Wednesday, October 21, 2026
ফ্রান্সের পুলিশ এত সহিংস কেন
ফ্রান্সের পুলিশ এত সহিংস কেন
পশ্চিম ইউরোপের অধিকাংশ প্রতিবেশী দেশ যেখানে সাধারণত জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা ও উত্তেজনা প্রশমনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পুলিশি কৌশল নির্ধারণ করে, সেখানে ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তায় নেমে আসা সামাজিক আন্দোলনগুলোর মোকাবিলায় কখনো কখনো চমকে দেওয়ার মতো শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে আসছে।
এর পেছনের কারণগুলো জটিল। ইতিহাস, রাজনীতি, রাষ্ট্রের কাঠামো এবং একটি বিশেষ নিরাপত্তা সংস্কৃতির সম্মিলিত প্রভাব এতে রয়েছে। কয়েক দশক, এমনকি কয়েক শতাব্দী ধরে এই সংস্কৃতি গভীরভাবে প্রোথিত হয়েছে। আজও এর সীমা ক্রমাগত আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
ফ্রান্সের পুলিশি নীতির শিকড় নেপোলিয়নের অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক দর্শনে নিহিত। ফ্রান্সে পুলিশ রাষ্ট্রের একটি হাতিয়ার। রাষ্ট্রকে সুরক্ষা দেওয়া, তার আইন প্রয়োগ করা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব।
ধারণাগতভাবে, এই দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তরাজ্যের অবস্থান থেকে অনেকটাই আলাদা। সেখানে উনিশ শতকের শুরুর দিক থেকেই পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জনগণের সম্মতি থেকেই পুলিশের কর্তৃত্ব আসে এবং শান্তি বজায় রাখাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।
ফরাসি পুলিশ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের প্রতিনিধি। এর অর্থ হলো, বিক্ষোভ, অবরোধ ও ব্যাপক বিশৃঙ্খলাকে কেবল নাগরিক জীবনের সাময়িক অসুবিধা হিসেবে দেখা হয় না; বরং এগুলোকে প্রজাতন্ত্রের কর্তৃত্বের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পুলিশের অগ্রাধিকার আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা নয়, বরং রাস্তাগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা।
এ কারণেই জনতাকে পরিকল্পিতভাবে ঘিরে ফেলা ও আটকে রাখার মতো আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি তথাকথিত ‘মধ্যবর্তী’ বা প্রাণঘাতী নয়—এমন অস্ত্রের ব্যবহারও অব্যাহত রয়েছে। এসব অস্ত্রের অনেকগুলোই ইউরোপের অন্যত্র নিষিদ্ধ অথবা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।
প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহৃত বল নিক্ষেপকারী অস্ত্র থেকে ঘণ্টায় ১৮৫ মাইল (৩০০ কিলোমিটার) বেগে রাবারের গুলি ছোড়া হয়। ২০১০-এর দশকের শেষ দিকে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের বিক্ষোভকারীদের আহত করা এবং ২০১৪ সালে পরিবেশ আন্দোলনের এক বিক্ষোভকারীকে হত্যার জন্য দায়ী বিস্ফোরক গ্রেনেডগুলো পর্যায়ক্রমে ব্যবহার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে সেগুলোর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে পাইরোটেকনিক স্টান গ্রেনেড।
আঘাতের পাশাপাশি ১৬০ ডেসিবেল মাত্রার তীব্র শব্দের ধাক্কা সৃষ্টি করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য এসব গ্রেনেড তৈরি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এগুলোর কারণে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন চোখ ও দাঁত হারানো ব্যক্তি, চোয়ালের হাড় ভেঙে যাওয়া মানুষ এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে ফেলতে বাধ্য হওয়া কয়েকজন। এসব গ্রেনেড প্রায়ই ব্যাপক আতঙ্কও সৃষ্টি করে।
ফ্রান্সের রাস্তায় বিক্ষোভের প্রায় অনন্য এক সংস্কৃতিও সহিংস পুলিশি পদ্ধতিকে উৎসাহিত করে। ১৭৮৯ সালের বিপ্লব পর্যন্ত বিস্তৃত বিদ্রোহের ঐতিহ্যের কারণে বিক্ষোভকারীরা জানেন, রাস্তায় নেমে আন্দোলন করলে সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করা যায়—এবং সাধারণত তা হয়ও।
জার্মানি বা নেদারল্যান্ডসের মতো নয়, ফ্রান্সের শ্রমিক ইউনিয়নগুলো ঘন ঘন ধর্মঘট করলেও সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনার অংশীদার হিসেবে স্বীকৃত নয়। দেশটির পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের অতিমাত্রায় কেন্দ্রীভূত ও প্রেসিডেন্টনির্ভর কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার সুযোগকে প্রান্তিক করে রেখেছে।
এর ফলে একটি অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র প্রায়ই জনগণের ব্যাপক সম্মতি ছাড়াই আইন পাস করে। তাই সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায়ের জন্য নাগরিকদের হাতে ‘রাজপথের শক্তি’ই হয়ে ওঠে কার্যকর কয়েকটি উপায়ের অন্যতম। ফ্রান্সে বিক্ষোভকে নাগরিক দায়িত্ব এবং গণতন্ত্রের একটি বৈধ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এতে একটি দুষ্টচক্র তৈরি হয়। ফরাসি কর্তৃপক্ষ বড় জমায়েতকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ পাঠায়। পুলিশের সামরিক কায়দার কৌশল আক্রমণাত্মক মনোভাবকে আরো শক্তিশালী করে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদেরও বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এতে আরও কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো সহিংস কৌশল বেছে নিতে উৎসাহিত হয়। কিন্তু এসব গোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্ন করার পরিবর্তে পুলিশ লাঠিচার্জ ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে। ফলে বিক্ষোভ শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অ্যাকলেডের মতো সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য থেকে ধারাবাহিকভাবে দেখা যায়, বিস্ময়করভাবে ফ্রান্সে সব সময় পশ্চিম ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে না। জার্মানি ও ইতালিতেও বিক্ষোভের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে।
তবে এসব তথ্য থেকে এটিও স্পষ্ট যে, ফ্রান্সে সংঘাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার হার ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে রয়েছে রাস্তায় ব্যারিকেড তৈরি, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ।
গত কয়েক দশক ধরে ফ্রান্সের পুলিশি ব্যবস্থা ও জনতা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক এবং নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের নিন্দার মুখে পড়েছে। এসব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং ইউরোপের কাউন্সিল।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, গ্রেনেড ও রাবারের গুলির অপব্যবহার, নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার এবং মূলত অহিংস বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই পুলিশি মডেল টিকে আছে; বরং এর বিস্তার ঘটছে।
গত মাসে প্রস্তাবিত একটি আইনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেন। সমালোচকেরা আইনটিকে পুলিশের জন্য ‘হত্যার লাইসেন্স’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রস্তাবিত আইনটির লক্ষ্য হলো, দায়িত্ব পালনের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও জঁদার্মদের ক্ষেত্রে আইনগতভাবে ‘আত্মরক্ষার অনুমান’ প্রতিষ্ঠা করা।
নাগরিক অধিকার সংগঠন, বামপন্থী রাজনীতিক, বিচারকদের ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ এই আইনের বিরোধিতা করেছে। আইনটি পাস হলে কার্যত পুলিশের গুলিতে কেউ নিহত বা আহত হওয়ার ঘটনায় বলপ্রয়োগ অসামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল—তা প্রমাণের দায় ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের ওপর বর্তাবে।
সমালোচকদের মূল বক্তব্য হলো, এই আইন পুলিশের দায়মুক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এর মধ্য দিয়ে নিরাপত্তাকেন্দ্রিক সেই সংস্কৃতি আরো শক্তিশালী হবে, যেখানে জনমতের প্রকাশ ও সামাজিক উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য গণতান্ত্রিক বাস্তবতা হিসেবে না দেখে দমন করার মতো বিদ্রোহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ফ্রান্সের রাজপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই এখনো শেষ হয়নি। >> দ্য গার্ডিয়ান

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2388)
-
▼
October
(316)
-
▼
Oct 21
(22)
- ফ্রান্সের মতো একই বিপদের মুখে কি যুক্তরাষ্ট্রও
- ‘বদর সমঝোতা স্মারক’ - তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান ও ই...
- ফ্রান্সে বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েন
- সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ‘ম...
- ফরাসি বিক্ষোভকারীদের নতুন স্লোগান ‘বিসমিল্লাহ’
- এবার দিল্লির ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ
- জ্ঞানেশ কুমারকে সরালেও বিপদ, রাখলেও বিপদ—নিজের পাত...
- মোদির ছবি যুক্ত করে রাবনের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে প্...
- মিয়ানমারের ব্যাপারে নীতি বদলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কী...
- ইউরোপজুড়ে উগ্রপন্থার উত্থান, দুর্বল হচ্ছে মধ্যপন্থ...
- সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের এক কণাও দেশের বাইরে যাবে না: ইরান
- সিনাই বলে কিছু থাকবে না, মিসরকে ইসরাইলি মন্ত্রীর হ...
- ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করেন নেতানিয়াহু, ভেস্ত...
- ‘হেরা আমার লগে কতায় পারব না’, কটূক্তিকে পাত্তা না ...
- ফ্রান্সের পুলিশ এত সহিংস কেন
- বিশ্বজুড়েই কেন রাজপথে তরুণরা, ছড়াচ্ছে প্রতিবাদের ঢেউ
- বয়কটের মুখে ইসরায়েলের বড় সংগীত উৎসব, যাচ্ছেন না বি...
- নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিতে নারাজ মার্কিন ভাইস প্রেসি...
- সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর প্রস্তাব প্রত...
- ড্রোনের পর এবার ছোট পারমাণবিক চুল্লি তৈরিতে নামছে ...
- গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ে শীর্ষ দশে এক মুসলিম-প্রধান দেশ
- হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত ক...
-
▼
Oct 21
(22)
-
▼
October
(316)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment