Friday, October 15, 2010
গল্প- 'অমর প্রেম অথবা আমার প্রেম' by ইমরুল হাসান
গল্প- 'অমর প্রেম অথবা আমার প্রেম' by ইমরুল হাসান
কথা ও কাহিনি
এইরম গাদলা দিনে বসে আবার মনে পড়লো লিবা’র কথা। আসলে এই কাহিনির কোন মাথা-মুণ্ডু নাই। আমি যত ভাবি আর বলতে চাই, ততই অবাক হই। কিভাবে এই কাহিনি বলা যাইতে পারে, যেখানে সমস্তু কিছুই অনির্দিষ্টতা, মনে করে নেয়া অথবা যেখানে অস্তিত্ব এতোটাই বিহ্বল যে চেতনা আর সাড়া দেয় না, সবকিছু এতোটাই স্পষ্ট এবং ধোঁয়াটেও একইসাথে… ভালোবাসার আসলেই কি কোন বর্নণা সম্ভব আর? এই দ্বিধা কাহিনিটার পরতে পরতে আর মাঝে মাঝে ভাবি এইখানে শুধু পরির্পাশ্বই আছে, কোন ঘটনা আর নাই। তারপরও অব্যক্ততার আরো আছে, কত যে কথা!অথচ কথাগুলি কি আর বলতে পারে, যা বলতে চায় মন। অথবা যে দ্বৈততার ভিতর ঘুরপাক খাচ্ছে সময়, শব্দ ও তার নিহিত অর্থগুলি তারা তো অসম্পূর্ণ, ব্যক্তির আড়াল খুঁজে। খুঁজে ভঙ্গিমার প্রশয়, যেন এই করে করেই পার পাওয়া গেলো!
কি বলতে বসেছি, আর বলছি কি! সবসময় এমনটাই ঘটে। কাহিনিটা আর বলা হয় না। বলার মতো কোন ঘটনাও হয়তো আসলে নাই। আসলে কোন কাহিনি-ই না, এইটা। কারণ আবার মনে হয় এইটা এখনো ঘটতেছে, প্রতিদিন। কথার ভিতরে জমা কাহিনি কি বাইর হয়া আসতে পারবে আর, অথবা ধরো এই যে কাহিনি, সে কি আর কথার ধার ধারে নাকি! ফাঁপা গহ্বর একটা, জীবনের - তারেই প্রেম বলে নাম দিছে লোকে?
বাইনোকুলার
বৃষ্টিতে ঝিরিঝিরি শব্দ। একদম সকাল থিকাই। দুপুরে একটু কমলো কি আবার বিকাল না হইতেই শুরু… এই অবস্থা গত তিন-চাইর দিন। বৃষ্টির উছিলা আর কত! আজকে তো যাওয়াই লাগে। কি উপায়? শিমা’র মাথায় বুদ্ধির অভাব নাই। কইলো, বৃষ্টির দিন সবকিছুই ঝাপসা, একটু দূরের জিনিসই দেখা যায় না, তার উপর সন্ধ্যার আগে যাওয়া যাইবো না, তাই দুইটা জিনিস লাগবো, একটা ছাতি আর একটা বাইনোকুলার… বাইনোকুলার? দুপুর বারোটার সময় বইসা বইসা এই প্ল্যান করতেছি।
বাইনোকুলারটা শিমার দুলাভাই আনছে, এখন ওর হেফাজতে আছে, বিকালবেলা ওইটারে কামে লাগাইতে হইবো… আমার মাথা আর তখন কোন কাজ করে না। ঠিক আছে, এইটাই প্ল্যান। ছাতিও আমি নিতে পারবো না। যেহেতু বাইনোকুলার নিবে শিমা, ছাতি নেওয়ার দায়িত্বও তাঁর।
তিনটা না বাজতেই বৃষ্টি যেন তুফান ছুটাইলো। চারদিক অন্ধকার করা বৃষ্টি! যেন আর থামবেই না। হৃদয় এখন মূঢ়তার চূড়ান্ত। চারটা বাজতে, অন্ধকার কমলো; কিন্তু তেজ আছে একই। দুমদাম বৃষ্টি। পাঁচটার দিকে একটু ঢিমেতাল ধরে আসলো একটু … আর দেরি নাই, শুয়ে শুয়ে এর অপেক্ষায় ছিলাম …
অর্ধেক পথ যাইতে গিয়া দেখি ছাতি হাতে শিমাও আসতেছে… হাতে একটা গুটলি পাকানো প্যাকেট… কি এইটা?… বাইনোকুলার… দেখা যাইবো তো?… হ।
বৃষ্টি আবার শুরু হইছে। দাঁড়াইবারও কোন জায়গা নাই। কই গিয়া একটু দাঁড়াই বা বসি! খাঁড়ির ভিতর আইসা নোঙর করছে কয়েকটা লন্ঞ, যদিও একটু দূরে, কিন্তু তার ডেকের উপরই একটু দাঁড়ানো যাইবো তা না হইলে তো আর কোন উপায় নাই।
বৃষ্টির দিন একটা ছাতি লইয়া ঘুরাফিরা করতাছে দুইটা মানুষ, তাঁর বাসার পিছনে, এই দৃশ্য কি চোখে পড়বে না লিবা’র? শে কি আসবো না তাঁর ছাদের কোণায়? না-দেখার মতো কইরা একটুও কি দেখবো না?
আবার শুরু হইছে বৃষ্টি! এই কমে তো এই বাড়ে। ঘাপটি মাইরা বইসা আছি লনে্ঞর কেবিনের বাইরের জায়গাটাতে। শালার বাইনোকুলার খুইলা চোখে দিয়া দেখি, খালি চোখে যা দেখা যায়, এইটা দিয়া তো তাও চোখে পড়ে না! বারবার কাঁচ মুইছা দেয় শিমা, একবার আমি দেখি, আরেকবার সে, কিন্তু কিছুই দেখি না, শাদা, ঝাপসা সবকিছু…
হঠাৎ আমার মনে হইলো যেন দুইটা ছায়ামূর্তি ঘুরাফিরা করতেছে ছাদের উপর, হেঁটে হেঁটে আবার ফিরে আসছে, দেখছে আমাদেরকেও, শিমাও দেখলো অস্পষ্ট, কিন্তু ওরা কি ডাকতেছে আমাদেরকে, হাত তুলে কি নাড়লো, বললো কি কিছু… একে তো বৃষ্টি, তার উপর সন্ধ্যা… দিনের শেষ ছায়ায় বামপাশের মূর্তির দিকে নির্নিমেষ তাকায়ে আছি, শে কিছু বলছে আমায়, বলছে কি, চলে আসো, দূরত্ব মহান নয়, যেখানে সমস্তই ঝাপসা সেই দূরত্ব পার হয়া আসো…।
আমি স্তম্ভিত, বইসা আছি, কালো কালো অন্ধকার তেড়েফুড়ে আসতেছে, লোডশেডিং এর ম্লান আলোতে থিক থিক কাদার ভিতর হেঁটে হেঁটে ফিরে যাবো বাসায়। চেয়ারে বসে টেবিলে মাথা পড়ে আসবে। তোমার মায়া’র দেশে আমি যাইতে পারবো না, কখনোই!
হয়তো শে তুমি শোনো নাই
এর আসলে কোন শুরু নাই, যেমন শেষটাও এখনো আমার জানা নাই। আমি কিছু শব্দ উচ্চারণের ভুত মাথায় নিয়া রওনা দিছিলাম আর তোমারে যা বলছিলাম, তাও আর শ্রবণযোগ্য হয় নাই। কথাগুলাই পইড়া আছে, শব্দ-সম্মোহন এর মতো যার অর্থ-উৎপাদনের কোন ক্ষমতা আর নাই।
সন্ধ্যাবেলা একে তো লোডশেডিং, তার উপর মেঘ করছে ভীষণ, বিদুৎ চমকাইতাছে। তাতে ড্রেনের ময়লা পানিতে বারবার মনে হয় ভাসতেছে লিবা’র মুখ। মনে হচ্ছে গড়াগড়ি যাই। একটু আগে কি কথা তারে বলতে গেছিলাম। আর ফিরা আসছি হতভম্ব হয়া। তারপর দিনমান চেতনা আমার পাকুড় বটের মতন ক্রমশঃ তার শিকড় গাড়তেছে গভীর থেকে গভীরে আর হাওয়া বয় শন শন, বৈশাখের।
মনে হয় তোমার কথা আমি কোনদিন শুনি নাই। এখন তো মনেই পড়ে না, কিরম ছিল তোমার গলার স্বর। হাস্কি টাইপের নাকি খুবই ঘরোয়া। যে কথা আমি বলতে গেছি, মনে হইতো তুমি তা শোনো নাই। তাই তোমার নাম নিয়া আমি নিজেরেই বলছি। হয়তো আমিই বলতে পারি নাই। কিরম যে একটা অস্থিরতা! এইটা হচ্ছে ভাষা আর অ-জ্ঞানতার খেলা!! বলবেন হয়তো মনীষীগণ। আমি তাদের দূর থিকা সেলাম জানাই। তারা কতই না চিন্তাশীল, অথচ আমার কোনকিছুই চিন্তা করার ক্ষমতা নাই। কারণ কোন ভাষার দায়বদ্ধতাকে স্বীকার করতে ইচ্ছুক ছিল না এই মনোকামনা। কেন শে হৃদয় দিয়া হৃদয়েরই কথা শোনে নাই? যেখানে কোন ভাষা নাই, সেখানেই তো ছিল, আমাদের ভালোবাসা!
হলুদ স্কার্ট
এইটা তো সত্যি কথা-ই যে, আমার কেউই শহুরে ছিলাম না। এই কথা শুনলে লিবা’র হাড্ডি পর্যন্ত জ্বইলা উঠতে পারে। কেননা তাঁর শৈশবকাল শহরের মায়ায় ভরা। পুকুর-পার আর কলোনীর কোয়ার্টারগুলির মতো শান্ত, মধ্যবিত্ত। তার পরিবার কোন এক কারণে হিজরত করে আমাদের মরা বন্দরে।
আর তার যে পোশাক চোখে ভাসে এখনো, তার রং হলুদ। সেই পোশাকখানা হয়তো কবেই বিলীন! তোমার বয়স আমি ভালোবাসি, চর্তুদশী! কি লাবণ্যময় সেই দিনগুলি। যেমন কাঁটাঝোপের ভিতর হালকা পাতার হলুদ ফুল। এতই নরোম যে, হাতে নিলেই ঘামে ভিজে কুকঁড়াইয়া যায়। আমি চেষ্টা করি, যদি একটু শহুরে হইতে পারতাম আমি। একটু শুদ্ধভাষায় কথা বলা। কনফিডেন্স হয়তো বাড়তো তাইলে। হয়তো কথা বলা যাইতো তোমার সাথে। যেমন রুদ্র বলতে পারে।
সামাজিকতাকেই ছিল ঘৃণা আমার। ছিল নিজেকে আরো কতো ছেঁটে ফেলা যায়, তার উপায় অন্বেষণ। এর ভিতর থিকাই দেখতাম, তুমি যাও সরিষার ফুল পড়ে শরীরে। শীতের দুপুরে। তাকাইতে তাকাইতে চোখ ব্যাথা করে। জেগে থাকার নানান পেরেশানি। অব্যক্ততার কঠিন গোর্য়াতুমি। বাঙ্গালী মাত্রই অবদমনে পারদর্শী। হস্তবিশারদ। ঐদিনও দেখলাম বলছেন একজন। ঠিক আছে তা-ই সই। আমিও বাঙ্গালী। মরার আগে তাইলে একবার অন্তঃত কই, ভালোবাসি!
আর তাতেই সকল বিপত্তি। দুনিয়া উল্টাইলো। বাঙ্গালীর পোলা কয় কি! যুদ্ধের ঘোষণা যখন আসলোই, তখন তো এর একটা বিহিত করা লাগে। মন্ত্রণাসভায়, আমিই উহ্য। আর সকলই পেয়, লেহ্য, ইত্যাকার…বমি-ই আসে এখন, যখন চারপাশে দেখি আরো কত কত উদাহারণ ভীড় করে আছে।
তোমার প্রেমিকসকল
তোমার প্রেমিকদের লিস্ট দিতে গেলে, আঁতকে উঠে মন। মনে হয়, চারপাশের সবাই শুধু তোমারেই ভালোবাসে। সন্দেহ ভারাক্রান্ত মন আমার!
নিঃসন্দেহে সবচে’ বেশি ঈর্ষা আমি করি, নসা’কে। কারণ সে তোমার জন্য অনেক স্যাক্রিফাইস করছে। তাঁর ছিল বিশাল ভক্তকুল, রাজনৈতিক প্রতিপত্তি এবং যে কোন সময় তোমাদের বাসায় যাওয়ার অবারিত সুযোগ। তারে আমি ঈর্ষা করছি। মনে হইছে, যদি সে তোমারে চায়, তুমি কি কইরা না করবা! এইটা কি সম্ভব? কিন্তু সে এতটাই বোকাচোদা, থরথর কইরা কাঁপলো, এমনকি মনে হয়, আমার চাইতেও বেশি। তুমি তারে ভাই-ই বানাও, প্রেমিক না বানাইয়া!
লারু তো সিল-সাপ্পর মারা তোমার প্রেমিক। মানে সে তোমার প্রেমিক, এইটার তাঁর একমাত্র পরিচয়। সে যে প্রেমে পড়ছে এবং স্ট্রিকলি মন্যোগমি এই ফান্ডা সে ভাঙতে নারাজ। থাকুক না বেচারা, থাকুক তোমার প্রেমিক হিসাবে উল্লেখিত হইবার মতো তাঁর একমাত্র যোগ্যতা নিয়া।
এদেরকে পিছনে ফালাইয়া, তুমি কিনা সাড়া দিলা, ভেদা’রে! সন্দেহ নাই, সে স্মার্ট। কথা বলে চিবাইয়া চিবাইয়া। আমাদের মফস্বলী টোন তাঁর নাই। সে একটু একটু কইরা সুতা ছাড়ে আর তুমি ভাবো কি না জানি সে জানে, যাদুটোনা! কিন্তু সে তিন নাম্বারেই থাকলো আমার কাছে।
সবচে’ বাজে যে প্রেমিক ছিল তোমার, সে সাংবাদিক। তোমার নানা কুকীর্তির খবর আমারে দিতো, যেন আমি তোমার প্রেমে না পইরা যাই। একইসাথে অনেক পাড়াতো বড়বোনের সাথে আমার সর্ম্পক নিয়া কাহিনি বলতো সে তোমার বন্ধুদের যাতে এর ছিঁটাফোটাও যদি পৌছায় তোমার কাছে যাতে তুমি একটা খারাপ মনোভাব নিয়াই থাকতে পারো আমার সর্ম্পকে। সে কখনোই তোমার প্রেমে পরে নাই, কিন্তু সে তোমার প্রেমিক হিসাবে নিজেরে জাহির করতে চাইতো। তাঁর নাম এইখানে উচ্চারিত হইবার কোন যোগ্যতা সে রাখে নাই। আমি ভাবি, সে তো অন্তঃত তোমার প্রেমেও পড়তে পারতো!
রেললাইনের পাশে গাছগুলি তখনো কৈশোরকাল পার করে নাই
হঠাৎ কইরা একদিন দেখি, রেললাইনের ধারে গাছ লাগানো প্রকল্প শুরু হইছে। যে রেললাইনে বসলে তোমার দালানবাড়ি দেখা যায়। দেখা যায়, দূরের নদী। বাজার-ঘাট। খাঁড়ির জল। মেথর-পট্টি। সেই রেললাইনে পোতা হইলো গাছের চারা। এরা বড় হইতে হইতে আমরা সবাই সমূলে উৎখাত হয়া যাবো, এই কথা তখন কি আর ভাবা গেছিল। কচি গাছের চারাগুলিকে তখন ভালোই লাগতো যখন শোঁ শোঁ বাতাসে তারা ঘাড় বাঁকাইয়া দুলতো। অথচ সেইটা ছিল তাদের অস্তিত্বের সংগ্রাম, বেঁচে থাকার মর্মান্তিক প্রচেষ্টা যেন কোনকিছু তাদেরকে উপড়ে না ফেলে। এই করে করে দিনগুলি পার হইতে লাগলো। পাঠ্যপুস্তকের বোঝায় বসে আমি ভাবতাম, শে কি আহা, পড়ছে নাকি ভাবছেই কেবল, এইমতো কচি কচি গাছগুলির মতো, আমরা বড় হয়া যাবো, তখন কে আর আটকাবে আমায়
অথবা ভাবি, বিশাল অন্ধকারে, পাকুড় হবো, খাঁড়ির কিনারে দাঁড়াইয়া থাকবো, ঝড়ের আগের বাতাসে জানালার পর্দা উড়ে উড়ে গেলে দেখবো, কি মনোযোগ, অথচ পড়তেই পারতেছো না, আমি জানি, আমি জানি… এইমতোন কলরোল উঠে, আর বোকাপাঠার প্রেমকাহিনি ছড়াইতেই থাকে হয়তো পারিপার্শ্বে, কে কে আর জানার বাকি?
এসেছিলে, তবু আসো নাই
কি আর করবো, দেবব্রতের রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনি। সাগর সেন ভালো, সেইটা শোনো। হেমন্তও গাইছে। রাজেশ্বরী দত্ত। ঐ বেটি আবার সুধীন্দ্রনাথের বউ। চিন্তা করো। চিনিময়, চিনিময়; কাদেরীয়া, ওরাও… বন্যার সে কি ঢলঢল কণ্ঠ, পাপিয়া সারোয়ার আর খালেদ খানের বউটা, ও ওতো ভালো গান গায়, ফর্দ হাজির করো… রবিবাবুর হাত থিকা আর নিস্তার নাই!
কেননা লিবা’র বড় বইন গান গায়। রবীন্দ্রনাথের নাম লইলে যে গোষ্ঠীর অর্ন্তভুক্ত হওয়া যায় সেইখানে একটা উভলিঙ্গ বা ক্লীবভাব আছে বলে মনে হয় যাতে করে ড্রইংরুম পর্যন্ত অবাধ যাতায়ত খুবই সম্ভব হয়া উঠার সম্ভাবনা দেখা দেয়। সেই গোষ্ঠীতে তখন চলে মন্ঞ নাটক, আবৃত্তি অনুষ্ঠান আর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা … পারর্ফমার না হও, দর্শক তো হইতে পারে! মনরে ফুসলায় মন। তথাপি আমার মন রাজি হয় না। কেননা যে প্রেম অমর সে কি কোন কাল্টের সদস্য হইতে পারে?
আবার রবীন্দ্রনাথ কি আর এমন চ্যাটের বাল এইরমও ভাবতে পারি না। কারণ, এক মুহূর্তে যে ব্যক্তির ৫৮টা গান মনে করা গেলো, সময় দিলে হয়তো আরো বেশি মনে করা যাবে, অন্তঃত ১০০ কাছাকাছি যাওয়াটা অস্বাভাবিক না, তিনিই কি রবীন্দ্রনাথ? আমার ধারণা, এর চাইতে বেশি আরো অনেকেই পারবেন। তো তারে কোন বিষয়ের প্রেক্ষিতে ভালো বা খারাপ এইভাবে বিবেচনা করাটা কতোটা সম্ভব, আমার পক্ষে?
তারে আমি মানুষ হিসাবেই জানি এবং তার দুর্বলতাগুলিই তারে আরো শক্তিশালী দেবতা বলে প্রমাণ করে বলে আমার ধারণা। তারে মানুষ বলামাত্রই দেবতাগুণ আরোপিত হইতে থাকে তার উপর, এইরমও মনে হয় মাঝে মাঝে। তিনি তাঁর সময়ের চাইতে বাইরের কিছু না এবং তার-ই প্রতিনিধি হইয়াও, তিনি ছড়াইয়া থাকেন ভয়াবহভাবে আমার পরিপার্শ্বে।
তাঁর যে প্রভাব ও প্রতিপত্তি তা আমার প্রেমের উপরও ভয়ংকরভাবে আরোপিত হইতে চাইলো। তার সেই বীজ লুকানো বর্তমান সময়ের নৈতিকতার ভিতরে না, কারণ কোনভাবেই এর প্রতিনিধিত্ব তিনি করেন না। তাঁর ভয়ংকরতা তাঁর সৃষ্টিশীলতায়, যেখানে তিনি সমস্তকিছুকে ধারণ করার মতো বিশালতায় বসে আছেন। আমি বুঝতে পারি যে, রবীন্দ্রনাথ একজন ব্যক্তি নন, একটা ভাবধারা। তাকে আমি গ্রহণই করতে চাই, এর কোন বিকল্প আমার কাছে নাই। আর এর ভিতর দিয়াই তিনি অ-কার্যকর হয়া উঠেন যে, তারে মডিফাই করা লাগে, তিনি আর থাকেন না, তার ভাবধারা তবু যেন টিকেই থাকতে চায়! অমরতার এ এক কঠিন বিপত্তি!!
এইরম করে তাই রবীন্দ্রনাথরে ভালোবাসার মতো যথেষ্ঠ মার্জিত ও ভদ্র আমি কখনোই হইতে পারি নাই এবং লিবা যে তার বড় বোনের মতো গান গাইয়া পাড়া বেড়াইতো না, তা এক ধরণের শান্তি দিতো আমারে, এক ধরণের ঐক্যবোধ জাগ্রত হইতো, আমার মনে, আমাদের মনে (মানে লিবা আর আমি তখন একই তো ব্যাপার)।
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ে আর ঘাসগুলি আরো তাজা সবুজ হয়া উঠে। দূরে কোথাও কোন প্রতিকৃতি দেখি, দূরের দিকে তাকাইয়া থাকতে থাকতে, দূরত্বে চোখ বন্ধ হয়া আসে, দিগন্তে, আকাশের ঐপাড়ে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি করুণ ও কালো হইতে হইতে মুছে যাইতে থাকে, লিবা কি তাইলে ঘর-বন্দী? আসবে না আর ছাদে?
ছাদের আড্ডায়
ময়মনসিংহ এখনো দূর কোন পরবাস। যেখানে চলে যাওয়া যাইতো। একটা আড়ালের ভিতর বসে, বক্ষ্মপুত্রের ধারে। কি যে সব ভাবনা! নিজেরে জাহির করা খালি। কত যে কথা। আসলে কোন কথাই আর কথা ছিল না তখন, ছিল নরোম মোলায়েম কোন পাখি। উচ্চারণমাত্রই তারা উড়ে যায়। রাই, তুমি কথা বলো না কেন? এই প্রশ্নে আমার আড়ষ্টতা বাড়ে। বলতে তো চাই আমি। আমি পাখির কথাই বলি। কিন্তু যিনি বলছেন, অবদমনকারী, তার বমিতে ভেসে গিয়ে কোন ভাষা কি আর জন্ম নিতে পারে?
আমরা স্বপ্ন সাজাই। আর কি কি করতে পারি আমরা, আমি ও আমার বন্ধুরা, একটা দমকা হাসির ভিতর দিয়েই উড়িয়ে দিতে পারি সমস্ত সন্দেহ লিবা’র, একটানা বিকাল থেকে শুরু করে, রাত অবধি। লোডশেডিং এর আধাঁর যখন নামে, চাঁদের ফকফকা আলোতে তখন লিবারে জিগাই, আজ কি পূর্ণিমা? তোমারে এমন সুন্দর লাগতেছে কেন? যদি আমি মরে যাই!
এত বিহ্বলতা। এত কাছ থেকে দেখা। তোমার চুল বারবার সরে আসতে চাইছে, ঢেকে দিতে চাইছে তোমার মুখ। তুমি হেসে বারবার সরাইতে চাইছো। তবু তাকাতেই পারছো না। কাঁপছে কন্ঠ। বন্ধুদের কাছ থেকে আমরা চাইছি একটু আড়াল। আর এই এইটুকু ছাদের উপর, পাষান্ডরাও পাচ্ছে না যেন কোন লুকানোর জায়গা। দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে থেকে, অন্যদের কথা শুনে শুনে, তাকিয়ে থাকতে থাকতে, নিজেদের দেখতে দেখতে, কথাগুলি হারাতে লাগলো, যদি পাইতাম কোন আড়াল, ময়মনসিংহে, বক্ষ্মপুত্র তীরে… মেঘনার বাতাসে সেই আহাজারি, কল্পনাই এখন!
লাল টিনের গুদামঘর
স্বর্গ হইতে বিদায়! ছাদ থিকা নামতে হইলো। আশ্রয় নিলাম, লাল টিনের গুদাম ঘরের পাশে। পাশে বস্তি। বেশ্যাপল্লী। কাঁটাঝোপের ভিতর দিয়া চলে গেছে রাস্তা। ব্রীজের গোড়ায়। সেইখানে প্রসাব সেরে গিয়ে বসি সান্ধ্য-আড্ডায়। শর্ত একটা অবশ্যই সূর্য ডুবে যেতে হবে। আবছা অন্ধকারে যেন দেখা যায়, শুধু প্রতিকৃতিই।
ভাবি, এই টিনের ঘরের ভিতর ভুত হবো। সারারাত নেচে-কুঁদে ডর দেখাবো, লিবা’রে। প্রচন্ড শব্দে জেগে উঠবে শে। ঘুমের ভিতর থেকে। বুঝবে, এই ভুত তার প্রেমিকের। লোকাল।
দূরেই যাইতে চাই, অথচ কাছাকাছি এসে বসে থাকি। গ্রামের ছেড়ে দিয়ে গ্রামের মায়ায় শহরের ভিতর গ্রাম পুষে রাখি। ফিরে ফিরে আসি। চলে যাওয়ার ব্যস্ততায় সামাজিক হওয়ার শেষ চেষ্টা চালাই। তোমার চোখের দিকে আর তাকাইতেই পারি না আমি। আর লিবা ভাবে, যেন আমি উদ্ধমুখী কোন বাষ্প, চায়ের কেটলি থিকা বাইর হয়া যাইতেছি।
যখন ফিরা আসি, মনে হয় সে কি মুগ্ধতা! শে কি আমারে ভালোবাসে? প্রশ্ন তো জাগতেই পারে মনে। তাই না? যেহেতু শেও ছলনাময়ী আর আমি সবসময়ই বোকা হইতে রাজি! এমনকি লাল টিনের গুদাম ঘরে গ্রাম থেকে উঠে আসা মফস্বলী ভুত পর্যন্ত!
ক্লাসরুমের বোকা বেঞ্চিগুল
: তোমার সাথে আমারে আম্মা এই অবস্থায় দেখলে কাইটা মেঘনা নদীতে ফালাইয়া দিবো!
আহ্। বিষয়টা তাইলে আমি বা তুমি না অথবা রাই বা লিবা না, বিষয়টা হইতেছে তোমার আম্মা। তুমি ভালো বাসতেই চাও আমাকে, কেবল তিনি, যে তোমার সিদ্ধান্ত-কর্তা দোষটা শুধু তারই, আর কেউ-ই না!… কত যে ভালো লাগলো এই কথা তোমার, এই প্রথমবারের মতো আমার মনে হলো, এই মুর্হতেই তোমার হাসিটাকে একটা দমকা দীর্ঘ চুমুতে শেষ করে দিই!
চুপ করে বসে আছি। দরজায় পাহারা দিচ্ছে রুদ্র আর শিমা। আমি জানি, তুমি সিদ্ধান্ত নিয়াই আসছো। এ তো বদলানোই যায়, কিন্তু কেন আমি জোর করবো তোমাকে! কেন তোমার পথই তোমাকে আমার দিকে নিয়ে আসে না?
সিঁড়ির গোড়ায়
: আচ্ছা বলো, কি বলবে তুমি?
: হ্যাঁ, বলবো…
: বলো, তাহলে, তাড়াতাড়ি বলো, কেউ কিন্তু চলে আসবে
: হ্যাঁ, ই-ই-য়ে, মা-নে, মানে আমি আসলে, তুমি তো জানো
লিবা দাঁড়ায়ে আছে দুইটা সিঁড়ি উপরে। আর তার নিচে রাই দাঁড়াইছে। মনে হয় অনেক অনেক দূর থেকে রাই মুখ তুললো। দেখলো, লিবা সরাসরি তাকিয়ে আছে তার চোখে। কৌতুক খেলছে তাঁর চোখগুলিতে। চকচক করছে রাতের হাজার তারা। কি সুন্দর তাঁর ঠোট! ঠোঁটও হাসছে, ভাঁজ পড়ছে গালে, কি মসৃন তাঁর গালের ত্বক! শে যা জানে বা যা শে শুনতে চাইছে বা আমি যা বলতে চাইছি, কেন রাই বলতে পারতেছে না আটকে আছে আর তোতলাচ্ছে, কছ না শালার ব্যাটা, আর একবার অন্তঃত…
: হ্যাঁ, বাবা জানি, বুঝচ্ছি, উপর থেকে কে যেন আসছে, তুমি যাও!
: হ্যাঁ, কিন্তু তুমি তো কিছু বললা না!!
: ঠিক আছে আমি পরে জানাবো (হাসি)… কে জানি আসছে… তুমি যাও…
: হ্যাঁ, কিন্তু…
: কালকে কলেজে দেখা হবে, ক্লাসের শেষে, যাও এখন…
বলেই লিবা উঠে গেলে উপরে।
বন্ধুগণ এতক্ষণ ছিলেন ভেড়ার সঙ্গী। এখন আমিও তাই। শিমা’র গর্জন, কথা কইচছ তো ঠিক মতো… হ, কইছি… কী কইলো… কালকা দেহা করবো… ঠিক আছে, এহন খুশি তো, মুখ ব্যাজার কেন… রাই ভাবতেছিল যে, লিবা কেন এত হাসতেছিলো, কেন? ছাগল তো ছিলামই, গরুও ছিলাম, এইবার ভেড়া হইলাম, নির্বিরোধ ফ্রেন্ডশীপের অফার দিবে না তো আবার?
বিচ্যুতি ও বিচ্ছেদ
আমি যে ভুলে যাবো তোমায়, এ আর অন্যরকম কিছু না। সন্দেহের দড়িতে বান্ধা যে জীবন, হয়তো তার আর অন্য কোন উপায়ই নাই। একটা সুতা থিকা আরেকটা সুতায়, ঘুরতে ঘুরতে ভাবনার কতদূর পর্যন্ত যে যায়। ভাবনারা খুবই বিপদজনক। আর তার চাইতেও ঘটনাগুলি। তারা ক্রমশঃ দূরতিক্রম্ম্য হইতে থাকে। একটু একটু করে সরে আসা আর একসময় নিজেকে দেখতে পাওয়া খাদের কিনারে…
ভুলে যাওয়া যে, যে কোনকিছুই হারিয়ে যেতে পারে, যে কেউই হারিয়ে যেতে পারে
আর এটা এমন একটা বিষয় যে, অনুপস্থিতি ক্রমশঃ স্বাভাবিক হয়া আসে। বিচ্যুতির ভিতর বিচ্যুতিটাই স্বাভাবিক, সেটা আর বিচ্যুতি না কোন। একইভাবে বিচ্ছেদ এরও কোন অন্ত নাই। নিস্তরঙ্গ নদীর জল, শীতের বিকালবেলায়, যেন কোনকিছুই ঘটে নাই কোনদিন।
ডায়েরী যদি লিখা হতো, তাইলে হয়তো লিবা এইরমও লিখতো পারতো
সারা বিকাল ধরে শুধু তার জন্য অপেক্ষা; হয়তো সে চলেই আসতে পারে। ছাদে, ব্যালকনিতে হাওয়াদের লুটোপুটির সাথে ঘুরে ঘুরে, অনেক দিগন্তের দিকে তাকিয়ে থেকে থেকে, যখন সন্ধ্যায় আলোগুলি নিভে এলো দিনের, সবকিছু ভারী হয়ে উঠলো ক্রমশঃ। তারপরও সে হয়তো চলে আসতে পারে, রাতের গুমটি ঘরে ফিরে যাবার আগে হয়তো ছায়া ফেলে চলে যাবে। সামনে রাস্তা, লোডশেডিং এর করুণ আলো, ঘিনি্ঞ বস্তি, লাল টিনের বিশাল সরকারী গুদামঘর; তখন হয়তো ভুতেরা জেগে উঠবে এইখানে, যখন সে চলে যেতে পারে। একটিই তো মাত্র এই দিনের প্রতীক্ষা, অথচ কত সংশয়, আত্মচিত্তের বিক্ষেপ, শুয়ে বসে দাঁড়িয়ে, বারবার পায়চারি করে, উদ্বেগের বিন্দুগুলিকে আরো জ্বলজ্বলে করে তোলা। গাছের পাতাগুলি ঘন হয়ে আরো অন্ধকার ডেকে নিয়ে এলো, এখন সামনে দুইহাত দূরের কিছুই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না, আর সে তো কোন অধ্যায়, অব্যয়ের কাছে নত; ফিরে আসার কথায় কেবলি গড়িয়ে গড়িয়ে সরে যাচ্ছে, কোন দূরে; পিষ্ট চাকার দাগ কাদায়, থলথলে বৃষ্টির জলে, ডুবে যাচ্ছে; অন্য কোন আকার, পরিবর্তিত ও শংকাময়, এইভাবে একদিন হারিয়েই তো যাবে, সে ও তার প্রতিপক্ষ পরিপার্শ্ব। ক্লান্ত, ভাবনারাও থেমে থেমে আসে; যদি সে চলে আসে, যদি সে চলে আসতে পারে!
সকালবেলাটা আরো বিশ্রী, কড়কড়ে রোদের মাঝে গা ব্যাথা নিয়ে জেগে উঠা; তারপর ভয়াবহ শূন্যতায় নিজেকেই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। এই শ্বাপদসংকুল অন্ঞলে, যেইখানে পরিচিত মুখগুলির দিকে তাকিয়ে ভয়ে বিহ্বল হয়ে আসে আত্মা; পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করে সুদূরের কাছে, যেইখানে হয়তো সে নিরুদ্রুব জীবন-সংসারে রত, আর আমিও তার ছায়ায় পাশাপাশি। অথচ সেই ইচ্ছেগুলি ঝাঁঝালো রোদ হয়ে দিন বাড়তে থাকার সাথে সাথে উত্তপ্ত হয়ে নিজেদেরই গিলে খায়। একটা গোলকের ভিতর আবারও প্রত্যাবর্তন। যদি আমিই বেরিয়ে আসতে পারতাম, উন্মুখ প্রান্তরের কাছে এসে নত হয়ে পড়ে থাকতে পারতাম; তাহলে সে নাইবা এলো, আমি জগতদাত্রীর এই লীলায় মিশে গিয়ে তাকে ফিরে পেতে পারতাম।
চিঠিগুলি
নিস্তরঙ্গ ঘুমের ভিতর, চিঠির দিনগুলি ফুরিয়ে গেলে আবার, মৃদু পায়ে কারা উঠে আসে
ডাকঘরের বা থেকে ঘরে ঘরে, বিলীয়মান শব্দে, আবারও মুছে যায়;
প্রভাতের আলো আসে জানালা গলে, শীতের নরম দিন, বানর নাচছে সকালে…
জবাব লিখছি তোমার চিঠির
ঘর-সংসারের আরো কত কথা তুমি জানতে চেয়েছো
আমিও এখন বলতে পারি অনেককিছু
যেমন ধরো, এখনো বর্ষার নদী ছড়ায়নি তার আঁচল
সবুজ ধানের ক্ষেত সোনালি হয়ে উঠেনি পেকে আর
নতুন রাস্তার বুকে মাটি জমা করার পর সবে ইট ফেলা হয়েছে
ঢালাইয়ের কাজ শেষ হতে না হতেই বৃষ্টি চলে আসবে
তোমার রিকশা খানা-খন্দে আটকে বারবার ঢেকুর তুলবে
ওর বারোটা বাজবেই, যদি ওই পথে তোমার চিঠি না এসে তুমিই চলে আসো
দেখবে মলিন হাওয়ারা পাল্টাছে ডানা
কতকিছু থেমে আছে, কতকিছু থেমে নেই
পোস্টকার্ড পাঠিয়ো আরো, সম্ভব হলে
চিঠি লিখবার দিনগুলি শেষ হয়ে যাচ্ছে দ্রুত
সেলাই মেশিনে করা ফুল তোলা নকশা পাঠিয়েছো।
বারান্দায় বসে করা, তাই তাতে ফুটেছে নানা আকৃতি, বিক্ষিপ্ত ও চন্ব্ঞল মন।
ফুল আছে তিনটা, লাল রংয়ের, পাতাগুলি সবুজ আর হলুদ সুতায় তোলা।
সেলাইমেশিনে হাত রেখে অনেকসময় কাটলো তোমার
মেঘনাব্রীজ পার হয়ে ট্রেন ছুটে গেলো ষ্টেশনের দিকে।
গাঢ় সেন্টের গন্ধমাখা তোমার রুমাল পোস্টম্যান দিয়ে গেলো
কী লিখবো এর প্রত্যুত্তর, ‘আর কবিতা নয়
তুমি লিখো অনেক দীর্ঘ, দি-ই-র-ঘ আমার চিঠি’
প্রত্যাভিক্ষা তোমার!
বহুদিন, অনেকদিন, তারও পরে আরো অনেকদিন পর… একটি বিকেলবেলা
একদিন বিকালবেলায়, লিবা আমারে একটা গল্প শুনাইলো। লিবা বলতেছিলো, একদিন দুপুরবেলা বাসায় শুয়ে শুয়ে রেডিওতে একটা নাটক শুনছিলাম (এককালে রেডিওতেও কিন্তু নাটক প্রচারিত হইতো, ভুইলেন না পাঠক!)। নতুন বিয়ে হয়েছে, এক দম্পতির, তাদের গল্প। দু’জনেই তরুণ। স্বামীটা ভালো চাকরি করে। বউও সুন্দরী। এমন একটা সংসার। কিন্তু কোন একটা কারণে বউটার ভালো লাগে না। মন-মরা থাকে। কারণ স্বামীটা তার সাথে ঠিকমতো কথা বলে না। জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয়, কিন্তু বাড়তি কোন কথা নাই। বউটার অস্বস্তি দিন দিন বাড়তে থাকে। এমন করেই দিন কাটে। দেখতে দেখতে একদিন তাদের সংসারে আসে নতুন অতিথি …
তোমার কি নাটকের গল্পটা শুনতে ভালো লাগছে না? … না, না বলো, শুনতেছি তো; কিন্তু আমি ঠিক বুঝতে পারতেছি না … পুরাটা শুনো তাহলে আগে …
তো ছোট্ট শিশুর আগমনে তাদের আত্মীয়-স্বজনেরা খুব খুশি হলো। আগে তো বউটা একটা অস্বস্ত্বি নিয়ে থাকতো, হয়তো এবার এটা কেটে যাবে, শে নিজেও এটা ভাবলো। সত্যি সত্যি নতুন জন্ম দেখে, শিশুটিকে দেখে, স্বামীটা খুবই খুশী হলো। অফিস থেকে ফিরে সারাদিন বাচ্চাটাকে নিয়ে মেতে থাকে। বাচ্চাটার জন্য তার সে কি ভালোবাসা! কখনো একটু কাঁদলে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরে রাখে, সারাক্ষণ খেলা করে, এইসব। কিন্তু বউয়ের দিকে তার কোন নজরই নাই। যেন আগের থেকে অনেক কমে গেছে। আগে তো তাও কথা বললে জবাব দিতো, এখন বাচ্চা নিয়ে সে এতই মশগুল যে অনেকসময় খেয়ালই করে না। যখন এইরকম পরিস্থিতি তখন একদিন বউটা বাচ্চাটাকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসলো। তার বাবা-মা জিজ্ঞেস করলো, চলে এলি কেন? তখন শে বললো যে, যে স্বামী তাকে ভালোবাসে না, তার সাথে ঘর করা যায় না। কয়েকদিন পর স্বামী আসলো। তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলো, কেন শে চলে এসছে? বউটা অবাক হয়ে তাকালো তার দিকে। বললো, তুমি আমাকে যখন ভালোবাসো না তখন এই কথা কেন জিজ্ঞেস করছো? স্বামীটা বললো, কে বলেছে যে আমি তোমাকে ভালোবাসি না? … কিন্তু ভালো যে বাসো এই কথা কি কখনো বলেছো? … এই কথা শুনেই স্বামীটা আকাশ থেকে পড়লো, বললো, কেন? ভালো যে বাসি এই কথাটা কি তুমি বুঝতে পারো নাই? … তুমি যদি না-ই বলো আমি বুঝবো কেমন করে? বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো বউটা … তখন স্বামীটা তাকে জড়িয়ে জড়িয়ে ধরে, কানে কানে বললো, ভালোবাসি, ভালোবাসি …
তো এই হচ্ছে গল্প। এই বলে লিবা সরাসরি তাকালো আমার চোখে। বললো, আর তোমার প্রতি আমার উপদেশ হচ্ছে, তুমি যাকে বিয়ে করবে, তাকে প্রতিদিন না হোক, প্রতি সপ্তাহে না হোক, অন্তঃত মাসে একবার বলো যে, তুমি তাকে ভালোবাসো। তা নাহলে বেচারা বুঝতেই পারবে না, তুমি তাকে ভালোবাসো কিনা।
তারপর, একটু গলা নিচু করে বললো, এই নাটকটা শোনার পর আমার তোমার কথা মনে হয়েছিল।
আসলে আমি এর কি ই বা জবাব দিতে পারতাম। নতমুখ চিবাচ্ছি ঘাস, যেন তোমার গলির মুখে দাঁড়ানো কেবলই একটি ছাগল … যে কোন উচ্চারণ মাত্রই অব্যক্ততা, অর্থহীনতা …
একসময় উঠে আসি মাঠ ছেড়ে আমরা। রাস্তা দিয়া হাঁটি, চারপাশে কতই না মানুষ, কতই না গাড়ি-যানবাহন, এর ভিতর দিয়াই শেষ হলো ভালোবাসার একটা বিকেল … এইরকম ঘটনা, খুবই অ-পার্থিব একটা ব্যাপার, তাই না? এই যে গল্প বলা, মানে এইটাই তো একমাত্র কথোপকথন এর স্মৃতি … এর আগেরদিন যে, লারুরে দেখছিলাম তোমার পাশে বসা, সেইটা এখন আমি ভুইলাই গেছি!
শেষ চিঠি
ভুলে যাবো বলেই লিখেছিলাম একটা চিঠি। সেই চিঠি যার একটা অক্ষরও আমি আর মনে রাখতে চাই নাই। আর সেই প্রতিজ্ঞা এতোটাই সর্বগ্রাসী ছিল যে, এখন চাইলেও তার কোনকিছুই আর মনে করা সম্ভব না। তারচে’ একটা উপকথা-ই বলি!
একটা লোক হাঁটতে হাঁটতে তার জীবনের শেষ প্রান্তে চলে আসছে। তখন সামনে সমুদ্র। সূর্যাস্তের আকাশ। বালিতে বসে বসে সে তার জীবনের পার হওয়া পায়ের ছাপগুলি দেখতে পাচ্ছে। সে খুব অবাক হয়ে দেখলো, সারাটা জীবন তাঁর দুইটা পায়ের ছাপের পাশে চলে আসছে আরো দুইটা পায়ের ছাপ। সে অবাক হয়ে ঈশ্বরকে জিজ্ঞাসা করলো, হে খোদা, এইটা কি? সূর্যাস্তের আকাশ বললো, সারা জীবনে তুমি কখনোই একা ছিলে না; সবসময় আমি-ই ছিলাম তোমার পাশে। তখন সে খুব ভালো করে আবারো দেখলো তার জীবনের পার হয়ে আসা পায়ের ছাপগুলি। তখন সে আরো অবাক হয়ে দেখলো, তাঁর জীবনের দুইটা জায়গায় শুধু এক জোড়া পায়ের ছাপ। আর সে দেখলো, ঐ দুইটা সময়ই ছিল তাঁর জীবনের সবচে’ কষ্টের সময়, সবচে’ বেদনার মুর্হূত আর তা দেখে সে খুবই মর্মাহত হলো। বললো, হে খোদা, আমার এইরকম বিপদের দিনে, তুমি কেন আমার পাশে ছিলে না! সূর্যাস্তের আকাশ বললো, আমি তোমার পাশে ছিলাম না, কারণ তখন আমি নিজে তোমার সত্তাকে ধারণ করেছিলাম আমার ভিতর আর তোমাকে রেখেছিলাম আমার ক্রোড়ে, যাতে জীবনের এই কষ্টগুলি, বেদনাগুলি তোমাকে গ্রাস করতে না পারে।
এই উপকথা পড়েই আমার মনে হয়েছিল, আসলে হয়তো আমি তোমার প্রেমিক হইতে চাই নাই; চাইছিলাম তোমার ঈশ্বর হতে আর তোমার কাছে সর্মপিত করতে চাইছিলাম আমার আত্মাকে!
তোমারে দেখেছে কেউ
স্টেশনে যখনই আসি, ভাবি দেখা তো আমাদের হয়াও যাইতে পারে! দেখা যে হয় না, এইটা অনেক ভালো একটা ব্যাপার। মনে যে হয়, দেখা তো আমাদের হয়াও যাইতে পারে, এতে কিছুটা বিহ্বলতা আসে, ভাবনা আসে, রাগও লাগে যে কেন এই চিন্তা! ষ্টেশন এর পাশে হরি’র বাড়ি। হরি’র কথা আর মনে হয় না। মনে হয় যে, সে একদিন তোমারে চিৎকার করে বলতে চাইছিলো, আমার নাম; রররররাাাাাাইইইইইই… তুমি ধবলা, আমি শ্যাম কই পাই?
এই করে করেই আসলে সময় পার হয়। আমি ভাবি যে, ‘যদি দেখা হয়’, এই চিন্তাটাও যে মাঝে মাঝে আসে, তার আর কোন কারণই নাই। কারণ নাই অথচ ভাবি, উদ্দেশ্য ছাড়া যেমন হাঁটি, ঘুরাফিরা করি। এই যেমন আর ভাবতেই চাই না, থেমে পড়ি। আমি না দেখি, তোমারে তো দেখছে কেউ। তখন খুবই খারাপ লাগে। আমি কি এতোটাই পাপী? আমার প্রায়শ্চিত্তের আর কি কোন শেষ নাই? এতোটাই দূরে কেন আমি এখন, যেখানে দূরত্ব এক মাইলও না?
শালা, মিলিটারী!
: এর পিছনে কি মিলিটারী আছে নাকি?
: শালার মিলিটারীই তো এই দেশটারে খাইছে।
: মিলিটারীর উপর তোর এত ক্ষোভ কেন?
: শালার লিবাও তো একটা মিলিটারীরেই বিয়া করছে। শে চাইতেছিলো একটা নিশ্চিন্ত জীবন।
: ওর হাজব্যান্ড মিলিটারী হইলেও মেইন স্ট্রিমে নাই। সাকসেসফুল হইতে পারে নাই।
: পারে নাই তো কি হইছে। ওতো লিবারে পাইছে!
: ব্যাপারটা কিন্তু এইরকম না। শেষদিকে ওর ফ্যামিলিও রাজি ছিলো না, বরং লিবা’র ফ্যামালিরই আগ্রহ ছিলো বেশি।
: যা-ই হোক। ব্যাপারটা ভাবতে আমার ভালো লাগে না।
: তুই এখনো এইটারে ধইরা রাখছোছ।
: না, আসলে এইরকমও না। আমি যে সবসময় লিবা’র কথা ভাবি এইরকমও না। বা কোনসময় যে খুব বেশি মনে হয়, এইরকমও না। এই যেমন তুই কথাডা তুললি তখনই মনে হইলো। মনে হইলে কেমন জানি একটা শূন্যতা লাগে খালি। এর বেশি আর কোনকিছুই না। আসলে ব্যাপারটা বুঝানো যাইবো না। একটা বিশাল হা করা গর্ত, এইটুকুই… মাহমুদুল হকের লাগান কাব্যময় না, একটা অব্যক্ততা, হাসফাঁস করার মতো, যা থিকা বাইর হওয়া যায় না আর…
: শেষদিকে লিবা তো ওদের বাড়িতে গিয়া বইসা থাকতো, ওর মা-বাপের মন জয় করার লাইগা।
: ঠিক আছে, যা হওয়ার হইছে, বেটির তো বিয়া করা লাগবো, নাকি? তবে যা-ই কছ, মিলিটারীরা আসলে এক একটা বাইনচোত।
: হা হা হা, তুমি আসলেই ক্ষেপছোছ!
: এইখানে না খেইপা কোন উপায় নাই। ওরা তো সব দিক দিয়াই প্রিভিলাইজড। লিবা যদি কোন মিলিটারীরে বিয়া করতে চায় ওর তো কোন দোষ নাই। শে হয়তো একটা সিকিওরড জীবন চাইছে।
: ভেদারে শে হয়তো পছন্দও করতো, ভালোও বাসতো।
: লিবা’র যদি ভালবাসার কোন বিষয় থাকে, সেইটা শুধুমাত্র আমার সাথেই জড়িত। এর বাইরে তার জীবন আছে, কিন্তু ভালোবাসার কোন বিষয় আছে বইলা আমার মনে হয় না।
: ঠিক আছে, বাপ! ও এমনেতেই বাস্তববাদী ছিল। আর ওর সিদ্ধান্ত তো ভুল কিছু হয় নাই। বিয়ার পরে একটু মোটা হইছে, এই আর কি! এইটা তো তুইও হইছোছ।
: হহ্! এতক্ষণে ভালোবাসা ব্যাপারটার একটু টাচ্ তুই পাইলি!! শালার তরার লাইগাই আমার প্রেমটা হইতে পারে নাই। আমি একলা গেলে ঠিকই পারতাম। সবসময় তরার জ্বালায় আমি তো কোন কথাই কইতে পারতাম না। মজাডা তো তরাই লইচছ।
: তুই শালা, এহনো এইরহমই মনে করছ!
: আমার মনে করা দিয়া কিছু যায় আসে না। বিষয়টার তো একটা শেষ হইছে। আমিও আর লিবা’র কথা ভাবি না। শালার তুই-ই তো মনে করাইলি।
: আমি তো মিলিটারীর কথা কইছি। তুই না লিবা’র কথা আনলি।
: শালা, মিলিটারী!!
সময়ের ঢেউ
বালির উপর লিবা’র নাম লিখে বসে আছি, অপেক্ষা করছি সময়ের পরবর্তী ঢেউ কখন আসবে; মুছে দিবে এই শব্দ, আহাজারি, কথা ও কাহিনিগুলি …
মার্চ, ২০০৮
============================
গল্প- আলিমের নিভৃতিচর্চা by রাশিদা সুলতানা গল্প- প্রত্যাবর্তন: আমার ‘ফেরা’ নিয়ে যে কাহিনী না ..মানষ চৌঃ গল্প- 'বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম' by আনোয়ার ... গল্প- 'প্রীত পরায়া' by সিউতি সবুর গল্প- 'চলিতেছে' by মাহবুব মোর্শেদ গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা গল্প- 'রূপকথা' by লুনা রুশদী সঞ্জীব চৌধুরীর কয়েকটি গল্প গল্প- 'অস্বস্তির সঙ্গে বসবাস' by ফাহমিদুল হক গল্প- 'মঙ্গামনস্ক শরীরীমুদ্রা' by ইমতিয়ার শামীম গল্প- 'হাজেরার বাপের দাইক দেনা' by জিয়া হাশান গল্প- ‘অপঘাতে মৃত্যু’ ও ‘সাদামাটা’ by লীসা গাজী গল্প- 'দ্বিতীয় জীবন' by ইরাজ আহমেদ গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান.. গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ গল্প- 'মরিবার হলো তার সাধ' by আহমাদ মোস্তফা কামাল গল্প- 'নিষুপ্ত শেকড়' by নিরমিন শিমেল গল্প- 'লাল ব্যাসার্ধ্ব' by শামীমা বিনতে রহমান গল্প- 'সেদিন বৃষ্টি ছিল' by মৃদুল আহমেদ ক. কিছুদিন হয় সেই নগরে কোন বৃষ্টি হচ্ছিল না। কিছুদ.. গল্প- 'তুষার-ধবল' by সায়েমা খাতুন গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান গল্প- 'কর্কট' by রাশিদা সুলতানা গল্প- 'তিতা মিঞার জঙ্গনামা' by অদিতি ফাল্গুনী গল্প- 'সম্পর্ক' by তারিক আল বান্না গল্প- 'অনেক দিন আগের দিনেরা' by রনি আহম্মেদ গল্প- 'গাদি' by ইফফাত আরেফীন তন্বী গল্প- 'কামলাঘাটা' by অবনি অনার্য গল্প- 'কক্ মানে মোরগ: উদ্ভ্রান্ত মোরগজাতি ও তাহাদে. গল্প- 'ভরযুবতী ও বেড়াল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ ইমরুল হাসান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ ইমরুল হাসান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1549)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 15
(46)
- আবার এল পুজো by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- উদ্ধারকাজ: খালের ও খনির by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- উদীয়মান ভারতের তলার অন্ধকার by পঙ্কজ মিশ্র
- অতীতের পুনরাবৃত্তি চাই না by আবুল মোমেন
- রেলওয়ের জমি বেদখল
- আফগানিস্তানে মালবাহী বিমান বিধ্বস্ত, আট আরোহী নিহত
- চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট ব্যাধি
- কালো তালিকা থেকে আরও তালেবানের নাম বাদ দেওয়া হবে
- আগামী পাঁচ বছরে যক্ষ্মায় এক কোটি মানুষ মারা যেতে পারে
- দেশে এনে মোশাররফের বিচার করার আহ্বান নওয়াজ শরিফের
- গৃহবন্দী করায় সরকারের সমালোচনায় সিয়াওবোর স্ত্রী
- আফগানিস্তান থেকে ডাকযোগে রকেট
- থাইল্যান্ডে ১৫ পাকিস্তানি আটক
- মিসরে উপমন্ত্রীসহ ১১ জনের তিন বছরের কারাদণ্ড
- ইরানে রেভল্যুশনারি গার্ডের ঘাঁটিতে বিস্ফোরণে নিহত ১৮
- ইসরায়েলের সীমানা চিহ্নিত করতে বলল ফিলিস্তিন
- কাশ্মীরে উত্তেজনা প্রশমনে তিন আলোচক নিয়োগ
- মেক্সিকো উপসাগরে তেলকূপ খননের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
- খুলনায় রিটার্ন দাখিল করেননি ৬০% টিআইএনধারী
- চিটাগাং কেমিক্যাল কমপ্লেক্স এ বছরই চালু হতে পারে
- এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুই প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাতে বলেছে এসইসি
- এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুই প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাতে বলেছে এসইসি
- দুই বাজারেই সূচক নতুন উচ্চতায়
- আইসিসির গ্লোবাল ক্রিকেট একাডেমি
- কলঙ্কের তিলমোচন পাকিস্তানের
- শ্যুটিংয়ের অর্ধেক পদকই ভারতের
- শেখ রাসেলের শিরোপা
- বাজল যখন শেষের বাঁশি
- সত্যিই রিয়াল ছাড়ছেন কাকা
- পিসিবি ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’
- টেন্ডুলকারই সর্বকালের সেরা
- ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষা
- হোয়াইটওয়াশও হয় অস্ট্রেলিয়া
- খোলসবন্দী নিউজিল্যান্ড
- গল্প- 'পান্নালালের বাস্তু' by সিউতি সবুর
- গল্প- 'আচারকাহিনি' by মোহাম্মদ আজম
- গল্পিকা- 'সেল প্রেম' by আবদুশ শাকুর
- গল্প- 'ভ্রম অথবা ভ্রমণ বিষয়ক গল্প' by ইফফাত আরেফীন...
- গল্প- 'রুখসানার হাসব্যান্ড' by মাহবুব মোর্শেদ
- গল্প- 'সরল রেখা' by শামীমা বিনতে রহমান
- গল্প- 'অমর প্রেম অথবা আমার প্রেম' by ইমরুল হাসান
- গল্প- 'ভরযুবতী ও বেড়াল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া
- গল্প- 'কক্ মানে মোরগ: উদ্ভ্রান্ত মোরগজাতি ও তাহাদে...
- গল্প- 'কামলাঘাটা' by অবনি অনার্য
-
▼
Oct 15
(46)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
স্বাস্থ্য
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
লেবানন
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
Exclusive
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
ইয়েমেন
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
জোহরান মামদানি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment