Saturday, October 20, 2012
মনের কোণে হীরে-মুক্তো-বাংলাদেশে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি আসছে না কেন by ড. সা'দত হুসাইন
মনের কোণে হীরে-মুক্তো-বাংলাদেশে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি আসছে না কেন by ড. সা'দত হুসাইন
১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূচনা হয়। এর আগে দেশের সাধারণ নির্বাচনগুলো শাসক দলের কঠোর নিয়ন্ত্রণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রতিটি নির্বাচনে শাসক দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে আবার মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছে।
১৯৯১-এর নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তার পর থেকে দুই যুগ ধরে দেশের শাসনভার আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি- এই দুই দলের মধ্যেই অদল-বদল হয়েছে; প্রতি নির্বাচনেই ক্ষমতার পালাবদল বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী। কয়েকটি ছোটখাটো দলের নেতৃস্থানীয় প্রার্থী নির্বাচনে জয়লাভ করলেও তাঁদের আসনসংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য; বেশির ভাগ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি একা বা তাদের জোটভুক্ত দলকে নিয়ে পালাক্রমে সরকার গঠন করলেও আমজনতা তথা ভোটাররা ক্ষমতাসীন অবস্থায় তাদের কার্যকলাপে চরম অসন্তুষ্ট হয়েছিল। মানসিকভাবে সংক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিল এমনটি বললেও অত্যুক্তি হবে না। ক্ষমতাসীন দল যখন অত্যাচার-অনাচারে লিপ্ত হয়, বিরোধী দল তখন প্রতিবাদী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। জনতা তখন সেই দলে শামিল হয়, পরবর্তী নির্বাচনে নির্যাতিত প্রতিবাদী দল হিসেবে তাদের সমর্থন করে, ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসায়। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে এ দল এমন সব কাজ করে যে জনতা আবার বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। আগের ক্ষমতাসীন দল, যারা বর্তমানে বিরোধী দল, এবার প্রতিবাদী গোষ্ঠীরূপে আবির্ভূত হয়। জনতা নিপীড়িত প্রতিবাদী দল হিসেবে তাদের সমর্থন করে, তারা আবার নির্বাচিত হয়। জনতা প্রথমে দারুণ খুশি হয়, ধীরে ধীরে তাদের কার্যকলাপে, তথা অপকর্মে হতাশ হয়, বিক্ষুব্ধ হয়। তারা দেখতে পায় প্রকৃতপক্ষে তারা বারবার পরাজিত হয়েছে। অবশেষে নিজেদের স্বার্থে এবং জাতীয় স্বার্থে তারা বিকল্প সংগঠন, দল বা নেতৃত্বের সন্ধান করছে। এই বিকল্পকেই কেউ কেউ তৃতীয় শক্তি হিসেবে অভিহিত করছে।
তবে যোগরূঢ় অর্থে তৃতীয় শক্তি বলতে সামরিক শক্তি বা সামরিক সংগঠনকে বোঝায়। আজ থেকে সাত-আট বছর আগে বিকল্প চিন্তাধারার বেসামরিক সংগঠনকেও তৃতীয় শক্তি হিসেবে মাঝেমধ্যে উল্লেখ করা হতো। এসব সংগঠন পরবর্তী সময় কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় তৃতীয় শক্তি হিসেবে তাদের অবস্থান এবং অভিধার বিলোপ ঘটে। ২০০৭ সালে সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তৃতীয় শক্তি নামকরণ যুক্ত হয়ে যায়। বর্তমানে তৃতীয় শক্তি বলতে সাধারণ মানুষ সামরিক বাহিনীকেই বুঝে থাকে।
বর্তমানে দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দলের বিকল্প হিসেবে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির কথাই মানুষ চিন্তা করে। তবে এ চিন্তাধারার কিছু স্বাতন্ত্র্য বা অভিনবত্ব রয়েছে। তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি মানে তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল নয়। তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় পার্টি অথবা জামায়াতে ইসলামীকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। কিন্তু তারা তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি নয়। গতানুগতিক ধারার কোনো দলকে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। জাতীয় পার্টি একসময় ক্ষমতায় আসীন ছিল। সময়ান্তরে তারা দুটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। তাদের কোনো স্বতন্ত্র রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা কিংবা কর্মধারা পরিলক্ষিত হয়নি। জামায়াত একটি ধর্মভিত্তিক ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। তারাও বিভিন্ন সময়ে দুই বৃহত্তম দলের সহযোগী দল ছিল, তবে বিএনপির সঙ্গে তাদের সংযোগ বেশি। তারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল, তাদের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত। সাধারণ নাগরিকের কাছে এ দুই দলের কোনোটিই সমাদৃত নয়। সাধারণ মানুষ ধ্যানে-জ্ঞানে যাদের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়, এই দুই দলের কোনোটিই তার অন্তর্ভুক্ত নয়। চিন্তাচেতনার দিক থেকে বাম দলগুলোর প্রতি এক শ্রেণীর শিক্ষিত নাগরিকদের সহানুভূতি থাকলেও এরা এত বেশি বিভক্ত এবং জনসমর্থনের দিক থেকে এতই দুর্বল যে এদের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনায় আনা যায় না। এক কথায়, বাম দলগুলোর কোনো গণ-আবেদন নেই।
গণ-আবেদন রয়েছে এমন দলকেই জনগণ তৃতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে গ্রহণ করতে চায়। গণ-আবেদনের জন্য আকর্ষণীয় স্লোগান, গণমনজয়ী কর্মসূচি এবং বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন। বিশদ কর্মসূচি না থাকলেও অন্ততপক্ষে সুলিখিত এবং সুসংহত প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। প্রতিশ্রুতির আঙ্গিক হবে নিম্নরূপ- (১) মানবাধিকার এবং সুনির্বাচনসহ গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা হবে, (২) সর্বস্তরে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে, (৩) স্বাধীনতা এবং এর চিন্তাচেতনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হবে, (৪) দেশে প্রকৃত অর্থে ন্যায়াচার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে, (৫) দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং দলবাজির অবসান করা হবে, (৬) প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাজ্য হবে, (৭) সর্বস্তরে জবাবদিহির ব্যবস্থা করা হবে, (৮) প্রশাসনে নিয়মনিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি সুরক্ষণ করা হবে, (৯) জনগণ এবং দেশের স্বার্থকে দল ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে, (১০) কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, (১১) পরিবেশ বিধ্বংসী সব রকম কার্যকলাপ- বিশেষ করে খাল-বিল, নদী, মাঠ, জলাভূমি, বনের দখলবাজি কার্যকরভাবে প্রতিহত করা হবে, (১২) কোনো অজুহাতে বিদেশিদের কাছে দেশীয় স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হবে না। তালিকা দীর্ঘ করা যায়, তবে বাস্তবতার নিরিখে তা যুক্তিসংগত মনে হলো না। অবশ্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যাখ্যা এবং সম্প্রসারণের প্রয়োজন হবে।
উপরোক্ত নীতিগুলোকে সমর্থন করে এমন লোকের অভাব নেই। বৈঠকী আলাপে কিংবা সেমিনার-ওয়ার্কশপে এ নীতিগুলোর পক্ষে বক্তব্য রাখেন এমন লোকের সংখ্যাও খুব কম নয়। তবে নীতিগুলোর সমর্থনে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখবেন এবং জনমত সৃষ্টিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন- এমন লোকের সংখ্যা তেমন বেশি নয়। কোনো সংগঠনের মাধ্যমে উল্লিখিত নীতিগুলোর বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম করতে রাজি আছেন এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। হাতেগোনা কয়েকজন হতে পারে। বিদ্যমান সংগঠনের মাধ্যমে অথবা নতুন সংগঠন গড়ে নীতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন এমন লোক খুঁজে পাওয়া বাংলাদেশে বর্তমানে দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কার্যকর নেতৃত্ব দিতে হলে সংগ্রাম করতে হবে, জেল-জুলুম, নিপীড়ন সহ্য করতে হবে। সংগঠনকে সক্রিয় রাখার সামর্থ্য থাকতে হবে। সর্বোপরি জনগণের আস্থা অর্জন করে তাদের নীতিগুলোর পক্ষে কাজ করার লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য, তাদের প্রাথমিক বিশ্বাস ও আনুগত্য অর্জনের জন্য নেতৃত্বাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিকে সাধারণভাবে সুপরিচিত হতে হবে। ব্যাপকভাবে খ্যাতিমান হলে আরো ভালো হয়। বিকল্প হিসেবে কঠোর একাগ্রতা, ধৈর্য, নিষ্ঠা এবং সর্বোপরি নেতৃত্বের দক্ষতা ও চিত্তাকর্ষক কর্মপদ্ধতি, কর্মকৌশলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি নেতৃত্বে সমাসীন হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কৌশলী আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে তার নিজস্ব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এরূপ নেতৃত্বের আবির্ভাবের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আপাতত এ ধরনের উদীয়মান নেতৃত্বের বিকাশ লক্ষ করা যাচ্ছে না।
জনগণের দৃষ্টি এখন সুপরিচিত, সুনামধারী ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদের দিকে। তাঁদের বিশ্বাস, এই শ্রেণীর ব্যক্তির মধ্য থেকেই একজন কেউ এগিয়ে আসবেন। জাতিকে নতুন পথে চলার সাহস এবং শক্তি জোগাবেন। তাঁর নেতৃত্বে তাঁরা একটি সুখী-সমৃদ্ধ, ন্যায়নিষ্ঠ, দুর্নীতিমুক্ত এবং গণবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। এ রকম বেশ কয়েকজন ব্যক্তির কথা তাঁদের মনে আসে। কিন্তু এসব ব্যক্তি এগিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন বলে মনে হয় না। তাঁরা আদৌ এগিয়ে আসবেন কি না সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এদের মধ্যে দু-একজনের যোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা সম্বন্ধে জনগণ যথেষ্ট আশাবাদী। এতদসত্ত্বেও তাঁরা কেন এগিয়ে আসছেন না অথবা যাঁরা নতুন কিছু করবেন বলে রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন, তাঁরা কেন সফল হতে পারেননি সে সম্পর্কে কিছু আলোচনা প্রাসঙ্গিক হবে।
দু-একজন শিক্ষিত, প্রজ্ঞাবান এবং সুখ্যাত ব্যক্তি নিজেদের রাজনৈতিক দল গঠন করে দুর্নীতি এবং অত্যাচার-অনাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার প্রত্যয় ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু জোরালো কোনো আন্দোলন করার শক্তি সঞ্চয় করতে পারেননি। রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আন্দোলন-সংগ্রাম জোরদার করতে হলে নিজের রাজনৈতিক দলকে সুসংগঠিত এবং জনপ্রিয় সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। এ জন্য যে আন্তরিকতা, শ্রম এবং ত্যাগী মনোভাবের প্রয়োজন হয়, উল্লিখিত শিক্ষিত এবং প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিবর্গের সে রকম আন্তরিকতা বা মনোভাব আছে বলে মনে হয় না। এসব শিক্ষিত এবং প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি উচ্চ মধ্যবিত্ত। তাঁরা আরাম-আয়েশ, রুজি-রোজগার এবং বিদেশ ভ্রমণে আসক্ত। এসব ছেড়ে নিরন্তর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকতে তাঁরা রাজি নন। রাজনীতি তাঁদের জন্য অনেকটা ছুটিকালীন 'হবি'। এই জীবনধারা নিয়ে ইস্যুভিত্তিক বড় রকমের রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আবার দেখা গেছে, কোনো সু-উচ্চ মর্যাদার অতিপরিচিত ব্যক্তি আদর্শভিত্তিক নতুন ধারার রাজনীতি প্রবর্তনের আশ্বাস দিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। পরে প্রতীয়মান হয়েছে যে রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি আসলে তাঁর কমিটমেন্ট নেই, তিনি কঠোর পরিশ্রম করতে রাজি নন, সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার তাঁর সামর্থ্য নেই, বরং দলে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতি তাঁর প্রবল ঝোঁক। তাঁর অনুসারীরা একে একে তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। এখন তিনি একা। তাঁর পক্ষে আর কিছু করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।
এ ছাড়া বিশাল মাপের মুক্তিযোদ্ধা, সুপ্রতিষ্ঠিত ছাত্রনেতা, স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, অতীতে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত কর্মকর্তা অনেকেই রাজনৈতিক দল করে এগোতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাঁদের প্রাক-রাজনৈতিক এবং রাজনীতি করাকালীন জীবন-বৃত্তান্ত এমন যে তাঁদের প্রতি জনসাধারণ আকৃষ্ট হয়নি। জনতা আকর্ষণ করার মতো সম্মোহনী শক্তি তাঁদের নেই। অথবা জনতা তাঁদের ব্যাপারে আগে থেকেই মোহমুক্ত। আইয়ুব খানের মন্ত্রিসভা থেকে বিতাড়িত হয়ে বিষণ্ন জুলফিকার আলী ভুট্টো ইসলামাবাদ থেকে করাচির ট্রেনে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ট্রেন লাহোরে থামার পর হাজার হাজার জনতা 'জিয়ে ভুট্টো, জিয়ে ভুট্টো' স্লোগান দিয়ে ট্রেনটি ঘিরে ধরে। ভুট্টোর জীবনে নতুন যাত্রা এবং পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশে যাঁরা নতুন ধারার রাজনীতির কথা বলে যাত্রা শুরু করেছেন, তাঁরা জনতাকে সেভাবে আকৃষ্ট করতে পারেননি। পথযাত্রায় কিংবা জনসভায় লোক আকর্ষণের দিক থেকে এখন পর্যন্ত হাসিনা-খালেদার কোনো জুড়ি আছে বলে মনে হয় না। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হিসেবে অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতা মাঠে আসেননি।
দেশের বর্তমান অবস্থায় প্রায় সব শিক্ষিত সুজন দারুণভাবে ক্ষুব্ধ। ড্রইংরুমের আলোচনায় তাঁরা খুবই সোচ্চার। মনে হয় যেন তাঁদের ক্ষোভের সীমা-পরিসীমা নেই। তাঁরা মনে-প্রাণে এই অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন চান। এ লক্ষ্যে নতুন কোনো রাজনৈতিক নেতা কেন এগিয়ে আসছেন না সে জন্য তাঁদের ক্ষোভের সীমা নেই। তাঁরা নিজেরা কেউ এগিয়ে আসতে রাজি নন। প্রশ্নোত্তরে বিশদ আলোচনা করে আমি জানতে পেরেছি তাঁদের এগিয়ে না আসার কারণ। তাঁরা আরাম-আয়েশের জীবনে আসক্ত। হামলা-মামলা, জেল-জুলুমকে তাঁদের দারুণ ভয়। দেশের একজন রাষ্ট্রপতিকে নতুন দল করার কারণে রেললাইন ধরে অমানবিকভাবে তাড়া করা হয়েছে, নিজেদের দলের সাবেক সংসদ সদস্যের কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার তো শেষ নেই। যে লোকই শাসক দলের বিরুদ্ধে কথা বলে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় নানা অজুহাতে মামলা করা হয়। সেসব জেলার কোর্ট-কাছারিতে উপস্থিত হওয়া যেমন হয়রানিমূলক, তেমনি দলীয় ক্যাডারের আক্রমণের শিকার হওয়া রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিব্রতকর। মামলায় জেল-হাজতবাস অস্বাভাবিক কিছু নয়। শিক্ষিত সুজনরা এসব জেল-জুলুম-অত্যাচারের মধ্যে যেতে চান না। এমনকি রোদের মধ্যে রাস্তায় হেঁটে মিছিল করা বা দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করাকেও তাঁরা অনেকে সহনীয় কাজ বলে মনে করেন না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সভা-সম্মেলনে যেতে তাঁরা রাজি আছেন। জেলখানার কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিতে তাঁদের হয়তো তত আপত্তি থাকত না। বর্তমান অবস্থায় ড্রইংরুমের প্রতিবাদী আড্ডা কিংবা গোলটেবিল আলোচনার মধ্যেই তাঁদের কর্মতৎপরতা সীমিত রাখার পক্ষপাতী।
তাঁদের চিন্তাধারা অযৌক্তিক বা অসংগতিপূর্ণ এমনটি বলা ঠিক হবে না। তাঁরা মনে করেন, শাসক দলকে ভোট দিয়ে তাঁরা প্রতারিত হয়েছেন। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তাঁরা এর প্রতিশোধ নেবেন। কালক্রমে যদি ভিন্ন প্রকৃতির কোনো শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে উল্লিখিত স্লোগান দিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করে, তবে তাঁদের অনেকেই সে দলে যোগ দেবেন। এক কথায়, শাসক দলের অন্যায়-অত্যাচারকে তাঁরা ঘৃণা করেন; কিন্তু শাসক দলের হাতে তাঁরা নিগৃহীত হতে চান না। হত্যা, গুমের রাজনীতি শুরু হওয়ার পর তাঁরা আরো আতঙ্কিত। জীবন-মৃত্যু আল্লাহর ইচ্ছায়, অথবা ভাগ্যের হাতে- এ বিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে অন্তত এক বছর কারাবাসের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রতিবাদী আন্দোলনে যোগদানের সংকল্প তাঁদের চিন্তার বাইরে।
মধ্যবিত্তের খপ্পরে পড়েছে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের সম্ভাবনা। উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় (Liberal Democratic Dispensation) অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শ্রেণী-সংগ্রামে বিশ্বাসী কোনো সর্বহারা দলের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শিক্ষিত সুজন কোনো ব্যক্তির নেতৃত্বে শুধু একটি উদার গণতান্ত্রিক দল এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়িত করতে পারে। তিনটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য এই নেতৃত্বকে সংজ্ঞায়িত করবে। এগুলো হচ্ছে সাহস, সংকল্প এবং উদাত্ত আহ্বান (courage, commitment and clarion call)। এই তিন বৈশিষ্ট্যের সমাহারে সুগঠিত নেতৃত্ব বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে না। কখন পাওয়া যাবে অথবা আদৌ পাওয়া যাবে কি না সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। যদি কখনো পাওয়া যায়, তবেই ঘটবে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উত্থান।
লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, পিএসসি ও
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব
আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি একা বা তাদের জোটভুক্ত দলকে নিয়ে পালাক্রমে সরকার গঠন করলেও আমজনতা তথা ভোটাররা ক্ষমতাসীন অবস্থায় তাদের কার্যকলাপে চরম অসন্তুষ্ট হয়েছিল। মানসিকভাবে সংক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিল এমনটি বললেও অত্যুক্তি হবে না। ক্ষমতাসীন দল যখন অত্যাচার-অনাচারে লিপ্ত হয়, বিরোধী দল তখন প্রতিবাদী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। জনতা তখন সেই দলে শামিল হয়, পরবর্তী নির্বাচনে নির্যাতিত প্রতিবাদী দল হিসেবে তাদের সমর্থন করে, ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসায়। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে এ দল এমন সব কাজ করে যে জনতা আবার বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। আগের ক্ষমতাসীন দল, যারা বর্তমানে বিরোধী দল, এবার প্রতিবাদী গোষ্ঠীরূপে আবির্ভূত হয়। জনতা নিপীড়িত প্রতিবাদী দল হিসেবে তাদের সমর্থন করে, তারা আবার নির্বাচিত হয়। জনতা প্রথমে দারুণ খুশি হয়, ধীরে ধীরে তাদের কার্যকলাপে, তথা অপকর্মে হতাশ হয়, বিক্ষুব্ধ হয়। তারা দেখতে পায় প্রকৃতপক্ষে তারা বারবার পরাজিত হয়েছে। অবশেষে নিজেদের স্বার্থে এবং জাতীয় স্বার্থে তারা বিকল্প সংগঠন, দল বা নেতৃত্বের সন্ধান করছে। এই বিকল্পকেই কেউ কেউ তৃতীয় শক্তি হিসেবে অভিহিত করছে।
তবে যোগরূঢ় অর্থে তৃতীয় শক্তি বলতে সামরিক শক্তি বা সামরিক সংগঠনকে বোঝায়। আজ থেকে সাত-আট বছর আগে বিকল্প চিন্তাধারার বেসামরিক সংগঠনকেও তৃতীয় শক্তি হিসেবে মাঝেমধ্যে উল্লেখ করা হতো। এসব সংগঠন পরবর্তী সময় কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় তৃতীয় শক্তি হিসেবে তাদের অবস্থান এবং অভিধার বিলোপ ঘটে। ২০০৭ সালে সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তৃতীয় শক্তি নামকরণ যুক্ত হয়ে যায়। বর্তমানে তৃতীয় শক্তি বলতে সাধারণ মানুষ সামরিক বাহিনীকেই বুঝে থাকে।
বর্তমানে দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দলের বিকল্প হিসেবে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির কথাই মানুষ চিন্তা করে। তবে এ চিন্তাধারার কিছু স্বাতন্ত্র্য বা অভিনবত্ব রয়েছে। তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি মানে তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল নয়। তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় পার্টি অথবা জামায়াতে ইসলামীকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। কিন্তু তারা তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি নয়। গতানুগতিক ধারার কোনো দলকে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। জাতীয় পার্টি একসময় ক্ষমতায় আসীন ছিল। সময়ান্তরে তারা দুটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। তাদের কোনো স্বতন্ত্র রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা কিংবা কর্মধারা পরিলক্ষিত হয়নি। জামায়াত একটি ধর্মভিত্তিক ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। তারাও বিভিন্ন সময়ে দুই বৃহত্তম দলের সহযোগী দল ছিল, তবে বিএনপির সঙ্গে তাদের সংযোগ বেশি। তারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল, তাদের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত। সাধারণ নাগরিকের কাছে এ দুই দলের কোনোটিই সমাদৃত নয়। সাধারণ মানুষ ধ্যানে-জ্ঞানে যাদের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়, এই দুই দলের কোনোটিই তার অন্তর্ভুক্ত নয়। চিন্তাচেতনার দিক থেকে বাম দলগুলোর প্রতি এক শ্রেণীর শিক্ষিত নাগরিকদের সহানুভূতি থাকলেও এরা এত বেশি বিভক্ত এবং জনসমর্থনের দিক থেকে এতই দুর্বল যে এদের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনায় আনা যায় না। এক কথায়, বাম দলগুলোর কোনো গণ-আবেদন নেই।
গণ-আবেদন রয়েছে এমন দলকেই জনগণ তৃতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে গ্রহণ করতে চায়। গণ-আবেদনের জন্য আকর্ষণীয় স্লোগান, গণমনজয়ী কর্মসূচি এবং বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন। বিশদ কর্মসূচি না থাকলেও অন্ততপক্ষে সুলিখিত এবং সুসংহত প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। প্রতিশ্রুতির আঙ্গিক হবে নিম্নরূপ- (১) মানবাধিকার এবং সুনির্বাচনসহ গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা হবে, (২) সর্বস্তরে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে, (৩) স্বাধীনতা এবং এর চিন্তাচেতনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হবে, (৪) দেশে প্রকৃত অর্থে ন্যায়াচার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে, (৫) দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং দলবাজির অবসান করা হবে, (৬) প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাজ্য হবে, (৭) সর্বস্তরে জবাবদিহির ব্যবস্থা করা হবে, (৮) প্রশাসনে নিয়মনিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি সুরক্ষণ করা হবে, (৯) জনগণ এবং দেশের স্বার্থকে দল ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে, (১০) কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, (১১) পরিবেশ বিধ্বংসী সব রকম কার্যকলাপ- বিশেষ করে খাল-বিল, নদী, মাঠ, জলাভূমি, বনের দখলবাজি কার্যকরভাবে প্রতিহত করা হবে, (১২) কোনো অজুহাতে বিদেশিদের কাছে দেশীয় স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হবে না। তালিকা দীর্ঘ করা যায়, তবে বাস্তবতার নিরিখে তা যুক্তিসংগত মনে হলো না। অবশ্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যাখ্যা এবং সম্প্রসারণের প্রয়োজন হবে।
উপরোক্ত নীতিগুলোকে সমর্থন করে এমন লোকের অভাব নেই। বৈঠকী আলাপে কিংবা সেমিনার-ওয়ার্কশপে এ নীতিগুলোর পক্ষে বক্তব্য রাখেন এমন লোকের সংখ্যাও খুব কম নয়। তবে নীতিগুলোর সমর্থনে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখবেন এবং জনমত সৃষ্টিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন- এমন লোকের সংখ্যা তেমন বেশি নয়। কোনো সংগঠনের মাধ্যমে উল্লিখিত নীতিগুলোর বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম করতে রাজি আছেন এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। হাতেগোনা কয়েকজন হতে পারে। বিদ্যমান সংগঠনের মাধ্যমে অথবা নতুন সংগঠন গড়ে নীতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন এমন লোক খুঁজে পাওয়া বাংলাদেশে বর্তমানে দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কার্যকর নেতৃত্ব দিতে হলে সংগ্রাম করতে হবে, জেল-জুলুম, নিপীড়ন সহ্য করতে হবে। সংগঠনকে সক্রিয় রাখার সামর্থ্য থাকতে হবে। সর্বোপরি জনগণের আস্থা অর্জন করে তাদের নীতিগুলোর পক্ষে কাজ করার লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য, তাদের প্রাথমিক বিশ্বাস ও আনুগত্য অর্জনের জন্য নেতৃত্বাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিকে সাধারণভাবে সুপরিচিত হতে হবে। ব্যাপকভাবে খ্যাতিমান হলে আরো ভালো হয়। বিকল্প হিসেবে কঠোর একাগ্রতা, ধৈর্য, নিষ্ঠা এবং সর্বোপরি নেতৃত্বের দক্ষতা ও চিত্তাকর্ষক কর্মপদ্ধতি, কর্মকৌশলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি নেতৃত্বে সমাসীন হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কৌশলী আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে তার নিজস্ব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এরূপ নেতৃত্বের আবির্ভাবের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আপাতত এ ধরনের উদীয়মান নেতৃত্বের বিকাশ লক্ষ করা যাচ্ছে না।
জনগণের দৃষ্টি এখন সুপরিচিত, সুনামধারী ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদের দিকে। তাঁদের বিশ্বাস, এই শ্রেণীর ব্যক্তির মধ্য থেকেই একজন কেউ এগিয়ে আসবেন। জাতিকে নতুন পথে চলার সাহস এবং শক্তি জোগাবেন। তাঁর নেতৃত্বে তাঁরা একটি সুখী-সমৃদ্ধ, ন্যায়নিষ্ঠ, দুর্নীতিমুক্ত এবং গণবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। এ রকম বেশ কয়েকজন ব্যক্তির কথা তাঁদের মনে আসে। কিন্তু এসব ব্যক্তি এগিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন বলে মনে হয় না। তাঁরা আদৌ এগিয়ে আসবেন কি না সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এদের মধ্যে দু-একজনের যোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা সম্বন্ধে জনগণ যথেষ্ট আশাবাদী। এতদসত্ত্বেও তাঁরা কেন এগিয়ে আসছেন না অথবা যাঁরা নতুন কিছু করবেন বলে রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন, তাঁরা কেন সফল হতে পারেননি সে সম্পর্কে কিছু আলোচনা প্রাসঙ্গিক হবে।
দু-একজন শিক্ষিত, প্রজ্ঞাবান এবং সুখ্যাত ব্যক্তি নিজেদের রাজনৈতিক দল গঠন করে দুর্নীতি এবং অত্যাচার-অনাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার প্রত্যয় ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু জোরালো কোনো আন্দোলন করার শক্তি সঞ্চয় করতে পারেননি। রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আন্দোলন-সংগ্রাম জোরদার করতে হলে নিজের রাজনৈতিক দলকে সুসংগঠিত এবং জনপ্রিয় সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। এ জন্য যে আন্তরিকতা, শ্রম এবং ত্যাগী মনোভাবের প্রয়োজন হয়, উল্লিখিত শিক্ষিত এবং প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিবর্গের সে রকম আন্তরিকতা বা মনোভাব আছে বলে মনে হয় না। এসব শিক্ষিত এবং প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি উচ্চ মধ্যবিত্ত। তাঁরা আরাম-আয়েশ, রুজি-রোজগার এবং বিদেশ ভ্রমণে আসক্ত। এসব ছেড়ে নিরন্তর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকতে তাঁরা রাজি নন। রাজনীতি তাঁদের জন্য অনেকটা ছুটিকালীন 'হবি'। এই জীবনধারা নিয়ে ইস্যুভিত্তিক বড় রকমের রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আবার দেখা গেছে, কোনো সু-উচ্চ মর্যাদার অতিপরিচিত ব্যক্তি আদর্শভিত্তিক নতুন ধারার রাজনীতি প্রবর্তনের আশ্বাস দিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। পরে প্রতীয়মান হয়েছে যে রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি আসলে তাঁর কমিটমেন্ট নেই, তিনি কঠোর পরিশ্রম করতে রাজি নন, সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার তাঁর সামর্থ্য নেই, বরং দলে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতি তাঁর প্রবল ঝোঁক। তাঁর অনুসারীরা একে একে তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। এখন তিনি একা। তাঁর পক্ষে আর কিছু করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।
এ ছাড়া বিশাল মাপের মুক্তিযোদ্ধা, সুপ্রতিষ্ঠিত ছাত্রনেতা, স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, অতীতে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত কর্মকর্তা অনেকেই রাজনৈতিক দল করে এগোতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাঁদের প্রাক-রাজনৈতিক এবং রাজনীতি করাকালীন জীবন-বৃত্তান্ত এমন যে তাঁদের প্রতি জনসাধারণ আকৃষ্ট হয়নি। জনতা আকর্ষণ করার মতো সম্মোহনী শক্তি তাঁদের নেই। অথবা জনতা তাঁদের ব্যাপারে আগে থেকেই মোহমুক্ত। আইয়ুব খানের মন্ত্রিসভা থেকে বিতাড়িত হয়ে বিষণ্ন জুলফিকার আলী ভুট্টো ইসলামাবাদ থেকে করাচির ট্রেনে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ট্রেন লাহোরে থামার পর হাজার হাজার জনতা 'জিয়ে ভুট্টো, জিয়ে ভুট্টো' স্লোগান দিয়ে ট্রেনটি ঘিরে ধরে। ভুট্টোর জীবনে নতুন যাত্রা এবং পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশে যাঁরা নতুন ধারার রাজনীতির কথা বলে যাত্রা শুরু করেছেন, তাঁরা জনতাকে সেভাবে আকৃষ্ট করতে পারেননি। পথযাত্রায় কিংবা জনসভায় লোক আকর্ষণের দিক থেকে এখন পর্যন্ত হাসিনা-খালেদার কোনো জুড়ি আছে বলে মনে হয় না। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হিসেবে অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতা মাঠে আসেননি।
দেশের বর্তমান অবস্থায় প্রায় সব শিক্ষিত সুজন দারুণভাবে ক্ষুব্ধ। ড্রইংরুমের আলোচনায় তাঁরা খুবই সোচ্চার। মনে হয় যেন তাঁদের ক্ষোভের সীমা-পরিসীমা নেই। তাঁরা মনে-প্রাণে এই অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন চান। এ লক্ষ্যে নতুন কোনো রাজনৈতিক নেতা কেন এগিয়ে আসছেন না সে জন্য তাঁদের ক্ষোভের সীমা নেই। তাঁরা নিজেরা কেউ এগিয়ে আসতে রাজি নন। প্রশ্নোত্তরে বিশদ আলোচনা করে আমি জানতে পেরেছি তাঁদের এগিয়ে না আসার কারণ। তাঁরা আরাম-আয়েশের জীবনে আসক্ত। হামলা-মামলা, জেল-জুলুমকে তাঁদের দারুণ ভয়। দেশের একজন রাষ্ট্রপতিকে নতুন দল করার কারণে রেললাইন ধরে অমানবিকভাবে তাড়া করা হয়েছে, নিজেদের দলের সাবেক সংসদ সদস্যের কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার তো শেষ নেই। যে লোকই শাসক দলের বিরুদ্ধে কথা বলে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় নানা অজুহাতে মামলা করা হয়। সেসব জেলার কোর্ট-কাছারিতে উপস্থিত হওয়া যেমন হয়রানিমূলক, তেমনি দলীয় ক্যাডারের আক্রমণের শিকার হওয়া রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিব্রতকর। মামলায় জেল-হাজতবাস অস্বাভাবিক কিছু নয়। শিক্ষিত সুজনরা এসব জেল-জুলুম-অত্যাচারের মধ্যে যেতে চান না। এমনকি রোদের মধ্যে রাস্তায় হেঁটে মিছিল করা বা দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করাকেও তাঁরা অনেকে সহনীয় কাজ বলে মনে করেন না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সভা-সম্মেলনে যেতে তাঁরা রাজি আছেন। জেলখানার কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিতে তাঁদের হয়তো তত আপত্তি থাকত না। বর্তমান অবস্থায় ড্রইংরুমের প্রতিবাদী আড্ডা কিংবা গোলটেবিল আলোচনার মধ্যেই তাঁদের কর্মতৎপরতা সীমিত রাখার পক্ষপাতী।
তাঁদের চিন্তাধারা অযৌক্তিক বা অসংগতিপূর্ণ এমনটি বলা ঠিক হবে না। তাঁরা মনে করেন, শাসক দলকে ভোট দিয়ে তাঁরা প্রতারিত হয়েছেন। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তাঁরা এর প্রতিশোধ নেবেন। কালক্রমে যদি ভিন্ন প্রকৃতির কোনো শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে উল্লিখিত স্লোগান দিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করে, তবে তাঁদের অনেকেই সে দলে যোগ দেবেন। এক কথায়, শাসক দলের অন্যায়-অত্যাচারকে তাঁরা ঘৃণা করেন; কিন্তু শাসক দলের হাতে তাঁরা নিগৃহীত হতে চান না। হত্যা, গুমের রাজনীতি শুরু হওয়ার পর তাঁরা আরো আতঙ্কিত। জীবন-মৃত্যু আল্লাহর ইচ্ছায়, অথবা ভাগ্যের হাতে- এ বিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে অন্তত এক বছর কারাবাসের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রতিবাদী আন্দোলনে যোগদানের সংকল্প তাঁদের চিন্তার বাইরে।
মধ্যবিত্তের খপ্পরে পড়েছে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের সম্ভাবনা। উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় (Liberal Democratic Dispensation) অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শ্রেণী-সংগ্রামে বিশ্বাসী কোনো সর্বহারা দলের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শিক্ষিত সুজন কোনো ব্যক্তির নেতৃত্বে শুধু একটি উদার গণতান্ত্রিক দল এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়িত করতে পারে। তিনটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য এই নেতৃত্বকে সংজ্ঞায়িত করবে। এগুলো হচ্ছে সাহস, সংকল্প এবং উদাত্ত আহ্বান (courage, commitment and clarion call)। এই তিন বৈশিষ্ট্যের সমাহারে সুগঠিত নেতৃত্ব বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে না। কখন পাওয়া যাবে অথবা আদৌ পাওয়া যাবে কি না সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। যদি কখনো পাওয়া যায়, তবেই ঘটবে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উত্থান।
লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, পিএসসি ও
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1375)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
October
(1721)
-
▼
Oct 20
(100)
- বাংলাদেশ সম্মাননা জানালো ৬১ যুদ্ধবন্ধুকে
- ভারতীয় ছিটের বাংলাদেশজীবন by জেসমিন পাঁপড়ি
- হলমার্ক কেলেঙ্কারিঃ দুদকে জেসমিনের রিমান্ড শুরু
- বিতর্কিত স্টিং অপারেশনের শিকার নাফিস!
- গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ-সরকারি পর্যায়ে বাস্তবায়নে...
- বাকৃবিতে ছাত্রীকে ঘুষি-তদন্ত শেষ না করেই প্রক্টরের...
- যা কিছু প্রথম
- বাজারে নতুন
- বুক অব ফ্যাক্টস- আইন by আইজ্যাক আজিমভ
- যা নিয়ে আছি- প্রশ্ন আছে, উত্তর নেই
- পাল্টে যাবে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিমদের আগমনের ইতিহাস-...
- ঋতুপর্ণা ও পাওলির বিরুদ্ধে ঢাকায় কর ফাঁকির অভিযোগ
- অবশেষে বিয়ে করলেন লাক্স-তারকা অভিনেত্রী আলভী
- আর্থিক সংকটে চিকিৎসা হয় না, কেউ খবরও নেয় না
- উড়তে উড়তে ঘুড়ি by জগলুল হায়দার
- সেরা সাঁতারুরা
- কৌতুক
- সিসিমপুর- শিকুর ডাকাডাকি যন্ত্র
- পত্রিকায় লিখে কি লাভ, আমাকে তো আর কেউ দেখতে আসে না...
- সৌমিকের দুর্গাপূজা by রণজিৎ সরকার
- স্বীকার করলেন ওবামা- আল-কায়েদা এখনো সক্রিয়
- পাকিস্তানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ- রাজনীতিতে সেনা...
- ‘কোবরা গোল্ডের’ অধীনে ১০ হাজারেরও বেশি মার্কিন ও থ...
- পতনের এক বছর- গাদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়া কোন পথে?
- মালালার ওপর হামলা- তালেবানের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে ...
- রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়- নতুন শিক্ষকদের বেতন...
- বিরামপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়- বিষয়ভিত্তিক শিক্ষ...
- যানজট নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ- নিষেধাজ্ঞা ল...
- চালুর আগে সংস্কারে বরাদ্দ আরও অর্ধকোটি টাকা- চার ম...
- বৌদ্ধপল্লি ও মন্দিরে হামলা- সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন...
- বিকেলে সংবাদ সম্মেলন- খালেদা জিয়া আজ দেশে ফিরছেন
- রেজওয়ানুলের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বসছে বাংলাদেশ
- সংহতি সমাবেশে বক্তারা- এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রাষ...
- কার কথা সত্য নাফিসের নাকি এফবিআইয়ের
- বিতর্কিত স্টিং অপারেশনের শিকার কাজী নাফিস! by মেহে...
- রাজনীতিতে সেনা হস্তক্ষেপ বন্ধের আদেশ পাকিস্তান সুপ...
- জেসমিন পাঁচ দিনের রিমান্ডে
- হলমার্ক-সোনালী ব্যাংক কেলেঙ্কারি-দুর্নীতির পরিণতি ...
- মহিউদ্দিনের বিপক্ষে তাঁরই একসময়ের ঘনিষ্ঠরা
- যত বড় নেতা, তত বড় কোন্দল by পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
- ঋতু-বন্দনা- আত্মার আত্মীয় হেমন্ত by মাহবুব আলম
- মানুষের সীমাহীন দুঃখ-কষ্ট, সরকার কী করছে?- বিপন্ন ...
- ঢাকায় জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে সরকার ভীত কেন?- বর্ধিত হোল...
- গতকাল সমকাল- ‘বংশমরো’—ফিলিপাইনের আগামীর স্বায়ত্তশা...
- মানুষের মুখ- শিল্পের জন্য ভালোবাসা by মাহবুবুর রহমান
- অন্য রকম ঈদ- পশুশুমারি
- অন্য রকম ঈদ- মায়াবী
- অন্য রকম ঈদ- বড়াই
- গরুর শিং
- অন্য রকম ঈদ
- দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা দেশ
- 'আমার চাচা স্বৈরশাসক'
- আবার বিয়ে করতে আগ্রহী মালাইকা!
- 'আমার চাচা স্বৈরশাসক'
- গাজায় প্রথম সফরে চমস্কি
- রোমাঞ্চকর ক্যামেরন
- পরস্পরকে নিয়ে রসিকতায় ওবামা-রমনি
- মিয়ানমারের আধা বর্গ কিলোমিটারের ‘কারাগার’
- মমতাকে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ
- চীনের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারে আশাবাদ খালেদার
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মেয়ের অভিযোগ, ‘প্রশাসনের লোকেরা’ ধরে নিয়ে গেছে- এক...
- দৌলতদিয়ায় আড়াই কিমিজুড়ে বাস-ট্রাকের তিন সারি, দুর্ভোগ
- বিদেশি সেনাদের দায়মুক্তি নিয়ে কারজাইয়ের সতর্কবাণী
- অসহায় বাবা অসহায় মেয়ে
- বাজারদর- আরেক দফা বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম
- পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের রায়- সাবেক সেনাপ্রধানের ...
- ৩১ কোম্পানির ৪৩ খাদ্যপণ্যের অনুমোদন বাতিল by পার...
- পাকিস্তান- একজন মালালার জন্য প্রার্থনা by আবদুল ...
- কালের পুরাণ- সরকারের সাংবাদিক বর্জন! by সোহরাব হ...
- ঘনিষ্ঠরা কে কোথায়
- গাদ্দাফির মৃত্যুর এক বছর-২০১১
- ঈদ প্রস্তুতির এখনই সময় by অনন্যা রহমান
- ঈদ এলেই প্রতীক্ষার প্রহর গোনা by মাশরেখা মনা
- ঢাকে শাঁখে দুর্গার আগমন
- ঢাকে শাঁখে দুর্গার আগমন
- আনন্দের মহাউৎসব-কোরবানির অর্থ যেন হালকা না হয় by অ...
- জনগণের প্রত্যাশা by মো. রবিউল ইসলাম
- সাম্প্র্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে উপড়ে ফেলুন by মোহাম্ম...
- সাম্প্র্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে উপড়ে ফেলুন by মোহাম্ম...
- মানবিক বোধের চর্চা চাই by রেজা শাওন
- চলমান সংকটের নেপথ্যে by রেয়াজুল ইসলাম রাজু
- গণপরিবহন! by মাহফুজুর রহমান মানিক
- রাজনীতিতে তৃতীয় ধারা? by এম আবদুল হাফিজ
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-সমস্যার আবর্তে থেকে সম্...
- নিরাপত্তা-নিউইয়র্কে নকল বোমা, বিপদ বার্তা কিন্তু ঢ...
- বরিশালের চামড়া ব্যবসা-ঢাকার বাইরেও শৃঙ্খলা চাই
- বৌদ্ধপল্লীতে হামলার রিপোর্ট-নিরাময়ে সম্মিলিত প্রয়...
- ক্রমবর্ধমান কিশোর অপরাধ-সব মহলকে যত্নবান হতে হবে
- বৌদ্ধ জনপদে হামলা-তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযা...
- চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে গেণ্ডারিয়ার বানর by শরাফত হোসেন
- পবিত্র কোরআনের আলো-রমজানের পুরো রাত পানাহার ও সম্ভ...
- সদরে অন্দরে-ছাত্রীকে শিক্ষকের ঘুষি, অনাকাঙ্ক্ষিত b...
- মনের কোণে হীরে-মুক্তো-বাংলাদেশে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্...
- নাফিসের বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে দূতাবাস
- ডাক্তার হওয়ার আগেই ঝরে গেলো দুটি প্রাণ by সাব্বির...
- সংখ্যালঘু বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন সমস্যাঃ শা...
- শিল্প বিনিয়োগের টুটি চেপে ধরা কার স্বার্থে? by মোহ...
- ভারত ও বাংলাদেশ-সম্পর্ক কি প্রকৃতই বন্ধুত্বের? by ...
- বিশ্বশান্তি দোদুল্যমান by ফিদেল কাস্ত্রো
-
▼
Oct 20
(100)
-
▼
October
(1721)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment