Thursday, November 8, 2012
কালান্তক লাল ফিতা by শিবরাম চক্রবর্তী
কালান্তক লাল ফিতা by শিবরাম চক্রবর্তী
আমি আত্মহত্যা করার পর দিনকতক তাই নিয়ে খুব জোর হৈচৈ হয়েছিল। গত ১৯৫৩ সালের দোসরা এপ্রিলের কাগজে-কাগজে কেবল এই কথাই ছিল। বেশি দিনের কাণ্ড নয়, অতএব তোমাদের কারো কারো মনে থাকতেও পারে। আত্মহত্যার খবরটাই শুধু তোমরা পেয়েছ, কিন্তু কেন এবং কোন দুঃখে যে এ জন্য আর কাউকে না বেছে নিয়ে হঠাৎ নিজেকেই খুন করে বসলাম_তার নিগূঢ় রহস্য তোমরা কেউই জানো না।
সেই মর্মন্তুদ কাহিনীই এখানে বলব। খুব সংক্ষেপেই সারব।
রেড টেপিজম কাকে বলে, জানো তোমরা হয়তো। যদি কোনো আপিসে কখনো গিয়ে থাক, তাহলে লাল ফিতার বাঁধা ফাইল নিশ্চয়ই তোমরা দেখেছ, ফাইলের পর ফাইল সাজানো, বড় বড় বান্ডিলের থাকও তোমাদের চোখে পড়েছে নিশ্চয়, কিন্তু সরকারি দপ্তরখানায় তোমরা কখনো ঢুকেছ কি না জানি না, আমার একবার সেখানে ঢোকার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। আর তখন ঐ রকম লাল ফিতার ফাইল_ফাইলের স্তূপাকার আর বান্ডিলের আন্ডিল দেখেই হঠাৎ কেমন আমার মাথা বিগড়ে গেল; আর আমি ঐ মারাত্মক কাণ্ড করে বসলাম।
লাল ফিতার একটা নিজস্ব ধর্ম আছে। পৃথিবীতে যত রংস আবিষ্কৃত হয়েছে, ইঁফফযরংস থেকে শুরু করে ৎযবঁসধঃরংস পর্যন্ত, জবফ-ঞধঢ়রংস তাদের কারুর থেকেই কম যায় না। আমার মতে লাল ফিতার ধর্মই সবচেয়ে বেশি পরাক্রান্ত, কেননা পরকে আক্রমণ করতে আর করে কাবু করতে এর জুড়ি নেই।
এখন আসল ঘটনায় আসা যাক_টিপু সুলতাই হন বা তাঁর বাবা হায়দার আলিই হন_অবশ্যি আজকের কথা নয়, কোম্পানির আমলের কাহিনী_যাই হোক, ওঁদের একজন ওয়ারেন হেস্টিংসের বেজায় বিরক্তির কারণ হয়ে পড়েন। হেস্টিংস সাহেব সেই বিরক্তি দমন করতে না পেরে হায়দার আলিকেই দমন করবেন_এই স্থির করলেন। স্থির করেই তিনি কর্নেল কূটকে সসৈন্যে পাঠিয়ে দিলেন হায়দারের উদ্দেশে। সেই সময় অর্থাৎ সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল নাগাদ বিক্রমপুরের বলরাম পাঠকের সঙ্গে হেস্টিংসের সরকারের এই চুক্তি হয় যে, উক্ত পাঠক উক্ত কর্নেল কূটকে তাঁর গোরা পল্টনের রসদ বাবদ এক হাজার খাসি অথবা পাঁঠা সরবরাহ করবেন।
এই হলো গোড়ার ইতিহাস অথবা আদিম কাণ্ড।
এত আগে শুরু করবার কারণ এই যে, এর সঙ্গে আমার অন্তিম কাণ্ড ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ক্রমশই সেই রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।
এখন বলরাম পাঠক প্রাণান্ত পরিশ্রমে এক হাজার খাসি এবং পাঁঠা দিগ্বিদিক থেকে সংগ্রহ করে কলকাতার কেল্লার দরজা পর্যন্ত যখন তাড়িয়ে এনেছেন, তখন শুনতে পেলেন, কর্নেল কূট পাঁঠাদের জন্য প্রতীক্ষামাত্র না করে সসৈন্যে মহীশূরের দিকে সটকে পড়েছেন কখন।
বললাম ভাবিত হয়ে পড়লেন, কী করবেন? সরকারি চুক্তি তো অবহেলার বস্তু নয়। পাঁঠার জোগাড়ে টাকা জোগাতে হয়েছে (কম টাকা না!) আর অতগুলো পাঁঠা (কিংবা খাসিই হোক) একা কিংবা সপরিবারে খেয়ে খতম করা বলরামের একপুরুষের কম্ম নয়!
অনেক ভেবেচিন্তে বলরাম স্থির করলেন, পাঁঠাদের সমভিব্যহারে তিনিও কূটের অনুসরণ করবেন এবং কোথাও না কোথাও তাঁকে পাকড়াতে পারবেনই_তাহলেই তাঁর চুক্তি বজায় রাখা যাবে।
এতএব যেমন এসেছিলেন, তেমনি তিনি চললেন পাঁঠা তাড়িয়ে কূটের পেছন পেছন ধাওয়া করে মহীশূরের দিকে।
কটকে উপনীত হয়ে তিনি শুনলেন, কূট আরো দক্ষিণে বহরমপুরের দিকে পাড়ি মেরেছেন। তখন তিনিও পাঁঠাদের সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে ধাবিত হলেন, কিন্তু সেখানেও পেঁৗছলেন দেরি করে_দিন কয়েক আগে কূট চলে গেছেন হায়দ্রাবাদের অভিমুখে। অদ্ভুত এই কূটনীতি। কূটের চালচলনে বলরাম তো নাজেহাল হয়ে পড়লেনই, পাঁঠারাও হিমশিম খেয়ে গেল।
তারপর_তারপর আর কী? হায়দ্রাবাদ থেকে এলোর, এলোর থেকে মছলি-পত্তন, সেখান থেকে কোদ্দাপা (হাঁটতে হাঁটতে পাঁঠাদের চার পায়ে খিল ধরে গেল, বলরামের তো মোটে দুটো পা)। এই রকমে তিনি কর্নেলের পশ্চাদ্ধাবন করে চললেন কিন্তু গোদা পা নিয়ে কোদ্দাপা পার হয়েও কর্নেলের পাত্তা তিনি পেলেন না। পল্টনের নাগাল পাওয়া তাঁর আর হলো না। তিনি তো হয়রান হয়ে হাঁপিয়ে উঠলেনই, পাঁঠারাও ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল।
বাহাত্তর দিন এইভাবে দারুণ দৌড়াদৌড়ির পর মহীশূরের প্রায় সীমান্তে এসে অবশেষে যখন তিনি কর্নেল কূটের কাছাকাছি অর্থাৎ তাঁর ফৌজের ছাউনির চার-পাঁচ মাইলের মধ্যে পেঁৗছেছেন তখন এক বর্গীর দল এসে তাঁর দলে হানা দিল।
আক্রান্ত হয়ে তাঁর দলবল এমন চ্যাঁ-ভ্যাঁ শুরু করল যে, সে আর কহতব্য নয়। সেই দারুণ গণ্ডগোল আর ছত্রভঙ্গের ভেতর পাঠক মহাশয় (পথশ্রমে ক্লান্ত হয়ে তখন তাঁরই এক সহযাত্রী ঝোল বানিয়ে সবেমাত্র মুখে তুলতে যাচ্ছিলেন!) ভাতের থালার অন্তরালে আত্মগোপন করতে যাবেন, এমন সময় অতর্কিতে বর্শাবিদ্ধ হয়ে তাঁকে প্রাণ ত্যাগ করতে হয়।
বর্গীরা পাঁঠাদের নিয়ে পিঠটান দিল। সেই পলায়নের মুখে কয়েকটা পাঁঠা (অথবা খাসি) পথ ভুলেই হোক বা বর্গীদের সঙ্গে না পছন্দ করেই হোক (সংখ্যায় অবশ্যি তারা মুষ্টিমেয়), কর্নেল কূটের ছাউনির মধ্যে গিয়ে পড়ে এবং ধৃত হয়। বলা বাহুল্য, কর্নেল সাহেব সসৈন্যে তাদের উদরসাৎ করতে দ্বিধা করেননি। সুতরাং রসদরূপে তাদের সদ্ব্যবহার হয়েছিল বলতে হবে। এই রূপে বীর বলরাম পাঠক মারা গিয়েও পাঁঠাদের সাহায্যে কোনো প্রকারে আংশিকভাবে নিজের চুক্তি বজায় রেখেছিলেন।
পাঠক মহাশয় মহীশূর মহাপ্রস্থানের প্রাক্কালেই সরকারি চুক্তিপত্রটি তাঁর ছেলে বাবুরামকে উইল করে দিয়ে যান। বাবুরাম তাঁর বাবা মারা যাওয়ার খবর পাবামাত্র নিম্নলিখিত বিলটি ওয়ারেন হেস্টিংসের দরবারে পেশ করেন, করবার পর তিনিও খতম হন। বিলটি এইরূপ_
মহামান্য কম্পানি সরকার বরাবরেষু-বিক্রমপুরের বাবু বললাম পাঠক, সম্প্রতি বিগত, উক্ত মহাশয়ের প্রাপ্য সম্পর্কে হিসাব ... হিঃ_
বাবুরাম তো মরলেন, কিন্তু মরবার আগে তাঁর ভাগনে ত্রিবিক্রম মহাপাত্রকে ডেকে তাঁর ওপর ভার দিয়ে গেলেন বিলের টাকাটা আদার করার। ত্রিবিক্রম উপযুক্ত পাত্র; আদায়ের জন্য তিনি প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু বিক্রমের সূত্রপাতেই তাঁকে দেহ রক্ষা করতে হয়। তাঁর থেকে দিগম্বর তরফদারের হাতে এলো ঐ বিল। কিন্তু তিনিও বেশিদিন টিকলেন না। তস্যভ্রাতা সুদর্শন তরফদার ঐ উত্তরাধিকার সূত্রটি লাভ করলেন। কিছুদূর ঐ সূত্র টেনেও তিনি, এমনকি খাজাঞ্চিখানার সপ্তম সেরেস্তাদার পর্যন্ত তিনি পেঁৗছেছিলেন, কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে কালের কঠোরহস্ত এমন আদর্শ-অধ্যবসায়ের মাঝখানে অকস্মাৎ পূর্ণচ্ছেদ টেনে দিল।
সুদর্শন তাঁর এক আত্মীয়ের হাতে এই বিল সমর্পণ করে যান, সে বেচারা তার ঠেলায় মাত্র পাঁচ হ্না পৃথিবীতে টিকতে পারল। তবে এই অল্প সময়ের ভেতরেই সে রেকর্ড রেখে গেছে। লাল ফিতা দপ্তরখানার তেরো নম্বর সেরেস্তা সে পার হয়েছিল। তার উইলে এই বিল সে নিজের মামা আনন্দময় চৌধুরীকে উৎসর্গ করে যায়। আনন্দময়ের পক্ষে এই আনন্দের ধাক্কা সামলানো সহজ হয়নি। তারপর খুব অল্পদিনই তিনি এই ধরাধামে ছিলেন। অন্তিম নিঃশ্বাসের আগে তাঁর বিদায়-বাক্য হচ্ছে এই_'তোমরা আমার জন্যে কেঁদো না, বড় আনন্দেই আমি যেতে পারছি। মৃত্যু_হ্যাঁ_মৃত্যুই আমার পক্ষে এখন একমাত্র কাম্য।'
তিনি তো মরে বাঁচলেন, কিন্তু মেরে গেলেন আরো অনেককে। তারপর সাতজনের দখলেই এই বিল আসে, কিন্তু তাদের কেউই আর এখন ইহলোকে নেই। সবশেষে এই বস্তু এলো আমার হাতে, আমার এক মামার হাত হয়ে।
আমার দূর সম্পর্কের খুড়তুতো মামা_গুরুদাস গাঙ্গুলী_হঠাৎ এলাহাবাদ থেকে আমাকে তার পাঠালেন। কোনোদিনই যে আমাদের মধ্যে প্রাণের টান ছিল, এমন কথা বলা যায় না; বরং বলতে গেলে বলতে হয়, বরাবরই তিনি আমার প্রতি অহেতুক বিরাগ পোষণ করতেন; কখনো তিনি সইতে পারতেন না আমাকে, চিরকাল এইটেই দেখেছি, কাজেই টেলিগ্রাম পেয়ে অবাক হয়ে ছুটলাম। গিয়ে দেখলাম, তিনি মৃত্যুশয্যায়। কিন্তু অবাক হবার তখনো বুঝি কিছুটা বাকি ছিল। তিনি তো সর্বান্তকরণে আমাকে মার্জনা করলেনই, এমনকি তাঁর প্রিয়পাত্রদের আর নিজের প্রিয়পুত্রদের বঞ্চিত করেই এই মূল্যবান সম্পত্তি অশ্রুপূর্ণ নেত্রে আমার হাতে সঁপে দিয়ে গেলেন।
আমার কবলে আসা পর্যন্ত এর ইতিহাস হচ্ছে এই। মামাতো ভাইদের ডবল-শোকাতুর করে একুশ হাজার টাকার এই বিল নিয়ে তো আমি লাফাতে লাফাতে কলকাতা ফিরলাম।
ফিরেই উঠেপড়ে লেগে গেলাম টাকা উদ্ধারের চেষ্টায়। এক-আধ টাকা নয়, একুশ হাজার! ইয়াল্লা!
প্রথমেই গিয়ে লেজিস্লেটিভ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করলাম। কার্ড পাঠালেই কিছু পরে আমাকে তাঁর খাসকামরায় নিয়ে গেলেন।
আমাকে দেখবামাত্র তিনি প্রশ্ন করলেন, 'হ্যাঁ, কী দরকার আমার কাছে? আমার সময় খুব কম, ভারি ব্যস্ত আমি; তা কী করতে পারি আমি তোমার জন্যে বলো দেখি?'
সবিনয়ে বললাম, 'আজ্ঞে হুজুর, সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল তারিখে বা ঐ রকম সময়ে বিক্রমপুর জিলার বাবু বলরাম পাঠক কর্নেল কূট সাহেবের সঙ্গে মোট এক হাজার পাঁঠা কিংবা খাসি সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন_'
এই পর্যন্ত শোনামাত্র তিনি আমাকে বিদায় নিতে বাধ্য করলেন। এর বেশি কিছুতেই তাঁকে শোনানো গেল না। আমাকে থামিয়ে দিয়ে তিনি তাঁর টেবিলের কাগজপত্রে এমন গভীরভাবে মন দিলেন যে, স্পষ্ট বোঝা গেল_বলরাম, আমার বা পাঁঠার_কারো ব্যাপারেই তাঁর কিছুমাত্র সহানুভূতি নেই।
পরের দিন আমি কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে মুলাকাত করলাম।
'কী চাই?' দেখেই আমাকে প্রশ্ন হলো তাঁর।
'আজ্ঞে মহাশয়, সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল নাগাদ বিক্রমপুর জেলার বাবু বলরাম_'
তিনি আমাকে বাধা দিলেন, 'আমার মন্ত্রিত্ব তো মাত্র তিন বছরের, তিন শতাব্দীর তো নয়! আপনি ভুল জায়গায় এসেছেন।'
তবে? তিন শো বছরের প্রাচীন লোক আর কে আছে এখন? কার কাছে যাব আমি? ওয়ারেন হেস্টিংসও তো এখন বেঁচে নেই। তবে? তাহলে? আমি মনে মনে ভাবি।
কী করব? নমস্কার করে সেখান থেকে সরে পড়লাম।
পরের দিন ভয়ানক ভেবেচিন্তে ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে গিয়ে হাজির হলাম। তিনি মন দিয়ে আনুপূর্বিক শুনলেন। একটু চিন্তাও করলেন মনে হলো। শেষে বললেন, 'চতুষ্পদ পাঁঠা তো? তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কী সম্পর্ক? তারা তো আর আমাদের ছাত্র না! ও ব্যাপারে আমরা কী করতে পারি বলো?'
অগত্যা সেখান থেকেও চলে আসতে হলো।
কন্ট্রাক্ট নিয়ে করপোরেশন চলে, এই রকম একটা কথা কানে এসেছিল, সেইখানেই হয়তো এই বিলের ব্যবস্থা না হোক, এর সুরাহার একটা হদিস মিলতে পারে, এই রকম ভেবে মেয়রের সঙ্গে দেখা করলাম তার পরদিন।
'মহাশয়, সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল বা ওর কিছু আগে বা পরে বিক্রমপুর জিলানিবাসী, সম্প্রতি বিগত শ্রীযুক্ত বাবু বলরাম পাঠকের সঙ্গে কর্নেল কূট সাহেবের এক চুক্তি হয় যে_'
এই পর্যন্ত কোনো রকমে এগোতে পেরেছি, মেয়র মহাশয় আমাকে থামিয়ে দিলেন_'কর্নেল কূটের সঙ্গে করপোরেশনের কী? ওসব ব্যাপার এখানে নয়। তা ছাড়া, কোনো রাজনৈতিক কূটনীতির মধ্যে আমরা নেই।'
সবাই একই কথা বলে। এখানে নয়, ওখানে নয়, সেখানে নয়,_তবে কোন্খানে? চুক্তি হয়েছিল, এ তো আলবত; সে চুক্তি পাঁঠাদের তরফ থেকে যদ্দূর সম্ভব বজায় রাখা হয়েছে। এখন টাকা দেবার বেলায় এইভাবে দায় এড়ানোর অপচেষ্টা আমার আদপেই ভালো লাগে না। এ যেন আমার একুশ হাজারের দাবি না মিটিয়ে টাকাটা মেরে দেবার মতলব! আমাকেই দাবিয়ে মারার ফিকির।
পরদিন জেনারেল পোস্টাপিসের দরজায় গিয়ে হাজির হলাম। পোস্টমাস্টার জেনারেল তখন বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর মোটরের সম্মুখে গিয়ে ধরনা দিয়ে পড়লাম।
'কী চাও বাপু, চাকরি?' গাড়ির জানালা দিয়ে তিনি মুখ বাড়ালেন_'দুঃখের বিষয়, এখন কিছুই খালি নেই।'
'আজ্ঞে না চাকরি নয়।'
ভরসা পেয়ে তখন তিনি আরো একটু মুখ বাড়ান, 'তবে কী চাই?'
'আজ্ঞে ১৭৭৭ সালের ১লা এপ্রিল তারিখে_'
'১৭৭৭ সাল?' ঈষৎ যেন ভ্রূকুঞ্চিত হলো ওঁর_'সে তো এখানে নয়, ডেড লেটার আপিসে। সেখানে খোঁজ করো গিয়ে।'
সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মোটর দিল ছেড়ে।
এরপর আমি মরিয়া হয়ে উঠলাম। যেমন করে পারি এই বিলের কিনারা করবই, এই আমার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা হলো। যদি প্রাণ যায় সেই দুশ্চেষ্টায়, সেও স্বীকার। হয় বিলের সাধন, নয় শরীর পাতন। বিল নিয়ে আমি দিগ্বিদিকে হানা দিতে লাগলাম; একে-ওকে ধড়পাকড় শুরু করে দিলাম তারপর।
কোথায় না গেলাম? ক্যাম্বেল হাসপাতাল, গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুল, ডেড লেটার আপিস, কমার্শিয়াল মিউজিয়াম, মেডিক্যাল কলেজ, ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি, টেকস্টাইল ডিপার্টমেন্ট, টেঙ্ট্বুক কমিটি, পলতা ওয়াটার ওয়ার্কস_কত আর নাম করব? আলিপুরের আবহাওয়াখানা থেকে আরম্ভ করে (অ্যাসপ্ল্যানেডের ট্রাম ডিপোর আপিস ধরে) বেলগাছের ভেটারিনারি কলেজ পর্যন্ত কোনখানে না ঢুঁ মারলাম। এক কথায়, এক জেলখানা ছাড়া কোথাও যেতে আর বাকি রাখলাম না।
ক্রমশ আমার বিলের ব্যাপারে কলকাতার কারু আর অবিদিত রইল না। টাকাটা কেউ দেবে কি না, কে দেবে এবং কেনই বা দেবে, আর যদি সে না দেয় তাহলেই বা কী হবে, এই নিয়ে সবাই মাথা ঘামাতে লাগল; খবরের কাগজে কাগজেও হৈচৈ পড়ে গেল দারুণ। এক হাজার পাঁঠা আর একুশ হাজার টাকা_সামান্য কথা তো নয়। ভাবতে গেলে আপনা থেকেই জিহ্বা লালায়িত আর পকেট বিস্ফারিত হয়ে ওঠে।
অবশেষে একজন অপরিচিত ভদ্রলোকের অস্বাক্ষরিত পত্রে একটু যেন আশার আলোক পাওয়া গেল।
তিনি লিখেছেন_'আমি আপনার ব্যথার ব্যাথী। আপনার মতোই ভুক্তভোগী একজন। আমারও এক পুরনো বিল ছিল, এখন তা খালে পরিণত হয়েছে। এখন আমি সেই খালে সাঁতার কাটছি, কিন্তু কতক্ষণ কাটব? কতক্ষণ কাটতে পারব আর? আমি তো শ্রীবোকা ঘোষ নই! শিগগিরই ডুবে যাব, এরূপ আশা পোষণ করি। যাই হোক, আপনি সরকারি দপ্তরখানাটা দেখেছেন একবার?'
তাই তো, ঐটেই তো দেখা হয়নি। গোলেমালে অনেক কিছুই দেখেছি_দেখে ফেলেছি, কেবল ঐটা বাদে। খোঁজখবর নিয়ে ছুটলাম। দপ্তরখানায় গিয়ে সোজা একেবারে সেখানকার বড়বাবুর কাছে আমার সেলাম ঠুকলাম।
'মশাই, বিগত ১৭৭৭ সালের ১লা এপ্রিলে বিক্রমপুরে স্বর্গীয়_'
'বুঝতে পেরেছি, আর বলতে হবে না! আপনি সেই পাঁঠা তো?'
'আজ্ঞে, আমি পাঁঠা...? আমি...' আমতা আমতা করি আমি_'আজ্ঞে, পাঁঠা ঠিক না হলেও পাঁঠার তরফ থেকে আমার একটা আর্জি আছে। বিগত ১৭৭৭ সালের পয়লা_'
'জানি, সমস্তই জানি। ওর হাড়হদ্দ সমস্তই আমার জানা। সব এই নখদর্পণে। কই, দেখি আপনার কাগজপত্র?'
এ রকম সাদর আপ্যায়ন এ পর্যন্ত কোথাও পাইনি। আমি উল্লসিত হয়ে উঠি। বলরামের আমলের বহু পুরনো চুক্তিপত্রটি বাড়িয়ে দিই। বাবুরামের আমলের বিলও। হাতে নিয়ে দেখেশুনে তিনি বললেন, 'হ্যাঁ, এই কনট্রাক্টই বটে।'
তাঁর প্রসন্ন হাসি দেখে আমার প্রাণে ভরসার সঞ্চার হয়। হ্যাঁ, এতদিনে ঠিক জায়গায়, একেবারে যথাস্থানে পেঁৗছাতে পেরেছি বটে। তখন সেই ভুক্তভোগীটিকে আমি মনে মনে ধন্যবাদ জানাই।
তার পরই তিনি কাগজপত্র ঘাঁটতে শুরু করলেন। এ-ফাইল সে-ফাইল, এ-দপ্তর, সে-দপ্তর। এর লাল ফিতা খোলেন, ওর লাল ফিতা বাঁধেন। দপ্তরিকে তলব দেন, আরো ফাইল আসে। আরো আরো ফাইল। গভীরভাবে দেখাশোনা চলে। আবার তলব, আরো আরো বহু পুরনো বান্ডিলরা এসে পড়ে।
হ্যাঁ, এইবার কাজ এগুচ্ছে বটে। আমারই কাজ। সমস্ত মন ভয়ানক খুশিতে ভরে ওঠে। সারা কড়িকাঠ জুড়ে যেন ঝমাঝম আওয়াজ শোনা যায় টাকার। এক্ষুণি সশব্দে আমার মাথায় ভেঙে পড়ল বলে। আমিও সেই দৈব দুর্ঘটনার তলায় চাপা পড়বার জন্যে প্রাণপণে প্রস্তুত হতে থাকি। হৃদয়কে সবল করি।
অনেক অন্বেষণের পরে বলরামী চুক্তিপত্রের সরকারি ডুপ্লিকেটের অবশেষে আত্মপ্রকাশ হয়। অর্থাৎ আত্মপ্রকাশ করতে বাধ্য হয়।
পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে সব মিলিয়ে দেখে তিনি ঘাড় নাড়েন, 'কাজ তো অনেকটা এগিয়েই রয়েছে, তা এতদিন আপনারা কোনো খবর নেননি। কেন?'
'আজ্ঞে, আমি নিজেই এ বিষয়ের খবর পেয়েছি খুব অল্পদিন হলো।'
সরকারি দপ্তরের ডুপ্লিকেটটা সসম্ভ্রমে হাতে নিই। হ্যাঁ, এই সেই দুর্ভেদ্য চক্রব্যুহ, যার দরজায় মাথা ঠুকে আমার ঊর্ধ্বতন চতুর্দশ পুরুষ ইতিপূর্বে গতাসু হয়েছেন এবং আমিও প্রায় যাবার দাখিল! ভাবের ধাক্কায় আমার সমস্ত অন্তর যেন উথলে ওঠে_যাক, এই রক্ষে যে, আমাকে তাঁদের অনুসরণ করতে হবে না। এ আনন্দ আমার কম নয়! আমি তো বেঁচেই গেছি এবং আরো ঘোরতরভাবে বাঁচব অতঃপর_বালিগঞ্জের বড়লোকদের মধ্যে সটান নবাবি স্টাইলে। পুলকের আতিশয্যে কাবু হয়ে পড়ি আমি।
ভদ্রলোক সবই উল্টেপাল্টে দেখেন_হ্যাঁ, সুদর্শন তরফদার। সুদর্শনবাবুই তো কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছেন দেখছি। সাতটা সেরেস্তায় সই তাঁর সময়েই হয়েছে। তাঁর পরে এলেন_কী নাম ভদ্রলোকের। ভালো পড়াও যায় না। পুরন্দর পত্রনবিশ? হ্যাঁ, পুরন্দরই বটে, তা তিনিও তো ছটা সই বাগাতে পেরেছেন দেখছি। আর বাকি ছিল মাত্র চারটে সই। চারজন বড়কত্তার। তার পরের ভদ্রলোক তো আনন্দময় চৌধুরী। আপনার কে হন তিনি?'
'আজ্ঞে তা ঠিক বলতে পারব না।' আমি নিজের মাথা চুলকাই_'অনেকদিন আগেরকার কথা। তবে কেউ হন নিশ্চয়ই।'
'তা, তিনিও দুটো সই আদায় করেছেন। বাকি ছিল আর দুটো সই। তিনি আর একটু উঠেপড়ে লাগলেই তো কাজটা হয়ে যেত। তা, তিনি আর চেষ্টা করলেন না কেন? এ রকম করে হাল ছেড়ে দিলে কি চলে?'
'খুব সম্ভব তিনি আর চেষ্টা করতে পারলেন না। কারণ তিনি মারা গেলেন কিনা। চেষ্টা করতে করতেই মারা গেলেন।'
'ও, তাই নাকি? কিন্তু তারপরে কাজ আর বিশেষ এগোয়নি। দুজন বড়কত্তার সই এখনো বাকিই রয়েছে। তবে এইবার হয়ে যাবে সব।'
আমি উৎসাহিত হয়ে উঠলাম_'আজ্ঞে হ্যাঁ মশাই, যাতে একটু তাড়াতাড়ি হয়, অনুগ্রহ করে_'
তিনি বাধা দিয়ে বললেন, 'দেখুন, তাড়াতাড়ির আশা করবেন না। এসব হচ্ছে সরকারি কাজ_দরকারি কাজ_বুঝতেই তো পারছেন? অতএব ধীরেসুস্থে হবে। স্লোলি, বাট শিওরলি। এর বাঁধাদস্তুর চাল আছে, সবই রুটিনমাফিক_একটু এদিক-ওদিক হবার জো নেই। একেবারে কেতাদুরস্ত।' এই বলে মৃদ্যু হাস্যে তিনি আমাকে সান্ত্বনা দিলেন_'আস্তে আস্তে হয়ে যাবে সব, কিচ্ছু ভয় নেই আপনার।'
অভয় পেয়ে আমার কিন্তু হৃৎকম্প শুরু হলো। 'তবু একটু স্মরণ রাখবেন অধমকে, যাতে ওর মধ্যেই একটু চট্পট্_' করুণ সুরে বলতে গেলাম।
'বলতে হবে না, বলতে হবে না অত করে। সেদিকে আমাদের লক্ষ্য থাকে বৈকি। এতে বড় দপ্তরখানা তবে হয়েছে কী জন্যে বলুন? আর আমরাই বা এখানে বসে করছি কী? রয়েছি কী জন্যে? তবে আর একবার আগাগোড়া সব চেক হবে কিনা, সেইটুকু হলেই যথাসময়েই আপনি কল পাবেন। আপনাকে বারবার আসতে হবে না কষ্ট করে, আমরাই চিঠি দিয়ে জানাব আপনাকে। আর দুটো সই বৈ তো নয়। এ আর কী?'
অন্তরে বল সঞ্চয় করে বাড়ি ফিরি। তারপর একে একে দশ বছর কেটে যায়। খবর আর আসে না। বিলের ভাবনা ভেবে ভেবে চুল-দাড়ি সব পেকে ওঠে,_পেকে ঝরে ফাঁকা হয়ে যায় সব। কেবল থাকে_মাথার ওপরে টাক, আর মাথার মধ্যে টাকা; কিন্তু খবর আর আসে না।
বিলক্ষণ দেরি দেখে আর বিলের কোনো লক্ষণ না দেখে মাঝেমধ্যে আমি নিজেই তাড়া করে যাই, খবরের খোঁজে হানা দিই গিয়ে। 'অনেকটা এগিয়েছে', 'আর একটু বাকি', 'আরে হয়ে এলো মশাই, এত ব্যস্ত হচ্ছেন কেন', 'ঘাবড়াচ্ছেন কেন, হয়ে যাবে_হয়ে যাবে।' 'সময় হলেই হবে, ভাববেন না, ঠিক হবে!' 'সবুরে মেওয়া ফলে, জানেন তো?' ইত্যাদি সব আশার বাণী শুনে চাঙ্গা হয়ে ফিরে আসি। তারপর আবার বছর ঘুরে যায়।
অবশেষে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে শেষ সপ্তাহে বহুবাঞ্ছিত চিঠি এলো। তাতে পরবর্তী মাসের পয়লা তারিখে উক্ত বিল সম্পর্কে দপ্তরখানায় দেখা করার জন্যে আমাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যাক, এত দিনে তাহলে বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল। আমি মনে মনে লাফাতে শুরু করে দিলাম। আর কী, মার দিয়া কেল্লা, কে আর পায় আমায়! সটান বালিগঞ্জ! কি সোজা নিউ ইয়র্ক! কিংবা হলিউডই বা মন্দ কী? জীবনের ধারাই এবার পাল্টে দেব বিলকুল_বিলের যখন কূল পেয়েছি? হ্যাঁ। আধঘণ্টা পরে পা মচ্কে বসে পড়ার পর খেয়াল হলো যে, ও হরি! কেবল মনেই নয়, বাইরেও লাফাতে শুরু করেছিলাম কখন!
পয়লা এপ্রিল তারিখে দুরু দুরু বক্ষে দপ্তরখানার দিকে এগোলাম। সতেরো শো সাতাত্তর সালের পয়লা এপ্রিল যে নাটক শুরু হয়েছিল, আজ উনিশ শো তিপান্ন সালের আর-এক পয়লা এপ্রিলে সেই বিরাট ঐতিহাসিক পরিহাসের যবনিকা পড়ে কিনা, কে জানে।
দপ্তরখানার সেই বাবুটি সহাস্যমুখে এগিয়ে আসেন: 'ভাগ্যবান পুরুষ মশাই আপনি! কাজটা উদ্ধার করেছেন বটে!' বলে সজোরে আমার পিঠ চাপড়ে দেন একবার।
'একুশ হাজার পাব তো মশাই?' ভয়ে ভয়ে আমি জিজ্ঞেস করি।
'একুশ হাজার কী মশাই!' এই দেড় শো বছরে সুদে-আসলে আড়াই লাখের ওপর দাঁড়িয়েছে যে! বলছি না_আপনি লাকি!' তিনি বলেন।
'আড়াই লাখ!' আমার মাথা ঝিম ঝিম করে_'তা চেকটা আজই পাচ্ছি তাহলে তো?'
'চেক? এখনই? তবে হ্যাঁ, আর বেশি দেরি নেই।'
'বেশ, আমি অপেক্ষা করছি_সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত।'
'না আজ হবার আশা কম। আপনি শুধু সই করে যান এখানে। পরে আমরা খবর দেব আপনাকে।'
অ্যাঁ, এখনো পরে? পরে খবরের ধাক্কায় তো দশ বছর কাটল_আবার পরে খবর? সসঙ্কোচে বলি_'আজ্ঞে, আজ আপনাদের অসুবিধেটা কী হচ্ছে জানতে পারি কি?'
'এখনো একটা সই বাকি আছে কিনা!' গূঢ় রহস্যটা অগত্যা তিনি ব্যক্ত করেন।
'এখনো একটা সই বাকি।' শুনে আমার মাথা ঘুরে যায়। এখনো আরো একটা! তবেই হয়েছে। ও আড়াই লাখ আমার কাছে তাহলে আড়াই পয়সার শামিল।
ক্যালেন্ডারে আজকের তারিখের দিকে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণে একটু হাসবার ভান করি_'পয়লা এপ্রিল বলে পরিহাস করছেন না তো মশাই?'
'না-না, পরিহাস কিসের।' তিনি গম্ভীরভাবেই বলেন_'শুধু সেই ফাইন্যাল সইটা হলেই হয়ে যায়।'
ততক্ষণে আমার মাথায় খুন চেপে গেছে; আমি বলতে শুরু করেছি_'তবে দিন মশাই, দিন আমাকে কাগজ-কলম! আমার এই বহুমূল্য সম্পত্তি আমি এই দণ্ডে আপনাকে ও ভগবানকে সাক্ষী রেখে উইল করে দিয়ে যাচ্ছি আমার জাতিকে, মানে_আমার দেশবাসীকে_অনাগতকালের যত ভারতীয়দের। দেখুন আমরা সব নশ্বর জীব। অল্প দিনের আমাদের জীবন, বেশিদিন অপেক্ষা করা আমাদের পক্ষে অসাধ্য। বিল মানেই বিলম্ব_বিলক্ষণ বিলম্ব। কিন্তু জাতির পরমায়ু_কেবল সে-ই অপেক্ষা করতে পারে অনন্তকাল, মানে_যদ্দিন তার খুশি।'
এই কথা বলে সামনের টেবিল থেকে পেন্সিল-কাটা ছুরিটা তুলে আমূল বসিয়ে দিই আমার নিজের বুকে অম্লানবদনে।
'উইল করে দিচ্ছি বটে, তবে আমার স্বদেশবাসী যেন না ভুল বোঝে যে, তাদের ওপর আমার খুব রাগ ছিল, তারই প্রতিশোধ নেবার মানসে এই বিল তাদের হাতে তুলে দিয়ে গেলাম_আমাকে তারা যেন মার্জনা করে।' এই বলে অবশেষে সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস দিয়ে আমার অন্তিম বাণীর উপসংহার করি। আড়াই লাখের বিল আমার দেশবাসীকে বিলিয়ে দিয়ে সেই-ই আমার শেষ বিলাসিতা। বিল-আশীতার চরম!
মান্যবর, কর্নেল কূট সাহেবের ফৌজের রসদের জন্য এক হাজার পাঁঠা কিংবা খাসি প্রত্যেকটির মূল্য পাঁচ টাকা হিসেবে_ ৫০০০ টাকা
মহীশূর পর্যন্ত তাদের যাতায়াত এবং খোরপোষের খরচা বাবদ ৬০০০ টাকা
একুনে মোট _২১০০০ টাকা
রেড টেপিজম কাকে বলে, জানো তোমরা হয়তো। যদি কোনো আপিসে কখনো গিয়ে থাক, তাহলে লাল ফিতার বাঁধা ফাইল নিশ্চয়ই তোমরা দেখেছ, ফাইলের পর ফাইল সাজানো, বড় বড় বান্ডিলের থাকও তোমাদের চোখে পড়েছে নিশ্চয়, কিন্তু সরকারি দপ্তরখানায় তোমরা কখনো ঢুকেছ কি না জানি না, আমার একবার সেখানে ঢোকার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। আর তখন ঐ রকম লাল ফিতার ফাইল_ফাইলের স্তূপাকার আর বান্ডিলের আন্ডিল দেখেই হঠাৎ কেমন আমার মাথা বিগড়ে গেল; আর আমি ঐ মারাত্মক কাণ্ড করে বসলাম।
লাল ফিতার একটা নিজস্ব ধর্ম আছে। পৃথিবীতে যত রংস আবিষ্কৃত হয়েছে, ইঁফফযরংস থেকে শুরু করে ৎযবঁসধঃরংস পর্যন্ত, জবফ-ঞধঢ়রংস তাদের কারুর থেকেই কম যায় না। আমার মতে লাল ফিতার ধর্মই সবচেয়ে বেশি পরাক্রান্ত, কেননা পরকে আক্রমণ করতে আর করে কাবু করতে এর জুড়ি নেই।
এখন আসল ঘটনায় আসা যাক_টিপু সুলতাই হন বা তাঁর বাবা হায়দার আলিই হন_অবশ্যি আজকের কথা নয়, কোম্পানির আমলের কাহিনী_যাই হোক, ওঁদের একজন ওয়ারেন হেস্টিংসের বেজায় বিরক্তির কারণ হয়ে পড়েন। হেস্টিংস সাহেব সেই বিরক্তি দমন করতে না পেরে হায়দার আলিকেই দমন করবেন_এই স্থির করলেন। স্থির করেই তিনি কর্নেল কূটকে সসৈন্যে পাঠিয়ে দিলেন হায়দারের উদ্দেশে। সেই সময় অর্থাৎ সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল নাগাদ বিক্রমপুরের বলরাম পাঠকের সঙ্গে হেস্টিংসের সরকারের এই চুক্তি হয় যে, উক্ত পাঠক উক্ত কর্নেল কূটকে তাঁর গোরা পল্টনের রসদ বাবদ এক হাজার খাসি অথবা পাঁঠা সরবরাহ করবেন।
এই হলো গোড়ার ইতিহাস অথবা আদিম কাণ্ড।
এত আগে শুরু করবার কারণ এই যে, এর সঙ্গে আমার অন্তিম কাণ্ড ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ক্রমশই সেই রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।
এখন বলরাম পাঠক প্রাণান্ত পরিশ্রমে এক হাজার খাসি এবং পাঁঠা দিগ্বিদিক থেকে সংগ্রহ করে কলকাতার কেল্লার দরজা পর্যন্ত যখন তাড়িয়ে এনেছেন, তখন শুনতে পেলেন, কর্নেল কূট পাঁঠাদের জন্য প্রতীক্ষামাত্র না করে সসৈন্যে মহীশূরের দিকে সটকে পড়েছেন কখন।
বললাম ভাবিত হয়ে পড়লেন, কী করবেন? সরকারি চুক্তি তো অবহেলার বস্তু নয়। পাঁঠার জোগাড়ে টাকা জোগাতে হয়েছে (কম টাকা না!) আর অতগুলো পাঁঠা (কিংবা খাসিই হোক) একা কিংবা সপরিবারে খেয়ে খতম করা বলরামের একপুরুষের কম্ম নয়!
অনেক ভেবেচিন্তে বলরাম স্থির করলেন, পাঁঠাদের সমভিব্যহারে তিনিও কূটের অনুসরণ করবেন এবং কোথাও না কোথাও তাঁকে পাকড়াতে পারবেনই_তাহলেই তাঁর চুক্তি বজায় রাখা যাবে।
এতএব যেমন এসেছিলেন, তেমনি তিনি চললেন পাঁঠা তাড়িয়ে কূটের পেছন পেছন ধাওয়া করে মহীশূরের দিকে।
কটকে উপনীত হয়ে তিনি শুনলেন, কূট আরো দক্ষিণে বহরমপুরের দিকে পাড়ি মেরেছেন। তখন তিনিও পাঁঠাদের সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে ধাবিত হলেন, কিন্তু সেখানেও পেঁৗছলেন দেরি করে_দিন কয়েক আগে কূট চলে গেছেন হায়দ্রাবাদের অভিমুখে। অদ্ভুত এই কূটনীতি। কূটের চালচলনে বলরাম তো নাজেহাল হয়ে পড়লেনই, পাঁঠারাও হিমশিম খেয়ে গেল।
তারপর_তারপর আর কী? হায়দ্রাবাদ থেকে এলোর, এলোর থেকে মছলি-পত্তন, সেখান থেকে কোদ্দাপা (হাঁটতে হাঁটতে পাঁঠাদের চার পায়ে খিল ধরে গেল, বলরামের তো মোটে দুটো পা)। এই রকমে তিনি কর্নেলের পশ্চাদ্ধাবন করে চললেন কিন্তু গোদা পা নিয়ে কোদ্দাপা পার হয়েও কর্নেলের পাত্তা তিনি পেলেন না। পল্টনের নাগাল পাওয়া তাঁর আর হলো না। তিনি তো হয়রান হয়ে হাঁপিয়ে উঠলেনই, পাঁঠারাও ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল।
বাহাত্তর দিন এইভাবে দারুণ দৌড়াদৌড়ির পর মহীশূরের প্রায় সীমান্তে এসে অবশেষে যখন তিনি কর্নেল কূটের কাছাকাছি অর্থাৎ তাঁর ফৌজের ছাউনির চার-পাঁচ মাইলের মধ্যে পেঁৗছেছেন তখন এক বর্গীর দল এসে তাঁর দলে হানা দিল।
আক্রান্ত হয়ে তাঁর দলবল এমন চ্যাঁ-ভ্যাঁ শুরু করল যে, সে আর কহতব্য নয়। সেই দারুণ গণ্ডগোল আর ছত্রভঙ্গের ভেতর পাঠক মহাশয় (পথশ্রমে ক্লান্ত হয়ে তখন তাঁরই এক সহযাত্রী ঝোল বানিয়ে সবেমাত্র মুখে তুলতে যাচ্ছিলেন!) ভাতের থালার অন্তরালে আত্মগোপন করতে যাবেন, এমন সময় অতর্কিতে বর্শাবিদ্ধ হয়ে তাঁকে প্রাণ ত্যাগ করতে হয়।
বর্গীরা পাঁঠাদের নিয়ে পিঠটান দিল। সেই পলায়নের মুখে কয়েকটা পাঁঠা (অথবা খাসি) পথ ভুলেই হোক বা বর্গীদের সঙ্গে না পছন্দ করেই হোক (সংখ্যায় অবশ্যি তারা মুষ্টিমেয়), কর্নেল কূটের ছাউনির মধ্যে গিয়ে পড়ে এবং ধৃত হয়। বলা বাহুল্য, কর্নেল সাহেব সসৈন্যে তাদের উদরসাৎ করতে দ্বিধা করেননি। সুতরাং রসদরূপে তাদের সদ্ব্যবহার হয়েছিল বলতে হবে। এই রূপে বীর বলরাম পাঠক মারা গিয়েও পাঁঠাদের সাহায্যে কোনো প্রকারে আংশিকভাবে নিজের চুক্তি বজায় রেখেছিলেন।
পাঠক মহাশয় মহীশূর মহাপ্রস্থানের প্রাক্কালেই সরকারি চুক্তিপত্রটি তাঁর ছেলে বাবুরামকে উইল করে দিয়ে যান। বাবুরাম তাঁর বাবা মারা যাওয়ার খবর পাবামাত্র নিম্নলিখিত বিলটি ওয়ারেন হেস্টিংসের দরবারে পেশ করেন, করবার পর তিনিও খতম হন। বিলটি এইরূপ_
মহামান্য কম্পানি সরকার বরাবরেষু-বিক্রমপুরের বাবু বললাম পাঠক, সম্প্রতি বিগত, উক্ত মহাশয়ের প্রাপ্য সম্পর্কে হিসাব ... হিঃ_
বাবুরাম তো মরলেন, কিন্তু মরবার আগে তাঁর ভাগনে ত্রিবিক্রম মহাপাত্রকে ডেকে তাঁর ওপর ভার দিয়ে গেলেন বিলের টাকাটা আদার করার। ত্রিবিক্রম উপযুক্ত পাত্র; আদায়ের জন্য তিনি প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু বিক্রমের সূত্রপাতেই তাঁকে দেহ রক্ষা করতে হয়। তাঁর থেকে দিগম্বর তরফদারের হাতে এলো ঐ বিল। কিন্তু তিনিও বেশিদিন টিকলেন না। তস্যভ্রাতা সুদর্শন তরফদার ঐ উত্তরাধিকার সূত্রটি লাভ করলেন। কিছুদূর ঐ সূত্র টেনেও তিনি, এমনকি খাজাঞ্চিখানার সপ্তম সেরেস্তাদার পর্যন্ত তিনি পেঁৗছেছিলেন, কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে কালের কঠোরহস্ত এমন আদর্শ-অধ্যবসায়ের মাঝখানে অকস্মাৎ পূর্ণচ্ছেদ টেনে দিল।
সুদর্শন তাঁর এক আত্মীয়ের হাতে এই বিল সমর্পণ করে যান, সে বেচারা তার ঠেলায় মাত্র পাঁচ হ্না পৃথিবীতে টিকতে পারল। তবে এই অল্প সময়ের ভেতরেই সে রেকর্ড রেখে গেছে। লাল ফিতা দপ্তরখানার তেরো নম্বর সেরেস্তা সে পার হয়েছিল। তার উইলে এই বিল সে নিজের মামা আনন্দময় চৌধুরীকে উৎসর্গ করে যায়। আনন্দময়ের পক্ষে এই আনন্দের ধাক্কা সামলানো সহজ হয়নি। তারপর খুব অল্পদিনই তিনি এই ধরাধামে ছিলেন। অন্তিম নিঃশ্বাসের আগে তাঁর বিদায়-বাক্য হচ্ছে এই_'তোমরা আমার জন্যে কেঁদো না, বড় আনন্দেই আমি যেতে পারছি। মৃত্যু_হ্যাঁ_মৃত্যুই আমার পক্ষে এখন একমাত্র কাম্য।'
তিনি তো মরে বাঁচলেন, কিন্তু মেরে গেলেন আরো অনেককে। তারপর সাতজনের দখলেই এই বিল আসে, কিন্তু তাদের কেউই আর এখন ইহলোকে নেই। সবশেষে এই বস্তু এলো আমার হাতে, আমার এক মামার হাত হয়ে।
আমার দূর সম্পর্কের খুড়তুতো মামা_গুরুদাস গাঙ্গুলী_হঠাৎ এলাহাবাদ থেকে আমাকে তার পাঠালেন। কোনোদিনই যে আমাদের মধ্যে প্রাণের টান ছিল, এমন কথা বলা যায় না; বরং বলতে গেলে বলতে হয়, বরাবরই তিনি আমার প্রতি অহেতুক বিরাগ পোষণ করতেন; কখনো তিনি সইতে পারতেন না আমাকে, চিরকাল এইটেই দেখেছি, কাজেই টেলিগ্রাম পেয়ে অবাক হয়ে ছুটলাম। গিয়ে দেখলাম, তিনি মৃত্যুশয্যায়। কিন্তু অবাক হবার তখনো বুঝি কিছুটা বাকি ছিল। তিনি তো সর্বান্তকরণে আমাকে মার্জনা করলেনই, এমনকি তাঁর প্রিয়পাত্রদের আর নিজের প্রিয়পুত্রদের বঞ্চিত করেই এই মূল্যবান সম্পত্তি অশ্রুপূর্ণ নেত্রে আমার হাতে সঁপে দিয়ে গেলেন।
আমার কবলে আসা পর্যন্ত এর ইতিহাস হচ্ছে এই। মামাতো ভাইদের ডবল-শোকাতুর করে একুশ হাজার টাকার এই বিল নিয়ে তো আমি লাফাতে লাফাতে কলকাতা ফিরলাম।
ফিরেই উঠেপড়ে লেগে গেলাম টাকা উদ্ধারের চেষ্টায়। এক-আধ টাকা নয়, একুশ হাজার! ইয়াল্লা!
প্রথমেই গিয়ে লেজিস্লেটিভ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করলাম। কার্ড পাঠালেই কিছু পরে আমাকে তাঁর খাসকামরায় নিয়ে গেলেন।
আমাকে দেখবামাত্র তিনি প্রশ্ন করলেন, 'হ্যাঁ, কী দরকার আমার কাছে? আমার সময় খুব কম, ভারি ব্যস্ত আমি; তা কী করতে পারি আমি তোমার জন্যে বলো দেখি?'
সবিনয়ে বললাম, 'আজ্ঞে হুজুর, সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল তারিখে বা ঐ রকম সময়ে বিক্রমপুর জিলার বাবু বলরাম পাঠক কর্নেল কূট সাহেবের সঙ্গে মোট এক হাজার পাঁঠা কিংবা খাসি সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন_'
এই পর্যন্ত শোনামাত্র তিনি আমাকে বিদায় নিতে বাধ্য করলেন। এর বেশি কিছুতেই তাঁকে শোনানো গেল না। আমাকে থামিয়ে দিয়ে তিনি তাঁর টেবিলের কাগজপত্রে এমন গভীরভাবে মন দিলেন যে, স্পষ্ট বোঝা গেল_বলরাম, আমার বা পাঁঠার_কারো ব্যাপারেই তাঁর কিছুমাত্র সহানুভূতি নেই।
পরের দিন আমি কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে মুলাকাত করলাম।
'কী চাই?' দেখেই আমাকে প্রশ্ন হলো তাঁর।
'আজ্ঞে মহাশয়, সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল নাগাদ বিক্রমপুর জেলার বাবু বলরাম_'
তিনি আমাকে বাধা দিলেন, 'আমার মন্ত্রিত্ব তো মাত্র তিন বছরের, তিন শতাব্দীর তো নয়! আপনি ভুল জায়গায় এসেছেন।'
তবে? তিন শো বছরের প্রাচীন লোক আর কে আছে এখন? কার কাছে যাব আমি? ওয়ারেন হেস্টিংসও তো এখন বেঁচে নেই। তবে? তাহলে? আমি মনে মনে ভাবি।
কী করব? নমস্কার করে সেখান থেকে সরে পড়লাম।
পরের দিন ভয়ানক ভেবেচিন্তে ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে গিয়ে হাজির হলাম। তিনি মন দিয়ে আনুপূর্বিক শুনলেন। একটু চিন্তাও করলেন মনে হলো। শেষে বললেন, 'চতুষ্পদ পাঁঠা তো? তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কী সম্পর্ক? তারা তো আর আমাদের ছাত্র না! ও ব্যাপারে আমরা কী করতে পারি বলো?'
অগত্যা সেখান থেকেও চলে আসতে হলো।
কন্ট্রাক্ট নিয়ে করপোরেশন চলে, এই রকম একটা কথা কানে এসেছিল, সেইখানেই হয়তো এই বিলের ব্যবস্থা না হোক, এর সুরাহার একটা হদিস মিলতে পারে, এই রকম ভেবে মেয়রের সঙ্গে দেখা করলাম তার পরদিন।
'মহাশয়, সতেরো শো সাতাত্তর খ্রিস্টাব্দের পয়লা এপ্রিল বা ওর কিছু আগে বা পরে বিক্রমপুর জিলানিবাসী, সম্প্রতি বিগত শ্রীযুক্ত বাবু বলরাম পাঠকের সঙ্গে কর্নেল কূট সাহেবের এক চুক্তি হয় যে_'
এই পর্যন্ত কোনো রকমে এগোতে পেরেছি, মেয়র মহাশয় আমাকে থামিয়ে দিলেন_'কর্নেল কূটের সঙ্গে করপোরেশনের কী? ওসব ব্যাপার এখানে নয়। তা ছাড়া, কোনো রাজনৈতিক কূটনীতির মধ্যে আমরা নেই।'
সবাই একই কথা বলে। এখানে নয়, ওখানে নয়, সেখানে নয়,_তবে কোন্খানে? চুক্তি হয়েছিল, এ তো আলবত; সে চুক্তি পাঁঠাদের তরফ থেকে যদ্দূর সম্ভব বজায় রাখা হয়েছে। এখন টাকা দেবার বেলায় এইভাবে দায় এড়ানোর অপচেষ্টা আমার আদপেই ভালো লাগে না। এ যেন আমার একুশ হাজারের দাবি না মিটিয়ে টাকাটা মেরে দেবার মতলব! আমাকেই দাবিয়ে মারার ফিকির।
পরদিন জেনারেল পোস্টাপিসের দরজায় গিয়ে হাজির হলাম। পোস্টমাস্টার জেনারেল তখন বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর মোটরের সম্মুখে গিয়ে ধরনা দিয়ে পড়লাম।
'কী চাও বাপু, চাকরি?' গাড়ির জানালা দিয়ে তিনি মুখ বাড়ালেন_'দুঃখের বিষয়, এখন কিছুই খালি নেই।'
'আজ্ঞে না চাকরি নয়।'
ভরসা পেয়ে তখন তিনি আরো একটু মুখ বাড়ান, 'তবে কী চাই?'
'আজ্ঞে ১৭৭৭ সালের ১লা এপ্রিল তারিখে_'
'১৭৭৭ সাল?' ঈষৎ যেন ভ্রূকুঞ্চিত হলো ওঁর_'সে তো এখানে নয়, ডেড লেটার আপিসে। সেখানে খোঁজ করো গিয়ে।'
সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মোটর দিল ছেড়ে।
এরপর আমি মরিয়া হয়ে উঠলাম। যেমন করে পারি এই বিলের কিনারা করবই, এই আমার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা হলো। যদি প্রাণ যায় সেই দুশ্চেষ্টায়, সেও স্বীকার। হয় বিলের সাধন, নয় শরীর পাতন। বিল নিয়ে আমি দিগ্বিদিকে হানা দিতে লাগলাম; একে-ওকে ধড়পাকড় শুরু করে দিলাম তারপর।
কোথায় না গেলাম? ক্যাম্বেল হাসপাতাল, গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুল, ডেড লেটার আপিস, কমার্শিয়াল মিউজিয়াম, মেডিক্যাল কলেজ, ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি, টেকস্টাইল ডিপার্টমেন্ট, টেঙ্ট্বুক কমিটি, পলতা ওয়াটার ওয়ার্কস_কত আর নাম করব? আলিপুরের আবহাওয়াখানা থেকে আরম্ভ করে (অ্যাসপ্ল্যানেডের ট্রাম ডিপোর আপিস ধরে) বেলগাছের ভেটারিনারি কলেজ পর্যন্ত কোনখানে না ঢুঁ মারলাম। এক কথায়, এক জেলখানা ছাড়া কোথাও যেতে আর বাকি রাখলাম না।
ক্রমশ আমার বিলের ব্যাপারে কলকাতার কারু আর অবিদিত রইল না। টাকাটা কেউ দেবে কি না, কে দেবে এবং কেনই বা দেবে, আর যদি সে না দেয় তাহলেই বা কী হবে, এই নিয়ে সবাই মাথা ঘামাতে লাগল; খবরের কাগজে কাগজেও হৈচৈ পড়ে গেল দারুণ। এক হাজার পাঁঠা আর একুশ হাজার টাকা_সামান্য কথা তো নয়। ভাবতে গেলে আপনা থেকেই জিহ্বা লালায়িত আর পকেট বিস্ফারিত হয়ে ওঠে।
অবশেষে একজন অপরিচিত ভদ্রলোকের অস্বাক্ষরিত পত্রে একটু যেন আশার আলোক পাওয়া গেল।
তিনি লিখেছেন_'আমি আপনার ব্যথার ব্যাথী। আপনার মতোই ভুক্তভোগী একজন। আমারও এক পুরনো বিল ছিল, এখন তা খালে পরিণত হয়েছে। এখন আমি সেই খালে সাঁতার কাটছি, কিন্তু কতক্ষণ কাটব? কতক্ষণ কাটতে পারব আর? আমি তো শ্রীবোকা ঘোষ নই! শিগগিরই ডুবে যাব, এরূপ আশা পোষণ করি। যাই হোক, আপনি সরকারি দপ্তরখানাটা দেখেছেন একবার?'
তাই তো, ঐটেই তো দেখা হয়নি। গোলেমালে অনেক কিছুই দেখেছি_দেখে ফেলেছি, কেবল ঐটা বাদে। খোঁজখবর নিয়ে ছুটলাম। দপ্তরখানায় গিয়ে সোজা একেবারে সেখানকার বড়বাবুর কাছে আমার সেলাম ঠুকলাম।
'মশাই, বিগত ১৭৭৭ সালের ১লা এপ্রিলে বিক্রমপুরে স্বর্গীয়_'
'বুঝতে পেরেছি, আর বলতে হবে না! আপনি সেই পাঁঠা তো?'
'আজ্ঞে, আমি পাঁঠা...? আমি...' আমতা আমতা করি আমি_'আজ্ঞে, পাঁঠা ঠিক না হলেও পাঁঠার তরফ থেকে আমার একটা আর্জি আছে। বিগত ১৭৭৭ সালের পয়লা_'
'জানি, সমস্তই জানি। ওর হাড়হদ্দ সমস্তই আমার জানা। সব এই নখদর্পণে। কই, দেখি আপনার কাগজপত্র?'
এ রকম সাদর আপ্যায়ন এ পর্যন্ত কোথাও পাইনি। আমি উল্লসিত হয়ে উঠি। বলরামের আমলের বহু পুরনো চুক্তিপত্রটি বাড়িয়ে দিই। বাবুরামের আমলের বিলও। হাতে নিয়ে দেখেশুনে তিনি বললেন, 'হ্যাঁ, এই কনট্রাক্টই বটে।'
তাঁর প্রসন্ন হাসি দেখে আমার প্রাণে ভরসার সঞ্চার হয়। হ্যাঁ, এতদিনে ঠিক জায়গায়, একেবারে যথাস্থানে পেঁৗছাতে পেরেছি বটে। তখন সেই ভুক্তভোগীটিকে আমি মনে মনে ধন্যবাদ জানাই।
তার পরই তিনি কাগজপত্র ঘাঁটতে শুরু করলেন। এ-ফাইল সে-ফাইল, এ-দপ্তর, সে-দপ্তর। এর লাল ফিতা খোলেন, ওর লাল ফিতা বাঁধেন। দপ্তরিকে তলব দেন, আরো ফাইল আসে। আরো আরো ফাইল। গভীরভাবে দেখাশোনা চলে। আবার তলব, আরো আরো বহু পুরনো বান্ডিলরা এসে পড়ে।
হ্যাঁ, এইবার কাজ এগুচ্ছে বটে। আমারই কাজ। সমস্ত মন ভয়ানক খুশিতে ভরে ওঠে। সারা কড়িকাঠ জুড়ে যেন ঝমাঝম আওয়াজ শোনা যায় টাকার। এক্ষুণি সশব্দে আমার মাথায় ভেঙে পড়ল বলে। আমিও সেই দৈব দুর্ঘটনার তলায় চাপা পড়বার জন্যে প্রাণপণে প্রস্তুত হতে থাকি। হৃদয়কে সবল করি।
অনেক অন্বেষণের পরে বলরামী চুক্তিপত্রের সরকারি ডুপ্লিকেটের অবশেষে আত্মপ্রকাশ হয়। অর্থাৎ আত্মপ্রকাশ করতে বাধ্য হয়।
পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে সব মিলিয়ে দেখে তিনি ঘাড় নাড়েন, 'কাজ তো অনেকটা এগিয়েই রয়েছে, তা এতদিন আপনারা কোনো খবর নেননি। কেন?'
'আজ্ঞে, আমি নিজেই এ বিষয়ের খবর পেয়েছি খুব অল্পদিন হলো।'
সরকারি দপ্তরের ডুপ্লিকেটটা সসম্ভ্রমে হাতে নিই। হ্যাঁ, এই সেই দুর্ভেদ্য চক্রব্যুহ, যার দরজায় মাথা ঠুকে আমার ঊর্ধ্বতন চতুর্দশ পুরুষ ইতিপূর্বে গতাসু হয়েছেন এবং আমিও প্রায় যাবার দাখিল! ভাবের ধাক্কায় আমার সমস্ত অন্তর যেন উথলে ওঠে_যাক, এই রক্ষে যে, আমাকে তাঁদের অনুসরণ করতে হবে না। এ আনন্দ আমার কম নয়! আমি তো বেঁচেই গেছি এবং আরো ঘোরতরভাবে বাঁচব অতঃপর_বালিগঞ্জের বড়লোকদের মধ্যে সটান নবাবি স্টাইলে। পুলকের আতিশয্যে কাবু হয়ে পড়ি আমি।
ভদ্রলোক সবই উল্টেপাল্টে দেখেন_হ্যাঁ, সুদর্শন তরফদার। সুদর্শনবাবুই তো কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছেন দেখছি। সাতটা সেরেস্তায় সই তাঁর সময়েই হয়েছে। তাঁর পরে এলেন_কী নাম ভদ্রলোকের। ভালো পড়াও যায় না। পুরন্দর পত্রনবিশ? হ্যাঁ, পুরন্দরই বটে, তা তিনিও তো ছটা সই বাগাতে পেরেছেন দেখছি। আর বাকি ছিল মাত্র চারটে সই। চারজন বড়কত্তার। তার পরের ভদ্রলোক তো আনন্দময় চৌধুরী। আপনার কে হন তিনি?'
'আজ্ঞে তা ঠিক বলতে পারব না।' আমি নিজের মাথা চুলকাই_'অনেকদিন আগেরকার কথা। তবে কেউ হন নিশ্চয়ই।'
'তা, তিনিও দুটো সই আদায় করেছেন। বাকি ছিল আর দুটো সই। তিনি আর একটু উঠেপড়ে লাগলেই তো কাজটা হয়ে যেত। তা, তিনি আর চেষ্টা করলেন না কেন? এ রকম করে হাল ছেড়ে দিলে কি চলে?'
'খুব সম্ভব তিনি আর চেষ্টা করতে পারলেন না। কারণ তিনি মারা গেলেন কিনা। চেষ্টা করতে করতেই মারা গেলেন।'
'ও, তাই নাকি? কিন্তু তারপরে কাজ আর বিশেষ এগোয়নি। দুজন বড়কত্তার সই এখনো বাকিই রয়েছে। তবে এইবার হয়ে যাবে সব।'
আমি উৎসাহিত হয়ে উঠলাম_'আজ্ঞে হ্যাঁ মশাই, যাতে একটু তাড়াতাড়ি হয়, অনুগ্রহ করে_'
তিনি বাধা দিয়ে বললেন, 'দেখুন, তাড়াতাড়ির আশা করবেন না। এসব হচ্ছে সরকারি কাজ_দরকারি কাজ_বুঝতেই তো পারছেন? অতএব ধীরেসুস্থে হবে। স্লোলি, বাট শিওরলি। এর বাঁধাদস্তুর চাল আছে, সবই রুটিনমাফিক_একটু এদিক-ওদিক হবার জো নেই। একেবারে কেতাদুরস্ত।' এই বলে মৃদ্যু হাস্যে তিনি আমাকে সান্ত্বনা দিলেন_'আস্তে আস্তে হয়ে যাবে সব, কিচ্ছু ভয় নেই আপনার।'
অভয় পেয়ে আমার কিন্তু হৃৎকম্প শুরু হলো। 'তবু একটু স্মরণ রাখবেন অধমকে, যাতে ওর মধ্যেই একটু চট্পট্_' করুণ সুরে বলতে গেলাম।
'বলতে হবে না, বলতে হবে না অত করে। সেদিকে আমাদের লক্ষ্য থাকে বৈকি। এতে বড় দপ্তরখানা তবে হয়েছে কী জন্যে বলুন? আর আমরাই বা এখানে বসে করছি কী? রয়েছি কী জন্যে? তবে আর একবার আগাগোড়া সব চেক হবে কিনা, সেইটুকু হলেই যথাসময়েই আপনি কল পাবেন। আপনাকে বারবার আসতে হবে না কষ্ট করে, আমরাই চিঠি দিয়ে জানাব আপনাকে। আর দুটো সই বৈ তো নয়। এ আর কী?'
অন্তরে বল সঞ্চয় করে বাড়ি ফিরি। তারপর একে একে দশ বছর কেটে যায়। খবর আর আসে না। বিলের ভাবনা ভেবে ভেবে চুল-দাড়ি সব পেকে ওঠে,_পেকে ঝরে ফাঁকা হয়ে যায় সব। কেবল থাকে_মাথার ওপরে টাক, আর মাথার মধ্যে টাকা; কিন্তু খবর আর আসে না।
বিলক্ষণ দেরি দেখে আর বিলের কোনো লক্ষণ না দেখে মাঝেমধ্যে আমি নিজেই তাড়া করে যাই, খবরের খোঁজে হানা দিই গিয়ে। 'অনেকটা এগিয়েছে', 'আর একটু বাকি', 'আরে হয়ে এলো মশাই, এত ব্যস্ত হচ্ছেন কেন', 'ঘাবড়াচ্ছেন কেন, হয়ে যাবে_হয়ে যাবে।' 'সময় হলেই হবে, ভাববেন না, ঠিক হবে!' 'সবুরে মেওয়া ফলে, জানেন তো?' ইত্যাদি সব আশার বাণী শুনে চাঙ্গা হয়ে ফিরে আসি। তারপর আবার বছর ঘুরে যায়।
অবশেষে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে শেষ সপ্তাহে বহুবাঞ্ছিত চিঠি এলো। তাতে পরবর্তী মাসের পয়লা তারিখে উক্ত বিল সম্পর্কে দপ্তরখানায় দেখা করার জন্যে আমাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যাক, এত দিনে তাহলে বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল। আমি মনে মনে লাফাতে শুরু করে দিলাম। আর কী, মার দিয়া কেল্লা, কে আর পায় আমায়! সটান বালিগঞ্জ! কি সোজা নিউ ইয়র্ক! কিংবা হলিউডই বা মন্দ কী? জীবনের ধারাই এবার পাল্টে দেব বিলকুল_বিলের যখন কূল পেয়েছি? হ্যাঁ। আধঘণ্টা পরে পা মচ্কে বসে পড়ার পর খেয়াল হলো যে, ও হরি! কেবল মনেই নয়, বাইরেও লাফাতে শুরু করেছিলাম কখন!
পয়লা এপ্রিল তারিখে দুরু দুরু বক্ষে দপ্তরখানার দিকে এগোলাম। সতেরো শো সাতাত্তর সালের পয়লা এপ্রিল যে নাটক শুরু হয়েছিল, আজ উনিশ শো তিপান্ন সালের আর-এক পয়লা এপ্রিলে সেই বিরাট ঐতিহাসিক পরিহাসের যবনিকা পড়ে কিনা, কে জানে।
দপ্তরখানার সেই বাবুটি সহাস্যমুখে এগিয়ে আসেন: 'ভাগ্যবান পুরুষ মশাই আপনি! কাজটা উদ্ধার করেছেন বটে!' বলে সজোরে আমার পিঠ চাপড়ে দেন একবার।
'একুশ হাজার পাব তো মশাই?' ভয়ে ভয়ে আমি জিজ্ঞেস করি।
'একুশ হাজার কী মশাই!' এই দেড় শো বছরে সুদে-আসলে আড়াই লাখের ওপর দাঁড়িয়েছে যে! বলছি না_আপনি লাকি!' তিনি বলেন।
'আড়াই লাখ!' আমার মাথা ঝিম ঝিম করে_'তা চেকটা আজই পাচ্ছি তাহলে তো?'
'চেক? এখনই? তবে হ্যাঁ, আর বেশি দেরি নেই।'
'বেশ, আমি অপেক্ষা করছি_সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত।'
'না আজ হবার আশা কম। আপনি শুধু সই করে যান এখানে। পরে আমরা খবর দেব আপনাকে।'
অ্যাঁ, এখনো পরে? পরে খবরের ধাক্কায় তো দশ বছর কাটল_আবার পরে খবর? সসঙ্কোচে বলি_'আজ্ঞে, আজ আপনাদের অসুবিধেটা কী হচ্ছে জানতে পারি কি?'
'এখনো একটা সই বাকি আছে কিনা!' গূঢ় রহস্যটা অগত্যা তিনি ব্যক্ত করেন।
'এখনো একটা সই বাকি।' শুনে আমার মাথা ঘুরে যায়। এখনো আরো একটা! তবেই হয়েছে। ও আড়াই লাখ আমার কাছে তাহলে আড়াই পয়সার শামিল।
ক্যালেন্ডারে আজকের তারিখের দিকে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণে একটু হাসবার ভান করি_'পয়লা এপ্রিল বলে পরিহাস করছেন না তো মশাই?'
'না-না, পরিহাস কিসের।' তিনি গম্ভীরভাবেই বলেন_'শুধু সেই ফাইন্যাল সইটা হলেই হয়ে যায়।'
ততক্ষণে আমার মাথায় খুন চেপে গেছে; আমি বলতে শুরু করেছি_'তবে দিন মশাই, দিন আমাকে কাগজ-কলম! আমার এই বহুমূল্য সম্পত্তি আমি এই দণ্ডে আপনাকে ও ভগবানকে সাক্ষী রেখে উইল করে দিয়ে যাচ্ছি আমার জাতিকে, মানে_আমার দেশবাসীকে_অনাগতকালের যত ভারতীয়দের। দেখুন আমরা সব নশ্বর জীব। অল্প দিনের আমাদের জীবন, বেশিদিন অপেক্ষা করা আমাদের পক্ষে অসাধ্য। বিল মানেই বিলম্ব_বিলক্ষণ বিলম্ব। কিন্তু জাতির পরমায়ু_কেবল সে-ই অপেক্ষা করতে পারে অনন্তকাল, মানে_যদ্দিন তার খুশি।'
এই কথা বলে সামনের টেবিল থেকে পেন্সিল-কাটা ছুরিটা তুলে আমূল বসিয়ে দিই আমার নিজের বুকে অম্লানবদনে।
'উইল করে দিচ্ছি বটে, তবে আমার স্বদেশবাসী যেন না ভুল বোঝে যে, তাদের ওপর আমার খুব রাগ ছিল, তারই প্রতিশোধ নেবার মানসে এই বিল তাদের হাতে তুলে দিয়ে গেলাম_আমাকে তারা যেন মার্জনা করে।' এই বলে অবশেষে সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস দিয়ে আমার অন্তিম বাণীর উপসংহার করি। আড়াই লাখের বিল আমার দেশবাসীকে বিলিয়ে দিয়ে সেই-ই আমার শেষ বিলাসিতা। বিল-আশীতার চরম!
মান্যবর, কর্নেল কূট সাহেবের ফৌজের রসদের জন্য এক হাজার পাঁঠা কিংবা খাসি প্রত্যেকটির মূল্য পাঁচ টাকা হিসেবে_ ৫০০০ টাকা
মহীশূর পর্যন্ত তাদের যাতায়াত এবং খোরপোষের খরচা বাবদ ৬০০০ টাকা
একুনে মোট _২১০০০ টাকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 08
(126)
- ব্যাংক নোটে ম্যান্ডেলা
- চীনে কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেস শুরু আজ
- জারদারির মামলা চালু করতে সুইস কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ
- কেমন হবে ওবামার বৈশ্বিক নীতি?
- ‘আরও চারটি বছর’
- আওয়ামী লীগ নেতার কাণ্ড- ঠিকাদার ভেবে কিল-ঘুষি, পরে...
- রংপুর সিটি নির্বাচন: মশিউরকে এরশাদের সমর্থন- অন্য ...
- মাদক বিক্রির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রিকশাচালককে হ...
- মাদকবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে প্রথম আলো
- অর্থ ও আসবাব আত্মসাতের মামলা- সাবেক স্পিকার জমির উ...
- রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাতে কাল ঢাকায় আসছেন হিনা
- সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ by আসজাদুল ...
- ৭ নভেম্বরে বিএনপির আশাবাদ- ‘গণবিরোধী’ সরকারের বিরু...
- শিক্ষা বিভাগ- এসিআর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন জরুরি b...
- মূল্যায়ন- ওবামা: আশার সংগ্রাম এখনো চলছে by বার্ন...
- সরেজমিন- ওবামার এই স্বপ্ন পূরণ হোক by মিজানুর রহ...
- কী শিক্ষা দিয়ে গেল আমাদের?- মুঠোফোনের গান ও ট্রেনে...
- বিশ্বময় শান্তি ও উন্নয়ন সাধিত হোক- অভিনন্দন, বারাক...
- চারদিক- ফিরে যাই শৈশবে by ফারুখ আহমেদ
- কৃষি- সোনালি ফসলের পাশে কৃষকের মুখ by তুহিন ওয়াদুদ
- ফিরে দেখা পঁচাত্তর- আগস্ট থেকে নভেম্বরের রক্তাক্ত ...
- জাতিসংঘ পার্কে বসাই দায় by ফারজানা আকতার
- আনোয়ারা আওয়ামী লীগের কী হবে by মোহাম্মদ মোরশেদ হ...
- শোক- সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ শামসুল হক
- ছাতিম ফুলের সুবাস by আহামেদ মুনির
- কালুরঘাট সেতু- ফেরির কষ্ট আরও এক মাস by মিঠুন চৌ...
- প্রথম সমকামী সিনেটর ট্যামি
- 'ফোর মোর ইয়ারস' by রাজীবুল হক
- কয়েক রাজ্যে ভোট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ by তানজিমুল নয়ন
- ওবামার কাছে জনগণ চায় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা by যিশু ম...
- ওবামার দিকে তাকিয়ে বিশ্ব by শামসুন নাহার
- 'আমি ভোট দিয়েছি' by শরীফুল ইসলাম শরীফ
- সবিশেষ-সর্বাধিক নারী সিনেটর
- অজানা
- জয়োৎসবের আগে ঝড়ের সতর্কবার্তা
- জো বাইডেন ২০১৬-তেও থাকবেন!
- সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ by রিয়াজ মিলটন
- ড্যান ডাব্লিউ মজিনা বললেন-যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ ...
- ওবামাকে ভোট দিলেন ১০৬ বছরের হিন্টন
- নাতির বিজয়ে আপ্লুত দাদি by সোহানা তুলি
- ঢাকায়ও জয়ী ওবামা
- সেই ওহাইয়োতে জিতেই ওবামা প্রেসিডেন্ট
- এবার তরুণ ভোটার বেশি by মোস্তফা রাসেল
- প্রতিক্রিয়া-গওহর রিজভীর মন্তব্য-ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্প...
- প্রতীকী ভোট দেখতে গিয়ে দুই নেতার তর্ক
- অল্প স্বল্প গল্প
- হলিউড- হলিউডে নির্বাচনী উত্তাপ
- জয়তী ও তাঁর গান by মেহেদী মাসুদ
- বলিউডআলিয়া, বরুণ, সিদ্ধার্থ- ত্রয়ীর জয়
- এটি একটি ব্যতিক্রমী উৎসব by আবুল খায়ের
- হোয়াইট হাউসের পুতুল হয়ে থাকবেন না তো?
- পরিবর্তন প্রয়োজন রিপাবলিকানদের
- গণভোটে সমলিঙ্গ বিয়ে মারিজুয়ানার অনুমোদন by ফৌজিয়া...
- তবুও আমাদের নীতি টিকে থাকবে : রমনি by হাসান ইমাম বাবু
- এত কিছুর পরও কেন হারলেন by খন্দকার মোজাম্মেল হক
- ড. ইউনূস ইস্যুতে মতদ্বৈধ কমবে by ড. দেলোয়ার হোসেন
- সাক্ষাৎকার-অর্থনীতিকে টেনে তুলেছেন ওবামা by সি এম ...
- কংগ্রেস ও গভর্নর নির্বাচন-পাল্টাল না সমীকরণ by তাম...
- সেরাটা এখনো বাকি-জয়ের পর শিকাগোয় নির্বাচনী সদর দপ্...
- যেভাবে বিজয় by আসাদুর রহমান
- আস্থায় প্রত্যাশায় ওবামা by সফেদ ফরাজী
- চোখ by হুমায়ূন আহমেদ
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ by হাসান আজিজুল হক
- কবি by সৈয়দ শামসুল হক
- রানীরঘাটের বৃত্তান্ত by সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
- পাদটীকা by সৈয়দ মুজতবা আলী
- ডিডেলাসের ঘুড়ি by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- সুখের পিঠে সুখ by সেলিনা হোসেন
- রাজা আসেনি বাদ্য বাজাও by সুশান্ত মজুমদার
- অযান্ত্রিক by সুবোধ ঘোষ
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- আদালত অবমাননার অভিযোগ- সাজেদা ও মতিয়ার বিষয়ে আদেশ ...
- সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাত্রা- আবারও সাগরে ট্রলারডুবি...
- নদীতীরে by সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
- নয়ান ঢুলি by সরদার জয়েনউদ্দীন
- সরেজমিন- স্কুল চলছে, ভোটও চলছে by মিজানুর রহমান খান
- ওবামা কেন জিতলেন, কীভাবে জিতলেন by আলী রীয়াজ
- নকুলার এক বছরের কারাদণ্ড
- ৫০০ বিঘা জমির জাল দলিল by রোজিনা ইসলাম ও মাসুদ রানা
- হোয়াইট হাউসে ফিরেছেন ওবামা
- আত্মজ by সুচিত্রা ভট্টাচার্য
- বড় পাপ হে by সমরেশ মজুমদার
- কে নেবে মোরে by সমরেশ বসু
- ক্লাস ফ্রেন্ড by সত্যজিৎ রায়
- ক্লাস ফ্রেন্ড by সত্যজিৎ রায়
- গণনায়ক by সতীনাথ ভাদুড়ী
- শ্বেতপাথরের টেবিল by সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
- চন্দনেশ্বরের মাচানতলায় by শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
- মুনিয়ার চারদিক by শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- কালান্তক লাল ফিতা by শিবরাম চক্রবর্তী
- শান্তিকামী মানুষের স্বস্তি by জাহিদুল ইসলাম সরকার
- এ নির্বাচন একটি মডেল by বেলাল হোসাইন রাহাত
- বিশ্বের মন জয় করবেন ওবামা by মাসুদ ফরহান অভি
- দ্বিতীয়বার সুযোগ পেলেন বারাক ওবামা by তানিম ইশতিয়াক
- বৃহতের সাধনা by সুভাষ সাহা
- জীবন-সার্থকতা মৃত্যুর সৌন্দর্যে by রণজিৎ বিশ্বাস
- সমকালীন চিন্তা-'কে সেই তৃতীয়, যে চলে তোমাদের সাথে?...
- বাঘহত্যা-নির্মমতার পুনরাবৃত্তি বন্ধ হোক
- অভিনন্দন ওবামা-ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিবিড় হোক
- জিব্রাইলের ডানা by শাহেদ আলী
- কোথায় পাব তারে by শহীদুল জহির
- মহেশ by শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী by শওকত ওসমান
- কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ by শওকত আলী
- ইজ্জত by রিজিয়া রহমান
- চুড়ি by রাহাত খান
- সূর্য ওঠার আগে by রাবেয়া খাতুন
- আবারও চিনির দাম বৃদ্ধি-চিনি শিল্পের উন্নয়নে পদক্ষে...
- অভিনন্দন বারাক ওবামা-দৃঢ় হোক বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক
- পবিত্র কোরআনের আলো-ফিরআউন সময় থাকতে সত্যকে স্বীকার...
- চার দশকের পরিবর্তিত মানসিকতা by ওয়াহিদ নবি
- প্রতিক্রিয়া : হুমায়ুন কবির-ওবামার সংস্কার কর্মসূচি...
- চরাচর-সিলেটের সাতকড়া by ইয়াহইয়া ফজল
- কয়লানীতি, বিশেষজ্ঞ কমিটি ও বাস্তবতা by হাসান কামরুল
- ফতোয়া ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা by ড. নিয়াজ আহম্মেদ
- বহে কাল নিরবধি-অবরোধ কি ইরানকে কোনো 'পরিবর্তনে' বা...
- ‘বাংলাদেশ ইমম্যাচিওরড, যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচিওরড’ by ...
- মেহজাবিনের বিজ্ঞাপনী চমক by সাইফ চন্দন
- এবার সিডিতে ‘এক জীবন-২’ এর মিউজিক ভিডিও
- কারা থাকছেন আর্থিক খাত সংস্কার কমিশনে by সাইদ আরমান
- প্রেম-প্রতারণা- ‘মরে গেলাম ভাল থেকো’
- কাটরিনার ইচ্ছা
- তারা আসছেন তবে... by মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন
- মেগা নিয়ে ফিরছেন বাঁধন by কামরুজ্জামান মিলু
- ক্যামেরুন ডায়াসের সৌন্দর্যের রহস্য!
- বারাক ওবামার বিজয়ে মার্কিন তারকাদের উচ্ছ্বাস
-
▼
Nov 08
(126)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment