Friday, February 21, 2025
গল্প- অতিকায় ডানাওয়ালা এক বুড়ো by গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
গল্প- অতিকায় ডানাওয়ালা এক বুড়ো by গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ

অনুবাদ : আন্দালিব রাশদী।
বৃষ্টিপাতের
তৃতীয় দিন পর্যন্ত বাড়ির ভেতর তাদের হাতে এত কাঁকড়া মারা পড়ল যে পেলাইয়োকে
ভেজা উঠোন পেরিয়ে এসব কাঁকড়া সমুদ্রে ছুড়ে ফেলতে হলো। কারণ নবজাত শিশুটির
সারারাত জ্বর ছিল আর সবাই মনে করল এই দুর্গন্ধই অসুখের কারণ। সেই মঙ্গলবার
থেকে পৃথিবীটা বিষণ্ণ হয়ে আছে। আকাশ আর সমুদ্র দুটোই একই রকম ছাই-ধূসর রঙের
আর মার্চের রাতে যে-সৈকতের বালি আলোর গুঁড়োর মতো ঝিকমিক করত এখন তা কাদার
দলা আর পচাগলা সামুদ্রিক মাছের মতো হয়ে গেছে। মরা কাঁকড়া সমুদ্রে ছুড়ে
পেলাইয়ো যখন ফিরে আসছে আলো এতটাই ক্ষীণ, উঠোনে যে একটা কিছু নড়ছে আর
গোঙাচ্ছে তা বলতে গেলে দেখাই যাচ্ছে না। দেখার জন্য তাকে খুব কাছাকাছি যেতে
হলো – একজন বুড়ো, অত্যন্ত বুড়ো কাদায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছেন; আপ্রাণ চেষ্টা
চালিয়ে যাবার পরও অতিকায় দুটো ডানার কারণে উঠে দাঁড়াতে পারছেন না।
দুঃস্বপ্নে আতঙ্কিত পেলাইয়ো স্ত্রী এলিসেন্দার কাছে ছুটে গেল। স্ত্রী তখন অসুস্থ শিশুর মাথায় জলপট্টি দিচ্ছিল। পেলাইয়ো তাকে উঠোনের পেছন দিকে নিয়ে এলো। নির্বাক নিস্পন্দন দুজন মানুষ মাটিতে পড়ে থাকা দেহটির দিকে তাকিয়ে রইল। তার পরনে কাপড়-কুড়ানিদের ছিন্নবেশ। টেকো মাথায় কিছু বিবর্ণ চুলের আভাস তখনো রয়ে গেছে, মুখে অল্প কটি দাঁত, একদা যদি তার প্রপিতামহের মাহাত্ম্য থেকেও থাকে তার দুর্দশাগ্রস্ত ভেজা শরীর তা একেবারেই ম্লান করে দিয়েছে। তার বিশাল বাজডানার অর্ধেক পালক ঝরে গেছে, কাদামাটিতে মাখামাখি, যেন চিরদিনের জন্য মাটিতে গেঁথে গেছে। পেলাইয়ো এবং এলিসেন্দা দীর্ঘ সময় ধরে বুড়োর দিকে তাকিয়ে থেকে তাদের ঘোর কাটালো; একসময় মনে হলো বুড়ো তাদের চেনা। তারা সাহস করে বুড়োর সঙ্গে কথা বলল। বুড়ো দুর্বোধ্য এক আঞ্চলিক ভাষায় নাবিকের জোরালো স্বরে জবাব দিলো। ডানার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে এবার তারা বুদ্ধি খাটিয়ে বের করল বুড়ো আসলে ঝড়ে জাহাজডুবিতে বিচ্ছিন্ন বিদেশি নাবিক। তারপরও তারা প্রতিবেশী এক বৃদ্ধাকে ডেকে আনল। জীবন ও মৃত্যু সম্পর্কে বৃদ্ধা সবই জানে। একবার তার ওপর চোখ পড়লেই ডানাওয়ালা বুড়োকে নিয়ে তাদের যে-বিভ্রান্তি বৃদ্ধা তা কাটিয়ে দিতে পারবে। বৃদ্ধা বললেন, ‘তিনি একজন দেবদূত। নিশ্চয়ই তিনি শিশুটির জন্য এখানে আসছিলেন। কিন্তু বেচারা এতটাই বৃদ্ধ, বৃষ্টি তাকে আছড়ে ফেলে দিলো।’
পরদিন সবাই জানল রক্তমাংসের এক দেবদূত পেলাইয়োর বাড়িতে আটকা পড়েছেন। তাদের প্রতিবেশী সেই জ্ঞানী বৃদ্ধার এই রায়ের কারণে এই দেবদূত বেঁচে গেলেন – তখনকার আমলের ধারণা, এরা হচ্ছেন আধ্যাত্মিক ষড়যন্ত্রের বেঁচে যাওয়া পলাতক প্রাণী, যাদের মুগুরপেটা করে হত্যা করা হতো।
নিজ হাতে পেয়াদার মুগুর তুলে নিয়ে পেলাইয়ো সারা বিকেল রান্নাঘর থেকে তার ওপর চোখ রাখছিল। তবে ঘুমোতে যাওয়ার আগে তাকে টেনেহিঁচড়ে কাদা থেকে তুলে আনে এবং মুরগির খোঁয়াড়ে মুরগির সঙ্গে তালাবদ্ধ করে রাখে। মধ্যরাতে যখন বৃষ্টি থামে পেলাইয়ো ও এলিসেন্দা তখনো কাঁকড়া মেরে চলেছে। এর কিছুক্ষণ পরই শিশু উঠে বসে, তার গায়ের জ্বর ছেড়ে দেয় এবং সে খেতে চায়। তারা কৃতজ্ঞতার প্রশান্তি অনুভব করল, দেবদূতকে একটি মাচানের ওপর বসিয়ে তার জন্য পানি ও তিনদিন চলার মতো খাবারের জোগান দিলো; ঠিক করল তারপর তাকে নিয়তির কাছে ভরা সাগরে ফেলে আসবে। কিন্তু ভোরের আলো ফুটতেই তারা যখন উঠোনে নামল, দেখল প্রতিবেশীরা মুরগির খোঁয়াড়ের সামনে দেবদূতকে নিয়ে মজা করছে – তার ওপর এতটুকু শ্রদ্ধা তাদের নেই, খোঁয়াড়ের তারের ফাঁক গলিয়ে ভেতরে খাবার ছুড়ে মারছে – যেন তিনি কোনো অতিপ্রাকৃতিক সৃষ্টি নন, কেবল সার্কাসের একটি জন্তু মাত্র।
অদ্ভুত এই খবরটি শুনে ফাদার গনজাগা সকাল ৭টার আগেই এসে হাজির হলেন। ততক্ষণে আরো যেসব দর্শনার্থীর আগমন ঘটল তারা কেউই ভোরের দর্শনার্থীদের মতো এমন চপলচিত্তের নয়। তারা এই বন্দির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের জল্পনা-কল্পনা শুরু করল। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে সহজ-সরল তারা ভাবল, এই দেবদূতকে গোটা পৃথিবীর মেয়র ঘোষণা করা উচিত। আর যারা একটু কঠোরমনা তারা মনে করল, ভবিষ্যতের সব যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য তাকে ফাইভ স্টার জেনারেল পদে উন্নীত করা দরকার। যারা ভাবুক ধরনের তারা মনে করল, এই দেবদূতকে আটকে রেখে তাকে দিয়ে জ্ঞানী ও পাখাওয়ালা সন্তান উৎপাদনের কাজে লাগানো যেতে পারে – এই নতুন প্রজন্মের জ্ঞানী মানুষ গোটা বিশ্বের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবে। ফাদার গনজাগা পাদ্রি হওয়ার আগে বেশ দশাসই একজন কাঠুরে ছিলেন। খোঁয়াড়ের তারের বাইরে দাঁড়িয়ে এক মুহূর্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে তিনি দরজা খোলার নির্দেশ দিলেন। ভেতরে একদল বিমুগ্ধ মুরগির মাঝে তাকে হাড়-জিরজিরে অতিকায় একটি মুরগির মতোই মনে হচ্ছিল। তিনি এক কোণে শুয়ে রোদে সকালবেলার দর্শনার্থীদের ছুড়ে দেওয়া ফলের ছালবাকল ও অবশিষ্ট নাশতার মধ্যে তার ছড়ানো ডানা শুকাচ্ছিলেন।
ফাদার গনজাগা যখন মুরগির খোঁয়াড়ে ঢুকে ল্যাটিন ভাষায় তাকে সুপ্রভাত বললেন, পৃথিবীর প্রগল্ভতার কাছে সম্পূর্ণ অচেনা এই দেবদূত কোনোরকমে তার প্রাচীন চোখদুটো তুলে নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষায় কিছু একটা বিড়বিড় করে তার জবাব দিলেন।
পাদ্রির আওতাধীন উপাসকরা যখন দেখল এই প্রাণী ঐশ্বরিক ভাষা বোঝেন না কিংবা পাদ্রিকে কীভাবে সম্ভাষণ জানাতে হয় তাও জানেন না, তাকে প্রতারক মনে করল। পাদ্রি আরো কাছে গিয়ে দেখলেন তিনি তো মানুষের মতোই, তার শরীরে লেগে থাকা আবর্জনার অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ, তার পাখার পেছন দিকটাতে প্যারাসাইট গজিয়েছে আর মহাজাগতিক ঝড়ের দাপটে ডানা দুটো কাহিল হয়ে পড়েছে; এসব আঘাতের কারণে কোনো মাপেই তাকে গর্বিত দেবদূতের মতো মনে হচ্ছে না। পাদ্রি মুরগির খোঁয়াড় থেকে বেরিয়ে এসে উৎসাহী দর্শকদের নসিহত করলেন এবং তাদের মূঢ়তার জন্য সতর্ক করে দিলেন। তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দিলেন বিচিত্ররূপী শয়তান অসতর্ক মানুষকে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করে থাকে। বাজপাখি এবং উড়োজাহাজের পার্থক্য বুঝতে শুধু ডানা দেখাই যথেষ্ট নয়। আর দেবদূত শনাক্ত করার জন্য ডানা তেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তারপরও তিনি প্রতিশ্রুতি দিলেন বিষয়টি নিয়ে তিনি তার অধিকর্তাকে চিঠি লিখবেন, আর তিনি লিখবেন সুপ্রিম পনটিফের কাছে, সর্বোচ্চ আদালত থেকে এই অতিকায় ডানাওয়ালা বুড়ো সম্পর্কে রায় জানা যাবে।
পাদ্রির জ্ঞানগর্ভ নসিহত কৌতূহলী মানুষের বন্ধ্যা হৃদয় স্পর্শ করতে পারল না। দেবদূত ধরা পড়ার খবরটি এত দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ির উঠোন বাজারে পরিণত হয়ে বাড়িঘর ভেঙে পড়ার উপক্রম হলো। আর তাদের সামাল দিতে বন্দুকের ডগায় বেয়নেট লাগানো সৈন্যদের ডাকতে হলো। বাজারে পরিণত হওয়া আঙিনার ময়লা সাফ করতে গিয়ে এলিসেন্দার শিরদাঁড়া ভেঙে পড়ার অবস্থা। শেষ পর্যন্ত তার মাথায় বুদ্ধি এলো বরং উঠানের চারপাশে বেড়া দিয়ে আটকে দেবে, কেউ দেবদূতকে দেখতে চাইলে পাঁচ সেন্ট দিয়ে তবে ভেতরে যাবে।
বহুদূর থেকে মানুষ আসতে শুরু করল। ভ্রমণে বের হওয়া একটি কার্নিভাল এখানে এসে থামল। তাদের একজন উড়ন্ত বাজিকর কসরত দেখিয়ে দর্শক টানার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো। কারণ বাজিকরের ডানা দুটো দেবদূতের ডানার মতো নয়, বরং আকাশচারী বাদুড়ের মতো। সবচেয়ে হতভাগ্য পঙ্গু লোকজন সুস্বাস্থ্যের আশায় এখানে জড়ো হলো। সেই শৈশব থেকে হৃদ্যন্ত্রের ধুকপুক গুনতে থাকা এক বৃদ্ধার গোনার মতো সংখ্যা ফুরিয়ে গেছে, সেও এসেছে। পর্তুগিজ লোকটিকে আকাশের তারারা হইচই শব্দ করে বিরক্ত করছে, তারও সমাধান চাই। ঘুমন্ত অবস্থায় হেঁটে বেড়ানো একজন জেগে থাকা অবস্থায় সম্পন্ন করা তার সারাদিনের কাজ লন্ডভন্ড করে দেয়। যেনতেন রোগব্যাধি নিয়েও অনেকেই আসে। জাহাজডুবির পর বিশৃঙ্খল অবস্থা পৃথিবীতে কাঁপন তুলেছে; এত ক্লান্তির মধ্যেও পেলাইয়ো এবং এলিসেন্দা খুব খুশি – কারণ এক সপ্তাহেরও কম সময়ে তাদের ঘর টাকায় ভরে গেছে আর দেবতীর্থে ঢোকার জন্য অপেক্ষমাণ তীর্থযাত্রীর লাইন ততক্ষণে দিগন্তরেখায় গিয়ে ঠেকেছে।
এই কর্মযজ্ঞে একজনই কেবল নিজের ভূমিকায় অংশগ্রহণ করেননি। তিনি দেবদূত। তেলের বাতির নারকীয় উত্তাপ আর চারপাশে উৎসর্গের মোমের আলোতে বিভ্রান্ত দেবদূত অন্যের আশ্রয়ে যতটা সম্ভব নিজেকে সইয়ে নিচ্ছিলেন। তারা তাকে প্রথমে কর্পূর খাওয়াতে চেষ্টা করল, জ্ঞানী সেই বুড়ি জানিয়েছে দেবদূতদের জন্য খাবার হিসেবে এটাই নির্ধারিত। কিন্তু তিনি এ-খাবার প্রত্যাখ্যান করলেন। ঠিক একইভাবে তিনি প্রায়শ্চিত্তকারীদের আনা গির্জার মধ্যহ্নভোজ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কেউ অবশ্য জানতে পারেনি তিনি বার্ধক্যের কারণে, না দেবদূত হওয়ার কারণে এই খাবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তিনি বেগুনের ভর্তা ছাড়া আর কিছুই খেলেন না। এ পর্যন্ত একমাত্র ধৈর্য ছাড়া তার মধ্যে অন্য কোনো অতিপ্রাকৃতিক গুণের প্রকাশ ঘটেনি। বিশেষ করে প্রথম দিনগুলোতে যখন তাকে মুরগি ঠোকর, ডানায় ঢুকে পড়া নাক্ষত্রিক প্যারাসাইট খোঁজা, তার শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করার জন্য টেনে পালক তুলে ফেলা, তাকে শোয়া অবস্থা থেকে দাঁড় করানোর জন্য এমনকি অত্যন্ত সদয় হয়ে নিক্ষেপ করা পাথর – সবকিছুতে ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। কেবল একবারই তারা দেবদূতকে নাড়াতে সমর্থ হয় যখন তপ্ত লোহার শলাকা তার শরীরের একাংশে লাগিয়ে দেয় – তিনি এতটা স্থবির হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিশ্চুপ পড়ে ছিলেন যে সবাই ধরে নিয়েছে তিনি মারা গেছেন। তবে শরীরে ঝাঁকি দিয়ে তিনি জেগে ওঠেন, তার তপোবনের ভাষায় কথা বলেন এবং তার চোখে অশ্রুপাত শুরু হয়।
তিনি কয়েকবার তার ডানা ঝাপটান, আর তাতে মুরগির বিষ্ঠা, মহাকাশের ধুলো এবং আতঙ্কের যে ঘূর্ণিপাত হতে থাকে তা নিশ্চয়ই পার্থিব কিছু নয়। অনেকেই তখন মনে করেছে দেবদূতের এই প্রতিক্রিয়া ক্রোধের নয়, বরং যন্ত্রণার আর এরপর থেকে কেউ তাকে উত্ত্যক্ত করতে চেষ্টা করেনি – তাদের অধিকাংশই বুঝতে পেরেছে এই নিষ্ক্রিয়তা সবকিছু মেনে নেওয়ার কারণে নয়, বরং তা ঝঞ্ঝার পর নীরবতার মতো।
ফাদার গনজাগা যখন বন্দির প্রকৃতির সম্পর্কে সর্বোচ্চ মহলের চূড়ান্ত রায়ের প্রতীক্ষা করছেন, জনতার এই খেয়ালিভরা চাপল্যকে কাজের বুয়ার কৌতূহল বলে মেনে নিলেন। পাদ্রির কাছে রোম থেকে যে পত্রটি এসেছে তাতে মনে হলো না বিষয়টি কত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ তা তারা অনুধাবন করতে পেরেছেন। বন্দির নাভি আছে কি না, তার মুখের ভাষার সঙ্গে আরামায়িক ভাষার যোগাযোগ আছে কিনা, আলপিনের ডগার খোঁচা কবার সহ্য করতে পারেন, বন্দি আসলে ডানাওয়ালা নরওয়েজিয়ান কি না – এসব নিয়ে তারা সময় কাটিয়েছে। এসব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে চিঠি চালাচালি চলতেই থাকত যদি না একটি দৈব ঘটনা পাদ্রিদের এসব কীর্তিকলাপের ইতি টানত।
সেই দিনগুলোতে শহরের মেলার একটি বড় আকর্ষণ ছিল মেলায় আসা এক নারী, বাবা-মায়ের অবাধ্য হওয়ায় সে মাকড়সাতে পরিণত হয়। তাকে দেখার জন্য যে দর্শনী নির্ধারণ করা হয় তা দেবদূতের দর্শনীর চেয়ে কেবল কমই নয়, উৎসুক জনতা চাইলে তাকে নারীর এই অসম্ভব রূপান্তর সম্পর্কে যে-কোনো ধরনের প্রশ্ন করতে পারে, যাতে তার এই ভয়াবহ দশা দেখে মনে কোনো সন্দেহ না জাগে সেজন্য উলটেপালটে পরীক্ষা করে দেখতে পারে। ভেড়ার আকৃতির একটি মাকড়সা, মাথায় বসানো বিষণ্ণ এক নারীর মুখ। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়টি এই নারীর আকৃতি নয়, বরং তার মুখে এই হতভাগ্য জীবনের বর্ণনা। যখন বলতে গেলে তার শৈশবও কাটেনি অনুমতি না নিয়ে চুপিচুপি বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নাচের আসরে যোগ দিলো। সারারাত নাচানাচির পর যখন বনের মধ্য দিয়ে বাড়ি ফিরে আসছে, আকাশফাটা বজ্রপাত ঘটল আর সেই ফাটা অংশ দিয়ে বিদ্যুৎ ঝলকের সঙ্গে বেরিয়ে আসা গন্ধকের টুকরো গায়ে পড়ে সুন্দর সেই মেয়েটিকে মাকড়সাতে রূপান্তরিত করল। সদয় মানুষেরা তার মুখের দিকে যে মাংসের টুকরো ছিঁড়ে দেয়, তা-ই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তার কাহিনিতে যে করুণ মানবিক সত্য ও ভয়ংকর শিক্ষা তা উদ্ধত বন্দি দেবদূতকে পরাস্ত করতে বাধ্য, তিনি তো এমনকি দয়াবশত মর্তের মানুষের দিকে চোখ তুলে তাকান না। তাছাড়া যেসব অলৌকিক ঘটনা ঘটানোর কৃতিত্ব দেবদূতকে দেওয়া হয়েছিল তাতে কিছু মানসিক বিপর্যয়ও ঘটে। যেমন একজন অন্ধের বেলায় দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার বদলে তার তিনটি নতুন দাঁত গজায়; পক্ষাঘাতগ্রস্ত একজন হাঁটার শক্তি ফিরে পাওয়ার বদলে জিতে নেয় লটারি আর কুষ্ঠরোগীর ক্ষতস্থানে বেরিয়ে আসে সূর্যমুখী ফুল। এগুলো অলৌকিক ঘটনার সান্ত্বনার বদলে বরং মজাদার কৌতুক – যখন মাকড়সাতে রূপান্তরিত নারীর আগমন ঘটল দেবদূতের খ্যাতি ধূলিসাৎ হয়ে গেল, মাকড়সা-নারী তাকে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত করল। এভাবে ফাদার গনজাগা তার অনিদ্রারোগ থেকে একেবারে সেরে উঠলেন আর পেলাইয়োদের বাড়ির উঠান তিনদিনের টানা বৃষ্টি আর শোবার ঘরে কাঁকড়া হাঁটাহাঁটির সময় যেমন জনশূন্য ছিল, ঠিক সে-অবস্থায় ফিরে এলো।
বাড়ির মালিকদের হা-হুতাশ করার আর কোনো কারণ রইল না। যে-টাকা তারা জমিয়েছে তা দিয়ে ব্যালকনি ও বাগানসহ দোতলা প্রাসাদ বানিয়ে ফেলল, চারদিক নেট দিয়ে ঘিরে দিলো যেন শীতকালে বাড়িতে কাঁকড়া ঢুকতে না পারে। জানালায় বসানো হলো লোহার পাত, যেন তা ঠেলে দেবদূত ঢুকতে না পারে। শহরের কাছাকাছি একটি খরগোশের খামার স্থাপন করে পেয়াদার চাকরিটা চিরদিনের মতো ছেড়ে দিলো। আর এলিসেন্দা কিনল উঁচু হিল সাটিনের পাম্প শু, বিচিত্রবর্ণ সিল্কের বহু পোশাক – সেকালের সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত নারীরা রোববারে এসব পোশাকই পরত।
মুরগির খোঁয়াড়টার ওপর কারো নজর পড়েনি। তারা যে-ক্রেওলিন দিয়ে ভেতরটা ধুয়ে রাখত, চক্ষুজ্বলা ধূপ দিত, এর কোনোটাই দেবদূতের প্রতি সমীহের কারণে উপচার নয়, বরং গোবরস্তূপের দুর্গন্ধ সরাতে – যে-দুর্গন্ধ ভূতের মতো চারদিক লেপ্টে রেখেছে এবং নতুন বাড়িটাকে পুরনো বাড়িতে পরিণত করেছে। প্রথমে শিশুটি যখন হাঁটতে শিখল সবাই সতর্ক থাকল যেন সে মুরগির খোঁয়াড়ের কাছে না যায়। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভয় কাটতে লাগল, দুর্গন্ধ সহনশীল হয়ে উঠল, দু-নম্বর দাঁতটি উঠতেই শিশুটি খেলার জন্য খোঁয়াড়ে ঢুকতে শুরু করল। খোঁয়াড়ের তারগুলো খুলে খুলে পড়ছে। মর্তের অন্যদের বেলায় দেবদূত যেমন গুরুগম্ভীর ছিল, শিশুটির বেলাতেও এতটুকু ছাড় দেননি, তবে তিনি সব ধরনের যন্ত্রণা ও গঞ্জনা মোহমুক্ত কুকুরের মতো সহ্য করে চলেছেন। দুজনেরই একই সঙ্গে জলবসন্ত হলো। যে-ডাক্তার শিশুটির চিকিৎসা করলেন তিনি দেবদূতের হৃদ্স্পন্দন শোনার লোভ সংবরণ করতে পারলেন না। তিনি তার হৃৎপিন্ডের শোঁ-শোঁ শব্দ শুনলেন, কিডনিতেও বিচিত্র শব্দ; তিনি ধরে নিলেন দেবদূতের পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব। তাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করল দেবদূতের দেহে ডানা লাগানোর যুক্তি – অত্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতোই দেহসংলগ্ন; ডাক্তার বুঝতে পারেন না, তাহলে এরকম ডানা অন্য মানুষেরও নেই কেন।
শিশুটি ততদিনে স্কুলে যেতে শুরু করল; রোদে-বৃষ্টিতে মুরগির খোঁয়াড় ধসে গেল। পথেঘাটের মরণাপন্ন মানুষের মতো দেবদূত নিজের শরীর টেনে এখানে-ওখানে পড়ে রইলেন। ঝাঁটাপেটা করে তারা দেবদূতকে শোবার ঘর থেকে বের করতেই পরক্ষণে দেখা গেল তিনি রান্নাঘরে পড়ে আছেন। মনে হলো তিনি একই সঙ্গে কয়েক জায়গায় অবস্থান করছেন। তারা ভাবতে শুরু করল, তিনি নিজের মতো দেখতে হুবহু একজন দেবদূত সৃষ্টি করতে পারেন – এখন সারা বাড়িজুড়ে তার মতো একেকজন। ধৈর্যচ্যুত ও মুখে লাগামহীন এলিসেন্দা চেঁচিয়ে বলতে শুরু করল, দেবদূতে ভরা এই বাড়ি নরক হয়ে গেছে, এখানে বাস করা অসম্ভব।
দেবদূত খাবার মুখে তুলতে পারছেন না, তার প্রাচীন জোড়াচোখ এতই ঝাপসা হয়ে এসেছে যে তিনি খুঁটিতে খুঁটিতে ধাক্কা খাচ্ছেন। তার আর অবশিষ্ট রয়েছে ডানার কিছু পালক। পেলাইয়ো তার দিকে একটি কম্বল ছুড়ে দেয় এবং শেডের নিচে ঘুমোতে দেওয়ার মতো দয়ালু হয়ে ওঠে। তখনই তারা টের পায় দেবদূত জ্বরে আক্রান্ত। বৃদ্ধ নরওয়েজিয়ানে জিহবা জড়ানো শব্দে প্রলাপ বকছেন। আরো দু-একবারের মতো এবারো তারা আশঙ্কা করল, তিনি মারা যাচ্ছেন। এমনকি প্রতিবেশী জ্ঞানবৃদ্ধাও বলতে পারলেন না মৃত দেবদূতকে নিয়ে কী করতে হবে।
এদিকে দেবদূত কেবল সেই শীতে টিকেই রইলেন না, প্রথম কদিনের রৌদ্রালোকে তার শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতিও ঘটল। উঠানের সবচেয়ে দূরের এক কোণে তিনি কদিন অনড় পড়ে রইলেন, কেউ তাকে দেখতে আসেনি। ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে তার পাখায় কিছু শক্ত পালক গজাতে শুরু করল, কাকতাড়ুয়ার পাখার মতো। দেখে মনে হলো, জরাজীর্ণ আরেকটি মূর্তিমান দুর্ভাগ্য। কিন্তু এ পরিবর্তনের কারণ নিশ্চয়ই দেবদূতের জানা, কারণ তিনি খুব সতর্ক ছিলেন যেন এই পরিবর্তন অন্য কারো চোখে না পড়ে। তারাভরা আকাশের নিচে কখনো কখনো তিনি যে-সাগরসংগীত গেয়েছেন, তা যেন কেউ না শোনে। এক সকালে এলিসেন্দা দুপুরের খাবারের জন্য কয়েকগুচ্ছ পেঁয়াজ কাটছিল, তখন তার মনে হলো গভীর সমুদ্র থেকে একটি ঝোড়ো বাতাস এসে রান্নাঘরের ভেতর বইছে। তখন সে জানালার কাছে গিয়ে দেখল, দেবদূত ওড়ার প্রথম চেষ্টাটি করছেন। কিন্তু প্রচেষ্টাটি এতই অগোছালো যে, তার আঙুলের নখের খামচিতে সবজির বাগানে বলিরেখার দাগ পড়েছে, পাখার দুর্বল ঝাপটায় তার শেডটি ভেঙে পড়ার অবস্থা, তার ঝাপটা ফসকে যাচ্ছে, বাতাসে ভর করতে পারছেন না। তারপরও দেখা গেল দেবদূত বেশ খানিকটা ওপরে উঠে গেছেন। এলিসেন্দা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল – নিজের জন্য, স্বামীর জন্য; অসুস্থ শকুনের মতো ঝুঁকি নিয়ে কোনোভাবে ডানা ঝাপটে বাতাসে ভর দিয়ে যখন তিনি শেষ বাড়িঘরগুলোর ওপর দিয়ে উড়ে গেলেন, এলিসেন্দা তাকিয়ে রইল। পেঁয়াজকাটার মাঝখানে এলিসেন্দা তাকে উড়ে যেতে দেখছে যতক্ষণ তাকে দেখা যায় – কারণ দেবদূত আর কখনো তার জীবনে বিরক্তি সৃষ্টি করবে না, বরং দিগন্তবিস্তৃত সাগরের ওপর একটি কল্পবিন্দু হিসেবে রয়ে যাবে।
দুঃস্বপ্নে আতঙ্কিত পেলাইয়ো স্ত্রী এলিসেন্দার কাছে ছুটে গেল। স্ত্রী তখন অসুস্থ শিশুর মাথায় জলপট্টি দিচ্ছিল। পেলাইয়ো তাকে উঠোনের পেছন দিকে নিয়ে এলো। নির্বাক নিস্পন্দন দুজন মানুষ মাটিতে পড়ে থাকা দেহটির দিকে তাকিয়ে রইল। তার পরনে কাপড়-কুড়ানিদের ছিন্নবেশ। টেকো মাথায় কিছু বিবর্ণ চুলের আভাস তখনো রয়ে গেছে, মুখে অল্প কটি দাঁত, একদা যদি তার প্রপিতামহের মাহাত্ম্য থেকেও থাকে তার দুর্দশাগ্রস্ত ভেজা শরীর তা একেবারেই ম্লান করে দিয়েছে। তার বিশাল বাজডানার অর্ধেক পালক ঝরে গেছে, কাদামাটিতে মাখামাখি, যেন চিরদিনের জন্য মাটিতে গেঁথে গেছে। পেলাইয়ো এবং এলিসেন্দা দীর্ঘ সময় ধরে বুড়োর দিকে তাকিয়ে থেকে তাদের ঘোর কাটালো; একসময় মনে হলো বুড়ো তাদের চেনা। তারা সাহস করে বুড়োর সঙ্গে কথা বলল। বুড়ো দুর্বোধ্য এক আঞ্চলিক ভাষায় নাবিকের জোরালো স্বরে জবাব দিলো। ডানার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে এবার তারা বুদ্ধি খাটিয়ে বের করল বুড়ো আসলে ঝড়ে জাহাজডুবিতে বিচ্ছিন্ন বিদেশি নাবিক। তারপরও তারা প্রতিবেশী এক বৃদ্ধাকে ডেকে আনল। জীবন ও মৃত্যু সম্পর্কে বৃদ্ধা সবই জানে। একবার তার ওপর চোখ পড়লেই ডানাওয়ালা বুড়োকে নিয়ে তাদের যে-বিভ্রান্তি বৃদ্ধা তা কাটিয়ে দিতে পারবে। বৃদ্ধা বললেন, ‘তিনি একজন দেবদূত। নিশ্চয়ই তিনি শিশুটির জন্য এখানে আসছিলেন। কিন্তু বেচারা এতটাই বৃদ্ধ, বৃষ্টি তাকে আছড়ে ফেলে দিলো।’
পরদিন সবাই জানল রক্তমাংসের এক দেবদূত পেলাইয়োর বাড়িতে আটকা পড়েছেন। তাদের প্রতিবেশী সেই জ্ঞানী বৃদ্ধার এই রায়ের কারণে এই দেবদূত বেঁচে গেলেন – তখনকার আমলের ধারণা, এরা হচ্ছেন আধ্যাত্মিক ষড়যন্ত্রের বেঁচে যাওয়া পলাতক প্রাণী, যাদের মুগুরপেটা করে হত্যা করা হতো।
নিজ হাতে পেয়াদার মুগুর তুলে নিয়ে পেলাইয়ো সারা বিকেল রান্নাঘর থেকে তার ওপর চোখ রাখছিল। তবে ঘুমোতে যাওয়ার আগে তাকে টেনেহিঁচড়ে কাদা থেকে তুলে আনে এবং মুরগির খোঁয়াড়ে মুরগির সঙ্গে তালাবদ্ধ করে রাখে। মধ্যরাতে যখন বৃষ্টি থামে পেলাইয়ো ও এলিসেন্দা তখনো কাঁকড়া মেরে চলেছে। এর কিছুক্ষণ পরই শিশু উঠে বসে, তার গায়ের জ্বর ছেড়ে দেয় এবং সে খেতে চায়। তারা কৃতজ্ঞতার প্রশান্তি অনুভব করল, দেবদূতকে একটি মাচানের ওপর বসিয়ে তার জন্য পানি ও তিনদিন চলার মতো খাবারের জোগান দিলো; ঠিক করল তারপর তাকে নিয়তির কাছে ভরা সাগরে ফেলে আসবে। কিন্তু ভোরের আলো ফুটতেই তারা যখন উঠোনে নামল, দেখল প্রতিবেশীরা মুরগির খোঁয়াড়ের সামনে দেবদূতকে নিয়ে মজা করছে – তার ওপর এতটুকু শ্রদ্ধা তাদের নেই, খোঁয়াড়ের তারের ফাঁক গলিয়ে ভেতরে খাবার ছুড়ে মারছে – যেন তিনি কোনো অতিপ্রাকৃতিক সৃষ্টি নন, কেবল সার্কাসের একটি জন্তু মাত্র।
অদ্ভুত এই খবরটি শুনে ফাদার গনজাগা সকাল ৭টার আগেই এসে হাজির হলেন। ততক্ষণে আরো যেসব দর্শনার্থীর আগমন ঘটল তারা কেউই ভোরের দর্শনার্থীদের মতো এমন চপলচিত্তের নয়। তারা এই বন্দির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের জল্পনা-কল্পনা শুরু করল। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে সহজ-সরল তারা ভাবল, এই দেবদূতকে গোটা পৃথিবীর মেয়র ঘোষণা করা উচিত। আর যারা একটু কঠোরমনা তারা মনে করল, ভবিষ্যতের সব যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য তাকে ফাইভ স্টার জেনারেল পদে উন্নীত করা দরকার। যারা ভাবুক ধরনের তারা মনে করল, এই দেবদূতকে আটকে রেখে তাকে দিয়ে জ্ঞানী ও পাখাওয়ালা সন্তান উৎপাদনের কাজে লাগানো যেতে পারে – এই নতুন প্রজন্মের জ্ঞানী মানুষ গোটা বিশ্বের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবে। ফাদার গনজাগা পাদ্রি হওয়ার আগে বেশ দশাসই একজন কাঠুরে ছিলেন। খোঁয়াড়ের তারের বাইরে দাঁড়িয়ে এক মুহূর্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে তিনি দরজা খোলার নির্দেশ দিলেন। ভেতরে একদল বিমুগ্ধ মুরগির মাঝে তাকে হাড়-জিরজিরে অতিকায় একটি মুরগির মতোই মনে হচ্ছিল। তিনি এক কোণে শুয়ে রোদে সকালবেলার দর্শনার্থীদের ছুড়ে দেওয়া ফলের ছালবাকল ও অবশিষ্ট নাশতার মধ্যে তার ছড়ানো ডানা শুকাচ্ছিলেন।
ফাদার গনজাগা যখন মুরগির খোঁয়াড়ে ঢুকে ল্যাটিন ভাষায় তাকে সুপ্রভাত বললেন, পৃথিবীর প্রগল্ভতার কাছে সম্পূর্ণ অচেনা এই দেবদূত কোনোরকমে তার প্রাচীন চোখদুটো তুলে নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষায় কিছু একটা বিড়বিড় করে তার জবাব দিলেন।
পাদ্রির আওতাধীন উপাসকরা যখন দেখল এই প্রাণী ঐশ্বরিক ভাষা বোঝেন না কিংবা পাদ্রিকে কীভাবে সম্ভাষণ জানাতে হয় তাও জানেন না, তাকে প্রতারক মনে করল। পাদ্রি আরো কাছে গিয়ে দেখলেন তিনি তো মানুষের মতোই, তার শরীরে লেগে থাকা আবর্জনার অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ, তার পাখার পেছন দিকটাতে প্যারাসাইট গজিয়েছে আর মহাজাগতিক ঝড়ের দাপটে ডানা দুটো কাহিল হয়ে পড়েছে; এসব আঘাতের কারণে কোনো মাপেই তাকে গর্বিত দেবদূতের মতো মনে হচ্ছে না। পাদ্রি মুরগির খোঁয়াড় থেকে বেরিয়ে এসে উৎসাহী দর্শকদের নসিহত করলেন এবং তাদের মূঢ়তার জন্য সতর্ক করে দিলেন। তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দিলেন বিচিত্ররূপী শয়তান অসতর্ক মানুষকে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করে থাকে। বাজপাখি এবং উড়োজাহাজের পার্থক্য বুঝতে শুধু ডানা দেখাই যথেষ্ট নয়। আর দেবদূত শনাক্ত করার জন্য ডানা তেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তারপরও তিনি প্রতিশ্রুতি দিলেন বিষয়টি নিয়ে তিনি তার অধিকর্তাকে চিঠি লিখবেন, আর তিনি লিখবেন সুপ্রিম পনটিফের কাছে, সর্বোচ্চ আদালত থেকে এই অতিকায় ডানাওয়ালা বুড়ো সম্পর্কে রায় জানা যাবে।
পাদ্রির জ্ঞানগর্ভ নসিহত কৌতূহলী মানুষের বন্ধ্যা হৃদয় স্পর্শ করতে পারল না। দেবদূত ধরা পড়ার খবরটি এত দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ির উঠোন বাজারে পরিণত হয়ে বাড়িঘর ভেঙে পড়ার উপক্রম হলো। আর তাদের সামাল দিতে বন্দুকের ডগায় বেয়নেট লাগানো সৈন্যদের ডাকতে হলো। বাজারে পরিণত হওয়া আঙিনার ময়লা সাফ করতে গিয়ে এলিসেন্দার শিরদাঁড়া ভেঙে পড়ার অবস্থা। শেষ পর্যন্ত তার মাথায় বুদ্ধি এলো বরং উঠানের চারপাশে বেড়া দিয়ে আটকে দেবে, কেউ দেবদূতকে দেখতে চাইলে পাঁচ সেন্ট দিয়ে তবে ভেতরে যাবে।
বহুদূর থেকে মানুষ আসতে শুরু করল। ভ্রমণে বের হওয়া একটি কার্নিভাল এখানে এসে থামল। তাদের একজন উড়ন্ত বাজিকর কসরত দেখিয়ে দর্শক টানার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো। কারণ বাজিকরের ডানা দুটো দেবদূতের ডানার মতো নয়, বরং আকাশচারী বাদুড়ের মতো। সবচেয়ে হতভাগ্য পঙ্গু লোকজন সুস্বাস্থ্যের আশায় এখানে জড়ো হলো। সেই শৈশব থেকে হৃদ্যন্ত্রের ধুকপুক গুনতে থাকা এক বৃদ্ধার গোনার মতো সংখ্যা ফুরিয়ে গেছে, সেও এসেছে। পর্তুগিজ লোকটিকে আকাশের তারারা হইচই শব্দ করে বিরক্ত করছে, তারও সমাধান চাই। ঘুমন্ত অবস্থায় হেঁটে বেড়ানো একজন জেগে থাকা অবস্থায় সম্পন্ন করা তার সারাদিনের কাজ লন্ডভন্ড করে দেয়। যেনতেন রোগব্যাধি নিয়েও অনেকেই আসে। জাহাজডুবির পর বিশৃঙ্খল অবস্থা পৃথিবীতে কাঁপন তুলেছে; এত ক্লান্তির মধ্যেও পেলাইয়ো এবং এলিসেন্দা খুব খুশি – কারণ এক সপ্তাহেরও কম সময়ে তাদের ঘর টাকায় ভরে গেছে আর দেবতীর্থে ঢোকার জন্য অপেক্ষমাণ তীর্থযাত্রীর লাইন ততক্ষণে দিগন্তরেখায় গিয়ে ঠেকেছে।
এই কর্মযজ্ঞে একজনই কেবল নিজের ভূমিকায় অংশগ্রহণ করেননি। তিনি দেবদূত। তেলের বাতির নারকীয় উত্তাপ আর চারপাশে উৎসর্গের মোমের আলোতে বিভ্রান্ত দেবদূত অন্যের আশ্রয়ে যতটা সম্ভব নিজেকে সইয়ে নিচ্ছিলেন। তারা তাকে প্রথমে কর্পূর খাওয়াতে চেষ্টা করল, জ্ঞানী সেই বুড়ি জানিয়েছে দেবদূতদের জন্য খাবার হিসেবে এটাই নির্ধারিত। কিন্তু তিনি এ-খাবার প্রত্যাখ্যান করলেন। ঠিক একইভাবে তিনি প্রায়শ্চিত্তকারীদের আনা গির্জার মধ্যহ্নভোজ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কেউ অবশ্য জানতে পারেনি তিনি বার্ধক্যের কারণে, না দেবদূত হওয়ার কারণে এই খাবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তিনি বেগুনের ভর্তা ছাড়া আর কিছুই খেলেন না। এ পর্যন্ত একমাত্র ধৈর্য ছাড়া তার মধ্যে অন্য কোনো অতিপ্রাকৃতিক গুণের প্রকাশ ঘটেনি। বিশেষ করে প্রথম দিনগুলোতে যখন তাকে মুরগি ঠোকর, ডানায় ঢুকে পড়া নাক্ষত্রিক প্যারাসাইট খোঁজা, তার শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করার জন্য টেনে পালক তুলে ফেলা, তাকে শোয়া অবস্থা থেকে দাঁড় করানোর জন্য এমনকি অত্যন্ত সদয় হয়ে নিক্ষেপ করা পাথর – সবকিছুতে ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। কেবল একবারই তারা দেবদূতকে নাড়াতে সমর্থ হয় যখন তপ্ত লোহার শলাকা তার শরীরের একাংশে লাগিয়ে দেয় – তিনি এতটা স্থবির হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিশ্চুপ পড়ে ছিলেন যে সবাই ধরে নিয়েছে তিনি মারা গেছেন। তবে শরীরে ঝাঁকি দিয়ে তিনি জেগে ওঠেন, তার তপোবনের ভাষায় কথা বলেন এবং তার চোখে অশ্রুপাত শুরু হয়।
তিনি কয়েকবার তার ডানা ঝাপটান, আর তাতে মুরগির বিষ্ঠা, মহাকাশের ধুলো এবং আতঙ্কের যে ঘূর্ণিপাত হতে থাকে তা নিশ্চয়ই পার্থিব কিছু নয়। অনেকেই তখন মনে করেছে দেবদূতের এই প্রতিক্রিয়া ক্রোধের নয়, বরং যন্ত্রণার আর এরপর থেকে কেউ তাকে উত্ত্যক্ত করতে চেষ্টা করেনি – তাদের অধিকাংশই বুঝতে পেরেছে এই নিষ্ক্রিয়তা সবকিছু মেনে নেওয়ার কারণে নয়, বরং তা ঝঞ্ঝার পর নীরবতার মতো।
ফাদার গনজাগা যখন বন্দির প্রকৃতির সম্পর্কে সর্বোচ্চ মহলের চূড়ান্ত রায়ের প্রতীক্ষা করছেন, জনতার এই খেয়ালিভরা চাপল্যকে কাজের বুয়ার কৌতূহল বলে মেনে নিলেন। পাদ্রির কাছে রোম থেকে যে পত্রটি এসেছে তাতে মনে হলো না বিষয়টি কত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ তা তারা অনুধাবন করতে পেরেছেন। বন্দির নাভি আছে কি না, তার মুখের ভাষার সঙ্গে আরামায়িক ভাষার যোগাযোগ আছে কিনা, আলপিনের ডগার খোঁচা কবার সহ্য করতে পারেন, বন্দি আসলে ডানাওয়ালা নরওয়েজিয়ান কি না – এসব নিয়ে তারা সময় কাটিয়েছে। এসব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে চিঠি চালাচালি চলতেই থাকত যদি না একটি দৈব ঘটনা পাদ্রিদের এসব কীর্তিকলাপের ইতি টানত।
সেই দিনগুলোতে শহরের মেলার একটি বড় আকর্ষণ ছিল মেলায় আসা এক নারী, বাবা-মায়ের অবাধ্য হওয়ায় সে মাকড়সাতে পরিণত হয়। তাকে দেখার জন্য যে দর্শনী নির্ধারণ করা হয় তা দেবদূতের দর্শনীর চেয়ে কেবল কমই নয়, উৎসুক জনতা চাইলে তাকে নারীর এই অসম্ভব রূপান্তর সম্পর্কে যে-কোনো ধরনের প্রশ্ন করতে পারে, যাতে তার এই ভয়াবহ দশা দেখে মনে কোনো সন্দেহ না জাগে সেজন্য উলটেপালটে পরীক্ষা করে দেখতে পারে। ভেড়ার আকৃতির একটি মাকড়সা, মাথায় বসানো বিষণ্ণ এক নারীর মুখ। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়টি এই নারীর আকৃতি নয়, বরং তার মুখে এই হতভাগ্য জীবনের বর্ণনা। যখন বলতে গেলে তার শৈশবও কাটেনি অনুমতি না নিয়ে চুপিচুপি বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নাচের আসরে যোগ দিলো। সারারাত নাচানাচির পর যখন বনের মধ্য দিয়ে বাড়ি ফিরে আসছে, আকাশফাটা বজ্রপাত ঘটল আর সেই ফাটা অংশ দিয়ে বিদ্যুৎ ঝলকের সঙ্গে বেরিয়ে আসা গন্ধকের টুকরো গায়ে পড়ে সুন্দর সেই মেয়েটিকে মাকড়সাতে রূপান্তরিত করল। সদয় মানুষেরা তার মুখের দিকে যে মাংসের টুকরো ছিঁড়ে দেয়, তা-ই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তার কাহিনিতে যে করুণ মানবিক সত্য ও ভয়ংকর শিক্ষা তা উদ্ধত বন্দি দেবদূতকে পরাস্ত করতে বাধ্য, তিনি তো এমনকি দয়াবশত মর্তের মানুষের দিকে চোখ তুলে তাকান না। তাছাড়া যেসব অলৌকিক ঘটনা ঘটানোর কৃতিত্ব দেবদূতকে দেওয়া হয়েছিল তাতে কিছু মানসিক বিপর্যয়ও ঘটে। যেমন একজন অন্ধের বেলায় দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার বদলে তার তিনটি নতুন দাঁত গজায়; পক্ষাঘাতগ্রস্ত একজন হাঁটার শক্তি ফিরে পাওয়ার বদলে জিতে নেয় লটারি আর কুষ্ঠরোগীর ক্ষতস্থানে বেরিয়ে আসে সূর্যমুখী ফুল। এগুলো অলৌকিক ঘটনার সান্ত্বনার বদলে বরং মজাদার কৌতুক – যখন মাকড়সাতে রূপান্তরিত নারীর আগমন ঘটল দেবদূতের খ্যাতি ধূলিসাৎ হয়ে গেল, মাকড়সা-নারী তাকে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত করল। এভাবে ফাদার গনজাগা তার অনিদ্রারোগ থেকে একেবারে সেরে উঠলেন আর পেলাইয়োদের বাড়ির উঠান তিনদিনের টানা বৃষ্টি আর শোবার ঘরে কাঁকড়া হাঁটাহাঁটির সময় যেমন জনশূন্য ছিল, ঠিক সে-অবস্থায় ফিরে এলো।
বাড়ির মালিকদের হা-হুতাশ করার আর কোনো কারণ রইল না। যে-টাকা তারা জমিয়েছে তা দিয়ে ব্যালকনি ও বাগানসহ দোতলা প্রাসাদ বানিয়ে ফেলল, চারদিক নেট দিয়ে ঘিরে দিলো যেন শীতকালে বাড়িতে কাঁকড়া ঢুকতে না পারে। জানালায় বসানো হলো লোহার পাত, যেন তা ঠেলে দেবদূত ঢুকতে না পারে। শহরের কাছাকাছি একটি খরগোশের খামার স্থাপন করে পেয়াদার চাকরিটা চিরদিনের মতো ছেড়ে দিলো। আর এলিসেন্দা কিনল উঁচু হিল সাটিনের পাম্প শু, বিচিত্রবর্ণ সিল্কের বহু পোশাক – সেকালের সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত নারীরা রোববারে এসব পোশাকই পরত।
মুরগির খোঁয়াড়টার ওপর কারো নজর পড়েনি। তারা যে-ক্রেওলিন দিয়ে ভেতরটা ধুয়ে রাখত, চক্ষুজ্বলা ধূপ দিত, এর কোনোটাই দেবদূতের প্রতি সমীহের কারণে উপচার নয়, বরং গোবরস্তূপের দুর্গন্ধ সরাতে – যে-দুর্গন্ধ ভূতের মতো চারদিক লেপ্টে রেখেছে এবং নতুন বাড়িটাকে পুরনো বাড়িতে পরিণত করেছে। প্রথমে শিশুটি যখন হাঁটতে শিখল সবাই সতর্ক থাকল যেন সে মুরগির খোঁয়াড়ের কাছে না যায়। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভয় কাটতে লাগল, দুর্গন্ধ সহনশীল হয়ে উঠল, দু-নম্বর দাঁতটি উঠতেই শিশুটি খেলার জন্য খোঁয়াড়ে ঢুকতে শুরু করল। খোঁয়াড়ের তারগুলো খুলে খুলে পড়ছে। মর্তের অন্যদের বেলায় দেবদূত যেমন গুরুগম্ভীর ছিল, শিশুটির বেলাতেও এতটুকু ছাড় দেননি, তবে তিনি সব ধরনের যন্ত্রণা ও গঞ্জনা মোহমুক্ত কুকুরের মতো সহ্য করে চলেছেন। দুজনেরই একই সঙ্গে জলবসন্ত হলো। যে-ডাক্তার শিশুটির চিকিৎসা করলেন তিনি দেবদূতের হৃদ্স্পন্দন শোনার লোভ সংবরণ করতে পারলেন না। তিনি তার হৃৎপিন্ডের শোঁ-শোঁ শব্দ শুনলেন, কিডনিতেও বিচিত্র শব্দ; তিনি ধরে নিলেন দেবদূতের পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব। তাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করল দেবদূতের দেহে ডানা লাগানোর যুক্তি – অত্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতোই দেহসংলগ্ন; ডাক্তার বুঝতে পারেন না, তাহলে এরকম ডানা অন্য মানুষেরও নেই কেন।
শিশুটি ততদিনে স্কুলে যেতে শুরু করল; রোদে-বৃষ্টিতে মুরগির খোঁয়াড় ধসে গেল। পথেঘাটের মরণাপন্ন মানুষের মতো দেবদূত নিজের শরীর টেনে এখানে-ওখানে পড়ে রইলেন। ঝাঁটাপেটা করে তারা দেবদূতকে শোবার ঘর থেকে বের করতেই পরক্ষণে দেখা গেল তিনি রান্নাঘরে পড়ে আছেন। মনে হলো তিনি একই সঙ্গে কয়েক জায়গায় অবস্থান করছেন। তারা ভাবতে শুরু করল, তিনি নিজের মতো দেখতে হুবহু একজন দেবদূত সৃষ্টি করতে পারেন – এখন সারা বাড়িজুড়ে তার মতো একেকজন। ধৈর্যচ্যুত ও মুখে লাগামহীন এলিসেন্দা চেঁচিয়ে বলতে শুরু করল, দেবদূতে ভরা এই বাড়ি নরক হয়ে গেছে, এখানে বাস করা অসম্ভব।
দেবদূত খাবার মুখে তুলতে পারছেন না, তার প্রাচীন জোড়াচোখ এতই ঝাপসা হয়ে এসেছে যে তিনি খুঁটিতে খুঁটিতে ধাক্কা খাচ্ছেন। তার আর অবশিষ্ট রয়েছে ডানার কিছু পালক। পেলাইয়ো তার দিকে একটি কম্বল ছুড়ে দেয় এবং শেডের নিচে ঘুমোতে দেওয়ার মতো দয়ালু হয়ে ওঠে। তখনই তারা টের পায় দেবদূত জ্বরে আক্রান্ত। বৃদ্ধ নরওয়েজিয়ানে জিহবা জড়ানো শব্দে প্রলাপ বকছেন। আরো দু-একবারের মতো এবারো তারা আশঙ্কা করল, তিনি মারা যাচ্ছেন। এমনকি প্রতিবেশী জ্ঞানবৃদ্ধাও বলতে পারলেন না মৃত দেবদূতকে নিয়ে কী করতে হবে।
এদিকে দেবদূত কেবল সেই শীতে টিকেই রইলেন না, প্রথম কদিনের রৌদ্রালোকে তার শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতিও ঘটল। উঠানের সবচেয়ে দূরের এক কোণে তিনি কদিন অনড় পড়ে রইলেন, কেউ তাকে দেখতে আসেনি। ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে তার পাখায় কিছু শক্ত পালক গজাতে শুরু করল, কাকতাড়ুয়ার পাখার মতো। দেখে মনে হলো, জরাজীর্ণ আরেকটি মূর্তিমান দুর্ভাগ্য। কিন্তু এ পরিবর্তনের কারণ নিশ্চয়ই দেবদূতের জানা, কারণ তিনি খুব সতর্ক ছিলেন যেন এই পরিবর্তন অন্য কারো চোখে না পড়ে। তারাভরা আকাশের নিচে কখনো কখনো তিনি যে-সাগরসংগীত গেয়েছেন, তা যেন কেউ না শোনে। এক সকালে এলিসেন্দা দুপুরের খাবারের জন্য কয়েকগুচ্ছ পেঁয়াজ কাটছিল, তখন তার মনে হলো গভীর সমুদ্র থেকে একটি ঝোড়ো বাতাস এসে রান্নাঘরের ভেতর বইছে। তখন সে জানালার কাছে গিয়ে দেখল, দেবদূত ওড়ার প্রথম চেষ্টাটি করছেন। কিন্তু প্রচেষ্টাটি এতই অগোছালো যে, তার আঙুলের নখের খামচিতে সবজির বাগানে বলিরেখার দাগ পড়েছে, পাখার দুর্বল ঝাপটায় তার শেডটি ভেঙে পড়ার অবস্থা, তার ঝাপটা ফসকে যাচ্ছে, বাতাসে ভর করতে পারছেন না। তারপরও দেখা গেল দেবদূত বেশ খানিকটা ওপরে উঠে গেছেন। এলিসেন্দা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল – নিজের জন্য, স্বামীর জন্য; অসুস্থ শকুনের মতো ঝুঁকি নিয়ে কোনোভাবে ডানা ঝাপটে বাতাসে ভর দিয়ে যখন তিনি শেষ বাড়িঘরগুলোর ওপর দিয়ে উড়ে গেলেন, এলিসেন্দা তাকিয়ে রইল। পেঁয়াজকাটার মাঝখানে এলিসেন্দা তাকে উড়ে যেতে দেখছে যতক্ষণ তাকে দেখা যায় – কারণ দেবদূত আর কখনো তার জীবনে বিরক্তি সৃষ্টি করবে না, বরং দিগন্তবিস্তৃত সাগরের ওপর একটি কল্পবিন্দু হিসেবে রয়ে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
February
(308)
-
▼
Feb 21
(19)
- দ্য ডিপ্লোম্যাটের নিবন্ধ: শেখ হাসিনাকে কি ফেরত পাঠ...
- কে জিতবে : ট্রাম্প নাকি বার্তা সংস্থার সম্পাদকীয় ন...
- আমরা এখনো বৈষম্যমুক্ত হতে পারলাম না : মাসুদ সাঈদী
- ভারতে উৎপাদিত মাদকে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পশ্চিম আফ্রিকা...
- ১০০ বছরেরও বেশি সময় পর মিশরে আবিষ্কৃত হলো ফারাওয়...
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত, শ্রদ্ধা জানাতে আস...
- ফ্যাসিবাদের জ্বালা থেকে মুক্ত হতে পারিনি: শফিকুর র...
- ভেঙে যাচ্ছে হংকংয়ের প্রধান বিরোধী দল
- ‘এই বিপ্লবও কারও বাপের না’
- ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বৃটেন ও ইউরোপীয়ান নেতাদ...
- সাক্ষাৎকারে ভি এস নাইপল
- গল্প- অতিকায় ডানাওয়ালা এক বুড়ো by গ্যাব্রিয়েল গার্...
- গল্প- বুড়ি by হুমায়ূন আহমেদ
- মাটির তৈরি সব বহুতল ভবন টিকে আছে হাজার বছর
- ডিপ্লোম্যাটের রিপোর্ট: শেখ হাসিনাকে নিয়ে উভয় সংকটে...
- যৌথ বাহিনীর অভিযান: কী ঘটেছিল মোহাম্মদপুরে by সুদী...
- রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের জেরেই সর্বস্বান্ত হয়ে মৃত...
- নতুন দলের আত্মপ্রকাশ হতে পারে ২৬শে ফেব্রুয়ারি: সির...
- শতাধিক সন্তানের বাবা, নাম লিখে রাখেন খাতায়
-
▼
Feb 21
(19)
-
▼
February
(308)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment