Sunday, September 27, 2026
ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা দেখল বিশ্ব
ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা দেখল বিশ্ব
কিন্তু অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এক সপ্তাহে ট্রাম্পের একের পর এক কূটনৈতিক তৎপরতা দেশ–বিদেশে তাঁর সামনে থাকা সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে খুব একটা কাজে আসেনি।
ট্রাম্প যেসব সমস্যার মধ্যে আছেন, তার মধ্যে বিস্তৃত হতে থাকা ইরান যুদ্ধ অন্যতম। এর প্রভাবে প্রায় সারা বিশ্বের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। কমেছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা। কোনো কোনো মিত্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে। একই সময়ে চীনের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে প্রতিযোগিতাও আরও তীব্র হচ্ছে।
নিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পেয়ে যাওয়ার পর, মধ্যপ্রাচ্য সংকট থেকে শুরু করে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ পর্যন্ত নানা বিষয়ে ট্রাম্প বিশ্বনেতাদের বাধার মুখে পড়েছেন। ফলে তাঁর পররাষ্ট্রনীতি থমকে গেছে বলে ধারণা তৈরি হয়েছে।
এর মধ্যে আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। ট্রাম্পের নীতির কারণে তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টির এই নির্বাচনে হেরে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। ফলে তাঁর রাজনৈতিক পরিসর আরও সংকুচিত করতে পারে।
গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্পের ভাষণ ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর কীভাবে তিনি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের গড়ে তোলা নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁর ভাষণে সেই চিত্র স্পষ্ট হয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির মঞ্চে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প ইরানকে নতুন করে হুমকি দেন। তিনি বলেন, ইরান হয় চুক্তিতে রাজি হবে, না হয় দেশটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেকের সদস্য ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থানও তুলে ধরেন ট্রাম্প। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিজয়ীরাই লুটের মালের অধিকার পায়।’
আন্তর্জাতিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহারের পথ থেকেও ট্রাম্প সরে আসেননি। বরং ইঙ্গিত দিয়েছেন, এ পথে তাঁর আরও পদক্ষেপ থাকতে পারে।
এরপর গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মুখোমুখি হন। চীনের নেতাকে যেখানে তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে দেখা গেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে ইরান সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
সি–ট্রাম্প বৈঠকে সীমিত ফলাফল
চীনের প্রেসিডেন্টের যুক্তরাষ্ট্র সফরে জাঁকজমক ও আনুষ্ঠানিকতার কমতি ছিল না হোয়াইট হাউসের। কিন্তু এত আয়োজনের বাস্তব ফলাফল ছিল সীমিত। দুই নেতার বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বাণিজ্য, তাইওয়ান ও ইরানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও তেমন অগ্রগতি হয়নি।
তবে সবচেয়ে স্পষ্ট ফলাফল ছিল বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে এই বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
ট্রাম্প প্রকাশ্যে দুই দেশের মতপার্থক্য নিয়ে কথা বলতে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি। তবে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সি তাঁকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন। গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত এ দ্বীপটিকে চীন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের সম্পর্কে তাইওয়ান সবচেয়ে বিরোধপূর্ণ বিষয়।
তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের এই আপাত সংঘাত এড়িয়ে চলার অবস্থান তাঁর আগের কড়া অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আগে তিনি শুল্ককে হাতিয়ার করে চীনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে বিরল খনিজের ওপর বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ থাকায় ট্রাম্পের সেই হাতিয়ার বুমেরাং হয়েছে। প্রযুক্তি ও গাড়ি উৎপাদনে এসব খনিজ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। প্রতিশোধ হিসেবে এগুলোর সরবরাহ বন্ধ রাখার সক্ষমতা দেখিয়েছে চীন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বর্তমানে কৌশলগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল সিচুয়েশন রুমের প্রধান ব্রেট ব্রুয়েন বলেন, ‘ট্রাম্প এমন এক বিশ্বে আমাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছেন, যেখানে “জোর যার অধিকার তার” মূলনীতি। কিন্তু সি চিন পিং ও ক্রমবর্ধমান চীনা শক্তির প্রসঙ্গ এলেই তিনি কতটা নরম হয়ে যান, সেটি লক্ষ করার মতো।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি কোনো বাধার মুখে পড়েছে, এমন ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘে ট্রাম্পের বক্তব্যে ‘বিশ্বজুড়ে মার্কিন স্বার্থ এগিয়ে নিতে তাঁর বিভিন্ন সাফল্য’ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখার বিষয়টিও রয়েছে।
যদিও ইরান সব সময়ই বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ কাজের জন্য। তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে অচলাবস্থা
ট্রাম্পের ব্যস্ত কূটনৈতিক সপ্তাহজুড়ে ছায়ার মতো ছিল ইরান যুদ্ধ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন।
প্রায় সাত মাস ধরে চলমান এ যুদ্ধ বন্ধের সুস্পষ্ট কোনো লক্ষণ নেই। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে দেশে।
ইরান অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়লেও পিছু হটেনি। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের পররাষ্ট্রনীতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থানই সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ইরানে হামলার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেন, ‘আমেরিকা ইজ ব্যাক’ (আমেরিকা ফিরে এসেছে)। যুক্তরাষ্ট্র এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে গাজায় যুদ্ধবিরতি হয়। কিন্তু কার্যত সেখানে ফিলিস্তিনি হত্যা বন্ধ হয়নি। মূলত ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের রেকর্ড ক্রমেই নানা অচলাবস্থায় ভরে যাচ্ছে।
বিশ্বের নেতারা এমন একটি সময়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে, যখন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রভাব কমতে শুরু করতে পারে। তবে তখনো ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হতে আড়াই বছরের কম সময় বাকি থাকবে।
ইউরোপ ও এশিয়ার অনেক মিত্রই এরই মধ্যে ইরান সংঘাতে সহায়তা দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। এই যুদ্ধ শুরু করার আগে ট্রাম্প তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেননি।
জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মিত্র ট্রাম্পের সমালোচনাও করেছেন। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাঁরা ট্রাম্পের নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি। তাঁদের একজন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। তিনি বিশ্বে ‘জঙ্গলের আইন’ ফিরে আসার বিষয়ে সতর্ক করেন। মাখোঁ বলেন, দেশগুলো এখন এমন এক বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে হয়তো শক্তি ও জবরদস্তিই নিয়ন্ত্রণের ভিত্তি হবে। অথবা একটি ‘সভ্য আন্তর্জাতিক সমাজ’ গড়ে উঠবে।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা পরোক্ষভাবে ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। তিনি তাঁর দেশের অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের জলসীমায় টহল দেওয়ার জন্য বিমানবাহী রণতরি প্রয়োজন নেই। অপরাধে অর্থ ও অস্ত্রের প্রবাহ বন্ধ করতে আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ট্রাম্প ‘দেখানোর জন্য কিছু করার বিষয়ে চিন্তিত নন, তিনি ফলাফল নিয়ে চিন্তিত’। তিনি আরও বলেন, কিছু নেতা প্রকাশ্যে যা বলেছেন, তাঁরাই আবার ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যা বলেছেন, তা মেলে না।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
ট্রাম্পের প্রভাব কমে যাওয়ার আরেকটি লক্ষণ দেখা গেছে ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে। তিনি ইউক্রেন ও রাশিয়াকে অন্তত সীমিত পরিসরে জ্বালানি অবকাঠামোয় যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানোর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। এ প্রচেষ্টা খুব একটা এগোয়নি।
ট্রাম্প ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি চুক্তির কথা তুলে ধরেছেন। এর আওতায় বিশাল এই আর্কটিক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তবে এটি তাঁর প্রথম দিকের চাওয়ার তুলনায় অনেক কম। শুরুতে তিনি গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিক’ হতে চেয়েছিলেন। প্রয়োজনে ন্যাটোরই আরেক সদস্যের কাছ থেকে শক্তি প্রয়োগ করে ভূখণ্ডটি দখলের হুমকিও দিয়েছিলেন।
ইউরেশিয়া গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ইয়ান ব্রেমার এক্সে লিখেছেন, ‘এক বছর আগে খুব কম দেশই ট্রাম্পের বিরোধিতা করার সাহস পেত। এখন কানাডা, ইউরোপ, চীন, ইরান, রাশিয়াসহ অন্যরা আরও বেশি করে “না” বলতে প্রস্তুত।’
একপর্যায়ে ট্রাম্প নিজেও হয়তো ভাবতে শুরু করেছিলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আসলে তাঁর প্রভাব কতটা। জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ হিসেবে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘দেখা যাক আমার আদৌ কোনো ক্ষমতা আছে কি না। হয়তো আছে, আবার হয়তো নেই। খুব জলদিই আমরা তা জানতে পারব।’
![]() |
| সামরিক মহড়া দেখছেন (বাঁ থেকে) চীনের ফার্স্ট লেডি পেং লিইউয়ান, দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের বারান্দায়, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2044)
-
▼
September
(251)
-
▼
Sep 27
(11)
- ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা দেখল বিশ্ব
- যেভাবে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলার পরিকল্পনা ...
- আল আকসা মসজিদ পুরোপুরি দখলের পথে ইসরায়েল: হামাস
- পশ্চিম তীরে যুদ্ধ শুরু করার আহ্বান ইসরায়েলি মন্ত্রীর
- ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘের ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রকে এক হাত...
- ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বিকল্প পরিকল্পন...
- এবার প্রভাসের বিপরীতে কাজল
- ভাইয়ের কবর দেখতে গিয়ে হত্যার শিকার হলেন হামাস যোদ্ধা
- ‘ইসরাইলি নির্বাচনের চালিকাশক্তি হলো ফিলিস্তিনিদের ...
- ‘যুদ্ধ শেষ হলেও ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে শাস্তি দেবে ই...
- বলিউড তারকাদের পোস্টে নারীদের গল্প গাঁথা
-
▼
Sep 27
(11)
-
▼
September
(251)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment