Monday, March 9, 2015
ভয়ের শাসন by মঈন উদ্দিন খান
ভয়ের শাসন by মঈন উদ্দিন খান
গণতন্ত্র
এখন শিকলে বন্দী। ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের মধ্য দিয়েই কার্যত মুছে
গেছে গণতন্ত্রের সব সংজ্ঞা। শৃঙ্খলিত সেই গণতন্ত্রকে বাধা হচ্ছে আরো
আষ্টেপৃষ্ঠে। ন্যায়বিচারের পথ হয়ে গেছে সঙ্কুচিত। বিচারপতিদের অভিশংসন
ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে দেয়ায় ভয়ের খড়গ নেমে এসেছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আটকে
গেছে সম্প্রচার নীতিমালার বেড়াজালে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই বললেই চলে।
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উপর্যুপরি প্রয়োগে বিরোধী দলগুলো কোণঠাসা। বেসরকারি
সংগঠনগুলোর মধ্যে বিরাজ করছে নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। এমন অবস্থায় জনমনে
পরিবর্তন প্রত্যাশা দিন দিন জোরালো হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ‘ভয়ের শাসনে’ সব যেন
তটস্থ, নিরুপায়। একটি দেশের সংসদ যতটা কার্যকর, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল, সেই
দেশের গণতন্ত্রও ততটা কার্যকর নয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন পরিষদ বা সংসদ
জনগণের আকাক্সক্ষাকে ধারণ করে নির্মোহভাবে নতুন আইন প্রণয়ন করবে। কিন্তু
বাংলাদেশের আইন পরিষদ প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশে এমন এক নির্বাচনের মাধ্যমে
সংসদ গঠিত হয়েছে যেখানে ১৫৪ জন ভোট না পেয়েই নির্বাচিত হয়েছেন। অভিনব এই
সংসদে বিরোধী দল বলতে কার্যত কিছুই নেই।
এটি ঠিক যে, আমাদের সংবিধান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন নিষেধ করেনি। কিন্তু অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টিকেও আমাদের সংবিধান অনুমোদন করেনি। যে দেশে কোনো স্কুলের অভিভাবক সমিতি বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি আসনে বহু লোক দাঁড়িয়ে যান, সেখানে সংসদ নির্বাচনে ১৫৪টি আসনে কেউ না দাঁড়ানোই একটি চরম অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রমাণ। ১৯৯০ সালের পর কোনো নির্বাচনে একটি আসনেও এমন ঘটনা ঘটেনি, শুধু ১৯৯৬ সালে ৪৮টি আসনে এটি ঘটেছিল। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনকে তাই অস্বাভাবিক ও অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা হয়, একই বিবেচনায় ২০১৪ সালের নির্বাচনও বহুগুণ বেশি অস্বাভাবিক।
এমন একটি অস্বাভাবিক সংসদে নতুন আইন পাস হওয়া নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত হতে পারে রাজনীতির মাঠ। আর সেই আইন যদি হয় স্পর্শকাতর ও নানা দিক থেকে তাৎপর্যপূর্র্ণ, তাহলে তো কথাই নেই।
ষোড়শ সংশোধনী, নানামুখী বিতর্ক
সম্প্রতি আইনজ্ঞ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও সংবিধানে ষোড়শ সংশোধোনী এনে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের আলোকে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ছিল।
নতুন এই সংশোধনীতে বলা হয়েছে
১. এই আইন সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) আইন, ২০১৪ নামে অভিহিত হবে।
২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের পরিবর্তে নি¤œরূপ ৯৬ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হবে, যথা : ‘৯৬। বিচারকদের পদের মেয়াদ। (১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলি সাপেক্ষে কোনো বিচারক ৬৭ (সাতষট্টি) বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন। (২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যরে কারণে সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারণ করা যাবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোনো বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
ষোড়শ সংশোধনীর ফলে মহাহিসাব নিরীক্ষক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান, সদস্যসহ অন্যান্য সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের অপসারণের ক্ষমতাও সংসদের কাছে ন্যস্ত করা হয়েছে।
এই সংশোধনী পাস হওয়ার আগে দেশের চার বিশিষ্ট আইনজীবী একটি বিবৃতিতে দিয়েছিলেন। এখানে তা উল্লেখ করা প্রণিধানযোগ্য।
বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, আমীর-উল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম ও রোকনউদ্দিন মাহমুদ ওই বিবৃতিতে বলেছিলেন, বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে আনা হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিপন্ন হবে। তারা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি। সর্বোচ্চ আদালত অষ্টম সংশোধনী নিয়ে দেয়া যুগান্তকারী রায়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ বলে ঘোষণা দিয়েছিল। কোনো আলোচনা, বিতর্ক বা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভারতের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন ছাড়াই হঠাৎ কেন সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব আনা হলো, তা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
তারা বলেন, ভারতের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এইচ এম সিরভাই অভিশংসন প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি তার ‘দ্য পজিশন অব দ্য জুডিশিয়ারি আন্ডার দ্য কনস্টিটিউশন অব ইন্ডিয়া’ বইয়ে লিখেছেন, একজন বিচারপতিকে অপসারণের ক্ষমতা আইনপ্রণেতাদের ওপর ন্যস্ত হলে রাজনৈতিক দল ও রাজ্যের বিষয়টি তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
এইচ এম সিরভাই তার বইয়ে লিখেছেন, ইংল্যান্ডে ১৮৩০ সালের পর কোনো বিচারপতিকে অপসারণ করা হয়নি। দেশটিতে বিচারপতিদের অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সমস্যাও সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে একজন বিচারককে অভিশংসন করার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। একজন বিচারকের আচরণ নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করার পর্যাপ্ত সময় সিনেট পায় না। এ ধরনের তদন্তের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনা কাজ করে।
এই চার আইনজীবী বিচারপতিদের অভিশংসনসংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনের আগে জাতীয় ঐকমত্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ঐকমত্য ছাড়াই পাস হয়েছে ষোড়শ সংশোধনী।
একদলীয় শাসনব্যবস্থা পাকাপোক্ত করার অভিলাষ থেকে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও একই মত ব্যক্ত করেছে। কিন্তু চূড়ান্ত বিচারে কোনো দিকে ভ্রক্ষেপ না করেই পাস করা হয়েছে ষোড়শ সংশোধনী। এর ফলে বিচারকেরা কি স্বাধীনভাবেই কাজ করবেন, না ভয় ভীতিতে থাকবেন, তা আঁচ করা গেলেও অন্তর্নিহিত অবস্থা অদৃশ্যই থেকে যাবে!
সম্প্রচার নীতিমালা, খাঁচায় বন্দী গণমাধ্যম
গত ৬ আগস্ট জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়, যা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় চলছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে টুঁটি চেপে ধরা হয়েছে এই নীতিমালার মাধ্যমে এমন বক্তব্য আসছে প্রতিনিয়ত। সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন এ নীতিমালার কঠোর সমালোচনা করে আসছে।
নীতিমালায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচারে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জাতীয় সম্প্রচার কমিশন গঠনের কথা বলা হলেও কবে তা করা হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই। বরং বলা হয়েছে, কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচার সম্পর্কিত সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্টদের কাছে এটাই সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।
সম্প্রচার নীতিমালার তৃতীয় অধ্যায়ে সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রকাশের ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোনো আলোচনামূলক অনুষ্ঠানে কোনো প্রকার অসঙ্গতিপূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য বা উপাত্ত দেয়া পরিহার করতে হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষের যুক্তিসমূহ যথাযথভাবে উপস্থাপনের সুযোগ থাকতে হবে।’
নীতিমালায় আছে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ক্ষতি করে এমন কোনো তথ্য প্রচার করা যাবে না। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘিœত হতে পারে, এমন ধরনের সামরিক, বেসামরিক বা সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না। সংবাদ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচারে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ ও নীতিমালা সমুন্নত রাখতে হবে। জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো বিদ্রোহ, নৈরাজ্য ও হিংসাত্মক ঘটনা প্রদর্শন করা যাবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় আঘাত সৃষ্টি করতে পারে, এমন ধরনের অনুষ্ঠান বা বক্তব্যও প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ বা অবমাননাকর দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। অপরাধীদের দণ্ড দিতে পারেন, এমন সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার মতোও দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না।
নীতিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অনুষ্ঠানে সরাসরি বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা মতামত প্রচার করা যাবে না।’
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা বলেছেন, এই নীতিমালায় এমন কিছু ধারা রয়েছে, যার মাধ্যমে আইনের অপপ্রয়োগ হতে পারে। এর ফলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কাও করছেন তারা। আইনজ্ঞ শাহদীন মালিকের মতে, এ ধরনের ধারার ফলে আইনের অপপ্রয়োগ হতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক দলগুলো টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারকাজ চালিয়ে থাকে। সরাসরি রাজনৈতিক দলের বক্তব্য প্রচার করা না গেলে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশও প্রচার করা যাবে না এমন কথাও উঠে আসছে।
জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা তথ্য অধিকার আইন, সংবিধান, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ (টিআইবি) বলছে এ নীতি একুশ শতকের উপযোগী নয়। তাই নিবর্তনমূলক এ নীতি গ্রহণযোগ্য নয়।
টিআইবি সম্প্রচার কমিশনকে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে প্রশাসনের বা সরকারের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সদস্য, রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তা বা কর্মচারী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা যার অবসর গ্রহণের পর কমপক্ষে তিন বছর পার হয়নি, এমন ব্যক্তি যার স্বার্থের দ্বন্দ্বের সুযোগ রয়েছে; তাদের কমিশনের সদস্য না করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে অপসারণের বিধান রাখার কথা বলেছে সংগঠনটি।
টিআইবির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ছয়টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর সম্প্রচার কমিশন গঠন, সম্প্রচারসংক্রান্ত আইন প্রণয়নে অংশীজনদের পরামর্শ নেয়া; কমিশন গঠনের জন্য সার্চ কমিটি গঠনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের সুযোগ বন্ধ করা, সম্প্রচার মাধ্যমের লাইসেন্স দেয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে এসংক্রান্ত নীতিমালার বিষয়গুলোকে পুনর্বিবেচনা; সম্প্রচার খাতের সাথে সংযুক্ত নেতৃত্ব এবং কর্মীদের স্বনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা উদ্ভাবনে নিজস্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি আচরণবিধি প্রণয়ন করে এর তদারকির ভার সম্প্রচার খাতের পেশাজীবী সংগঠনের ওপর দেয়া এবং বিজ্ঞাপন নীতিমালাকে সম্প্রচার নীতিমালা থেকে আলাদা করা।
বিএনপি মনে করে, এ নীতিমালার মাধ্যমে গণমাধ্যমকে সরকারি খাঁচায় বন্দী করার ফিকির হচ্ছে। আর সাংবাদিক সংগঠন বিএফইউজে ও ডিইউজের নেতারা বলেছেন, এ সম্প্রচার নীতিমালা সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করবে।
জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) বলেছে, এই নীতিমালা দিয়ে সম্প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বলেছে, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা দেশকে স্বৈরশাসন ও সহিংসতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
চতুর্মুখী এরকম আপত্তি সত্ত্বেও সম্প্রচার নীতিমালার আইনি রূপ দিয়ে তা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
এনজিও খাতে বিধিনিষেধ
‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন-২০১৪’ নিয়ে বেসরকারি সংগঠনগুলোর (এনজিও) মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। ১৫টি বেসরকারি সংগঠন বলছে, এই আইন এনজিও খাতের বিকাশের ক্ষেত্রে ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে। আইনটি চূড়ান্ত করার আগে এ নিয়ে আরো আলোচনা করা দরকার।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), আইন ও সালিস কেন্দ্র, গণসাক্ষরতা অভিযান, নিজেরা করি, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ব্লাস্ট, বেলা, এফএনবি, অ্যাডাব, এএলআরডি, প্রিপ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, অ্যাকশন এইড, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ও ওয়াটার এইড মনে করে, প্রস্তাবিত আইনের ৩ (২) ধারা বলবৎ থাকলে দেশে ব্যক্তিপর্যায়ের দাতব্য ও স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। প্রবাসীরা সেবামূলক কার্যক্রমে অবদান রাখতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং হুন্ডি প্রথা ও কর ফাঁকির প্রবণতা বাড়বে। অন্য দিকে বেশ কিছু পেশার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবিত ধারা প্রাসঙ্গিক নয়।
তাদের মতে, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর হাতে যেভাবে নিবন্ধন বাতিল করে এনজিও বিলুপ্ত করা ও প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তা যৌক্তিক হবে না।
মূলত সরকার সর্বত্র ‘নিয়ন্ত্রণমূলক’ একটি অবস্থা জারি করতে চাচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকার আসলে কোন উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় তাও অত্যন্ত পরিষ্কার। চরম কৃর্তত্ববাদী খেয়াল থেকেই এসব আইনকানুন আরোপিত হচ্ছে। জনগণের চাওয়া না চাওয়ার কোনো পরোয়া নেই এখানে। বিতর্ক, গঠনমূলক সমালোচনায়ও রুষ্ট হয় সরকার।
৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব মনে করছে। আর এসব হচ্ছে এক ধরনের অহংবোধ থেকে। সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিরাও সরকারকে বিপথে চালিত করছে। আর এর ফলে সঠিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের বদলে সরকার হাঁটছে একরোখা হয়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, সরকার সময়ের ভাষ্য শুনতে ব্যর্থ হলে আগামী দিনে তাদের পথ আরো অমসৃণ হবে, পথ হারানো সরকারের ক্ষমতার পালাবদল হয়ে উঠতে পারে রক্তাক্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।
এটি ঠিক যে, আমাদের সংবিধান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন নিষেধ করেনি। কিন্তু অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টিকেও আমাদের সংবিধান অনুমোদন করেনি। যে দেশে কোনো স্কুলের অভিভাবক সমিতি বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি আসনে বহু লোক দাঁড়িয়ে যান, সেখানে সংসদ নির্বাচনে ১৫৪টি আসনে কেউ না দাঁড়ানোই একটি চরম অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রমাণ। ১৯৯০ সালের পর কোনো নির্বাচনে একটি আসনেও এমন ঘটনা ঘটেনি, শুধু ১৯৯৬ সালে ৪৮টি আসনে এটি ঘটেছিল। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনকে তাই অস্বাভাবিক ও অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা হয়, একই বিবেচনায় ২০১৪ সালের নির্বাচনও বহুগুণ বেশি অস্বাভাবিক।
এমন একটি অস্বাভাবিক সংসদে নতুন আইন পাস হওয়া নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত হতে পারে রাজনীতির মাঠ। আর সেই আইন যদি হয় স্পর্শকাতর ও নানা দিক থেকে তাৎপর্যপূর্র্ণ, তাহলে তো কথাই নেই।
ষোড়শ সংশোধনী, নানামুখী বিতর্ক
সম্প্রতি আইনজ্ঞ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও সংবিধানে ষোড়শ সংশোধোনী এনে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের আলোকে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ছিল।
নতুন এই সংশোধনীতে বলা হয়েছে
১. এই আইন সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) আইন, ২০১৪ নামে অভিহিত হবে।
২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের পরিবর্তে নি¤œরূপ ৯৬ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হবে, যথা : ‘৯৬। বিচারকদের পদের মেয়াদ। (১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলি সাপেক্ষে কোনো বিচারক ৬৭ (সাতষট্টি) বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন। (২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যরে কারণে সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারণ করা যাবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোনো বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
ষোড়শ সংশোধনীর ফলে মহাহিসাব নিরীক্ষক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান, সদস্যসহ অন্যান্য সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিদের অপসারণের ক্ষমতাও সংসদের কাছে ন্যস্ত করা হয়েছে।
এই সংশোধনী পাস হওয়ার আগে দেশের চার বিশিষ্ট আইনজীবী একটি বিবৃতিতে দিয়েছিলেন। এখানে তা উল্লেখ করা প্রণিধানযোগ্য।
বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, আমীর-উল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম ও রোকনউদ্দিন মাহমুদ ওই বিবৃতিতে বলেছিলেন, বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে আনা হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিপন্ন হবে। তারা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি। সর্বোচ্চ আদালত অষ্টম সংশোধনী নিয়ে দেয়া যুগান্তকারী রায়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ বলে ঘোষণা দিয়েছিল। কোনো আলোচনা, বিতর্ক বা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভারতের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন ছাড়াই হঠাৎ কেন সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব আনা হলো, তা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
তারা বলেন, ভারতের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এইচ এম সিরভাই অভিশংসন প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি তার ‘দ্য পজিশন অব দ্য জুডিশিয়ারি আন্ডার দ্য কনস্টিটিউশন অব ইন্ডিয়া’ বইয়ে লিখেছেন, একজন বিচারপতিকে অপসারণের ক্ষমতা আইনপ্রণেতাদের ওপর ন্যস্ত হলে রাজনৈতিক দল ও রাজ্যের বিষয়টি তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
এইচ এম সিরভাই তার বইয়ে লিখেছেন, ইংল্যান্ডে ১৮৩০ সালের পর কোনো বিচারপতিকে অপসারণ করা হয়নি। দেশটিতে বিচারপতিদের অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সমস্যাও সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে একজন বিচারককে অভিশংসন করার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। একজন বিচারকের আচরণ নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করার পর্যাপ্ত সময় সিনেট পায় না। এ ধরনের তদন্তের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনা কাজ করে।
এই চার আইনজীবী বিচারপতিদের অভিশংসনসংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনের আগে জাতীয় ঐকমত্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ঐকমত্য ছাড়াই পাস হয়েছে ষোড়শ সংশোধনী।
একদলীয় শাসনব্যবস্থা পাকাপোক্ত করার অভিলাষ থেকে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও একই মত ব্যক্ত করেছে। কিন্তু চূড়ান্ত বিচারে কোনো দিকে ভ্রক্ষেপ না করেই পাস করা হয়েছে ষোড়শ সংশোধনী। এর ফলে বিচারকেরা কি স্বাধীনভাবেই কাজ করবেন, না ভয় ভীতিতে থাকবেন, তা আঁচ করা গেলেও অন্তর্নিহিত অবস্থা অদৃশ্যই থেকে যাবে!
সম্প্রচার নীতিমালা, খাঁচায় বন্দী গণমাধ্যম
গত ৬ আগস্ট জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়, যা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় চলছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে টুঁটি চেপে ধরা হয়েছে এই নীতিমালার মাধ্যমে এমন বক্তব্য আসছে প্রতিনিয়ত। সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন এ নীতিমালার কঠোর সমালোচনা করে আসছে।
নীতিমালায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচারে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জাতীয় সম্প্রচার কমিশন গঠনের কথা বলা হলেও কবে তা করা হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই। বরং বলা হয়েছে, কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচার সম্পর্কিত সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্টদের কাছে এটাই সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।
সম্প্রচার নীতিমালার তৃতীয় অধ্যায়ে সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রকাশের ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোনো আলোচনামূলক অনুষ্ঠানে কোনো প্রকার অসঙ্গতিপূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য বা উপাত্ত দেয়া পরিহার করতে হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষের যুক্তিসমূহ যথাযথভাবে উপস্থাপনের সুযোগ থাকতে হবে।’
নীতিমালায় আছে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ক্ষতি করে এমন কোনো তথ্য প্রচার করা যাবে না। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘিœত হতে পারে, এমন ধরনের সামরিক, বেসামরিক বা সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না। সংবাদ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচারে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ ও নীতিমালা সমুন্নত রাখতে হবে। জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো বিদ্রোহ, নৈরাজ্য ও হিংসাত্মক ঘটনা প্রদর্শন করা যাবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় আঘাত সৃষ্টি করতে পারে, এমন ধরনের অনুষ্ঠান বা বক্তব্যও প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ বা অবমাননাকর দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। অপরাধীদের দণ্ড দিতে পারেন, এমন সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার মতোও দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না।
নীতিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অনুষ্ঠানে সরাসরি বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা মতামত প্রচার করা যাবে না।’
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা বলেছেন, এই নীতিমালায় এমন কিছু ধারা রয়েছে, যার মাধ্যমে আইনের অপপ্রয়োগ হতে পারে। এর ফলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কাও করছেন তারা। আইনজ্ঞ শাহদীন মালিকের মতে, এ ধরনের ধারার ফলে আইনের অপপ্রয়োগ হতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক দলগুলো টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারকাজ চালিয়ে থাকে। সরাসরি রাজনৈতিক দলের বক্তব্য প্রচার করা না গেলে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশও প্রচার করা যাবে না এমন কথাও উঠে আসছে।
জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা তথ্য অধিকার আইন, সংবিধান, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ (টিআইবি) বলছে এ নীতি একুশ শতকের উপযোগী নয়। তাই নিবর্তনমূলক এ নীতি গ্রহণযোগ্য নয়।
টিআইবি সম্প্রচার কমিশনকে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে প্রশাসনের বা সরকারের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সদস্য, রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তা বা কর্মচারী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা যার অবসর গ্রহণের পর কমপক্ষে তিন বছর পার হয়নি, এমন ব্যক্তি যার স্বার্থের দ্বন্দ্বের সুযোগ রয়েছে; তাদের কমিশনের সদস্য না করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে অপসারণের বিধান রাখার কথা বলেছে সংগঠনটি।
টিআইবির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ছয়টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর সম্প্রচার কমিশন গঠন, সম্প্রচারসংক্রান্ত আইন প্রণয়নে অংশীজনদের পরামর্শ নেয়া; কমিশন গঠনের জন্য সার্চ কমিটি গঠনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের সুযোগ বন্ধ করা, সম্প্রচার মাধ্যমের লাইসেন্স দেয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে এসংক্রান্ত নীতিমালার বিষয়গুলোকে পুনর্বিবেচনা; সম্প্রচার খাতের সাথে সংযুক্ত নেতৃত্ব এবং কর্মীদের স্বনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা উদ্ভাবনে নিজস্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি আচরণবিধি প্রণয়ন করে এর তদারকির ভার সম্প্রচার খাতের পেশাজীবী সংগঠনের ওপর দেয়া এবং বিজ্ঞাপন নীতিমালাকে সম্প্রচার নীতিমালা থেকে আলাদা করা।
বিএনপি মনে করে, এ নীতিমালার মাধ্যমে গণমাধ্যমকে সরকারি খাঁচায় বন্দী করার ফিকির হচ্ছে। আর সাংবাদিক সংগঠন বিএফইউজে ও ডিইউজের নেতারা বলেছেন, এ সম্প্রচার নীতিমালা সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করবে।
জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) বলেছে, এই নীতিমালা দিয়ে সম্প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বলেছে, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা দেশকে স্বৈরশাসন ও সহিংসতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
চতুর্মুখী এরকম আপত্তি সত্ত্বেও সম্প্রচার নীতিমালার আইনি রূপ দিয়ে তা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
এনজিও খাতে বিধিনিষেধ
‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন-২০১৪’ নিয়ে বেসরকারি সংগঠনগুলোর (এনজিও) মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। ১৫টি বেসরকারি সংগঠন বলছে, এই আইন এনজিও খাতের বিকাশের ক্ষেত্রে ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে। আইনটি চূড়ান্ত করার আগে এ নিয়ে আরো আলোচনা করা দরকার।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), আইন ও সালিস কেন্দ্র, গণসাক্ষরতা অভিযান, নিজেরা করি, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ব্লাস্ট, বেলা, এফএনবি, অ্যাডাব, এএলআরডি, প্রিপ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, অ্যাকশন এইড, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ও ওয়াটার এইড মনে করে, প্রস্তাবিত আইনের ৩ (২) ধারা বলবৎ থাকলে দেশে ব্যক্তিপর্যায়ের দাতব্য ও স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। প্রবাসীরা সেবামূলক কার্যক্রমে অবদান রাখতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং হুন্ডি প্রথা ও কর ফাঁকির প্রবণতা বাড়বে। অন্য দিকে বেশ কিছু পেশার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবিত ধারা প্রাসঙ্গিক নয়।
তাদের মতে, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর হাতে যেভাবে নিবন্ধন বাতিল করে এনজিও বিলুপ্ত করা ও প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তা যৌক্তিক হবে না।
মূলত সরকার সর্বত্র ‘নিয়ন্ত্রণমূলক’ একটি অবস্থা জারি করতে চাচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকার আসলে কোন উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় তাও অত্যন্ত পরিষ্কার। চরম কৃর্তত্ববাদী খেয়াল থেকেই এসব আইনকানুন আরোপিত হচ্ছে। জনগণের চাওয়া না চাওয়ার কোনো পরোয়া নেই এখানে। বিতর্ক, গঠনমূলক সমালোচনায়ও রুষ্ট হয় সরকার।
৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব মনে করছে। আর এসব হচ্ছে এক ধরনের অহংবোধ থেকে। সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিরাও সরকারকে বিপথে চালিত করছে। আর এর ফলে সঠিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের বদলে সরকার হাঁটছে একরোখা হয়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, সরকার সময়ের ভাষ্য শুনতে ব্যর্থ হলে আগামী দিনে তাদের পথ আরো অমসৃণ হবে, পথ হারানো সরকারের ক্ষমতার পালাবদল হয়ে উঠতে পারে রক্তাক্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1429)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 09
(39)
- অসাধারণ একটি গ্রন্থ by শাহ্ আব্দুল হান্নান
- কূটনীতিকদের টেবিলে এখন তারানকোর ফর্মুলা
- আইন শৃংখলা বাহিনী দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারলে এরশাদ এ...
- প্রধানমন্ত্রী আমার চেয়েও বড় স্বৈরাচার : এরশাদ
- দ্যাশ তো যায় যায় অবস্থা -এক রিকশাচালকের রাষ্ট্র চি...
- রিমান্ডের রেকর্ড- উপেক্ষিত হাইকোর্টের নির্দেশনা by...
- সংলাপ নয় প্রশাসনেই ভরসা আওয়ামী লীগের by লুৎফর রহমান
- জয় দেখছে বাংলাদেশ, বিশ্বকাপে প্রথম মাহমুদউল্লাহ
- ছাড়া পেয়েছেন কাশ্মিরের স্বাধীনতাকামী নেতা আলম ভাট ...
- শ্যানন-সীমার অন্যজীবন
- ডলারের রিজার্ভ বৃদ্ধি : সদ্ব্যবহার করতে হবে by ড. ...
- মুজিকা হতে পারেন এ প্রজন্মের আইকন by এম সাখাওয়াত হ...
- ‘অসামাজিক কাজে জড়িত নই’ -কণ্ঠশিল্পী কাকলী দে
- অভিজিৎ হত্যা ও বাংলাদেশের রাজনীতি by এরশাদ মজুমদার
- কাউন্সিলর পদ নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্য! by শাহেদ চৌধুরী
- এফবিআইয়ের হাতে ১০ সন্দেহভাজনের নাম
- অর্থনীতিতে নারীর অবদান বাড়ছে by জাহাঙ্গীর শাহ
- নারীর চোখে বিশ্ব দেখুন by রোবায়েত ফেরদৌস
- রেলকর্মী যখন ফিশপ্লেট খুলে নেয় by জাবেদ রহিম বিজন
- স্টিয়ারিং কন্যা by রাশিম মোল্লাহ
- ‘৬০ শতাংশ কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব’
- দেশে দেশে হত্যা ও সহিংসতার খতিয়ান by মঈনুল আলম
- ইয়াহু-প্রজাতি এবং বাংলাদেশের জনগণ by কাজী সাইদ
- সব বাধা ভেঙে এগিয়ে যেতে হবে নারীকে
- নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরাইলে বিক্ষোভ
- ‘সঙ্কট নিরসনে রাজনৈতিক উদ্যোগ অপরিহার্য’ -পঙ্কজ ভট...
- ট্রেনেও চালকের আসনে নারী by সাঈদা ইসলাম
- ভয়ের শাসন by মঈন উদ্দিন খান
- আমাদের ‘আইভী আপা’ by শরিফুল হাসান
- কুরআনে মহান স্রষ্টাই আমাদের উদ্দেশে কথা বলছেন by প...
- খালেদার দিন শুরু হয় যেভাবে by কাফি কামাল
- শূন্য হাতে শুরু, এখন সফল উদ্যোক্তা by সাঈদা ইসলাম
- নাগরিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দিন
- শামীমার যুদ্ধজয় ও একজন রইসুল by আসাদুল্লাহ্ সরকার
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেআইনি কাজ
- পাহাড়ে নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়েছে by হরি কিশোর চাকমা
- ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিদেশপ্রীতি চড়ামূল্যে ওষুধ ...
- বিএনপির নজর এখন ঢাকায় by মঈন উদ্দিন খান
- রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় রফতানি ৭ ভাগ কমেছে by জিয়াউ...
-
▼
Mar 09
(39)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment