Wednesday, September 21, 2011
মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ভূমি আগ্রাসন
মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ভূমি আগ্রাসন
ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলোর ওপর আমার তিন কিস্তির লেখার প্রথম কিস্তিতে ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলকভাবে চালু সম্পর্কিত ভারতীয় প্রতারণার ঘটনা উল্লেখ করেছিলাম। দ্বিতীয় কিস্তি আরম্ভ করছি বেরুবাড়ী নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে প্রতারণার কাহিনী বর্ণনা করে।
১৯৭৪ সালের ১৬ মে দিল্লিতে শেখ মুজিবুর রহমান এবং ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবিষয়ক যে চুক্তি সম্পাদিত হয়, তার ১নং ধারার (Article 1) ১৪নং উপধারাটি ছিল বেরুবাড়ী সংক্রান্ত।
১৯৭৪ সালের ১৬ মে দিল্লিতে শেখ মুজিবুর রহমান এবং ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবিষয়ক যে চুক্তি সম্পাদিত হয়, তার ১নং ধারার (Article 1) ১৪নং উপধারাটি ছিল বেরুবাড়ী সংক্রান্ত।
উপধারাটি নিম্নরূপ:
"India will retain the southern half of South Berubari Union No. 12 and the adjacent enclaves, measuring an area of 2.64 Square miles approximately, and in exchange Bangladesh will retain Dahagram and Angorpota enclaves. India will lease in perpetuity of Bangladesh an area of 178 metres 85 metres near `Tin Bigha' to connect Dahagram with Panbari Mouza (P.S. Patgram) of Bangladesh.
(ভারত দক্ষিণ বেরুবাড়ী ইউনিয়ন নং ১২-এর দক্ষিণার্ধ এবং সংলগ্ন ছিটমহলসমূহ যার আয়তন প্রায় ২.৬৪ বর্গমাইল তার অধিকারে রাখবে এবং বিনিময়ে বাংলাদেশ দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল তার অধিকারে রাখবে। ভারত চিরস্থায়ী লিজের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে তিনবিঘার কাছে ১৭৮ মিটার ৮৫ মিটার জায়গা প্রদান করবে যাতে দহগ্রাম বাংলাদেশের পানবাড়ী মৌজার [থানা পাটগ্রাম] সঙ্গে সংযুক্ত হয়।)
চুক্তির ৫নং ধারায় (Article 5) চুক্তি কার্যকর ও বাস্তবায়নের নিম্নোক্ত পন্থা বর্ণিত হয়,
"This instrument shall be subject to ratification by the Governments of India and Bangladesh and instruments of ratification shall be exchanged as early as possible. The Agreement shall take effect from the date of the exchange of the Instruments of Ratification."
(এই দলিলটি ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনসাপেক্ষ এবং অনুমোদনের একটি দলিল উভয় পক্ষের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব বিনিময় করা হবে। অনুমোদন দলিল বিনিময়ের তারিখ থেকে
এই চুক্তি বলবত্ হবে।)
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি ‘সরল’ বিশ্বাসে শেখ মুজিবুর রহমান চুক্তি অনুযায়ী ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে চুক্তি অনুমোদন করিয়ে নেন। এখানে উল্লেখ্য, শেখ মুজিবুর রহমানের সেই সংসদও বর্তমান সংসদের অনুরূপ প্রায় একদলীয় ছিল। সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪ পাঠকের জ্ঞাতার্থে এখানে আংশিক উদ্ধৃত করছি—
“গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কতিপয় বিধানের অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন।
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কতিপয় বিধানের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেইহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
১. সংক্ষিপ্ত শিরনামা ও প্রবর্তন।—(১) এই আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ৩ ধারা ব্যতীত ইহা অবিলম্বে বলবত্ হইবে এবং ৪ ধারার অধীন বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত তারিখে ৩ ধারা বলবত্ হইবে।”
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৫ নম্বর ধারায় পরিষ্কার উল্লেখ ছিল যে, উভয় সরকারের অনুমোদনের দলিল বিনিময়ের পরই কেবল চুক্তি বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু, অভাবিতভাবে ভারতের কাছ থেকে সে রকম কোনো অনুমোদন দলিল কিংবা তিনবিঘা করিডোরের চিরস্থায়ী লিজ প্রাপ্তি ব্যতিরেকেই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতার ভারে নতজানু বাংলাদেশের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান বেরুবাড়ী ছিটমহল ভারতকে হস্তান্তর করেন। অপরদিকে ভারত তাদের সংসদে বিষয়টি অনুমোদন না করে ঝুলিয়ে রাখে এবং আদালতে মামলার অজুহাতে তিনবিঘা করিডোর আমাদের না দিয়েই বেরুবাড়ী হস্তগত করে নেয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ তার প্রাপ্য তিনবিঘা করিডোরের চিরস্থায়ী লিজ পায়নি।
ড. মনমোহন সিংয়ের সফরের আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৬ বছর দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার অধিবাসীদের নিজ গৃহে পরবাসীর মতো গ্লানিকর জীবনযাপন করতে হয়েছে। বছরের পর বছর তারা ছিটমহল থেকে নিজ দেশে আসার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির আশায় বসে থেকেছে। বিএসএফ ইচ্ছে হলে অনুমতি দিয়েছে, অধিকাংশ সময়ই দেয়নি। তারপর কয়েক দশকের অনেক দেন-দরবার শেষে দিনের বারো ঘণ্টা বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলেও রাতের বারো ঘণ্টা ছিটমহলবাসীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী দ্বারা অবরুদ্ধ থাকতে হয়েছে। নিদারুণ অসুস্থতার সময়ও তারা জেলা হাসপাতালে চিকিত্সার সুযোগ পায়নি। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের সুবাদে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতায় বাংলাদেশী নাগরিকদের দীর্ঘ তিন যুগের বন্দিত্বের অবসান হয়েছে। তারা এখন থেকে চব্বিশ ঘণ্টাই মূল ভূখণ্ডে যাওয়া-আসা করতে পারবেন। তবে, কারাগারের দরজা খোলা হলেও আমরা চুক্তি অনুযায়ী করিডোরের চিরস্থায়ী লিজ পেয়েছি কিনা, সেটা এখনও দেশবাসীর অজানাই রয়ে গেছে। যে দরজাটি ভারত চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটি আবারও বন্ধ হবে কিনা তাও জানি না।
ছত্রিশ বছর ধরে চুক্তি প্রতিপালন না করার অপরাধে যেখানে ভারতের নিন্দা প্রাপ্য ছিল, সেখানে এ দেশের ভারতবান্ধব মিডিয়া, রাজনীতিবিদ এবং সুশীল (?) গোষ্ঠী সামান্য দরজা খোলা নিয়েই ড. মনমোহন সিং ও শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন! চব্বিশ ঘণ্টা ছিটমহলের দরজা খোলা রাখাকেই মহাজোট সরকার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের বিরাট সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করে চলেছে। কিন্তু যে কোনো বিবেকসম্পন্ন নাগরিকই বুঝবেন ১৯৭৪ সালের চুক্তি অনুযায়ী বিষয়টি কেবল দরজা খোলা অথবা বন্ধ সংক্রান্ত নয়, বেরুবাড়ী দেয়ার পরিবর্তে অতিশয় ক্ষুদ্র করিডোরটি বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ। ভারত আমাদের এতদিন ‘হাইকোর্ট’ দেখিয়ে একতরফাভাবে চুক্তি ভঙ্গ করেছে এবং তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তরের পরিবর্তে সেখানে দরজা লাগিয়ে, পাহারা বসিয়ে ছিটমহলবাসীদের বন্দি জীবনযাপনে বাধ্য করেছে। এখন আবার ওদের প্রচার মাধ্যম মারফত শুনতে পাচ্ছি, ছিটমহলের চারদিকে নাকি কাঁটাতারের বেড়াও নির্মাণ করা হবে। প্রকৃতপক্ষে, মানসিক বন্দিত্ব থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতার বাংলাদেশী নাগরিকদের মুক্তি দিতে ‘মহান’ প্রতিবেশী ভারত এখনও নারাজ।
এবার দেখা যাক ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতে ভারত ও বাংলাদেশের অন্যান্য ছিটমহলবাসীর দুঃখ-কষ্ট নিরসনে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। চুক্তির এক নম্বর ধারার ১২ নম্বর উপধারাটি নিম্নরূপ,
"The Indian enclaves in Bangladesh and the Bangladesh enclaves in India should be exchanged expeditiously, excepting the enclaves mentioned in paragraph 14 without claim to compensation for the additional area going to Bangladesh."
(১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত ছিটমহল ব্যতীত বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত ভারতীয় সকল ছিটমহল এবং ভারতের অভ্যন্তরের বাংলাদেশের ছিটমহলসমূহ দ্রুততার সঙ্গে বিনিময় করা হবে এবং বাংলাদেশের অতিরিক্ত ভূমি প্রাপ্তির বিনিময়ে কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদত্ত হবে না।)
উদ্ধৃত উপধারায় যে ১৪ অনুচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে সেটি দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সম্পর্কিত, যার আলোচনা এর মধ্যেই করেছি।
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভারতের তত্কালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণ সিং (Swaran Singh) ১৯৭৪ সালের ২২ জুলাই লোকসভায় নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন—
"The whole of Berubari will remain with India while the Bangladesh enclaves of Dahagram and Angarpota will remain with that country. All other enclaves of the two countries will be exchanged. We will also lease to Bangladesh an area to connect the enclaves of Dahagram and Angarpota with Bangladesh while ensuring that our nationals retain the facility of passage across this area.
As demarcation takes place, territories in the adverse possession of one or the other country will come to light. These will be exchanged; and we have agreed that the people in areas which are transferred will be given the right of staying on where they are as national of the State to which the areas are transferred."
(সম্পূর্ণ বেরুবাড়ী ভারতের অধিকারে থাকবে এবং বাংলাদেশের দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল তাদের অংশ হবে। অন্য সকল ছিটমহল দুই দেশের মধ্যে বিনিময় করা হবে। আমাদের নাগরিকদের যাতায়াতের অধিকার সংরক্ষিত রেখে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতার সঙ্গে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড সংযোগের জন্য একটি জায়গা লিজ দেয়া হবে। সীমান্ত চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়াকালে দুই দেশের মধ্যে প্রতিকূল অবস্থায় পতিত ভূখণ্ড ক্রমান্বয়ে নজরে আসবে। এই জায়গাগুলো বিনিময় করা হবে এবং আমরা সম্মত হয়েছি যে, জনগণ যার যার জায়গায় অবস্থান করেই ছিটমহল বিনিময় পরবর্তী রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার অধিকার ভোগ করবে।)
একই বছরের ২৬ জুলাই ভারতীয় রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তরকালে তত্কালীন স্টেট মিনিস্টার সুরেন্দ্র পাল সিং (Surendra Pal Singh) রাজ্যসভার সদস্যদের অবহিত করেন যে, ১৯৫৮ সালে সম্পাদিত ভারত ও পাকিস্তানের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরু ও ফিরোজ খান নূন (নেহরু-নূন চুক্তি) এর মধ্যকার সম্পাদিত চুক্তির আলোকেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তিনি রাজ্যসভাকে আরও জানান যে, ছিটমহল বিনিময় সমাপ্ত হলে ভারত এবং বাংলাদেশ যথাক্রমে ৭ ও ৭.২১ বর্গমাইল ভূমিপ্রাপ্ত হবে। (The area thus be retained by India is estimated at approximately 7.0 square miles and the area retained by Bangladesh at 7.21 square miles.)
ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের পর আমরা দেখতে পাচ্ছি, ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়টি আগের মতোই হিমাগারে রেখে কেবল তথাকথিত অপদখলীয় জমি হস্তান্তর হচ্ছে। এর ফলে একতরফাভাবে ভারত লাভবান হচ্ছে। এর মধ্যেই আসাম আমাদের ভূখণ্ড থেকে ১২৩৯ একর জমি পেয়েছে যার বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাত্র ৩৫৭ একর জমি। একইভাবে মেঘালয় রাজ্যকে ২৪০ একর জমি ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে আমরা মাত্র ৪১ একর পেয়েছি। আসাম এবং মেঘালয় থেকে আমাদের যত্সামান্য জমি প্রাপ্তি নিয়েও সংশয় রয়েছে। ওই দুই রাজ্যে বিজেপি’র নেতৃত্বে অন্যান্য বিরোধীদল স্থানীয় অধিবাসীদের নিয়ে বাংলাদেশকে জমি প্রদানের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে। তিনবিঘা করিডোর নিয়ে ভারত আমাদের সঙ্গে যে প্রতারণা করেছিল, অপদখলীয় জমির বিনিময় নিয়েও একই প্রকার প্রতারণার আশঙ্কা অবস্থাদৃষ্টে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকেও এখন পর্যন্ত জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে কোনো দৃঢ় ও পরিষ্কার অবস্থান দেশবাসী দেখতে পায়নি। বৃহত্তর সিলেটের সীমান্ত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ তাদের সাধ্যমত বিক্ষোভ-সমাবেশ করলেও রাজধানীতে তার কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি। ক্ষমতার রাজনীতিতে অভ্যস্ত শাসকশ্রেণী বাংলাদেশের অসহায় নাগরিকদের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে ভারতকে সন্তুষ্ট রেখেই তাদের রাজনীতি করতে অধিকতর আগ্রহী বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। অপদখলীয় জমি বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্য ব্যক্তিগতভাবে প্রভূত লাভবান হচ্ছেন। আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এর মধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের সুগভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মহাজোট নেত্রী শেখ হাসিনাকে এখন ওইসব রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানেরও প্রতিযোগিতা আরম্ভ হয়েছে। সম্ভবত, আগামী মাস থেকেই আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সেসব ডিগ্রি আহরণ অভিযান শুরু হবে।
নরওয়ের নোবেল কমিটি শেখ হাসিনার মর্যাদা না বুঝলেও ভারত কিন্তু যথাযথ প্রতিদান দিতে কসুর করছে না। অপদখলীয় জমি বিনিময়ের ব্যাপারে শেখ হাসিনা সরকার অতিউত্সাহী হলেও ছিটমহলবাসীদের দীর্ঘ ৬৪ বছরের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কোনো মাথাব্যথা নেই। আর কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় রাষ্ট্রের ছিটমহলের অসহায়, দরিদ্র মানুষগুলো এখন অহিংস আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন। তারা অনশন করছেন, নিষ্প্রদীপ মহড়া করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের উদাসীন শাসকদের দৃষ্টি আকর্ষণের যথাসম্ভব চেষ্টা চালাচ্ছেন।
শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের কাছ থেকে বার বার প্রতারিত হওয়া সত্ত্বেও তারই কন্যা ইতিহাস থেকে কোনো শিক্ষা নেবেন না বলে ধনুর্ভঙ্গ পণ করেছেন। তিনি এবং তার সুপার উপদেষ্টারা ভারত প্রেমে এতটাই বেহুঁশ যে, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির কোনো রকম স্বার্থ তারা বিবেচনাতেই আনছেন না। দুই ‘সুপার’ উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও ড. মসিউর রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি তো প্রেমের পরীক্ষায় আরব্য উপন্যাসের বিখ্যাত মজনুকেও হার মানিয়েছেন। এমন দিওয়ানা শ্রেণীর হাতে রাষ্ট্র কিংবা জনগণের স্বার্থ কোনোটিই নিরাপদ নয়। ভারত শুধু যে সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা অবলম্বন করে বাংলাদেশকে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখছে তাই নয়, আমাদের দেশের চারদিক ঘিরে কাঁটাতার নির্মাণের সময়ও তারা আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যকার ১৫০ মিটার এলাকায় কোনো স্থায়ী স্থাপনা (Structure) নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ হলেও ভারত সেটি মানছে না। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো : বিরোধপূর্ণ মুহুরি নদী এলাকায় বাংলাদেশ সরকার ভারতকে মাঝ নদী বরাবর ‘জিরো’ পয়েন্টে বেড়া নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বর্তমান একতরফা অবস্থা এতটাই দৃষ্টিকটু ঠেকছে যে, সরকারপন্থী মিডিয়া পর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছে।
বাংলাদেশের ইসলামীপন্থীদের আওয়ামী বলয়ে আকৃষ্ট করার মিশনে নিয়োজিত ‘দৈনিক ইনকিলাব’ পত্রিকায় ১৮ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রকাশিত ‘লিড স্টোরি’র শিরোনাম, ‘বাংলাদেশের জমি চলে যাচ্ছে ভারতের অংশে।’ সংবাদটির ‘ইন্ট্রো’ পাঠকদের জ্ঞাতার্থে উদ্ধৃত করছি, ‘সীমান্ত নদী ভাঙনে বাংলাদেশের জমি ভারতের অংশে চলে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নদীমুখে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করে দ্রুততর করা হচ্ছে ভাঙন প্রক্রিয়া। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অপব্যাখ্যা দিয়ে ভারত এসব জমির নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে। আর এসব জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা, দেয়া হচ্ছে কাঁটাতারের বেড়া।’ ২০০৮ সালের নির্বাচনে অর্থ প্রদানসহ নানা কিসিমের ভারতীয় সহায়তার ঋণ চুকাতে উদগ্রীব সরকারের বিগত তিন বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের স্বার্থ পুরোপুরি উপেক্ষিত থেকেছে। কাজেই এদের আমলে সম্পাদিত কোনো চুক্তিই এ দেশের দেশপ্রেমিক নাগরিকের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
দক্ষিণ তালপট্টিতে ভারতীয় আগ্রাসনের বিষয় অবতারণা করে ড. মনমোহন সিংয়ের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের প্রেক্ষিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উপর রচিত মন্তব্য প্রতিবেদনের দ্বিতীয় কিস্তি শেষ করব। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণ তালপট্টি নামে যে ভূখণ্ডটি ক্রমেই জেগে উঠছে, সেটি র্যাডক্লিফ রোয়েদাদ অনুযায়ী বাংলাদেশের অংশ হলেও সামরিক শক্তির জোরে ভারত সেই ভূখণ্ডকে অপদখলে রেখেছে। র্যাডক্লিফ রোয়েদাদে ‘থলওয়েগ ডকট্রিন’ (Thalweg Doctrine) এর মিড-চ্যানেল ফ্লো (mid channel flow)’র নীতিমালার ভিত্তিতে নদী দ্বারা বিভক্ত সীমানায় ভূমির ওপর সার্বভৌমত্ব নির্ধারণের বিষয়টি সাব্যস্ত করা হয়েছে। হাড়িয়াভাঙ্গা (Hariabhanga) নদীতে সেই নীতি প্রয়োগ করলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দক্ষিণ তালপট্টি নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের ভূখণ্ড। মরহুম জিয়াউর রহমানের শাসনামলেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশ দক্ষিণ তালপট্টির ওপর তার সার্বভৌমত্ব দাবি করে। কিন্তু ক্ষমতাশালী ভারতীয় নৌবাহিনী আমাদের কোনো নৌযানকেই ওই এলাকায় যেতে দিচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার দক্ষিণ তালপট্টিকে ‘নিউ মুর দ্বীপ’ (ঘব িগড়ড়ত্ব ওংষধহফ) এবং পূর্বাশা নামে অভিহিত করে ভূখণ্ডটিকে তাদের বলে দাবি করছে। ১৯৮১ সালে ভারত সেখানে তাদের পতাকা ওড়ায় এবং একটি অস্থায়ী বিএসএফ ক্যাম্পও প্রতিষ্ঠা করে।
একবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global warming) প্রতিক্রিয়ায় দক্ষিণ তালপট্টি সম্পূর্ণভাবে বঙ্গোপসাগরের পানির নিচে চলে গেলেও এই অগভীর স্থানে ২৫ থেকে ৩০ বর্গ মাইল বিশিষ্ট ভূমি জেগে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণের সময় তত্কালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেনের নগ্ন পক্ষপাতিত্বের কারণে সিরিল র্যাডক্লিফ (Cyril Radcliff) সেই সময়কার ব্রিটিশশাসিত ভারত উপমহাদেশের যে সীমানা বিভাজন করেন, তাতে পাকিস্তান পরিষ্কারভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ সেই র্যাডক্লিফের অনুসৃত পদ্ধতি অনুযায়ী দক্ষিণ তালপট্টি আয়তনে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বাংলাদেশের অংশ হলেও বিপুলাকায় ভারত আজ সেটি মানতে সম্মত নয়। ১৯৪৭ সাল থেকেই বাংলাদেশের ভূমিসহ অন্যান্য সম্পদের ওপর ভারতের আগ্রাসী তত্পরতার কখনই অবসান ঘটেনি। একই চিত্র আমরা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও দেখতে পাচ্ছি। খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশেও আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বৃহত্ প্রতিবেশী ভারত বন্ধুসুলভ সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদর্শনের পরিবর্তে তাদের আধিপত্যবাদী চেহারাটাকেই স্বাধীনতাত্তোর চল্লিশ বছর ধরে দেখিয়ে এসেছে।
নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক স্বার্থে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার বিনিময়ে ভারতকে পুরো দেশটি ইজারা দেয়ার যে বন্দোবস্ত বাংলাদেশের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে, তাকে পরাজিত করেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা’র প্রমাণ দিতে হবে। জনগণকে উপলব্ধি করতে হবে অতিমাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেরিওয়ালারাই বর্তমান সময়ের স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সাম্প্রতিক বক্তব্যের মধ্যেও বৃহত্ ভারতে বাংলাদেশের লীন হয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে। পাকিস্তানপন্থী রাজাকারদের ১৯৭১-এ পরাজিত করার বিরোচিত ইতিহাস থেকেই বর্তমানের ভারতপন্থী রাজাকারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রেরণা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় কিস্তি সমাপ্ত করছি।
"India will retain the southern half of South Berubari Union No. 12 and the adjacent enclaves, measuring an area of 2.64 Square miles approximately, and in exchange Bangladesh will retain Dahagram and Angorpota enclaves. India will lease in perpetuity of Bangladesh an area of 178 metres 85 metres near `Tin Bigha' to connect Dahagram with Panbari Mouza (P.S. Patgram) of Bangladesh.
(ভারত দক্ষিণ বেরুবাড়ী ইউনিয়ন নং ১২-এর দক্ষিণার্ধ এবং সংলগ্ন ছিটমহলসমূহ যার আয়তন প্রায় ২.৬৪ বর্গমাইল তার অধিকারে রাখবে এবং বিনিময়ে বাংলাদেশ দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল তার অধিকারে রাখবে। ভারত চিরস্থায়ী লিজের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে তিনবিঘার কাছে ১৭৮ মিটার ৮৫ মিটার জায়গা প্রদান করবে যাতে দহগ্রাম বাংলাদেশের পানবাড়ী মৌজার [থানা পাটগ্রাম] সঙ্গে সংযুক্ত হয়।)
চুক্তির ৫নং ধারায় (Article 5) চুক্তি কার্যকর ও বাস্তবায়নের নিম্নোক্ত পন্থা বর্ণিত হয়,
"This instrument shall be subject to ratification by the Governments of India and Bangladesh and instruments of ratification shall be exchanged as early as possible. The Agreement shall take effect from the date of the exchange of the Instruments of Ratification."
(এই দলিলটি ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনসাপেক্ষ এবং অনুমোদনের একটি দলিল উভয় পক্ষের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব বিনিময় করা হবে। অনুমোদন দলিল বিনিময়ের তারিখ থেকে
এই চুক্তি বলবত্ হবে।)
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি ‘সরল’ বিশ্বাসে শেখ মুজিবুর রহমান চুক্তি অনুযায়ী ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে চুক্তি অনুমোদন করিয়ে নেন। এখানে উল্লেখ্য, শেখ মুজিবুর রহমানের সেই সংসদও বর্তমান সংসদের অনুরূপ প্রায় একদলীয় ছিল। সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪ পাঠকের জ্ঞাতার্থে এখানে আংশিক উদ্ধৃত করছি—
“গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কতিপয় বিধানের অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন।
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কতিপয় বিধানের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেইহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
১. সংক্ষিপ্ত শিরনামা ও প্রবর্তন।—(১) এই আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ৩ ধারা ব্যতীত ইহা অবিলম্বে বলবত্ হইবে এবং ৪ ধারার অধীন বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত তারিখে ৩ ধারা বলবত্ হইবে।”
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৫ নম্বর ধারায় পরিষ্কার উল্লেখ ছিল যে, উভয় সরকারের অনুমোদনের দলিল বিনিময়ের পরই কেবল চুক্তি বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু, অভাবিতভাবে ভারতের কাছ থেকে সে রকম কোনো অনুমোদন দলিল কিংবা তিনবিঘা করিডোরের চিরস্থায়ী লিজ প্রাপ্তি ব্যতিরেকেই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতার ভারে নতজানু বাংলাদেশের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান বেরুবাড়ী ছিটমহল ভারতকে হস্তান্তর করেন। অপরদিকে ভারত তাদের সংসদে বিষয়টি অনুমোদন না করে ঝুলিয়ে রাখে এবং আদালতে মামলার অজুহাতে তিনবিঘা করিডোর আমাদের না দিয়েই বেরুবাড়ী হস্তগত করে নেয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ তার প্রাপ্য তিনবিঘা করিডোরের চিরস্থায়ী লিজ পায়নি।
ড. মনমোহন সিংয়ের সফরের আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৬ বছর দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার অধিবাসীদের নিজ গৃহে পরবাসীর মতো গ্লানিকর জীবনযাপন করতে হয়েছে। বছরের পর বছর তারা ছিটমহল থেকে নিজ দেশে আসার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির আশায় বসে থেকেছে। বিএসএফ ইচ্ছে হলে অনুমতি দিয়েছে, অধিকাংশ সময়ই দেয়নি। তারপর কয়েক দশকের অনেক দেন-দরবার শেষে দিনের বারো ঘণ্টা বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলেও রাতের বারো ঘণ্টা ছিটমহলবাসীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী দ্বারা অবরুদ্ধ থাকতে হয়েছে। নিদারুণ অসুস্থতার সময়ও তারা জেলা হাসপাতালে চিকিত্সার সুযোগ পায়নি। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের সুবাদে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতায় বাংলাদেশী নাগরিকদের দীর্ঘ তিন যুগের বন্দিত্বের অবসান হয়েছে। তারা এখন থেকে চব্বিশ ঘণ্টাই মূল ভূখণ্ডে যাওয়া-আসা করতে পারবেন। তবে, কারাগারের দরজা খোলা হলেও আমরা চুক্তি অনুযায়ী করিডোরের চিরস্থায়ী লিজ পেয়েছি কিনা, সেটা এখনও দেশবাসীর অজানাই রয়ে গেছে। যে দরজাটি ভারত চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটি আবারও বন্ধ হবে কিনা তাও জানি না।
ছত্রিশ বছর ধরে চুক্তি প্রতিপালন না করার অপরাধে যেখানে ভারতের নিন্দা প্রাপ্য ছিল, সেখানে এ দেশের ভারতবান্ধব মিডিয়া, রাজনীতিবিদ এবং সুশীল (?) গোষ্ঠী সামান্য দরজা খোলা নিয়েই ড. মনমোহন সিং ও শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন! চব্বিশ ঘণ্টা ছিটমহলের দরজা খোলা রাখাকেই মহাজোট সরকার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের বিরাট সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করে চলেছে। কিন্তু যে কোনো বিবেকসম্পন্ন নাগরিকই বুঝবেন ১৯৭৪ সালের চুক্তি অনুযায়ী বিষয়টি কেবল দরজা খোলা অথবা বন্ধ সংক্রান্ত নয়, বেরুবাড়ী দেয়ার পরিবর্তে অতিশয় ক্ষুদ্র করিডোরটি বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ। ভারত আমাদের এতদিন ‘হাইকোর্ট’ দেখিয়ে একতরফাভাবে চুক্তি ভঙ্গ করেছে এবং তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তরের পরিবর্তে সেখানে দরজা লাগিয়ে, পাহারা বসিয়ে ছিটমহলবাসীদের বন্দি জীবনযাপনে বাধ্য করেছে। এখন আবার ওদের প্রচার মাধ্যম মারফত শুনতে পাচ্ছি, ছিটমহলের চারদিকে নাকি কাঁটাতারের বেড়াও নির্মাণ করা হবে। প্রকৃতপক্ষে, মানসিক বন্দিত্ব থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতার বাংলাদেশী নাগরিকদের মুক্তি দিতে ‘মহান’ প্রতিবেশী ভারত এখনও নারাজ।
এবার দেখা যাক ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতে ভারত ও বাংলাদেশের অন্যান্য ছিটমহলবাসীর দুঃখ-কষ্ট নিরসনে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। চুক্তির এক নম্বর ধারার ১২ নম্বর উপধারাটি নিম্নরূপ,
"The Indian enclaves in Bangladesh and the Bangladesh enclaves in India should be exchanged expeditiously, excepting the enclaves mentioned in paragraph 14 without claim to compensation for the additional area going to Bangladesh."
(১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত ছিটমহল ব্যতীত বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত ভারতীয় সকল ছিটমহল এবং ভারতের অভ্যন্তরের বাংলাদেশের ছিটমহলসমূহ দ্রুততার সঙ্গে বিনিময় করা হবে এবং বাংলাদেশের অতিরিক্ত ভূমি প্রাপ্তির বিনিময়ে কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদত্ত হবে না।)
উদ্ধৃত উপধারায় যে ১৪ অনুচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে সেটি দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সম্পর্কিত, যার আলোচনা এর মধ্যেই করেছি।
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভারতের তত্কালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণ সিং (Swaran Singh) ১৯৭৪ সালের ২২ জুলাই লোকসভায় নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন—
"The whole of Berubari will remain with India while the Bangladesh enclaves of Dahagram and Angarpota will remain with that country. All other enclaves of the two countries will be exchanged. We will also lease to Bangladesh an area to connect the enclaves of Dahagram and Angarpota with Bangladesh while ensuring that our nationals retain the facility of passage across this area.
As demarcation takes place, territories in the adverse possession of one or the other country will come to light. These will be exchanged; and we have agreed that the people in areas which are transferred will be given the right of staying on where they are as national of the State to which the areas are transferred."
(সম্পূর্ণ বেরুবাড়ী ভারতের অধিকারে থাকবে এবং বাংলাদেশের দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল তাদের অংশ হবে। অন্য সকল ছিটমহল দুই দেশের মধ্যে বিনিময় করা হবে। আমাদের নাগরিকদের যাতায়াতের অধিকার সংরক্ষিত রেখে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতার সঙ্গে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড সংযোগের জন্য একটি জায়গা লিজ দেয়া হবে। সীমান্ত চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়াকালে দুই দেশের মধ্যে প্রতিকূল অবস্থায় পতিত ভূখণ্ড ক্রমান্বয়ে নজরে আসবে। এই জায়গাগুলো বিনিময় করা হবে এবং আমরা সম্মত হয়েছি যে, জনগণ যার যার জায়গায় অবস্থান করেই ছিটমহল বিনিময় পরবর্তী রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার অধিকার ভোগ করবে।)
একই বছরের ২৬ জুলাই ভারতীয় রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তরকালে তত্কালীন স্টেট মিনিস্টার সুরেন্দ্র পাল সিং (Surendra Pal Singh) রাজ্যসভার সদস্যদের অবহিত করেন যে, ১৯৫৮ সালে সম্পাদিত ভারত ও পাকিস্তানের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরু ও ফিরোজ খান নূন (নেহরু-নূন চুক্তি) এর মধ্যকার সম্পাদিত চুক্তির আলোকেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তিনি রাজ্যসভাকে আরও জানান যে, ছিটমহল বিনিময় সমাপ্ত হলে ভারত এবং বাংলাদেশ যথাক্রমে ৭ ও ৭.২১ বর্গমাইল ভূমিপ্রাপ্ত হবে। (The area thus be retained by India is estimated at approximately 7.0 square miles and the area retained by Bangladesh at 7.21 square miles.)
ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের পর আমরা দেখতে পাচ্ছি, ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়টি আগের মতোই হিমাগারে রেখে কেবল তথাকথিত অপদখলীয় জমি হস্তান্তর হচ্ছে। এর ফলে একতরফাভাবে ভারত লাভবান হচ্ছে। এর মধ্যেই আসাম আমাদের ভূখণ্ড থেকে ১২৩৯ একর জমি পেয়েছে যার বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাত্র ৩৫৭ একর জমি। একইভাবে মেঘালয় রাজ্যকে ২৪০ একর জমি ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে আমরা মাত্র ৪১ একর পেয়েছি। আসাম এবং মেঘালয় থেকে আমাদের যত্সামান্য জমি প্রাপ্তি নিয়েও সংশয় রয়েছে। ওই দুই রাজ্যে বিজেপি’র নেতৃত্বে অন্যান্য বিরোধীদল স্থানীয় অধিবাসীদের নিয়ে বাংলাদেশকে জমি প্রদানের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে। তিনবিঘা করিডোর নিয়ে ভারত আমাদের সঙ্গে যে প্রতারণা করেছিল, অপদখলীয় জমির বিনিময় নিয়েও একই প্রকার প্রতারণার আশঙ্কা অবস্থাদৃষ্টে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকেও এখন পর্যন্ত জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে কোনো দৃঢ় ও পরিষ্কার অবস্থান দেশবাসী দেখতে পায়নি। বৃহত্তর সিলেটের সীমান্ত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ তাদের সাধ্যমত বিক্ষোভ-সমাবেশ করলেও রাজধানীতে তার কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি। ক্ষমতার রাজনীতিতে অভ্যস্ত শাসকশ্রেণী বাংলাদেশের অসহায় নাগরিকদের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে ভারতকে সন্তুষ্ট রেখেই তাদের রাজনীতি করতে অধিকতর আগ্রহী বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। অপদখলীয় জমি বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্য ব্যক্তিগতভাবে প্রভূত লাভবান হচ্ছেন। আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এর মধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের সুগভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মহাজোট নেত্রী শেখ হাসিনাকে এখন ওইসব রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানেরও প্রতিযোগিতা আরম্ভ হয়েছে। সম্ভবত, আগামী মাস থেকেই আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সেসব ডিগ্রি আহরণ অভিযান শুরু হবে।
নরওয়ের নোবেল কমিটি শেখ হাসিনার মর্যাদা না বুঝলেও ভারত কিন্তু যথাযথ প্রতিদান দিতে কসুর করছে না। অপদখলীয় জমি বিনিময়ের ব্যাপারে শেখ হাসিনা সরকার অতিউত্সাহী হলেও ছিটমহলবাসীদের দীর্ঘ ৬৪ বছরের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কোনো মাথাব্যথা নেই। আর কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় রাষ্ট্রের ছিটমহলের অসহায়, দরিদ্র মানুষগুলো এখন অহিংস আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন। তারা অনশন করছেন, নিষ্প্রদীপ মহড়া করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের উদাসীন শাসকদের দৃষ্টি আকর্ষণের যথাসম্ভব চেষ্টা চালাচ্ছেন।
শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের কাছ থেকে বার বার প্রতারিত হওয়া সত্ত্বেও তারই কন্যা ইতিহাস থেকে কোনো শিক্ষা নেবেন না বলে ধনুর্ভঙ্গ পণ করেছেন। তিনি এবং তার সুপার উপদেষ্টারা ভারত প্রেমে এতটাই বেহুঁশ যে, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির কোনো রকম স্বার্থ তারা বিবেচনাতেই আনছেন না। দুই ‘সুপার’ উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও ড. মসিউর রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি তো প্রেমের পরীক্ষায় আরব্য উপন্যাসের বিখ্যাত মজনুকেও হার মানিয়েছেন। এমন দিওয়ানা শ্রেণীর হাতে রাষ্ট্র কিংবা জনগণের স্বার্থ কোনোটিই নিরাপদ নয়। ভারত শুধু যে সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা অবলম্বন করে বাংলাদেশকে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখছে তাই নয়, আমাদের দেশের চারদিক ঘিরে কাঁটাতার নির্মাণের সময়ও তারা আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যকার ১৫০ মিটার এলাকায় কোনো স্থায়ী স্থাপনা (Structure) নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ হলেও ভারত সেটি মানছে না। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো : বিরোধপূর্ণ মুহুরি নদী এলাকায় বাংলাদেশ সরকার ভারতকে মাঝ নদী বরাবর ‘জিরো’ পয়েন্টে বেড়া নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বর্তমান একতরফা অবস্থা এতটাই দৃষ্টিকটু ঠেকছে যে, সরকারপন্থী মিডিয়া পর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছে।
বাংলাদেশের ইসলামীপন্থীদের আওয়ামী বলয়ে আকৃষ্ট করার মিশনে নিয়োজিত ‘দৈনিক ইনকিলাব’ পত্রিকায় ১৮ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রকাশিত ‘লিড স্টোরি’র শিরোনাম, ‘বাংলাদেশের জমি চলে যাচ্ছে ভারতের অংশে।’ সংবাদটির ‘ইন্ট্রো’ পাঠকদের জ্ঞাতার্থে উদ্ধৃত করছি, ‘সীমান্ত নদী ভাঙনে বাংলাদেশের জমি ভারতের অংশে চলে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নদীমুখে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করে দ্রুততর করা হচ্ছে ভাঙন প্রক্রিয়া। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অপব্যাখ্যা দিয়ে ভারত এসব জমির নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে। আর এসব জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা, দেয়া হচ্ছে কাঁটাতারের বেড়া।’ ২০০৮ সালের নির্বাচনে অর্থ প্রদানসহ নানা কিসিমের ভারতীয় সহায়তার ঋণ চুকাতে উদগ্রীব সরকারের বিগত তিন বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের স্বার্থ পুরোপুরি উপেক্ষিত থেকেছে। কাজেই এদের আমলে সম্পাদিত কোনো চুক্তিই এ দেশের দেশপ্রেমিক নাগরিকের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
দক্ষিণ তালপট্টিতে ভারতীয় আগ্রাসনের বিষয় অবতারণা করে ড. মনমোহন সিংয়ের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের প্রেক্ষিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উপর রচিত মন্তব্য প্রতিবেদনের দ্বিতীয় কিস্তি শেষ করব। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণ তালপট্টি নামে যে ভূখণ্ডটি ক্রমেই জেগে উঠছে, সেটি র্যাডক্লিফ রোয়েদাদ অনুযায়ী বাংলাদেশের অংশ হলেও সামরিক শক্তির জোরে ভারত সেই ভূখণ্ডকে অপদখলে রেখেছে। র্যাডক্লিফ রোয়েদাদে ‘থলওয়েগ ডকট্রিন’ (Thalweg Doctrine) এর মিড-চ্যানেল ফ্লো (mid channel flow)’র নীতিমালার ভিত্তিতে নদী দ্বারা বিভক্ত সীমানায় ভূমির ওপর সার্বভৌমত্ব নির্ধারণের বিষয়টি সাব্যস্ত করা হয়েছে। হাড়িয়াভাঙ্গা (Hariabhanga) নদীতে সেই নীতি প্রয়োগ করলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দক্ষিণ তালপট্টি নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের ভূখণ্ড। মরহুম জিয়াউর রহমানের শাসনামলেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশ দক্ষিণ তালপট্টির ওপর তার সার্বভৌমত্ব দাবি করে। কিন্তু ক্ষমতাশালী ভারতীয় নৌবাহিনী আমাদের কোনো নৌযানকেই ওই এলাকায় যেতে দিচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার দক্ষিণ তালপট্টিকে ‘নিউ মুর দ্বীপ’ (ঘব িগড়ড়ত্ব ওংষধহফ) এবং পূর্বাশা নামে অভিহিত করে ভূখণ্ডটিকে তাদের বলে দাবি করছে। ১৯৮১ সালে ভারত সেখানে তাদের পতাকা ওড়ায় এবং একটি অস্থায়ী বিএসএফ ক্যাম্পও প্রতিষ্ঠা করে।
একবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global warming) প্রতিক্রিয়ায় দক্ষিণ তালপট্টি সম্পূর্ণভাবে বঙ্গোপসাগরের পানির নিচে চলে গেলেও এই অগভীর স্থানে ২৫ থেকে ৩০ বর্গ মাইল বিশিষ্ট ভূমি জেগে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণের সময় তত্কালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেনের নগ্ন পক্ষপাতিত্বের কারণে সিরিল র্যাডক্লিফ (Cyril Radcliff) সেই সময়কার ব্রিটিশশাসিত ভারত উপমহাদেশের যে সীমানা বিভাজন করেন, তাতে পাকিস্তান পরিষ্কারভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ সেই র্যাডক্লিফের অনুসৃত পদ্ধতি অনুযায়ী দক্ষিণ তালপট্টি আয়তনে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বাংলাদেশের অংশ হলেও বিপুলাকায় ভারত আজ সেটি মানতে সম্মত নয়। ১৯৪৭ সাল থেকেই বাংলাদেশের ভূমিসহ অন্যান্য সম্পদের ওপর ভারতের আগ্রাসী তত্পরতার কখনই অবসান ঘটেনি। একই চিত্র আমরা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও দেখতে পাচ্ছি। খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশেও আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বৃহত্ প্রতিবেশী ভারত বন্ধুসুলভ সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদর্শনের পরিবর্তে তাদের আধিপত্যবাদী চেহারাটাকেই স্বাধীনতাত্তোর চল্লিশ বছর ধরে দেখিয়ে এসেছে।
নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক স্বার্থে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার বিনিময়ে ভারতকে পুরো দেশটি ইজারা দেয়ার যে বন্দোবস্ত বাংলাদেশের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে, তাকে পরাজিত করেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা’র প্রমাণ দিতে হবে। জনগণকে উপলব্ধি করতে হবে অতিমাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেরিওয়ালারাই বর্তমান সময়ের স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সাম্প্রতিক বক্তব্যের মধ্যেও বৃহত্ ভারতে বাংলাদেশের লীন হয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে। পাকিস্তানপন্থী রাজাকারদের ১৯৭১-এ পরাজিত করার বিরোচিত ইতিহাস থেকেই বর্তমানের ভারতপন্থী রাজাকারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রেরণা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় কিস্তি সমাপ্ত করছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
September
(685)
-
▼
Sep 21
(8)
- বন্দুকধারীদের গুলিতে বুরুন্ডিতে ৩৬ জন নিহত
- করাচিতে গাড়িবোমা হামলায় পুলিশসহ নিহত ৮
- পাঁচ হাজারের বেশি প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা
- আফগানিস্তানে রাত্রিকালীন অভিযান হুমকির সৃষ্টি করছে
- যুক্তরাজ্যে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে সাতজন গ্রেপ্তার
- সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট রাব্বানি বোমায় নিহত
- ভূমিকম্পে ভারত, নেপাল ও তিব্বতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ভূমি আগ...
-
▼
Sep 21
(8)
-
▼
September
(685)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment