Tuesday, July 1, 2025
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: কোথায় ব্যর্থ, কোথায় সফল by জাহেদ উর রহমান
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: কোথায় ব্যর্থ, কোথায় সফল by জাহেদ উর রহমান
একটা বড় প্রাপ্তি দিয়ে শুরু করা যাক। এটা হচ্ছে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনকে বিপ্লব বলে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়া। এমনকি যাঁরা এই চেষ্টা করেছেন, তাঁরাও সরে এসেছেন এই চেষ্টা থেকে; তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষগুলোকেও এখন ‘গণ-অভ্যুত্থান’ শব্দটি ব্যবহার করতে দেখছি। এমনকি স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা শুরুর দিকে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে ‘বিপ্লব’ শব্দটি ব্যবহার করলেও পরবর্তী সময়ে ব্যবহার করেছেন ‘গণ-অভ্যুত্থান’ শব্দটি। শেখ হাসিনার পতনের জন্য আমরা যা করেছি, সেটা বিপ্লব নাকি গণ-অভ্যুত্থান, এটা আমাদের চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলানোর জন্য খুবই জরুরি। সেই প্রসঙ্গে আসব শেষের দিকে।
দীর্ঘ এক বছর চলে গেলেও আমরা আজও এই সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছাতে পারিনি, শেখ হাসিনার পতন আমরা কেন চেয়েছিলাম এবং পতন–পরবর্তী সময়ে আমাদের উদ্দেশ্য কী ছিল। কেউ কেউ অবশ্য ঝটপট উত্তর দিয়ে দেবেন ৩ আগস্ট ২০২৪ শহীদ মিনারে ছাত্ররা তো শেখ হাসিনার পতনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ব্যবস্থা ফিরে আসা প্রতিরোধ করার জন্য নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির ঘোষণা করেছিলেন।
ঘটনাচক্রে একটা স্বতঃস্ফূর্ত গণ-অভ্যুত্থানের সামনের সারিতে চলে আসা কিছু ছাত্রনেতা যে ঘোষণা দিয়েছেন, সেটা কি দেশের সব শ্রেণির মানুষের মনের চাওয়া ছিল? এক দফার মধ্যে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির কথাটা বাদ দিয়ে শুধু শেখ হাসিনার পতনের কথা বললে আন্দোলনরত জনগণ রাস্তা থেকে ফিরে যেত ওই দিন? ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা ফিরে আসা প্রতিরোধ করার জন্য নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেও এই প্রশ্ন করা কি অমূলক হবে যে এই লক্ষ্যটি কি আসলে ‘চাপিয়ে দেওয়া’ নয়?
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির প্রসঙ্গেই গত এক বছরে ‘সংস্কার’ একটি বহুলশ্রুত শব্দে পরিণত হয়েছে। সত্যি বলতে আমাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব মেলানোর ক্ষেত্রে সংস্কারই সম্ভবত এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় মানদণ্ড। যাঁরা খুবই গভীর, বিস্তৃত সংস্কারের পক্ষে খুব কঠোরভাবে অবস্থান নিয়েছেন, তাঁরা প্রায়ই বলেন, ‘জনগণ সংস্কার চায়।’ নিজের চাওয়াকে জনগণের নামে বলার প্রবণতা এই মাটিতে অনেক পুরোনো। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য রয়েছে। তবে বিভেদ রয়েছে সংস্কারের ব্যাপ্তি ও ধরন নিয়ে। সেটারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি। বলা বাহুল্য, এটা দেখেই অনেকে ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছেন।
সংস্কার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়। কমিশনগুলোর যেসব সংস্কার প্রস্তাব ঐকমত্য কমিশনে আসেনি, সেগুলো এবং কমিশনের আলোচনায় প্রাথমিকভাবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া বিষয়গুলো সরকার দ্রুত শেষ করতে আন্তরিকতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। ওদিকে সরকার কর্তৃক গঠিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য কিছুদিন আগে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রশ্নেও হতাশা প্রকাশ করেছেন।
দীর্ঘদিন একটা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে জীবনযাপন করার পর অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। ধারণা করি, সরকার মোটাদাগে মানুষকে হতাশ করেছে। শেখ হাসিনার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, এটা মেনে নিয়েও বলতে চাই, অনেক অসাধারণ কিছু করা দূরেই থাকুক, একটা সরকারের খুবই সাধারণ রুটিন কাজের ক্ষেত্রেও সরকারের ব্যর্থতা আমরা দেখেছি। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা একেবারে নজিরবিহীন। পুলিশ বাহিনী অন্তর্গতভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার নিয়ে সামরিক বাহিনীর মাঠে উপস্থিতির পরও এমন ব্যর্থতা ক্ষমার অযোগ্য।
শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ আদতে কোনো রাষ্ট্র ছিল না, ছিল ‘মগের মুল্লুক’। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই আলাপ এখন অনেকেই তুলছেন এই সরকারের সময়ে দেশ ‘মবের মুল্লুকে’ পরিণত হয়েছে কি না। বিশেষ করে ধর্মের নামে তৈরি হওয়া মব নিয়ন্ত্রণে সরকার কিছুই করতে পারেনি কিংবা পরিকল্পিতভাবেই করেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে নিউইয়র্ক টাইমস–এর মতো পত্রিকা বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ডানপন্থী উগ্রবাদীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খানিকটা সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছে, এমন শিরোনামে রিপোর্ট করেছে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতিশীলতা, মুদ্রাস্ফীতি না বাড়ার মতো অর্থনীতির ক্ষেত্রে কিছু সাফল্য আছে সরকারের। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতি বাস্তবায়নের চেয়ে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার কারণে চাহিদা হ্রাস পাওয়ার বড় প্রভাব রয়েছে। এ ছাড়া এই সরকারের ক্যাবিনেটকে মোটাদাগে দুর্নীতিমুক্ত বলেই মনে করা হয়, যদিও সরকারি অফিসে দুর্নীতি দমনে সরকার কিছুই করতে পারেনি। এমনকি পারেনি বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, দখলদারির মতো ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।
একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে তাদের চিন্তা এবং আদর্শগত মতপার্থক্য বা ভিন্নতা থাকবেই কিন্তু প্রত্যাশিত ছিল শেখ হাসিনা–পরবর্তী সময়ে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আচরণের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা অনেক ভালো থাকবে। কিন্তু পরিস্থিতি খুব খারাপ পর্যায়ে চলে না গেলেও দলগুলো কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরস্পরের প্রতি শত্রুতামূলক আচরণ করছে। দীর্ঘকাল একটা স্বৈরাচারী ব্যবস্থার মধ্যে থেকে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মিথস্ক্রিয়া থেকে অনেক দূরে ছিল দীর্ঘকাল। তাই এমন সংকট হয়তো অভাবনীয় নয়। কিন্তু এটাকেও আমরা বেশ খানিকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতাম যদি গণ-অভ্যুত্থানের ঠিক পরবর্তী মুহূর্ত থেকেই এর কৃতিত্ব দাবি করে অন্যদের অবদানকে তুচ্ছ করার প্রবণতাকে আমরা রোধ করতে পারতাম। একই সঙ্গে সরকারের দিক থেকে একটি দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করাও রাজনীতিতে অবিশ্বাস তৈরির ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে।
শেখ হাসিনার পতন–পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি হতাশা তৈরি করেছে সম্ভবত গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী এবং সামনের সারিতে থাকা ছাত্রদের কেউ কেউ নানা রকম অনিয়ম–দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছেন বলে সাধারণের মধ্যে ধারণা তৈরি হওয়া। জুলাইয়ের নামে নতুন ‘চেতনা ব্যবসা’ চালু করছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ উমামা ফাতেমা ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ সংগঠনটি থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা দিয়ে যে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, সেটা দীর্ঘদিন থেকে সমাজে প্রচলিত ধারণাকেই শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।
যাঁরা চেয়েছিলেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘটা স্বতঃস্ফূর্ত গণ-অভ্যুত্থানটিকে বিপ্লব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে বিপ্লবী সরকার গঠনের মাধ্যমে সংবিধান স্থগিত করে, ছাত্রদের দিয়ে মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করে, রাষ্ট্রক্ষমতা দীর্ঘকালের জন্য কুক্ষিগত করবেন, তাঁরা হতাশ হয়েছেন। যাঁরা চেয়েছেন অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারটিকে যতটা সম্ভব (নিদেনপক্ষে পাঁচ বছর) টেনে নিয়ে গিয়ে নিজেদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব উপভোগ করা, হতাশা আছে তাঁদেরও; কারণ দেশ নির্বাচনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। হতাশ হয়েছেন তাঁরাও, যাঁরা চেয়েছেন এবারই এই বাংলাদেশের সব ধরনের সাংবিধানিক ও আইনি সংস্কার করে আমাদের গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করে তুলবেন। তাঁদের এ ধরনের চিন্তার সদিচ্ছাকে প্রশ্ন না করেও বলা যায়, এটা শিশুতোষ অতি আশাবাদ। এখন পর্যন্ত সংস্কার নিয়ে যেভাবে আলাপ–আলোচনা হয়েছে এবং যতটুকু মতৈক্য হয়েছে, সেটা খুবই আশাব্যঞ্জক।
এই অভ্যুত্থানের সুফল আমরা যতটা পেলাম, শেষ পর্যন্ত সেটা খুব সন্তোষজনক নয় বটেই। যদি শুরুতেই এ গণ-অভ্যুত্থানটাকে বিপ্লব বলে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা না করতাম এবং একটা দক্ষ সরকার পেতাম, তাহলে এর সর্বোচ্চ সুফল পাওয়া সম্ভব ছিল। একটা বিপ্লবের কাছে একটা জাতি এবং রাষ্ট্র যা চাইতে পারে, একটা গণ-অভ্যুত্থানের কাছে কোনোভাবেই সেটা চাইতে পারে না। বাস্তবতার জমিনে দাঁড়িয়ে যদি আমরা আমাদের গণ-অভ্যুত্থানটাকে এবং এর ধরনটাকে সঠিকভাবে আত্মস্থ করতে পারতাম, তাহলে আমরা অনেক বেশি বাস্তব স্বপ্ন দেখতে পারতাম, বাস্তবায়নযোগ্য লক্ষ্য ঠিক করতে পারতাম।
সবকিছুর পরও আমাদের গণতান্ত্রিক পথচলার প্রধান বাধা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে পালিয়ে যেতে বাধ্য করতে পেরেছি আমরা। এবং এর পরবর্তী সময়ে বিপ্লবের নামে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ করতে পেরেছি আমরা, এগুলো আমাদের খুব বড় অর্জন। ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে হাঁটতে, আলোচনা-বিতর্ক (মাঝেমধ্যে ঝগড়াঝঁটি) করতে করতে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় বাকি ইস্যুগুলোর সমাধান করতে পারব।
● জাহেদ উর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
- মতামত লেখকের নিজস্ব
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1395)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
July
(186)
-
▼
Jul 01
(7)
- হত্যায় মেতেছে ইসরাইল: গাজায় ক্যাফে, স্কুল ও ত্রাণক...
- হারেৎস পত্রিকার কলাম: আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণে ...
- ইরানের ‘সরিয়ে ফেলা’ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কি আর খুঁজে প...
- ভারতের রাজনীতিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলতে থাকবে by সা...
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: কোথায় ব্যর্থ, কোথায় সফল by জা...
- জুলাইয়ের পর প্রত্যেকে যার যার এজেন্ডায় চলে গেছে, ...
- মামদানির উত্থান, মার্কিন রাজনীতিতে নয়া মেরূকরণ
-
▼
Jul 01
(7)
-
▼
July
(186)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment