Thursday, June 12, 2025
ক্যালিফোর্নিয়া কেন জ্বলছে by হাসান ফেরদৌস
ক্যালিফোর্নিয়া কেন জ্বলছে by হাসান ফেরদৌস
পরপর তিন দিনের বিক্ষোভ ও দাঙ্গার পর অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুই হাজার ন্যাশনাল গার্ড পাঠানোর নির্দেশ দেন। নিয়মিত বাহিনীর অংশ হিসেবে ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা একই সঙ্গে ফেডারেল পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ও অঙ্গরাজ্যে গভর্নরের নির্দেশে কাজ করে থাকে। কয়েক দিন আগে গার্ডদের প্রথম দলটি আইস বা ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট–বিরোধী দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছায়। ভারী অস্ত্রসজ্জিত এসব গার্ডের উপস্থিতি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বদলে তা আরও উসকে দেয়। দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।
অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের একটি আইনশৃঙ্খলাজনিত ঘটনাকে কেন এভাবে একটি ফেডারেল সমস্যায় দাঁড় করানো হলো, তা নিয়ে এখন বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্টের নির্দেশে ন্যাশনাল গার্ডদের নিয়োগ নতুন ঘটনা নয়—গত ৬০ বছরে অবস্থা সামাল দিতে দুই ডজনের বেশি সময় তাদের ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু একবার ছাড়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই হয় স্থানীয় গভর্নরের অনুরোধে, অথবা গভর্নরের অনুমতি ও সমর্থনেই তেমন নিয়োগ হয়েছে। এবার তার ব্যতিক্রম কেন?
সেই প্রশ্ন তুলে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গেভিন নিউসাম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁর যুক্তি—যে আইনের ভিত্তিতে ন্যাশনাল গার্ডদের ট্রাম্প প্রেরণ করেছেন, তা শুধু বহিরাগত ‘আক্রমণ’ বা বড় ধরনের ‘বিদ্রোহ’ ঠেকাতে করা হয়ে থাকে। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ায় কোনো বিদেশি আক্রমণ ঘটেনি, কোনো বিদ্রোহ হয়নি। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা ক্যালিফোর্নিয়ার নিজের রয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টিকে রাজনীতিকরণের উদ্দেশ্যেই এমন অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের তিনি সেনাধ্যক্ষ, অথচ এ বিষয়ে তাঁর সম্মতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন ট্রাম্প দেখেননি।
ট্রাম্প ও নিউসামের মধ্যে বিরোধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন নয়। নিউসামকে যে তিনি পছন্দ করেন না, সেটাও কোনো গোপন ব্যাপার নয়। তাঁকে অযোগ্য ও ব্যর্থ অতি বাম রাজনীতিক হিসেবে হরহামেশাই বিদ্রূপ করে থাকেন ট্রাম্প। তিনি নিউসামের নতুন নাম দিয়েছেন নিউস্কাম (স্কাম শব্দের এক অর্থ জঘন্য বা আবর্জনা)। আইসের অভিযানের সময় গোলযোগ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁকে অযোগ্য ও অপদার্থ প্রমাণের এমন একটি সুযোগ তিনি সম্ভবত হাতছাড়া করতে চাননি।
নিউসামের পক্ষ নিয়ে ডেমোক্রেট দলীয় গভর্নররা এক যৌথ বিবৃতিতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে ন্যাশনাল গার্ডের অধিনায়ক হচ্ছেন সে রাজ্যের গভর্নর। অথচ সেই অধিনায়কের সম্মতি ছাড়াই ন্যাশনাল গার্ড নিয়োগের এই সিদ্ধান্ত অকার্যকর ও ভয়াবহ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য সব সমালোচনা শুধু অগ্রাহ্য করেছেন তা–ই নয়, প্রয়োজন হলে নিউসামকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মত দিয়েছেন। উত্তাপ কমানোর বদলে তার প্রশাসন আরও দুই হাজার গার্ডকে গোলযোগ দমনে পাঠাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। কয়েক হাজার নৌ সেনাকেও সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।
‘দেশ বাঁচাও’ যুক্তিতে ন্যাশনাল গার্ড ও নিয়মিত সেনাসদস্যদের নিয়োগ করা হলেও ট্রাম্প যে একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা অনুসরণ করছেন, তাতে সন্দেহ নেই। তাঁর অন্যতম উপদেষ্টা স্টিভেন মিলার বলেছেন, তাঁরা ‘সভ্যতা বাঁচানোর’ লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছেন। অথচ ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের অনুসারীরা কংগ্রেস ভবন আক্রমণ করে মার্কিন গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি হুমকি দিয়েছিল, তা ঠেকাতে শত অনুরোধ সত্ত্বেও কোনো ন্যাশনাল গার্ড তিনি পাঠাননি।
ট্রাম্প অনেক দিন থেকেই বলে আসছেন ক্যালিফোর্নিয়ার মতো ডেমোক্রাটদের নিয়ন্ত্রিত রাজ্য ও শহরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যেমন নিউইয়র্ক সিটি সম্বন্ধে তিনি বলেছিলেন, এটি অপরাধ ও দুষ্কর্মে ভরা এক অবিশ্বাস্য ‘নরকের গর্ত’ (তাঁর কথায় ‘হেল হোল’)। শিকাগো, বাল্টিমোর বা ফিলাডেলফিয়াসহ যেকোনো ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহর ও রাজ্যকেও তিনি এই ভাষায় আক্রমণ করেছেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের আইসবিরোধী দাঙ্গার উদাহরণ তুলে ট্রাম্প এখন তাদের ওপর একহাত নেওয়ার ভালো সুযোগ পেয়েছেন।
এ কথা ভাবার কারণ রয়েছে, একই রকম প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ ঠেকাতে ট্রাম্প অন্য অনেক শহরেও সৈন্য পাঠাতে পারেন। যে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তিনি সৈন্য প্রেরণের নির্দেশ দেন, তাতে কোথাও ক্যালিফোর্নিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যেখানেই অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ হবে, এমনকি তা যদি শান্তিপূর্ণও হয়, তা প্রতিরোধে ন্যাশনাল গার্ড পাঠানো হবে। অর্থাৎ ট্রাম্প ভাবছেন আইনবিরোধী বিক্ষোভ দেশের অন্যত্রও হবে। তাদের দমনেও ফেডারেল সৈন্য ব্যবহার করা হবে—এমন আগাম হুঁশিয়ারি তিনি এই নির্বাহী আদেশে দিয়ে রাখলেন।
কয়েক দিনের বিক্ষোভ ও দাঙ্গায় লস অ্যাঞ্জেলেসের শহরতলির কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, হাতবোমা থেকে কিছু লোক আহত হয়েছেন। কিন্তু কেউ নিহত হননি। এ ধরনের বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় শহরে মোটেই নতুন কোনো ঘটনা নয়। নতুন যা হলো, এ ঘটনাকে একটি যুদ্ধক্ষেত্রে রূপান্তরের চেষ্টা। সে কথা উল্লেখ করে নিউইয়র্ক টাইমস এক সম্পাদকীয়তে মন্তব্য করেছে, আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার বদলে ট্রাম্পের আসল লক্ষ্য বেপরোয়া শক্তির প্রদর্শনী।
আরও কঠোর ভাষায় ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ব্রেনন সেন্টার ফর জাস্টিস। মানবাধিকারভিত্তিক এই সংস্থার অন্যতম পরিচালক এলিজাবেথ গয়তিন স্থানীয় গভর্নরের সম্মতি ছাড়া সৈন্য প্রেরণের সিদ্ধান্তকে অভূতপূর্ব ও আইনবহির্ভূত বলেছেন। যে আইনের ব্যবহার করে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে শুধু ‘শেষ ব্যবস্থা’ হিসেবে সৈন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই কথা বলেছেন নাগরিক অধিকার সংস্থা এসিএলইউ। এই সংস্থার পরিচালক হিনা শামসি বলেছেন, বেসামরিক পরিস্থিতিতে সামরিক শক্তি ব্যবহার না করার যে নীতি এত দিন আমরা মেনে এসেছি, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এর ফলে শুধু যে স্থানীয় নাগরিকেরা বিপদের মুখে পড়বে তা নয়, সৈন্যরাও বিপদে পড়তে পারে। কারণ, তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে পড়বে।
যেভাবে ও যে ভাষায় হোয়াইট হাউস থেকে এই অভিযানের পক্ষে কথা বলেছেন, তাতে মনে হয় ব্যাপারটায় তারা মহাখুশি। অবৈধ অভিবাসন ও আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে তিনি আপসহীন ও কঠোর, নির্বাচনের আগে থেকেই ট্রাম্প বলে আসছেন। এখন হাতে–কলমে সে কথার এক প্রমাণ দিলেন। ঠিক এই মুহূর্তে কেন, তারও একটা ব্যাখ্যা রয়েছে। বাণিজ্যযুদ্ধ, বাজেট প্রশ্নে বিতর্ক ও অব্যাহত অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে এখন তাঁর প্রয়োজন ছিল দেশের মানুষের মনোযোগ অন্যদিকে ফেরানো। ক্ষমতা গ্রহণের চার মাস হতে না হতেই তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। তবে যে একটি বিষয়ে তিনি এখনো আমেরিকানদের, বিশেষ করে তাঁর রিপাবলিকান সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয়, তা হলো অবৈধ অভিবাসন প্রশ্নে তাঁর অব্যাহত কঠোর অবস্থান। মনে হয়, নিজের নড়বড়ে জনপ্রিয়তাকে জোড়া লাগাতে তিনি সেই অভিবাসন প্রশ্নটিকেই ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তাতে কাজও দিয়েছে। সিবিএস নিউজ পরিচালিত এক জনমত জরিপ অনুসারে, দেশের ৫৪ শতাংশ মানুষ অভিবাসন প্রশ্নে তাঁর এই কঠোর অবস্থানে খুশি। খুশি নন, এমন মানুষের সংখ্যা ৪৪ শতাংশ।
| এক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সোমবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা অ্যানা শহরে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1456)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
June
(301)
-
▼
Jun 12
(20)
- পিউ রিসার্চের জরিপ: ২০১০-২০২০ সাল পর্যন্ত অন্য সব ...
- কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত: আর কত পর্যটকের মৃত্যু দেখতে হবে
- ইসরায়েল-সমর্থিত গ্যাংয়ের ৫০ সদস্য নিহত, গাজায় গৃহয...
- বিতর্কিত কেন্দ্রে ত্রাণের আশায় গিয়ে প্রাণ গেল আরও ...
- কিডনি যেভাবে ভালো রাখবেন by অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ
- আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নিন্দা ও ক্ষোভ
- এবার ইসরায়েলি দুই উগ্রপন্থি মন্ত্রীর ওপর ৪ দেশের ন...
- গ্রেটা ও তার সহকর্মীদের ইসরাইলে প্রবেশে ১০০ বছরের ...
- বিচ্ছেদ গুঞ্জনের মাঝে মেয়ের জন্মদিন: নিজের পরিচয়ে ...
- লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভ নিয়ে এ পর্যন্ত যা কিছু জা...
- নিউইয়র্ক কি ইতিহাসে প্রথম কোনো মুসলিম মেয়র পেতে যা...
- ভারত ও পাকিস্তান কি বড় নৌযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ...
- আসামে মন্দিরে কারা রেখে গেল গরুর মাংস, এ নিয়ে দুই ...
- ‘পুশ ইন’ কি দিল্লির বৈরী নীতির অংশ নয় by খাজা মাঈন...
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর- কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্প মধ্য...
- ক্যালিফোর্নিয়া কেন জ্বলছে by হাসান ফেরদৌস
- শাশুড়ি ও দুই শ্যালককে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে রবিন
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে মুসলিম দেশগুলোকে ভূমি ছাড়ার...
- রেইনকোট, খুকরি আর রক্তমাখা ষড়যন্ত্র
- হানিমুনে স্বামী হত্যা, ২০ লাখ রুপির চুক্তি, হত্যাক...
-
▼
Jun 12
(20)
-
▼
June
(301)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment