Sunday, September 13, 2009
সেনা স্থানান্তর ও পাহাড়ে শান্তির খোঁজ by ফিরোজ জামান চৌধুরী
সেনা স্থানান্তর ও পাহাড়ে শান্তির খোঁজ by ফিরোজ জামান চৌধুরী
সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে ‘সেনা প্রত্যাহার’ বা ‘সেনা স্থানান্তর’ নিয়ে আলোচনা আর বির্তকের শেষ নেই। অনেকেরই আশঙ্কা, সেনা প্রত্যাহার হলে পার্বত্যাঞ্চলে লঙ্কাকাণ্ড ঘটে যাবে, ওখানে আর কেউ বাস করতে পারবে না। আবার অনেকে ভাবছে, সেনা ছাউনি সরিয়ে নিলেই তবে সেখানকার নাগরিকেরা স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে খতিয়ে দেখা যাক পার্বত্যাঞ্চলে সেনা-সংস্কৃতির ভালো-মন্দ এবং রাষ্ট্রের মনোজগতে এর অবস্থান।
সরকারি সূত্র দাবি করছে, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির পর থেকে অদ্যাবধি প্রায় ৩০০ সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং এ বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩৫টি সেনাক্যাম্পসহ একটি ব্রিগেড সেনা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ক্যাম্প স্থানান্তর করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য লক্ষ করার মতো। ১৯ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শামীম চৌধুরী বলেছেন, ‘১৯৯৮ সালে ১০টি ক্যাম্প সরানোর মধ্য দিয়ে এটি শুরু হয় এবং ২০০৪ সালে সর্বোচ্চ ৬৩টি ক্যাম্প সরানো হয়েছে। এ বছর ৩৫টি ক্যাম্প সরানো হচ্ছে।’ (প্রথম আলো ২০ আগস্ট)।
এখানে ‘২০০৪ সাল’টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ওই সময় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। এ যাবত্ পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে যত সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি (৬৩টি) সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে ২০০৪ সালে—বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে। তাহলে এখন বিএনপি কেন এই ইস্যুতে ভিন্নমত পোষন করছে? বিএনপির অনেক নেতা তো এর ফলে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখতে পাচ্ছেন। তাঁদের কাছে প্রশ্ন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে যখন সেনা প্রত্যাহার করেছিল, তখন কি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল? যদি না পড়ে থাকে, তাহলে এখন কেন সে প্রসঙ্গ আসছে?
পার্বত্যবিষয়ক যেকোনো আলোচনায় ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় দুই দশক (১৯৭৭—১৯৯৭) ধরে যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান ছিল। শেষ পর্যন্ত ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির (যা ‘শান্তিচুক্তি’ নামে অধিক পরিচিত) পর থেকে তিন পার্বত্য জেলাতেই স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। দেশের অন্য অঞ্চলের মতো ওখানেও কিছু বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী ঘটনা যে ঘটে না, তা নয়। কিন্তু পার্বত্য চুক্তির পর কোনো ব্যক্তি বা বিবাদমান কোনো পক্ষ, রাজনৈতিক দল বা সংস্থা একবারের জন্যও বলেনি যে পার্বত্য চট্টগ্রামে যুদ্ধাবস্থা চলছে। তাহলে কেন সেখানে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের কোটি কোটি টাকা খরচ করে ‘কৃত্রিম যুদ্ধাপরিস্থিতি’ বজায় রাখা হবে?
বছর পাঁচেক আগে ঢাকায় শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাসহ সারা দেশে অসংখ্য হামলা বা জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ভয়াবহ ওই সব ঘটনার পর কোথাও সেনা শাসন জারির প্রয়োজন পড়েনি। সিভিল প্রশাসনই সব পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। যশোর, খুলনা, নওগাঁসহ দেশের অনেক অঞ্চলে সর্বহারা কর্তৃক অপহরণের খবর পাওয়া যায়। কিন্তু কই, সেখানে তো সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন পড়ে না। পার্বত্যাঞ্চলে ছোটখাটো চাঁদাবাজি বা বিচ্ছিন্ন কোনো অপহরণের ঘটনাকেও সেভাবে দেখা উচিত। নিরাপত্তার চশমা দিয়ে দেখলেও বলতে হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন সার্বক্ষণিক সেনা উপস্থিতির প্রয়োজন ফুরিয়েছে।
পার্বত্য নেতৃত্বের অনেকে বলছেন, পার্বত্যাঞ্চল থেকে ক্যান্টনমেন্টসহ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করতে হবে। তাঁদের এ মত কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কারণ, দেশের অন্য অঞ্চলের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামেও পর্যাপ্ত ক্যান্টনমেন্ট থাকতে হবে। এমনকি পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখানে ক্যান্টনমেন্টের সংখ্যা বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। বিদ্যমান ছয়টি পূর্ণাঙ্গ ক্যান্টনমেন্টের সংখ্যা অবিকৃত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে পাড়ায় পাড়ায় এবং পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে সেনাক্যাম্প রেখে নাগরিকজীবনের স্বস্তি নষ্ট করার কোনো মানে থাকতে পারে না। তাই বলব, পর্যায়ক্রমে সব সেনাক্যাম্প গুটিয়ে সব সেনাসদস্যকে পার্বত্য এলাকার ছয়টি ক্যান্টনমেন্টে ফিরিয়ে আনা হোক। যদি কোনো স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তবে ক্যান্টনমেন্ট থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা ইউনিয়নে সেনা প্রেরণ করার সহজ সুযোগ তো রইলই।
নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ১৯৯৭-এর পার্বত্য চুক্তির আলোকেই সরকারিভাবে পার্বত্য সমস্যা সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের অনুমান, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রামের জিওসি যেমন বলেছেন, ‘আগে পাহাড়ের অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট ছিল না, যোগাযোগব্যবস্থা ছিল দুর্গম। এখন ওসব এলাকায় ভালো সড়ক যোগাযোগ, এমনকি মোবাইল টেলিফোন যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ফলে সেসব জায়গায় অর্থহীন ক্যাম্প রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।’ (প্রথম আলো ২০ আগস্ট)। জিওসির এই বক্তব্য খুবই দূরদর্শী বলে মনে হয়। তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে আমরা আরও এক ধাপ এগিয়ে বলতে চাই, তিন পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলার অলিগলিতে সেনা অবস্থান করানোর বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ‘অপারেশন উত্তরণ’ প্রত্যাহার করে নিয়ে সিভিল প্রশাসনের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
সেনা স্থানান্তরের ফলে এতদিন সেনা নিরাপত্তায় থাকা বসতি স্থাপনকারী উদ্বাস্তু বাঙালিরা নিজেদের ভবিষ্যত্ নিয়ে সংগত কারণেই উত্কণ্ঠিত। দেশের যেকোনো এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি-বাঙালি সবার নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। সেখানে পুলিশ-আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ঢাকা মহানগর পুলিশ বাহিনীর মতো বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ‘পার্বত্য পুলিশ বাহিনী’ গঠন করা যেতে পারে।
২.
সেনা স্থানান্তরের সঙ্গে সঙ্গে বসতি স্থাপনকারী (সেটেলার) বাঙালিদের সম্মানজনক পুনর্বাসনের বিষয়টিও জড়িত। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষদের তিন ভাগে শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যেমন: পাহাড়ি আদিবাসী, স্থায়ী বাঙালি এবং সেটেলার বা বসতি স্থাপনকারী বাঙালি। একটি পরিসংখ্যানে চোখ বুলানো যাক। ১৯৫১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি জনসংখ্যার পরিমাণ ছিল মাত্র ১৮ হাজার ৭০ জন (মোট জনসংখ্যার ছয় শতাংশ)। আর ১৯৯১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে চার লাখ ৭৩ হাজার ৩০১ (মোট জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশ)। জ্যামিতিক হারে বাঙালি জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে মূলত আশির দশকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের বিভিন্ন জেলার ছিন্নমূল বাঙালিদের অবৈধ বসতি স্থাপনের ফলে।
স্থায়ী বাঙালিদের নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা নেতারা একবারের জন্যও প্রশ্ন তোলেননি। মূল সমস্যা সেটেলার বা বসতিস্থাপনকারী বাঙালিদের নিয়ে। কারণ এরা অবৈধ অধিবাসী। এরা কেউ কখনো ওখানে জমি কিনে বসবাস শুরু করেনি। জিয়া ও এরশাদের আমলে সরকারের দেখানো লোভের ফাঁদে পা দিয়েছিল সারা দেশের অজস্র হতদরিদ্র উদ্বাস্তু বাঙালি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পাহাড়ের জায়গা-জমি দখল করে তাদের অবৈধভাবে বসবাস করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের অনেককে দেওয়া হয়েছিল খাসজমির মিথ্যা দলিল।
পার্বত্য অঞ্চলের কোনো গুচ্ছগ্রামে গিয়ে যদি কোনো সেটেলার বাঙালিকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনার বাড়ি কোথায়? তিনি নির্দ্বিধায় বলবেন, কুড়িগ্রাম, মুক্তাগাছা, ফেনী, ভোলা বা অন্য কোনো এলাকার নাম। তাঁর মন পড়ে আছে নদীভাঙা কোনো গ্রামে, দেহটা শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে, পার্বত্যাঞ্চলের সেটেলার বাঙালিদের প্রায় ৩০ বছর ধরে সরকার রেশন দিয়ে চলেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে রেশন দিয়ে তাদের পার্বত্যাঞ্চলে লালন-পালন করতে হবে? সেটেলার বাঙালিদের রেশন ও নিরাপত্তা বাবদ প্রতিবছর কত শত কোটি টাকা খরচ হচ্ছে? আমাদের মতো সাধারণ জনগণের দেওয়া করের টাকা কেন এভাবে নষ্ট হবে? সরকারকে এর জবাব দিতে হবে। তবে শুধু বাঙালি নয়, পাহাড়ি উদ্বাস্তুদেরও গণহারে রেশন দেওয়া চলবে না। রেশনের নামে সরকারি টাকা তছরুপ কোনো বিবেচনায়ই সমর্থনযোগ্য নয়।
পাহাড়ের অপরিচিত আঙিনায় সেটেলার বাঙালিদের অধিকাংশই বিভিন্ন গুচ্ছগ্রাম বা নিকটবর্তী পাহাড় দখল করে বসবাস করছে। উদ্বাস্তু এসব বাঙালির মানবেতর জীবন কোনো শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাম্য হতে পারে না। কিন্তু কীভাবে অবৈধ বসবাসকারী উদ্বাস্তু এই বাঙালিদের পুনর্বাসন করা যাবে?
এ বিষয়ে চাকমা রাজা দেবাশীষ রায় বলেছেন, ‘গুচ্ছগ্রামে বসবাসকারী বাঙালিদের বেশির ভাগই দরিদ্র। যথাযথ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে। যদি ভূমি কমিশন রায় দিয়ে বলে, সরকার তাদের যে দলিল দিয়েছিল তা বেআইনি, তাহলে গুচ্ছগ্রামবাসীর যথাযথ পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তাবে। ...তাদের পার্বত্যাঞ্চলে পুনর্বাসিত না করে অন্য কোথাও পুনর্বাসন করা যেতে পারে। ...ইউরোপীয় কমিশন এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে। (মুক্তপ্রকাশ, আর্টিক্যাল-১৯ ও এমএমসি প্রকাশনা, জুন ২০০৯)।
আমাদের সামনে পার্বত্য সমস্যা সমাধানে অনেক রাজনৈতিক পথ খোলা রয়েছে। তার মধ্য থেকেই কোনো একটা বেছে নিতে হবে। বলপ্রয়োগ কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। পার্বত্য চট্টগ্রামকে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করেই সমাধান সূত্র খুঁজতে হবে। পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী সরকারের উচিত হবে, দ্রুতই সেটেলার বাঙালিদের দেশের বিভিন্ন স্থানে খাসজমি বরাদ্দ দিয়ে সম্মানজনক পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা। তাদের পুনর্বাসনের জন্য বিদেশিদের অর্থের দিকে চেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। সেটেলার বাঙালির জীবনধারণের জন্য রেশন ও নিরাপত্তা বাবদ সরকারের প্রতি মাসে যত কোটি টাকা ব্যয় হয়, তা দিয়েই খাসজমিতে তাদের জন্য বসতভিটা নির্মাণ এবং পুনর্বাসনের জন্য এককালীন আর্থিক সাহায্য প্রদান করা সম্ভব। এক টুকরো জমি ও এককালীন আর্থসাহায্য পেলে উদ্বাস্তু সেটেলার বাঙালিদের অনেকেই যে সমতলে নিজের এলাকায় ফিরে আসতে আগ্রহী হবেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
তবে সব কথার শেষ কথা, ক্ষমতার কেন্দ্রে বসে থাকা বাঙালি নেতৃবৃন্দ ‘দখলদারি মনস্তত্ত্ব’ থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে পার্বত্য সমস্যার সমাধান সুদূর স্বপ্নই থেকে যাবে। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ যেন আগের শাসনামলের (১৯৯৬—২০০১) মতো ছল-চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে না পারে, সে জন্য পাহাড়ি নেতৃত্ব ও বাঙালি নাগরিকসমাজকে সোচ্চার থাকতে হবে।
ফিরোজ জামান চৌধুরী: সাংবাদিক।
firoz.choudhury@yahoo.com
সরকারি সূত্র দাবি করছে, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির পর থেকে অদ্যাবধি প্রায় ৩০০ সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং এ বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩৫টি সেনাক্যাম্পসহ একটি ব্রিগেড সেনা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ক্যাম্প স্থানান্তর করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য লক্ষ করার মতো। ১৯ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শামীম চৌধুরী বলেছেন, ‘১৯৯৮ সালে ১০টি ক্যাম্প সরানোর মধ্য দিয়ে এটি শুরু হয় এবং ২০০৪ সালে সর্বোচ্চ ৬৩টি ক্যাম্প সরানো হয়েছে। এ বছর ৩৫টি ক্যাম্প সরানো হচ্ছে।’ (প্রথম আলো ২০ আগস্ট)।
এখানে ‘২০০৪ সাল’টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ওই সময় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। এ যাবত্ পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে যত সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি (৬৩টি) সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে ২০০৪ সালে—বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে। তাহলে এখন বিএনপি কেন এই ইস্যুতে ভিন্নমত পোষন করছে? বিএনপির অনেক নেতা তো এর ফলে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখতে পাচ্ছেন। তাঁদের কাছে প্রশ্ন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে যখন সেনা প্রত্যাহার করেছিল, তখন কি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল? যদি না পড়ে থাকে, তাহলে এখন কেন সে প্রসঙ্গ আসছে?
পার্বত্যবিষয়ক যেকোনো আলোচনায় ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় দুই দশক (১৯৭৭—১৯৯৭) ধরে যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান ছিল। শেষ পর্যন্ত ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির (যা ‘শান্তিচুক্তি’ নামে অধিক পরিচিত) পর থেকে তিন পার্বত্য জেলাতেই স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। দেশের অন্য অঞ্চলের মতো ওখানেও কিছু বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী ঘটনা যে ঘটে না, তা নয়। কিন্তু পার্বত্য চুক্তির পর কোনো ব্যক্তি বা বিবাদমান কোনো পক্ষ, রাজনৈতিক দল বা সংস্থা একবারের জন্যও বলেনি যে পার্বত্য চট্টগ্রামে যুদ্ধাবস্থা চলছে। তাহলে কেন সেখানে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের কোটি কোটি টাকা খরচ করে ‘কৃত্রিম যুদ্ধাপরিস্থিতি’ বজায় রাখা হবে?
বছর পাঁচেক আগে ঢাকায় শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাসহ সারা দেশে অসংখ্য হামলা বা জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ভয়াবহ ওই সব ঘটনার পর কোথাও সেনা শাসন জারির প্রয়োজন পড়েনি। সিভিল প্রশাসনই সব পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। যশোর, খুলনা, নওগাঁসহ দেশের অনেক অঞ্চলে সর্বহারা কর্তৃক অপহরণের খবর পাওয়া যায়। কিন্তু কই, সেখানে তো সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন পড়ে না। পার্বত্যাঞ্চলে ছোটখাটো চাঁদাবাজি বা বিচ্ছিন্ন কোনো অপহরণের ঘটনাকেও সেভাবে দেখা উচিত। নিরাপত্তার চশমা দিয়ে দেখলেও বলতে হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন সার্বক্ষণিক সেনা উপস্থিতির প্রয়োজন ফুরিয়েছে।
পার্বত্য নেতৃত্বের অনেকে বলছেন, পার্বত্যাঞ্চল থেকে ক্যান্টনমেন্টসহ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করতে হবে। তাঁদের এ মত কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কারণ, দেশের অন্য অঞ্চলের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামেও পর্যাপ্ত ক্যান্টনমেন্ট থাকতে হবে। এমনকি পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখানে ক্যান্টনমেন্টের সংখ্যা বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। বিদ্যমান ছয়টি পূর্ণাঙ্গ ক্যান্টনমেন্টের সংখ্যা অবিকৃত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে পাড়ায় পাড়ায় এবং পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে সেনাক্যাম্প রেখে নাগরিকজীবনের স্বস্তি নষ্ট করার কোনো মানে থাকতে পারে না। তাই বলব, পর্যায়ক্রমে সব সেনাক্যাম্প গুটিয়ে সব সেনাসদস্যকে পার্বত্য এলাকার ছয়টি ক্যান্টনমেন্টে ফিরিয়ে আনা হোক। যদি কোনো স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তবে ক্যান্টনমেন্ট থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা ইউনিয়নে সেনা প্রেরণ করার সহজ সুযোগ তো রইলই।
নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ১৯৯৭-এর পার্বত্য চুক্তির আলোকেই সরকারিভাবে পার্বত্য সমস্যা সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের অনুমান, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রামের জিওসি যেমন বলেছেন, ‘আগে পাহাড়ের অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট ছিল না, যোগাযোগব্যবস্থা ছিল দুর্গম। এখন ওসব এলাকায় ভালো সড়ক যোগাযোগ, এমনকি মোবাইল টেলিফোন যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ফলে সেসব জায়গায় অর্থহীন ক্যাম্প রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।’ (প্রথম আলো ২০ আগস্ট)। জিওসির এই বক্তব্য খুবই দূরদর্শী বলে মনে হয়। তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে আমরা আরও এক ধাপ এগিয়ে বলতে চাই, তিন পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলার অলিগলিতে সেনা অবস্থান করানোর বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ‘অপারেশন উত্তরণ’ প্রত্যাহার করে নিয়ে সিভিল প্রশাসনের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
সেনা স্থানান্তরের ফলে এতদিন সেনা নিরাপত্তায় থাকা বসতি স্থাপনকারী উদ্বাস্তু বাঙালিরা নিজেদের ভবিষ্যত্ নিয়ে সংগত কারণেই উত্কণ্ঠিত। দেশের যেকোনো এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি-বাঙালি সবার নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। সেখানে পুলিশ-আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ঢাকা মহানগর পুলিশ বাহিনীর মতো বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ‘পার্বত্য পুলিশ বাহিনী’ গঠন করা যেতে পারে।
২.
সেনা স্থানান্তরের সঙ্গে সঙ্গে বসতি স্থাপনকারী (সেটেলার) বাঙালিদের সম্মানজনক পুনর্বাসনের বিষয়টিও জড়িত। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষদের তিন ভাগে শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যেমন: পাহাড়ি আদিবাসী, স্থায়ী বাঙালি এবং সেটেলার বা বসতি স্থাপনকারী বাঙালি। একটি পরিসংখ্যানে চোখ বুলানো যাক। ১৯৫১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি জনসংখ্যার পরিমাণ ছিল মাত্র ১৮ হাজার ৭০ জন (মোট জনসংখ্যার ছয় শতাংশ)। আর ১৯৯১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে চার লাখ ৭৩ হাজার ৩০১ (মোট জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশ)। জ্যামিতিক হারে বাঙালি জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে মূলত আশির দশকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের বিভিন্ন জেলার ছিন্নমূল বাঙালিদের অবৈধ বসতি স্থাপনের ফলে।
স্থায়ী বাঙালিদের নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা নেতারা একবারের জন্যও প্রশ্ন তোলেননি। মূল সমস্যা সেটেলার বা বসতিস্থাপনকারী বাঙালিদের নিয়ে। কারণ এরা অবৈধ অধিবাসী। এরা কেউ কখনো ওখানে জমি কিনে বসবাস শুরু করেনি। জিয়া ও এরশাদের আমলে সরকারের দেখানো লোভের ফাঁদে পা দিয়েছিল সারা দেশের অজস্র হতদরিদ্র উদ্বাস্তু বাঙালি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পাহাড়ের জায়গা-জমি দখল করে তাদের অবৈধভাবে বসবাস করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের অনেককে দেওয়া হয়েছিল খাসজমির মিথ্যা দলিল।
পার্বত্য অঞ্চলের কোনো গুচ্ছগ্রামে গিয়ে যদি কোনো সেটেলার বাঙালিকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনার বাড়ি কোথায়? তিনি নির্দ্বিধায় বলবেন, কুড়িগ্রাম, মুক্তাগাছা, ফেনী, ভোলা বা অন্য কোনো এলাকার নাম। তাঁর মন পড়ে আছে নদীভাঙা কোনো গ্রামে, দেহটা শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে, পার্বত্যাঞ্চলের সেটেলার বাঙালিদের প্রায় ৩০ বছর ধরে সরকার রেশন দিয়ে চলেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে রেশন দিয়ে তাদের পার্বত্যাঞ্চলে লালন-পালন করতে হবে? সেটেলার বাঙালিদের রেশন ও নিরাপত্তা বাবদ প্রতিবছর কত শত কোটি টাকা খরচ হচ্ছে? আমাদের মতো সাধারণ জনগণের দেওয়া করের টাকা কেন এভাবে নষ্ট হবে? সরকারকে এর জবাব দিতে হবে। তবে শুধু বাঙালি নয়, পাহাড়ি উদ্বাস্তুদেরও গণহারে রেশন দেওয়া চলবে না। রেশনের নামে সরকারি টাকা তছরুপ কোনো বিবেচনায়ই সমর্থনযোগ্য নয়।
পাহাড়ের অপরিচিত আঙিনায় সেটেলার বাঙালিদের অধিকাংশই বিভিন্ন গুচ্ছগ্রাম বা নিকটবর্তী পাহাড় দখল করে বসবাস করছে। উদ্বাস্তু এসব বাঙালির মানবেতর জীবন কোনো শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাম্য হতে পারে না। কিন্তু কীভাবে অবৈধ বসবাসকারী উদ্বাস্তু এই বাঙালিদের পুনর্বাসন করা যাবে?
এ বিষয়ে চাকমা রাজা দেবাশীষ রায় বলেছেন, ‘গুচ্ছগ্রামে বসবাসকারী বাঙালিদের বেশির ভাগই দরিদ্র। যথাযথ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে। যদি ভূমি কমিশন রায় দিয়ে বলে, সরকার তাদের যে দলিল দিয়েছিল তা বেআইনি, তাহলে গুচ্ছগ্রামবাসীর যথাযথ পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তাবে। ...তাদের পার্বত্যাঞ্চলে পুনর্বাসিত না করে অন্য কোথাও পুনর্বাসন করা যেতে পারে। ...ইউরোপীয় কমিশন এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে। (মুক্তপ্রকাশ, আর্টিক্যাল-১৯ ও এমএমসি প্রকাশনা, জুন ২০০৯)।
আমাদের সামনে পার্বত্য সমস্যা সমাধানে অনেক রাজনৈতিক পথ খোলা রয়েছে। তার মধ্য থেকেই কোনো একটা বেছে নিতে হবে। বলপ্রয়োগ কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। পার্বত্য চট্টগ্রামকে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করেই সমাধান সূত্র খুঁজতে হবে। পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী সরকারের উচিত হবে, দ্রুতই সেটেলার বাঙালিদের দেশের বিভিন্ন স্থানে খাসজমি বরাদ্দ দিয়ে সম্মানজনক পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা। তাদের পুনর্বাসনের জন্য বিদেশিদের অর্থের দিকে চেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। সেটেলার বাঙালির জীবনধারণের জন্য রেশন ও নিরাপত্তা বাবদ সরকারের প্রতি মাসে যত কোটি টাকা ব্যয় হয়, তা দিয়েই খাসজমিতে তাদের জন্য বসতভিটা নির্মাণ এবং পুনর্বাসনের জন্য এককালীন আর্থিক সাহায্য প্রদান করা সম্ভব। এক টুকরো জমি ও এককালীন আর্থসাহায্য পেলে উদ্বাস্তু সেটেলার বাঙালিদের অনেকেই যে সমতলে নিজের এলাকায় ফিরে আসতে আগ্রহী হবেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
তবে সব কথার শেষ কথা, ক্ষমতার কেন্দ্রে বসে থাকা বাঙালি নেতৃবৃন্দ ‘দখলদারি মনস্তত্ত্ব’ থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে পার্বত্য সমস্যার সমাধান সুদূর স্বপ্নই থেকে যাবে। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ যেন আগের শাসনামলের (১৯৯৬—২০০১) মতো ছল-চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে না পারে, সে জন্য পাহাড়ি নেতৃত্ব ও বাঙালি নাগরিকসমাজকে সোচ্চার থাকতে হবে।
ফিরোজ জামান চৌধুরী: সাংবাদিক।
firoz.choudhury@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 13
(28)
- মুক্তিযোদ্ধা আবুর কথা বলছি by গাজীউল হক
- বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং by মামুন রশীদ
- পলিথিন সমস্যা by জানে আলম
- ত্যাগ ও সংযম সাধনায় মাহে রমজান -মুহাম্মদ আবদুল মুন...
- সেনা স্থানান্তর ও পাহাড়ে শান্তির খোঁজ by ফিরোজ জা...
- জাতীয় স্বার্থরক্ষার দায় এবং সরকারের করণীয় -প্রস্তা...
- ওবামার ‘আদর্শ’ মহাত্মা গান্ধী
- সেনা স্থানান্তর ও পাহাড়ে শান্তির খোঁজ by ফিরোজ জাম...
- আল-কায়েদা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখনো হুমকি -টুইন টাও...
- শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় মাহে রমজান -সিয়াম সাধনার মা...
- ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ -জাতীয়সংগীত...
- মেক্সিকোয় বিমান ছিনতাই নাটকের অবসান
- আবার হরতাল-জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী আন্দোলনের কৌশল বর্...
- দুটি মৃত্যু, একটি গোলটেবিল -কেডেনি ও অন্যান্য by জ...
- মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইস্যু ম্যানেজার হলো এএএ ফাইন...
- গুলশানে ইবিএলের ৪৬তম এটিএম উদ্বোধন
- ঈদের এক সপ্তাহ আগেই বেতন-বোনাস পরিশোধ করুন -ঈদ কি ...
- পোশাকশ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস দাবি -শ্রম মন্ত্...
- প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা কি তাহলে অকার্যকর -দেশে ব্যবসা...
- বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিদেশি বিনিয়োগের আহ্...
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় পরিষদ গঠন -পর্যটনশি...
- বিসিবির নতুন সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল
- বেঁচে রইল ফ্রান্স-পর্তুগালের আশা
- নেদারল্যান্ডের সঙ্গী ইংল্যান্ড-স্পেন
- কলকাতা ওপেন দাবা
- হোয়াইটের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া ৩-০
- ব্রাজিলের জয়রথ ছুটছেই
- রেকর্ড কর্নার টানা ২২তম সেমিফাইনাল
-
▼
Sep 13
(28)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment