ধোনিদের ফ্ল্যাট...

ধোনি-টেন্ডুলকাররা ভাসছেন পুরস্কার-বন্যায়। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেওয়ার পরদিন থেকেই পুরস্কার পাওয়ার শুরু ভারতীয় ক্রিকেটারদের। ভারত সরকার দিয়েছে এক কোটি রুপি করে। কেউ অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে দিয়েছে সম্মানসূচক ডক্টরেট। এবার শুরু হলো ফ্ল্যাট পুরস্কার দেওয়ার বন্যা।
ভারতীয় খেলোয়াড়দের একটি করে ফ্ল্যাট দিচ্ছে আম্রপলি রিয়াল এস্টেট কোম্পানি। আম্রপলির ধোনিদের ফ্ল্যাট দেওয়ার একটা কারণ অবশ্য আছে। ২০০৯ সালে এই কোম্পানি চার বছরের জন্য শুভেচ্ছাদূত করেছিল ধোনিকে। তাঁকে পুরস্কার দিতে গিয়ে ৯ কোটি রুপি খরচ করে অন্যদেরও দিচ্ছে বাড়ি।
তবে সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়িটা পাচ্ছেন ধোনিই। ২ হাজার ৯০০ বর্গফুটের ভিলাটি নইডাতে আম্রপলির ড্রিম ভ্যালি প্রকল্পে। ধোনির বাড়িটার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি রুপি। অন্য সবার জন্য থাকছে ৫৫ লাখ রুপি মূল্যের ১ হাজার ৬৯০ বর্গফুটের বাড়ি। তবে এই বাড়িগুলো এখনই পাচ্ছেন না ধোনিরা। বাসযোগ্য হতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগবে।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের একটি করে প্লট উপহার দেবে বলেছে কর্ণাটক সরকার। উত্তরাখণ্ড সরকারই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? প্রত্যেক খেলোয়াড়কে নয়, উত্তরাখণ্ড সরকার ঘোষণা দিয়েছে, শচীন টেন্ডুলকার ও ধোনিকে একটি করে প্লট বা বাড়ি উপহার দেওয়া হবে। দুজনই মহিষাসুর পর্বতে পরিবারবর্গ নিয়ে মাঝেমধ্যেই বেড়াতে যান। পরেরবার গিয়ে হয়তো উপহার পাওয়া বাড়িতেই উঠতে পারবেন তাঁরা।
ইউসুফ পাঠান আর মুনাফ প্যাটেলকে ‘একলব্য পুরস্কার’ দেবে গুজরাট সরকার। ক্রেস্টের সঙ্গে এক লাখ রুপি। হরিয়ানা প্রদেশ বীরেন্দর শেবাগ ও আশিস নেহরাকে দিচ্ছে হরিয়ানার বর্ষসেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্বের সম্মাননা। সুরেশ রায়না ও পীযূষ চাওলা পুরস্কার পাচ্ছেন উত্তর প্রদেশ সরকার থেকে। ভারতের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে একজন সঙ্গীসহ দেশের যেকোনো জায়গায় বিনা খরচে ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে রেলওয়ে।