Sunday, June 18, 2017
মৃত্যুর বিভীষিকা ও মানুষের দায়
মৃত্যুর বিভীষিকা ও মানুষের দায়
মোহাম্মদ নবী পেশায় ড্রাইভার। থাকতেন রাঙ্গামাটি শহরের নতুনপাড়া মসজিদের পাশে। তার মেয়ের বিয়ে রোজার পরেই। এ জন্য প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু এবার পাহাড়ধসে তার পরিবারের পাঁচ সদস্যের সবাই বাড়িটির সাথে জীবনের সব স্বপ্ন আর আনন্দও মাটির বিশাল স্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। তিনি নিজে এখন হাসপাতালে লড়ছেন মৃত্যুর সাথে। দশম শ্রেণীর কিশোর শিক্ষার্থী জিয়াদের সামনে পুরো ভবিষ্যৎ। এর পুরোটাই এখন নিকষ অন্ধকার। রাঙ্গামাটির ভেদভেদি বাজার এলাকায় তাদের বাড়ি। ভূমিধসে সবাইকে হারিয়েছে সে। মারাত্মকভাবে আহতাবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। সুবাস চাকমা ও জীবন চাকমা যথাক্রমে পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন। সম্পর্কে একে অপরের ভায়রা। তারা কল্পনাও করেননি, পাহাড়ধসে চিরদিনের জন্য হারাবেন স্ত্রী-সন্তানদের। জীবন চাকমার সাথে আগের রাতেও মোবাইলে স্ত্রীর কথা হয়েছিল। তিনি বাড়ি আসছেন বলে স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। স্ত্রী ও সন্তানেরা অধীর প্রতীক্ষায় ছিল তার জন্য। এখন তিনি আজীবন প্রতীক্ষায় থাকলেও প্রিয়জন আর কোনো দিন ফিরবে না। গত সপ্তাহের প্রবল বর্ষণে নজিরবিহীন পাহাড়ধসে তিন পার্বত্য জেলা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বসতবাটি ও সড়কসহ সম্পদের ক্ষতি বিপুল। উদ্ধারকাজে নিরত অবস্থায় সেনাবাহিনীর দু’জন কমিশন্ড অফিসারসহ পাঁচজন নিহত এবং ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে ধসের মাটি সরিয়ে উদ্ধার কাজের সময় আবার পাহাড়ে ধস নামে। সেখানে অবস্থানরত ইউনুছ নামের এক লোক ধসে যাওয়া কাদামাটির তোড়ে নিচে একটা পুকুরে পড়লেও বেঁচে যান। কিন্তু পাশেই সেনাবাহিনীর সেই তরুণ মেজর ও ক্যাপ্টেন মাটি চাপা পড়ে তখনই মৃত্যুবরণ করেন। ভূমিধসে রাঙ্গামাটি-বান্দরবান জেলার সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত। কয়েক দিন ধরে এই দুই জেলা দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এ দিকে, সোমবার ভয়াবহ ভূমিধসের পরদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পূর্বনির্ধারিত সুইডেন সফরে গেছেন। তার অনুপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকে মুজিবকোট পরে দুর্যোগে বিপন্ন পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করতে দেখা গেল। কাদের সেখানে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ মানুষের দুঃখ দুর্দিনে তাদের পাশে থাকে।’ অপর দিকে, পাহাড়ধসে নিহতদের মাগফিরাত আর আহতদের সুস্থতা কামনায় শুক্রবার দেশব্যাপী মসজিদে দোয়া-মুনাজাতের কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। এই দুঃসময়ে সরকারপ্রধানের বিদেশ গমনের সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়া।
দুর্ঘটনা নয়, দুর্যোগ
বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বে দীর্ঘ দিন ধরে দারিদ্র্য ও দুর্যোগের দেশ হিসেবে পরিচিত। অবশ্য ইদানীং দারিদ্র্য কমে (অন্তত কাগজকলমে) দুর্যোগের সাথে আরো দু’টি ‘দু’ বেড়ে গেছে। সেই দু’টি হলো দুর্নীতি ও দুষ্কৃতি। এ দেশের গতানুগতিক দুর্যোগের মধ্যে আছে বন্যা, নদীভাঙন, টর্নেডো ও সাইকোনের মতো ঝড়ঝঞ্ঝা, খরা, প্রভৃতি। ইদানীং এই তালিকায় যোগ হয়েছে ভূমিকম্প ও বজ্রপাত। ভূ-কম্পন অতীতে ব্যাপক ক্ষতি ঘটালেও বহু বছর ধরে এর আশঙ্কা তেমন করা হয়নি। এখন আবার ভয়াবহ কম্পনের শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেড়ে গেছে। অপর দিকে, নদ-নদীর ভাঙনকে গুরুত্ব দেয়া হলেও ভূমির ভাঙন বা পাহাড়ের ধসের দিকে অতীতে কর্তৃপক্ষের বেশি মনোযোগ ছিল না। এর একটা কারণ, তখন পাহাড়ধস আজকের মতো এত ঘন ঘন ঘটত না এবং এত ক্ষতির কারণ হয়নি জানমালের হিসাবে। নদীভাঙন পুরোপুরি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে পাহাড়ের ভাঙন বা ধসের জন্য প্রকৃতির সাথে মানুষও দায়ী। অনেক ক্ষেত্রে বরং মানুষের লোভ ও অজ্ঞতাই এজন্য বেশি দায়ী। এই ভয়াবহ বিপর্যয় অনেকটাই এড়ানো যায় যদি উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রশাসনের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও আন্তরিকতা থাকে। Sustainable Development Goal (SDG) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এত তোড়জোড়। অথচ উন্নয়নের নামে প্রপাগান্ডা, অপচয়, দুর্নীতির অনুপাতে টেকসই উন্নতি কতটা হচ্ছে, তা একটা বিরাট জিজ্ঞাসা। কুরআনের সর্বশেষ পারার সূরায়ে নাযায় ৬ ও ৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলছেন, ‘আলাম্ নাজআলিল আরদা মিহাদাওঁ ওয়াল জিবালা আওতাদা’; অর্থাৎ ‘আমি কি করিনি ভূমিকে শয্যাস্বরূপ এবং পর্বতমালাকে কি করিনি পেরেকসদৃশ?’ এখানে ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে যে, পাহাড়পর্বত কীলক বা পেরেকের মতো ভূমিকা রাখে পৃথিবীর ভূ-প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে। পাহাড় কাটলে প্রকৃতি ভারসাম্য হারায়। সূরায়ে আত্ তাকভীরের ৩ নম্বর আয়াতে বলা হচ্ছে, ওয়া ইজাল জিবালু সুয়্যিরাত’; অর্থাৎ, যখন পাহাড়-পর্বত সরিয়ে দেয়া হবে। প্রবল ভূমিধসের সময় উঁচু পাহাড় ধসে ক্রমেই নিচের দিকে সরে যাওয়া যেন এরই কিঞ্চিৎ নমুনা।
ভূমিধস ও বাংলাদেশের ভূগোল
পার্বত্য অঞ্চলে এত মানুষের যে করুণ মৃত্যু ঘটছে, এর দৃশ্যমান কারণ হলো, ভূমিধস বা Landslide. নদীর ভাঙনের মতো পাহাড়ের এই ভাঙন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রায় প্রতি বছরই ভূমিধস কমবেশি হচ্ছে। তবে পাহাড়ি জেলাগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলে এটা ঘটলে খবর যথাসময়ে পাওয়া সহজ নয়। আবার ভূমিধসে উল্লেখযোগ্য কোনো সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সে খবর দ্রুত প্রচার হয়ে যায়। অথবা ধসের কারণে প্রাণহানি হলে কেবল তখনই মনে করা হয় যে, বিষয়টি গুরুতর এবং জরুরি পদক্ষেপের দাবি রাখে। অথচ মানুষ হতাহত না হলেও কিংবা বসতবাড়ি বা কোনো স্থাপনা ধ্বংস না হলেও ভূমিধস প্রকৃতির স্বাভাবিক চিত্র পাল্টে দিয়ে ব্যাপক ক্ষতি ঘটায়, যে কারণে মানুষকেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বাংলাপিডিয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ভূমিধস অহরহ ঘটছে। গোটা দেশের সাথে বান্দরবান শহরকে যুক্তকারী প্রধান সড়কগুলো প্রায় প্রতি বছর ভূমিধসের মুখোমুখি হচ্ছে, যা শহরটি ও সংলগ্ন অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। ভবনাদি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কারণে সৃষ্ট ভূমিধস সাধারণত পার্বত্য জেলা শহরের শহর ও উপশহর কেন্দ্রে সীমিত। বহু ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো, বিশেষ করে খাড়া উঁচু ঢালের ওপর যেগুলো বিদ্যমান, সেগুলো ভূমিধসের কারণে ধসে পড়ে জানমালের ক্ষতি সাধন করে। বিগত বছরগুলোতে খাড়া উঁচু ঢালে জুমচাষ এবং অন্যান্য চাষাবাদও ভূমিধস সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, পাহাড়ের বৃক্ষশূন্য এমনকি তৃণহীন অনাবৃত ঢালে বৃষ্টির পানির অনুপ্রবেশ ভূমিধসের একটা কারণ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন অঞ্চলের ওপর গবেষণায় এটা জানা যায়। এবার পার্বত্য এলাকার ভয়াবহ ভূমিধসে কাদামাটির স্রোত নেমে আসতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি এমন যে, এখানকার মৃত্তিকা প্রধানত কাদা বা পলি ও বালু দিয়ে গঠিত। এ দেশে শক্ত পাথুরে মাটি সে তুলনায় অনেক কম। রাঙ্গামাটি জেলার সাগর বিল এলাকায় নরম নদীবাহিত অবক্ষেপের ওপর ভর করে থাকা ‘নদীর তীরের বিপুল বোঝা’ এবং উঁচু পার্শ্বঢাল ভূমিধসের প্রধান কারণ। ১৯৯৭ সালে ভৌগোলিক তথ্যব্যবস্থা বা জিআইএস পদ্ধতি ব্যবহার করে পার্বত্য খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলায় ১৬০টি ভূমিধসপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছিল। এরপর ২০০০ সাল পর্যন্ত দু’বছরে ভূমিধস নিয়ে বেশি কাজ করা হয়েছে রাঙ্গামাটি জেলা শহর আর বান্দরবান সদর উপজেলায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আমাদের দেশে পাহাড়ি এলাকায় রাস্তাঘাট নির্মাণকালে ভূমিধসপ্রবণ অঞ্চলের কথা বিবেচনায় আনা হয়নি। অর্থাৎ এত বড় একটা বিপর্যয়ের বিষয় গুরুত্ব পায়নি। এ কারণে প্রত্যেক বছরই এসব সড়কে ঘটছে ভূমিধস; হঠাৎ মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে যোগাযোগ। শুধু সড়কই নয়, মানুষের জানমাল এবং বাড়িঘর স্থাপনা সমেত অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। পাহাড়ধসে মর্মান্তিক প্রাণহানি আর সম্পদ নাশের সর্বশেষ ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা নানা অভিমত দিচ্ছেন। ড. আইনুন নিশাত বলেছেন, ‘ভূমিধস বা পাহাড়ধস ঠেকাতে শেকড় গভীরে যায়, এমন গাছের বন তৈরি করতে হবে।’ তার ভাষায়, ভূমিধস বা পাহাড়ধস হয় দু’টি কারণে। এক. অতিমাত্রায় বৃষ্টি, দুই. ভূমিকম্প। এর সাথে আছে পাহাড়ের মাটির গুণাবলি। ভূমিকম্পে যে শক্তিতে পাহাড় নাড়া খায়, যদি পাহাড়ের মাটির গুণাবলি ভালো হয়, তবে পাহাড় ধসের আশঙ্কা কম থাকে। কিন্তু পাহাড়ের মাটি যদি দুর্বল হয়Ñ বেলেমাটি ও কাদামাটির গঠন থাকে, তবে ধসের আশঙ্কটা বেড়ে যায়।
পাহাড়ের বুকে ভার্সিটিজীবন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ক্যাম্পাস পাহাড়, বন, রকমারি বৃক্ষ আর প্রাণিসম্পদে এখন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অনন্য। এই পাহাড় আগেও ছিল। অতীতে এখানে বনজঙ্গল ছিল নিশ্চয়ই। তবে আমরা যখন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম ও হলে থাকতাম, তখন সব পাহাড় ছিল সম্পূর্ণরূপে বৃক্ষশূন্য। সেই ফাঁকা পাহাড় ও টিলায় বৃক্ষায়ন বা বনায়ন শুরু হয় অনেক পরে। বহু বছরের বন উজাড় বা বৃক্ষনিধনের পরিণামে একসময় ক্যাম্পাসে বা আশপাশের পাহাড়ে গাছপালা আর অবশিষ্ট থাকেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার কিছু পরে ক্যাম্পাসের দীর্ঘ রাস্তার দু’পাশে বৃক্ষরোপণ করে এগুলোর পরিচর্যার পদক্ষেপ নেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উদ্যোগী ছিলেন উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের (মরহুম) প্রফেসর আবদুল আজিজ খান। আমরা তাকে দেখেছি নিজে বৃক্ষপরিচর্যার কাজ তত্ত্বাবধান করতে। পরে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হয়েছিলেন। ধর্মভীরু মানুষটি ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ভায়রা। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করতে হয়, ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে আমরা দেখলাম, বিভিন্ন হলের সামনে ইউক্যালিপটাস গাছ। এ ধরনের গাছ শুধু যে মাটিকে দূষিত করে, তা নয়; এর শেকড় অগভীর। একবার সামান্য ঝড়ে গাছগুলো উপড়ে পড়ে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমরা কয়েকজন ছাত্র একবার হাইকিং প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। সে দিন সকালে যাত্রা করে অবিরাম হেঁটে দুপুরে পৌঁছি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের কাছে। আমরা পদব্রজে পার হয়েছিলাম হাটহাজারী-সীতাকুণ্ড পাহাড়ের একটা অংশ। তখন আমাদের যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা হলোÑ এসব পাহাড় প্রায় ন্যাড়া বা ন্যাংটা; অর্থাৎ বৃক্ষশূন্য। আমাদের কয়েক ঘণ্টার পদযাত্রা অভিযানের সময় পুরো পাহাড়ে মাঝে মধ্যে বুনো কলার কিছু ঝোপ ছাড়া গাছপালা প্রায় চোখেই পড়েনি। পথে বারবার দেখা পেয়েছি আশপাশের জনপদের গরিব মানুষের। তারা পাহাড়ে জ্বালানি কাঠ বা লাকড়ির সন্ধানে গিয়ে যৎ সামান্য যা পাচ্ছিলেন, তা আঁটি বেঁধে মাথায় বা ঘাড়ে করে ফিরছিলেন। এ ছাড়াও, চট্টগ্রামে একাধারে কয়েক বছর অবস্থানকালে লক্ষ করতাম, এই বিরাট এলাকার পাহাড় ও টিলাগুলোর বিস্তীর্ণ অংশই একেবারে ফাঁকা, কোনো বন দূরের কথা, বৃক্ষ বলতে কিছু চোখে পড়ত না। এই অবস্থায় কী করে যে, পাহাড়গুলোতে বহু দিন ভয়াবহ ভূমিধস ঘটেনি, এটাই বিস্ময়ের ব্যাপার। অনেক ক্ষেত্রে শেষাবধি প্রকৃতির পাল্টা মার শুরু হয়ে যায়, ধস আর ধ্বংসের তাণ্ডব ঘটিয়ে। ন্যাড়া পাহাড় ছ্যাঁড়া বরাত। মানে, পাহাড় যদি বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়ে, তা হলে দুর্ভাগ্য নেমে আসে। এটাই দেখা গেল ১৯৭৬ সালের মাঝামাঝি। তখন চলছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ছুটি। এ সময় প্রথম বর্ষার প্রবল বর্ষণে ক্যাম্পাসে বৃক্ষশূন্য পাহাড় মারাত্মক ভূমিধসের কারণ হয়েছিল। এক রাতে পাশের পাহাড় ধসে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুদামের পাকা ভবন চাপা দেয়। সেই সাথে কয়েকজন প্রহরীও চাপা পড়েন। অনেক কষ্টে মাটি সরিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের লাশ বের করা হয়েছিল। এমন মর্মান্তিক ঘটনা এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে আর বোধ হয় ঘটেনি। পরে শুনেছি, রাতে প্রথমে একটা অস্পষ্ট মৃদু আওয়াজ কিছুক্ষণ শোনা যাওয়ার পরই বিশাল পাহাড় নেমে এসে চাপা দেয় মালামালসমেত গুদাম ও তার প্রহরীদের। আসলে ধসের শিকার হয় যে পাহাড়, সেটি ধীরে ধীরে যখন ভেঙে নিচের দিকে এগোতে থাকে, তখন ‘চলন্ত মাটি’র একধরনের মৃদু শব্দ হতে পারে। যারা এ ব্যাপারে সচেতন, তারা হয়তো দৌড়ে পালিয়ে অন্তত জানটা বাঁচাতে পারেন। কিন্তু যাদের এ ব্যাপারে জানা নেই কিংবা যারা তখন ঘুমে থাকেন, তাদের মাটিচাপা পড়া অনিবার্য হয়ে ওঠে।
প্রতিকারের জন্য পরামর্শ
কথায় বলে ‘অভাবে স্বভাব নষ্ট’। পাহাড়ি অঞ্চলে দরিদ্র বাঙালিদের অনেকে জনসংখ্যার চাপে বিপজ্জনক স্থানে বসতি গড়েছে। এ জন্য তারা অবৈধভাবে পাহাড় কেটেছে, সেই সাথে কেটেছে গাছপালাও। তবে শুধু ছিন্নমূল Settler বা বাঙালি বসতি স্থাপনকারীই নয়, পার্বত্য এলাকার কথিত আদিবাসী তথা বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর লোকেরাও এ জন্য অনেক ক্ষেত্রে দায়ী। বিশেষ করে তাদের ‘ঐতিহ্য’ হিসেবে গণ্য যে জুম চাষপ্রথা, এটাও ভূমিধসের কারণ ঘটায়। এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট সাধারণ মানুষের উপযুক্ত জীবিকা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালি হোক আর পাহাড়ি, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং সবার সমান অধিকারের নিশ্চয়তা সংবিধান দিয়েছে। তাদের মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করা সরকারের একটা গুরুদায়িত্ব। ভূমিধসপ্রবণ কিংবা এর আশঙ্কাপূর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের শুধু জীবিকা ও বসতির নিরাপত্তাই নয়, তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে অবকাঠামো নির্মাণসহ বিবিধ উন্নয়ন কার্যক্রমে। তাদের মধ্যে সৃষ্টি করতে হবে পরিবেশ রক্ষার ব্যাপারে সচেতনতা। বুঝাতে হবে যে, তাদের নিরাপদ জীবনের স্বার্থেই পাহাড় ও বন তথা প্রকৃতিকে অুণœ রাখতে হবে। পার্বত্যাঞ্চলের ুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের একটি পুরনো প্রথা হলো জুমচাষ। অনেকেই এটাকে ‘আবহমানকালের ঐতিহ্য’ হিসেবে গণ্য করে আবেগবশত এর ক্ষতির দিকটা এড়িয়ে যান। অতীতে জুমচাষের জন্য যথেষ্ট জমি পাওয়া যেত। এ কারণে প্রাকৃতিক বন সৃষ্টির জন্য ভূমি দীর্ঘ সময় অনাবাদি রাখা সম্ভব হতো। কিন্তু বেশ কয়েক বছর আগেই অনাবাদি রাখার সময়ের পরিধি দশ বছর থেকে মাত্র দু’তিন বছরে নেমে এসেছে। এটা পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। এর বড় কারণ, পার্বত্য অঞ্চলেও জনবসতি বৃদ্ধি পাওয়া। জুমচাষের ক্ষতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ভূমিক্ষয়, উর্বরতা হ্রাস, বন উজাড় ও বন্যপ্রাণীর আবাস বিনষ্ট হওয়া, নদীসহ জলাধার ক্রমশ ভরাট হয়ে যাওয়া। এই প্রেক্ষপটে জুমের ফলনও অনেক হ্রাস পেয়েছে। এর বিকল্প পন্থা উদ্ভাবন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। পাহাড়ধস ও এর পরিণামে জানমালের ধ্বংসতাণ্ডব সম্পর্কে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। গত ১০ বছরে সাড়ে ৪০০ মানুষ এবং কেবল এবারেই দেড় শতাধিক মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুই কি এ ব্যাপারে যথেষ্ট নয়? যদি এর পরও পাহাড় বাঁচাতে এবং প্রাণ ও সম্পদের বিনাশ ঠেকাতে স্থায়ী, বাস্তবধর্মী ও সমন্বিত পদক্ষেপ সরকার না নেয়, তা হলে হয়তো আরো বড় দুর্যোগই হবে আমাদের নিয়তি। এ ক্ষেত্রে উন্নয়নের সাথে প্রকৃতির তো বটেই, সরকারের সাথে এনজিও এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ঘটাতে হবে। পাহাড়ি এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, বসতি স্থাপন ও নগরায়নের মতো কর্মকাণ্ডে সর্বাগ্রে ও সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে পরিবেশগত মূল্যায়নকে। উন্নয়ন মানুষের জন্য। প্রকৃতি বিপন্ন হলে সে মানুষও বিপন্ন হয়ে পড়বে। তখন কোটি কোটি টাকার অবকাঠামোও কাজে আসবে না। সর্বোপরি, কর্তৃপক্ষকে সততা ও নিষ্ঠাসহকারে প্রকৃতি রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং সজাগ থাকতে হবে যাবতীয় অনিয়ম-অপচয়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আরেকটা কথা, পাহাড়ধস শুধু চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রাম নয়, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের যেখানে টিলা বা অনুচ্চ পাহাড় আছে, সেখানেও ঘটে মানুষ হতাহত হতে পারে। তাই সেসব এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। ঝড়, বন্যা, ভাঙন, ভূমিধসের মতো বিপর্যয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে যদি উদ্ধার ও ত্রাণতৎপরতা নিশ্চিত করা হয় তবে বিপর্যয় প্রতিরোধ কিংবা ক্ষতি হ্রাসের জন্য নিতে হয় স্থায়ী ব্যবস্থা, যার পেছনে থাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। সে ক্ষেত্রে, ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থানসহ পুনর্বাসনের কার্যক্রম তো থাকেই, সর্বোপরি থাকে সংশ্লিষ্ট বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করে সম্ভাব্য প্রতিকারের যথাসাধ্য উদ্যোগ। এবারকার পাহাড়ধসের বেলায়ও তা মনে রাখা জরুরি। এ জন্য বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সড়ক ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মতো দূরবর্তী জনপদের নিরাপত্তাও গুরুত্ব পেতে হবে। পার্বত্য জেলা শহরের সাথে বন্দরনগরীর ঝুঁকিপূর্ণ বসতির সমস্যাও মোকাবেলা করতে হবে। পাহাড়ে ভূমিধসকে প্রকৃতির ওপর মানুষের অত্যাচারের প্রতিশোধ হিসেবে দেখছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর খান তৌহিদ ওসমান। তিনি বলেছেন, “পাহাড়ি এলাকার বন-জঙ্গল ধ্বংস করা হচ্ছে। কেটে ফেলা হচ্ছে গাছপালা। অব্যাহত রয়েছে পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন। এতে করে পাহাড়ের ‘অভ্যন্তরীণ বন্ধন’ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এই দুর্বলতার কারণে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে হুড়মুড় করে পাহাড় ভেঙে পড়েছে।” ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’ বলে একটা কথা বহুল প্রচলিত। প্রকৃতি সর্বংসহা নয়। কারণ স্রষ্টা প্রকৃতিকে একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হওয়ার ব্যবস্থা রেখেছেন। এর ব্যতিক্রম হওয়া মানে, বিকৃতি ও অস্বাভাবিকতা। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়; প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এ জন্য মানুষ দায়ী এবং এর কুফল সর্বাধিক ভোগ করতে হয় মানুষকেই। এ যেন পাপের শাস্তি। কথায় বলে Nature gives and forgives. But man gets and forgets, প্রকৃতি মানুষকে দান করে এবং রক্ষা করে। মানুষ ভোগ করে এবং প্রকৃতির এ দানের কথা ভুলে যায়। সেই অকৃতজ্ঞ (কখনোবা কৃতঘœ) মানুষকে মাঝে মাঝে শিক্ষা দেয়ার জন্য এমনকি ক্ষমাশীল প্রকৃতিকেও কঠোর ও নিষ্ঠুর হতে হচ্ছে। তবুও মানুষের বোধোদয় হবে কি? তবুও কি ‘সৃষ্টির সেরা’ মানবসন্তান পাহাড় কাটা, বৃক্ষ বিনাশ, ঢালে বসতি প্রভৃতি অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ড বন্ধ করবে না ? বাংলাদেশের প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল পাহাড়ে পরিপূর্ণ এবং উত্তর-পূর্ব অংশে কিছু টিলা আছে। বহু দেশে পার্বত্য এলাকার পরিসর ও উচ্চতা এ দেশের চেয়ে অনেক বেশি। কোনো কোনো দেশের বেশির ভাগই পাহাড়পর্বতে ভরা। সেসব দেশ কিভাবে পাহাড়ে ভূমিধস ঠেকাচ্ছে এবং সেখানে টেকসই বসতি বা অবকাঠামো গড়ে তুলছে, তা জেনে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন শুধু নয়, পাশের ভারত আর কাছের নেপালও অনেক ক্ষেত্রে পাহাড়ি ভূমিধস নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চাইতে পারে তাদের সহযোগিতা। যথাযথ প্রস্তুতি দুর্যোগের ক্ষতি কমায়। অপ্রস্তুত থাকলে ধারণাতীত ক্ষতির শিকার হতে হয়।
রাজনীতি ও দুর্নীতি
দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ একজন লিখেছেন ডেইলি স্টারে। সুন্দর পাহাড় আজ ভয়াল মৃত্যুর উপত্যকা হয়ে উঠেছে। এর পেছনে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির ভূমিকা যে গুরুত্বপূর্ণ, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, Politically and socially empowered people of the society in conjunction with corrupt government officials are involved with hill graving and cutting in Bangladesh, violating the existing rules and regulations. পাহাড় কাটা এবং সেখানে পরিবেশের ক্ষতিসাধন কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি আইনি পদক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছেন।
দুর্ঘটনা নয়, দুর্যোগ
বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বে দীর্ঘ দিন ধরে দারিদ্র্য ও দুর্যোগের দেশ হিসেবে পরিচিত। অবশ্য ইদানীং দারিদ্র্য কমে (অন্তত কাগজকলমে) দুর্যোগের সাথে আরো দু’টি ‘দু’ বেড়ে গেছে। সেই দু’টি হলো দুর্নীতি ও দুষ্কৃতি। এ দেশের গতানুগতিক দুর্যোগের মধ্যে আছে বন্যা, নদীভাঙন, টর্নেডো ও সাইকোনের মতো ঝড়ঝঞ্ঝা, খরা, প্রভৃতি। ইদানীং এই তালিকায় যোগ হয়েছে ভূমিকম্প ও বজ্রপাত। ভূ-কম্পন অতীতে ব্যাপক ক্ষতি ঘটালেও বহু বছর ধরে এর আশঙ্কা তেমন করা হয়নি। এখন আবার ভয়াবহ কম্পনের শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেড়ে গেছে। অপর দিকে, নদ-নদীর ভাঙনকে গুরুত্ব দেয়া হলেও ভূমির ভাঙন বা পাহাড়ের ধসের দিকে অতীতে কর্তৃপক্ষের বেশি মনোযোগ ছিল না। এর একটা কারণ, তখন পাহাড়ধস আজকের মতো এত ঘন ঘন ঘটত না এবং এত ক্ষতির কারণ হয়নি জানমালের হিসাবে। নদীভাঙন পুরোপুরি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে পাহাড়ের ভাঙন বা ধসের জন্য প্রকৃতির সাথে মানুষও দায়ী। অনেক ক্ষেত্রে বরং মানুষের লোভ ও অজ্ঞতাই এজন্য বেশি দায়ী। এই ভয়াবহ বিপর্যয় অনেকটাই এড়ানো যায় যদি উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রশাসনের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও আন্তরিকতা থাকে। Sustainable Development Goal (SDG) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এত তোড়জোড়। অথচ উন্নয়নের নামে প্রপাগান্ডা, অপচয়, দুর্নীতির অনুপাতে টেকসই উন্নতি কতটা হচ্ছে, তা একটা বিরাট জিজ্ঞাসা। কুরআনের সর্বশেষ পারার সূরায়ে নাযায় ৬ ও ৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলছেন, ‘আলাম্ নাজআলিল আরদা মিহাদাওঁ ওয়াল জিবালা আওতাদা’; অর্থাৎ ‘আমি কি করিনি ভূমিকে শয্যাস্বরূপ এবং পর্বতমালাকে কি করিনি পেরেকসদৃশ?’ এখানে ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে যে, পাহাড়পর্বত কীলক বা পেরেকের মতো ভূমিকা রাখে পৃথিবীর ভূ-প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে। পাহাড় কাটলে প্রকৃতি ভারসাম্য হারায়। সূরায়ে আত্ তাকভীরের ৩ নম্বর আয়াতে বলা হচ্ছে, ওয়া ইজাল জিবালু সুয়্যিরাত’; অর্থাৎ, যখন পাহাড়-পর্বত সরিয়ে দেয়া হবে। প্রবল ভূমিধসের সময় উঁচু পাহাড় ধসে ক্রমেই নিচের দিকে সরে যাওয়া যেন এরই কিঞ্চিৎ নমুনা।
ভূমিধস ও বাংলাদেশের ভূগোল
পার্বত্য অঞ্চলে এত মানুষের যে করুণ মৃত্যু ঘটছে, এর দৃশ্যমান কারণ হলো, ভূমিধস বা Landslide. নদীর ভাঙনের মতো পাহাড়ের এই ভাঙন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রায় প্রতি বছরই ভূমিধস কমবেশি হচ্ছে। তবে পাহাড়ি জেলাগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলে এটা ঘটলে খবর যথাসময়ে পাওয়া সহজ নয়। আবার ভূমিধসে উল্লেখযোগ্য কোনো সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সে খবর দ্রুত প্রচার হয়ে যায়। অথবা ধসের কারণে প্রাণহানি হলে কেবল তখনই মনে করা হয় যে, বিষয়টি গুরুতর এবং জরুরি পদক্ষেপের দাবি রাখে। অথচ মানুষ হতাহত না হলেও কিংবা বসতবাড়ি বা কোনো স্থাপনা ধ্বংস না হলেও ভূমিধস প্রকৃতির স্বাভাবিক চিত্র পাল্টে দিয়ে ব্যাপক ক্ষতি ঘটায়, যে কারণে মানুষকেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বাংলাপিডিয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ভূমিধস অহরহ ঘটছে। গোটা দেশের সাথে বান্দরবান শহরকে যুক্তকারী প্রধান সড়কগুলো প্রায় প্রতি বছর ভূমিধসের মুখোমুখি হচ্ছে, যা শহরটি ও সংলগ্ন অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। ভবনাদি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কারণে সৃষ্ট ভূমিধস সাধারণত পার্বত্য জেলা শহরের শহর ও উপশহর কেন্দ্রে সীমিত। বহু ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো, বিশেষ করে খাড়া উঁচু ঢালের ওপর যেগুলো বিদ্যমান, সেগুলো ভূমিধসের কারণে ধসে পড়ে জানমালের ক্ষতি সাধন করে। বিগত বছরগুলোতে খাড়া উঁচু ঢালে জুমচাষ এবং অন্যান্য চাষাবাদও ভূমিধস সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, পাহাড়ের বৃক্ষশূন্য এমনকি তৃণহীন অনাবৃত ঢালে বৃষ্টির পানির অনুপ্রবেশ ভূমিধসের একটা কারণ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন অঞ্চলের ওপর গবেষণায় এটা জানা যায়। এবার পার্বত্য এলাকার ভয়াবহ ভূমিধসে কাদামাটির স্রোত নেমে আসতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি এমন যে, এখানকার মৃত্তিকা প্রধানত কাদা বা পলি ও বালু দিয়ে গঠিত। এ দেশে শক্ত পাথুরে মাটি সে তুলনায় অনেক কম। রাঙ্গামাটি জেলার সাগর বিল এলাকায় নরম নদীবাহিত অবক্ষেপের ওপর ভর করে থাকা ‘নদীর তীরের বিপুল বোঝা’ এবং উঁচু পার্শ্বঢাল ভূমিধসের প্রধান কারণ। ১৯৯৭ সালে ভৌগোলিক তথ্যব্যবস্থা বা জিআইএস পদ্ধতি ব্যবহার করে পার্বত্য খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলায় ১৬০টি ভূমিধসপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছিল। এরপর ২০০০ সাল পর্যন্ত দু’বছরে ভূমিধস নিয়ে বেশি কাজ করা হয়েছে রাঙ্গামাটি জেলা শহর আর বান্দরবান সদর উপজেলায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আমাদের দেশে পাহাড়ি এলাকায় রাস্তাঘাট নির্মাণকালে ভূমিধসপ্রবণ অঞ্চলের কথা বিবেচনায় আনা হয়নি। অর্থাৎ এত বড় একটা বিপর্যয়ের বিষয় গুরুত্ব পায়নি। এ কারণে প্রত্যেক বছরই এসব সড়কে ঘটছে ভূমিধস; হঠাৎ মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে যোগাযোগ। শুধু সড়কই নয়, মানুষের জানমাল এবং বাড়িঘর স্থাপনা সমেত অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। পাহাড়ধসে মর্মান্তিক প্রাণহানি আর সম্পদ নাশের সর্বশেষ ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা নানা অভিমত দিচ্ছেন। ড. আইনুন নিশাত বলেছেন, ‘ভূমিধস বা পাহাড়ধস ঠেকাতে শেকড় গভীরে যায়, এমন গাছের বন তৈরি করতে হবে।’ তার ভাষায়, ভূমিধস বা পাহাড়ধস হয় দু’টি কারণে। এক. অতিমাত্রায় বৃষ্টি, দুই. ভূমিকম্প। এর সাথে আছে পাহাড়ের মাটির গুণাবলি। ভূমিকম্পে যে শক্তিতে পাহাড় নাড়া খায়, যদি পাহাড়ের মাটির গুণাবলি ভালো হয়, তবে পাহাড় ধসের আশঙ্কা কম থাকে। কিন্তু পাহাড়ের মাটি যদি দুর্বল হয়Ñ বেলেমাটি ও কাদামাটির গঠন থাকে, তবে ধসের আশঙ্কটা বেড়ে যায়।
পাহাড়ের বুকে ভার্সিটিজীবন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ক্যাম্পাস পাহাড়, বন, রকমারি বৃক্ষ আর প্রাণিসম্পদে এখন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অনন্য। এই পাহাড় আগেও ছিল। অতীতে এখানে বনজঙ্গল ছিল নিশ্চয়ই। তবে আমরা যখন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম ও হলে থাকতাম, তখন সব পাহাড় ছিল সম্পূর্ণরূপে বৃক্ষশূন্য। সেই ফাঁকা পাহাড় ও টিলায় বৃক্ষায়ন বা বনায়ন শুরু হয় অনেক পরে। বহু বছরের বন উজাড় বা বৃক্ষনিধনের পরিণামে একসময় ক্যাম্পাসে বা আশপাশের পাহাড়ে গাছপালা আর অবশিষ্ট থাকেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার কিছু পরে ক্যাম্পাসের দীর্ঘ রাস্তার দু’পাশে বৃক্ষরোপণ করে এগুলোর পরিচর্যার পদক্ষেপ নেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উদ্যোগী ছিলেন উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের (মরহুম) প্রফেসর আবদুল আজিজ খান। আমরা তাকে দেখেছি নিজে বৃক্ষপরিচর্যার কাজ তত্ত্বাবধান করতে। পরে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হয়েছিলেন। ধর্মভীরু মানুষটি ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ভায়রা। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করতে হয়, ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে আমরা দেখলাম, বিভিন্ন হলের সামনে ইউক্যালিপটাস গাছ। এ ধরনের গাছ শুধু যে মাটিকে দূষিত করে, তা নয়; এর শেকড় অগভীর। একবার সামান্য ঝড়ে গাছগুলো উপড়ে পড়ে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমরা কয়েকজন ছাত্র একবার হাইকিং প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। সে দিন সকালে যাত্রা করে অবিরাম হেঁটে দুপুরে পৌঁছি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের কাছে। আমরা পদব্রজে পার হয়েছিলাম হাটহাজারী-সীতাকুণ্ড পাহাড়ের একটা অংশ। তখন আমাদের যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা হলোÑ এসব পাহাড় প্রায় ন্যাড়া বা ন্যাংটা; অর্থাৎ বৃক্ষশূন্য। আমাদের কয়েক ঘণ্টার পদযাত্রা অভিযানের সময় পুরো পাহাড়ে মাঝে মধ্যে বুনো কলার কিছু ঝোপ ছাড়া গাছপালা প্রায় চোখেই পড়েনি। পথে বারবার দেখা পেয়েছি আশপাশের জনপদের গরিব মানুষের। তারা পাহাড়ে জ্বালানি কাঠ বা লাকড়ির সন্ধানে গিয়ে যৎ সামান্য যা পাচ্ছিলেন, তা আঁটি বেঁধে মাথায় বা ঘাড়ে করে ফিরছিলেন। এ ছাড়াও, চট্টগ্রামে একাধারে কয়েক বছর অবস্থানকালে লক্ষ করতাম, এই বিরাট এলাকার পাহাড় ও টিলাগুলোর বিস্তীর্ণ অংশই একেবারে ফাঁকা, কোনো বন দূরের কথা, বৃক্ষ বলতে কিছু চোখে পড়ত না। এই অবস্থায় কী করে যে, পাহাড়গুলোতে বহু দিন ভয়াবহ ভূমিধস ঘটেনি, এটাই বিস্ময়ের ব্যাপার। অনেক ক্ষেত্রে শেষাবধি প্রকৃতির পাল্টা মার শুরু হয়ে যায়, ধস আর ধ্বংসের তাণ্ডব ঘটিয়ে। ন্যাড়া পাহাড় ছ্যাঁড়া বরাত। মানে, পাহাড় যদি বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়ে, তা হলে দুর্ভাগ্য নেমে আসে। এটাই দেখা গেল ১৯৭৬ সালের মাঝামাঝি। তখন চলছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ছুটি। এ সময় প্রথম বর্ষার প্রবল বর্ষণে ক্যাম্পাসে বৃক্ষশূন্য পাহাড় মারাত্মক ভূমিধসের কারণ হয়েছিল। এক রাতে পাশের পাহাড় ধসে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুদামের পাকা ভবন চাপা দেয়। সেই সাথে কয়েকজন প্রহরীও চাপা পড়েন। অনেক কষ্টে মাটি সরিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের লাশ বের করা হয়েছিল। এমন মর্মান্তিক ঘটনা এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে আর বোধ হয় ঘটেনি। পরে শুনেছি, রাতে প্রথমে একটা অস্পষ্ট মৃদু আওয়াজ কিছুক্ষণ শোনা যাওয়ার পরই বিশাল পাহাড় নেমে এসে চাপা দেয় মালামালসমেত গুদাম ও তার প্রহরীদের। আসলে ধসের শিকার হয় যে পাহাড়, সেটি ধীরে ধীরে যখন ভেঙে নিচের দিকে এগোতে থাকে, তখন ‘চলন্ত মাটি’র একধরনের মৃদু শব্দ হতে পারে। যারা এ ব্যাপারে সচেতন, তারা হয়তো দৌড়ে পালিয়ে অন্তত জানটা বাঁচাতে পারেন। কিন্তু যাদের এ ব্যাপারে জানা নেই কিংবা যারা তখন ঘুমে থাকেন, তাদের মাটিচাপা পড়া অনিবার্য হয়ে ওঠে।
প্রতিকারের জন্য পরামর্শ
কথায় বলে ‘অভাবে স্বভাব নষ্ট’। পাহাড়ি অঞ্চলে দরিদ্র বাঙালিদের অনেকে জনসংখ্যার চাপে বিপজ্জনক স্থানে বসতি গড়েছে। এ জন্য তারা অবৈধভাবে পাহাড় কেটেছে, সেই সাথে কেটেছে গাছপালাও। তবে শুধু ছিন্নমূল Settler বা বাঙালি বসতি স্থাপনকারীই নয়, পার্বত্য এলাকার কথিত আদিবাসী তথা বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর লোকেরাও এ জন্য অনেক ক্ষেত্রে দায়ী। বিশেষ করে তাদের ‘ঐতিহ্য’ হিসেবে গণ্য যে জুম চাষপ্রথা, এটাও ভূমিধসের কারণ ঘটায়। এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট সাধারণ মানুষের উপযুক্ত জীবিকা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালি হোক আর পাহাড়ি, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং সবার সমান অধিকারের নিশ্চয়তা সংবিধান দিয়েছে। তাদের মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করা সরকারের একটা গুরুদায়িত্ব। ভূমিধসপ্রবণ কিংবা এর আশঙ্কাপূর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের শুধু জীবিকা ও বসতির নিরাপত্তাই নয়, তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে অবকাঠামো নির্মাণসহ বিবিধ উন্নয়ন কার্যক্রমে। তাদের মধ্যে সৃষ্টি করতে হবে পরিবেশ রক্ষার ব্যাপারে সচেতনতা। বুঝাতে হবে যে, তাদের নিরাপদ জীবনের স্বার্থেই পাহাড় ও বন তথা প্রকৃতিকে অুণœ রাখতে হবে। পার্বত্যাঞ্চলের ুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের একটি পুরনো প্রথা হলো জুমচাষ। অনেকেই এটাকে ‘আবহমানকালের ঐতিহ্য’ হিসেবে গণ্য করে আবেগবশত এর ক্ষতির দিকটা এড়িয়ে যান। অতীতে জুমচাষের জন্য যথেষ্ট জমি পাওয়া যেত। এ কারণে প্রাকৃতিক বন সৃষ্টির জন্য ভূমি দীর্ঘ সময় অনাবাদি রাখা সম্ভব হতো। কিন্তু বেশ কয়েক বছর আগেই অনাবাদি রাখার সময়ের পরিধি দশ বছর থেকে মাত্র দু’তিন বছরে নেমে এসেছে। এটা পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। এর বড় কারণ, পার্বত্য অঞ্চলেও জনবসতি বৃদ্ধি পাওয়া। জুমচাষের ক্ষতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ভূমিক্ষয়, উর্বরতা হ্রাস, বন উজাড় ও বন্যপ্রাণীর আবাস বিনষ্ট হওয়া, নদীসহ জলাধার ক্রমশ ভরাট হয়ে যাওয়া। এই প্রেক্ষপটে জুমের ফলনও অনেক হ্রাস পেয়েছে। এর বিকল্প পন্থা উদ্ভাবন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। পাহাড়ধস ও এর পরিণামে জানমালের ধ্বংসতাণ্ডব সম্পর্কে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। গত ১০ বছরে সাড়ে ৪০০ মানুষ এবং কেবল এবারেই দেড় শতাধিক মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুই কি এ ব্যাপারে যথেষ্ট নয়? যদি এর পরও পাহাড় বাঁচাতে এবং প্রাণ ও সম্পদের বিনাশ ঠেকাতে স্থায়ী, বাস্তবধর্মী ও সমন্বিত পদক্ষেপ সরকার না নেয়, তা হলে হয়তো আরো বড় দুর্যোগই হবে আমাদের নিয়তি। এ ক্ষেত্রে উন্নয়নের সাথে প্রকৃতির তো বটেই, সরকারের সাথে এনজিও এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ঘটাতে হবে। পাহাড়ি এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, বসতি স্থাপন ও নগরায়নের মতো কর্মকাণ্ডে সর্বাগ্রে ও সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে পরিবেশগত মূল্যায়নকে। উন্নয়ন মানুষের জন্য। প্রকৃতি বিপন্ন হলে সে মানুষও বিপন্ন হয়ে পড়বে। তখন কোটি কোটি টাকার অবকাঠামোও কাজে আসবে না। সর্বোপরি, কর্তৃপক্ষকে সততা ও নিষ্ঠাসহকারে প্রকৃতি রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং সজাগ থাকতে হবে যাবতীয় অনিয়ম-অপচয়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আরেকটা কথা, পাহাড়ধস শুধু চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রাম নয়, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের যেখানে টিলা বা অনুচ্চ পাহাড় আছে, সেখানেও ঘটে মানুষ হতাহত হতে পারে। তাই সেসব এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। ঝড়, বন্যা, ভাঙন, ভূমিধসের মতো বিপর্যয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে যদি উদ্ধার ও ত্রাণতৎপরতা নিশ্চিত করা হয় তবে বিপর্যয় প্রতিরোধ কিংবা ক্ষতি হ্রাসের জন্য নিতে হয় স্থায়ী ব্যবস্থা, যার পেছনে থাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। সে ক্ষেত্রে, ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থানসহ পুনর্বাসনের কার্যক্রম তো থাকেই, সর্বোপরি থাকে সংশ্লিষ্ট বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করে সম্ভাব্য প্রতিকারের যথাসাধ্য উদ্যোগ। এবারকার পাহাড়ধসের বেলায়ও তা মনে রাখা জরুরি। এ জন্য বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সড়ক ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মতো দূরবর্তী জনপদের নিরাপত্তাও গুরুত্ব পেতে হবে। পার্বত্য জেলা শহরের সাথে বন্দরনগরীর ঝুঁকিপূর্ণ বসতির সমস্যাও মোকাবেলা করতে হবে। পাহাড়ে ভূমিধসকে প্রকৃতির ওপর মানুষের অত্যাচারের প্রতিশোধ হিসেবে দেখছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর খান তৌহিদ ওসমান। তিনি বলেছেন, “পাহাড়ি এলাকার বন-জঙ্গল ধ্বংস করা হচ্ছে। কেটে ফেলা হচ্ছে গাছপালা। অব্যাহত রয়েছে পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন। এতে করে পাহাড়ের ‘অভ্যন্তরীণ বন্ধন’ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এই দুর্বলতার কারণে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে হুড়মুড় করে পাহাড় ভেঙে পড়েছে।” ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’ বলে একটা কথা বহুল প্রচলিত। প্রকৃতি সর্বংসহা নয়। কারণ স্রষ্টা প্রকৃতিকে একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হওয়ার ব্যবস্থা রেখেছেন। এর ব্যতিক্রম হওয়া মানে, বিকৃতি ও অস্বাভাবিকতা। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়; প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এ জন্য মানুষ দায়ী এবং এর কুফল সর্বাধিক ভোগ করতে হয় মানুষকেই। এ যেন পাপের শাস্তি। কথায় বলে Nature gives and forgives. But man gets and forgets, প্রকৃতি মানুষকে দান করে এবং রক্ষা করে। মানুষ ভোগ করে এবং প্রকৃতির এ দানের কথা ভুলে যায়। সেই অকৃতজ্ঞ (কখনোবা কৃতঘœ) মানুষকে মাঝে মাঝে শিক্ষা দেয়ার জন্য এমনকি ক্ষমাশীল প্রকৃতিকেও কঠোর ও নিষ্ঠুর হতে হচ্ছে। তবুও মানুষের বোধোদয় হবে কি? তবুও কি ‘সৃষ্টির সেরা’ মানবসন্তান পাহাড় কাটা, বৃক্ষ বিনাশ, ঢালে বসতি প্রভৃতি অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ড বন্ধ করবে না ? বাংলাদেশের প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল পাহাড়ে পরিপূর্ণ এবং উত্তর-পূর্ব অংশে কিছু টিলা আছে। বহু দেশে পার্বত্য এলাকার পরিসর ও উচ্চতা এ দেশের চেয়ে অনেক বেশি। কোনো কোনো দেশের বেশির ভাগই পাহাড়পর্বতে ভরা। সেসব দেশ কিভাবে পাহাড়ে ভূমিধস ঠেকাচ্ছে এবং সেখানে টেকসই বসতি বা অবকাঠামো গড়ে তুলছে, তা জেনে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন শুধু নয়, পাশের ভারত আর কাছের নেপালও অনেক ক্ষেত্রে পাহাড়ি ভূমিধস নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চাইতে পারে তাদের সহযোগিতা। যথাযথ প্রস্তুতি দুর্যোগের ক্ষতি কমায়। অপ্রস্তুত থাকলে ধারণাতীত ক্ষতির শিকার হতে হয়।
রাজনীতি ও দুর্নীতি
দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ একজন লিখেছেন ডেইলি স্টারে। সুন্দর পাহাড় আজ ভয়াল মৃত্যুর উপত্যকা হয়ে উঠেছে। এর পেছনে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির ভূমিকা যে গুরুত্বপূর্ণ, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, Politically and socially empowered people of the society in conjunction with corrupt government officials are involved with hill graving and cutting in Bangladesh, violating the existing rules and regulations. পাহাড় কাটা এবং সেখানে পরিবেশের ক্ষতিসাধন কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি আইনি পদক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 18
(125)
- কেন কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক?
- সরকারি দল, বিরোধী দল ও মরার দল by ফারুক ওয়াসিফ
- কাতার-সৌদি বিরোধ ও মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে গ্রেট গেম by স...
- আর কত পিতা-মাতাকে গালি by শামীমুল হক
- রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল, আটক ৫
- ছাত্রলীগ নেতার ওপর ডিবি পুলিশের নির্মম নির্যাতন!
- চালের দাম নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য চায় জাপা
- অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি: প্রতিবেদন দাখিল পেছাল
- ব্রেক্সিট-বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে কাল
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতার খবরকে উড়িয়ে দিলেন...
- ‘ইউরোপের সেরা নেতা কোল’
- মার্কিন জাহাজটিতে মিলল নিখোঁজ নাবিকদের লাশ
- ৪ ঘণ্টা পর ফটক খুললেন সিটি করপোরেশন কর্মীরা
- যাত্রীর হাতব্যাগ থেকে ৫ কেজি সোনা উদ্ধার
- ভারী বর্ষণে টিলাধসে মা-মেয়ের মৃত্যু
- সড়কে প্রাণ গেল আরও ৬ জনের
- জোড়াতালির ঘাটে ঈদযাত্রা!
- ‘গুলিস্তান’ নেই, তবু আছে ৬৪ বছর ধরে
- খিলক্ষেতবাসী পানিবন্দী
- সপ্তাহে এক দিন জমে থাকা পানি ফেলে দিন
- ফটক বন্ধ করে আন্দোলনে সিটি করপোরেশন কর্মীরা
- মসজিদ থেকে বাসায় ইফতারি!
- শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কার্যত বাড়েনি
- এই শিশুরা কার কাছে যাবে?
- আবগারি শুল্ক নামটাই পাল্টাতে চান অর্থমন্ত্রী
- ২ ঘণ্টা হ্যাকারদের দখলে ছিল আইসিটি বিভাগের ওয়েবসাইট
- নতুন ভ্যাট প্রত্যাহার চান অ্যালুমিনিয়াম ব্যবসায়ীরা
- কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির পথে দেশ?
- ঘোষিত সময়ে ঈদ বোনাস পাননি পোশাকশ্রমিকেরা
- ফ্ল্যাটের দাম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে
- আবারও কি কেদারের কীর্তি?
- বাবার সঙ্গ পায় না অর্ধেকের বেশি শিশু
- কেন এত ‘টেস্ট’ দেন চিকিৎসক?
- ৫০ দিনে একটি গানের ভিডিও!
- আফগানিস্তনে পাকিস্তানী ২ কূটনীতিক অপহরণ
- কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন রণতরী
- আদর্শ বাবার গুণের কথা জেনে নিন
- নিখোঁজ ৭ মার্কিন নাবিকের লাশ উদ্ধার
- নারীদের শৌচকর্মের ছবি তোলার প্রতিবাদে প্রাণ হারালে...
- নোংরা রাজনীতি করছেন খালেদা জিয়া: হানিফ
- নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সোমবার বিএনপির বিক্ষোভ
- রুট পরিবর্তন করায় নিরাপত্তা দেয়া যায়নিঃ ওসি রাঙ্গু...
- জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ওবায়দুল কাদের
- রাঙ্গামাটির পরিস্থিতি ‘মহাবিপর্যয়কর’: জেলা প্রশাসক
- শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে অবাধে চলছে অবৈধ সিএনজি ...
- কমলগঞ্জে গ্রামবাসীর সেচ্চাশ্রমে ধলাই নদীর ঝুঁকিপূর...
- কাঁঠালিয়ার প্রায় ২ লাখ লোকের স্বাস্থ্য সেবায় ৩ চিক...
- বজ্রপাতে নড়াইলে আ’লীগ নেতার মৃত্যু
- কলাপাড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার-১
- যশোরে বজ্রপাতে ভাইবোনের মৃত্যু
- পাহাড়ধসে খাগড়াছড়িতে ৩ শিশুর মৃত্যু
- লন্ডনে আগুন : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮
- পর্তুগালে দাবানলে নিহত ২৪
- 'আমেরিকাকে শাস্তি দেয়ার উপকরণ আছে ইরানের কাছে'
- নিউইয়র্কে হেট ক্রাইমের শিকার বাংলাদেশী ইমাম
- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খ্রিষ্টানদের বাঁচাচ্ছেন মুসলিমরা
- চিলিতে ঝড়ে ৪ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
- শপিং মলে হঠাৎ বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৩
- দেশে দুর্ভিক্ষের হাতছানি : আ স ম রব
- পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়েও সন্তানকে বাঁচাতে পারলেন না মা
- মাদারীপুরে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষ, নিহত ৩
- ওবায়দুল কাদেরের টাকার খনি
- একজন কর্মিবান্ধব নেতা
- মৃত্যুর বিভীষিকা ও মানুষের দায়
- আরববিশ্বে শক্তির ভারসাম্যে অনারব ভূমিকা
- স্ম র ণ : স্যার আবদুল হালীম গজনবী
- ডিএসইসির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
- শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ যাত্রী আটক
- ভালো পারফরমেন্সের 'মন্ত্র' জানালেন বিরাট
- পাক-ভারত ম্যাচে ধারাভাষ্যকার শাহরুখ!
- টিভিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল দেখবে কত কোটি দ...
- পাকিস্তান যেন ফিনিক্স পাখি
- আজ ফাইনাল : ভারতের টপ-অর্ডার ভার্সেস পাকিস্তান পেস...
- নিখোঁজ ৭ মার্কিন নাবিকের লাশ উদ্ধার
- তেরেসা এবার বিদায় হও
- প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ট্রাম্পের ব্যবসায় রমরমা
- খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ শিশুর মৃত্যু
- নারীদের শৌচাগারে বিস্ফোরণে নিহত ৩
- পর্তুগালে দাবানলে নিহত ২৪
- রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন না সুষমা
- জাতিসংঘের নির্বাচনে শোচনীয় হার পাকিস্তানের
- ব্রিটিশ রানীর বিষণ্ণ জন্মদিন
- কুমিরের মুখে যুবকের মাথা, অতঃপর...
- লন্ডনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫৮, চাপের মুখে সরকার
- কাতারের বিরুদ্ধে ‘ক্ষোভের’ তালিকা করছে সৌদি আরব
- নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে দার্জিলিং পরিস্থিতি
- প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ট্রাম্পের ব্যবসায় রমরমা
- স্বর্গ থেকে তোমাদের সাহায্য করে যাব
- বজ্রপাতে আ'লীগ নেতার মৃত্যু
- উদ্ধার হয়েছেন মুসা ইব্রাহিম
- শাহজালালে পৌনে তিন কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ
- সাত তলা থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মডেলের
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতে আটকে পড়েছেন মুসা ইব্রাহীম
- পাইলট নিক্সনকে দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ফ্লাইট চালাচ্ছে বিমান
- ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ
- কয়লা থেকে নির্গত পারদ জীববৈচিত্র্য ঝুঁকিতে ফেলবে
- চলতি সপ্তাহ জুড়েই বৃষ্টির আশঙ্কা
- নকল যন্ত্রাংশে ৭ ড্রেজার বিকল
- সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাসের স্ত্রী আর নেই
- রাঙ্গুনিয়ায় মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
- খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে ২ ভাইয়ের মৃত্যু
- বড়লেখায় পাহাড় ধসে মা-মেয়ের মৃত্যু
- ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, পুলিশ সদস্যকে গণধোলাই
- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট
- মাদারীপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩
- ফতুল্লায় গার্মেন্ট কন্ট্রাক্টরকে কুপিয়ে জখম
- সব হারানো হোসনে আরার বিলাপ থামছে না
- চট্টগ্রামের ‘পাহাড়খেকো’ জসিমের এত দাপট!
- ‘সংবিধান অজুহাত’ ছাড়ুন নির্বাচনে নিতে চাইলে
- ইতেকাফের মর্যাদা অশেষ
- আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না দুর্গত মানুষের
- শার্ট জিন্স পাঞ্জাবি তরুণদের পছন্দ
- ঈদ ও নির্বাচনকে ঘিরে চাঙ্গা গ্রামীণ অর্থনীতি
- সম্মিলিত আরব ভিশনই উগ্রপন্থীদের পরাজিত করতে পারে
- চাকরিতে বিধিবদ্ধ ‘ছাত্রলীগ কোটা’!
- মজাদার খাবার ফালুদা
- প্রাপ্তি আর আক্ষেপ নিয়ে মাশরাফিদের ফেরা
- ‘রোনাল্ডোর চোখ কনফেডারেশন্স কাপে’
- চোখে চুলকানি ও লাল হওয়া
- সংখ্যা নয় মানের দিকে বেশি নজর দিয়েছি
- সেন্সরে জমা পড়েছে শাকিব খানের নবাব
- ঈদের নাটকে ফের একসঙ্গে তারিন ও চঞ্চল
- ঈদের ইত্যাদিতে অর্ধশতাধিক বিদেশি
- নৌকা ডুবে গেছে, কেউ তুলতে পারবে না : খালেদা জিয়া
-
▼
Jun 18
(125)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment