Wednesday, March 7, 2018
৭ মার্চ মানেই পরিবর্তন? by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম
৭ মার্চ মানেই পরিবর্তন? by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম

চারটি কলাম একই সুতায় গাঁথা
সাম্প্রতিক বাংলাদেশের তথা আমাদের সমাজ, রাজনীতি ও মানুষকে নিয়ে আমার চিন্তার কিঞ্চিৎ বহিঃপ্রকাশ গত বুধবারের (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮) কলামে ছিল, আজ বুধবারের (৭ মার্চ ২০১৮) কলামে আছে এবং আগামী দুই বুধবারের কলামে (১৪ এবং ২১ মার্চ ২০১৮) থাকবে। স্বাধীনতার মাস মার্চ, ওই মার্চ মাস স্বাভাবিকভাবেই ডিমান্ড করে যে, আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করি। আমি সম্মানিত পাঠকদের অত্যন্ত বিনয়ের সাথে অনুরোধ করব, পরপর চার বুধবারের এই চারটি কলামকে ধারাবাহিকভাবে পড়তে। নির্দিষ্ট তারিখের বা বুধবারের পত্রিকা যদি হাতের কাছে না থাকে, তাহলে পাঠকের সামনে দুইটা অপশন বা রাস্তা খোলা আছে। একটি চয়েজ বা রাস্তা হলো নয়া দিগন্ত পত্রিকার ওয়েব সাইটে ঢুকে আর্কাইভসে যাওয়া এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট বুধবারের পৃষ্ঠায় ঢোকা, আমার লেখা কলামটি উদ্ধার করা, অতঃপর পাঠ করা। দ্বিতীয় চয়েজ বা রাস্তা হলো, আমার নিজস্ব ওয়েব সাইটে ঢুকে, মেনুতে যেখানে কলাম ও বার্তা লেখা আছে সেখানে ঢুকে কলামটি পড়া। ইংরেজি অক্ষরে আমার ওয়েব সাইটের শিরোনামটি এ রকমÑ ডাব্লিউডাব্লিউডাব্লিউ.জেনারেলইবরাহিম.কম.বিডি। মেহেরবানি করে লক্ষ করবেন যে, জেনারেল ও ইবরাহিম এই দুইটি শব্দ একসাথে লেখা। অর্থাৎ, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের তরুণ মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক ও ২০১৮ সালের রাজনৈতিক কর্মী তথা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান তথা ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে কিছু চিন্তা, কিছু ভাবনা, কিছু প্রস্তাবনা, কিছু আহ্বান, কিছু নিবেদন ও কিছু অনুরোধ এই পত্রিকার কলামের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের সাথে শেয়ার করার একটি বিনীত উদ্যোগ।
২৩ মার্চ ১৯৪০ পাকিস্তান প্রস্তাব
১৯৪০ সালের মার্চ মাসের ২৩ তারিখ, তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের অন্যতম মহানগরী লাহোরে তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল : অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে তৎকালীন বাংলার অবিসংবাদিত রাজনৈতিক নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন। ওই প্রস্তাব মোতাবেক তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির কথা বলা হয়েছিল। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হতো বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ ও বর্তমান বাংলাদেশ মিলিতভাবে ১৯৪০ সালে ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে যেমন ছিল, সেই বঙ্গপ্রদেশ নিয়ে। দ্বিতীয় স্বাধীন রাষ্ট্র হতো বর্তমানের পাকিস্তান নামক দেশটি। তৃতীয় স্বাধীন রাষ্ট্র হতো বাকি ভারতের অমুসলিম অংশটি নিয়ে। চতুর্থ বা পঞ্চম বা এ রূপ আরো স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির যৌক্তিকতা ও অবকাশ ওই প্রস্তাবে ছিল। ২৩ মার্চ ১৯৪০ তারিখে এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত উষ্ণভাবে ও জোরালোভাবে সমর্থিত হয়ে পাস হয়েছিল। এই প্রস্তাবটি ইতিহাসে পাকিস্তান প্রস্তাব নামে খ্যাত। আজকের (২০১৮) পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোর মহানগরীতে ‘মিনার-এ পাকিস্তান’ নামক একটি বিরাট স্মৃতিস্তম্ভ আছে ওই জায়গাতেই, পাকিস্তান প্রস্তাব পাস হওয়ার ঐতিহ্যস্বরূপ। এ পাকিস্তান প্রস্তাব বাস্তবায়ন হওয়ার পথে যখন ছিল, তখন তৎকালীন মুসলিম লীগের অভ্যন্তরে এবং তৎকালীন মুসলিম নেতৃত্বের অভ্যন্তরে ষড়যন্ত্র রচিত হয়। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ১৯৪৬ সালে তৎকালীন অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর উদ্যোগে, মুসলিম লীগের সভায়, পাকিস্তান প্রস্তাবটি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত পাকিস্তান প্রস্তাব মোতাবেক, তৎকালীন (অর্থাৎ ১৯৪৬ সালের) ব্রিটিশ-ভারতের পূর্ব অংশে অবস্থিত বঙ্গপ্রদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এবং তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের পশ্চিম অংশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশগুলো মিলে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে যার নাম পাকিস্তান। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়; যার পূর্ব অংশ ছিল পূর্ববঙ্গ বা পূর্ব পাকিস্তান। ২৩ বছরের মাথায় সেই পূর্ব পাকিস্তান, রক্তাক্ত যুদ্ধের মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়, স্বাধীন বাংলাদেশে।
১৯৭১-এর ৭ ও ১৯ মার্চ
স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলোর মধ্যে কয়েকটি এখানে উল্লেখ করে রাখছি। পয়লা মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রথম পদক্ষেপ নেন; তিনি নবনির্বাচিত সদস্যসংবলিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন; ১৯৭১ সালের মার্চের ৩ তারিখ ছিল সেই অধিবেশনের তারিখ। ২ মার্চ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে, তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রবের হাত দিয়ে, এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। ৩ মার্চ একই কলাভবনের সামনে তৎকালীন ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজের কণ্ঠ দিয়ে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়। ৭ মার্চ ছিল অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক ভাষণের দিন; তৎকালীন ঢাকা মহানগরের রমনা রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাখ লাখ মানুষের সামনে যে ভাষণ দিয়েছিলেন, সেই ভাষণটি এখন ইউনেস্কোর সময়োপযোগী সৌজন্যে বিশ্ব মেমোরির ও বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। ৭ মার্চের ভাষণ ছিল ওই মুহূর্তের প্রেক্ষাপটে বাঙালি জাতির জন্য দিকনির্দেশনা। সেই দিকনির্দেশনার প্রেক্ষাপটেই পরবর্তী দিনগুলো অতিবাহিত হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে। আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়নে, ওই দিন তথা ১৯৭১-এর ৭ মার্চ তারিখে প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকলেও, স্বাধীনতা ঘোষণার জন্য সব ধরনের উপাত্ত ও ইন্ধন উপস্থিত ছিল। ১৯ মার্চ ১৯৭১-এর কথা বলি। তখনকার আমলে জায়গাটি প্রসিদ্ধ ছিল জয়দেবপুর নামে; এটি ছিল একটি থানা সদর দপ্তর এবং ইতিহাসখ্যাত ভাওয়াল রাজাদের রাজধানী বা আবাস্থল। সেই আবাসস্থলের নাম ছিল জয়দেবপুর রাজবাড়ী। বর্তমানে সেখানে গাজীপুর জেলার সদর দফতর অবস্থিত। ওই ১৯ মার্চ তারিখে, ভাওয়াল রাজাদের রাজবাড়ীতে অবস্থানকারী দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কর্তৃক স্থানীয় বেসামরিক জনগণকে নিয়ে পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। তখন আমি ছিলাম ওই দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কনিষ্ঠতম অফিসার এবং বিদ্রোহীদের একজন।
২৫ ও ২৬ মার্চ : কালরাত্রি ও যুদ্ধ শুরু
২৫ মার্চের দিনের শেষে রাত্রি ছিল বাংলার ইতিহাসের কালরাত্রি, নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণের রাত। ২৫ মার্চ দিনের শেষে পাকিস্তানিদের হামলার মুখে সমগ্র দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ হয়েছিল; প্রথম বিদ্রোহটি ছিল চট্টগ্রামে তার মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক বিদ্রোহ হলো চট্টগ্রাম মহানগরের ষোলোশহরে অবস্থিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ওই রেজিমেন্ট কর্তৃক পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা। একই ২৬ মার্চ তারিখে, ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল-গাজীপুর থেকে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিদ্রোহ করে; কুমিল্লা-মৌলভীবাজার-ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিদ্রোহ করে। ২৬ মার্চ কাপ্তাই-চট্টগ্রাম-চুয়াডাঙ্গা ইত্যাদি এলাকা থেকে তৎকালীন ইপিআর-এর বাঙালিরা বিদ্রোহ করে। ২৬ মার্চ হলো মুক্তিযুদ্ধ শুরুর দিন তথা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিন। ২৭ মার্চ তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগরের অদূরে অবস্থিত কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা; তিনি প্রথমে নিজের নামে ঘোষণা করেন এবং কয়েক ঘণ্টা পরেই বঙ্গবন্ধুর নামে আবার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন; এ ঘোষণাটিই পৃথিবীর মানুষ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে শুনেছিল। তৎকালীন রংপুর জেলার সৈয়দপুর সেনানিবাসে তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক ছিলেন পাকিস্তানি লেফটেন্যান্ট কর্নেল, ফলে তারা বিদ্রোহ করার সময় প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তৎকালীন যশোর সেনানিবাসে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক একজন বাঙালি লেফটেন্যান্ট কর্নেল হলেও সিদ্ধান্তহীনতা বা যেকোনো কারণে তিনি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিতে পারেননি; ফলে দুই দিন বিলম্বে ২৯ মার্চ তারিখে তৎকালীন ক্যাপ্টেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে, এ ব্যাটালিয়ন বিদ্রোহ করে এবং পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে যুদ্ধ করতে করতেই ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব : রাজনৈতিক ও সামরিক
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস দুইটি পরিষ্কার স্বচ্ছ পর্বে বিভক্ত। প্রথম পর্ব হচ্ছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাত্রি থেকে নিয়ে পেছনের দিকে বা অতীতের দিকে পাঁচ বছর বা সাত বছর বা উনিশ বছর বা ২৩ বছর ধরে ব্যাপ্ত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস দ্বিতীয় পর্বের শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ থেকে এবং শেষ হচ্ছে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে। প্রথম পর্বের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলো, তৎকালীন রাজনৈতিক নেতারা। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, ব্যাপকভাবে জনসমর্থিত ভূমিকা পালনকারী রাজনৈতিক দল ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। দ্বিতীয় পর্বের নেতৃত্ব দুই ভাগে বিভক্ত। দ্বিতীয় পর্ব তথা ২৬ মার্চ ১৯৭১ পরবর্তী নেতৃত্বের একটা অংশ হলো রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং দ্বিতীয় অংশ হলো মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে সামরিক নেতৃত্ব। দ্বিতীয় পর্বের তথা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে পরবর্তী নয় মাস রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রদান করেছেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে মুজিবনগর বা কলকাতাকেন্দ্রিক প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার। দ্বিতীয় পর্বের তথা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে পরবর্তী ৯ মাস রণাঙ্গনের নেতৃত্ব প্রদান করেছেন, প্রধান সেনাপতি কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী এবং চেইন অব কমান্ড অনুসরণ করেন সেক্টর ও ফোর্স কমান্ডাররা, সাবসেক্টর কমান্ডাররা, ব্যাটালিয়ন কমান্ডাররা, কোম্পানি কমান্ডাররা, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রুপ কমান্ডাররা, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের জেলা কমান্ডাররা, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের থানা কমান্ডাররা ইত্যাদি।
মার্জিনালাইজেশন ও অবমূল্যায়ন প্রক্রিয়া
স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস কোনোমতেই ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে নয় বরং আরো বহু বছর আগে থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস শুরু; এই কথা এই কলামে ওপরেও লিখেছি, অতীতেও বহু কলামে বা আমার লেখা বইয়ে লিখেছি। আজ তার ব্যাখ্যায় যাবো না। যুদ্ধকালীন সময়েও, রণাঙ্গনে যেমন মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন, তেমনই মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকরাও রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের পেছনে সহায়কশক্তি ছিলেন। বিগত ৪৬ বছরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক পরিচয়ধারী ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল। কিন্তু রণাঙ্গনের যোদ্ধার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়নি। একটি দুঃখজনক অনুধাবন বা মূল্যায়ন উপস্থাপন করছি। ৪৬ বছরের ক্রমাগত ও অব্যাহত চেষ্টার ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাসটিকে গৌণ ও প্রান্তিকরণ (ইংরেজি পরিভাষায় মার্জিনালাইজড) করে ফেলা হয়েছে। এই প্রান্তিকরণ বা মার্জিনালাইজেশন প্রক্রিয়া ১৯৭২-এর শুরুতেই আরম্ভ হয়েছিল। পরবর্তী অনুচ্ছেদে যৎকিঞ্চিৎ ব্যাখ্যা আছে।
১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধু কোন পন্থা নিলেন এবং ফলশ্রুতি
সেই সময় বঙ্গবন্ধু সরকারের সামনে দুইটা রাজনৈতিক চয়েজ বা অপশন ছিল। একটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব দলের মানুষকে নিয়ে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করে বাংলাদেশ শাসন করা। আরেকটি চয়েজ ছিল যেহেতু আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে সেহেতু শুধু আওয়ামী লীগকে দিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ শাসন করা। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় অপশন তথা আওয়ামী লীগের পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেন। ফলে জাসদের জন্ম হয়; যদিও জাসদের জন্মের এটাই একমাত্র কারণ নয়। ১৯৭২ সালের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু সরকার আহ্বান জানিয়েছিলেন (বা ঘোষণা দিয়েছিলেন বা নির্দেশ দিয়েছিলেন) রণাঙ্গনের সব মুক্তিযোদ্ধা বা অন্য সব মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধের আগে তার যেই পেশা ছিল সে যেন ওই পেশাতেই ফিরে যায়। উদাহরণস্বরূপ মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার মৎস্যজীবীরা, মুক্তিযুদ্ধের আগের স্কুল শিক্ষকেরা, মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার মুদি দোকানদাররা, মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার কৃষক-শ্রমিক-ছাত্ররা সবাই নিজ নিজ পেশায় ফেরত গেলেন। মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার পুলিশরা পুলিশে ফেরত গেলেন, ইপিআর ইপিআরে (নতুন নামে বিডিআর) ফেরত গেলেন, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা সামরিক বাহিনীতে ফেরত গেলেন, সিএসপি বা ইপিসিএস বা পাকিস্তান আমলের অন্যান্য আমলা-ক্যাডারের কর্মকর্তা নতুন দেশ (বাংলাদেশের) ক্যাডারগুলোতে ফেরত গেলেন বা প্রশাসনে যুক্ত হলেন। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তথা বাংলাদেশের মাটিতে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছেন এমন মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে, যুদ্ধ পূর্বকালের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মী তুলনামূলকভাবে কমই ছিলেন; বেশির ভাগ রাজনৈতিক কর্মীই মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন অথবা বিএলএফের সদস্য ছিলেন। বিএলএফ মানে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স; যার জনপ্রিয় নাম ছিল মুজিব বাহিনী। ওই বাহিনীর সদস্যরা অবশ্যই ছাত্রলীগ-যুবলীগের পরীক্ষিত কর্মী ছিলেন। সেই বাহিনীটি ১৯৭১-এর প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। বিএলএফ নামক বাহিনীর জন্ম, গঠন, লালন-পালন, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সব কিছুই ছিল ভারত সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। ১৯৭১ সালে ওই বাহিনীর প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আপন ভাগিনা শেখ ফজলুল হক মনি। অতএব ১৯৭২ সালের শুরুতে, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সাড়া দিয়ে, সব মুক্তিযোদ্ধা সাবেক রাজনৈতিক কর্মী, তাদের সাবেক পেশা তথা রাজনীতিতেই ফেরত গেলেন। অতএব ১৯৭২ সালের শুরু থেকেই নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ শাসন করার জন্য পাওয়া গেল সাবেক রাজনৈতিক কর্মীদের এবং সাবেক আমলাদের যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। যেসব মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের শাসনপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারলেন, তারা ছিলেন বিএলএফ। তাদের সাথে যুক্ত হলেন কিছুসংখ্যক নব্যরাজনৈতিক কর্মী, যারা কোনো প্রকারেই মুক্তিযুদ্ধে সংশ্লিষ্ট হতে পারেননি এবং যুক্ত হলেন হাজার হাজার পূর্ব পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তারা যারা ৯ মাস যেকোনো কারণেই হোক যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। সারমর্ম : রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের শাসনপদ্ধতি বা প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারেননি; ১৯৭২-এর শুরু থেকেই তাদের স্টেডিয়ামের দর্শক গ্যালারির মতো অবস্থানে বসানো হলো। তাদের চোখের সামনেই হয় বাংলাদেশ উন্নতি করছিল অথবা বাংলাদেশ স্থবির হয়েছিল অথবা বাংলাদেশের অবনতি হচ্ছিল। সন্তান জন্ম দেয়ার পর সন্তানের ভালো-মন্দ এবং লালন-পালনে সন্তানের মা-বাবারা যতটুকু আবেগের চেতনায় ও দায়িত্বের চেতনায় সক্রিয় থাকেন, ততটুকু বেতনভুক নার্স বা ন্যানি বা নানী থাকতে পারেন না; এটাই স্বাভাবিক। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সেই আমলের বেদনা, সেই আমলের কোনো পর্যায়েই উপযুক্তভাবে মূল্যায়িত হয়নি। এই অবমূল্যায়নের খেসারত বাংলাদেশ অনেক দিয়েছে। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সের প্রবীণত্বে এসে একান্ত কামনা আর যেন খেসারত দিতে না হয়।
ইতিহাস আলোচনা কেন করলাম
রাম ও অযোধ্যা বাংলাদেশের সাহিত্যে ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে সুপরিচিত শব্দ ও নাম। ইতিহাসের বা অতীতের কোনো কিছুর সাথে বর্তমানের বিচ্যুতি বা পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে অনেক সময় বাংলা ভাষায় প্রচলিত প্রবাদ ব্যবহার করা হয়। যথা : সেই রামও নেই, সেই অযোধ্যাও নেই। রাম ও অযোধ্যার কাহিনী বা ইতিহাস হিন্দু ধর্মের অন্যতম পবিত্রগ্রন্থ (নাম : রামায়ণ)-এ আছে। ২০১৮ সালে এসে রামের মতো পিতৃভক্ত ও ভ্রাতৃপ্রিয় এবং প্রজাঅনুরাগী শাসক যেমন পাওয়া যাবে না, তেমনই অযোধ্যার মতো শান্তি ও স্থিতিশীল নগরীও পাওয়া যাবে না। এটা ১৯৭২ না, তখনকার রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা এর সংখ্যাও আর অত নেই, ওই আমলের মতো সচেতনতাও আর নেই। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে এত ইতিহাস কেন পুনরাবৃত্তি করলাম? পুনরাবৃত্তি করার উদ্দেশ্যÑ এই কলামের তরুণ পাঠকরা যেন বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্নপর্যায়ের, বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইতিহাস বা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট কিঞ্চিৎ হলেও অনুধাবন করতে পারেন। যেহেতু আজকের তরুণ পাঠকেরাই, তরুণ রাজনৈতিক কর্মীরাই, যেকোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের অনুঘটক হতে বাধ্য। যেই পুনরাবৃত্তি আমি করলাম, যেই বিচ্যুতিগুলোর কথা ওপরে তুলে ধরলাম, সেগুলো যদি অনুসরণ করি, ছাপার লাইনগুলোর মাঝখানে শূন্যস্থানের কথাগুলো যদি অনুমান করি, তাহলে, বর্তমান নিয়ে চিন্তা ও পরিষ্কার মূল্যায়ন করা সহজ হবে। সংক্ষিপ্ত কলামে কোনোমতেই পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা সম্ভব নয়। এই ধরনের কোনো একটি কলাম পড়ার পর : কেন কলামে এটা লিখিনি, কেন কলামে ওইটা লিখিনি, কেন কলামে এটা উল্লেখ করিনি এ ধরনের সমালোচনা অতি স্বাভাবিক মেনে নিয়েই আহ্বান জানাব যে, পাঠকের অনুসন্ধান মেটানোর জন্য অনেক বই আছে, সেগুলোর রেফারেন্স কেউ চাইলে আমিসহ অনেক প্রবীণই দিতেই পারব।
পরিবর্তনের চারটি ভিন্ন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে কোনোটি স্বাভাবিক ও সুখকর ও কোনোটি অস্বাভাবিক ও বেদনাদায়ক। বয়সের প্রবীণত্বে এসে একান্ত কামনা করি যেন অস্বাভাবিক ও বেদনাদায়ক পরিবর্তন, পরিহার করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের, বিশেষত অনুন্নত দেশের বা কোনো-না-কোনো সময় ইউরোপীয়ানদের কলোনি ছিল এমন দেশের, প্রশাসনে বা রাজনীতিতে পরিবর্তনগুলোকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বা রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা, অন্তত চারটি শিরোনামের অধীনে ক্যাটাগরাইজ বা পর্যায়ভুক্ত করেন। একটি ক্যাটাগরি হলো ব্যালটের মাধ্যমে তথা মানুষের স্বাভাবিক ভোট প্রদানের মাধ্যমে। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি হলো বুলেটের মাধ্যমে তথা ভায়োলেন্স-এর মাধ্যমে তথা রক্তারক্তির মাধ্যমে। তৃতীয় ক্যাটাগরি হলো ব্যালটও না বুলেটও না, গণদাবির মুখে তথা গণজাগরণের মুখে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। চতুর্থ ক্যাটাগরি হলো বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোর ভেতরে থেকেই দুর্বলতাগুলোকে সংস্কার করে, কাঠামোকে শক্তিশালী করে ব্যালট ও হস্তান্তরের যৌথ প্রক্রিয়ায়, যাকে আমরা বলতে পারি ‘সংস্কার’ ক্যাটাগরি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ইতিহাস থেকে, প্রত্যেকটি ক্যাটাগরির জন্যই উদাহরণ টেনে এনে আলোচনা করা যায়। বাংলাদেশের গত ৪৬ বছরের ইতিহাস থেকেও প্রত্যেকটি ক্যাটাগরির জন্যই উদাহরণ বা ঘটনার রেফারেন্স টেনে আনা যায়। আজকের পাঠক কলাম পড়ছেন ৭ মার্চ ২০১৮ সাল একটি ঐতিহাসিক তারিখে। আজকের তারিখে আমরা আমাদের কলামের আলোচনা এখানেই শেষ করছি। আগামী বুধবারের কলামে আমরা এই অনুচ্ছেদটি পুনরুক্তি বা রিপিট করব এবং সেখান থেকেই আগামী দিনের বাংলাদেশের আলোচনা শুরু করব ইনশা আল্লাহ।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
সাম্প্রতিক বাংলাদেশের তথা আমাদের সমাজ, রাজনীতি ও মানুষকে নিয়ে আমার চিন্তার কিঞ্চিৎ বহিঃপ্রকাশ গত বুধবারের (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮) কলামে ছিল, আজ বুধবারের (৭ মার্চ ২০১৮) কলামে আছে এবং আগামী দুই বুধবারের কলামে (১৪ এবং ২১ মার্চ ২০১৮) থাকবে। স্বাধীনতার মাস মার্চ, ওই মার্চ মাস স্বাভাবিকভাবেই ডিমান্ড করে যে, আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করি। আমি সম্মানিত পাঠকদের অত্যন্ত বিনয়ের সাথে অনুরোধ করব, পরপর চার বুধবারের এই চারটি কলামকে ধারাবাহিকভাবে পড়তে। নির্দিষ্ট তারিখের বা বুধবারের পত্রিকা যদি হাতের কাছে না থাকে, তাহলে পাঠকের সামনে দুইটা অপশন বা রাস্তা খোলা আছে। একটি চয়েজ বা রাস্তা হলো নয়া দিগন্ত পত্রিকার ওয়েব সাইটে ঢুকে আর্কাইভসে যাওয়া এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট বুধবারের পৃষ্ঠায় ঢোকা, আমার লেখা কলামটি উদ্ধার করা, অতঃপর পাঠ করা। দ্বিতীয় চয়েজ বা রাস্তা হলো, আমার নিজস্ব ওয়েব সাইটে ঢুকে, মেনুতে যেখানে কলাম ও বার্তা লেখা আছে সেখানে ঢুকে কলামটি পড়া। ইংরেজি অক্ষরে আমার ওয়েব সাইটের শিরোনামটি এ রকমÑ ডাব্লিউডাব্লিউডাব্লিউ.জেনারেলইবরাহিম.কম.বিডি। মেহেরবানি করে লক্ষ করবেন যে, জেনারেল ও ইবরাহিম এই দুইটি শব্দ একসাথে লেখা। অর্থাৎ, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের তরুণ মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক ও ২০১৮ সালের রাজনৈতিক কর্মী তথা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান তথা ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে কিছু চিন্তা, কিছু ভাবনা, কিছু প্রস্তাবনা, কিছু আহ্বান, কিছু নিবেদন ও কিছু অনুরোধ এই পত্রিকার কলামের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের সাথে শেয়ার করার একটি বিনীত উদ্যোগ।
২৩ মার্চ ১৯৪০ পাকিস্তান প্রস্তাব
১৯৪০ সালের মার্চ মাসের ২৩ তারিখ, তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের অন্যতম মহানগরী লাহোরে তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল : অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে তৎকালীন বাংলার অবিসংবাদিত রাজনৈতিক নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন। ওই প্রস্তাব মোতাবেক তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির কথা বলা হয়েছিল। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হতো বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ ও বর্তমান বাংলাদেশ মিলিতভাবে ১৯৪০ সালে ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে যেমন ছিল, সেই বঙ্গপ্রদেশ নিয়ে। দ্বিতীয় স্বাধীন রাষ্ট্র হতো বর্তমানের পাকিস্তান নামক দেশটি। তৃতীয় স্বাধীন রাষ্ট্র হতো বাকি ভারতের অমুসলিম অংশটি নিয়ে। চতুর্থ বা পঞ্চম বা এ রূপ আরো স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির যৌক্তিকতা ও অবকাশ ওই প্রস্তাবে ছিল। ২৩ মার্চ ১৯৪০ তারিখে এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত উষ্ণভাবে ও জোরালোভাবে সমর্থিত হয়ে পাস হয়েছিল। এই প্রস্তাবটি ইতিহাসে পাকিস্তান প্রস্তাব নামে খ্যাত। আজকের (২০১৮) পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোর মহানগরীতে ‘মিনার-এ পাকিস্তান’ নামক একটি বিরাট স্মৃতিস্তম্ভ আছে ওই জায়গাতেই, পাকিস্তান প্রস্তাব পাস হওয়ার ঐতিহ্যস্বরূপ। এ পাকিস্তান প্রস্তাব বাস্তবায়ন হওয়ার পথে যখন ছিল, তখন তৎকালীন মুসলিম লীগের অভ্যন্তরে এবং তৎকালীন মুসলিম নেতৃত্বের অভ্যন্তরে ষড়যন্ত্র রচিত হয়। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ১৯৪৬ সালে তৎকালীন অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর উদ্যোগে, মুসলিম লীগের সভায়, পাকিস্তান প্রস্তাবটি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত পাকিস্তান প্রস্তাব মোতাবেক, তৎকালীন (অর্থাৎ ১৯৪৬ সালের) ব্রিটিশ-ভারতের পূর্ব অংশে অবস্থিত বঙ্গপ্রদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এবং তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের পশ্চিম অংশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশগুলো মিলে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে যার নাম পাকিস্তান। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়; যার পূর্ব অংশ ছিল পূর্ববঙ্গ বা পূর্ব পাকিস্তান। ২৩ বছরের মাথায় সেই পূর্ব পাকিস্তান, রক্তাক্ত যুদ্ধের মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়, স্বাধীন বাংলাদেশে।
১৯৭১-এর ৭ ও ১৯ মার্চ
স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলোর মধ্যে কয়েকটি এখানে উল্লেখ করে রাখছি। পয়লা মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রথম পদক্ষেপ নেন; তিনি নবনির্বাচিত সদস্যসংবলিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন; ১৯৭১ সালের মার্চের ৩ তারিখ ছিল সেই অধিবেশনের তারিখ। ২ মার্চ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে, তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রবের হাত দিয়ে, এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। ৩ মার্চ একই কলাভবনের সামনে তৎকালীন ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজের কণ্ঠ দিয়ে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়। ৭ মার্চ ছিল অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক ভাষণের দিন; তৎকালীন ঢাকা মহানগরের রমনা রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাখ লাখ মানুষের সামনে যে ভাষণ দিয়েছিলেন, সেই ভাষণটি এখন ইউনেস্কোর সময়োপযোগী সৌজন্যে বিশ্ব মেমোরির ও বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। ৭ মার্চের ভাষণ ছিল ওই মুহূর্তের প্রেক্ষাপটে বাঙালি জাতির জন্য দিকনির্দেশনা। সেই দিকনির্দেশনার প্রেক্ষাপটেই পরবর্তী দিনগুলো অতিবাহিত হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে। আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়নে, ওই দিন তথা ১৯৭১-এর ৭ মার্চ তারিখে প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকলেও, স্বাধীনতা ঘোষণার জন্য সব ধরনের উপাত্ত ও ইন্ধন উপস্থিত ছিল। ১৯ মার্চ ১৯৭১-এর কথা বলি। তখনকার আমলে জায়গাটি প্রসিদ্ধ ছিল জয়দেবপুর নামে; এটি ছিল একটি থানা সদর দপ্তর এবং ইতিহাসখ্যাত ভাওয়াল রাজাদের রাজধানী বা আবাস্থল। সেই আবাসস্থলের নাম ছিল জয়দেবপুর রাজবাড়ী। বর্তমানে সেখানে গাজীপুর জেলার সদর দফতর অবস্থিত। ওই ১৯ মার্চ তারিখে, ভাওয়াল রাজাদের রাজবাড়ীতে অবস্থানকারী দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কর্তৃক স্থানীয় বেসামরিক জনগণকে নিয়ে পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। তখন আমি ছিলাম ওই দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কনিষ্ঠতম অফিসার এবং বিদ্রোহীদের একজন।
২৫ ও ২৬ মার্চ : কালরাত্রি ও যুদ্ধ শুরু
২৫ মার্চের দিনের শেষে রাত্রি ছিল বাংলার ইতিহাসের কালরাত্রি, নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণের রাত। ২৫ মার্চ দিনের শেষে পাকিস্তানিদের হামলার মুখে সমগ্র দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ হয়েছিল; প্রথম বিদ্রোহটি ছিল চট্টগ্রামে তার মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক বিদ্রোহ হলো চট্টগ্রাম মহানগরের ষোলোশহরে অবস্থিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ওই রেজিমেন্ট কর্তৃক পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা। একই ২৬ মার্চ তারিখে, ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল-গাজীপুর থেকে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিদ্রোহ করে; কুমিল্লা-মৌলভীবাজার-ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিদ্রোহ করে। ২৬ মার্চ কাপ্তাই-চট্টগ্রাম-চুয়াডাঙ্গা ইত্যাদি এলাকা থেকে তৎকালীন ইপিআর-এর বাঙালিরা বিদ্রোহ করে। ২৬ মার্চ হলো মুক্তিযুদ্ধ শুরুর দিন তথা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিন। ২৭ মার্চ তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগরের অদূরে অবস্থিত কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা; তিনি প্রথমে নিজের নামে ঘোষণা করেন এবং কয়েক ঘণ্টা পরেই বঙ্গবন্ধুর নামে আবার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন; এ ঘোষণাটিই পৃথিবীর মানুষ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে শুনেছিল। তৎকালীন রংপুর জেলার সৈয়দপুর সেনানিবাসে তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক ছিলেন পাকিস্তানি লেফটেন্যান্ট কর্নেল, ফলে তারা বিদ্রোহ করার সময় প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তৎকালীন যশোর সেনানিবাসে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক একজন বাঙালি লেফটেন্যান্ট কর্নেল হলেও সিদ্ধান্তহীনতা বা যেকোনো কারণে তিনি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিতে পারেননি; ফলে দুই দিন বিলম্বে ২৯ মার্চ তারিখে তৎকালীন ক্যাপ্টেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে, এ ব্যাটালিয়ন বিদ্রোহ করে এবং পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে যুদ্ধ করতে করতেই ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব : রাজনৈতিক ও সামরিক
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস দুইটি পরিষ্কার স্বচ্ছ পর্বে বিভক্ত। প্রথম পর্ব হচ্ছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাত্রি থেকে নিয়ে পেছনের দিকে বা অতীতের দিকে পাঁচ বছর বা সাত বছর বা উনিশ বছর বা ২৩ বছর ধরে ব্যাপ্ত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস দ্বিতীয় পর্বের শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ থেকে এবং শেষ হচ্ছে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে। প্রথম পর্বের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলো, তৎকালীন রাজনৈতিক নেতারা। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, ব্যাপকভাবে জনসমর্থিত ভূমিকা পালনকারী রাজনৈতিক দল ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। দ্বিতীয় পর্বের নেতৃত্ব দুই ভাগে বিভক্ত। দ্বিতীয় পর্ব তথা ২৬ মার্চ ১৯৭১ পরবর্তী নেতৃত্বের একটা অংশ হলো রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং দ্বিতীয় অংশ হলো মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে সামরিক নেতৃত্ব। দ্বিতীয় পর্বের তথা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে পরবর্তী নয় মাস রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রদান করেছেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে মুজিবনগর বা কলকাতাকেন্দ্রিক প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার। দ্বিতীয় পর্বের তথা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে পরবর্তী ৯ মাস রণাঙ্গনের নেতৃত্ব প্রদান করেছেন, প্রধান সেনাপতি কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী এবং চেইন অব কমান্ড অনুসরণ করেন সেক্টর ও ফোর্স কমান্ডাররা, সাবসেক্টর কমান্ডাররা, ব্যাটালিয়ন কমান্ডাররা, কোম্পানি কমান্ডাররা, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রুপ কমান্ডাররা, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের জেলা কমান্ডাররা, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের থানা কমান্ডাররা ইত্যাদি।
মার্জিনালাইজেশন ও অবমূল্যায়ন প্রক্রিয়া
স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস কোনোমতেই ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে নয় বরং আরো বহু বছর আগে থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস শুরু; এই কথা এই কলামে ওপরেও লিখেছি, অতীতেও বহু কলামে বা আমার লেখা বইয়ে লিখেছি। আজ তার ব্যাখ্যায় যাবো না। যুদ্ধকালীন সময়েও, রণাঙ্গনে যেমন মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন, তেমনই মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকরাও রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের পেছনে সহায়কশক্তি ছিলেন। বিগত ৪৬ বছরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক পরিচয়ধারী ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল। কিন্তু রণাঙ্গনের যোদ্ধার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়নি। একটি দুঃখজনক অনুধাবন বা মূল্যায়ন উপস্থাপন করছি। ৪৬ বছরের ক্রমাগত ও অব্যাহত চেষ্টার ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাসটিকে গৌণ ও প্রান্তিকরণ (ইংরেজি পরিভাষায় মার্জিনালাইজড) করে ফেলা হয়েছে। এই প্রান্তিকরণ বা মার্জিনালাইজেশন প্রক্রিয়া ১৯৭২-এর শুরুতেই আরম্ভ হয়েছিল। পরবর্তী অনুচ্ছেদে যৎকিঞ্চিৎ ব্যাখ্যা আছে।
১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধু কোন পন্থা নিলেন এবং ফলশ্রুতি
সেই সময় বঙ্গবন্ধু সরকারের সামনে দুইটা রাজনৈতিক চয়েজ বা অপশন ছিল। একটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব দলের মানুষকে নিয়ে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করে বাংলাদেশ শাসন করা। আরেকটি চয়েজ ছিল যেহেতু আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে সেহেতু শুধু আওয়ামী লীগকে দিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ শাসন করা। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় অপশন তথা আওয়ামী লীগের পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেন। ফলে জাসদের জন্ম হয়; যদিও জাসদের জন্মের এটাই একমাত্র কারণ নয়। ১৯৭২ সালের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু সরকার আহ্বান জানিয়েছিলেন (বা ঘোষণা দিয়েছিলেন বা নির্দেশ দিয়েছিলেন) রণাঙ্গনের সব মুক্তিযোদ্ধা বা অন্য সব মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধের আগে তার যেই পেশা ছিল সে যেন ওই পেশাতেই ফিরে যায়। উদাহরণস্বরূপ মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার মৎস্যজীবীরা, মুক্তিযুদ্ধের আগের স্কুল শিক্ষকেরা, মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার মুদি দোকানদাররা, মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার কৃষক-শ্রমিক-ছাত্ররা সবাই নিজ নিজ পেশায় ফেরত গেলেন। মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার পুলিশরা পুলিশে ফেরত গেলেন, ইপিআর ইপিআরে (নতুন নামে বিডিআর) ফেরত গেলেন, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা সামরিক বাহিনীতে ফেরত গেলেন, সিএসপি বা ইপিসিএস বা পাকিস্তান আমলের অন্যান্য আমলা-ক্যাডারের কর্মকর্তা নতুন দেশ (বাংলাদেশের) ক্যাডারগুলোতে ফেরত গেলেন বা প্রশাসনে যুক্ত হলেন। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তথা বাংলাদেশের মাটিতে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছেন এমন মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে, যুদ্ধ পূর্বকালের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মী তুলনামূলকভাবে কমই ছিলেন; বেশির ভাগ রাজনৈতিক কর্মীই মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন অথবা বিএলএফের সদস্য ছিলেন। বিএলএফ মানে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স; যার জনপ্রিয় নাম ছিল মুজিব বাহিনী। ওই বাহিনীর সদস্যরা অবশ্যই ছাত্রলীগ-যুবলীগের পরীক্ষিত কর্মী ছিলেন। সেই বাহিনীটি ১৯৭১-এর প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। বিএলএফ নামক বাহিনীর জন্ম, গঠন, লালন-পালন, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সব কিছুই ছিল ভারত সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। ১৯৭১ সালে ওই বাহিনীর প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আপন ভাগিনা শেখ ফজলুল হক মনি। অতএব ১৯৭২ সালের শুরুতে, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সাড়া দিয়ে, সব মুক্তিযোদ্ধা সাবেক রাজনৈতিক কর্মী, তাদের সাবেক পেশা তথা রাজনীতিতেই ফেরত গেলেন। অতএব ১৯৭২ সালের শুরু থেকেই নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ শাসন করার জন্য পাওয়া গেল সাবেক রাজনৈতিক কর্মীদের এবং সাবেক আমলাদের যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। যেসব মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের শাসনপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারলেন, তারা ছিলেন বিএলএফ। তাদের সাথে যুক্ত হলেন কিছুসংখ্যক নব্যরাজনৈতিক কর্মী, যারা কোনো প্রকারেই মুক্তিযুদ্ধে সংশ্লিষ্ট হতে পারেননি এবং যুক্ত হলেন হাজার হাজার পূর্ব পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তারা যারা ৯ মাস যেকোনো কারণেই হোক যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। সারমর্ম : রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের শাসনপদ্ধতি বা প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারেননি; ১৯৭২-এর শুরু থেকেই তাদের স্টেডিয়ামের দর্শক গ্যালারির মতো অবস্থানে বসানো হলো। তাদের চোখের সামনেই হয় বাংলাদেশ উন্নতি করছিল অথবা বাংলাদেশ স্থবির হয়েছিল অথবা বাংলাদেশের অবনতি হচ্ছিল। সন্তান জন্ম দেয়ার পর সন্তানের ভালো-মন্দ এবং লালন-পালনে সন্তানের মা-বাবারা যতটুকু আবেগের চেতনায় ও দায়িত্বের চেতনায় সক্রিয় থাকেন, ততটুকু বেতনভুক নার্স বা ন্যানি বা নানী থাকতে পারেন না; এটাই স্বাভাবিক। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সেই আমলের বেদনা, সেই আমলের কোনো পর্যায়েই উপযুক্তভাবে মূল্যায়িত হয়নি। এই অবমূল্যায়নের খেসারত বাংলাদেশ অনেক দিয়েছে। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সের প্রবীণত্বে এসে একান্ত কামনা আর যেন খেসারত দিতে না হয়।
ইতিহাস আলোচনা কেন করলাম
রাম ও অযোধ্যা বাংলাদেশের সাহিত্যে ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে সুপরিচিত শব্দ ও নাম। ইতিহাসের বা অতীতের কোনো কিছুর সাথে বর্তমানের বিচ্যুতি বা পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে অনেক সময় বাংলা ভাষায় প্রচলিত প্রবাদ ব্যবহার করা হয়। যথা : সেই রামও নেই, সেই অযোধ্যাও নেই। রাম ও অযোধ্যার কাহিনী বা ইতিহাস হিন্দু ধর্মের অন্যতম পবিত্রগ্রন্থ (নাম : রামায়ণ)-এ আছে। ২০১৮ সালে এসে রামের মতো পিতৃভক্ত ও ভ্রাতৃপ্রিয় এবং প্রজাঅনুরাগী শাসক যেমন পাওয়া যাবে না, তেমনই অযোধ্যার মতো শান্তি ও স্থিতিশীল নগরীও পাওয়া যাবে না। এটা ১৯৭২ না, তখনকার রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা এর সংখ্যাও আর অত নেই, ওই আমলের মতো সচেতনতাও আর নেই। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে এত ইতিহাস কেন পুনরাবৃত্তি করলাম? পুনরাবৃত্তি করার উদ্দেশ্যÑ এই কলামের তরুণ পাঠকরা যেন বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্নপর্যায়ের, বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইতিহাস বা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট কিঞ্চিৎ হলেও অনুধাবন করতে পারেন। যেহেতু আজকের তরুণ পাঠকেরাই, তরুণ রাজনৈতিক কর্মীরাই, যেকোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের অনুঘটক হতে বাধ্য। যেই পুনরাবৃত্তি আমি করলাম, যেই বিচ্যুতিগুলোর কথা ওপরে তুলে ধরলাম, সেগুলো যদি অনুসরণ করি, ছাপার লাইনগুলোর মাঝখানে শূন্যস্থানের কথাগুলো যদি অনুমান করি, তাহলে, বর্তমান নিয়ে চিন্তা ও পরিষ্কার মূল্যায়ন করা সহজ হবে। সংক্ষিপ্ত কলামে কোনোমতেই পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা সম্ভব নয়। এই ধরনের কোনো একটি কলাম পড়ার পর : কেন কলামে এটা লিখিনি, কেন কলামে ওইটা লিখিনি, কেন কলামে এটা উল্লেখ করিনি এ ধরনের সমালোচনা অতি স্বাভাবিক মেনে নিয়েই আহ্বান জানাব যে, পাঠকের অনুসন্ধান মেটানোর জন্য অনেক বই আছে, সেগুলোর রেফারেন্স কেউ চাইলে আমিসহ অনেক প্রবীণই দিতেই পারব।
পরিবর্তনের চারটি ভিন্ন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে কোনোটি স্বাভাবিক ও সুখকর ও কোনোটি অস্বাভাবিক ও বেদনাদায়ক। বয়সের প্রবীণত্বে এসে একান্ত কামনা করি যেন অস্বাভাবিক ও বেদনাদায়ক পরিবর্তন, পরিহার করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের, বিশেষত অনুন্নত দেশের বা কোনো-না-কোনো সময় ইউরোপীয়ানদের কলোনি ছিল এমন দেশের, প্রশাসনে বা রাজনীতিতে পরিবর্তনগুলোকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বা রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা, অন্তত চারটি শিরোনামের অধীনে ক্যাটাগরাইজ বা পর্যায়ভুক্ত করেন। একটি ক্যাটাগরি হলো ব্যালটের মাধ্যমে তথা মানুষের স্বাভাবিক ভোট প্রদানের মাধ্যমে। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি হলো বুলেটের মাধ্যমে তথা ভায়োলেন্স-এর মাধ্যমে তথা রক্তারক্তির মাধ্যমে। তৃতীয় ক্যাটাগরি হলো ব্যালটও না বুলেটও না, গণদাবির মুখে তথা গণজাগরণের মুখে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। চতুর্থ ক্যাটাগরি হলো বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোর ভেতরে থেকেই দুর্বলতাগুলোকে সংস্কার করে, কাঠামোকে শক্তিশালী করে ব্যালট ও হস্তান্তরের যৌথ প্রক্রিয়ায়, যাকে আমরা বলতে পারি ‘সংস্কার’ ক্যাটাগরি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ইতিহাস থেকে, প্রত্যেকটি ক্যাটাগরির জন্যই উদাহরণ টেনে এনে আলোচনা করা যায়। বাংলাদেশের গত ৪৬ বছরের ইতিহাস থেকেও প্রত্যেকটি ক্যাটাগরির জন্যই উদাহরণ বা ঘটনার রেফারেন্স টেনে আনা যায়। আজকের পাঠক কলাম পড়ছেন ৭ মার্চ ২০১৮ সাল একটি ঐতিহাসিক তারিখে। আজকের তারিখে আমরা আমাদের কলামের আলোচনা এখানেই শেষ করছি। আগামী বুধবারের কলামে আমরা এই অনুচ্ছেদটি পুনরুক্তি বা রিপিট করব এবং সেখান থেকেই আগামী দিনের বাংলাদেশের আলোচনা শুরু করব ইনশা আল্লাহ।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1356)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 07
(92)
- পপুলিজম কী? by মাহমুদ ফেরদৌস
- অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে পাওয়া গেছে বিশ্বের সবচেয়ে পু...
- মালয়েশিয়ায় যেভাবে কোটিপতি বাংলাদেশী এক নির্মাণ শ্রমিক
- ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল সামরিক জান্তার মৃত্যু পরোয়ানা ...
- কালোত্তীর্ণ ভাষণ by অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান
- ত্রিপুরায় বিজেপির জয়জয়কার by বদরুদ্দীন উমর
- শ্রীলঙ্কায় পুলিশ ও দাঙ্গাকারীদের সংঘর্ষ
- রুশ সংশ্লিষ্টতা পেলে কড়া জবাব দেবে যুক্তরাজ্য
- ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে ‘চরম উদ্বিগ্ন’ রিপাবলিকানরা
- ফ্লোরিডায় অস্ত্র আইন সংশোধন
- সাগরতলে মিলল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণতরি
- মোদির নামে ‘শ্রী’ যোগ না করায়...
- রোজার জন্য আগাম পণ্য আমদানি
- উপসচিবেরা পাবেন সুদবিহীন গাড়ির ঋণ
- মহাসড়কে প্রাণঘাতী চাঁদাবাজি
- পেশাজীবী সংগঠনে ভোট উধাও
- এ ভাষণটি যেভাবে সারা বিশ্বের হলো by মফিদুল হক
- বিপ্লবের কাছে সহবত শিখুন by গওহার নঈম ওয়ারা
- কোটাব্যবস্থায় সংস্কার জরুরি by মো. তৌহিদ হোসেন
- কবিতার মতো অপরূপ ভাষণ by আনিসুল হক
- সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ গ্রহণ
- ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সফর
- ৭ মার্চের সংবাদ পরিবেশক by এমদাদ হোসেন ভূঁইয়া
- মরলেও শূন্যরেখা ছাড়তে চান না রোহিঙ্গারা
- ত্রিপুরায় সরকার-বিরোধী দলের সহিংসতায় অচল আখাউড়া স্...
- পর্নো আসক্ত ছেলের হাত কাটায় বাবা গ্রেফতার
- বাঙালির ম্যাগনাকার্টা যেভাবে মিলল বিশ্ব স্বীকৃতি b...
- মূল্যায়ন সূচকে পেছাল বাংলাদেশি পাসপোর্ট
- গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার ৯৪ শতাংশ নারী
- চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথি ৬টি জেব্রা
- মহাকাশে নিজেদের সবচেয়ে বড় উপগ্রহটি পাঠালো স্পেসএক্স
- অ্যান্টার্কটিকায় এলিয়েন!
- পূর্ব ঘৌটায় ওষুধ সরবরাহে বাধা
- টার্গেট দিল্লির লালকেল্লা
- ভারত-চীন টানাপোড়েন, দিল্লিতে হচ্ছে না দালাইলামার অ...
- গুরুতর অসুস্থ স্ক্রিপাল, রাশিয়াকে হুশিয়ারি ব্রিটিশ...
- পূর্ব ঘৌতার মানবিক বিপর্যয় নিয়ে পুতিন-এরদোগান ফোনালাপ
- গরমে সানস্ক্রিনের ব্যবহার
- ফেসবুক হ্যাক হলে ফোনে পাবেন পুলিশের সহায়তা
- টমেটো নুড্লস স্যুপ
- সুস্থ ত্বক ও সুন্দর হাত-পা
- ত্রিভুজ প্রেমের বলি কলেজছাত্র রনক
- কাতারে অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িত ছিল তিন আরব দেশ
- যমুনার চরাঞ্চলে বেড়েই চলছে শিশুশ্রম
- মানুষ নাকি নরপিশাচ!
- ‘ফিলিস্তিনের ওপর ইসরাইলি দখলদারিত্ব বেশিদিন স্থায়ী...
- সৌদি যুবরাজ সালমানের ব্রিটেন সফর কেন এতো গুরুত্বপূ...
- বার্তা পৌঁছাল ১৩২ বছর পর!
- গাজীপুরের বনাঞ্চলে অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য by ইকবাল ...
- 'নার্ভ গ্যাসে সৎভাইকে হত্যা করেছে উত্তর কোরিয়া'
- শেষ হলো আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিনামূল্যে প্রস্টেট ...
- এবার ট্রাম্পের আরো এক উপদেষ্টার পদত্যাগ
- সিরিয়ায় আরো ত্রাণ প্রবেশের সুযোগের আহ্বান জাতিসঙ্ঘ...
- বেফাঁস মন্তব্যে ফেঁসে গেলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী by জ...
- বিমানে পর্নো ছবি দেখল বাংলাদেশী ছাত্র, অতঃপর...
- বাবা ছেলের আলাদা পথ by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- শিকলে বেঁধে দুই গৃহকর্মীকে বর্বর নির্যাতন
- খাওয়ার স্যালাইনের আবিষ্কারক ডা. রফিকুলের ইন্তেকাল
- পর্নো তারকার সঙ্গে ট্রাম্পের যৌন সম্পর্ক এবং...
- শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
- পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রম বন্ধে রাজি উত্তর কোরিয়া
- ৭ মার্চ মানেই পরিবর্তন? by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম
- কুয়েতে শুধু ‘খাদেম ভিসা’ বন্ধ, অন্যগুলো স্বাভাবিক ...
- ব্যাক ক্যালকুলেশন by গৌতম দাস
- চট্টগ্রামে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলিয়ে ছাত্রদল কর্মী খুন
- ‘মারি অরি পারি যে কৌশলে’ by সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা
- ইস্টার্ন ঘৌটায় এক দিনে নিহত ৭০ বাধাগ্রস্ত ত্রাণ কা...
- সংসদ ভেঙ্গে অবিলম্বে সুষ্ঠু নির্বাচন দিন : মির্জা ...
- মুসলিমদের উপর হামলার পর শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা
- সিলেটে সংঘর্ষ, গুলিতে যুব ও শ্রমিক লীগের দুই নেতা ...
- ভিয়েতনাম রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ
- মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে আইন শেখাবে অস্ট্রেলিয়া!
- উত্ত্যক্ত করায় কয়েকজন পুরুষকে পিটিয়েছেন সৌদি নারী
- নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে দুই কোরিয়া
- গুম-ধর্ষণে নরক যন্ত্রণায় সিরিয়াবাসী
- ট্যুরিস্ট গাইড সৌদি নারী
- পেঙ্গুইন কলোনি!
- আড়াই কোটি বাল্যবিয়ে ঠেকানো গেছে
- মুসলিমদের ওপর হামলার পর শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি
- পরমাণু শক্তিতে আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবে চীন
- রাখাইনের প্রবেশাধিকার চায় ইউএনএইচসিআর
- সিরিয়ায় রাশিয়ান বিমান বিধ্বস্ত : নিহত ৩২
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জনগণের সঙ্গে, দলের সঙ্গে নয়
- যশোরে এক দারোগার কাছ থেকে ঘুষ নিলেন আরেক দারোগা
- হাটহাজারী মাদরাসায় পুড়লো শত শত মোবাইল
- হাসপাতালেই রাখা হলো ফয়জুরকে ট্রাইব্যুনালে বিচার দা...
- ‘প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়া উচিত’
- টিলারসনকে সরাতে আরব আমিরাতের লবিং
- গণপরিবহনে ৯৪ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার -ব্র্যাক...
- খাওয়ার স্যালাইনের অন্যতম আবিষ্কারক ডা. রফিকুল ইসলা...
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ
- বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহি...
-
▼
Mar 07
(92)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
Exclusive
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment