Friday, December 23, 2011
প্রাকৃতিক গোলাপ by আবদুশ শাকুর
প্রাকৃতিক গোলাপ by আবদুশ শাকুর
গোলাপকে ‘পুষ্পরানি’র সিংহাসনে অভিষিক্তকারিণী সাফো। কী গোলাপ দেখে সুপ্রাচীন এই গ্রিক কবি উচ্ছ্বসিত গোলাপ-প্রশস্তি লিখে ফুলের সিংহাসনে গোলাপকে চিরস্থায়ী করলেন এবং নিজেও গোলাপের মতোই নিত্য উদ্ধৃত রইলেন? প্রথমে গোলাপের লিখিত ইতিহাসটা একনজর দেখা যাক। খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তবিংশতি শতকী সারগনের আমলের রাজসমাধিভূমে স্যার লেনার্ড উলির প্রাচীনতম আবিষ্কার-পরবর্তী বেশ কটি শতাব্দীই পুষ্পরানির দলিলবিহীন।
তবে ধরে নেওয়া চলে যে ইরাকি-তুর্কি মাতৃভূমি থেকে হাঁটি-হাঁটি-পা-পা করে তার জয়যাত্রা শুরু করে জলে-স্থলে বাণিজ্যপথ ধরে উদ্যমী পুষ্পটি পৌঁছে গিয়েছিল ক্রিটে, গ্রিসে, আফ্রিকার উত্তরে, মিসরে—সওদাগরি কারোয়ানের সখের সঙ্গিনী হয়ে। এমনি করে হাজার বছর ধরে অলখে লুকিয়ে থাকার পরে অবশেষে গোলাপের দেখা মেলে খ্রিষ্টপূর্ব ষোলো শতকের ক্রিটের দেয়ালচিত্রে আর মৃৎপাত্রের গায়ে আঁকা ছবিতে।
খ্রিষ্টের সাত শ বছর আগের মহাকাব্য ইলিয়াড-ওডিসির দুটিতেই গোলাপের উল্লেখ রয়েছে, তবে বিশেষ গোলাপের নয়, গোলাপবিশেষের। শৈলীগত বাগ্ভঙ্গিমায়—যেমন ‘দ্য রোজি ফিঙ্গারড ডন’। হোমারের বর্ণনায় অ্যাকিলিসের ঢাল ছিল গোলাপখচিত, নিহত হেক্টরের সর্বাঙ্গে আফ্রোদিতি লেপন করেছিলেন গোলাপেরই মলম। প্রেমের অধিষ্ঠাত্রী গ্রিক দেবী আফ্রোদিতি এবং রোমান দেবী ভিনাস—উভয়ের প্রতি উৎসর্গিত পুষ্পটি ছিল বিকল্পহীন গোলাপ। গ্রিসের স্মির্নাবাসী হোমারের গোলাপগুলো ছিল অবশ্যই সাদামাটা প্রাকৃতিক গোলাপ।
খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রথম দিকে গ্রিসের লেসবসবাসিনী গীতিকবি সাফোর (খ্রিষ্টপূর্ব ৬১০-৫৮০) বাণীবন্দনাতেই পুষ্পকুলের রানিরূপে প্রথম অধিষ্ঠান গোলাপের। সেই থেকে, বিগত ২৭০০+ বছরের ইতিহাসে, এই পৃথিবীতে গোলাপই একমাত্র রাজন্য যিনি তাঁর রাজমুকুটখানি হারাননি—বরং সাম্রাজ্যটিও নিরবধিই বিস্তার করে চলেছেন।
লেসবসের এই কালজয়ী গীতিকবির যে গানে গোলাপের পুষ্পরানি হিসেবে অভিষেক ঘটেছিল সেটির উদ্ধৃতি দেওয়া গেল সরাসরি গ্রিক থেকে ইংরেজি অনুবাদে:
Song of Rose
‘Would Jove appoint some flower to reign,
In matchless beauty on the plain,
The Rose (mankind will all agree),
The rose the queen of flowers should be;...
(Translation : F. Fawkes)
পরবর্তীকালের কবি, খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকের অ্যানাক্রিয়নের স্তবগানে গোলাপের ধরাধামে আবির্ভাব বর্ণিত হয়েছে সবিস্তারে—যেমন কীভাবে প্রেমদেবী আফ্রোদিতির সমুদ্র থেকে অভ্যুত্থানের অভিঘাতপ্রসূত শুভ্র সমুদ্রফেনা থেকে অভ্যুদয় ঘটেছিল তাঁর যোগ্য প্রতিনিধি গোলাপের। এ কবির গোলাপও ছিল প্রাকৃতিক, বৈজ্ঞানিক মূল্য সংযোজিত নয়।
গোলাপকে ‘পুষ্পরানি’র সিংহাসনে অভিষিক্তকারিণী সাফোর এ গান যতবার পড়ি ততবারই ভালো লাগে এবং ততবারই প্রশ্ন জাগে: কী গোলাপ দেখে সুপ্রাচীন এই গ্রিক কবি এমন উচ্ছ্বসিত গোলাপ-প্রশস্তি লিখে ফুলের সিংহাসনে গোলাপকে চিরস্থায়ী করলেন এবং নিজেও গোলাপের মতোই নিত্য উদ্ধৃত রইলেন? তাঁর দেশ ও কালের খ্যাতিমান অন্য কবি কি সে গোলাপ দেখেননি? যেমন তাঁর সমসাময়িক কবি আলসিউস? যিনি বিখ্যাত হয়েছিলেন সমকালীন রাজনৈতিক ডামাডোল নিয়ে লিখে?
আগে দ্বিতীয় প্রশ্নটির জবাব দেওয়া যাক। আসলে যার যা দেখার তিনি তা-ই দেখেছেন। রোমান্টিক প্রকৃতির ইন্দ্রিয়সেবী গীতিকবি সাফো মানুষের দলাদলির বদলে গোলাপের ঢলাঢলি দেখেছেন। যেমন দেখেছেন পারস্য কবি ওমর খৈয়াম (খ্রিষ্ট ১০৪৮-১১৩১)। তিনিও গোলাপ নিয়ে মাতামাতি করেছেন সরল সৌন্দর্যের প্রতীক প্রাকৃতিক গোলাপ দেখে।
জটিল সৌন্দর্যের গোলাপ নিয়ে প্রথম কাব্য রচনা করেছেন সম্ভবত চীন দেশের সং বংশের রাজত্বকালের (৯৬০-১২৭৯) কবিকুল, যাঁদের দেশে তাঁদের কালের আগে থেকেই প্রকৃতির কাজে হাত লাগিয়ে সংকর-প্রজনকগণ সিঙ্গেল গোলাপের বহুগুণ বেশি পাপড়িসংবলিত একালের সেমিডাবল, ডাবল, ফুল, ভেরি ফুল ইত্যাদি সংজ্ঞায়িত গোলাপের জটিল সৌন্দর্য সৃষ্টি করে ফেলেছিলেন।
ওমর খৈয়ামের কবিতাকে প্রমথ চৌধুরী বলেছেন ফুলের মতো ফুটে ওঠা দর্শন, যেমন হালকা, যেমন ফুরফুরে, তেমনি সুন্দর, তেমনি রঙিন:
‘এর প্রতিটি হচ্ছে ইরানদেশের গোলাপ,—এ গোলাপের রঙের সম্বন্ধে ওমর জিজ্ঞাসা করেছেন, “দীর্ণ-হিয়া কোন সে রাজার/ রক্তে নাওয়া এই গোলাপ—/ কার দেওয়া সে লালচে আভা,/ হূদয়-ছ্যাঁচা শোণিত-ছাপ’। ওমরের কবিতার রস ফুলের আসব, সে রস পান করলে মানুষের মনে গোলাপি নেশা ধরে...।’
যেমন কান্তি ঘোষের অনুবাদে:
সদ্য ফোটা এই যে গোলাপ, গন্ধ-প্রীতি-উজল মুখ,
বলছে না কি—মিথ্যা এসব, এই ক্ষণিকের দুঃখ সুখ।
পৃথ্বী-বুকে উঠছে ফুটে গর্্বে পরি রঙিন সাজ—
—পাপড়ি টুটে ছড়িয়ে মোদের জীবন-রেণু পথের মাঝ।
ঐহিক প্রেমী ওমরের (যিনি বলেন ‘নগদ যা’ পাও হাত পেতে নাও,/ বাকির খাতায় শূন্য থাক/ দূরের বাদ্য লাভ কি শুনে?/ মাঝখানে যে বেজায় ফাঁক) নগদ চাহিদার তালিকায় গোলাপের বাইরে আছে শুধু একটি দিওয়ান, মানে একটি কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যও আমার মতে কেবল একটি শৈলীর, তথা গজল নামক গীতিকবিতার—যা সুর সহযোগে শ্রাব্য।
উল্লেখযোগ্য গজল রচনার সূচনা বস্তুত জ্যোতির্বিদ কবি এই ওমর খৈয়াম থেকেই। আজ পর্যন্তও ফারসি কাব্যের শ্রেষ্ঠতম ফসল গজল। বলা হয়, ‘পারস্য হয়ে ভারতবর্ষে আগত মুসলমানদের শ্রেষ্ঠতম উপহার তাজমহলের পরে গজল।’
আসল কথা কাব্যজগতের ঐহিক প্রেমের একমাত্র ঘরানা গজলই মেলে পুষ্পভুবনের জাগতিক প্রেমের একমাত্র সখী গোলাপের সঙ্গে। গজলের প্রতিটি দ্বিপদী সার্বভৌম একটি শব্দার্থগত সত্তা, একটা আলাদা কবিতা। তেমনি প্রতিটি গোলাপও যেন স্বতন্ত্র একটি নন্দনতত্ত্বগত সত্তা, জনৈকা অন্যরূপা নায়িকা।
এ জন্য আমার মনে হয়—প্রতিটি গোলাপ যেন একটি গান। আবার প্রতিটি গানই যেন একটি গোলাপ। পুষ্পের ভুবনে যেমন কেবল গোলাপই দৈহিক প্রেমের অবিমিশ্র প্রেরণা, কাব্যের জগতেও তেমনি কেবল গজলই শরীরী প্রেমের অবিমিশ্র অভিব্যক্তি—তবে কেবল অপুরস্কৃত প্রেমের। কিন্তু যত পুরস্কারহীনতার হাহাকারই হোক না কেন গজল, তার কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান অবশ্য ইন্দ্রিয়জ বাসনারই। গোলাপও এমনি ইন্দ্রিয়জ বাসনারই প্রতীক।
তেমনি ইন্দ্রিয়জ কামনার প্রতিমূর্তি গীতিকবি সাফোই তো হবেন গোলাপের সমঝদার, গাইবেন গোলাপের গান। যেমন তাঁর রাজনৈতিক গোলযোগপূর্ণ কালের অন্য কবি লিখেছেন রাজনৈতিক প্রলাপের কথা।
কে ছিলেন এই নারী? মহামতি সক্রেটিসেরও (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৭০-৩৯৯) ১৪০ বছর আগের, মহাকবি হোমারের খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতক ছোঁয়া—অর্থাৎ আজ থেকে ২৮০০ বছর আগের জীবনধারিণী? নানাবিধ বিষয়ে ইতিহাস সৃষ্টিকারিণী? কী তাঁর পরিচয়?
তিনি ছিলেন খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ-সপ্তম শতকের গ্রিসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র লেসবস দ্বীপবাসিনী। বিত্তবান সারকাইলাসের স্ত্রী সাফো জীবনের যাপনে, চলনে-বলনে ছিলেন জনৈকা সম্ভ্রান্ত ‘অ্যারিস্টোক্র্যাট’। তাই তিনি চলতে পারতেন যেমন খুশি তেমনি। ছিলেন সহজাত গীতিকবি এবং নিবেদিতচিত্ত শিক্ষয়িত্রী। পরিচালনা করতেন লেসবসের প্রধান শহর মিটিলিনে নিজের প্রতিষ্ঠা করা, অবিবাহিতা মেয়েদের একাডেমি।
তাঁর ছাত্রী হিসেবে দূর দূর থেকে আসা কুমারীদের সঙ্গে কবিতা লেখা, আবৃত্তি করা ছাড়াও নিত্য মিথস্ক্রিয়াতেই কাটত সাফোর প্রতিটি দিন। (এঁর আদলেই তো সক্রেটিসের দিন কাটত ছেলেদের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়াতে? এ ব্যাপারে সাফোর ভাবশিষ্যও তো ভাবা যায় সক্রেটিসকে!)।
‘আনওয়েড’ ছাত্রীদের সঙ্গে এই শিক্ষিকার অন্তরঙ্গতা এতখানি বেড়ে যেত যে বিদায়কালে প্রত্যেককেই একটি করে ‘ওয়েডিং সং’ লিখে দিতেন সাফো। গানগুলোর কাব্যভাষা হতো ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশে খোলামেলা, যেমন:
Please
Come back to me, Gongyla, here tonight,
You, my rose, with your Lydian lyre.
There hovers forever around you delight :
A beauty desired.
...
—Translated by Paul Roche
হোমারের মতো দেবতাকে সম্বোধন নয়, মহাকাব্যিক বয়ানও নয়; সাফোর কবিতায় ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির কথা, ব্যক্তির প্রতি ব্যক্তির বারতা—সবই ব্যক্তিগত প্রেমবিষয়ক। গীতিকবিতার ইতিহাসে এটা প্রথম ঘটে সাফোর লিরিকেই। তিনি গান লিখতেন এবং সুর দিতেন ‘লায়ার’ বা বীণা বাজিয়ে সোলো গাওয়ার জন্য। গীতিকবিতার Lyric নামকরণ হয় সাফোর Lyre থেকেই। লিরিকের জন্য নিজস্ব একটি ছন্দও উদ্ভাবন করেছেন এই কালজয়ী লিরিসিস্ট, যেটি ‘সাফিক মিটার’ নামে প্রচলনে এসে অব্যবহিত পরবর্তী গীতিকবিদের ওপর বিপুল প্রভাব বিস্তার করেছিল। নীলনয়না রূপসী সাফোর দৃষ্টান্তেই ‘নীলকান্তমণি’ নামী প্রেশাস স্টোনের নামকরণ হয় Sapphire।
সাফো তাঁর প্রয়াণ-পরবর্তী দুই শ বছর সাফার করেন সমকামিতার রটনায়। তবু খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় ও দ্বিতীয় শতকে তাঁর নয়টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। সেগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার প্রথম কারণ হোমারিক ও অ্যাট্টিক গ্রিক ভাষার উত্থান ও জটিল ইয়োলিয়ান (লেসবিয়ান) আঞ্চলিক ভাষার পতন—যে আঞ্চলিক সুরেলা ভাষায় সাফো গান লিখতেন। তাঁর কাব্যভাষা ছিল আন্তরিক আঞ্চলিক, আনুষ্ঠানিক সাহিত্যিক নয়।
দ্বিতীয় কারণ, কবি অ্যানাক্রিয়ন কর্তৃক আনীত সমকামিতার অভিযোগে তাইতিয়ান নামক চার্চম্যানের আদেশে ১৪১ খ্রিষ্টাব্দে সাফোর পাণ্ডুলিপি ধ্বংসকরণ। তেমনি ‘কামোদ্দীপক’ জ্ঞান করে সাফোর ভক্তদের স্মৃতিবাহিত বাকি কবিতাগুলোও ১০৭৩ সালে পোপ গ্রেগরির নির্দেশে দাহন।
আবার তার অনেকখানি পুনরুদ্ধার সম্ভব হয় অক্সিরাইনচুস-স্তূপের প্রাচীন রাবিশের মধ্যে পাওয়া ইজিপ্সিয়ান প্যাপিরাসের টুকরাটাকরা থেকে, ১৮৯৮ সালে। এই উনিশ শতকেই নারীসমাজের সমকামিতার পরিভাষা হিসেবে সমগ্র বিশ্বের নিয়মিত ব্যবহারে চলে আসে Lesbian ও Sapphic শব্দ দুটি এবং স্থায়ীভাবে। এর অন্যতম কারণ ইউরোপিয়ান রেনেসাঁসের পর থেকে সাফোর আদৃতি ও উদ্ধৃতি দিন দিন বেড়ে চলা।
সাফোর আদৃতির বহরটা ইতিহাসজুড়েই দেখুন। প্লেটো তাঁর অ্যান্থলজিয়া প্যালাটিনার এক এপিগ্রামে বলেছেন:
Some say the Muses are nine : how careless!
Look, there’s Sappho too, from Lesbos, the tenth.
এথেন্সের শাসক ও কবি সোলন (খ্রিষ্টপূর্ব ৬৩৮-খ্রিষ্টপূর্ব ৫৫৮) সাফোর একটা গান শুনে বলেছেন এটা আমাকে শেখাও। কারণ I want to learn it and die। রোমান কবি কাতুল্লুস (খ্রিষ্টপূর্ব ৮৪-৫৪) সাফোর গান অনুবাদ করেছেন জাঁকজমকের সঙ্গে। মার্কিন কবি ও লেখিকা গার্টুড স্টিন সাফোর স্বকাল থেকে অনেক অগ্রসর ‘ও মুন’, ‘ও সি’, ‘ও লাভ’ সম্বোধিত কবিতা পড়ে মুগ্ধবিস্মিত হয়ে মন্তব্য করেছেন: এপিক কবি হোমারের ‘রোজি ফিঙ্গার্স’ থাকে বীর্যের প্রতীক সূর্যোদয়ের সঙ্গে, আর লিরিক কবি সাফোর ‘রোজি ফিঙ্গার্স’ থাকে প্রেমের প্রতীক চন্দ্রোদয়ের সঙ্গে—সাফোর কাব্যের বাতাসে প্রেম এমনি সতত ভাসে।
সাফোর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা, এমনকি তাঁকে সিসিলিতে নির্বাসিত করা; এসবের মূল কারণ—তিনি ছিলেন তাঁর কাল থেকে অনেক অনেক এগিয়ে। তাঁর ‘সিঙ্গল উইমেনস অ্যাকাডেমি’ একাই যথেষ্ট ছিল সমাজকে খেপানোর জন্য। যেমন একালের রবীন্দ্র-বিদূষণের প্রধান কারণও ছিল তাঁর স্বকাল থেকে বেজায় বেশি এগিয়ে থাকা—যথা ভদ্র ঘরের শিক্ষিত মেয়েদের নৃত্যশিল্পীরূপে মঞ্চস্থ করা।
তা ছাড়া গোলাপপ্রেমী সাফো যে বৈকৃতকাম ছিলেন না, তার চূড়ান্ত প্রমাণ হলো তাঁর বিবাহ ও সন্তান জনন। লেসবিয়ান নারী যেখানে পুরুষকে অন্তরঙ্গ সান্নিধ্যে ঘনিষ্ঠ হতে দেন না—সেখানে পুরুষের ঔরসে তাঁর গর্ভে সন্তান ধারণ করার কথা ভাবাও যায় না। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার অষ্টম খণ্ড মাইক্রোপিডিয়া লিখেছে—এটা নিশ্চিত যে সাফো এক কন্যাসন্তানের জননী হয়েছিলেন। কন্যাটির নাম রেখেছিলেন নিজের মায়ের নামে, ক্লিস।
এ ছাড়া ল্যাটিন কবি ওভিদ (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩-খ্রিষ্ট ১৮) বর্ণিত লেজেন্ডে আছে—ফাওন নামের এক তরুণ নাবিক কর্তৃক প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে মাত্র তিরিশ বছর বয়সে সাফো সমুদ্র-তীরবর্তী অতি উচ্চ এক পর্বতগাত্র থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। পুরুষের জন্য কোনো সমকামী নারীর আত্মহত্যা করা অকল্পনীয়।
আমি প্রাণবন্ত এই কালজয়ী গীতিকবির কামবিকৃতির সত্যমিথ্যা গল্পগাছা শুনতেও প্রস্তুত নই। কারণ, তাঁর সঙ্গে দেখা না হলে গোলাপের দেশটা আমার দেখা হতো না, তিনি দেখিয়ে না দিলে গোলাপের পথে আমার চলা হতো না। স্বতন্ত্র শ্রেণীর গানের স্রষ্টা জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় হয়তো সাফো আর গোলাপকে মনে রেখেই এই অবিস্মরণীয় গানটির কথা আর সুর রচনা করেছিলেন, ‘তোমার সঙ্গে দেখা না হলে/ ভালোবাসার দেশটা আমার দেখা হতো না/ তুমি না হাত বাড়িয়ে দিলে/ এমন একটি পথে আমার চলা হতো না’/।
আনীত অভিযোগ সমকামিতার চিহ্নমাত্র দ্রষ্টব্য নয়, তাঁর অবিনষ্ট কবিতানিচয়ের কোথাও। তবু ইউরোপের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠা নারী গীতিকবি লেসবসের সাফোকেই সমকামী নারীর প্রোটোটাইপ বা আদিরূপ জ্ঞান করে নারীসমাজের সমকামিতার জাত্যর্থরূপে সর্বকালের জন্যই স্থায়ী হয়ে গেল ‘সাফিফজম’ বা ‘লেসবিয়ানিজম’ শব্দদ্বয়। অসত্য এভাবেই ইতিহাসের ঘাড়ে চেপে বেঁচে থাকে কাল থেকে কালে।
এবারে প্রথম প্রশ্নটির জবাব দেওয়া যাক। এককালের এশিয়া মাইনরের অংশ, লেসবস দ্বীপে খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে সাফো দেখেছিলেন পাঁচ-পাপড়ির সহজ সরল বিনম্র সুন্দর প্রাকৃতিক গোলাপ, যে আপন খেয়ালে নিজে নিজে ফোটে—কি অরণ্যে কি উদ্যানে। যাকে ব্রিড করে কেউ ফোটায় না। বন্য অভিহিত এই গোলাপ প্রাকৃতিক উদ্ভিদবিশ্বের সুন্দরতম অংশটি। এর বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক নাম স্পিশিজ রোজ।
কেউ ফোটায় না বলেই বর্তমান বিশ্বে ওয়াইল্ড বা স্পিশিজ-রোজের টাইপ মাত্র ১০০, যেখানে ব্রিড-রোজের ভ্যারাইটি প্রায় তিন হাজার। আদিম গোলাপের পাপড়ির সংখ্যা সর্বোর্ধ্ব পাঁচ, কদাচিৎ চারও দেখা যায়। কিন্তু পাঁচের বেশি দেখলেই বুঝতে হবে ওটা নির্ভেজাল আদিম নয়, কৃত্রিম বা ব্রিড গোলাপ। মাত্র পাঁচটি পাপড়ি অনুভূমিক থাকে বলে প্রতিটি পাপড়ির পূর্ণ রূপ একনজরে দর্শন ও রসাস্বাদন সম্ভব হয় একমাত্র এই বন্য গোলাপেই।
সাফো এই ন্যাচারেল স্পিশিজ রোজ বা প্রাকৃতিক বুনো গোলাপ ছাড়া কোনো কালচার্ড বা কাল্টিভার রোজ দেখেননি। কারণ, রোজ-কালচারের সূচনাই হয় সাফোর কাল থেকে দেড় হাজার বছর পরে, সেও তাঁর দেশ থেকে বহু হাজার মাইল দূরে—দূরপ্রাচ্যের সুদূর চীনদেশে। তাঁর উপমহাদেশ ইউরোপে কাল্টিভার রোজ বা বর্ণ-সংকর গোলাপের চর্চা শুরু হয় সাফোর সময়ের আড়াই হাজার বছর পরে।
জাপানি উদ্ভিদবিদ মিকিনোরি ওগিসু তাঁর ‘মাই ওয়ার্ল্ড অব প্লান্টস’ নামক গ্রন্থে লিখেছেন: চীনদেশের জনগণ প্রাচীন গোলাপের সংকরায়ণ-পদ্ধতি শিখে কাল্টিভার বা আধুনিক গোলাপের উদ্ভাবন ও উৎপাদন করে আসছেন হাজার বছর আগে থেকে, যেখানে ইউরোপ-আমেরিকায় কাল্টিভার রোজের ইতিহাসের বয়স মাত্র শ-দুয়েক বছর।
প্রতিটি রাজবংশেই চৈনিক বিবুধম-লি মনমাতানো সৌরভময় প্রাকৃতিক গোলাপের সৌন্দর্যে আবিষ্ট ছিলেন। কাব্যে কেবল গোলাপেরই গান গাইতেন তাঁরা। আজ সেসব কবিতা পড়েই আমরা বুঝতে পারি সেকালের জনগণ কেমন বিমোহিত ছিলেন অনাড়ম্বর প্রাকৃতিক গোলাপের মনোহর পারিপাট্য দেখে। সং বংশের রাজত্বকালের (৯৬০-১২৭৯) মহৎ কবি চেন কানজেং কর্তৃক আদিম গোলাপ উৎকীর্তিত হয়েছে বিশ্বের সমস্ত পুষ্পের চেয়ে বেশি রোমান্টিক বলে। উত্তর চীনের সং ডিনেস্টিতে গোলাপের সম্মানে অন্যান্য অনেক স্বনামধন্য উদ্ভিদকেই অনেক জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে।
চীনের জিয়াংসু প্রদেশের ফরেস্ট্রি অ্যাকাডেমির প্রফেসর ওয়াং গুয়োলিয়াং তাঁর ত্রিশ বছরের গবেষণার ফসল ‘হাজার বছর আগের চায়নিজ সং ডিনেস্টির প্রাচীন গোলাপ’ শীর্ষক একটি মিমিয়োগ্রাফে বলেছেন যে চীনের প্রাকৃতিক গোলাপের বৈচিত্র্য এবং সৌন্দর্য এখনো তাঁকে স্তম্ভিত করে। মিমিয়োগ্রাফটিতে তিনি চীনের শাংরি-লা ডিস্ট্রিক্টের আদিম গোলাপ আর রোজ কাল্টিভেশনের সুদীর্ঘ ইতিহাসসমৃদ্ধ প্রাচীন গোলাপের কিছু নির্বাচিত ভ্যারাইটি নিয়ে চাঞ্চল্যকর আলোচনা করেন।
আলোচনার ফোরামটি ছিল ম্যানহাটন রোজ সোসাইটি কর্তৃক এই ‘প্রাকৃতিক গোলাপ’ বিশেষজ্ঞের সম্মানে আয়োজিত ‘ডিনার উইথ ডক্টর ওয়াং গুয়োলিয়াং’। এই ইভেন্ট থেকেই আমি জানলাম: গোলাপবিশ্বের প্রবীণ ও নবীন দুই নেতা চীন ও যুক্তরাষ্ট্র প্রাকৃতিক গোলাপের প্রতি এখনো কত গভীরভাবে উৎসাহী। জানলাম ‘ম্যানহাটন রোজ সোসাইটি’র ‘স্কাইস্ক্রেপার্স অ্যান্ড রোজেস’ নামক নিউজলেটারে প্রকাশিত ইভেন্টটির ওপর দীর্ঘ প্রতিবেদন থেকে।
ভেবে বিস্মিত হলাম যে যুক্তরাষ্ট্র গোলাপ বানানোতেও বোমা বানানোর মতোই পারদর্শী। এ কারণেই বাকি বিশ্ব কর্তৃক উদ্ভাবিত গোলাপের নিবন্ধনও করতে হয় ‘আমেরিকান রোজ সোসাইটি’ কর্তৃক প্রবর্তিত ও পরিচালিত ইন্টারন্যাশনাল চেকলিস্টে। প্রযুক্তির প্রতীক স্কাইস্ক্রেপার্সের সঙ্গে প্রকৃতির প্রতীক গোলাপের এই মেলবন্ধন সর্বগ্রাসী বিভ্রান্তির চলমান এই কালটিতে মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক হতে পারে।
কদাচিৎ সাদা দেখা গেলেও বন্য গোলাপ সাধারণত গোলাপি রঙেরই হয়। বরং ‘গোলাপি রং’ কথাটি সাফো বর্ণিত সেই প্রাকৃতিক গোলাপেরই সৃষ্টি। যেকোনো মিশ্র রঙে গোলাপি আভা বর্ণনাটাও আদিম গোলাপেরই অবদান, যেমন গোলাপি লাল, গোলাপি বেগনি।
এই না-শুঁকে পাওয়ার মতো সুরভি-বিলানো প্রাকৃতিক গোলাপ আজ সবার বাগান থেকেই নির্বাসিত। অথচ ওয়াইল্ড রোজ এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার মতো সব বড় মহাদেশেরই নেটিভ। এশিয়া-ইউরোপের সহজাত গোলাপগুলোর কথা আমার গোলাপসংগ্রহ গ্রন্থে সবিস্তারে বলা হয়েছে। এখানে তাই শুধু আমেরিকার কিছু প্রাকৃতিক গোলাপের উল্লেখ করছি।
যেমন—ইস্ট কোস্টের রোজা ক্যারোলাইনা, রোজা পালুস্ট্রিস বা সোয়াম্প রোজ (ক্যারোলাইনার মতো এটাও শ্রাবরোজ), রোজা আরকানসানা বা প্রেইরি রোজ (মধ্য-যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয়), রোজা ভার্জিনিয়ানা বা ভার্জিনিয়া রোজ, রোজা উডসি বা উডস ওয়াইল্ড রোজ (রকি মাউন্টেন রোজ), রোজা নুটকানা বা নুটকা রোজ (প্যাসিফিক কোস্টের আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত)।
একই মৌসুমে বারবার ফোটার আধুনিক গোলাপ উদ্ভাবনের পর বাগানে প্রাকৃতিক গোলাপের জনপ্রিয়তা হ্রাসের এক কারণ তো এর বছরে কেবল একটিবার ফোটা, তাও মাত্র দুসপ্তাহের জন্য।
কিন্তু প্রাকৃতিক গোলাপের নিরিবিলি সৌন্দর্য তো অবিকল্প। মনে মনে পাঁচ-পাপড়িবিশিষ্ট সিঙ্গলরোজ ‘ইলেন উইলমট’ অথবা ‘অল্টিসিমো’র নীরব সৌন্দর্যের সঙ্গে ১০০+ পাপড়িসংবলিত হাইব্রিড-টি রোজ ‘বেলিন্ডাজ ড্রিম’ বা ‘কোয়ায়েটনেস’-এর সরব ঐশ্বর্যের পার্থক্যটা পরখ করে বুঝে নিন।
উদ্যানের ল্যান্ডস্কেপশিল্পীগণ তাই এশিয়ার জাপান-কোরিয়া-চায়নার ওয়াইল্ড রোজ রুগোসার সঙ্গে ক্রসব্রিডিঙের মাধ্যমে সিঙ্গল-ব্লুমিং বন্য গোলাপকে রিপিট-ব্লুমিং রোজ বানানোর চেষ্টায় কিছুটা সাফল্য অর্জন করে সুন্দর একটি ভিন্ন রূপের গোলাপ পেয়ে যথাযোগ্য নাম দিয়েছেন ‘নিয়ারলি ওয়াইল্ড রোজ’।
খ্রিষ্টের সাত শ বছর আগের মহাকাব্য ইলিয়াড-ওডিসির দুটিতেই গোলাপের উল্লেখ রয়েছে, তবে বিশেষ গোলাপের নয়, গোলাপবিশেষের। শৈলীগত বাগ্ভঙ্গিমায়—যেমন ‘দ্য রোজি ফিঙ্গারড ডন’। হোমারের বর্ণনায় অ্যাকিলিসের ঢাল ছিল গোলাপখচিত, নিহত হেক্টরের সর্বাঙ্গে আফ্রোদিতি লেপন করেছিলেন গোলাপেরই মলম। প্রেমের অধিষ্ঠাত্রী গ্রিক দেবী আফ্রোদিতি এবং রোমান দেবী ভিনাস—উভয়ের প্রতি উৎসর্গিত পুষ্পটি ছিল বিকল্পহীন গোলাপ। গ্রিসের স্মির্নাবাসী হোমারের গোলাপগুলো ছিল অবশ্যই সাদামাটা প্রাকৃতিক গোলাপ।
খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রথম দিকে গ্রিসের লেসবসবাসিনী গীতিকবি সাফোর (খ্রিষ্টপূর্ব ৬১০-৫৮০) বাণীবন্দনাতেই পুষ্পকুলের রানিরূপে প্রথম অধিষ্ঠান গোলাপের। সেই থেকে, বিগত ২৭০০+ বছরের ইতিহাসে, এই পৃথিবীতে গোলাপই একমাত্র রাজন্য যিনি তাঁর রাজমুকুটখানি হারাননি—বরং সাম্রাজ্যটিও নিরবধিই বিস্তার করে চলেছেন।
লেসবসের এই কালজয়ী গীতিকবির যে গানে গোলাপের পুষ্পরানি হিসেবে অভিষেক ঘটেছিল সেটির উদ্ধৃতি দেওয়া গেল সরাসরি গ্রিক থেকে ইংরেজি অনুবাদে:
Song of Rose
‘Would Jove appoint some flower to reign,
In matchless beauty on the plain,
The Rose (mankind will all agree),
The rose the queen of flowers should be;...
(Translation : F. Fawkes)
পরবর্তীকালের কবি, খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকের অ্যানাক্রিয়নের স্তবগানে গোলাপের ধরাধামে আবির্ভাব বর্ণিত হয়েছে সবিস্তারে—যেমন কীভাবে প্রেমদেবী আফ্রোদিতির সমুদ্র থেকে অভ্যুত্থানের অভিঘাতপ্রসূত শুভ্র সমুদ্রফেনা থেকে অভ্যুদয় ঘটেছিল তাঁর যোগ্য প্রতিনিধি গোলাপের। এ কবির গোলাপও ছিল প্রাকৃতিক, বৈজ্ঞানিক মূল্য সংযোজিত নয়।
গোলাপকে ‘পুষ্পরানি’র সিংহাসনে অভিষিক্তকারিণী সাফোর এ গান যতবার পড়ি ততবারই ভালো লাগে এবং ততবারই প্রশ্ন জাগে: কী গোলাপ দেখে সুপ্রাচীন এই গ্রিক কবি এমন উচ্ছ্বসিত গোলাপ-প্রশস্তি লিখে ফুলের সিংহাসনে গোলাপকে চিরস্থায়ী করলেন এবং নিজেও গোলাপের মতোই নিত্য উদ্ধৃত রইলেন? তাঁর দেশ ও কালের খ্যাতিমান অন্য কবি কি সে গোলাপ দেখেননি? যেমন তাঁর সমসাময়িক কবি আলসিউস? যিনি বিখ্যাত হয়েছিলেন সমকালীন রাজনৈতিক ডামাডোল নিয়ে লিখে?
আগে দ্বিতীয় প্রশ্নটির জবাব দেওয়া যাক। আসলে যার যা দেখার তিনি তা-ই দেখেছেন। রোমান্টিক প্রকৃতির ইন্দ্রিয়সেবী গীতিকবি সাফো মানুষের দলাদলির বদলে গোলাপের ঢলাঢলি দেখেছেন। যেমন দেখেছেন পারস্য কবি ওমর খৈয়াম (খ্রিষ্ট ১০৪৮-১১৩১)। তিনিও গোলাপ নিয়ে মাতামাতি করেছেন সরল সৌন্দর্যের প্রতীক প্রাকৃতিক গোলাপ দেখে।
জটিল সৌন্দর্যের গোলাপ নিয়ে প্রথম কাব্য রচনা করেছেন সম্ভবত চীন দেশের সং বংশের রাজত্বকালের (৯৬০-১২৭৯) কবিকুল, যাঁদের দেশে তাঁদের কালের আগে থেকেই প্রকৃতির কাজে হাত লাগিয়ে সংকর-প্রজনকগণ সিঙ্গেল গোলাপের বহুগুণ বেশি পাপড়িসংবলিত একালের সেমিডাবল, ডাবল, ফুল, ভেরি ফুল ইত্যাদি সংজ্ঞায়িত গোলাপের জটিল সৌন্দর্য সৃষ্টি করে ফেলেছিলেন।
ওমর খৈয়ামের কবিতাকে প্রমথ চৌধুরী বলেছেন ফুলের মতো ফুটে ওঠা দর্শন, যেমন হালকা, যেমন ফুরফুরে, তেমনি সুন্দর, তেমনি রঙিন:
‘এর প্রতিটি হচ্ছে ইরানদেশের গোলাপ,—এ গোলাপের রঙের সম্বন্ধে ওমর জিজ্ঞাসা করেছেন, “দীর্ণ-হিয়া কোন সে রাজার/ রক্তে নাওয়া এই গোলাপ—/ কার দেওয়া সে লালচে আভা,/ হূদয়-ছ্যাঁচা শোণিত-ছাপ’। ওমরের কবিতার রস ফুলের আসব, সে রস পান করলে মানুষের মনে গোলাপি নেশা ধরে...।’
যেমন কান্তি ঘোষের অনুবাদে:
সদ্য ফোটা এই যে গোলাপ, গন্ধ-প্রীতি-উজল মুখ,
বলছে না কি—মিথ্যা এসব, এই ক্ষণিকের দুঃখ সুখ।
পৃথ্বী-বুকে উঠছে ফুটে গর্্বে পরি রঙিন সাজ—
—পাপড়ি টুটে ছড়িয়ে মোদের জীবন-রেণু পথের মাঝ।
ঐহিক প্রেমী ওমরের (যিনি বলেন ‘নগদ যা’ পাও হাত পেতে নাও,/ বাকির খাতায় শূন্য থাক/ দূরের বাদ্য লাভ কি শুনে?/ মাঝখানে যে বেজায় ফাঁক) নগদ চাহিদার তালিকায় গোলাপের বাইরে আছে শুধু একটি দিওয়ান, মানে একটি কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যও আমার মতে কেবল একটি শৈলীর, তথা গজল নামক গীতিকবিতার—যা সুর সহযোগে শ্রাব্য।
উল্লেখযোগ্য গজল রচনার সূচনা বস্তুত জ্যোতির্বিদ কবি এই ওমর খৈয়াম থেকেই। আজ পর্যন্তও ফারসি কাব্যের শ্রেষ্ঠতম ফসল গজল। বলা হয়, ‘পারস্য হয়ে ভারতবর্ষে আগত মুসলমানদের শ্রেষ্ঠতম উপহার তাজমহলের পরে গজল।’
আসল কথা কাব্যজগতের ঐহিক প্রেমের একমাত্র ঘরানা গজলই মেলে পুষ্পভুবনের জাগতিক প্রেমের একমাত্র সখী গোলাপের সঙ্গে। গজলের প্রতিটি দ্বিপদী সার্বভৌম একটি শব্দার্থগত সত্তা, একটা আলাদা কবিতা। তেমনি প্রতিটি গোলাপও যেন স্বতন্ত্র একটি নন্দনতত্ত্বগত সত্তা, জনৈকা অন্যরূপা নায়িকা।
এ জন্য আমার মনে হয়—প্রতিটি গোলাপ যেন একটি গান। আবার প্রতিটি গানই যেন একটি গোলাপ। পুষ্পের ভুবনে যেমন কেবল গোলাপই দৈহিক প্রেমের অবিমিশ্র প্রেরণা, কাব্যের জগতেও তেমনি কেবল গজলই শরীরী প্রেমের অবিমিশ্র অভিব্যক্তি—তবে কেবল অপুরস্কৃত প্রেমের। কিন্তু যত পুরস্কারহীনতার হাহাকারই হোক না কেন গজল, তার কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান অবশ্য ইন্দ্রিয়জ বাসনারই। গোলাপও এমনি ইন্দ্রিয়জ বাসনারই প্রতীক।
তেমনি ইন্দ্রিয়জ কামনার প্রতিমূর্তি গীতিকবি সাফোই তো হবেন গোলাপের সমঝদার, গাইবেন গোলাপের গান। যেমন তাঁর রাজনৈতিক গোলযোগপূর্ণ কালের অন্য কবি লিখেছেন রাজনৈতিক প্রলাপের কথা।
কে ছিলেন এই নারী? মহামতি সক্রেটিসেরও (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৭০-৩৯৯) ১৪০ বছর আগের, মহাকবি হোমারের খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতক ছোঁয়া—অর্থাৎ আজ থেকে ২৮০০ বছর আগের জীবনধারিণী? নানাবিধ বিষয়ে ইতিহাস সৃষ্টিকারিণী? কী তাঁর পরিচয়?
তিনি ছিলেন খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ-সপ্তম শতকের গ্রিসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র লেসবস দ্বীপবাসিনী। বিত্তবান সারকাইলাসের স্ত্রী সাফো জীবনের যাপনে, চলনে-বলনে ছিলেন জনৈকা সম্ভ্রান্ত ‘অ্যারিস্টোক্র্যাট’। তাই তিনি চলতে পারতেন যেমন খুশি তেমনি। ছিলেন সহজাত গীতিকবি এবং নিবেদিতচিত্ত শিক্ষয়িত্রী। পরিচালনা করতেন লেসবসের প্রধান শহর মিটিলিনে নিজের প্রতিষ্ঠা করা, অবিবাহিতা মেয়েদের একাডেমি।
তাঁর ছাত্রী হিসেবে দূর দূর থেকে আসা কুমারীদের সঙ্গে কবিতা লেখা, আবৃত্তি করা ছাড়াও নিত্য মিথস্ক্রিয়াতেই কাটত সাফোর প্রতিটি দিন। (এঁর আদলেই তো সক্রেটিসের দিন কাটত ছেলেদের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়াতে? এ ব্যাপারে সাফোর ভাবশিষ্যও তো ভাবা যায় সক্রেটিসকে!)।
‘আনওয়েড’ ছাত্রীদের সঙ্গে এই শিক্ষিকার অন্তরঙ্গতা এতখানি বেড়ে যেত যে বিদায়কালে প্রত্যেককেই একটি করে ‘ওয়েডিং সং’ লিখে দিতেন সাফো। গানগুলোর কাব্যভাষা হতো ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশে খোলামেলা, যেমন:
Please
Come back to me, Gongyla, here tonight,
You, my rose, with your Lydian lyre.
There hovers forever around you delight :
A beauty desired.
...
—Translated by Paul Roche
হোমারের মতো দেবতাকে সম্বোধন নয়, মহাকাব্যিক বয়ানও নয়; সাফোর কবিতায় ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির কথা, ব্যক্তির প্রতি ব্যক্তির বারতা—সবই ব্যক্তিগত প্রেমবিষয়ক। গীতিকবিতার ইতিহাসে এটা প্রথম ঘটে সাফোর লিরিকেই। তিনি গান লিখতেন এবং সুর দিতেন ‘লায়ার’ বা বীণা বাজিয়ে সোলো গাওয়ার জন্য। গীতিকবিতার Lyric নামকরণ হয় সাফোর Lyre থেকেই। লিরিকের জন্য নিজস্ব একটি ছন্দও উদ্ভাবন করেছেন এই কালজয়ী লিরিসিস্ট, যেটি ‘সাফিক মিটার’ নামে প্রচলনে এসে অব্যবহিত পরবর্তী গীতিকবিদের ওপর বিপুল প্রভাব বিস্তার করেছিল। নীলনয়না রূপসী সাফোর দৃষ্টান্তেই ‘নীলকান্তমণি’ নামী প্রেশাস স্টোনের নামকরণ হয় Sapphire।
সাফো তাঁর প্রয়াণ-পরবর্তী দুই শ বছর সাফার করেন সমকামিতার রটনায়। তবু খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় ও দ্বিতীয় শতকে তাঁর নয়টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। সেগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার প্রথম কারণ হোমারিক ও অ্যাট্টিক গ্রিক ভাষার উত্থান ও জটিল ইয়োলিয়ান (লেসবিয়ান) আঞ্চলিক ভাষার পতন—যে আঞ্চলিক সুরেলা ভাষায় সাফো গান লিখতেন। তাঁর কাব্যভাষা ছিল আন্তরিক আঞ্চলিক, আনুষ্ঠানিক সাহিত্যিক নয়।
দ্বিতীয় কারণ, কবি অ্যানাক্রিয়ন কর্তৃক আনীত সমকামিতার অভিযোগে তাইতিয়ান নামক চার্চম্যানের আদেশে ১৪১ খ্রিষ্টাব্দে সাফোর পাণ্ডুলিপি ধ্বংসকরণ। তেমনি ‘কামোদ্দীপক’ জ্ঞান করে সাফোর ভক্তদের স্মৃতিবাহিত বাকি কবিতাগুলোও ১০৭৩ সালে পোপ গ্রেগরির নির্দেশে দাহন।
আবার তার অনেকখানি পুনরুদ্ধার সম্ভব হয় অক্সিরাইনচুস-স্তূপের প্রাচীন রাবিশের মধ্যে পাওয়া ইজিপ্সিয়ান প্যাপিরাসের টুকরাটাকরা থেকে, ১৮৯৮ সালে। এই উনিশ শতকেই নারীসমাজের সমকামিতার পরিভাষা হিসেবে সমগ্র বিশ্বের নিয়মিত ব্যবহারে চলে আসে Lesbian ও Sapphic শব্দ দুটি এবং স্থায়ীভাবে। এর অন্যতম কারণ ইউরোপিয়ান রেনেসাঁসের পর থেকে সাফোর আদৃতি ও উদ্ধৃতি দিন দিন বেড়ে চলা।
সাফোর আদৃতির বহরটা ইতিহাসজুড়েই দেখুন। প্লেটো তাঁর অ্যান্থলজিয়া প্যালাটিনার এক এপিগ্রামে বলেছেন:
Some say the Muses are nine : how careless!
Look, there’s Sappho too, from Lesbos, the tenth.
এথেন্সের শাসক ও কবি সোলন (খ্রিষ্টপূর্ব ৬৩৮-খ্রিষ্টপূর্ব ৫৫৮) সাফোর একটা গান শুনে বলেছেন এটা আমাকে শেখাও। কারণ I want to learn it and die। রোমান কবি কাতুল্লুস (খ্রিষ্টপূর্ব ৮৪-৫৪) সাফোর গান অনুবাদ করেছেন জাঁকজমকের সঙ্গে। মার্কিন কবি ও লেখিকা গার্টুড স্টিন সাফোর স্বকাল থেকে অনেক অগ্রসর ‘ও মুন’, ‘ও সি’, ‘ও লাভ’ সম্বোধিত কবিতা পড়ে মুগ্ধবিস্মিত হয়ে মন্তব্য করেছেন: এপিক কবি হোমারের ‘রোজি ফিঙ্গার্স’ থাকে বীর্যের প্রতীক সূর্যোদয়ের সঙ্গে, আর লিরিক কবি সাফোর ‘রোজি ফিঙ্গার্স’ থাকে প্রেমের প্রতীক চন্দ্রোদয়ের সঙ্গে—সাফোর কাব্যের বাতাসে প্রেম এমনি সতত ভাসে।
সাফোর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা, এমনকি তাঁকে সিসিলিতে নির্বাসিত করা; এসবের মূল কারণ—তিনি ছিলেন তাঁর কাল থেকে অনেক অনেক এগিয়ে। তাঁর ‘সিঙ্গল উইমেনস অ্যাকাডেমি’ একাই যথেষ্ট ছিল সমাজকে খেপানোর জন্য। যেমন একালের রবীন্দ্র-বিদূষণের প্রধান কারণও ছিল তাঁর স্বকাল থেকে বেজায় বেশি এগিয়ে থাকা—যথা ভদ্র ঘরের শিক্ষিত মেয়েদের নৃত্যশিল্পীরূপে মঞ্চস্থ করা।
তা ছাড়া গোলাপপ্রেমী সাফো যে বৈকৃতকাম ছিলেন না, তার চূড়ান্ত প্রমাণ হলো তাঁর বিবাহ ও সন্তান জনন। লেসবিয়ান নারী যেখানে পুরুষকে অন্তরঙ্গ সান্নিধ্যে ঘনিষ্ঠ হতে দেন না—সেখানে পুরুষের ঔরসে তাঁর গর্ভে সন্তান ধারণ করার কথা ভাবাও যায় না। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার অষ্টম খণ্ড মাইক্রোপিডিয়া লিখেছে—এটা নিশ্চিত যে সাফো এক কন্যাসন্তানের জননী হয়েছিলেন। কন্যাটির নাম রেখেছিলেন নিজের মায়ের নামে, ক্লিস।
এ ছাড়া ল্যাটিন কবি ওভিদ (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩-খ্রিষ্ট ১৮) বর্ণিত লেজেন্ডে আছে—ফাওন নামের এক তরুণ নাবিক কর্তৃক প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে মাত্র তিরিশ বছর বয়সে সাফো সমুদ্র-তীরবর্তী অতি উচ্চ এক পর্বতগাত্র থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। পুরুষের জন্য কোনো সমকামী নারীর আত্মহত্যা করা অকল্পনীয়।
আমি প্রাণবন্ত এই কালজয়ী গীতিকবির কামবিকৃতির সত্যমিথ্যা গল্পগাছা শুনতেও প্রস্তুত নই। কারণ, তাঁর সঙ্গে দেখা না হলে গোলাপের দেশটা আমার দেখা হতো না, তিনি দেখিয়ে না দিলে গোলাপের পথে আমার চলা হতো না। স্বতন্ত্র শ্রেণীর গানের স্রষ্টা জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় হয়তো সাফো আর গোলাপকে মনে রেখেই এই অবিস্মরণীয় গানটির কথা আর সুর রচনা করেছিলেন, ‘তোমার সঙ্গে দেখা না হলে/ ভালোবাসার দেশটা আমার দেখা হতো না/ তুমি না হাত বাড়িয়ে দিলে/ এমন একটি পথে আমার চলা হতো না’/।
আনীত অভিযোগ সমকামিতার চিহ্নমাত্র দ্রষ্টব্য নয়, তাঁর অবিনষ্ট কবিতানিচয়ের কোথাও। তবু ইউরোপের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠা নারী গীতিকবি লেসবসের সাফোকেই সমকামী নারীর প্রোটোটাইপ বা আদিরূপ জ্ঞান করে নারীসমাজের সমকামিতার জাত্যর্থরূপে সর্বকালের জন্যই স্থায়ী হয়ে গেল ‘সাফিফজম’ বা ‘লেসবিয়ানিজম’ শব্দদ্বয়। অসত্য এভাবেই ইতিহাসের ঘাড়ে চেপে বেঁচে থাকে কাল থেকে কালে।
এবারে প্রথম প্রশ্নটির জবাব দেওয়া যাক। এককালের এশিয়া মাইনরের অংশ, লেসবস দ্বীপে খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে সাফো দেখেছিলেন পাঁচ-পাপড়ির সহজ সরল বিনম্র সুন্দর প্রাকৃতিক গোলাপ, যে আপন খেয়ালে নিজে নিজে ফোটে—কি অরণ্যে কি উদ্যানে। যাকে ব্রিড করে কেউ ফোটায় না। বন্য অভিহিত এই গোলাপ প্রাকৃতিক উদ্ভিদবিশ্বের সুন্দরতম অংশটি। এর বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক নাম স্পিশিজ রোজ।
কেউ ফোটায় না বলেই বর্তমান বিশ্বে ওয়াইল্ড বা স্পিশিজ-রোজের টাইপ মাত্র ১০০, যেখানে ব্রিড-রোজের ভ্যারাইটি প্রায় তিন হাজার। আদিম গোলাপের পাপড়ির সংখ্যা সর্বোর্ধ্ব পাঁচ, কদাচিৎ চারও দেখা যায়। কিন্তু পাঁচের বেশি দেখলেই বুঝতে হবে ওটা নির্ভেজাল আদিম নয়, কৃত্রিম বা ব্রিড গোলাপ। মাত্র পাঁচটি পাপড়ি অনুভূমিক থাকে বলে প্রতিটি পাপড়ির পূর্ণ রূপ একনজরে দর্শন ও রসাস্বাদন সম্ভব হয় একমাত্র এই বন্য গোলাপেই।
সাফো এই ন্যাচারেল স্পিশিজ রোজ বা প্রাকৃতিক বুনো গোলাপ ছাড়া কোনো কালচার্ড বা কাল্টিভার রোজ দেখেননি। কারণ, রোজ-কালচারের সূচনাই হয় সাফোর কাল থেকে দেড় হাজার বছর পরে, সেও তাঁর দেশ থেকে বহু হাজার মাইল দূরে—দূরপ্রাচ্যের সুদূর চীনদেশে। তাঁর উপমহাদেশ ইউরোপে কাল্টিভার রোজ বা বর্ণ-সংকর গোলাপের চর্চা শুরু হয় সাফোর সময়ের আড়াই হাজার বছর পরে।
জাপানি উদ্ভিদবিদ মিকিনোরি ওগিসু তাঁর ‘মাই ওয়ার্ল্ড অব প্লান্টস’ নামক গ্রন্থে লিখেছেন: চীনদেশের জনগণ প্রাচীন গোলাপের সংকরায়ণ-পদ্ধতি শিখে কাল্টিভার বা আধুনিক গোলাপের উদ্ভাবন ও উৎপাদন করে আসছেন হাজার বছর আগে থেকে, যেখানে ইউরোপ-আমেরিকায় কাল্টিভার রোজের ইতিহাসের বয়স মাত্র শ-দুয়েক বছর।
প্রতিটি রাজবংশেই চৈনিক বিবুধম-লি মনমাতানো সৌরভময় প্রাকৃতিক গোলাপের সৌন্দর্যে আবিষ্ট ছিলেন। কাব্যে কেবল গোলাপেরই গান গাইতেন তাঁরা। আজ সেসব কবিতা পড়েই আমরা বুঝতে পারি সেকালের জনগণ কেমন বিমোহিত ছিলেন অনাড়ম্বর প্রাকৃতিক গোলাপের মনোহর পারিপাট্য দেখে। সং বংশের রাজত্বকালের (৯৬০-১২৭৯) মহৎ কবি চেন কানজেং কর্তৃক আদিম গোলাপ উৎকীর্তিত হয়েছে বিশ্বের সমস্ত পুষ্পের চেয়ে বেশি রোমান্টিক বলে। উত্তর চীনের সং ডিনেস্টিতে গোলাপের সম্মানে অন্যান্য অনেক স্বনামধন্য উদ্ভিদকেই অনেক জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে।
চীনের জিয়াংসু প্রদেশের ফরেস্ট্রি অ্যাকাডেমির প্রফেসর ওয়াং গুয়োলিয়াং তাঁর ত্রিশ বছরের গবেষণার ফসল ‘হাজার বছর আগের চায়নিজ সং ডিনেস্টির প্রাচীন গোলাপ’ শীর্ষক একটি মিমিয়োগ্রাফে বলেছেন যে চীনের প্রাকৃতিক গোলাপের বৈচিত্র্য এবং সৌন্দর্য এখনো তাঁকে স্তম্ভিত করে। মিমিয়োগ্রাফটিতে তিনি চীনের শাংরি-লা ডিস্ট্রিক্টের আদিম গোলাপ আর রোজ কাল্টিভেশনের সুদীর্ঘ ইতিহাসসমৃদ্ধ প্রাচীন গোলাপের কিছু নির্বাচিত ভ্যারাইটি নিয়ে চাঞ্চল্যকর আলোচনা করেন।
আলোচনার ফোরামটি ছিল ম্যানহাটন রোজ সোসাইটি কর্তৃক এই ‘প্রাকৃতিক গোলাপ’ বিশেষজ্ঞের সম্মানে আয়োজিত ‘ডিনার উইথ ডক্টর ওয়াং গুয়োলিয়াং’। এই ইভেন্ট থেকেই আমি জানলাম: গোলাপবিশ্বের প্রবীণ ও নবীন দুই নেতা চীন ও যুক্তরাষ্ট্র প্রাকৃতিক গোলাপের প্রতি এখনো কত গভীরভাবে উৎসাহী। জানলাম ‘ম্যানহাটন রোজ সোসাইটি’র ‘স্কাইস্ক্রেপার্স অ্যান্ড রোজেস’ নামক নিউজলেটারে প্রকাশিত ইভেন্টটির ওপর দীর্ঘ প্রতিবেদন থেকে।
ভেবে বিস্মিত হলাম যে যুক্তরাষ্ট্র গোলাপ বানানোতেও বোমা বানানোর মতোই পারদর্শী। এ কারণেই বাকি বিশ্ব কর্তৃক উদ্ভাবিত গোলাপের নিবন্ধনও করতে হয় ‘আমেরিকান রোজ সোসাইটি’ কর্তৃক প্রবর্তিত ও পরিচালিত ইন্টারন্যাশনাল চেকলিস্টে। প্রযুক্তির প্রতীক স্কাইস্ক্রেপার্সের সঙ্গে প্রকৃতির প্রতীক গোলাপের এই মেলবন্ধন সর্বগ্রাসী বিভ্রান্তির চলমান এই কালটিতে মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক হতে পারে।
কদাচিৎ সাদা দেখা গেলেও বন্য গোলাপ সাধারণত গোলাপি রঙেরই হয়। বরং ‘গোলাপি রং’ কথাটি সাফো বর্ণিত সেই প্রাকৃতিক গোলাপেরই সৃষ্টি। যেকোনো মিশ্র রঙে গোলাপি আভা বর্ণনাটাও আদিম গোলাপেরই অবদান, যেমন গোলাপি লাল, গোলাপি বেগনি।
এই না-শুঁকে পাওয়ার মতো সুরভি-বিলানো প্রাকৃতিক গোলাপ আজ সবার বাগান থেকেই নির্বাসিত। অথচ ওয়াইল্ড রোজ এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার মতো সব বড় মহাদেশেরই নেটিভ। এশিয়া-ইউরোপের সহজাত গোলাপগুলোর কথা আমার গোলাপসংগ্রহ গ্রন্থে সবিস্তারে বলা হয়েছে। এখানে তাই শুধু আমেরিকার কিছু প্রাকৃতিক গোলাপের উল্লেখ করছি।
যেমন—ইস্ট কোস্টের রোজা ক্যারোলাইনা, রোজা পালুস্ট্রিস বা সোয়াম্প রোজ (ক্যারোলাইনার মতো এটাও শ্রাবরোজ), রোজা আরকানসানা বা প্রেইরি রোজ (মধ্য-যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয়), রোজা ভার্জিনিয়ানা বা ভার্জিনিয়া রোজ, রোজা উডসি বা উডস ওয়াইল্ড রোজ (রকি মাউন্টেন রোজ), রোজা নুটকানা বা নুটকা রোজ (প্যাসিফিক কোস্টের আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত)।
একই মৌসুমে বারবার ফোটার আধুনিক গোলাপ উদ্ভাবনের পর বাগানে প্রাকৃতিক গোলাপের জনপ্রিয়তা হ্রাসের এক কারণ তো এর বছরে কেবল একটিবার ফোটা, তাও মাত্র দুসপ্তাহের জন্য।
কিন্তু প্রাকৃতিক গোলাপের নিরিবিলি সৌন্দর্য তো অবিকল্প। মনে মনে পাঁচ-পাপড়িবিশিষ্ট সিঙ্গলরোজ ‘ইলেন উইলমট’ অথবা ‘অল্টিসিমো’র নীরব সৌন্দর্যের সঙ্গে ১০০+ পাপড়িসংবলিত হাইব্রিড-টি রোজ ‘বেলিন্ডাজ ড্রিম’ বা ‘কোয়ায়েটনেস’-এর সরব ঐশ্বর্যের পার্থক্যটা পরখ করে বুঝে নিন।
উদ্যানের ল্যান্ডস্কেপশিল্পীগণ তাই এশিয়ার জাপান-কোরিয়া-চায়নার ওয়াইল্ড রোজ রুগোসার সঙ্গে ক্রসব্রিডিঙের মাধ্যমে সিঙ্গল-ব্লুমিং বন্য গোলাপকে রিপিট-ব্লুমিং রোজ বানানোর চেষ্টায় কিছুটা সাফল্য অর্জন করে সুন্দর একটি ভিন্ন রূপের গোলাপ পেয়ে যথাযোগ্য নাম দিয়েছেন ‘নিয়ারলি ওয়াইল্ড রোজ’।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 23
(112)
- বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে প্রভা by দাউদ রনি
- নারী বিক্ষোভকারীকে নির্যাতনঃ সামরিক পরিষদের দুঃখ প...
- সাদিয়া জাহান প্রভার এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ
- ভারতীয় ছবি রুখতে ৭টি জনপ্রিয় ছবির প্রদর্শনী
- ৫০০ টাকায় মুক্ত কেয়া
- আব্দুর রাজ্জাক: এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামী জীবন by শামীম...
- দোয়েল ল্যাপটপ-যাত্রা শুরু নতুন পথে
- বিরোধী দলের রোডমার্চ-গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হোক
- স্মরণ-ওবায়েদ উল হক : সব্যসাচী এক পুরুষ
- ওদের কিছুই বদলায় না! by ইশতিয়াক হুসাইন
- অসহিষ্ণু সমাজের অসহায় শিশুরা by লুৎফর রহমান রনো
- বাঘের মুখ থেকে বাবাকে ফেরালেন ছেলে!
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি এবং কিছু কথা by আবু...
- সাদাকালো-মৃত্যুর মিছিলে আর কত তরুণী by আহমদ রফিক
- জানুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে ইসলামী তহবিল মার্কেট by ও...
- জমজমাট এসএমই মেলা
- আরও ২ হাজার কোটি টাকা চায় বিদ্যুৎ বিভাগ by জাফর আহমেদ
- বিপিএলের টার্গেট বাংলাদেশিদের আবেগ
- তামিমের দুঃস্বপ্নের সিরিজ
- আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ-পঞ্চম স্থানে পাকিস্তান
- ওয়ানডের পর এবার টেস্ট ক্রিকেটেও সেরা অলরাউন্ডার সা...
- খুলনায় ১০ গম্বুজ মসজিদের প্রাচীন স্থাপনার সন্ধান
- চ্যালেঞ্জের মুখে পোলট্রি শিল্প by আলতাব হোসেন
- সিলেটে অর্থমন্ত্রী-জিয়া জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা, হাল...
- পার্বত্য শান্তিচুক্তি আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব
- তীব্র শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা by বদরুদ্দোজ...
- সাকিব নাম্বার ওয়ান by সঞ্জয় সাহা পিয়াল
- সার্চ কমিটির পক্ষে মত
- বিদ্যুতের দাম বাড়ল ২১.২৮%
- ইরাকে সিরিজ বোমায় নিহত ৬৩
- উত্তর কোরিয়া :ক্ষমতার নেপথ্যে যারা
- বিভক্তির পথে ইরাক!
- ১৫ এপ্রিলের মধ্যে নদীতীরে সীমানা পিলার স্থাপন
- জলবায়ু প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী ...
- নায়িকা কেয়া গ্রেফতার
- বৃত্তবন্দী বর্ষা!
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন-নিজেকেই অতিক্রমের চেষ্টা করি ...
- প্রচ্ছদ-সৈয়দ শামসুল হক : কথাসাহিত্যের পরিব্রাজন by...
- অপরিহার্য কবীর চৌধুরী by হাসান আজিজুল হক
- র ঙ বে র ঙ-জনপ্রিয় খেলনা...
- লোকজ গান নিয়ে আরও কাজ করব
- সমাজে নারীর ভূমিকা by নিগার সুলতানা
- ইবাদতের নিয়ত by মুফতি মাহফূযুল হক
- জুমা-পূর্ব বয়ান হোক গণকল্যাণমুখী by মুফতি এনায়েতুল...
- টমাস ট্রান্সট্রোমারের নোবেল ভাষণ
- গল্প-খেরোখাতার জীবন by শরীফ আতিক উজ জামান
- বই আলোচনা-যন্ত্র সময়ের গল্প
- 'প্রণয়ের হলুদ উপাখ্যান'
- স্মরণ-বন্ধু থাক আমার সঙ্গে পদ্মফোটা জলে
- প্রবৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা-জনজীবনের দুর্ভোগ কমানো প...
- নাগরিক সেবা-নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে
- চরাচর-স্বেচ্ছায় রক্তদান
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫৫)-বুকটা ভরে গেল by আলী...
- শেকড়ের ডাক-টিপাইমুখ থেকে ডারবান : কেবলই রাজনীতি by...
- কালান্তরের কড়চা-একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের মরণকামড় b...
- তেল ও জলের দর by মাহবুব মোর্শেদ
- রাষ্ট্র-বিলম্বিত স্বপ্ন এখনও দেখে বাংলাদেশ by সুজা...
- ধর নির্ভয় গান-'৭১ এবং আমাদের আজকের তরুণরা by আলী য...
- ম্যারেজ মিডিয়া প্রতারণা-নিয়মিত নজরদারি স্বস্তি দিত...
- অর্থনীতিতে হতাশার চিত্র-অব্যবস্থাপনার দায় সরকারেরই
- বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়-বিজ্ঞান শিক্ষক নে...
- নতুন উচ্চতায় সাকিব
- পরকীয়ায় অনুশোচনা নেই!
- ভালো একটি সপ্তাহ পার করলেন বিনিয়োগকারীরা by আব্দু...
- ছয় দিনে আট জেলায় ৬৬ জনের মৃত্যু, প্রতিদিনই হাসপাতা...
- শীতার্তদের পাশে প্রথম আলো-দিনাজপুর ও রায়গঞ্জে শীতা...
- বাংলাদেশসহ ছয় দেশ নিয়ে টিআইয়ের জরিপ-সেবা পেতে ৪০% ...
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র হত্যা-ছয়জনকে ধর...
- ২০ লাখ পাঠ্যবই নিয়ে সংকটের আশঙ্কা by মোশতাক আহমেদ
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নতুন প্রজাতির কাছিম by মনিরুল খান
- সাঈদীর আইনজীবীর মত-সরকারি আনুকূল্যের আশায় সাক্ষী ম...
- মাগুরা, ঝিনাইদহে ২২ কোটি টাকার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ
- বিশেষ রচনা-অসাম্প্রদায়িক মননের প্রতীক অধ্যাপক কবী...
- প্রচ্ছদ রচনা-কবীর চৌধুরী ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের ক...
- সম্পাদকীয়-কবীর চৌধুরীর প্রয়াণ ও কবিতা প্রসঙ্গ
- নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সংলাপ-জাপা ও জাসদের কা...
- মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন-রাষ্ট্রপতির সংলাপের পেছনে কী...
- রোডমার্চ, একাধিক জনসভা শেষে ঢাকামুখী হবে বিএনপি by...
- আইএম হওয়ার অপেক্ষায় মিনহাজ
- সিটির আনন্দের বড়দিন
- টেরির ‘শেষ’ দেখছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
- মেসির স্বীকৃতি ও বিয়াঞ্চির দাবি
- দায়িত্বটা অনেক বেড়ে গেল by সাকিব আল হাসান
- চিনিকলে মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের দাবি
- দুই বাজার মিলিয়ে লেনদেন ৫৫০ কোটি টাকা ছাড়াল
- এসএমই মেলা জমে উঠেছে-নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য ঘিরে ব...
- জার্মানিতে যুদ্ধাপরাধীর সাজা শুরু
- নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের অঙ্গীকার মেগরাহির
- বাগদাদে পৃথক বোমা হামলায় নিহত ৫৭
- ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা করছেন গিলানি
- ওবামার বড়দিনের উপহার কেনা
- ধর্ম-শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান by মুহাম্মদ আবদুল...
- ইউরোপের জানালা-ইউরো-সংকট আর সম্ভাবনার এক যুগ by সর...
- শুধু বন্ধ নয়, আইন ভঙ্গের উপযুক্ত শাস্তি হোক-এবার হ...
- এই নজির গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয়-গণমিছিলে পুলিশের ...
- সাটুরিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
- কালিয়াকৈরে বংশাই নদে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ
- শু ক্র বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বিদ্যাপীঠের প্রাণ b...
- জলবায়ুর সেমিনারে অভিযোগ-প্রভাব মোকাবিলায় পানি ও পয়...
- ছুরিকাঘাতে গাড়িচালক খুন
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী ভর্তিতে বেশি ...
- প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন না করায় উন্নয়নকাজ বন্ধ
- বইপত্র-তাঁর সাহিত্যকৃতির অন্বেষা by আখতার হুসেন
- ড্যান কগিন্স নিবাস নিউইয়র্ক by দিলওয়ার হাসান
- আর্জেন্টিনার রবিতীর্থ by আহমেদ হেলাল
- ২৭ ডিসেম্বর কবির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে-দুটি কবিতা ...
- প্রাকৃতিক গোলাপ by আবদুশ শাকুর
- চারদিক-ঢেমশায় এসো মিলন অঙ্গনে
- পররাষ্ট্রনীতি-বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে দূর...
- বিয়ে করেছেন আলোচিত প্রভা
- পরীক্ষামূলক ট্রানজিট আর কত দিন? by আরিফুর রহমান খাদেম
-
▼
Dec 23
(112)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment