Sunday, May 4, 2025
মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে বিপদে জর্ডান by ডেভিড হার্স্ট
মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে বিপদে জর্ডান by ডেভিড হার্স্ট
দুনিয়ার ইতিহাসে যেখানে বড় শক্তিকে খুশি করতে ছোট দেশের উপঢৌকন দেওয়ার নজির আছে। সেই চল এখনো চলছে। যেমন রাশিয়ার পুতিন যখন রাশিয়ার ধনকুবেরদের দমন করা শুরু করেন, তখন তাঁদের অনেকে পুতিনকে দুর্লভ সব জিনিস উপহার দেওয়া শুরু করেন।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার ট্রাম্পের খাতিরে খোদ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে নিয়েই রাজকীয় আয়োজন করেছিলেন। গলফপ্রেমী ট্রাম্পের জন্য তিনি খুঁজে বের করেছিলেন গলফ খেলার ভালো মাঠ।
জর্ডানের বাদশাহের পক্ষে হয়তো ট্রাম্পকে একটি দামি গালিচা বা বাজপাখিও উপহার দেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি করলেন আরও চমকপ্রদ। জর্ডানের বাদশাহ তাঁর নিজ দেশে মুসলিম ব্রাদারহুড নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন।
ট্রাম্পকে খুশি করার কারণ
জর্ডান দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্যনির্ভর দেশ। ট্রাম্প একবার সেই দেশে সাহায্য বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছিলেন। ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন এরিক ট্র্যাগারকে। এই ট্র্যাগার মুসলিম ব্রাদারহুডের কড়া বিরোধী।
প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ট্রাম্প নিজেই আমেরিকায় ব্রাদারহুড নিষিদ্ধ করার কথা ভেবেছিলেন। এবার তিনি আবার সেই পথে এগোতে পারেন। ফলে বাদশাহ আবদুল্লাহর সিদ্ধান্ত নিলেন ব্রাদারহুড নিষিদ্ধ করার। এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাজনৈতিক ইসলামবিরোধী অবস্থানের সঙ্গে মিলে গেছে।
এর প্রতিদানও মিলেছে। ট্রাম্প আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া জর্ডানের সবচেয়ে বড় পানিশোধন প্রকল্পে আবার অর্থসাহায্য চালু হয়েছে।
দেশের ভেতরে ঝুঁকি বাড়ছে
দেশের ভেতরে বাদশাহ আবদুল্লাহ বড় জুয়া খেলেছেন। মুসলিম ব্রাদারহুড ১৯৪৫ সাল থেকেই জর্ডানে বৈধভাবে কাজ করছে। বর্তমান বাদশাহ আবদুল্লাহর বাবা বাদশাহ হুসেইন তাঁর ৪৭ বছরের শাসনে কখনোই তাঁদের নিষিদ্ধ করেননি।
হুসেইনের সময় ব্রাদারহুড অনেক সময়েই সরকারের পাশে ছিল। ১৯৫৭ সালে যখন নাসেরপন্থী এক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হলো, কিংবা ১৯৭০ সালের গৃহযুদ্ধে যখন জর্ডান পিএলওর সঙ্গে লড়ছিল, তখনো ব্রাদারহুড সংঘাতে অংশ না নিয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছিল। ইরাক ১৯৯০ সালে কুয়েত দখল করার পর হুসেইন বড় সংকটে পড়েছিলেন। তখন তিনি দেশের ভেতরে ঐক্য টিকিয়ে রাখতে মুসলিম ব্রাদারহুডের পাঁচজন নেতাকে মন্ত্রী বানিয়ে সরকারে আনেন।
মতবিরোধও যে ছিল না, এমন নয়। ব্রাদারহুড ১৯৫৫ সালের বাগদাদ চুক্তি এবং ১৯৯৪ সালের ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল। তবু হুসেইন তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি। কারণ, তিনি জানতেন যে সংগঠনটি শান্তিপূর্ণ ও সংস্কারমুখী। আর তাদের মাধ্যমে দেশের ভেতরে জনগণের ক্ষোভ যে দমিয়ে রাখার কৌশলও তিনি ভালো করেই বুঝতেন।
হুসেইনের সময় হামাসও ছিল এক আলোচনার বিষয়। বাদশাহ হামাস নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী ছিলেন। এমনকি ১৯৯৭ সালে হামাস নেতা খালেদ মেশালকে ইসরায়েল বিষপ্রয়োগ করলে তিনি কঠোর ভাষায় এর প্রতিবাদ করেছিলেন। এমনকি তখন তিনি ইসরায়েলের কাছ থেকে বিষের প্রতিষেধক জোগাড় করে এনেছিলেন।
অবক্ষয়ের পথে
বাদশাহ আবদুল্লাহ ১৯৯৯ সালে ক্ষমতায় এসেই হামাসকে জর্ডান থেকে বের করে দেন। এরপর ধীরে ধীরে মুসলিম ব্রাদারহুডের দাতব্য কাজ নিষিদ্ধ করেন। তাদের রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্টের কার্যক্রমে বাধা দেন।
বাদশাহ আবদুল্লাহ ভেবেছিলেন, এতে ব্রাদারহুড দুর্বল হবে; কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময়ও ব্রাদারহুড জর্ডানে শাসন বদলের দাবি তোলেনি। তারা বরাবরই সংযত থেকেছে।
২০১৫ সালে সরকার ব্রাদারহুডের ভিন্নমতের একটি অংশকে ‘নতুন ব্রাদারহুড’ হিসেবে বৈধতা দেয়। পাশাপাশি মূল সংগঠনটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপরও কিন্তু ব্রাদারহুডের জনপ্রিয়তা কমেনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ব্রাদারহুডঘনিষ্ঠ ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্ট ১৩৮ আসনের মধ্যে ৩১টি জয় করে।
পরিকল্পিত নিষিদ্ধকরণ
সম্প্রতি জর্ডানের মিডিয়ায় আবার শুরু হয়েছে ব্রাদারহুডবিরোধী প্রচার। বলা হচ্ছে, তারা জনগণকে ইসরায়েলি দূতাবাস ঘেরাও করতে উসকানি দিচ্ছে। কিন্তু জর্ডানে কোনো মিডিয়া প্রচারণা এমনিই হয় না। এর পেছনে থাকে গোয়েন্দা সংস্থার পরিকল্পনা।
রাজপরিবার ও সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের (জেনারেল ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট) মধ্যে সব সময়ই দুই ধারা কাজ করে। এক ধারা ইসরায়েলকে জর্ডানের সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করে। এই ধারার একজন মুখপাত্র হচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি। তিনি বলছেন, ইসরায়েল গত ৩০ বছরের শান্তি প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করেছে।
আয়মান সাফাদি কিন্তু একা নন, জর্ডানে এই মত জনপ্রিয়। সেনাবাহিনীতে এর প্রভাব আছে। ২০২৪ সালে জর্ডান সীমান্তে তিন ইসরায়েলিকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সেনা মাহের আল-জাজির জানাজায় অনেক সেনাসদস্য ইউনিফর্ম পরে যোগ দিয়েছিলেন। মাহের তাদের কাছে বীর হিসেবেই স্বীকৃত।
অন্য ধারাটি মনে করে, জর্ডানের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ইরান এবং রাজনৈতিক ইসলাম। এই ধারার মূল চালক হলো সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ। এই বিভাগ সৃষ্টি হয়েছে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-এর হাতে। জর্ডানের এই গোয়েন্দা সংস্থা এখন সিআইএর ঘনিষ্ঠ অংশীদার। সিআইএর আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত এই গোয়েন্দা বিভাগ এতটাই শক্তিশালী যে অনেক সময় একে জর্ডানের ‘সমান্তরাল সরকার’ বলা হয়। তারা এখন ব্রাদারহুডবিরোধী অভিযানের মূল পরিকল্পক। যদিও বাইরে থেকে মনে হবে, সরকার জনমতের চাপে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
সংকটে বাদশাহ আবদুল্লাহ
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বাদশাহ আবদুল্লাহ নিজের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করছেন। এখনো তিনি ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্টের ৩১ সংসদ সদস্যকে নিষিদ্ধ করেননি। তবে ভবিষ্যতে তা হতে পারে।
সবচেয়ে দুঃসময়ে এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে। কয়েক দিন আগে ইসরায়েলি ধর্মান্ধরা আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ঢুকে প্রার্থনা করেছে। ২০০৩ সালের পর থেকে এ রকম ঘটনা ১৮ হাজার শতাংশ বেড়েছে।
জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর দায়িত্ব আন্তর্জাতিকভাবে জর্ডানের ওপরই বর্তায়। কিন্তু বাদশাহ আবদুল্লাহ এসব ঘটনার কোনো প্রতিবাদ করেননি। আল-আকসায় যখন ইসলামপন্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তিনি তখন পাল্টা সেই ইসলামপন্থীদেরই নিষিদ্ধ করছেন।
এটা যেন একপ্রকার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। দেশীয় রাজনীতি থেকে তিনি নিরাপত্তার যে ‘সেফটি ভাল্ভ’ পেয়েছিলেন, তা নিজেই সরিয়ে দিচ্ছেন।
বাদশাহ আবদুল্লাহ তাঁর বাবা হুসেইনের মতো সংকটে জাতিকে এক করতে পারছেন না। আর এদিকে ইসরায়েল ধীরে ধীরে পশ্চিম তীর দখলের দিকে এগোচ্ছে। জর্ডানে এসব নিয়ে ক্রমেই জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
আগে ব্রাদারহুড ও হামাসের মধ্যে সমঝোতার কারণে হামাস জর্ডানে সদস্য সংগ্রহ করত না। এখন সে বাধা উঠে গেছে। ফলে জর্ডান থেকে হামাস বা অন্য কোনো সংগঠনের ইসরায়েলে হামলা চালানোর পথ খুলে যাচ্ছে।
ইসরায়েলের দৃষ্টিতে, বাদশাহ আবদুল্লাহ এখন আর শক্তিশালী আত্মবিশ্বাসী কোনো নেতা নন। তারা আবদুল্লাহকে দেখে একজন দুর্বল মানুষ হিসেবে যাকে ভয় দেখিয়ে যা খুশি করানো যায়।
এই পরিস্থিতিতে আবদুল্লাহর উচিত ইতিহাস থেকে শেখা। মাহমুদ আব্বাসের মতো ব্যর্থ হতাশ নেতা হিসেবে তিনি নিশ্চয়ই ইতিহাসে নাম লেখাতে চাইবেন না। আব্বাস ওয়াশিংটনের মন রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছেন। ফল যা হওয়ার তা–ই হয়েছে। বাইডেন ও ট্রাম্প, কেউই তাঁকে আর গুরুত্ব দেয় না।
বাদশাহ আবদুল্লাহ যদি সময় থাকতে নিজের ভুল না বোঝেন, তাহলে ইতিহাস তাঁকে নিয়েই নির্মম সিদ্ধান্ত নেবে। সেই কঠিন রায় হয়তো গোটা হাশেমি রাজতন্ত্রেরও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে।
* ডেভিড হার্স্ট মিডল ইস্ট আই-এর সম্পাদক
- মিডল ইস্ট আই থেকে নেওয়া ইংরেজির সংক্ষেপিত অনুবাদ
![]() |
| জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
May
(344)
-
▼
May 04
(18)
- গাজায় ক্ষুধায় কাঁদছে মানুষ, মৃত্যু ৫৭
- কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার গোয়েন্দা তথ্য আগেই ছ...
- ‘পোপের’ বেশে নিজের ছবি প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
- মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে বিপদে জর্ডান by ডে...
- আপনিও বানাতে পারেন নতুন দল, সুবিধাও অনেক! by সালেহ...
- ১৮ বছর ধরে সাপের কামড় খেয়ে শরীরে তৈরি হয়েছে ‘তুলনা...
- নির্বাচনে টানা ১৪ বার জয় সিঙ্গাপুরের শাসক দলের
- গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১৮ মাসে দুই শতাধিক সাংবাদিক ...
- উত্তেজনার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান
- বিকৃত যৌনাচার: ভয়ঙ্কর ফেমডম সেশন, মিস্ট্রেস অ্যান্...
- ভুলে যাবেন না আমরা আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছি
- ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভুত ৬ বছরের শিশুকে হত্যা, মার্কিন...
- রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন অবরোধ দেবে যুক্তরাষ্ট্র!
- বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের পর গর্ভপাত: কৃষক দল নেতাসহ ...
- আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা, উপস্থিত থেকেও উদ্ধার না ক...
- এত নতুন দল লক্ষ্য কী? by মো. আল-আমিন
- সিলেটের শাপলা: নেশায় বুঁদ তরুণীদের নিয়ে নানা ভাই’র...
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা সাড়...
-
▼
May 04
(18)
-
▼
May
(344)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment