Thursday, December 11, 2014
দল নিষিদ্ধের পক্ষে জামায়াত
দল নিষিদ্ধের পক্ষে জামায়াত

সরকারের
কঠোর অবস্থানে চরম বেকায়দায় জামায়াত। যুদ্ধাপরাধে নেতাদের বিচার। দল
নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা। জোট ও নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ। একাধিক ইস্যুতে
জামায়াত যখন অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে লিপ্ত, তখনই জনমনে আসছে নানান
প্রশ্ন। দলের এই চরম দুর্দিনে কি চায় জামায়াত? সরকারের সঙ্গে সমঝোতা?
সংঘাত। নাকি নিষিদ্ধ হওয়া? এত সব প্রশ্ন মানুষকে বিভ্রান্ত করলেও এর কোন
জবাব মিলছে না। বিভিন্ন সময়ে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যে সমঝোতার বিষয়টি
উড়িয়ে দিলেও জামায়াত এ ব্যাপারে নীরব থাকছে। ফলে মন্ত্রীদের বক্তব্য সহজে
কেউ বিশ্বাস করতে চাইছেন না।
বিরাজমান পরিস্থিতিতে জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতা মানবজমিনকে জানিয়েছেন, আন্দোলন ও দলে সংস্কার প্রস্তাবে বর্তমানে তাদের মধ্যে বিভক্তি থাকলেও সরকারের সমঝোতা প্রস্তাবে তারা রাজি নন। এতে যদি জামায়াতকে নিষিদ্ধও করা হয় তাতে তাদের আপত্তি নেই। কারণ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এখন প্রায় ৯৯ ভাগ বয়সে তরুণ। বর্তমানে নেতৃত্বে আসা নতুন নেতাদের সবাই যুদ্ধাপরাধসহ বিতর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের দায় নিতে চাইছেন না। নতুনরা চান কলঙ্কিত জামায়াতের বদলে নতুন দলের নেতৃত্ব। এ নিয়ে দলের ভেতরে চলছে তোলপাড়। এ কারণে সরকারবিরোধী আন্দোলনের চেয়ে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রশমনে জামায়াত এখন ব্যস্ত। এমন অবস্থায় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা তো দূরের কথা, আলোচনারও সময় নেই বলে জামায়াত নেতারা জানান।
জামায়াতের কর্মপরিষদের একাধিক সদস্য জানান, বর্তমানে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতাদের পক্ষে আন্দোলন ও সংস্কার নিয়ে দলে মতবিরোধ এখন তুঙ্গে। এ কারণে বর্তমান কঠিন সময়ে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত নয় জামায়াত। দলের ভেতরের মতবিরোধ সাংগঠনিক কার্যক্রমকে দুর্বল করে দিয়েছে। তরুণ নেতৃত্বের বিশাল অংশ যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে আন্দোলনের পক্ষপাতী নন। এ কারণে সম্প্রতি নেতাদের মুক্তির দাবিতে দেয়া কর্মসূচিতে শিবিরের নেতাকর্মীরা অংশ নেননি। বিষয়টি হতাশ করেছে জামায়াতকে। কারণ জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান শীর্ষ নেতাদের মুক্তির আন্দোলনের পক্ষে থাকলেও দলের তরুণ নেতাদের মতবিরোধ তাদেরকে বেকায়দায় ফেলেছে।
সূত্র জানায়, জামায়াতের এমন দুরবস্থার পেছনে মূল কারণ সংস্কার দাবি মেনে না নেয়া। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জামায়াতের ভরাডুবির পর থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী অভিযুক্তদের নেতৃত্ব থেকে বাদ দেয়া, নতুন নামে দল গঠন করাসহ আরও কিছু কর্মপন্থা নিয়ে জামায়াতের তরুণ নেতারা সক্রিয় হন।
সূত্রমতে, ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সে দাবি আরও জোরদার হয়। তখন থেকেই জামায়াত দু’টি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর একটি ধারায় সিনিয়র নেতারা। তাদের বিরুদ্ধে দেশ স্বাধীনে বিরোধিতার অভিযোগ রয়েছে। অপর ধারায় তরুণ নেতারা। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব দানকারী বিশাল একটি অংশের সবাই ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে এসেছেন। তাই দলের বর্তমান অবস্থায় তারা দায় নিতে চাইছেন না। তারা মনে করছেন দলে যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে এ দায় একান্তই তাদের। কারণ বর্তমানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রশিবির থেকে আসা অনেকেরই দেশের স্বাধীনতার সময় জন্ম হয়নি। যাদের জন্ম হয়েছে তাদের বয়স ছিল অল্প। তাই বর্তমান সময়ে এসে তারা যুদ্ধাপরাধের তকমা নিতে রাজি নন। এ জন্য দলের বিশাল এ অংশ পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মতে, লোকবল ও নেতৃত্ব সব দিক দিয়ে জামায়াত দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও বড় দল। কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধু যুদ্ধাপরাধের বদনামে দলটি বারবার পিছিয়ে পড়ছে। এখন দলকে এগিয়ে নিতে ও সর্বসাধারণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে তারা সংস্কার চান। এর বাস্তবায়ন একমাত্র নিষিদ্ধ হওয়ার মাধ্যমেই সম্ভব। এ জন্য তারা আদালতের রায়ের অপেক্ষায় আছেন। এর মধ্যে নতুন দলের নামও ঠিক করে রেখেছেন তারা। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে যাতে অল্প সময়ের মধ্যে নতুন দলের কার্যক্রম শুরু করা যায় তার সব প্রস্তুতি তাদের রয়েছে বলে সূত্র জানায়।
‘সরকার-জামায়াত সমঝোতা হলে দেশে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে’ মন্তব্য করে জামায়াতের কর্মপরিষদের আরেক সদস্য জানান, জামায়াত একাধিকবার সরকারের সমঝোতা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। কারণ আদর্শের দিক দিয়ে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ একে অন্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি জানান, গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর সরকার যে একদম একা হয়ে গেছে জামায়াতকে দেয়া প্রস্তাবে তা আরও পরিষ্কার হয়েছে। জামায়াতের এই নেতা জানান, সরকার তাদেরকে বিএনপির সঙ্গ ছেড়ে সমঝোতায় আসতে প্রস্তাব দেয়। তাতে বলা হয়েছিল, যেহেতু ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন ছিল সংবিধান রক্ষার তাই প্রতিদ্বন্দ্বী দল না পাওয়া পর্যন্ত তারা নির্বাচনে যেতে পারছেন না। এ ব্যাপারে জামায়াতের সহযোগিতা চাওয়া হয়। পরে জামায়াত নেতারা বৈঠকে বসে এ নিয়ে আলোচনা করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ জামায়াত মনে করে, এমন প্রস্তাবে রাজি হলে তাতে সরকারই বেশি লাভবান হবে।
তাদের মতে, একতরফা নির্বাচনের পর ঘরে-বাইরে সরকারের যে অসহায়ত্ব প্রকাশ পাচ্ছে তাতে ক্ষমতায় টিকে থাকা সরকারের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই সরকার চায় নির্বাচনে বিএনপিকে বাদ দিয়ে তাদের প্রয়োজন এমন একটি দল যারা সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে কিন্তু সরকার গঠন করতে পারবে না। এদিক দিয়ে সরকারের দৃষ্টিতে জামায়াতই উপযুক্ত দল। কারণ জামায়াত এ মুহূর্তে নির্বাচনে গেলে সরকার গঠনের মতো জনসমর্থন পাবে না। কিন্তু সংসদে বিরোধী দল হিসেবে যথাযথ ভূমিকার শক্তি সামর্থ্য তাদের রয়েছে- যা বৈধভাবে একটি সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকতে সহায়ক। এমন ধারণা থেকে জামায়াত তাতে সাড়া দেয়নি। তরুণ এই নেতা জানান, জামায়াত যদি সরকারের এই প্রস্তাবটি মেনে নিতো তবে নেতাদের ভাগ্য অন্যরকম হতো।
জামায়াতের কর্মপরিষদের এক সদস্য জানান, জামায়াতের নেতৃত্ব ধীরে ধীরে এখন নতুনদের হাতে চলে যাচ্ছে। আর কয়েক বছরের মধ্যেই এর পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব তরুণদের হাতেই চলে আসবে। দলের বর্তমান তরুণ নেতারা এমনটি উপলব্ধি করতে পেরে এখন সংস্কারে উদ্যোগী হয়ে উঠছেন। তারা চান জামায়াত বিলুপ্ত করে নতুন দলের নেতৃত্বে আসতে। তাই এ মুহূর্তে তারা সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় নয়, দলের বিতর্কিত বিষয়গুলোর সুরাহার বিষয়ে অনড়।
তিনি জানান, তারা মনে করছেন সরকার নিজের প্রয়োজনেই জামায়াতকে জীবিত রাখবে। কারণ আওয়ামী লীগের রাজনীতিই হচ্ছে জামায়াত কেন্দ্রিক। এর প্রমাণ ২০১০ সালের নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান কারণ বলেও তাদের ধারণা। তার মতে, সরকার যদি জামায়াতকে নিষিদ্ধ ও সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার করে তাহলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ইতি টানতে হবে। কারণ এরপর থেকে ঘরে-বাইরে আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতির আর কিছু থাকবে না। সম্প্রতি অল্প দিনের ব্যবধানে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত রায় সরকারের অস্থিরতার প্রমাণ মন্তব্য করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চলতি বছর পর্যন্ত সরকার জনগণকে কোন অর্জন দেখাতে পারেনি। যতটুকু আছে তা হলো কাদের মোল্লার ফাঁসি। এর বাইরে জনসমক্ষে সরকারের কিছু বলার নেই। তাই সর্বশেষে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এখন জামায়াত নেতাদের রায় নিয়ে সরকার সরব হয়ে উঠেছে।
দলের অপর একটি সূত্র জানায়, বর্তমান অবস্থায় জামায়াত আন্দোলনের চেয়ে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব প্রশমনে ব্যস্ত। এ জন্য গা বাঁচাতে রাজপথের আন্দোলন থেকে তাদের কিছুটা দূরে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া, ২০ দলীয় জোটের যে কোন কর্মসূচিতে গা বাঁচিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কারণ বিগত সময়ে জোটের কর্মসূচি পালনে জামায়াত ও শিবির ছাড়া অন্য কোন দল মাঠে ছিল না। এ কারণে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের অনেক নেতাকর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে- যা দল ও জোটের নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
সূত্র মতে, জামায়াত মনে করে দেশে যদি নির্বাচন হয় আর তাতে ২০ দলীয় জোট যদি সরকারও গঠন করে তাতে জামায়াত খুব একটা লাভবান হবে না। কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে সরকার গঠনের মতো পরিস্থিতি এখনও জামায়াতের হয়নি। অন্যদিকে নির্বাচন হলে যদি বিএনপি সরকার গঠন করে তাতে দু’একটি মন্ত্রিত্ব ছাড়া জামায়াতের বেশি কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিএনপি সব দিক দিয়ে লাভবান হবে। তাই জামায়াত চায় বর্তমান সময়ে বিএনপি শক্তি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করুক। তবে তাতে জামায়াতের সমর্থন থাকলেও নিজেদের প্রাণ রক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নেবে।
জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতা জানান, চলমান আন্দোলন নিয়ে জামায়াতের চট্টগ্রাম মহানগরের দুই নেতা শামসুল ইসলাম ও শাহজাহান চৌধুরীর দ্বন্দ্ব আন্দোলনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নগর ছাত্রশিবিরের একটি সূত্র জানায়, এই দুই নেতার দ্বন্দ্বে ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতাদের সাজার রায়কে ঘিরে নগরীতে জোরদার আন্দোলন করা যায়নি। তাই ছাত্রশিবিরের একটি অংশ শামসুল ইসলামের নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষুব্ধ। ফলে বিভিন্ন কর্মসূচিতে শিবির অংশ নেয়নি। এছাড়া, কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের পর আন্দোলনে শিবির কর্মীদের প্রাণহানির ঘটনায়ও শিবির নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দলের কিংবা ইসলামী আন্দোলনের জন্য এমন প্রাণহানি হলে কথা ছিল না। কিন্তু একজন ব্যক্তির জন্য এমন প্রাণহানি গ্রহণযোগ্য নয়। তাই এখন থেকে দ্বন্দ্ব নিরসন না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের কোন কর্মসূচি ছাড়া জামায়াতের ডাকা কর্মসূচিতে শিবির অংশ নেবে না।
সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জামায়াতকে প্রথম সমঝোতার প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে এর মধ্যে শর্ত ছিল সংস্কারের। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আছে তাদেরকে বাদ দিয়ে আমীর নির্বাচনের শর্ত দেয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে দলের নির্বাহী সদস্য মীর কাসেম আলীকে আমীর হওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এ সময় মীর কাসেম সংস্কারের উদ্যোগ নিলে তরুণ নেতারা কাসেমের পক্ষে সায় দেন। এ নিয়ে রাজধানীর বিজয় নগরে একটি মিটিংও হয়েছিল। এতে দলের অপর নেতা মুজাহিদ ও নিজামীদের সঙ্গে মীর কাসেমের দূরত্ব তৈরি হয়। এই সংস্কার ইস্যুতে সে বছর ছাত্রশিবিরের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভাঙন হয়। তখন সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির ৪২ জনের ২৬ জনই পদত্যাগ করেন।
কিন্তু দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিলে পরে সবাই মীর কাসেমের পক্ষ ত্যাগ করেন। এ ইস্যুতে মুজাহিদসহ নির্বাহী কমিটির কয়েকজন সদস্য মীর কাসেমকে দল থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগী হন। বিভক্তি এড়াতে সে সময় নিজামী সতর্ক করেন মীর কাসেমকে। এ ঘটনার পর সে বছরের ২৯শে জুন মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর সরকার থেকে সংস্কার বিষয়ে মীর কাসেমকে চাপ প্রয়োগ করা হলে তিনি আরও সময় চান। এরপর দীর্ঘ চেষ্টায় দলের সিনিয়রদের বিপরীত অবস্থানে তিনি ব্যর্থ হলে দুই বছর পরে তাকেও আটক করা হয়।
এদিকে দলের তরুণ নেতাদের দাবির বিষয়ে জামায়াতের আরেক নেতা ভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। সংস্কারবিরোধী প্রবীণ এই নেতা জানান, যুদ্ধাপরাধের বিচারের অন্যতম লক্ষ্যই হলো জামায়াতকে ধ্বংস করা। ফলে সহিংসতা ও নাশকতার কোন বিকল্প নেই। তার মতে, বর্তমান সরকারকে এ প্রক্রিয়ায় উৎখাত করা গেলে জামায়াত আবার ঘুরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, জামায়াতে দ্বিমত পোষণকারীদের স্থান নেই। দলীয় সিদ্ধান্তের সামান্যতম প্রকাশ্য বিরোধিতায় বহিষ্কার অবধারিত। অন্যদিকে উদারপন্থিদের সংস্কার প্রস্তাবকেও তিনি দলের জন্য তাৎপর্যহীন বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নতুনরা দল নিষিদ্ধ ও সংস্কারের পক্ষে থাকলেও তাদের বিষয়ে প্রবীণদের সমর্থন নেই। তারপরও যদি তারা জামায়াতকে বাদ দিয়ে নতুন করে কিছু করেন তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না।
এদিকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জোটের সঙ্গেও জামায়াতের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে বলে দলের আরেক নেতা জানিয়েছেন। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের পরেও বিএনপি তেমন সরব না হওয়ায় জোটের সঙ্গে জামায়াতের মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির জামায়াতবিরোধী একটি গ্রুপ জামায়াতকে বয়কটের ব্যাপারে দলের অভ্যন্তরে চাপ অব্যাহত রেখেছে। দলের চেয়ারপারসনকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন বা যে কোন কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে এবার বিএনপি শেষ হয়ে যাবে। এ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হলে খালেদা জিয়া জামায়াতবিরোধী অংশের নেতাদের ভর্ৎসনা করেন। খালেদা মনে করেন, দলের যে কোন কর্মসূচি সফলে জামায়াতের বিকল্প নেই। কারণ এর আগে জোটের মাসব্যাপী অবরোধ কর্মসূচিসহ বড় কর্মসূচিতে একমাত্র জামায়াত ও ছাত্রশিবির মাঠে ছিল। তাই সরকারবিরোধী যে কোন আন্দোলনে জামায়াত ছাড়া সফলতা সম্ভব নয় বলেও বৈঠকে খালেদা মন্তব্য করেন। এ জন্য বিএনপির স্বার্থে যে কোন ভাবে জামায়াতকে সঙ্গে রাখার পক্ষে তিনি তার অবস্থান জানিয়ে দেন।
বিরাজমান পরিস্থিতিতে জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতা মানবজমিনকে জানিয়েছেন, আন্দোলন ও দলে সংস্কার প্রস্তাবে বর্তমানে তাদের মধ্যে বিভক্তি থাকলেও সরকারের সমঝোতা প্রস্তাবে তারা রাজি নন। এতে যদি জামায়াতকে নিষিদ্ধও করা হয় তাতে তাদের আপত্তি নেই। কারণ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এখন প্রায় ৯৯ ভাগ বয়সে তরুণ। বর্তমানে নেতৃত্বে আসা নতুন নেতাদের সবাই যুদ্ধাপরাধসহ বিতর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের দায় নিতে চাইছেন না। নতুনরা চান কলঙ্কিত জামায়াতের বদলে নতুন দলের নেতৃত্ব। এ নিয়ে দলের ভেতরে চলছে তোলপাড়। এ কারণে সরকারবিরোধী আন্দোলনের চেয়ে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রশমনে জামায়াত এখন ব্যস্ত। এমন অবস্থায় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা তো দূরের কথা, আলোচনারও সময় নেই বলে জামায়াত নেতারা জানান।
জামায়াতের কর্মপরিষদের একাধিক সদস্য জানান, বর্তমানে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতাদের পক্ষে আন্দোলন ও সংস্কার নিয়ে দলে মতবিরোধ এখন তুঙ্গে। এ কারণে বর্তমান কঠিন সময়ে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত নয় জামায়াত। দলের ভেতরের মতবিরোধ সাংগঠনিক কার্যক্রমকে দুর্বল করে দিয়েছে। তরুণ নেতৃত্বের বিশাল অংশ যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে আন্দোলনের পক্ষপাতী নন। এ কারণে সম্প্রতি নেতাদের মুক্তির দাবিতে দেয়া কর্মসূচিতে শিবিরের নেতাকর্মীরা অংশ নেননি। বিষয়টি হতাশ করেছে জামায়াতকে। কারণ জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান শীর্ষ নেতাদের মুক্তির আন্দোলনের পক্ষে থাকলেও দলের তরুণ নেতাদের মতবিরোধ তাদেরকে বেকায়দায় ফেলেছে।
সূত্র জানায়, জামায়াতের এমন দুরবস্থার পেছনে মূল কারণ সংস্কার দাবি মেনে না নেয়া। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জামায়াতের ভরাডুবির পর থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী অভিযুক্তদের নেতৃত্ব থেকে বাদ দেয়া, নতুন নামে দল গঠন করাসহ আরও কিছু কর্মপন্থা নিয়ে জামায়াতের তরুণ নেতারা সক্রিয় হন।
সূত্রমতে, ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সে দাবি আরও জোরদার হয়। তখন থেকেই জামায়াত দু’টি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর একটি ধারায় সিনিয়র নেতারা। তাদের বিরুদ্ধে দেশ স্বাধীনে বিরোধিতার অভিযোগ রয়েছে। অপর ধারায় তরুণ নেতারা। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব দানকারী বিশাল একটি অংশের সবাই ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে এসেছেন। তাই দলের বর্তমান অবস্থায় তারা দায় নিতে চাইছেন না। তারা মনে করছেন দলে যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে এ দায় একান্তই তাদের। কারণ বর্তমানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রশিবির থেকে আসা অনেকেরই দেশের স্বাধীনতার সময় জন্ম হয়নি। যাদের জন্ম হয়েছে তাদের বয়স ছিল অল্প। তাই বর্তমান সময়ে এসে তারা যুদ্ধাপরাধের তকমা নিতে রাজি নন। এ জন্য দলের বিশাল এ অংশ পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মতে, লোকবল ও নেতৃত্ব সব দিক দিয়ে জামায়াত দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও বড় দল। কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধু যুদ্ধাপরাধের বদনামে দলটি বারবার পিছিয়ে পড়ছে। এখন দলকে এগিয়ে নিতে ও সর্বসাধারণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে তারা সংস্কার চান। এর বাস্তবায়ন একমাত্র নিষিদ্ধ হওয়ার মাধ্যমেই সম্ভব। এ জন্য তারা আদালতের রায়ের অপেক্ষায় আছেন। এর মধ্যে নতুন দলের নামও ঠিক করে রেখেছেন তারা। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে যাতে অল্প সময়ের মধ্যে নতুন দলের কার্যক্রম শুরু করা যায় তার সব প্রস্তুতি তাদের রয়েছে বলে সূত্র জানায়।
‘সরকার-জামায়াত সমঝোতা হলে দেশে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে’ মন্তব্য করে জামায়াতের কর্মপরিষদের আরেক সদস্য জানান, জামায়াত একাধিকবার সরকারের সমঝোতা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। কারণ আদর্শের দিক দিয়ে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ একে অন্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি জানান, গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর সরকার যে একদম একা হয়ে গেছে জামায়াতকে দেয়া প্রস্তাবে তা আরও পরিষ্কার হয়েছে। জামায়াতের এই নেতা জানান, সরকার তাদেরকে বিএনপির সঙ্গ ছেড়ে সমঝোতায় আসতে প্রস্তাব দেয়। তাতে বলা হয়েছিল, যেহেতু ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন ছিল সংবিধান রক্ষার তাই প্রতিদ্বন্দ্বী দল না পাওয়া পর্যন্ত তারা নির্বাচনে যেতে পারছেন না। এ ব্যাপারে জামায়াতের সহযোগিতা চাওয়া হয়। পরে জামায়াত নেতারা বৈঠকে বসে এ নিয়ে আলোচনা করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ জামায়াত মনে করে, এমন প্রস্তাবে রাজি হলে তাতে সরকারই বেশি লাভবান হবে।
তাদের মতে, একতরফা নির্বাচনের পর ঘরে-বাইরে সরকারের যে অসহায়ত্ব প্রকাশ পাচ্ছে তাতে ক্ষমতায় টিকে থাকা সরকারের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই সরকার চায় নির্বাচনে বিএনপিকে বাদ দিয়ে তাদের প্রয়োজন এমন একটি দল যারা সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে কিন্তু সরকার গঠন করতে পারবে না। এদিক দিয়ে সরকারের দৃষ্টিতে জামায়াতই উপযুক্ত দল। কারণ জামায়াত এ মুহূর্তে নির্বাচনে গেলে সরকার গঠনের মতো জনসমর্থন পাবে না। কিন্তু সংসদে বিরোধী দল হিসেবে যথাযথ ভূমিকার শক্তি সামর্থ্য তাদের রয়েছে- যা বৈধভাবে একটি সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকতে সহায়ক। এমন ধারণা থেকে জামায়াত তাতে সাড়া দেয়নি। তরুণ এই নেতা জানান, জামায়াত যদি সরকারের এই প্রস্তাবটি মেনে নিতো তবে নেতাদের ভাগ্য অন্যরকম হতো।
জামায়াতের কর্মপরিষদের এক সদস্য জানান, জামায়াতের নেতৃত্ব ধীরে ধীরে এখন নতুনদের হাতে চলে যাচ্ছে। আর কয়েক বছরের মধ্যেই এর পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব তরুণদের হাতেই চলে আসবে। দলের বর্তমান তরুণ নেতারা এমনটি উপলব্ধি করতে পেরে এখন সংস্কারে উদ্যোগী হয়ে উঠছেন। তারা চান জামায়াত বিলুপ্ত করে নতুন দলের নেতৃত্বে আসতে। তাই এ মুহূর্তে তারা সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় নয়, দলের বিতর্কিত বিষয়গুলোর সুরাহার বিষয়ে অনড়।
তিনি জানান, তারা মনে করছেন সরকার নিজের প্রয়োজনেই জামায়াতকে জীবিত রাখবে। কারণ আওয়ামী লীগের রাজনীতিই হচ্ছে জামায়াত কেন্দ্রিক। এর প্রমাণ ২০১০ সালের নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান কারণ বলেও তাদের ধারণা। তার মতে, সরকার যদি জামায়াতকে নিষিদ্ধ ও সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার করে তাহলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ইতি টানতে হবে। কারণ এরপর থেকে ঘরে-বাইরে আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতির আর কিছু থাকবে না। সম্প্রতি অল্প দিনের ব্যবধানে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত রায় সরকারের অস্থিরতার প্রমাণ মন্তব্য করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চলতি বছর পর্যন্ত সরকার জনগণকে কোন অর্জন দেখাতে পারেনি। যতটুকু আছে তা হলো কাদের মোল্লার ফাঁসি। এর বাইরে জনসমক্ষে সরকারের কিছু বলার নেই। তাই সর্বশেষে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এখন জামায়াত নেতাদের রায় নিয়ে সরকার সরব হয়ে উঠেছে।
দলের অপর একটি সূত্র জানায়, বর্তমান অবস্থায় জামায়াত আন্দোলনের চেয়ে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব প্রশমনে ব্যস্ত। এ জন্য গা বাঁচাতে রাজপথের আন্দোলন থেকে তাদের কিছুটা দূরে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া, ২০ দলীয় জোটের যে কোন কর্মসূচিতে গা বাঁচিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কারণ বিগত সময়ে জোটের কর্মসূচি পালনে জামায়াত ও শিবির ছাড়া অন্য কোন দল মাঠে ছিল না। এ কারণে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের অনেক নেতাকর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে- যা দল ও জোটের নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
সূত্র মতে, জামায়াত মনে করে দেশে যদি নির্বাচন হয় আর তাতে ২০ দলীয় জোট যদি সরকারও গঠন করে তাতে জামায়াত খুব একটা লাভবান হবে না। কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে সরকার গঠনের মতো পরিস্থিতি এখনও জামায়াতের হয়নি। অন্যদিকে নির্বাচন হলে যদি বিএনপি সরকার গঠন করে তাতে দু’একটি মন্ত্রিত্ব ছাড়া জামায়াতের বেশি কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিএনপি সব দিক দিয়ে লাভবান হবে। তাই জামায়াত চায় বর্তমান সময়ে বিএনপি শক্তি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করুক। তবে তাতে জামায়াতের সমর্থন থাকলেও নিজেদের প্রাণ রক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নেবে।
জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতা জানান, চলমান আন্দোলন নিয়ে জামায়াতের চট্টগ্রাম মহানগরের দুই নেতা শামসুল ইসলাম ও শাহজাহান চৌধুরীর দ্বন্দ্ব আন্দোলনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নগর ছাত্রশিবিরের একটি সূত্র জানায়, এই দুই নেতার দ্বন্দ্বে ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতাদের সাজার রায়কে ঘিরে নগরীতে জোরদার আন্দোলন করা যায়নি। তাই ছাত্রশিবিরের একটি অংশ শামসুল ইসলামের নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষুব্ধ। ফলে বিভিন্ন কর্মসূচিতে শিবির অংশ নেয়নি। এছাড়া, কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের পর আন্দোলনে শিবির কর্মীদের প্রাণহানির ঘটনায়ও শিবির নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দলের কিংবা ইসলামী আন্দোলনের জন্য এমন প্রাণহানি হলে কথা ছিল না। কিন্তু একজন ব্যক্তির জন্য এমন প্রাণহানি গ্রহণযোগ্য নয়। তাই এখন থেকে দ্বন্দ্ব নিরসন না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের কোন কর্মসূচি ছাড়া জামায়াতের ডাকা কর্মসূচিতে শিবির অংশ নেবে না।
সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জামায়াতকে প্রথম সমঝোতার প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে এর মধ্যে শর্ত ছিল সংস্কারের। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আছে তাদেরকে বাদ দিয়ে আমীর নির্বাচনের শর্ত দেয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে দলের নির্বাহী সদস্য মীর কাসেম আলীকে আমীর হওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এ সময় মীর কাসেম সংস্কারের উদ্যোগ নিলে তরুণ নেতারা কাসেমের পক্ষে সায় দেন। এ নিয়ে রাজধানীর বিজয় নগরে একটি মিটিংও হয়েছিল। এতে দলের অপর নেতা মুজাহিদ ও নিজামীদের সঙ্গে মীর কাসেমের দূরত্ব তৈরি হয়। এই সংস্কার ইস্যুতে সে বছর ছাত্রশিবিরের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভাঙন হয়। তখন সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির ৪২ জনের ২৬ জনই পদত্যাগ করেন।
কিন্তু দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিলে পরে সবাই মীর কাসেমের পক্ষ ত্যাগ করেন। এ ইস্যুতে মুজাহিদসহ নির্বাহী কমিটির কয়েকজন সদস্য মীর কাসেমকে দল থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগী হন। বিভক্তি এড়াতে সে সময় নিজামী সতর্ক করেন মীর কাসেমকে। এ ঘটনার পর সে বছরের ২৯শে জুন মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর সরকার থেকে সংস্কার বিষয়ে মীর কাসেমকে চাপ প্রয়োগ করা হলে তিনি আরও সময় চান। এরপর দীর্ঘ চেষ্টায় দলের সিনিয়রদের বিপরীত অবস্থানে তিনি ব্যর্থ হলে দুই বছর পরে তাকেও আটক করা হয়।
এদিকে দলের তরুণ নেতাদের দাবির বিষয়ে জামায়াতের আরেক নেতা ভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। সংস্কারবিরোধী প্রবীণ এই নেতা জানান, যুদ্ধাপরাধের বিচারের অন্যতম লক্ষ্যই হলো জামায়াতকে ধ্বংস করা। ফলে সহিংসতা ও নাশকতার কোন বিকল্প নেই। তার মতে, বর্তমান সরকারকে এ প্রক্রিয়ায় উৎখাত করা গেলে জামায়াত আবার ঘুরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, জামায়াতে দ্বিমত পোষণকারীদের স্থান নেই। দলীয় সিদ্ধান্তের সামান্যতম প্রকাশ্য বিরোধিতায় বহিষ্কার অবধারিত। অন্যদিকে উদারপন্থিদের সংস্কার প্রস্তাবকেও তিনি দলের জন্য তাৎপর্যহীন বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নতুনরা দল নিষিদ্ধ ও সংস্কারের পক্ষে থাকলেও তাদের বিষয়ে প্রবীণদের সমর্থন নেই। তারপরও যদি তারা জামায়াতকে বাদ দিয়ে নতুন করে কিছু করেন তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না।
এদিকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জোটের সঙ্গেও জামায়াতের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে বলে দলের আরেক নেতা জানিয়েছেন। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের পরেও বিএনপি তেমন সরব না হওয়ায় জোটের সঙ্গে জামায়াতের মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির জামায়াতবিরোধী একটি গ্রুপ জামায়াতকে বয়কটের ব্যাপারে দলের অভ্যন্তরে চাপ অব্যাহত রেখেছে। দলের চেয়ারপারসনকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন বা যে কোন কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে এবার বিএনপি শেষ হয়ে যাবে। এ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হলে খালেদা জিয়া জামায়াতবিরোধী অংশের নেতাদের ভর্ৎসনা করেন। খালেদা মনে করেন, দলের যে কোন কর্মসূচি সফলে জামায়াতের বিকল্প নেই। কারণ এর আগে জোটের মাসব্যাপী অবরোধ কর্মসূচিসহ বড় কর্মসূচিতে একমাত্র জামায়াত ও ছাত্রশিবির মাঠে ছিল। তাই সরকারবিরোধী যে কোন আন্দোলনে জামায়াত ছাড়া সফলতা সম্ভব নয় বলেও বৈঠকে খালেদা মন্তব্য করেন। এ জন্য বিএনপির স্বার্থে যে কোন ভাবে জামায়াতকে সঙ্গে রাখার পক্ষে তিনি তার অবস্থান জানিয়ে দেন।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1596)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 11
(66)
- মালালা ও কৈলাসের নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ
- গানম্যান নিয়ে চলেন চট্টগ্রামের যুবলীগ ক্যাডার বাবর
- ছড়িয়ে পড়ছে ফার্নেস অয়েল
- ক্ষোভ ও অসন্তোষ সংসদীয় কমিটির
- রেলপথ বিচ্ছিন্ন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংস করেন তারা
- এমপি রানাসহ ৪ জনকে গ্রেফতারে বাধা নেই
- র্যাবের বিভাগীয় প্রতিবেদনে ২১ জনের নাম
- চাঁদার জন্য বাস আটকাল ছাত্রলীগ, ছাড়াল পুলিশ
- দুদিন পর উদ্ধার হলো জাহাজ- ছড়িয়ে পড়া তেল ফোম দি...
- অপমানিত, ক্ষুব্ধ সাবিনা ইয়াসমীন by মনজুর কাদের
- গণতন্ত্রকে কবরে পাঠানো হয়েছে: খালেদা জিয়া
- অ্যাডিলেড টেস্ট- সুসংহত অস্ট্রেলিয়া
- ক্রিকেটাঙ্গনে থমথমে নীরবতা- দেশে নেই আজীবন নিষিদ্ধ...
- সরকার একটি মানুষকেই ভয় পায়, তিনি তারেক রহমান -মির্...
- ‘মৃত্যুদণ্ডকে হত্যাকাণ্ড বলায় কাদেরের ছেলের বিরুদ্...
- রোকেয়া কী নামে স্বাক্ষর করতেন by একেএম শাহনাওয়াজ
- কর্মচারীদের পেশাজীবী সংগঠন এবং ট্রেড ইউনিয়নের রাজন...
- সাড়ে সাত কোটির প্রত্যেকেরই স্ট্যাটাস নির্ধারণ করুন...
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কোন পথে by তারেক শাম...
- বাংলাদেশের সঙ্গে জলপথে যোগাযোগে আগ্রহী মমতা
- সৌদি আরবে বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা
- শেষ পর্যন্ত...
- নতুন বছরে অন্য পূজা
- বিমানেই জন্ম নবজাতকের
- দুই চেহারার বিড়ালের মৃত্যু
- ‘ডিসিসি ও জেলা পরিষদ নির্বাচন না হওয়া সংবিধান বিরোধী’
- ‘ইবোলা চিকিৎসক ও কর্মীরা’ টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসের...
- ইসরাইলি সেনার আগ্রাসী আচরণে ফিলিস্তিনি মন্ত্রীর মৃ...
- কম খরচে ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক অধিকার
- বজ্রপাতে শেষ গোটা ফুটবল দল!
- হংকংয়ের প্রধান বিক্ষোভ স্থলে উচ্ছেদ অভিযান শুরু
- ফাঁসি কার্যকরের নামে কাদের মোল্লাকে হত্যা করা হয়েছ...
- বিদায় ও বরণের উৎসবে by শিহাব জিশান
- নিউইয়র্কে উইলিয়াম ও কেট, পাশে পুলিশবিরোধী বিক্ষোভ
- টাইমের পাঠক ভোটে বর্ষসেরা মোদি
- আশি ভাগ গ্রাহক প্রত্যন্ত এলাকার by সৈকত দেওয়ান
- সংঘাতের শিকার বিশ্বের দেড় কোটি শিশু
- জলবায়ু সম্মেলনে গতি সঞ্চার
- দুর্গম লোকালেয় আলো: রাঙামাটি- সৌরবিদ্যুতের আলোয় ...
- নির্ভরশীলতা বাড়ছে by পলাশ বড়ুয়া
- ঘন কুয়াশার চাদরে রাজধানী, বিমান চলাচলে বিপর্যয়
- সুন্দরবনে জাহাজডুবি- তেল ছড়াচ্ছে, উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ
- আর কত অপেক্ষা, আর কত কান্না- মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘট...
- নিলামে কেনা নোবেল ফেরতের মহৎ দৃষ্টান্ত
- ইমরানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ আইনে মামলা
- দারুণ জয়ে গ্রুপ শীর্ষে বার্সেলোনা
- শিশুদের সহায়তা করাই আমার নেশা : কৈলাস
- ইসরাইলি সেনাদের হামলায় ফিলিস্তিনি মন্ত্রী নিহত
- যুক্তরাষ্ট্রের বিচার দাবি জাতিসংঘের
- সর্বজনীন নির্বাচন পরিষদ গঠনের দাবি
- আমেরিকাকে ‘না’
- দেড় কোটি শিশুর জন্য নিষ্ঠুরতম বছর ২০১৪
- শান্তিতে চ্যাম্পিয়ন মালালা-কৈলাস
- ট্যাংকারের তেলে ভাসছে সুন্দরবন by রাশিদুল ইসলাম
- মঙ্গলে পানির উপস্থিতি প্রাণের সম্ভাবনা
- বন্দিদের ওপর সিআইএ’র নৃশংস নির্যাতন- বিচার দাবি জা...
- বাংলাদেশে মৌলিক মানবাধিকার অনিশ্চিত
- কনসার্টে অদ্ভুত মাইলি সাইরাস
- ইসরাইলি সেনাদের হাতে ফিলিস্তিনি মন্ত্রীর মৃত্যু
- বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ভারতের ভূমিকার জন্য কারগিল যুদ্ধ
- চুক্তি পেতে তিন মন্ত্রীর জন্য ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকার...
- ‘৭ খুনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারেক-আরিফ’
- পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে এখনই আলোচনা চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- মানবাধিকার বঞ্চিতদের কান্না
- দল নিষিদ্ধের পক্ষে জামায়াত
- বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে
-
▼
Dec 11
(66)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
সন্ত্রাস
আফ্রিকা
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
স্বাস্থ্য
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
লেবানন
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
জীবনযাপন
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কলকাতা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
Exclusive
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
ইয়েমেন
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
কুষ্টিয়া
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
জনস্বাস্থ্য
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
কাতার
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
শিশির মোড়ল
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
ইসলাম
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
জোহরান মামদানি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment