Saturday, February 28, 2015
অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড- প্রশ্নের মুখোমুখি পুলিশ
অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড- প্রশ্নের মুখোমুখি পুলিশ
শাহবাগ
থানা থেকে দুরত্ব দুইশ’ গজ। ঘটনাস্থলের কাছেই ছিল পুলিশের নিরাপত্তা টহল
দল। গ্রন্থমেলার ফটক ঘিরে আরও কয়েক স্থানে ছিল পুলিশের অবস্থান। সঙ্গে
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল দলের অবস্থানও ছিল আশপাশের সড়কে।
এমন নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই ব্লগার অভিজিৎ রায়কে নৃশংসভাবে খুন করে
দুর্বৃত্তরা। চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর তারা নির্বিঘ্নে
এলাকা ত্যাগ করলেও কোথাও কোন বাধার মুখে পড়েনি। পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন,
ওই এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা টহল ছিল। তাহলে কিভাবে খুনিরা নির্বিঘ্নে এমন
হত্যাকাণ্ড ঘটালো- এমন প্রশ্নের মুখোমুখি পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত
কোন ক্লু উদঘাটনের খবর জানাতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের দুই ঘণ্টার
মধ্যেই আনসার বাংলা-৭ নামের একটি সংগঠন দায় স্বীকার করে বলে পুলিশ দাবি
করেছে। তবে এর আগে এই সংগঠনের অস্তিত্বের কথা জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী, নিহতের স্বজন, ব্লগার ও বিভিন্ন সংঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলের ৫০ গজ দূরেই দায়িত্ব পালন করছিল পুলিশ। সেখানে ছিল পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান। হামলার শিকার হয়ে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী বন্যা ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে যাননি। ঠাণ্ডা মাথায় দুর্বৃত্তরা অভিজিতের মৃত্যু নিশ্চিত করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।
গতকাল সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, রক্তের দাগ লেগে আছে ফুটপাতে, রাস্তায়। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অনেকে। ঘটনাস্থলটি রাজু ভাস্কর্য থেকে ২৫ গজ দূরে উত্তর দিকে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ফুটপাত। প্রায় ২০০ গজ দূরে শাহবাগ থানা। ঘটনাস্থলের পাশেই গ্রন্থমেলা উপলক্ষে পুলিশের ব্যারিকেড। পুরো ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী সেখানে প্রহরায় ছিল পুলিশ। গ্রন্থমেলামুখী সব লোককে এখানে দেহ তল্লাশি করে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। ঘটনাস্থল দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ গ্রন্থমেলায় আসা-যাওয়া করেন। টিএসসিতে বসে আড্ডা দেন তরুণ-তরুণীরা। গ্রন্থমেলা ছাড়াও বাংলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই এলাকাটি নিরাপত্তা বলয়ে থাকে। গ্রন্থমেলা উপলক্ষে তা আরও জোরদার করা হয়েছে। এমন নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই নির্বিঘ্নে অভিজিৎকে হত্যার ঘটনায় স্তব্ধ খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা। এ ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্নের জবাব মিলছে না তাদের কাছে। অভিজিৎ হত্যার পরপরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের আশপাশের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা পেছন দিক থেকে অভিজিৎকে কোপাতে থাকে। এ সময় অভিজিৎকে রক্ষা করার জন্য বন্যা এগিয়ে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতকারীদের চাপাতির আঘাতে বন্যার একটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ততক্ষণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অভিজিৎ। রক্তে ভেসে যায় ফুটপাত। তার মাথা থেকে মগজ বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। অভিজিৎ মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ার পর দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। তখন চিৎকার করে লোকজনের সাহায্য চান বন্যা। আশপাশে কিছু লোক জড়ো হলেও তারা নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনকি পাশে দায়িত্ব পালনরত পুলিশও প্রথমে বন্যার চিৎকারে সাড়া দেয়নি। এভাবে কয়েক মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর একজন আলোকচিত্রীসহ কয়েকজন এগিয়ে যান। তাদের সহযোগিতায় অভিজিৎ ও বন্যাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রন্থমেলার তখন টিএসসি ব্যারিকেডের দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুজ্জামান। ওয়াহিদুজ্জামান মানবজমিনকে বলেন, আমরা (পুলিশ সদস্যরা) তখন গ্রন্থমেলার দায়িত্ব পালন করছিলাম। আমাদের অবস্থান ছিল গ্রন্থমেলার টিএসসি ব্যারিকেডে। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি। একপর্যায়ে চিৎকার শুনে এগিয়ে যাই। ততক্ষণে কয়েক ব্যক্তি আহতদের সহযোগিতা করে সিএনজি অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে নিয়ে যান। এসআই ওয়াহিদুজ্জামান জানান, ঘটনা বুঝতে পেরে ওই অটোরিকশার পেছনে- পেছনে হাসপাতালে যান তিনি।
এ বিষয়ে রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান বলেন, অনেক সময় জনসমাগম এলাকায় টার্গেট ওরিয়েন্টেড কিলিং এ অংশ নেয়াদের হাতেনাতে ধরা কঠিন হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ডিবি পুলিশসহ র্যাব ও সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্নস্থানে অভিযানও চলছে বলে জানান তিনি। নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে মন্তব্য করে শিবলী নোমান বলেন, এটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর কাজ।
তদন্তে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা মনে করেন, কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষিত ছিল। যে কারণে জনসমাগম এলাকায় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে তারা নিরাপদে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বৃহস্পতিবার গ্রন্থমেলায় যাওয়ার পর থেকেই দুষ্কৃতকারীরা তাকে অনুসরণ করছিল বলে তারা মনে করেন। কিলিং মিশনে অংশ নেয়া একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। মূল কিলিংয়ে দুই জন অংশ নিলেও পরোক্ষভাবে আরও কয়েকজন ছিল হত্যা মিশনে। ঘটনাস্থলের আশপাশেই তারা অবস্থান নিয়েছিল। এসব বিষয়কে সামনে রেখেই তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা জঙ্গিরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আনসার বাংলা সেভেন নামের একটি গ্রুপ টুইটারে এ হত্যাকাণ্ডকে নিজেদের বিজয় বলে দাবি করেছে। এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তিনি জানান, প্রত্যক্ষদর্শীরা তেমন কোন তথ্য দিতে পারেনি। তবে সেলিম নামে এক ফুল বিক্রেতা পুলিশকে জানিয়েছেন, কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী দুজন মধ্যে একজনের পরনে সাদা শার্ট, অন্যজনের পরনে ছিল কোট। তাদের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে। অত্যন্ত ক্ষীপ্রতার সঙ্গে অভিজিৎকে কুপিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা স্থান ত্যাগ করে। প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম চিৎকার করেন। এ সময় হামলাকারীরা তার দিকে তেড়ে গেলে তিনি ভয়ে পালিয়ে যান। অভিজিৎকে হত্যার দুই ঘণ্টার মধ্যেই আনসার বাংলা-৭ নামের টুইটার একাউন্ট থেকে অভিজিৎ হত্যার দায় স্বীকার করা হয়েছে। টুইটার বার্তায় লেখা আছে, ‘জয় নোজ নো বাউন্ডস, ভিআইপি টার্গেট ইজ ডাউন ইন ঢাকা।’ এবং ‘আল্লাহু আকবর.. বাংলাদেশে আজ একটি বিশাল সাফল্য। টার্গেট ইজ ডাউন..।’ ‘আনসার বাংলা ৭’ নামের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ওই টুইট করার পর হত্যার দায় স্বীকার করে আরও বেশকিছু টুইট করা হয়। ওইসব টুইটে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডকে ‘বিজয়’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। ‘আনসার বাংলা ৭’ নামের সংগঠনকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সহযোগী বলে মনে করছে পুলিশ। যদিও এ নামের কোন সংগঠনের অস্থিত্বের বিষয়ে আগে শোনা যায়নি।
অভিজিতের বন্ধু ও তার একাধিক বইয়ের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল জানান, প্রগতিশীল এই লেখককে বিভিন্ন সময়ে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। ঘটনার দিন স্ত্রী বন্যাকে নিয়ে বইমেলায় যান অভিজিৎ। সেখানে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে বের হলেই এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি বইমেলা উপলক্ষে দেশে ফিরেন অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী বন্যা। তাদের ধারণা, দেশে ফেরার পর থেকেই অভিজিৎকে টার্গেট করছিল দুষ্কৃতকারীরা। ব্লগে ধর্ম, বিশ্বাস, বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখির কারণে তার ওপর একটি মহল ক্ষুব্ধ ছিল। তারা বিভিন্ন সময়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। যে কারণে অভিজিৎকে নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা। অভিজিৎ দেশে থাকুক, এটা চাইতেন না তার পরিবারের লোকজন। অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অজয় রায় বলেন, আমি অভিজিৎকে বলেছিলাম- তোমার মতো মানুষের জন্য এই দেশ সুখকর না। আমি যে আশঙ্কা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। ওরা আমার ছেলেকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করলো। সরকার চাইলেই খুনিদের গ্রেপ্তার করতে পারে বলে মনে করেন অজয় রায়। তিনি বলেন, খুনি কারা তা সবাই জানে। জঙ্গিগোষ্ঠীরাই অভিজিৎকে হত্যা করেছে। তাদের সব নথিপত্র পুলিশের কাছে রয়েছে। সরকার চাইলেই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারে। এ ঘটনায় অজয় রায় বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক সুব্রত জানান, মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া চাপাতি ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আলমত ও বিভিন্ন সূত্রধরে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। হত্যাকারীরা যে চাপাতি ব্যবহার করেছে তার বাট কাগজ দিয়ে মোড়ানো ছিল।
শুক্রবার অভিজিতের লাশের ময়নাতদন্ত করেছেন ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকরা। এ বিষয়ে ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ বলেন, অভিজিৎ রায়ের মাথার ডান পাশে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ধারাল অস্ত্রের তিনটি আঘাত রয়েছে। আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। একটি আঘাত থেকে আরেকটি আঘাতের দূরত্ব আধা ইঞ্চি, সবগুলোই সমান্তরাল। একটি আরেকটির ওপর পড়েনি। ওই আঘাত এতই মারাত্মক ছিল যে চামড়া ও হাড় কেটে একেবারে মগজে পৌঁছেছে। এছাড়া পিঠে ও বাঁ চোখের ভ্রূর কাছে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার রাতে হামলার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাতে সাড়ে ১০টায় মৃত্যু হয় অভিজিৎ রায়ের। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অভিজিৎ রায়ের স্ত্রী বন্যা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বন্যাকে ঢামেক হাসপাতাল থেকে স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরের পর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। অভিজিতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শ্রদ্ধা জানানোর পর তার ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ ঢাকা মেডিক্যালে দান করা হবে শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য।
গত আট বছর যাবৎ পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন অভিজিৎ রায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. অজয় রায়ের পুত্র। দেশে এলে তিনি তার পিতার বাসা বড় মগবাজারের ইস্টার্ন হাউজিংয়ে এবং মামার বাসা ইন্দিরা রোডে থাকতেন। তিনি মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা। সেই সঙ্গে বিজ্ঞান, বিশ্বাস ইত্যাদি বিষয়ে লেখালেখি করতেন তিনি। সমপ্রতি শূন্য থেকে মহাবিশ্ব ও ভিক্টোরিয়া ওকাম্পে নামে তার দুটি বই প্রকাশ হয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার দিনভর লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যা ও ব্লগার রাফিদা বন্যার ওপর হামলার প্রতিবাদে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভেস্ট, গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন শাহবাগে মিছিল ও সমাবেশ করেছে। খুনিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা না হলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে জানান তারা। একই সঙ্গে এ হামলার জন্য মৌলবাদী শক্তির তৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্লিপ্ততাকেও দায়ী করা হয়।
ঢাবিতে দিনভর বিক্ষোভ, প্রতিবাদ
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার জানান, লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের নৃশংস হত্যকাণ্ডের প্রতিবাদে গতকাল দিনভর প্রতিবাদ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশসহ এসব কর্মসূচি পালন করে। সমাবেশে বক্তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সুরক্ষিত এলাকায় এ হত্যাকণ্ডের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এর দায় সরকারকেও নিতে হবে। একই সঙ্গে ধর্মাশ্রয়ী জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে সারা দেশে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলারও আহ্বান জানানো হয়। সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ‘আক্রান্ত মুক্তচিন্তা’- শিরোনামে প্রতিবাদী ছাত্র-শিক্ষক-নাগরিকরা। সমাবেশে লেখক অভিজিৎ হত্যা ও ব্লগার রাফিদা বন্যার হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের পরিচালনায় সমাবেশে বিশিষ্টজনরা বক্তৃতা করেন। লেখক ও কলামনিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের সময় যেভাবে দেশের প্রগতিশীল মানুষদের হত্যা করা হয়েছিল, হুমায়ুন আজাদকে হত্যা করেছে তারই ধারাবাহিকতায় অভিজিৎকে হত্যা করা হয়। এর মাধ্যমে দেশে প্রগতিশীল মানুষের প্রতিনিধিকে হত্যা করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে শপথ নেয়ার, যাতে প্রতিশীল আন্দোলন হারিয়ে না যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এমএম আকাশ বলেন, মুক্তচিন্তা ধারণাটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। হত্যা করে এর অগ্রগতি বন্ধ করা যাবে না। আনসারউল্লাহ বাংলা টিম বাংলাদেশকে কুয়োর ব্যাঙ বানাতে চায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এজেএম শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, যারা বাংলাদেশকে বাংলাস্তান বানাতে চায় তারাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির বলেন, যারা অভিজিৎকে হত্যা করেছে তারা লেখার মাধ্যমে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একুশে গ্রন্থমেলায় মানুষের ভিড়ে কুপিয়ে মারার সাহস তারা কোথায় পায়? হত্যাকারীরা প্রগতিশীল, মুক্ত এবং জনগণের বাংলাদেশ চায় না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম প্রসিকিউটর রাণা দাশ গুপ্ত বলেন, সাঈদীর রায়ের পর ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে সাধারণ মানুষ এবং সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। দেশে গৃহযুদ্ধ বাধানোর জন্য জঙ্গিরা এ হত্যকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি পুলিশের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যেসব পুলিশ সদস্য হত্যাকাণ্ডের অদূরে দায়িত্বে ছিল তারপরও অভিজিৎ ও তার স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ক্ষুদ্রস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী বলেন, কার কাছে নিন্দা জানাবো? কার কাছে বিচার চাইবো? তারা কি বিচার করবেন? গ্রন্থমেলায় আমরা প্রকাশকরা প্রবেশের সময় বারবার সার্চ করা হয়। কিন্তু এত নিরাপত্তার মধ্যেও কিভাবে দু’জন ঘাতক অস্ত্রসহ হামলা চালালো বুঝে আসে না। সাংবাদিক কামাল লোহানী বলেন, যারা ঘাতক তাদের প্রতি ঘৃণা তো রয়েছেই পাশাপাশি যারা বিচার অসমাপ্ত রেখে তাদের সুযোগ করে দিয়েছেন তাদের প্রতিও ঘৃণা জানাচ্ছি। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম যে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন তা সম্পন্ন করতে পারলে হত্যাকারীরা এত সাহস পেতো না।
তিনি বলেন, গ্রন্থমেলা জুড়ে পুলিশের স্তরের পর স্তর নিরাপত্তা রয়েছে। সে স্তরের মধ্যে কিভাবে অস্ত্রসহ ঘাতকরা আসে এবং পুলিশ সে সময় কি করছিল তার জবাব পুলিশের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। কামাল লোহানী বলেন, এদেশের মানুষ যেমন মরতে জানে তেমনি মারতেও জানে। তিনি দেশের সকল প্রগতিবাদী মানুষকে এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেক বলেন, অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এসব ঘটনার কোন বিচার হয় না। প্রচার রয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রাজধানীর সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা। এখানে সার্বক্ষণিক পুলিশের পাহারা থাকে। পাশাপাশি একটি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও পাহারা বসায়। এর মাঝেও মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় সরকারের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেয়ার কথা ফাঁকা বুলি। তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যেন সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে এটিও হারিয়ে না যায়। তিনি এ ঘটনার জন্য ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়ী করেছেন।
গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জুনায়েদ সাকী বলেন, বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড হয় ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য, ক্ষমতায় থাকার জন্য। পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে সরকার জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারে না। একমাত্র জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই নিরাপত্তা দিতে পারে। সমাবেশ শেষে রাত ১০টা পর্যন্ত সেখানে প্রতিবাদী গান পরিবেশ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মী ও বিক্ষুব্ধরা। সন্ধ্যায় হত্যাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রগতিশীল ছাত্রজোট কর্মসূচি ঘোষণা করে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সকাল থেকে কালো ব্যাজ ধারণ, বেলা ১২টায় ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী মিছিল ও দুপুর ১টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন। ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট। দোষীদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মশাল মিছিল করেছে ছাত্রলীগ, গণজাগরণ মঞ্চ ও প্রগতিশীল ছাত্রজোট। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের স্থানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
গণজাগরণ মঞ্চের লাগাতার অবস্থান: এদিকে লেখক ও ব্লগার অভিজিতের হত্যার প্রতিবাদে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছে মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার পক্ষ। অভিজিৎ এর হত্যাকারী ও পরিকল্পনাকারীরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন ডা. ইমরান। গতকাল সকাল ১০টা থেকে এ অবস্থান শুরু হয়। এ সময় ডা. ইমরান বলেন, যারা অভিজিৎ রায়কে হত্যা করেছে তারা আত্মস্বীকৃত মৌলবাদী জঙ্গিগোষ্ঠী। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জঙ্গি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, একই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে। অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ, অধ্যাপক শফিউল, ব্লগার রাজীব হায়দারকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর গতকাল অভিজিৎকেও হত্যা করা হলো। অথচ হত্যাকারী জঙ্গিগোষ্ঠীর কোন বিচার হচ্ছে না।
প্রত্যক্ষদর্শী, নিহতের স্বজন, ব্লগার ও বিভিন্ন সংঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলের ৫০ গজ দূরেই দায়িত্ব পালন করছিল পুলিশ। সেখানে ছিল পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান। হামলার শিকার হয়ে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী বন্যা ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে যাননি। ঠাণ্ডা মাথায় দুর্বৃত্তরা অভিজিতের মৃত্যু নিশ্চিত করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।
গতকাল সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, রক্তের দাগ লেগে আছে ফুটপাতে, রাস্তায়। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অনেকে। ঘটনাস্থলটি রাজু ভাস্কর্য থেকে ২৫ গজ দূরে উত্তর দিকে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ফুটপাত। প্রায় ২০০ গজ দূরে শাহবাগ থানা। ঘটনাস্থলের পাশেই গ্রন্থমেলা উপলক্ষে পুলিশের ব্যারিকেড। পুরো ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী সেখানে প্রহরায় ছিল পুলিশ। গ্রন্থমেলামুখী সব লোককে এখানে দেহ তল্লাশি করে প্রবেশ করতে দেয়া হয়। ঘটনাস্থল দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ গ্রন্থমেলায় আসা-যাওয়া করেন। টিএসসিতে বসে আড্ডা দেন তরুণ-তরুণীরা। গ্রন্থমেলা ছাড়াও বাংলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই এলাকাটি নিরাপত্তা বলয়ে থাকে। গ্রন্থমেলা উপলক্ষে তা আরও জোরদার করা হয়েছে। এমন নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই নির্বিঘ্নে অভিজিৎকে হত্যার ঘটনায় স্তব্ধ খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা। এ ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্নের জবাব মিলছে না তাদের কাছে। অভিজিৎ হত্যার পরপরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের আশপাশের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা পেছন দিক থেকে অভিজিৎকে কোপাতে থাকে। এ সময় অভিজিৎকে রক্ষা করার জন্য বন্যা এগিয়ে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতকারীদের চাপাতির আঘাতে বন্যার একটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ততক্ষণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অভিজিৎ। রক্তে ভেসে যায় ফুটপাত। তার মাথা থেকে মগজ বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। অভিজিৎ মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ার পর দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। তখন চিৎকার করে লোকজনের সাহায্য চান বন্যা। আশপাশে কিছু লোক জড়ো হলেও তারা নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনকি পাশে দায়িত্ব পালনরত পুলিশও প্রথমে বন্যার চিৎকারে সাড়া দেয়নি। এভাবে কয়েক মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর একজন আলোকচিত্রীসহ কয়েকজন এগিয়ে যান। তাদের সহযোগিতায় অভিজিৎ ও বন্যাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রন্থমেলার তখন টিএসসি ব্যারিকেডের দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুজ্জামান। ওয়াহিদুজ্জামান মানবজমিনকে বলেন, আমরা (পুলিশ সদস্যরা) তখন গ্রন্থমেলার দায়িত্ব পালন করছিলাম। আমাদের অবস্থান ছিল গ্রন্থমেলার টিএসসি ব্যারিকেডে। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি। একপর্যায়ে চিৎকার শুনে এগিয়ে যাই। ততক্ষণে কয়েক ব্যক্তি আহতদের সহযোগিতা করে সিএনজি অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে নিয়ে যান। এসআই ওয়াহিদুজ্জামান জানান, ঘটনা বুঝতে পেরে ওই অটোরিকশার পেছনে- পেছনে হাসপাতালে যান তিনি।
এ বিষয়ে রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান বলেন, অনেক সময় জনসমাগম এলাকায় টার্গেট ওরিয়েন্টেড কিলিং এ অংশ নেয়াদের হাতেনাতে ধরা কঠিন হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ডিবি পুলিশসহ র্যাব ও সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্নস্থানে অভিযানও চলছে বলে জানান তিনি। নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে মন্তব্য করে শিবলী নোমান বলেন, এটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর কাজ।
তদন্তে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা মনে করেন, কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষিত ছিল। যে কারণে জনসমাগম এলাকায় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে তারা নিরাপদে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বৃহস্পতিবার গ্রন্থমেলায় যাওয়ার পর থেকেই দুষ্কৃতকারীরা তাকে অনুসরণ করছিল বলে তারা মনে করেন। কিলিং মিশনে অংশ নেয়া একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। মূল কিলিংয়ে দুই জন অংশ নিলেও পরোক্ষভাবে আরও কয়েকজন ছিল হত্যা মিশনে। ঘটনাস্থলের আশপাশেই তারা অবস্থান নিয়েছিল। এসব বিষয়কে সামনে রেখেই তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা জঙ্গিরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আনসার বাংলা সেভেন নামের একটি গ্রুপ টুইটারে এ হত্যাকাণ্ডকে নিজেদের বিজয় বলে দাবি করেছে। এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তিনি জানান, প্রত্যক্ষদর্শীরা তেমন কোন তথ্য দিতে পারেনি। তবে সেলিম নামে এক ফুল বিক্রেতা পুলিশকে জানিয়েছেন, কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী দুজন মধ্যে একজনের পরনে সাদা শার্ট, অন্যজনের পরনে ছিল কোট। তাদের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে। অত্যন্ত ক্ষীপ্রতার সঙ্গে অভিজিৎকে কুপিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা স্থান ত্যাগ করে। প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম চিৎকার করেন। এ সময় হামলাকারীরা তার দিকে তেড়ে গেলে তিনি ভয়ে পালিয়ে যান। অভিজিৎকে হত্যার দুই ঘণ্টার মধ্যেই আনসার বাংলা-৭ নামের টুইটার একাউন্ট থেকে অভিজিৎ হত্যার দায় স্বীকার করা হয়েছে। টুইটার বার্তায় লেখা আছে, ‘জয় নোজ নো বাউন্ডস, ভিআইপি টার্গেট ইজ ডাউন ইন ঢাকা।’ এবং ‘আল্লাহু আকবর.. বাংলাদেশে আজ একটি বিশাল সাফল্য। টার্গেট ইজ ডাউন..।’ ‘আনসার বাংলা ৭’ নামের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ওই টুইট করার পর হত্যার দায় স্বীকার করে আরও বেশকিছু টুইট করা হয়। ওইসব টুইটে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডকে ‘বিজয়’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। ‘আনসার বাংলা ৭’ নামের সংগঠনকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সহযোগী বলে মনে করছে পুলিশ। যদিও এ নামের কোন সংগঠনের অস্থিত্বের বিষয়ে আগে শোনা যায়নি।
অভিজিতের বন্ধু ও তার একাধিক বইয়ের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল জানান, প্রগতিশীল এই লেখককে বিভিন্ন সময়ে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। ঘটনার দিন স্ত্রী বন্যাকে নিয়ে বইমেলায় যান অভিজিৎ। সেখানে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে বের হলেই এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি বইমেলা উপলক্ষে দেশে ফিরেন অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী বন্যা। তাদের ধারণা, দেশে ফেরার পর থেকেই অভিজিৎকে টার্গেট করছিল দুষ্কৃতকারীরা। ব্লগে ধর্ম, বিশ্বাস, বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখির কারণে তার ওপর একটি মহল ক্ষুব্ধ ছিল। তারা বিভিন্ন সময়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। যে কারণে অভিজিৎকে নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা। অভিজিৎ দেশে থাকুক, এটা চাইতেন না তার পরিবারের লোকজন। অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অজয় রায় বলেন, আমি অভিজিৎকে বলেছিলাম- তোমার মতো মানুষের জন্য এই দেশ সুখকর না। আমি যে আশঙ্কা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। ওরা আমার ছেলেকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করলো। সরকার চাইলেই খুনিদের গ্রেপ্তার করতে পারে বলে মনে করেন অজয় রায়। তিনি বলেন, খুনি কারা তা সবাই জানে। জঙ্গিগোষ্ঠীরাই অভিজিৎকে হত্যা করেছে। তাদের সব নথিপত্র পুলিশের কাছে রয়েছে। সরকার চাইলেই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারে। এ ঘটনায় অজয় রায় বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক সুব্রত জানান, মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া চাপাতি ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আলমত ও বিভিন্ন সূত্রধরে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। হত্যাকারীরা যে চাপাতি ব্যবহার করেছে তার বাট কাগজ দিয়ে মোড়ানো ছিল।
শুক্রবার অভিজিতের লাশের ময়নাতদন্ত করেছেন ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকরা। এ বিষয়ে ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ বলেন, অভিজিৎ রায়ের মাথার ডান পাশে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ধারাল অস্ত্রের তিনটি আঘাত রয়েছে। আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। একটি আঘাত থেকে আরেকটি আঘাতের দূরত্ব আধা ইঞ্চি, সবগুলোই সমান্তরাল। একটি আরেকটির ওপর পড়েনি। ওই আঘাত এতই মারাত্মক ছিল যে চামড়া ও হাড় কেটে একেবারে মগজে পৌঁছেছে। এছাড়া পিঠে ও বাঁ চোখের ভ্রূর কাছে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার রাতে হামলার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাতে সাড়ে ১০টায় মৃত্যু হয় অভিজিৎ রায়ের। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অভিজিৎ রায়ের স্ত্রী বন্যা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বন্যাকে ঢামেক হাসপাতাল থেকে স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরের পর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। অভিজিতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শ্রদ্ধা জানানোর পর তার ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ ঢাকা মেডিক্যালে দান করা হবে শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য।
গত আট বছর যাবৎ পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন অভিজিৎ রায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. অজয় রায়ের পুত্র। দেশে এলে তিনি তার পিতার বাসা বড় মগবাজারের ইস্টার্ন হাউজিংয়ে এবং মামার বাসা ইন্দিরা রোডে থাকতেন। তিনি মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা। সেই সঙ্গে বিজ্ঞান, বিশ্বাস ইত্যাদি বিষয়ে লেখালেখি করতেন তিনি। সমপ্রতি শূন্য থেকে মহাবিশ্ব ও ভিক্টোরিয়া ওকাম্পে নামে তার দুটি বই প্রকাশ হয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার দিনভর লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যা ও ব্লগার রাফিদা বন্যার ওপর হামলার প্রতিবাদে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভেস্ট, গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন শাহবাগে মিছিল ও সমাবেশ করেছে। খুনিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা না হলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে জানান তারা। একই সঙ্গে এ হামলার জন্য মৌলবাদী শক্তির তৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্লিপ্ততাকেও দায়ী করা হয়।
ঢাবিতে দিনভর বিক্ষোভ, প্রতিবাদ
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার জানান, লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের নৃশংস হত্যকাণ্ডের প্রতিবাদে গতকাল দিনভর প্রতিবাদ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশসহ এসব কর্মসূচি পালন করে। সমাবেশে বক্তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সুরক্ষিত এলাকায় এ হত্যাকণ্ডের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এর দায় সরকারকেও নিতে হবে। একই সঙ্গে ধর্মাশ্রয়ী জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে সারা দেশে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলারও আহ্বান জানানো হয়। সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ‘আক্রান্ত মুক্তচিন্তা’- শিরোনামে প্রতিবাদী ছাত্র-শিক্ষক-নাগরিকরা। সমাবেশে লেখক অভিজিৎ হত্যা ও ব্লগার রাফিদা বন্যার হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের পরিচালনায় সমাবেশে বিশিষ্টজনরা বক্তৃতা করেন। লেখক ও কলামনিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের সময় যেভাবে দেশের প্রগতিশীল মানুষদের হত্যা করা হয়েছিল, হুমায়ুন আজাদকে হত্যা করেছে তারই ধারাবাহিকতায় অভিজিৎকে হত্যা করা হয়। এর মাধ্যমে দেশে প্রগতিশীল মানুষের প্রতিনিধিকে হত্যা করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে শপথ নেয়ার, যাতে প্রতিশীল আন্দোলন হারিয়ে না যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এমএম আকাশ বলেন, মুক্তচিন্তা ধারণাটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। হত্যা করে এর অগ্রগতি বন্ধ করা যাবে না। আনসারউল্লাহ বাংলা টিম বাংলাদেশকে কুয়োর ব্যাঙ বানাতে চায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এজেএম শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, যারা বাংলাদেশকে বাংলাস্তান বানাতে চায় তারাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির বলেন, যারা অভিজিৎকে হত্যা করেছে তারা লেখার মাধ্যমে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একুশে গ্রন্থমেলায় মানুষের ভিড়ে কুপিয়ে মারার সাহস তারা কোথায় পায়? হত্যাকারীরা প্রগতিশীল, মুক্ত এবং জনগণের বাংলাদেশ চায় না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম প্রসিকিউটর রাণা দাশ গুপ্ত বলেন, সাঈদীর রায়ের পর ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে সাধারণ মানুষ এবং সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। দেশে গৃহযুদ্ধ বাধানোর জন্য জঙ্গিরা এ হত্যকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি পুলিশের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যেসব পুলিশ সদস্য হত্যাকাণ্ডের অদূরে দায়িত্বে ছিল তারপরও অভিজিৎ ও তার স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ক্ষুদ্রস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী বলেন, কার কাছে নিন্দা জানাবো? কার কাছে বিচার চাইবো? তারা কি বিচার করবেন? গ্রন্থমেলায় আমরা প্রকাশকরা প্রবেশের সময় বারবার সার্চ করা হয়। কিন্তু এত নিরাপত্তার মধ্যেও কিভাবে দু’জন ঘাতক অস্ত্রসহ হামলা চালালো বুঝে আসে না। সাংবাদিক কামাল লোহানী বলেন, যারা ঘাতক তাদের প্রতি ঘৃণা তো রয়েছেই পাশাপাশি যারা বিচার অসমাপ্ত রেখে তাদের সুযোগ করে দিয়েছেন তাদের প্রতিও ঘৃণা জানাচ্ছি। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম যে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন তা সম্পন্ন করতে পারলে হত্যাকারীরা এত সাহস পেতো না।
তিনি বলেন, গ্রন্থমেলা জুড়ে পুলিশের স্তরের পর স্তর নিরাপত্তা রয়েছে। সে স্তরের মধ্যে কিভাবে অস্ত্রসহ ঘাতকরা আসে এবং পুলিশ সে সময় কি করছিল তার জবাব পুলিশের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। কামাল লোহানী বলেন, এদেশের মানুষ যেমন মরতে জানে তেমনি মারতেও জানে। তিনি দেশের সকল প্রগতিবাদী মানুষকে এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেক বলেন, অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এসব ঘটনার কোন বিচার হয় না। প্রচার রয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রাজধানীর সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা। এখানে সার্বক্ষণিক পুলিশের পাহারা থাকে। পাশাপাশি একটি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও পাহারা বসায়। এর মাঝেও মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় সরকারের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেয়ার কথা ফাঁকা বুলি। তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যেন সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে এটিও হারিয়ে না যায়। তিনি এ ঘটনার জন্য ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়ী করেছেন।
গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জুনায়েদ সাকী বলেন, বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড হয় ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য, ক্ষমতায় থাকার জন্য। পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে সরকার জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারে না। একমাত্র জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই নিরাপত্তা দিতে পারে। সমাবেশ শেষে রাত ১০টা পর্যন্ত সেখানে প্রতিবাদী গান পরিবেশ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মী ও বিক্ষুব্ধরা। সন্ধ্যায় হত্যাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রগতিশীল ছাত্রজোট কর্মসূচি ঘোষণা করে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সকাল থেকে কালো ব্যাজ ধারণ, বেলা ১২টায় ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী মিছিল ও দুপুর ১টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন। ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট। দোষীদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মশাল মিছিল করেছে ছাত্রলীগ, গণজাগরণ মঞ্চ ও প্রগতিশীল ছাত্রজোট। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের স্থানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
গণজাগরণ মঞ্চের লাগাতার অবস্থান: এদিকে লেখক ও ব্লগার অভিজিতের হত্যার প্রতিবাদে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছে মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার পক্ষ। অভিজিৎ এর হত্যাকারী ও পরিকল্পনাকারীরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন ডা. ইমরান। গতকাল সকাল ১০টা থেকে এ অবস্থান শুরু হয়। এ সময় ডা. ইমরান বলেন, যারা অভিজিৎ রায়কে হত্যা করেছে তারা আত্মস্বীকৃত মৌলবাদী জঙ্গিগোষ্ঠী। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জঙ্গি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, একই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে। অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ, অধ্যাপক শফিউল, ব্লগার রাজীব হায়দারকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর গতকাল অভিজিৎকেও হত্যা করা হলো। অথচ হত্যাকারী জঙ্গিগোষ্ঠীর কোন বিচার হচ্ছে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 28
(52)
- হিসাব-নিকাশ কষছে সরকার by জাকির হোসেন লিটন
- ব্যারিস্টার মঈনুল ও ইকবাল সোবহানের বাকযুদ্ধ
- হাজারী অভ্যর্ত্থনায় অর্ধশত তোরণ : নেই বঙ্গবন্ধু বা...
- ‘সঙ্কটের সমাধান প্রধানমন্ত্রীর হাতে’ -ব্যারিস্টার ...
- অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড- প্রশ্নের মুখোমুখি পুলিশ
- জাপার সামনে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ: এরশাদ
- ‘অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড- প্রমাণ করে সরকার নিরাপত্তা দিত...
- অভিজিতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছে এফবিআই
- দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ভেঙে যেতেও পারে by এবনে গোলাম...
- দেশদ্রোহিতার অভিযোগের পরোয়া করি না -ড. কামাল হোসেন
- বর্তমান সঙ্কটের দায় কাদের? by হারুন-আর-রশিদ
- নাগরিক সমাজের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বা...
- এ সংঘাতে কার লাভ কার ক্ষতি by আনু মুহাম্মদ
- ঘুমের ঘাটে by জাহেদ মোতালেব
- ‘নতুন নির্বাচন বাংলাদেশে পরিবর্তন আনতে পারে’ -(ইইউ...
- বল এখন সরকারের কোর্টে by কাজী সাইদ
- অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড- কিলিং মিশনে দুই পেশাদার
- ওবামা প্রশাসন-নেতানিয়াহু বিরোধ চরমে
- মহাসড়কে শঙ্কা-ভয় by মাহমুদ মানজুর
- ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বনাম তারুণ্যের মানবতা by এ কে এ...
- আমেরিকাকে ইরাক যুদ্ধে ঠেলে দিয়েছিল নেতানিয়াহু : কেরি
- মক্কা ক্লক রয়্যাল টাওয়ার : বৃহত্তম ঘড়ি by আইয়ুব আহ...
- খালেদা গ্রেপ্তার হলে রাজনীতি অন্যদিকে মোড় নিতে পার...
- নিরপেক্ষ তদন্ত হলে ক্ষতি কী? by আবদুল লতিফ মন্ডল
- নরকযাত্রা by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- খুনিরা দিব্যি চলে গেল, পুলিশ নীরবে দেখল
- ভিন্নচিন্তাকে নিঃশেষ করার চেষ্টা চলছে -অভিজিৎ হত্য...
- নাগরিক সম্পদ রক্ষার দায় কার? by মোকারম হোসেন
- আসামি ধরা নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে আসামির ছেলে নিহত
- মৌলভীবাজারে নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রের লাশ ...
- বিটিভি যাচ্ছে কোথায় by এ কে এম হানিফ
- কী অপরাধ আমাদের? by মনজু আরা বেগম
- জাপানি বিনিয়োগ হাতছাড়া হবে না তো? by আব্দুল্লাহ...
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৬০ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- জমি কার, কে বানায় বাড়ি! by মতিন আব্দুল্লাহ
- একুশের সঙ্গে একান্তে by পবিত্র সরকার
- যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে এতিম শিশু ইয়াসিন
- বিরোধীদের কোণঠাসা করে দিলে চরমপন্থিদের উত্থান
- ব্যাংক-বীমায় অস্থিরতার চাপ
- বাংলাদেশে ভিন্নমত পোষণকারীরা নিরাপত্তাহীন
- ভরাট করা হচ্ছে প্রবহমান বিল
- অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন
- খালেদা জিয়া গ্রেফতার হলে অসহযোগ by মঈন উদ্দিন খান
- মৃত্যুর মিছিলে ‘এ জীবন বড়ই সুন্দর’! by বিশ্বজিৎ চ...
- তাহাদের ফুটবল খেলা by ময়ুখ চৌধুরী
- অবরোধ ৫০ পেরিয়ে
- অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ড
- বড় অসময়ে চলে গেলেন by জসীম চৌধুরী সবুজ
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৬১ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টের পুনঃতাগিদ
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৬২ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- মাউশিতে নিয়োগ বাণিজ্য
-
▼
Feb 28
(52)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment