Monday, August 10, 2015
এক নেতা ৫ পদবি by কাফি কামাল
এক নেতা ৫ পদবি by কাফি কামাল
নির্বাচন
পূর্ববর্তী আন্দোলনে সবচেয়ে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল বিএনপির তৃণমূল। অথচ
নির্বাচনের পরপর প্রথম তৃণমূল পর্যায়ের কয়েকটি কমিটি ভেঙে দেয়া হয়।
মাঝেমধ্যেই এমন বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত দেখা যায় বিএনপিতে। যেসব সিদ্ধান্ত
প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দলটির কার্যালয়কেন্দ্রিক কর্মকর্তারা।
আন্দোলনের মাঠে না থাকলেও বিএনপিতে পদপদবির লড়াই তীব্র। অনেক নেতা একাই ভোগ
করেন ৩ থেকে ৫টি পদ। ‘বিএনপির ময়নাতদন্ত’ শীর্ষক ধারাবাহিক প্রতিবেদনের শেষ পর্বে এসব দিকেই দৃষ্টি ফেলেছেন আমাদের রাজনৈতিক সংবাদদাতা কাফি কামাল-
সাড়ে তিন দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বিএনপি। নেতৃত্ব নির্বাচনে বারবারই অদূরদর্শিতা ও ভুলনীতির প্রয়োগ দেখা গেছে দলটিতে। কমিটি গঠনে রাজনীতিকদের চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছেন ব্যবসায়ী ও আমলারা। সুবিধামতো কেউ কেউ ভাগিয়ে নিয়েছেন ৩-৫টি পদ। এক সময় ছাত্রদল থেকে বিএনপিতে অনেক নেতা এলেও সে ধারাও এখন বন্ধ প্রায়। ছাত্র ও যুবদল থেকে প্রতিষ্ঠিত নেতারাও জাতীয় পর্যায়ে ঝুঁকে পড়েছেন ভোগবাদের দিকে। ফলে আদর্শবাদীদের ডিঙিয়ে অবস্থান সংহত করেছেন ভোগবাদীরা। সাংগঠনিক ক্ষেত্রে অরাজনৈতিক, নির্জীব ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিরা ঢুকে পড়ায়; ক্রান্তিকালে কোন ভূমিকা রাখতে পারছেন না তারা।
সৌভাগ্যবানরা দলীয় মনোনয়নের পাশাপাশি পেয়েছেন সংগঠনের নিয়ন্ত্রণও। মনোনয়নের পাশাপাশি উপজেলা বিএনপির শীর্ষপদ, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদের স্থান দেয়া হয়েছে নির্বিচারে। জাতীয় নির্বাচনে যাকে যেখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল তৃণমূলের সাংগঠনিক ইউনিট কমিটি গঠনে তার হাতেই দেয়া হয়েছে ক্ষমতা। ফলে তারা যাকে ইচ্ছা নেতা বানিয়েছেন, যাকে ইচ্ছা বাদ দিয়েছেন। পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে কমিটি গঠনের কারণে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও পদপদবিতে প্রতিযোগিতা নষ্ট হয়েছে তৃণমূলে। রাজনীতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল রাজনীতিতে কমপক্ষে এক যুগের অভিজ্ঞতা না থাকা লোককে উপজেলার দায়িত্ব দেয়া মানে তৃণমূল নষ্ট করে দেয়া। কিন্তু বারবার সেটাই করেছে বিএনপি।
বিএনপিতে এমন অনেক নেতা আছেন যারা একই সঙ্গে দলের শীর্ষস্থানীয় পদের পাশাপাশি অঙ্গ-সংগঠন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের পদে আসীন রয়েছেন। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে ভাগিয়ে নিয়েছেন পেশাজীবী সংগঠনের পদপদবিও। ফলে একেকজন সিনিয়র নেতার কব্জায় রয়েছে অন্তত ৩ থেকে ৫টি পদ। বর্তমান ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রয়েছেন ৫ পদে। খোদ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবই রয়েছেন ৪ পদে। অথচ দীর্ঘ ৫ বছরেও তার ‘ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব’ পদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিএনপি। একই রকম পরিস্থিতি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ প্রতিটি অঙ্গসংগঠনে। নেতারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি পেলেও অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্ব ছাড়তে চান না।
রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্র হচ্ছে অঙ্গ-সংগঠন। কিন্তু বিএনপিতে পকেট কমিটি গঠনের মাধ্যমে বন্ধ্যা করে ফেলা হয়েছে প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। কমিটি গঠনে স্থবিরতা ও মাইনাস পলিসির কারণে ছাত্রদলকে করা হয়েছে দুর্বল। সময় মতো কোনবারই কমিটি হয়নি সংগঠনটিতে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় এক দশক ধরে নতুন কমিটি গঠন হয়নি। ফলে বছরের বছর ছাত্ররাজনীতি করেও সদস্যপদ ছাড়াই ছাত্রজীবন শেষ করেছেন অনেক ছাত্রদল কর্মী। জট লেগে নিষ্ক্রিয় হয়েছে সংগঠনের একাংশ। বর্তমানে কর্মী-সমর্থক না থাকলেও নেতৃত্বের দাবিদারের সংখ্যা বেশুমার। সংগঠনটিতে ২০০১ সালের পর থেকে ফলো করা হয়েছে মাইনাস পলিসি। এক গ্রুপ নেতৃত্ব পেলে আরেক গ্রুপকে বাদ দেয়ার পাশাপাশি দাপটের সঙ্গেই করেছে কোণঠাসা। এতে সংগঠন থেকে ছিটকে পড়েছে যোগ্য ও বিশ্বস্ত কর্মী-সমর্থকরা। কেন এমন হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে ওঠে আসে কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রুপিং ও প্রভাববলয় তৈরির অপকৌশল। নব্বইয়ের দশকের কয়েকজন প্রভাবশালী ছাত্রনেতা প্রতিবারই ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন পদপদবি। সাংগঠনিক যোগ্যতার চেয়ে নিজেদের পছন্দ ও অনুসারীদের টেনে এনেছেন নেতৃত্বে। প্রতিবন্ধকতা তৈরি ও ল্যাং মেরে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন যোগ্যদের।
বিএনপিসহ প্রতিটি অঙ্গসংগঠনের কমিটি গঠনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে সেটা হচ্ছে কোটা। দলীয় নেতৃত্ব ভাগ হয়েছে কোটাভিত্তিতে। কোটা প্রথায় বিএনপিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বৃহত্তর নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, বরিশাল ও নরসিংদী। দলের ৬টি যুগ্ম মহাসচিব পদের ৩টিই দেয়া হয়েছে নোয়াখালী জেলা থেকে। অন্য জেলাগুলো থেকে কি যোগ্য নেতা ওঠে আসেননি? কয়েক বছর ধরে ছাত্রদলের শীর্ষ পদগুলো মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো ঘুরছে টাঙ্গাইল ও নরসিংদী জেলায়। দলটিতে বছরের পর বছর ‘লবিং’ ভিত্তিক নেতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছেন কর্মীবান্ধব নেতারা। অনেক ক্ষেত্রে পদবঞ্চিতরা আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখতে গেলে পদপদবিধারীরা প্রশাসনকে ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার করিয়েছেন। বহু জেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পদবঞ্চিতরা যেখানে মামলার ঘানি টানতে টানতে ন্যূব্জ হয়ে পড়েছেন, সেখানে পদপদবিধারীরা রয়েছেন নিরাপদ। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা এবং বছরের পর বছর আন্দোলন-সংগ্রামে থাকার পরও বহু জেলা-উপজেলার পদবিধারীদের নামে মামলা হয়নি। এমন নিরাপদ রাজনীতি করেছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশও।
বিরোধী রাজনীতিতে এ দীর্ঘ সময়ে সাংগঠনিকভাবে অদ্ভুত সব সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেছে দলটিকে। নানা বিতর্কের পরও ঢাকা মহানগর নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে সমালোচিতদের হাতেই। সারা দেশে গড়ে ওঠা আন্দোলনের রেশ ঢাকা মহানগর নেতারা জোরালো করতে না পারলেও শাস্তি পেয়েছে তৃণমূল। কর্মসূচি শেষে ঢাকা মহানগর বিএনপি ঢেলে সাজানোর চেয়ে ভাঙা হয়েছে বিভিন্ন জেলা কমিটি। আবার মহানগরে নানা নাটকের পর ঘোষণা এসেছে আহ্বায়ক কমিটির। দীর্ঘ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তারা রাজধানীতে এক-দশমাংশ ওয়ার্ডেও কমিটি গঠন করতে পারেনি। এ ব্যর্থতার নেপথ্যে দেখা গেছে, শীর্ষ নেতৃত্বের নিস্পৃহ ভূমিকা ও সুবিধাবাদীদের অপতৎপরতা। জেলা কমিটি গঠনে দেখা গেছে, খালেদা জিয়ার অনুমোদন পাওয়া কমিটিকে চ্যালেঞ্জ করে গঠন করা হয়েছে পাল্টা কমিটি। অন্যদিকে জোটকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে দল দুর্বল করার বহু আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত দেখা গেছে বিএনপিতে। জোটের কারণে ক্ষমতায় থাকাকালে বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা, গাইবান্ধাসহ বহু জেলায় সংগঠন গোছানোর কথা ভুলে থেকেছিল বিএনপি। যেখানে এখন সাংগঠনিকভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে দলটি। যার পরিণতিতে জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়ায় স্থানীয় নির্বাচনগুলোয় অর্ধেকের বেশি প্রার্থিতা ছেড়ে দেয়া হয়েছে জামায়াতকে। স্থানীয় নির্বাচনে জোটের মনরক্ষা করতে গিয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতাকে বহিষ্কার করতেও দেখা গেছে।
দুই দফা আন্দোলনের সময় বেশিরভাগ মাঝারি সারি ও জেলা পর্যায়ের নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত করতে পারেননি। কিন্তু ‘নিরাপদে থাকা’ তৃণমূলের নেতারাই পেয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্বের ফোন। অনেক ক্ষেত্রে খালেদা জিয়াকে ভুল বুঝিয়ে নির্বাচিত জেলা কমিটি ভেঙে গঠন করা হয়েছে পকেট কমিটি। এক্ষেত্রে গুলশান কার্যালয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তারাই শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নির্ধারণ করেছেন মাঝারি সারি ও জেলা নেতাদের ভূমিকা। তৃণমূলে যারা নানামুখী বিপর্যয়ের শিকার হয়েছেন তাদের খোঁজ নেয়া হয়নি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে। গুম-নিখোঁজ হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবার পায়নি সান্ত্বনা। কারাবন্দি নেতাকর্মীরা পায়নি আইনি সহায়তা।
দলটির কেন্দ্রীয় ও চেয়ারপারসনের দুটি কার্যালয় থাকলেও নেতাকর্মীদের মামলা-হামলা, গ্রেপ্তার, গুমসহ সাংগঠনিক ও আইনগত তেমন কোন তথ্য মেলে না সেখানে। তাই বিএনপি এ পর্যন্ত তাদের অন্তরীণ বা নিখোঁজ থাকা নেতা-কর্মীদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে পারেনি। নেতারা সবসময় ‘হাজার হাজার বা লাখে লাখে গ্রেপ্তার’ শব্দ দিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন। কারণ রেকর্ড সংরক্ষণ ও তার হালনাগাদকরণ কঠিন কাজ। দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার প্রধান দায়িত্ব হয়ে উঠেছে শুধুই ব্রিফিং। দলটির বিষয়ভিত্তিক শতাধিক সম্পাদক রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের কোন তৎপরতা দেখা যায় না। ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংবাদ সম্মেলনে প্রয়োজনীয় প্রাসঙ্গিক তথ্যও দিতে পারেননি বিএনপি চেয়ারপারসন।
গণমাধ্যমের ব্যাপারে আগাগোড়াই নিস্পৃহতা ও খামখেয়ালি দেখিয়েছে বিএনপি। সাড়ে নয়টার মধ্যেই জাতীয় দৈনিকগুলোর প্রথম সংস্কার প্রেসে যায়। কিন্তু বিএনপির বেশির ভাগ বৈঠক শেষ হয় এ সময়ের পর। এতে সারা দেশের মানুষ বিএনপির তথ্য বা সংবাদ থেকে বঞ্চিত হয়। একইভাবে টেলিভিশনগুলোতে সমস্যা হয়। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্টদের অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেদিকে নজরই দেয়নি বিএনপি। দলের কোন তথ্য বা বক্তব্য সবাইকে জানানোর চেয়ে বিশেষ কয়েকটি মিডিয়াকে ডেকে কথা বলার একটি রেওয়াজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দলটিতে। অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনগুলোয় খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করার সুযোগ সীমিত করে দেয়া হয়। ২০১৪ সালে বর্তমান সরকার যেদিন শপথ গ্রহণ করে সেদিন কথা বলার জন্য বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের ডেকেছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু বাসার সামনে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষায় রেখে তিনি শেষ পর্যন্ত সাক্ষাৎ দেননি। আবার সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিএনপি নেতারা ক্যামেরাপ্রিয় হয়ে পড়েছেন। নেতাদের এ ক্যামেরাপ্রীতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে আন্দোলনে। হরতাল বা অন্যান্য কর্মসূচিতে রাজপথে নেতাদের উপস্থিতি চোখে না পড়লেও বিকালে কেতাদুরস্ত হয়ে তারা হাজির হন ব্রিফিংয়ে। বিএনপির সাংগঠনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে পদে পদে ফুটে ওঠে সমন্বয়হীনতা। সাংগঠনিক কোন বিষয়ে তথ্য বা মতামত জানতে চাইলে বেশির ভাগ সিনিয়র নেতাই দেখিয়ে দেন বিশেষ কয়েকজনকে। এমনও হয়েছে বারবার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত হয়েছে কিন্তু তার ছিটেফোঁটাও জানতে পারেননি অনেক নীতিনির্ধারক।
দলটির সিনিয়র নেতারা ঘরোয়া আলাপে প্রায় বলেন, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে জিয়াউর রহমানের গাড়ির দুপাশ খোলা থাকতো। দুদিক থেকে তাকে ফুল দিতো লোকজন। তিনি পাশে দাঁড়ানো লোকজনের সঙ্গে হাত মেলাতেন। কিন্তু নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ঘেরাটোপে বন্দি করা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে যোগাযোগ। চেয়ারপারসন কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেতে পার হতে হয় অন্তত ৫টি ধাপ। নানা সময়ে দেখা গেছে, দলের নীতিনির্ধারক ফোরামের সদস্য কিংবা সিনিয়র নেতাকে আটকে দেয়া হয়েছে স্রেফ হাত প্রসারিত করে। গুলশান কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পছন্দ এবং মর্জিতেই নির্ধারণ হয় কারা খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পাবেন। ফলে কোন কোন জেলার শীর্ষ নেতার প্রবেশাধিকার সীমিত থাকলেও সুবিধাবাদী ও একই জেলার থানা বা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের রয়েছে অবাধ যাতায়াত। আবার যখন আনুষ্ঠানিকভাবে মতবিনিময়ের জন্য ডাকা হয়, তখনও কে কে কথা বলবেন আগেই তা নির্ধারণ করে সে প্রভাব বলয়। এর মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন ও সার্বিক তথ্য থেকে দূরে রাখা হয় খালেদা জিয়াকে। গুলশান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা, রহস্যজনক আচরণ এবং দৌরাত্ম্যই এখন স্বাভাবিকতার অংশ হয়ে উঠেছে। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সুবিধাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে। জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাদের বহিষ্কার, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও তদবিরের তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে কেন্দ্রীয় কার্যালয়। বিএনপি ক্ষমতার বাইরে রয়েছে প্রায় নয় বছর। একবার জাতীয় কাউন্সিল ছাড়া সংগঠন গোছানোর কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। একবার সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করলেও গতিহীন হয়ে পড়ে সে উদ্যোগ। অভিযানে কি পরিমাণ লোকজন বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন, তার কোন পরিসংখ্যান নেই দলটির দপ্তরে। দীর্ঘ সময়েও প্রতিষ্ঠিত হয়নি দলের একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক শাখা।
বিএনপিতে নেতাদের বিশ্বাস-অবিশ্বাসের একটি আত্মঘাতী ধারা চালু রয়েছে প্রথম থেকেই। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর এ রেওয়াজ রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে দলটির। বিভিন্ন সময়ে কেবল অবিশ্বাসের শিকার হয়েই কপাল পুড়েছে অনেক রাজনীতিকের। বর্তমানে সেই অবিশ্বাসের ধারাটিই ব্যবহারের সুযোগ নিচ্ছে সরকার। দলের কেউ কাউকে বিশ্বাস করেন না। উল্টো পরস্পরকে ‘সরকারের দালাল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যস্ত থাকেন সময়ে সময়ে। ঘরোয়া আলাপে বেশির ভাগ নেতাই অন্য নেতাদের নিয়ে খোলাখুলি অভিযোগের তীর ছুড়েন। বিএনপিতে একটি প্রবাদ রয়েছে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কাউকে একবার বিশ্বাস করলে দলে অটুট হয় তাঁর অবস্থান। কাউকে একবার অবিশ্বাস করলে তিনি হয়ে পড়েন কোনঠাসা। দলের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান ও যুগ্ম মহাসচিব মিলিয়ে তার আস্থাচক্রে আছেন তেমন কিছু নেতা। তারা একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব সৃষ্টি, দলকে ভুল পথে পরিচালনা, দলের নীতি-আদর্শবিরোধী বক্তব্য প্রদান করলেও তাদের ব্যাপারে কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। বরং তথাকথিত বিশ্বাসীদের প্রভাবকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি দলের তৃণমূলের মতামত ও সিনিয়র নেতাদের পরামর্শকে গৌণ বিবেচনা করেছেন বারবার। বড় বড় পদে বসানো এবং নির্বাচন ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাদের হাতেই দেয়া হয়েছে দায়িত্ব। পদপদবি বিক্রি ও অনুসারীদের সামনে নিয়ে আসার সুবর্ণ সুযোগ। বিএনপির রাজনীতি নিয়ে গবেষণার দরকার পড়ে না, একটু নজর দিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশ সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছেন, আরেক অংশ জেল-জুলুম-নির্যাতনে ধুঁকে মরছে। কারণ বিএনপি নজরদারি চালাতে পারেনি নেতৃত্বের গতিবিধিতে। দলের পদ ও দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলে থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন চুটিয়ে। রাজনীতির ইতিহাসে দেখা গেছে, কোন দলের প্রকৃত সংগঠকরা কোনঠাসা হলে সে দলের বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে।
সাড়ে তিন দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বিএনপি। নেতৃত্ব নির্বাচনে বারবারই অদূরদর্শিতা ও ভুলনীতির প্রয়োগ দেখা গেছে দলটিতে। কমিটি গঠনে রাজনীতিকদের চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছেন ব্যবসায়ী ও আমলারা। সুবিধামতো কেউ কেউ ভাগিয়ে নিয়েছেন ৩-৫টি পদ। এক সময় ছাত্রদল থেকে বিএনপিতে অনেক নেতা এলেও সে ধারাও এখন বন্ধ প্রায়। ছাত্র ও যুবদল থেকে প্রতিষ্ঠিত নেতারাও জাতীয় পর্যায়ে ঝুঁকে পড়েছেন ভোগবাদের দিকে। ফলে আদর্শবাদীদের ডিঙিয়ে অবস্থান সংহত করেছেন ভোগবাদীরা। সাংগঠনিক ক্ষেত্রে অরাজনৈতিক, নির্জীব ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিরা ঢুকে পড়ায়; ক্রান্তিকালে কোন ভূমিকা রাখতে পারছেন না তারা।
সৌভাগ্যবানরা দলীয় মনোনয়নের পাশাপাশি পেয়েছেন সংগঠনের নিয়ন্ত্রণও। মনোনয়নের পাশাপাশি উপজেলা বিএনপির শীর্ষপদ, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদের স্থান দেয়া হয়েছে নির্বিচারে। জাতীয় নির্বাচনে যাকে যেখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল তৃণমূলের সাংগঠনিক ইউনিট কমিটি গঠনে তার হাতেই দেয়া হয়েছে ক্ষমতা। ফলে তারা যাকে ইচ্ছা নেতা বানিয়েছেন, যাকে ইচ্ছা বাদ দিয়েছেন। পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে কমিটি গঠনের কারণে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও পদপদবিতে প্রতিযোগিতা নষ্ট হয়েছে তৃণমূলে। রাজনীতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল রাজনীতিতে কমপক্ষে এক যুগের অভিজ্ঞতা না থাকা লোককে উপজেলার দায়িত্ব দেয়া মানে তৃণমূল নষ্ট করে দেয়া। কিন্তু বারবার সেটাই করেছে বিএনপি।
বিএনপিতে এমন অনেক নেতা আছেন যারা একই সঙ্গে দলের শীর্ষস্থানীয় পদের পাশাপাশি অঙ্গ-সংগঠন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের পদে আসীন রয়েছেন। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে ভাগিয়ে নিয়েছেন পেশাজীবী সংগঠনের পদপদবিও। ফলে একেকজন সিনিয়র নেতার কব্জায় রয়েছে অন্তত ৩ থেকে ৫টি পদ। বর্তমান ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রয়েছেন ৫ পদে। খোদ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবই রয়েছেন ৪ পদে। অথচ দীর্ঘ ৫ বছরেও তার ‘ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব’ পদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিএনপি। একই রকম পরিস্থিতি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ প্রতিটি অঙ্গসংগঠনে। নেতারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি পেলেও অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্ব ছাড়তে চান না।
রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্র হচ্ছে অঙ্গ-সংগঠন। কিন্তু বিএনপিতে পকেট কমিটি গঠনের মাধ্যমে বন্ধ্যা করে ফেলা হয়েছে প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। কমিটি গঠনে স্থবিরতা ও মাইনাস পলিসির কারণে ছাত্রদলকে করা হয়েছে দুর্বল। সময় মতো কোনবারই কমিটি হয়নি সংগঠনটিতে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় এক দশক ধরে নতুন কমিটি গঠন হয়নি। ফলে বছরের বছর ছাত্ররাজনীতি করেও সদস্যপদ ছাড়াই ছাত্রজীবন শেষ করেছেন অনেক ছাত্রদল কর্মী। জট লেগে নিষ্ক্রিয় হয়েছে সংগঠনের একাংশ। বর্তমানে কর্মী-সমর্থক না থাকলেও নেতৃত্বের দাবিদারের সংখ্যা বেশুমার। সংগঠনটিতে ২০০১ সালের পর থেকে ফলো করা হয়েছে মাইনাস পলিসি। এক গ্রুপ নেতৃত্ব পেলে আরেক গ্রুপকে বাদ দেয়ার পাশাপাশি দাপটের সঙ্গেই করেছে কোণঠাসা। এতে সংগঠন থেকে ছিটকে পড়েছে যোগ্য ও বিশ্বস্ত কর্মী-সমর্থকরা। কেন এমন হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে ওঠে আসে কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রুপিং ও প্রভাববলয় তৈরির অপকৌশল। নব্বইয়ের দশকের কয়েকজন প্রভাবশালী ছাত্রনেতা প্রতিবারই ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন পদপদবি। সাংগঠনিক যোগ্যতার চেয়ে নিজেদের পছন্দ ও অনুসারীদের টেনে এনেছেন নেতৃত্বে। প্রতিবন্ধকতা তৈরি ও ল্যাং মেরে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন যোগ্যদের।
বিএনপিসহ প্রতিটি অঙ্গসংগঠনের কমিটি গঠনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে সেটা হচ্ছে কোটা। দলীয় নেতৃত্ব ভাগ হয়েছে কোটাভিত্তিতে। কোটা প্রথায় বিএনপিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বৃহত্তর নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, বরিশাল ও নরসিংদী। দলের ৬টি যুগ্ম মহাসচিব পদের ৩টিই দেয়া হয়েছে নোয়াখালী জেলা থেকে। অন্য জেলাগুলো থেকে কি যোগ্য নেতা ওঠে আসেননি? কয়েক বছর ধরে ছাত্রদলের শীর্ষ পদগুলো মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো ঘুরছে টাঙ্গাইল ও নরসিংদী জেলায়। দলটিতে বছরের পর বছর ‘লবিং’ ভিত্তিক নেতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছেন কর্মীবান্ধব নেতারা। অনেক ক্ষেত্রে পদবঞ্চিতরা আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখতে গেলে পদপদবিধারীরা প্রশাসনকে ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার করিয়েছেন। বহু জেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পদবঞ্চিতরা যেখানে মামলার ঘানি টানতে টানতে ন্যূব্জ হয়ে পড়েছেন, সেখানে পদপদবিধারীরা রয়েছেন নিরাপদ। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা এবং বছরের পর বছর আন্দোলন-সংগ্রামে থাকার পরও বহু জেলা-উপজেলার পদবিধারীদের নামে মামলা হয়নি। এমন নিরাপদ রাজনীতি করেছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশও।
বিরোধী রাজনীতিতে এ দীর্ঘ সময়ে সাংগঠনিকভাবে অদ্ভুত সব সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেছে দলটিকে। নানা বিতর্কের পরও ঢাকা মহানগর নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে সমালোচিতদের হাতেই। সারা দেশে গড়ে ওঠা আন্দোলনের রেশ ঢাকা মহানগর নেতারা জোরালো করতে না পারলেও শাস্তি পেয়েছে তৃণমূল। কর্মসূচি শেষে ঢাকা মহানগর বিএনপি ঢেলে সাজানোর চেয়ে ভাঙা হয়েছে বিভিন্ন জেলা কমিটি। আবার মহানগরে নানা নাটকের পর ঘোষণা এসেছে আহ্বায়ক কমিটির। দীর্ঘ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তারা রাজধানীতে এক-দশমাংশ ওয়ার্ডেও কমিটি গঠন করতে পারেনি। এ ব্যর্থতার নেপথ্যে দেখা গেছে, শীর্ষ নেতৃত্বের নিস্পৃহ ভূমিকা ও সুবিধাবাদীদের অপতৎপরতা। জেলা কমিটি গঠনে দেখা গেছে, খালেদা জিয়ার অনুমোদন পাওয়া কমিটিকে চ্যালেঞ্জ করে গঠন করা হয়েছে পাল্টা কমিটি। অন্যদিকে জোটকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে দল দুর্বল করার বহু আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত দেখা গেছে বিএনপিতে। জোটের কারণে ক্ষমতায় থাকাকালে বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা, গাইবান্ধাসহ বহু জেলায় সংগঠন গোছানোর কথা ভুলে থেকেছিল বিএনপি। যেখানে এখন সাংগঠনিকভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে দলটি। যার পরিণতিতে জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়ায় স্থানীয় নির্বাচনগুলোয় অর্ধেকের বেশি প্রার্থিতা ছেড়ে দেয়া হয়েছে জামায়াতকে। স্থানীয় নির্বাচনে জোটের মনরক্ষা করতে গিয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতাকে বহিষ্কার করতেও দেখা গেছে।
দুই দফা আন্দোলনের সময় বেশিরভাগ মাঝারি সারি ও জেলা পর্যায়ের নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত করতে পারেননি। কিন্তু ‘নিরাপদে থাকা’ তৃণমূলের নেতারাই পেয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্বের ফোন। অনেক ক্ষেত্রে খালেদা জিয়াকে ভুল বুঝিয়ে নির্বাচিত জেলা কমিটি ভেঙে গঠন করা হয়েছে পকেট কমিটি। এক্ষেত্রে গুলশান কার্যালয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তারাই শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নির্ধারণ করেছেন মাঝারি সারি ও জেলা নেতাদের ভূমিকা। তৃণমূলে যারা নানামুখী বিপর্যয়ের শিকার হয়েছেন তাদের খোঁজ নেয়া হয়নি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে। গুম-নিখোঁজ হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবার পায়নি সান্ত্বনা। কারাবন্দি নেতাকর্মীরা পায়নি আইনি সহায়তা।
দলটির কেন্দ্রীয় ও চেয়ারপারসনের দুটি কার্যালয় থাকলেও নেতাকর্মীদের মামলা-হামলা, গ্রেপ্তার, গুমসহ সাংগঠনিক ও আইনগত তেমন কোন তথ্য মেলে না সেখানে। তাই বিএনপি এ পর্যন্ত তাদের অন্তরীণ বা নিখোঁজ থাকা নেতা-কর্মীদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে পারেনি। নেতারা সবসময় ‘হাজার হাজার বা লাখে লাখে গ্রেপ্তার’ শব্দ দিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন। কারণ রেকর্ড সংরক্ষণ ও তার হালনাগাদকরণ কঠিন কাজ। দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার প্রধান দায়িত্ব হয়ে উঠেছে শুধুই ব্রিফিং। দলটির বিষয়ভিত্তিক শতাধিক সম্পাদক রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের কোন তৎপরতা দেখা যায় না। ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংবাদ সম্মেলনে প্রয়োজনীয় প্রাসঙ্গিক তথ্যও দিতে পারেননি বিএনপি চেয়ারপারসন।
গণমাধ্যমের ব্যাপারে আগাগোড়াই নিস্পৃহতা ও খামখেয়ালি দেখিয়েছে বিএনপি। সাড়ে নয়টার মধ্যেই জাতীয় দৈনিকগুলোর প্রথম সংস্কার প্রেসে যায়। কিন্তু বিএনপির বেশির ভাগ বৈঠক শেষ হয় এ সময়ের পর। এতে সারা দেশের মানুষ বিএনপির তথ্য বা সংবাদ থেকে বঞ্চিত হয়। একইভাবে টেলিভিশনগুলোতে সমস্যা হয়। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্টদের অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেদিকে নজরই দেয়নি বিএনপি। দলের কোন তথ্য বা বক্তব্য সবাইকে জানানোর চেয়ে বিশেষ কয়েকটি মিডিয়াকে ডেকে কথা বলার একটি রেওয়াজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দলটিতে। অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনগুলোয় খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করার সুযোগ সীমিত করে দেয়া হয়। ২০১৪ সালে বর্তমান সরকার যেদিন শপথ গ্রহণ করে সেদিন কথা বলার জন্য বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের ডেকেছিলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু বাসার সামনে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষায় রেখে তিনি শেষ পর্যন্ত সাক্ষাৎ দেননি। আবার সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিএনপি নেতারা ক্যামেরাপ্রিয় হয়ে পড়েছেন। নেতাদের এ ক্যামেরাপ্রীতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে আন্দোলনে। হরতাল বা অন্যান্য কর্মসূচিতে রাজপথে নেতাদের উপস্থিতি চোখে না পড়লেও বিকালে কেতাদুরস্ত হয়ে তারা হাজির হন ব্রিফিংয়ে। বিএনপির সাংগঠনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে পদে পদে ফুটে ওঠে সমন্বয়হীনতা। সাংগঠনিক কোন বিষয়ে তথ্য বা মতামত জানতে চাইলে বেশির ভাগ সিনিয়র নেতাই দেখিয়ে দেন বিশেষ কয়েকজনকে। এমনও হয়েছে বারবার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত হয়েছে কিন্তু তার ছিটেফোঁটাও জানতে পারেননি অনেক নীতিনির্ধারক।
দলটির সিনিয়র নেতারা ঘরোয়া আলাপে প্রায় বলেন, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে জিয়াউর রহমানের গাড়ির দুপাশ খোলা থাকতো। দুদিক থেকে তাকে ফুল দিতো লোকজন। তিনি পাশে দাঁড়ানো লোকজনের সঙ্গে হাত মেলাতেন। কিন্তু নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ঘেরাটোপে বন্দি করা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে যোগাযোগ। চেয়ারপারসন কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেতে পার হতে হয় অন্তত ৫টি ধাপ। নানা সময়ে দেখা গেছে, দলের নীতিনির্ধারক ফোরামের সদস্য কিংবা সিনিয়র নেতাকে আটকে দেয়া হয়েছে স্রেফ হাত প্রসারিত করে। গুলশান কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পছন্দ এবং মর্জিতেই নির্ধারণ হয় কারা খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পাবেন। ফলে কোন কোন জেলার শীর্ষ নেতার প্রবেশাধিকার সীমিত থাকলেও সুবিধাবাদী ও একই জেলার থানা বা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের রয়েছে অবাধ যাতায়াত। আবার যখন আনুষ্ঠানিকভাবে মতবিনিময়ের জন্য ডাকা হয়, তখনও কে কে কথা বলবেন আগেই তা নির্ধারণ করে সে প্রভাব বলয়। এর মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন ও সার্বিক তথ্য থেকে দূরে রাখা হয় খালেদা জিয়াকে। গুলশান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা, রহস্যজনক আচরণ এবং দৌরাত্ম্যই এখন স্বাভাবিকতার অংশ হয়ে উঠেছে। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সুবিধাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে। জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাদের বহিষ্কার, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও তদবিরের তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে কেন্দ্রীয় কার্যালয়। বিএনপি ক্ষমতার বাইরে রয়েছে প্রায় নয় বছর। একবার জাতীয় কাউন্সিল ছাড়া সংগঠন গোছানোর কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। একবার সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করলেও গতিহীন হয়ে পড়ে সে উদ্যোগ। অভিযানে কি পরিমাণ লোকজন বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন, তার কোন পরিসংখ্যান নেই দলটির দপ্তরে। দীর্ঘ সময়েও প্রতিষ্ঠিত হয়নি দলের একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক শাখা।
বিএনপিতে নেতাদের বিশ্বাস-অবিশ্বাসের একটি আত্মঘাতী ধারা চালু রয়েছে প্রথম থেকেই। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর এ রেওয়াজ রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে দলটির। বিভিন্ন সময়ে কেবল অবিশ্বাসের শিকার হয়েই কপাল পুড়েছে অনেক রাজনীতিকের। বর্তমানে সেই অবিশ্বাসের ধারাটিই ব্যবহারের সুযোগ নিচ্ছে সরকার। দলের কেউ কাউকে বিশ্বাস করেন না। উল্টো পরস্পরকে ‘সরকারের দালাল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যস্ত থাকেন সময়ে সময়ে। ঘরোয়া আলাপে বেশির ভাগ নেতাই অন্য নেতাদের নিয়ে খোলাখুলি অভিযোগের তীর ছুড়েন। বিএনপিতে একটি প্রবাদ রয়েছে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কাউকে একবার বিশ্বাস করলে দলে অটুট হয় তাঁর অবস্থান। কাউকে একবার অবিশ্বাস করলে তিনি হয়ে পড়েন কোনঠাসা। দলের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান ও যুগ্ম মহাসচিব মিলিয়ে তার আস্থাচক্রে আছেন তেমন কিছু নেতা। তারা একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব সৃষ্টি, দলকে ভুল পথে পরিচালনা, দলের নীতি-আদর্শবিরোধী বক্তব্য প্রদান করলেও তাদের ব্যাপারে কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। বরং তথাকথিত বিশ্বাসীদের প্রভাবকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি দলের তৃণমূলের মতামত ও সিনিয়র নেতাদের পরামর্শকে গৌণ বিবেচনা করেছেন বারবার। বড় বড় পদে বসানো এবং নির্বাচন ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাদের হাতেই দেয়া হয়েছে দায়িত্ব। পদপদবি বিক্রি ও অনুসারীদের সামনে নিয়ে আসার সুবর্ণ সুযোগ। বিএনপির রাজনীতি নিয়ে গবেষণার দরকার পড়ে না, একটু নজর দিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশ সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছেন, আরেক অংশ জেল-জুলুম-নির্যাতনে ধুঁকে মরছে। কারণ বিএনপি নজরদারি চালাতে পারেনি নেতৃত্বের গতিবিধিতে। দলের পদ ও দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলে থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন চুটিয়ে। রাজনীতির ইতিহাসে দেখা গেছে, কোন দলের প্রকৃত সংগঠকরা কোনঠাসা হলে সে দলের বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 10
(19)
- শক্তি প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সৌদি আরব
- এমন পৈশাচিকতা কি খুব বিরল by আলী রীয়াজ
- ছাত্রলীগ তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে: আশরাফ
- বিভক্তি নেই, আছে by সাজেদুল হক ও উৎপল রায়
- অযৌক্তিক উন্নয়নের খপ্পরে পড়েছে ঢাকা নগর -বিশেষ সা...
- এক নেতা ৫ পদবি by কাফি কামাল
- রাজন রে! by কুররাতুল-আইন-তাহমিনা
- নীলাদ্রি হত্যা: মূল হামলাকারী বাঁহাতি?
- জনকণ্ঠের আদালত অবমাননা: আপিল বিভাগের বৃহত্তর বেঞ্চ...
- কেন দেশ ছাড়তে বলা? by কামাল আহমেদ
- সৌদি আরবের কৌশলের পরিণতি খুব খারাপ হবে
- প্রবাসীদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতবিনিময় by মোস...
- নতুন বাস নামাতে মূল বাধা মালিক সমিতির চাঁদাবাজি by...
- বাতাসের প্রচণ্ড চাপে ফেটে যায় রাকিবের মূত্রথলি
- প্রকৃতিই ভরসা আদিবাসী কোচদের
- প্রধান প্রকৌশলীকে নিয়ে রাজউকে উত্তপ্ত পরিবেশ
- রফিকুল হত্যা মামলায়ও আসামি হচ্ছেন সানিয়াত
- কিসের আবার ভীমরতি ধরল! by গাজীউল হক
- মুক্তমনাদের ‘সীমা লঙ্ঘন’ না করতে আইজিপির অনুরোধ
-
▼
Aug 10
(19)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment