Tuesday, February 18, 2025
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়দের সম্পর্কে নয়টি অবাক করা তথ্য
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়দের সম্পর্কে নয়টি অবাক করা তথ্য
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কতজন অবৈধ ভারতীয় আছেন?
অননুমোদিত অভিবাসীরা মার্কিন জনসংখ্যার ৩% এবং বিদেশে জন্মগ্রহণকারী জনসংখ্যার ২২%। তবে তাদের মধ্যে অননুমোদিত ভারতীয়দের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, বিভিন্ন গণনা পদ্ধতির কারণে এই পরিসংখ্যান পরিবর্তিত হয়। পিউ রিসার্চ সেন্টার এবং সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ অফ নিউ ইয়র্ক (সিএমএস) ২০২২ সালের হিসাবে অবৈধ ভারতীয়র সংখ্যা প্রায় ৭০০,০০০। যা তাদেরকে মেক্সিকো এবং এল সালভাদরের পরে তৃতীয় বৃহত্তম গোষ্ঠীতে পরিণত করেছে। বিপরীতে, মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউট (এমপিআই) এই সংখ্যাটি ৩,৭৫,০০০ বলেছে, তাদের তালিকায় ভারতের স্থান পঞ্চম। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) সরকারী তথ্য আরও একটি চিত্র তুলে ধরে। ২০২২ সালে আমেরিকায় অননুমোদিত ভারতীয়র সংখ্যা ২,২০,০০০ । গবেষণা অনুসারে, অনুমানের বিশাল পার্থক্যগুলি অননুমোদিত ভারতীয় জনসংখ্যার প্রকৃত আকার সম্পর্কে অনিশ্চয়তাকে তুলে ধরে।
তবুও অননুমোদিত অভিবাসীরা সংখ্যা আগের থেকে কমেছে যদি পিউ এবং সিএমএসের অনুমান সঠিক হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি চারজন ভারতীয় অভিবাসীর মধ্যে প্রায় একজন অনথিভুক্ত। ভারতীয় অভিবাসীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বর্ধনশীল গোষ্ঠীগুলির মধ্যে একটি। ১৯৯০ সালে ৬০০,০০০ থেকে ২০২২ সালে তা ৩.২ মিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। ডিএইচএস ২০২২ সালে অনুমান করেছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনথিভুক্ত ভারতীয় জনসংখ্যা ২০১৬ সালের সর্বোচ্চ থেকে ৬০% কমেছে। এটি ৫,৬০,০০০ থেকে কমে ২,২০,০০০ হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অবৈধ ভারতীয়দের সংখ্যা এত দ্রুত কীভাবে কমে গেল? কাপুর বলেন যে তথ্যগুলি এর স্পষ্ট উত্তর দেয় না। তবে যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা হতে পারে যে কেউ কেউ সেদেশে আইনি মর্যাদা পেয়েছেন এবং অন্যরা ফিরে এসেছেন, বিশেষ করে কোভিড-সম্পর্কিত সমস্যার কারণে। তবে, এই অনুমানটি ২০২৩ সালে মার্কিন সীমান্তে ভারতীয়দের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রতিফলন ঘটায় না, যার অর্থ প্রকৃত সংখ্যা এখন আরও বেশি হতে পারে। ফেব্রুয়ারির শুরুতে মার্কিন নির্বাসন বিমানে প্রায় ১০০ জন ভারতীয় নাগরিক দেশে ফিরে আসেন। সীমান্ত সংঘর্ষ বৃদ্ধি সত্ত্বেও, মার্কিন সরকারের অনুমান অনুসারে, ২০২০ থেকে ২০২২ সালে সামগ্রিকভাবে অনথিভুক্ত ভারতীয়দের সংখ্যায় কোনও স্পষ্ট বৃদ্ধি দেখা যায়নি। এনকাউন্টার বলতে বোঝায়, মেক্সিকো বা কানাডার সীমান্ত অতিক্রম করার সময় নাগরিক নয় এমন ব্যক্তিদের যখন মার্কিন কর্তৃপক্ষ আটকে দেয়। ২০১৬ সাল থেকে ভারতীয়দের ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার হার ১.৫% এ স্থিতিশীল রয়েছে। ডিফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভালস (DACA) এর ক্ষেত্রে ভারতীয়দের সংখ্যাও ২০১৭ সালে ২,৬০০ থেকে কমে ২০২৪ সালে ১,৬০০ হয়েছে। Daca প্রোগ্রামটি শিশু অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের সুরক্ষা দেয়।
অভিবাসন রুটের পরিবর্তন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান স্থল সীমান্ত রয়েছে। মেক্সিকো সীমান্তবর্তী অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ মেক্সিকো এবং টেক্সাস রাজ্যের দক্ষিণ সীমান্তে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী প্রবেশ করে। এরপর ১১টি রাজ্য জুড়ে বিস্তৃত মার্কিন-কানাডা সীমান্ত রয়েছে। ২০১০ সালের আগে, দুটি সীমান্তে ভারতীয়দের সাথে এনকাউন্টারের ঘটনা সবচেয়ে কম ছিল, কখনও ১০০০ এর বেশি হয়নি। ২০১০ সাল থেকে, ভারতীয়দের সাথে এনকাউন্টারের প্রায় সমস্ত ঘটনাই মার্কিন-মেক্সিকো দক্ষিণ সীমান্তে ঘটেছে। ২০২৪ অর্থবছরে, উত্তর সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের এনকাউন্টারের ঘটনা বেড়ে ৩৬% হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র ৪% বেশি। কানাডা ভারতীয়দের জন্য আরও সহজলভ্য প্রবেশপথ হয়ে উঠেছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ভিজিটর ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় কম ছিল। এছাড়াও, ২০২১ সাল থেকে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মেক্সিকো সীমান্তে এনকাউন্টারের ঘটনা ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। কাপুরের কথায় -' এটা কেবল ভারতীয়দের জন্য নয়। বাইডেন নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করা অভিবাসীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ভারতীয়রাও এর একটি অংশ ছিল। '
অবৈধ ভারতীয়রা কোথায় থাকে?
গবেষণায় দেখা গেছে যে, সবচেয়ে বেশি ভারতীয় অভিবাসী সম্বলিত রাজ্যগুলি - ক্যালিফোর্নিয়া (১১২,০০০), টেক্সাস (৬১,০০০), নিউ জার্সি (৫৫,০০০), নিউ ইয়র্ক (৪৩,০০০) এবং ইলিনয় (৩১,০০০) । ওহাইও (১৬%), মিশিগান (১৪%), নিউ জার্সি (১২%) এবং পেনসিলভানিয়া (১১%) -এ মোট অননুমোদিত জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভারতীয়। এদিকে যেসব রাজ্যে ২০% এরও বেশি ভারতীয় অভিবাসী অননুমোদিত, তাদের মধ্যে রয়েছে টেনেসি, ইন্ডিয়ানা, জর্জিয়া, উইসকনসিন এবং ক্যালিফোর্নিয়া। দেবেশ কাপুর বলছেন, 'কোনও জাতিগত ব্যবসায় মিশে যাওয়া এবং কাজ খুঁজে পাওয়া সহজ - যেমন একজন গুজরাটি একজন গুজরাটি-আমেরিকানের জন্য কাজ করে অথবা একই ধরনের পরিবেশে একজন পাঞ্জাবি/শিখ কাজ খুঁজে নেয়। '
আশ্রয়প্রার্থী ভারতীয়রা কারা?
মার্কিন অভিবাসন নীতি মোতাবেক- সীমান্তে আটক থাকা ব্যক্তিরা, যারা তাদের নিজ দেশে নির্যাতনের আশঙ্কা করে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণের বা "ফিয়ার স্ক্রিনিং" করার সুযোগ দেয়া হয়। যারা প্রমাণ দাখিল করতে সক্ষম হয় তারা আদালতে আশ্রয় চাইতে পারে, যার ফলে সীমান্তে আশঙ্কা বৃদ্ধির পাশাপাশি আশ্রয় চেয়ে আবেদনের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।প্রশাসনিক তথ্যে ভারতীয় আশ্রয়প্রার্থীদের সঠিক সংখ্যা জানা যায় না। তবে অভিবাসীদের কথার ওপর ভিত্তি করে আদালতের রেকর্ড কিছু অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। ২০০১ সাল থেকে ভারতীয় আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে পাঞ্জাবি ভাষাভাষীরাই আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। পাঞ্জাবির পরে, ভারতীয় আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে হিন্দি (১৪%), ইংরেজি (৮%) এবং গুজরাটি (৭%) ভাষায় কথা বলা ব্যক্তিরা। ২০০১-২০২২ অর্থবছর পর্যন্ত পাঞ্জাব এবং হরিয়ানাকে অভিবাসীদের প্রধান উৎস বলে মনে করে ৬৬% মামলা দায়ের হয়েছে। ভারতের পাঞ্জাবি ভাষাভাষীদের মধ্যেও আশ্রয়প্রার্থীর অনুমোদনের হার সর্বোচ্চ (৬৩%) ছিল, তারপরে ছিলেন হিন্দি ভাষাভাষীরা (৫৮%)। বিপরীতে, গুজরাটি ভাষাভাষীদের বিরুদ্ধে মাত্র এক-চতুর্থাংশ মামলা অনুমোদিত হয়েছিল।
কেন আশ্রয়ের দাবি বাড়ছে ?
অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OECD) কর্তৃক সংগৃহীত মার্কিন তথ্য দেখায় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের আশ্রয়ের আবেদন আকাশচুম্বী। মাত্র দুই বছরে অনুরোধ দশগুণ বেড়েছে, যা ২০২১ সালে প্রায় ৫,০০০ থেকে বেড়ে ২০২৩ সালে ৫১,০০০-এরও বেশি হয়েছে। যদিও এই বৃদ্ধি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে ,কানাডা, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ায় একই রকম প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে ভারতীয়রা বৃহত্তম আশ্রয়প্রার্থী গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে। কাপুর বিশ্বাস করেন যে এটি "অপরাধজনিত ভয়ের পরিবর্তে আশ্রয় ব্যবস্থার সাথে খেলা করার একটি উপায়, কারণ প্রক্রিয়াকরণে বছরের পর বছর সময় লাগে"। বিপুল সংখ্যক পাঞ্জাবি-ভাষী আশ্রয়প্রার্থীর কারণে, কংগ্রেস দল (২০১৭-২২) এবং পরবর্তীতে আম আদমি পার্টি (২০২২-বর্তমান) দ্বারা শাসিত উত্তর ভারতীয় এই রাজ্যে এই উত্থান কীভাবে তা স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে, আশ্রয়ের অনুরোধ হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আশ্রয়প্রার্থীরা ভারত সম্পর্কে আমেরিকায় কী বলে?
মার্কিন তথ্য অনুসারে, বেশিরভাগ ভারতীয় আশ্রয়প্রার্থী পাঞ্জাবি এবং গুজরাটি - ভারতের ধনী রাজ্যগুলির গোষ্ঠীগুলি উচ্চ অভিবাসন খরচ বহন করতে সক্ষম। বিপরীতে, ভারতীয় মুসলিম এবং প্রান্তিক সম্প্রদায় বিশেষ করে মাওবাদী অধ্যুষিত বা কাশ্মীরের মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের লোকেরা খুব কমই আশ্রয় প্রার্থনা করে। তাই বেশিরভাগ ভারতীয় আশ্রয়প্রার্থী অর্থনৈতিক অভিবাসী, দেশের সবচেয়ে দরিদ্র বা সংঘাত-কবলিত অঞ্চল থেকে এরা আসে না। গবেষণায় বলা হয়েছে, ল্যাটিন আমেরিকা হয়ে হোক বা কানাডায় "ভুয়া" ছাত্র হিসেবে - আমেরিকায় যাওয়ার কষ্টকর যাত্রায় ভারতের মাথাপিছু আয়ের ৩০-১০০ গুণ বেশি খরচ পড়ে। যার ফলে এই অর্থ জোগাড় করার সময় কেবল যাদের সম্পদ আছে তারাই বিক্রি বা বন্ধক রাখার সুযোগ পায়। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, পাঞ্জাব এবং গুজরাট - অননুমোদিত ভারতীয়দের জন্য শীর্ষস্থানীয় রাজ্য। ভারতের ধনী অঞ্চলগুলির মধ্যে এগুলি রয়েছে, যেখানে জমির মূল্য কৃষিকাজ থেকে প্রাপ্ত আয়ের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি অবৈধ কাজ করতেও অনেক টাকা লাগে।
অবৈধ ভারতীয় অভিবাসনকে কী উৎসাহিত করছে?
ভারত থেকে ক্রমবর্ধমান আশ্রয়ের দাবি "গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণের" সাথে সম্পর্কিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পাঞ্জাব এবং গুজরাটের অভিবাসনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, যেখানে অভিবাসীরা কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই নয়। যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াতেও যাচ্ছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ভারত আনুমানিক ১২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে - যা দারিদ্র্যের কারণে নয় বরং "আপেক্ষিক বঞ্চনা" দ্বারা পরিচালিত উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষাকে ইন্ধন জোগায়। কারণ পরিবারগুলি বিদেশে অন্যদের সাফল্যের সাথে তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করে। ভারতে এজেন্ট এবং দালালদের একটি সমান্তরাল চক্র চলে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারত সরকার এখন অন্য উপায় খোঁজার চেষ্টা করছে। কারণ অবৈধ অভিবাসীদের অন্য দেশ থেকে গ্রহণ করা অনেক বেশি বোঝার সমান ।
কতজন ভারতীয়কে নির্বাসিত করা হয়েছে?
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ১৬,০০০ ভারতীয়কে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওবামার আমলে প্রতি বছর গড়ে ৭৫০ জন, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ১,৫৫০ জন এবং বাইডেনের আমলে ৯০০ জন ভারতীয়কে বহিষ্কার করা হয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৪ অর্থবছরের মধ্যে ভারতীয় অভিবাসীদের বহিষ্কারের ঘটনা বৃদ্ধি পায়। এখনো পর্যন্ত ২০২০ সালে প্রায় ২,৩০০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, সেটি ছিল সর্বোচ্চ সংখ্যা।
সূত্র : সাউথ এশিয়া জার্নাল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
February
(308)
-
▼
Feb 18
(17)
- রাহুলের আপত্তি উপেক্ষা করেই অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ জ্ঞা...
- এবার হোঁচট খেলে আর উঠে দাঁড়াতে পারব না: উপদেষ্টা ম...
- ‘একটা ধর্মকে বিক্রি করে খাচ্ছেন’, বিজেপিকে তোপ মমত...
- ইলন মাস্ক: খ্যাপাটে ব্যবসায়ী থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পে...
- গাজা যুদ্ধ: এতিম শিশুর দায়িত্ব নিলেন ২৩ বছরের নিঃস...
- জয়শঙ্করের সতর্কবার্তা: আগামী দু’বছরের মধ্যে বড় কি...
- রাজনৈতিক ঐক্যের ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
- সম্পর্কে কি আধিপত্য থাকতে পারে by রাফিয়া আলম
- ২৪ ঘণ্টা পরই আবুধাবিতে ফাঁসি উত্তরপ্রদেশের শাহজাদির
- শিক্ষার জঞ্জাল ঘোচাতেই নাভিশ্বাস by পিয়াস সরকার
- বিএনপিকে ঠেকাতে ছাত্রদের দল তৈরির পেছনে কি জামায়াত...
- গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংশয় ভূমধ্যসাগরে মার্কিন বিমান
- নেতৃত্ব চূড়ান্ত টানাপড়েন কাটেনি
- বিকেলের ঘুম আপনার মুশকিল আসান করে
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়দের সম্পর্ক...
- ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট’ আসছে গণঅভ্যু...
- গণহত্যার বিচারের আগে জনগণ কোনো নির্বাচন মানবে না: ...
-
▼
Feb 18
(17)
-
▼
February
(308)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment