Friday, December 23, 2011
টমাস ট্রান্সট্রোমারের নোবেল ভাষণ
টমাস ট্রান্সট্রোমারের নোবেল ভাষণ
অনুবাদ : দুলাল আল মনসুর
আমার দিকে তাকিয়ে আছে স্মৃতিরা
জুন মাসের এক সকাল। বিছানা ছাড়ার জন্য বেশি সকাল,
আবার ঘুমিয়ে পড়ার মতো সময়ও নেই।
আমার দিকে তাকিয়ে আছে স্মৃতিরা
জুন মাসের এক সকাল। বিছানা ছাড়ার জন্য বেশি সকাল,
আবার ঘুমিয়ে পড়ার মতো সময়ও নেই।
আমাকে বাইরে যেতেই হবে_স্মৃতিরা ঘন হয়ে জুড়ে আছে
শ্যামলিমার বুক; স্মৃতিরা খোলা চোখে পিছু নেয় আমার।
দেয় না ধরা দৃষ্টিসীমায়; পূর্ণাবয়বে জেগে ওঠে
পটভূমিজুড়ে, সত্যিকারের গিরগিটি সব।
স্মৃতিদের অবস্থান এতটাই কাছে, পাখিদের কান ঝাঁজালো
কলরবেও তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস শুনতে পাই।
উত্তরের শিল্পী
আমি এদভার্দ গ্রিয়েগ মনুষ্য-ভিড়ে ঘুরেছি অনেক মুক্ত মানুষের মতো।
হাস্যরসের খোরাক থাকত হাতের কাছেই, পত্রপত্রিকা পড়া হয়েছে ঢের, এখানে-সেখানে ঘুরেছি অনেক।
বাদকদলের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাও হয়েছে আমার।
নোঙরের সময় ট্রেন-ফেরির ভাবগম্ভীর চেহারার মতো
আলোর বন্যায় বিজয়গর্বে কাঁপতে থাকে কনসার্ট হল।
এখানে এসেছি নিস্তব্ধতার সঙ্গে বন্দিত্বে একাত্ম হতে।
আমার কাজ করার ঘরটা বেশ স্বল্পপরিসর।
ছাইচের নিচে আবাবিল পাখির মতো পিয়ানোটা আঁটসাঁট।
নয়নাভিরাম খাড়া ঢাল থেকে খুব একটা কথা বের হয় না।
বের হওয়ার পথ নেই কোনো।
তবে মাঝেমধ্যে একটুখানি ফাঁক চোখে পড়ে;
সেখান দিয়ে সরাসরি দানবালয় থেকে অদ্ভুত আলো চুইয়ে পড়ে।
হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়!
তারপর এক বসন্তের রাতে পর্বতের ওপরের হাতুড়ির আঘাত
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনের মতো চুপি চুপি চলে এল
চলে এল
এল আমাদের ঘরে।
আমি মারা যাওয়ার আগের বছর ঈশ্বরের তালাশে গোটা চারেক ঈশ্বরবন্দনা পাঠাব।
তবে তার শুরু এখানেই: নিকটবর্তী আছে যা তা নিয়েই একটি গান,
নিকটবর্তী আছে যা।
আমাদের ভেতরে আছে এক যুদ্ধক্ষেত্র_
এখানে আমরা মৃতের হাড়েরা জীবিত হওয়ার লক্ষ্যে
অবিরত লড়ে যাই।
ফানচাল
সমুদ্রতটে মাছের রেস্তোরাঁ, ছোট, জাহাজডুবি লোকদের তৈরি একটা চালাঘর মাত্র। দরজা থেকে অনেকেই ফিরে যায়; তবে সমুদ্রের বাতাস ফেরে না। একটি ছায়া তার দুর্গন্ধভরা কেবিনে দাঁড়িয়ে আটলান্টিসের পুরনো রেসিপি অনুসারে দুটো মাছ ভাজে। রসুনের হালকা ঝাঁজ, টমেটোর টুকরোর ওপর দিয়ে তেল গড়িয়ে পড়ে। প্রতিটা কামড়েই বোঝা যায়, সমুদ্র আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী। গভীর থেকে উঠে আসে গুনগুন।
ক্লান্তিহীন বুনোফুলে ভরা পাহাড়ি পথে আরোহণের মতো আমি আর আমার সঙ্গিনী দুজন দুজনের ভেতরে দৃষ্টি ফেলি। পশুদের কাছাকাছি আমরা; আমরা স্বাগত; আমাদের বয়স বাড়ে না। তবে এত বছর আমরা কত অভিজ্ঞতা একসঙ্গে ভাগ করে নিয়েছি! মনে পড়ে যায় সব; কখনো কখনো আমরা কোনো কাজের ছিলাম বলে মনে হয়নি (যেমন ফুলেফেঁপে ওঠা দৈত্যটাকে রক্ত দেওয়ার জন্য আমরা লাইনে দাঁড়িয়েছি)। কোনো কোনো ঘটনা আমাদের আরো ঘনিষ্ঠ করেছে, না হলে আমাদের এসব ঘটনা বিচ্ছিন্নই করে ফেলতে পারত। আবার কিছু ঘটনা আমরা একসঙ্গেই ভুলে গেছি। তবে সে ঘটনাগুলো আমাদের ভোলেনি; সেগুলো পাথরে পরিণত হয়ে গেছে_কতক হালকা রঙের, কতক কালো। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মোজাইকের অংশ হয়ে গেছে ওই সব পাথর। আর এখন এমন ঘটে_পাথরের টুকরোগুলো একসঙ্গে উড়ে বেড়ায়; মোজাইক দৃষ্টির সামনে দৃশ্যমান। মোজাইক আমাদের জন্য অপেক্ষায় আছে। আমাদের হোটেল রুমের দেয়ালে কেমন চকচক করছে। ডিজাইনের মধ্যে মারমুখী আবার কোমল জিনিসের মিশেলও আছে। তবে আমরা যেভাবে বিছানার কাপড় তুলে ফেলি এত কিছু দেখার সময় আমাদের নেই।
গোধূলিবেলায় আমরা বাইরে বের হই। অন্তরীপের কালচে নীল থাবা সমুদ্রের বিরাট এলাকাজুড়ে পড়ে আছে। আমরা মানুষের স্রোতে মিশে যাই। বন্ধুত্বপূর্ণ হালকা ধাক্কায় এদিক-ওদিক সরে যাই। সবাই অজানা ভাষায় কিচিরমিচির করছে। 'কেউই বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়'। আমরা তাদের মধ্য দিয়ে এবং আমাদের মধ্য দিয়ে আরো শক্ত হয়ে উঠি। আমাদের ভেতরের এই শক্তিকে অন্য কেউ দেখতে পায় না। অভ্যন্তরের আপাতস্ববিরোধিতা, গ্যারেজের ফুল, শুভ অন্ধকারের দিকে ঘুলঘুলি। শূন্য গ্লাসে বুদ্বুদ্ তোলা পানীয়। নীরবতা ছড়িয়ে দেওয়া একটি লাউডস্পিকার। প্রতি পদক্ষেপের পেছনে গজিয়ে ওঠা পথ। অন্ধকারে পাঠযোগ্য একটি পুস্তক।
আলোর প্রবাহ ভেতরে ঢুকে পড়ে
জানালার বাইরে বসন্তের পশুটা সূর্যালোকের স্বচ্ছ ড্রাগন
উপশহরীয় শেষ-নেই ট্রেনের মতো দ্রুত এগিয়ে আসে;
আমরা এর অগ্রভাগের দেখা পাইনি কখনো।
তীরবর্তী বাড়িগুলো ধীরে ধীরে দুপাশে সরে যায়;
বাড়িগুলো কাঁকড়াদের মতো গর্বিত
সূর্যের আলোয় পাথরের মূর্তিগুলো চোখ পিটপিট করে।
আগুনের ক্রুদ্ধ সাগর স্নেহস্পর্শে পরিণত হয়।
উল্টো গণনা শুরু হয়ে গেছে।
ভারমিয়ার
সুরক্ষিত কোনো জগৎ বলতে কিছু নেই; শুধু দেয়ালের আড়ালে হৈচৈ শুরু হয়ে যায়; ওখানেই পান্থশালা; সেখানে উচ্চহাসি, অযথা বকবকানি, দন্ত উন্মোচন, অশ্রু, বেলের উচ্চ শব্দ, উন্মাদ শালা আর মৃত্যু আনয়নকারীর জন্যই আমাদের যত শিউরে ওঠা। বিশাল বিস্ফোরণ, আর উদ্ধারকারী ভবঘুরেদের দেরিতে উপস্থিতি। নৌকাগুলো প্রণালির ভেতর নিজেদের সজ্জায় ব্যস্ত।
ভুল লোকের পকেটের দিকে বয়ে যায় টাকা-পয়সা। চাহিদার ওপর জড়ো হয় চাহিদার স্তূপ; মুখখোলা কেয়ারি থেকে যুদ্ধের আগামবার্তা ঘাম হয়ে ঝরে; ওখান থেকে আর ঠিক দেয়ালের ভেতর দিয়ে, পরিষ্কার স্টুডিওর ভেতর দিয়ে শত বছর বেঁচে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত সেকেন্ডের ভেতর।
'সংগীতের তালিম' এবং 'নীল পোশাকে চিঠি পড়া নারী' নামধারী ছবিগুলো_মহিলার এখন আট মাস চলছে; তার ভেতরে আরো দুটো হৃৎপিণ্ড লাথি ঝাড়ছে। পেছনের দেয়ালে টাঙানো অজানা ভূখণ্ডের মানচিত্র। প্রশান্ত নিঃশ্বাস পতন...। অজনা-অচেনা কী যেন একটা চেয়ারের সঙ্গে পেরেক দিয়ে আটকানো। সোনার ঘণ্টিগুলো অবিশ্বাস্য দ্রুততায় ঢুকে পড়ে ভেতরে; তারপর হঠাৎ
থেমে যায়, যেন স্থিরতা ছাড়া আর কোনো পরিচয়ই ছিল না কোনো কালে; গভীর থেকে কিংবা উচ্চতা থেকে কানে বাজে সংগীত; এটা আসলে দেয়ালেরই অন্য পাশ থেকে আসা চাপ।
এই চাপ প্রত্যেক বাস্তবতাকে ভাসিয়ে রাখে আর তুলিকে করে দেয় স্থির। দেয়ালের ভেতরে সেঁধিয়ে দিতে করে ক্ষত-বিক্ষত, যে কাউকেই করে অসুস্থ। তবে এর প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় না। পৃথিবী একটাই। তবে রয়েছে দেয়ালের অস্তিত্ব। দেয়ালটা তোমারও একটা অংশ। আমরা জানি আর না-ই জানি, শুধু শিশুরা ছাড়া, আর সবার ক্ষেত্রেই এর সত্যতা রয়েছে। তাদের জন্য কোনো দেয়াল নেই।
পরিষ্কার আকাশটা নেমে এসেছে দেয়ালের গায়ে।
দেয়ালটা শূন্যতার প্রতি প্রার্থনায় রত।
আর শূন্যতা আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে
ফিসফিস করে বলে, 'আমি শূন্য নই; আমি উন্মুক্ত'।
ভ্রমণ
পাতাল স্টেশনে
প্রাচীরপত্রের ভিড়ে
মরা আলো তাকিয়ে রয়।
ট্রেনটা আসে আর
সংগ্রহ করে নিয়ে যায় মুখমণ্ডল আর পত্রাধার।
তারপর অন্ধকার।
আমরা বসে থাকি মূর্তির মতো
যেন আমাদের গুহাপথে সজোরে টেনে তোলা হয়েছে।
নিয়ন্ত্রিত, স্বপ্ন, নিয়ন্ত্রিত।
সমুদ্রস্তরের নিচের স্টেশনগুলোতে তারা
অন্ধকারের খবর বিক্রি করে।
ছুটন্ত মানুষেরা নীরবে, বিষাদে
ঘড়ির কাঁটার নিচে।
ট্রেনটা বয়ে নিয়ে যায়
বাইরের পোশাক আর আত্মাকে।
পাহাড়ি পথের এই ভ্রমণে
চারদিকে মানুষের দৃষ্টি।
তবু কোনো পরিবর্তন নেই।
তবে উপরিতলের খুব কাছেই
শুরু হয়ে যায় মর্মরধ্বনি_স্বাধীনতা।
আমরা পৃথিবীর বাইরে পা রাখি।
বিশাল সবুজ ভূখণ্ড
আমাদের পায়ের তলায়
একবার পাখা ঝাপটিয়ে চুপ হয়ে যায়।
শস্যের খোসাগুলো প্ল্যাটফর্মে
উড়ে আসে। টার্মিনাল-১ চলে এল,
আরো একবার।
আমার সঙ্গে কতজন? চার
পাঁচ, তার চেয়ে খুব একটা বেশি নয়।
বাড়িঘর, রাস্তা, আকাশ,
নীল খাঁড়ি, পর্বত খুলে দেয় জানালা
সি মেজর
মিলনস্থল থেকে ফিরে সে যখন রাস্তায় নেমে আসে, বাতাস তুষারের ঘূর্ণাবর্ত বইছে।
তারা দুজনে যখন শুয়ে আছে, ততক্ষণে শীত এসে গেছে।
রাতের চেহারা তুষারধবল। আনন্দে ভিজে হেঁটে চলে সে।
গোটা শহরই ঢালু। এপাশ-ওপাশ দিয়ে বয়ে যায় হাসির ঢল_
গোটানো কলারের পেছনে সবারই মুখে হাসির বন্যা।
অবারিত স্বাধীনতা।
সকল জিজ্ঞাসাচিহ্ন ঈশ্বরের অস্তিত্বের গানে মুখর_
তার তো সে রকমটাই মনে হলো।
সংগীতের একটি ধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে
ঘূর্ণায়মান তুষারের ভেতর দীর্ঘ পদক্ষেপে হেঁটে যায়।
সব কিছুই সি নোটের দিকে ধাবমান।
একটি কম্পমান কম্পাস সি নোটের দিকে।
যন্ত্রণার চেয়ে ওপরে এক ঘণ্টা।
বেশ তো আয়েশী ব্যাপার।
গোটানো কলারের পেছনে সবারই মুখে হাসি।
একাকী
ফেব্রুয়ারির এক সন্ধ্যায় এখানে আমার মরণদশা হয়েছিল।
রাস্তার উল্টো দিকে তুষারের ওপর হড়কে গেল গাড়ি।
বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ি_গাড়িগুলোর আলো_
সব কিছু যেন দৃষ্টির সামনে ছোট হয়ে এল।
আমার নাম, আমার মেয়েরা, আমার কাজ_
সব যেন আমার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে গেল
আর সব কিছুই নীরবে পিছে পড়ে যেতে থাকল
দূরে, আরো দূরে। খেলার মাঠে শত্রুবেষ্টিত কোনো বালকের মতো
আমার যেন কোনো নাম রইল না।
বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িগুলোর কী বিপুল আলো!
ডিমের মতো সাদা ভাসমান স্বচ্ছ আতঙ্কের ভেতর
যখন চাকায় টান দিলাম, আমার চোখ ধাঁধিয়ে গেল
সেই বিপুল আলোয়। সেকেন্ডগুলো দীর্ঘ হয়ে গেল;
ভেতরে শূন্যতার মতো বিশাল ফাঁকা একেকটার;
সেকেন্ডগুলোর অবয়ব হয়ে গেল
একেকটা হাসপাতাল ভবনের মতো।
চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে
থেমে যাওয়ার মতো একটু ফুরসত মিলতে পারত
নিঃশ্বাস ফেলার। তারপর কী একটা ঘটে গেল :
একবিন্দু শুভেচ্ছা বালি কিংবা একপশলা আশ্চর্য বাতাস।
গাড়ি মুহূর্তে মুক্ত হয়ে সোজা রাস্তায় উঠে চলা শুরু করল।
চোখের সামনে দেখতে পেলাম একটা খুঁটি;
তৎক্ষণাৎ সেটার অবয়ব ভেঙে চুরমার_ঢং করে শব্দ হলো_
তার পরই সেটা যেন অন্ধকারে উড়ে গেল।
তারপর_সুনসান নীরবতা। আবার সিটবেল্ট বেঁধে বসলাম;
দেখলাম কে যেন তুষারের ঘূর্ণিস্রোতের মধ্যেই
আমার কী হয়েছে দেখতে এগিয়ে এল।
২.আমি অনেকক্ষণ ধরে অস্টারগটল্যান্ডের
জমাটবদ্ধ মাঠের ওপর হাঁটছি।
কোথাও কাউকে দেখিনি।
পৃথিবীর অন্যান্য অংশে
চিরন্তন ভিড়ের মাঝে মানুষ জন্ম নেয়,
জীবন যাপন করে, মারা যায়।
সব সময়ের জন্য দৃশ্যমান হতে_
চোখের ভিড়ের মাঝে বেঁচে থাকতে_
এক ধরনের বিশেষ প্রকাশশক্তি গড়ে ওঠা চাই।
কাদার প্রলেপ মাখানো মুখ।
মর্মরধ্বনিমালা নিজেদের আকাশ, ছায়া
আর বালুকণার মতো খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত করে উঠে আসে;
আবার স্তিমিত হয়ে যায়।
আমার একাকিত্ব চাই_
সকালে দশ মিনিট
আর সন্ধ্যায় দশ মিনিট_
কোনো রকম কাজবিহীন শুধুই একাকিত্ব।
প্রত্যেকেই ধর্না দিচ্ছে প্রত্যেকের দুয়ারে।
অনেকেই।
একজন।
বিষাদময় নৌকা
বৃদ্ধরা, শ্বশুর এবং জামাতা, লিৎস এবং ওয়াগনার,
অবস্থান করছে গ্র্যান্ড ক্যানালের পাশে
তাদের সঙ্গে আছে অস্থির মহিলা
সে সব কিছু ওয়াগনারে রূপান্তরকারী রাজা মিডাসকে বিয়ে করেছিল।
সমুদ্রের সবুজ হিম নিজের পথ করে নেয় প্রাসাদের মেঝে অবধি।
ওয়াগনারকে ভালো করে দেখে রাখা হচ্ছে; সুপরিচিত মি. পাঞ্চ পরিলেখা
আগের চেয়ে আরো বেশি ক্লান্ত
মুখমণ্ডল একটা সাদা পতাকা।
তাদের প্রাণময় নৌকা পুরোপুরি পরিপূর্ণ;
দুটো ফিরে যাওয়ার পথ আরেকটা একক।
২. প্রাসাদের জানালাগুলোর একটা হাট করে খুলে গেলে
ভেতরের বাসিন্দারা হঠাৎ লু হাওয়ায় মুখ বিকৃত করে।
বাইরে ময়লাটানা নৌকাটা এসে যায়;
চালক দুজন একবৈঠাঅলা রাহাজান। লিৎস কয়েকটা স্বর লিখেছে;
অর্থ উদ্ধার করা এতই কঠিন বিশ্লেষণের জন্য
সেগুলো পাদুয়ার খনিজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে হবে।
অনেকগুলো উল্কা!
এতটাই ভারী যে পতনের পরে আর স্থির থাকতে পারে না।
সেগুলো নিচের দিকে ডুবতে ডুবতে ভবিষ্যতের মধ্য দিয়ে
পেঁৗছে যায় তামাটে শার্টের বহরে।
নৌকাটা ভবিষ্যতের অবনত পাথরে বোঝাই।
৩.উঁকি দেওয়ার ছিদ্রপথে দেখা যায় ১৯৯০ সাল।
মার্চের ২৫ তারিখ। লিথুয়ানিয়ার ওপর অনিশ্চয়তাবোধ।
স্বপ্নে দেখলাম একটা হাসপাতাল। সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই
সবাই রোগী।
একই স্বপ্নে দেখলাম সদ্যোজাত একটা মেয়েকে।
সে পূর্ণবাক্যে কথা বলছে।
৪.বয়সী জামাতার পাশে লিৎস একজন পোকায়
খাওয়া মহান অধিপতি।
এটা একটা ছদ্মবেশ।
বিভিন্ন মুখোশ পরে পরীক্ষা করে দেখা গভীর সত্তা তার জন্য
এই ছদ্মবেশটা বেছে দিয়েছে।
এই সত্তা নিজের মুখ আড়ালে রেখেই ভেতরে প্রবেশ করতে চায়,
মানব সমাজে প্রবেশ করতে চায়।
৫.আবি লিৎস তুষারের মধ্যে এবং সূর্যালোকের মধ্যে
নিজের স্যুটকেস নিজেই বহন করতে অভ্যস্ত
আর মৃত্যুর সময় এলে তাকে কেউ স্টেশনে
দেখতে পাবে না।
উঁচুমানের ব্র্যান্ডির বাতাস কাজের মাঝখান থেকে
টেনে নিয়ে যায়। বছরে দুশটা চিঠি।
বাড়ি যাওয়ার পূর্বে স্কুল বালক শতেকবার
লিখছে ভুল বানানের শব্দ।
সাধারণ চেহারার কালো নৌকাটা প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা।
৬.আবারও ১৯৯০।
স্বপ্নে দেখলাম ২০০ কিলোমিটার উদ্দেশহীন গাড়ি চালালাম।
তারপর সব কিছু বিরাট আকৃতির হয়ে গেল।
চড়ুইগুলোর আকৃতি মুরগির মতো;
কান ঝালাপালা তাদের গানের আওয়াজে।
স্বপ্নে দেখলাম রান্নাঘরের টেবিলে
আমি পিয়ানোর কিগুলো এঁকে বাজাতে থাকলাম।
প্রতিবেশীরা এলেন শুনতে।
৭.কি-বোর্ডটা গোটা পার্সিফলজুড়েই ছিল নীরব,
(অবশ্য শ্রবণে সব কিছুই খেয়াল করেছে,)
অবশেষে কিছু বলার অধিকার পেয়েছে।
দীর্ঘশ্বাস...
আজকের সন্ধ্যায় বাজানোর সময় লিৎস সমুদ্র প্যাডেলটা
নিচের দিকে আটকে ধরে রাখে, যাতে সমুদ্রের সবুজ শক্তি
মেঝের ভেতর দিয়ে ভবনের পাথরের কাঠামোর সমান হয়ে না ওঠে।
শুভ সন্ধ্যা সুন্দর গভীর সত্তা!
সাধারণ চেহারার কালো নৌকাটা প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা।
৮.স্বপ্নে দেখলাম আমি স্কুল শুরু করতে গেছি। কিন্তু আমার দেরি হয়ে গেছে। রুমের মধ্যে উপস্থিত সবার মুখে সাদা মুখোশ;
কে শিক্ষক তা বলা একেবারেই অসম্ভব।
ধীর লয়ের সংগীত
দালানবাড়িটা বন্ধ। জানালা গলে সূর্যালোক ভিড় করে ভেতরে;
আর মানুষের নিয়তিকে ধারণ করার মতো যথেষ্ট শক্ত
ডেস্কগুলোর উপরিতলকে উষ্ণ করে তোলে।
আজ আমরা বাইরে দীর্ঘ প্রশস্ত ঢালে।
অনেকেরই পরনে কালো পোশাক।
চোখ বন্ধ রেখে সূর্যের নিচে দাঁড়াতে পারো;
অনুভব করবে অলক্ষ্যে সামনের দিকে বাহিত হয়ে চলেছ।
পানির কাছাকাছি খুব একটা নেমে আসি না আমি।
তবে এখন আছি এখানেই।
চারপাশে শান্তিময় পিঠের পাথরের ছড়াছড়ি।
পাথরগুলো ঢেউয়ের ভেতর থেকে
ক্রমে ক্রমে পেছনের দিকে উঠে এসেছে।
নীল বাতাসী ফুল
মন্ত্রমুগ্ধ হওয়া চাট্টিখানি কথা নয় মোটেও। সে তো মাটি আর বসন্তকালের পুরনো এক কৌশলমাত্র : নীল বাতাসী ফুল। অপ্রত্যাশিতভাবে ফুটে থাকে ফুলগুলো। যেখানে সহজে কারো দৃষ্টি আটকায় না, তেমন জায়গায় আগের বছরের বাদামি শুকনো পাতার মধ্য থেকে গজিয়ে ওঠে এই ফুলের গাছগুলো। ফুলগুলোর চকচকে রং বাতাসে ভেসে আসে। অবশ্যই ভেসে আসে, ভেসে আসে রঙের ভেতর থেকে। কড়া নীল বেগুনি, ওজন নেই বললেই চলে। এখানে এখন পরমানন্দ; তবে ধীর কণ্ঠের। 'পেশাগত জীবন'_অপ্রাসঙ্গিক! 'ক্ষমতা' এবং 'প্রচার'_হাস্যকর! তারা হয়তো নিনেভেহতে বিশাল জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনায় পড়ে আছে এখন। ভেলাঅলাকে জাগিয়ে তুলছে। আর সর্বোপরি মুকুটসদৃশ স্বচ্ছ ঝাড়বাতিগুলো কাচের শকুনের মতো ঝুলে আছে। এ রকম অতিসজ্জিত চোখধাঁধানো কানাগলির চেয়ে বাতাসী ফুলগুলো বরং নিশ্চুপ মৃত্যুর মতো সত্যিকারের উদ্যাপনের দিকে গোপন পথ খুলে দেয়।
পূর্বের ডিডিআরে নভেম্বর
সর্বশক্তিমান সাইক্লোপ-চোখ মেঘাচ্ছন্ন
আর ঘাস কেঁপে ওঠে কয়লা ধুলোয়।
রাতের স্বপ্নের কাছে বেদম মার খেয়ে
আমরা যে ট্রেনে উঠি
সে ট্রেন প্রতি স্টেশনেই থামে
আর ডিম পাড়ে।
প্রায় পুরোপুরি নিস্তব্ধ। গির্জার বেলের ঢং ঢং শব্দের বালতি
পানি আনছে। কার যেন নিরন্তর কাশি অবিরত
সব কিছু, সবাইকে বকুনি দিয়ে যায়।
একটা পাথরের প্রতিমা ঠোঁট নাড়ে;
এটা নগর।
এর শাসক লৌহকঠিন ভ্রান্ত ধারণা_
ছোট অস্থায়ী দোকানের পরিচারক, কসাই, নৌ অফিসার
আর শিক্ষাবিদদের লৌহকঠিন ভ্রান্ত ধারণা।
কী যে যন্ত্রণাকাতর আমার চোখ দুটো!
জোনাকিদের মৃদু আলোর বাতিতে আমার চোখ দুটো
এত দিন পড়ায় ব্যস্ত ছিল। নভেম্বর গ্রানাইটের মিঠাই নিয়ে আসে।
পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত!
পৃথিবীর ইতিহাসের মতো
ভুল জায়গায় হাস্যময়।
তবে প্রতি বুধবারে
জল আনার বালতির মতো
গির্জার ঘণ্টাধ্বনির ঢং ঢং শব্দ শুনি আমরা।
আজ কি বুধবার? আমাদের রবিবারের জন্য এই তো যথেষ্ট!
সুবার্তিয়ানা
সন্ধ্যার অন্ধকারে নিউ ইয়র্ক নগরীর বাইরের একটা জায়গা থেকে একনজরে আট মিলিয়ন লোকের
আবাসগুলো দেখতে পাবে। পাশ থেকে দেখলে ওখানকার ওই বিশাল নগরীকে মনে হয়
ঝিকিমিকি স্রোত, ওপরের দিকে উঠে যাওয়া ছায়াপথ।
ছায়পথের মধ্যে কফির কাপ এগিয়ে দেওয়া হয় কাউন্টারের মধ্য দিয়ে। দোকানের জানালাগুলো পথিকদের কাছ থেকে জুতোর স্রোত প্রার্থনা করে;
সে জুতোগুলোর কোনো দাগ থাকে না ওখানে।
ওপরে আরোহণরত আগুন পলায়নপর; লিফটের বন্ধ দরজা ওপরের দিকে বেয়ে ওঠে। দরজার পেছনে চিরন্তন সংক্ষুব্ধ কণ্ঠ পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে।
পাতাল-বাসের ভেতর শ্রান্ত শরীর ঝিমায়; প্রচণ্ড বেগে ধাবিত ভূগর্ভস্থ সমাধি_
সেও আমি জানি_পরিসংখ্যানহীন; এখন এই মুহূর্তে ওখানে কোনো ঘরে সুবার্ত বাজানো হচ্ছে।
আরো জানি, সেই সুর কারো জন্য অন্য যেকোনো সুরের চেয়ে বাস্তব হয়ে ধরা দিচ্ছে।
২.মনুষ্য-মস্তিষ্কের সীমাহীন পরিসর মুঠোর আকারে টুকরো হয়ে যায়।
এপ্রিলে আবাবিল পাখি ঠিক এই এলাকার এই গোলাবাড়ির
নালার নিচে আগের বছরের বাসায় ফিরে আসে। পাখিটা ট্রান্সভাল থেকে উড়তে উড়তে
বিষুবরেখা পার হয়ে, দুই মহাদেশের ওপর দিয়ে দুসপ্তাহ ধরে উড়ে
এই বিলীয়মান বিন্দুতে চলে আসে।
আর সমগ্র জীবন থেকে পঞ্চতারের মাত্র কয়েকটা তানে যে মানুষটি সংকেতকে ধরতে পারেন, যে মানুষটি সুচের আগায় নদী বইয়ে দিতে পারেন
তিনি হলেন ভিয়েনার এক সুঠামদেহী যুবক।
বন্ধুদের কাছে তাঁর পরিচয় 'মাশরুম' বলে; চশমা পরে ঘুমানো
আর পরদিন সকালে সোজা লেখার টেবিলে বসা ছিল তাঁর অভ্যাস।
তারপর তাঁর পাণ্ডুলিপির বিস্ময়কর বিচ্ছুগুলো গতি পেত।
৩.পঞ্চসংগীত গাওয়া হচ্ছে। আমি হেঁটে বাড়ি ফিরছি উষ্ণ বুনোপথে;
পায়ের তলায় ভ্রূণের মতো সংবেদী মাটি কুঁকড়ে উঠি, ঘুমিয়ে পড়ি,
ভবিষ্যতের ভেতর পলকা ওজনে জড়িয়ে যাই,
হঠাৎ মনে হয়, উদ্ভিদেরও চিন্তাশক্তি আছে।
৪.মাটির ভেতর ডুবে না গিয়ে দৈনন্দিন জীবনে শুধু বেঁচে থাকার জন্য আমাদের কতখানি বিশ্বাস রাখতে হয়!
গ্রামের ওপরে পাহাড়ের ঢালে জমে থাকা তুষারের ওপর বিশ্বাস করতে হয়। বিশ্বাস রাখতে হয় নীরবতার প্রতিজ্ঞার ওপর, বোঝাপড়ার হাসির ওপর; বিশ্বাস রাখতে হয় দুর্ঘটনার টেলিগ্রামটা আমাদের জন্য নয়।
আর বিশ্বাস রাখতে হয় ভেতর থেকে কুঠারের আঘাতটা আসবে না।
মনুষ্যাকৃতির ইস্পাতের তিনশ গুণ বেশি মৌমাছি গুঞ্জনের মাঝে আমাদের রাজপথে বহনকারী অক্ষদণ্ডের ওপরও বিশ্বাস রাখতে হয়।
তবে এগুলোর কোনোটাই আমাদের আত্মবিশ্বাসের সমান নয়।
পঞ্চতার বলে আমাদের অন্য কিছুর ওপর বিশ্বাস রাখা উচিত।
আর আমাদের পথের অনেকখানি তাদেরই সঙ্গ আমাদের সঙ্গী।
আর সময়ের সুইচ যখন ঘূর্ণ-কূপের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, তখন আঙুলগুলো বিশ্বাসের সঙ্গেই অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হাত-রেইলে ভরসা রাখে।
৫.পিয়ানোতে আমরা একে অন্যের গায়ে ঘষা খাই আর চার হাতে এফ মাইনর বাজাই;
একই গাড়িতে দুজন কোচোয়ান_দেখতে হাস্যকর।
মনে হয় হাতগুলো অনুনাদক ওজনকে এদিক-ওদিক চালনা করে যেন বিশাল সেকেলে বাহুর ভয়াবহ ভারসাম্যকে বিরক্ত করতেই আমরা বিপরীত ওজনকে বশে আনছি: আনন্দ আর দুর্ভোগ ঠিক একই সমান ওজনের।
অ্যানি বলেছিল, এই সংগীত কত বীরত্বপূর্ণ! তার কথাই ঠিক।
কিন্তু যারা কর্মী মানুষদের ঈর্ষার চোখে দেখে,
যারা খুনি হতে না পেরে আত্মগ্লানি বোধ করে
তারা নিজেদেরই চেনে না এখানে।
আর যারা মানুষ বিকিকিনি করে আর মনে করে সবাইকেই কেনা যাবে, তারাও নিজেদের চেনে না এখানে।
তাদের সংগীতকে নয়। যে দীর্ঘ সুর বিভিন্ন রূপান্তরে একই থাকে :
কখনো চোখধাঁধানো, কখনো সুখনম্য, কখনো কঠোর, কখনো ধীরগতির, কখনো ইস্পাতের তারের মতো। যে চিরন্তন গুনগুনধ্বনি আমাদের পিছে পিছে ফেরে, সেই ধ্বনি_এখন
গভীরতাগুলো তুলে আনার জন্য সক্রিয়।
শ্যামলিমার বুক; স্মৃতিরা খোলা চোখে পিছু নেয় আমার।
দেয় না ধরা দৃষ্টিসীমায়; পূর্ণাবয়বে জেগে ওঠে
পটভূমিজুড়ে, সত্যিকারের গিরগিটি সব।
স্মৃতিদের অবস্থান এতটাই কাছে, পাখিদের কান ঝাঁজালো
কলরবেও তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস শুনতে পাই।
উত্তরের শিল্পী
আমি এদভার্দ গ্রিয়েগ মনুষ্য-ভিড়ে ঘুরেছি অনেক মুক্ত মানুষের মতো।
হাস্যরসের খোরাক থাকত হাতের কাছেই, পত্রপত্রিকা পড়া হয়েছে ঢের, এখানে-সেখানে ঘুরেছি অনেক।
বাদকদলের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাও হয়েছে আমার।
নোঙরের সময় ট্রেন-ফেরির ভাবগম্ভীর চেহারার মতো
আলোর বন্যায় বিজয়গর্বে কাঁপতে থাকে কনসার্ট হল।
এখানে এসেছি নিস্তব্ধতার সঙ্গে বন্দিত্বে একাত্ম হতে।
আমার কাজ করার ঘরটা বেশ স্বল্পপরিসর।
ছাইচের নিচে আবাবিল পাখির মতো পিয়ানোটা আঁটসাঁট।
নয়নাভিরাম খাড়া ঢাল থেকে খুব একটা কথা বের হয় না।
বের হওয়ার পথ নেই কোনো।
তবে মাঝেমধ্যে একটুখানি ফাঁক চোখে পড়ে;
সেখান দিয়ে সরাসরি দানবালয় থেকে অদ্ভুত আলো চুইয়ে পড়ে।
হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়!
তারপর এক বসন্তের রাতে পর্বতের ওপরের হাতুড়ির আঘাত
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনের মতো চুপি চুপি চলে এল
চলে এল
এল আমাদের ঘরে।
আমি মারা যাওয়ার আগের বছর ঈশ্বরের তালাশে গোটা চারেক ঈশ্বরবন্দনা পাঠাব।
তবে তার শুরু এখানেই: নিকটবর্তী আছে যা তা নিয়েই একটি গান,
নিকটবর্তী আছে যা।
আমাদের ভেতরে আছে এক যুদ্ধক্ষেত্র_
এখানে আমরা মৃতের হাড়েরা জীবিত হওয়ার লক্ষ্যে
অবিরত লড়ে যাই।
ফানচাল
সমুদ্রতটে মাছের রেস্তোরাঁ, ছোট, জাহাজডুবি লোকদের তৈরি একটা চালাঘর মাত্র। দরজা থেকে অনেকেই ফিরে যায়; তবে সমুদ্রের বাতাস ফেরে না। একটি ছায়া তার দুর্গন্ধভরা কেবিনে দাঁড়িয়ে আটলান্টিসের পুরনো রেসিপি অনুসারে দুটো মাছ ভাজে। রসুনের হালকা ঝাঁজ, টমেটোর টুকরোর ওপর দিয়ে তেল গড়িয়ে পড়ে। প্রতিটা কামড়েই বোঝা যায়, সমুদ্র আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী। গভীর থেকে উঠে আসে গুনগুন।
ক্লান্তিহীন বুনোফুলে ভরা পাহাড়ি পথে আরোহণের মতো আমি আর আমার সঙ্গিনী দুজন দুজনের ভেতরে দৃষ্টি ফেলি। পশুদের কাছাকাছি আমরা; আমরা স্বাগত; আমাদের বয়স বাড়ে না। তবে এত বছর আমরা কত অভিজ্ঞতা একসঙ্গে ভাগ করে নিয়েছি! মনে পড়ে যায় সব; কখনো কখনো আমরা কোনো কাজের ছিলাম বলে মনে হয়নি (যেমন ফুলেফেঁপে ওঠা দৈত্যটাকে রক্ত দেওয়ার জন্য আমরা লাইনে দাঁড়িয়েছি)। কোনো কোনো ঘটনা আমাদের আরো ঘনিষ্ঠ করেছে, না হলে আমাদের এসব ঘটনা বিচ্ছিন্নই করে ফেলতে পারত। আবার কিছু ঘটনা আমরা একসঙ্গেই ভুলে গেছি। তবে সে ঘটনাগুলো আমাদের ভোলেনি; সেগুলো পাথরে পরিণত হয়ে গেছে_কতক হালকা রঙের, কতক কালো। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মোজাইকের অংশ হয়ে গেছে ওই সব পাথর। আর এখন এমন ঘটে_পাথরের টুকরোগুলো একসঙ্গে উড়ে বেড়ায়; মোজাইক দৃষ্টির সামনে দৃশ্যমান। মোজাইক আমাদের জন্য অপেক্ষায় আছে। আমাদের হোটেল রুমের দেয়ালে কেমন চকচক করছে। ডিজাইনের মধ্যে মারমুখী আবার কোমল জিনিসের মিশেলও আছে। তবে আমরা যেভাবে বিছানার কাপড় তুলে ফেলি এত কিছু দেখার সময় আমাদের নেই।
গোধূলিবেলায় আমরা বাইরে বের হই। অন্তরীপের কালচে নীল থাবা সমুদ্রের বিরাট এলাকাজুড়ে পড়ে আছে। আমরা মানুষের স্রোতে মিশে যাই। বন্ধুত্বপূর্ণ হালকা ধাক্কায় এদিক-ওদিক সরে যাই। সবাই অজানা ভাষায় কিচিরমিচির করছে। 'কেউই বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়'। আমরা তাদের মধ্য দিয়ে এবং আমাদের মধ্য দিয়ে আরো শক্ত হয়ে উঠি। আমাদের ভেতরের এই শক্তিকে অন্য কেউ দেখতে পায় না। অভ্যন্তরের আপাতস্ববিরোধিতা, গ্যারেজের ফুল, শুভ অন্ধকারের দিকে ঘুলঘুলি। শূন্য গ্লাসে বুদ্বুদ্ তোলা পানীয়। নীরবতা ছড়িয়ে দেওয়া একটি লাউডস্পিকার। প্রতি পদক্ষেপের পেছনে গজিয়ে ওঠা পথ। অন্ধকারে পাঠযোগ্য একটি পুস্তক।
আলোর প্রবাহ ভেতরে ঢুকে পড়ে
জানালার বাইরে বসন্তের পশুটা সূর্যালোকের স্বচ্ছ ড্রাগন
উপশহরীয় শেষ-নেই ট্রেনের মতো দ্রুত এগিয়ে আসে;
আমরা এর অগ্রভাগের দেখা পাইনি কখনো।
তীরবর্তী বাড়িগুলো ধীরে ধীরে দুপাশে সরে যায়;
বাড়িগুলো কাঁকড়াদের মতো গর্বিত
সূর্যের আলোয় পাথরের মূর্তিগুলো চোখ পিটপিট করে।
আগুনের ক্রুদ্ধ সাগর স্নেহস্পর্শে পরিণত হয়।
উল্টো গণনা শুরু হয়ে গেছে।
ভারমিয়ার
সুরক্ষিত কোনো জগৎ বলতে কিছু নেই; শুধু দেয়ালের আড়ালে হৈচৈ শুরু হয়ে যায়; ওখানেই পান্থশালা; সেখানে উচ্চহাসি, অযথা বকবকানি, দন্ত উন্মোচন, অশ্রু, বেলের উচ্চ শব্দ, উন্মাদ শালা আর মৃত্যু আনয়নকারীর জন্যই আমাদের যত শিউরে ওঠা। বিশাল বিস্ফোরণ, আর উদ্ধারকারী ভবঘুরেদের দেরিতে উপস্থিতি। নৌকাগুলো প্রণালির ভেতর নিজেদের সজ্জায় ব্যস্ত।
ভুল লোকের পকেটের দিকে বয়ে যায় টাকা-পয়সা। চাহিদার ওপর জড়ো হয় চাহিদার স্তূপ; মুখখোলা কেয়ারি থেকে যুদ্ধের আগামবার্তা ঘাম হয়ে ঝরে; ওখান থেকে আর ঠিক দেয়ালের ভেতর দিয়ে, পরিষ্কার স্টুডিওর ভেতর দিয়ে শত বছর বেঁচে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত সেকেন্ডের ভেতর।
'সংগীতের তালিম' এবং 'নীল পোশাকে চিঠি পড়া নারী' নামধারী ছবিগুলো_মহিলার এখন আট মাস চলছে; তার ভেতরে আরো দুটো হৃৎপিণ্ড লাথি ঝাড়ছে। পেছনের দেয়ালে টাঙানো অজানা ভূখণ্ডের মানচিত্র। প্রশান্ত নিঃশ্বাস পতন...। অজনা-অচেনা কী যেন একটা চেয়ারের সঙ্গে পেরেক দিয়ে আটকানো। সোনার ঘণ্টিগুলো অবিশ্বাস্য দ্রুততায় ঢুকে পড়ে ভেতরে; তারপর হঠাৎ
থেমে যায়, যেন স্থিরতা ছাড়া আর কোনো পরিচয়ই ছিল না কোনো কালে; গভীর থেকে কিংবা উচ্চতা থেকে কানে বাজে সংগীত; এটা আসলে দেয়ালেরই অন্য পাশ থেকে আসা চাপ।
এই চাপ প্রত্যেক বাস্তবতাকে ভাসিয়ে রাখে আর তুলিকে করে দেয় স্থির। দেয়ালের ভেতরে সেঁধিয়ে দিতে করে ক্ষত-বিক্ষত, যে কাউকেই করে অসুস্থ। তবে এর প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় না। পৃথিবী একটাই। তবে রয়েছে দেয়ালের অস্তিত্ব। দেয়ালটা তোমারও একটা অংশ। আমরা জানি আর না-ই জানি, শুধু শিশুরা ছাড়া, আর সবার ক্ষেত্রেই এর সত্যতা রয়েছে। তাদের জন্য কোনো দেয়াল নেই।
পরিষ্কার আকাশটা নেমে এসেছে দেয়ালের গায়ে।
দেয়ালটা শূন্যতার প্রতি প্রার্থনায় রত।
আর শূন্যতা আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে
ফিসফিস করে বলে, 'আমি শূন্য নই; আমি উন্মুক্ত'।
ভ্রমণ
পাতাল স্টেশনে
প্রাচীরপত্রের ভিড়ে
মরা আলো তাকিয়ে রয়।
ট্রেনটা আসে আর
সংগ্রহ করে নিয়ে যায় মুখমণ্ডল আর পত্রাধার।
তারপর অন্ধকার।
আমরা বসে থাকি মূর্তির মতো
যেন আমাদের গুহাপথে সজোরে টেনে তোলা হয়েছে।
নিয়ন্ত্রিত, স্বপ্ন, নিয়ন্ত্রিত।
সমুদ্রস্তরের নিচের স্টেশনগুলোতে তারা
অন্ধকারের খবর বিক্রি করে।
ছুটন্ত মানুষেরা নীরবে, বিষাদে
ঘড়ির কাঁটার নিচে।
ট্রেনটা বয়ে নিয়ে যায়
বাইরের পোশাক আর আত্মাকে।
পাহাড়ি পথের এই ভ্রমণে
চারদিকে মানুষের দৃষ্টি।
তবু কোনো পরিবর্তন নেই।
তবে উপরিতলের খুব কাছেই
শুরু হয়ে যায় মর্মরধ্বনি_স্বাধীনতা।
আমরা পৃথিবীর বাইরে পা রাখি।
বিশাল সবুজ ভূখণ্ড
আমাদের পায়ের তলায়
একবার পাখা ঝাপটিয়ে চুপ হয়ে যায়।
শস্যের খোসাগুলো প্ল্যাটফর্মে
উড়ে আসে। টার্মিনাল-১ চলে এল,
আরো একবার।
আমার সঙ্গে কতজন? চার
পাঁচ, তার চেয়ে খুব একটা বেশি নয়।
বাড়িঘর, রাস্তা, আকাশ,
নীল খাঁড়ি, পর্বত খুলে দেয় জানালা
সি মেজর
মিলনস্থল থেকে ফিরে সে যখন রাস্তায় নেমে আসে, বাতাস তুষারের ঘূর্ণাবর্ত বইছে।
তারা দুজনে যখন শুয়ে আছে, ততক্ষণে শীত এসে গেছে।
রাতের চেহারা তুষারধবল। আনন্দে ভিজে হেঁটে চলে সে।
গোটা শহরই ঢালু। এপাশ-ওপাশ দিয়ে বয়ে যায় হাসির ঢল_
গোটানো কলারের পেছনে সবারই মুখে হাসির বন্যা।
অবারিত স্বাধীনতা।
সকল জিজ্ঞাসাচিহ্ন ঈশ্বরের অস্তিত্বের গানে মুখর_
তার তো সে রকমটাই মনে হলো।
সংগীতের একটি ধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে
ঘূর্ণায়মান তুষারের ভেতর দীর্ঘ পদক্ষেপে হেঁটে যায়।
সব কিছুই সি নোটের দিকে ধাবমান।
একটি কম্পমান কম্পাস সি নোটের দিকে।
যন্ত্রণার চেয়ে ওপরে এক ঘণ্টা।
বেশ তো আয়েশী ব্যাপার।
গোটানো কলারের পেছনে সবারই মুখে হাসি।
একাকী
ফেব্রুয়ারির এক সন্ধ্যায় এখানে আমার মরণদশা হয়েছিল।
রাস্তার উল্টো দিকে তুষারের ওপর হড়কে গেল গাড়ি।
বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ি_গাড়িগুলোর আলো_
সব কিছু যেন দৃষ্টির সামনে ছোট হয়ে এল।
আমার নাম, আমার মেয়েরা, আমার কাজ_
সব যেন আমার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে গেল
আর সব কিছুই নীরবে পিছে পড়ে যেতে থাকল
দূরে, আরো দূরে। খেলার মাঠে শত্রুবেষ্টিত কোনো বালকের মতো
আমার যেন কোনো নাম রইল না।
বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িগুলোর কী বিপুল আলো!
ডিমের মতো সাদা ভাসমান স্বচ্ছ আতঙ্কের ভেতর
যখন চাকায় টান দিলাম, আমার চোখ ধাঁধিয়ে গেল
সেই বিপুল আলোয়। সেকেন্ডগুলো দীর্ঘ হয়ে গেল;
ভেতরে শূন্যতার মতো বিশাল ফাঁকা একেকটার;
সেকেন্ডগুলোর অবয়ব হয়ে গেল
একেকটা হাসপাতাল ভবনের মতো।
চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে
থেমে যাওয়ার মতো একটু ফুরসত মিলতে পারত
নিঃশ্বাস ফেলার। তারপর কী একটা ঘটে গেল :
একবিন্দু শুভেচ্ছা বালি কিংবা একপশলা আশ্চর্য বাতাস।
গাড়ি মুহূর্তে মুক্ত হয়ে সোজা রাস্তায় উঠে চলা শুরু করল।
চোখের সামনে দেখতে পেলাম একটা খুঁটি;
তৎক্ষণাৎ সেটার অবয়ব ভেঙে চুরমার_ঢং করে শব্দ হলো_
তার পরই সেটা যেন অন্ধকারে উড়ে গেল।
তারপর_সুনসান নীরবতা। আবার সিটবেল্ট বেঁধে বসলাম;
দেখলাম কে যেন তুষারের ঘূর্ণিস্রোতের মধ্যেই
আমার কী হয়েছে দেখতে এগিয়ে এল।
২.আমি অনেকক্ষণ ধরে অস্টারগটল্যান্ডের
জমাটবদ্ধ মাঠের ওপর হাঁটছি।
কোথাও কাউকে দেখিনি।
পৃথিবীর অন্যান্য অংশে
চিরন্তন ভিড়ের মাঝে মানুষ জন্ম নেয়,
জীবন যাপন করে, মারা যায়।
সব সময়ের জন্য দৃশ্যমান হতে_
চোখের ভিড়ের মাঝে বেঁচে থাকতে_
এক ধরনের বিশেষ প্রকাশশক্তি গড়ে ওঠা চাই।
কাদার প্রলেপ মাখানো মুখ।
মর্মরধ্বনিমালা নিজেদের আকাশ, ছায়া
আর বালুকণার মতো খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত করে উঠে আসে;
আবার স্তিমিত হয়ে যায়।
আমার একাকিত্ব চাই_
সকালে দশ মিনিট
আর সন্ধ্যায় দশ মিনিট_
কোনো রকম কাজবিহীন শুধুই একাকিত্ব।
প্রত্যেকেই ধর্না দিচ্ছে প্রত্যেকের দুয়ারে।
অনেকেই।
একজন।
বিষাদময় নৌকা
বৃদ্ধরা, শ্বশুর এবং জামাতা, লিৎস এবং ওয়াগনার,
অবস্থান করছে গ্র্যান্ড ক্যানালের পাশে
তাদের সঙ্গে আছে অস্থির মহিলা
সে সব কিছু ওয়াগনারে রূপান্তরকারী রাজা মিডাসকে বিয়ে করেছিল।
সমুদ্রের সবুজ হিম নিজের পথ করে নেয় প্রাসাদের মেঝে অবধি।
ওয়াগনারকে ভালো করে দেখে রাখা হচ্ছে; সুপরিচিত মি. পাঞ্চ পরিলেখা
আগের চেয়ে আরো বেশি ক্লান্ত
মুখমণ্ডল একটা সাদা পতাকা।
তাদের প্রাণময় নৌকা পুরোপুরি পরিপূর্ণ;
দুটো ফিরে যাওয়ার পথ আরেকটা একক।
২. প্রাসাদের জানালাগুলোর একটা হাট করে খুলে গেলে
ভেতরের বাসিন্দারা হঠাৎ লু হাওয়ায় মুখ বিকৃত করে।
বাইরে ময়লাটানা নৌকাটা এসে যায়;
চালক দুজন একবৈঠাঅলা রাহাজান। লিৎস কয়েকটা স্বর লিখেছে;
অর্থ উদ্ধার করা এতই কঠিন বিশ্লেষণের জন্য
সেগুলো পাদুয়ার খনিজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে হবে।
অনেকগুলো উল্কা!
এতটাই ভারী যে পতনের পরে আর স্থির থাকতে পারে না।
সেগুলো নিচের দিকে ডুবতে ডুবতে ভবিষ্যতের মধ্য দিয়ে
পেঁৗছে যায় তামাটে শার্টের বহরে।
নৌকাটা ভবিষ্যতের অবনত পাথরে বোঝাই।
৩.উঁকি দেওয়ার ছিদ্রপথে দেখা যায় ১৯৯০ সাল।
মার্চের ২৫ তারিখ। লিথুয়ানিয়ার ওপর অনিশ্চয়তাবোধ।
স্বপ্নে দেখলাম একটা হাসপাতাল। সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই
সবাই রোগী।
একই স্বপ্নে দেখলাম সদ্যোজাত একটা মেয়েকে।
সে পূর্ণবাক্যে কথা বলছে।
৪.বয়সী জামাতার পাশে লিৎস একজন পোকায়
খাওয়া মহান অধিপতি।
এটা একটা ছদ্মবেশ।
বিভিন্ন মুখোশ পরে পরীক্ষা করে দেখা গভীর সত্তা তার জন্য
এই ছদ্মবেশটা বেছে দিয়েছে।
এই সত্তা নিজের মুখ আড়ালে রেখেই ভেতরে প্রবেশ করতে চায়,
মানব সমাজে প্রবেশ করতে চায়।
৫.আবি লিৎস তুষারের মধ্যে এবং সূর্যালোকের মধ্যে
নিজের স্যুটকেস নিজেই বহন করতে অভ্যস্ত
আর মৃত্যুর সময় এলে তাকে কেউ স্টেশনে
দেখতে পাবে না।
উঁচুমানের ব্র্যান্ডির বাতাস কাজের মাঝখান থেকে
টেনে নিয়ে যায়। বছরে দুশটা চিঠি।
বাড়ি যাওয়ার পূর্বে স্কুল বালক শতেকবার
লিখছে ভুল বানানের শব্দ।
সাধারণ চেহারার কালো নৌকাটা প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা।
৬.আবারও ১৯৯০।
স্বপ্নে দেখলাম ২০০ কিলোমিটার উদ্দেশহীন গাড়ি চালালাম।
তারপর সব কিছু বিরাট আকৃতির হয়ে গেল।
চড়ুইগুলোর আকৃতি মুরগির মতো;
কান ঝালাপালা তাদের গানের আওয়াজে।
স্বপ্নে দেখলাম রান্নাঘরের টেবিলে
আমি পিয়ানোর কিগুলো এঁকে বাজাতে থাকলাম।
প্রতিবেশীরা এলেন শুনতে।
৭.কি-বোর্ডটা গোটা পার্সিফলজুড়েই ছিল নীরব,
(অবশ্য শ্রবণে সব কিছুই খেয়াল করেছে,)
অবশেষে কিছু বলার অধিকার পেয়েছে।
দীর্ঘশ্বাস...
আজকের সন্ধ্যায় বাজানোর সময় লিৎস সমুদ্র প্যাডেলটা
নিচের দিকে আটকে ধরে রাখে, যাতে সমুদ্রের সবুজ শক্তি
মেঝের ভেতর দিয়ে ভবনের পাথরের কাঠামোর সমান হয়ে না ওঠে।
শুভ সন্ধ্যা সুন্দর গভীর সত্তা!
সাধারণ চেহারার কালো নৌকাটা প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা।
৮.স্বপ্নে দেখলাম আমি স্কুল শুরু করতে গেছি। কিন্তু আমার দেরি হয়ে গেছে। রুমের মধ্যে উপস্থিত সবার মুখে সাদা মুখোশ;
কে শিক্ষক তা বলা একেবারেই অসম্ভব।
ধীর লয়ের সংগীত
দালানবাড়িটা বন্ধ। জানালা গলে সূর্যালোক ভিড় করে ভেতরে;
আর মানুষের নিয়তিকে ধারণ করার মতো যথেষ্ট শক্ত
ডেস্কগুলোর উপরিতলকে উষ্ণ করে তোলে।
আজ আমরা বাইরে দীর্ঘ প্রশস্ত ঢালে।
অনেকেরই পরনে কালো পোশাক।
চোখ বন্ধ রেখে সূর্যের নিচে দাঁড়াতে পারো;
অনুভব করবে অলক্ষ্যে সামনের দিকে বাহিত হয়ে চলেছ।
পানির কাছাকাছি খুব একটা নেমে আসি না আমি।
তবে এখন আছি এখানেই।
চারপাশে শান্তিময় পিঠের পাথরের ছড়াছড়ি।
পাথরগুলো ঢেউয়ের ভেতর থেকে
ক্রমে ক্রমে পেছনের দিকে উঠে এসেছে।
নীল বাতাসী ফুল
মন্ত্রমুগ্ধ হওয়া চাট্টিখানি কথা নয় মোটেও। সে তো মাটি আর বসন্তকালের পুরনো এক কৌশলমাত্র : নীল বাতাসী ফুল। অপ্রত্যাশিতভাবে ফুটে থাকে ফুলগুলো। যেখানে সহজে কারো দৃষ্টি আটকায় না, তেমন জায়গায় আগের বছরের বাদামি শুকনো পাতার মধ্য থেকে গজিয়ে ওঠে এই ফুলের গাছগুলো। ফুলগুলোর চকচকে রং বাতাসে ভেসে আসে। অবশ্যই ভেসে আসে, ভেসে আসে রঙের ভেতর থেকে। কড়া নীল বেগুনি, ওজন নেই বললেই চলে। এখানে এখন পরমানন্দ; তবে ধীর কণ্ঠের। 'পেশাগত জীবন'_অপ্রাসঙ্গিক! 'ক্ষমতা' এবং 'প্রচার'_হাস্যকর! তারা হয়তো নিনেভেহতে বিশাল জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনায় পড়ে আছে এখন। ভেলাঅলাকে জাগিয়ে তুলছে। আর সর্বোপরি মুকুটসদৃশ স্বচ্ছ ঝাড়বাতিগুলো কাচের শকুনের মতো ঝুলে আছে। এ রকম অতিসজ্জিত চোখধাঁধানো কানাগলির চেয়ে বাতাসী ফুলগুলো বরং নিশ্চুপ মৃত্যুর মতো সত্যিকারের উদ্যাপনের দিকে গোপন পথ খুলে দেয়।
পূর্বের ডিডিআরে নভেম্বর
সর্বশক্তিমান সাইক্লোপ-চোখ মেঘাচ্ছন্ন
আর ঘাস কেঁপে ওঠে কয়লা ধুলোয়।
রাতের স্বপ্নের কাছে বেদম মার খেয়ে
আমরা যে ট্রেনে উঠি
সে ট্রেন প্রতি স্টেশনেই থামে
আর ডিম পাড়ে।
প্রায় পুরোপুরি নিস্তব্ধ। গির্জার বেলের ঢং ঢং শব্দের বালতি
পানি আনছে। কার যেন নিরন্তর কাশি অবিরত
সব কিছু, সবাইকে বকুনি দিয়ে যায়।
একটা পাথরের প্রতিমা ঠোঁট নাড়ে;
এটা নগর।
এর শাসক লৌহকঠিন ভ্রান্ত ধারণা_
ছোট অস্থায়ী দোকানের পরিচারক, কসাই, নৌ অফিসার
আর শিক্ষাবিদদের লৌহকঠিন ভ্রান্ত ধারণা।
কী যে যন্ত্রণাকাতর আমার চোখ দুটো!
জোনাকিদের মৃদু আলোর বাতিতে আমার চোখ দুটো
এত দিন পড়ায় ব্যস্ত ছিল। নভেম্বর গ্রানাইটের মিঠাই নিয়ে আসে।
পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত!
পৃথিবীর ইতিহাসের মতো
ভুল জায়গায় হাস্যময়।
তবে প্রতি বুধবারে
জল আনার বালতির মতো
গির্জার ঘণ্টাধ্বনির ঢং ঢং শব্দ শুনি আমরা।
আজ কি বুধবার? আমাদের রবিবারের জন্য এই তো যথেষ্ট!
সুবার্তিয়ানা
সন্ধ্যার অন্ধকারে নিউ ইয়র্ক নগরীর বাইরের একটা জায়গা থেকে একনজরে আট মিলিয়ন লোকের
আবাসগুলো দেখতে পাবে। পাশ থেকে দেখলে ওখানকার ওই বিশাল নগরীকে মনে হয়
ঝিকিমিকি স্রোত, ওপরের দিকে উঠে যাওয়া ছায়াপথ।
ছায়পথের মধ্যে কফির কাপ এগিয়ে দেওয়া হয় কাউন্টারের মধ্য দিয়ে। দোকানের জানালাগুলো পথিকদের কাছ থেকে জুতোর স্রোত প্রার্থনা করে;
সে জুতোগুলোর কোনো দাগ থাকে না ওখানে।
ওপরে আরোহণরত আগুন পলায়নপর; লিফটের বন্ধ দরজা ওপরের দিকে বেয়ে ওঠে। দরজার পেছনে চিরন্তন সংক্ষুব্ধ কণ্ঠ পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে।
পাতাল-বাসের ভেতর শ্রান্ত শরীর ঝিমায়; প্রচণ্ড বেগে ধাবিত ভূগর্ভস্থ সমাধি_
সেও আমি জানি_পরিসংখ্যানহীন; এখন এই মুহূর্তে ওখানে কোনো ঘরে সুবার্ত বাজানো হচ্ছে।
আরো জানি, সেই সুর কারো জন্য অন্য যেকোনো সুরের চেয়ে বাস্তব হয়ে ধরা দিচ্ছে।
২.মনুষ্য-মস্তিষ্কের সীমাহীন পরিসর মুঠোর আকারে টুকরো হয়ে যায়।
এপ্রিলে আবাবিল পাখি ঠিক এই এলাকার এই গোলাবাড়ির
নালার নিচে আগের বছরের বাসায় ফিরে আসে। পাখিটা ট্রান্সভাল থেকে উড়তে উড়তে
বিষুবরেখা পার হয়ে, দুই মহাদেশের ওপর দিয়ে দুসপ্তাহ ধরে উড়ে
এই বিলীয়মান বিন্দুতে চলে আসে।
আর সমগ্র জীবন থেকে পঞ্চতারের মাত্র কয়েকটা তানে যে মানুষটি সংকেতকে ধরতে পারেন, যে মানুষটি সুচের আগায় নদী বইয়ে দিতে পারেন
তিনি হলেন ভিয়েনার এক সুঠামদেহী যুবক।
বন্ধুদের কাছে তাঁর পরিচয় 'মাশরুম' বলে; চশমা পরে ঘুমানো
আর পরদিন সকালে সোজা লেখার টেবিলে বসা ছিল তাঁর অভ্যাস।
তারপর তাঁর পাণ্ডুলিপির বিস্ময়কর বিচ্ছুগুলো গতি পেত।
৩.পঞ্চসংগীত গাওয়া হচ্ছে। আমি হেঁটে বাড়ি ফিরছি উষ্ণ বুনোপথে;
পায়ের তলায় ভ্রূণের মতো সংবেদী মাটি কুঁকড়ে উঠি, ঘুমিয়ে পড়ি,
ভবিষ্যতের ভেতর পলকা ওজনে জড়িয়ে যাই,
হঠাৎ মনে হয়, উদ্ভিদেরও চিন্তাশক্তি আছে।
৪.মাটির ভেতর ডুবে না গিয়ে দৈনন্দিন জীবনে শুধু বেঁচে থাকার জন্য আমাদের কতখানি বিশ্বাস রাখতে হয়!
গ্রামের ওপরে পাহাড়ের ঢালে জমে থাকা তুষারের ওপর বিশ্বাস করতে হয়। বিশ্বাস রাখতে হয় নীরবতার প্রতিজ্ঞার ওপর, বোঝাপড়ার হাসির ওপর; বিশ্বাস রাখতে হয় দুর্ঘটনার টেলিগ্রামটা আমাদের জন্য নয়।
আর বিশ্বাস রাখতে হয় ভেতর থেকে কুঠারের আঘাতটা আসবে না।
মনুষ্যাকৃতির ইস্পাতের তিনশ গুণ বেশি মৌমাছি গুঞ্জনের মাঝে আমাদের রাজপথে বহনকারী অক্ষদণ্ডের ওপরও বিশ্বাস রাখতে হয়।
তবে এগুলোর কোনোটাই আমাদের আত্মবিশ্বাসের সমান নয়।
পঞ্চতার বলে আমাদের অন্য কিছুর ওপর বিশ্বাস রাখা উচিত।
আর আমাদের পথের অনেকখানি তাদেরই সঙ্গ আমাদের সঙ্গী।
আর সময়ের সুইচ যখন ঘূর্ণ-কূপের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, তখন আঙুলগুলো বিশ্বাসের সঙ্গেই অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হাত-রেইলে ভরসা রাখে।
৫.পিয়ানোতে আমরা একে অন্যের গায়ে ঘষা খাই আর চার হাতে এফ মাইনর বাজাই;
একই গাড়িতে দুজন কোচোয়ান_দেখতে হাস্যকর।
মনে হয় হাতগুলো অনুনাদক ওজনকে এদিক-ওদিক চালনা করে যেন বিশাল সেকেলে বাহুর ভয়াবহ ভারসাম্যকে বিরক্ত করতেই আমরা বিপরীত ওজনকে বশে আনছি: আনন্দ আর দুর্ভোগ ঠিক একই সমান ওজনের।
অ্যানি বলেছিল, এই সংগীত কত বীরত্বপূর্ণ! তার কথাই ঠিক।
কিন্তু যারা কর্মী মানুষদের ঈর্ষার চোখে দেখে,
যারা খুনি হতে না পেরে আত্মগ্লানি বোধ করে
তারা নিজেদেরই চেনে না এখানে।
আর যারা মানুষ বিকিকিনি করে আর মনে করে সবাইকেই কেনা যাবে, তারাও নিজেদের চেনে না এখানে।
তাদের সংগীতকে নয়। যে দীর্ঘ সুর বিভিন্ন রূপান্তরে একই থাকে :
কখনো চোখধাঁধানো, কখনো সুখনম্য, কখনো কঠোর, কখনো ধীরগতির, কখনো ইস্পাতের তারের মতো। যে চিরন্তন গুনগুনধ্বনি আমাদের পিছে পিছে ফেরে, সেই ধ্বনি_এখন
গভীরতাগুলো তুলে আনার জন্য সক্রিয়।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1335)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 23
(112)
- বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে প্রভা by দাউদ রনি
- নারী বিক্ষোভকারীকে নির্যাতনঃ সামরিক পরিষদের দুঃখ প...
- সাদিয়া জাহান প্রভার এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ
- ভারতীয় ছবি রুখতে ৭টি জনপ্রিয় ছবির প্রদর্শনী
- ৫০০ টাকায় মুক্ত কেয়া
- আব্দুর রাজ্জাক: এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামী জীবন by শামীম...
- দোয়েল ল্যাপটপ-যাত্রা শুরু নতুন পথে
- বিরোধী দলের রোডমার্চ-গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হোক
- স্মরণ-ওবায়েদ উল হক : সব্যসাচী এক পুরুষ
- ওদের কিছুই বদলায় না! by ইশতিয়াক হুসাইন
- অসহিষ্ণু সমাজের অসহায় শিশুরা by লুৎফর রহমান রনো
- বাঘের মুখ থেকে বাবাকে ফেরালেন ছেলে!
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি এবং কিছু কথা by আবু...
- সাদাকালো-মৃত্যুর মিছিলে আর কত তরুণী by আহমদ রফিক
- জানুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে ইসলামী তহবিল মার্কেট by ও...
- জমজমাট এসএমই মেলা
- আরও ২ হাজার কোটি টাকা চায় বিদ্যুৎ বিভাগ by জাফর আহমেদ
- বিপিএলের টার্গেট বাংলাদেশিদের আবেগ
- তামিমের দুঃস্বপ্নের সিরিজ
- আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ-পঞ্চম স্থানে পাকিস্তান
- ওয়ানডের পর এবার টেস্ট ক্রিকেটেও সেরা অলরাউন্ডার সা...
- খুলনায় ১০ গম্বুজ মসজিদের প্রাচীন স্থাপনার সন্ধান
- চ্যালেঞ্জের মুখে পোলট্রি শিল্প by আলতাব হোসেন
- সিলেটে অর্থমন্ত্রী-জিয়া জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা, হাল...
- পার্বত্য শান্তিচুক্তি আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব
- তীব্র শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা by বদরুদ্দোজ...
- সাকিব নাম্বার ওয়ান by সঞ্জয় সাহা পিয়াল
- সার্চ কমিটির পক্ষে মত
- বিদ্যুতের দাম বাড়ল ২১.২৮%
- ইরাকে সিরিজ বোমায় নিহত ৬৩
- উত্তর কোরিয়া :ক্ষমতার নেপথ্যে যারা
- বিভক্তির পথে ইরাক!
- ১৫ এপ্রিলের মধ্যে নদীতীরে সীমানা পিলার স্থাপন
- জলবায়ু প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী ...
- নায়িকা কেয়া গ্রেফতার
- বৃত্তবন্দী বর্ষা!
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন-নিজেকেই অতিক্রমের চেষ্টা করি ...
- প্রচ্ছদ-সৈয়দ শামসুল হক : কথাসাহিত্যের পরিব্রাজন by...
- অপরিহার্য কবীর চৌধুরী by হাসান আজিজুল হক
- র ঙ বে র ঙ-জনপ্রিয় খেলনা...
- লোকজ গান নিয়ে আরও কাজ করব
- সমাজে নারীর ভূমিকা by নিগার সুলতানা
- ইবাদতের নিয়ত by মুফতি মাহফূযুল হক
- জুমা-পূর্ব বয়ান হোক গণকল্যাণমুখী by মুফতি এনায়েতুল...
- টমাস ট্রান্সট্রোমারের নোবেল ভাষণ
- গল্প-খেরোখাতার জীবন by শরীফ আতিক উজ জামান
- বই আলোচনা-যন্ত্র সময়ের গল্প
- 'প্রণয়ের হলুদ উপাখ্যান'
- স্মরণ-বন্ধু থাক আমার সঙ্গে পদ্মফোটা জলে
- প্রবৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা-জনজীবনের দুর্ভোগ কমানো প...
- নাগরিক সেবা-নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে
- চরাচর-স্বেচ্ছায় রক্তদান
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫৫)-বুকটা ভরে গেল by আলী...
- শেকড়ের ডাক-টিপাইমুখ থেকে ডারবান : কেবলই রাজনীতি by...
- কালান্তরের কড়চা-একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের মরণকামড় b...
- তেল ও জলের দর by মাহবুব মোর্শেদ
- রাষ্ট্র-বিলম্বিত স্বপ্ন এখনও দেখে বাংলাদেশ by সুজা...
- ধর নির্ভয় গান-'৭১ এবং আমাদের আজকের তরুণরা by আলী য...
- ম্যারেজ মিডিয়া প্রতারণা-নিয়মিত নজরদারি স্বস্তি দিত...
- অর্থনীতিতে হতাশার চিত্র-অব্যবস্থাপনার দায় সরকারেরই
- বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়-বিজ্ঞান শিক্ষক নে...
- নতুন উচ্চতায় সাকিব
- পরকীয়ায় অনুশোচনা নেই!
- ভালো একটি সপ্তাহ পার করলেন বিনিয়োগকারীরা by আব্দু...
- ছয় দিনে আট জেলায় ৬৬ জনের মৃত্যু, প্রতিদিনই হাসপাতা...
- শীতার্তদের পাশে প্রথম আলো-দিনাজপুর ও রায়গঞ্জে শীতা...
- বাংলাদেশসহ ছয় দেশ নিয়ে টিআইয়ের জরিপ-সেবা পেতে ৪০% ...
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র হত্যা-ছয়জনকে ধর...
- ২০ লাখ পাঠ্যবই নিয়ে সংকটের আশঙ্কা by মোশতাক আহমেদ
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নতুন প্রজাতির কাছিম by মনিরুল খান
- সাঈদীর আইনজীবীর মত-সরকারি আনুকূল্যের আশায় সাক্ষী ম...
- মাগুরা, ঝিনাইদহে ২২ কোটি টাকার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ
- বিশেষ রচনা-অসাম্প্রদায়িক মননের প্রতীক অধ্যাপক কবী...
- প্রচ্ছদ রচনা-কবীর চৌধুরী ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের ক...
- সম্পাদকীয়-কবীর চৌধুরীর প্রয়াণ ও কবিতা প্রসঙ্গ
- নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সংলাপ-জাপা ও জাসদের কা...
- মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন-রাষ্ট্রপতির সংলাপের পেছনে কী...
- রোডমার্চ, একাধিক জনসভা শেষে ঢাকামুখী হবে বিএনপি by...
- আইএম হওয়ার অপেক্ষায় মিনহাজ
- সিটির আনন্দের বড়দিন
- টেরির ‘শেষ’ দেখছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
- মেসির স্বীকৃতি ও বিয়াঞ্চির দাবি
- দায়িত্বটা অনেক বেড়ে গেল by সাকিব আল হাসান
- চিনিকলে মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের দাবি
- দুই বাজার মিলিয়ে লেনদেন ৫৫০ কোটি টাকা ছাড়াল
- এসএমই মেলা জমে উঠেছে-নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য ঘিরে ব...
- জার্মানিতে যুদ্ধাপরাধীর সাজা শুরু
- নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের অঙ্গীকার মেগরাহির
- বাগদাদে পৃথক বোমা হামলায় নিহত ৫৭
- ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা করছেন গিলানি
- ওবামার বড়দিনের উপহার কেনা
- ধর্ম-শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান by মুহাম্মদ আবদুল...
- ইউরোপের জানালা-ইউরো-সংকট আর সম্ভাবনার এক যুগ by সর...
- শুধু বন্ধ নয়, আইন ভঙ্গের উপযুক্ত শাস্তি হোক-এবার হ...
- এই নজির গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয়-গণমিছিলে পুলিশের ...
- সাটুরিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
- কালিয়াকৈরে বংশাই নদে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ
- শু ক্র বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বিদ্যাপীঠের প্রাণ b...
- জলবায়ুর সেমিনারে অভিযোগ-প্রভাব মোকাবিলায় পানি ও পয়...
- ছুরিকাঘাতে গাড়িচালক খুন
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী ভর্তিতে বেশি ...
- প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন না করায় উন্নয়নকাজ বন্ধ
- বইপত্র-তাঁর সাহিত্যকৃতির অন্বেষা by আখতার হুসেন
- ড্যান কগিন্স নিবাস নিউইয়র্ক by দিলওয়ার হাসান
- আর্জেন্টিনার রবিতীর্থ by আহমেদ হেলাল
- ২৭ ডিসেম্বর কবির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে-দুটি কবিতা ...
- প্রাকৃতিক গোলাপ by আবদুশ শাকুর
- চারদিক-ঢেমশায় এসো মিলন অঙ্গনে
- পররাষ্ট্রনীতি-বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে দূর...
- বিয়ে করেছেন আলোচিত প্রভা
- পরীক্ষামূলক ট্রানজিট আর কত দিন? by আরিফুর রহমান খাদেম
-
▼
Dec 23
(112)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment