Sunday, December 1, 2013
রাজনীতির বিকল্প নেই by ফরহাদ মজহার
রাজনীতির বিকল্প নেই by ফরহাদ মজহার
আবার ইংরেজি দুই হাজার তেরো সালের ১৬
ডিসেম্বর আসছে। সামনে বিজয় দিবস। যে ‘বিজয়’ একাত্তরে আমরা অর্জন করেছি তার
তাৎপর্য যদি আমরা উপলব্ধি করি, তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি যাই হোক এই
দিনটি ঠিকভাবে উদযাপন করা দরকার। সেটা সম্ভব হবে কিনা তার আশংকা দেখা
দিয়েছে। একটি নিউজপোর্টালের খবরে দেখেছি, চলতি বছরের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ
বাতিল করা হয়েছে। অথচ এই দিনটি জনগণের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সম্পর্ক রচনার
দিন- মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা স্মরণ করা ও সৈনিকতার মর্যাদা
প্রতিষ্ঠার জন্য দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। খবর অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
থেকে এই অনুষ্ঠান বাতিল করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার
সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামানের স্বাক্ষরে ওই চিঠিতে বলা
হয়, দশম জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সব বাহিনী নিয়োজিত
থাকবে। তাই চলতি বছর বিজয় দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে না। প্রধানমন্ত্রীও
বিষয়টিতে সম্মতি দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খবরটি ভালো
লাগেনি।
এটা সত্য, সমাজ রাজনৈতিকভাবে দুই পক্ষে ভাগ হয়ে গেছে। নিজেকে ক্ষমতায় রেখে একতরফা নির্বাচনে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। এই পরিস্থিতিতে কোনো এক পক্ষ বলপ্রয়োগের ক্ষমতার দিক থেকে দুর্বল না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক সংলাপ বা সমঝোতা অসম্ভব। এটাই রাজনৈতিক বাস্তবতা। রাজনীতিতে সংলাপ নানা কারণে বন্ধ হতে পারে, সমঝোতার পথ রুদ্ধ হওয়া রাজনীতিতে অসম্ভব কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের গোড়া রাজনৈতিক সংলাপ বন্ধ হওয়া নয়, বরং সামাজিক সংলাপ ও বুদ্ধিবৃত্তিক তর্ক-বিতর্কের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়া। বাংলাদেশে আমরা রুদ্ধ বিচার-বুদ্ধির অসুখে পড়েছি।
সামাজিক সংলাপই রাজনৈতিক সংলাপের পরিবেশ ও শর্ত তৈরি করে। অথচ সামাজিক সংলাপ অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সমাজে অনেকগুলো গুরুতপূর্ণ বিষয় নিয়েই তর্ক-বিতর্ক চলছিল। কিন্তু এক সময় সেসবও বন্ধ হয়ে গেল। এটা রাজনৈতিক দলগুলো বন্ধ করেনি, করেছে একশ্রেণীর দলবাজ বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যম। তর্ক-বিতর্ক দূরে থাক, বিরোধী পক্ষের কথা বলে এমন পত্রিকা ও গণমাধ্যমের ওপর হামলা হয়েছে, দৈনিক আমার দেশ বন্ধ। মাহমুদুর রহমান এখনও কারাগারে। দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও চ্যানেল ওয়ান অন্যায়ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এমনকি মানবাধিকার কর্মীদের জেল-জুলুম-হয়রানি সহ্য করতে হয়েছে। আদিলুর রহমান খানকে জামিন না দিয়ে জেলে নেয়া হয়েছিল, তাকে বহুদিন পর জামিনে ছাড়া হয়েছে। এ লেখা যখন লিখছি, তখন সারা দুনিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা অধিকারের ডিরেক্টর নাসিরুদ্দিন এলানের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে যোগাযোগ করছেন। তাদের প্রশ্ন, তিনি জামিন পেয়েছেন, কিন্তু এখনও কারাগার থেকে ছাড়া পাচ্ছেন না কেন? আদালত নাসিরুদ্দিন এলানের জামিন মঞ্জুর করেছেন নভেম্বরের ২৪ তারিখে। কিন্তু ৩০ তারিখ অবধি তিনি কারাগারে। অধিকারের ওয়েবসাইটে গিয়ে জানলাম, ডেপুটি জেলার আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশেই নাসিরুদ্দিনকে ছাড়া যাচ্ছে না। কারণ হচ্ছে, অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ‘সুনির্দিষ্টভাবে’ নির্দেশ পাঠিয়েছে নাসিরুদ্দিন এলানকে যেন এখনই ছাড়া না হয়। নাসিরুদ্দিনের পক্ষে আদালতে লড়ছেন রুহুল আমিন ভূঁইয়া। বলা বাহুল্য, তিনি তার মক্কেলকে কেন ছাড়া হচ্ছে না জানতে ডেপুটি জেলারকে ফোন করেছেন। ডেপুটি জেলার জানিয়েছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে নির্দেশ না পেলে তারা কিছুই করতে পারবেন না। এটা সুস্পষ্টভাবে মানবাধিকার লংঘন। তার প্রতিবাদ চলছে ও চলবে। আদালতের রায় বলবৎ করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের নেই। অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বাংলাদেশের সংবিধান, আইন ও আদালতের ঊর্ধ্বে এটাই প্রমাণিত হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারাগার কর্তৃপক্ষ আদালত অমান্য করতে পারার ক্ষমতা রাখেন!
এই যখন অবস্থা তখন দেখছি নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। তিনি অফিসে বসেই নাকি শাহবাগে বাসে আগুন দিয়েছিলেন, বাস পোড়ানোর মামলাতেই রিজভীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। যথারীতি তাকে রিমান্ডে নেয়া হবে। বিরোধী দলের মুখপাত্র হয়ে রিজভী সম্প্রতি কথা বলছিলেন। সেই কণ্ঠস্বরও স্তব্ধ করে দেয়া হল। এই হল বিরোধী দলের সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের সংলাপের ধরন বা চরিত্র! তারপরও ভাঙা ও কর্কশ রেকর্ডের মতো সরকারের পক্ষের গণমাধ্যমগুলো সংলাপ ও সমঝোতার কথা বলছে। বাসে আগুন লাগা ও পোড়ানোর জন্য কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়া একতরফা বিরোধী দলের আন্দোলনকে দোষারোপ করে যাচ্ছে। বিরোধী দল এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও সরকারপক্ষীয় গণমাধ্যমগুলো তাদের প্রোপাগান্ডা চালিয়েই যাচ্ছে।
গণমাধ্যমের নেতিবাচক ভূমিকা ও ক্ষমতাসীনদের পক্ষে বিবেকবুদ্ধি বিসর্জন দেয়ার এই ছবি করুণ, কিন্তু তার আর্থ-সামাজিক কারণও আছে। কখন সমাজের দৃশ্যমান চিন্তা ও বুদ্ধির দরোজা-জানালা বন্ধ হওয়া শুরু হল, তা সন-তারিখ দিয়ে চিহ্নিত করা কঠিন নয়। বাংলাদেশে এর শুরু নব্বই দশকের শেষ কী দ্বিতীয় সহস্রাব্দ শুরুর সময় থেকে। অর্থনীতিতে আশির দশকের কাঠামোগত সংস্কারের ফল ততদিনে ফলতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে মুনাফা নিয়ন্ত্রণ ও পাচারের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা, উৎপাদনের খাতগুলোর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার দায়দায়িত্ব থেকে রাষ্ট্রকে মুক্ত রাখা, গৃহ ও আবাসন খাতে দ্রুত মুনাফার সুযোগ বৃদ্ধি, মুদ্রাব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছাড়, শেয়ারবাজারে মানুষের সঞ্চয় বের করে আনা ইত্যাদি সংস্কারের মধ্য দিয়ে পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্ক বিস্তারের পথ প্রশস্ত করা হয়। দ্রুত এর সঙ্গে যুক্ত হয় অবাধ বাজার ব্যবস্থার কাছাখোলা নীতি। এসবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে কর্পোরেট বাণিজ্য ও বিনিয়োগের রমরমা সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কর্পোরেট স্বার্থের অধীনে চলে যায়। অর্থনৈতিকভাবে ব্যবসায়ী শ্রেণীর প্রভাব আগেও ছিল, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব এবং তার প্রতিপত্তি বৃদ্ধি সাম্প্রতিক। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র জনগণের নাগালছাড়া হয়ে নতুন শ্রেণী ও শক্তির অধীনে চলে যায়। এক, গণমাধ্যম এবং দুই, রাজনীতি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই দুটি ক্ষেত্রের নির্ধারক ভূমিকা ছিল অবিসংবাদিত। গণমানুষের পক্ষে সেই ভূমিকার আশা করা এখন বাতুলতা। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিদ্যমান রাজনীতি, রাজনৈতিক সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক চর্চা গণমানুষের ইচ্ছা, আকাক্সক্ষা, সংকল্প বা স্বার্থ কোনো কিছুই রক্ষা করতে পারে না। কিন্তু বিতর্ক অন্যত্র। রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্কে এ পুরনো কথা। মূল কথা হচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে জনগণ কী করবে? এ প্রশ্নও নতুন নয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ লক্ষ্য করলেই আমরা দেখব, গণমাধ্যমের একটি অংশ যখন ক্ষমতাসীনদের নির্বিচার পক্ষ নিয়েছে, আরেকটি অংশ দাঁড়িয়েছে রাজনীতির বিরুদ্ধে। এক-এগারোর বিরাজনীতিকরণ আবার এজেন্ডা হিসেবে ফিরে এসেছে।
যে কোনো সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রথম সত্য হচ্ছে, রাজনীতির বিকল্প নেই। সমাজের দ্বন্দ্ব^-সংঘাত রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যেভাবে হাজির হয়েছে, সেক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবিতার একটাই সদর্থক ভূমিকা হতে পারে : সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও শক্তি অর্জনের সম্ভাব্য পথ কী হতে পারে তা দেখিয়ে দেয়া, সেই শক্তি অর্জনের ক্ষেত্রে নাগরিক ও মানবিক অধিকার অর্জনের গুরুত্ব বোঝানো। রাষ্ট্র, সরকার কিংবা রাজনৈতিক দলগুলো নাগরিক ও মানবিক অধিকার না মানলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘোষণা ও সনদে গণমানুষের অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশের জনগণ তাদের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে কিভাবে আন্তর্জাতিক জনমত তাদের পক্ষে আনতে পারে এবং তাদের গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামকে চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে নিতে পারে, সেই নীতি ও কৌশল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করাই এখনকার প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ। নতুন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের উচিত ছিল রাষ্ট্রের সংস্কার কিংবা রূপান্তরের গোড়ার প্রশ্নগুলো তোলা এবং সমাজের বিভিন্ন পক্ষের মতামত হাজির করা।
রাষ্ট্র ও রাজনীতির সংস্কার নিয়ে বাংলাদেশে কথাবার্তা হয় না তা নয়। আন্তর্জাতিক বিশ্বব্যবস্থার সুবিধাভোগী শ্রেণীগুলো এসব বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে যে জায়গা থেকে কথাবার্তা বলতে পছন্দ করে সেটা হচ্ছে ‘সুশাসন’, গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র রাষ্ট্রক্ষমতার চরিত্রের তর্ক, ক্ষমতাসীনরা কিভাবে তাদের শাসন ভালোভাবে সম্পন্ন করবে সেই তর্ক নয়। ক্ষমতার চরিত্র অগণতান্ত্রিক, এমনকি ফ্যাসিস্ট, অথচ আলোচনা করছি ‘সুশাসন’। এর চেয়ে পরাবাস্তব আর কী হতে পারে! আসলে গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রূপান্তরের বিপরীতে কিভাবে বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক শক্তিগুলোর শাসন অব্যাহত রাখা যাবে, তার আলোচনাই ‘সুশাসন’ নামে পরিচিত। এর লক্ষ্য বিরাজনীতিকরণ। বাংলাদেশের সমস্যা ও সংকটকে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসার পরিবর্তে শাসন ব্যবস্থার সমস্যা হিসেবে সমাধান। কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে আমরা সুশাসনের গল্প ছাড়া আর কিছু পয়দা করতে পারিনি।
তাহলে গণতন্ত্র সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সামাজিক সংলাপ জরুরি। এ কথাটা আমি বারবার জোর দিয়ে বলে আসছি। রাজনৈতিক সংলাপের আগে সামাজিক সংলাপ হতে পারে। যে সংলাপ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আশা দুরাশা মাত্র। পুঁজিতান্ত্রিক গোলোকায়ন ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের এই কালে সেটাই দরকার ছিল সবার আগে। সমাজের গোড়ার আর্থ-সামজিক দ্বন্দ্ব^ ও অমীমাংসিত বিরোধ যখন সমাজের ওপর তলার রাজনীতিতে সংঘাত হিসেবে হাজির হয়, তার মীমাংসার জন্য গোড়ার অসুখ সারাতে হয়। অথচ কর্পোরেট স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত গণমাধ্যমগুলো বিদ্যমান রাজনৈতিব বাস্তবতার যুক্তিসঙ্গত সমালোচনার পরিবর্তে খোদ রাজনীতিকেই বাংলাদেশ থেকে নির্মূল করতে চায়। এটা মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া। বিরাজনীতিকরণের এই চেষ্টা এক-এগারোর সময় আমরা দেখেছি। তার ফলও আমরা জানি। তার কুফল আমরা এখন ভোগ করছি। এখন আবার নতুন উদ্যমে রাজনীতির বিরুদ্ধে নগ্ন প্রচার চালাচ্ছে একটি দৈনিক পত্রিকা। রাজনীতির বিরুদ্ধে পত্রিকাটির এই প্রচার নিন্দনীয়।
গণতান্ত্রিক রূপান্তরের রাজনীতি সরল ও সিধা পথে চলবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। বিপ্লবী সোগান বা কর্মসূচি বিপ্লব ঘটায় না। কার্ল মার্কসের একটা শিক্ষা সব সময়ই কাজে লাগে। তার সারমর্ম হচ্ছে- বড় বড় সোগান ও বিপ্লবী কথাবার্তার চেয়েও সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিরীহ সংস্কারমূলক কর্মসূচিও রাজনৈতিক সংকটের চরিত্র ভেদে সমাজ ও রাজনীতির মৌলিক রূপান্তর ঘটিয়ে দেয়ার শর্ত তৈরি করতে পারে। যারা সমাজের দ্বন্দ্ব^ ও সংঘাত কিভাবে সমাজের ওপর তলায় বুর্জোয়া রাজনীতির সংকট হিসেবে অনিবার্যভাবে হাজির হয় সে বিষয়ে সচেতন, তারা ঠিকই সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে জানেন। রাজনীতির দ্বন্দ্ব^ সংকুল বাস্তবতার বাইরে গিয়ে ‘যতদিন তোমার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ’ বললে কোনো লাভ নেই। রাজনৈতিক পথ ও পদক্ষেপ নির্ণয়ের কর্তব্য পালনের পরিবর্তে ‘আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ...’ জাতীয় স্লোগান কোনো গণতান্ত্রিক মর্ম হাজির করে না। দেশ মোয়া নয়, সেটা কখনই কারও হাতে থাকে না। রাজনৈতিক ক্ষমতাই দেশ ও দশ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধ অধিকার দেয়। তাহলে জনগণের গণতান্ত্রিক ক্ষমতা নির্মাণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি নিয়েই আলোচনা করা দরকার। কিন্তু তা না করে জনগণকে রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর পুরনো চেষ্টা বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক। তাতে কোনোই সন্দেহ নেই।
যারা এই ভুল প্রচার করছেন, তাদের শুভ চিন্তার উদয় ঘটুক সেই আশা করব। আমি এর আগে কোনো এক লেখায় লিখেছি, বাংলাদেশে উদার রাজনৈতিক চিন্তার ইতিবাচক ভূমিকা আছে। এটা অনস্বীকার্য যে, সার্বজনীন ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে নিজের ভোট নিজে দেয়ার নিশ্চয়তা চেয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন একান্তই নির্বাচনী দাবি। উদার রাজনীতির বাইরের কোনো দাবি নয়। ক্ষমতাসীনদের এটা না মানার কোনো কারণই ছিল না। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির কারণে এই ভোটের অধিকার আদায়ের পথ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে রূপ নিচ্ছে। দিল্লি চায় যেভাবে হোক শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকুক। বিরোধী দলের ওপর ভয়াবহ ও অকথ্য দমনপীড়ন যে মাত্রায় গিয়ে পৌঁছেছে, নির্লজ্জ না হলে কেউই তাকে সমর্থন করতে পারে না। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো চায় সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী ইসলামপন্থী রাজনীতি কোনোভাবেই যেন বাংলাদেশে আশ্রয়-প্রশ্রয় না পায়। কিন্তু গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে তাদের উৎখাত ও নির্মূল করার মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীনরা ইসলামপন্থীদের এই সংকেতই দিয়েছে যে, বাংলাদেশের বর্তমান লড়াই একই সঙ্গে ইসলাম রক্ষার লড়াই। গণতন্ত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সভা-সমাবেশের অধিকার স্বীকার করে, ইসলামপন্থীদের ক্ষেত্রে তা অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে নাগরিক ও মানবিক অধিকারের আন্তর্জাতিক নীতি ভঙ্গ করা। ইসলামপন্থীরা তাদের নাগরিক ও মানবিক অধিকার হরণ করাকে তাদের ঈমান-আকিদা রক্ষার বিপদ হিসেবেই দেখছে। অথচ উদার রাজনৈতিক পরিমণ্ডল বহাল রেখে অধিকাংশ সমস্যারই সুষ্ঠু সমাধান খুবই সম্ভব ছিল। উদার রাজনৈতিক পরিবেশে ইসলামপন্থীদের গণতান্ত্রিক বিধিবিধান মেনে রাজনীতি করার সুযোগ বন্ধ করা মূলত উদারনৈতিক রাজনীতির জন্য মারাত্মক আÍঘাতী হয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা ও তার সমর্থকদের সেটা বোঝার সময় নেই। তিনি বিএনপিকে নির্মূল করতে চান, আঠারো দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট ও অন্যান্য ইসলামপন্থী দল। তিনি তাদেরও নির্মূল করতে চান। হেফাজতে ইসলাম তার কাছে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। কিন্তু এরা কেউই রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ নয়। তারা কারও চেয়ে এই দেশকে কম ভালোবাসেন না। আমরা দেখছি কিভাবে ভোটের অধিকার চাওয়ার নিরীহ বুর্জোয়া নির্বাচনী রাজনীতি দিল্লির আগ্রাসন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং জনগণের ঈমান-আকিদা রক্ষার লড়াইয়ে চোখের সামনে পরিণত হচ্ছে। আসলে এ লড়াই জনগণের সার্বোভৌমত্ব রক্ষার লড়াই। আমরা চাই বা না চাই, সে জায়গাতেই শেখ হাসিনা এ সংগ্রামকে ঠেলে দিয়েছেন। অল্প কিছু মানুষ আগে দিল্লির ভূমিকার কথা বলত। কিন্তু রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে এখন সাধারণ মানুষের কাছে শেখ হাসিনা সেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।
আমাদের উচিত ছিল সামাজিক ও রাজনৈতিক সংলাপের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আলোচনা ও তর্ক-বিতর্ক একটি সমাজের শক্তির লক্ষণ। আমরা তর্ক করতে পারি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র কিভাবে গঠিত হলে তা নাগরিক ও মানবিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে পারবে? রাজনীতিতে ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মের ভূমিকা কিভাবে নিশ্চিত করা গেলে আমরা শক্তিশালী রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্বসভায় মাথা তুলে ইজ্জতের সঙ্গে দাঁড়াতে পারব? আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থায় বহুপাক্ষিক সম্পর্ক রচনাকে গৌণ করে টিকফা জাতীয় দ্বিপাক্ষিক চুক্তি কেন অর্থনৈতিক বিকাশ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য আত্মঘাতী? কেন আমাদের শক্তিশালী সেনাবাহিনী দরকার এবং সৈনিকতার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে গড়ে তোলা ছাড়া বৈরী প্রতিবেশী পরিবেষ্টিত হয়ে কেন আমরা টিকে থাকতে পারব না? কেন শক্তিশালী সীমান্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া আমরা আমাদের নাগরিকদের কুকুর-বিড়ালের মতো গুলি করে হত্যা বন্ধ করতে পারব না? ইত্যাদি আমাদের জাতীয় প্রশ্ন। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে এ ধরনের প্রশ্ন জড়িত। এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মীমাংসা না করে আমরা চিৎকার করছি, বদলে যাও বদলে দাও। এতে কী বদলাবে? কে বদলাবে? আর এখন গরিব ও মেহনতি মানুষদের দেখিয়ে বলছি- ‘আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ...!’ আর কিনা বলছে তারাই যারা কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষা করে। এই স্ববিরোধিতা নিয়ে রাজনৈতিক দলের সমালোচনা হাস্যকর। আবারও বলছি, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিরাজনীতিকরণের রাজনীতি আমরা চিনতে পারি। দেশের মানুষকে বোকা ভাবা ঠিক নয়। এই আÍঘাতী পথ পরিহার করা দরকার। যারা নগ্নভাবে ক্ষমতাসীনদের পক্ষাবলম্বন করেছে সেসব গণমাধ্যমের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। আমি তাদেরই সমালোচনা করছি, যারা নিরপেক্ষভাবে উদার রাজনৈতিক পরিবেশ রক্ষার মধ্য দিয়ে এখনও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
এটা সত্য, সমাজ রাজনৈতিকভাবে দুই পক্ষে ভাগ হয়ে গেছে। নিজেকে ক্ষমতায় রেখে একতরফা নির্বাচনে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। এই পরিস্থিতিতে কোনো এক পক্ষ বলপ্রয়োগের ক্ষমতার দিক থেকে দুর্বল না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক সংলাপ বা সমঝোতা অসম্ভব। এটাই রাজনৈতিক বাস্তবতা। রাজনীতিতে সংলাপ নানা কারণে বন্ধ হতে পারে, সমঝোতার পথ রুদ্ধ হওয়া রাজনীতিতে অসম্ভব কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের গোড়া রাজনৈতিক সংলাপ বন্ধ হওয়া নয়, বরং সামাজিক সংলাপ ও বুদ্ধিবৃত্তিক তর্ক-বিতর্কের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়া। বাংলাদেশে আমরা রুদ্ধ বিচার-বুদ্ধির অসুখে পড়েছি।
সামাজিক সংলাপই রাজনৈতিক সংলাপের পরিবেশ ও শর্ত তৈরি করে। অথচ সামাজিক সংলাপ অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সমাজে অনেকগুলো গুরুতপূর্ণ বিষয় নিয়েই তর্ক-বিতর্ক চলছিল। কিন্তু এক সময় সেসবও বন্ধ হয়ে গেল। এটা রাজনৈতিক দলগুলো বন্ধ করেনি, করেছে একশ্রেণীর দলবাজ বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যম। তর্ক-বিতর্ক দূরে থাক, বিরোধী পক্ষের কথা বলে এমন পত্রিকা ও গণমাধ্যমের ওপর হামলা হয়েছে, দৈনিক আমার দেশ বন্ধ। মাহমুদুর রহমান এখনও কারাগারে। দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও চ্যানেল ওয়ান অন্যায়ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এমনকি মানবাধিকার কর্মীদের জেল-জুলুম-হয়রানি সহ্য করতে হয়েছে। আদিলুর রহমান খানকে জামিন না দিয়ে জেলে নেয়া হয়েছিল, তাকে বহুদিন পর জামিনে ছাড়া হয়েছে। এ লেখা যখন লিখছি, তখন সারা দুনিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা অধিকারের ডিরেক্টর নাসিরুদ্দিন এলানের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে যোগাযোগ করছেন। তাদের প্রশ্ন, তিনি জামিন পেয়েছেন, কিন্তু এখনও কারাগার থেকে ছাড়া পাচ্ছেন না কেন? আদালত নাসিরুদ্দিন এলানের জামিন মঞ্জুর করেছেন নভেম্বরের ২৪ তারিখে। কিন্তু ৩০ তারিখ অবধি তিনি কারাগারে। অধিকারের ওয়েবসাইটে গিয়ে জানলাম, ডেপুটি জেলার আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশেই নাসিরুদ্দিনকে ছাড়া যাচ্ছে না। কারণ হচ্ছে, অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ‘সুনির্দিষ্টভাবে’ নির্দেশ পাঠিয়েছে নাসিরুদ্দিন এলানকে যেন এখনই ছাড়া না হয়। নাসিরুদ্দিনের পক্ষে আদালতে লড়ছেন রুহুল আমিন ভূঁইয়া। বলা বাহুল্য, তিনি তার মক্কেলকে কেন ছাড়া হচ্ছে না জানতে ডেপুটি জেলারকে ফোন করেছেন। ডেপুটি জেলার জানিয়েছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে নির্দেশ না পেলে তারা কিছুই করতে পারবেন না। এটা সুস্পষ্টভাবে মানবাধিকার লংঘন। তার প্রতিবাদ চলছে ও চলবে। আদালতের রায় বলবৎ করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের নেই। অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বাংলাদেশের সংবিধান, আইন ও আদালতের ঊর্ধ্বে এটাই প্রমাণিত হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারাগার কর্তৃপক্ষ আদালত অমান্য করতে পারার ক্ষমতা রাখেন!
এই যখন অবস্থা তখন দেখছি নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। তিনি অফিসে বসেই নাকি শাহবাগে বাসে আগুন দিয়েছিলেন, বাস পোড়ানোর মামলাতেই রিজভীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। যথারীতি তাকে রিমান্ডে নেয়া হবে। বিরোধী দলের মুখপাত্র হয়ে রিজভী সম্প্রতি কথা বলছিলেন। সেই কণ্ঠস্বরও স্তব্ধ করে দেয়া হল। এই হল বিরোধী দলের সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের সংলাপের ধরন বা চরিত্র! তারপরও ভাঙা ও কর্কশ রেকর্ডের মতো সরকারের পক্ষের গণমাধ্যমগুলো সংলাপ ও সমঝোতার কথা বলছে। বাসে আগুন লাগা ও পোড়ানোর জন্য কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়া একতরফা বিরোধী দলের আন্দোলনকে দোষারোপ করে যাচ্ছে। বিরোধী দল এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও সরকারপক্ষীয় গণমাধ্যমগুলো তাদের প্রোপাগান্ডা চালিয়েই যাচ্ছে।
গণমাধ্যমের নেতিবাচক ভূমিকা ও ক্ষমতাসীনদের পক্ষে বিবেকবুদ্ধি বিসর্জন দেয়ার এই ছবি করুণ, কিন্তু তার আর্থ-সামাজিক কারণও আছে। কখন সমাজের দৃশ্যমান চিন্তা ও বুদ্ধির দরোজা-জানালা বন্ধ হওয়া শুরু হল, তা সন-তারিখ দিয়ে চিহ্নিত করা কঠিন নয়। বাংলাদেশে এর শুরু নব্বই দশকের শেষ কী দ্বিতীয় সহস্রাব্দ শুরুর সময় থেকে। অর্থনীতিতে আশির দশকের কাঠামোগত সংস্কারের ফল ততদিনে ফলতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে মুনাফা নিয়ন্ত্রণ ও পাচারের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা, উৎপাদনের খাতগুলোর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার দায়দায়িত্ব থেকে রাষ্ট্রকে মুক্ত রাখা, গৃহ ও আবাসন খাতে দ্রুত মুনাফার সুযোগ বৃদ্ধি, মুদ্রাব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছাড়, শেয়ারবাজারে মানুষের সঞ্চয় বের করে আনা ইত্যাদি সংস্কারের মধ্য দিয়ে পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্ক বিস্তারের পথ প্রশস্ত করা হয়। দ্রুত এর সঙ্গে যুক্ত হয় অবাধ বাজার ব্যবস্থার কাছাখোলা নীতি। এসবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে কর্পোরেট বাণিজ্য ও বিনিয়োগের রমরমা সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কর্পোরেট স্বার্থের অধীনে চলে যায়। অর্থনৈতিকভাবে ব্যবসায়ী শ্রেণীর প্রভাব আগেও ছিল, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব এবং তার প্রতিপত্তি বৃদ্ধি সাম্প্রতিক। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র জনগণের নাগালছাড়া হয়ে নতুন শ্রেণী ও শক্তির অধীনে চলে যায়। এক, গণমাধ্যম এবং দুই, রাজনীতি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই দুটি ক্ষেত্রের নির্ধারক ভূমিকা ছিল অবিসংবাদিত। গণমানুষের পক্ষে সেই ভূমিকার আশা করা এখন বাতুলতা। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিদ্যমান রাজনীতি, রাজনৈতিক সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক চর্চা গণমানুষের ইচ্ছা, আকাক্সক্ষা, সংকল্প বা স্বার্থ কোনো কিছুই রক্ষা করতে পারে না। কিন্তু বিতর্ক অন্যত্র। রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্কে এ পুরনো কথা। মূল কথা হচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে জনগণ কী করবে? এ প্রশ্নও নতুন নয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ লক্ষ্য করলেই আমরা দেখব, গণমাধ্যমের একটি অংশ যখন ক্ষমতাসীনদের নির্বিচার পক্ষ নিয়েছে, আরেকটি অংশ দাঁড়িয়েছে রাজনীতির বিরুদ্ধে। এক-এগারোর বিরাজনীতিকরণ আবার এজেন্ডা হিসেবে ফিরে এসেছে।
যে কোনো সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রথম সত্য হচ্ছে, রাজনীতির বিকল্প নেই। সমাজের দ্বন্দ্ব^-সংঘাত রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যেভাবে হাজির হয়েছে, সেক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবিতার একটাই সদর্থক ভূমিকা হতে পারে : সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও শক্তি অর্জনের সম্ভাব্য পথ কী হতে পারে তা দেখিয়ে দেয়া, সেই শক্তি অর্জনের ক্ষেত্রে নাগরিক ও মানবিক অধিকার অর্জনের গুরুত্ব বোঝানো। রাষ্ট্র, সরকার কিংবা রাজনৈতিক দলগুলো নাগরিক ও মানবিক অধিকার না মানলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘোষণা ও সনদে গণমানুষের অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশের জনগণ তাদের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে কিভাবে আন্তর্জাতিক জনমত তাদের পক্ষে আনতে পারে এবং তাদের গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামকে চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে নিতে পারে, সেই নীতি ও কৌশল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করাই এখনকার প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ। নতুন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের উচিত ছিল রাষ্ট্রের সংস্কার কিংবা রূপান্তরের গোড়ার প্রশ্নগুলো তোলা এবং সমাজের বিভিন্ন পক্ষের মতামত হাজির করা।
রাষ্ট্র ও রাজনীতির সংস্কার নিয়ে বাংলাদেশে কথাবার্তা হয় না তা নয়। আন্তর্জাতিক বিশ্বব্যবস্থার সুবিধাভোগী শ্রেণীগুলো এসব বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে যে জায়গা থেকে কথাবার্তা বলতে পছন্দ করে সেটা হচ্ছে ‘সুশাসন’, গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র রাষ্ট্রক্ষমতার চরিত্রের তর্ক, ক্ষমতাসীনরা কিভাবে তাদের শাসন ভালোভাবে সম্পন্ন করবে সেই তর্ক নয়। ক্ষমতার চরিত্র অগণতান্ত্রিক, এমনকি ফ্যাসিস্ট, অথচ আলোচনা করছি ‘সুশাসন’। এর চেয়ে পরাবাস্তব আর কী হতে পারে! আসলে গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রূপান্তরের বিপরীতে কিভাবে বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক শক্তিগুলোর শাসন অব্যাহত রাখা যাবে, তার আলোচনাই ‘সুশাসন’ নামে পরিচিত। এর লক্ষ্য বিরাজনীতিকরণ। বাংলাদেশের সমস্যা ও সংকটকে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসার পরিবর্তে শাসন ব্যবস্থার সমস্যা হিসেবে সমাধান। কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে আমরা সুশাসনের গল্প ছাড়া আর কিছু পয়দা করতে পারিনি।
তাহলে গণতন্ত্র সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সামাজিক সংলাপ জরুরি। এ কথাটা আমি বারবার জোর দিয়ে বলে আসছি। রাজনৈতিক সংলাপের আগে সামাজিক সংলাপ হতে পারে। যে সংলাপ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আশা দুরাশা মাত্র। পুঁজিতান্ত্রিক গোলোকায়ন ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের এই কালে সেটাই দরকার ছিল সবার আগে। সমাজের গোড়ার আর্থ-সামজিক দ্বন্দ্ব^ ও অমীমাংসিত বিরোধ যখন সমাজের ওপর তলার রাজনীতিতে সংঘাত হিসেবে হাজির হয়, তার মীমাংসার জন্য গোড়ার অসুখ সারাতে হয়। অথচ কর্পোরেট স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত গণমাধ্যমগুলো বিদ্যমান রাজনৈতিব বাস্তবতার যুক্তিসঙ্গত সমালোচনার পরিবর্তে খোদ রাজনীতিকেই বাংলাদেশ থেকে নির্মূল করতে চায়। এটা মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া। বিরাজনীতিকরণের এই চেষ্টা এক-এগারোর সময় আমরা দেখেছি। তার ফলও আমরা জানি। তার কুফল আমরা এখন ভোগ করছি। এখন আবার নতুন উদ্যমে রাজনীতির বিরুদ্ধে নগ্ন প্রচার চালাচ্ছে একটি দৈনিক পত্রিকা। রাজনীতির বিরুদ্ধে পত্রিকাটির এই প্রচার নিন্দনীয়।
গণতান্ত্রিক রূপান্তরের রাজনীতি সরল ও সিধা পথে চলবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। বিপ্লবী সোগান বা কর্মসূচি বিপ্লব ঘটায় না। কার্ল মার্কসের একটা শিক্ষা সব সময়ই কাজে লাগে। তার সারমর্ম হচ্ছে- বড় বড় সোগান ও বিপ্লবী কথাবার্তার চেয়েও সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিরীহ সংস্কারমূলক কর্মসূচিও রাজনৈতিক সংকটের চরিত্র ভেদে সমাজ ও রাজনীতির মৌলিক রূপান্তর ঘটিয়ে দেয়ার শর্ত তৈরি করতে পারে। যারা সমাজের দ্বন্দ্ব^ ও সংঘাত কিভাবে সমাজের ওপর তলায় বুর্জোয়া রাজনীতির সংকট হিসেবে অনিবার্যভাবে হাজির হয় সে বিষয়ে সচেতন, তারা ঠিকই সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে জানেন। রাজনীতির দ্বন্দ্ব^ সংকুল বাস্তবতার বাইরে গিয়ে ‘যতদিন তোমার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ’ বললে কোনো লাভ নেই। রাজনৈতিক পথ ও পদক্ষেপ নির্ণয়ের কর্তব্য পালনের পরিবর্তে ‘আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ...’ জাতীয় স্লোগান কোনো গণতান্ত্রিক মর্ম হাজির করে না। দেশ মোয়া নয়, সেটা কখনই কারও হাতে থাকে না। রাজনৈতিক ক্ষমতাই দেশ ও দশ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধ অধিকার দেয়। তাহলে জনগণের গণতান্ত্রিক ক্ষমতা নির্মাণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি নিয়েই আলোচনা করা দরকার। কিন্তু তা না করে জনগণকে রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর পুরনো চেষ্টা বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক। তাতে কোনোই সন্দেহ নেই।
যারা এই ভুল প্রচার করছেন, তাদের শুভ চিন্তার উদয় ঘটুক সেই আশা করব। আমি এর আগে কোনো এক লেখায় লিখেছি, বাংলাদেশে উদার রাজনৈতিক চিন্তার ইতিবাচক ভূমিকা আছে। এটা অনস্বীকার্য যে, সার্বজনীন ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে নিজের ভোট নিজে দেয়ার নিশ্চয়তা চেয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন একান্তই নির্বাচনী দাবি। উদার রাজনীতির বাইরের কোনো দাবি নয়। ক্ষমতাসীনদের এটা না মানার কোনো কারণই ছিল না। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির কারণে এই ভোটের অধিকার আদায়ের পথ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে রূপ নিচ্ছে। দিল্লি চায় যেভাবে হোক শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকুক। বিরোধী দলের ওপর ভয়াবহ ও অকথ্য দমনপীড়ন যে মাত্রায় গিয়ে পৌঁছেছে, নির্লজ্জ না হলে কেউই তাকে সমর্থন করতে পারে না। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো চায় সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী ইসলামপন্থী রাজনীতি কোনোভাবেই যেন বাংলাদেশে আশ্রয়-প্রশ্রয় না পায়। কিন্তু গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে তাদের উৎখাত ও নির্মূল করার মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীনরা ইসলামপন্থীদের এই সংকেতই দিয়েছে যে, বাংলাদেশের বর্তমান লড়াই একই সঙ্গে ইসলাম রক্ষার লড়াই। গণতন্ত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সভা-সমাবেশের অধিকার স্বীকার করে, ইসলামপন্থীদের ক্ষেত্রে তা অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে নাগরিক ও মানবিক অধিকারের আন্তর্জাতিক নীতি ভঙ্গ করা। ইসলামপন্থীরা তাদের নাগরিক ও মানবিক অধিকার হরণ করাকে তাদের ঈমান-আকিদা রক্ষার বিপদ হিসেবেই দেখছে। অথচ উদার রাজনৈতিক পরিমণ্ডল বহাল রেখে অধিকাংশ সমস্যারই সুষ্ঠু সমাধান খুবই সম্ভব ছিল। উদার রাজনৈতিক পরিবেশে ইসলামপন্থীদের গণতান্ত্রিক বিধিবিধান মেনে রাজনীতি করার সুযোগ বন্ধ করা মূলত উদারনৈতিক রাজনীতির জন্য মারাত্মক আÍঘাতী হয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা ও তার সমর্থকদের সেটা বোঝার সময় নেই। তিনি বিএনপিকে নির্মূল করতে চান, আঠারো দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট ও অন্যান্য ইসলামপন্থী দল। তিনি তাদেরও নির্মূল করতে চান। হেফাজতে ইসলাম তার কাছে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। কিন্তু এরা কেউই রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ নয়। তারা কারও চেয়ে এই দেশকে কম ভালোবাসেন না। আমরা দেখছি কিভাবে ভোটের অধিকার চাওয়ার নিরীহ বুর্জোয়া নির্বাচনী রাজনীতি দিল্লির আগ্রাসন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং জনগণের ঈমান-আকিদা রক্ষার লড়াইয়ে চোখের সামনে পরিণত হচ্ছে। আসলে এ লড়াই জনগণের সার্বোভৌমত্ব রক্ষার লড়াই। আমরা চাই বা না চাই, সে জায়গাতেই শেখ হাসিনা এ সংগ্রামকে ঠেলে দিয়েছেন। অল্প কিছু মানুষ আগে দিল্লির ভূমিকার কথা বলত। কিন্তু রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে এখন সাধারণ মানুষের কাছে শেখ হাসিনা সেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।
আমাদের উচিত ছিল সামাজিক ও রাজনৈতিক সংলাপের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আলোচনা ও তর্ক-বিতর্ক একটি সমাজের শক্তির লক্ষণ। আমরা তর্ক করতে পারি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র কিভাবে গঠিত হলে তা নাগরিক ও মানবিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে পারবে? রাজনীতিতে ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মের ভূমিকা কিভাবে নিশ্চিত করা গেলে আমরা শক্তিশালী রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্বসভায় মাথা তুলে ইজ্জতের সঙ্গে দাঁড়াতে পারব? আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থায় বহুপাক্ষিক সম্পর্ক রচনাকে গৌণ করে টিকফা জাতীয় দ্বিপাক্ষিক চুক্তি কেন অর্থনৈতিক বিকাশ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য আত্মঘাতী? কেন আমাদের শক্তিশালী সেনাবাহিনী দরকার এবং সৈনিকতার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে গড়ে তোলা ছাড়া বৈরী প্রতিবেশী পরিবেষ্টিত হয়ে কেন আমরা টিকে থাকতে পারব না? কেন শক্তিশালী সীমান্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া আমরা আমাদের নাগরিকদের কুকুর-বিড়ালের মতো গুলি করে হত্যা বন্ধ করতে পারব না? ইত্যাদি আমাদের জাতীয় প্রশ্ন। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে এ ধরনের প্রশ্ন জড়িত। এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মীমাংসা না করে আমরা চিৎকার করছি, বদলে যাও বদলে দাও। এতে কী বদলাবে? কে বদলাবে? আর এখন গরিব ও মেহনতি মানুষদের দেখিয়ে বলছি- ‘আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ...!’ আর কিনা বলছে তারাই যারা কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষা করে। এই স্ববিরোধিতা নিয়ে রাজনৈতিক দলের সমালোচনা হাস্যকর। আবারও বলছি, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিরাজনীতিকরণের রাজনীতি আমরা চিনতে পারি। দেশের মানুষকে বোকা ভাবা ঠিক নয়। এই আÍঘাতী পথ পরিহার করা দরকার। যারা নগ্নভাবে ক্ষমতাসীনদের পক্ষাবলম্বন করেছে সেসব গণমাধ্যমের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। আমি তাদেরই সমালোচনা করছি, যারা নিরপেক্ষভাবে উদার রাজনৈতিক পরিবেশ রক্ষার মধ্য দিয়ে এখনও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 01
(9)
- Palestinian territories & Dome of the Rock @Al-Aqs...
- নৃশংসতা- ছাত্রলীগের রোষে প্রাণ গেল পথচারী বিশ্বজিতের
- ভোটের অধিকার, মৃত্যুর দায়ভার
- প্যারিস সম্মেলনের আগে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর করণীয় b...
- এক মত দুই পথ
- আমার ময়না প্রকল্প শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছিল... by ...
- ‘আবার তোরা মানুষ হ’
- রাজনীতির বিকল্প নেই by ফরহাদ মজহার
- থাইল্যান্ডে আগাম নির্বাচন নাকচ
-
▼
Dec 01
(9)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment