এই নগ্ন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছিল। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে এই রক্তাক্ত হীরার ব্যবসা করে বিদ্রোহীরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার রোজগার করে।
অমানবিক রক্তাক্ত শোষণের ইতিহাস
মূলত যেসব জায়গা থেকে এই অবৈধ হীরা পাচার করা হয়, সেগুলোর অধিকাংশই কিন্তু এখনো চরম দুর্দশায় ভুগছে। সেসব দেশের নেতৃত্বের অর্থ আর ক্ষমতার লোভকে পুঁজি করে একের পর এক বিদেশি হীরা কম্পানি সেখানে ব্যবসা করছে, কিন্তু আজও সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবন সংকটাপন্ন। যেসব হীরা কম্পানি সেখানে রমরমা ব্যবসা করছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো 'পেট্রা ডায়মন্ড', 'ট্রান্স হেঙ্ অব সাউথ আফ্রিকা' এবং 'কাটোকা'। 'ডি বিয়ার্স'ও সেখানে ছিল, তারা দাবি করে, সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের পর তারা সেখান থেকে চলে আসে। খনির কর্মীদের ওপর চরম শোষণের ফলে নিরাপত্তা পরিষদ অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে হীরার কারবার করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ঠিকই, কিন্তু তাদের সেই পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত ব্যর্থ। কারণ একের পর এক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অ্যাঙ্গোলার হীরার চোরাকারবার বন্ধ করার কোনো ইচ্ছেই নেই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলোর। তাই তো তারা 'নিয়ন্ত্রণের বাইরে' এলাকার অজুহাত দেখিয়ে চোরাকারবারের বিরুদ্ধে হাত গুটিয়ে বসে থেকে এক ধরনের ব্যবসার সুযোগ করে দিচ্ছে বিদেশি হীরা ব্যবসায়ী করপোরেট হাউসগুলোকে। এর জন্য অবশ্য করপোরেট হাউসগুলোর আন্তর্জাতিক লবি এবং এই হীরার ক্রেতা দেশগুলোকেই 'সাধুবাদ' জানাতে হবে!
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সেখানকার রক্তাক্ত শোষণের ইতিহাস সত্যিই অমানবিক। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ব্লাড ডায়মন্ডের এই রক্তাক্ত বাস্তবতা আজও বিরাজমান। গত মাসে তো জিম্বাবুয়ে ২০০ মিলিয়ন ডলারের অবৈধ হীরা বিক্রি করে অপরাধমূলক কাজে সেই অর্থ ব্যবহার করেছে। সেই অর্থের অধিকাংশই ব্যবহৃত হয় নির্বাচনী উদ্দেশ্য সাধন বা অস্ত্র কেনার মতো কাজে। আজ সিয়েরা লিওনে গৃহহীনের সংখ্যা চার মিলিয়নেরও বেশি, লাইবেরিয়াতে ১.৫ মিলিয়ন এবং অ্যাঙ্গোলাতে ১.৭ মিলিয়ন। জোর করে তথাকথিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার মাসুল হিসেবে মাদক আর এইডসে আক্রান্ত সেসব দেশের শিশুরা।
এ তো গেল আফ্রিকার করুণগাথা। রক্তাক্ত হীরার জন্য কিন্তু রক্তাক্ত আজ সারা বিশ্ব। আফগানিস্তান, পাকিস্তান আর ইরাকের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন। কিভাবে? নানা হৈচৈর মাঝে একটা কথা সবাই চেপে গেছে। ৯/১১-আক্রমণের অর্থয়ান হলো কিভাবে? খুব কম লোকই জানে যে পুরো অর্থই এসেছিল আফ্রিকা থেকে। আর সেটা সম্ভব হয়েছিল কারণ, লাখ লাখ পাশ্চাত্যবাসী হীরার কুৎসিত অন্ধকার দিকটা উপেক্ষা করে চকচকে দিকটার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ার জন্য, সেটাকে গত প্র্রায় সাড়ে চার দশক ধরে মহিলাদের দেওয়ার মতো সব থেকে মূল্যবান 'উপহার' হীরা বা কনফ্লিক্ট ডায়মন্ড হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে, যা এত দিনে 'ব্লাড ডায়মন্ড' বা 'রক্তাক্ত হীরা'র উপাধি অর্জন করেছে। ৯/১১-এর পর একাধিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে। এমন কি জাতিসংঘের ক্রাইম রিপোর্টেও আছে যে আল-কায়দা লাইবেরিয়ার রাষ্ট্রপতি চার্লস টেলরের সঙ্গে আফ্রিকান হীরা ব্যবসায় যোগ দিয়েছিল এবং সেখান থেকে আসা অর্থ দিয়েই সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ চালানো হতো। এসব অবৈধ হীরার ব্যবসা করে পাওয়া অর্থ দিয়ে আক্রমণ চালাত জঙ্গিরা। কারণ ওই হীরার বাজারমূল্য অনেক বেশি এবং হিসাব রাখা অত্যন্ত কঠিন। মার্কিনদের কাছে ৯/১১-এর দশম বার্ষিকী ছিল সত্যিই ব্যতিক্রম। এক দশকের প্রতীক্ষা সমাপ্ত হলো এবং মানতেই হবে যে ৯/১১-এর কারণ আজ 'মৃত'। এই ৯/১১ বার্ষিকীতে এই প্রথমবার মার্কিনরা 'তৃপ্তি' বোধ করল। কারণ তাদের প্রতিশোধস্পৃহা এত দিনে পূর্ণ হয়েছে এবং বাকি বিশ্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য আবার একবার প্রমাণিত হয়েছে। তবে এই 'দুঃখের উৎসব' কিন্তু এখনো শেষ হয়ে যায়নি। হ্যাঁ, ৯/১১-এর মূল নায়ক হয়তো আজ মৃত, কিন্তু তাঁর তৈরি সন্ত্রাসবাদের ছক আজও সক্রিয়। ওসামা বিন লাদেনের হত্যায় কাজ মাত্র অর্ধসমাপ্ত হলো। কিন্তু যে অর্থায়নের ফলে ওসামা ৯/১১-এর আক্রমণ চালাতে পেরেছিলেন, সেই সেই অর্থব্যবস্থা আজও বিদ্যমান।
হীরার ব্যবসা অবৈধ নয়, কিন্তু এখানে নেই কোনো স্বচ্ছতা, নেই হীরাটা কোন পথে আফ্রিকা থেকে কিভাবে এসেছে_তা জানার ব্যবস্থা। এখানে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার। দেখা যায় নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া ও বতসোয়ানা তাদের হীরা খনি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব ব্যবহার করছে দেশের উন্নয়নে। বাতসোয়ানা আফ্রিকার মধ্যে দেখাচ্ছে কিভাবে খনির আয় স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর পুনর্বাসনে ব্যবহার করা যায়। রক্তাক্ত হীরার ব্যবসা একটা স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে জাতিসংঘ ২০০৩ সাল থেকে কিমব্যারি প্রসেস সার্টিফিকেশন স্কিম (কেপিসিএস) চালু করে। তার পরও কেপিসিএস অবৈধ হীরা ব্যবসা বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট নয়।
আন্তর্জাতিক হীরা এবং খনি ফোরামগুলো যদি অনতিবিলম্বে হীরা নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের প্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে এই সমস্যার সমাধান অসম্ভব। কিন্তু তারা সেটা করতে চায় না বলেই এই ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফাই সন্ত্রাসবাদে বিনিয়োগ হয়। পাশ্চাত্যের লোভই তাই পরোক্ষভাবে তাদেরই সর্বনাশ করছে। আর আফ্রিকাকে রেখে দিচ্ছে চিরন্তন অন্ধকারে। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী হীরা ও খনিজ ফোরামের হীরা চারপাশে প্রতারণা কমানো, এভাবে দাম নিয়ন্ত্রণ, বাজার সিন্ডিকেট এবং উদ্দেশ্য সাধনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তা না হলে, হীরার লোভে যাচ্ছে সুযোগসন্ধানী মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা, তাদের প্রত্যক্ষ মদদে কিংবা পরোক্ষ ইন্ধনে তৈরি হচ্ছে স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র কিংবা বিদ্রোহী গ্রুপ, রক্তাক্ত হীরার অর্থের জন্য অনর্থক ঝরিয়ে যাচ্ছে নিজেদের রক্ত। আফ্রিকার যন্ত্রণা কেউ বুঝতে চায় না। এমনকি আমেরিকার সর্বোচ্চ পদে বসে থাকা আফ্রিকান-আমেরিকান রাষ্ট্রপতিও নন! তাঁর 'আমার পিতার স্বপ্ন' কি হয়ে গেছে শুধু স্বপ্ন! 'ইয়েস উই ক্যান' কি শুধু একটা নির্বাচনী স্লোগান, না বিশ্বকে বদলে দেওয়ার প্রত্যয়? মুনাফাসর্বস্ব মার্কিন কম্পানিগুলোর স্বার্থই যদি তাদের কাছে এত বড় হয়, তাহলে তাদের কাছে সাধারণ মার্কিনদের জীবনের মূল্য কতটা? সে হিসেবে আফ্রিকাবাসীর তথা বিশ্ববাসীর জীবনের মূল্যের কথা তো ছেড়েই যান। ভুলে গেলে চলবে না, বিদ্যমান ব্যবস্থায় পরিবর্তন না এলে রক্তাক্ত হীরার মাধ্যমে আবার রক্তে রঞ্জিত হতে পারে বিশ্ব।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1442)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 13
(102)
- কদমতলীতে ছুরিকাঘাতে যুবক হত্যা-মিরপুরে প্রবাসীর ৪ ...
- আয়ের পথ হারাচ্ছেন তুরাগের জেলেরা-ভয়াবহ দূষণ
- শেষ অ্যাকশন ইনিংস by অনন্য রেজা করিম
- ওস্তাদের পথ ধরে শিষ্য
- পুরোটাই সাজানো by সৈয়দ মাহ্মুদ জামান
- ঘরের ভেতর প্রকৃতি
- শাড়িতে ফলসের ব্যবহার
- মেদ কমাতে করণী
- লাল-সবুজের ক্যানভাস
- কিংবদন্তির ডাকপিয়ন
- সিনেমা হলে নাটকের কাজ করেছি
- জাতিসংঘে বিরল ভালোবাসা
- কর আদায়ে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ
- পশ্চিমা বিশ্বে বাংলাদেশের ইমেজ সংকট কেটে যাচ্ছে-সম...
- ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের চাপ কমছে by ওবায়দুল্লাহ রনি
- নেটিজেন-প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী বাংলাদে...
- অনুবাদ-ওয়াল স্ট্রিটে অরুন্ধতীর বক্তৃতা...
- জাপানে ছুটির মেজাজে মেসিরা
- ২৬ বছর পর কিউইদের নাটকীয় জয়
- যত বেশি খেলা, তত বেশি ভুল! by সারোয়ার সুমন
- অভিষেকেই উজ্জ্বল নাজিমউদ্দিন by রুবেল খান
- বিশ্লেষণ-'হীরক রাজার দেশ'-এর কথা ও ৯/১১ by শামস্ ...
- সাম্প্রতিক : সরকারি ও বিরোধী দলের ব্যর্থতা-সাধারণ ...
- আন্তর্জাতিক : মিয়ানমার-গণতন্ত্রের পথে বন্ধুর অভাব...
- টিপাইমুখ বাঁধ!-আপন শক্তিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজের অধ...
- ধর্মঘট-সংঘর্ষের মধ্যেই সিরিয়ায় পৌর নির্বাচন-দু'দি...
- রাহুলকে আন্নার খোঁচা ক্ষিপ্ত কংগ্রেস
- 'পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়...
- সু চির জীবনের অজানা অধ্যায় by রাইসুল ইসলাম
- সদ্য প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক, সাহিত্যিক কবীর চৌধুরীর ...
- সাধারণের মতো বিদায় নিতে চেয়েছিলেন তিনি by ইশতিয়াক ...
- প্রচ্ছদ রচনা : বাংলাদেশের শিল্পায়নের তিন কাল-ভারত...
- কবীর চৌধুরীঃ কাছের মানুষ দূরের মানুষ by সাইফুল্লাহ...
- অধ্যাপক কবীর চৌধুরী আর নেই
- তালেবানের সঙ্গে আলোচনার খবর মিথ্যা : গিলানি-ন্যাটো...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইহুদিরা সৌভাগ্যবান, তবে যুগে য...
- দূরের দূরবীনে-বাংলাদেশি অভিবাসীদের শীর্ষ অবস্থান :...
- কৃষিপণ্য : দরদাম নিয়ন্ত্রণে খুবই সতর্কতা প্রয়োজন b...
- নিউটন অনলাইনে
- টিপাইমুখ নিয়ে ব্যাখ্যা দাবি প্রসঙ্গে ফখরুল-পররাষ্ট...
- জাহাজভাঙা বিধিমালা চূড়ান্ত-আজ গেজেট প্রকাশ by ফারজ...
- সবজিভাণ্ডার-খাসখালীর দুই কূলে সবুজের সমারোহ by জাহ...
- বিদেশি নাগরিক ও সংগঠনকে সম্মাননা-বিতর্কিত সংস্থা আ...
- ভারতীয় ঋণ প্রকল্পের অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে...
- বিপন্ন হতে চলেছে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব : খা...
- শেয়ারবাজার নিয়ে সেমিনারে মত-এসইসি ব্যর্থতা ঢাকতে চ...
- টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদ-সুরমা, কুশিয়ারা ও...
- কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন-সাক্কুকে জয়ী করতে ...
- সব শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি স্থগিত-উদ্দেশ্য সুষ্ঠুভা...
- বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবি-বরিশালে বেসরকারি শিক্ষক...
- জাল সনদ নিয়ে আইনজীবী সহকারী!-২২ জনের সদস্যপদ বাতিল
- পরিচালকদের শেয়ার ধারণ-৩১ কম্পানি ডিএসইকে তথ্য জানা...
- ডিএসইতে বাড়লেও সূচক কমেছে সিএসইতে
- বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাগ ডিজাইন করলেই পাঁচ লাখ টাকা
- ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি-ইউরোপ থেকে ফেরত আসছে পানের ...
- শেষ হলো বাটেক্সপো-২০১১-গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে বিরোধী ...
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে চায় আইডিবি by...
- গবেষকরা দুষলেন এসইসি ডিএসইকে-সংকট পুঁজির নয়, আস্থার
- যুবকের সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে যাচ্ছে কমিশন
- নিজ বাড়িতে এক যুগ স্বেচ্ছাবন্দি দুই ভাই!
- যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অপেক্...
- দেশের অর্থনীতি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে-বাটেক্সপোর...
- জাল সনদ নিয়ে আইনজীবী সহকারী!-২২ জনের সদস্যপদ বাতিল
- দুই দিনেই চ্যাম্পিয়নদের হারাল খুলনা
- বার্সেলোনা এখন জাপানে
- রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে কিউইদের স্বপ্নপূরণ
- মুখোমুখি প্রতিদিন-হকির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বর্তমান...
- বধ্যভূমি-সংরক্ষণে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে
- ঊর্ধ্বমুখী ডলার-ভোক্তাকে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে
- চরাচর-শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মারক ডাকটিকিট এবং আমার বাবা
- সহজ-সরল-বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, সরকার ছুঁলে? by কনকচাঁপা
- অল্পকথার গল্প-ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয় by আলী হাবিব
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-বাঙালিত্বের প্রতি ভারতের দৃষ...
- সিপিডির আলোচনা সভায় বক্তারা-পুঁজিবাজারে আস্থা ছাড়া...
- 'আমি লোকমানকে গুলি করি' by পিনাকি দাসগুপ্ত ও প্রীত...
- উৎপাদন বাড়লেও ভর্তুকির চাপে বিদ্যুৎ খাত by নাজমুল...
- গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল গ্রেফতারের আবেদন...
- বনের জমিতে প্লট-বেপরোয়া ভূমিদস্যু
- হাসপাতালে নিরাপত্তা-দায়িত্বহীনতার আগুন যেন দগ্ধ না...
- এবার অস্ট্রেলিয়ায় চোখ ভারতের
- সময় এখন স্পিনারদের
- ক্রিকেটাররা ফার্স্ট ক্লাসের প্রয়োজন বুঝছেন, কর্তার...
- কার ব্যথা, কে কাঁদে by আসিফ আহমেদ
- পরিবেশ-নিজের সচেতনতা সবার আগে by উপমা মাহবুব
- আন্তঃসীমান্ত সম্পদ-ভিন্ন বাস্তবতায় অভিন্ন নদী ব্যব...
- আন্তর্জাতিক-পাক-মার্কিন সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা b...
- বাংলাদেশের টেস্ট সম্পর্কে ধারণাতেই গোলমাল by নোমান...
- নাজিমউদ্দিন একটা শিক্ষা দিয়ে গেলেন
- বাংলাদেশ দখলের প্রস্তাব দিয়ে হার্ভার্ডে বহিষ্কার হ...
- কেমন আছ মা-প্রতিদিন দুই মুঠো চাল বেশি রাঁধতে বলি-ক...
- অপেক্ষা শেষ হতে বেশিক্ষণ লাগেনি-বাংলাদেশ ১৩৫ ও ২৭৫...
- মানব পাচারের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড
- ওরসের খাবার খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু-সৈয়দপুরের ১০ গ্র...
- এক যুগের বন্দিদশা থেকে মা ও দুই ছেলের মুক্তি by জে...
- মেয়র লোকমান হত্যাকাণ্ড-মূল হত্যাকারী কিলার শরীফসহ ...
- ইসির সমস্যা থাকলে সরকার সমাধান দেবে : সুরঞ্জিত
- বর্তমান ইসি বিভক্ত ডিসিসির নির্বাচন করবে না : সিইস...
- সব অপরাধের দায় তাঁর by আজাদুর রহমান চন্দন
- বর্বরতার সাক্ষী যে গণকবর by বিশ্বজিৎ পাল বাবু
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গোলাম আযমকে গ্রেপ্তারে ...
- সাহসী সেই মহারাজা...
- চোরাবালির রহস্য by আতাউর রহমান কাবুল
-
▼
Dec 13
(102)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment