Friday, October 15, 2010
গল্প- 'সরল রেখা' by শামীমা বিনতে রহমান
গল্প- 'সরল রেখা' by শামীমা বিনতে রহমান
আইসক্রিমটা খাওয়ার পর মনে হলো, মাথায় ছোট ছোট দুইটা চ্যাপ্টা পা দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আটকে থাকা এক ঝাঁক চড়ুই ঠাস করে উড়া শুরু করলো। তিরু সামনে তাকালো। সামনে মোজাইকের ফ্লোরের ওপর একটা আলোর রম্বস। জানালা কাম ভেন্টিলেটর দিয়ে ঢুকে পড়া এই রম্বসাকৃতির সুরুজ বাতির বিকিরণটা তিরুর অনেক ভাল্লাগে। এই সময়টায়, মানে যখন সে সারাদিন বাসায় থাকে, সেই দিনের দুপুর সাড়ে তিনটার রোদ—তাকে আপ্লুত করে ফেলে। সে মাঝে-মধ্যে ডিভাইডার আর ফতুয়া খুলে সেই রম্বসের মধ্যে শুয়ে থাকে।
আড় কাত হয়ে আর দেখতে আরো ভাল্লাগে তার বুকের পার ঘেঁষে, ক্রমশ নিচের দিকের শরীর, শরীরের কার্ভ লাইনে আলোর খেলা, একেবারে ছোট ছোট লোম জুড়ে আলোর বয়ে চলা। যেন করাতের খাঁজের ওপর দিয়া হেঁটে চলা একটা যুবক। কোথায় প্রথম দেখা হয়েছিল মিতির সাথে? ইয়াপ! মনে পড়ছে। ডিপার্টমেন্টের পিকনিক প্রোগ্রামে মিতি ছিলো কার যেন গেস্ট। ওটা মনে নাই। কিন্তু বাস থেকে নেমে কুমিল্লা বার্ড এর প্রত্নতাত্ত্বিক অলিতে গলিতে ঘোরার সময় সে ফস করে একটা সিগারেট ধরায়। ওর ধরানোর মধ্যে একটা দারুণ ছেলে-ছেলে ব্যাপার ছিল, মানে মেয়েরা এরকম করে না সাধারণতঃ। কিন্তু ছেলেরা সাধারণতঃ যা করে, ও সেটা সেরকম সাধারণতঃ না কিন্তু অভিনবত্ব ফলায়ে করছে। তো মিতিকে ভাল্লাগবে না তো কারে ভাল্লাগবে? তিরু আবার রম্বস-শরীরের দিকে তাকালো। আজকে তার বাসায় থাকবার কথা না, কারণ আজকে তার রাশান কালচারাল সেন্টারে রবী বাবুর রাজা দেখতে যাবার কথা ছিল, সেখানে তওফিকের আসার কথা। নাটক শুরু হবার আগের দুই ঘণ্টা আড্ডা, কিছু চড়ুই চুমু হবার বিস্তর সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু দুপুরের পর থেকেই তার কেমন কেমন, ভাল্লাগেনা-ভাল্লাগেনা-ভাল্লাগেনা ফিলিং হইতেছিল। সে মোবাইল ফোন বন্ধ করে শুয়ে আছে। বাসায় এখন কেউ নাই। আজকে কারোই ডে অফ না। অফিসটা তিরুর দমবন্ধ লাগে। একদমই এনজয় করে না। এত ডিসিপ্লিন, এত মন খারাপ করা ডিপ্লোম্যাসি সহ্য করতে হয়! হাসি না আসলেও হাসতে হবে। বসদের ভালগার ম্যানারে, অধিক বোল্ডনেস দেখানো নারী সহকর্মীর পাশে দাঁড়ায়া তার মতো মেনে নেয়া হাসির সহযাত্রী হতে হয়। এসব কিছুই ভাল্লাগেনা মানতে তিরুর।
তিরুর আসলে কী ভাল্লাগে? এইটা খুব জটিল খুঁজে বের করা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভাল্লাগেনা শব্দটা শুনতে হয় তার রুমমেট আর বন্ধুদের। পল্লব বলছিল, তুই ভয়ানক নৈরাজ্যবাদী। তুই এনার্কিস্টদের মতো ভয়ানক এক্সট্রিমিস্ট মাঝে-মইদ্যে। স্ট্যাবলিশমেন্টের সাথে এডজাস্ট করা কিন্তু কোয়ালিটি। প্রফেশনে ভালো করতে চাইলে, এইটা তোমারে এডাপ্ট করতেই হবে। না চাইলে অন্য কথা।
আমি তো এডাপ্ট করতে চাই।
না, তুমি চাও না। চাইলে এতো অবজেকশন, এতো পেইন নিতা না। তোমার সাথে দেখা হইলেই কিছুক্ষণ পরই তোমার গলায় চাকরি নিয়া নানা গোলোযোগ শুনতে হয়। লাস্ট ফাইভ ইয়ারস্ ইটস হ্যাপেনিং। অ্যান্ড ভেরি স্যাড টু সে ইটস কন্টিনিউয়িং। তিরু, তুমি সিদ্ধান্ত নাও। তোমার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় হয়া গেছে কিন্তু।
কী সিদ্ধান্ত?
তুই চাকরি করবি নাকি নিজে নিজে একটা কিছু দাঁড় করানোর চেষ্টা করবি। অর ফ্রিল্যান্স।
ফ্রিল্যান্সেও একই প্রেসার।
না, ওইটায় প্রেসার রেগুলারের চাইতে কম।
* * *
পল্লব মাঝে-মধ্যে তিরুর সাথে গাইড অ্যান্ড ফিলজফার টাইপ আচরণ করে। ইউনিভার্সিটি থেকেই এই প্র্যাক্টিস চালু রাখছে সে। কথা নাই, বার্তা নাই। একদিন হুট করে স্রেফ বন্ধুত্বটাকে টার্ন দিয়া ভারি একটা আচরণের টানেলে চলে যায়। আজিব! রিয়্যালি আজিব এইটা। একটানা বল্লে তিরুর ভার-ভার লাগে, বাট এছাড়া রিক্সার তামাক-সিগারেটের লম্বা জার্নিতে এটা খুব এনজয়িংই মনে হয়।
মিতি সেই যে বার্ডের ভেতরকার প্রত্ন-ইটগুলিতে পিঠ ঠেকায়ে সিগারেট ধরাইছিল, সেটা তার সাথে প্রথম ভালোলাগা বিনিময়। এরপর রাতভর জার্নিতে ক্যাম্পাসে ফিরে এসে পরদিন দুপুরে ঘুম ভেঙে অনেক খুঁজছে তাকে। দেখা হয় নাই। হয়তো সে ঢাকায় চলে গেছিল। হয়তো বা না। ডিপার্টমেন্টে গিয়ে খুঁজলেও হতো। কিন্তু তিরুর ইচ্ছা হয় নাই। তবে স্যোশাল সায়েন্স হয়ে ক্যাফেটেরিয়ার দিকে আগালেই সে একবার না একবার খোঁজার চোখ নিয়ে বাঁয়ে তাকাতো।
মিতি কখনোই জিন্স-ফতুয়া পরে না। অলওয়েজ সালোয়ার-কামিজ। আবার কামিজের নিচে কখনোই সে ব্রা পরবে না। ব্রা পরতে মিতির অস্বস্তি লাগে। মিতি সিগারেট খাবে, কিন্তু গাঁজা খাবে না। আর চুলের সাহস নাই ঘাড় থেকে নিচে নামার। মেয়েদের বিউটি বানানোর পার্লারে মরে গেলেও যাবে না। ছেলেদের পার্লারে চুল কাটবে। তবে চুল কাটার সময় সে একটা সিডেটিভ ট্যাবলেট খেয়ে নেয়। যাতে অস্থির না লাগে। একবার তিরু পল্লবকে খুঁজতে প্রান্তিক গেইটের ভেতর দিয়ে ঢুকে সব হোটেল, স্টেশনারি দোকান খুঁজে লাইনের মাথার দিককার সেলুন দোকানগুলির একটাতে গিয়া দেখে মিতি চোখ বন্ধ করে আছে। আর সেলুন মামা চুল কেটে দিতেছে। তিরু জিজ্ঞেস করলো, মামা কী ছাট?
মামা জবাব দেয়, বাটি ছাঁট।
মামা আমারেও এই ছাঁট দিয়া দেন।
মিতি চোখটা খুলে একটুখানি দাঁত বের হওয়াসহ মুচকি হাসি দিয়া বল্লো, মামা ওর চুল কাটবেন না।
তিরু অবাক হয়ে যায়। তখনো তাদের সম্পর্কটা আসলে দাঁড়ায় নাই। সে গোলাকৃতির চোখ রেখে বল্লো, তোমার সমস্যা কী? আমি কাটবোই।
শোনো তোমার চুলের সাইজটায় তোমাকে দারুণ লাগে। তোমার ফেইসটাও তো, খুবই ফটোজেনিক। কেউ বলে নাই তোমাকে?
মিতি যে তাকে খেয়াল করে বা করছে—এটা তিরু প্রথম খেয়াল করলো। মিতির কথা রাখায় তারা চা খেতে বের হলো সেলুন থেকে। চা খেতে খেতে মিতি বল্লো, শোনো বুদ্ধিই সৌন্দর্য। এটাই সুন্দর। তুমি পার্লারে গিয়া ভ্রূ প্লাক করলা, ফেসিয়াল-থ্রেডিং-ফেয়ার পালিশ—সবই করলা আর কথা-বার্তায়, আচরণে তোমার ভেতরে কেউ ডুবই দিতে পারলো না। তাইলে তো মানুষ তোমারে সাইড লাইনে বসায়া রাখবে সব সময়। তুমি সাইড লাইন থেকে মেইন বডিতে আইসা মাঝে মধ্যে পার্টিসিপেট করবা আবার তোমার আলাপ চালানোর অগভীরতার কারণে ফেরত যাবা আগের বসবাসে। এইটা কখনোই ফলো করো না। স্ট্যান্ডার্ডটাকে ভিন্ন জায়গায় সেট করো।
তিরু মন দিয়ে শুনতে শুনতে ডুব দিলো মিতির ভেতরে। এই শুরুটা আর্কিওলজিক্যাল এক্সক্যাভেশনের মতো। যতই খোঁড়ে, ততই ভেতরে নতুন কিছু আবিষ্কারের আসক্তির গভীর টান। এরপর থেকে তাদের সারাদিন এক সাথে ঘোরাঘুরি। একসাথে চলে। ক্লাস-ফ্লাস যে কই গেছে প্রথমদিককার মাসগুলির। ওরা প্রথম চুমু খায় হলের দোতলার লনে। তখন সন্ধ্যা ছিল। বাইরে আযান হচ্ছিল ক্যাম্পাসের মসজিদে। মাথার ওপরে ছিল খোলা আকাশ। চৈত্রের শুরুর দিকটাতে সন্ধ্যায়ও কুয়াশা জমে হলের পেছনের লেকটাতে। তিরুর ভীষণ অস্থির লাগতেছিল আর ভীষণ অন্যরকম লাগতেছিল। সে বার বার জাপটে ধরতেছিল মিতিকে। মিতি এমন ক্যানো! রুমে এসে মিতি তার স্তনে গোল গোল বৃত্ত আঁকতে আঁকতে বলেছিল, আই লাভ টু ডাই টু লিস্যন দ্য সাউন্ড। তিরু উন্মাতাল হয়ে উঠেছিল। তিরু উন্মাতাল হয়ে উঠতো সব সময়। ইভ্যেন, চাকরিতে জয়েন করার পর এক সাথে থাকার দিনগুলিতেও। যদিও তখন তার শরীরও বিভক্ত, মনও বিভক্ত, মননেও দুই ভাগ।
তিরু শুয়ে শুয়ে বাথরুমের আগের বাড়তি ড্রেসিং রুম অংশটাতে রাখা দৈনিক পত্রিকার ফুট তিনেক উচ্চতার স্তর দেখতেছিল। সে খেয়াল করলো ইংরেজি-বাংলা দৈনিকগুলোর মাঝখানে মাঝখানে কিছু সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন টাইপ পত্রিকা রাখা। চোখটা সেখান থেকে তুলে পায়ের বুড়া আঙুল ফলো করতে করতে উরুর কাছে আসতেই সে আবারো খেয়াল করলো, আলোর রম্বসটা খাটো হয়ে আসছে। একটু খানি নিচেও নেমে গেছে।
ফার্স্ট ইয়ার থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত চেপে রাখলেও বন্ধুদের কাছে, চাকরিতে জয়েন করার পর যখন সবাইকে জানায়ে তারা ইস্কাটনে বাসা নিলো, তখন কাছের বন্ধুদের জানাতে থাকলো তাদের সম্পর্কটা। আর সেই সময় তারা নিজেদের যৌথতাকে অ্যাড্রেস করতেছিল এইভাবে: উই আর লিভিং টুগ্যাদার। ইটস নট অনলি দ্য বেইজমেন্ট অব ফ্রেন্ডশিপ, মোর দ্যান লিনিয়ার লাভ। মিতি তখন অনেক সিরিয়াস। অফিস শেষ করেই বাসায় ফিরে আসে, একসঙ্গে সন্ধ্যায় চা বানায়া খায়। বেশিরভাগ সময় মিতিই রান্নার প্রেসার নেয়। তিরুর ইচ্ছা করতেছে না একটা কাজ করতে, এটা খুবই খেয়ালে রাখে মিতি। ঠিকাছে, ভাল্লাগতেছে না; ওকে। অপরাধাবোধসহ কাচুমাচু করার দরকার কী। লেইম এক্সকিউজের দরকার নাই। আমার যতক্ষণ খারাপ লাগবে না, ততক্ষণ আমার প্রেসার নিতে সমস্যা নাই—এইরকম আন্তরিক আচরণ করতো মিতি। এই সময়টায় সে হয়ে উঠেছিল অনেকটা স্যাক্রিফাইসিং। ছাড় দিতে ভাল্লাগতো। নিজেই স্পেইস তৈরি করতো, যাতে তিরু বোরড্ না হয়ে যায় সম্পর্ক নিয়ে। তিরু সন্ধ্যায় ফিরতেছে না, না ফিরুক। রাত ১১টায় আসতেছে, অসুবিধা কী? কোনো প্রকার প্রশ্নবোধক চোখও রাখতো না।
ওদের যৌথতার সংসারে বাঁধনহীন বাঁধন আছে বলেও ওরা গল্প করতো বন্ধুদের। এই গল্প অবশ্য মিতি’র রংপুর ক্যান্টনমেন্টের ভেতর পর্যন্ত যেমন পৌঁছাতো না, তেমনি তিরুর উত্তরার বাসা থেকেও খুব বেশি বিপত্তি তৈরি হয় নাই। মিতির লে. কর্নেল ডাক্তার মা শহরে নিজের একটা ব্যক্তিগত ক্লিনিক চালানো নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকতেন আর বাবার সাথে দীর্ঘ সেপারেশন তাকে নিষেধের প্রশ্নে কখনোই আটকাতে হয় নাই। শৈশব-কৈশোর ভারতেশ্বরী হোমস এবং এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় তাকে পুরোই বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিল পারিবারিক না থেকে। বছরে একবার বা দুই বছরে একবার বাড়ি গিয়ে মাকে দেখে আসে। টেলিফোনে বা ইন্টারনেট চ্যাটিংয়েই কথা সেরে যায় বড়াপিদের সঙ্গে। বাবার সঙ্গে মায়ের সেপারেশন তাকে এত বেশি পেইন দিতো যে বাবা প্রসঙ্গের আলোচনায় সে কখনোই বন্ধুদের সঙ্গে আগ্রহ দেখায় নাই। আবার অনাগ্রহটাও এমনভাবে প্রকাশ করতো যে, বাবার গল্প এড়িয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু মনে হতো না। এসময়টায় সে ইচ্ছা করেই মুখে একটা আনন্দের হাসি রেখে দিতো আর বাবাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করতো। ভুলেও অন্য বাবার গুণের সাথে নিজের বাবার কোনো বৈশিষ্ট্য/কোনো আদরের স্মৃতি শেয়ার করতো না। কেবল তিরুই ছিল এসব বেদনার একমাত্র শ্রোতা। মিতি বলতে বলতে কখনো কখনো চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়তো। তখন তার চোখ থাকতো অসম্ভব তীক্ষ আর বেদনাময়। ভীষণরকমের বেদনাময়। তামার মতো রং হয়ে যেত চোখের কর্ণিয়ার সাদা অংশ। সেসময়ে তিরুর একটুখানি চুলে হাত বুলিয়ে দেয়া মিতিকে সংযত, দুঃখ কাটিয়ে ওঠার স্থিতি দিতো।
এরকম একদিন মিতি তার তামাটে-কালো আর তীব্র ভাষাময় চোখ থেকে গড়ানো পানি মুছে, বাম হাতে নাকের একটা পাশ চেপে তিরুকে বলতে থাকলো: জানো তিরু! আমার মনে হয় আব্বু আম্মুকে অনেক বেশি ভালোবাসতো। অনেক বেশি ভালোবাসতো বলেই তারা একসঙ্গে থাকতে পারে নাই। আমার মনে হয় আব্বু এখনো আম্মুর জন্য অপেক্ষা করে।
ক্যানো এইটা মনে হয় তোমার? তুমি কি উল্টা করে ভাবতেছ না?
আমার মনে হয়। ক্যান জানি মনে হয়। আমার মনে হয় আব্বু আম্মুর একটা ফোনের জন্য ওয়েট করে। আমি তাকে ক্লাস এইট পর্যন্ত পাইছিলাম। আমি যখন ভ্যাকেশনে বাসায় আসতাম, কখনোই দেখি নাই তাদের ঝগড়া করতে। উল্টা এত কেয়ারিং মনে হতো আব্বুকে। আম্মু কেন যে সেপারেশনে গেল, আই নেভার ক্যান্ট গেইজ এনি থিং।
আমার মনে হয়, কোনো না কোনো একটা লিমিটেশনের জায়গা ছিলই। মানে, একটা গ্যাপ। সেই গ্যাপ নিয়েই হয়তো একসাথে থাকা শুরু করছিলো। ভাবছিলো বিয়ের পর, বাচ্চা-কাচ্চা হয়ে গেলে গ্যাপটা কমে যাবে বাট কমে নাই। এইটা একটা কজ হইতে পারে।
তিরুও গোল করে রাখা পায়ের ভাঁজ থেকে মাথা তুলে মিতি তিরুর চোখের দিকে তাকায়।
আচ্ছা গ্যাপ ছিলো মনে হলো ক্যান তোমার?
মনে হলো। মেইবি। মেইবি। নাও হতে পারে। ওঠো, মন খারাপ করার কিছু নাই এতো। সবাই তো আর রাইট-ম্যাচড্ হয় না। কষ্ট হলে মনে করো আমি আছি তোমার পাশে। আমি সব সময়ই তোমার সাথে সাথে আছি। ওঠো ওঠো। মুখ ধুয়ে আসো।
* * *
রম্বস আলোটা এখন অনেক নিচে নেমে গেছে। বুড়া আঙুলের ডগার একটু নিচে এসে থেমেছে। তিরু মোবাইল সেটটার দিকে তাকালো। ওটা বাজতেছে না দেখে খুব হালকা লাগতে থাকলো। মনে হচ্ছে, মোবাইল না থাকাটা অনেক আরামের একটা ব্যাপার। খোলা থাকলেই অপেক্ষার চাপ থাকে। কথা বলার চাপ থাকে। বছর খানেক পর রিক্যাপ হচ্ছে আগের নয় বছর। মিতির সাথে থাকার ৬ বছরের মাথা থেকে অর্থাৎ চাকরিতে ঢোকার পরের বছরই তিরু যতই মিতির কাছ থেকে দূরে সময় কাটাতো, ততই তার ভাল্লাগতে থাকে বেশি। এ সময়টায় তিরু একটা গ্রুপের সাথে মেশা শুরু করলো, যারা একেবারেই বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক না। প্রফেশন বেইজড্। বিভিন্ন জন বিভিন্ন হাউজে কাজ করে, কিন্তু সন্ধ্যা হলেই তারা অলিয়ঁস ফ্রঁসেজে ক্যাফেতে বসে। রাত ৯টায় ক্যাফে বন্ধ হয়ে গেলে উল্টা দিকের চায়ের দোকানে আড্ডা চলতেই থাকে। এই আড্ডাতে ডিজিটাল মুভি বানানোর ভীষণ ঝড়। ডিজি ক্যামেরায় সিনেমা। দৈর্ঘ্য ছোট, দৈর্ঘ্য বড় যাই হোক। তিরুর খুব ভাল্লাগে এখানে বসে বসে অনেক রাত আড্ডা দিতে। ছবি বানানোর পরিকল্পনা মাথায় কাজ করতে থাকে। গল্পের প্লট, প্লট ছাড়া গল্প, শুধু প্লট, গল্প বলে কিছু নাই–এসব নানা কিছু নিয়ে আড্ডা তিরুর পায়ে দিন দিন আঠা বসিয়ে দিতেছিল তাড়া নিয়ে বাসায় ফিরে না যাবার। সে বুঝতে পারতেছিল, একটা আলগা আলগা কিছু হচ্ছে, হয়ে যাচ্ছে। মাস ছয়েকের মাথায় তিরুর কাছে পরিষ্কার হলো, এই মিতির ওপর আলগা অনুভূতির সাথে রাজনের প্রতি বেশি টান এর সম্পর্ক আছে। এক রাতে মিতিকে একটা প্লট বলতে গিয়ে তার মনে হলো মিতি কম্যুনিকেট করতে পারতেছে না। তিরু বলতে থাকলো,
ধরো, একটা মাছি, মাছিকে ফলো করা। কিছু পচা খাবার, ধরো পঁচা পাাউরুটি বা ফল রেখে দিবা একটা ঘরের ভেতর, সেরকম সময়ে যখন সূর্যের আলো মেঝের একপাশ জুড়ে থাকবে। আর খাবার থাকবে আলোর একপাশে। পড়ে থাকা আলোর খুব কাছে, যেন আলোর প্রতিসরণ গিয়ে একটা আভা তৈরি করে। এরপর ক্যামেরা রেখে দিবা। ক্যাজুয়্যেল শ্যুট। কাজ থাকবে জুম করার মধ্যে। ফিক্সড জুম, জুম ইন, জুম আউট এসব থাকবে।
মিতি আগ্রহ না দেখিয়ে শুনতে থাকলো। তিরু খুবই টান টান উজ্জ্বল চোখে বলতে থাকলো, শোনো এর মধ্যে মাছির ভন ভন শটটা বসানোর আগে আমি কী বসাতে চাই জানো? তোমাকে এডিটিং এর জায়গা থেকে বলতেছি। আমি জনসমাবেশে মানুষের অসংখ্য মাথার টপ শট ইউজ করবো। একটু শ্লো করে মুভি দিবো। আর সাউন্ড থাকবে ভন ভন। এই শটটার পরের শটটাই বিপুল মাছির আগমন। এখানে কোনো গল্প নাই কিন্তু। জাস্ট মাছিকে ফলো করা। বুঝতেছ?
তিরু বলতেছিল রেসপন্স পাওয়ার এমন ভাব নিয়ে যে, মিতি তাকে মাঝখান থেকে থামায়া বলবে, না এটা এইভাবে না, মাথার শট দিয়া শুধু শুধু ফিকশন মেইক করতেছ ক্যান? কিন্তু মিতি কিছুই বলে নাই। খুব মন দিয়া শুনছে বলেই মনে হয়। একটুও বেখেয়াল হয় নাই, তবে কেবল শুনেই গেছে।
তিরুর তখন প্রথমবারের মতো মনে হয়েছে এ জায়গায় রাজন থাকলে অনেক বেশি মজা হতো। অনেক বেশি ভাল্লাগতো আড্ডা দিয়ে। এই মনে হওয়াটাই, তিরুকে অন্য কিছু বুঝতে না দিয়ে ক্রমশই দখল করে ফেলছিল। আড্ডাগুলাতে তিরু যথাসম্ভব দ্রুত গতির দিনের বেগে অনেকের মাঝ থেকে রাজনকে তুলে নিয়ে সিঙ্গেল আড্ডা দেয়া শুরু করলো।
তিরু আলগা হতে থাকলো।
মিতির কিন্তু আলগা লাগতো না। তিরু মিথ্যা বলা শুরু করলো মিতির কাছে। কেন সে মিথ্যা বলা আরম্ভ করলো, এটা তিরু নিজেও বুঝতে পারে নাই, তখন। সে একদিন মিথ্যা বললো, সে চিটগং যাবে। শুটিং লোকেশন ঠিক করতে যাবে প্রোডাকশন টিমের সাথে। তিরু আসলে যাচ্ছিল সিলেটের জাফলংয়ে। রাজনের সঙ্গে বেড়াতে। প্রস্তাবটা তিরুরই ছিল। সে বলেছিল, চলো ঢাকার বাইরে যাই। সিলেট আর পঞ্চগড়ের মধ্যে টস করে সিলেট উঠলো। সে বেড়ানোর জায়গা সিলেকশনের এই পদ্ধতিটাতে অনেক মজা পেয়েছিল। মিতিকে সিলেট বললে, এমন কোনো ক্ষতি ছিল না। কারণ মিতি সেটা যাচাই করে নাই। করার কথাও না। তবু তিরু বলে নাই। কেন বলে নাই, ওই সময়ে ধরতেই পারে নাই। অবশ্য ধরার চেষ্টাও ছিল না তার। তিরু এভাবে আস্তে আস্তে রাজনের সঙ্গে ব্যক্তিগত হয়ে পড়ে।
সিলেট থেকে ফিরে আসার পর তিরুর আলগা লাগা বোধটা আরো বাড়তে থাকে। সে বিছানায় এক সাথে ঘুমাতে গিয়ে কেমন যেন আরাম বোধ করে না। মিতিকে রোজ যেমন ধরে ঘুমাতো, তেমন ধরে ঘুমাতে তার ভাল্লাগে না। কোল বালিশ জড়িয়ে ধরে উল্টা দিকে পিঠ দিয়ে ঘুমায়। বেশি বেশি করে উত্তরায় যেতে থাকে। ইস্কাটনের বাসাটা অপশনাল হয়ে পড়ে। মিতির খুব একলা লাগতে থাকে। মিতি অপেক্ষা করতে থাকে। ভাবে তিরু একটু চঞ্চল, আস্তে করে ঠিক হয়ে আসবে। বেশ কিছু গ্যাপের পর একদিন রাতে; অনেক রাতের পর এক গল্পের রাতে, এক আনন্দের রাতে, এক আড্ডার রাতে তিরু অনেক প্রাণবন্ত ভাব নিয়ে গল্প করছিলো অনেক কিছু। তার নতুন বন্ধুদের গল্প। রাজনের সঙ্গের বেশ কিছু গল্প সে ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে বলতে থাকে মিতিকে। যাতে মিতি ধরতে না পারে রাজনকে একক কোনো ক্যারেক্টার হিসাবে। মিতি দেখছিল প্রত্যেকটি গল্প বলায় তিরু কেমন সাবলীল! অনেকদিন পর তিরু এমন সাবলীল। কিন্তু মিতি হঠাৎ প্রশ্ন করে, আচ্ছা রাজনকে তোর খুব ডেপেন্ড্যবল মনে হয়?
ন্-না, ওতো না। বাট বেশ এক্সাইটিং।
কী রকম?
ধরো, আমরা অলিয়ঁসের বাইরে যে আড্ডাটা দেই সেই আড্ডায় রাজন হুট করে এমন সব প্রপোজাল দেবে, সে, ঘুরাঘুরি—একজন বললো সিলেট যাবো। আরেকজন বললো সেন্টমার্টিন আর একজন বললো বান্দরবান আর রাজন বলবে পঞ্চগড়। ও বোঝানোর চেষ্টা করবে আনয়্যুজাল জায়গায় যাবার চার্মটা কেমন। আচ্ছা, তুমি ওই আড্ডায় যাইতে চাও না ক্যান?
তুমি তো আমাকে বলো নাই। ওইটা তো তোমার আড্ডা। তুমি আমার হোস্ট। না বললে, যাবো কী করে?
বললে যাবা?
যাবো।
ওকেই। কাল চলো। সন্ধ্যার পর। মানে ৮টা ৯টার দিকে। আমি ওখানেই থাকবো। তুমি চইলা আইসো।
* * *
পরদিন রাতে মিতি গিয়ে দেখলো, তিরু আর রাজন ছাড়া আর দুই তিনজন। যাদের কাউকেই মিতি চেনে না। সে বেশ কিছুক্ষণ একসাথে কাটাতে গিয়ে দেখলো তিরু রাজনের পাশাপাশি বসতেই বেশি আনন্দ পায়। মিতি যেন অনেকদিন পর দেখা হওয়া এক বন্ধু। কেবলই বন্ধু। মিতি প্রথমবারের মতো আলগা ফিল করতে থাকলো। ফেরার সময় রাজন তিরুকে আটকে রেখে কথা বললো অনেকক্ষণ। মিতিকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে একা, তিরু ফিরতে চাইলেই রাজন হাত ধরে রাখে। আর একটু পর বলে আবদার করতে থাকে সময়। মিতির নিজেকে বাড়তি মনে হতে থাকে। এখানে সে অপ্রয়োজনীয় এমন একটা কমপ্লেক্স, এখানে সে মিশতে পারছে না এমন এক অস্বস্তি, এখানে সে অযথাই এমন বোধ হতে থাকে। প্রায় মিনিট ১৫র মধ্যে মিতি ঘুরপাক খেতে থাকলো অস্থিরতায়। সে বার বার একটা দরজায় গিয়ে বাড়ি খেয়ে ফিরতেছে। কোনোভাবেই সে দরজা খুলছে না। সে বুঝতে পারতেছে না কী ভাবে এটা ওভারকাম করা যায়।
বাসায় ফিরে মিতি অস্থিরতা নিয়েই প্রশ্ন করলো, তিরু তুমি কি রাজনের প্রেমে পড়ছো?
তিরু অবাক হওয়ার মতো এক্সপ্রেশনের সঙ্গে খানিকটা সন্দেহ যোগ করে চোখ কুঁচকে পাল্টা জিজ্ঞেস করলো, ’মানে কী?’
মানে কী? মানে সরাসরি হাঁ বা না বলবা। কোনো ব্যাখ্যা আমি শুনতে চাই না। তুমি হাঁ বা না একটা এনস্যর করবা।
রাজনের সঙ্গে প্রেম করবো কেনো?
তিরু তুমি একটা সিঙ্গেল এনস্যর সিলেক্ট করো।
তিরু খেয়াল করলো, মিতি অন্যরকম হয়ে উঠতেছে। ওর চোখ তামাটে হয়ে জ্বলে উঠতেছে। বাসায় ফিরে ড্রেস চেইঞ্জ না করেই মিতি তাকে প্রশ্ন করা শুরু করলো।
‘আমি পারবো না বলতে। আমার কাছে এরকম সরাসরি কোনো এনস্যর নাই। যেটা নাই সেটা বলার জন্য আমাকে প্রেসড্ করবা না।’ বলেই তিরু বাথরুমে ঢুকে গেল ড্রেস চেইঞ্জ করতে। বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে তিরু একই ড্রেসে বের হয়ে এসে বললো, ‘আমি উত্তরায় যাচ্ছি। আম্মু ফোন করছে।’
মিতি অপেক্ষায় বসে থাকবার পর এরকম কথা শুনে জ্বলে উঠলো। ‘না তুমি যেতে পারবা না। আমার সাথে কথা শেষ হবে, তারপর যাবা।’
মানে? আম্মু ফোন করছে! তোমার কোশ্চেন কালকে এনস্যর করবো। এখন ঝামেলা করবা না।
ঝামেলা! আমি অনেক ঝামেলা করবো। আমার শেষ কথা না শোনা পর্যন্ত তুমি কোথাও নড়বা না। কোথাও যেতে পারবা না। বসো এখানে।
তিরু প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হচ্ছে এমন ভাব এনে বললো, তোমার এই ক্রেজি ম্যানারস আমার পছন্দ না।
আমার অনেক কিছুই তোমার পছন্দ না। সেটা আমাকে বোঝানোর দরকার নাই। তুমি বলো, রাজনের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক কতটুক বন্ধুত্বের?
পুরোটাই বন্ধুত্বের।
কী রকম বন্ধুত্ব?
আরে? এখন তোমাকে কি আমি উদাহরণসহ বোঝাবো নাকি? আই এম ট্রান্সপারেন্ট লাইক এনিথিং।
‘ওহ! তিরু! তুমি সত্য বলো।’ মিতি হাত ঝাঁকাতে লাগলো। ওর মাথাও একই বেগে নড়তে থাকলো। ‘তুমি বলো, রাজনের সঙ্গে কোথায় কোথায় ডেইট করছো? কই কই গ্যাছো? কিচ্ছু লুকাবা না।’
তিরু প্রচণ্ড ক্ষিপ্ততা চোখে এনে বললো, ‘অনেকবার। অনেক জায়গায়।’
মানে?
মানে আমার রাজনকে ভাল্লাগে। অনেক ভাল্লাগে।
ওর সাথে সেক্স করছো কোথায়?
জাফলংয়ে। আরো অনেক জায়গায়।
‘তিরু!!!’ মিতি চিৎকার করতে থাকলো। সে চিৎকার করে কাঁদতে থাকলো। ইলেকট্রিসিটি চলে গেলে অন্ধকারকে এডজাস্ট করবার আগ পর্যন্ত চোখ যেমন সব কিছুই নিকষ অন্ধকার দেখে, মিতির কাছে চারপাশ সেরকম অন্ধকার মনে হচ্ছিল। মিতি তিরুতিরুতিরু করে কীসব চিৎকার করতেছিল, একটা লাথি দিয়ে প্লাইউডে বানানো ওয়াড্রোবের কাভার্ডটা ভেঙে ফেললো। তিরু ভয় পেতে থাকলো। মিতি একনাগাড়ে কাঁদতে থাকলো। চিৎকারের কান্না যখন ফোঁপানোতে টার্ন করলো মিতি আবার জিজ্ঞেস করলো, ‘তুমি কবে থেকে রাজনের সঙ্গে প্রেম করা শুরু করলা?’
আমি রাজনের সঙ্গে প্রেম করি না মিতি। কিন্তু ওকে আমার অনেক ভাল্লাগে।
অসম্ভব। অ্যাবসার্ড। তুমি এখনো লুকাইতেছো। তুমি আর লুকাবা না। তুমি আমাকে বলো রাজনের সঙ্গে প্রেম শুরুর আগে কি আমাকে বলা দরকার ছিলো না?
ও মিতি। বি কুল আমি রাজনের সঙ্গে প্রেম করি না। প্রেম করি নাই। আমি তো বলছি, এটা এম্নি রিলেশন।
মিতি সরাসরি তাকায় তিরুর চোখে। কিছুক্ষণ স্থির তাকায়া থেকে বললো, ‘তুমি এই ভাল্লাগা রিলেশনটা আমার কাছে লুকায়া রাখছিলা ক্যানো? আমাকে আড়াল করছো ক্যান? তার মানে আমাকে তুমি প্রব্লেম ভাবছো, তাই না? লুকাইছো ক্যান?’
লুকাই নাই। বলতে পারি নাই। আই নিড সাম টাইম। কজ ইটস অলসো অ্যানাদার স্পেশাল থিং ফর মি।
তিরু তুমি নানা ভান করছো। তুমি রাজনকে নিয়া সিলেট গ্যাছো, আমারে বলো নাই। তুমি রাজনের সঙ্গে সারাদিন ঘুইরা আইসা আমারে বলছো অন্যদের কথা। ক্যানো এত মিথ্যা বলছো? ক্যানো আড়াল করছো? আমার সাথে এত ডার্টি ডিসট্যান্স করলা?
আমি ডার্টি ডিসট্যান্স করি নাই।
চুপ! কোনো প্রকারে ডাইভার্ট করার চেষ্টা করবা না। তুমি ভয়ানক অপরাধ করছো। তুমি আমার বিশ্বাস ভাঙছো। তুমি আমাকে অনেক মিথ্যায় আটকায়া রাখছিলা লাস্ট ফিউ মানথস্। ও মাই গড! তিরু তিরু আমি ভাবতেই পারি নাই। বলে আবার প্লেট-গ্লাস ভাঙা শুরু করলো মিতি। একটা খুবই ভয়ানক অবস্থা। তিরুর মনে হইতেছিল কিছু গ্লাস যেন তার মাথায় ভাঙা হচ্ছে। সে কোনো প্রতিবাদ না করে খাটের এক কোনায় বসে থাকলো। মিতি আবার কাঁদতে কাঁদতে ফ্লোরে গড়াগড়ি খেতে থাকলো।
কী ভয়ানক সেই দৃশ্য। কী ভারি সেই দৃশ্য! তিরু ভাবতে গেলে এখনো পুরাটা বুঝতে পারে না, কেন সে এমন অচেনা করে রেখেছিল মিতির কাছে নিজেকে। কেন মিতির চাইতে রাজনকে বেশি ভাল্লাগতো। কেন সেই ভাল্লাগাটা মিতির সাথে শেয়ার করা যায় নাই।…
* * *
তিরু খেয়াল করলো রম্বস আলো তো নাই-ই। চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসছে। সে ফ্লোর থেকে মাথা উঁচু করে বারান্দা দিয়ে পাশের একটা লম্বা আর ব্যাপক ডালপালা ছড়ানো আমাগাছটা দেখতে থাকলো। ওখানে পাতাগুলা আর আলাদা করে চেনা যাচ্ছে না। সে উঠে দাঁড়ালো। ড্রেস পরে মোবাইলটা অন করলো। বারান্দায় এসে দাঁড়ালো—নানা জানালায়, ভারি পর্দা গলে সাদা আর কিছু কিছু হলুদ আলো বের হচ্ছে—আর চারপাশটা নিলচে-কালো অন্ধকার। বাতাস আসছে। মিহি বাতাস। একটা অদ্ভুত আশ্রয় ভর করছে তিরুর পুরো শরীর এবং মন ঘিরে। নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করতে থাকলো, অপেক্ষা ক্যামন? এই জীবনে কখনোই তাকে অপেক্ষার স্বাদ নিতে হয় নাই। মানে প্রেম জাতীয়, প্রেমজর জন্য অপেক্ষা। সব সময় সে-ই অপেক্ষায় রাখছে। আচ্ছা অপেক্ষা ক্যামন?
আচ্ছা মিতি কোথায় আছে এখন?
কার সাথে থাকে?
মিতি কি চলে গেছে কোথাও? নাকি ঢাকায়?
তিরুর মনে হতে থাকলো, সামনের আম গাছ, তার ওপরকার পাঁচতলা বাড়ির জলছাদ, এটা পার হয়ে দম-ইনোর অ্যাপার্টমেন্টের চূড়া গুড়িয়ে সমান করে একটা বিশাল, ইলেকট্রিকের পোলহীন, একটা বিশাল হাকালুকি হাওর শুয়ে পড়েছে। শীতকালের হাকালুকি হাওর। বিস্তৃত মাঠ, কিছুদূর মাঠের পর পর পেরিনিয়্যাল হাওর, জল টলোমল। ধারে ধারে অনেক শীতের পাখি। বক আর হাসজাতীয়। ওরা বসে থাকে, উড়ে যায়। নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে, কানে-কানে কথা বলে, হাগু করে আবার ডুবে থাকে প্রেমে, অপ্রেমেও। তিরুর মনে হতে থাকলো, মিতি একটা টিভিএস হান্ড্রেড মটর বাইক চালিয়ে চুলে বাতাস মাখতেছে আর তিরু পেছনে তাকে ঝাপটে ধরে বসে আছে। আর বলতেছে, এইবার ছাড়ো, মিতি! এইবার আমি চালাব। ছাড়ো! নেক্সট আবার তুমি। মিতির ভাবটা স্পষ্ট দেখেতে পাচ্ছে তিরু: ওর ভঙ্গিটা এমন, অনেক মজা পাচ্ছে এবং ছাড়বে ছাড়বে সিদ্ধান্তের দিকে যাচ্ছে।…।
নিজের অজান্তেই তার চোখ বিষণ্ন থেকে সচল হয়ে উঠতে থাকলো। একটু হেসে, ধুলাপড়া গ্রিলে মুখ রাখলো। বাতাসটা খুব ভাল্লাগতেছে। এত মিহি আর এত চিকন!
বেশ কিছুক্ষণ ধরে মোবাইল ফোনটা বেজেই যাচ্ছে। রুমে এসে দেখে, অবধারিত নাম্বার।
‘… … … … … … … … … … … …’
‘তওফিক আমার শরীর ভালো না। আমি ঘুমাই গেছিলাম। এই একটু আগে উঠলাম।’
‘… … … … … … … … … … … …’
‘না। না, আর বাইরাবো না। বেশ কিছু প্রপোজাল রেডি করতে হবে।’
‘… … … … … … … … … … … …’
‘… … … … … … … … … … … …’
‘… … … … … … … … … … … …’
‘হুম। কালকে। কাল অফিস ছুটির পর ফোন দিবো।’
মার্চ ২০০৯
===================================
জন্ম: ২৫ নভেম্বর। নোয়াখালীতে। পড়াশোনা আর্কিওলজি বিষয়ে। একজন রিপোর্টার।
==================================
শামীমা বিনতে রহম
জন্ম: ২৫ নভেম্বর। নোয়াখালীতে। পড়াশোনা আর্কিওলজি বিষয়ে। একজন রিপোর্টার।
==================================
গল্প- আলিমের নিভৃতিচর্চা by রাশিদা সুলতানা গল্প- প্রত্যাবর্তন: আমার ‘ফেরা’ নিয়ে যে কাহিনী না ..মানষ চৌঃ গল্প- 'বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম' by আনোয়ার ... গল্প- 'প্রীত পরায়া' by সিউতি সবুর গল্প- 'চলিতেছে' by মাহবুব মোর্শেদ গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা গল্প- 'রূপকথা' by লুনা রুশদী সঞ্জীব চৌধুরীর কয়েকটি গল্প গল্প- 'অস্বস্তির সঙ্গে বসবাস' by ফাহমিদুল হক গল্প- 'মঙ্গামনস্ক শরীরীমুদ্রা' by ইমতিয়ার শামীম গল্প- 'হাজেরার বাপের দাইক দেনা' by জিয়া হাশান গল্প- ‘অপঘাতে মৃত্যু’ ও ‘সাদামাটা’ by লীসা গাজী গল্প- 'দ্বিতীয় জীবন' by ইরাজ আহমেদ গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান.. গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ গল্প- 'মরিবার হলো তার সাধ' by আহমাদ মোস্তফা কামাল গল্প- 'নিষুপ্ত শেকড়' by নিরমিন শিমেল গল্প- 'লাল ব্যাসার্ধ্ব' by শামীমা বিনতে রহমান গল্প- 'সেদিন বৃষ্টি ছিল' by মৃদুল আহমেদ ক. কিছুদিন হয় সেই নগরে কোন বৃষ্টি হচ্ছিল না। কিছুদ.. গল্প- 'তুষার-ধবল' by সায়েমা খাতুন গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান গল্প- 'কর্কট' by রাশিদা সুলতানা গল্প- 'তিতা মিঞার জঙ্গনামা' by অদিতি ফাল্গুনী গল্প- 'সম্পর্ক' by তারিক আল বান্না গল্প- 'অনেক দিন আগের দিনেরা' by রনি আহম্মেদ গল্প- 'গাদি' by ইফফাত আরেফীন তন্বী গল্প- 'কামলাঘাটা' by অবনি অনার্য গল্প- 'কক্ মানে মোরগ: উদ্ভ্রান্ত মোরগজাতি ও তাহাদে. গল্প- 'ভরযুবতী ও বেড়াল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া গল্প- 'অমর প্রেম অথবা আমার প্রেম' by ইমরুল হাসান
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ শামীমা বিনতে রহমান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ► 2026 (1845)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 15
(46)
- আবার এল পুজো by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- উদ্ধারকাজ: খালের ও খনির by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- উদীয়মান ভারতের তলার অন্ধকার by পঙ্কজ মিশ্র
- অতীতের পুনরাবৃত্তি চাই না by আবুল মোমেন
- রেলওয়ের জমি বেদখল
- আফগানিস্তানে মালবাহী বিমান বিধ্বস্ত, আট আরোহী নিহত
- চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট ব্যাধি
- কালো তালিকা থেকে আরও তালেবানের নাম বাদ দেওয়া হবে
- আগামী পাঁচ বছরে যক্ষ্মায় এক কোটি মানুষ মারা যেতে পারে
- দেশে এনে মোশাররফের বিচার করার আহ্বান নওয়াজ শরিফের
- গৃহবন্দী করায় সরকারের সমালোচনায় সিয়াওবোর স্ত্রী
- আফগানিস্তান থেকে ডাকযোগে রকেট
- থাইল্যান্ডে ১৫ পাকিস্তানি আটক
- মিসরে উপমন্ত্রীসহ ১১ জনের তিন বছরের কারাদণ্ড
- ইরানে রেভল্যুশনারি গার্ডের ঘাঁটিতে বিস্ফোরণে নিহত ১৮
- ইসরায়েলের সীমানা চিহ্নিত করতে বলল ফিলিস্তিন
- কাশ্মীরে উত্তেজনা প্রশমনে তিন আলোচক নিয়োগ
- মেক্সিকো উপসাগরে তেলকূপ খননের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
- খুলনায় রিটার্ন দাখিল করেননি ৬০% টিআইএনধারী
- চিটাগাং কেমিক্যাল কমপ্লেক্স এ বছরই চালু হতে পারে
- এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুই প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাতে বলেছে এসইসি
- এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুই প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাতে বলেছে এসইসি
- দুই বাজারেই সূচক নতুন উচ্চতায়
- আইসিসির গ্লোবাল ক্রিকেট একাডেমি
- কলঙ্কের তিলমোচন পাকিস্তানের
- শ্যুটিংয়ের অর্ধেক পদকই ভারতের
- শেখ রাসেলের শিরোপা
- বাজল যখন শেষের বাঁশি
- সত্যিই রিয়াল ছাড়ছেন কাকা
- পিসিবি ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’
- টেন্ডুলকারই সর্বকালের সেরা
- ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষা
- হোয়াইটওয়াশও হয় অস্ট্রেলিয়া
- খোলসবন্দী নিউজিল্যান্ড
- গল্প- 'পান্নালালের বাস্তু' by সিউতি সবুর
- গল্প- 'আচারকাহিনি' by মোহাম্মদ আজম
- গল্পিকা- 'সেল প্রেম' by আবদুশ শাকুর
- গল্প- 'ভ্রম অথবা ভ্রমণ বিষয়ক গল্প' by ইফফাত আরেফীন...
- গল্প- 'রুখসানার হাসব্যান্ড' by মাহবুব মোর্শেদ
- গল্প- 'সরল রেখা' by শামীমা বিনতে রহমান
- গল্প- 'অমর প্রেম অথবা আমার প্রেম' by ইমরুল হাসান
- গল্প- 'ভরযুবতী ও বেড়াল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া
- গল্প- 'কক্ মানে মোরগ: উদ্ভ্রান্ত মোরগজাতি ও তাহাদে...
- গল্প- 'কামলাঘাটা' by অবনি অনার্য
-
▼
Oct 15
(46)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
চট্টগ্রাম
বিশাল বাংলা
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
কালবেলা
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
মুসলিম
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ইউরোপ
ছাত্রলীগ
ইতিহাস
প্রতিবেদন
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
সৌদি আরব
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
ইউক্রেন
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
স্বাস্থ্য
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
নেপাল
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
মিসর
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
শোক
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
লেবানন
জাপান
জীবনযাপন
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
শিল্প
কুমিল্লা
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
Exclusive
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
ইয়েমেন
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
মসজিদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
জলবায়ু ও পরিবেশ
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
জনস্বাস্থ্য
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কাতার
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
হুমায়ূন আহমেদ
আবুল হাসনাত
আল আমিন
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
অমিত বসু
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
ব্যবসা
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আরব আমিরাত বা দুবাই
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
লিবিয়া
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
দক্ষিণ কোরিয়া
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
ইসলাম
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
জোহরান মামদানি
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মহাকাশচারী
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জলবায়ু পরিবর্তন
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
ইহুদি
কিশোর আলো
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
সোমালিয়া
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment