Monday, July 13, 2015
ফখরুদ্দিনের অস্থির অপেক্ষা by কাফি কামাল
ফখরুদ্দিনের অস্থির অপেক্ষা by কাফি কামাল
ওয়ান
ইলেভেন। বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম বাঁক পরিবর্তনের দিন। হঠাৎ আসা ঝড়ে
হতচকিত হয়ে পড়ে বিএনপি। যে ধাক্কা এখনও সামলাতে পারেনি দলটি। ভুল ছিল
কোথায়? কেনইবা বাড়ানো হয়েছিল বিচারপতিদের বয়স। পঞ্চম সংশোধনী মামলায় কৌশলের
খেলায় কোথায় হেরে গেছে বিএনপি। অনিবার্য ক্রান্তিকালে দাঁড়ানো বিএনপির
ভেতরে-বাইরে উচ্চারিত নানা প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করেছেন আমাদের
রাজনৈতিক সংবাদদাতা কাফি কামাল। তার লেখা ‘বিএনপির ময়নাতদন্ত’ শীর্ষক ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ ছাপা হলো তৃতীয় পর্ব-
এরশাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের পর সর্বসম্মতভাবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পঞ্চম জাতীয় নির্বাচন। সাংগঠনিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক নানা হিসাব-নিকাশকে ভুল প্রমাণ করে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি। কিন্তু নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আওয়ামী লীগের অব্যাহত আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচনে গঠিত ১১ দিনের সংসদে বিএনপিই প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন বিরোধী জোটের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার। অধ্যাপক রেহমান সোবহানের বাসভবনে উভয় পক্ষের মধ্যে একটা আপোষ হয়েছিল, সেই সূত্রেই ওই বিল পাস হয়। অনেকের মতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সংলাপ করেনি কখনও। তারা বলেন, সংলাপ কখনও সমাধান দেয়নি। কিন্তু ত্রয়োদশ সংশোধনী ছিল পর্দার আড়ালের সংলাপ ও বোঝাপড়ার ফল।
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ১৯৯৬ সালের ১২ই জুন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে তিন মাসের মধ্যেই বিদায় নেন। একইভাবে ২০০১ সালে নির্বাচনের পর বিদায় নেন বিচারপতি লতিফুর রহমান। বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৬৭ করাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় নতুন জটিলতা। এ ঘটনায় বেঁকে বসে আওয়ামী লীগসহ অনেক রাজনৈতিক দল। তারা অভিযোগ করে, প্রধান বিচারপতি কেএম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার জন্যই বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। শুরু হয় জোরেশোরে এসবের প্রচার ও আন্দোলন।
উইকিলিকস প্রকাশিত ২০০৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ঢাকার সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ বিউটেনিস পাঠানো তারবার্তায় উল্লেখ করেছেন, খোদ শেখ হাসিনাই জানিয়েছেন, বিচারপতি কেএম হাসান বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার পিতার হত্যাকাণ্ডের দুই দণ্ডিতের আত্মীয়। হাসানকে মানতে না পারার ক্ষেত্রে সেটাই ছিল ‘প্রকৃত, খুবই আবেগপূর্ণ’ কারণ। আর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করতো না আওয়ামী লীগ। এখানে বিএনপির ভুল ছিল আওয়ামী লীগের বিরোধের আসল কারণ অনুসন্ধান না করা ও বিকল্প চিন্তা না করে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন। এরকম একটি নাজুক সময়ে বিএনপি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা পদে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত কোন জ্যেষ্ঠ ও বিশেষজ্ঞ ধরনের কাউকে নিয়োগ দেয়নি। বরং মোখলেসুর রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়ে আরও কাঁচা কাজ করেছিল। ড. আকবর আলি খানসহ কয়েকজন বিশিষ্ট উপদেষ্টা তার বিরুদ্ধে ‘দলীয় লেজুড়বৃত্তির’ অভিযোগ এনে পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়। অথচ বিএনপি এধরনের একটি সম্ভাব্য অবস্থার উদ্ভব ঘটার কথা কল্পনাই করতে পারেনি।
সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদত্যাগ করে এবং ১২ই জানুয়ারি ড. ফখরুদ্দীন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। যদিও এক-এগারোতে দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তারের পরে প্রয়াত সাংবাদিক এবিএম মূসা মন্তব্য করেছিলেন যে, কেএম হাসানকে মানতে না পারা ছিল আওয়ামী লীগের ভুল সিদ্ধান্ত। রাজনীতিক বিশ্লেষকদের বিবেচনায়, বিচারপতিদের বয়স বাড়ানোর পর বিএনপি দ্বিতীয় ভুলটি করেছে ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মাধ্যমে। মূলত ৮ম জাতীয় সংসদের মেয়াদ অবসান-পরবর্তী ২০০৬ সালের শেষদিকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে। এর পেছনে ছিল সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী। যদিও এটা সত্য যে, বিচারকদের বয়সসীমা বাড়ানোর দরকার ছিল এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সকল বিচারক এটা চাইছিলেন। কিন্তু মওদুদ আহমদরা বুঝতে পারেননি যে, কেএম হাসানের ফারুকের ভায়রা পরিচয়ের স্পর্শকাতর কার্ডটি খেলতে আওয়ামী লীগ কোন দ্বিধা করবে না। অনেকেরই ধারণা, এ সংশোধনীর মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলকভাবে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়স না বাড়ানো হলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে বিতর্কের অবকাশ অনেক সীমিতই থাকতো। অন্যদিকে দেশে চরম রাজনৈতিক সংকটকালে আবির্ভাব ঘটেছিল ওয়ান-ইলেভেন সরকারের। সে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং তৎকালীন সেনাপ্রধান উভয়ে বিএনপি সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবেই অতীতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
যে রাজনৈতিক ভুলের সূত্র ধরে ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হয়, সেটাকে ভুল হিসেবেই উপলব্ধি করতে পারেনি বিএনপি। ফলে বিএনপি ওই সরকারের বিরোধিতা করলেও আওয়ামী লীগ তাকে তাদের ‘আন্দোলনের ফসল’ আখ্যায়িত করে একটি সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করে। ফখরুদ্দীন সরকার যেদিন শপথ নেয়, সেদিন আওয়ামী লীগ নেতারা সেখানে অংশ নিলেও বিরত থাকে বিএনপি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদসহ সে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন উপদেষ্টা বিএনপি নেতাদের জন্য শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিল অস্থিরতা। প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এবং ঢাকার তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে তাদের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, বঙ্গভবনে কি আর কখনও যাননি। বার্তা বুঝতে পেরে বাসায় ফিরে যান তারা। কেন তাদের এ ফোন করা হয়েছিল তা নিয়ে বিএনপির ভেতরে নানা আলোচনা রয়েছে। জানা যায়, বিএনপির তখনকার থিঙ্কট্যাঙ্কের দু’জন সদস্য দলটির শীর্ষ নেতৃত্বকে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ক্যু হয়েছে। এখন আমাদের বঙ্গভবনে যাওয়া হবে ওই ক্যুকে সমর্থন করা। পর্যবেক্ষকরা বলছেন এটাই ছিল বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত। সেদিন রাগ-ক্ষোভ এড়িয়ে দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে পারলে অন্তত সে সরকারের রোষানলে পড়ে রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তো না বিএনপি। পরবর্তীকালে বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক সদস্যকে ঘরোয়া আলোচনায় এ নিয়ে আক্ষেপ করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে উইকিলিকসে প্রকাশিত তারবার্তা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১০ই জুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টিকে তৎকালীন উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান জানান, বেসামরিক উপদেষ্টারা কারাবন্দি দুই নেত্রীর সঙ্গে সমঝোতার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। আওয়ামী লীগ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারলেও সে সরকারের উপদেষ্টাদের ব্যাপারে বিরোধী মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বিএনপি।
৫ম সংশোধনী মামলাটি কতদূর গড়াতে পারে তা ধারণা করতে পারেনি বিএনপি। ২০০৫ সালে রায়ের পরে মধ্যরাতে তারা কোর্ট বসিয়ে ওই রায় স্থগিত করিয়েছিল। অথচ তার কোন দরকার ছিল না। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে এবিষয়ে ভুল পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল মুন সিনেমা হলের মালিকানা ফেরতের দাবিতে। বিএনপি সরকারের আমলে ২০০৫ সালে হাইকোর্ট সেই মামলার রায়ে বাতিল ঘোষণা করা হয় সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চম সংশোধনী। বিএনপি সরকারের হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকার পরও রহস্যজনক কারণে মামলার আপিল শুনানি করা হয়নি। বিএনপি ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর সে মামলায় পক্ষভুক্ত হন দলের তৎকালীন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু সরকারপক্ষের অবস্থান বদলে যায়। আর আপিল বিভাগেও হাইকোর্টের রায় বহাল থাকায় বাতিল হয়ে যায় জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৯ সালের ৬ই এপ্রিল করা সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরও বাদীপক্ষ সিনেমা হল ফেরত না পেলেও রাজনৈতিকভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বিএনপি।
হাইকোর্ট তার রায়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সব ধরনের ফরমান কতিপয় বিধানের মার্জনা সাপেক্ষে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশ্তাক আহমাদ, একই বছরের ৬ই নভেম্বর বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ও পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ এবং সামরিক শাসন জারি অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থি বলে ঘোষণা করা হয়। পরিহাস হলো এই রায়েই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এবং বিচারপতি নিয়োগ নীতিমালা সহ জিয়ার প্রবর্তিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান বহাল রাখা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি নেতারা তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারেননি। জিয়া ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের ফরমান জারি করেননি। তাই বিএনপি সামরিক শাসনের নিন্দা করে একই সঙ্গে জিয়ার সংস্কারের পক্ষে দাঁড়াতে পারতো। কিন্তু সেদিকে তারা যায়নি।
ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাড়ির বিষয়টি ছিল একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। এই বাড়ি নিয়ে আদালতে না যেতে খালেদা জিয়ার প্রতি পরামর্শ ছিল দলটির একাধিক নেতার। কিন্তু দুইজন প্রভাবশালী আইনজীবী নেতার বুদ্ধিতে সেই পথেই হাঁটে বিএনপি। ২০১০ সালে উচ্চ আদালত বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদন খারিজ করে দিলে বাড়িটির নিয়ন্ত্রণ নেয় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড। ১৩ই নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। বাড়ি রক্ষার জন্য আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়ে পরে দলীয় ফোরামে নেতারা অনেক সমালোচনা করেছেন। তারা বলেছেন, আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতাই করেছে বিএনপি।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ২৪ জন নিহত ও তৎকালীন বিরোধী নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গুরুতর আহত হয়। বাংলাদেশের রাজনীতি বিশেষ করে আওয়ামী লীগের জন্য এটা ছিল দ্বিতীয় রক্তাক্ত আগস্ট। চারদলীয় জোট সরকার এমন নারকীয় হত্যাযজ্ঞের সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে এ ঘটনায় ‘জজ মিয়া নাটক’ পুরো বিষয়টির দায়ভার বিএনপির দিকে ঠেলে দেয়। সেদিন বিএনপি যদি বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারতো তাহলে পরবর্তীতে প্রতিহিংসার রাজনীতির মুখে পড়তে হতো না দলটিকে। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দলটির গবেষণা কেন্দ্র হাওয়া ভবন ও তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ঘিরে নানা ধরনের নেতিবাচক তথ্য প্রচার হয় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে। কিন্তু বিএনপি সেসব অপপ্রচারের কার্যকর প্রতিবাদ বা সৃষ্ট অপধারণার জাল ছিন্ন করতে ব্যর্থ হয়। বলতে গেলে নেতিবাচক প্রপাগান্ডা মোকাবিলায় ন্যূনতম দক্ষতাই দেখাতে পারেনি দলটি। এ প্রচারণায় দলের একটি অংশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করতে পারেনি বিএনপি।
উইকিলিকসের তারবার্তায় দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল সিদ্দিকী হাওয়া ভবনকে বলতেন ‘উইন্ড টানেল’। সে ‘উইন্ড টানেলে’ তারেক রহমানের কতিপয় চিত্তবিকারগ্রস্ত বন্ধু রয়েছে। এছাড়া, অনেক মন্ত্রী-এমপিও তখন স্বার্থসংশ্লিষ্টতায় বিক্রি করেছেন হাওয়া ভবনের নাম। কিন্তু এমন অপপ্রচারের বিষয়টিও বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করতে কোন উদ্যোগ নেয়ার দরকার মনে করেনি বিএনপি। এছাড়া, ক্ষমতায় থাকাকালে সরকারের মন্ত্রী-এমপি এবং দলের নেতাদের ব্যাপারে নানা মহলে যেসব অভিযোগ উঠেছে, তার ব্যাপারে তদন্ত এবং ব্যবস্থা গ্রহণের কোন উদ্যোগই দৃশ্যমান করেনি বিএনপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে গণমাধ্যমকে বোঝা ও তাকে হ্যান্ডেল করতে না পারার ব্যর্থতাকে দলটির একটি বড় ভুল হিসেবে বিবেচনা করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিএনপির আমলে গণমাধ্যম ব্যাপকভাবে বিকশিত হলেও নিজেদের ভুল ও অদূরদর্শী পলিসির কারণে তার কোন সুবিধা বা সহায়তাই পায়নি তারা। উল্টো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই গণমাধ্যম পরিণত হয়েছে দলটির অদৃশ্য প্রতিপক্ষে। উপযুক্ত লোকের বদলে অনভিজ্ঞ ও সুবিধাবাদী লোকজনের হাতে গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয়ায় এ পরিণতি ঘটে। বেশির ভাগ গণমাধ্যমের মালিকানা চলে যায় আওয়ামী লীগ নেতা বা তাদের রাজনীতির প্রতি অনুগতদের হাতে। এরপরও গণমাধ্যমের সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতে এবং সুবিধা পেতে ব্যর্থ হয় দলটি। গণমাধ্যমের সঙ্গে দলটির নেতাদের যোগাযোগ প্রায় নেই বললেই চলে।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ম্যানিফেস্টোতেই ছিল যুদ্ধাপরাধের বিচারের ইস্যুটি। বিএনপি ভাবতেই পারেনি এটি কতদূর যেতে পারে। তরুণ প্রজন্ম দারুণভাবে এই ইস্যুটি নিয়েছিল। আওয়ামী লীগ তাই ক্ষমতায় এসেই সে বিচার শুরু করে। কিন্তু এ ইস্যুতে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ নীতি অবলম্বন করে বিএনপি। অথচ তারা এবিষয়ে পলায়নপর নীতি না নিয়ে পরিষ্কার অবস্থান নিতে পারতো। প্রায় ৮শ’ দণ্ডিত রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী কিভাবে বেরিয়ে গিয়েছিল তার তদন্ত দাবি করে বিএনপি মাঠে নামতে পারতো। জিয়ার বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়া হয়েছে তিনি তাদের ছেড়ে দিয়েছিলেন। অথচ ৫ম সংশোধনীতেই বিধান ছিল যে, দালাল আইন বাতিল করা হলেও এই আইনে দণ্ডিতরা মুক্তি পাবেন না। অথচ বিএনপি নেতারা জিয়ার এই বিধানের পক্ষে কোনদিন কথা বলেননি। নতুন প্রজন্মকে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করাতে পেরেছে যে, এই বিচার কোনদিন হয়নি, যা এবার আওয়ামী লীগ করছে। এমনকি এই বিষয়ে বিচার করার বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাও আওয়ামী লীগ মুছে দিতে পেরেছে। নাইন ইলেভেনের পরের বদলে যাওয়া বিশ্বে বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে সরকার করেছে। আবার আইএস (ইসলামিক স্টেট)-এর যুগে এসে বিএনপি সেই জামায়াতকে নিয়েই সরকার পতনের আন্দোলনে নিয়োজিত রয়েছে। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে এক আধজন নেতা যারা অভিযুক্ত হয়েছিলেন তাদের থেকে দল নিজকে আলাদা করতে পারতো। কারণ তাদের কেউ বিএনপির কোন গ্রুপের সদস্য নন এবং কখনও ছিলেন না।
বিচার প্রক্রিয়ার শুরুতেই কেবল জামায়াত নয়, ‘‘বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলের শরিক’’ হিসেবে পরিচিত জামায়াতের নেতাদের একের পর এক গ্রেপ্তার করা হয়। আর প্রথম থেকেই বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন ইস্যুকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচালের আন্দোলন হিসেবে দেখাতে থাকে আওয়ামী লীগ। বিএনপি এর কোন পাল্টা কৌশল নির্দিষ্ট করতে পারেনি। তাই সহজেই এরকম একটি প্রচারণা প্রতিষ্ঠিত করে ফেলে সরকার। অন্যদিকে ঠিকই জামায়াতের সঙ্গে তার তৈরি হতে থাকে ভেতরগত ফারাক। এক পর্যায়ে বিএনপির একাধিক নেতাকে এ বিচারে যুক্ত করা হয় ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, বিচারের বিষয়ে তাদের নীরবতা বা পলায়নপরতার নীতি কোন সুফল আনেনি।
প্রথমেই বিএনপি এ বিচারের পক্ষ নিলে সাধারণ মানুষের সমর্থন যেমন তাদের দিকে ঝুঁকতো, তেমনি অপপ্রচারের দায় চাপতো না কাঁধে। সরকারও অধিকতর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়া চালাতে পারতো। এদিকে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জোটে থাকলেও জামায়াতের বহু সিদ্ধান্ত ছিল বিএনপির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওয়ান-ইলেভেনের পর দেশের শীর্ষ দুই নেত্রী যখন কারারুদ্ধ তখন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে জামায়াত। প্রকাশ্যেই তারা ঘোষণা দিয়েছে, বিএনপির দুর্নীতির দায় নেবে না জামায়াত। দলটির সবাই বিশ্বাস করেন বিএনপির সঙ্গে সরকারে থেকে তাদের গায়ে কালি লেগেছে। অথচ ফখরুদ্দীন সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যেতে রাজি না হলেও জামায়াতের চাপের কারণে সে নির্বাচনে তাকে অংশ নিতে হয়। সে নির্বাচনের পর প্রায় এক বছর দল দুইটির মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোন আলাপ-আলোচনা পর্যন্ত হয়নি। বিএনপির অনেকে এখন বলেন, জামায়াত বাগড়া না দিলে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের তকমাটা আওয়ামী লীগের ললাটে ২০০৮ সালেই লেপন করা যেত। আর তাহলে সেই ‘একতরফা নির্বাচনে’ জিতে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলকে আজ যেখানে নামিয়ে এনেছে সেখানে আনতে পারতো না।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দ্বিতীয় উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে রীতিমতো দ্বৈরথ জুড়েছে জামায়াত। সরকারের সঙ্গে সমঝে চলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিজেদের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করলেও তাদের এ আচরণে চেয়ারম্যান পদে হেরেছে বিএনপি প্রার্থীরা। লক্ষণীয় যে, সাম্প্রতিক ঢাকা সিটি নির্বাচনেও দেখা গেছে বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে গেলেও জামায়াত তার প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে তক্কে তক্কে থেকেছে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে।
জামায়াতের কারণে বিএনপির আন্দোলনের প্ল্যাটফরমে যুক্ত হয়নি সরকারের বাইরে থাকা একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি। উল্টো জামায়াতের কারণে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, রাজশাহী, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রামসহ অনেক জেলায় সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএনপি। সেখানেই শেষ নয়, উইকিলিকস সূত্রেই জানা যায়, ওয়ান-ইলেভেনের আগে চারদলীয় জোটে যোগ দেয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করে এরশাদ বলেছেন, ‘কেয়ারটেকার সরকার আসার আগেই চারদলীয় জোটে আসার ঘোষণা দেব।’ কিন্তু জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান দলের পক্ষে মার্কিন দূতাবাসকে বলেছিলেন, ‘চারদলীয় জোটে এরশাদের প্রয়োজন নেই। শরিকদের সঙ্গে আলোচনা না করে জাতীয় পার্টিকে চারদলীয় জোটে ডাকার এখতিয়ার তারেক রহমানের নেই।’ অন্যদিকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে অস্বস্তির বিষয়টি নতুন নয় বিএনপিতে। উইকিলিকস প্রকাশিত তারবার্তায় দেখা যায়, ২০০৫ সালের ১৪ই ডিসেম্বর তদানীন্তন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব ড. কামাল সিদ্দিকী মার্কিন দূতাবাসের সাবেক চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জুডিথ শামাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামী, জেএমবি প্রসঙ্গে তাঁর বিপরীত মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন। কামাল সিদ্দিকী জুডিথকে বলেছিলেন, বিএনপির ৫০ জন এমপি ক্ষমতাসীন জোট সরকার থেকে জামায়াতকে সরিয়ে দিতে চান। সরকার (চারদলীয় জোট সরকার) জেএমবি’র সন্ত্রাসী চরিত্র অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহল ও বিদেশী কূটনীতিক মহলের স্বস্তির বিষয় হচ্ছে- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমপ্রতি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে বলেছেন, ধর্মের অবদান থাকতে পারে রাজনীতিতে, কিন্তু রাজনৈতিক দল ধর্মকে কেন্দ্র করে হতে পারে না। ধর্মভিত্তিক দল সম্পর্কে তারেক রহমানের বক্তব্য আসলে তিন যুগ আগে দেয়া দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি বক্তব্যের প্রতিধ্বনি। সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সম্পর্কে তার এ বক্তব্য দলটির উপলব্ধির প্রকাশ ধরে নেয়া যায়। অনেকের মতে বিএনপির উচিত তারেকের এই দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ধর্মনিরপেক্ষ কথাটিকে গ্রহণ করতে সচেষ্ট হওয়া। তাদের স্মরণ করিয়ে দেয়া উচিত রাষ্ট্র ধর্ম করা কখনও জিয়ার এজেন্ডা ছিল না। মওলানা ভাসানী ‘ইসলামী সমাজতন্ত্র’ গ্রহণ করেছিলেন। ৭ দলীয় জোটের নেত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া এরশাদের অষ্টম সংশোধনীর বিরোধিতা করেছিলেন।
এরশাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের পর সর্বসম্মতভাবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পঞ্চম জাতীয় নির্বাচন। সাংগঠনিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক নানা হিসাব-নিকাশকে ভুল প্রমাণ করে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি। কিন্তু নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আওয়ামী লীগের অব্যাহত আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচনে গঠিত ১১ দিনের সংসদে বিএনপিই প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন বিরোধী জোটের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার। অধ্যাপক রেহমান সোবহানের বাসভবনে উভয় পক্ষের মধ্যে একটা আপোষ হয়েছিল, সেই সূত্রেই ওই বিল পাস হয়। অনেকের মতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সংলাপ করেনি কখনও। তারা বলেন, সংলাপ কখনও সমাধান দেয়নি। কিন্তু ত্রয়োদশ সংশোধনী ছিল পর্দার আড়ালের সংলাপ ও বোঝাপড়ার ফল।
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ১৯৯৬ সালের ১২ই জুন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে তিন মাসের মধ্যেই বিদায় নেন। একইভাবে ২০০১ সালে নির্বাচনের পর বিদায় নেন বিচারপতি লতিফুর রহমান। বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৬৭ করাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় নতুন জটিলতা। এ ঘটনায় বেঁকে বসে আওয়ামী লীগসহ অনেক রাজনৈতিক দল। তারা অভিযোগ করে, প্রধান বিচারপতি কেএম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার জন্যই বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। শুরু হয় জোরেশোরে এসবের প্রচার ও আন্দোলন।
উইকিলিকস প্রকাশিত ২০০৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ঢাকার সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ বিউটেনিস পাঠানো তারবার্তায় উল্লেখ করেছেন, খোদ শেখ হাসিনাই জানিয়েছেন, বিচারপতি কেএম হাসান বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার পিতার হত্যাকাণ্ডের দুই দণ্ডিতের আত্মীয়। হাসানকে মানতে না পারার ক্ষেত্রে সেটাই ছিল ‘প্রকৃত, খুবই আবেগপূর্ণ’ কারণ। আর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করতো না আওয়ামী লীগ। এখানে বিএনপির ভুল ছিল আওয়ামী লীগের বিরোধের আসল কারণ অনুসন্ধান না করা ও বিকল্প চিন্তা না করে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন। এরকম একটি নাজুক সময়ে বিএনপি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা পদে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত কোন জ্যেষ্ঠ ও বিশেষজ্ঞ ধরনের কাউকে নিয়োগ দেয়নি। বরং মোখলেসুর রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়ে আরও কাঁচা কাজ করেছিল। ড. আকবর আলি খানসহ কয়েকজন বিশিষ্ট উপদেষ্টা তার বিরুদ্ধে ‘দলীয় লেজুড়বৃত্তির’ অভিযোগ এনে পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়। অথচ বিএনপি এধরনের একটি সম্ভাব্য অবস্থার উদ্ভব ঘটার কথা কল্পনাই করতে পারেনি।
সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদত্যাগ করে এবং ১২ই জানুয়ারি ড. ফখরুদ্দীন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। যদিও এক-এগারোতে দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তারের পরে প্রয়াত সাংবাদিক এবিএম মূসা মন্তব্য করেছিলেন যে, কেএম হাসানকে মানতে না পারা ছিল আওয়ামী লীগের ভুল সিদ্ধান্ত। রাজনীতিক বিশ্লেষকদের বিবেচনায়, বিচারপতিদের বয়স বাড়ানোর পর বিএনপি দ্বিতীয় ভুলটি করেছে ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মাধ্যমে। মূলত ৮ম জাতীয় সংসদের মেয়াদ অবসান-পরবর্তী ২০০৬ সালের শেষদিকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে। এর পেছনে ছিল সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী। যদিও এটা সত্য যে, বিচারকদের বয়সসীমা বাড়ানোর দরকার ছিল এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সকল বিচারক এটা চাইছিলেন। কিন্তু মওদুদ আহমদরা বুঝতে পারেননি যে, কেএম হাসানের ফারুকের ভায়রা পরিচয়ের স্পর্শকাতর কার্ডটি খেলতে আওয়ামী লীগ কোন দ্বিধা করবে না। অনেকেরই ধারণা, এ সংশোধনীর মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলকভাবে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়স না বাড়ানো হলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে বিতর্কের অবকাশ অনেক সীমিতই থাকতো। অন্যদিকে দেশে চরম রাজনৈতিক সংকটকালে আবির্ভাব ঘটেছিল ওয়ান-ইলেভেন সরকারের। সে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং তৎকালীন সেনাপ্রধান উভয়ে বিএনপি সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবেই অতীতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
যে রাজনৈতিক ভুলের সূত্র ধরে ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হয়, সেটাকে ভুল হিসেবেই উপলব্ধি করতে পারেনি বিএনপি। ফলে বিএনপি ওই সরকারের বিরোধিতা করলেও আওয়ামী লীগ তাকে তাদের ‘আন্দোলনের ফসল’ আখ্যায়িত করে একটি সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করে। ফখরুদ্দীন সরকার যেদিন শপথ নেয়, সেদিন আওয়ামী লীগ নেতারা সেখানে অংশ নিলেও বিরত থাকে বিএনপি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদসহ সে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন উপদেষ্টা বিএনপি নেতাদের জন্য শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিল অস্থিরতা। প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এবং ঢাকার তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে তাদের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, বঙ্গভবনে কি আর কখনও যাননি। বার্তা বুঝতে পেরে বাসায় ফিরে যান তারা। কেন তাদের এ ফোন করা হয়েছিল তা নিয়ে বিএনপির ভেতরে নানা আলোচনা রয়েছে। জানা যায়, বিএনপির তখনকার থিঙ্কট্যাঙ্কের দু’জন সদস্য দলটির শীর্ষ নেতৃত্বকে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ক্যু হয়েছে। এখন আমাদের বঙ্গভবনে যাওয়া হবে ওই ক্যুকে সমর্থন করা। পর্যবেক্ষকরা বলছেন এটাই ছিল বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত। সেদিন রাগ-ক্ষোভ এড়িয়ে দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে পারলে অন্তত সে সরকারের রোষানলে পড়ে রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তো না বিএনপি। পরবর্তীকালে বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক সদস্যকে ঘরোয়া আলোচনায় এ নিয়ে আক্ষেপ করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে উইকিলিকসে প্রকাশিত তারবার্তা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১০ই জুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টিকে তৎকালীন উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান জানান, বেসামরিক উপদেষ্টারা কারাবন্দি দুই নেত্রীর সঙ্গে সমঝোতার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। আওয়ামী লীগ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারলেও সে সরকারের উপদেষ্টাদের ব্যাপারে বিরোধী মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বিএনপি।
৫ম সংশোধনী মামলাটি কতদূর গড়াতে পারে তা ধারণা করতে পারেনি বিএনপি। ২০০৫ সালে রায়ের পরে মধ্যরাতে তারা কোর্ট বসিয়ে ওই রায় স্থগিত করিয়েছিল। অথচ তার কোন দরকার ছিল না। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে এবিষয়ে ভুল পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল মুন সিনেমা হলের মালিকানা ফেরতের দাবিতে। বিএনপি সরকারের আমলে ২০০৫ সালে হাইকোর্ট সেই মামলার রায়ে বাতিল ঘোষণা করা হয় সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চম সংশোধনী। বিএনপি সরকারের হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকার পরও রহস্যজনক কারণে মামলার আপিল শুনানি করা হয়নি। বিএনপি ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর সে মামলায় পক্ষভুক্ত হন দলের তৎকালীন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু সরকারপক্ষের অবস্থান বদলে যায়। আর আপিল বিভাগেও হাইকোর্টের রায় বহাল থাকায় বাতিল হয়ে যায় জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৯ সালের ৬ই এপ্রিল করা সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরও বাদীপক্ষ সিনেমা হল ফেরত না পেলেও রাজনৈতিকভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বিএনপি।
হাইকোর্ট তার রায়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সব ধরনের ফরমান কতিপয় বিধানের মার্জনা সাপেক্ষে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশ্তাক আহমাদ, একই বছরের ৬ই নভেম্বর বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ও পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ এবং সামরিক শাসন জারি অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থি বলে ঘোষণা করা হয়। পরিহাস হলো এই রায়েই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এবং বিচারপতি নিয়োগ নীতিমালা সহ জিয়ার প্রবর্তিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান বহাল রাখা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি নেতারা তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারেননি। জিয়া ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের ফরমান জারি করেননি। তাই বিএনপি সামরিক শাসনের নিন্দা করে একই সঙ্গে জিয়ার সংস্কারের পক্ষে দাঁড়াতে পারতো। কিন্তু সেদিকে তারা যায়নি।
ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাড়ির বিষয়টি ছিল একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। এই বাড়ি নিয়ে আদালতে না যেতে খালেদা জিয়ার প্রতি পরামর্শ ছিল দলটির একাধিক নেতার। কিন্তু দুইজন প্রভাবশালী আইনজীবী নেতার বুদ্ধিতে সেই পথেই হাঁটে বিএনপি। ২০১০ সালে উচ্চ আদালত বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদন খারিজ করে দিলে বাড়িটির নিয়ন্ত্রণ নেয় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড। ১৩ই নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। বাড়ি রক্ষার জন্য আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়ে পরে দলীয় ফোরামে নেতারা অনেক সমালোচনা করেছেন। তারা বলেছেন, আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতাই করেছে বিএনপি।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ২৪ জন নিহত ও তৎকালীন বিরোধী নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গুরুতর আহত হয়। বাংলাদেশের রাজনীতি বিশেষ করে আওয়ামী লীগের জন্য এটা ছিল দ্বিতীয় রক্তাক্ত আগস্ট। চারদলীয় জোট সরকার এমন নারকীয় হত্যাযজ্ঞের সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে এ ঘটনায় ‘জজ মিয়া নাটক’ পুরো বিষয়টির দায়ভার বিএনপির দিকে ঠেলে দেয়। সেদিন বিএনপি যদি বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারতো তাহলে পরবর্তীতে প্রতিহিংসার রাজনীতির মুখে পড়তে হতো না দলটিকে। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দলটির গবেষণা কেন্দ্র হাওয়া ভবন ও তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ঘিরে নানা ধরনের নেতিবাচক তথ্য প্রচার হয় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে। কিন্তু বিএনপি সেসব অপপ্রচারের কার্যকর প্রতিবাদ বা সৃষ্ট অপধারণার জাল ছিন্ন করতে ব্যর্থ হয়। বলতে গেলে নেতিবাচক প্রপাগান্ডা মোকাবিলায় ন্যূনতম দক্ষতাই দেখাতে পারেনি দলটি। এ প্রচারণায় দলের একটি অংশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করতে পারেনি বিএনপি।
উইকিলিকসের তারবার্তায় দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল সিদ্দিকী হাওয়া ভবনকে বলতেন ‘উইন্ড টানেল’। সে ‘উইন্ড টানেলে’ তারেক রহমানের কতিপয় চিত্তবিকারগ্রস্ত বন্ধু রয়েছে। এছাড়া, অনেক মন্ত্রী-এমপিও তখন স্বার্থসংশ্লিষ্টতায় বিক্রি করেছেন হাওয়া ভবনের নাম। কিন্তু এমন অপপ্রচারের বিষয়টিও বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করতে কোন উদ্যোগ নেয়ার দরকার মনে করেনি বিএনপি। এছাড়া, ক্ষমতায় থাকাকালে সরকারের মন্ত্রী-এমপি এবং দলের নেতাদের ব্যাপারে নানা মহলে যেসব অভিযোগ উঠেছে, তার ব্যাপারে তদন্ত এবং ব্যবস্থা গ্রহণের কোন উদ্যোগই দৃশ্যমান করেনি বিএনপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে গণমাধ্যমকে বোঝা ও তাকে হ্যান্ডেল করতে না পারার ব্যর্থতাকে দলটির একটি বড় ভুল হিসেবে বিবেচনা করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিএনপির আমলে গণমাধ্যম ব্যাপকভাবে বিকশিত হলেও নিজেদের ভুল ও অদূরদর্শী পলিসির কারণে তার কোন সুবিধা বা সহায়তাই পায়নি তারা। উল্টো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই গণমাধ্যম পরিণত হয়েছে দলটির অদৃশ্য প্রতিপক্ষে। উপযুক্ত লোকের বদলে অনভিজ্ঞ ও সুবিধাবাদী লোকজনের হাতে গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয়ায় এ পরিণতি ঘটে। বেশির ভাগ গণমাধ্যমের মালিকানা চলে যায় আওয়ামী লীগ নেতা বা তাদের রাজনীতির প্রতি অনুগতদের হাতে। এরপরও গণমাধ্যমের সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতে এবং সুবিধা পেতে ব্যর্থ হয় দলটি। গণমাধ্যমের সঙ্গে দলটির নেতাদের যোগাযোগ প্রায় নেই বললেই চলে।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ম্যানিফেস্টোতেই ছিল যুদ্ধাপরাধের বিচারের ইস্যুটি। বিএনপি ভাবতেই পারেনি এটি কতদূর যেতে পারে। তরুণ প্রজন্ম দারুণভাবে এই ইস্যুটি নিয়েছিল। আওয়ামী লীগ তাই ক্ষমতায় এসেই সে বিচার শুরু করে। কিন্তু এ ইস্যুতে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ নীতি অবলম্বন করে বিএনপি। অথচ তারা এবিষয়ে পলায়নপর নীতি না নিয়ে পরিষ্কার অবস্থান নিতে পারতো। প্রায় ৮শ’ দণ্ডিত রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী কিভাবে বেরিয়ে গিয়েছিল তার তদন্ত দাবি করে বিএনপি মাঠে নামতে পারতো। জিয়ার বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়া হয়েছে তিনি তাদের ছেড়ে দিয়েছিলেন। অথচ ৫ম সংশোধনীতেই বিধান ছিল যে, দালাল আইন বাতিল করা হলেও এই আইনে দণ্ডিতরা মুক্তি পাবেন না। অথচ বিএনপি নেতারা জিয়ার এই বিধানের পক্ষে কোনদিন কথা বলেননি। নতুন প্রজন্মকে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করাতে পেরেছে যে, এই বিচার কোনদিন হয়নি, যা এবার আওয়ামী লীগ করছে। এমনকি এই বিষয়ে বিচার করার বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাও আওয়ামী লীগ মুছে দিতে পেরেছে। নাইন ইলেভেনের পরের বদলে যাওয়া বিশ্বে বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে সরকার করেছে। আবার আইএস (ইসলামিক স্টেট)-এর যুগে এসে বিএনপি সেই জামায়াতকে নিয়েই সরকার পতনের আন্দোলনে নিয়োজিত রয়েছে। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে এক আধজন নেতা যারা অভিযুক্ত হয়েছিলেন তাদের থেকে দল নিজকে আলাদা করতে পারতো। কারণ তাদের কেউ বিএনপির কোন গ্রুপের সদস্য নন এবং কখনও ছিলেন না।
বিচার প্রক্রিয়ার শুরুতেই কেবল জামায়াত নয়, ‘‘বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলের শরিক’’ হিসেবে পরিচিত জামায়াতের নেতাদের একের পর এক গ্রেপ্তার করা হয়। আর প্রথম থেকেই বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন ইস্যুকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচালের আন্দোলন হিসেবে দেখাতে থাকে আওয়ামী লীগ। বিএনপি এর কোন পাল্টা কৌশল নির্দিষ্ট করতে পারেনি। তাই সহজেই এরকম একটি প্রচারণা প্রতিষ্ঠিত করে ফেলে সরকার। অন্যদিকে ঠিকই জামায়াতের সঙ্গে তার তৈরি হতে থাকে ভেতরগত ফারাক। এক পর্যায়ে বিএনপির একাধিক নেতাকে এ বিচারে যুক্ত করা হয় ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, বিচারের বিষয়ে তাদের নীরবতা বা পলায়নপরতার নীতি কোন সুফল আনেনি।
প্রথমেই বিএনপি এ বিচারের পক্ষ নিলে সাধারণ মানুষের সমর্থন যেমন তাদের দিকে ঝুঁকতো, তেমনি অপপ্রচারের দায় চাপতো না কাঁধে। সরকারও অধিকতর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়া চালাতে পারতো। এদিকে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জোটে থাকলেও জামায়াতের বহু সিদ্ধান্ত ছিল বিএনপির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওয়ান-ইলেভেনের পর দেশের শীর্ষ দুই নেত্রী যখন কারারুদ্ধ তখন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে জামায়াত। প্রকাশ্যেই তারা ঘোষণা দিয়েছে, বিএনপির দুর্নীতির দায় নেবে না জামায়াত। দলটির সবাই বিশ্বাস করেন বিএনপির সঙ্গে সরকারে থেকে তাদের গায়ে কালি লেগেছে। অথচ ফখরুদ্দীন সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যেতে রাজি না হলেও জামায়াতের চাপের কারণে সে নির্বাচনে তাকে অংশ নিতে হয়। সে নির্বাচনের পর প্রায় এক বছর দল দুইটির মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোন আলাপ-আলোচনা পর্যন্ত হয়নি। বিএনপির অনেকে এখন বলেন, জামায়াত বাগড়া না দিলে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের তকমাটা আওয়ামী লীগের ললাটে ২০০৮ সালেই লেপন করা যেত। আর তাহলে সেই ‘একতরফা নির্বাচনে’ জিতে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলকে আজ যেখানে নামিয়ে এনেছে সেখানে আনতে পারতো না।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দ্বিতীয় উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে রীতিমতো দ্বৈরথ জুড়েছে জামায়াত। সরকারের সঙ্গে সমঝে চলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নিজেদের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করলেও তাদের এ আচরণে চেয়ারম্যান পদে হেরেছে বিএনপি প্রার্থীরা। লক্ষণীয় যে, সাম্প্রতিক ঢাকা সিটি নির্বাচনেও দেখা গেছে বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে গেলেও জামায়াত তার প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে তক্কে তক্কে থেকেছে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে।
জামায়াতের কারণে বিএনপির আন্দোলনের প্ল্যাটফরমে যুক্ত হয়নি সরকারের বাইরে থাকা একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি। উল্টো জামায়াতের কারণে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, রাজশাহী, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রামসহ অনেক জেলায় সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএনপি। সেখানেই শেষ নয়, উইকিলিকস সূত্রেই জানা যায়, ওয়ান-ইলেভেনের আগে চারদলীয় জোটে যোগ দেয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করে এরশাদ বলেছেন, ‘কেয়ারটেকার সরকার আসার আগেই চারদলীয় জোটে আসার ঘোষণা দেব।’ কিন্তু জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান দলের পক্ষে মার্কিন দূতাবাসকে বলেছিলেন, ‘চারদলীয় জোটে এরশাদের প্রয়োজন নেই। শরিকদের সঙ্গে আলোচনা না করে জাতীয় পার্টিকে চারদলীয় জোটে ডাকার এখতিয়ার তারেক রহমানের নেই।’ অন্যদিকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে অস্বস্তির বিষয়টি নতুন নয় বিএনপিতে। উইকিলিকস প্রকাশিত তারবার্তায় দেখা যায়, ২০০৫ সালের ১৪ই ডিসেম্বর তদানীন্তন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব ড. কামাল সিদ্দিকী মার্কিন দূতাবাসের সাবেক চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জুডিথ শামাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামী, জেএমবি প্রসঙ্গে তাঁর বিপরীত মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন। কামাল সিদ্দিকী জুডিথকে বলেছিলেন, বিএনপির ৫০ জন এমপি ক্ষমতাসীন জোট সরকার থেকে জামায়াতকে সরিয়ে দিতে চান। সরকার (চারদলীয় জোট সরকার) জেএমবি’র সন্ত্রাসী চরিত্র অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহল ও বিদেশী কূটনীতিক মহলের স্বস্তির বিষয় হচ্ছে- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমপ্রতি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে বলেছেন, ধর্মের অবদান থাকতে পারে রাজনীতিতে, কিন্তু রাজনৈতিক দল ধর্মকে কেন্দ্র করে হতে পারে না। ধর্মভিত্তিক দল সম্পর্কে তারেক রহমানের বক্তব্য আসলে তিন যুগ আগে দেয়া দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি বক্তব্যের প্রতিধ্বনি। সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সম্পর্কে তার এ বক্তব্য দলটির উপলব্ধির প্রকাশ ধরে নেয়া যায়। অনেকের মতে বিএনপির উচিত তারেকের এই দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ধর্মনিরপেক্ষ কথাটিকে গ্রহণ করতে সচেষ্ট হওয়া। তাদের স্মরণ করিয়ে দেয়া উচিত রাষ্ট্র ধর্ম করা কখনও জিয়ার এজেন্ডা ছিল না। মওলানা ভাসানী ‘ইসলামী সমাজতন্ত্র’ গ্রহণ করেছিলেন। ৭ দলীয় জোটের নেত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া এরশাদের অষ্টম সংশোধনীর বিরোধিতা করেছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1424)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 13
(66)
- বর্বরতা by ওয়েছ খছরু
- শিশু রাজন হত্যায় মুহিতের ৫ দিনের রিমান্ড
- পদপিষ্ট হয়ে ২৭ জনের মৃত্যু- এই নির্দয় দায়িত্বহীনতা...
- কাঁটাবিদ্ধ আশরাফ
- ফখরুদ্দিনের অস্থির অপেক্ষা by কাফি কামাল
- আ.লীগে রাজনৈতিক আশ্রয়! by শরিফুজ্জামান
- একটি ছেলের ১০ বন্ধু থাকলে মেয়েদের কেন নয়? by হোসেন...
- কাফনে ঢাকা সভ্যতার মুখ by সাজেদুল হক
- গ্রিসের গণভোট: গ্রিকদের এই ‘না’র মানে কী by মেরি ...
- লাচ্ছা সেমাই তৈরি হচ্ছে যেভাবে by শাহ্ আলম শাহী
- পেশাদার ভিসায় অদক্ষ শ্রমিক মালয়েশিয়া যাচ্ছেন by শর...
- কেরানীগঞ্জের লুঙ্গি
- সিঁথির বেপরোয়া জীবন by রুদ্র মিজান
- সিরিয়ায় যেমন আছে বাংলাদেশী বৃটিশ পরিবার by হাসান চ...
- বড় পরিসরে কলেরার টিকার সাফল্য -আইসিডিডিআরবির গবেষণা
- লতিফ ইস্যুতে সংসদের ধীরগতি by কাজী সোহাগ
- দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশঃ ছবিতে সৌম্যদের আফ...
- নিয়ম না মানাটাই যেন নিয়ম by মোছাব্বের হোসেন
- এমন অভিজ্ঞতা আগে হয়নি আমলার
- মেঘাকৃতির ‘উড়ন্ত সসার’
- দেশের প্রথম ভূমিকম্প সহনশীল পোশাক কারখানা
- সীমান্ত বরাবর ৪৫০টি মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করবে ভারত
- ফুটেজে বেপরোয়া স্বপ্না by ওয়েছ খছরু
- বারুদ জমিয়ে রেখেছিলেন রুবেল!
- কুমিল্লা সিটি করপোরেশন: পুকুর, দিঘি, খালে আবর্জনার...
- মালিক করপোরেশন দখল অন্যের
- কংগ্রেস-সিপিএম কাছাকাছি আসছে? by অমর সাহা
- বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় রাজনীতি, ঘুষ ও দুর্নীতি...
- ঢাকা দক্ষিণে সমাধান হয়নি, সমস্যা বেড়েছে by অরূপ দত্ত
- ১২ দিনে গড়িয়েছিল যে টেস্ট ম্যাচ!
- এবার ছিনতাইয়ে পুলিশের এসআই
- কোলেস্টেরলের ভয়? এড়িয়ে চলুন এই ১০টি খাবার
- ‘পলাতক’ সাংসদ: আইন নিজস্ব গতিতে চলছে কি?
- পদ্মার বাঁধানো তীরে ধস
- চিতার মুখে স্ত্রী, ছবি তুলছেন স্বামী!
- রেলক্রসিংয়ে হারিয়ে যায় ৭ ঘণ্টা! by মাহবুবুল হক ...
- পাচারকালে শাহজালালে কাছিমের বড় চালান আটক
- চট্টগ্রামে অপসারিত বিলবোর্ড আবার স্থাপন
- পুরান ঢাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগ নেতা বহিষ্কার
- বাংলাদেশের নদী নিয়ে গবেষণা করবেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা
- অস্থির সবজির বাজার কাঁচামরিচ ১২০ টাকা
- ‘ছোটদের কাছেও শুনি ইনিংস বড় করেন’ by রানা আব্বাস
- রইল বাকি অস্ট্রেলিয়া!
- অনশনরত ফিলিস্তিনির মুক্তি
- এবার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে জেল থেকে পালালেন মাদক সম্রাট
- ৩ ঘণ্টায় নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন!
- এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার জনসমক্ষে কাস্ত্রো
- পাকিস্তান সফরে নাটকীয় ফল আশা করবেন না -নরেন্দ্র ম...
- গ্রিস সংকট: ইইউর সম্মেলন বাতিল
- এদের ঈদ নেই
- সুইজারল্যান্ডে ল্যাবরেটরিতে ৬ লক্ষাধিক জীবজন্তু
- বন্ধুর সঙ্গে ভিডিও গেইম খেলতে গার্লফ্রেন্ডকে ‘সিডে...
- ফেনীতে লং কামিজ ফ্লোর টাচ কিরণমালা by নাজমুল হক শামীম
- মামলা নিতে দুই থানার ঠেলাঠেলি
- সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ওপর ‘হামলার’ নিন্দা বসনি...
- সব শঙ্কা উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ
- ‘ভীষণ জরুরি’ জয়, বললেন মাশরাফি
- খাবারের দোকান, নাকি শেয়ারবাজারের সূচক! by রানা আব্বাস
- পানি না এলে কর্মকর্তাদের বসিয়ে রাখা হবে
- চীনে টাইফুন: যোগাযোগ ব্যাহত
- ‘পুরস্কার’ পেলেন মুস্তাফিজ
- ‘সিলেটে কিশোরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা’
- এবার কিরণমালার জয়জয়কার
- ‘আল্লাহর নাম কাবার প্রধান মূর্তির নাম থেকে এসেছে’ ...
- ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ by ইশতিয়াক পারভেজ
- নির্মম, পৈশাচিক!
-
▼
Jul 13
(66)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment