Monday, May 7, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
ছাত্রলীগ এই সরকারের জন্য ছাত্রদলের চেয়েও ক্ষতিকর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ছাত্রলীগ চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, নিজেদের মধ্যে মারামারি করে সরকারের জন্য বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
ছাত্রলীগের সাংগঠনিক প্রধানের পদও তিনি ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু ছাত্রলীগের দৌরাত্ম্য মোটেও কমছে না।
গত ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভোররাত পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে মেতে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ৩০ জন আহত হয়েছে। আর তাদের এই হানাহানির মধ্যে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন আবু বকর নামের এক নিরীহ সাধারণ ছাত্র। পুলিশ এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ নয়জনকে আটক করেছে। ১৪ জনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কী হবে এঁদের? খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই বলে দিলেন, ‘এটা কোনো ব্যাপার না; এমন ঘটতেই পারে।’ হায়! কী মারাত্মক সংবেদনহীনতা! দেশের মানুষ নির্বাক হয়ে গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন হূদয়হীন, নির্বিকার মন্তব্যে।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এক বছর ধরে ছাত্রলীগ চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, হল দখল, সিট দখল নিয়ে সংঘাত-সংঘর্ষ চালিয়েই যাচ্ছে; সরকার কেন তাদের ঠেকাতে পারছে না? স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী অনেকবার সতর্ক করে বলেছেন, ‘সন্ত্রাস করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।’ কিন্তু ছাত্রলীগের কতজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সত্যিকারের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? কতগুলো সংর্ঘষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে আর কতজনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে?
প্রথম আলোর সম্পাদক সাহেব এই সরকারের শুরুর দিকে একবার লিখেছিলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগকে সামলান।’ খুবই দরকারি পরামর্শ ছিল এটি। কারণ ছাত্রলীগই এই সরকারের ভাবমূর্তির জন্য যতটা ক্ষতিকর একটা ব্যাধির মতো হয়ে উঠেছে, ততটা আর নেই। বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলও এই সরকারের জন্য এতটা ক্ষতিকর নয়।
কিন্তু ছাত্রলীগকে সামলানো যাচ্ছে না! সরকার যেন অসহায় হয়ে পড়েছে! এর মাশুল সরকারকেই গুনতে হবে। আর এরকম সংবেদনহীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে দেশের মানুষের সামনে আরও যে কত বিপদ অপেক্ষা করছে কে জানে। সরকারের জন্যও এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে আরও কত বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারেন, তা আমরা জানি না।
বড় আশা করে ভোট দিয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে; গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগকে। আশা করেছিলাম, তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের রেশ কাটিয়ে সুশাসনের পথে এগিয়ে যাবে, মানুষের অভাব-অনটন কমবে, বেকার ছেলেমেয়েরা চাকরি পাবে, মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে, রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারবে। কিন্তু হায়! এসব কী দেখতে হচ্ছে? সামনের চার বছর আরও কত কী দেখতে হবে!
এ সরকারকে ছাত্রলীগকে সামলাতেই হবে। আর যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের যেসব নেতা-কর্মী দেশজুড়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন, তাঁদেরও কঠোর হাতে দমন করাই এ সরকারের প্রধান কর্তব্য। এই কর্তব্য পালনে সরকার কেবল তখনই সফল হতে পারবে যখন আন্তরিকভাবে উপলব্ধি করবে যে এগুলো বন্ধ না করলে তার ভরাডুবি নিশ্চিত। কিন্তু কোনো অতীতে কোনো সরকারের মধ্যেই এমন উপলব্ধি দেখা যায়নি যে তাদের উচ্ছৃঙ্খল, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী নেতাকর্মীরা তাদের নিজেদের জন্যই ক্ষতিকর। বরং সব সরকারের আমলেই দেখা যায় জনদরদী, সত্, শান্তিপ্রিয়, ভদ্র নেতাকর্মীরা দলের মধ্যে কোনো সমাদর পান না, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজরা সমাদর পায় বেশি।
আসলে আওয়ামী লীগের মতো দলকে পেশিশক্তির ওপর নির্ভর করতে হয় না। গত নির্বাচনে দেশের মানুষ এই দলকে ভোটের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগের জন্য নয়, আওয়ামী লীগের জবরদস্ত টাকাওয়ালা নেতাদের জন্যও নয়। জনগণ আওয়ামী লীগকে এই আশায় ভোট দিয়েছিল যে তাদের নেতৃত্বে সরকার এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে; খুব তাড়াতাড়ি সমৃদ্ধি আনতে না পারেন, কিছুটা অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের চেষ্টা করবে। জনগণ এ সরকারকে ভোট দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াতের সাম্প্রদায়িকতামুখী, প্রচণ্ড দুর্নীতিপ্রবণ, সন্ত্রাসমূলক দুঃশাসনের প্রতি ধিক্কার জানাতে এবং এ সরকারের কাছে প্রকৃত গণতান্ত্রিক শাসনের প্রত্যাশা নিয়ে।
কিন্তু যেভাবে দেশ চলছে, সেভাবেই চলতে থাকলে জনগণের আশাভঙ্গ হতে বেশি সময় লাগবে না। আর তার পরিণতি হবে খুবই খারাপ। শুধু সরকারি দল ও তার নেতাকর্মীদের জন্য নয়; গোটা জাতির জন্যই। তাই বলি, অনেক হয়েছেআর নয়।
হোসেন লস্কর
মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
গণমাধ্যমের ভাষা
১ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘ভাষা বিকাশ: কঠিনেরেই ভালোবাসতে হবে’ শিরোনামের লেখাটি গভীর আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। মনে হলো, আমার ঠিক উপলব্ধিটাই ছাপা হয়েছে।
সত্যিই বাংলা ভাষা আজ অবহেলিত; নিজের দেশে, নিজের সন্তানের দ্বারাই উপেক্ষিত। কোনো বিদেশি যখন ভাঙা ভাঙা বাংলায় কথা বলে, সঠিক উচ্চারণের বাংলা বলতে পারে না, তখন আমরা একটু খুশিই হই এই ভেবে যে, যাক অন্তত সে বাংলা বলার চেষ্টা করছে। কিন্তু যখন কোনো শিক্ষিত বাঙালি বাংলা-ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলে, যখন কোনো তরুণ বিকৃত উচ্চারণে বাংলা বলে, তখন আমরা নিজেদের কীভাবে প্রবোধ দেব? কী জবাব দেব একুশের শহীদদের?
যদি বলি গণমাধ্যমের প্রভাবেই নতুন প্রজন্ম এমনভাবে বাংলা ভাষা ব্যবহার করছে, তাহলে তো এর সমাধানও খুঁজতে হয় গণমাধ্যমের কাছেই। যদি গণমাধ্যমের ব্যবস্থাপক ও নীতি-নির্ধারকেরা বাংলা ভাষা ব্যবহারের প্রতি একটু দৃষ্টি দেন, একটু মনোযোগী হন এবং প্রমিত উচ্চারণে অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন, তাহলে অবশ্যই এর প্রভাব নতুন প্রজন্মের ওপর পড়বে। ভাষা বিকৃতির বেশির ভাগ দায় যদি গণমাধ্যমের ওপরই বর্তায়, তাহলে ভাষার প্রতি যত্নশীল হয়ে গণমাধ্যম ভাষার সুস্থ বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ গণমাধ্যমের প্রভাব অপরিসীম। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাঠ্যপুস্তক, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়েও এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের প্রভাব বেশি। গণমাধ্যমে ভাষার সুষ্ঠু-সুন্দর অনুশীলনের মাধ্যমে সারা বছর হয়ে উঠবে ফেব্রুয়ারির মহিমায় ভাস্বর।
মাকলুকা জিনিয়া
চাকলাপাড়া, ঝিনাইদহ।
মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা কেন
১ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘ভাষার বিকাশ: কঠিনেরেই ভালোবাসতে হবে’ শিরোনামের লেখায় লেখক পণ্য সংস্কৃতি ও মিডিয়া সংস্কৃতির কাছে আমাদের ভাষার হেরে যাওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে ভাষার প্রতি বিরাট অনীহার কথা উল্লেখ করেছেন। আমার মনে হয় এটা অনীহা নয়, আমাদের মানসিক দৈন্য।
মনের দিক থেকে যখন কেউ দীন-দরিদ্র হয়ে পড়ে, তখন তার নিজের পরিচয়, অবস্থান সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দেয়। আমরা নিজের ভাষায় কথা বলি ইংরেজি ভাষার অনুকরণে। তার চেয়েও দুঃখজনক হলো, যাঁরা এভাবে বাংলার মধ্যে প্রচুর ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে কথা বলেন, তাঁরা শুদ্ধ করে বাংলাও বলতে পারেন না, ইংরেজি তো নয়ই।
দুঃখ লাগে, যখন দেখি বহুজাতিক কোনো কোম্পানির অর্থায়নে কোনো টিভি চ্যানেল আমার দেশের মেয়েদের দিয়ে সম্পূর্ণ পশ্চিমা ধাঁচে সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী শিশুরা যখন এ ধরনের অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেলগুলোতে দেখে, তখন তারা আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত হয়; এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে তারা আমাদের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য, ঐতিহ্য খুঁজে পায় না। আসলে আমরা কিন্তু সাংস্কৃতিক দিক থেকে পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে সমৃদ্ধ। আমাদের সাংস্কৃতিক ধাঁচেই নানা ধরনের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান করা সম্ভব, যেখানে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, রীতি-আচার সবকিছুর প্রতিফলন থাকবে।
বিশ্বায়নের এই যুগে উচ্চশিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে ইংরেজিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভাষাও আমাদের বেশ সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা আমাদের খুব ভালোভাবে শেখা উচিত। কিন্তু সে জন্য মাতৃভাষা বাংলাকে কেন অবহেলা বা অবজ্ঞা করতে হবে? প্রত্যেক জাতিরই সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা থাকে, নিজস্ব ঐতিহ্যের মধ্যেই থাকে তার মর্যাদা ও সম্মান।
এমদাদুল হক, ঢাকা।
আলো আসবে
পিংকির আকস্মিক চলে যাওয়া দৈনন্দিন জীবনের সব ঝঞ্ঝাটের মধ্যেও আমাকে ভাবিত করেছে। এই একুশ শতকের তুলনায় যথেষ্ট শিক্ষা-দীক্ষা অর্জন করেও কেন একটা মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়? আত্মহনন কোনো সমস্যার সমাধান নয়।
যখন কোনো মেয়েকে মুঠোফোনে উত্ত্যক্ত করা হয়, তখন তাকে পরামর্শ দেওয়া হয় সিম বদলে ফেলার। কিন্তু একটি মেয়ে কতবার সিম বদলাবে? এই সমস্যার একটা সমাধান হতে পারে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা কল রিসিভ না করা। এ ক্ষেত্রে স্বজনদের জানিয়ে দেওয়া যেতে পারে অপরিচিত নম্বর থেকে কল না দিতে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা দেখা যায়। এ রকম ঘটনার পর অনেক শিক্ষার্থী তাঁর প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হন। তখন হতাশায় অনেকে আত্মহননের পথ বেছে নেন। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ না হয়ে ধৈর্য ও দূরদর্শিতার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।
কোনো অঘটন ঘটলে তার জন্য প্রথমেই মেয়েটিকে দায়ী করা হয়। মা-বাবা যদি একটু ব্যতিক্রমী হন, তবে তো কোনো ক্ষতি নেই। আমিও মেয়ে। জীবন চলার পথে অনেক ঘটনা আমাকে ভীত করেছে, কাঁদিয়েছে। কিন্তু আমাকে ভাঙতে দেননি আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ, বন্ধুরূপী মা-বাবা। প্রতিটি মানুষের জীবনেই মা-বাবার অবদান অনস্বীকার্য। আর কেউ হোক না হোক, অন্তত এ দুটো মানুষের জন্য ‘আত্মহনন’ শব্দটিকে অভিধান থেকে মুছে ফেলতে হবে। আত্মহননকারী মেয়েরা কেন ভুলে যায় যে নারী জীবনদানের প্রতীক, জীবননাশের নয়। তাকে বাঁচতে হবে, কারণ সে-ই বাঁচাবে আরও অনেক প্রাণ। একজন নারী পরিবারের সবার জন্য বেঁচে থাকেন, তাই পরিবারের সবাইকেও তাঁর হয়ে বেঁচে থাকার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
আমাদের জীবনের লক্ষ্য খুঁজে বের করতে হবে এবং সেই লক্ষ্য পর্যন্ত যাওয়ার জন্য অন্তত চেষ্টা করতে হবে। লক্ষ্য অর্জনের পথে সমস্যা আসবেই, সমাধানও মিলবে এবং আলো আসবেই আসবে।
আদিবা ফান্নানা, টাঙ্গাইল।
শিশুদের প্রাইভেট কোচিং
আমরা শিশুদের ওপর লেখাপড়ার বোঝা যেভাবে চাপিয়ে দিচ্ছি, যেভাবে তাদের লালন-পালন করছি, তা তাদের পরিপূর্ণ মানুষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে কতটুকু সহায়ক হবে তা কি ভেবে দেখেছি? কিছু অভিবাবক ও শিক্ষক স্কুল ও প্রাইভেট-কোচিংয়ের বাইরে শিশুদের আর কিছু করার সুযোগই দেন না (কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্কুল গৌণ হয়ে যায়)।
এমনকি শুক্র-শনিবারেও শিশুদের প্রাইভেট-কোচিংয়ে ব্যস্ত রাখা হয়। এমনকি বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মতো জাতীয় উত্সবগুলোর ছুটিতেও শিশুদের কোচিং থেকে মুক্তি মেলে না। সপ্তাহের সাতটি দিনই সিলেবাসের পড়ালেখায় প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রাখা কোমলমতি শিশুদের মানস গঠনে কতটুকু সহায়ক ভাবা দরকার।
কবি সুনির্মল বসু বলেছেন, ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র।’ কিন্তু অবিরাম রুদ্ধদ্বার এই প্রাইভেট কোচিংয়ের ছাত্রছাত্রীদের সেই সুযোগ কোথায়? জীবন-জগত্-প্রকৃতি থেকে শিক্ষা না নিলে কি শিক্ষা পূর্ণতা পায়? ক্লাসের পুঁথিগত পড়াশোনা ছাড়াও খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, ভ্রমণ, মা-বাবা-আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের সাহচর্য যে একটি শিশুর বিকাশে কত গুরুত্বপূর্ণ, তা হয়তো আমরা ভুলতে বসেছি।
দুর্নীতিসহ অনেক সমস্যার মূলে রয়েছে আমাদের দেশপ্রেমের অভাব। কিন্তু এই দেশপ্রেম মানুষের মধ্যে জাগানোর জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ দরকার। শৈশব থেকেই ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬শে মার্চ আর মহান ২১শের ভোরবেলায় কান পেতে থাকতাম কখন বেজে ওঠবে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’সহ সেই অমর দেশাত্মবোধক গানগুলো।
কখন ফুল নিয়ে ছুটে যাব শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ কিংবা অনুষ্ঠানস্থলে। কী যে এক শিহরণ, কী যে এক পবিত্র অনুভূতি জাগে দেশের প্রতি! একটি শিশু জীবনে যদি একটি দেশের গান না গাইল, মুক্তিযুদ্ধের একটি কবিতা আবৃত্তি না করল, স্বাধীনতার একটি নাটক না দেখল বা জাতীয় দিবসগুলোতে মানুষের মিলনমেলায় গিয়ে আমাদের ভাষা আন্দোলন-স্বাধীনতা-বিজয় দিবসের তাত্পর্য না বুঝল; তাহলে কী করে সে বুঝবে দেশকে আর কীভাবেই বা ভালোবাসবে?
সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টাই শিশুদের শুধু প্রাইভেট-কোচিংয়ের মধ্যে রেখে তারা কত সুন্দর মানুষ হচ্ছে তা বোঝা যায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে তাকালে। সতীর্থরা নির্মমভাবে পরস্পরকে খুনের নেশায় মেতে ওঠে। তারা এ দেশেরই সন্তান, তারা পরস্পর ভাই-বন্ধু-সতীর্থ—এই সবকিছুকে ভুলে যখন সহিংসতায় মেতে ওঠে, তখন নিশ্চয় বুঝতে বাকি থাকে না যে কতটা প্রেম, কতটা সৌন্দর্য আর কতটা মনুষ্যত্বের বিকাশ হয়েছে তাদের মধ্যে। তাদের সহিংসতায় আজ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, গৌরবান্বিত ছাত্ররাজনীতি ভুলুণ্ঠিত। কিন্তু আমার মনে হয়, তাদের এসব কর্মকাণ্ডের জন্য আমরা অর্থাত্ তাদের শিক্ষকেরাও দায়ী। আমরাই তাদের প্রচণ্ড প্রতিযোগিতার মধ্যে শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় গড়ে তুলছি অতি-ব্যক্তিকেন্দ্রিক যান্ত্রিক মানুষ হিসেবে।
শিশুদের দিনের একটা সময় এবং সপ্তাহের এক দিন অবকাশ যাপনের সুযোগ দিতে হবে। এই অবকাশে তারা ছুটে যাক খেলার মাঠে, সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্রে। ঘুরে বেড়াক বন্ধু-আত্মীয়-প্রতিবেশীর বাড়িতে। নদীতে সাঁতার কাটুক, ঘুড়ি, ফড়িং আর পাখির পেছনে ছুটে বেড়াক।
তাহলেই হয়তো আমরা আজকের শিশুকে আগামীতে পাব কাঙ্ক্ষিত সুন্দর সুনাগরিক হিসেবে। কারণ আজ আমাদের শুধু ভালো ছাত্র নয়, বেশি প্রয়োজন ভালো মানুষের।
প্রশান্ত কুমার বসাক
রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও।
সোনাহাট স্থলবন্দরের সম্ভাবনা
দেশের অনগ্রসর জেলাগুলোর একটি কুড়িগ্রাম। এই জেলার অধিকাংশ মানুষ মূলত মৌসুমি শ্রমিক। মঙ্গাপীড়িত এই জেলার দিকে সরকার একটু সজাগ দৃষ্টি দিলে এখানকার মানুষের কিছু উন্নতি হতে পারে।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য স্থলবন্দর নেই। আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, মনিপুর ও নাগাল্যান্ড রাজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা আছে। সোনাহাট ও ভারতের আসাম রাজ্যের মধ্যে স্থলবন্দর হলে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য-সুবিধা বাড়ত, সেই সঙ্গে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতো। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাপক। এই ঘাটতি কমানোর উপায় হলো বেশি বেশি পণ্য ভারতে রপ্তানি করা। ভারতীয় সাতটি রাজ্যে বাংলাদেশের বেকারিসামগ্রী, আসবাবপত্র, ইলিশ মাছ, সিমেন্ট, সিরামিক, তাঁতের কাপড়, জামদানি শাড়ি, জুস, জ্যাম, জেলি, কৃষিপণ্য ইত্যাদির বেশ চাহিদা রয়েছে। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা সুবিধাজনক নয়। ত্রিপুরা থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে কলকাতায় যেতে বাস বা ট্রেনে প্রায় তিন দিন লাগে; কিন্তু বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে যেতে সময় লাগে মাত্র ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। তাই বাংলাদেশ থেকে কম মূল্যে কৃষিজাত পণ্যের জোগান দেওয়া সম্ভব এবং এতে তারা আগ্রহী। এটা তাদের জন্য সাশ্রয়ী বটে।
সোনাহাট স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য সরকারকে নতুন করে তেমন অর্থ ব্যয় করতে হবে না। শুধু ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রাস্তাটি মেরামত করলেই যথেষ্ট। এখানকার ভূমি প্রাকৃতিকভাবে উঁচু ও সমতল। আবহাওয়া, জলবায়ু, ভূ-প্রকৃতি, দুই পাড়ের মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, জীবনধারা একই রকম। কম মূল্যে শ্রমিক সরবরাহ ও সামাজিক সম্প্রীতি আছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার উদ্যোগ নিলেও স্থলবন্দর নির্মাণ কার্যকর হয়নি। এবার ক্ষমতায় আসার পর এই সরকার আবার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত সোনাহাট স্থলবন্দর নির্মিত হলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বাড়বে, দুই হাজার শ্রমিকের জন্য স্থায়ী কাজের সংস্থান হবে। বন্দরকেন্দ্রিক বিনিয়োগ ও শিল্পসহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি ঘটবে। এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি হবে। কুড়িগ্রাম জেলা তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের দাবি, সোনাহাট স্থলবন্দর অচিরেই চালু করা হোক।
মো. জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম।
সংবিধানের সংশোধন ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি
জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই প্রণীত হয়েছে সংবিধান। তবে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য উদ্ভূত অবস্থার প্রেক্ষাপটে এর সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিবর্ধন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। কিন্তু বারবার সংবিধান কাটাছেঁড়া উচিত নয়, কোনো সভ্য গণতান্ত্রিক দেশে তা করা হয় না। সংবিধান সংশোধনের কাজটি করতে হয় অনেক চিন্তা-ভাবনা করে, দূরদৃষ্টির সঙ্গে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে ১৯৭২ সালে প্রথম সংবিধান রচিত হয়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক সরকারের প্রজ্ঞাপন ও আদেশবলে পঞ্চম সংশোধনী আনা হয়, যা বর্তমানে হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে আদালত পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কার্যক্রম ‘পাস্ট অ্যান্ড ক্লোজড’বলে মার্জনা করেন। এর কারণ হিসেবে দেশে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা এড়ানোর কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এ রায়ের ওপর ভিত্তি করেই ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করা হচ্ছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র—মূলত সংবিধানের এই মৌলিক বিষয়গুলো নিয়েই সরকার সংবিধান সংশোধনে হাত দিতে চায়। আবার সংবিধানে ‘বিসিমল্লাহির রহ্মানির রাহিম’ ও ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ রাখার পক্ষেও কথা বলছে তারা। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পাওয়ায় সরকার নিজেদের ধ্যান-ধারণা মোতাবেক সংবিধান সংশোধনে তেমন বাধার সম্মুখীন হবে না, তা সহজেই অনুমেয়। তবে যেসব উদ্দেশ্য সামনে রেখে তারা ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যেতে চাইছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেটা কতটা যৌক্তিক তা অনুধাবন করা প্রয়োজন।
১৯৭২ সালে প্রবর্তিত মূল সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে বিবৃত হয়েছিল যে ভাষাগত ও কৃষ্টিতে একক সত্তাবিশিষ্ট বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। ১৯৭৯ সালে প্রবর্তিত পঞ্চম সংশোধনী অনুসারে অনুচ্ছেদটি পরিবর্তন করে সেই স্থানে দেশপ্রেমকে জাতীয় উন্নতির সব কর্মকাণ্ডের মূল অনুপ্রেরণার উত্স হিসেবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ যুক্ত করা হয়। এর পক্ষে-বিপক্ষে আমাদের রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা হয়তো অনেক যুক্তি দেখাবেন। বাস্তবতা হলো, স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর এই বিতর্ক জাতিকে যেমন বিভক্ত করবে, তেমনি বিশ্বের কাছেও হাস্যস্পদ করবে। জাতীয়তাবাদের বর্তমান সাইনবোর্ড স্বস্থানে রেখে বরং দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও দুর্নীতির যে কলঙ্ক এখনো জাতির ললাটে লেখা আছে, তা মুছে দেওয়াই হবে সঠিক কাজ।
তদানীন্তন বিশ্বব্যবস্থায় আবেদন সৃষ্টিকারী আদর্শ সমাজতন্ত্র বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম দিকনির্দেশক হিসেবে ’৭২-এর সংবিধানের মূলনীতিতে স্থান পেলেও কার্যত তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সমাজতন্ত্রের ধারা পুনঃপ্রবর্তন কতটুকু গ্রহণযোগ্য তা ভেবে দেখার বিষয়। ’৭২-এর সংবিধানের চারটি মূলনীতির একটি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করার পরিকল্পনা নিয়েই হয়তো বর্তমান সরকার ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে। জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তথা সব ধরনের সন্ত্রাস নির্মূলে আইনের আশ্রয়ে কোনো বাধা নেই। ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার সংবিধান সংশোধন করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। সেই রাজনৈতিক শক্তি তখন অনিয়মতান্ত্রিক সন্ত্রাসবাদী তত্পরতায় লিপ্ত হতে পারে। সংবিধান সংশোধনে এমন কোনো বিষয় আনা ঠিক হবে না, যা দেশের সার্বিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে, মানুষের নিরাপত্তা কমে যায়।
শাহীন আরা
কমলাপুর, ঢাকা।
গত ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভোররাত পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে মেতে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ৩০ জন আহত হয়েছে। আর তাদের এই হানাহানির মধ্যে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন আবু বকর নামের এক নিরীহ সাধারণ ছাত্র। পুলিশ এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ নয়জনকে আটক করেছে। ১৪ জনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কী হবে এঁদের? খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই বলে দিলেন, ‘এটা কোনো ব্যাপার না; এমন ঘটতেই পারে।’ হায়! কী মারাত্মক সংবেদনহীনতা! দেশের মানুষ নির্বাক হয়ে গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন হূদয়হীন, নির্বিকার মন্তব্যে।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এক বছর ধরে ছাত্রলীগ চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, হল দখল, সিট দখল নিয়ে সংঘাত-সংঘর্ষ চালিয়েই যাচ্ছে; সরকার কেন তাদের ঠেকাতে পারছে না? স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী অনেকবার সতর্ক করে বলেছেন, ‘সন্ত্রাস করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।’ কিন্তু ছাত্রলীগের কতজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সত্যিকারের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? কতগুলো সংর্ঘষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে আর কতজনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে?
প্রথম আলোর সম্পাদক সাহেব এই সরকারের শুরুর দিকে একবার লিখেছিলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগকে সামলান।’ খুবই দরকারি পরামর্শ ছিল এটি। কারণ ছাত্রলীগই এই সরকারের ভাবমূর্তির জন্য যতটা ক্ষতিকর একটা ব্যাধির মতো হয়ে উঠেছে, ততটা আর নেই। বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলও এই সরকারের জন্য এতটা ক্ষতিকর নয়।
কিন্তু ছাত্রলীগকে সামলানো যাচ্ছে না! সরকার যেন অসহায় হয়ে পড়েছে! এর মাশুল সরকারকেই গুনতে হবে। আর এরকম সংবেদনহীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে দেশের মানুষের সামনে আরও যে কত বিপদ অপেক্ষা করছে কে জানে। সরকারের জন্যও এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে আরও কত বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারেন, তা আমরা জানি না।
বড় আশা করে ভোট দিয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে; গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগকে। আশা করেছিলাম, তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের রেশ কাটিয়ে সুশাসনের পথে এগিয়ে যাবে, মানুষের অভাব-অনটন কমবে, বেকার ছেলেমেয়েরা চাকরি পাবে, মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে, রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারবে। কিন্তু হায়! এসব কী দেখতে হচ্ছে? সামনের চার বছর আরও কত কী দেখতে হবে!
এ সরকারকে ছাত্রলীগকে সামলাতেই হবে। আর যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের যেসব নেতা-কর্মী দেশজুড়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন, তাঁদেরও কঠোর হাতে দমন করাই এ সরকারের প্রধান কর্তব্য। এই কর্তব্য পালনে সরকার কেবল তখনই সফল হতে পারবে যখন আন্তরিকভাবে উপলব্ধি করবে যে এগুলো বন্ধ না করলে তার ভরাডুবি নিশ্চিত। কিন্তু কোনো অতীতে কোনো সরকারের মধ্যেই এমন উপলব্ধি দেখা যায়নি যে তাদের উচ্ছৃঙ্খল, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী নেতাকর্মীরা তাদের নিজেদের জন্যই ক্ষতিকর। বরং সব সরকারের আমলেই দেখা যায় জনদরদী, সত্, শান্তিপ্রিয়, ভদ্র নেতাকর্মীরা দলের মধ্যে কোনো সমাদর পান না, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজরা সমাদর পায় বেশি।
আসলে আওয়ামী লীগের মতো দলকে পেশিশক্তির ওপর নির্ভর করতে হয় না। গত নির্বাচনে দেশের মানুষ এই দলকে ভোটের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগের জন্য নয়, আওয়ামী লীগের জবরদস্ত টাকাওয়ালা নেতাদের জন্যও নয়। জনগণ আওয়ামী লীগকে এই আশায় ভোট দিয়েছিল যে তাদের নেতৃত্বে সরকার এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে; খুব তাড়াতাড়ি সমৃদ্ধি আনতে না পারেন, কিছুটা অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের চেষ্টা করবে। জনগণ এ সরকারকে ভোট দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াতের সাম্প্রদায়িকতামুখী, প্রচণ্ড দুর্নীতিপ্রবণ, সন্ত্রাসমূলক দুঃশাসনের প্রতি ধিক্কার জানাতে এবং এ সরকারের কাছে প্রকৃত গণতান্ত্রিক শাসনের প্রত্যাশা নিয়ে।
কিন্তু যেভাবে দেশ চলছে, সেভাবেই চলতে থাকলে জনগণের আশাভঙ্গ হতে বেশি সময় লাগবে না। আর তার পরিণতি হবে খুবই খারাপ। শুধু সরকারি দল ও তার নেতাকর্মীদের জন্য নয়; গোটা জাতির জন্যই। তাই বলি, অনেক হয়েছেআর নয়।
হোসেন লস্কর
মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
গণমাধ্যমের ভাষা
১ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘ভাষা বিকাশ: কঠিনেরেই ভালোবাসতে হবে’ শিরোনামের লেখাটি গভীর আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। মনে হলো, আমার ঠিক উপলব্ধিটাই ছাপা হয়েছে।
সত্যিই বাংলা ভাষা আজ অবহেলিত; নিজের দেশে, নিজের সন্তানের দ্বারাই উপেক্ষিত। কোনো বিদেশি যখন ভাঙা ভাঙা বাংলায় কথা বলে, সঠিক উচ্চারণের বাংলা বলতে পারে না, তখন আমরা একটু খুশিই হই এই ভেবে যে, যাক অন্তত সে বাংলা বলার চেষ্টা করছে। কিন্তু যখন কোনো শিক্ষিত বাঙালি বাংলা-ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলে, যখন কোনো তরুণ বিকৃত উচ্চারণে বাংলা বলে, তখন আমরা নিজেদের কীভাবে প্রবোধ দেব? কী জবাব দেব একুশের শহীদদের?
যদি বলি গণমাধ্যমের প্রভাবেই নতুন প্রজন্ম এমনভাবে বাংলা ভাষা ব্যবহার করছে, তাহলে তো এর সমাধানও খুঁজতে হয় গণমাধ্যমের কাছেই। যদি গণমাধ্যমের ব্যবস্থাপক ও নীতি-নির্ধারকেরা বাংলা ভাষা ব্যবহারের প্রতি একটু দৃষ্টি দেন, একটু মনোযোগী হন এবং প্রমিত উচ্চারণে অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন, তাহলে অবশ্যই এর প্রভাব নতুন প্রজন্মের ওপর পড়বে। ভাষা বিকৃতির বেশির ভাগ দায় যদি গণমাধ্যমের ওপরই বর্তায়, তাহলে ভাষার প্রতি যত্নশীল হয়ে গণমাধ্যম ভাষার সুস্থ বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ গণমাধ্যমের প্রভাব অপরিসীম। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাঠ্যপুস্তক, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়েও এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের প্রভাব বেশি। গণমাধ্যমে ভাষার সুষ্ঠু-সুন্দর অনুশীলনের মাধ্যমে সারা বছর হয়ে উঠবে ফেব্রুয়ারির মহিমায় ভাস্বর।
মাকলুকা জিনিয়া
চাকলাপাড়া, ঝিনাইদহ।
মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা কেন
১ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘ভাষার বিকাশ: কঠিনেরেই ভালোবাসতে হবে’ শিরোনামের লেখায় লেখক পণ্য সংস্কৃতি ও মিডিয়া সংস্কৃতির কাছে আমাদের ভাষার হেরে যাওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে ভাষার প্রতি বিরাট অনীহার কথা উল্লেখ করেছেন। আমার মনে হয় এটা অনীহা নয়, আমাদের মানসিক দৈন্য।
মনের দিক থেকে যখন কেউ দীন-দরিদ্র হয়ে পড়ে, তখন তার নিজের পরিচয়, অবস্থান সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দেয়। আমরা নিজের ভাষায় কথা বলি ইংরেজি ভাষার অনুকরণে। তার চেয়েও দুঃখজনক হলো, যাঁরা এভাবে বাংলার মধ্যে প্রচুর ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে কথা বলেন, তাঁরা শুদ্ধ করে বাংলাও বলতে পারেন না, ইংরেজি তো নয়ই।
দুঃখ লাগে, যখন দেখি বহুজাতিক কোনো কোম্পানির অর্থায়নে কোনো টিভি চ্যানেল আমার দেশের মেয়েদের দিয়ে সম্পূর্ণ পশ্চিমা ধাঁচে সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী শিশুরা যখন এ ধরনের অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেলগুলোতে দেখে, তখন তারা আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত হয়; এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে তারা আমাদের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য, ঐতিহ্য খুঁজে পায় না। আসলে আমরা কিন্তু সাংস্কৃতিক দিক থেকে পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে সমৃদ্ধ। আমাদের সাংস্কৃতিক ধাঁচেই নানা ধরনের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান করা সম্ভব, যেখানে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, রীতি-আচার সবকিছুর প্রতিফলন থাকবে।
বিশ্বায়নের এই যুগে উচ্চশিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে ইংরেজিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভাষাও আমাদের বেশ সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা আমাদের খুব ভালোভাবে শেখা উচিত। কিন্তু সে জন্য মাতৃভাষা বাংলাকে কেন অবহেলা বা অবজ্ঞা করতে হবে? প্রত্যেক জাতিরই সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা থাকে, নিজস্ব ঐতিহ্যের মধ্যেই থাকে তার মর্যাদা ও সম্মান।
এমদাদুল হক, ঢাকা।
আলো আসবে
পিংকির আকস্মিক চলে যাওয়া দৈনন্দিন জীবনের সব ঝঞ্ঝাটের মধ্যেও আমাকে ভাবিত করেছে। এই একুশ শতকের তুলনায় যথেষ্ট শিক্ষা-দীক্ষা অর্জন করেও কেন একটা মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়? আত্মহনন কোনো সমস্যার সমাধান নয়।
যখন কোনো মেয়েকে মুঠোফোনে উত্ত্যক্ত করা হয়, তখন তাকে পরামর্শ দেওয়া হয় সিম বদলে ফেলার। কিন্তু একটি মেয়ে কতবার সিম বদলাবে? এই সমস্যার একটা সমাধান হতে পারে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা কল রিসিভ না করা। এ ক্ষেত্রে স্বজনদের জানিয়ে দেওয়া যেতে পারে অপরিচিত নম্বর থেকে কল না দিতে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা দেখা যায়। এ রকম ঘটনার পর অনেক শিক্ষার্থী তাঁর প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হন। তখন হতাশায় অনেকে আত্মহননের পথ বেছে নেন। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ না হয়ে ধৈর্য ও দূরদর্শিতার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।
কোনো অঘটন ঘটলে তার জন্য প্রথমেই মেয়েটিকে দায়ী করা হয়। মা-বাবা যদি একটু ব্যতিক্রমী হন, তবে তো কোনো ক্ষতি নেই। আমিও মেয়ে। জীবন চলার পথে অনেক ঘটনা আমাকে ভীত করেছে, কাঁদিয়েছে। কিন্তু আমাকে ভাঙতে দেননি আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ, বন্ধুরূপী মা-বাবা। প্রতিটি মানুষের জীবনেই মা-বাবার অবদান অনস্বীকার্য। আর কেউ হোক না হোক, অন্তত এ দুটো মানুষের জন্য ‘আত্মহনন’ শব্দটিকে অভিধান থেকে মুছে ফেলতে হবে। আত্মহননকারী মেয়েরা কেন ভুলে যায় যে নারী জীবনদানের প্রতীক, জীবননাশের নয়। তাকে বাঁচতে হবে, কারণ সে-ই বাঁচাবে আরও অনেক প্রাণ। একজন নারী পরিবারের সবার জন্য বেঁচে থাকেন, তাই পরিবারের সবাইকেও তাঁর হয়ে বেঁচে থাকার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
আমাদের জীবনের লক্ষ্য খুঁজে বের করতে হবে এবং সেই লক্ষ্য পর্যন্ত যাওয়ার জন্য অন্তত চেষ্টা করতে হবে। লক্ষ্য অর্জনের পথে সমস্যা আসবেই, সমাধানও মিলবে এবং আলো আসবেই আসবে।
আদিবা ফান্নানা, টাঙ্গাইল।
শিশুদের প্রাইভেট কোচিং
আমরা শিশুদের ওপর লেখাপড়ার বোঝা যেভাবে চাপিয়ে দিচ্ছি, যেভাবে তাদের লালন-পালন করছি, তা তাদের পরিপূর্ণ মানুষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে কতটুকু সহায়ক হবে তা কি ভেবে দেখেছি? কিছু অভিবাবক ও শিক্ষক স্কুল ও প্রাইভেট-কোচিংয়ের বাইরে শিশুদের আর কিছু করার সুযোগই দেন না (কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্কুল গৌণ হয়ে যায়)।
এমনকি শুক্র-শনিবারেও শিশুদের প্রাইভেট-কোচিংয়ে ব্যস্ত রাখা হয়। এমনকি বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মতো জাতীয় উত্সবগুলোর ছুটিতেও শিশুদের কোচিং থেকে মুক্তি মেলে না। সপ্তাহের সাতটি দিনই সিলেবাসের পড়ালেখায় প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রাখা কোমলমতি শিশুদের মানস গঠনে কতটুকু সহায়ক ভাবা দরকার।
কবি সুনির্মল বসু বলেছেন, ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র।’ কিন্তু অবিরাম রুদ্ধদ্বার এই প্রাইভেট কোচিংয়ের ছাত্রছাত্রীদের সেই সুযোগ কোথায়? জীবন-জগত্-প্রকৃতি থেকে শিক্ষা না নিলে কি শিক্ষা পূর্ণতা পায়? ক্লাসের পুঁথিগত পড়াশোনা ছাড়াও খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, ভ্রমণ, মা-বাবা-আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের সাহচর্য যে একটি শিশুর বিকাশে কত গুরুত্বপূর্ণ, তা হয়তো আমরা ভুলতে বসেছি।
দুর্নীতিসহ অনেক সমস্যার মূলে রয়েছে আমাদের দেশপ্রেমের অভাব। কিন্তু এই দেশপ্রেম মানুষের মধ্যে জাগানোর জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ দরকার। শৈশব থেকেই ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬শে মার্চ আর মহান ২১শের ভোরবেলায় কান পেতে থাকতাম কখন বেজে ওঠবে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’সহ সেই অমর দেশাত্মবোধক গানগুলো।
কখন ফুল নিয়ে ছুটে যাব শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ কিংবা অনুষ্ঠানস্থলে। কী যে এক শিহরণ, কী যে এক পবিত্র অনুভূতি জাগে দেশের প্রতি! একটি শিশু জীবনে যদি একটি দেশের গান না গাইল, মুক্তিযুদ্ধের একটি কবিতা আবৃত্তি না করল, স্বাধীনতার একটি নাটক না দেখল বা জাতীয় দিবসগুলোতে মানুষের মিলনমেলায় গিয়ে আমাদের ভাষা আন্দোলন-স্বাধীনতা-বিজয় দিবসের তাত্পর্য না বুঝল; তাহলে কী করে সে বুঝবে দেশকে আর কীভাবেই বা ভালোবাসবে?
সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টাই শিশুদের শুধু প্রাইভেট-কোচিংয়ের মধ্যে রেখে তারা কত সুন্দর মানুষ হচ্ছে তা বোঝা যায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে তাকালে। সতীর্থরা নির্মমভাবে পরস্পরকে খুনের নেশায় মেতে ওঠে। তারা এ দেশেরই সন্তান, তারা পরস্পর ভাই-বন্ধু-সতীর্থ—এই সবকিছুকে ভুলে যখন সহিংসতায় মেতে ওঠে, তখন নিশ্চয় বুঝতে বাকি থাকে না যে কতটা প্রেম, কতটা সৌন্দর্য আর কতটা মনুষ্যত্বের বিকাশ হয়েছে তাদের মধ্যে। তাদের সহিংসতায় আজ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, গৌরবান্বিত ছাত্ররাজনীতি ভুলুণ্ঠিত। কিন্তু আমার মনে হয়, তাদের এসব কর্মকাণ্ডের জন্য আমরা অর্থাত্ তাদের শিক্ষকেরাও দায়ী। আমরাই তাদের প্রচণ্ড প্রতিযোগিতার মধ্যে শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় গড়ে তুলছি অতি-ব্যক্তিকেন্দ্রিক যান্ত্রিক মানুষ হিসেবে।
শিশুদের দিনের একটা সময় এবং সপ্তাহের এক দিন অবকাশ যাপনের সুযোগ দিতে হবে। এই অবকাশে তারা ছুটে যাক খেলার মাঠে, সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্রে। ঘুরে বেড়াক বন্ধু-আত্মীয়-প্রতিবেশীর বাড়িতে। নদীতে সাঁতার কাটুক, ঘুড়ি, ফড়িং আর পাখির পেছনে ছুটে বেড়াক।
তাহলেই হয়তো আমরা আজকের শিশুকে আগামীতে পাব কাঙ্ক্ষিত সুন্দর সুনাগরিক হিসেবে। কারণ আজ আমাদের শুধু ভালো ছাত্র নয়, বেশি প্রয়োজন ভালো মানুষের।
প্রশান্ত কুমার বসাক
রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও।
সোনাহাট স্থলবন্দরের সম্ভাবনা
দেশের অনগ্রসর জেলাগুলোর একটি কুড়িগ্রাম। এই জেলার অধিকাংশ মানুষ মূলত মৌসুমি শ্রমিক। মঙ্গাপীড়িত এই জেলার দিকে সরকার একটু সজাগ দৃষ্টি দিলে এখানকার মানুষের কিছু উন্নতি হতে পারে।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য স্থলবন্দর নেই। আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, মনিপুর ও নাগাল্যান্ড রাজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা আছে। সোনাহাট ও ভারতের আসাম রাজ্যের মধ্যে স্থলবন্দর হলে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য-সুবিধা বাড়ত, সেই সঙ্গে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতো। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাপক। এই ঘাটতি কমানোর উপায় হলো বেশি বেশি পণ্য ভারতে রপ্তানি করা। ভারতীয় সাতটি রাজ্যে বাংলাদেশের বেকারিসামগ্রী, আসবাবপত্র, ইলিশ মাছ, সিমেন্ট, সিরামিক, তাঁতের কাপড়, জামদানি শাড়ি, জুস, জ্যাম, জেলি, কৃষিপণ্য ইত্যাদির বেশ চাহিদা রয়েছে। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা সুবিধাজনক নয়। ত্রিপুরা থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে কলকাতায় যেতে বাস বা ট্রেনে প্রায় তিন দিন লাগে; কিন্তু বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে যেতে সময় লাগে মাত্র ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। তাই বাংলাদেশ থেকে কম মূল্যে কৃষিজাত পণ্যের জোগান দেওয়া সম্ভব এবং এতে তারা আগ্রহী। এটা তাদের জন্য সাশ্রয়ী বটে।
সোনাহাট স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য সরকারকে নতুন করে তেমন অর্থ ব্যয় করতে হবে না। শুধু ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রাস্তাটি মেরামত করলেই যথেষ্ট। এখানকার ভূমি প্রাকৃতিকভাবে উঁচু ও সমতল। আবহাওয়া, জলবায়ু, ভূ-প্রকৃতি, দুই পাড়ের মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, জীবনধারা একই রকম। কম মূল্যে শ্রমিক সরবরাহ ও সামাজিক সম্প্রীতি আছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার উদ্যোগ নিলেও স্থলবন্দর নির্মাণ কার্যকর হয়নি। এবার ক্ষমতায় আসার পর এই সরকার আবার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত সোনাহাট স্থলবন্দর নির্মিত হলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বাড়বে, দুই হাজার শ্রমিকের জন্য স্থায়ী কাজের সংস্থান হবে। বন্দরকেন্দ্রিক বিনিয়োগ ও শিল্পসহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি ঘটবে। এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি হবে। কুড়িগ্রাম জেলা তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের দাবি, সোনাহাট স্থলবন্দর অচিরেই চালু করা হোক।
মো. জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম।
সংবিধানের সংশোধন ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি
জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই প্রণীত হয়েছে সংবিধান। তবে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য উদ্ভূত অবস্থার প্রেক্ষাপটে এর সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিবর্ধন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। কিন্তু বারবার সংবিধান কাটাছেঁড়া উচিত নয়, কোনো সভ্য গণতান্ত্রিক দেশে তা করা হয় না। সংবিধান সংশোধনের কাজটি করতে হয় অনেক চিন্তা-ভাবনা করে, দূরদৃষ্টির সঙ্গে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে ১৯৭২ সালে প্রথম সংবিধান রচিত হয়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক সরকারের প্রজ্ঞাপন ও আদেশবলে পঞ্চম সংশোধনী আনা হয়, যা বর্তমানে হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে আদালত পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কার্যক্রম ‘পাস্ট অ্যান্ড ক্লোজড’বলে মার্জনা করেন। এর কারণ হিসেবে দেশে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা এড়ানোর কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এ রায়ের ওপর ভিত্তি করেই ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করা হচ্ছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র—মূলত সংবিধানের এই মৌলিক বিষয়গুলো নিয়েই সরকার সংবিধান সংশোধনে হাত দিতে চায়। আবার সংবিধানে ‘বিসিমল্লাহির রহ্মানির রাহিম’ ও ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ রাখার পক্ষেও কথা বলছে তারা। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পাওয়ায় সরকার নিজেদের ধ্যান-ধারণা মোতাবেক সংবিধান সংশোধনে তেমন বাধার সম্মুখীন হবে না, তা সহজেই অনুমেয়। তবে যেসব উদ্দেশ্য সামনে রেখে তারা ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যেতে চাইছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেটা কতটা যৌক্তিক তা অনুধাবন করা প্রয়োজন।
১৯৭২ সালে প্রবর্তিত মূল সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে বিবৃত হয়েছিল যে ভাষাগত ও কৃষ্টিতে একক সত্তাবিশিষ্ট বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। ১৯৭৯ সালে প্রবর্তিত পঞ্চম সংশোধনী অনুসারে অনুচ্ছেদটি পরিবর্তন করে সেই স্থানে দেশপ্রেমকে জাতীয় উন্নতির সব কর্মকাণ্ডের মূল অনুপ্রেরণার উত্স হিসেবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ যুক্ত করা হয়। এর পক্ষে-বিপক্ষে আমাদের রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা হয়তো অনেক যুক্তি দেখাবেন। বাস্তবতা হলো, স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর এই বিতর্ক জাতিকে যেমন বিভক্ত করবে, তেমনি বিশ্বের কাছেও হাস্যস্পদ করবে। জাতীয়তাবাদের বর্তমান সাইনবোর্ড স্বস্থানে রেখে বরং দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও দুর্নীতির যে কলঙ্ক এখনো জাতির ললাটে লেখা আছে, তা মুছে দেওয়াই হবে সঠিক কাজ।
তদানীন্তন বিশ্বব্যবস্থায় আবেদন সৃষ্টিকারী আদর্শ সমাজতন্ত্র বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম দিকনির্দেশক হিসেবে ’৭২-এর সংবিধানের মূলনীতিতে স্থান পেলেও কার্যত তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সমাজতন্ত্রের ধারা পুনঃপ্রবর্তন কতটুকু গ্রহণযোগ্য তা ভেবে দেখার বিষয়। ’৭২-এর সংবিধানের চারটি মূলনীতির একটি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করার পরিকল্পনা নিয়েই হয়তো বর্তমান সরকার ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে। জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তথা সব ধরনের সন্ত্রাস নির্মূলে আইনের আশ্রয়ে কোনো বাধা নেই। ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার সংবিধান সংশোধন করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। সেই রাজনৈতিক শক্তি তখন অনিয়মতান্ত্রিক সন্ত্রাসবাদী তত্পরতায় লিপ্ত হতে পারে। সংবিধান সংশোধনে এমন কোনো বিষয় আনা ঠিক হবে না, যা দেশের সার্বিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে, মানুষের নিরাপত্তা কমে যায়।
শাহীন আরা
কমলাপুর, ঢাকা।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 07
(108)
- স্মরণ-সৈয়দ মুজতবা আলী—চৈতন্যের আলোয় by আসমা আব্বাসী
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা ভাষায় ইংরেজির প্রভাব ও আ...
- বন্য প্রাণী সংরক্ষণ-বন্য প্রাণীর প্রতি বন্যতায় মনে...
- সম্পত্তির হিসাব-একটা পদের আশায়! by শাহদীন মালিক
- সময়ের প্রতিবিম্ব-বিরোধী দলের সংসদে প্রত্যাবর্তনের ...
- অতি দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ দিতে হবে-চিকিৎসকের ছুটি ...
- রগ কাটার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে-রক্তাক্ত রাজশাহী বি...
- রগ কাটার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে-রক্তাক্ত রাজশাহী বি...
- সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে ইইউ’র অবাঞ্ছিত বক্তব্যঃ এই ঔদ্...
- সীমান্তে ফের বিএসএফের গুলিঃ সম্পর্ক উন্নয়নের বিপক্...
- প্রবাসে একুশের ভাবনা by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- খবরটি উদ্বেগের এবং আতঙ্কেরও by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- পাহাড়েও জিয়াই নন্দ ঘোষ! by আতাউস সামাদ
- অব্যবস্থাপনার আরেকটি নজিরঃ শিক্ষাবর্ষের দু’মাস পরও...
- গার্মেন্টস কারখানায় মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডঃ শ্রমিকদ...
- নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব by মনসুর আহমদ
- বুশ-দালাইলামা বৈঠকঃ যুক্তরাষ্ট্রের শঠতাপূর্ণ কূটনী...
- একলা চলো রে by আতাউর রহমান
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা by প্রকৌশল...
- পিলখানায় সেনা অফিসারদের নির্মম হত্যাকাণ্ডঃ দেশকে অ...
- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বছরপূর্তিতে by ড. মাহবুব উল্লাহ্
- চট্টগ্রামে ইসলামী মহাসমাবেশ বানচালঃ পুলিশের ভূমিকা...
- আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীঃ মহানবীর (সা.) আদর্শে উজ...
- স্মরণে মননেঃ বই তুমি কার by কে জি মোস্তফা
- আলোয় ভূবন ভরা- লাইবেরিয়াঃ আমেরিকা কেবল নিতেই জানে,...
- এই নগরীর দিনরাত্রীঃ এখন ভরা বসন্ত by রেজোয়ান সিদ্দিকী
- মন্ত্রী-এমপিরা নিজেদের দিনবদলে ব্যস্তঃ অভিযোগ খোদ ...
- অসহায় অর্থমন্ত্রীর স্বীকৃতিঃ সরকারের চেয়ে সিন্ডিকে...
- জিয়ার মরদেহঃ লাগামহীন নেতৃত্বের বোধোদয় by মোহাম্মদ...
- এবার পার্বত্য চট্টগ্রামে by শাহ আহমদ রেজা
- মানুষের শত্রুমিত্র- কন্যাদান একটি রাজনৈতিক কর্মসূচ...
- বিডিআর বিদ্রোহঃ শহীদ কর্নেল এলাহীর জন্য মা-বাবার আ...
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ফেরত যাওয়ার চক্রান্ত...
- অবৈধ ভবন ভাঙতে রাজউকের অভিযানঃ গড়ে ওঠার সময় কর্তৃপ...
- খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে বোমা হামলাঃ নিরাপত্ত...
- চারদিক-তবু থামেনি বেপরোয়া চলাচল by উদিসা ইসলাম
- সপ্তাহের হালচাল-রাজউকের হলফনামা তাহলে কার জন্য by ...
- অভিমত ভিন্নমত
- আমার একুশ-বাংলা ভাষা: উচ্চশিক্ষায় প্রয়োগ ও সমস্যা ...
- কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা জারি রাখতে হবে-রাজধানীতে ছি...
- আমরা প্রধান বিচারপতির দিকে তাকিয়ে-বিচারপতিদের সম্প...
- জন্মদিন-জয়তু কবীর চৌধুরী by মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী
- অর্থনীতি-সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ কি অবদান রাখতে পারে...
- আমার ভাষা আমার একুশ-ভাষানীতি ও পরিকল্পনা কেন জরুরি...
- সাম্প্রদায়িকতা-শাহরুখের ওপর শিবসেনার রোষ by রাম পু...
- বাঘা তেঁতুল-সংবর্ধনা ও কুলখানি by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-জিব দিয়ে যেন নাক না ভাঙি by আনিসুল হক
- দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে-আনন্দ মোহনের...
- সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করুন-জনপ্রশাসনে সামরিক ক...
- ভালোবাসা by আহসান হাবীব
- দাম্পত্য জীবনের রহস্য কী?
- ভ্যালেন্টাইনস কাব্য by দন্ত্যস রওশন
- রসকীয়-আহ! ভালোবাসা
- চারদিক-বাইক্কা বিলে পাখির আসর by আকমল হোসেন নিপু
- রাজনীতি-সরকারের দুই আপদ: ছাত্রলীগ ও দলীয়করণ by সোহ...
- আমার ভাষা আমার একুশ-গণমাধ্যমে বাংলা ভাষা: স্বাধীনত...
- দেশহীন মানুষের কথা-আমি জীবনে জীবন মেলাবার কথা বলেছ...
- ‘বিপন্ন বোটানিক গার্ডেন’ by দ্বিজেন শর্মা
- সরল গরল-রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে বিতর্ক by মিজ...
- ঘরের শত্রু বিভীষণ সামলান-হাটে হাঁড়ি ভাঙল ছাত্রলীগ
- বাজারে নজরদারি বাড়াতে হবে-চালের মূল্য বৃদ্ধি
- অসাম সেলসম্যান by বিশ্বজিৎ দাস
- উন্নতির আলোয় ভাসছে দেশ কিন্তু...
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-পাখিরা গাছের ডালে বসে ঘুমায় কীভাবে? by আব্দ...
- কর্তৃপক্ষকে ভাবতে হবে এখনই-বৃষ্টির দিনে রাস্তা কাটা
- চারদিক-ভোলা শহর পাখির শহর by নেয়ামতউল্যাহ
- স্থানীয় সরকার-পথহারা দশা থেকে মুক্তি কবে? by আলী ই...
- এই বৈশাখে-তপন তাপে গ্রীষ্ম-বন্দনা by মাহবুব আলম
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে-খবর পড়া আর স্নায়ুর পরী...
- আমাদের সামর্থ্য বাড়াতে হবে by মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির
- নির্ভরশীলতা নয়, চাই সহযোগিতা by ফারুক চৌধুরী
- আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক-সাং...
- নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করল-হিলারির তাৎপর্যপূ...
- খাদ্যের মূল্যস্ফীতি কমেছে-এই প্রবণতা ধরে রাখতে হবে
- নতুন দিগন্ত উন্মোচন
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহ ছাড়া অন্য যাদের উপাস্য ব...
- গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত by শামসুল আরেফিন খান
- হিলারির সফর দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় করবে by শাহজাহ...
- চরাচর-একজন জনগণমন অধিনায়ক by মো. মুজিবুর রহমান
- বাংলাদেশের সঙ্গে হিলারির সম্পর্ক নতুন নয় by আবুল হ...
- নিত্যজাতম্-হে ক্ষণিকের অতিথি by মহসীন হাবিব
- সংলাপ হোক আপন তাগিদে
- বিনম্র চরিত্রের রাজনীতিক by এনামুল হক
- মানবকল্যাণে প্রভু জগদ্বন্ধু by সুবল চন্দ্র সাহা
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক-মূলধারা বজায় রেখেই গণমানুষের পাশে...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-সংলাপে জনগণ আশ্বস্ত হবে by ইমতিয়াজ...
- অলস বিদ্যুৎকেন্দ্র-ভাবিয়া করিও কাজ
- হিলারির আহ্বান-জনপ্রত্যাশারই প্রতিধ্বনি
- আরব বসন্তের প্রেক্ষাপটে জর্দান
- প্রাণ-সংহারের লাইসেন্স!
- চরমপন্থীরা আবার সক্রিয়
- পবিত্র কোরআনের আলো-তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে দেওয়া সম্...
- চরাচর-কার্পাস তুলার দ্যুতি by আলম শাইন
- স্মরণ-টি আলী স্যার : আলো ছড়িয়ে গেছেন
- সদরে অন্দরে-ওরা কবে মানুষ হবে by মোস্তফা হোসেইন
- ইতিউতি-ভারতে দুর্নীতি এখন আকাশছোঁয়া by আতাউস সামাদ
- ঘরবাড়ি গেছে নদীতে, জীবন গেল ট্রাকে
- সমাপনী-প্রগাঢ় হলো রবীন্দ্রবন্ধন by জাহীদ রেজা নূর
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ইউনিপেটুইউর এমডি ও জিএম গ্রেপ্তার, থানায় শত শত গ্রাহক
- ‘গুম’ হয়ে যাক গুম by আসিফ মেহ্দী
- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ
- খালেদা জিয়াকে বললেন প্রণব মুখার্জি-তিস্তা চুক্তির ...
- প্রণব মুখার্জির ঢাকা সফর-২০ কোটি ডলার ঋণ অনুদান হি...
- অগ্রগতি ধরে রাখতে টেকসই গণতন্ত্র দরকার: হিলারি-তত্...
- নীরব ঘাতকঃ ওথেলো সিনড্রম by ডা. মোহিত কামাল
- বাজেটে কৃষি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ও লাভজনক বিক্রির নিশ...
-
▼
May 07
(108)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment