Friday, December 23, 2011
সৈয়দ শামসুল হক বললেন-নিজেকেই অতিক্রমের চেষ্টা করি by মাহবুব আজীজ
সৈয়দ শামসুল হক বললেন-নিজেকেই অতিক্রমের চেষ্টা করি by মাহবুব আজীজ
সৈয়দ শামসুল হকের ৭৭তম জন্মদিন আগামী ২৭ ডিসেম্বর। এ উপলক্ষে তাঁর অন্তরঙ্গ সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিলগ্নে শুরুতেই মনে হলো-এত দীর্ঘ যার কাজের পরিধি; তাকে এত সংক্ষিপ্ত পরিসরে ধরা যাবে কি উপায়ে? উপন্যাস, ছোটগল্প, কবিতা, কাব্যনাট্য, সঙ্গীত- শিল্পের এতগুলো আঙ্গিকে কাজের পর কাজ করে যিনি এখনও তরুণের মতো নিজের সৃষ্টিতে মনোযোগী; নিরীক্ষার পর নিরীক্ষায় যিনি নিজেকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার নিয়ত চেষ্টায় রত; যিনি এখনও
নিজের রচনা নিয়ে অবিরত অতৃপ্তিতে ভোগেন_ সেই সৈয়দ শামসুল হকের সঙ্গে পৌষের এক শীত সকালে আমরা তারপরও কথা শুরু করি... শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করতে চাই। সৈয়দ শামসুল হকের মতো অসাধারণ একজন মানুষের সঙ্গে আজ আমরা কথা বলবো...
আমি সাধারণ মানুষ।
কেন আপনি সাধারণ?
আমি বিশ্বাস করি, মানুষ যখন সৃষ্টিশীলতার ভেতর থাকে তখন তার এক ধরনের বদল ঘটে। কিন্তু সেই মুহূর্তের পর আবার সে সাধারণ হয়ে যায়।
আপনি অনেকগুলো আঙ্গিকে কাজ করেন; নিজে একটি শব্দ ব্যবহার করেন 'ভাবনা বীজ'- যে বীজ থেকে লেখা আসে। আপনি কী বীজ থেকে আঙ্গিকে পৌছান; নাকি আঙ্গিক ঠিক করে লেখায় হাত দেন?
আঙ্গিক তো আসে একটা ভাবনা থেকে। যে কোনো শিল্প সৃষ্টি একটি সংকেত। আমরা কিছু সংকেত পাঠাই। সেটা শ্রোতা হোক, পাঠক হোক, দর্শক হোক_ আমরা তাদের কাছে সংকেত পাঠাই। তারা নিজের মতো করে সেটা গ্রহণ করেন। আমি যখন লিখি- ' আমি একটি নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে' এটা একটা সংকেত। তুমি যখন সেটা পড়ছো, তুমি তোমার নদীর পাড় হিসেবেই পড়ছ। এটা আমি একটা বাস্তব উদাহরণ দিলাম। কিন্তু আসলে কাজটা এভাবেই হয়। all our creations are just signals, that we send. কাজটি যত ভালো হয়, সিগন্যালগুলো তত শক্তিশালি হয়।
সত্তর দশকে যখন পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কিংবা আশিতে 'নূরলদীনের সারা জীবন' লিখলেন। সে সময় তো বটেই, পুরো জীবনে আপনি একটিও টেলিভিশন নাটক লিখেননি। যদিও চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যে আপনার কাজ আছে। সত্তর-আশিতে একটিই টিভি চ্যানেল; আপনি লিখলে আপনার ধারেকাছে আসার মতো নাট্যকার কমই ছিল। অর্থাৎ জনপ্রিয় হওয়ার সরল সুযোগ আপনি গ্রহণ করেননি। কী করে আপনি এই মোহ কাটালেন?
দেখো, মোহ ত্যাগ করবার শক্তি বলে কথা নয়। আমার যে প্রধান কাজ, সেটা হচ্ছে লেখা। এবং এই লেখার মাধ্যমেই আমি কাজ করতে চেয়েছি। টেলিভিশন আমার কাছে তথ্যের আদান-প্রদান ছাড়া অন্য কিছু বলে মনে হয়নি। আরেকটি দিক হচ্ছে_ সাধারণ মানুষের বিনোদন। মানুষকে বিনোদিত করবার প্রবণতা অনেকের থাকে। তারা সেটা করেন। আমি চাই মানুষের চিন্তার দিক উন্মোচিত হোক। আমি চিন্তনের দিক নিয়ে কাজ করি। খ্যাতি হচ্ছে তাৎক্ষণিক ব্যাপার। খ্যাতি আমাদের উদ্বুদ্ধ করে। আমি যে খ্যাতি চাই না, তা নয়। আমার কথাগুলো মানুষের কাছে পৌছাচ্ছে, সেই খ্যাতিটুকু আমি চাই। এটাই আমার পাওনা। কিন্তু তাকে আনন্দে, বিনোদনে রাখবার অনেকে আছে। সাহিত্যে বলো, টেলিভিশনে বলো, সিনেমা, নাটকে সব কিছুরই দুটি দিক আছে। বিনোদন ও চিন্তন। আমি চিন্তনের দিক নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি।
আপনার এত প্রস্তুতি কেন? এত শৃঙ্খলা, চিন্তা-ভাবনা কেন লেখায়?
লেখা তো কিছু উপকরণ দিয়ে করতে হয়। মানুষের মৌলিক অনুভূতির জায়গাগুলো পথে পড়ে পাওয়া যায়। এই যে অনুভূতিগুলো এ নিয়ে কোটি কোটি লেখা হয়ে গিয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে। একটা নতুন সময়ে নতুন ভাবনা কীভাবে আমি তুলে ধরছি, কীভাবে আমরা পাচ্ছি, এটাই হলো কথা। আমি দেখি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটা বড় জিনিস ঘটেছে। তা হলো সাধারণ মানুষের অসাধারণে পরিণত হওয়া। আমার উপন্যাসে, নাটকে, কবিতায় আমি এই জিনিস ধরতে চেয়েছি। কীভাবে চাপের মুখে একজন সাধারণ মানুষ অসাধারণে পরিণত হয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সময় হয়েছে বলে, আমি তা করতে পেরেছি। নিশ্চয়ই অতীতে এমন অনেক ঘটনাই ঘটেছে যা নিয়ে কাজ হয়েছে। এই যে সাধারণ মানুষের অসাধারণে পরিনত হওয়া, আমার কাছে এই ঘটনা অনেক বড় ব্যাপার হয়ে ধরা দিয়েছে। আমি এই ব্যাপারটি বিভিন্নভাবে ধরতে চেয়েছি। এমন আরও অনেক বিষয় রয়েছে যেমন ধরো আমার কবিতা। কবিতায় আমি আত্মজৈবনিক বর্ণনা লিখেছি। প্রেমের অনেক মাত্রা যেমন দেহ, দূরত্ব, নৈকট্য সব ভাবে ব্যবহার করেছি। একটা জিনিস আমি সব সময় করার চেষ্টা করি_ আমি নিজেকে সব সময় অতিক্রম করার চেষ্টা করি। এইযে বলো আমার পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সবই হলো নিজেকে অতিক্রম করবার চেষ্টা। আমি পেছনের দিকে ফিরে তাকাই না, যা লিখেছি সেসব সে সময়ের জন্য সত্য।
তাহলে রচনায় আপনি পুনরাবৃত্তি করেন না?
তা তোমরা বলতে পারো।
৬৮/৬৯ সালের দিকে আপনি লন্ডন থেকে শামসুর রাহমানকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিঠিতে লিখেছেন_ 'প্রস্তুতি নিতে নিতে জীবনটা শেষ হয়ে গেল'। এবং আমরা দেখি 'কয়েকটি মানুষের সোনালী যৌবন', 'জনক ও কালো কফিন' উপন্যাস থেকে আপনি ধীরে ধীরে নিজস্ব একটা পথ খুঁজছেন মনে হয়। তারপর 'নিষিদ্ধ লোবান', লন্ডন পর্বের উপন্যাসগুলো, 'বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ' এবং আরও কয়েকটি রচনার পর মনে হচ্ছিল যেন একটি নদী সমুদ্রে গিয়ে মিশেছে। নিজের পথ খুঁজে ফেরার অনুপ্রেরণার কথা বলবেন?
প্রেরণা তো আমরা সবার কাছ থেকে পাই। এমন কি একজন খারাপ লেখকের কাছ থেকেও পাই। কীভাবে পাই সেটা_ এ রকম লিখতে হয় না! লেখক হিসেবে যিনি একদম নিম্নমানের, তার কাছ থেকেও শেখার আছে। আমি যেটা করি_ তা হলো চোখ খোলা রাখি। সমস্ত কিছুর দিকে আমার মনোযোগ আছে। আমি বিচিত্র বিষয়ে পড়াশোনা করি। কবিরাজি বই, ভ্রমন কাহিনী, কবিতা, উপন্যাস, গল্প, মহৎ উপন্যাস সবই পড়ি। আমার লাইব্রেরিতে গিয়ে দেখবে এক আলমিরা ভর্তি কবিতার বই। বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন ভাষার কবিতার বইয়ের অনুবাদ আমার সংগ্রহে আছে। বিষয় কিন্তু একটা বড় প্রসঙ্গ, ঐ যে বললাম_ বিষয় পড়ে পাওয়া যায়। কীভাবে বলছে, কীভাবে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে একটি সময়কে সামনে রেখে মানুষের মনের ভাব বুঝে। এটাই আমার দেখার বিষয়।
খেয়াল করি, পূর্ব নির্ধারিত কোনো সত্য আপনি মানতে চান না। নায়ক এমন হবে, নায়িকাকে হতে হবে এমন। আপনার নায়কদের ভিলেনও বলা যায়। মানুষ যে রকম_ না ফেরেশতা, না শয়তান। ষাট দশকেই আপনি বিষয়টি শনাক্ত করেছেন?
আমার কিছু বলার আছে। ভেতরে জন্ম নেয় যে সব কথা তা বলতে হয়। যতক্ষণ না বলতে পারি, ততক্ষণ অসুস্থবোধ করি। এবং লেখা একধরনের চিকিৎসা আমার কাছে।
শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের ভূমিকায় বলেছেন_ 'আমি খুঁজি, আমরা কোথা থেকে এসেছি, কোথায় যাচ্ছি এবং কেন?'
যেটা আমি করতে চেয়েছি তা হলো, আমি একা মানুষ, কিন্তু একক নই। আমি অনেকের মতোই একজন। এই মানুষ একটি বিশেষ সময়ের, বিশেষ ভাষার। ভাষার কথা বিশেষ করে বলছি এই কারণে যে, ভাষাও কিন্তু আমাদের একটি চেহারা দেয়। ভাষার মাঝে আমাদের নিজস্ব অনুভূতি লুকিয়ে থাকে। এই দেশ এবং বাঙালি উভয়ের মাঝে তফাত আছে। ভাষাও তাকে আলাদা করছে। প্রতিটি ভাষা তার চিন্তনের, তার স্বভাবের, তার প্রকৃতির সাক্ষর বহন করে।
সাম্প্রতিককালে আমরা সাহিত্যে মান-আঞ্চলিকে মেশানো এক মিশ্র ভাষার ব্যবহার দেখছি। টেলিভিশন নাটকে এর ব্যবহার বেশি। এটাও বলা হয়_ 'আমরা সেদিন খুশি হবো, যে দিন খবরের কাগজের হেডিং হবে_ গুলি লাইগ্যা ১০ জন মইরা গ্যাছে।' আপনার মন্তব্য?
ভাষা বিবর্তিত হয়। কিন্তু এটি বিবর্তনের প্রকৃত পথ নয়। ভাষার কিছু ব্যবহারিক দিক থাকে। যেটাকে লোকে ব্যবহার করে থাকে।
কিন্তু সেটা কি সম্পাদনা ছাড়া প্রযুক্ত হতে পারে?
প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা যেতে পারে। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের প্রয়োজনে এমন ভাষা ব্যবহার করা যেতেই পারে। নাটকের মাঝে বড় যে ব্যাপার তা হচ্ছে সমকালীন ভাষার সুর, তরঙ্গ, শব্দের ব্যবহার, বাক্য গঠন এগুলোকে ধরা।
এটা তো একটা ক্যারেক্টারের কথা বলছেন, এটা তো হতেই পারে। কিন্তু বর্ণনার কথা যদি বলি?
না না, এটা হতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি না। দেখো আমরা যখন লিখতে বসি, যতই বলি না কেন প্রচলিত ভাষায় লিখছি। আসলে এটা কৃত্রিম ভাষা। আমি যে ভাষায় লিখছি, যখনই আমি তা সাহিত্যের প্রয়োজনে ব্যবহার করছি, তা কিন্তু কৃত্রিম হয়ে যাচ্ছে। এটা তো আর এমন নয় যে আমি যা পাচ্ছি তা-ই ব্যবহার করছি। তবে একটা মানভাষা রয়েছে, যা আমাদের ধারণ করা জরুরি।
নিজের বিবেচনায় আপনার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস কোন গুলো? যদি নিজে বাছাই করেন?
এটা বলা খুব মুশকিল। আমার নিজের কোনো লেখা আমি ফিরে পড়ি না। তবুও যদি বলতে হয়_ জনক ও কালো কফিন, খেলারাম খেলে যা, দূরত্ব, দ্বিতীয় দিনের কাহিনী, অন্তর্গত, নীল দংশন, নিষিদ্ধ লোবান, ত্রাহি, স্তব্ধতার অনুবাদ। এই উপন্যাসগুলো থেকে আমি এখনও সম্পূর্ণ বেরিয়ে আসতে পারিনি। কারণ এই পরিমণ্ডল আমার প্রিয়। ভেতরে ভেতরে এখনও নাড়া দেয় আমাকে। এই মুহূর্তে ধারাবাহিক যে উপন্যাসটি আমার প্রকাশিত হচ্ছে 'কালি ও কলমে' 'নদী কারো নয়', এই উপন্যাসটি দেশ ভাগের ঘটনা নিয়ে লিখছি। এখানে কোন রাজনীতি নেই। সাধারণ মানুষ কীভাবে দেখছে দেশ ভাগকে, সেটা দেখানোই আমার উদ্দেশ্য।
এখন আপনি আর গল্পকে গল্পই বলছেন না। বলেন, গল্প-প্রবন্ধ। এটা কেন?
আমি এখন গল্পের মাঝে গল্প ব্যবহার করি না। বাইরের প্রভাবে একজন মানুষের ভিতরে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, তা নিয়ে কাজ করি।
সেটার মাঝেও একটা কাহিনী থাকে?
এই যে তুমি আমার সাথে কথা বলছো, সকাল বেলা এসেছ এটাও কাহিনী। আমি তোমাদের দশ মিনিট বসিয়ে রেখে ভিতরে কার সাথে কী কথা বলছিলাম, সেটা তো তোমরা জানো না। এটাও একটা কাহিনী। হয়ত আমি কথা বলছিলাম একজন প্রতারিত মানুষের সাথে। এটাও একটা গল্প। জীবনের প্রতিটি ঘটনাই একেকটা গল্প। গল্প তো এমন নয় যে বানিয়ে বলা হচ্ছে। একটা সময় মানুষ বানিয়ে গল্প বলতো। সেসব দিন চলে গিয়েছে। আগে মানুষ গল্পে একপর্যায়ে বলতো_ 'তারপর কী'? যেমন_ বনের মাঝে দু'জন লোকের দেখা হলো, তারপর? অথবা একটি বিখ্যাত উদাহরণই দেয়া যায়_ একজন লোক একটা ঘরে প্রবেশ করলো, সেখানে গিয়ে দেখতে পেল কিছু টাকা পড়ে আছে, ওই লোকটি টাকা নিলেও গল্প, টাকা না নিলেও গল্প। কথা হচ্ছে 'অ্যাকশন' এবং আমরা কীভাবে তার প্রতিক্রিয়া করছি। এই প্রতিক্রিয়া নির্ভর করে সময় ও আরও অনেক কিছুর উপর। এই যে বাংলাদেশ, যুদ্ধের ভেতর দিয়ে এসেছে। গণতন্ত্র বিকৃত হয়েছে এখানে। আবার গণতন্ত্র ফেরত এসেছে, আবার বিকৃত হয়েছে। এই যে সময়কাল, এর ভেতর মানুষের প্রতিক্রিয়া পাল্টেছে। এই পাল্টানোর মাঝে একটা সাধারন প্রবণতা আছে। এর মাধ্যমে মানুষের মূল্যবোধ পরীক্ষিত হয়। সত্য কথা বলা উচিত, সত্য পথে চলা উচিত, এটা আগেও যেমন সত্য ছিল এখনও আছে। কিন্তু রিঅ্যাকশন পাল্টাচ্ছে সময়ের ওপর নির্ভর করে।
আপনি রাজনীতি সচেতন, তীক্ষষ্ট এবং স্পষ্ট আপনার চিন্তা। কিন্তু আপনার কোনো রচনাতেই রাজনীতি প্রধান চরিত্র নয়। মানুষই সেখানে বড়।
নিশ্চয়ই। মানুষই মূল বিষয়। আমরা তো মানুষ ছাড়া আর অন্য কিছু নিয়ে লিখতে পারি না। এই যেমন, ঈশপের গল্প। তিনি যে জীবজন্তু নিয়ে গল্প লিখেছেন, সেখানেও কিন্তু মানব চরিত্র আরোপিত। শেয়াল যখন বলে আঙুর ফল টক, এটা কিন্তু মানুষেরই কথা। মানুষই হচ্ছে বিষয়। এই মানুষ কিন্তু অমর নয়। আমরা আসি এবং চলে যাই। কোথা থেকে আসি জানি না এবং কোথায় চলে যাই জানি না। এ দুটো সর্ম্পকে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমি নিজেও এ বিষয়ে অজ্ঞেয় । কিন্তু আমি যতক্ষণ এখানে আছি ; এ জীবনকে অর্থময় করে যেতে হবে। অনেক ভাবে জীবনকে অর্থময় করা যায়। অনেকে আছেন জনসেবা করেন। অনেকেই আছেন প্রেম করেন, অনেকে সম্পদ গড়েন, তাদের কাছে সেটাই অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। আবার এমনও হয় কোনো অর্থই আরোপ করছে না জীবন, কোনো প্রভাবই নেই। আমার একটা গল্প আছে 'উদ্বেগ'। গল্পটা হলো, এক লোক ভাবছে এতবড় একটা মুক্তিযুদ্ধ হয়ে গেল অথচ আমার কোনো আত্মীয় মারা যায়নি, আমাকে পুলিশে ধরেনি, রাজাকার ধরেনি এক কথায় কিছুই হয়নি। কিন্তু অনেকের অনেক কিছুই ঘটেছে। সে লোকটি নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাচ্ছিল না। তখন যে সাংবাদিক তার সঙ্গে কথা বলছিল, সে তাকে বললো, এই যে আপনার উদ্বেগ এটাই আপনার প্রাপ্তি। আপনি নিজের কথা ভাবছেন না। আপনি অনেকের হয়ে ভাবছেন। এইযে আপনার কিছু হয়নি, কিন্তু আপনি চাচ্ছেন আপনার কিছু হোক বা হতো। এটাও কিন্তু সত্য।
এবার কবিতার কথা। আপনার 'পরানের গহীন ভিতর' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বড় অধ্যায় হয়ে আছে। জসীমউদ্দীনের গ্রাম নিয়ে ভাবনা, আল মাহমুদের প্রাকৃত জীবনাচরণ নিয়ে ভাবনা এবং আপনার ভাবনা। এই তিন জনের কাজের ধরন নিশ্চয়ই একরকম নয়?
আমি আমার মতো। এরা সকলেই আমার অগ্রজ, কেউ সমসাময়িক। এদর কারও মতোই আমি নই। এককথায় আমি অনুভবের জায়গা থেকেই লিখেছি।
আমরা এভাবেও বলতে পারি, আপনি পরিশীলিত আধুনিক প্রকাশের মাধ্যমে অনুভূতির জায়গা থেকে প্রান্তিক মানুষের কথা বলতে গিয়ে নির্বিশেষ মানুষের কথাই বলেছেন। অন্য কাউকে ছোট করে বলছি না। অন্যদের দেখার ভঙ্গি ঠিক এতোটা আধুনিক ছিল না? আধুনিক ঠিক নয়। আমি যেটা বলবো, জসীমউদ্দীন খুব খাঁটি ছিলেন। কিন্তু আল মাহমুদের ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। তার অনেকটাই আরোপিত। যেন কিছু একটা তাকে করতে হবে এজন্য করা। এটা অনেকটা এরকম_ মঞ্চে দাঁড়িয়েছি, মঞ্চ অন্ধকার, একটা হ্যাট থেকে আমি একটা বিড়াল বের করলাম, কবুতর উড়িয়ে দিলাম। আমার হাতের লাঠিটা ফুলের স্তবকে পরিণত হলো। আর আমার ক্ষেত্রে; আমি খুব স্বাভাবিকভাবে লিখেছি। 'পরানের গহীন ভিতর' যখন লিখলাম তখন দেখলাম আমি আমার মায়ের সাথে যে ভাষায় কথা বলতাম, তিনি আমার সাথে যে ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতেন, সেটা আমি গভীর অনুভূতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। এটা আমার এক ধরনের অনুশীলনও বলা যায়, আমার দেশ-ভাষাকে বুঝে নিয়ে প্রকাশ করা। আমি এ নিয়ে আরও কাজ করেছি। যেমন_ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নুরলদীনের সারা জীবন। আঞ্চলিক ভাষার যে একটা শক্তি আছে তা আমি প্রকাশ করতে চেয়েছি।
পরে আর করলেন না কেন? বা আগামীতে কি করবেন?
আমার নাটকের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসেছে। কিন্তু কবিতার ক্ষেত্রে আমি আর প্রয়োজন বোধ করিনি। কারণ কবিতায় আমরা ভাষাকে সবর্োচ্চ কুমারী রূপে পাই। এবং তা নতুন অর্থে বিভিন্নভাবে দাঁড় করাই। কবিতায় যখন কিছু শব্দ পাশাপাশি থাকে, তার নানান প্রতিফলন ঘটে। কবিতার নানা ছন্দ। তা গদ্যে হোক আর পদ্যে হোক। গদ্যেরও একটা ছন্দ আছে। তার জন্য একটা মান ভাষা খুব দরকার। যেখানে ভাষার ইউনিটগুলো খুব স্পষ্ট। আঞ্চলিক ভাষার ইউনিটগুলো স্পষ্ট এবং আকৃষ্ট করে। আগেও বলেছি_ আমি যা করি তার দিকে আর ফিরে তাকাই না।
নিজের দীর্ঘ কবিতা নিয়ে আপনি কী বলবেন?
দীর্ঘ কবিতা নিয়ে আমার কথা হচ্ছে, দীর্ঘদিন থেকে গীতল এবং খণ্ড কবিতা লিখে আমরা বাংলা কবিতাকে একটা গোলক ধাঁধার মধ্যে ফেলে দিয়েছি। এটা পরিবর্তন হওয়া জরুরি। দীর্ঘ কবিতা রঃ্থং ষরশব ধহ বংংধু. একটা বিষয় আছে যাকে গড়ে তুলবার অবকাশ দিতে হবে। বাংলা কবিতায় রবীন্দ্রনাথের পর এমনটা আর কেউ করেননি। কবিতায় কিন্তু সবচেয়ে বেশি যুক্তির ব্যবহার হয়। দীর্ঘ কবিতার মাঝে যে যুক্তি পরম্পরা আছে আমি সে কাজটাই করতে চেয়েছি। যেমন 'বৈশাখে রচিত পঙ্ক্তিমালা'। আমি অনেকদিন যাবত কবিতা লিখছিলাম না। তারপর আমি ভাবলাম কেন লিখছি না? আমি তাই রচনার মতো করে কবিতা লিখেছি।
সাম্প্রতিক 'ভালোবাসার রাতে' কাব্যগ্রন্থ পড়ে পাঠকের মনে হবে, যেন কোনো তরুণ কবি ২৫/২৬ বছর বয়স, এই কবিতাগুলো লিখেছে। আপনার এই তরুণ প্রেমিক হয়ে থাকার রহস্য কী?
প্রেম তো সর্বত্রই। প্রেম আমার কাছে অনেকটাই একাডেমিক। যেমন দয়া। আমরা কি সর্বত্রই দয়া দেখাচ্ছি? এগুলো আমাদের মনের ভিতরে রয়েছে। তো প্রেমে না পড়ে যে এসব লেখা সম্ভব না এটা ঠিক না। কারবালার যুদ্ধে না গিয়ে মীর মশারফ হোসেন বিষাদসিন্ধু লিখেছেন, পলাশীর যুদ্ধে না গিয়ে শচীন সেনগুপ্ত সিরাজউদদৌলা লিখেছেন। কাজেই মরে গিয়ে মৃত্যু সম্পর্কে লিখতে হবে এটা কিন্তু ঠিক নয়।
আপনি বলছেন প্রেমে না পড়েও এমন কবিতা লেখা সম্ভব?
শুধু প্রেমে কেন, যে কোনো অনুভূতির মধ্যে ঢুকে গিয়ে তা নিয়ে লেখা সম্ভব। আমার তো মনে হয়, বাংলাদেশে যত কবিতা লেখা হচ্ছে, যত কবি আছে, তাদের যদি সম্মত রূপসী একজন করে রমনী ধরিয়ে দেয়া হয়, তাহলে বারো আনা কবিতা লেখা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রেম তো অনেক দিক রয়েছে। যেমন- দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, ঈশ্বরপ্রেম, ভাষাপ্রেম। প্রেম বলতে তো আমরা নর- নারীর সম্পর্কই বুঝি। 'ভালোবাসার রাতে' কাব্য গ্রন্থে আমি যেটা করতে চেয়েছি, তা হলো দেহতাতি্বক আলোচনা। যা বাংলা কবিতায় অনেক দিন ধরেই অনুপস্থিত।
এবার আমরা আপনার নাটকের প্রসঙ্গে আসি।
নাটক আমার সবশেষের সংসার। সাহিত্যের অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করেছি। নাটক আমি প্রথম লিখি ১৯৭৫ সালে। নাটক অনেক লোক নিয়ে হয়। এবং সবার বোধবুদ্ধি এক রকম নয়, মান এক রকম নয়। অ্যালবেয়ার ক্যামু বলেছেন- একজন রসনবপরষব এবং একজন রহঃবষবপঃঁধষ ব্যক্তি পাশাপাশি বসে বিশ টাকার টিকিটে নাটক দেখবে। তাদের উভয়কেই কিছু না কিছু দিতে হবে আপনার। শেক্সপিয়ারের সময় সাধারণ মানুষও নাটক দেখতো , রাজা- রানীরাও নাটক দেখত। এমনকি খেতে খেতে, ড্রিঙ্ক করতে করেতও নাটক দেখত মানুষ গ্গ্নোব থিয়েটারে। তাদের সবাইকেই আপনার কিছু না কিছু দিতে হবে। কোন কোন বিষয় আছে যা সরাসরি দৃশ্যায়নের মাধ্যমে পেঁৗছাতে হবে। যেমন 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়', এটা নিয়ে আমি গল্প লিখতে পারতাম, উপন্যাস এমনকি কবিতাও লিখতে পারতাম। কিন্তু আমি নাটক লিখেছি। যা অনেক মানুষের কাছে পেঁৗছিয়েছে। এমনকি অনেক নিরক্ষর মানুষও দেখেছে এই নাটক। নাটকে এই জিনিসটা আছে। সম্মিলিত এক দল মানুষের কাছে যাওয়া যায়।
আপনার কাব্যনাট্যের প্রেরণা কি পাশ্চাত্য?
তা নয়। কাব্যনাট্য আমাদের বাংলা সাহিত্যের নিজস্ব ফর্ম। একটা কথা বলার জন্য ছন্দবদ্ধ উক্তি কিংবা কিছু বোঝানোর জন্য উপমার ব্যবহার। বাঙালি উপমাপ্রবণ জাতি। সবকিছুতেই উপমা ব্যবহার করতে ভালোবাসে। সব কিছু নিয়ে আমার মনে হয়েছে_ কাব্য নাট্য আমাদের মাটির নিজস্ব একটি ধারা। আমি তাই লিখেছি। নূরলদীনের সারা জীবন, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, ঈর্ষা, গণনায়ক, খাট্টা তামাশা। খাট্টা তামাশায় আবার মিশ্রভাবে ব্যবহার করেছি। ...মানুষ হচ্ছে সব কিছুর কেন্দ্রে আমার কাছে। মানুষকে নিয়ে আমার ভাবনা। এবং মানুষ একটি সময়ের ভেতরে বাস করে। ভাষা, সমাজ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে মানুষ চলে।
আমি সাধারণ মানুষ।
কেন আপনি সাধারণ?
আমি বিশ্বাস করি, মানুষ যখন সৃষ্টিশীলতার ভেতর থাকে তখন তার এক ধরনের বদল ঘটে। কিন্তু সেই মুহূর্তের পর আবার সে সাধারণ হয়ে যায়।
আপনি অনেকগুলো আঙ্গিকে কাজ করেন; নিজে একটি শব্দ ব্যবহার করেন 'ভাবনা বীজ'- যে বীজ থেকে লেখা আসে। আপনি কী বীজ থেকে আঙ্গিকে পৌছান; নাকি আঙ্গিক ঠিক করে লেখায় হাত দেন?
আঙ্গিক তো আসে একটা ভাবনা থেকে। যে কোনো শিল্প সৃষ্টি একটি সংকেত। আমরা কিছু সংকেত পাঠাই। সেটা শ্রোতা হোক, পাঠক হোক, দর্শক হোক_ আমরা তাদের কাছে সংকেত পাঠাই। তারা নিজের মতো করে সেটা গ্রহণ করেন। আমি যখন লিখি- ' আমি একটি নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে' এটা একটা সংকেত। তুমি যখন সেটা পড়ছো, তুমি তোমার নদীর পাড় হিসেবেই পড়ছ। এটা আমি একটা বাস্তব উদাহরণ দিলাম। কিন্তু আসলে কাজটা এভাবেই হয়। all our creations are just signals, that we send. কাজটি যত ভালো হয়, সিগন্যালগুলো তত শক্তিশালি হয়।
সত্তর দশকে যখন পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কিংবা আশিতে 'নূরলদীনের সারা জীবন' লিখলেন। সে সময় তো বটেই, পুরো জীবনে আপনি একটিও টেলিভিশন নাটক লিখেননি। যদিও চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যে আপনার কাজ আছে। সত্তর-আশিতে একটিই টিভি চ্যানেল; আপনি লিখলে আপনার ধারেকাছে আসার মতো নাট্যকার কমই ছিল। অর্থাৎ জনপ্রিয় হওয়ার সরল সুযোগ আপনি গ্রহণ করেননি। কী করে আপনি এই মোহ কাটালেন?
দেখো, মোহ ত্যাগ করবার শক্তি বলে কথা নয়। আমার যে প্রধান কাজ, সেটা হচ্ছে লেখা। এবং এই লেখার মাধ্যমেই আমি কাজ করতে চেয়েছি। টেলিভিশন আমার কাছে তথ্যের আদান-প্রদান ছাড়া অন্য কিছু বলে মনে হয়নি। আরেকটি দিক হচ্ছে_ সাধারণ মানুষের বিনোদন। মানুষকে বিনোদিত করবার প্রবণতা অনেকের থাকে। তারা সেটা করেন। আমি চাই মানুষের চিন্তার দিক উন্মোচিত হোক। আমি চিন্তনের দিক নিয়ে কাজ করি। খ্যাতি হচ্ছে তাৎক্ষণিক ব্যাপার। খ্যাতি আমাদের উদ্বুদ্ধ করে। আমি যে খ্যাতি চাই না, তা নয়। আমার কথাগুলো মানুষের কাছে পৌছাচ্ছে, সেই খ্যাতিটুকু আমি চাই। এটাই আমার পাওনা। কিন্তু তাকে আনন্দে, বিনোদনে রাখবার অনেকে আছে। সাহিত্যে বলো, টেলিভিশনে বলো, সিনেমা, নাটকে সব কিছুরই দুটি দিক আছে। বিনোদন ও চিন্তন। আমি চিন্তনের দিক নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি।
আপনার এত প্রস্তুতি কেন? এত শৃঙ্খলা, চিন্তা-ভাবনা কেন লেখায়?
লেখা তো কিছু উপকরণ দিয়ে করতে হয়। মানুষের মৌলিক অনুভূতির জায়গাগুলো পথে পড়ে পাওয়া যায়। এই যে অনুভূতিগুলো এ নিয়ে কোটি কোটি লেখা হয়ে গিয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে। একটা নতুন সময়ে নতুন ভাবনা কীভাবে আমি তুলে ধরছি, কীভাবে আমরা পাচ্ছি, এটাই হলো কথা। আমি দেখি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটা বড় জিনিস ঘটেছে। তা হলো সাধারণ মানুষের অসাধারণে পরিণত হওয়া। আমার উপন্যাসে, নাটকে, কবিতায় আমি এই জিনিস ধরতে চেয়েছি। কীভাবে চাপের মুখে একজন সাধারণ মানুষ অসাধারণে পরিণত হয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সময় হয়েছে বলে, আমি তা করতে পেরেছি। নিশ্চয়ই অতীতে এমন অনেক ঘটনাই ঘটেছে যা নিয়ে কাজ হয়েছে। এই যে সাধারণ মানুষের অসাধারণে পরিনত হওয়া, আমার কাছে এই ঘটনা অনেক বড় ব্যাপার হয়ে ধরা দিয়েছে। আমি এই ব্যাপারটি বিভিন্নভাবে ধরতে চেয়েছি। এমন আরও অনেক বিষয় রয়েছে যেমন ধরো আমার কবিতা। কবিতায় আমি আত্মজৈবনিক বর্ণনা লিখেছি। প্রেমের অনেক মাত্রা যেমন দেহ, দূরত্ব, নৈকট্য সব ভাবে ব্যবহার করেছি। একটা জিনিস আমি সব সময় করার চেষ্টা করি_ আমি নিজেকে সব সময় অতিক্রম করার চেষ্টা করি। এইযে বলো আমার পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সবই হলো নিজেকে অতিক্রম করবার চেষ্টা। আমি পেছনের দিকে ফিরে তাকাই না, যা লিখেছি সেসব সে সময়ের জন্য সত্য।
তাহলে রচনায় আপনি পুনরাবৃত্তি করেন না?
তা তোমরা বলতে পারো।
৬৮/৬৯ সালের দিকে আপনি লন্ডন থেকে শামসুর রাহমানকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিঠিতে লিখেছেন_ 'প্রস্তুতি নিতে নিতে জীবনটা শেষ হয়ে গেল'। এবং আমরা দেখি 'কয়েকটি মানুষের সোনালী যৌবন', 'জনক ও কালো কফিন' উপন্যাস থেকে আপনি ধীরে ধীরে নিজস্ব একটা পথ খুঁজছেন মনে হয়। তারপর 'নিষিদ্ধ লোবান', লন্ডন পর্বের উপন্যাসগুলো, 'বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ' এবং আরও কয়েকটি রচনার পর মনে হচ্ছিল যেন একটি নদী সমুদ্রে গিয়ে মিশেছে। নিজের পথ খুঁজে ফেরার অনুপ্রেরণার কথা বলবেন?
প্রেরণা তো আমরা সবার কাছ থেকে পাই। এমন কি একজন খারাপ লেখকের কাছ থেকেও পাই। কীভাবে পাই সেটা_ এ রকম লিখতে হয় না! লেখক হিসেবে যিনি একদম নিম্নমানের, তার কাছ থেকেও শেখার আছে। আমি যেটা করি_ তা হলো চোখ খোলা রাখি। সমস্ত কিছুর দিকে আমার মনোযোগ আছে। আমি বিচিত্র বিষয়ে পড়াশোনা করি। কবিরাজি বই, ভ্রমন কাহিনী, কবিতা, উপন্যাস, গল্প, মহৎ উপন্যাস সবই পড়ি। আমার লাইব্রেরিতে গিয়ে দেখবে এক আলমিরা ভর্তি কবিতার বই। বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন ভাষার কবিতার বইয়ের অনুবাদ আমার সংগ্রহে আছে। বিষয় কিন্তু একটা বড় প্রসঙ্গ, ঐ যে বললাম_ বিষয় পড়ে পাওয়া যায়। কীভাবে বলছে, কীভাবে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে একটি সময়কে সামনে রেখে মানুষের মনের ভাব বুঝে। এটাই আমার দেখার বিষয়।
খেয়াল করি, পূর্ব নির্ধারিত কোনো সত্য আপনি মানতে চান না। নায়ক এমন হবে, নায়িকাকে হতে হবে এমন। আপনার নায়কদের ভিলেনও বলা যায়। মানুষ যে রকম_ না ফেরেশতা, না শয়তান। ষাট দশকেই আপনি বিষয়টি শনাক্ত করেছেন?
আমার কিছু বলার আছে। ভেতরে জন্ম নেয় যে সব কথা তা বলতে হয়। যতক্ষণ না বলতে পারি, ততক্ষণ অসুস্থবোধ করি। এবং লেখা একধরনের চিকিৎসা আমার কাছে।
শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের ভূমিকায় বলেছেন_ 'আমি খুঁজি, আমরা কোথা থেকে এসেছি, কোথায় যাচ্ছি এবং কেন?'
যেটা আমি করতে চেয়েছি তা হলো, আমি একা মানুষ, কিন্তু একক নই। আমি অনেকের মতোই একজন। এই মানুষ একটি বিশেষ সময়ের, বিশেষ ভাষার। ভাষার কথা বিশেষ করে বলছি এই কারণে যে, ভাষাও কিন্তু আমাদের একটি চেহারা দেয়। ভাষার মাঝে আমাদের নিজস্ব অনুভূতি লুকিয়ে থাকে। এই দেশ এবং বাঙালি উভয়ের মাঝে তফাত আছে। ভাষাও তাকে আলাদা করছে। প্রতিটি ভাষা তার চিন্তনের, তার স্বভাবের, তার প্রকৃতির সাক্ষর বহন করে।
সাম্প্রতিককালে আমরা সাহিত্যে মান-আঞ্চলিকে মেশানো এক মিশ্র ভাষার ব্যবহার দেখছি। টেলিভিশন নাটকে এর ব্যবহার বেশি। এটাও বলা হয়_ 'আমরা সেদিন খুশি হবো, যে দিন খবরের কাগজের হেডিং হবে_ গুলি লাইগ্যা ১০ জন মইরা গ্যাছে।' আপনার মন্তব্য?
ভাষা বিবর্তিত হয়। কিন্তু এটি বিবর্তনের প্রকৃত পথ নয়। ভাষার কিছু ব্যবহারিক দিক থাকে। যেটাকে লোকে ব্যবহার করে থাকে।
কিন্তু সেটা কি সম্পাদনা ছাড়া প্রযুক্ত হতে পারে?
প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা যেতে পারে। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের প্রয়োজনে এমন ভাষা ব্যবহার করা যেতেই পারে। নাটকের মাঝে বড় যে ব্যাপার তা হচ্ছে সমকালীন ভাষার সুর, তরঙ্গ, শব্দের ব্যবহার, বাক্য গঠন এগুলোকে ধরা।
এটা তো একটা ক্যারেক্টারের কথা বলছেন, এটা তো হতেই পারে। কিন্তু বর্ণনার কথা যদি বলি?
না না, এটা হতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি না। দেখো আমরা যখন লিখতে বসি, যতই বলি না কেন প্রচলিত ভাষায় লিখছি। আসলে এটা কৃত্রিম ভাষা। আমি যে ভাষায় লিখছি, যখনই আমি তা সাহিত্যের প্রয়োজনে ব্যবহার করছি, তা কিন্তু কৃত্রিম হয়ে যাচ্ছে। এটা তো আর এমন নয় যে আমি যা পাচ্ছি তা-ই ব্যবহার করছি। তবে একটা মানভাষা রয়েছে, যা আমাদের ধারণ করা জরুরি।
নিজের বিবেচনায় আপনার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস কোন গুলো? যদি নিজে বাছাই করেন?
এটা বলা খুব মুশকিল। আমার নিজের কোনো লেখা আমি ফিরে পড়ি না। তবুও যদি বলতে হয়_ জনক ও কালো কফিন, খেলারাম খেলে যা, দূরত্ব, দ্বিতীয় দিনের কাহিনী, অন্তর্গত, নীল দংশন, নিষিদ্ধ লোবান, ত্রাহি, স্তব্ধতার অনুবাদ। এই উপন্যাসগুলো থেকে আমি এখনও সম্পূর্ণ বেরিয়ে আসতে পারিনি। কারণ এই পরিমণ্ডল আমার প্রিয়। ভেতরে ভেতরে এখনও নাড়া দেয় আমাকে। এই মুহূর্তে ধারাবাহিক যে উপন্যাসটি আমার প্রকাশিত হচ্ছে 'কালি ও কলমে' 'নদী কারো নয়', এই উপন্যাসটি দেশ ভাগের ঘটনা নিয়ে লিখছি। এখানে কোন রাজনীতি নেই। সাধারণ মানুষ কীভাবে দেখছে দেশ ভাগকে, সেটা দেখানোই আমার উদ্দেশ্য।
এখন আপনি আর গল্পকে গল্পই বলছেন না। বলেন, গল্প-প্রবন্ধ। এটা কেন?
আমি এখন গল্পের মাঝে গল্প ব্যবহার করি না। বাইরের প্রভাবে একজন মানুষের ভিতরে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, তা নিয়ে কাজ করি।
সেটার মাঝেও একটা কাহিনী থাকে?
এই যে তুমি আমার সাথে কথা বলছো, সকাল বেলা এসেছ এটাও কাহিনী। আমি তোমাদের দশ মিনিট বসিয়ে রেখে ভিতরে কার সাথে কী কথা বলছিলাম, সেটা তো তোমরা জানো না। এটাও একটা কাহিনী। হয়ত আমি কথা বলছিলাম একজন প্রতারিত মানুষের সাথে। এটাও একটা গল্প। জীবনের প্রতিটি ঘটনাই একেকটা গল্প। গল্প তো এমন নয় যে বানিয়ে বলা হচ্ছে। একটা সময় মানুষ বানিয়ে গল্প বলতো। সেসব দিন চলে গিয়েছে। আগে মানুষ গল্পে একপর্যায়ে বলতো_ 'তারপর কী'? যেমন_ বনের মাঝে দু'জন লোকের দেখা হলো, তারপর? অথবা একটি বিখ্যাত উদাহরণই দেয়া যায়_ একজন লোক একটা ঘরে প্রবেশ করলো, সেখানে গিয়ে দেখতে পেল কিছু টাকা পড়ে আছে, ওই লোকটি টাকা নিলেও গল্প, টাকা না নিলেও গল্প। কথা হচ্ছে 'অ্যাকশন' এবং আমরা কীভাবে তার প্রতিক্রিয়া করছি। এই প্রতিক্রিয়া নির্ভর করে সময় ও আরও অনেক কিছুর উপর। এই যে বাংলাদেশ, যুদ্ধের ভেতর দিয়ে এসেছে। গণতন্ত্র বিকৃত হয়েছে এখানে। আবার গণতন্ত্র ফেরত এসেছে, আবার বিকৃত হয়েছে। এই যে সময়কাল, এর ভেতর মানুষের প্রতিক্রিয়া পাল্টেছে। এই পাল্টানোর মাঝে একটা সাধারন প্রবণতা আছে। এর মাধ্যমে মানুষের মূল্যবোধ পরীক্ষিত হয়। সত্য কথা বলা উচিত, সত্য পথে চলা উচিত, এটা আগেও যেমন সত্য ছিল এখনও আছে। কিন্তু রিঅ্যাকশন পাল্টাচ্ছে সময়ের ওপর নির্ভর করে।
আপনি রাজনীতি সচেতন, তীক্ষষ্ট এবং স্পষ্ট আপনার চিন্তা। কিন্তু আপনার কোনো রচনাতেই রাজনীতি প্রধান চরিত্র নয়। মানুষই সেখানে বড়।
নিশ্চয়ই। মানুষই মূল বিষয়। আমরা তো মানুষ ছাড়া আর অন্য কিছু নিয়ে লিখতে পারি না। এই যেমন, ঈশপের গল্প। তিনি যে জীবজন্তু নিয়ে গল্প লিখেছেন, সেখানেও কিন্তু মানব চরিত্র আরোপিত। শেয়াল যখন বলে আঙুর ফল টক, এটা কিন্তু মানুষেরই কথা। মানুষই হচ্ছে বিষয়। এই মানুষ কিন্তু অমর নয়। আমরা আসি এবং চলে যাই। কোথা থেকে আসি জানি না এবং কোথায় চলে যাই জানি না। এ দুটো সর্ম্পকে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমি নিজেও এ বিষয়ে অজ্ঞেয় । কিন্তু আমি যতক্ষণ এখানে আছি ; এ জীবনকে অর্থময় করে যেতে হবে। অনেক ভাবে জীবনকে অর্থময় করা যায়। অনেকে আছেন জনসেবা করেন। অনেকেই আছেন প্রেম করেন, অনেকে সম্পদ গড়েন, তাদের কাছে সেটাই অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। আবার এমনও হয় কোনো অর্থই আরোপ করছে না জীবন, কোনো প্রভাবই নেই। আমার একটা গল্প আছে 'উদ্বেগ'। গল্পটা হলো, এক লোক ভাবছে এতবড় একটা মুক্তিযুদ্ধ হয়ে গেল অথচ আমার কোনো আত্মীয় মারা যায়নি, আমাকে পুলিশে ধরেনি, রাজাকার ধরেনি এক কথায় কিছুই হয়নি। কিন্তু অনেকের অনেক কিছুই ঘটেছে। সে লোকটি নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাচ্ছিল না। তখন যে সাংবাদিক তার সঙ্গে কথা বলছিল, সে তাকে বললো, এই যে আপনার উদ্বেগ এটাই আপনার প্রাপ্তি। আপনি নিজের কথা ভাবছেন না। আপনি অনেকের হয়ে ভাবছেন। এইযে আপনার কিছু হয়নি, কিন্তু আপনি চাচ্ছেন আপনার কিছু হোক বা হতো। এটাও কিন্তু সত্য।
এবার কবিতার কথা। আপনার 'পরানের গহীন ভিতর' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বড় অধ্যায় হয়ে আছে। জসীমউদ্দীনের গ্রাম নিয়ে ভাবনা, আল মাহমুদের প্রাকৃত জীবনাচরণ নিয়ে ভাবনা এবং আপনার ভাবনা। এই তিন জনের কাজের ধরন নিশ্চয়ই একরকম নয়?
আমি আমার মতো। এরা সকলেই আমার অগ্রজ, কেউ সমসাময়িক। এদর কারও মতোই আমি নই। এককথায় আমি অনুভবের জায়গা থেকেই লিখেছি।
আমরা এভাবেও বলতে পারি, আপনি পরিশীলিত আধুনিক প্রকাশের মাধ্যমে অনুভূতির জায়গা থেকে প্রান্তিক মানুষের কথা বলতে গিয়ে নির্বিশেষ মানুষের কথাই বলেছেন। অন্য কাউকে ছোট করে বলছি না। অন্যদের দেখার ভঙ্গি ঠিক এতোটা আধুনিক ছিল না? আধুনিক ঠিক নয়। আমি যেটা বলবো, জসীমউদ্দীন খুব খাঁটি ছিলেন। কিন্তু আল মাহমুদের ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। তার অনেকটাই আরোপিত। যেন কিছু একটা তাকে করতে হবে এজন্য করা। এটা অনেকটা এরকম_ মঞ্চে দাঁড়িয়েছি, মঞ্চ অন্ধকার, একটা হ্যাট থেকে আমি একটা বিড়াল বের করলাম, কবুতর উড়িয়ে দিলাম। আমার হাতের লাঠিটা ফুলের স্তবকে পরিণত হলো। আর আমার ক্ষেত্রে; আমি খুব স্বাভাবিকভাবে লিখেছি। 'পরানের গহীন ভিতর' যখন লিখলাম তখন দেখলাম আমি আমার মায়ের সাথে যে ভাষায় কথা বলতাম, তিনি আমার সাথে যে ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতেন, সেটা আমি গভীর অনুভূতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। এটা আমার এক ধরনের অনুশীলনও বলা যায়, আমার দেশ-ভাষাকে বুঝে নিয়ে প্রকাশ করা। আমি এ নিয়ে আরও কাজ করেছি। যেমন_ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নুরলদীনের সারা জীবন। আঞ্চলিক ভাষার যে একটা শক্তি আছে তা আমি প্রকাশ করতে চেয়েছি।
পরে আর করলেন না কেন? বা আগামীতে কি করবেন?
আমার নাটকের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসেছে। কিন্তু কবিতার ক্ষেত্রে আমি আর প্রয়োজন বোধ করিনি। কারণ কবিতায় আমরা ভাষাকে সবর্োচ্চ কুমারী রূপে পাই। এবং তা নতুন অর্থে বিভিন্নভাবে দাঁড় করাই। কবিতায় যখন কিছু শব্দ পাশাপাশি থাকে, তার নানান প্রতিফলন ঘটে। কবিতার নানা ছন্দ। তা গদ্যে হোক আর পদ্যে হোক। গদ্যেরও একটা ছন্দ আছে। তার জন্য একটা মান ভাষা খুব দরকার। যেখানে ভাষার ইউনিটগুলো খুব স্পষ্ট। আঞ্চলিক ভাষার ইউনিটগুলো স্পষ্ট এবং আকৃষ্ট করে। আগেও বলেছি_ আমি যা করি তার দিকে আর ফিরে তাকাই না।
নিজের দীর্ঘ কবিতা নিয়ে আপনি কী বলবেন?
দীর্ঘ কবিতা নিয়ে আমার কথা হচ্ছে, দীর্ঘদিন থেকে গীতল এবং খণ্ড কবিতা লিখে আমরা বাংলা কবিতাকে একটা গোলক ধাঁধার মধ্যে ফেলে দিয়েছি। এটা পরিবর্তন হওয়া জরুরি। দীর্ঘ কবিতা রঃ্থং ষরশব ধহ বংংধু. একটা বিষয় আছে যাকে গড়ে তুলবার অবকাশ দিতে হবে। বাংলা কবিতায় রবীন্দ্রনাথের পর এমনটা আর কেউ করেননি। কবিতায় কিন্তু সবচেয়ে বেশি যুক্তির ব্যবহার হয়। দীর্ঘ কবিতার মাঝে যে যুক্তি পরম্পরা আছে আমি সে কাজটাই করতে চেয়েছি। যেমন 'বৈশাখে রচিত পঙ্ক্তিমালা'। আমি অনেকদিন যাবত কবিতা লিখছিলাম না। তারপর আমি ভাবলাম কেন লিখছি না? আমি তাই রচনার মতো করে কবিতা লিখেছি।
সাম্প্রতিক 'ভালোবাসার রাতে' কাব্যগ্রন্থ পড়ে পাঠকের মনে হবে, যেন কোনো তরুণ কবি ২৫/২৬ বছর বয়স, এই কবিতাগুলো লিখেছে। আপনার এই তরুণ প্রেমিক হয়ে থাকার রহস্য কী?
প্রেম তো সর্বত্রই। প্রেম আমার কাছে অনেকটাই একাডেমিক। যেমন দয়া। আমরা কি সর্বত্রই দয়া দেখাচ্ছি? এগুলো আমাদের মনের ভিতরে রয়েছে। তো প্রেমে না পড়ে যে এসব লেখা সম্ভব না এটা ঠিক না। কারবালার যুদ্ধে না গিয়ে মীর মশারফ হোসেন বিষাদসিন্ধু লিখেছেন, পলাশীর যুদ্ধে না গিয়ে শচীন সেনগুপ্ত সিরাজউদদৌলা লিখেছেন। কাজেই মরে গিয়ে মৃত্যু সম্পর্কে লিখতে হবে এটা কিন্তু ঠিক নয়।
আপনি বলছেন প্রেমে না পড়েও এমন কবিতা লেখা সম্ভব?
শুধু প্রেমে কেন, যে কোনো অনুভূতির মধ্যে ঢুকে গিয়ে তা নিয়ে লেখা সম্ভব। আমার তো মনে হয়, বাংলাদেশে যত কবিতা লেখা হচ্ছে, যত কবি আছে, তাদের যদি সম্মত রূপসী একজন করে রমনী ধরিয়ে দেয়া হয়, তাহলে বারো আনা কবিতা লেখা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রেম তো অনেক দিক রয়েছে। যেমন- দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, ঈশ্বরপ্রেম, ভাষাপ্রেম। প্রেম বলতে তো আমরা নর- নারীর সম্পর্কই বুঝি। 'ভালোবাসার রাতে' কাব্য গ্রন্থে আমি যেটা করতে চেয়েছি, তা হলো দেহতাতি্বক আলোচনা। যা বাংলা কবিতায় অনেক দিন ধরেই অনুপস্থিত।
এবার আমরা আপনার নাটকের প্রসঙ্গে আসি।
নাটক আমার সবশেষের সংসার। সাহিত্যের অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করেছি। নাটক আমি প্রথম লিখি ১৯৭৫ সালে। নাটক অনেক লোক নিয়ে হয়। এবং সবার বোধবুদ্ধি এক রকম নয়, মান এক রকম নয়। অ্যালবেয়ার ক্যামু বলেছেন- একজন রসনবপরষব এবং একজন রহঃবষবপঃঁধষ ব্যক্তি পাশাপাশি বসে বিশ টাকার টিকিটে নাটক দেখবে। তাদের উভয়কেই কিছু না কিছু দিতে হবে আপনার। শেক্সপিয়ারের সময় সাধারণ মানুষও নাটক দেখতো , রাজা- রানীরাও নাটক দেখত। এমনকি খেতে খেতে, ড্রিঙ্ক করতে করেতও নাটক দেখত মানুষ গ্গ্নোব থিয়েটারে। তাদের সবাইকেই আপনার কিছু না কিছু দিতে হবে। কোন কোন বিষয় আছে যা সরাসরি দৃশ্যায়নের মাধ্যমে পেঁৗছাতে হবে। যেমন 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়', এটা নিয়ে আমি গল্প লিখতে পারতাম, উপন্যাস এমনকি কবিতাও লিখতে পারতাম। কিন্তু আমি নাটক লিখেছি। যা অনেক মানুষের কাছে পেঁৗছিয়েছে। এমনকি অনেক নিরক্ষর মানুষও দেখেছে এই নাটক। নাটকে এই জিনিসটা আছে। সম্মিলিত এক দল মানুষের কাছে যাওয়া যায়।
আপনার কাব্যনাট্যের প্রেরণা কি পাশ্চাত্য?
তা নয়। কাব্যনাট্য আমাদের বাংলা সাহিত্যের নিজস্ব ফর্ম। একটা কথা বলার জন্য ছন্দবদ্ধ উক্তি কিংবা কিছু বোঝানোর জন্য উপমার ব্যবহার। বাঙালি উপমাপ্রবণ জাতি। সবকিছুতেই উপমা ব্যবহার করতে ভালোবাসে। সব কিছু নিয়ে আমার মনে হয়েছে_ কাব্য নাট্য আমাদের মাটির নিজস্ব একটি ধারা। আমি তাই লিখেছি। নূরলদীনের সারা জীবন, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, ঈর্ষা, গণনায়ক, খাট্টা তামাশা। খাট্টা তামাশায় আবার মিশ্রভাবে ব্যবহার করেছি। ...মানুষ হচ্ছে সব কিছুর কেন্দ্রে আমার কাছে। মানুষকে নিয়ে আমার ভাবনা। এবং মানুষ একটি সময়ের ভেতরে বাস করে। ভাষা, সমাজ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে মানুষ চলে।
আপনার বন্ধু কারা, কাদের সঙ্গে ভাবনা বিনিময় করেন? কারও সাথে নয়।
এটা কীভাবে সম্ভব?
আমার কোনো বন্ধু নেই। আমি খুব নিঃসঙ্গ মানুষ
আমি খুব সচেতনভাবে একটা বিষয় অনুসরণ করেছি তা হলো, অন্য মাধ্যমের লোকদের সাথে আমি মিশেছি, যাতে করে তাদের ভিশন আমি ধরতে পারি। আমার কিন্তু ব্যক্তিগত কোনো বন্ধু নেই। কি নারী কি পুরুষ।
আপনি নিজেও তো একজন চিত্রকর?
আঁকি। এটা আমার শখের কাজ, অবসরের বিষয়। কিন্তু আমার কোনো বন্ধু নেই। এবং আমার কোনো বন্ধুর প্রয়োজনও নেই।
আপনার সঙ্গে শামসুর রাহমানের বন্ধুত্ব নিয়ে কী বলবেন?
ছিল। একসঙ্গে আমরা পথ চলেছি, লিখেছি। কিন্তু বন্ধু বলতে যা বোঝায়, প্রতিনিয়ত সুখ-দুঃখের কথা যার সাথে বলা যায়। শামসুর রাহমান সে রকম ছিলেন না। তিনি আমার দুঃখের কথা কিছুই জানতেন না। হাসান হাফিজুর রহমান, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আতিকুল্লাহ এরা সবাই আমার বন্ধু ছিলেন। তবে তা কর্মক্ষেত্রে। আমদের মাঝে নিবিড় সম্পর্ক আছে। এটাকে ঠিক বন্ধু বলা যায় না।
আমার কথা যা কিছু হয় সব নিজের সঙ্গে, বইয়ের সঙ্গে আর আমার যিনি জীবনসঙ্গিনী আছেন তার সঙ্গে।
স্ত্রীর সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন? প্রেমের না মায়ার?
আমি যখন প্রেমের কথা বলি, তার সঙ্গে আরও কিছু কথাও বলি। প্রেম থাকতে হবে, প্রেমের সঙ্গে শ্রদ্ধাও থাকতে হবে। শ্রদ্ধা, মমতা এবং বন্ধুত্ব। এই তিন জিনিস না হলে কোন প্রেম টিকবে না। যার সাথে প্রেম করবে তাকে শ্রদ্ধা করবে, মমতা করবে এবং বন্ধুত্ব থাকতে হবে।
প্রেমিকাদের কোন বিষয়টি আপনার ভালো লেগেছে? মেধা না সৌন্দর্য?
ব্যক্তিত্ব। তাদের ব্যক্তিত্ব আমার ভালো লেগেছে।
আপনার প্রিয় লেখক কারা?
এটা বলা মুশকিল। টি. এস. এলিয়ট, হেমিংওয়ে, ডাবি্লউ এইচ অডেন, তলস্তয় নানা সময়ে আমার নানাজনের লেখা ভালো লেগেছে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র, মাইকেলকে আমি আগাপাছতলা পড়েছি। প্রিয় লেখক সে অর্থে নেই। কিন্তু আমি আজ এদের সবার মিশ্রণে তৈরি। মানুষ যখন লেখা শুরু করে তখন কারও না কারও অনুকরণ কিংবা প্রভাব থাকেই। জীবনানন্দের ওপর নজরুলের প্রভাব আছে। অথচ কতদূরে তিনি সরে গিয়েছিলেন।
আপনার পরবর্তী কারও লেখার প্রতি আপনার আগ্রহ আছে?
আমার পরবর্তী কারও প্রতি আমার আগ্রহ নেই।
এটা কেন ঘটল?
আমার মনে হয় একমাত্র অগ্রজদের মধ্যে আমি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং মুনীর চৌধুরী এই দু'জনকে গ্রহণ করেছি। এছাড়া আমার সমসাময়িক একজন কবির সহচর্যে আমি কিছু পেয়েছি বলে মনে হয় না। শামসুর রাহমান অনেক বড় কবি নিঃসন্দেহে। কিন্তু তাকে আমার ত্রিশের কবিদের সম্প্রসারণ বলে মনে হয়েছে।
দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে বলুন।
সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে নিজ হাতে কফি বানিয়ে আমি আর আমার স্ত্রী একসাথে খাই। তারপর ৮টার মধ্যে আমরা গোসল, কাপড় বদলানো থেকে শুরু করে বাদবাকি সব কাজ সেরে নিই। আমি কিন্তু প্রতিদিন সকালবেলা শেভ করি, গোসল করি, নতুন করে জামা কাপড় পরি। বাসায় থাকলেও একই রুটিন আমার। তারপর যে যার কাজে বের হই। আমার বাইরে কাজ না থাকলে বাসায় থকি। লিখতে বসি। আমি যতটা পড়ি, ঠিক ততটাই লিখি।
দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম?
না না একদম না। আমি কোনো দিন দুপুরে ঘুমাইনি। আমি রাত বারোটা সাড়ে বারোটার মাঝে ঘুমিয়ে পড়ি এবং ভোর ৫টা ৬টার মাঝে উঠে পড়ি।
সন্তানরা লেখালেখির কতটুকু পেয়েছে আপনার কাছ থেকে?
আমার মেয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য পড়ায়।
সব মিলিয়ে একটা সুখী জীবন যাপন করছেন?
সুখী বলতে পারব না। তবে সব সময় একটা অতৃপ্তি কাজ করে আমার মঝে। লেখা নিয়ে অতৃপ্তি। আরও লিখতে চাই। নিজের কথা নিজের মতো করে বলতে চাই।
...কথা বলতে বলতে গুলশানে নিজের বাড়ির ড্রইংরুম থেকে উঠোনে নেমে এলেন সৈয়দ হক। গাছ-গুল্ম-লতায় ছাওয়া সবুজ মাঠ।
বলি : হক ভাই, এই যে এত জায়গা জুড়ে গাছ লাগিয়ে রেখেছেন। পেছনে ছোট্ট দোতলা। এই মাঠে দশতলা তুলে ভাড়া দিতে পারতেন। এটা করলেন না কেন? সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তবে আর ভাবতে হতো না?
এই সাতাত্তরে পেঁৗছেও মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানো সৈয়দ হক বললেন : আমার জীবদ্দশায় এমনই সবুজ থাকবে সবকিছু। আমি চলে গেলে ছোট্ট দোতলাটি থাকবে, তোমরা আসবে। আর ছেলেমেয়েরা চাইলে তখন তারা এখানে কিছু একটা কাঠামো তুলতে পারে। আমি থাকতে নয়। কারণ, আমি মাটির মানুষ, মাটিই আঁকড়ে থাকতে চাই। আর চাই সবুজ।
...সবুজ আর মৃত্তিকালগ্ন সৈয়দ শামসুল হকের শেকড় ও বিস্তৃতি এদেশের সাহিত্যের গভীরে প্রোথিত। তার ঋজু মনোভঙ্গি ও সৃষ্টিসম্ভার বাঙালির সাহস ও কৃতীর অনুষঙ্গ। সবুজে মাটিতে সাহস রাখা তাকেই তো মানায়। া
এটা কীভাবে সম্ভব?
আমার কোনো বন্ধু নেই। আমি খুব নিঃসঙ্গ মানুষ
আমি খুব সচেতনভাবে একটা বিষয় অনুসরণ করেছি তা হলো, অন্য মাধ্যমের লোকদের সাথে আমি মিশেছি, যাতে করে তাদের ভিশন আমি ধরতে পারি। আমার কিন্তু ব্যক্তিগত কোনো বন্ধু নেই। কি নারী কি পুরুষ।
আপনি নিজেও তো একজন চিত্রকর?
আঁকি। এটা আমার শখের কাজ, অবসরের বিষয়। কিন্তু আমার কোনো বন্ধু নেই। এবং আমার কোনো বন্ধুর প্রয়োজনও নেই।
আপনার সঙ্গে শামসুর রাহমানের বন্ধুত্ব নিয়ে কী বলবেন?
ছিল। একসঙ্গে আমরা পথ চলেছি, লিখেছি। কিন্তু বন্ধু বলতে যা বোঝায়, প্রতিনিয়ত সুখ-দুঃখের কথা যার সাথে বলা যায়। শামসুর রাহমান সে রকম ছিলেন না। তিনি আমার দুঃখের কথা কিছুই জানতেন না। হাসান হাফিজুর রহমান, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আতিকুল্লাহ এরা সবাই আমার বন্ধু ছিলেন। তবে তা কর্মক্ষেত্রে। আমদের মাঝে নিবিড় সম্পর্ক আছে। এটাকে ঠিক বন্ধু বলা যায় না।
আমার কথা যা কিছু হয় সব নিজের সঙ্গে, বইয়ের সঙ্গে আর আমার যিনি জীবনসঙ্গিনী আছেন তার সঙ্গে।
স্ত্রীর সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন? প্রেমের না মায়ার?
আমি যখন প্রেমের কথা বলি, তার সঙ্গে আরও কিছু কথাও বলি। প্রেম থাকতে হবে, প্রেমের সঙ্গে শ্রদ্ধাও থাকতে হবে। শ্রদ্ধা, মমতা এবং বন্ধুত্ব। এই তিন জিনিস না হলে কোন প্রেম টিকবে না। যার সাথে প্রেম করবে তাকে শ্রদ্ধা করবে, মমতা করবে এবং বন্ধুত্ব থাকতে হবে।
প্রেমিকাদের কোন বিষয়টি আপনার ভালো লেগেছে? মেধা না সৌন্দর্য?
ব্যক্তিত্ব। তাদের ব্যক্তিত্ব আমার ভালো লেগেছে।
আপনার প্রিয় লেখক কারা?
এটা বলা মুশকিল। টি. এস. এলিয়ট, হেমিংওয়ে, ডাবি্লউ এইচ অডেন, তলস্তয় নানা সময়ে আমার নানাজনের লেখা ভালো লেগেছে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র, মাইকেলকে আমি আগাপাছতলা পড়েছি। প্রিয় লেখক সে অর্থে নেই। কিন্তু আমি আজ এদের সবার মিশ্রণে তৈরি। মানুষ যখন লেখা শুরু করে তখন কারও না কারও অনুকরণ কিংবা প্রভাব থাকেই। জীবনানন্দের ওপর নজরুলের প্রভাব আছে। অথচ কতদূরে তিনি সরে গিয়েছিলেন।
আপনার পরবর্তী কারও লেখার প্রতি আপনার আগ্রহ আছে?
আমার পরবর্তী কারও প্রতি আমার আগ্রহ নেই।
এটা কেন ঘটল?
আমার মনে হয় একমাত্র অগ্রজদের মধ্যে আমি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং মুনীর চৌধুরী এই দু'জনকে গ্রহণ করেছি। এছাড়া আমার সমসাময়িক একজন কবির সহচর্যে আমি কিছু পেয়েছি বলে মনে হয় না। শামসুর রাহমান অনেক বড় কবি নিঃসন্দেহে। কিন্তু তাকে আমার ত্রিশের কবিদের সম্প্রসারণ বলে মনে হয়েছে।
দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে বলুন।
সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে নিজ হাতে কফি বানিয়ে আমি আর আমার স্ত্রী একসাথে খাই। তারপর ৮টার মধ্যে আমরা গোসল, কাপড় বদলানো থেকে শুরু করে বাদবাকি সব কাজ সেরে নিই। আমি কিন্তু প্রতিদিন সকালবেলা শেভ করি, গোসল করি, নতুন করে জামা কাপড় পরি। বাসায় থাকলেও একই রুটিন আমার। তারপর যে যার কাজে বের হই। আমার বাইরে কাজ না থাকলে বাসায় থকি। লিখতে বসি। আমি যতটা পড়ি, ঠিক ততটাই লিখি।
দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম?
না না একদম না। আমি কোনো দিন দুপুরে ঘুমাইনি। আমি রাত বারোটা সাড়ে বারোটার মাঝে ঘুমিয়ে পড়ি এবং ভোর ৫টা ৬টার মাঝে উঠে পড়ি।
সন্তানরা লেখালেখির কতটুকু পেয়েছে আপনার কাছ থেকে?
আমার মেয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য পড়ায়।
সব মিলিয়ে একটা সুখী জীবন যাপন করছেন?
সুখী বলতে পারব না। তবে সব সময় একটা অতৃপ্তি কাজ করে আমার মঝে। লেখা নিয়ে অতৃপ্তি। আরও লিখতে চাই। নিজের কথা নিজের মতো করে বলতে চাই।
...কথা বলতে বলতে গুলশানে নিজের বাড়ির ড্রইংরুম থেকে উঠোনে নেমে এলেন সৈয়দ হক। গাছ-গুল্ম-লতায় ছাওয়া সবুজ মাঠ।
বলি : হক ভাই, এই যে এত জায়গা জুড়ে গাছ লাগিয়ে রেখেছেন। পেছনে ছোট্ট দোতলা। এই মাঠে দশতলা তুলে ভাড়া দিতে পারতেন। এটা করলেন না কেন? সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তবে আর ভাবতে হতো না?
এই সাতাত্তরে পেঁৗছেও মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানো সৈয়দ হক বললেন : আমার জীবদ্দশায় এমনই সবুজ থাকবে সবকিছু। আমি চলে গেলে ছোট্ট দোতলাটি থাকবে, তোমরা আসবে। আর ছেলেমেয়েরা চাইলে তখন তারা এখানে কিছু একটা কাঠামো তুলতে পারে। আমি থাকতে নয়। কারণ, আমি মাটির মানুষ, মাটিই আঁকড়ে থাকতে চাই। আর চাই সবুজ।
...সবুজ আর মৃত্তিকালগ্ন সৈয়দ শামসুল হকের শেকড় ও বিস্তৃতি এদেশের সাহিত্যের গভীরে প্রোথিত। তার ঋজু মনোভঙ্গি ও সৃষ্টিসম্ভার বাঙালির সাহস ও কৃতীর অনুষঙ্গ। সবুজে মাটিতে সাহস রাখা তাকেই তো মানায়। া
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 23
(112)
- বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে প্রভা by দাউদ রনি
- নারী বিক্ষোভকারীকে নির্যাতনঃ সামরিক পরিষদের দুঃখ প...
- সাদিয়া জাহান প্রভার এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ
- ভারতীয় ছবি রুখতে ৭টি জনপ্রিয় ছবির প্রদর্শনী
- ৫০০ টাকায় মুক্ত কেয়া
- আব্দুর রাজ্জাক: এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামী জীবন by শামীম...
- দোয়েল ল্যাপটপ-যাত্রা শুরু নতুন পথে
- বিরোধী দলের রোডমার্চ-গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হোক
- স্মরণ-ওবায়েদ উল হক : সব্যসাচী এক পুরুষ
- ওদের কিছুই বদলায় না! by ইশতিয়াক হুসাইন
- অসহিষ্ণু সমাজের অসহায় শিশুরা by লুৎফর রহমান রনো
- বাঘের মুখ থেকে বাবাকে ফেরালেন ছেলে!
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি এবং কিছু কথা by আবু...
- সাদাকালো-মৃত্যুর মিছিলে আর কত তরুণী by আহমদ রফিক
- জানুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে ইসলামী তহবিল মার্কেট by ও...
- জমজমাট এসএমই মেলা
- আরও ২ হাজার কোটি টাকা চায় বিদ্যুৎ বিভাগ by জাফর আহমেদ
- বিপিএলের টার্গেট বাংলাদেশিদের আবেগ
- তামিমের দুঃস্বপ্নের সিরিজ
- আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ-পঞ্চম স্থানে পাকিস্তান
- ওয়ানডের পর এবার টেস্ট ক্রিকেটেও সেরা অলরাউন্ডার সা...
- খুলনায় ১০ গম্বুজ মসজিদের প্রাচীন স্থাপনার সন্ধান
- চ্যালেঞ্জের মুখে পোলট্রি শিল্প by আলতাব হোসেন
- সিলেটে অর্থমন্ত্রী-জিয়া জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা, হাল...
- পার্বত্য শান্তিচুক্তি আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব
- তীব্র শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা by বদরুদ্দোজ...
- সাকিব নাম্বার ওয়ান by সঞ্জয় সাহা পিয়াল
- সার্চ কমিটির পক্ষে মত
- বিদ্যুতের দাম বাড়ল ২১.২৮%
- ইরাকে সিরিজ বোমায় নিহত ৬৩
- উত্তর কোরিয়া :ক্ষমতার নেপথ্যে যারা
- বিভক্তির পথে ইরাক!
- ১৫ এপ্রিলের মধ্যে নদীতীরে সীমানা পিলার স্থাপন
- জলবায়ু প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী ...
- নায়িকা কেয়া গ্রেফতার
- বৃত্তবন্দী বর্ষা!
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন-নিজেকেই অতিক্রমের চেষ্টা করি ...
- প্রচ্ছদ-সৈয়দ শামসুল হক : কথাসাহিত্যের পরিব্রাজন by...
- অপরিহার্য কবীর চৌধুরী by হাসান আজিজুল হক
- র ঙ বে র ঙ-জনপ্রিয় খেলনা...
- লোকজ গান নিয়ে আরও কাজ করব
- সমাজে নারীর ভূমিকা by নিগার সুলতানা
- ইবাদতের নিয়ত by মুফতি মাহফূযুল হক
- জুমা-পূর্ব বয়ান হোক গণকল্যাণমুখী by মুফতি এনায়েতুল...
- টমাস ট্রান্সট্রোমারের নোবেল ভাষণ
- গল্প-খেরোখাতার জীবন by শরীফ আতিক উজ জামান
- বই আলোচনা-যন্ত্র সময়ের গল্প
- 'প্রণয়ের হলুদ উপাখ্যান'
- স্মরণ-বন্ধু থাক আমার সঙ্গে পদ্মফোটা জলে
- প্রবৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা-জনজীবনের দুর্ভোগ কমানো প...
- নাগরিক সেবা-নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে
- চরাচর-স্বেচ্ছায় রক্তদান
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫৫)-বুকটা ভরে গেল by আলী...
- শেকড়ের ডাক-টিপাইমুখ থেকে ডারবান : কেবলই রাজনীতি by...
- কালান্তরের কড়চা-একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের মরণকামড় b...
- তেল ও জলের দর by মাহবুব মোর্শেদ
- রাষ্ট্র-বিলম্বিত স্বপ্ন এখনও দেখে বাংলাদেশ by সুজা...
- ধর নির্ভয় গান-'৭১ এবং আমাদের আজকের তরুণরা by আলী য...
- ম্যারেজ মিডিয়া প্রতারণা-নিয়মিত নজরদারি স্বস্তি দিত...
- অর্থনীতিতে হতাশার চিত্র-অব্যবস্থাপনার দায় সরকারেরই
- বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়-বিজ্ঞান শিক্ষক নে...
- নতুন উচ্চতায় সাকিব
- পরকীয়ায় অনুশোচনা নেই!
- ভালো একটি সপ্তাহ পার করলেন বিনিয়োগকারীরা by আব্দু...
- ছয় দিনে আট জেলায় ৬৬ জনের মৃত্যু, প্রতিদিনই হাসপাতা...
- শীতার্তদের পাশে প্রথম আলো-দিনাজপুর ও রায়গঞ্জে শীতা...
- বাংলাদেশসহ ছয় দেশ নিয়ে টিআইয়ের জরিপ-সেবা পেতে ৪০% ...
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র হত্যা-ছয়জনকে ধর...
- ২০ লাখ পাঠ্যবই নিয়ে সংকটের আশঙ্কা by মোশতাক আহমেদ
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নতুন প্রজাতির কাছিম by মনিরুল খান
- সাঈদীর আইনজীবীর মত-সরকারি আনুকূল্যের আশায় সাক্ষী ম...
- মাগুরা, ঝিনাইদহে ২২ কোটি টাকার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ
- বিশেষ রচনা-অসাম্প্রদায়িক মননের প্রতীক অধ্যাপক কবী...
- প্রচ্ছদ রচনা-কবীর চৌধুরী ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের ক...
- সম্পাদকীয়-কবীর চৌধুরীর প্রয়াণ ও কবিতা প্রসঙ্গ
- নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সংলাপ-জাপা ও জাসদের কা...
- মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন-রাষ্ট্রপতির সংলাপের পেছনে কী...
- রোডমার্চ, একাধিক জনসভা শেষে ঢাকামুখী হবে বিএনপি by...
- আইএম হওয়ার অপেক্ষায় মিনহাজ
- সিটির আনন্দের বড়দিন
- টেরির ‘শেষ’ দেখছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
- মেসির স্বীকৃতি ও বিয়াঞ্চির দাবি
- দায়িত্বটা অনেক বেড়ে গেল by সাকিব আল হাসান
- চিনিকলে মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের দাবি
- দুই বাজার মিলিয়ে লেনদেন ৫৫০ কোটি টাকা ছাড়াল
- এসএমই মেলা জমে উঠেছে-নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য ঘিরে ব...
- জার্মানিতে যুদ্ধাপরাধীর সাজা শুরু
- নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের অঙ্গীকার মেগরাহির
- বাগদাদে পৃথক বোমা হামলায় নিহত ৫৭
- ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা করছেন গিলানি
- ওবামার বড়দিনের উপহার কেনা
- ধর্ম-শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান by মুহাম্মদ আবদুল...
- ইউরোপের জানালা-ইউরো-সংকট আর সম্ভাবনার এক যুগ by সর...
- শুধু বন্ধ নয়, আইন ভঙ্গের উপযুক্ত শাস্তি হোক-এবার হ...
- এই নজির গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয়-গণমিছিলে পুলিশের ...
- সাটুরিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
- কালিয়াকৈরে বংশাই নদে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ
- শু ক্র বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বিদ্যাপীঠের প্রাণ b...
- জলবায়ুর সেমিনারে অভিযোগ-প্রভাব মোকাবিলায় পানি ও পয়...
- ছুরিকাঘাতে গাড়িচালক খুন
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী ভর্তিতে বেশি ...
- প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন না করায় উন্নয়নকাজ বন্ধ
- বইপত্র-তাঁর সাহিত্যকৃতির অন্বেষা by আখতার হুসেন
- ড্যান কগিন্স নিবাস নিউইয়র্ক by দিলওয়ার হাসান
- আর্জেন্টিনার রবিতীর্থ by আহমেদ হেলাল
- ২৭ ডিসেম্বর কবির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে-দুটি কবিতা ...
- প্রাকৃতিক গোলাপ by আবদুশ শাকুর
- চারদিক-ঢেমশায় এসো মিলন অঙ্গনে
- পররাষ্ট্রনীতি-বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে দূর...
- বিয়ে করেছেন আলোচিত প্রভা
- পরীক্ষামূলক ট্রানজিট আর কত দিন? by আরিফুর রহমান খাদেম
-
▼
Dec 23
(112)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment