Saturday, November 7, 2026
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে কারণে জয় পেলেন প্রায় ১০০ মুসলিম প্রার্থী
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে কারণে জয় পেলেন প্রায় ১০০ মুসলিম প্রার্থী
এবারের নির্বাচনে প্রাথমিক বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূল নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ১৬৮ জন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থী। তাদের মধ্যে সাতজন যাচ্ছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে। প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হয়েছেন—ইলহান ওমর, রাশিদা তালিব, আন্দ্রে কারসন ও লতিফা সাইমনের মতো বর্তমান সদস্যদের পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচিত হয়েছেন আদম হামাউই, আয়েশা ওয়াহাব ও দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের।
অন্যদিকে সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আল-সাইয়েদ। ছয় বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন তিনি।
এ ছাড়া অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনসভা ও সিনেটসহ বিভিন্ন পদে ৩৯ জন, কাউন্টি ও পৌর পর্যায়ে ১৬ জন, শিক্ষা ও স্কুল বোর্ডে ২৭ জন এবং বিচারক হিসেবে আটজন মুসলিম নির্বাচিত হয়েছেন। মুসলিম প্রার্থীদের জন্য এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ নির্বাচনী সাফল্য।
দল নয়, নীতিই মুখ্য
যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ মুসলিম। দেশটিতে মুসলিমের সংখ্যা প্রায় ৫৫ লাখ। জনসংখ্যায় কম হলেও রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় তাদের উপস্থিতি এবং পরিচয় নিয়ে বিতর্ক তুলনামূলক বেশি।
এবারের নির্বাচনে মুসলিম ভোটার নিবন্ধন গত বছরের তুলনায় অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়েছে। একটি জরিপে ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কেয়ারের তথ্য অনুযায়ী, মুসলিম ভোটারদের ৮০ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৬ শতাংশ রিপাবলিকানদের ভোট দিয়েছেন। এনবিসির বুথফেরত জরিপেও দেখা গেছে, ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে অন্য যেকোনো গোষ্ঠীর তুলনায় মুসলিম ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন বেশি ছিল।
তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ২০ শতাংশের বেশি মুসলিম ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন বলে ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল পলিসি অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের (আইএসপিইউ) এক গবেষণায় উঠে আসে।
জর্জিয়া ভোটার প্রজেক্টের যোগাযোগ পরিচালক উরুজ আলির মতে, মুসলিম ভোটাররা সাধারণত দলীয় পরিচয়ের চেয়ে নীতিগত অবস্থানকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনেকে নিজেদের ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান না ভেবে স্বতন্ত্র ভোটার হিসেবে পরিচয় দেন।
এবার জর্জিয়ায় আগাম ভোটের ক্ষেত্রেও রেকর্ড হয়েছে। আলির তথ্যমতে, প্রায় ৩০ হাজার মুসলিম ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন। অথচ ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সব মিলিয়ে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৬ হাজার। জর্জিয়ায় হিজাব পরিহিত চার মুসলিম নারীও রাজ্য সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের একজন রুওয়া রোমান।
ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি
নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য, হুমকি ও সহিংসতার ঘটনা বেড়েছিল। ক্যালিফোর্নিয়ায় বিভিন্ন ভবনে ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি, ইলিনয়ে হিজাব পরা নারীদের গুলি করার হুমকি এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে হামলায় এক নিরাপত্তাকর্মী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেটের (সিএসও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক হাজার ১১১টি পোস্ট, আটটি বিল এবং ৬২ সদস্যের কংগ্রেসনাল ককাসের মাধ্যমে সমন্বিত ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা চালিয়েছেন। সংস্থাটির মতে, এসব বক্তব্য সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
কেয়ারের জরিপে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোটার জানিয়েছেন, ইসলামবিদ্বেষ ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে। আইএসপিইউর জাতীয় ইসলামোফোবিয়া সূচকও ২০২২ সালের ২৫ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৩৩-এ দাঁড়িয়েছে।
তবে এসব ঘটনা মুসলিমদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কমাতে পারেনি। বরং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ট্রাম্পের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের সাবেক সদস্য সামিরাহ মুনশি বলেন, ৯/১১-পরবর্তী সময়ে মুসলিমদের যে হতাশা ও ভীতির অভিজ্ঞতা হয়েছিল, বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই তা সরাসরি অনুভব করেনি। ফলে তারা রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।
গত তিন বছরে ফিলিস্তিনের পক্ষে জনমত এবং ইসরাইলের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা মূলধারার সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে জায়গা করে নেওয়াও মুসলিমদের রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হতে উৎসাহিত করেছে বলে মনে করেন তিনি।
কেয়ারের জরিপ অনুযায়ী, ৭৬ শতাংশ মুসলিম ভোটার ফিলিস্তিন ও গাজার মানবাধিকার পরিস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করেছেন। ৮০ শতাংশ বলেছেন, গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান তাদের ভোটের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে।
ধর্মীয় পরিচয়কে আড়াল না করে নির্বাচনি প্রচার
এবারের নির্বাচনে মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মীয় পরিচয়ের প্রার্থীদের সাফল্যের পেছনে ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রকাশও ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
বেলিভার্স কনসালটিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা জামিয়াহ অ্যাডামস বলেন, ধর্মপ্রাণ ভোটাররা তাদের মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেতৃত্ব চান। যেসব প্রার্থী নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও জনসেবার অঙ্গীকারের মধ্যে সম্পর্ক তুলে ধরেছেন, তারা ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পেরেছেন।
মুসলিম পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের (এমপ্যাক) ভাইস প্রেসিডেন্ট হারিস তারিনের মতে, ডেমোক্র্যাটরা ঐতিহাসিকভাবে নির্বাচনি প্রচারে ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরতে সংকোচ বোধ করতেন। কিন্তু এবার দেখা গেছে, নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা খোলাখুলিভাবে বলা প্রার্থীরাও ভোটারদের সমর্থন পেয়েছেন।
সিনেটর নির্বাচিত আবদুল আল-সাইয়েদের প্রচারেও ধর্মীয় পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসকে জনসেবার যোগ্যতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার বিজয় ভাষণের শুরুতে ছিল ‘ইনশাআল্লাহ’ ও ‘আলহামদুলিল্লাহ’।
অন্যদিকে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি নির্বাচনি প্রচারে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে নাগরিক ও সামাজিক ইস্যুকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আরও খোলামেলা হয়েছেন।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তধর্মীয় সংহতি
ফিলিস্তিনের অধিকার ও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে মুসলিমদের পাশাপাশি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কয়েকজন ডেমোক্র্যাট নেতাও সরব হয়েছেন। টেক্সাসের নতুন সিনেটর জেমস তালারিকো বলেছেন, ইসলামও খ্রিষ্টধর্মের মতো সত্যের একটি পথ। গাজার পরিস্থিতি তাকে একজন শিক্ষক, খ্রিষ্টান ও মানুষ হিসেবে ব্যথিত করে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
কানসাসের নবনির্বাচিত ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম হ্যামিলটন বলেছেন, খ্রিষ্টানরা পরকালে মুসলিমদের সঙ্গে মিলিত হবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। ফিলিস্তিনি খ্রিষ্টানদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে টেক্সাসের রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ এসব বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। মুসলিম ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করায় তিনি দুই ডেমোক্র্যাট নেতার সমালোচনা করেন।
এদিকে ট্রাম্পের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন থেকে সামিরাহ মুনশি পদত্যাগ করেছিলেন ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এক ক্যাথলিক সহকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিবাদে। কমিশনের চেয়ারম্যান ও টেক্সাসের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ড্যান প্যাট্রিক এবারের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।
পরিচয়ের বাইরেও বহুমাত্রিক প্রতিনিধিত্ব
মুসলিম প্রার্থীদের জয় মানেই তারা সবাই প্রগতিশীল বা ডেমোক্র্যাট—এমন নয়। অ্যারিজোনার রিপাবলিকান প্রতিনিধি আবে হামাদেহও পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছিলেন।
মুসলিম আমেরিকানস ইন পাবলিক সার্ভিসের চেয়ারম্যান আহমাদ মাতি বলেন, সরকারি দায়িত্ব ও নেতৃত্বে মুসলিমদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ বহু বছরের সামাজিক সম্পৃক্ততা, পরিশ্রম ও নাগরিক উদ্যোগের ফল। এসব জয় প্রমাণ করে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে মুসলিমদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ইলিনয়ের অষ্টম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাট প্রাইমারিতে পরাজিত মুসলিম প্রগতিশীল নেতা জুনায়েদ আহমেদের মতে, এবারের সাফল্য মূলত বৈচিত্র্য ও প্রতিনিধিত্বের জয়। মুসলিম আমেরিকানরা বিভিন্ন জাতি, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ। তাদের নির্বাচিত হওয়া সেই বৈচিত্র্যেরই প্রতিফলন।
জর্জিয়া মুসলিম ভোটার প্রজেক্টের উরুজ আলি বলেন, মুসলিম আমেরিকানদের কোনো অভিন্ন রাজনৈতিক এজেন্ডা নেই। তবে সমাজের কল্যাণ, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত পৃথিবী গড়ে তোলার মূল্যবোধ তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের নির্বাচনে মুসলিম আমেরিকানদের সাফল্য শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়; বরং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, নাগরিক অধিকার, ফিলিস্তিন ইস্যু, অর্থনীতি এবং বহুমাত্রিক সামাজিক প্রতিনিধিত্বের সম্মিলিত প্রতিফলন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2498)
-
▼
November
(84)
-
▼
Nov 07
(8)
- ঝগড়া দুজনের, গালাগালিতে মা-বোন কেন
- ক্ষমতাচ্যুত করে পেনাকে গৃহবন্দি, প্যারাগুয়ের নতুন ...
- আরেকটু হলেই হারিয়ে যেত মানুষের পূর্বপুরুষ by জাহিদ...
- কট্টরপন্থি মিলারকে চিফ অব স্টাফ করলেন ট্রাম্প, যেভ...
- ধ্বংসস্তূপ গাজায় ২৫০ যুগলের গণবিয়ে
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে কারণে জয় পেল...
- ‘হাবিবি’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ নিয়ে আল-সাইয়েদের জয় উদযাপন...
- চোখের রং নীল, সবুজ ও বাদামি হয় কেন by জাহিদ হোসাইন...
-
▼
Nov 07
(8)
-
▼
November
(84)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment