চীনের ‘বিজয় দিবসে’ যাচ্ছেন না আবে

শিনজো আবে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের বিরুদ্ধে বিজয়কে স্মরণ করে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ‘বিজয় দিবস’ উদ্যাপন করতে যাচ্ছে চীন। কিন্তু আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাতে যোগ দিচ্ছেন না জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। বিরোধপূর্ণ আন্তদেশীয় জলসীমায় চীনের সামরিক বাহিনীর শক্তি বাড়ানোর প্রতিবাদে জাপানের প্রধানমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনসহ বেশ কয়েকজন পশ্চিমা নেতা অনুষ্ঠানে যাবেন না বলে মনে করা হচ্ছে। খবর গার্ডিয়ানের। mদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে জাপানের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিল চীন। ১৯৪৫ সালে সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল জাপান। আর ওই দিনকে স্মরণ করে ৩ সেপ্টেম্বর প্যারেডসহ বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্যাপন করতে যাচ্ছে চীন। ইতিমধ্যে চীন সরকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ বিশ্বনেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ কমপক্ষে ১০টি দেশের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন চীন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা।  পূর্ব চীন সাগরে কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে জাপান ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জাপানের সাংকেই পত্রিকা সে দেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানায়, বিরোধপূর্ণ দ্বীপগুলোর কাছে চীন তাদের আক্রমণাত্মক কার্যক্রম বাড়িয়েই চলছে। এখন শিনজো আবে চীনের বিজয় দিবসে অংশগ্রহণ করলে তা চীনের ওই আক্রমণাত্মক কার্যক্রম মেনে নেওয়ারই শামিল বলে মনে হতে পারে। এ কারণে অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে বিজয় দিবস নিয়ে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অনুশীলন শুরু করেছে চীন। অনুশীলনের বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। পত্রপত্রিকায়ও লেখালেখি হচ্ছে। কিছু লেখায় জাপানের নৃশংসতারও কথাও বলা হয়েছে। সং লুজেং নামের চীনের একজন শিক্ষাবিদ লিখেছেন, ‘প্যারেডের মাধ্যমে চীন বুঝিয়ে দিতে চায়, তারা বিজয়ী জাতি।’