Monday, November 4, 2024
‘বিষের বাঁশী’ ও ‘ভাঙার গান’ নিষিদ্ধের শতবর্ষ by এমরান কবির
‘বিষের বাঁশী’ ও ‘ভাঙার গান’ নিষিদ্ধের শতবর্ষ by এমরান কবির
‘কোনো বইয়ের প্রচার নিষিদ্ধ না করে তাকে বরং জনমতের সঙ্গে সংগ্রাম করে টিকে থাকার সুযোগ দেওয়া উচিত,’ বলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচারক কুটিক রক। ১৯৪৮ সালে অশ্লীলতার প্রশ্নে একটি মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালে রায় দিতে গিয়ে কথাটি উল্লেখ করেন তিনি। কথা সত্যও বটে! বই আসলে জনমতের সঙ্গে সংগ্রাম করেই টিকে থাকে। যেমন আজ থেকে শতবর্ষ আগে কাজী নজরুল ইসলামের বিষের বাঁশী ও ভাঙার গান বই দুটি নিষিদ্ধ করেছিল ব্রিটিশ সরকার। বই ও লেখালেখি নিয়ে ব্রিটিশদের মনোভাব ছিল কঠোর। ব্রিটিশ শাসনামলে বাজেয়াপ্ত বই নিয়ে গবেষণা করেছেন বিষ্ণু বসু, অশোক কুমার মিত্র প্রমুখ। শিশির কর এ ক্ষেত্রে এক কিংবদন্তি। নিষিদ্ধ নজরুল আর ব্রিটিশ শাসনে বাজেয়াপ্ত বাংলা বই নামের দুই গ্রন্থ লিখে সাহিত্যের ইতিহাসে প্রণম্য হয়ে আছেন তিনি। ব্রিটিশ শাসনে বাজেয়াপ্ত বাংলা বইয়ে তিনি জানাচ্ছেন, ‘ইংরেজ আমলে ভারতের প্রায় সব প্রাদেশিক ভাষার গ্রন্থই রাজরোষে পড়েছে।’ এ কথা থেকে প্রমাণিত হয় যে ব্রিটিশ সরকার বই ও তার প্রভাব নিয়ে কতটা চিন্তিত ছিল। বই আর লেখালেখি নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা প্রণয়ন করেছিল কয়েকটি আইন। ইন্ডিয়ান প্রেস অ্যাক্ট ১৯১০, নিউজপেপার অ্যাক্ট ১৯০৮, সেডিশিয়াস পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট ১৮৮২, ইন্ডিয়ান প্রেস ইমার্জেন্সি পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৩০ প্রভৃতি।
এই বাস্তবতায় ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় নজরুলের দুটি বই বিষের বাঁশী ও ভাঙার গান। বই দুটি নিষিদ্ধও হয়েছিল একই বছর ফৌজদারি বিধির ৯৯-এ ধারা অনুসারে। বিষের বাঁশী নিষিদ্ধ হয় ২২ অক্টোবর আর ভাঙার গান এর তিন সপ্তাহের মধ্যেই—১১ নভেম্বর ১৯২৪। সেই হিসাবে নজরুলের বই দুটি নিষিদ্ধের এখন শতবর্ষ। তবে শতাব্দী পেরিয়ে জনতার মধ্যে আদৃত হতে হতে কালজয়ী হয়ে গেছে এসব বই। বই দুটি শুধু প্রভাব বিস্তারকারীই নয়, প্রবল আলোচিতও। আর এই ১০০ বছরেও বই দুটির প্রাসঙ্গিকতা একবিন্দু কমেনি। কিন্তু গোরা আমলে বই দুটিকে কেন নিষিদ্ধ করেছিল শাসক? কী ছিল তার পরিপ্রক্ষিত?
‘বিষের বাঁশী’র বিষ
কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত পাঁচটি বইয়ের মধ্যে অন্যতম বিষের বাঁশী। বইটি ১৯২৪ সালের আগস্টে প্রকাশিত হয়। প্রকাশক ছিলেন স্বয়ং কবি। প্রচ্ছদ করেছিলেন কল্লোল–এর সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাশ। নজরুল তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘আমার ঝড়ের রাতের বন্ধু।’ এ বইয়ের ‘কৈফিয়ত’ শিরোনামে ভূমিকায় কবি জানান, ‘“অগ্নিবীণা দ্বিতীয় খণ্ড” নাম দিয়ে তাতে যেসব কবিতা ও গান দেব বলে এতকাল ধরে বিজ্ঞাপন দিচ্ছিলাম, সেই সব কবিতা ও গান দিয়ে এই বিষের বাঁশী প্রকাশ করলাম। নানা কারণে “অগ্নিবীণা দ্বিতীয় খণ্ড” নাম বদলে বিষের বাঁশী নামকরণ করলাম। এ বিষের বাঁশীর বিষ জুগিয়েছেন আমার নিপীড়িতা দেশমাতা আর আমার ওপর বিধাতার সকল রকম আঘাতের অত্যাচার।’
ভূমিকার এ অংশ থেকে জানা যাচ্ছে, অগ্নিবীণার পরিবর্ধিত রূপ বিষের বাঁশী। আর কবির স্বীকারোক্তির মধ্যেই রয়েছে এই কাব্যের বিশেষ উদ্দেশ্যপূর্ণ শিল্পিত মনোভাব। বইটি প্রকাশের পর প্রভাবশালী সাময়িকী প্রবাসীতে বলা হয়েছিল, ‘কবিতাগুলি যেন আগ্নেয়গিরি, প্লাবন ও ঝড়ে রূদ্ররূপ ধরিয়া বিদ্রোহী কবির মর্মজ্বালা প্রকটিত করিয়াছে। জাতির এই দুর্দিনে মুমূর্ষু নিপীড়িত দেশবাসীকে মৃত্যুঞ্জয়ী নবীন চেতনায় উদ্বুদ্ধ করিবে।’
এই যে ‘নবীন চেতনায় উদ্বুদ্ধ’ করা, এটি আমাদের দেশমাতার জন্য শুভকর হলেও ব্রিটিশ শাসকের জন্য মোটেও শুভকর ছিল না। দেশবাসী লুফে নিলেও কেউ কেউ বৈরী হয়ে উঠলেন। এমন একজন অক্ষয় কুমার দত্ত গুপ্ত। পেশায় তিনি ছিলেন বেঙ্গল লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান। ১৯২৪ সালের ২১ আগস্ট বইটি নিয়ে সরকারের পাবলিক ইনস্ট্রাকশন বিভাগকে চিঠি লেখেন তিনি। সে চিঠির কিছু অংশ এ রকম, ‘অস্বচ্ছ ধারণার ওপর ভয়াবহ উদ্দেশ্য সাধন করতে বারংবার যেসব উত্তেজক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে রক্ত, স্বৈরাচার, মৃত্যু, আগুন, নরক, দানব ও ব্রজের মতো শব্দ।’ অক্ষয়বাবুর আবেদন বিফলে যায়নি। কয়েক দফা চিঠি–চালাচালির পর একই বছরের ২২ অক্টোবর চিফ সেক্রেটারি এ এস মোবারলের স্বাক্ষরে বিষের বাঁশী বাজেয়াপ্ত করার আদেশ জারি হয় এবং তা প্রজ্ঞাপন আকারে ছাপা হয়।
এ আদেশের পর বই আটকাতে নেমে পড়ে পুলিশ। কলকাতার চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নজরুল ইসলামকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।
তবে কী আছে বইটিতে, যে জন্য প্রবাসী থেকে লাইব্রেরিয়ান হয়ে বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা মারফত শেষ পর্যন্ত এটি বাজেয়াপ্ত হলো? বিষের বাঁশীর প্রথম কবিতা ‘অভিশাপ’-এর প্রথম লাইন ‘আমি বিধির বিধান ভাঙিয়াছি, আমি এমনি শক্তিমান!’ বলা ভালো, নজরুলের ‘বিধি’ কোনো একক অর্থের প্রতিনিধি নয়। শব্দটি নানান অর্থ তুলে ধরে। ব্রিটিশরাজের কাছে এই ‘বিধি’ নিশ্চয়ই তাদের প্রতি নির্দেশ করা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। বিধির বিধান ভাঙতে যে নিজের শক্তিমত্তার প্রকাশ করবে, সে তো আসলেই ভয়ানক! একই কাব্যগ্রন্থের ‘চরকার গান’-এ কবি লিখেছেন, ‘ঘোর রে ঘোর রে আমার সাধের চরকা ঘোর/ ওই স্বরাজ রথের আগমনী শুনি চাকার শব্দে তোর।’ নজরুল চরকার শব্দে স্বরাজ রথের আগমনী শুনতে পান বলেই এ কবিতায় বলেন— ‘ঘুচুক ঘুমের ঘোর’। আবার ‘ঝড়’ নামের দীর্ঘ কবিতার এক জায়গায় আছে— ‘ঝড় কোথা? কই?—/ বিপ্লবের লাল-ঘোড়া ওই ডাকে ওই—’।
বিপ্লবের লাল-ঘোড়া ডাকার কথা যিনি বলেন, তিনি আর যা–ই হোন, নিরাপদ হবেন না।
‘ভাঙার গান’–এর ভয়াল সুর
ভাঙার গান প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালের আগস্ট মাসে (১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে)। প্রকাশক ছিলেন কলকাতার ডি এম লাইব্রেরি এবং যুগবাণী পত্রিকার আর্য পাবলিশিং হাউস। একই বছর ১১ নভেম্বর তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে। চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, এই নিষেধাজ্ঞা এখনো বলবৎ থাকলেও বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।
ভাঙার গান–এর সবচেয়ে বিখ্যাত গান—‘কারার ঐ লৌহ–কবাট’। এই গান রচনার প্রেক্ষাপটও ঐতিহাসিক। ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সম্পাদনায় বের হয় বাঙ্গালার কথা পত্রিকা। এ সময় মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে একের পর এক কারারুদ্ধ হচ্ছেন ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামীরা। চিত্তরঞ্জন দাশও কারারুদ্ধ হলেন। তাঁর স্ত্রী বাসন্তী দেবী দ্বারস্থ হলেন ২২ বছর বয়সী কাজী নজরুল ইসলামের। এ বিষয়ে নজরুলের বাল্যবন্ধু কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ তাঁর কাজী নজরুল ইসলাম: স্মৃতিকথা বইয়ে লিখেছেন, ‘আমার সামনেই দাশ পরিবারের শ্রী সুকুমাররঞ্জন দাশ বাঙ্গালার কথার জন্য একটি কবিতা চাইতে এসেছিলেন। অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নজরুল তখনই কবিতা লেখা শুরু করে দিল। সুকুমাররঞ্জন ও আমি আস্তে আস্তে কথা বলতে লাগলাম। বেশ কিছুক্ষণ পরে নজরুল আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে তার সেই মুহূর্তে রচিত কবিতাটি পড়ে শোনাতে লাগল।’ হুগলির জেলে দেশবন্ধুর সঙ্গে অন্য বন্দীরাও গাইতেন এই ‘কারার ঐ লৌহ–কবাট’।
ব্রিটিশ শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করতে তখন আন্দোলন শুরু হয়েছে দিকে দিকে। বিপ্লবীদের বন্দী করে পাঠানো হচ্ছে জেলে। এভাবে পুরো দেশটাই যেন হয়ে উঠেছিল কারাগার। এমন এক সময় বের হয় নজরুলের ভাঙার গান। বইটি ব্রিটিশ শাসনের মর্মমূলে আঘাত হেনেছিল। এই কাব্যগ্রন্থে কবি যখন বলেন, ‘বাঙলার শের বাঙলার শির/ বাঙলার বাণী বাঙলার বীর’ কিংবা ‘দুঃশাসনের রক্ত চাই।/ দুঃশাসনের রক্ত চাই।/ অত্যাচারী সে দুঃশাসন/ চাই খুন তার চাই শাসন’ কিংবা ‘আয় ভীম আয় হিংস্র বীর’, তখন ব্রিটিশরাজের সিংহাসন কি টলে ওঠে না? বাংলা তো শোষণের ক্ষেত্র, তারা বীর হবে কেন? এরা দুঃশাসনের রক্ত চায় কীভাবে! আবার ভীমকে ডাকে! পাগলা ভোলাকে আহ্বান করে প্রলয়ের টানে সব গারদের আগল ভেঙে দেওয়ার জন্য! সবচেয়ে বড় কথা, সবকিছুকে পায়ের ভৃত্য করে বন্দী বিপ্লবীদের সব কারাগারের তালা লাথি মেরে ভেঙে ফেলার কথা বলা হয় এখানে।
স্বভাবতই ব্রিটিশরা এগুলো ভালোভাবে নেয়নি। ভাঙার গান–এর প্রভাব ছিল গভীরতর। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর বন্ধু দিলীপকুমার রায়কে এক চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘জেলে যখন ওয়ার্ডাররা লোহার দরজা বন্ধ করে, তখন মন যে কী আকুলি-বিকুলি করে, কী বলব। তখন বারবার মনে পড়ে কাজীর সেই গান—“কারার ঐ লোহ-কবাট”।’
পরাধীন ভারতে গানটির প্রভাব বুঝতে ওপরের ঘটনাটিই যথেষ্ট।
‘কারার ঐ লোহ-কবাট’–এর বহিরাঙ্গিকে কবাট ভাঙার কথা থাকলেও আদতে এতে বলা হয়েছে বৈষম্য ভাঙার কথা। সাম্প্রতিক কালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানেও এই গানের প্রবল উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। গ্রাফিতিতে এখনো গানটির কথা ও ভাব-চিত্র দৃশ্যমান। শতবর্ষ পরে বৈষম্যহীন সমাজের জন্য ছাত্র-জনতা আজ যে নিজের রক্ত ঝরাচ্ছে, জীবন বিলিয়ে দিচ্ছে, তার শুরুটা তো করেছিলেন নজরুল নিজেই। কারাবন্দী অবস্থায় কবি যখন গানটি গাইতেন, তখন বন্দীদের জমানো ক্ষোভ গর্জে উঠত। একই দৃশ্য যেন দৃশ্যায়িত হলো শতবর্ষ পর। সেখানে কেবল শারীরিকভাবেই নজরুল অনুপস্থিত। বাকি সব আগের মতোই। আদতে ইতিহাস বারবার ফিরে আসে। হয়তো সে কারণেই নজরুলকে দিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যে সূচনা, শতবর্ষ পরেও তা চলমান।
ভাঙার গান মূলত গানের বই। এসব গানে আছে সব ধরনের অচলায়তন-দুর্বৃত্তপনা ও বৈষম্য ভাঙার কথা। ব্রিটিশরাজের ভয় ছিল যে এসব ভাঙলে তাদের সিংহাসনও ভেঙে যাবে। তাই তো আটকে দেওয়া হয়েছিল এ গানের সুর। কিন্তু যা শাশ্বত অধিকারের অংশ, তাকে কি নিষেধের বাধা দিয়ে আটকানো যায়! আটকানো যায়নি ভাঙার গান–এর সুরকেও। কোথাও কোনো অন্যায়–নিপীড়ন হলেই ওই সুর এখন আরও তীব্রভাবে বাজে।
বই কি কখনো নিষিদ্ধ করা যায়? এই প্রশ্নের এক জুতসই উত্তর দিয়েছেন রুশ লেখক মিখাইল বুলগাকভ তাঁর বই মাস্টার অ্যান্ড মার্গেরিটার মধ্যে, ‘পাণ্ডুলিপি কখনোই পোড়ে না।’ বই নিষিদ্ধ নিয়ে এর চেয়ে সত্য আর নেই।
বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ গ্রন্থের ইতিহাস ও পরিণতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সেগুলোর প্রচার, প্রসার, পঠন, সংরক্ষণ কোনোটাই শেষ পর্যন্ত রহিত করা যায়নি; বরং নিষিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোর বেশির ভাগই পেয়েছে ব্যাপক প্রচার। বিষের বাঁশী বা ভাঙার গান–এর ক্ষেত্রেও এটি সমসত্য। আর এই দুই বইয়ের মধ্যে শৈল্পীর সৌকর্যের পাশাপাশি বিদ্রোহ ও বিপ্লবের যে চিরায়ত উপাদান, সেটিই একে কালোত্তীর্ণ করে তুলেছে। শিকল পরে শিকলকে বিকল করার কথা আছে নজরুলের গানে। এই বই দুটিও যেন নিষিদ্ধ হওয়ার ‘শিকল’ পরে প্রকারান্তরে কর্তৃত্ববাদী শাসকের ‘শিকল’ ভেঙে ফেলতে উৎসাহ জুগিয়েছে কালে কালে, বারবার।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 04
(22)
- ‘বিষের বাঁশী’ ও ‘ভাঙার গান’ নিষিদ্ধের শতবর্ষ by এম...
- হাজার হাজার ইসরায়েলি সেনা মিলেও দখল করতে পারেনি লে...
- ইসরাইলি হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে জীবন-মরণ লড়াই করছে লে...
- মার্কিন নির্বাচনী প্রচারে উল্লেখযোগ্য কিছু মুহূর্ত
- ১০ বছরের মধ্যে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা ...
- আমেরিকার দিকে তাকিয়ে যেন পুরো বিশ্ব! by সিদ্দিকুর ...
- রিকশার জঞ্জাল রাজধানী by নাজমুল হুদা
- যুক্তরাষ্ট্রে মহারণ কাল by মোহাম্মদ আবুল হোসেন
- দেশে দেশে দুর্বল কূটনীতির কবলে বাংলাদেশ by এম এস স...
- শ্বেতপত্র কমিটিকে সচিবরা: রাজনীতির কাছে জিম্মি ছিল...
- ৭ উদ্দেশ্যে সংবিধান সংস্কার -ড. আলী রীয়াজ
- প্রবাসী মুন্না কার কর্মী?
- প্রসিকিউটর থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী
- অন্তর্বর্তী সরকারকে অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কে জড়িয়ে দুর...
- লেবাননে ধ্বংস্তূপে চাপা মরদেহ উদ্ধার করতে দিচ্ছে ন...
- পুতিনের সাহায্য চাইছেন নেতানিয়াহু
- বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলী...
- রহস্যময় জাহাজ বানাচ্ছে চীন, স্যাটেলাইটে ধরা পড়ল সে...
- বকেয়া পরিশোধে বাংলাদেশকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি : আ...
- দুই সিটির ব্যর্থতায় মৃত্যু বেশি ডেঙ্গুতে by ফরিদ উ...
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও তাদের সময়কাল by ডা. ও...
- স্পট: নিউমার্কেট- আগের রূপে চাঁদাবাজি by সুদীপ অধি...
-
▼
Nov 04
(22)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment