হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী মিডিয়া মোগল জিমি লাইকে ২০ বছরের জেল
এতে বলা হয়, ৭৮ বছর বয়সী বৃটিশ নাগরিক জিমি লাইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তার পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এ রায়কে কার্যত মৃত্যুদণ্ডের শামিল বলে অভিহিত করেছেন তারা। তবে হংকংয়ের প্রশাসন বলছে, এই রায় শহরের আইনের শাসনেরই প্রমাণ।
২০১৯ সালে গণতন্ত্র ও অধিক স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভের পর চীন হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন জারি করে। বেইজিংয়ের দাবি, শহরের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আইনটি অপরিহার্য। সমালোচকদের মতে, এই আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতাকে কার্যত স্তব্ধ করে দিয়েছে।
জিমি লাই এই আইনে গ্রেপ্তার হওয়া শত শত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চীনা সরকারের কট্টর সমালোচক ছিলেন এবং তার পত্রিকা অ্যাপল ডেইলিকে প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন।
রায়ের পর জিমি লাইয়ের ছেলে সেবাস্তিয়ান লাই বিবিসিকে বলেন, এটা ভীষণ হৃদয়বিদারক। আমরা বারবার বৃটিশ সরকারের কাছে বিষয়টি তুলেছি, কিন্তু আমার বাবা এখনও কারাগারে। তিনি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাম্প্রতিক চীন সফরকেও একটি হারানো সুযোগ বলে সমালোচনা করেন।
আদালতে সাজা ঘোষণার সময় বিচারকরা লাইয়ের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর ও ভয়াবহ অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করেন। সোমবার সকালে আদালত চত্বরে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। একই সঙ্গে বহু সমর্থক দিনের পর দিন লাইনে দাঁড়িয়ে রায় শোনার আশায় আদালতে উপস্থিত হন।

No comments