Saturday, May 16, 2015
ঠগি by আলীম আজিজ
ঠগি by আলীম আজিজ
এই গ্রামে যে সে আগে আসেনি এমন নয়, অনেকবারই এসেছে। এ গায়ের অলিগলি মেঠোপথ তার ভালোই চেনা, চেনা এ গায়ের কিছু অবস্থাপন্ন ঘর-গেরস্থের নামধামও। তবে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় সে এসেছে হাতে গোনা কয়েকবার মাত্র, সাকল্যে তিন-চারবারের বেশি হবে না। তাও সে আসা ছদ্মবেশ ধরে। আজও পুরো না হলেও সে রকমই খানিকটা ঢেকেঢুকে নদীতীরে এসে পৌঁছাল সে। তার মূল কাজ যদিও বিষ্যুদবারে, আজ সে যাচ্ছে আগেভাগে নতুন কয়েকটা পথ চিনে নিতে। এবার আর তাকে পুরোনো পথে ফিরলে চলবে না। এক পথ দুবার ব্যবহার করার নিয়ম নেই। কিন্তু এ নিয়ম সে এরই মধ্যে কয়েকবার ভেঙেছে, কিন্তু আর দুঃসাহস দেখাতে মন সায় দিচ্ছে না। বরং আজ মন কেবলই কু ডাক ডাকছে। এ গায়ের সীমানায় আসার পর থেকেই কেমন যেন একটা অচেনা অনুভূতি ছেঁকে ধরেছে তাকে। আগে এ রকম কক্ষনো হয়নি! তাই এখন একবার ইচ্ছে হচ্ছে ফিরে যায়; কিন্তু সে উপায়ও নেই। গেল দিন ধানতারার হাটে কপাল খুব খারাপ গেছে। সামনে এখন হাট বলতে মঙ্গলবারের ওই কুশুরা আর তারপর বিষ্যুদবারের কালামপুরের হাট। কুশুরার হাটে গিয়ে তেমন ফায়দা হবে না, সে ভালোই জানে। ওটা ছোট হাট, ওখানে গরুর হাট নামে যেটা বসে তাকে ঠিক হাট বলা যায় না। দূরের ব্যাপারীরা কেউই আসে না ওই হাটে। আশপাশের দু-চার গায়ের গেরস্তের গরু নিয়েই ওই ছোট আকারের নামকাওয়াস্ত হাট। কাজেই এখন ভরসা বলতে ওই কালামপুরের হাটই। তবে মাশাআল্লা, হাট যদি বলতে হয় তো ওই ধানতারাকে পয়লা নম্বরেই রাখবে সে, তার পরই নাম করবে কালামপুরের। এই দুই হাটেই কম আর বেশি-চারপাশের গেরস্তরা তো আসেই, আসে দূর-দূরান্ত থেকে ব্যাপারীর দল, বেণিপুর, সুয়াপুর, বোলভাদ্দর, সখিপুর, দৌলতপুর—কত জায়গার নাম করবে সে।
কিন্তু গতকাল ধানতারার হাটবারটা তার এমনধারা হলো কেন, বড় অপয়া একটা দিন গেছে। কাল কী যে হলো, কত রকম কায়দা-কসরত করেও সে কোনো একটা ব্যাপারী দলের সঙ্গে ভিড়তে পারল না। সে এখন আর কোনো ঠিগ দলে নেই ঠিক। নিজেকে ঠিগও মনে করে না, তাও ঠিক। কারণ সর্দার নওশেরা জমাদারের খুনের পর দল বলে তাদের যা টিকে ছিল তা কি আর ঠিগ দল ছিল? নওশেরা জমাদারের সময় তাদের দল চলেছে বড় দাপে, যমুনাজুড়ে তাদের অবাধ বিচরণ ছিল। নৌকায় নৌকায় তারা ভাটিতে-উজানে কতজনের গলায় যে আঙ্গুছা পরিয়ে দিয়ে সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে সটকে পড়েছে। কতজনের যে পেছন থেকে ফাঁসের হেঁচকা টানে শিরদাড়া ভেঙে দিয়েছে। তখন তবিলে, তহবনের উল্টো ভাঁজে লুকানো থাকত তাদের মেস্টাপাটের চিকন ফাঁস। কিন্তু সে দিন গেছে নওশেরার সঙ্গে সঙ্গেই।
তবে কি, ঠিগ দল আর নেই ঠিক, কিন্তু মনে-প্রাণে এখনো তো সে ঠিগই। আর ঠিগ শুধু খুনি নয়, ঠিগ তো এক বিশ্বাসও। যে কারণে পুরোনো সেই অভ্যাসে আজও সে চারদিক দেখেশুনে পথে নামে, চোখ কান খোলা রেখে পথ চলে।
কিন্তু কাল ধানতারার হাট তার জন্য বড় যে খারাপ গেল, বড় উল্টাসিধা রকম গেল তার আরেকটা কারণ কি তার সর্দার নয়! জীবনে এ রকম কিছু ঘটতে পারে তা কি সে ঘুণাক্ষরেও কোনো দিন ভেবেছিল: যে নওশেরাকে সে নিজে দেখেছে কালামপুর থেকে দেড় ক্রোশ পুবে, বংশি নদীর কুমে বলরামের ছুরি বুকে নিয়ে ডুবে যেতে সে-ই কাল কী করে ধানতারার হাটে হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে উদয় হলো, এই হিসাব সে কিছুতেই মেলাতে পারছে না। নওশেরাকে দেখেই সে চিনেছে, স্বাস্থ্যটা সেই আগের মতোই আছে, বরং আরও যেন বলশালী হয়েছে, তবে পাঁচ বছরে একটা পরিবর্তন নওশেরার চেহারায় পড়েছে—মাথার অতি অহংকারের বাবরি চুল, যা একসময় কাঁধ পর্যন্ত নামত, সেই বাবরি যেন এখন কগোছা শনের নড়িমাত্র, নওশেরার সেই চুলের বাহার পুরোই গেছে, সেই জায়গায় নিষ্ঠুরভাবে কপালের টাক বিস্তৃত হয়ে মাথার অনেকখানিরই দখল নিয়ে ফেলেছে প্রায়। নওশেরার সেই পাকানো তেল চকচকে গোঁফ, তাও নেই; কিন্তু সেই সিংহের মতো তীব্র চোখ আছে এখনো, হাটের ভিড়ে আচমকা দুজনে মুখোমুখি পড়ে যাওয়ার পর, নওশেরা মুখটা সামান্য তুলে সেই যে তাকাল, সেই যে তার কলজে হিম করা পুরোনো দিনের মতো দৃষ্টি, সেটা মনে করে তার বুকের ভেতরটা এখনো কেমন হিম হয়ে আসল।
নওশেরার খুনের পর তাদের দলেরই এক ছুপা-রুস্তমের ছুরিকাঘাতে যেবার বলরাম মারা পড়ল, তখনই সে বুঝেছিল দল আর টিকবে না। টেকেওনি। নওশেরার কর্তৃত্ব অমান্য করার সাহস রাখত একমাত্র বলরাম, নওশেরা সেটা জানতও, কিন্তু পেশিশক্তির চেয়ে নওশেরার আস্থা ছিল মাথার শক্তিতে, সেটাই যে ঠিক ছিল, তার প্রমাণ নওশেরা বহুবার দিয়েছেও। কিন্তু অতি বুদ্ধিমানও ভুল করে। বলরাম সেই ভুলেরই সুযোগ নিয়েছিল বংশি নদীর কালো জলের কুমে। নেপথ্যে থেকে সে বলরামের এই কাজে সমর্থন জুগিয়েছিল ঠিক। কিন্তু যা ভেবেছিল তা হয়নি। বরং বলরাম মারা যাওয়ার পর দলটা আরও দুর্বল হয়ে পড়ল। আয়-রোজগার নেই, দলে থাকা না থাকা তখন তার কাছে সমান হয়ে গেল, তাই একদিন নিঃশব্দে দল ছাড়ল সে। এবং কেউ সেদিন তার পথ আগলে দাঁড়াল না। নওশেরা জমাদার থাকলে এমন হতো না কোনো দিন।
দল ছাড়ায় তার ক্ষতি হয়নি, একলা চলেছে এত দিন। কিন্তু নওশেরা ফিরে এসে কি একটা ঝামেলা তৈরি করল না এখন? প্রশ্নটা ঘুরেফিরেই তার মনে আসছে। নিহত নওশেরাকে সে পছন্দই করত, সে পছন্দের সুবাদেই কি সে তার নিজের মধ্যে, নওশেরাকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়নি! তার আজকের বেশবাস, চলাফেরা সবই তো নওশেরা জমাদারের। গোপনে সেও নওশেরা হতেই চেয়েছে। এখন জীবিত নওশেরার পুনরাবির্ভাবে তাকে, বদলে যেতে হবে আবার। একটু মুশকিল হলো। তাতে কি! সে তো নওশেরা না। তবে নিজেকে নওশেরা জমাদার ভাবতে বেশ লাগত, কাজেকর্মে বেশ একটা স্ফূর্তি বোধ করত সে। লোকে যখন তাকে দেখে সভয়ে সরে গিয়ে, ফিসফিস করে কথা বলে, সে বড় মজা!
তার কারণেই কি রহস্যময় নওশেরা কারও কারও কাছে এখনো জীবিত না! কালামপুর, ধানতারা, গোয়াইলবাড়ির হাটে পাকানো গোঁফের, বাবরি চুলের নওশেরাকে নাকি এখনো দেখা যায়! এসব কথা, ফিসফাস যখন তার কানে আসে সে একাকী নিঃশব্দে হাসে আর ভাবে: নওশেরাকে এখনো দেখা যায়! দেখা তো যাওয়ারই কথা...বেশ ছিল এসব দিন। আসল নওশেরা জমাদার মৃত্যুর ওপার থেকে ফিরে এসেছে। সে ভুল দেখেনি। কিন্তু কী দরকার ছিল নওশেরার ফিরে আসার! তার অনুপস্থিতিতে বেশ তো চলছিল, দল ছেড়ে নিজের মতো করে নকল নওশেরার বেশে গরু ব্যাপারীদের নিয়ে ভালোই ছিল সে। আজও ওই একই উদ্দেশ্য নিয়েই তো এসেছিল এই বংশি নদীর পাড়ে, পরিকল্পনা ছিল, নদী পেরিয়ে বান্নাখোলা গ্রাম পর্যন্ত যাবে, তারপর উল্টোবাগে ঘুরে শিমুলিয়া হয়ে নদী পেরিয়ে ধামরাই দিয়ে উঠে চলে যাবে হম্ভাগ অবধি। বিষ্যুদবারে পুবের বেণিপুর থেকে আসা গরুর ব্যাপারী দলই ছিল তার মূল লক্ষ্য। হাট শেষে গরুর পাল নিয়ে ব্যাপারীরা রওনা দেবে দশ ক্রোশ দূরের গোয়াইলবাড়ির হাটের দিকে। তার আগে কালামপুরের হাট শেষে বান্নাখোলা আর ওলুনিয়া গ্রামের বিভিন্ন গেরস্তবাড়িতে রাতের খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রামের বন্দোবস্তে যাত্রাবিরতি করার কথা ওদের। গেরস্ত বাড়ির পাগাড়ঘেঁষা খোলা হালটে গরু রেখে রাতটুকু ঘুমিয়ে পুব থেকে আসা এই গরুর ব্যাপারী দল কাকডাকা সেই ভোরে আবার বেরিয়ে পড়বে পথে। এদের স্থানীয় পরিচয় পুবা। পশ্চিম থেকে এসে বরাবর পুবে যায়।
কোনো পুবাকেই একেবারে সর্বস্বান্ত সে করেনি কখনো, নওশেরা এটা খুব মেনে চলত। সাধারণত বাছাই করে তিনটে-চারটে গরু হাতিয়েই সটকে পড়ে সে। দল থেকে একটা-দুটো গরু খোয়া যাওয়ার ব্যাপারটা সকালের আগে পুবারা ঠিক ধরতেও পারে না। তবে যখন বুঝতে পারে তখন আসলে কিছু করারও থাকে না ওদের। ততক্ষণে সে চলে গেছে ওদের নাগালের বাইরে। গরুর পাল রেখে, সীমিত লোকবলের কারণে তাকে পিছু ধাওয়া করে ধরার আর কোনো উপায় নেই পুবাদের। দু-তিনটে গরুর ক্ষতি তখন বাধ্য হয়েই মেনে নেয় ওরা।
খানিকটা বিভ্রান্ত, অন্যমনস্ক মনে ঝকঝকে রোদ গায়ে মেখে বংশির কিনারে এসে দাঁড়াল সে। পারাপারের গুদারা-নৌকাটা মাত্র ঘাটে ভিড়ল। দুজন কামলা-কিষাণ চেহারার লোক লাফিয়ে নেমে তার পাকানো গোঁফের দিকে তাকিয়েই সভয়ে চোখ নামিয়ে গাঙের ঢাল বেয়ে উঠে গেল মাথা নিচু করে।
গুদারার নলখাগড়া বিছানো পাটাতনের ওপর দিয়ে হেঁটে গলুইয়ের কাছে এসে বসল সে। নৌকার পাটনি, বয়সে একেবারে ছোকড়া। তাকে একবার অপাঙ্গে দেখে নিয়ে কৌতূহল চেপে রাখতে না পেরে জিজ্ঞেস করল, ‘কনে যাইবেন?’
জবাব দেওয়ার আগেই পাড় থেকে এ সময় খিল খিল করে হাসির হররা তুলে নৌকায় এসে উঠল কম বয়সী দুটো মেয়ে। ঝলকে একটা মেয়ের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল তার, হাঁ করা মুখ বন্ধ করতেও যেন ভুলে গেল সে। চোখের পলক পড়ল না পর্যন্ত।
মেয়ে দুটো তার বিপরীত দিকে গুদারায় আড়াআড়ি পাতা তকতায় বসতে বসতে, একটা মেয়ে তার সঙ্গে চোখাচোখি হওয়া মেয়েটাকে কনুইয়ের গুঁতো দিয়ে বলল, ‘দ্যাখ, বেডায় কিমুন ড্যাবড্যাবাইয়া তর দিকে চাইয়া রইছে!’
‘দেখছি, বেডার বাবরি চুল দ্যাখ!’
‘বেডা কিমুন বেশরম...কিমুন ডাকাইত্যা চেহারা!’
‘কী সন্দুর মোছ! যেন্ চুবচুবা তেল বাইয়া পড়তাছে!’
সে এবার মুখে হাসির ঝিলিক তুলে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনারা কোন বাড়ির?’
এটা নিয়মবিরুদ্ধ, তার পেশায় স্থানীয় কারও সঙ্গে কোনো রকম বাতচিতে যাওয়ার নিয়ম নেই। কারও নজরে পড়া যাবে না, বিশেষ করে সে যখন কাজে বেরিয়েছে। কিন্তু নিয়মটা জেনেও সে ভঙ্গ করল আজ।সব ভুলে বান্নাখোলার নবা মুন্সীর মেয়েকে মুগ্ধ বিস্ময় নিয়ে দেখল সে—পলকহীন: সবুজ কলাপাতা রঙের শাড়ি-পরা এক অপ্সরী। পরিকল্পনা ছিল: বান্নাখোলা গ্রামে সে ঢুকবে। হাটুরে মানুষের মতো কারও মনে কোনো রকম সন্দেহের উদ্রেক না করে একটু-আধটু আশপাশে ঘোরাঘুরি...তারপর গরু নিয়ে কোন পথে গেলে দ্রুত হম্ভাগের পথ পাওয়া যাওয়া যাবে—চিনে নিয়েই সেÊফ হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া। কিন্তু নদী পেরিয়ে এসে মেয়ে দুটোর পিছু নিয়ে তিনরাস্তার মাথায় ছোটগোলাঘর নামে পরিচিত মনিহারি দোকানটার সামনে এসে ফিরে না গিয়ে, বাঁশের বেঞ্চিতে বসে দোকানি লোকটার সঙ্গে অকারণ কথা চালাচালির চেষ্টা করল সে, যা সে কখনো করে না, গাঁটের পয়সায় দু-তিনটে পান কিনেও চিবাল। এসব কী করছে? নিজেকে নিজে সে চোখ ঠাউরে শাসন করলেও বিস্ময় নিয়ে খেয়াল করল যে মেয়েটাকে আরেকবার না দেখে এই গা ছেড়ে তার যেতে ইচ্ছে করছে না। দুপুরের দিকে মনোবাসনা মিটল তার, আবারও দেখা পেল সে সকালের সেই কলাপাতা-রঙা শাড়ির মেয়েটির। গোলাঘর ছেড়ে আরেকটু উজিয়ে এসে পথের পাশের বিশাল বড় দিঘির পাড়ের আমগাছের নিচে বসে দ্বিধান্বিত সে যখন নিজের সঙ্গে সওয়াল-জবাব করছে, আর কিছুক্ষণ দেখবে না রওনা হয়ে যাবে—এই ভাবনায় সে যে মুহূর্তে দ্বিখণ্ডিত, সে মুহূর্তেই দিঘির পাড়ে মেয়েটাকে আরেক দফা দেখে যেন তার বিষণ² দুপুর আবার ঝলমলিয়ে উঠল। ভেজা কাপড়ে পাড় বেয়ে উঠে এল মেয়েটা। ভেজা ল্যাপটানো কাপড়ে মোড়ানো যেন এক তরবারি। মেয়েমানুষ এত সুন্দর হয়!
আর তখুনি সিদ্ধান্তটা নিল সে। মুখে হাসি ফুটিয়ে, আমগাছের নিচ থেকে সরে এসে দাঁড়াল মেয়েটার সামনে। নবা মুন্সীর এই মেয়েটার নাম আল্লাদী। বাবা-মায়ের আদরের মেয়ে। তাই কথাবার্তায়ও বেশ ঠোঁটকাটা। ডাকাবুকোও। গুদারায় দেখা লোকটাকে এবার চোখ তুলে ভালো করে নজর করে দেখল সে। তখন পাশ থেকে দেখা বাবরি চুলের এই লোকটার মুখ দেখে কেমন এক ঘোর লাগা অনুভূতি সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিল—এই তো সকালের কথা। আর এখন কাছ থেকে, মাত্র এক হাত দূর থেকে লোকটাকে দেখে সে হতাশই হলো। কই, খুব মর্দ ধরনের পুরুষ তো একে মনে হচ্ছে না? বিশালদেহী, এক সুপুরুষের যে ছবি তার মনে গাঁথা হয়েছিল, এ তো কিছুতেই সে রকম না! বরং সুপুরুষ তো এ না-ই, এখন কাছ থেকে দেখে নিতান্তই সাদামাটা একজন বলে মনে হচ্ছে। ‘এখানে আইলে আবার তোমার দেখা পামু? না, তুমি আমার লগে যাইবা?’ হঠাৎ কথা বলে ওঠে লোকটা। ‘দেখা পাইতে পারেন, বড় দিঘি নাওনের জায়গা...কিন্তু আপনের লগে যামু ক্যান?’ ধারালো গলায় জবাব দেয় আল্লাদী। নড়তে যেন ভুলে গেছে সে। তার শরীরজুড়ে বয়ে যাচ্ছে অদ্ভুত এক কাঁপন। একই সঙ্গে শুকিয়ে আসছে গলা। অস্থির লাগছে। এই এলাকা ছেড়ে অনেক আগেই তার সরে পড়া উচিত ছিল—এই সতর্কবার্তা মনে এলেও আরও একবার একে উপেক্ষা করল সে। এগিয়ে এল দুপা। বলল, ‘তুমি আমার সঙ্গে চলো। সোহাগ দিয়া ভইরা দিমু তোমারে।’
‘আপনে কেডা? আপনারে আমি চিনি?’
এই জবাবে আচমকা বেভুল এক রাগ উসকে ওঠে তার বুকের ভেতর, ঝটিতে হাত বাড়িয়ে মেয়েটার ডান হাত খামচে ধরল সে, ‘আমার সঙ্গে গেলেই চিনবা! চলো...!’
কথা শেষ করতে পারে না, তখনই চোখের কোনায় ধরা পড়ে আরেকটা দৃশ্য: দেখে উল্টো দিক থেকে ঝোলা কাঁধে শান্ত ভঙ্গিতে এগিয়ে আসছে একটা লোক। এই দৃশ্যে পুরো শরীর থরথরিয়ে কেঁপে উঠল তার। দীর্ঘদেহী, নওশেরা জমাদারকে চিনতে তার কষ্ট হলো না একটুও। আচমকা অসুস্থ বোধটা যেন পুরোই গ্রাস করল তাকে। মাথাটা কি একটু টলে উঠল! এদিকে মেয়েটা তার হাত ছাড়িয়ে খানিক দূরে সরে গিয়ে তাকিয়ে আছে বিস্ময়ে। লোকটা হঠাৎ যেন পাথর বনে গেছে। ভূত দেখার মতো মুখচোখ সাদা হয়ে গেছে একদম। চোখাচোখি হলো। কিন্তু লোকটা এখন আর তাকে দেখছে না। ভয়ানক এক অবিশ্বাস নিয়ে সে তাকিয়ে আছে তার পেছনে আগোয়ান নতুন আগন্তুক লোকটার দিকে। এরপর যেন সবকিছু খুব দ্রুত ঘটল। মেলায় গোল চোঙার ভেতর দিয়ে দেখা দশ-বারো বছর আগের বায়োস্কোপের কথা মনে পড়ল, দৃশ্যগুলো যেন দ্রুত একটার পর একটা দৌড়ে সামনে চলে আসছে। ঢোলা জোব্বা গায়ে আগন্তুকটি প্রায় নিঃশব্দে লোকটার কাছে চলে এসেছে কখন। এক হাত দূরত্বে এসে থামল সে, এর মধ্যে কখন যেন ঝোলা থেকে তার হাতে উঠে এসেছে কালো, বাঁকানো, দীর্ঘ একটা ছুরি। ‘সবাই কি আর নওশেরা হইতে পারে রে!’ চাপা এই মন্তব্যের পরই একটা অস্ফুট আর্তনাদের মতো শুনল তরুণীটি। তারপর দেখল আগন্তুকের ছুরির পোচে পেট চেপে ধরে পড়ে যাচ্ছে লোকটা, ভুড়ি বেরিয়ে এসেছে তার হাতে। ‘মাগো’ বলে একটা চাপা আর্তচিৎকার করেই ভেজা কাপড়ে দৌড়াতে শুরু করল আল্লাদী। আগন্তুক তখন ঝুঁকে এসে প্রায় ফিসফিস করে বলছে, ‘ভাবছিলি পিঠে ছুরি মারলেই শ্যাষ নওশেরার, আবার নওশেরা সাজন!’
লোকটার চোখ উল্টে এসেছে, সে শুধু বলতে পারে, ‘আমি না ছুরি মারছে...বলরাম...’
তারপর বান্নাখোলার বড়পুকুরের রাস্তার ধারে নাম-পরিচয়হীন এক লাশ হয়ে পড়ে রইল সে। জোব্বা পরা আগন্তুকটি ততক্ষণে আবার হাঁটতে শুরু করেছে, যে পথে সে এসেছিল সেই পথেই মিলিয়ে যাচ্ছে আবার।
পূর্ববর্তী অংশ
তবে কি, ঠিগ দল আর নেই ঠিক, কিন্তু মনে-প্রাণে এখনো তো সে ঠিগই। আর ঠিগ শুধু খুনি নয়, ঠিগ তো এক বিশ্বাসও। যে কারণে পুরোনো সেই অভ্যাসে আজও সে চারদিক দেখেশুনে পথে নামে, চোখ কান খোলা রেখে পথ চলে।
কিন্তু কাল ধানতারার হাট তার জন্য বড় যে খারাপ গেল, বড় উল্টাসিধা রকম গেল তার আরেকটা কারণ কি তার সর্দার নয়! জীবনে এ রকম কিছু ঘটতে পারে তা কি সে ঘুণাক্ষরেও কোনো দিন ভেবেছিল: যে নওশেরাকে সে নিজে দেখেছে কালামপুর থেকে দেড় ক্রোশ পুবে, বংশি নদীর কুমে বলরামের ছুরি বুকে নিয়ে ডুবে যেতে সে-ই কাল কী করে ধানতারার হাটে হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে উদয় হলো, এই হিসাব সে কিছুতেই মেলাতে পারছে না। নওশেরাকে দেখেই সে চিনেছে, স্বাস্থ্যটা সেই আগের মতোই আছে, বরং আরও যেন বলশালী হয়েছে, তবে পাঁচ বছরে একটা পরিবর্তন নওশেরার চেহারায় পড়েছে—মাথার অতি অহংকারের বাবরি চুল, যা একসময় কাঁধ পর্যন্ত নামত, সেই বাবরি যেন এখন কগোছা শনের নড়িমাত্র, নওশেরার সেই চুলের বাহার পুরোই গেছে, সেই জায়গায় নিষ্ঠুরভাবে কপালের টাক বিস্তৃত হয়ে মাথার অনেকখানিরই দখল নিয়ে ফেলেছে প্রায়। নওশেরার সেই পাকানো তেল চকচকে গোঁফ, তাও নেই; কিন্তু সেই সিংহের মতো তীব্র চোখ আছে এখনো, হাটের ভিড়ে আচমকা দুজনে মুখোমুখি পড়ে যাওয়ার পর, নওশেরা মুখটা সামান্য তুলে সেই যে তাকাল, সেই যে তার কলজে হিম করা পুরোনো দিনের মতো দৃষ্টি, সেটা মনে করে তার বুকের ভেতরটা এখনো কেমন হিম হয়ে আসল।
নওশেরার খুনের পর তাদের দলেরই এক ছুপা-রুস্তমের ছুরিকাঘাতে যেবার বলরাম মারা পড়ল, তখনই সে বুঝেছিল দল আর টিকবে না। টেকেওনি। নওশেরার কর্তৃত্ব অমান্য করার সাহস রাখত একমাত্র বলরাম, নওশেরা সেটা জানতও, কিন্তু পেশিশক্তির চেয়ে নওশেরার আস্থা ছিল মাথার শক্তিতে, সেটাই যে ঠিক ছিল, তার প্রমাণ নওশেরা বহুবার দিয়েছেও। কিন্তু অতি বুদ্ধিমানও ভুল করে। বলরাম সেই ভুলেরই সুযোগ নিয়েছিল বংশি নদীর কালো জলের কুমে। নেপথ্যে থেকে সে বলরামের এই কাজে সমর্থন জুগিয়েছিল ঠিক। কিন্তু যা ভেবেছিল তা হয়নি। বরং বলরাম মারা যাওয়ার পর দলটা আরও দুর্বল হয়ে পড়ল। আয়-রোজগার নেই, দলে থাকা না থাকা তখন তার কাছে সমান হয়ে গেল, তাই একদিন নিঃশব্দে দল ছাড়ল সে। এবং কেউ সেদিন তার পথ আগলে দাঁড়াল না। নওশেরা জমাদার থাকলে এমন হতো না কোনো দিন।
দল ছাড়ায় তার ক্ষতি হয়নি, একলা চলেছে এত দিন। কিন্তু নওশেরা ফিরে এসে কি একটা ঝামেলা তৈরি করল না এখন? প্রশ্নটা ঘুরেফিরেই তার মনে আসছে। নিহত নওশেরাকে সে পছন্দই করত, সে পছন্দের সুবাদেই কি সে তার নিজের মধ্যে, নওশেরাকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়নি! তার আজকের বেশবাস, চলাফেরা সবই তো নওশেরা জমাদারের। গোপনে সেও নওশেরা হতেই চেয়েছে। এখন জীবিত নওশেরার পুনরাবির্ভাবে তাকে, বদলে যেতে হবে আবার। একটু মুশকিল হলো। তাতে কি! সে তো নওশেরা না। তবে নিজেকে নওশেরা জমাদার ভাবতে বেশ লাগত, কাজেকর্মে বেশ একটা স্ফূর্তি বোধ করত সে। লোকে যখন তাকে দেখে সভয়ে সরে গিয়ে, ফিসফিস করে কথা বলে, সে বড় মজা!
তার কারণেই কি রহস্যময় নওশেরা কারও কারও কাছে এখনো জীবিত না! কালামপুর, ধানতারা, গোয়াইলবাড়ির হাটে পাকানো গোঁফের, বাবরি চুলের নওশেরাকে নাকি এখনো দেখা যায়! এসব কথা, ফিসফাস যখন তার কানে আসে সে একাকী নিঃশব্দে হাসে আর ভাবে: নওশেরাকে এখনো দেখা যায়! দেখা তো যাওয়ারই কথা...বেশ ছিল এসব দিন। আসল নওশেরা জমাদার মৃত্যুর ওপার থেকে ফিরে এসেছে। সে ভুল দেখেনি। কিন্তু কী দরকার ছিল নওশেরার ফিরে আসার! তার অনুপস্থিতিতে বেশ তো চলছিল, দল ছেড়ে নিজের মতো করে নকল নওশেরার বেশে গরু ব্যাপারীদের নিয়ে ভালোই ছিল সে। আজও ওই একই উদ্দেশ্য নিয়েই তো এসেছিল এই বংশি নদীর পাড়ে, পরিকল্পনা ছিল, নদী পেরিয়ে বান্নাখোলা গ্রাম পর্যন্ত যাবে, তারপর উল্টোবাগে ঘুরে শিমুলিয়া হয়ে নদী পেরিয়ে ধামরাই দিয়ে উঠে চলে যাবে হম্ভাগ অবধি। বিষ্যুদবারে পুবের বেণিপুর থেকে আসা গরুর ব্যাপারী দলই ছিল তার মূল লক্ষ্য। হাট শেষে গরুর পাল নিয়ে ব্যাপারীরা রওনা দেবে দশ ক্রোশ দূরের গোয়াইলবাড়ির হাটের দিকে। তার আগে কালামপুরের হাট শেষে বান্নাখোলা আর ওলুনিয়া গ্রামের বিভিন্ন গেরস্তবাড়িতে রাতের খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রামের বন্দোবস্তে যাত্রাবিরতি করার কথা ওদের। গেরস্ত বাড়ির পাগাড়ঘেঁষা খোলা হালটে গরু রেখে রাতটুকু ঘুমিয়ে পুব থেকে আসা এই গরুর ব্যাপারী দল কাকডাকা সেই ভোরে আবার বেরিয়ে পড়বে পথে। এদের স্থানীয় পরিচয় পুবা। পশ্চিম থেকে এসে বরাবর পুবে যায়।
কোনো পুবাকেই একেবারে সর্বস্বান্ত সে করেনি কখনো, নওশেরা এটা খুব মেনে চলত। সাধারণত বাছাই করে তিনটে-চারটে গরু হাতিয়েই সটকে পড়ে সে। দল থেকে একটা-দুটো গরু খোয়া যাওয়ার ব্যাপারটা সকালের আগে পুবারা ঠিক ধরতেও পারে না। তবে যখন বুঝতে পারে তখন আসলে কিছু করারও থাকে না ওদের। ততক্ষণে সে চলে গেছে ওদের নাগালের বাইরে। গরুর পাল রেখে, সীমিত লোকবলের কারণে তাকে পিছু ধাওয়া করে ধরার আর কোনো উপায় নেই পুবাদের। দু-তিনটে গরুর ক্ষতি তখন বাধ্য হয়েই মেনে নেয় ওরা।
খানিকটা বিভ্রান্ত, অন্যমনস্ক মনে ঝকঝকে রোদ গায়ে মেখে বংশির কিনারে এসে দাঁড়াল সে। পারাপারের গুদারা-নৌকাটা মাত্র ঘাটে ভিড়ল। দুজন কামলা-কিষাণ চেহারার লোক লাফিয়ে নেমে তার পাকানো গোঁফের দিকে তাকিয়েই সভয়ে চোখ নামিয়ে গাঙের ঢাল বেয়ে উঠে গেল মাথা নিচু করে।
গুদারার নলখাগড়া বিছানো পাটাতনের ওপর দিয়ে হেঁটে গলুইয়ের কাছে এসে বসল সে। নৌকার পাটনি, বয়সে একেবারে ছোকড়া। তাকে একবার অপাঙ্গে দেখে নিয়ে কৌতূহল চেপে রাখতে না পেরে জিজ্ঞেস করল, ‘কনে যাইবেন?’
জবাব দেওয়ার আগেই পাড় থেকে এ সময় খিল খিল করে হাসির হররা তুলে নৌকায় এসে উঠল কম বয়সী দুটো মেয়ে। ঝলকে একটা মেয়ের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল তার, হাঁ করা মুখ বন্ধ করতেও যেন ভুলে গেল সে। চোখের পলক পড়ল না পর্যন্ত।
মেয়ে দুটো তার বিপরীত দিকে গুদারায় আড়াআড়ি পাতা তকতায় বসতে বসতে, একটা মেয়ে তার সঙ্গে চোখাচোখি হওয়া মেয়েটাকে কনুইয়ের গুঁতো দিয়ে বলল, ‘দ্যাখ, বেডায় কিমুন ড্যাবড্যাবাইয়া তর দিকে চাইয়া রইছে!’
‘দেখছি, বেডার বাবরি চুল দ্যাখ!’
‘বেডা কিমুন বেশরম...কিমুন ডাকাইত্যা চেহারা!’
‘কী সন্দুর মোছ! যেন্ চুবচুবা তেল বাইয়া পড়তাছে!’
সে এবার মুখে হাসির ঝিলিক তুলে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনারা কোন বাড়ির?’
এটা নিয়মবিরুদ্ধ, তার পেশায় স্থানীয় কারও সঙ্গে কোনো রকম বাতচিতে যাওয়ার নিয়ম নেই। কারও নজরে পড়া যাবে না, বিশেষ করে সে যখন কাজে বেরিয়েছে। কিন্তু নিয়মটা জেনেও সে ভঙ্গ করল আজ।সব ভুলে বান্নাখোলার নবা মুন্সীর মেয়েকে মুগ্ধ বিস্ময় নিয়ে দেখল সে—পলকহীন: সবুজ কলাপাতা রঙের শাড়ি-পরা এক অপ্সরী। পরিকল্পনা ছিল: বান্নাখোলা গ্রামে সে ঢুকবে। হাটুরে মানুষের মতো কারও মনে কোনো রকম সন্দেহের উদ্রেক না করে একটু-আধটু আশপাশে ঘোরাঘুরি...তারপর গরু নিয়ে কোন পথে গেলে দ্রুত হম্ভাগের পথ পাওয়া যাওয়া যাবে—চিনে নিয়েই সেÊফ হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া। কিন্তু নদী পেরিয়ে এসে মেয়ে দুটোর পিছু নিয়ে তিনরাস্তার মাথায় ছোটগোলাঘর নামে পরিচিত মনিহারি দোকানটার সামনে এসে ফিরে না গিয়ে, বাঁশের বেঞ্চিতে বসে দোকানি লোকটার সঙ্গে অকারণ কথা চালাচালির চেষ্টা করল সে, যা সে কখনো করে না, গাঁটের পয়সায় দু-তিনটে পান কিনেও চিবাল। এসব কী করছে? নিজেকে নিজে সে চোখ ঠাউরে শাসন করলেও বিস্ময় নিয়ে খেয়াল করল যে মেয়েটাকে আরেকবার না দেখে এই গা ছেড়ে তার যেতে ইচ্ছে করছে না। দুপুরের দিকে মনোবাসনা মিটল তার, আবারও দেখা পেল সে সকালের সেই কলাপাতা-রঙা শাড়ির মেয়েটির। গোলাঘর ছেড়ে আরেকটু উজিয়ে এসে পথের পাশের বিশাল বড় দিঘির পাড়ের আমগাছের নিচে বসে দ্বিধান্বিত সে যখন নিজের সঙ্গে সওয়াল-জবাব করছে, আর কিছুক্ষণ দেখবে না রওনা হয়ে যাবে—এই ভাবনায় সে যে মুহূর্তে দ্বিখণ্ডিত, সে মুহূর্তেই দিঘির পাড়ে মেয়েটাকে আরেক দফা দেখে যেন তার বিষণ² দুপুর আবার ঝলমলিয়ে উঠল। ভেজা কাপড়ে পাড় বেয়ে উঠে এল মেয়েটা। ভেজা ল্যাপটানো কাপড়ে মোড়ানো যেন এক তরবারি। মেয়েমানুষ এত সুন্দর হয়!
আর তখুনি সিদ্ধান্তটা নিল সে। মুখে হাসি ফুটিয়ে, আমগাছের নিচ থেকে সরে এসে দাঁড়াল মেয়েটার সামনে। নবা মুন্সীর এই মেয়েটার নাম আল্লাদী। বাবা-মায়ের আদরের মেয়ে। তাই কথাবার্তায়ও বেশ ঠোঁটকাটা। ডাকাবুকোও। গুদারায় দেখা লোকটাকে এবার চোখ তুলে ভালো করে নজর করে দেখল সে। তখন পাশ থেকে দেখা বাবরি চুলের এই লোকটার মুখ দেখে কেমন এক ঘোর লাগা অনুভূতি সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিল—এই তো সকালের কথা। আর এখন কাছ থেকে, মাত্র এক হাত দূর থেকে লোকটাকে দেখে সে হতাশই হলো। কই, খুব মর্দ ধরনের পুরুষ তো একে মনে হচ্ছে না? বিশালদেহী, এক সুপুরুষের যে ছবি তার মনে গাঁথা হয়েছিল, এ তো কিছুতেই সে রকম না! বরং সুপুরুষ তো এ না-ই, এখন কাছ থেকে দেখে নিতান্তই সাদামাটা একজন বলে মনে হচ্ছে। ‘এখানে আইলে আবার তোমার দেখা পামু? না, তুমি আমার লগে যাইবা?’ হঠাৎ কথা বলে ওঠে লোকটা। ‘দেখা পাইতে পারেন, বড় দিঘি নাওনের জায়গা...কিন্তু আপনের লগে যামু ক্যান?’ ধারালো গলায় জবাব দেয় আল্লাদী। নড়তে যেন ভুলে গেছে সে। তার শরীরজুড়ে বয়ে যাচ্ছে অদ্ভুত এক কাঁপন। একই সঙ্গে শুকিয়ে আসছে গলা। অস্থির লাগছে। এই এলাকা ছেড়ে অনেক আগেই তার সরে পড়া উচিত ছিল—এই সতর্কবার্তা মনে এলেও আরও একবার একে উপেক্ষা করল সে। এগিয়ে এল দুপা। বলল, ‘তুমি আমার সঙ্গে চলো। সোহাগ দিয়া ভইরা দিমু তোমারে।’
‘আপনে কেডা? আপনারে আমি চিনি?’
এই জবাবে আচমকা বেভুল এক রাগ উসকে ওঠে তার বুকের ভেতর, ঝটিতে হাত বাড়িয়ে মেয়েটার ডান হাত খামচে ধরল সে, ‘আমার সঙ্গে গেলেই চিনবা! চলো...!’
কথা শেষ করতে পারে না, তখনই চোখের কোনায় ধরা পড়ে আরেকটা দৃশ্য: দেখে উল্টো দিক থেকে ঝোলা কাঁধে শান্ত ভঙ্গিতে এগিয়ে আসছে একটা লোক। এই দৃশ্যে পুরো শরীর থরথরিয়ে কেঁপে উঠল তার। দীর্ঘদেহী, নওশেরা জমাদারকে চিনতে তার কষ্ট হলো না একটুও। আচমকা অসুস্থ বোধটা যেন পুরোই গ্রাস করল তাকে। মাথাটা কি একটু টলে উঠল! এদিকে মেয়েটা তার হাত ছাড়িয়ে খানিক দূরে সরে গিয়ে তাকিয়ে আছে বিস্ময়ে। লোকটা হঠাৎ যেন পাথর বনে গেছে। ভূত দেখার মতো মুখচোখ সাদা হয়ে গেছে একদম। চোখাচোখি হলো। কিন্তু লোকটা এখন আর তাকে দেখছে না। ভয়ানক এক অবিশ্বাস নিয়ে সে তাকিয়ে আছে তার পেছনে আগোয়ান নতুন আগন্তুক লোকটার দিকে। এরপর যেন সবকিছু খুব দ্রুত ঘটল। মেলায় গোল চোঙার ভেতর দিয়ে দেখা দশ-বারো বছর আগের বায়োস্কোপের কথা মনে পড়ল, দৃশ্যগুলো যেন দ্রুত একটার পর একটা দৌড়ে সামনে চলে আসছে। ঢোলা জোব্বা গায়ে আগন্তুকটি প্রায় নিঃশব্দে লোকটার কাছে চলে এসেছে কখন। এক হাত দূরত্বে এসে থামল সে, এর মধ্যে কখন যেন ঝোলা থেকে তার হাতে উঠে এসেছে কালো, বাঁকানো, দীর্ঘ একটা ছুরি। ‘সবাই কি আর নওশেরা হইতে পারে রে!’ চাপা এই মন্তব্যের পরই একটা অস্ফুট আর্তনাদের মতো শুনল তরুণীটি। তারপর দেখল আগন্তুকের ছুরির পোচে পেট চেপে ধরে পড়ে যাচ্ছে লোকটা, ভুড়ি বেরিয়ে এসেছে তার হাতে। ‘মাগো’ বলে একটা চাপা আর্তচিৎকার করেই ভেজা কাপড়ে দৌড়াতে শুরু করল আল্লাদী। আগন্তুক তখন ঝুঁকে এসে প্রায় ফিসফিস করে বলছে, ‘ভাবছিলি পিঠে ছুরি মারলেই শ্যাষ নওশেরার, আবার নওশেরা সাজন!’
লোকটার চোখ উল্টে এসেছে, সে শুধু বলতে পারে, ‘আমি না ছুরি মারছে...বলরাম...’
তারপর বান্নাখোলার বড়পুকুরের রাস্তার ধারে নাম-পরিচয়হীন এক লাশ হয়ে পড়ে রইল সে। জোব্বা পরা আগন্তুকটি ততক্ষণে আবার হাঁটতে শুরু করেছে, যে পথে সে এসেছিল সেই পথেই মিলিয়ে যাচ্ছে আবার।
পূর্ববর্তী অংশ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1494)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
May
(1015)
-
▼
May 16
(26)
- গৃহকর্মী-শিক্ষার্থীদের ভিক্ষুক সাজিয়ে ভিক্ষুক সমা...
- সর্বগ্রাসী কোটা সংস্কারের উদ্যোগ নেই by নূর মোহাম্মদ
- ৬৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসব- তারা ভরা দিন by ইকবাল হো...
- ভারত চীনের পুনরুত্থান একবিংশ শতাব্দীর মাইলফলক
- অস্বীকারের রাজনীতি by কাবেরী গায়েন
- বিয়ের পিড়িতে না বসলে বিড়ম্বনা -বিবিসি
- ঠগি by আলীম আজিজ
- সালাহউদ্দিনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি, সিঙ্গাপ...
- ছোট্ট একটু দুষ্টামি by শাহদীন মালিক
- ওরা ৭ জন, স্যার স্যার শব্দ শোনা গেছে ফেলে দেয়ার দু...
- সালাহ উদ্দিনকে নিয়ে রহস্য কাটছে না by রাহীদ এজাজ
- ‘সমাধান হতে হবে মানবিকভাবে’
- ‘শতভাগ সফল’ প্রকল্পে ৬৩১ কোটি টাকার ঋণ অনিয়মিত -এ...
- ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ৭৪৭ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা উদ্...
- কঙ্কালসার ১০০০ উদ্ধার
- বাংলার আমের বিলেত যাত্রা by ইফতেখার মাহমুদ
- মৌলভীবাজারে রমরমা ব্যবসা ‘রঙিন দুনিয়া’ by ইমাদ উদ দীন
- ‘বুলবুল আমাকে মেরে ফেলবে আমি ওর কাছে আর যাবো না’ b...
- রোহিঙ্গা সংকট বৃদ্ধির নেপথ্যে নির্যাতন -বিবিসির প...
- প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তই পুলিশের শেষ ভরসা by ওয়েছ খছরু
- ১০০ বাংলাদেশিসহ ৩০০ মানুষ সাগরে ভাসছে by টিপু সুলতান
- যেসব নৌকায় পাচার করা হতো বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের
- অন্ধকারের প্রতিফলন
- ফের ফুঁসে উঠছে শিক্ষাঙ্গন
- ওমরাহ ভিসা বন্ধ যে কারণে
- ধর্মনিরপেক্ষ ও বামপন্থিদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত কর...
-
▼
May 16
(26)
-
▼
May
(1015)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment