Friday, October 30, 2015
কাশ্মীর - ভারত পাকিস্তান যেখানে মুখোমুখি
কাশ্মীর - ভারত পাকিস্তান যেখানে মুখোমুখি
Friday, October 30, 2015
Anonymous
WikiOpinion,
আন্তর্জাতিক,
আলোচনা,
ইতিহাস,
কাশ্মীর,
পাকিস্তান,
ভারত
কাশ্মীর
সমস্যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা। এটা অনেক
ক্ষেত্রেই হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ যেটা ইংরেজরা আমাদের ভেতরে সৃষ্টি করেছিল।
১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯ সালগুলোর রক্তের দাগ ধরে যদি আমরা পেছনে ফিরে যাই
তাহলে দেখতে পাবো এই সকল যুদ্ধের সূচনা হয়েছে এই কাশ্মীর দ্বন্দ থেকেই।
সাহিত্যিকেরা যে ভূখন্ডকে পৃথিবীর স্বর্গ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন সেই কাশ্মীর
আজ এক অঘোষিত যুদ্ধের ময়দান। এই ব্যাপারে লেখার সময় আমাকে সতর্ক থাকতে
হয়েছে যেন কোন বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীর একপেশে সমালোচনা কিংবা সমর্থন না হয়ে
যায়। এ সম্পর্কে আমার নিজের জানাশোনাও খুব বেশী নয়।
জম্মু ও কাশ্মীর হল ভারতের একটি রাজ্য। এই রাজ্যটি প্রধানতহিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত। এই রাজ্যের দক্ষিণে ভারতের হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাবরাজ্যদুটি অবস্থিত। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের উত্তরে ও পূর্বে গণচীন অবস্থিত। এই রাজ্যেরপশ্চিমে ও উত্তরপশ্চিমে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে কাশ্মীরের পাকিস্তান-শাসিত অংশ আজাদকাশ্মীর ও গিলগিট-বালটিস্তান অবস্থিত।
বর্তমান জম্মু ও কাশ্মীর ভূখণ্ডটি অতীতে কাশ্মীর ও জম্মুদেশীয় রাজ্যের অধীনস্থ ছিল। এই রাজ্যের শাসকেরা ঐতিহাসিক বৃহত্তর কাশ্মীর অঞ্চল শাসনকরতেন। এখন কাশ্মীর অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে ভারত, পাকিস্তান ও গণচীনের মধ্যে বিবাদরয়েছে। এই বিবাদের জেরে জাতিসংঘ ও অন্যান্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় জম্মুও কাশ্মীর রাজ্যটি "ভারত-অধিকৃত কাশ্মীর" বা "ভারত-শাসিত কাশ্মীর"নামে পরিচিত। অন্যদিকে পাকিস্তানের শাসনাধীনে থাকা অংশটি ভারতে "পাকিস্তান-অধিকৃতকাশ্মীর" এবং পাকিস্তানে "আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর" নামে পরিচিত।
জম্মু, কাশ্মীর উপত্যকা ও লাদাখ - এই তিন অঞ্চল নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যটি গঠিত। শ্রীনগর এই রাজ্যের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী এবং জম্মুশীতকালীন রাজধানী। কাশ্মীর উপত্যকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। জম্মু অঞ্চলে অনেক হিন্দু মন্দির থাকায় এটি হিন্দুদের কাছে একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। লাদাখ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৌদ্ধ সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চলটি "ছোটো তিব্বত" নামেও পরিচিত।
১৯২৫ সালে হরি সিং কাশ্মীরের রাজা হন। ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা লাভ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন কাশ্মীরের শাসক। কাশ্মীরের মুসলিম প্রধান অংশের নাম কাশ্মীর এবং হিন্দু প্রধান অংশের নাম জম্মু। তবে দুই অংশের মোট জনসংখ্যার বিবেচনায় মুসলিম প্রধান হলেও এর শাসক ছিলেন হিন্দু যাকে বলা হতো ‘ডোগরা রাজা’। ১৯৪৭ সালে ভারত-বিভাজনের অন্যতম শর্ত ছিল, ভারতের দেশীয় রাজ্যের রাজারা ভারত বা পাকিস্তানে যোগ দিতে পারবেন,অথবা তাঁরা স্বাধীনতা বজায় রেখে শাসনকাজ চালাতে পারবেন। হরি সিং ভারত বা পাকিস্তান এর কোনোটিতেই যোগদান না করে রাজা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন। এটি পাকিস্তান মেনে নিলেও ভারত মেনে নিল না। ১৯৪৭ সালের ২৫ অক্টোবর হরিসিং কাশ্মীরের ভারত ভুক্তির চুক্তিতে সই করেন। ২৭ অক্টোবর তা ভারতের গভর্নর-জেনারেল কর্তৃক অনুমোদিত হয়। কথিত আছে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর বান্ধবী লেডিমাউন্ট ব্যাটেনের প্রভাবে ও ভারতের কূটকৌশলে শেষ পর্যন্ত তিনি ভারতে যোগদানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
চুক্তি সই হওয়ার পর, ভারতীয় সেনা কাশ্মীরে প্রবেশকরে। ১৯৪৭ সালের ২০ অক্টোবর পাকিস্তান-সমর্থিত আদিবাসীরা কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করে। ভারতেরসৈন্য নামানোর সংবাদ পেয়ে পাকিস্তানও কাশ্মীরে সৈন্য প্রেরণ করল এবং ভারতীয় সৈন্যদেরহটিয়ে দিয়ে কাশ্মীরের অংশবিশেষ দখল করল।
বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপিত হলে জাতিসংঘ ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের অধিকৃত এলাকা খালি করে দিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের প্রস্তাব দেয়। ভারত প্রথমে এই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছিল। কিন্তু ১৯৫২ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচিত গণপরিষদ ভারতভুক্তির পক্ষে ভোট দিলে ভারত গণভোটের বিপক্ষে মত দেয়। ভারত ও পাকিস্তানে জাতিসংঘের সামরিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি তত্ত্বাবধানে আসে। এই গোষ্ঠীর কাজ ছিল, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা ও তদন্তের রিপোর্ট প্রত্যেক পক্ষ ও জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে জমা দেওয়া। যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে কাশ্মীর থেকে উভয় পক্ষের সেনা প্রত্যাহার ও গণভোটের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু ভারত গণভোটে অসম্মত হয় এবং পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহারে অসম্মত হয়। ভারত নিম্নোক্ত কারণে গণভোটে সম্মত হয়নি।
১. ভারতের মতে, ১৯৫২ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচিত গণপরিষদ ভারতভুক্তির পক্ষে ভোট দিয়েছিল এবং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনেও কাশ্মীরিরা ভোট দিয়েছিলেন। তাই আলাদা করে গণভোটের প্রয়োজন নেই।
২. ১৯৪৮-৪৯ সালে জাতিসংঘের দেওয়া প্রস্তাব খাটবে না। কারণ মূল ভূখণ্ডের চরিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। পাকিস্তান তাদের অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশ চীনকে দিয়ে দিয়েছিল।
৩. গণভোটের বিপক্ষে ভারতের আরেকটি যুক্তি ছিল, পাকিস্তান তাদের অধিকৃত কাশ্মীরে অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের বাস করার অনুমতি দিয়েছে।
৪. তাছাড়া ভারতের মতে, পাকিস্তান-সমর্থিত অনুপ্রবেশকারীরা কাশ্মীর উপত্যকা থেকে ২৫০,০০০ কাশ্মীরি পণ্ডিতকে বিতাড়িত করায় ওই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর চরিত্র পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান
১৯৪৮ সালের ১৩ অগস্টের জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুসারে কাশ্মীর অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি।
১৯৪৭- ১৯৪৮ সালের দিকে এই দুই দেশের মাঝে কাশ্মীর নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টিতে জাতিসংঘ মধ্যস্থতা করে। এই মধ্যস্থতা ভারতমেনে না নিলে ১৯৬৫ সালে যুদ্ধ শুরু হয় । ১৯৬৬ সালের ১০ ই জানুয়ারী বর্তমান রাশিয়া তাসখন্দচুক্তির মাধ্যমে সে যুদ্ধের নিষ্পত্তি ঘটাতে সক্ষম হলেও ১৯৭১ সালে আবার তারা যুদ্ধেজড়িয়ে পড়ে।
এ সুযোগে সোভিয়েত সমাজ আফগানদের উপর হস্তক্ষেপ করলেপাকিস্তান আফগানদের সহযোগিতা করলে এ সুযোগে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতের সাথে একটি ভাল সম্পর্কেরভিত্তিতে ভারতকে পারমানবিক অস্ত্র নির্মানে সহযোগিতা করে। পাকিস্তান একই সুযোগে চীনেরসহযোগিতায় পারমানবিক অস্ত্রেও টেক্কা দিতে সক্ষম হয়।
১৯৬৫ সালে কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলো, ১৯৭১-এর যুদ্ধে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। কাশ্মীরিদের ভাগ্যে আরও অমানিশার অন্ধকার নেমে এলো। কারণ, স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধবন্দি পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্য ফিরে পাওয়া এবং পশ্চিম সীমান্তে ভারতের দখলীকৃত ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার শর্তে শিমলা চুক্তিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টু কাশ্মীর সমস্যাকে ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সমস্যা বলে মেনে নিলেন। ১৯৭২সালে পাক-ভারত সমস্যা সমাধান কল্পে সিমলা চুক্তি হয় এই চুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়যে ভারত পাকিস্তানের মাঝে বিবাদমান সমস্যাগুলো তারা দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করবে। কারগীলসীমান্ত নিয়েও দুই দেশের সম্পর্ক দিনে দিনে অবনতির দিকে চলে এর অর্থ দাঁড়াল এই যে, জাতিসংঘ স্বীকৃত গণভোট অনুষ্ঠানের দায়বদ্ধতা থেকে ভারত মুক্ত হয়ে গেল। কাশ্মীর নিয়ে এর পরেও ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ হয়েছে কারগিল যুদ্ধে। পাকিস্তান সৈন্য নামিয়েও প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে আমেরিকার চাপে। শুধু তাই নয়, এর পর থেকে কাশ্মীর প্রসঙ্গে আর কোনো কথাবার্তাও বলছে না পাকিস্তান।
এদিকে কাশ্মীরের জনগণও কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের বিষয়ে ত্রিধা বিভক্ত। হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং দিল্লির আনুকূল্যপ্রাপ্ত মুসলমানদের একটি ক্ষুদ্র অংশ কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। একটি অংশ পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। কিন্তু কাশ্মীরের বৃহত্ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ কাশ্মীরের স্বাধীনতা চায়। তারা চায় গণভোটের মাধ্যমেই কাশ্মীরের ভাগ্য নির্ধারিত হোক। কিন্তু দিল্লি কাশ্মীরকে এখন তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশই মনে করে। এমনকি ‘ডোগরা রাজা’ এবং পরবর্তী সময়ে মুসলিম নেতা শেখ আব্দুল্লাহকে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুসারে কাশ্মীরের জন্য বিশেষ ধরনের স্বায়ত্তশাসনের সুবিধা প্রদানের পরিবর্তে সেখানে কঠোরতম কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ চালু রেখেছে তারা। কাশ্মীরের মতো একটি ক্ষুদ্র রাজ্যে বর্তমানে ৫ লাখের অধিক সৈন্য রয়েছে। লক্ষাধিক মানুষ ইতোমধ্যেই স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছে। প্রতিদিনই আরও তাজা প্রাণ ঝরছে। শত শত তরুণী নারী প্রতিদিন ভারতীয় সৈন্যদের দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে। দিনের পর দিন সান্ধ্য আইন চলছে। ছেলেমেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না। দোকানপাট বন্ধ। মানুষের আয়-রোজগারও বন্ধ। মিছিল-মিটিং, বিক্ষোভ সবই কঠোরহস্তে দমন করা হচ্ছে। স্বাধীনতা দূরে থাকুক, বেঁচে থাকার ন্যূনতম চাহিদা পূরণের সংগ্রাম করাই তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে গেছে।
অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি স্বাধীনতাকামী জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার শুধু স্বাধীনতা চাওয়ার অপরাধে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। অথচ সমগ্র বিশ্ব নিশ্চুপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ভারত-পাকিস্তান উভয়ে সম্মত না হলে তারা কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের বিষয়ে নাক গলাবে না। বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ ইউরোপ ও কাশ্মীরের বিষয়ে টু-শব্দটি করে না। যদিও তারা দাবি করে বর্তমান বিশ্ব সভ্যতা তাদেরই অবদান। তারা ইউরোপের কৌলিন্য বজায় রাখার জন্য এতটাই তত্পর যে, মুসলিম দেশ হওয়ায় তারা তুরস্ককে ইউরোপীয় ইউনিয়নে স্থান দিতেও প্রস্তুত নয়। বর্তমান বিশ্ব যাদের প্রভাবে, অর্থে এবং শক্তিতে প্রভাবিত, তাদের কথা না হয় বাদই দেয়া যাক। এশিয়া এবং আফ্রিকার তথাকথিত তৃতীয় বিশ্বই বা কি করছে? চীন নীরবে তাদের শক্তি ও প্রভাব বৃদ্ধি করে চলেছে। কৌশলগত কারণে এই মুহূর্তে ভারতের বিরাগভাজন হতে চায় না তারা। আর শত কোটি লোকের দেশ ভারত এ অঞ্চলের নতুন মোড়ল বনে গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়ার শুধু অপেক্ষা। এমন দাপুটে ভারতের প্রতিবেশীরা তো ভারতের ভয়ে অস্থির। প্রত্যেকেরই ভারতের সঙ্গে নিজস্ব সমস্যা থাকলেও সে সব কথা বলারই সাহস পাচ্ছে না। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ ভারতভীতি ছাড়াও অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত। পাশ্চাত্যের তল্পীবাহক শাসকগোষ্ঠী সেনাবাহিনী সব সময় পাশ্চাত্য তথা আমেরিকার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। পরমুখাপেক্ষী নীতির কারণে আজও তারা মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। বাংলাদেশ আর্থিক-সামাজিক সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক বিবেচনায় অনেক এগিয়ে গেলেও ভারতপন্থী এবং ভারত বিরোধী তীব্র বিভাজন থাকায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়ই কাশ্মীরের ব্যাপারে নির্লিপ্ত।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলোও কাশ্মীরের অব্যাহত ও ভয়াবহ মানবাধিকার লংঘনের ঘটনাগুলো দেখেও না দেখার ভান করছে।
কারণগুলো হচ্ছে :
জম্মু ও কাশ্মীর হল ভারতের একটি রাজ্য। এই রাজ্যটি প্রধানতহিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত। এই রাজ্যের দক্ষিণে ভারতের হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাবরাজ্যদুটি অবস্থিত। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের উত্তরে ও পূর্বে গণচীন অবস্থিত। এই রাজ্যেরপশ্চিমে ও উত্তরপশ্চিমে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে কাশ্মীরের পাকিস্তান-শাসিত অংশ আজাদকাশ্মীর ও গিলগিট-বালটিস্তান অবস্থিত।
বর্তমান জম্মু ও কাশ্মীর ভূখণ্ডটি অতীতে কাশ্মীর ও জম্মুদেশীয় রাজ্যের অধীনস্থ ছিল। এই রাজ্যের শাসকেরা ঐতিহাসিক বৃহত্তর কাশ্মীর অঞ্চল শাসনকরতেন। এখন কাশ্মীর অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে ভারত, পাকিস্তান ও গণচীনের মধ্যে বিবাদরয়েছে। এই বিবাদের জেরে জাতিসংঘ ও অন্যান্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় জম্মুও কাশ্মীর রাজ্যটি "ভারত-অধিকৃত কাশ্মীর" বা "ভারত-শাসিত কাশ্মীর"নামে পরিচিত। অন্যদিকে পাকিস্তানের শাসনাধীনে থাকা অংশটি ভারতে "পাকিস্তান-অধিকৃতকাশ্মীর" এবং পাকিস্তানে "আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর" নামে পরিচিত।
জম্মু, কাশ্মীর উপত্যকা ও লাদাখ - এই তিন অঞ্চল নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যটি গঠিত। শ্রীনগর এই রাজ্যের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী এবং জম্মুশীতকালীন রাজধানী। কাশ্মীর উপত্যকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। জম্মু অঞ্চলে অনেক হিন্দু মন্দির থাকায় এটি হিন্দুদের কাছে একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। লাদাখ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৌদ্ধ সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চলটি "ছোটো তিব্বত" নামেও পরিচিত।
১৯২৫ সালে হরি সিং কাশ্মীরের রাজা হন। ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা লাভ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন কাশ্মীরের শাসক। কাশ্মীরের মুসলিম প্রধান অংশের নাম কাশ্মীর এবং হিন্দু প্রধান অংশের নাম জম্মু। তবে দুই অংশের মোট জনসংখ্যার বিবেচনায় মুসলিম প্রধান হলেও এর শাসক ছিলেন হিন্দু যাকে বলা হতো ‘ডোগরা রাজা’। ১৯৪৭ সালে ভারত-বিভাজনের অন্যতম শর্ত ছিল, ভারতের দেশীয় রাজ্যের রাজারা ভারত বা পাকিস্তানে যোগ দিতে পারবেন,অথবা তাঁরা স্বাধীনতা বজায় রেখে শাসনকাজ চালাতে পারবেন। হরি সিং ভারত বা পাকিস্তান এর কোনোটিতেই যোগদান না করে রাজা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন। এটি পাকিস্তান মেনে নিলেও ভারত মেনে নিল না। ১৯৪৭ সালের ২৫ অক্টোবর হরিসিং কাশ্মীরের ভারত ভুক্তির চুক্তিতে সই করেন। ২৭ অক্টোবর তা ভারতের গভর্নর-জেনারেল কর্তৃক অনুমোদিত হয়। কথিত আছে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর বান্ধবী লেডিমাউন্ট ব্যাটেনের প্রভাবে ও ভারতের কূটকৌশলে শেষ পর্যন্ত তিনি ভারতে যোগদানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
চুক্তি সই হওয়ার পর, ভারতীয় সেনা কাশ্মীরে প্রবেশকরে। ১৯৪৭ সালের ২০ অক্টোবর পাকিস্তান-সমর্থিত আদিবাসীরা কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করে। ভারতেরসৈন্য নামানোর সংবাদ পেয়ে পাকিস্তানও কাশ্মীরে সৈন্য প্রেরণ করল এবং ভারতীয় সৈন্যদেরহটিয়ে দিয়ে কাশ্মীরের অংশবিশেষ দখল করল।
বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপিত হলে জাতিসংঘ ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের অধিকৃত এলাকা খালি করে দিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের প্রস্তাব দেয়। ভারত প্রথমে এই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছিল। কিন্তু ১৯৫২ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচিত গণপরিষদ ভারতভুক্তির পক্ষে ভোট দিলে ভারত গণভোটের বিপক্ষে মত দেয়। ভারত ও পাকিস্তানে জাতিসংঘের সামরিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি তত্ত্বাবধানে আসে। এই গোষ্ঠীর কাজ ছিল, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা ও তদন্তের রিপোর্ট প্রত্যেক পক্ষ ও জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে জমা দেওয়া। যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে কাশ্মীর থেকে উভয় পক্ষের সেনা প্রত্যাহার ও গণভোটের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু ভারত গণভোটে অসম্মত হয় এবং পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহারে অসম্মত হয়। ভারত নিম্নোক্ত কারণে গণভোটে সম্মত হয়নি।
১. ভারতের মতে, ১৯৫২ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচিত গণপরিষদ ভারতভুক্তির পক্ষে ভোট দিয়েছিল এবং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনেও কাশ্মীরিরা ভোট দিয়েছিলেন। তাই আলাদা করে গণভোটের প্রয়োজন নেই।
২. ১৯৪৮-৪৯ সালে জাতিসংঘের দেওয়া প্রস্তাব খাটবে না। কারণ মূল ভূখণ্ডের চরিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। পাকিস্তান তাদের অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশ চীনকে দিয়ে দিয়েছিল।
৩. গণভোটের বিপক্ষে ভারতের আরেকটি যুক্তি ছিল, পাকিস্তান তাদের অধিকৃত কাশ্মীরে অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের বাস করার অনুমতি দিয়েছে।
৪. তাছাড়া ভারতের মতে, পাকিস্তান-সমর্থিত অনুপ্রবেশকারীরা কাশ্মীর উপত্যকা থেকে ২৫০,০০০ কাশ্মীরি পণ্ডিতকে বিতাড়িত করায় ওই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর চরিত্র পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান
১৯৪৮ সালের ১৩ অগস্টের জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুসারে কাশ্মীর অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি।
১৯৪৭- ১৯৪৮ সালের দিকে এই দুই দেশের মাঝে কাশ্মীর নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টিতে জাতিসংঘ মধ্যস্থতা করে। এই মধ্যস্থতা ভারতমেনে না নিলে ১৯৬৫ সালে যুদ্ধ শুরু হয় । ১৯৬৬ সালের ১০ ই জানুয়ারী বর্তমান রাশিয়া তাসখন্দচুক্তির মাধ্যমে সে যুদ্ধের নিষ্পত্তি ঘটাতে সক্ষম হলেও ১৯৭১ সালে আবার তারা যুদ্ধেজড়িয়ে পড়ে।
এ সুযোগে সোভিয়েত সমাজ আফগানদের উপর হস্তক্ষেপ করলেপাকিস্তান আফগানদের সহযোগিতা করলে এ সুযোগে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতের সাথে একটি ভাল সম্পর্কেরভিত্তিতে ভারতকে পারমানবিক অস্ত্র নির্মানে সহযোগিতা করে। পাকিস্তান একই সুযোগে চীনেরসহযোগিতায় পারমানবিক অস্ত্রেও টেক্কা দিতে সক্ষম হয়।
১৯৬৫ সালে কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলো, ১৯৭১-এর যুদ্ধে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। কাশ্মীরিদের ভাগ্যে আরও অমানিশার অন্ধকার নেমে এলো। কারণ, স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধবন্দি পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্য ফিরে পাওয়া এবং পশ্চিম সীমান্তে ভারতের দখলীকৃত ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার শর্তে শিমলা চুক্তিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টু কাশ্মীর সমস্যাকে ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সমস্যা বলে মেনে নিলেন। ১৯৭২সালে পাক-ভারত সমস্যা সমাধান কল্পে সিমলা চুক্তি হয় এই চুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়যে ভারত পাকিস্তানের মাঝে বিবাদমান সমস্যাগুলো তারা দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করবে। কারগীলসীমান্ত নিয়েও দুই দেশের সম্পর্ক দিনে দিনে অবনতির দিকে চলে এর অর্থ দাঁড়াল এই যে, জাতিসংঘ স্বীকৃত গণভোট অনুষ্ঠানের দায়বদ্ধতা থেকে ভারত মুক্ত হয়ে গেল। কাশ্মীর নিয়ে এর পরেও ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ হয়েছে কারগিল যুদ্ধে। পাকিস্তান সৈন্য নামিয়েও প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে আমেরিকার চাপে। শুধু তাই নয়, এর পর থেকে কাশ্মীর প্রসঙ্গে আর কোনো কথাবার্তাও বলছে না পাকিস্তান।
এদিকে কাশ্মীরের জনগণও কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের বিষয়ে ত্রিধা বিভক্ত। হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং দিল্লির আনুকূল্যপ্রাপ্ত মুসলমানদের একটি ক্ষুদ্র অংশ কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। একটি অংশ পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। কিন্তু কাশ্মীরের বৃহত্ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ কাশ্মীরের স্বাধীনতা চায়। তারা চায় গণভোটের মাধ্যমেই কাশ্মীরের ভাগ্য নির্ধারিত হোক। কিন্তু দিল্লি কাশ্মীরকে এখন তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশই মনে করে। এমনকি ‘ডোগরা রাজা’ এবং পরবর্তী সময়ে মুসলিম নেতা শেখ আব্দুল্লাহকে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুসারে কাশ্মীরের জন্য বিশেষ ধরনের স্বায়ত্তশাসনের সুবিধা প্রদানের পরিবর্তে সেখানে কঠোরতম কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ চালু রেখেছে তারা। কাশ্মীরের মতো একটি ক্ষুদ্র রাজ্যে বর্তমানে ৫ লাখের অধিক সৈন্য রয়েছে। লক্ষাধিক মানুষ ইতোমধ্যেই স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছে। প্রতিদিনই আরও তাজা প্রাণ ঝরছে। শত শত তরুণী নারী প্রতিদিন ভারতীয় সৈন্যদের দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে। দিনের পর দিন সান্ধ্য আইন চলছে। ছেলেমেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না। দোকানপাট বন্ধ। মানুষের আয়-রোজগারও বন্ধ। মিছিল-মিটিং, বিক্ষোভ সবই কঠোরহস্তে দমন করা হচ্ছে। স্বাধীনতা দূরে থাকুক, বেঁচে থাকার ন্যূনতম চাহিদা পূরণের সংগ্রাম করাই তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে গেছে।
অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি স্বাধীনতাকামী জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার শুধু স্বাধীনতা চাওয়ার অপরাধে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। অথচ সমগ্র বিশ্ব নিশ্চুপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ভারত-পাকিস্তান উভয়ে সম্মত না হলে তারা কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের বিষয়ে নাক গলাবে না। বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ ইউরোপ ও কাশ্মীরের বিষয়ে টু-শব্দটি করে না। যদিও তারা দাবি করে বর্তমান বিশ্ব সভ্যতা তাদেরই অবদান। তারা ইউরোপের কৌলিন্য বজায় রাখার জন্য এতটাই তত্পর যে, মুসলিম দেশ হওয়ায় তারা তুরস্ককে ইউরোপীয় ইউনিয়নে স্থান দিতেও প্রস্তুত নয়। বর্তমান বিশ্ব যাদের প্রভাবে, অর্থে এবং শক্তিতে প্রভাবিত, তাদের কথা না হয় বাদই দেয়া যাক। এশিয়া এবং আফ্রিকার তথাকথিত তৃতীয় বিশ্বই বা কি করছে? চীন নীরবে তাদের শক্তি ও প্রভাব বৃদ্ধি করে চলেছে। কৌশলগত কারণে এই মুহূর্তে ভারতের বিরাগভাজন হতে চায় না তারা। আর শত কোটি লোকের দেশ ভারত এ অঞ্চলের নতুন মোড়ল বনে গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়ার শুধু অপেক্ষা। এমন দাপুটে ভারতের প্রতিবেশীরা তো ভারতের ভয়ে অস্থির। প্রত্যেকেরই ভারতের সঙ্গে নিজস্ব সমস্যা থাকলেও সে সব কথা বলারই সাহস পাচ্ছে না। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ ভারতভীতি ছাড়াও অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত। পাশ্চাত্যের তল্পীবাহক শাসকগোষ্ঠী সেনাবাহিনী সব সময় পাশ্চাত্য তথা আমেরিকার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। পরমুখাপেক্ষী নীতির কারণে আজও তারা মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। বাংলাদেশ আর্থিক-সামাজিক সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক বিবেচনায় অনেক এগিয়ে গেলেও ভারতপন্থী এবং ভারত বিরোধী তীব্র বিভাজন থাকায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়ই কাশ্মীরের ব্যাপারে নির্লিপ্ত।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলোও কাশ্মীরের অব্যাহত ও ভয়াবহ মানবাধিকার লংঘনের ঘটনাগুলো দেখেও না দেখার ভান করছে।
কারণগুলো হচ্ছে :
![]() |
কাশ্মীরের পতাকা
|
১. কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামীরা মুসলমান।
২. তারা অমুসলিম/হিন্দুপ্রধান ভারত রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে।
৩. কিছু কিছু স্বাধীনতাকামী গ্রুপ ও সংগঠন পার্শ্ববর্তী মুসলিম প্রধান পাকিস্তান রাষ্ট্রের ও সে দেশের জনগণের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে।
৪. বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে একজন মুসলিম বিদ্রোহীকে হত্যা অথবা একজন মুসলিম নারীকে ধর্ষণ, একজন ইহুদি, খ্রিস্টান ও বর্ণহিন্দু বিদ্রোহী অথবা নারী ধর্ষণের অপরাধের সমান নয়। আমেরিকা এবং ইউরোপীয়দের বিবেচনায় ইসরাইল এবং ভারত যা কিছুই করে তার সবই হালাল! একই কাজ আরব ও মুসলমানরা করলে তা হয় অপরাধ!
৫. মুসলমানদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিলে বা ভেঙে দিলে রবীন্দ্রনাথের সামান্য ক্ষতি কবিতায় বর্ণিত অবস্থার মতো তা তেমন কোনো ক্ষতির ব্যাপার হয় না।
৬. ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশের যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ হলেও ভারতের বিরুদ্ধে কাশ্মীরিদের যুদ্ধ সন্ত্রাস ছাড়া আর কিছু নয়!
তবে আশার কথা, ভারতের অরুন্ধতী রায় সে দেশের অধিকার হারা নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষায় এবং জীবন মান উন্নয়নে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। বুকার পুরস্কারপ্রাপ্ত এই মানবাধিকার নেত্রীকেও ভারতের শাসক শ্রেণী ও বর্ণবাদীদের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে বার বার। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। যে কোনো মুহূর্তে গ্রেফতারের ভয় দেখানো হচ্ছে তাকে। তবে তিনি বর্ণবাদী শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু ও ভ্রূকুটি উপেক্ষা করে চলেছেন। তিনি বলিষ্ঠ কণ্ঠে বলে যাচ্ছেন, কাশ্মীর কাশ্মীরিদেরই, এটা কখনোই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না এবং কাশ্মীরের স্বাধীনতাই কাশ্মীর সমস্যার একমাত্র সমাধান।
পশ্চিমবঙ্গের কিছু বামপন্থী হিন্দু নেতা ও কাশ্মীরিদের প্রতি ন্যায়বিচার করার জন্য দিল্লি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু কাশ্মীর সমস্যার ভয়াবহতার বিবেচনায় এসব প্রচেষ্টা খুবই সামান্য।
তৃতীয় বিশ্ব বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব কাশ্মীরিদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার নয়। এসব দেশের রাষ্ট্র নায়ক এবং রাজনীতিবিদরা পাশ্চাত্যের আজ্ঞাবহ। পরিবর্তনের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসা আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বারাক হোসাইন ওবামার নির্বাচনী ওয়াদাগুলোর মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার ন্যায্য সমাধান অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু তিনিও তার কথা রাখলেন না। কদিন আগেই তিনি ভারত সফর করে গেছেন। অরুন্ধতী রায়ের ভাষায় ভারতের জাতীয়তাবাদী এবং হিন্দুত্ববাদীদের তিনি চটাতে চাননি, তাই কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছিলেন তার ভারত সফরের সময়। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র নায়করা তাদের মসনদ, সম্পদ এবং হেরেম রক্ষায় এত আন্তরিক যে, এসব স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখার জন্য কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের অধিকার দূরে থাকুক, কোনো মুসলিম রাষ্ট্র যদি নিজের স্বাধীন অস্তিত্ব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য চেষ্টা সাধনা করে এবং তাতে যদি সাম্রাজ্যবাদী, সম্প্রসারণবাদী শক্তি অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে তারা সে মুসলিম রাষ্ট্রেরও ধ্বংস কামনা করতে পিছপা হন না। ইরাক আক্রমণের জন্য মিসরের হোসনি মোবারক আমেরিকাকে বার বার অনুরোধ করেন। লেবাননের রফিক হারিরি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আমির ইরান আক্রমণের জন্য আমেরিকাকে প্ররোচিত করেছেন। পরাশক্তিগুলো কাশ্মীর নিয়ে স্বার্থ আদায়ের রাজনীতি করে চলছে, অথচ বিশ্বব্যাপী তারা প্রতিনিয়ত খবরদারি করে চলছে। জম্বু এবং আজাদী কাশ্মীর এই দুটির মাঝখানে অবস্থিত লাইন অব কন্ট্রোল। লাইন অব কন্ট্রোলের দুই পার্শ্বে কোটি কোটি মানুষ বসবাস করছে, এই কোটি প্রাণকে ক্ষুধা আর দারিদ্যের মধ্য রেখে দুই দেশের শাসক গোষ্ঠি একপক্ষ কাশ্মীরকে নিজেদের দখলে রেখে অন্য পক্ষ দখলের পাঁয়তায় যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে গত পাঁচ দশক ধরে। পাক- ভারতের মধ্যে ঘৃণা ও বিদ্বেষ এতই প্রবল যে , এরা পরস্পরকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য শ’ খানেক পারমানবিক অস্ত্র তৈরি করে রেখেছে। এক একটি অস্ত্র তৈরিতে যে পরিমান অর্থ খরচ হয়েছে যা দ্বারা দুটি দেশের অসংখ্য দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের দুর্দশা দূর করতে পারত। বর্তমান বিশ্বে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল ছাড়া আর কোন দেশ পাওয়া যাবেনা, যারা ভারত পাকিস্তানের মতো পরস্পরকে ঘৃনা করে। অথচ কাশ্মীর সমস্যা না থাকলে এই দুটি দেশ হতো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বন্ধুভাবাপন্ন, যারা যে কোন সমস্যায় এক অ্পরকে সাহায্য করত। তাই নির্দ্বিধায় উপমহাদেশের অর্থনৈতিক দুর্দশার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে বিশ্লেষকগণ কাশ্মীর সংকটকে দায়ী করছেন ।
পাক-ভারতের মধ্যকার এই কাশ্মীর সমস্যার সকল প্রতিফল পোহাতে হচ্ছে কাশ্মীরের জনগনের রিহীহ জনগনের। বর্তমানে কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত বিভাজন (লাইন অব কন্ট্রোল) রেখা মেনে নিতে রাজি হলেও কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী জনগন আর পাকিস্তান রাজী নয় । পাকিস্তান রাজী না থাকলেও কোন ক্ষতি ছিল না যদিবা ভারত তাদের অধিকারী কাশ্মীরের গৃহযুদ্ধ বন্ধ করতে পারত। তবে যদি ভারতীয় কাশ্মীরের জনগনকে ভারত সরকার খুশি করতে পারত তাহলে কাশ্মীর সমস্যা কিছুটা হলেও সমাধানের সম্ভাবনা ছিল । কাশ্মীরকে যথেষ্ট স্বায়ত্ত্বশাসন প্রদান করে গৃহযুদ্ধের অবসান অসম্ভব। কিন্তু ভারতের কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠী অভ্যন্তরীন জটিলতার কারনে সেটা করতেও অক্ষম। তবে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের যতগুলো পথ রয়েছে তারমধ্যে পর্যাপ্ত স্বায়ত্ত্বশাসনই ভারতীয় শাসকদের জন্য সহনীয়। ভারতীয় কাশ্মীর মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত, জম্মু,কাশ্মীর আর লাদাখ। জম্মু ও লাদাখ হিন্দু ও বেীদ্ধদের আবাসস্থল আর কাশ্মীর হল মুসলিমদের আবাস্থল। জম্মু আর লাদাখের জনগন ভারতে থাকার পক্ষপাতী অন্যদিকে কাশ্মীরের একপক্ষ চায় স্বাধীনতা অন্যপক্ষ চায় পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্তি। বিচ্ছিন্নতাবাদী গেরিলারা বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত। এক ডজনের বেশী দল নিয়ে তারা গঠন করেছে হুরিয়াত কনফারেন্স। ভারত সরকার যদি মুসলিম প্রধান অঞ্চল কাশ্মীরের ওপর পাকিস্তান সরকার এবং হুরিয়াতের সাথে সমঝোতায় আসতে পারে তবে সেক্ষেত্রে ছয় দশকের এই আন্তর্জাতিক সমস্যাটির দারুন মীমাংসা হতে পারে। এক্ষেত্রে উপায় হলো বেশ কিছু জায়গা পাকিস্তানের ছেড়ে দেয়া।
তবে কাশ্মীর সমস্যা অন্যভাবে সমাধান করা যেতে পারে। ভারত পাকিস্তানের অধিকৃত জায়গা সংযুক্ত করে যদি স্বাধীন কাশ্মীর রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায় তবে তা হবে কাশ্মীরের জনগনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আন্তর্জাতিক শ্রেনীও বোধহয় এমন একটি সমাধান দেখতে সবচেয়ে বেশী আগ্রহী। সেক্ষেত্রে বৃহৎ শক্তি রাষ্ট্র পাক-ভারতের মাঝে বাফার রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করবে এই ক্ষুদ্র স্বাধীন কাশ্মীর।
কাশ্মীর সমস্যা সমাধান যে একবারেই অসম্ভব তা নয়। ত্রুটি হলো দুটি দেশের রাজনৈতিক অপরিপক্কতা। বর্তমানে পাকিস্তান আবার ফিরে গেছে সেনা শাসনের পর পূর্বের অবস্থায় । যদিও ভারতকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলা হয় , কিন্তু সে গণতন্ত্রও শুধু নির্বাচনের মাঝেই সীমাবদ্ধ, তার কার্যকারী কোন প্রতিফলন দেখা যায় না। দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আজও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাড়াতে পারেনি। কাশ্মীর ছাড়াও নানা বিচ্ছিন্নতাবাদী সমস্যায় জর্জরিত ভারতের পক্ষে তাই কাশ্মীরের ওপর বড় ছাড় দেয়া সম্ভব নয়। কারণ হিসাবে দেখা যায় দেশটি তাহলে বিশ পঁিচশটি ভাগে বিভক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে প্রচন্ড। কিন্তু কাশ্মীর সমস্যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থেই বিশ্ববাসীকে প্রদান করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যর সমস্যা অর্থাৎ আরব- ইসরাইল শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়ে গেলেই আন্তর্জাতিক শক্তিধর সম্প্রদায় তাদের মনযোগ কাশ্মীরের ওপর পূর্ণমাত্রায় প্রদান করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেননা বর্তমানে কাশ্মীর বলতে শ’খানেক পারমানবিক বোমার বিস্ফোরনের সম্ভাবনা । তাই কাশ্মীরের অসহায় জনতার দিকে তাকিয়ে কাশ্মীরকে গণতান্ত্রিক উপায়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যার মাধ্যমে এই জটিল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। নতুবা যতদিন এটি সম্ভব না হবে ততদিন এ সমস্যার অগ্রগতি এভাবেই চলতে থাকবে।
২. তারা অমুসলিম/হিন্দুপ্রধান ভারত রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে।
৩. কিছু কিছু স্বাধীনতাকামী গ্রুপ ও সংগঠন পার্শ্ববর্তী মুসলিম প্রধান পাকিস্তান রাষ্ট্রের ও সে দেশের জনগণের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে।
৪. বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে একজন মুসলিম বিদ্রোহীকে হত্যা অথবা একজন মুসলিম নারীকে ধর্ষণ, একজন ইহুদি, খ্রিস্টান ও বর্ণহিন্দু বিদ্রোহী অথবা নারী ধর্ষণের অপরাধের সমান নয়। আমেরিকা এবং ইউরোপীয়দের বিবেচনায় ইসরাইল এবং ভারত যা কিছুই করে তার সবই হালাল! একই কাজ আরব ও মুসলমানরা করলে তা হয় অপরাধ!
৫. মুসলমানদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিলে বা ভেঙে দিলে রবীন্দ্রনাথের সামান্য ক্ষতি কবিতায় বর্ণিত অবস্থার মতো তা তেমন কোনো ক্ষতির ব্যাপার হয় না।
৬. ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশের যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ হলেও ভারতের বিরুদ্ধে কাশ্মীরিদের যুদ্ধ সন্ত্রাস ছাড়া আর কিছু নয়!
তবে আশার কথা, ভারতের অরুন্ধতী রায় সে দেশের অধিকার হারা নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষায় এবং জীবন মান উন্নয়নে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। বুকার পুরস্কারপ্রাপ্ত এই মানবাধিকার নেত্রীকেও ভারতের শাসক শ্রেণী ও বর্ণবাদীদের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে বার বার। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। যে কোনো মুহূর্তে গ্রেফতারের ভয় দেখানো হচ্ছে তাকে। তবে তিনি বর্ণবাদী শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু ও ভ্রূকুটি উপেক্ষা করে চলেছেন। তিনি বলিষ্ঠ কণ্ঠে বলে যাচ্ছেন, কাশ্মীর কাশ্মীরিদেরই, এটা কখনোই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না এবং কাশ্মীরের স্বাধীনতাই কাশ্মীর সমস্যার একমাত্র সমাধান।
পশ্চিমবঙ্গের কিছু বামপন্থী হিন্দু নেতা ও কাশ্মীরিদের প্রতি ন্যায়বিচার করার জন্য দিল্লি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু কাশ্মীর সমস্যার ভয়াবহতার বিবেচনায় এসব প্রচেষ্টা খুবই সামান্য।
তৃতীয় বিশ্ব বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব কাশ্মীরিদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার নয়। এসব দেশের রাষ্ট্র নায়ক এবং রাজনীতিবিদরা পাশ্চাত্যের আজ্ঞাবহ। পরিবর্তনের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসা আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বারাক হোসাইন ওবামার নির্বাচনী ওয়াদাগুলোর মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার ন্যায্য সমাধান অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু তিনিও তার কথা রাখলেন না। কদিন আগেই তিনি ভারত সফর করে গেছেন। অরুন্ধতী রায়ের ভাষায় ভারতের জাতীয়তাবাদী এবং হিন্দুত্ববাদীদের তিনি চটাতে চাননি, তাই কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছিলেন তার ভারত সফরের সময়। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্র নায়করা তাদের মসনদ, সম্পদ এবং হেরেম রক্ষায় এত আন্তরিক যে, এসব স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখার জন্য কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের অধিকার দূরে থাকুক, কোনো মুসলিম রাষ্ট্র যদি নিজের স্বাধীন অস্তিত্ব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য চেষ্টা সাধনা করে এবং তাতে যদি সাম্রাজ্যবাদী, সম্প্রসারণবাদী শক্তি অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে তারা সে মুসলিম রাষ্ট্রেরও ধ্বংস কামনা করতে পিছপা হন না। ইরাক আক্রমণের জন্য মিসরের হোসনি মোবারক আমেরিকাকে বার বার অনুরোধ করেন। লেবাননের রফিক হারিরি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আমির ইরান আক্রমণের জন্য আমেরিকাকে প্ররোচিত করেছেন। পরাশক্তিগুলো কাশ্মীর নিয়ে স্বার্থ আদায়ের রাজনীতি করে চলছে, অথচ বিশ্বব্যাপী তারা প্রতিনিয়ত খবরদারি করে চলছে। জম্বু এবং আজাদী কাশ্মীর এই দুটির মাঝখানে অবস্থিত লাইন অব কন্ট্রোল। লাইন অব কন্ট্রোলের দুই পার্শ্বে কোটি কোটি মানুষ বসবাস করছে, এই কোটি প্রাণকে ক্ষুধা আর দারিদ্যের মধ্য রেখে দুই দেশের শাসক গোষ্ঠি একপক্ষ কাশ্মীরকে নিজেদের দখলে রেখে অন্য পক্ষ দখলের পাঁয়তায় যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে গত পাঁচ দশক ধরে। পাক- ভারতের মধ্যে ঘৃণা ও বিদ্বেষ এতই প্রবল যে , এরা পরস্পরকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য শ’ খানেক পারমানবিক অস্ত্র তৈরি করে রেখেছে। এক একটি অস্ত্র তৈরিতে যে পরিমান অর্থ খরচ হয়েছে যা দ্বারা দুটি দেশের অসংখ্য দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের দুর্দশা দূর করতে পারত। বর্তমান বিশ্বে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল ছাড়া আর কোন দেশ পাওয়া যাবেনা, যারা ভারত পাকিস্তানের মতো পরস্পরকে ঘৃনা করে। অথচ কাশ্মীর সমস্যা না থাকলে এই দুটি দেশ হতো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বন্ধুভাবাপন্ন, যারা যে কোন সমস্যায় এক অ্পরকে সাহায্য করত। তাই নির্দ্বিধায় উপমহাদেশের অর্থনৈতিক দুর্দশার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে বিশ্লেষকগণ কাশ্মীর সংকটকে দায়ী করছেন ।
পাক-ভারতের মধ্যকার এই কাশ্মীর সমস্যার সকল প্রতিফল পোহাতে হচ্ছে কাশ্মীরের জনগনের রিহীহ জনগনের। বর্তমানে কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত বিভাজন (লাইন অব কন্ট্রোল) রেখা মেনে নিতে রাজি হলেও কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী জনগন আর পাকিস্তান রাজী নয় । পাকিস্তান রাজী না থাকলেও কোন ক্ষতি ছিল না যদিবা ভারত তাদের অধিকারী কাশ্মীরের গৃহযুদ্ধ বন্ধ করতে পারত। তবে যদি ভারতীয় কাশ্মীরের জনগনকে ভারত সরকার খুশি করতে পারত তাহলে কাশ্মীর সমস্যা কিছুটা হলেও সমাধানের সম্ভাবনা ছিল । কাশ্মীরকে যথেষ্ট স্বায়ত্ত্বশাসন প্রদান করে গৃহযুদ্ধের অবসান অসম্ভব। কিন্তু ভারতের কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠী অভ্যন্তরীন জটিলতার কারনে সেটা করতেও অক্ষম। তবে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের যতগুলো পথ রয়েছে তারমধ্যে পর্যাপ্ত স্বায়ত্ত্বশাসনই ভারতীয় শাসকদের জন্য সহনীয়। ভারতীয় কাশ্মীর মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত, জম্মু,কাশ্মীর আর লাদাখ। জম্মু ও লাদাখ হিন্দু ও বেীদ্ধদের আবাসস্থল আর কাশ্মীর হল মুসলিমদের আবাস্থল। জম্মু আর লাদাখের জনগন ভারতে থাকার পক্ষপাতী অন্যদিকে কাশ্মীরের একপক্ষ চায় স্বাধীনতা অন্যপক্ষ চায় পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্তি। বিচ্ছিন্নতাবাদী গেরিলারা বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত। এক ডজনের বেশী দল নিয়ে তারা গঠন করেছে হুরিয়াত কনফারেন্স। ভারত সরকার যদি মুসলিম প্রধান অঞ্চল কাশ্মীরের ওপর পাকিস্তান সরকার এবং হুরিয়াতের সাথে সমঝোতায় আসতে পারে তবে সেক্ষেত্রে ছয় দশকের এই আন্তর্জাতিক সমস্যাটির দারুন মীমাংসা হতে পারে। এক্ষেত্রে উপায় হলো বেশ কিছু জায়গা পাকিস্তানের ছেড়ে দেয়া।
তবে কাশ্মীর সমস্যা অন্যভাবে সমাধান করা যেতে পারে। ভারত পাকিস্তানের অধিকৃত জায়গা সংযুক্ত করে যদি স্বাধীন কাশ্মীর রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায় তবে তা হবে কাশ্মীরের জনগনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আন্তর্জাতিক শ্রেনীও বোধহয় এমন একটি সমাধান দেখতে সবচেয়ে বেশী আগ্রহী। সেক্ষেত্রে বৃহৎ শক্তি রাষ্ট্র পাক-ভারতের মাঝে বাফার রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করবে এই ক্ষুদ্র স্বাধীন কাশ্মীর।
কাশ্মীর সমস্যা সমাধান যে একবারেই অসম্ভব তা নয়। ত্রুটি হলো দুটি দেশের রাজনৈতিক অপরিপক্কতা। বর্তমানে পাকিস্তান আবার ফিরে গেছে সেনা শাসনের পর পূর্বের অবস্থায় । যদিও ভারতকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলা হয় , কিন্তু সে গণতন্ত্রও শুধু নির্বাচনের মাঝেই সীমাবদ্ধ, তার কার্যকারী কোন প্রতিফলন দেখা যায় না। দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আজও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাড়াতে পারেনি। কাশ্মীর ছাড়াও নানা বিচ্ছিন্নতাবাদী সমস্যায় জর্জরিত ভারতের পক্ষে তাই কাশ্মীরের ওপর বড় ছাড় দেয়া সম্ভব নয়। কারণ হিসাবে দেখা যায় দেশটি তাহলে বিশ পঁিচশটি ভাগে বিভক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে প্রচন্ড। কিন্তু কাশ্মীর সমস্যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থেই বিশ্ববাসীকে প্রদান করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যর সমস্যা অর্থাৎ আরব- ইসরাইল শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়ে গেলেই আন্তর্জাতিক শক্তিধর সম্প্রদায় তাদের মনযোগ কাশ্মীরের ওপর পূর্ণমাত্রায় প্রদান করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেননা বর্তমানে কাশ্মীর বলতে শ’খানেক পারমানবিক বোমার বিস্ফোরনের সম্ভাবনা । তাই কাশ্মীরের অসহায় জনতার দিকে তাকিয়ে কাশ্মীরকে গণতান্ত্রিক উপায়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যার মাধ্যমে এই জটিল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। নতুবা যতদিন এটি সম্ভব না হবে ততদিন এ সমস্যার অগ্রগতি এভাবেই চলতে থাকবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 30
(54)
- ব্যক্তি আসবে-যাবে, দলে প্রভাব পড়বে না : মির্জা ফখরুল
- অদম্য মেধাবীদের অপরাজেয় দেশ by আনিসুল হক
- সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ by জাকির হোসেন লিটন
- সিরিয়া সঙ্কট সমাধানে পাঁচ জাতি পরিকল্পনা by জিমি ক...
- ‘শিক্ষকদের দাবি ইতিবাচকভাবে দেখছে সরকার’ by মোশতাক...
- ক্ষমতা কারও জন্য ‘চিরস্থায়ী নয়’
- ‘আইএসের ওপর দোষ চাপাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত’
- ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জঙ্গি সংগঠন’
- ইমরান খানের ডিভোর্স : নেপথ্যে রেহামের রাজনৈতিক উচ্...
- ট্রাফিক জ্যামে শিশুর জন্ম হলো অটো-রিকশায়
- সরকার তার প্রয়োজনে আইএস’র নাম ব্যবহার করছে : আ স ম রব
- দ্বিতীয় স্ত্রীকেও তালাক দিলেন ইমরান খান
- ইলিশের প্রজননের সঠিক সময় কোনটি? by হারুনুর রশীদ
- রাশিয়া বিশ্বের পরাশক্তি নয়: যুক্তরাষ্ট্র
- সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রণবের
- ডাকাতি, অপহরণ আর মুক্তিপণে সর্বস্বান্ত জেলেরা by ন...
- ‘মরে যাব, তবু দাবি থেকে একচুলও নড়ব না’
- টিআইবি ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থা
- জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করে বিদেশিরা প্রভাব বিস্তার করতে চ...
- রাস্তার বেহালদশায় কোমর ব্যাথা হয়ে যায় : ওবায়দুল কাদের
- বাল্যবিয়ের অভিযোগে বরসহ ৩ জনের কারাদণ্ড
- পরি by বিশ্বজিৎ চৌধুরী
- গৃহকর্তার ধর্ষণে অন্তঃস্বত্তা মেয়েটিকে এবার অপহরণ!
- অচেনা গলিতে রাজনীতি
- মহাকাশে অক্সিজেন ছাড়ছে ধূমকেতু!
- মার্কিন কংগ্রেসে নতুন স্পিকার পল রায়ান
- ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ফুঁসছেন দুই সৌদি যুবরাজ
- আগৈলঝাড়ার রাজকীয় মোড়ার চাহিদা দেশের সর্বত্র
- হরভাজনের দ্বিতীয় ইনিংস
- নতুন বিজ্ঞাপনে মেহ্জাবিন
- ঢাকা এখন ঝুঁকিপূর্ণ শহর by দীন ইসলাম
- কাশ্মীর - ভারত পাকিস্তান যেখানে মুখোমুখি
- বিএনপি ভেঙে খান খান হয়ে যাবে: হানিফ
- হঠাৎ বাড়তি চাপে বিএনপি by সেলিম জাহিদ
- ভারত ও আফ্রিকাকে বাদ দিলে হবে না -নিরাপত্তা পরিষদে...
- সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলানোর আহ্বান ইরানের
- ঢাকায় পাতালরেল হবে, অর্থ দেবে বিশ্বব্যাংক!
- আসাদকে সরে যেতে হবে : সৌদি আরব
- শিক্ষামন্ত্রীর অসহায়ত্ব ও হতাশা by আবুল মোমেন
- রিপাবলিকান নেতাদের বিতর্ক- আক্রমণের মুখে তথ্যমাধ্যম
- ইনক্রিমেন্ট দিয়ে ক্ষতি পোষাতে চায় সরকার by ফখরুল...
- স্থানীয় সরকারে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ থাকছে না by...
- ‘রাজনৈতিক স্বৈরাচারের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ...
- গৌতম বুদ্ধের সিংহশয্যা মূর্তি নজর কেড়েছে
- ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণ: লাশ হয়ে ঘরে ফিরলেন জামাল
- সত্যিকারের বাংলাদেশের ছবি by মুজিবুল হক
- চট্টগ্রামে ফিল্মি স্টাইলে ৪০ লাখ টাকার জন্য খুন
- কৌতূহল, কদিন পরেই খোলাসা হয়ে যাবে by কাফি কামাল
- বান্দরবানের পর্যটনশিল্প: অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয় রুণেরা...
- নেশাসক্ত ৫০ লাখ by আল-আমিন
- উন্মাদ উবাচ by সৈয়দ আব্দুল হাদী
- আন্ডারগ্রাউন্ড রেলপথ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- মানুষের বন্দিশালায় পাখিদের আশ্রয় by আবুল কালাম মুহ...
- ‘আমাদের নায়কেরা’- স্যার ফজলে হাসান আবেদকে অভিনন্দন
-
▼
Oct 30
(54)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট


No comments:
Post a Comment