কালান্তরের কড়চা-একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের মরণকামড় by আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

৭ ডিসেম্বর শনিবার ছিলাম জার্মানির অফেনবাখ (Offenbach) শহরে। ফ্রাঙ্কফুর্ট ও অফেনবাখ শহর প্রায় পাশাপাশি। অনেকটা আমাদের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মতো। আমন্ত্রণ জানিয়েছিল জার্মান আওয়ামী লীগ তাদের বিজয় দিবসের সমাবেশ ও সম্মেলনে যোগ দিতে। সকালে (জার্মান সময়) ঘুম থেক উঠে চা খাচ্ছি, তখন খবরটা পেলাম। ঢাকায় ধুমধুমাক্কা। বিজয় দিবসের পরদিনই বিএনপি-জামায়াত শুধু ঢাকা শহরে নয়, সিলেট, বরিশালসহ


আটটি জেলায়-আটটি শহরে রণতাণ্ডবে মেতেছে। আর বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে রাস্তায় নামলে যা হয়, হয় কোনো ব্যবসায়ী তাঁর গাড়ির ভেতরে অথবা রিকশাচালক তাঁর গাড়িসহ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাবেন। এবারও তা-ই হয়েছে। যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। একজন হতভাগ্য যাত্রী বাস থেকে নামতে না পেরে আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। ঢাকায়ও একজন নিহত হয়েছেন। যথারীতি বিএনপির ফখর মির্জা দাবি করেছেন, নিহত ব্যক্তি বিএনপির কর্মী। পুলিশের গুলিতে সে মারা গেছে। কিন্তু নিহত ব্যক্তির পরিবার দাবি করেছে, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ফলে এবার আর লাশের রাজনীতি করা বিএনপি-জামায়াতের পক্ষে সম্ভব হয়নি। বরং তাদের এবারের তাণ্ডব জনগণ এবং অধিকাংশ মিডিয়ায় ধিক্কার কুড়িয়েছে।
যা হোক, বাসি খবরের আর পুনরাবৃত্তি করব না। এই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যুগে ১৭ ডিসেম্বর ঢাকাসহ বাংলাদেশের একাধিক শহরে কী ঘটেছে, তা দেশ-বিদেশের অধিকাংশ মানুষের জানা। আমি লন্ডনে ফিরে এসেছি ও যথারীতি আবার কলম ধরেছি এবং প্রথম লেখায়ই ১৭ ডিসেম্বরের ঘটনার সুরতহাল নিয়ে একটু আলোচনা করছি।
বিজয় দিবসের পরদিনই বিএনপি-জামায়াতকে জোট বেঁধে রাস্তায় নামতে হলো কেন? বিজয় দিবস পালনের জন্য কি? না, এটা বিজয় দিবস পালন নয়; ধ্বংসাত্মক তৎপরতা দ্বারা কেউ বিজয় দিবস পালন করে না। আজকাল আবার জামায়াত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দানের নামে সভা-সমাবেশ ডাকে। এ যেন শিয়াল কর্তৃক মোরগের সংবর্ধনা দানের আয়োজন। মুক্তিযোদ্ধারা এই প্রতারণার ফাঁদে পা দেন না। তখন নকল মুক্তিযোদ্ধা ডেকে আনতে হয়। যা হোক, ১৭ ডিসেম্বরের বোমাবাজি, মানুষ হত্যা, গাড়ি-বাস পোড়ানো কোনো আকস্মিক ব্যাপার নয়। বিএনপি নেত্রী আগেই ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাস্তায় নেমেছেন। এই সরকারের পতন না ঘটিয়ে তিনি আর ঘরে ফিরবেন না। তাই আন্দোলনের নামে এই ধ্বংসাত্মক তাণ্ডব।
কিন্তু এই তাণ্ডবে সরকারের পতন ঘটেনি। আগামীতে এ ধরনের আরো তাণ্ডবে সরকারের পতন ঘটবে, সে সম্ভাবনাও নেই। কারণ ১৭ ডিসেম্বরের তাণ্ডবেও এ কথা প্রমাণ হয়ে গেছে যে বিএনপি-জামায়াতের এই সন্ত্রাস ও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টার পেছনে জনসমর্থন নেই। দেশের মানুষ বুঝে ফেলেছে, বিএনপি-জামায়াতের এই রণতাণ্ডব তাদের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সংকট নিরসনের দাবিতে একটি সুস্থ গণ-আন্দোলন নয়। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধেও এই তাণ্ডব সৃষ্টি নয়। যদি বর্তমান সরকারের নানা ব্যর্থতার বিরুদ্ধে গণদাবিতে এই আন্দোলন হতো, তাহলে বিএনপি আহূত একাধিক হরতালের এবং ১৭ ডিসেম্বরের চেহারা অন্য রকম হতো। বিএনপিকে সংবাদ সম্মেলন ডেকে কিংবা খালেদা জিয়াকে সমাবেশে দাঁড়িয়ে প্রলাপ বকতে হতো না।
বাংলাদেশের মানুষ অনেক আন্দোলনের পোড়খাওয়া। তাদের স্বভাবজাত রাজনৈতিক সচেতনতার ফলেই তারা বুঝতে পেরেছে, বিএনপি-জামায়াত কোনো গণদাবি আদায়ের জন্য আন্দোলনে নামেনি। তাদের মাঠে নামার আশু উদ্দেশ্য দুটি। এক. একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী, বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী প্রমুখের বিচার ভণ্ডুল করা। দুই. খালেদা জিয়ার দুই ছেলে এবং তাদের দুষ্কর্ম ও দুর্নীতির সাথিদের বিচার ও শাস্তি থেকে রক্ষা করা। হিন্দুশাস্ত্র বলে, 'পুত্রার্থে ক্রিয়তে ভার্য্যা।' খালেদা জিয়ার বেলায় 'পুত্রার্থে রক্ষার্থে মাতা।' তা ছাড়া ক্যান্টনমেন্টের অমন প্রাসাদসম বাড়ি হারানোর প্রতিশোধ গ্রহণের ইচ্ছা তো আছেই।
অতীতে বিএনপি-জামায়াত সরকারের অপশাসনের দুঃসহ অভিজ্ঞতা এবং বর্তমানে জনগণের দুঃখ-দুর্দশায় তাদের কুম্ভিরাশ্রু বিসর্জনের আসল কারণ বুঝতে পেরে দেশের মানুষ আর এই দুই দলের হরতাল, আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিতে চায় না। বিএনপি-জামায়াতকে তাই দলের সশস্ত্র ক্যাডার নামিয়ে হরতাল-আন্দোলন সফল করার চেষ্টা চালাতে হয়। ক্যাডাররা বোমাবাজি করে, গাড়ি-বাড়িতে আগুন দেয়। নিরীহ মানুষ মরে। অনেক মানুষ এই সন্ত্রাসের আশঙ্কায় সভয়ে ঘরে থাকে। স্বাভাবিক কাজকর্ম চালাতে পারে না। বিএনপি-জামায়াত প্রচার চালায়, তাদের হরতাল সফল হয়েছে।
তবে বিএনপির সাম্প্রতিক তথাকথিত হরতাল, আন্দোলনগুলোতে দেখা যাচ্ছে, তাদের জনপ্রিয়তা নয়, ধ্বংসাত্মক শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ শাসনে অনেক ব্যর্থতার জন্য আওয়ামী লীগের প্রতি দেশের মানুষের অনীহা বেড়েছে, কিন্তু বিএনপির প্রতি তাদের সমর্থন বাড়েনি। আর জামায়াতের সমর্থন বাড়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যদি আওয়ামী লীগ সরকার তাদের ক্ষমতায় থাকার বর্তমান মেয়াদে একাত্তরের ঘাতক-দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করতে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখায়, অনাবশ্যক কালক্ষেপণ করে, তাহলে সেটাই হবে তাদের পতনের কারণ। আর সাহসের সঙ্গে দেশ ও মানবতার শত্রু এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করতে পারলে বাংলার মাটিতে মুসলিম লীগের চেয়েও শোচনীয়ভাবে জামায়াতের বিলুপ্তি ঘটবে। মিলিয়ন মিলিয়ন পেট্রো ডলার ছড়িয়ে জামায়াত অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারবে না।
জামায়াত নেতারা এ কথা জেনেই মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সরকারবিরোধী বর্তমান আন্দোলনের পেছনে সক্রিয় ও সংগঠিত শক্তি আসলে বিএনপি নয়, এই শক্তি জামায়াত। ২০০৮ সালের নির্বাচনের বিপর্যয়ের ধাক্কা কাটিয়ে বিএনপি এখনো শির খাড়া করতে পারেনি। আর রোডমার্চে তামাশা ও খালেদা জিয়ার সমাবেশে জনতা সাপ্লাই, হরতালের নামে তাণ্ডব সৃষ্টি_সব কিছুর পেছনেই রয়েছে জামায়াত। ২০০৮ সালের নির্বাচন-বিপর্যয়ের পর বিএনপি বহু দিন ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। জামায়াতের সঙ্গে তার সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটেছিল। জামায়াত হয়তো চাইছিল না, বিএনপির শাসনামলের হত্যা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অপশাসনের কলঙ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে। কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হতেই তারা আবার বিএনপির কোলে উঠতে বাধ্য হয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপিরও দরকার জামায়াতকে। নইলে আন্দোলনের নামে দেশে সন্ত্রাস সৃষ্টি, দুই 'যুবরাজ'কে দুর্নীতি, টাকা পাচার, অবৈধ অস্ত্র আমদানি ইত্যাদির মামলা থেকে মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনার অন্য কোনো উপায় তাদের জানা নেই। বাংলাদেশের তখতে তাউসে বসানো তো দূরের কথা। লন্ডনে অবৈধ অর্থের পাহাড়ের চূড়ায় বসে তারেক রহমান বিএনপি-রাজনীতির নাটাই ঘোরাচ্ছেন। জামায়াতকে কোলে নিয়ে মাকে রণরঙ্গিনী বেশে মাঠে নামিয়েছেন। এটা তাঁরও মরণকামড়। ১৭ ডিসেম্বরও এই মরণকামড়ের একটি। এই মরণকামড় সফল না হলে হাওয়া ভবনের এই সাবেক অধীশ্বরকে হয় বিদেশে পলাতক হিসেবে অবশিষ্ট জীবন কাটাতে হবে, নয়তো দেশে ফিরে আদালতের বিচারে দীর্ঘকালের জন্য জেলে গিয়ে মামুন, বাবরদের সঙ্গে বাস করতে হবে।
বিএনপি সাংগঠনিকভাবেও এখন খুবই দুর্বল ও অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত। তবে জামায়াতের মতো দলটি একেবারে জনসমর্থনহীন নয়। জামায়াতের শক্তি তার সংগঠন এবং পেট্রো ডলারের অঢেল পৃষ্ঠপোষকতা। যুদ্ধাপরাধের বিচার ঠেকানোর জন্য প্রচার-প্রপাগান্ডায় তারা দেশ-বিদেশে দুই হাতে টাকা ঢালছে। শোনা যায়, অর্থের জোরে দলটি আওয়ামী লীগের মধ্যেও ট্রয়ের ঘোড়া বসিয়েছে। বিএনপির ঘাড়ে চেপে জামায়াত চাইছে, যুদ্ধাপরাধের বিচার থেকে বাঁচতে অবিলম্বে ছলে-বলে-কৌশলে হাসিনা সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে। অন্যদিকে বিএনপি নেত্রী চাইছেন, দুর্নীতি ও অপশাসন-সংক্রান্ত মামলাগুলো থেকে নিজেকে ও দুই ছেলেকে বাঁচাতে অবিলম্বে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো এবং আবার ক্ষমতা দখল। নইলে শুধু তাঁর নেতৃত্ব নয়, বিএনপির অস্তিত্ব রক্ষা করাও যে অসম্ভব হয়ে পড়বে, এ কথা তিনি জানেন।
ফলে একই লক্ষ্যে বিএনপি-জামায়াতের এ সুদৃঢ় আঁতাত এবং যুক্ত মরণকামড়। বিএনপির হাতে একটি ভোঁতা অস্ত্র_ভারতবিদ্বেষ প্রচার (সাম্প্রতিককালে ভারতের মনমোহন সরকারও এই বিদ্বেষ প্রচারে নিজেদের কার্যকলাপ দ্বারা বিএনপিকে যথেষ্ট রসদ জুগিয়ে চলেছে)। অন্যদিকে জামায়াতের মূলধন, পবিত্র ইসলামের নাম ভাঙিয়ে রাজনৈতিক তেজারতি। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এখন মহানবী (সা.)-এর সেই সতর্কবাণীটির কথা জানে। তিনি বলেছিলেন, 'আখেরি জমানার একটি আলামত (চিহ্ন) হবে, শয়তান আলেমের বেশ ধারণ করে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হবে এবং মুমিনদের বিভ্রান্ত করতে চাইবে।' এই পূতবাণী যে কতটা সঠিক, তা বর্তমান বাংলাদেশে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর চেহারা-সুরত দেখে কি বোঝা যায় না?
বাংলাদেশের নারীবাদীরা আমাকে ক্ষমা করবেন। কিন্তু সারা বিশ্বেই একটা কথা প্রচারিত আছে যে নারীরাই প্রথমে শয়তান দ্বারা প্রভাবিত ও প্রতারিত হয়। যেমন আমাদের আদি জননী মা হাওয়া স্বর্গোদ্যানে বসেই ইবলিশের কথায় প্রভাবিত ও প্রতারিত হয়েছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশেও বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া যে ইবলিশ চক্রের দ্বারা প্রভাবিত ও প্রতারিত হচ্ছেন, তা হয়তো জেনেও না জানার ভান করছেন। কারণ গরজ বড় বালাই। ক্ষমতা দখল ও ছেলেদের জন্য তাঁকে কৈকেয়ীর ভূমিকায় থাকতেই হবে।
বিএনপি-জামায়াত যুক্তভাবে বর্তমান সরকারকে মরণকামড় দিতে দেশব্যাপী তাণ্ডব সৃষ্টির জন্য ১৭ ডিসেম্বর শনিবার চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতেও করবে। তার কর্মসূচি তো তারা দিচ্ছেই। এই মরণকামড় ব্যর্থ করার দুটি মহৌষধ। একটি যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও গণপ্রতিরোধ বৃদ্ধি এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা। এই বিচার বিলম্বিত ও ব্যর্থ করার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা ষড়যন্ত্র চলছে এবং সরকারের ওপর চাপও আছে। সরকারকে মহাজোটের ঐক্য ও শক্তি বাড়িয়ে, গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলে সাহসের সঙ্গে এই চক্রান্তের মোকাবিলা করতে হবে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে। গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করা কেন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, তা আমি জানি না।
বাংলাদেশে একটা ব্যাপার এখন স্পষ্ট। একাত্তরের ঘাতক-দালাল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে দেশের জনমত ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার। বিশেষ করে তরুণ সম্প্রদায় পর্যন্ত উচ্চকণ্ঠে এই বিচার চাইছে। সুতরাং এই বিচার ভণ্ডুল করার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে যে তৎপরতা চলছে, তার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা সরকারের পক্ষে এখন দুরূহ কাজ নয়। দরকার এই বিচার ত্বরান্বিত করার আরো উদ্যোগ, সাহস, মন্ত্রীদের বাকসংযম এবং দেশের প্রখ্যাত আইনজীবীদের_যেমন ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, রোকনউদ্দীন মাহমুদ প্রমুখকেও মামলার প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত করা। সরকার সাহসের সঙ্গে এগিয়ে গেলে দেখা যাবে, বিএনপি-জামায়াতের যুক্ত মরণকামড়ে তাদেরই দুই পাটি দাঁত ভেঙেছে, বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা যায়নি।
প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখি, বিএনপির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতানেত্রীকেও আমি এখন যুদ্ধাপরাধী বলে বিবেচনা করি। কারণ যুদ্ধাপরাধীদের যারা সমর্থন ও সহযোগিতা দেয়, আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী তারাও যুদ্ধাপরাধী ছাড়া আর কী হতে পারে?

লন্ডন, ২১ ডিসেম্বর, বুধবার, ২০১১