Saturday, October 11, 2014
বিভ্রাট, উপেক্ষা এবং বৈপরীত্য by সাকিব সাদমান
বিভ্রাট, উপেক্ষা এবং বৈপরীত্য by সাকিব সাদমান
বাংলাদেশ মেডিক্যাল কাউন্সিল রীতিমতো গাঁটের পয়সা খরচ করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে জানান দিচ্ছে, কোন কোন ডিগ্রি চিকিৎসকগণ নামের পাশে ব্যবহার করতে পারবেন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া এখন অনেক খরচের ব্যাপার। বিশেষ করে কয়েকটি দৈনিক বছরে কয়েকবারই তাদের বিজ্ঞাপনের রেট পরিবর্তন করছে (আহা, এভাবে বছরে দু’বার বেতনের রেটটা বদলে গেলে কতই না আরাম হতো! 'বললেন, একজন সরকারি চাকরিজীবী)। অনুমান করা সহজ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল কাউন্সিল পর্যাপ্ত ত্যক্তবিরক্ত হয়েই এমন একটি বিজ্ঞপ্তি দিনের পর দিন প্রচার করেছে। কেবল গ্রামের সাধারণ মানুষই নয়, অনেক লেখাপড়া করেও (পড়ুন, সার্টিফিকেট গ্রহণ করেও) ডাক্তারি ডিগ্রির বহর ঠিকমতো ধরতে পারি না আমরা অনেকেই। কিছু চিকিৎসক অবিরাম এ সুযোগটিই গ্রহণ করছেন। শহর থেকে গ্রামে বা মফস্বল শহরে গিয়ে চিকিৎসাসেবা (পড়ুন, অর্থ উপার্জন) দিতে এসব ডিগ্রি-পদবি অনেক কাজ দেয়' এ কথাটা সাধারণদের চেয়ে অনেক ডাক্তার ভালো জানেন। ডিগ্রি, সেটা যদি বিদেশী পদবাচ্যের হয়, তবে আর পায় কে! বিদেশী ডিগ্রির বহর দেখলে অনেকেই আবার বেশি বেশি আস্থায় নিয়ে নেয় ডাক্তারদের। বিদেশী ডিগ্রি ছাড়াও যদি একের অধিক ডিগ্রি বা পদবি নামের সাথে যুক্ত হতে পারে, তাহলেও রোগী পেতে (পড়ুন, রোজগারে) সুবিধা। ফলে বিদেশী কিংবা বিদেশী না হলেও হরেক প্রকারের দেশী ডিগ্রি আর পদবি ব্যবহারের একটা প্রতিযোগিতা লক্ষণীয়। আবার ডিগ্রিবিহীন ডা: কদম আলীদের একাংশও মাঝে মাঝে ধৃত হচ্ছে মর্মে খবরে দেখা যায়।
আমাদের চিকিৎসকগণ আবশ্যিকভাবেই শিক্ষিত আর সচেতন শ্রেণীর মানুষ। সেই তাদেরকে এখন বিজ্ঞাপন দিয়ে সতর্ক করতে হচ্ছে। তাহলে বাকিদের অবস্থা কী হতে পারে! আমাদের ডাক্তারদের কেউ কেউ সাত থেকে দশ দিনের ট্রেনিংও নামের সাথে জোড়াতাড়া করতে চান- কী এক পাগলামি! দু-এক মাসের প্রশিক্ষণ হলে তো কথাই নেই। পদবির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে কোন সেমিনারে বিদেশ গেছেন তাও ভিজিটিং কার্ডে লেগে যাচ্ছে অবলীলায়। পিজিটি ডিগ্রির মাহাত্ম্য বোঝা দায়, কিন্তু মফস্বলের অনেক চিকিৎসকের নামের সাথে এটি দেখা যায়; যেমন আগে চোখে পড়তÑ বিএইচএস (আপার), বাংলাদেশ মেডিক্যাল সার্ভিস (আপার)। কাগজপত্র সাক্ষ্য দিচ্ছে, এ দেশে মেডিক্যাল সার্ভিসে আপার-লোয়ারের ধারণা কস্মিনকালেও ছিল না। পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা বলে কিছু একটা আছে, তার গুরুত্বও কম নয়। কিন্তু পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং নামের সাথে একদম যায় না। বিদেশীরা এসব দেখে হাসছে কেবল। সাইনবোর্ড, প্যাড, নেমপ্লেট, ভিজিটিং কার্ডÑ সর্বত্রই এই মশকারা প্রতিভাত। কালই গ্রিন রোড দিয়ে আসতে চোখে পড়ল, একজন মেডিসিনের প্রফেসরের (তিনি আবার মেডিসিন ফ্যাকাল্টির ডিন, সেটিরও জানান দেয়া হচ্ছে রোগী শিকারের সাইনবোর্ডে) সাইনবোর্ডের বাঁ দিকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম। খুব জোর দিয়েই বলছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহোদয় অনেক জ্ঞানীগুণী, কিন্তু তিনি কি সরকারের মনোগ্রাম ব্যবহার করবেন? উত্তর, অবশ্যই না। তাহলে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর সরকারের মনোগ্রাম ব্যবহার করছেন কাকে বিভ্রান্ত করতে? একটা উত্তর হতে পারে, তিনি দেখেননি, হয়তো কোনো ওষুধ কোম্পানি এটি বানিয়ে দিয়েছেন। কিংবা বানিয়েছেন কিনিকের মালিক। এটি কোনো কাজের কথা হতে পারে না। আমার ভিজিটিং কার্ড, আমার নামের সাইনবোর্ড আমি দেখব না কিংবা সেটি বানিয়ে আনার পরও আমার চোখে পড়বে নাÑ হতেই পারে না। ডাক্তার সাহেব অন্ধ না তো (জ্ঞানান্ধ তো হতেই পারে!)! এই হচ্ছে সমাজের উচ্চস্তরের একজন মানুষের মাত্রাজ্ঞান। তবে তার নামের পর দু-দুটো বিদেশী ডিগ্রি মেডিক্যাল কাউন্সিলের বিজ্ঞাপন মতে অনুমোদিত কি না তা বোঝা যায়নি। বস্তুত এ কথা জোর দিয়েই বলা যায়, মেডিক্যাল কাউন্সিলের বিজ্ঞাপনটি ডাক্তারদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করেনি। এ যাবৎ কারো ভিজিটিং কার্ড, প্যাড, সাইনবোর্ড বদলে গেছে খালি চোখে মালুম হয় না তা। বিএমডিসিকে হয়তো এ জন্য বড় কোনো অ্যাকশনে যেতে হবে। নৈরাজ্য দূর করতে এর কোনো বিকল্প নেই।
সর্বত্রই এই অবস্থা। শিক্ষক নামের পর ব্যবহার করছেন ফার্স্টকাস ফার্স্ট অথবা গোল্ড মেডালিস্ট। এতে বেশি বেশি ছাত্র পড়াতে সুবিধা হয়, না অর্থলাভে সুবিধা হয় বোঝা দায়। তবে এটি নামের পর, তা ভিজিটিং কার্ডই হোক বা সাইনবোর্ডই হোকÑ ব্যবহারের জন্য কোনো বিষয় হতে পারে না। শেষ অবধি ইউজিসি কিংবা শিক্ষা অধিদফতর থেকে বিজ্ঞাপন জারি করতে হবে কি না এখনো মালুম করা যাচ্ছে না (এখন মন্ত্রীর মর্যাদা পেয়ে সেটিরও জানান দিতে হয় ভিজিটিং কার্ডেÑ স্বনামধন্য শিক্ষকের কাণ্ড এটি। হায় হায়! )। সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করে কোনো কোনো এনজিও কর্মী সরকারের মনোগ্রাম ব্যবহার করছেÑ সম্পূর্ণ বেআইনি তা। আমাদের তিন বাহিনীর অফিসারেরা অবসরের পর তাদের পদবি ব্যবহার করেন। পৃথিবীর সর্বত্রই এটি স্বীকৃত। কিন্তু আগে সবাই পদটির পর ব্র্যাকেটে অবসর লিখতেন। এখন লিখছেন নামের শেষেÑ বিভ্রান্ত হই, কোনটি সঠিক সেটি ভেবে। একজন অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেনের বাসার গেটে নেমপ্লেটে ১৫ বছর ধরে ক্যাপ্টেন (অব:) দেখে আসছি। পরিচিতজনরা দায়িত্ব নিতে নারাজÑ সে বোধকরি পদোন্নতি পেয়ে ক্যাপ্টেন হয়েছেন বলেই। প্রশ্ন হচ্ছে, ভদ্রলোক না হয় পদোন্নতি কিংবা অনারারিই পেলেন, কিন্তু জীবনভর কী শিখলেন! তার বসরা কি কেউ ক্যাপ্টেন লিখেছেন কখনো?
এবার পেশাজীবীরা পিছিয়ে থাকবেন কোন দুঃখে? তারাও নামের পর ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ ব্যবহার করছেন। কার্ডে আরো কী সবÑ কে বলবে ইঞ্জিনিয়ার কিংবা কৃষিবিদ সমিতিকে আবার কবে বিজ্ঞাপন দিয়ে এসব ঠিক করে দিতে হয়! আমাদের কিছু পীরের নামের পর আবার কী সব লেখা হয় বোঝাই দায়। যা বেশির ভাগ মানুষ বুঝতে পারেন না, সেটি ব্যবহারের তাৎপর্য সেই তারাই বলতে পারবেন। একই অবস্থা গ্রাম্য-কবরেজদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মানলাম, তার অনেকটাই না বুঝে। কিন্তু আমাদের আইনজীবীদের হাতে কৌঁসুলি শব্দটার একদম বারোটা বেজে গেছে। বেশির ভাগই এটিকে চন্দবিন্দু ছাড়া (তাও হতে পারে) এবং ‘স’-এর বদলে ‘শ’ এবং দীর্ঘ-ঈ কার দিয়ে লিখছেন। বিএমডিসি যখন বিজ্ঞাপন দিয়ে ডিগ্রি কাটছাঁট করতে চাইছে, ঠিক সে রকম সময়ে নারায়ণগঞ্জে একজনের দেখা মিলেছে, যিনি বার এট ল করেও সেটি কোথাও লেখেন না। বছর বিশেক আগের ঘটনা। বাবার ইচ্ছেতে ঢাকা ছেড়ে যাদবপুর গেছেন ইংরেজি পড়তে। ভর্তির পর পঁয়ত্রিশ-চল্লিশজন শিক্ষকের কারো নেমপ্লেটে নামের আগে ড. না দেখে মনটন খারাপ হয়ে গেলÑ তখন ঢাবির ইংরেজি বিভাগে ছয়-সাতজন ডক্টরেটধারী পড়াচ্ছেন। শেষ অবধি বিভাগের অফিসে খোঁজ নিতেই হলো। বিভাগের কেরানি জানালেন, সাঁইত্রিশ শিক্ষকের চৌত্রিশজনই পিএইচডিধারী; তাই কেউ আর লিখছেন না, আর বাকিরা তখনো বেশ জুনিয়র।
নৈরাজ্য, না অবহেলা, না উপেক্ষা জানি নাÑ বানান নিয়ে তুলকালাম ব্যাপার। সরকার বলছে, এখন বাংলা একাডেমির বানানরীতি অনুসরণ করতে হবে। কিন্তু সরকারি দফতরগুলোই সেটি যথাযথভাবে অনুসরণ করছে না। পিএসসির সামনে এখনো বিশালাকৃতির সাইনবোর্ড জানান দিচ্ছে, ‘সরকারি’ নয়, ‘সরকারী’। চিঠিপত্রে সরকারি ব্যবহৃত হলেও একই চিঠিতে বিভিন্ন আইনের উল্লেখে লিখতে হচ্ছে ‘সরকারী’Ñ হয়তো এটাই অতি দরকারি; কারণ আইনে বর্ণিত শব্দাবলির বানান বদলায় কার সাধ্য! সরকারি ঘোষণার পরও সংবিধানের বাংলা ভাষ্যের প্রমিত বানান নিয়েও সবাই নির্বিকার। টেক্সট বুক বোর্ডের বইয়ে প্রমিত বানানরীতি ব্যবহারের কথা আছে। হচ্ছে না। বরং একই শব্দের বানান একাধিক ঢঙে আছে। ছেলেমেয়েরা কোনটি লিখবে? কোনো কোনো পত্রিকা নিজেদের উদ্ভাবিত বানানরীতি চালু করেও ছেলেমেয়েদের বিপাকে ফেলেছে। সকালে বাসায় কাগজে পড়ছে, ‘বুদ্ধিজিবি’। স্কুলে গিয়ে শিখছে ‘বুদ্ধিজীবী’। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসের চিঠিতে কেবল সাধু-চলিতের মিশ্রণই নয়, নানা প্রকারের ভুলে আকীর্ণ থাকে। এখন নেই, ছিলেন; একজন মুখ্যসচিবের একটি আধা সরকারি পত্রে গোটা সাতেক লাল রঙের দাগ পড়েছিল। আবার মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে লেখা হচ্ছে মূখ্য সচিব। খ-এর ওপর একটা রেফ দিলেই সর্বনাশটা হতে বাকি থাকত না (নাকি, জুনিয়ররা ভুলেভালে মূর্খই লিখতে চাইছে। ছি:! সেটা হয় কী করে!) শিক্ষকদের ভুল বানানও ছাত্রছাত্রীদের কম উচিত শিক্ষা দিচ্ছে না। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কেবল অধ্যক্ষের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হতে পারেনি। তবে অধিভূক্ত হতে পেরেছে ( দেখুন, সাম্প্রতিক সময়ের দু-দুটো সাইনবোর্ড)। বালিকা উচ্চবিদ্যালয়কে এই রাজধানীতেও উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় লিখতে দেখা যায়। গরু খাঁটি, নাকি দুধ খাঁটি সেটি নিয়ে কথা হওয়ার মতোই ব্যাপার।
জরুরি আইনের সময়ে এক মেজরের এক পৃষ্ঠার চিঠিতে তেরটি বানান ভুল। সিও’র দৃষ্টি আকর্ষণের পর সেটি ফিরিয়ে দিতে হয়েছে কোনো এক ডিসিকে। কাউকে না জানানোর অনুরোধও ছিল। পরে দেখা গেল, সার্কিট হাউজে সব ফৌজির টেবিলে বাংলা একাডেমির অভিধান শোভা পাচ্ছে। বলা বাহুল্য, শোনা গল্প এটি। এখনকার আধুনিক ছেলেমেয়েরা বেশ সচেতন। কিন্তু তিন-চার বছর আগের আইনেও বানান ভুল মিলবে হরহামেশা। অথচ এই আইনটি কত হাত হয়েই না আমজনতার হাতে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীকে প্রেরিত সারসংক্ষেপেও ভুল বানানের অস্তিত্ব বিদ্যমান; যদিও উঁচু আমলার হাত হয়েই এটি যাচ্ছে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিয়ে কতই না কী ঘটল! কাগজে অনুরোধও করতে দেখা গেছে অনেকবার। এখন ঠিকঠাকই লেখা হচ্ছেÑ কেবল রাস্তার সস্তা রাজনৈতিক পোস্টার ব্যতিরেকে। এসব পোস্টারের বানান আর ভাষাশৈলী সত্যিই আলোচনার দাবি রাখে।
হ্রস্ব ই-কার আর দীর্ঘ ঈ-কারের বিবাদ মিটতে সময় লাগবে হয়তো। কিন্তু হ্রস্ব উ-কার আর দীর্ঘ ঊ-কারের বিবাদও মিটছে না। সড়ক বিভাগের সাইনবোর্ডে দুর্ঘটনা যেন ঘটিয়েই দিচ্ছে। অনেক দামি এসব সতর্কবার্তায় কী করে দীর্ঘ ঊ-কার হলো বোঝা দায়। হালে অগ্নিনির্বাপণ দফতর দুর্যোগ আর দুর্ঘটনার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। যতটা মনে হয়, এই দফতরের প্রধান একজন মেজর জেনারেলÑ তার চোখেও কি দূর্যোগ-দূর্ঘটনা চোখে পড়ে না? অথচ দ-এ দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে শব্দ আছে সর্বমোট নয়-দশটি। দূর-দূরত্ব (দূর অর্থের সবগুলো), দূত-দূতিয়াল, দূরবীন ( দুরবিনও হতে পারে), দূর্বা, দূষক-দূষণ, দূন, দূরীকরণ বাদে দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে শব্দ পাওয়া ভার। কিন্তু অনেকেই দূর্নীতি, দূর্ভিক্ষ, দূর্যোগ, দূর্ঘটনা, দূর্ভাগ্য, দূর্বোধ্যকে আসলেই দুর্বোধ্য করে তুলছেন। নৌবাহিনীর প্রধান দফতরের সাইনবোর্ডটিতে দূ, নাকি দুÑ তা অনেকেরই বিভ্রান্তির কারণ। লেখার ধরনটাই এমন যে রাতে এক রকমের মনে হয়, দিনে অন্য রকমের। আমাদের অফিসে, হাসপাতালেÑ সর্বত্র নেমপ্লেট-সাইনবোর্ডে ভুল বানান এবং শব্দের অপপ্রয়োগের দশা দেখলে দিশেহারা হওয়া ছাড়া উপায় নেই। মনে হতে পারে, নিজের জানাটাই হয়তো ভুল।
অনেক শিক্ষিত মানুষও (পড়তে হবে, ডিগ্রিধারী) ণত্ব-বিধি মানতে নারাজ। সরকারি দফতরেও এই প্রবণতা আছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক হয়তো বা। কিন্তু তার চেয়ে বেশি হচ্ছে, অজ্ঞতা। রেফ, হসন্ত, বিসর্গ, হস্-চিহ্ন, ঊর্ধ্ব-কমা ব্যবহারে উদাসীনতার চেয়ে না জানার চেষ্টা কিংবা অজ্ঞতাকেই দায়ী করা শ্রেয়। এসব ব্যাপারে বাংলা একাডেমির নির্দেশনা এক-দু’বার দেখে নিলেই হয়। যদিও বাংলা একাডেমির অভিধানই নানা ভুলে ভরপুর; বিশেষত, একেক সংস্করণে একেক রকমের বানানের উদাহরণ এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য (যেমনÑ দেশি এবং দেশী)। শহরের সাইনবোর্ডগুলোতে চন্দবিন্দুর এক মরণপণ দশা। সিঁড়ি, উঁচু, দাঁত, ফাঁড়ি, রেস্তরাঁ এসবে কোথাও কোথাও চন্দ্রবিন্দু চোখে পড়লেও সেটি কোন অক্ষরের ওপর দেয়া হচ্ছে তা বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে। মানে চন্দ্রবিন্দুর বারোটা বাজিয়ে সাইনবোর্ডে শোভা পাচ্ছে রেস্তঁরা কিংবা সিড়িঁ।
ইংরেজি এস এবং টি যুক্তাক্ষর হলে তার বাংলা রূপ নিয়ে সহজ সমাধানটি আমরা আজো রপ্ত করিনি। শহরের সাইনবোর্ডে স্টেশন, পোস্ট, রেস্টুরেন্টের বানানে এখনো ‘ষ্ট’ দেখা যায়। বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট আর ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের দু’টি বিশালাকৃতির সাইনবোর্ড একদম পাশাপাশি। এ দু’টি প্রতিষ্ঠানের কর্তারা অনেক মোটা মোটা বই পড়েছেন, ভাবতেও ভালো লাগে তা। কিন্তু একটিতে ঠিকই ‘ইনষ্টিটিউট’ লেখা হয়েছে। রাজধানীর পুলিশি চেকপোস্টের সবগুলোই চেকপোষ্ট। শুনেছি, কমিশনারের অঙ্গুলি হেলনে তাঁর অধস্তনরা নিমিষেই অনেক কিছু ঘটিয়ে দিতে পারে। কিন্তু ফাড়িও ফাঁড়ি হচ্ছে না, চেকপোষ্টও চেকপোস্ট হচ্ছে না; সময় কোথায় এসবের জন্য। কে যেন বলেছেন, সময় কই, সময় নষ্ট করার? যতিচিহ্নের ব্যবহারেও যুক্তি আর নিয়মের চেয়ে ইচ্ছেতন্ত্র কাজ করছে; সে অবশ্য ভিন্ন এক অধ্যায়।
ড্যাস আর হাইফেনের ব্যবহারেও বিভ্রাট বিস্তর নয়, বরং অন্তহীন। ভালোই, আমাদের কম্পিউটারের কি-বোর্ডে ড্যাস দিতে গেলে আন্ডার স্কোর হয়ে যায়, অতএব ইংরেজিতে ঝামেলা নেই। কিন্তু, বাংলায়! এ দুটোর ব্যবহারে সতর্ক এবং অবহিত না থাকলে একটি বাক্যের অর্থেরই তারতম্য হয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দিকে শব্দের প্রয়োগ নিয়ে কত যে বিচিত্র চিত্র তা আর বলার নয়। এর উদাহরণ বিস্তর। সরকারি চিঠির তারিখে ইংরেজি আর বাংলা সাল নির্দেশ করে। কথা হচ্ছে, বাংলা, ইংরেজি কিংবা আরবি সাল বলে কিছু নেই বলেই জ্ঞানীদের দীর্ঘ দিনের ফতোয়া। কোথাও আবার সরণি স্বরনী হয়ে গেছে। একদল আছেন, যারা কর্মসূচি (সূচীতে আপত্তি নেই), শ্রেণি ( শ্রেণীও হতে পারে), দুর্বিপাক, ব্যতীত, দুরন্তকে যথাক্রমে কর্মসুচি-কর্মসুচী, শ্রেনি-শ্রেনী, দূর্বিপাক, ব্যতিত, দূরন্ত লিখে বলবে, বলবেন নাÑ বছর বছর ডিকশনারি চেঞ্জ হচ্ছে। কিন্তু বিশ বছর আগের অভিধানেও সূচির বদলে সুচি, শ্রেণির বদলে শ্রেনি, দুর্বিপাকের বদলে দূর্বিপাক, ব্যতীতের বদলে ব্যতিত, দুরন্তের বদলে দূরন্ত ছিল না। বানানে উদাসীন আর জ্ঞানপাপীরা এভাবেই কুযুক্তি দাঁড় করিয়ে দিতে পারে অহরহ। এতে ক্ষতি হচ্ছে ছেলেমেয়েদের, যারা কেবল শিখছে এখন।
একজন মাননীয় বলেছেন, সাইনবোর্ডের মিশ্র বানানরীতি ঠিক করা হবে। খুবই ভালো কথা। মন্ত্রীর কথায় আস্থা রাখতেই হবে। আমাদের সাইনবোর্ডগুলোর বানান আর ভাষার যে ছিরি! এখন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ফ্রেন্ডস ফ্রাই হয়ে আছে। গাড়িতে আবেদিত শব্দটি কে ব্যবহার শুরু করল তা জানতে ইচ্ছে হয়। অনেক নতুন শব্দের ব্যবহার দেখা যায়, কিন্তু অ্যাপ্লাইড ফর রেজিস্ট্রেশনকে কিভাবে আবেদিত বলা হলো বোধগম্য নয়Ñ এ রকম কোনো শব্দই খুঁজে পাওয়া যায় না। বড়জোর আবেদনকৃত বলা যায়, যদিও শ্রেয় হচ্ছে ‘আবেদন করা হয়েছে’ লিখলে। সাইনবোর্ডের মিশ্র ভাষার নিরাকরণ কী করে হবে কঠিন প্রশ্ন। প্রচলিত শব্দের ওপর মাতব্বরি সহজসাধ্য কাজ হবে না। পশ্চিমবঙ্গের সল্টলেকে বড়ই বিসদৃশ লাগে, ‘কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশ বল’ দেখে। সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের এমন বাংলা অনুবাদ মোটেই সুখপ্রদ নয়, নয় সুখপাঠ্য। কর্মকর্তার বদলে অধিকর্তা, আধিকারক কিংবা একান্ত সচিবের স্থলে আপ্ত-সচিবও ভালো যায় না। অধিদফতরের বদলে নিগমও খুব ভালো লাগবে না।
আমাদের সেক্রেটারিয়েটের প্রতিশব্দ সচিবালয়ই অনেক ভালো, মহাকরণ কারোরই ভালো লাগবে না। একান্ত সচিবকেও আপ্ত-সচিব মানবেন না কোনো মাননীয়। আমরা কেউই কারওর লিখছি না, লিখি কারোর কিংবা কারওÑ দেশ কিংবা আনন্দবাজার গ্রুপের বানানরীতি আমাদের কাজ নয়। আমাদের সাইনবোর্ডের ভুল বানান শুধরে দেয়ার কর্মসূচি সহজ হতে পারে। কিন্তু প্রচলিত এবং বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি-আরবি শব্দের অযথা প্রতিশব্দ খোঁজা কঠিনই হবে। তবে যুৎসই প্রতিশব্দে আবার কারো আপত্তি যথাসমীচীন হবে না। যদিও পরিভাষা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে এখনো বিতর্ক আছে।
আমাদের চিকিৎসকগণ আবশ্যিকভাবেই শিক্ষিত আর সচেতন শ্রেণীর মানুষ। সেই তাদেরকে এখন বিজ্ঞাপন দিয়ে সতর্ক করতে হচ্ছে। তাহলে বাকিদের অবস্থা কী হতে পারে! আমাদের ডাক্তারদের কেউ কেউ সাত থেকে দশ দিনের ট্রেনিংও নামের সাথে জোড়াতাড়া করতে চান- কী এক পাগলামি! দু-এক মাসের প্রশিক্ষণ হলে তো কথাই নেই। পদবির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে কোন সেমিনারে বিদেশ গেছেন তাও ভিজিটিং কার্ডে লেগে যাচ্ছে অবলীলায়। পিজিটি ডিগ্রির মাহাত্ম্য বোঝা দায়, কিন্তু মফস্বলের অনেক চিকিৎসকের নামের সাথে এটি দেখা যায়; যেমন আগে চোখে পড়তÑ বিএইচএস (আপার), বাংলাদেশ মেডিক্যাল সার্ভিস (আপার)। কাগজপত্র সাক্ষ্য দিচ্ছে, এ দেশে মেডিক্যাল সার্ভিসে আপার-লোয়ারের ধারণা কস্মিনকালেও ছিল না। পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা বলে কিছু একটা আছে, তার গুরুত্বও কম নয়। কিন্তু পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং নামের সাথে একদম যায় না। বিদেশীরা এসব দেখে হাসছে কেবল। সাইনবোর্ড, প্যাড, নেমপ্লেট, ভিজিটিং কার্ডÑ সর্বত্রই এই মশকারা প্রতিভাত। কালই গ্রিন রোড দিয়ে আসতে চোখে পড়ল, একজন মেডিসিনের প্রফেসরের (তিনি আবার মেডিসিন ফ্যাকাল্টির ডিন, সেটিরও জানান দেয়া হচ্ছে রোগী শিকারের সাইনবোর্ডে) সাইনবোর্ডের বাঁ দিকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম। খুব জোর দিয়েই বলছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহোদয় অনেক জ্ঞানীগুণী, কিন্তু তিনি কি সরকারের মনোগ্রাম ব্যবহার করবেন? উত্তর, অবশ্যই না। তাহলে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর সরকারের মনোগ্রাম ব্যবহার করছেন কাকে বিভ্রান্ত করতে? একটা উত্তর হতে পারে, তিনি দেখেননি, হয়তো কোনো ওষুধ কোম্পানি এটি বানিয়ে দিয়েছেন। কিংবা বানিয়েছেন কিনিকের মালিক। এটি কোনো কাজের কথা হতে পারে না। আমার ভিজিটিং কার্ড, আমার নামের সাইনবোর্ড আমি দেখব না কিংবা সেটি বানিয়ে আনার পরও আমার চোখে পড়বে নাÑ হতেই পারে না। ডাক্তার সাহেব অন্ধ না তো (জ্ঞানান্ধ তো হতেই পারে!)! এই হচ্ছে সমাজের উচ্চস্তরের একজন মানুষের মাত্রাজ্ঞান। তবে তার নামের পর দু-দুটো বিদেশী ডিগ্রি মেডিক্যাল কাউন্সিলের বিজ্ঞাপন মতে অনুমোদিত কি না তা বোঝা যায়নি। বস্তুত এ কথা জোর দিয়েই বলা যায়, মেডিক্যাল কাউন্সিলের বিজ্ঞাপনটি ডাক্তারদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করেনি। এ যাবৎ কারো ভিজিটিং কার্ড, প্যাড, সাইনবোর্ড বদলে গেছে খালি চোখে মালুম হয় না তা। বিএমডিসিকে হয়তো এ জন্য বড় কোনো অ্যাকশনে যেতে হবে। নৈরাজ্য দূর করতে এর কোনো বিকল্প নেই।
সর্বত্রই এই অবস্থা। শিক্ষক নামের পর ব্যবহার করছেন ফার্স্টকাস ফার্স্ট অথবা গোল্ড মেডালিস্ট। এতে বেশি বেশি ছাত্র পড়াতে সুবিধা হয়, না অর্থলাভে সুবিধা হয় বোঝা দায়। তবে এটি নামের পর, তা ভিজিটিং কার্ডই হোক বা সাইনবোর্ডই হোকÑ ব্যবহারের জন্য কোনো বিষয় হতে পারে না। শেষ অবধি ইউজিসি কিংবা শিক্ষা অধিদফতর থেকে বিজ্ঞাপন জারি করতে হবে কি না এখনো মালুম করা যাচ্ছে না (এখন মন্ত্রীর মর্যাদা পেয়ে সেটিরও জানান দিতে হয় ভিজিটিং কার্ডেÑ স্বনামধন্য শিক্ষকের কাণ্ড এটি। হায় হায়! )। সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করে কোনো কোনো এনজিও কর্মী সরকারের মনোগ্রাম ব্যবহার করছেÑ সম্পূর্ণ বেআইনি তা। আমাদের তিন বাহিনীর অফিসারেরা অবসরের পর তাদের পদবি ব্যবহার করেন। পৃথিবীর সর্বত্রই এটি স্বীকৃত। কিন্তু আগে সবাই পদটির পর ব্র্যাকেটে অবসর লিখতেন। এখন লিখছেন নামের শেষেÑ বিভ্রান্ত হই, কোনটি সঠিক সেটি ভেবে। একজন অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেনের বাসার গেটে নেমপ্লেটে ১৫ বছর ধরে ক্যাপ্টেন (অব:) দেখে আসছি। পরিচিতজনরা দায়িত্ব নিতে নারাজÑ সে বোধকরি পদোন্নতি পেয়ে ক্যাপ্টেন হয়েছেন বলেই। প্রশ্ন হচ্ছে, ভদ্রলোক না হয় পদোন্নতি কিংবা অনারারিই পেলেন, কিন্তু জীবনভর কী শিখলেন! তার বসরা কি কেউ ক্যাপ্টেন লিখেছেন কখনো?
এবার পেশাজীবীরা পিছিয়ে থাকবেন কোন দুঃখে? তারাও নামের পর ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ ব্যবহার করছেন। কার্ডে আরো কী সবÑ কে বলবে ইঞ্জিনিয়ার কিংবা কৃষিবিদ সমিতিকে আবার কবে বিজ্ঞাপন দিয়ে এসব ঠিক করে দিতে হয়! আমাদের কিছু পীরের নামের পর আবার কী সব লেখা হয় বোঝাই দায়। যা বেশির ভাগ মানুষ বুঝতে পারেন না, সেটি ব্যবহারের তাৎপর্য সেই তারাই বলতে পারবেন। একই অবস্থা গ্রাম্য-কবরেজদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মানলাম, তার অনেকটাই না বুঝে। কিন্তু আমাদের আইনজীবীদের হাতে কৌঁসুলি শব্দটার একদম বারোটা বেজে গেছে। বেশির ভাগই এটিকে চন্দবিন্দু ছাড়া (তাও হতে পারে) এবং ‘স’-এর বদলে ‘শ’ এবং দীর্ঘ-ঈ কার দিয়ে লিখছেন। বিএমডিসি যখন বিজ্ঞাপন দিয়ে ডিগ্রি কাটছাঁট করতে চাইছে, ঠিক সে রকম সময়ে নারায়ণগঞ্জে একজনের দেখা মিলেছে, যিনি বার এট ল করেও সেটি কোথাও লেখেন না। বছর বিশেক আগের ঘটনা। বাবার ইচ্ছেতে ঢাকা ছেড়ে যাদবপুর গেছেন ইংরেজি পড়তে। ভর্তির পর পঁয়ত্রিশ-চল্লিশজন শিক্ষকের কারো নেমপ্লেটে নামের আগে ড. না দেখে মনটন খারাপ হয়ে গেলÑ তখন ঢাবির ইংরেজি বিভাগে ছয়-সাতজন ডক্টরেটধারী পড়াচ্ছেন। শেষ অবধি বিভাগের অফিসে খোঁজ নিতেই হলো। বিভাগের কেরানি জানালেন, সাঁইত্রিশ শিক্ষকের চৌত্রিশজনই পিএইচডিধারী; তাই কেউ আর লিখছেন না, আর বাকিরা তখনো বেশ জুনিয়র।
নৈরাজ্য, না অবহেলা, না উপেক্ষা জানি নাÑ বানান নিয়ে তুলকালাম ব্যাপার। সরকার বলছে, এখন বাংলা একাডেমির বানানরীতি অনুসরণ করতে হবে। কিন্তু সরকারি দফতরগুলোই সেটি যথাযথভাবে অনুসরণ করছে না। পিএসসির সামনে এখনো বিশালাকৃতির সাইনবোর্ড জানান দিচ্ছে, ‘সরকারি’ নয়, ‘সরকারী’। চিঠিপত্রে সরকারি ব্যবহৃত হলেও একই চিঠিতে বিভিন্ন আইনের উল্লেখে লিখতে হচ্ছে ‘সরকারী’Ñ হয়তো এটাই অতি দরকারি; কারণ আইনে বর্ণিত শব্দাবলির বানান বদলায় কার সাধ্য! সরকারি ঘোষণার পরও সংবিধানের বাংলা ভাষ্যের প্রমিত বানান নিয়েও সবাই নির্বিকার। টেক্সট বুক বোর্ডের বইয়ে প্রমিত বানানরীতি ব্যবহারের কথা আছে। হচ্ছে না। বরং একই শব্দের বানান একাধিক ঢঙে আছে। ছেলেমেয়েরা কোনটি লিখবে? কোনো কোনো পত্রিকা নিজেদের উদ্ভাবিত বানানরীতি চালু করেও ছেলেমেয়েদের বিপাকে ফেলেছে। সকালে বাসায় কাগজে পড়ছে, ‘বুদ্ধিজিবি’। স্কুলে গিয়ে শিখছে ‘বুদ্ধিজীবী’। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসের চিঠিতে কেবল সাধু-চলিতের মিশ্রণই নয়, নানা প্রকারের ভুলে আকীর্ণ থাকে। এখন নেই, ছিলেন; একজন মুখ্যসচিবের একটি আধা সরকারি পত্রে গোটা সাতেক লাল রঙের দাগ পড়েছিল। আবার মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে লেখা হচ্ছে মূখ্য সচিব। খ-এর ওপর একটা রেফ দিলেই সর্বনাশটা হতে বাকি থাকত না (নাকি, জুনিয়ররা ভুলেভালে মূর্খই লিখতে চাইছে। ছি:! সেটা হয় কী করে!) শিক্ষকদের ভুল বানানও ছাত্রছাত্রীদের কম উচিত শিক্ষা দিচ্ছে না। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কেবল অধ্যক্ষের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হতে পারেনি। তবে অধিভূক্ত হতে পেরেছে ( দেখুন, সাম্প্রতিক সময়ের দু-দুটো সাইনবোর্ড)। বালিকা উচ্চবিদ্যালয়কে এই রাজধানীতেও উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় লিখতে দেখা যায়। গরু খাঁটি, নাকি দুধ খাঁটি সেটি নিয়ে কথা হওয়ার মতোই ব্যাপার।
জরুরি আইনের সময়ে এক মেজরের এক পৃষ্ঠার চিঠিতে তেরটি বানান ভুল। সিও’র দৃষ্টি আকর্ষণের পর সেটি ফিরিয়ে দিতে হয়েছে কোনো এক ডিসিকে। কাউকে না জানানোর অনুরোধও ছিল। পরে দেখা গেল, সার্কিট হাউজে সব ফৌজির টেবিলে বাংলা একাডেমির অভিধান শোভা পাচ্ছে। বলা বাহুল্য, শোনা গল্প এটি। এখনকার আধুনিক ছেলেমেয়েরা বেশ সচেতন। কিন্তু তিন-চার বছর আগের আইনেও বানান ভুল মিলবে হরহামেশা। অথচ এই আইনটি কত হাত হয়েই না আমজনতার হাতে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীকে প্রেরিত সারসংক্ষেপেও ভুল বানানের অস্তিত্ব বিদ্যমান; যদিও উঁচু আমলার হাত হয়েই এটি যাচ্ছে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিয়ে কতই না কী ঘটল! কাগজে অনুরোধও করতে দেখা গেছে অনেকবার। এখন ঠিকঠাকই লেখা হচ্ছেÑ কেবল রাস্তার সস্তা রাজনৈতিক পোস্টার ব্যতিরেকে। এসব পোস্টারের বানান আর ভাষাশৈলী সত্যিই আলোচনার দাবি রাখে।
হ্রস্ব ই-কার আর দীর্ঘ ঈ-কারের বিবাদ মিটতে সময় লাগবে হয়তো। কিন্তু হ্রস্ব উ-কার আর দীর্ঘ ঊ-কারের বিবাদও মিটছে না। সড়ক বিভাগের সাইনবোর্ডে দুর্ঘটনা যেন ঘটিয়েই দিচ্ছে। অনেক দামি এসব সতর্কবার্তায় কী করে দীর্ঘ ঊ-কার হলো বোঝা দায়। হালে অগ্নিনির্বাপণ দফতর দুর্যোগ আর দুর্ঘটনার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। যতটা মনে হয়, এই দফতরের প্রধান একজন মেজর জেনারেলÑ তার চোখেও কি দূর্যোগ-দূর্ঘটনা চোখে পড়ে না? অথচ দ-এ দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে শব্দ আছে সর্বমোট নয়-দশটি। দূর-দূরত্ব (দূর অর্থের সবগুলো), দূত-দূতিয়াল, দূরবীন ( দুরবিনও হতে পারে), দূর্বা, দূষক-দূষণ, দূন, দূরীকরণ বাদে দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে শব্দ পাওয়া ভার। কিন্তু অনেকেই দূর্নীতি, দূর্ভিক্ষ, দূর্যোগ, দূর্ঘটনা, দূর্ভাগ্য, দূর্বোধ্যকে আসলেই দুর্বোধ্য করে তুলছেন। নৌবাহিনীর প্রধান দফতরের সাইনবোর্ডটিতে দূ, নাকি দুÑ তা অনেকেরই বিভ্রান্তির কারণ। লেখার ধরনটাই এমন যে রাতে এক রকমের মনে হয়, দিনে অন্য রকমের। আমাদের অফিসে, হাসপাতালেÑ সর্বত্র নেমপ্লেট-সাইনবোর্ডে ভুল বানান এবং শব্দের অপপ্রয়োগের দশা দেখলে দিশেহারা হওয়া ছাড়া উপায় নেই। মনে হতে পারে, নিজের জানাটাই হয়তো ভুল।
অনেক শিক্ষিত মানুষও (পড়তে হবে, ডিগ্রিধারী) ণত্ব-বিধি মানতে নারাজ। সরকারি দফতরেও এই প্রবণতা আছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক হয়তো বা। কিন্তু তার চেয়ে বেশি হচ্ছে, অজ্ঞতা। রেফ, হসন্ত, বিসর্গ, হস্-চিহ্ন, ঊর্ধ্ব-কমা ব্যবহারে উদাসীনতার চেয়ে না জানার চেষ্টা কিংবা অজ্ঞতাকেই দায়ী করা শ্রেয়। এসব ব্যাপারে বাংলা একাডেমির নির্দেশনা এক-দু’বার দেখে নিলেই হয়। যদিও বাংলা একাডেমির অভিধানই নানা ভুলে ভরপুর; বিশেষত, একেক সংস্করণে একেক রকমের বানানের উদাহরণ এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য (যেমনÑ দেশি এবং দেশী)। শহরের সাইনবোর্ডগুলোতে চন্দবিন্দুর এক মরণপণ দশা। সিঁড়ি, উঁচু, দাঁত, ফাঁড়ি, রেস্তরাঁ এসবে কোথাও কোথাও চন্দ্রবিন্দু চোখে পড়লেও সেটি কোন অক্ষরের ওপর দেয়া হচ্ছে তা বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে। মানে চন্দ্রবিন্দুর বারোটা বাজিয়ে সাইনবোর্ডে শোভা পাচ্ছে রেস্তঁরা কিংবা সিড়িঁ।
ইংরেজি এস এবং টি যুক্তাক্ষর হলে তার বাংলা রূপ নিয়ে সহজ সমাধানটি আমরা আজো রপ্ত করিনি। শহরের সাইনবোর্ডে স্টেশন, পোস্ট, রেস্টুরেন্টের বানানে এখনো ‘ষ্ট’ দেখা যায়। বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট আর ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের দু’টি বিশালাকৃতির সাইনবোর্ড একদম পাশাপাশি। এ দু’টি প্রতিষ্ঠানের কর্তারা অনেক মোটা মোটা বই পড়েছেন, ভাবতেও ভালো লাগে তা। কিন্তু একটিতে ঠিকই ‘ইনষ্টিটিউট’ লেখা হয়েছে। রাজধানীর পুলিশি চেকপোস্টের সবগুলোই চেকপোষ্ট। শুনেছি, কমিশনারের অঙ্গুলি হেলনে তাঁর অধস্তনরা নিমিষেই অনেক কিছু ঘটিয়ে দিতে পারে। কিন্তু ফাড়িও ফাঁড়ি হচ্ছে না, চেকপোষ্টও চেকপোস্ট হচ্ছে না; সময় কোথায় এসবের জন্য। কে যেন বলেছেন, সময় কই, সময় নষ্ট করার? যতিচিহ্নের ব্যবহারেও যুক্তি আর নিয়মের চেয়ে ইচ্ছেতন্ত্র কাজ করছে; সে অবশ্য ভিন্ন এক অধ্যায়।
ড্যাস আর হাইফেনের ব্যবহারেও বিভ্রাট বিস্তর নয়, বরং অন্তহীন। ভালোই, আমাদের কম্পিউটারের কি-বোর্ডে ড্যাস দিতে গেলে আন্ডার স্কোর হয়ে যায়, অতএব ইংরেজিতে ঝামেলা নেই। কিন্তু, বাংলায়! এ দুটোর ব্যবহারে সতর্ক এবং অবহিত না থাকলে একটি বাক্যের অর্থেরই তারতম্য হয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দিকে শব্দের প্রয়োগ নিয়ে কত যে বিচিত্র চিত্র তা আর বলার নয়। এর উদাহরণ বিস্তর। সরকারি চিঠির তারিখে ইংরেজি আর বাংলা সাল নির্দেশ করে। কথা হচ্ছে, বাংলা, ইংরেজি কিংবা আরবি সাল বলে কিছু নেই বলেই জ্ঞানীদের দীর্ঘ দিনের ফতোয়া। কোথাও আবার সরণি স্বরনী হয়ে গেছে। একদল আছেন, যারা কর্মসূচি (সূচীতে আপত্তি নেই), শ্রেণি ( শ্রেণীও হতে পারে), দুর্বিপাক, ব্যতীত, দুরন্তকে যথাক্রমে কর্মসুচি-কর্মসুচী, শ্রেনি-শ্রেনী, দূর্বিপাক, ব্যতিত, দূরন্ত লিখে বলবে, বলবেন নাÑ বছর বছর ডিকশনারি চেঞ্জ হচ্ছে। কিন্তু বিশ বছর আগের অভিধানেও সূচির বদলে সুচি, শ্রেণির বদলে শ্রেনি, দুর্বিপাকের বদলে দূর্বিপাক, ব্যতীতের বদলে ব্যতিত, দুরন্তের বদলে দূরন্ত ছিল না। বানানে উদাসীন আর জ্ঞানপাপীরা এভাবেই কুযুক্তি দাঁড় করিয়ে দিতে পারে অহরহ। এতে ক্ষতি হচ্ছে ছেলেমেয়েদের, যারা কেবল শিখছে এখন।
একজন মাননীয় বলেছেন, সাইনবোর্ডের মিশ্র বানানরীতি ঠিক করা হবে। খুবই ভালো কথা। মন্ত্রীর কথায় আস্থা রাখতেই হবে। আমাদের সাইনবোর্ডগুলোর বানান আর ভাষার যে ছিরি! এখন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ফ্রেন্ডস ফ্রাই হয়ে আছে। গাড়িতে আবেদিত শব্দটি কে ব্যবহার শুরু করল তা জানতে ইচ্ছে হয়। অনেক নতুন শব্দের ব্যবহার দেখা যায়, কিন্তু অ্যাপ্লাইড ফর রেজিস্ট্রেশনকে কিভাবে আবেদিত বলা হলো বোধগম্য নয়Ñ এ রকম কোনো শব্দই খুঁজে পাওয়া যায় না। বড়জোর আবেদনকৃত বলা যায়, যদিও শ্রেয় হচ্ছে ‘আবেদন করা হয়েছে’ লিখলে। সাইনবোর্ডের মিশ্র ভাষার নিরাকরণ কী করে হবে কঠিন প্রশ্ন। প্রচলিত শব্দের ওপর মাতব্বরি সহজসাধ্য কাজ হবে না। পশ্চিমবঙ্গের সল্টলেকে বড়ই বিসদৃশ লাগে, ‘কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশ বল’ দেখে। সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের এমন বাংলা অনুবাদ মোটেই সুখপ্রদ নয়, নয় সুখপাঠ্য। কর্মকর্তার বদলে অধিকর্তা, আধিকারক কিংবা একান্ত সচিবের স্থলে আপ্ত-সচিবও ভালো যায় না। অধিদফতরের বদলে নিগমও খুব ভালো লাগবে না।
আমাদের সেক্রেটারিয়েটের প্রতিশব্দ সচিবালয়ই অনেক ভালো, মহাকরণ কারোরই ভালো লাগবে না। একান্ত সচিবকেও আপ্ত-সচিব মানবেন না কোনো মাননীয়। আমরা কেউই কারওর লিখছি না, লিখি কারোর কিংবা কারওÑ দেশ কিংবা আনন্দবাজার গ্রুপের বানানরীতি আমাদের কাজ নয়। আমাদের সাইনবোর্ডের ভুল বানান শুধরে দেয়ার কর্মসূচি সহজ হতে পারে। কিন্তু প্রচলিত এবং বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি-আরবি শব্দের অযথা প্রতিশব্দ খোঁজা কঠিনই হবে। তবে যুৎসই প্রতিশব্দে আবার কারো আপত্তি যথাসমীচীন হবে না। যদিও পরিভাষা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে এখনো বিতর্ক আছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
October
(1240)
-
▼
Oct 11
(58)
- ইবোলায় মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে -ডব্লিউএইচও...
- আইএসের দখলে কোবানির কুর্দি সদর দফতর
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাত্মক ধর্মঘট ঘোষণা
- বাংলাদেশে যেভাবে ব্যাংক ডাকাতি হয়
- হুদ হুদের পরের ঘুর্ণিঝড়টির নাম নিলুফার by হামিম উল...
- আন্দোলন মোকাবেলায় নতুন কৌশল by জাকির হোসেন লিটন
- শাবকের সাথে বেবুন মায়ের মানবখেলা
- রাতের আঁধারে পদ্মায় ইলিশ শিকার
- এবার সফল হয়েছেন সোনাক্ষি সিনহা
- আল বাগদাদির খেলাফত by ড. মাহফুজ পারভেজ
- অর্থ কেলেঙ্কারির ত্বরান্বিত বিচার by আলী ইদরিস
- ভাষাসেনাপতির বিদায় by সাযযাদ কাদির
- ভিডিও পাইরেসি ও নকলের দৌরাত্ম্য বাড়ছেই by মোহাম্মদ...
- ‘ইউটার্ন’ ছাড়লেন পিয়া
- বিশ্বে প্রতিভাধর সাইবার অপরাধীর সংখ্যা ১০০
- জাহাঙ্গীরের ‘মূল্য’ লাখ টাকা
- সীমান্তে আকাশপথে শক্তি বৃদ্ধি করবে ভারত
- স্বপ্ন নয় লাশ হয়ে ফিরছেন রফিকুল
- ‘মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আমার কেউ না, জাতির কাছে ক্ষ...
- কালোমেঘ by মো. নজরুল ইসলাম
- বেইজিংয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা
- মধুটিলা ইকোপার্কে দর্শনার্থীদের ভিড়
- শব্দহীন তাঁতপল্লী
- বিলুপ্তির পথে তাঁতশিল্প
- গাজায় আহত শিশুদের জন্য এক মহৎ প্রাণের সংগ্রাম
- লক্ষ্মীপুরে পুলিশের এএসআই জলিলকে গুলি করে হত্যা
- ওমরাহ্ ভিসা দেবে সৌদি বেসরকারি কোম্পানি
- সিলেটে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক, মাজারের ভিড় উপচে পড়লো ...
- লতিফ সিদ্দিকী কি পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন?
- ঈদের পর অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার
- ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি নেই, তদন্তে অনীহা -বিশ্ববি...
- এনএসআই টিম নয়া দিল্লিতে
- শান্তির মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান -মালালা-কৈলাশের নোবেল জয়
- ‘আলোচনার আহ্বান আর নয়, পদত্যাগের দাবি আসছে’ by কাজ...
- আইএসআইএসে ইহুদি বালিকার যোগদান
- মতিন ভাই আপনাকেও ভুলে যাবো by আবদুর রহিম
- খেলাপি ঋণ : ব্যাংককে করেছে গতিহীন
- বিভ্রাট, উপেক্ষা এবং বৈপরীত্য by সাকিব সাদমান
- মনে হয় বিএনপি ভুল পথে হাঁটছে by এবনে গোলাম সামাদ
- সাঈদী হুজুরের বেকসুর খালাস! by গোলাম মওলা রনি
- বড় ভাইয়ের জন্য ক্ষমা চাইলেন কাদের সিদ্দিকী
- নারীর শরীর – তসলিমা নাসরিন
- দেশে-বিদেশে রাজনীতিতে মিস্টার বেপরোয়া! by কামাল আ...
- স্মরণ- একটি মহান জীবনের প্রতিকৃতি by ইনাম আহমদ চৌ...
- মানসিক স্বাস্থ্য- সিজোফ্রেনিয়া মানেই জীবনের শেষ ন...
- আমাদের আত্মঘাতী গণতন্ত্র! by সোহরাব হাসান
- পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি বিরোধ- আইনটি সংশোধন করুন
- চিঠিপত্র- চট্টগ্রামের মেয়র by আবদুল হামিদ
- সৌদিকে যেভাবে রক্ষা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র -সিআইএর গো...
- ইন্টারনেট মানবাধিকার
- উলুখাগড়ার প্রাণ যায়
- কোবানির এক–তৃতীয়াংশই আইএসের
- সুলাওয়েসি দ্বীপের গুহাচিত্র বদলে দেবে ইতিহাস?
- বেকায়দায় এরশাদ by জাভেদ ইকবাল
- সমকামী বিয়ের পক্ষে বেশির ভাগ বৃটিশ
- ব্যাপক রদবদল, তবুও গতি নেই কূটনৈতিক মিশনে by মিজান...
- স্বাধীনতার অখণ্ডিত ইতিহাস ভবিষ্যতের পাথেয় by শারমি...
- বিদেশে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার ৪৫% নারীকর্ম...
-
▼
Oct 11
(58)
-
▼
October
(1240)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment