Thursday, November 8, 2012
রাজা আসেনি বাদ্য বাজাও by সুশান্ত মজুমদার
রাজা আসেনি বাদ্য বাজাও by সুশান্ত মজুমদার
মাইল নিঃশ্বাসে রেখে অবিরাম দৌড়ে সে মুক্তাঞ্চলে এসে পড়ে। তার বুকের কলকব্জা তরুণ, জং পড়ার মতো কলঙ্ক ধারণ করেনি বলে অমন সুদীর্ঘ দৌড়ে সে কয়েক মাইল পেরে যায়। এই দূরপাল্লার দৌড়ে কোথা থেকে কোথায় এলো তা-ও জানে না। তার সচল পা ফসলহীন মাঠের পর মাঠ পার হয়েছে।
সে জানে না দক্ষিণের নোনা পানি ভেঙে, খাল ঝাঁপিয়ে, লতাপাতা ছিঁড়ে, উলু ঘাস মাড়িয়ে, মরা গুগলি-শামুক ভেঙে, উত্তরের উর্বর সমতলে এসে উঠেছে। তাকে থামিয়ে দিতে দুজন কৌতূহলী মুক্তিযোদ্ধা ঝাঁপিয়ে না পড়লে পৃথিবীর শেষ প্রান্তে সে চলে যেতে পারত। তার পেছনে কোলাহল, যে কোলাহলের মর্মে রয়েছে জিজ্ঞাসা_কেন এই দৌড়, কোত্থেকে শুরু, কোথায় গিয়ে সাঙ্গ হবে_এসব নীরব প্রশ্নের কিছুই জানে না সে। তাকে থামিয়ে দিতেই সে ভেঙে পড়ে এবং পুরোপুরি জ্ঞানের বাইরে চলে যায়। আকাশের আগুন তখন মরে আসছে কমান্ডারের হুইসেল বেজেও অকেজো থেকে যায়। তিনি ভারি বিরক্ত হন_তাঁর নির্ধারিত বাণীদান আর সম্ভব হয় না।
লোকের পেছন ধরে সে ছিল হাটের পথে। বাদশা মিয়ার নিঃস্ব স্বর, তবু অভ্যাসে গলা চড়ে নির্দেশের মতো শোনায়_'বৎস, আমরা অন্নহীন। হাটে যাও।' হুকুম মান্য করে_'জ্বী, জাঁহাপনা' বলে, ভিন্ন অঞ্চলের মানুষ হয়েও সে অচেনা হাটের পথে বেরিয়ে পড়ে। পথে পথে ঘাসের চাপড়া_দুপাশে হেজিপেজি লতাপাতার ঝাড়, ভেতরে দু-একটি দুর্দশাগ্রস্ত দোচালা_মনুষ্যহীন। সব মানুষই কি হাটে গেছে? হাটুরে লোকের হাতে ব্যাগ দেখে তার খেয়াল হয়_বাজারের জন্য সে কিছুই আনেনি, কেবল পকেটে বাদশা মিয়ার দেওয়া পনেরো টাকা। ব্যাগ ছাড়া বাজার, নতুন এই উদ্যোগে সে খুশি হয়। অনভ্যস্ত হলেও আনন্দে দুটি সাঁকো পেরিয়ে যেতে পারে পথের ধুলোয় লাথি মেরে মেরে নিজের গোড়ালি সাদা করে এনেও সে খুশি। তার এই খুশি তৎপরতা মানুষের চোখে পড়ে এবং গ্রামে এমন অচেনা তরুণ দেখে এক বয়সী হাটুরে ঘাড় ঘোরায়_'কোত্থেকে আসতিছ?' উত্তর দিতে সে দাঁড়ায় এবং হাত ঘুরিয়ে তলোয়ার চালনা করে_'এখনো শত্রুকে ক্ষমা? না মহারাজ। সুযোগ পেলে করেন।' 'আপনাকে হত্যা করবে' এই উচ্চারণে জানিয়ে দেয় সে যাত্রার লোক। লোকটা দারুণ অপছন্দ করে তাকে। সে গায়ে পড়ে খাতির জমাতে চায়। দাঁত ঘষে 'ফাজিল' বলে হাটুরে তাকে পোকার মতো ঝেড়ে ফেলে। সে বিস্মিত বা আহত হয় না। বরং চমৎকার কোনো বিশেষণ প্রাপ্তিতে সে লোকটার পেছন ধরে হেঁটে চলে। বাতাসে তলোয়ার চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ বজায় রাখতে ডান হাতের চার আঙুলের ভাঁজের ওপর রাখা বুড়ো আঙুলটা চাপ দিয়ে রাখে। এই বাড়তি চাপের সঙ্গে মানানসই ডান চোয়ালও দাঁত কিড়িমিড়ির সঙ্গে ঝুলে যায়_ডান ভ্রূও ওপরে উঠে যায় এবং মনে মনে আউড়ে চলা ডায়লগে প্রাণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অবিরাম তলোয়ার চালনা করে যেতে হয়। সহসা সে থামে। তার তলোয়ার দেখি নিপুণভাবে যাবি তো যা রাজার পেটের লক্ষ্যে চলে গেছে। রাজা আর্তনাদসহ বিস্ময়ে চেয়ে থাকে_'তুই মন্টু, শেষে আমাকে বধ করলি?' সে তলোয়ার টেনে নিতে মনস্থির করেও আরো জোরে তলোয়ারের মাঝ অব্দি রাজার পেটে ঢুকিয়ে দেয়_'শালা, তুমি আমাকে রাত-দিন খাটাও, হাত-পা মালিশ করে দিই, চুলে বিলি করে দিই, তুমি শালা আমাকে আজ অব্দি পাট দেওয়ার কথা বলে তা রক্ষা করোনি।'
সহসা তার মতান্তর হয়। না, এভাবে রাজাকে সে হত্যা করতে পারে না। রাজা রাজাই আর সে প্রজা। তার মাথার আবির্ভূত রাগ জুড়িয়ে আসতে থাকে। বাড়ি থেকে পালিয়ে সে যখন যাত্রাদলের পেছন পেছন লেজ নেড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, কেউই যখন জায়গা দিতে নারাজ তখন এই রাজা চরিত্রের বাদশা মিয়া তাকে টেনে নেয়_'বুঝলি' আমার শরীরটা টিপে দিবি।' কয়েক গাঁ পাড়ি দিয়ে বাপ তার ফিরিয়ে নিতে এসেছিল। ততদিনে মন্টু বাদশা মিয়া ছাড়াও, মন্ত্রী নূরআলী, সেনাপতি জাকের খানসহ একঝাঁক ডানাকাটা পরী নাচিয়ে মেয়েদের থেকে পাত্তা পেতে শুরু করেছে। দুই দিন তো 'প্রতিশোধ' নামের শো চলাকালে স্টেজে ফাইট করে জয়নগরের সেনাপতি মুরাদাবাদের রাজার হাতে নিহত হলে তলোয়ার দুটি সে-ই কুড়িয়ে আনে। ম্যানেজার সুখলাল দাশ তার ওপর নজর রাখে। দৃশ্য পাল্টাতে, সিংহাসন সরাতে, তলোয়ার কুড়াতে রাখা ছোকরা বেদম জ্বরে নিষ্ক্রিয়। তার পিঠের ওপর চড় মেরে শুকলাল দা বলেন_'হবে তোর।'
শো শেষ হলে বাদশা মিয়া বাঙলা মদের বোতল হাতে নিয়ে পা ছড়িয়ে বসেন। মন্টু তাঁর গা হাত পা টেপে। দুই চুমুকের পর অভ্যাসে বাদশা মিয়া টলমল হয়ে তার উদ্দেশে হুংকার দেয়_'বৎস নাম কী?' পেটে মদ পড়লেই বাদশা মিয়া সচরাচর এই প্রশ্নটা দিয়ে কথোপকথন শুরু করে। তার ঝটপট উত্তর_'আমি মন্টু রাজা, আপনার খাদেম।' 'খাদেম' শোনামাত্রই কখনো এক, কখনো পাঁচ, দশ টাকার নোট বাড়িয়ে দেয় দরাজদিল বাদশা মিয়া। অমন রাজাকে কী করে দৃশ্য নেই, ঘটনা নেই, যুদ্ধ নেই সে হত্যা করে? বাদশা মিয়ার প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধায় তার ভেতরটা তৈলাক্ত হওয়ার উপক্রম হলে হঠাৎ মাথার কোনো এলাকায় থেকে যাওয়া একখণ্ড হালকা রাগ উদয় হয়ে তাকে ছেয়ে ফেলে। 'শালা, তুমি রাজাগিরি করো, লম্বা লম্বা কথা দাও, কাজের কাজ কিছু করো না।' এই হালকা রাগ ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে তার চাঁদি গরম করে দিলে তলোয়ার দিয়ে রাজাকে বিভক্ত করে ফেলতে সে উদ্যোগী হয়_'তোমার এত ফাই-ফরমায়েশ, সব আমি পালন করি অথচ আমাকে পাট দেওয়ার কথা বলে ম্যানেজার কোথাকার জগদীশ নামের এক ছোকরাকে রাজপুত্র চরিত্রে মনোনীত করলে তুমি তা সমর্থন করেছ, মুখে এক, কাজে আরেক। আজ দু'ফাঁক করে ফেলব।' এই পাকাপাকি সিদ্ধান্তে মন্টু নিজেকে নিয়োজিত করে বাম পা পেছনে সরিয়ে, বাঁ হাত ওপরে তুলে শক্ত ডান হাতে তলোয়ার রাজার ঘাড়ের ওপর তুলে দেয়। কিন্তু কোথায় তলোয়ার! সে সজাগ হলে দ্যাখে হাটের দিক থেকে ছেলে-যুবক-বুড়ো মানুষ ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ে আসছে। সবাই রাজার লোক কি? বাজারের ব্যাগ হাতে দুজন তার পাশ দিয়ে দৌড়ে যেতে যেতে_'এই চ্যামড়া, মেলেটারি' বলে উধাও হয়ে গেল। মেলেটারি মানে সেই দুশমন, গুলি করে যারা মানুষ মারে? তা মেলেটারি_কী বিদঘুটে নাম_মানুষের মতো দেখতে কি? তার কৌতূহল হয় মেলেটারি দর্শনে। কিন্তু কয়েকটা লাথি এসে পড়ে তার পাছায়_'মরতি চাও, দৌড়ো'। লাথি খেয়ে বা দৌড়ানোর নির্দেশ শুনে সে বিপুল তেজে দৌড়াতে শুরু করে। এই দৌড়ে সে অনক সঙ্গী পেয়ে যায়। তাকে পেছনে ফেলে কেউ কেউ দৌড়ে গেলে সে হেরে যাচ্ছে_এই বোধে দৌড় বাড়িয়ে দেয়। ফল হয়_মাইল মাইল দৌড়ে সত্বর সে সবাইকে হারিয়ে সামনে চলে যায়।
মন্টুর জ্ঞান এলে সে টের পায় তার হাঁটু থেকে পা পর্যন্ত পাথর। দুই কুঁচকিতে ব্যথার টাটানি। সে কোথায়_এই বোধ জাগ্রত হলেও তৎক্ষণাৎ তা হেলে পড়ে। দুই চোখ বুজে আসতে থাকে। ওই নিমিষ সময়ে অনেক আঁকা-বাঁকা ধূসর রেখা দেখতে পায়_দূর থেকে কাছাকাছি এগিয়ে আসছে। রেখাগুলি অস্পষ্ট মানুষের আদল পায়।
'মন্টু মন্টু'। তার নাম ধরে কে ডাকে? মোলায়েম স্বরে সে জেগে ওঠার প্রাণপণ প্রয়াস নেয়। কিন্তু কিছুতেই চোখের আঠা সরাতে পারে না। মনে হয় মা-ই ডাকছে। লতাপাতার ক্ষেত তন্নতন্ন করে মা তার জন্য থানকুনির পাতা নিয়ে এসেছে। কদিন ধরে মন্টুর পেটে গোলমাল। উত্তরপাড়ার মওলানার ঝাড়ফুঁকের পরও, গোলমাল নিবৃত্ত হয়নি। 'মন্টু মন্টু'। কী মুশকিল! ডাকের স্বর অত দূরে সরে যায় কেন। মা কি তাকে খুঁজতে পাশের বাড়ির উঠোনের দিকে যাচ্ছে? মন্টু চোখের ওপর থেকে ভার সরিয়ে জেগে উঠতে পারে না। জলে ভেজা কাগজ থেকে কাগজ ছাড়িয়ে আলাদা করে নেয়ার মতো করে মন্টু চোখের পাপড়ি ছাড়াতে থাকে। আবছা আবছা সে দেখে_তার মুখের ওপর কারা ঝুঁকে আছে। ওই সব মুখের ভেতর মাকে সে পায় না। তাদের বাড়িতে এত লোক এলো কোত্থেকে? তবে কি বোনটা তার সত্যি সত্যি দড়ি দিয়ে গাছে ঝুলেছে? যদি ঝুলেই থাকে তবে আশরাফ আলীকে সে ক্ষমা করবে না। দোজবরে আশরাফ আলী, যে তার বাপের বয়সী, এই সে রাবেয়ার ওপর কথায় কথায় যাচ্ছেতাই নির্যাতন করছে। ছল-ছুতোর অন্ত নেই। কী ব্যাপার? রাবেয়া কেন পুকুরে চাল ধুতে গিয়ে এত দেরি করল? রাবেয়া কেন কামলাকিষেণের সামনে মাথার কাপড় ফেলে হেঁটে গেল? রাবেয়া কেন রান্নাঘরে এত রাত হাঁড়ি-পাতিল নাড়াচাড়া করে? অসহ্য হয়ে রাবেয়া বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসে সাফ সাফ জানিয়ে দেয় সে যখন বাপ-মায়ের কাঁটা তবে তার নিষ্কৃতির জন্য দড়িই যথেষ্ট। শুনে মন্টু শিউরে ওঠে। তার গোঁয়ার বোন যদি গলায় দড়ি দেয় তবে চিরজনমের মতো সে তাকে হারাচ্ছে। কিন্তু রাবেয়া আপা মারা গেলে তো কান্না, কি বিলাপ কানে আসার কথা। সে নিজেও তো চিৎকার করে কেঁদে-কেটে বাড়িতে শোক জমিয়ে তুলতে পারে। তার ভেতর আদৌ কান্না কেন প্রস্তুত নয়। মন্টু আর ভাবতে পারে না। তার নাকে মুখে কাসুন্দির ঝাঁজ টের পায়_মাথার তালু অব্দি সেই ঝাঁজ ছড়িয়ে পড়লে ঝিমুনির ভেতর ভাবনা তলিয়ে যায়। চোখের কোণায় উদ্গত পানি জমে গেলে ঝাপসা ভাব আরো ঘন হয়ে আসে।
কিন্তু এ আবার কেমন কাণ্ড! কোথায় তার বাড়ি আর কোথায় যাত্রা প্যান্ডেল_লাফ দিয়ে দিয়ে ছবি দেখি বদল হয়ে চলেছে। সে দেখি খাপ থেকে তলোয়ার টেনে বের করে ফেলেছে। তার উচ্চ গম্ভীর স্বরে যাত্রা প্যান্ডেলের কোলাহল থেমে যায়_'এখন আদেশ করুন জাঁহাপনা, কোন রণাঙ্গনে যাব আমি।' মন্টু পারদর্শী সিপাহির_মতো ভনভন তলোয়ার ঘোরাতে থাকে। অমন অস্থির তলোয়ার চালনাকালে টের পায় তার গলার কাছে টক টক স্বাদ অস্বস্তি। পর মুহূর্তে পেটের ভেতর কাঁপুনি ওঠে আর ওই কাঁপুনি দৌড়ে চলে আসে উপরমুখো। নরম নরম কিছু বেরিয়ে যাওয়ার তীব্র চাপে মন্টু জেগে যায়। গর্জে ওঠে মাথার যন্ত্রণা। একজন টিনের গ্লাসে পানি ধরে তার মুখে। মন্টু চোঁ চোঁ শব্দে পানি শোষণ করে গ্লাসটি তার মুখের সামনে দিয়ে সরে যেতেই সব পানি তার পেটের ভেতর আরো একদফা আলোড়ন তুলে বেরিয়ে আসে। পানি বেরিয়ে যাওয়ার পর তিতে সাদা গ্যাজা উঠে আসে। পাকস্থলী ফাঁকা। মনে হয় কোনো দানা পানি পড়েনি। একজন নিশ্চিত স্বরে রায় দিলে গাল হাঁ করে শ্বাস টানতে টানতে মন্টু মন্থর চালে মাথা নেড়ে তা সমর্থন করে।
রাজা চরিত্রের বাদশা মিয়ার নির্দেশে সে ছিল হাটের পথে। হাটের পথ ছিল তার অচেনা। পুরো এই মুল্লুকেই সে নতুন। তাদের শুকতারা অপেরা যখন খুলনার কপিলমুনি, কি মুজগুন্নী, না শিরোমণিতে_জায়গার নাম পরিষ্কার মনে নেই, চারপাশে তখন তুমুল অস্থিরতা_খালিশপুরে ধুন্ধুমার সংঘর্ষে শ্রমিক মারা গেছে, তার প্রতিক্রিয়ায় মানুষ গরম। শুকতারা অপেরা কুষ্টিয়া থেকে ফরিদপুর, রাজবাড়ী হয়ে খুলনায় এসে থেমে গেছে। রাজবাড়ীতে দুই রাত যাত্রার পর বাদবাকি পালা নস্যাৎ হয়। খুলনায় এসে পেঁৗছানোর পর জানা গেল ঢাকায় আন্দোলন চরমে উঠেছে_আবহাওয়া উষ্ণ_সহসা দিনকালের মন্দভাব কেটে যাওয়ার লক্ষণ নেই। ওদিকে পুরো যাত্রা পার্টিকে বসিয়ে রাখা মানে খামখা রসদ খরচ। ম্যানেজার শুকলাল দাস ঘাগু লোক, মানুষ চরানো চাকরি তার_সে সবার ছুটি ঘোষণা করল। ছুটি_বলে কী লোকটা? সিজন পুরো হয়নি দলের রোজগার বন্ধে তাদের কোনো হাতও নেই, এমন সময়ে ছুটি বললেই কি ছুটি_পুরো সিজনের টাকা ছাড়েন মশাই। শুকলাল দাশ তার অভিজ্ঞ চোখ দিয়ে সবার চেহারা পড়ল। আন্দোলনের আঁচ কি যাত্রা পার্টির গায়ে এসেও লাগল? 'পাবে, তোমরা পাবে' বলে_শুকলাল দাশ যাত্রা পার্টির ড্রেসপত্র, বাঙ্-পেটরা ফেলে রেখে সেই যে বের হয়ে গেল আর খোঁজ নেই। হঠাৎ কে একজন খবর নিয়ে এলো যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে গাড়ি গাড়ি আর্মি গুলি ছুড়তে ছুড়তে খুলনার দিকে আগুয়ান। খুলনার আর্মিও রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়েছে_সম্ভবত কারফিউ জারি হচ্ছে। প্রথমে মেয়েরা ভয়ার্ত কণ্ঠে গলা জড়াজড়ি করে কেঁদেকেটে একাকার হলো। এই কান্নার গমক গিয়ে আছড়ে পড়ে পুরুষদের ওপর। কিসের ম্যানেজারের জন্য অপেক্ষা, আর যাত্রার বাঙ্-পেটরা আগলে রাখা! জীবন বাঁচালে বোঝাপড়া করা যাবে। ঘোরতর দুর্দশার ভেতর এতগুলো স্টার অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ফেলে রেখে কী করে শুকতারা অপেরা পার পায়_লাথি মেরে বাণী, কি চারণ অপেরায় চলে যেতে কতক্ষণ! অরুণকুমার মিনতী রানীকে নিয়ে ডানাকাটা পরীরা চলে গেল স্টেজ, লাইট, প্যান্ডেল যুবকদের সঙ্গে। থাকে কুলসুম_তার জন্য বাদশা মিয়া হাত বাড়িয়ে দিলে কুলসুম তাকে উপেক্ষা করে পালার প্রমোটার হারুনের সঙ্গে তার ড্রেস ও কসমেটিকসের বাঙ্সহ উড়াল দিল।
বাদশা মিয়া বুক চেপে ধরে যেন 'রামগড়ের চক্রান্ত' পালার গুপ্তঘাতকের হাতে ছুরিকাহত যুবরাজের মতো ডায়লগ বলতে বলতে মঞ্চের ওপর শুয়ে যাবে। হয়তো যাত্রাই ঢঙে সে ভূমিশয্যাই গ্রহণ করত, মন্টুই তাকে জাগিয়ে রাখে_'বান্দা হাজির জাঁহাপনা।' প্রত্যুত্তরে বাদশা মিয়ার কোনো বাদশাহি মেজাজ প্রকাশিত হয় না। মনুষ্য পরিত্যক্ত প্রান্তরে রাজ্যহারা নবাবের বেদনার সঙ্গে সে জমে থাকে। তাঁর সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ_রাজপোশাক নেই, পাত্রমিত্র নেই, রানি নেই, বাইরে তখন কোলাহল, চিৎকারের স্তূপ গড়ে ভেঙে ভেঙে দূরে সরে যায়। মানুষের ঊর্ধ্বশ্বাস পলায়নের ভেতর মন্টু কোথায় যাবে? বাড়িতে ফেরার উপায় বন্ধ_আদৌ তার আর জায়গা নেই। চাল, বেড়া খসে পড়লে কী হবে, আশরাফ বংশের সন্তানের যাত্রাদলে যোগদান কিছুতেই অনুমোদন করেননি হাতেম আলী। ছেলেকে ফিরিয়ে নিতে এলে মন্টুর যাত্রাই সংলাপ শুনে হাতেম আলী ছেলের সাবালক পরিণতির দিকে চেয়ে ফিরে যায়। মন্টুর একমাত্র ভরসা এখন বাদশা মিয়া এবং তাঁকে ছেড়ে যেতে সে নারাজ। মাটির ওপর থাবা মেরে বাদশা মিয়া উঠে দাঁড়ালে মন্টুর মনে হয় সিংহাসন পুনরুদ্ধারের তেজ বুঝি রাজা ফিরে পেয়েছেন। কিন্তু আগে জীবন, শত্রুর ঘেরাও থেকে বাঁচলে পর সিংহদরোজায় আবার নহবত বাজবে, পাত্রমিত্র প্রজার কণ্ঠে ধ্বনিত হবে জয়ধ্বনি। অতএব, রাজাকে একমাত্র সঙ্গীসহ রাজ্যের গভীরে, নগর থেকে গ্রামের পেটের ভেতর সরে যেতে হয়।
পালাতে পালাতে এঘাট-সেঘাট খুঁজে মালতী রানি নামে এক সাবেক যাত্রা নায়িকার কাছে বাদশা মিয়া উপস্থিত হলে মন্টু হতাশ হয়। এই হতাশা জোরালোভাবে তার ভেতর সক্রিয় হওয়ার আগেই ক্লান্তি, ক্ষুধা ও রাত্রি জাগরণে শরীর ভেঙে পড়ে। মালতী রানি সহসা কোনো জটিলতার ভেতর যেন গড়িয়ে যায়। সেদিনই তারা ভিটেমাটি ত্যাগ করে আরো ভেতরে সরে যাওয়ার চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে। তাদেরই জীবন নিয়ে টানাটানি_এ সময় আরো দুজনের হুট করে আবির্ভাব হলে মালতী রানির পক্ষে মেয়েমানুষ হয়ে পরিস্থিতির সামাল দেওয়া কিভাবে সম্ভব। যেকোনো মুহূর্তে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রামে ঢুকে পড়তে পারে। মালতী রানির মুখ শুকিয়ে আসে। একসময় তার চেহারায় শাঁস ছিল। মালতী রানি হারানোর বেদনায় গলে যেতে যেতে জানায় যক্ষ্মা তার লাবণ্য নিংড়ে চুষে নিয়েছে। সেই যে কী শরীর ভাঙল আর তার দখলে আসেনি। যাত্রায় মা-মাসি চরিত্রেও আর স্থান হয়নি। কয়েক বছর পর তার পুরনো মানুষ কাছে পেয়েও আজ খুশি নিভে নিভে আসে। দুজন মুসলমানকে হিন্দুর ঘরে আশ্রয় দিতে আপত্তি নেই, এসবের বাছ-বিচার এখন আর নেই_উভয়ের বাঁচামরা একসঙ্গে, কিন্তু জীবন বাঁচানোর উপায় কী! রাজার পাট ছাড়া যাকে অন্য চরিত্র করতে হয়নি, যার গম্ভীর জলদস্বরে যাত্রার প্যান্ডেলের ছাউনি খসে পড়ার উপক্রম হয়, বাজনার সঙ্গে সঙ্গে ছন্দ রেখে তলোয়ার চালিয়ে পালায় উত্তেজনা এনে দিয়েছে, সেই বাদশা মিয়া মালতী রানিকে দেখে তার দশাসই শরীরের শক্তি হারিয়ে বসে পড়ল তো পড়ল দীর্ঘস্থায়ী সময়ের জন্য জমে গেল। মালতী রানিদের পরিত্যক্ত গোলপাতার জীর্ণঘরে বিপুল বিষাদে বাদশা মিয়া নিজের স্মৃতি ছিঁড়ে চলে।
ফুরিয়ে যেতে থাকা বিকেলের দিকে মন্টু সুস্থ হয়। লাউসিদ্ধ, ডাল আর মোটা চালের ভাত খেয়ে তার হারানো শরীর সে ফেরত পাচ্ছে। আহ, কী সুস্বাদু! কতদিন পর তার মুখে উঠল যেন অন্নব্যঞ্জন। পাকস্থলীতে খাদ্য পড়ার কারণে হোক, কিংবা খাওয়ার আরামে হোক এবার পরিষ্কার মনে করতে পারে_গতকাল বিকেলে সে দৌড় শুরু করে_মধ্যখানে একটি দিন তার জ্ঞানশূন্যতার ভেতর পার হয়ে গেছে। তা দৌড়ের শেষ কিভাবে কিছুতেই মনে আসে না, অর্থাৎ গোলমাল এখানেই। এর একটা উপযুক্ত উত্তরের জন্য মন্টুকে নতুন মুখগুলোর প্রতি মনোযোগী হতেই হয়। চারপাশে যারা ঘেরাও করে আছে তাদের কথাবার্তা শুনে মোটামুটি বোঝা যায় লোকমুখে শোনা সেই মুক্তিবাহিনী। রাইফেল আগেও দেখেছে। ফরিদপুরে একবার যাত্রার প্যান্ডেলে গোলযোগ বেধে যায়_উত্তেজিত একদল মিনতী রানির জন্য পাগল হয়ে তাকে ছিনিয়ে নিতে এলে ওই বোম্বাটেদের দমনে যারা আসে তাদের ঘাড়ে দেখেছে এই যন্ত্র। এই যন্ত্রের আওয়াজ সে কাছে থেকে শোনেনি। খুলনা থেকে পালিয়ে আসার সময় গল্লামারি না কোথায় রেডিও স্টেশনের দখল নিয়ে প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজ শুনেছে। সে কী গুলির খই। ওই গুলির ভেতর নদী পার হতে গিয়ে ছোট একটা নৌকা মানুষের চাপে ডুবে যায় যায় অবস্থা। বাদশা মিয়া সাঁতার জানে না। মন্টুর হাত চেপে ধরে দাঁত কামড়ে থাকে। রাজার দুর্দশা দেখে নৌকা হালকা করতে তার একবার নদী সাঁতরে পার হওয়ার ইচ্ছে হয়। কে একজন জানাল গুলিতে একজনের পা উড়ে গেছে। শুনে মন্টু এমনই অবাক হয় যে নদী সাঁতরে পার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নীরবেই স্থগিত হয়। পা আবার উড়ে যায় কেমন করে? শুধু মানুষ মারা নয়, মানুষের হাত-পা-শরীরও তাহলে রাইফেল উড়িয়ে দিতে পারে? রাইফেলের কার্যক্ষমতার প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা তার বেড়ে যায়। কিন্তু গায়ে অসংখ্য ফুটো, হাত দেড় লম্বা এই যন্ত্রটা সে আগে দেখেনি ড্যাবড্যাবে খোকা চোখে যন্ত্রটার দিকে মন্টু ঘাড় ঘোরালে একজন তার কাছে প্রশ্ন রাখে_'নাম কী?' মন্টু নাম বলে। 'ছাত্র?' মন্টু মাথা নেড়ে 'ছাত্র' শব্দটা নাকচ করে 'যাত্রাদলে টিনের তলোয়ার কুড়াতাম। রাজার লোক।' শুনে সবাই হো হো হেসে ঘর ভাসিয়ে দেয়। সবাইকে চমকে দিতে বা নিজের জন্য স্থির দৃষ্টি আদায় করতে মন্টু বসে বসে তলোয়ার চালানোর মতো করে হাত ঘুরিয়ে মুখে শব্দ করে_খ্যাচ। শুকনো বারুদে-জীবনে সহসা মজা পেয়ে পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা হুল্লোড় মেতে ওঠে।_'ভালোই যাত্রার লোক পাওয়া গেল।' বলে, গোঁফ ঝোলানো একজন মন্টুর সমর্থন চায় 'আছো আমাদের সঙ্গে?' মন্টু মাথা নেড়ে সায় দিয়ে তলোয়ার চালানো অব্যাহত রাখে। হঠাৎ তলোয়ার তৎপরতা বন্ধ করে নীরব হয়। বাদশা মিয়া কোথায়? জায়গার নাম সে মনে করতে পারে না। রাজা এখন একা-একা হলে রাজার চলে কী করে? রাজা রইল কোন মুল্লুকে আর তার সেবক এখন আরেক মুল্লুকে_এখন রাজা যদি শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়? মন্টু শাঁ করে উঠে দাঁড়িয়ে নিজের তেজ প্রকাশ করে 'আমি চলে যাব।' খপ করে একজন তার ঘাড় ধরে 'মরতে চাও, মিলিটারি মানুষ সব শেষ করে দিচ্ছে।' মানুষ শেষ করে দিচ্ছে মানে রাজা শেষ_এই বোধের উত্থানে নিমিষে মন্টুর দৃঢ়তা শিথিল হয়। সে বুঝতে পারে না মিলিটারি যাত্রার মানুষ কেন মারতে যাবে? তারা তো সত্যিকার রাজা-উজির নয়, কোনো গোলমাল ঝগড়া ফ্যাসাদে নেই। তা মাঝেমধ্যে নিজেদের ভেতর কথাকাটাকাটি, কি দারু খেয়ে হৈচৈ হয় বটে_মিটেও যায়। উজির চরিত্রের মোহিতলাল স্টেজে যাওয়ার আগে ভরপেট দারু না খেলে নড়তেই চাইত না। তাঁর টলমল বেসামাল অবস্থা দেখে কে বলবে এই লোক স্টেজ মাত করে আসবে। বড়জোর সে দরজার মুখ অব্দি পেঁৗছাতে পারে, তার পরই ঢলে পড়ে তার চরিত্র ওখানেই খতম করে দেবে। এই মোহিতলালকে একদিন ম্যানেজার শুকলাল দাশ সাফ মুখের ওপর জবাব দিয়ে দেয়_রোজ রোজ পার্টির টাকায় তাঁকে দারু জোগাড় দেয়া সম্ভব না_অযথা খরচ। মোহিতলাল তার মহিমা বজায় রাখতে রেগে লাল হয়ে ম্যানেজার লালের ওপর তলোয়ার নিয়ে চড়াও হয়_সে এক বিশ্রী মারদাঙ্গা। তৎক্ষণাৎ মোহিতলাল শুকতারা অপেরা থেকে বরখাস্ত হয়ে গেল। এটাও তো নিজেরা নিজেরা_বাইরের কারো সঙ্গে হাঙ্গামা নয়। মন্টুর মাথায় আরো কী কী বুড়বুড়ি ছিল, তার আগেই তাকে ভাবনার ভেতর থেকে তুলে একজন বাইরে নিয়ে আসে। পড়ন্ত বিকেলের নিস্তেজ রং-বদল রোদ খাবলা খাবলা পড়ে আছে লম্বা গাছগুলোর মাথায়। 'কোথায় যাবে?' তার চেয়ে যৎকিঞ্চিত ঘাড়ে বড়, হালকা পাতলা, তবু গরম খইয়ের মতো ফুটতে থাকা এক মুক্তিযোদ্ধা পাখি পড়ানোর মতো করে বিভিন্ন বৃত্তান্ত মন্টুকে বুঝিয়ে দিতে থাকে। মন্টু তা মনোযোগ দিয়ে শোনে। চকিতে তার আপদমস্তকে ঝিন ঝিন শিহরণ বয়ে যায়। তার ক্লান্ত, ধ্বস্ত, ফ্যাকাশে মুখে জেগে ওঠে জোরালো উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার খানিকটা বুঝি ছলকে চোখ যুগলে পেঁৗছে সাদা শিরাগুলোকে লাল করে দেয়। মন্টু এবার তার ধুলোমলিন, শুকনো কাদা-লাঞ্ছিত বেঢপ প্যান্টের ওপর চর মেড়ে নাটুকে ভঙ্গি করে 'এই কে কোথায় আছিস, বাদ্য বাজা। রাজা-মন্ত্রী-পাত্রমিত্র পলাতক, এই বান্দা হাজির, যায় যাক একটা জীবন।' মন্টুর তড়বড়ে যাত্রাই স্বর এবং তলোয়ার চালানো নাচুনি ভঙ্গি ঘিরে সোল্লাসে অভিনব রসের মজায় ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হতে থাকে।
লোকের পেছন ধরে সে ছিল হাটের পথে। বাদশা মিয়ার নিঃস্ব স্বর, তবু অভ্যাসে গলা চড়ে নির্দেশের মতো শোনায়_'বৎস, আমরা অন্নহীন। হাটে যাও।' হুকুম মান্য করে_'জ্বী, জাঁহাপনা' বলে, ভিন্ন অঞ্চলের মানুষ হয়েও সে অচেনা হাটের পথে বেরিয়ে পড়ে। পথে পথে ঘাসের চাপড়া_দুপাশে হেজিপেজি লতাপাতার ঝাড়, ভেতরে দু-একটি দুর্দশাগ্রস্ত দোচালা_মনুষ্যহীন। সব মানুষই কি হাটে গেছে? হাটুরে লোকের হাতে ব্যাগ দেখে তার খেয়াল হয়_বাজারের জন্য সে কিছুই আনেনি, কেবল পকেটে বাদশা মিয়ার দেওয়া পনেরো টাকা। ব্যাগ ছাড়া বাজার, নতুন এই উদ্যোগে সে খুশি হয়। অনভ্যস্ত হলেও আনন্দে দুটি সাঁকো পেরিয়ে যেতে পারে পথের ধুলোয় লাথি মেরে মেরে নিজের গোড়ালি সাদা করে এনেও সে খুশি। তার এই খুশি তৎপরতা মানুষের চোখে পড়ে এবং গ্রামে এমন অচেনা তরুণ দেখে এক বয়সী হাটুরে ঘাড় ঘোরায়_'কোত্থেকে আসতিছ?' উত্তর দিতে সে দাঁড়ায় এবং হাত ঘুরিয়ে তলোয়ার চালনা করে_'এখনো শত্রুকে ক্ষমা? না মহারাজ। সুযোগ পেলে করেন।' 'আপনাকে হত্যা করবে' এই উচ্চারণে জানিয়ে দেয় সে যাত্রার লোক। লোকটা দারুণ অপছন্দ করে তাকে। সে গায়ে পড়ে খাতির জমাতে চায়। দাঁত ঘষে 'ফাজিল' বলে হাটুরে তাকে পোকার মতো ঝেড়ে ফেলে। সে বিস্মিত বা আহত হয় না। বরং চমৎকার কোনো বিশেষণ প্রাপ্তিতে সে লোকটার পেছন ধরে হেঁটে চলে। বাতাসে তলোয়ার চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ বজায় রাখতে ডান হাতের চার আঙুলের ভাঁজের ওপর রাখা বুড়ো আঙুলটা চাপ দিয়ে রাখে। এই বাড়তি চাপের সঙ্গে মানানসই ডান চোয়ালও দাঁত কিড়িমিড়ির সঙ্গে ঝুলে যায়_ডান ভ্রূও ওপরে উঠে যায় এবং মনে মনে আউড়ে চলা ডায়লগে প্রাণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অবিরাম তলোয়ার চালনা করে যেতে হয়। সহসা সে থামে। তার তলোয়ার দেখি নিপুণভাবে যাবি তো যা রাজার পেটের লক্ষ্যে চলে গেছে। রাজা আর্তনাদসহ বিস্ময়ে চেয়ে থাকে_'তুই মন্টু, শেষে আমাকে বধ করলি?' সে তলোয়ার টেনে নিতে মনস্থির করেও আরো জোরে তলোয়ারের মাঝ অব্দি রাজার পেটে ঢুকিয়ে দেয়_'শালা, তুমি আমাকে রাত-দিন খাটাও, হাত-পা মালিশ করে দিই, চুলে বিলি করে দিই, তুমি শালা আমাকে আজ অব্দি পাট দেওয়ার কথা বলে তা রক্ষা করোনি।'
সহসা তার মতান্তর হয়। না, এভাবে রাজাকে সে হত্যা করতে পারে না। রাজা রাজাই আর সে প্রজা। তার মাথার আবির্ভূত রাগ জুড়িয়ে আসতে থাকে। বাড়ি থেকে পালিয়ে সে যখন যাত্রাদলের পেছন পেছন লেজ নেড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, কেউই যখন জায়গা দিতে নারাজ তখন এই রাজা চরিত্রের বাদশা মিয়া তাকে টেনে নেয়_'বুঝলি' আমার শরীরটা টিপে দিবি।' কয়েক গাঁ পাড়ি দিয়ে বাপ তার ফিরিয়ে নিতে এসেছিল। ততদিনে মন্টু বাদশা মিয়া ছাড়াও, মন্ত্রী নূরআলী, সেনাপতি জাকের খানসহ একঝাঁক ডানাকাটা পরী নাচিয়ে মেয়েদের থেকে পাত্তা পেতে শুরু করেছে। দুই দিন তো 'প্রতিশোধ' নামের শো চলাকালে স্টেজে ফাইট করে জয়নগরের সেনাপতি মুরাদাবাদের রাজার হাতে নিহত হলে তলোয়ার দুটি সে-ই কুড়িয়ে আনে। ম্যানেজার সুখলাল দাশ তার ওপর নজর রাখে। দৃশ্য পাল্টাতে, সিংহাসন সরাতে, তলোয়ার কুড়াতে রাখা ছোকরা বেদম জ্বরে নিষ্ক্রিয়। তার পিঠের ওপর চড় মেরে শুকলাল দা বলেন_'হবে তোর।'
শো শেষ হলে বাদশা মিয়া বাঙলা মদের বোতল হাতে নিয়ে পা ছড়িয়ে বসেন। মন্টু তাঁর গা হাত পা টেপে। দুই চুমুকের পর অভ্যাসে বাদশা মিয়া টলমল হয়ে তার উদ্দেশে হুংকার দেয়_'বৎস নাম কী?' পেটে মদ পড়লেই বাদশা মিয়া সচরাচর এই প্রশ্নটা দিয়ে কথোপকথন শুরু করে। তার ঝটপট উত্তর_'আমি মন্টু রাজা, আপনার খাদেম।' 'খাদেম' শোনামাত্রই কখনো এক, কখনো পাঁচ, দশ টাকার নোট বাড়িয়ে দেয় দরাজদিল বাদশা মিয়া। অমন রাজাকে কী করে দৃশ্য নেই, ঘটনা নেই, যুদ্ধ নেই সে হত্যা করে? বাদশা মিয়ার প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধায় তার ভেতরটা তৈলাক্ত হওয়ার উপক্রম হলে হঠাৎ মাথার কোনো এলাকায় থেকে যাওয়া একখণ্ড হালকা রাগ উদয় হয়ে তাকে ছেয়ে ফেলে। 'শালা, তুমি রাজাগিরি করো, লম্বা লম্বা কথা দাও, কাজের কাজ কিছু করো না।' এই হালকা রাগ ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে তার চাঁদি গরম করে দিলে তলোয়ার দিয়ে রাজাকে বিভক্ত করে ফেলতে সে উদ্যোগী হয়_'তোমার এত ফাই-ফরমায়েশ, সব আমি পালন করি অথচ আমাকে পাট দেওয়ার কথা বলে ম্যানেজার কোথাকার জগদীশ নামের এক ছোকরাকে রাজপুত্র চরিত্রে মনোনীত করলে তুমি তা সমর্থন করেছ, মুখে এক, কাজে আরেক। আজ দু'ফাঁক করে ফেলব।' এই পাকাপাকি সিদ্ধান্তে মন্টু নিজেকে নিয়োজিত করে বাম পা পেছনে সরিয়ে, বাঁ হাত ওপরে তুলে শক্ত ডান হাতে তলোয়ার রাজার ঘাড়ের ওপর তুলে দেয়। কিন্তু কোথায় তলোয়ার! সে সজাগ হলে দ্যাখে হাটের দিক থেকে ছেলে-যুবক-বুড়ো মানুষ ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ে আসছে। সবাই রাজার লোক কি? বাজারের ব্যাগ হাতে দুজন তার পাশ দিয়ে দৌড়ে যেতে যেতে_'এই চ্যামড়া, মেলেটারি' বলে উধাও হয়ে গেল। মেলেটারি মানে সেই দুশমন, গুলি করে যারা মানুষ মারে? তা মেলেটারি_কী বিদঘুটে নাম_মানুষের মতো দেখতে কি? তার কৌতূহল হয় মেলেটারি দর্শনে। কিন্তু কয়েকটা লাথি এসে পড়ে তার পাছায়_'মরতি চাও, দৌড়ো'। লাথি খেয়ে বা দৌড়ানোর নির্দেশ শুনে সে বিপুল তেজে দৌড়াতে শুরু করে। এই দৌড়ে সে অনক সঙ্গী পেয়ে যায়। তাকে পেছনে ফেলে কেউ কেউ দৌড়ে গেলে সে হেরে যাচ্ছে_এই বোধে দৌড় বাড়িয়ে দেয়। ফল হয়_মাইল মাইল দৌড়ে সত্বর সে সবাইকে হারিয়ে সামনে চলে যায়।
মন্টুর জ্ঞান এলে সে টের পায় তার হাঁটু থেকে পা পর্যন্ত পাথর। দুই কুঁচকিতে ব্যথার টাটানি। সে কোথায়_এই বোধ জাগ্রত হলেও তৎক্ষণাৎ তা হেলে পড়ে। দুই চোখ বুজে আসতে থাকে। ওই নিমিষ সময়ে অনেক আঁকা-বাঁকা ধূসর রেখা দেখতে পায়_দূর থেকে কাছাকাছি এগিয়ে আসছে। রেখাগুলি অস্পষ্ট মানুষের আদল পায়।
'মন্টু মন্টু'। তার নাম ধরে কে ডাকে? মোলায়েম স্বরে সে জেগে ওঠার প্রাণপণ প্রয়াস নেয়। কিন্তু কিছুতেই চোখের আঠা সরাতে পারে না। মনে হয় মা-ই ডাকছে। লতাপাতার ক্ষেত তন্নতন্ন করে মা তার জন্য থানকুনির পাতা নিয়ে এসেছে। কদিন ধরে মন্টুর পেটে গোলমাল। উত্তরপাড়ার মওলানার ঝাড়ফুঁকের পরও, গোলমাল নিবৃত্ত হয়নি। 'মন্টু মন্টু'। কী মুশকিল! ডাকের স্বর অত দূরে সরে যায় কেন। মা কি তাকে খুঁজতে পাশের বাড়ির উঠোনের দিকে যাচ্ছে? মন্টু চোখের ওপর থেকে ভার সরিয়ে জেগে উঠতে পারে না। জলে ভেজা কাগজ থেকে কাগজ ছাড়িয়ে আলাদা করে নেয়ার মতো করে মন্টু চোখের পাপড়ি ছাড়াতে থাকে। আবছা আবছা সে দেখে_তার মুখের ওপর কারা ঝুঁকে আছে। ওই সব মুখের ভেতর মাকে সে পায় না। তাদের বাড়িতে এত লোক এলো কোত্থেকে? তবে কি বোনটা তার সত্যি সত্যি দড়ি দিয়ে গাছে ঝুলেছে? যদি ঝুলেই থাকে তবে আশরাফ আলীকে সে ক্ষমা করবে না। দোজবরে আশরাফ আলী, যে তার বাপের বয়সী, এই সে রাবেয়ার ওপর কথায় কথায় যাচ্ছেতাই নির্যাতন করছে। ছল-ছুতোর অন্ত নেই। কী ব্যাপার? রাবেয়া কেন পুকুরে চাল ধুতে গিয়ে এত দেরি করল? রাবেয়া কেন কামলাকিষেণের সামনে মাথার কাপড় ফেলে হেঁটে গেল? রাবেয়া কেন রান্নাঘরে এত রাত হাঁড়ি-পাতিল নাড়াচাড়া করে? অসহ্য হয়ে রাবেয়া বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসে সাফ সাফ জানিয়ে দেয় সে যখন বাপ-মায়ের কাঁটা তবে তার নিষ্কৃতির জন্য দড়িই যথেষ্ট। শুনে মন্টু শিউরে ওঠে। তার গোঁয়ার বোন যদি গলায় দড়ি দেয় তবে চিরজনমের মতো সে তাকে হারাচ্ছে। কিন্তু রাবেয়া আপা মারা গেলে তো কান্না, কি বিলাপ কানে আসার কথা। সে নিজেও তো চিৎকার করে কেঁদে-কেটে বাড়িতে শোক জমিয়ে তুলতে পারে। তার ভেতর আদৌ কান্না কেন প্রস্তুত নয়। মন্টু আর ভাবতে পারে না। তার নাকে মুখে কাসুন্দির ঝাঁজ টের পায়_মাথার তালু অব্দি সেই ঝাঁজ ছড়িয়ে পড়লে ঝিমুনির ভেতর ভাবনা তলিয়ে যায়। চোখের কোণায় উদ্গত পানি জমে গেলে ঝাপসা ভাব আরো ঘন হয়ে আসে।
কিন্তু এ আবার কেমন কাণ্ড! কোথায় তার বাড়ি আর কোথায় যাত্রা প্যান্ডেল_লাফ দিয়ে দিয়ে ছবি দেখি বদল হয়ে চলেছে। সে দেখি খাপ থেকে তলোয়ার টেনে বের করে ফেলেছে। তার উচ্চ গম্ভীর স্বরে যাত্রা প্যান্ডেলের কোলাহল থেমে যায়_'এখন আদেশ করুন জাঁহাপনা, কোন রণাঙ্গনে যাব আমি।' মন্টু পারদর্শী সিপাহির_মতো ভনভন তলোয়ার ঘোরাতে থাকে। অমন অস্থির তলোয়ার চালনাকালে টের পায় তার গলার কাছে টক টক স্বাদ অস্বস্তি। পর মুহূর্তে পেটের ভেতর কাঁপুনি ওঠে আর ওই কাঁপুনি দৌড়ে চলে আসে উপরমুখো। নরম নরম কিছু বেরিয়ে যাওয়ার তীব্র চাপে মন্টু জেগে যায়। গর্জে ওঠে মাথার যন্ত্রণা। একজন টিনের গ্লাসে পানি ধরে তার মুখে। মন্টু চোঁ চোঁ শব্দে পানি শোষণ করে গ্লাসটি তার মুখের সামনে দিয়ে সরে যেতেই সব পানি তার পেটের ভেতর আরো একদফা আলোড়ন তুলে বেরিয়ে আসে। পানি বেরিয়ে যাওয়ার পর তিতে সাদা গ্যাজা উঠে আসে। পাকস্থলী ফাঁকা। মনে হয় কোনো দানা পানি পড়েনি। একজন নিশ্চিত স্বরে রায় দিলে গাল হাঁ করে শ্বাস টানতে টানতে মন্টু মন্থর চালে মাথা নেড়ে তা সমর্থন করে।
রাজা চরিত্রের বাদশা মিয়ার নির্দেশে সে ছিল হাটের পথে। হাটের পথ ছিল তার অচেনা। পুরো এই মুল্লুকেই সে নতুন। তাদের শুকতারা অপেরা যখন খুলনার কপিলমুনি, কি মুজগুন্নী, না শিরোমণিতে_জায়গার নাম পরিষ্কার মনে নেই, চারপাশে তখন তুমুল অস্থিরতা_খালিশপুরে ধুন্ধুমার সংঘর্ষে শ্রমিক মারা গেছে, তার প্রতিক্রিয়ায় মানুষ গরম। শুকতারা অপেরা কুষ্টিয়া থেকে ফরিদপুর, রাজবাড়ী হয়ে খুলনায় এসে থেমে গেছে। রাজবাড়ীতে দুই রাত যাত্রার পর বাদবাকি পালা নস্যাৎ হয়। খুলনায় এসে পেঁৗছানোর পর জানা গেল ঢাকায় আন্দোলন চরমে উঠেছে_আবহাওয়া উষ্ণ_সহসা দিনকালের মন্দভাব কেটে যাওয়ার লক্ষণ নেই। ওদিকে পুরো যাত্রা পার্টিকে বসিয়ে রাখা মানে খামখা রসদ খরচ। ম্যানেজার শুকলাল দাস ঘাগু লোক, মানুষ চরানো চাকরি তার_সে সবার ছুটি ঘোষণা করল। ছুটি_বলে কী লোকটা? সিজন পুরো হয়নি দলের রোজগার বন্ধে তাদের কোনো হাতও নেই, এমন সময়ে ছুটি বললেই কি ছুটি_পুরো সিজনের টাকা ছাড়েন মশাই। শুকলাল দাশ তার অভিজ্ঞ চোখ দিয়ে সবার চেহারা পড়ল। আন্দোলনের আঁচ কি যাত্রা পার্টির গায়ে এসেও লাগল? 'পাবে, তোমরা পাবে' বলে_শুকলাল দাশ যাত্রা পার্টির ড্রেসপত্র, বাঙ্-পেটরা ফেলে রেখে সেই যে বের হয়ে গেল আর খোঁজ নেই। হঠাৎ কে একজন খবর নিয়ে এলো যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে গাড়ি গাড়ি আর্মি গুলি ছুড়তে ছুড়তে খুলনার দিকে আগুয়ান। খুলনার আর্মিও রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়েছে_সম্ভবত কারফিউ জারি হচ্ছে। প্রথমে মেয়েরা ভয়ার্ত কণ্ঠে গলা জড়াজড়ি করে কেঁদেকেটে একাকার হলো। এই কান্নার গমক গিয়ে আছড়ে পড়ে পুরুষদের ওপর। কিসের ম্যানেজারের জন্য অপেক্ষা, আর যাত্রার বাঙ্-পেটরা আগলে রাখা! জীবন বাঁচালে বোঝাপড়া করা যাবে। ঘোরতর দুর্দশার ভেতর এতগুলো স্টার অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ফেলে রেখে কী করে শুকতারা অপেরা পার পায়_লাথি মেরে বাণী, কি চারণ অপেরায় চলে যেতে কতক্ষণ! অরুণকুমার মিনতী রানীকে নিয়ে ডানাকাটা পরীরা চলে গেল স্টেজ, লাইট, প্যান্ডেল যুবকদের সঙ্গে। থাকে কুলসুম_তার জন্য বাদশা মিয়া হাত বাড়িয়ে দিলে কুলসুম তাকে উপেক্ষা করে পালার প্রমোটার হারুনের সঙ্গে তার ড্রেস ও কসমেটিকসের বাঙ্সহ উড়াল দিল।
বাদশা মিয়া বুক চেপে ধরে যেন 'রামগড়ের চক্রান্ত' পালার গুপ্তঘাতকের হাতে ছুরিকাহত যুবরাজের মতো ডায়লগ বলতে বলতে মঞ্চের ওপর শুয়ে যাবে। হয়তো যাত্রাই ঢঙে সে ভূমিশয্যাই গ্রহণ করত, মন্টুই তাকে জাগিয়ে রাখে_'বান্দা হাজির জাঁহাপনা।' প্রত্যুত্তরে বাদশা মিয়ার কোনো বাদশাহি মেজাজ প্রকাশিত হয় না। মনুষ্য পরিত্যক্ত প্রান্তরে রাজ্যহারা নবাবের বেদনার সঙ্গে সে জমে থাকে। তাঁর সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ_রাজপোশাক নেই, পাত্রমিত্র নেই, রানি নেই, বাইরে তখন কোলাহল, চিৎকারের স্তূপ গড়ে ভেঙে ভেঙে দূরে সরে যায়। মানুষের ঊর্ধ্বশ্বাস পলায়নের ভেতর মন্টু কোথায় যাবে? বাড়িতে ফেরার উপায় বন্ধ_আদৌ তার আর জায়গা নেই। চাল, বেড়া খসে পড়লে কী হবে, আশরাফ বংশের সন্তানের যাত্রাদলে যোগদান কিছুতেই অনুমোদন করেননি হাতেম আলী। ছেলেকে ফিরিয়ে নিতে এলে মন্টুর যাত্রাই সংলাপ শুনে হাতেম আলী ছেলের সাবালক পরিণতির দিকে চেয়ে ফিরে যায়। মন্টুর একমাত্র ভরসা এখন বাদশা মিয়া এবং তাঁকে ছেড়ে যেতে সে নারাজ। মাটির ওপর থাবা মেরে বাদশা মিয়া উঠে দাঁড়ালে মন্টুর মনে হয় সিংহাসন পুনরুদ্ধারের তেজ বুঝি রাজা ফিরে পেয়েছেন। কিন্তু আগে জীবন, শত্রুর ঘেরাও থেকে বাঁচলে পর সিংহদরোজায় আবার নহবত বাজবে, পাত্রমিত্র প্রজার কণ্ঠে ধ্বনিত হবে জয়ধ্বনি। অতএব, রাজাকে একমাত্র সঙ্গীসহ রাজ্যের গভীরে, নগর থেকে গ্রামের পেটের ভেতর সরে যেতে হয়।
পালাতে পালাতে এঘাট-সেঘাট খুঁজে মালতী রানি নামে এক সাবেক যাত্রা নায়িকার কাছে বাদশা মিয়া উপস্থিত হলে মন্টু হতাশ হয়। এই হতাশা জোরালোভাবে তার ভেতর সক্রিয় হওয়ার আগেই ক্লান্তি, ক্ষুধা ও রাত্রি জাগরণে শরীর ভেঙে পড়ে। মালতী রানি সহসা কোনো জটিলতার ভেতর যেন গড়িয়ে যায়। সেদিনই তারা ভিটেমাটি ত্যাগ করে আরো ভেতরে সরে যাওয়ার চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে। তাদেরই জীবন নিয়ে টানাটানি_এ সময় আরো দুজনের হুট করে আবির্ভাব হলে মালতী রানির পক্ষে মেয়েমানুষ হয়ে পরিস্থিতির সামাল দেওয়া কিভাবে সম্ভব। যেকোনো মুহূর্তে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রামে ঢুকে পড়তে পারে। মালতী রানির মুখ শুকিয়ে আসে। একসময় তার চেহারায় শাঁস ছিল। মালতী রানি হারানোর বেদনায় গলে যেতে যেতে জানায় যক্ষ্মা তার লাবণ্য নিংড়ে চুষে নিয়েছে। সেই যে কী শরীর ভাঙল আর তার দখলে আসেনি। যাত্রায় মা-মাসি চরিত্রেও আর স্থান হয়নি। কয়েক বছর পর তার পুরনো মানুষ কাছে পেয়েও আজ খুশি নিভে নিভে আসে। দুজন মুসলমানকে হিন্দুর ঘরে আশ্রয় দিতে আপত্তি নেই, এসবের বাছ-বিচার এখন আর নেই_উভয়ের বাঁচামরা একসঙ্গে, কিন্তু জীবন বাঁচানোর উপায় কী! রাজার পাট ছাড়া যাকে অন্য চরিত্র করতে হয়নি, যার গম্ভীর জলদস্বরে যাত্রার প্যান্ডেলের ছাউনি খসে পড়ার উপক্রম হয়, বাজনার সঙ্গে সঙ্গে ছন্দ রেখে তলোয়ার চালিয়ে পালায় উত্তেজনা এনে দিয়েছে, সেই বাদশা মিয়া মালতী রানিকে দেখে তার দশাসই শরীরের শক্তি হারিয়ে বসে পড়ল তো পড়ল দীর্ঘস্থায়ী সময়ের জন্য জমে গেল। মালতী রানিদের পরিত্যক্ত গোলপাতার জীর্ণঘরে বিপুল বিষাদে বাদশা মিয়া নিজের স্মৃতি ছিঁড়ে চলে।
ফুরিয়ে যেতে থাকা বিকেলের দিকে মন্টু সুস্থ হয়। লাউসিদ্ধ, ডাল আর মোটা চালের ভাত খেয়ে তার হারানো শরীর সে ফেরত পাচ্ছে। আহ, কী সুস্বাদু! কতদিন পর তার মুখে উঠল যেন অন্নব্যঞ্জন। পাকস্থলীতে খাদ্য পড়ার কারণে হোক, কিংবা খাওয়ার আরামে হোক এবার পরিষ্কার মনে করতে পারে_গতকাল বিকেলে সে দৌড় শুরু করে_মধ্যখানে একটি দিন তার জ্ঞানশূন্যতার ভেতর পার হয়ে গেছে। তা দৌড়ের শেষ কিভাবে কিছুতেই মনে আসে না, অর্থাৎ গোলমাল এখানেই। এর একটা উপযুক্ত উত্তরের জন্য মন্টুকে নতুন মুখগুলোর প্রতি মনোযোগী হতেই হয়। চারপাশে যারা ঘেরাও করে আছে তাদের কথাবার্তা শুনে মোটামুটি বোঝা যায় লোকমুখে শোনা সেই মুক্তিবাহিনী। রাইফেল আগেও দেখেছে। ফরিদপুরে একবার যাত্রার প্যান্ডেলে গোলযোগ বেধে যায়_উত্তেজিত একদল মিনতী রানির জন্য পাগল হয়ে তাকে ছিনিয়ে নিতে এলে ওই বোম্বাটেদের দমনে যারা আসে তাদের ঘাড়ে দেখেছে এই যন্ত্র। এই যন্ত্রের আওয়াজ সে কাছে থেকে শোনেনি। খুলনা থেকে পালিয়ে আসার সময় গল্লামারি না কোথায় রেডিও স্টেশনের দখল নিয়ে প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজ শুনেছে। সে কী গুলির খই। ওই গুলির ভেতর নদী পার হতে গিয়ে ছোট একটা নৌকা মানুষের চাপে ডুবে যায় যায় অবস্থা। বাদশা মিয়া সাঁতার জানে না। মন্টুর হাত চেপে ধরে দাঁত কামড়ে থাকে। রাজার দুর্দশা দেখে নৌকা হালকা করতে তার একবার নদী সাঁতরে পার হওয়ার ইচ্ছে হয়। কে একজন জানাল গুলিতে একজনের পা উড়ে গেছে। শুনে মন্টু এমনই অবাক হয় যে নদী সাঁতরে পার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নীরবেই স্থগিত হয়। পা আবার উড়ে যায় কেমন করে? শুধু মানুষ মারা নয়, মানুষের হাত-পা-শরীরও তাহলে রাইফেল উড়িয়ে দিতে পারে? রাইফেলের কার্যক্ষমতার প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা তার বেড়ে যায়। কিন্তু গায়ে অসংখ্য ফুটো, হাত দেড় লম্বা এই যন্ত্রটা সে আগে দেখেনি ড্যাবড্যাবে খোকা চোখে যন্ত্রটার দিকে মন্টু ঘাড় ঘোরালে একজন তার কাছে প্রশ্ন রাখে_'নাম কী?' মন্টু নাম বলে। 'ছাত্র?' মন্টু মাথা নেড়ে 'ছাত্র' শব্দটা নাকচ করে 'যাত্রাদলে টিনের তলোয়ার কুড়াতাম। রাজার লোক।' শুনে সবাই হো হো হেসে ঘর ভাসিয়ে দেয়। সবাইকে চমকে দিতে বা নিজের জন্য স্থির দৃষ্টি আদায় করতে মন্টু বসে বসে তলোয়ার চালানোর মতো করে হাত ঘুরিয়ে মুখে শব্দ করে_খ্যাচ। শুকনো বারুদে-জীবনে সহসা মজা পেয়ে পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা হুল্লোড় মেতে ওঠে।_'ভালোই যাত্রার লোক পাওয়া গেল।' বলে, গোঁফ ঝোলানো একজন মন্টুর সমর্থন চায় 'আছো আমাদের সঙ্গে?' মন্টু মাথা নেড়ে সায় দিয়ে তলোয়ার চালানো অব্যাহত রাখে। হঠাৎ তলোয়ার তৎপরতা বন্ধ করে নীরব হয়। বাদশা মিয়া কোথায়? জায়গার নাম সে মনে করতে পারে না। রাজা এখন একা-একা হলে রাজার চলে কী করে? রাজা রইল কোন মুল্লুকে আর তার সেবক এখন আরেক মুল্লুকে_এখন রাজা যদি শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়? মন্টু শাঁ করে উঠে দাঁড়িয়ে নিজের তেজ প্রকাশ করে 'আমি চলে যাব।' খপ করে একজন তার ঘাড় ধরে 'মরতে চাও, মিলিটারি মানুষ সব শেষ করে দিচ্ছে।' মানুষ শেষ করে দিচ্ছে মানে রাজা শেষ_এই বোধের উত্থানে নিমিষে মন্টুর দৃঢ়তা শিথিল হয়। সে বুঝতে পারে না মিলিটারি যাত্রার মানুষ কেন মারতে যাবে? তারা তো সত্যিকার রাজা-উজির নয়, কোনো গোলমাল ঝগড়া ফ্যাসাদে নেই। তা মাঝেমধ্যে নিজেদের ভেতর কথাকাটাকাটি, কি দারু খেয়ে হৈচৈ হয় বটে_মিটেও যায়। উজির চরিত্রের মোহিতলাল স্টেজে যাওয়ার আগে ভরপেট দারু না খেলে নড়তেই চাইত না। তাঁর টলমল বেসামাল অবস্থা দেখে কে বলবে এই লোক স্টেজ মাত করে আসবে। বড়জোর সে দরজার মুখ অব্দি পেঁৗছাতে পারে, তার পরই ঢলে পড়ে তার চরিত্র ওখানেই খতম করে দেবে। এই মোহিতলালকে একদিন ম্যানেজার শুকলাল দাশ সাফ মুখের ওপর জবাব দিয়ে দেয়_রোজ রোজ পার্টির টাকায় তাঁকে দারু জোগাড় দেয়া সম্ভব না_অযথা খরচ। মোহিতলাল তার মহিমা বজায় রাখতে রেগে লাল হয়ে ম্যানেজার লালের ওপর তলোয়ার নিয়ে চড়াও হয়_সে এক বিশ্রী মারদাঙ্গা। তৎক্ষণাৎ মোহিতলাল শুকতারা অপেরা থেকে বরখাস্ত হয়ে গেল। এটাও তো নিজেরা নিজেরা_বাইরের কারো সঙ্গে হাঙ্গামা নয়। মন্টুর মাথায় আরো কী কী বুড়বুড়ি ছিল, তার আগেই তাকে ভাবনার ভেতর থেকে তুলে একজন বাইরে নিয়ে আসে। পড়ন্ত বিকেলের নিস্তেজ রং-বদল রোদ খাবলা খাবলা পড়ে আছে লম্বা গাছগুলোর মাথায়। 'কোথায় যাবে?' তার চেয়ে যৎকিঞ্চিত ঘাড়ে বড়, হালকা পাতলা, তবু গরম খইয়ের মতো ফুটতে থাকা এক মুক্তিযোদ্ধা পাখি পড়ানোর মতো করে বিভিন্ন বৃত্তান্ত মন্টুকে বুঝিয়ে দিতে থাকে। মন্টু তা মনোযোগ দিয়ে শোনে। চকিতে তার আপদমস্তকে ঝিন ঝিন শিহরণ বয়ে যায়। তার ক্লান্ত, ধ্বস্ত, ফ্যাকাশে মুখে জেগে ওঠে জোরালো উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার খানিকটা বুঝি ছলকে চোখ যুগলে পেঁৗছে সাদা শিরাগুলোকে লাল করে দেয়। মন্টু এবার তার ধুলোমলিন, শুকনো কাদা-লাঞ্ছিত বেঢপ প্যান্টের ওপর চর মেড়ে নাটুকে ভঙ্গি করে 'এই কে কোথায় আছিস, বাদ্য বাজা। রাজা-মন্ত্রী-পাত্রমিত্র পলাতক, এই বান্দা হাজির, যায় যাক একটা জীবন।' মন্টুর তড়বড়ে যাত্রাই স্বর এবং তলোয়ার চালানো নাচুনি ভঙ্গি ঘিরে সোল্লাসে অভিনব রসের মজায় ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হতে থাকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 08
(126)
- ব্যাংক নোটে ম্যান্ডেলা
- চীনে কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেস শুরু আজ
- জারদারির মামলা চালু করতে সুইস কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ
- কেমন হবে ওবামার বৈশ্বিক নীতি?
- ‘আরও চারটি বছর’
- আওয়ামী লীগ নেতার কাণ্ড- ঠিকাদার ভেবে কিল-ঘুষি, পরে...
- রংপুর সিটি নির্বাচন: মশিউরকে এরশাদের সমর্থন- অন্য ...
- মাদক বিক্রির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রিকশাচালককে হ...
- মাদকবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে প্রথম আলো
- অর্থ ও আসবাব আত্মসাতের মামলা- সাবেক স্পিকার জমির উ...
- রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাতে কাল ঢাকায় আসছেন হিনা
- সামাজিক ব্যবসা সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ by আসজাদুল ...
- ৭ নভেম্বরে বিএনপির আশাবাদ- ‘গণবিরোধী’ সরকারের বিরু...
- শিক্ষা বিভাগ- এসিআর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন জরুরি b...
- মূল্যায়ন- ওবামা: আশার সংগ্রাম এখনো চলছে by বার্ন...
- সরেজমিন- ওবামার এই স্বপ্ন পূরণ হোক by মিজানুর রহ...
- কী শিক্ষা দিয়ে গেল আমাদের?- মুঠোফোনের গান ও ট্রেনে...
- বিশ্বময় শান্তি ও উন্নয়ন সাধিত হোক- অভিনন্দন, বারাক...
- চারদিক- ফিরে যাই শৈশবে by ফারুখ আহমেদ
- কৃষি- সোনালি ফসলের পাশে কৃষকের মুখ by তুহিন ওয়াদুদ
- ফিরে দেখা পঁচাত্তর- আগস্ট থেকে নভেম্বরের রক্তাক্ত ...
- জাতিসংঘ পার্কে বসাই দায় by ফারজানা আকতার
- আনোয়ারা আওয়ামী লীগের কী হবে by মোহাম্মদ মোরশেদ হ...
- শোক- সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ শামসুল হক
- ছাতিম ফুলের সুবাস by আহামেদ মুনির
- কালুরঘাট সেতু- ফেরির কষ্ট আরও এক মাস by মিঠুন চৌ...
- প্রথম সমকামী সিনেটর ট্যামি
- 'ফোর মোর ইয়ারস' by রাজীবুল হক
- কয়েক রাজ্যে ভোট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ by তানজিমুল নয়ন
- ওবামার কাছে জনগণ চায় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা by যিশু ম...
- ওবামার দিকে তাকিয়ে বিশ্ব by শামসুন নাহার
- 'আমি ভোট দিয়েছি' by শরীফুল ইসলাম শরীফ
- সবিশেষ-সর্বাধিক নারী সিনেটর
- অজানা
- জয়োৎসবের আগে ঝড়ের সতর্কবার্তা
- জো বাইডেন ২০১৬-তেও থাকবেন!
- সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ by রিয়াজ মিলটন
- ড্যান ডাব্লিউ মজিনা বললেন-যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ ...
- ওবামাকে ভোট দিলেন ১০৬ বছরের হিন্টন
- নাতির বিজয়ে আপ্লুত দাদি by সোহানা তুলি
- ঢাকায়ও জয়ী ওবামা
- সেই ওহাইয়োতে জিতেই ওবামা প্রেসিডেন্ট
- এবার তরুণ ভোটার বেশি by মোস্তফা রাসেল
- প্রতিক্রিয়া-গওহর রিজভীর মন্তব্য-ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্প...
- প্রতীকী ভোট দেখতে গিয়ে দুই নেতার তর্ক
- অল্প স্বল্প গল্প
- হলিউড- হলিউডে নির্বাচনী উত্তাপ
- জয়তী ও তাঁর গান by মেহেদী মাসুদ
- বলিউডআলিয়া, বরুণ, সিদ্ধার্থ- ত্রয়ীর জয়
- এটি একটি ব্যতিক্রমী উৎসব by আবুল খায়ের
- হোয়াইট হাউসের পুতুল হয়ে থাকবেন না তো?
- পরিবর্তন প্রয়োজন রিপাবলিকানদের
- গণভোটে সমলিঙ্গ বিয়ে মারিজুয়ানার অনুমোদন by ফৌজিয়া...
- তবুও আমাদের নীতি টিকে থাকবে : রমনি by হাসান ইমাম বাবু
- এত কিছুর পরও কেন হারলেন by খন্দকার মোজাম্মেল হক
- ড. ইউনূস ইস্যুতে মতদ্বৈধ কমবে by ড. দেলোয়ার হোসেন
- সাক্ষাৎকার-অর্থনীতিকে টেনে তুলেছেন ওবামা by সি এম ...
- কংগ্রেস ও গভর্নর নির্বাচন-পাল্টাল না সমীকরণ by তাম...
- সেরাটা এখনো বাকি-জয়ের পর শিকাগোয় নির্বাচনী সদর দপ্...
- যেভাবে বিজয় by আসাদুর রহমান
- আস্থায় প্রত্যাশায় ওবামা by সফেদ ফরাজী
- চোখ by হুমায়ূন আহমেদ
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ by হাসান আজিজুল হক
- কবি by সৈয়দ শামসুল হক
- রানীরঘাটের বৃত্তান্ত by সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
- পাদটীকা by সৈয়দ মুজতবা আলী
- ডিডেলাসের ঘুড়ি by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- সুখের পিঠে সুখ by সেলিনা হোসেন
- রাজা আসেনি বাদ্য বাজাও by সুশান্ত মজুমদার
- অযান্ত্রিক by সুবোধ ঘোষ
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- আদালত অবমাননার অভিযোগ- সাজেদা ও মতিয়ার বিষয়ে আদেশ ...
- সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাত্রা- আবারও সাগরে ট্রলারডুবি...
- নদীতীরে by সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
- নয়ান ঢুলি by সরদার জয়েনউদ্দীন
- সরেজমিন- স্কুল চলছে, ভোটও চলছে by মিজানুর রহমান খান
- ওবামা কেন জিতলেন, কীভাবে জিতলেন by আলী রীয়াজ
- নকুলার এক বছরের কারাদণ্ড
- ৫০০ বিঘা জমির জাল দলিল by রোজিনা ইসলাম ও মাসুদ রানা
- হোয়াইট হাউসে ফিরেছেন ওবামা
- আত্মজ by সুচিত্রা ভট্টাচার্য
- বড় পাপ হে by সমরেশ মজুমদার
- কে নেবে মোরে by সমরেশ বসু
- ক্লাস ফ্রেন্ড by সত্যজিৎ রায়
- ক্লাস ফ্রেন্ড by সত্যজিৎ রায়
- গণনায়ক by সতীনাথ ভাদুড়ী
- শ্বেতপাথরের টেবিল by সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
- চন্দনেশ্বরের মাচানতলায় by শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
- মুনিয়ার চারদিক by শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- কালান্তক লাল ফিতা by শিবরাম চক্রবর্তী
- শান্তিকামী মানুষের স্বস্তি by জাহিদুল ইসলাম সরকার
- এ নির্বাচন একটি মডেল by বেলাল হোসাইন রাহাত
- বিশ্বের মন জয় করবেন ওবামা by মাসুদ ফরহান অভি
- দ্বিতীয়বার সুযোগ পেলেন বারাক ওবামা by তানিম ইশতিয়াক
- বৃহতের সাধনা by সুভাষ সাহা
- জীবন-সার্থকতা মৃত্যুর সৌন্দর্যে by রণজিৎ বিশ্বাস
- সমকালীন চিন্তা-'কে সেই তৃতীয়, যে চলে তোমাদের সাথে?...
- বাঘহত্যা-নির্মমতার পুনরাবৃত্তি বন্ধ হোক
- অভিনন্দন ওবামা-ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিবিড় হোক
- জিব্রাইলের ডানা by শাহেদ আলী
- কোথায় পাব তারে by শহীদুল জহির
- মহেশ by শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী by শওকত ওসমান
- কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ by শওকত আলী
- ইজ্জত by রিজিয়া রহমান
- চুড়ি by রাহাত খান
- সূর্য ওঠার আগে by রাবেয়া খাতুন
- আবারও চিনির দাম বৃদ্ধি-চিনি শিল্পের উন্নয়নে পদক্ষে...
- অভিনন্দন বারাক ওবামা-দৃঢ় হোক বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক
- পবিত্র কোরআনের আলো-ফিরআউন সময় থাকতে সত্যকে স্বীকার...
- চার দশকের পরিবর্তিত মানসিকতা by ওয়াহিদ নবি
- প্রতিক্রিয়া : হুমায়ুন কবির-ওবামার সংস্কার কর্মসূচি...
- চরাচর-সিলেটের সাতকড়া by ইয়াহইয়া ফজল
- কয়লানীতি, বিশেষজ্ঞ কমিটি ও বাস্তবতা by হাসান কামরুল
- ফতোয়া ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা by ড. নিয়াজ আহম্মেদ
- বহে কাল নিরবধি-অবরোধ কি ইরানকে কোনো 'পরিবর্তনে' বা...
- ‘বাংলাদেশ ইমম্যাচিওরড, যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচিওরড’ by ...
- মেহজাবিনের বিজ্ঞাপনী চমক by সাইফ চন্দন
- এবার সিডিতে ‘এক জীবন-২’ এর মিউজিক ভিডিও
- কারা থাকছেন আর্থিক খাত সংস্কার কমিশনে by সাইদ আরমান
- প্রেম-প্রতারণা- ‘মরে গেলাম ভাল থেকো’
- কাটরিনার ইচ্ছা
- তারা আসছেন তবে... by মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন
- মেগা নিয়ে ফিরছেন বাঁধন by কামরুজ্জামান মিলু
- ক্যামেরুন ডায়াসের সৌন্দর্যের রহস্য!
- বারাক ওবামার বিজয়ে মার্কিন তারকাদের উচ্ছ্বাস
-
▼
Nov 08
(126)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment