Wednesday, February 7, 2018
পার্লামেন্ট, বিএনপি-আ’লীগের অস্তিত্বের সঙ্কট! by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম
পার্লামেন্ট, বিএনপি-আ’লীগের অস্তিত্বের সঙ্কট! by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম

বাংলাদেশের তুলনামূলক অবস্থান
বিশ্বের দেশগুলোকে বিভিন্ন আঙ্গিকে তুলনামূলকভাবে উপস্থাপনের বিষয়টি নতুন নয়। উদাহরণস্বরূপ প্রসবকালীন মায়েদের ও শিশুদের মৃত্যুহার, বিশুদ্ধ পানি পান কিংবা লেখাপড়া করার সুবিধাপ্রাপ্তি, ব্যবসায় করার খরচ কত কম বা বেশি, পরিবেশের অবস্থা কী এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের মনোভাব কী ইত্যাদি বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনামূলক অবস্থান কোথায়, সেটা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা বা গবেষণা সংস্থা কর্তৃক সময়ে সময়ে বা নিয়মিত ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়। অনেক আঙ্গিকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক দেশের তুলনায় প্রশংসনীয়ভাবে ভালো এবং বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে উন্নতি করছে। অতি সম্প্রতি একটি সুসংবাদ আমাদের নজরে এসেছে। বিশ্ববিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ডেনমার্কের ‘নভো নরডিস্ক’ কর্তৃক হস্তান্তর করা প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনসুলিন উৎপাদন করবে, বাংলাদেশের বিখ্যাত (ব্যবসায়িক গ্রুপ) ট্রান্সকম গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। এটি মডার্ন ইনসুলিন নামে পরিচিত এবং ডায়াবেটিস রোগীরা কলমের মতো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একটি বস্তু দিয়ে এটা শরীরে প্রবেশ করান; এটাকে বলা হয় পেনফিল পদ্ধতি। ডেনমার্কের বাইরে বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি স্থানান্তর করছে বিখ্যাত কোম্পানি নভো নরডিস্ক। উদাহরণটি এজন্য দিলাম, ওষুধ প্রস্তুতকারীদের মধ্যে পৃথিবীতে নভো নরডিস্ক যেমন বিখ্যাত, তেমনি ওষুধ প্রস্তুতকারী দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এসকেএফও বিখ্যাত। তার থেকেও বড় গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো- পৃথিবীতে ওষুধ প্রস্তুতকারী ও রফতানিকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্বীকৃত হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম আমেরিকায় ওষুধ রফতানিকারী হচ্ছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। ওষুধের বিতরণ ও মূল্য নিয়ে কিছু বলছি না, স্থানাভাবে। বাংলাদেশের অর্জনের উদাহরণস্বরূপ এ কথাগুলো তুলে ধরলাম। এই অর্জনে বাংলাদেশের সরকারগুলোর অবদান আছে, ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর অবদান আছে; কিন্তু বাংলাদেশের অর্জন হয়নি এমন ক্ষেত্রও তো অবশ্যই আছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আঙ্গিকে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল। এ রকম একটি হলো ব্যক্তি নিরাপত্তা, আরেকটি হলো শিক্ষা।
যার ব্যাখ্যা নিম্নরূপ : পাসের হার বাড়লেও লেখাপড়ার মান নিচে নেমে যাওয়া অথবা অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয়া সত্ত্বেও ঝরে পড়া ছাত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি। এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষাগুলোয় প্রতি বছরই বাড়ছে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০১৪ সালে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পৌনে দুই লাখ; এ বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ‘আবিষ্কার’ হলো, এই সংখ্যা পৌনে চার লাখ। বাংলাদেশ মন্দ করছে- এ রকম আরেকটি বিষয় হলো দুর্নীতি; আরেকটি হলো কস্ট অব ডুইং বিজনেস (ব্যবসায় করার খরচ) এবং আরেকটি ক্ষেত্র হলো গণতন্ত্র (অর্থাৎ গণতান্ত্রিক চর্চা তথা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান)। পৃথিবীর কোনো দেশে গণতন্ত্রের তথা গণতন্ত্রের চর্চার কী অবস্থা সেই সম্বন্ধে তুলনামূলক অবস্থান প্রকাশ করার রেওয়াজ রয়েছে অনেক বছর ধরে।
গণতন্ত্রের সূচকে অবনতি
অতি সম্প্রতি, ২০১৭ সালে গণতন্ত্রে বাংলাদেশের অবস্থান কী সেটা প্রকাশ করা হয়েছে। গণতন্ত্রের সূচকে বাংলাদেশের অবনতি ঘটেছে। ৩১ জানুয়ারি ‘দি ইকোনমিস্ট’-এর ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক প্রস্তুত করা এই সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আধুনিক বিশ্বে গণতন্ত্রের সূতিকাগার, যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন মহানগরী থেকে এ ম্যাগাজিনটি প্রকাশিত হয়। এটি বহুলপ্রচারিত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন, অত্যন্ত আস্থাভাজন ও বিশ্বব্যাপী সম্মানিত। ‘ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ (ইআইইউ) হচ্ছে, ‘দি ইকোনমিস্ট’ পত্রিকার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগ। তাদের ২০১৬ সালের মূল্যায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৪তম; ২০১৭ সালের মূল্যায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম; অর্থাৎ মাত্র এক বছরে এই সূচকে আট ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এ দেশের অবস্থান ১৭তম। সূচক প্রকাশকারীরা দেশগুলোকে কিছু ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করে থাকেন। ইআইইউ গণতন্ত্র প্রসঙ্গে মূল্যায়ন করতে গিয়ে পৃথিবীর দেশগুলোকে একাধিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। একটি ক্যাটাগরি বা বিভাগ হলো ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা’। ‘গুগল’-এর অনুবাদ মোতাবেক, এ শব্দটির বাংলা অনুবাদ হলো অকুলীন। হাইব্রিড শব্দটির সাথে বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন ভাবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মূল্যায়নে, আওয়ামী লীগের মধ্যে অনেক হাইব্রিড নেতা আছেন (কিন্তু তিনি শব্দটির ব্যাখ্যা দেননি। চাষাবাদ বা কৃষি ক্ষেত্রে বীজ বিভিন্ন প্রকারের এবং এক প্রকারের বীজ বা সিডকে বলা হয় হাইব্রিড। দি ইকোনমিস্ট অনুসৃত নীতিমালা মোতাবেক, ‘হাইব্রিড’ বলতে এমন ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যেখানে পাঁচটি বৈশিষ্ট্য আছে। এক. যেখানে প্রায়ই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়; দুই. যেখানে বিরোধী দল এবং বিরোধী প্রার্থীদের ওপর সরকারের চাপ নৈমিত্তিক ব্যাপার; তিন. যেখানে দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার এবং দুর্বল আইনের শাসন বিদ্যমান; চার. যেখানে নাগরিক সমাজ দুর্বল; পাঁচ. যেখানে বিচারব্যবস্থা স্বাধীন নয় এবং ছয়. যেখানে সাংবাদিকদের হয়রানি এবং তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন
ওপরের অনুচ্ছেদে আমরা গণতন্ত্রে বাংলাদেশের নিম্নমুখী অবস্থান তুলে ধরলাম। গণতান্ত্রিক চর্চার অনেক কর্মকাণ্ডের মধ্যে বা রেওয়াজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো, পার্লামেন্ট নির্বাচন। বাংলাদেশের পার্লামেন্ট নির্বাচন সাধারণত পাঁচ বছর পরপর হয়। সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালে। নির্বাচনটিতে ভোটারের উপস্থিতি এত কম ছিল, ভোটারদের ভীতি দেখানো এত বেশি ছিল, জাল ভোট দেয়ার প্রবণতা এত বেশি ছিল, সর্বোপরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকার বিষয়টি এত বেশি নগ্ন ছিল যে, সব ধরনের আলোচক ও সমালোচক বলতে বাধ্য হয়েছেন, ওই নির্বাচনটি গণতান্ত্রিক চর্চার ইতিহাসে একটি কলঙ্ক। সে নির্বাচনে ৩০০ পার্লামেন্টারি আসনের মধ্যে ১৫৪টিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একেকজন ব্যক্তি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এবং তারা সবাই ক্ষমতাসীন দলের পক্ষের। বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক, ৩০০ জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা যাকে সমর্থন দেবেন, তিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন। ৩০০-এর মধ্যে ১৫১ জনকে মেজরিটি বা সংখ্যাগরিষ্ঠ বলা যায়। এই ১৫১ জন যাকে সমর্থন দেবেন, তিনিই প্রধানমন্ত্রী। যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হয়েছেন, আসলে তাদের ওপর নির্বাচনী এলাকার মানুষের আস্থা আছে কি না, এটা যাচাই বা পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানে নেই। এই বিষয়টি সংবিধানের একটি বড় ধরনের দুর্বলতা। আমাদের সংবিধান মোতাবেক, ৩০০ আসনের মধ্যে সবাই যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হন, তাহলেও ওই পার্লামেন্ট বৈধতা পাবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে যে পার্লামেন্ট, সে পার্লামেন্টের নৈতিক ভিত্তি, তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তি শূন্য থেকে কম হলেও, আমাদের সংবিধান তাকে বৈধতা দেয়। এই প্রেক্ষাপটেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি কলঙ্কের নির্বাচন হতে পেরেছে। অনেক কারণ আছে; কিন্তু বিশেষত নির্বাচনটির কারণেই বাংলাদেশের ভোটাররা বলছেন এবং বলবেন, দেশে গণতন্ত্রের চর্চা নিম্নমুখী, চর্চার মানদণ্ড নিম্নমুখী, চর্চার ক্ষেত্রগুলো সঙ্কোচনমুখী এবং সম্পূর্ণ ক্ষেত্রটি ভয়ভীতি ও দলীয় স্বার্থ রক্ষার প্রবণতায় পরিপূর্ণ।
সংবিধান (দুর্বলতা) নিয়ে আলোচনা
এ অনুচ্ছেদটি পড়তে গিয়ে, পাঠকেরমনোযোগ আরেকটু গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন করার জন্য আবেদন জানাই। কারণ, সবাই মনে করে সংবিধান নিয়ে আলোচনা শুধু ‘জজ-ব্যারিস্টার’ সাহেবরাই করবেন। আমি মনে করি, সংবিধান জনগণের জন্য, সংবিধানের বক্তব্য জনগণের জন্য, তাদের অধিকারের রক্ষাকবচ এই সংবিধান; অতএব এই সংবিধান আমাদের সবাই বুঝতে হবে। পত্রিকার কলাম একটি উন্মুক্ত ফোরাম, এখানে ‘চাপাবাজি’র কোনো জায়গা নেই; কিন্তু যেহেতু সংবিধান নিয়ে আলোচনা করতে আমরা অভ্যস্ত নই, তাই নিবেদন করে রাখছি এখানে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। একটি দেশে গণতন্ত্র কতটুকু থাকবে কী থাকবে না তার অন্যতম নির্দেশক হলো ওই দেশের সংবিধান। বাংলাদেশের সংবিধান অনেক প্রশংসা পেয়েছে; কিন্তু এই সংবিধানে যে দুর্বলতা আছে এ কথাটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় না। কথাটি আগেও লিখেছি; আজো লিখছি। আমাদের সংবিধানের একটি দুর্বলতার কথা উপরের অনুচ্ছেদে তুলে ধরেছি। আরেকটি দুর্বলতা হলো, সংবিধান যদি কেউ না মানে বা সংবিধান যদি কেউ ভঙ্গ করে, তাহলে কী হবে? আরেকটু স্পষ্ট করে বলি, সংবিধানের দেয়া বিধান যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো রাজনৈতিক সরকার অমান্য করে অথবা বাস্তবায়ন করতে অনীহা প্রকাশ করে, তাহলে সেই সরকার বা দলের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ হবে- এই কথা সংবিধানে বলা নেই বা কোনো আইনে বলা নেই।
সুনির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ফোকাস
আমরা সুনির্দিষ্ট উদাহরণে যাবো। বাংলাদেশের সংবিধানের যতগুলো অনুচ্ছেদ বা আর্টিক্যাল আছে, সেগুলোকে ১১টি ভাগে বিন্যস্ত করা হয়েছে। যথা : প্রথম ভাগ ‘প্রজাতন্ত্র’; দ্বিতীয় ভাগ ‘রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’, তৃতীয় ভাগ ‘মৌলিক অধিকার’; চতুর্থ ভাগ ‘নির্বাহী বিভাগ’; পঞ্চম ভাগ ‘আইন সভা’ (ইংরেজি লেজিসলেচার)। পঞ্চম ভাগে আইন সভা শিরোনামের অধীনে ‘প্রথম পরিচ্ছেদ-সংসদ’, শিরোনামের নিচে আছে ৬৫ থেকে ৭৯ অনুচ্ছেদ। ৬৫ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম ‘সংসদ-প্রতিষ্ঠা’। ৬৬ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম হচ্ছে ‘সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা’। আলোচনাকে বিশদ পরিসর থেকে সুনির্দিষ্ট পরিসরে নিয়ে আসছি। আলোচনাটির উদ্দেশ্য, ৪৫ বছর ধরে বাংলাদেশের সংবিধানের একটি নির্দেশকে বা বিধানকে, কী নিয়মে সবাই মিলে লঙ্ঘন করে যাচ্ছি, সেটা তুলে ধরা।
যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তগুলো
বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিক্যাল ৬৬-তে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, যেকোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের একজন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা কিংবা নির্বাচিত হওয়ার পথে অযোগ্যতার বৈশিষ্ট্যগুলো। এই আর্টিক্যাল ৬৬-এ উপ-অনুচ্ছেদ আছে পাঁচটি। যথা- উপ-অনুচ্ছেদ (১) থেকে (৫)। আর্টিক্যাল ৬৬, উপ-অনুচ্ছেদ-২ এবং অতঃপর ২-এর উপ-উপ অনুচ্ছেদ চ এখানে উদ্ধৃত করছি। তারপর উদ্ধৃত করব আর্টিক্যাল ৬৬-এর উপ-অনুচ্ছেদ (৩)। ৬৬ (২) ‘কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি (ক)... (খ)... (গ)... (ঘ)... (ঙ)... (চ)। আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা (ছ)...।’ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬-এর উপ-অনুচ্ছেদ (৩) উদ্ধৃত করছি। ‘এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোনো ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।’ পাঠকদের জন্য আমি বিষয়টিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে সরল করে উপস্থাপন করছি।
‘লাভজনক পদ’ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি যদি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চান, তাহলে তার কতগুলো যোগ্যতা থাকতে হবে। এই যোগ্যতার কথা আমাদের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬(১)-এ বর্ণিত আছে। অনুচ্ছেদ ৬৬(২)-এ বর্ণিত আছে, কোন কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হতে পারবেন না। একই অনুচ্ছেদ ৬৬(২)-এ বর্ণিত আছে, নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পরও, শপথ গ্রহণের পরও, দায়িত্ব পালন শুরু করার পরও, কী কী কারণে একজন সংসদ সদস্য তার পদ হারাতে বাধ্য। যে সব কারণে একজন দায়িত্বরত সংসদ সদস্য তার পদ হারাতে বাধ্য, তার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, ওই সংসদ সদস্য যদি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের কোনো কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। ‘লাভজনক পদ’কে ইংরেজি সাংবিধানিক পরিভাষায় বলা হচ্ছে অফিস অব প্রফিট। অর্থাৎ কেউ সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করার পর যদি কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত হন ও সেই লাভজনক পদের দায়িত্ব পালন শুরু করেন, তাহলে তিনি সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন না। সম্মানিত পাঠক, প্রশ্ন করতে পারেন, লাভজনক পদ কোনটি? প্রশ্নটি এভাবেও করা যায় যে, কোন কোন পদ লাভজনক নয়? বাংলাদেশের সংবিধান নিজেই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছে। সংবিধান মোতাবেক, একজন সংসদ সদস্য যদি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী যাকে সচরাচর ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রী, নিযুক্ত হন বা দায়িত্ব পালন করেন তাহলে এগুলো লাভজনক পদ বিবেচিত হবে না। অর্থাৎ একজন সংসদ সদস্য এই সাতটি বা সাত প্রকারের পদ ব্যতীত অন্য যেকোনো পদ যদি ধারণ করেন এবং সেই পদে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে বলা হবে, তিনি লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত আছেন এবং লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকার কারণে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারাবেন। এটাই আমাদের সংবিধানের বিধান; এবং এই বিধান বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংবিধান কর্তৃক নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। লাভজনক পদের অনেক উদাহরণের মধ্যে একটি হলো- একজন সংসদ সদস্যকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত নিয়োগ করা; আরেকটি উদাহরণ হলো, আরেকজন সংসদ সদস্যকে খেলাধুলার যেকোনো একটি ফেডারেশনের বা বোর্ডের সভাপতি নিয়োগ করা। এখন একটি স্বাভাবিক কৌতূহলের প্রসঙ্গ আনছি। কৌতূহলটি হলো- যে পদগুলোকে ‘লাভজনক’ পদ বলা হচ্ছে, সে লাভজনক শব্দটির মধ্যে কেন ‘লাভ’ শব্দটি যোগ হলো, সেখানে লাভের কী আছে? উত্তর অনেকটা এ রকম : ওই লাভজনক পদগুলো অধিকার করায় যে লাভ পাওয়া যায় সেগুলো আর্থিক, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিকারী এবং প্রশাসনে প্রভাব বিস্তারকারী ভাবমূর্তি প্রদান করে। অথচ একজন সংসদ সদস্য সংসদের কার্যাবলি এবং সংসদসংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়েই ব্যস্ত থাকার কথা।
‘কল্যাণ পার্টি’র ভূমিকা
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর থেকে, সংবিধানে যতগুলো আর্টিক্যাল বা নির্দেশ বা বক্তব্য অব্যাহতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে তার অন্যতম হলো, লাভজনক পদসংক্রান্ত বিধানটি। লাভ ছেড়ে লোকসানে যেতে কেউ রাজি নন। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রতিনিধিদল চার মাস আগে নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপের সময় একটি লিখিত বক্তব্যের সাথে একটি অলিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেছে। অলিখিত অংশটি ছিল লাভজনক পদসংক্রান্ত; তথা সংবিধানের আর্টিক্যাল ৬৬(২) ও ৬৬(৩) প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। এ বিষয়টি নিয়ে আগামী সপ্তাহের কলামে আরো বিস্তারিত লেখার আশা করি।
শেখ হাসিনা ও বেগম জিয়া : উভয়েই ‘মাননীয়া’
আজকের কলামের সর্বশেষ অংশ বেগম খালেদা জিয়া বনাম শেখ হাসিনাকে নিয়ে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই দু’টি নামের গুরুত্ব, এই দু’জন সম্মানিত ব্যক্তির অবদান এবং তাকে গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি প্রসঙ্গে আমরা আলোচনায় যাচ্ছি না। এই দু’জন দু’টি প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষতম নেতা। এই দু’টি প্রধান দলের অনুসারী-ভক্ত-কর্মী সংখ্যা কত তা ঠিক জানি না। যদি সুষ্ঠু সুন্দর প্রক্রিয়ায়, বাংলাদেশের এই মুহূর্তের ১০ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৩৮১জন ভোটারকে বলা হয়, এই দু’জন নেত্রীর মধ্যে কার পক্ষে কতজন ভোট দেবেন; তাহলে আমার মূল্যায়নে, বিশ্বাসে আমার প্রাক্কলনে এবং তিন ভাগের দুই ভাগ ব্যক্তি পছন্দ করবেন বেগম জিয়াকে। এর কারণ, এই কলামের এক, দুই ও তিন অনুচ্ছেদে বর্ণনা করেছি; তথা গণতন্ত্রের অভাব, গণতন্ত্রের অবনতি এবং সরকার কর্তৃক শক্তি প্রয়োগ। গত ৯ বছরে বাংলাদেশ উন্নতি করেনি- এই কথা কোনো পাগলেও বলবে না। অপরপক্ষে মানুষ নামের যেকোনো বোধসম্পন্ন প্রাণী অবশ্যই বলবেন- উন্নতি করতে গিয়ে কত বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য কত বড় বড় অবিচার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধির অন্যতম উদাহরণ হলো- বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা। ওয়ান-ইলেভেন সরকার তথা ‘উদ্দিন’-গণের সরকার বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনা, উভয়ের বিরুদ্ধে বহু মামলা দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনীত সব মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। অপরপক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তার সরকারের শক্তি ও ক্ষমতাকে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পরিপূরক ও সম্পূরক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এ দিকে, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোকে অব্যাহত রেখে পরিচালনা করা হয়েছে।
দু’টি ধারণার পারস্পরিক বিরোধ
আমার মূল্যায়নে, এখন দৃশ্যমান হলো মামলা ও রায়; পেছনে বা অদৃশ্যমান হলো অস্তিত্বের লড়াই; দু’জন ব্যক্তির ও দু’টি ধারণার। ক্ষমতাসীনমহল চান বেগম জিয়া এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে বিলুপ্ত করতে এবং ১৯৭৫-এর আদলে; কিন্তু ‘পরিশোধিত’রূপে কার্যত একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে। সঙ্কট হচ্ছে, গণতন্ত্র থাকবে কী থাকবে না। ১৬ বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ বিভিন্ন রাষ্ট্রকে সম্বোধন করে টেররিজম প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘হয় তুমি আমার পক্ষের, নয় তুমি আমার শত্রু; মাঝখানে কিছু নেই।’ ক্ষমতাসীন দলের ধারণাকে আমরা এ রকম বলতে পারি : ‘আমি যা বলি সেটাই গণতন্ত্র, আমরা যা করি সেটাই সংবিধান।’ প্রধানমন্ত্রী সিলেটের জনসভায় বলেছেন, তিনি সংবিধানের বাইরে এক চুলও যাবেন না। দেশের মানুষের প্রশ্ন : ’৯৬ সালে সংবিধানের বাইরে যেতে এত সংগ্রাম কেন করেছিলেন? তবুও আশা করি, সবার শুভবুদ্ধির উদয় হবে, সহাবস্থানে সম্মত হবেন সবাই। শুভবুদ্ধির অনুপস্থিতি এবং সহাবস্থানে অসম্মতি হলো গণতন্ত্রের জন্য মরণব্যাধি। এই সঙ্কটে প্রতিটি নাগরিকেরই কোনো-না-কোনো ভূমিকা থাকতে পারে।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
বিশ্বের দেশগুলোকে বিভিন্ন আঙ্গিকে তুলনামূলকভাবে উপস্থাপনের বিষয়টি নতুন নয়। উদাহরণস্বরূপ প্রসবকালীন মায়েদের ও শিশুদের মৃত্যুহার, বিশুদ্ধ পানি পান কিংবা লেখাপড়া করার সুবিধাপ্রাপ্তি, ব্যবসায় করার খরচ কত কম বা বেশি, পরিবেশের অবস্থা কী এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের মনোভাব কী ইত্যাদি বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনামূলক অবস্থান কোথায়, সেটা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা বা গবেষণা সংস্থা কর্তৃক সময়ে সময়ে বা নিয়মিত ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়। অনেক আঙ্গিকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক দেশের তুলনায় প্রশংসনীয়ভাবে ভালো এবং বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে উন্নতি করছে। অতি সম্প্রতি একটি সুসংবাদ আমাদের নজরে এসেছে। বিশ্ববিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ডেনমার্কের ‘নভো নরডিস্ক’ কর্তৃক হস্তান্তর করা প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনসুলিন উৎপাদন করবে, বাংলাদেশের বিখ্যাত (ব্যবসায়িক গ্রুপ) ট্রান্সকম গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। এটি মডার্ন ইনসুলিন নামে পরিচিত এবং ডায়াবেটিস রোগীরা কলমের মতো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একটি বস্তু দিয়ে এটা শরীরে প্রবেশ করান; এটাকে বলা হয় পেনফিল পদ্ধতি। ডেনমার্কের বাইরে বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি স্থানান্তর করছে বিখ্যাত কোম্পানি নভো নরডিস্ক। উদাহরণটি এজন্য দিলাম, ওষুধ প্রস্তুতকারীদের মধ্যে পৃথিবীতে নভো নরডিস্ক যেমন বিখ্যাত, তেমনি ওষুধ প্রস্তুতকারী দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এসকেএফও বিখ্যাত। তার থেকেও বড় গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো- পৃথিবীতে ওষুধ প্রস্তুতকারী ও রফতানিকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্বীকৃত হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম আমেরিকায় ওষুধ রফতানিকারী হচ্ছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। ওষুধের বিতরণ ও মূল্য নিয়ে কিছু বলছি না, স্থানাভাবে। বাংলাদেশের অর্জনের উদাহরণস্বরূপ এ কথাগুলো তুলে ধরলাম। এই অর্জনে বাংলাদেশের সরকারগুলোর অবদান আছে, ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর অবদান আছে; কিন্তু বাংলাদেশের অর্জন হয়নি এমন ক্ষেত্রও তো অবশ্যই আছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আঙ্গিকে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল। এ রকম একটি হলো ব্যক্তি নিরাপত্তা, আরেকটি হলো শিক্ষা।
যার ব্যাখ্যা নিম্নরূপ : পাসের হার বাড়লেও লেখাপড়ার মান নিচে নেমে যাওয়া অথবা অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয়া সত্ত্বেও ঝরে পড়া ছাত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি। এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষাগুলোয় প্রতি বছরই বাড়ছে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০১৪ সালে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পৌনে দুই লাখ; এ বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ‘আবিষ্কার’ হলো, এই সংখ্যা পৌনে চার লাখ। বাংলাদেশ মন্দ করছে- এ রকম আরেকটি বিষয় হলো দুর্নীতি; আরেকটি হলো কস্ট অব ডুইং বিজনেস (ব্যবসায় করার খরচ) এবং আরেকটি ক্ষেত্র হলো গণতন্ত্র (অর্থাৎ গণতান্ত্রিক চর্চা তথা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান)। পৃথিবীর কোনো দেশে গণতন্ত্রের তথা গণতন্ত্রের চর্চার কী অবস্থা সেই সম্বন্ধে তুলনামূলক অবস্থান প্রকাশ করার রেওয়াজ রয়েছে অনেক বছর ধরে।
গণতন্ত্রের সূচকে অবনতি
অতি সম্প্রতি, ২০১৭ সালে গণতন্ত্রে বাংলাদেশের অবস্থান কী সেটা প্রকাশ করা হয়েছে। গণতন্ত্রের সূচকে বাংলাদেশের অবনতি ঘটেছে। ৩১ জানুয়ারি ‘দি ইকোনমিস্ট’-এর ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক প্রস্তুত করা এই সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আধুনিক বিশ্বে গণতন্ত্রের সূতিকাগার, যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন মহানগরী থেকে এ ম্যাগাজিনটি প্রকাশিত হয়। এটি বহুলপ্রচারিত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন, অত্যন্ত আস্থাভাজন ও বিশ্বব্যাপী সম্মানিত। ‘ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ (ইআইইউ) হচ্ছে, ‘দি ইকোনমিস্ট’ পত্রিকার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগ। তাদের ২০১৬ সালের মূল্যায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৪তম; ২০১৭ সালের মূল্যায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম; অর্থাৎ মাত্র এক বছরে এই সূচকে আট ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এ দেশের অবস্থান ১৭তম। সূচক প্রকাশকারীরা দেশগুলোকে কিছু ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করে থাকেন। ইআইইউ গণতন্ত্র প্রসঙ্গে মূল্যায়ন করতে গিয়ে পৃথিবীর দেশগুলোকে একাধিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। একটি ক্যাটাগরি বা বিভাগ হলো ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা’। ‘গুগল’-এর অনুবাদ মোতাবেক, এ শব্দটির বাংলা অনুবাদ হলো অকুলীন। হাইব্রিড শব্দটির সাথে বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন ভাবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মূল্যায়নে, আওয়ামী লীগের মধ্যে অনেক হাইব্রিড নেতা আছেন (কিন্তু তিনি শব্দটির ব্যাখ্যা দেননি। চাষাবাদ বা কৃষি ক্ষেত্রে বীজ বিভিন্ন প্রকারের এবং এক প্রকারের বীজ বা সিডকে বলা হয় হাইব্রিড। দি ইকোনমিস্ট অনুসৃত নীতিমালা মোতাবেক, ‘হাইব্রিড’ বলতে এমন ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যেখানে পাঁচটি বৈশিষ্ট্য আছে। এক. যেখানে প্রায়ই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়; দুই. যেখানে বিরোধী দল এবং বিরোধী প্রার্থীদের ওপর সরকারের চাপ নৈমিত্তিক ব্যাপার; তিন. যেখানে দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার এবং দুর্বল আইনের শাসন বিদ্যমান; চার. যেখানে নাগরিক সমাজ দুর্বল; পাঁচ. যেখানে বিচারব্যবস্থা স্বাধীন নয় এবং ছয়. যেখানে সাংবাদিকদের হয়রানি এবং তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন
ওপরের অনুচ্ছেদে আমরা গণতন্ত্রে বাংলাদেশের নিম্নমুখী অবস্থান তুলে ধরলাম। গণতান্ত্রিক চর্চার অনেক কর্মকাণ্ডের মধ্যে বা রেওয়াজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো, পার্লামেন্ট নির্বাচন। বাংলাদেশের পার্লামেন্ট নির্বাচন সাধারণত পাঁচ বছর পরপর হয়। সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালে। নির্বাচনটিতে ভোটারের উপস্থিতি এত কম ছিল, ভোটারদের ভীতি দেখানো এত বেশি ছিল, জাল ভোট দেয়ার প্রবণতা এত বেশি ছিল, সর্বোপরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকার বিষয়টি এত বেশি নগ্ন ছিল যে, সব ধরনের আলোচক ও সমালোচক বলতে বাধ্য হয়েছেন, ওই নির্বাচনটি গণতান্ত্রিক চর্চার ইতিহাসে একটি কলঙ্ক। সে নির্বাচনে ৩০০ পার্লামেন্টারি আসনের মধ্যে ১৫৪টিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একেকজন ব্যক্তি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এবং তারা সবাই ক্ষমতাসীন দলের পক্ষের। বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক, ৩০০ জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা যাকে সমর্থন দেবেন, তিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন। ৩০০-এর মধ্যে ১৫১ জনকে মেজরিটি বা সংখ্যাগরিষ্ঠ বলা যায়। এই ১৫১ জন যাকে সমর্থন দেবেন, তিনিই প্রধানমন্ত্রী। যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হয়েছেন, আসলে তাদের ওপর নির্বাচনী এলাকার মানুষের আস্থা আছে কি না, এটা যাচাই বা পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানে নেই। এই বিষয়টি সংবিধানের একটি বড় ধরনের দুর্বলতা। আমাদের সংবিধান মোতাবেক, ৩০০ আসনের মধ্যে সবাই যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হন, তাহলেও ওই পার্লামেন্ট বৈধতা পাবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে যে পার্লামেন্ট, সে পার্লামেন্টের নৈতিক ভিত্তি, তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তি শূন্য থেকে কম হলেও, আমাদের সংবিধান তাকে বৈধতা দেয়। এই প্রেক্ষাপটেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি কলঙ্কের নির্বাচন হতে পেরেছে। অনেক কারণ আছে; কিন্তু বিশেষত নির্বাচনটির কারণেই বাংলাদেশের ভোটাররা বলছেন এবং বলবেন, দেশে গণতন্ত্রের চর্চা নিম্নমুখী, চর্চার মানদণ্ড নিম্নমুখী, চর্চার ক্ষেত্রগুলো সঙ্কোচনমুখী এবং সম্পূর্ণ ক্ষেত্রটি ভয়ভীতি ও দলীয় স্বার্থ রক্ষার প্রবণতায় পরিপূর্ণ।
সংবিধান (দুর্বলতা) নিয়ে আলোচনা
এ অনুচ্ছেদটি পড়তে গিয়ে, পাঠকেরমনোযোগ আরেকটু গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন করার জন্য আবেদন জানাই। কারণ, সবাই মনে করে সংবিধান নিয়ে আলোচনা শুধু ‘জজ-ব্যারিস্টার’ সাহেবরাই করবেন। আমি মনে করি, সংবিধান জনগণের জন্য, সংবিধানের বক্তব্য জনগণের জন্য, তাদের অধিকারের রক্ষাকবচ এই সংবিধান; অতএব এই সংবিধান আমাদের সবাই বুঝতে হবে। পত্রিকার কলাম একটি উন্মুক্ত ফোরাম, এখানে ‘চাপাবাজি’র কোনো জায়গা নেই; কিন্তু যেহেতু সংবিধান নিয়ে আলোচনা করতে আমরা অভ্যস্ত নই, তাই নিবেদন করে রাখছি এখানে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। একটি দেশে গণতন্ত্র কতটুকু থাকবে কী থাকবে না তার অন্যতম নির্দেশক হলো ওই দেশের সংবিধান। বাংলাদেশের সংবিধান অনেক প্রশংসা পেয়েছে; কিন্তু এই সংবিধানে যে দুর্বলতা আছে এ কথাটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় না। কথাটি আগেও লিখেছি; আজো লিখছি। আমাদের সংবিধানের একটি দুর্বলতার কথা উপরের অনুচ্ছেদে তুলে ধরেছি। আরেকটি দুর্বলতা হলো, সংবিধান যদি কেউ না মানে বা সংবিধান যদি কেউ ভঙ্গ করে, তাহলে কী হবে? আরেকটু স্পষ্ট করে বলি, সংবিধানের দেয়া বিধান যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো রাজনৈতিক সরকার অমান্য করে অথবা বাস্তবায়ন করতে অনীহা প্রকাশ করে, তাহলে সেই সরকার বা দলের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ হবে- এই কথা সংবিধানে বলা নেই বা কোনো আইনে বলা নেই।
সুনির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ফোকাস
আমরা সুনির্দিষ্ট উদাহরণে যাবো। বাংলাদেশের সংবিধানের যতগুলো অনুচ্ছেদ বা আর্টিক্যাল আছে, সেগুলোকে ১১টি ভাগে বিন্যস্ত করা হয়েছে। যথা : প্রথম ভাগ ‘প্রজাতন্ত্র’; দ্বিতীয় ভাগ ‘রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’, তৃতীয় ভাগ ‘মৌলিক অধিকার’; চতুর্থ ভাগ ‘নির্বাহী বিভাগ’; পঞ্চম ভাগ ‘আইন সভা’ (ইংরেজি লেজিসলেচার)। পঞ্চম ভাগে আইন সভা শিরোনামের অধীনে ‘প্রথম পরিচ্ছেদ-সংসদ’, শিরোনামের নিচে আছে ৬৫ থেকে ৭৯ অনুচ্ছেদ। ৬৫ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম ‘সংসদ-প্রতিষ্ঠা’। ৬৬ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম হচ্ছে ‘সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা’। আলোচনাকে বিশদ পরিসর থেকে সুনির্দিষ্ট পরিসরে নিয়ে আসছি। আলোচনাটির উদ্দেশ্য, ৪৫ বছর ধরে বাংলাদেশের সংবিধানের একটি নির্দেশকে বা বিধানকে, কী নিয়মে সবাই মিলে লঙ্ঘন করে যাচ্ছি, সেটা তুলে ধরা।
যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তগুলো
বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিক্যাল ৬৬-তে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, যেকোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের একজন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা কিংবা নির্বাচিত হওয়ার পথে অযোগ্যতার বৈশিষ্ট্যগুলো। এই আর্টিক্যাল ৬৬-এ উপ-অনুচ্ছেদ আছে পাঁচটি। যথা- উপ-অনুচ্ছেদ (১) থেকে (৫)। আর্টিক্যাল ৬৬, উপ-অনুচ্ছেদ-২ এবং অতঃপর ২-এর উপ-উপ অনুচ্ছেদ চ এখানে উদ্ধৃত করছি। তারপর উদ্ধৃত করব আর্টিক্যাল ৬৬-এর উপ-অনুচ্ছেদ (৩)। ৬৬ (২) ‘কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি (ক)... (খ)... (গ)... (ঘ)... (ঙ)... (চ)। আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা (ছ)...।’ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬-এর উপ-অনুচ্ছেদ (৩) উদ্ধৃত করছি। ‘এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোনো ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।’ পাঠকদের জন্য আমি বিষয়টিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে সরল করে উপস্থাপন করছি।
‘লাভজনক পদ’ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি যদি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চান, তাহলে তার কতগুলো যোগ্যতা থাকতে হবে। এই যোগ্যতার কথা আমাদের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬(১)-এ বর্ণিত আছে। অনুচ্ছেদ ৬৬(২)-এ বর্ণিত আছে, কোন কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হতে পারবেন না। একই অনুচ্ছেদ ৬৬(২)-এ বর্ণিত আছে, নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পরও, শপথ গ্রহণের পরও, দায়িত্ব পালন শুরু করার পরও, কী কী কারণে একজন সংসদ সদস্য তার পদ হারাতে বাধ্য। যে সব কারণে একজন দায়িত্বরত সংসদ সদস্য তার পদ হারাতে বাধ্য, তার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, ওই সংসদ সদস্য যদি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের কোনো কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। ‘লাভজনক পদ’কে ইংরেজি সাংবিধানিক পরিভাষায় বলা হচ্ছে অফিস অব প্রফিট। অর্থাৎ কেউ সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করার পর যদি কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত হন ও সেই লাভজনক পদের দায়িত্ব পালন শুরু করেন, তাহলে তিনি সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন না। সম্মানিত পাঠক, প্রশ্ন করতে পারেন, লাভজনক পদ কোনটি? প্রশ্নটি এভাবেও করা যায় যে, কোন কোন পদ লাভজনক নয়? বাংলাদেশের সংবিধান নিজেই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছে। সংবিধান মোতাবেক, একজন সংসদ সদস্য যদি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী যাকে সচরাচর ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রী, নিযুক্ত হন বা দায়িত্ব পালন করেন তাহলে এগুলো লাভজনক পদ বিবেচিত হবে না। অর্থাৎ একজন সংসদ সদস্য এই সাতটি বা সাত প্রকারের পদ ব্যতীত অন্য যেকোনো পদ যদি ধারণ করেন এবং সেই পদে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে বলা হবে, তিনি লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত আছেন এবং লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকার কারণে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারাবেন। এটাই আমাদের সংবিধানের বিধান; এবং এই বিধান বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংবিধান কর্তৃক নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। লাভজনক পদের অনেক উদাহরণের মধ্যে একটি হলো- একজন সংসদ সদস্যকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত নিয়োগ করা; আরেকটি উদাহরণ হলো, আরেকজন সংসদ সদস্যকে খেলাধুলার যেকোনো একটি ফেডারেশনের বা বোর্ডের সভাপতি নিয়োগ করা। এখন একটি স্বাভাবিক কৌতূহলের প্রসঙ্গ আনছি। কৌতূহলটি হলো- যে পদগুলোকে ‘লাভজনক’ পদ বলা হচ্ছে, সে লাভজনক শব্দটির মধ্যে কেন ‘লাভ’ শব্দটি যোগ হলো, সেখানে লাভের কী আছে? উত্তর অনেকটা এ রকম : ওই লাভজনক পদগুলো অধিকার করায় যে লাভ পাওয়া যায় সেগুলো আর্থিক, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিকারী এবং প্রশাসনে প্রভাব বিস্তারকারী ভাবমূর্তি প্রদান করে। অথচ একজন সংসদ সদস্য সংসদের কার্যাবলি এবং সংসদসংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়েই ব্যস্ত থাকার কথা।
‘কল্যাণ পার্টি’র ভূমিকা
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর থেকে, সংবিধানে যতগুলো আর্টিক্যাল বা নির্দেশ বা বক্তব্য অব্যাহতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে তার অন্যতম হলো, লাভজনক পদসংক্রান্ত বিধানটি। লাভ ছেড়ে লোকসানে যেতে কেউ রাজি নন। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রতিনিধিদল চার মাস আগে নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপের সময় একটি লিখিত বক্তব্যের সাথে একটি অলিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেছে। অলিখিত অংশটি ছিল লাভজনক পদসংক্রান্ত; তথা সংবিধানের আর্টিক্যাল ৬৬(২) ও ৬৬(৩) প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। এ বিষয়টি নিয়ে আগামী সপ্তাহের কলামে আরো বিস্তারিত লেখার আশা করি।
শেখ হাসিনা ও বেগম জিয়া : উভয়েই ‘মাননীয়া’
আজকের কলামের সর্বশেষ অংশ বেগম খালেদা জিয়া বনাম শেখ হাসিনাকে নিয়ে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই দু’টি নামের গুরুত্ব, এই দু’জন সম্মানিত ব্যক্তির অবদান এবং তাকে গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি প্রসঙ্গে আমরা আলোচনায় যাচ্ছি না। এই দু’জন দু’টি প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষতম নেতা। এই দু’টি প্রধান দলের অনুসারী-ভক্ত-কর্মী সংখ্যা কত তা ঠিক জানি না। যদি সুষ্ঠু সুন্দর প্রক্রিয়ায়, বাংলাদেশের এই মুহূর্তের ১০ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৩৮১জন ভোটারকে বলা হয়, এই দু’জন নেত্রীর মধ্যে কার পক্ষে কতজন ভোট দেবেন; তাহলে আমার মূল্যায়নে, বিশ্বাসে আমার প্রাক্কলনে এবং তিন ভাগের দুই ভাগ ব্যক্তি পছন্দ করবেন বেগম জিয়াকে। এর কারণ, এই কলামের এক, দুই ও তিন অনুচ্ছেদে বর্ণনা করেছি; তথা গণতন্ত্রের অভাব, গণতন্ত্রের অবনতি এবং সরকার কর্তৃক শক্তি প্রয়োগ। গত ৯ বছরে বাংলাদেশ উন্নতি করেনি- এই কথা কোনো পাগলেও বলবে না। অপরপক্ষে মানুষ নামের যেকোনো বোধসম্পন্ন প্রাণী অবশ্যই বলবেন- উন্নতি করতে গিয়ে কত বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য কত বড় বড় অবিচার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধির অন্যতম উদাহরণ হলো- বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা। ওয়ান-ইলেভেন সরকার তথা ‘উদ্দিন’-গণের সরকার বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনা, উভয়ের বিরুদ্ধে বহু মামলা দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনীত সব মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। অপরপক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তার সরকারের শক্তি ও ক্ষমতাকে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পরিপূরক ও সম্পূরক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এ দিকে, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোকে অব্যাহত রেখে পরিচালনা করা হয়েছে।
দু’টি ধারণার পারস্পরিক বিরোধ
আমার মূল্যায়নে, এখন দৃশ্যমান হলো মামলা ও রায়; পেছনে বা অদৃশ্যমান হলো অস্তিত্বের লড়াই; দু’জন ব্যক্তির ও দু’টি ধারণার। ক্ষমতাসীনমহল চান বেগম জিয়া এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে বিলুপ্ত করতে এবং ১৯৭৫-এর আদলে; কিন্তু ‘পরিশোধিত’রূপে কার্যত একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে। সঙ্কট হচ্ছে, গণতন্ত্র থাকবে কী থাকবে না। ১৬ বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ বিভিন্ন রাষ্ট্রকে সম্বোধন করে টেররিজম প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘হয় তুমি আমার পক্ষের, নয় তুমি আমার শত্রু; মাঝখানে কিছু নেই।’ ক্ষমতাসীন দলের ধারণাকে আমরা এ রকম বলতে পারি : ‘আমি যা বলি সেটাই গণতন্ত্র, আমরা যা করি সেটাই সংবিধান।’ প্রধানমন্ত্রী সিলেটের জনসভায় বলেছেন, তিনি সংবিধানের বাইরে এক চুলও যাবেন না। দেশের মানুষের প্রশ্ন : ’৯৬ সালে সংবিধানের বাইরে যেতে এত সংগ্রাম কেন করেছিলেন? তবুও আশা করি, সবার শুভবুদ্ধির উদয় হবে, সহাবস্থানে সম্মত হবেন সবাই। শুভবুদ্ধির অনুপস্থিতি এবং সহাবস্থানে অসম্মতি হলো গণতন্ত্রের জন্য মরণব্যাধি। এই সঙ্কটে প্রতিটি নাগরিকেরই কোনো-না-কোনো ভূমিকা থাকতে পারে।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1404)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 07
(70)
- গন্তব্য অনিশ্চিত by সাজেদুল হক
- তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান...
- ‘অন্যায় করিনি, ন্যায়বিচার হলে খালাস পাবো’
- অ্যাসপিরিন সেবনে ফিরবে যৌন সক্ষমতা! -গবেষণায় তথ্য
- কোন দেশের কত পরমাণু অস্ত্র, আর তা কোথায় রাখা আছে?
- রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার ছাপ অর্থনীতিতে by সাজ্জাদ আলম খান
- সুইস প্রেসিডেন্টের সফর
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক কাম্য নয় by আবদু...
- সবুজ পাসপোর্টের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনুন
- পত্রিকার মতো পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও কি প্রকাশ্যে বিক...
- প্রশ্নপত্র ফাঁস : শেষ কোথায়? by রিজওয়ানা তাসনীম
- আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: ...
- প্রশ্ন ফাঁসের দায়ভার সাধারণ পরীক্ষার্থীরা বইবে কেন?
- ন্যায়বিচার, অবিচার ও রাজনীতি by কামাল আহমেদ
- লোহিতসাগরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা by কামাল গাবালা
- ধর্ষণের শিকারকে বিশ্বাস করবেন না কেন?
- সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখনই সময় by শিশির ভট্টাচার্য্য
- ঢাকা এক অভিভাবক পাবে কবে? by এ কে এম জাকারিয়া
- ভিআইপি করে দাও, হে দয়াময় by আনিসুল হক
- ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাব দিল সিরিয়া
- তালেবানের ওপর সবচেয়ে বেশি ওজনের বোমা নিক্ষেপ বি-৫২...
- লাল বালতিতে ছোট, সবুজটিতে বড় ছেলের লাশ!
- গাজায় যে কোনো সময় ইসরাইলি আগ্রাসন, প্রতিরোধে প্রস্...
- ১০০ বছর পরও পুরুষের সমান হয়নি নারী
- তিনজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে একজন শিশু
- বিশ্বে দুর্নীতির শীর্ষে সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র
- দেশে তৈরি হবে মোবাইল
- অবশেষে সূচকের বড় উত্থান
- বারকাতই ব্যাংকটি শেষ করে দিয়েছেন: অর্থমন্ত্রী
- কারসাজি করে ঋণগ্রহীতারা কালো তালিকায় পড়বে
- তরঙ্গ নিলামে যেতে ২ অপারেটরের আগ্রহ
- পোশাকে ভালো, চামড়ায় খারাপ
- চিনিকলের বর্জ্য নদীতে
- জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা
- সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখনই সময় by শিশির ভট্টাচার্য্য
- প্রশ্ন ফাঁসের কি ফাঁসি হয় by গওহার নঈম ওয়ারা
- আসুন, সবাই মিলে অশুভ চক্রটা ভেঙে ফেলি by আমিরুল আল...
- বইমেলায় ইভটিজিং বিরোধী টিম
- গ্যাস সংকটে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে টেক্সটাইল কারখানা
- বিমানের টিকিট কাটলেই ৫ শতাংশ ছাড়
- ‘ধনী’ না ‘গরিব’ জানাবে ফেসবুক
- সুপার মারিও নিয়ে হবে নতুন সিনেমা
- গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক...
- গনিকে টপকে প্রেসিডেন্ট হতে চান বন্ধু নুর
- ফার্স্টলেডিকে সবার আগে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে
- আরাফাতকে বহনকারী বিমানে গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন শ্...
- ৮ ফেব্রুয়ারি ঘিরে জনমনে উৎকণ্ঠা
- পানি পান করা ভালো, তবে বেশি…
- অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করার চেষ্টা ফের ব্যর্থ
- ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
- নিপাহ ভাইরাস-জনিত সংক্রমণ
- খাবারে সতর্ক হোন by অধ্যাপক ডা: শুভাগত চৌধুরী
- খাবার থেকে কিভাবে বেশি আয়রন পাবেন
- কম দামে মাইক্রোসফটের নতুন ল্যাপটপ
- এখানে আপনার কাজটা কী?
- তেহরান-মস্কো-আঙ্কারা সহযোগিতা অক্ষুণ্ণ রাখতে রুহান...
- ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন প্রতিরোধে প্রস্তুত হামাস
- মালদ্বীপে গর্জন ড্রাগনের, ঘুম ছুটেছে দিল্লির
- পার্লামেন্ট, বিএনপি-আ’লীগের অস্তিত্বের সঙ্কট! by স...
- প্রশ্নফাঁস : চলিতেছে সার্কাস by আলফাজ আনাম
- ফিলিস্তিনিদের তৃতীয় ইন্তিফাদার কথা by মো: বজলুর রশীদ
- অনলাইন ব্যবহারে শিশুদের ঝুঁকি বাড়ছে
- ডায়মন্ডের আংটি আর বিলাসী ঘড়ির কারণে...
- গাড়ি নিয়ে অভিনব চুরি
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেটের মহাকাশ-যাত্রা শুরু
- আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে ধসের নেপথ্যে
- খালেদার রায়, যানজট হেলিকপ্টার এবং... by মুসা বিন ম...
- শহীদ হলেন ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের 'সিংহ' আহমাদ না...
- এতটা নৈতিক বিপর্যয়!
- সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য
-
▼
Feb 07
(70)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment