Friday, March 20, 2026
ট্রাম্প কেন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে শেষ হতে দিলেন by স্টিফেন হোমস
ট্রাম্প কেন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে শেষ হতে দিলেন by স্টিফেন হোমস
এটি শুধু নীতিগত ভুল নয়; এর পেছনে আছে ট্রাম্পের চিন্তাভাবনা। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান খুব মূল্যবান কিছু নয়, বরং অনেক সময় তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁর কাছে কূটনীতি মানে ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে তোলা নয়; বরং আলাদা আলাদা দর-কষাকষি, যেখানে কে কতটা চাপ দিতে পারে, সেটাই আসল।
তাই ট্রাম্প জটিল আন্তর্জাতিক সমস্যা সামলাতে অভিজ্ঞ কূটনীতিকদের বদলে স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের মতো তুলনামূলক অনভিজ্ঞ লোকদের পাঠাতে দ্বিধা করেননি। তাঁর দৃষ্টিতে আগের আলোচনার ইতিহাস না জানা দুর্বলতা নয়, বরং সুবিধা।
ট্রাম্পের ব্যবসায়িক জীবনের দিকেও তাকালে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। ঠিকাদার ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে তাঁর শত শত অর্থ-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। তাঁর সাবেক সহযোগীরা বলেন, তিনি প্রায়ই প্রথমে কঠোরভাবে চুক্তি করতেন, পরে কাজ শেষ হওয়ার পর আবার দর-কষাকষি করতেন। এতে অপর পক্ষকে কম টাকায় রাজি হতে হতো, না হলে ব্যয়বহুল মামলায় জড়াতে হতো। চুক্তি আইনবিশেষজ্ঞরা একে বলেন ‘সুনাম বিক্রি করে দেওয়া’, অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখার বদলে তা খরচ করে তাৎক্ষণিক লাভ তুলে নেওয়া।
এই একই মানসিকতা ট্রাম্পের জোট-রাজনীতিতেও দেখা যায়। ট্রাম্প বারবার বলেছেন, ইউরোপীয় মিত্রদের মার্কিন সুরক্ষার জন্য ‘টাকা দিতে হবে’। এমনকি তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ন্যাটোর নিয়ম না মানলে রাশিয়া যেন তাদের সঙ্গে ‘যা খুশি তা–ই’ করতে পারে। এটি প্রচলিত দায়িত্ব ভাগাভাগির কূটনীতি নয়; বরং চাঁদাবাজির মতো শোনায়।
ট্রাম্প মাফিয়াপ্রধানের মতো আচরণ করেন না, কিন্তু সমস্যাটা হলো তিনি নিজের কথাও সব সময় রাখেন না। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ালে আমেরিকা তাদের সুরক্ষা দেবে। কিন্তু একই সঙ্গে এমন কথা বলেন বা আচরণ করেন, যাতে তারা সন্দেহ করে—যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই ন্যাটোর প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি মানবে কি না। ফলে ব্যাপারটা এমন দাঁড়ায়—টাকা নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু সুরক্ষার নিশ্চয়তা স্পষ্ট নয়।
এভাবে প্রতিশ্রুতি ভেঙে কখনো কখনো লাভ করা যায়, তবে সেটা বিশেষ পরিস্থিতিতে। যখন লেনদেন একবারের জন্য হয়, ভবিষ্যতে আবার সম্পর্ক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, আর আগের আচরণের খবর সহজে ছড়ায় না, তখন এটা কাজ করতে পারে। ট্রাম্পের ব্যবসা ছিল এমনই—এক শহরে হোটেল, অন্য শহরে ক্যাসিনো, অন্য কোথাও লাইসেন্সিং চুক্তি। তাই এক জায়গার সুনাম নষ্ট হলেও অন্য জায়গায় নতুনভাবে শুরু করা যেত।
কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতি এমন নয়। দেশগুলোর সম্পর্ক বারবার হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলে। তারা একে অপরের আচরণ লক্ষ করে, তথ্য সংগ্রহ করে এবং অতীতের অভিজ্ঞতা মনে রাখে। এখানে সুনাম শুধু এক দেশের কাছে নয়, সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। একটি দেশ যদি একটি চুক্তি ভাঙে, ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোও সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রাখে।
এ কারণেই নিউ স্টার্ট চুক্তি শেষ হওয়া শুধু যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার ব্যাপার নয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ একে অপরকে সরাসরি পরিদর্শন করত, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য দিত, কোথায় কী সরানো হচ্ছে তা আগে জানাত। এতে অনিশ্চয়তা কমত। পারমাণবিক কৌশলে অনিশ্চয়তা কমানো অনেক সময় অস্ত্র কমানোর চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যাচাই-বাছাইয়ের এই ব্যবস্থাগুলোই আসলে ভবিষ্যতে দেওয়া প্রতিশ্রুতিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
যখন যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা ভেঙে যায়, তখন জায়গা নেয় সন্দেহ। পারমাণবিক কৌশলে এই সন্দেহ দ্রুত বাড়তে থাকে। দুই পক্ষই ধরে নেয়—অন্য পক্ষের সামর্থ্য ও উদ্দেশ্য হয়তো সবচেয়ে খারাপ। তখন তারা নিজেদের নিরাপত্তা বাড়াতে চায়; আরও বেশি ওয়ারহেড মোতায়েন করে, সতর্কতা বাড়ায়, নতুন অস্ত্র বানানো বা পুরোনো অস্ত্র আধুনিক করার গতি বাড়ায়। ফলে অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়। অনেক সময় এটা আগ্রাসী মনোভাব থেকে নয়; বরং তথ্যভিত্তিক বিশ্বাস ভেঙে পড়ার ফলেই ঘটে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে নিরাপত্তাকাঠামো গড়ে উঠেছিল, তার প্রধান শক্তি যদি নিজেই এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব না দেয়, তাহলে অন্য দেশগুলোও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনার বদলে স্বল্পমেয়াদি চিন্তা শুরু করে। এতে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ভবিষ্যৎ–মুখী থাকে না। দেশগুলো হঠাৎ বেপরোয়া হয়ে যায় না; বরং দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ও সংযমের ভিত্তিটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।
এর মূলে আছে ‘রাজনৈতিক সময়’ নিয়ে ভিন্ন ধারণা। বিষয়টি এই নয় যে কেউ ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে আর কেউ ভাবে না; বরং ভবিষ্যৎকে কীভাবে দেখা হয়, সেটাই আসল।
‘প্রাতিষ্ঠানিক সময়’ ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। এতে লাগে অভিজ্ঞতা, যাচাই ব্যবস্থা, জোট ও অতীতের স্মৃতি। বিশ্বাস তৈরি হয় সময় নিয়ে এবং সরকার বদলালেও তা টিকে থাকে।
অন্যদিকে ‘পর্বভিত্তিক সময়’ হলো লেনদেনকেন্দ্রিক। এখানে আলোচনা মানে একেকটি আলাদা ঘটনা, যা অতীতের সঙ্গে খুব বেশি যুক্ত নয় এবং ভবিষ্যতের প্রতিও খুব দায়বদ্ধ নয়। সাফল্য মাপা হয় তাৎক্ষণিক ফল দিয়ে, দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব দিয়ে নয়। ট্রাম্প যখন বলেন, তিনি এক দিনেই যুদ্ধ শেষ করবেন—এটা শুধু বাড়াবাড়ি কথা নয়; এতে বোঝা যায়, তিনি ভবিষ্যৎকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা প্রক্রিয়া হিসেবে দেখেন না।
ডিলমেকারের এই চিন্তাধারা স্বভাবতই পর্বভিত্তিক। এখানে প্রতিপক্ষকে গভীরভাবে জানা কোনো শক্তি নয়, বরং বাড়তি ঝামেলা। আগের চুক্তিগুলোর সীমাবদ্ধতা বোঝাও বাস্তবতা নয়, দুর্বলতা বলে মনে হয়। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি ভবিষ্যৎ গড়ার উপায় না হয়ে অতীতের বোঝা বলে মনে হয়।
কিন্তু পারমাণবিক স্থিতিশীলতা এভাবে চলে না। এটি নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ম, আস্থা ও পূর্বানুমেয় আচরণের ওপর। শুধু অস্ত্রের সংখ্যা নয়, ভবিষ্যতে সেই অস্ত্র কীভাবে ব্যবহার বা পরিবর্তন হতে পারে—তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকাও জরুরি। যাচাই ব্যবস্থা ভেঙে গেলে শুধু নিয়ন্ত্রণ কমে না; একে অপরকে বোঝার যৌথ ভিত্তিটাও নষ্ট হয়। তখন সবাই ধরে নেয়—অন্য পক্ষের উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ। সবচেয়ে খারাপ ধারণাই স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয়।
ডিলমেকারের যুক্তি হলো একটি আলোচনা ব্যর্থ হলে অন্য কারও সঙ্গে নতুন করে শুরু করা যাবে। কিন্তু পারমাণবিক কৌশলে এমন সুযোগ নেই। এখানে নতুন বাজার নেই, নতুন প্রতিপক্ষ নেই, আর ভয়াবহ ভুল হলে দ্বিতীয়বার ঠিক করার সুযোগও নেই।
নিউইয়র্কের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় একসময় এই কৌশলের সীমা ধরা পড়েছিল। ঠিকাদার, ব্যাংক ও সরবরাহকারীরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যবসা করতে অস্বীকার করেন। তখন সুনামের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কিন্তু মার্কিন ভোটারদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। তারা দুবার এমন একজনকে প্রেসিডেন্ট বানিয়েছেন, যার ব্যবসায়িক ধরনই ছিল অন্যের আস্থা ভেঙে লাভ করা। এর ফল কতটা ক্ষতিকর হবে, তা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে। তবে নিউ স্টার্ট চুক্তির শেষ হওয়া একটি বিষয় পরিষ্কার করেছে—প্রতিশ্রুতি ভাঙার এই প্রবণতা শুধু আমেরিকার অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়; এটি পুরো বিশ্বের জন্য ঝুঁকির।
৫০ বছরের বেশি সময় পর এই প্রথম প্রায় ৮ হাজার পারমাণবিক অস্ত্র দুই দেশের কাছে আছে; কিন্তু সেগুলোর ওপর এখন কোনো বাধ্যতামূলক সীমা নেই, ঠিকমতো যাচাই করার ব্যবস্থাও নেই।
ভাবলে ভয় লাগে—দশকের পর দশক ধরে যে পারমাণবিক ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা গড়ে উঠেছিল, তা খুব অল্প সময়েই ভেঙে যেতে পারে, যদি কোনো নেতা মনে করেন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা দুর্বলতার চিহ্ন।
* স্টিফেন হোমস, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অব লর আইন বিভাগের অধ্যাপক
- স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1406)
-
▼
March
(202)
-
▼
Mar 20
(8)
- ইরান যুদ্ধ: ব্রিটেনকে বুঝতে হবে তারও শত্রু এখন ট্র...
- পাকিস্তানকে চীন-রাশিয়ার সারিতে রেখে ‘ভয়ংকর’ তথ্য দ...
- ইরানে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ যেভাবে ভূরাজনীতির মোড় ঘুর...
- ট্রাম্প কেন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে শেষ হতে দ...
- যশোরে এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন দেড় হাজারেরও বেশি ম...
- গলার চেইন ‘ছিনিয়ে নিতে’ শিশু হত্যা, লাশ লুকানো হয় ...
- বিড়ালকে খাবার খাইয়ে দুই সপ্তাহে আয় ২৮ লাখ টাকা
- ইরান যুদ্ধে না জড়িয়েও চড়া মূল্য দিতে হবে ইউরোপকে b...
-
▼
Mar 20
(8)
-
▼
March
(202)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment