Monday, May 26, 2025
অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, না দেশের ব্যর্থতা by জিয়াউদ্দিন চৌধুরী
অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, না দেশের ব্যর্থতা by জিয়াউদ্দিন চৌধুরী
বিখ্যাত স্কটিশ লেখক উইলিয়াম ব্যারি তাঁর উপন্যাসে ‘পিটার প্যান’ নামের একটি চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন। সেই চরিত্র সব সময় শিশুর মতো ব্যবহার করত। তার আশপাশের সবাই পরিপক্ব হলেও সে চিরকাল বালখিল্য ব্যবহার করে মানুষকে আমোদ দিত।
‘পিটার প্যান’ চরিত্রটি পরে ইংরেজি ভাষায় ব্যবহার করা হয় এমন একজন ব্যক্তির বর্ণনা দিতে, যিনি পরিপক্বতাতেও বড় হতে চায় না। মানুষটি চিরকাল অপরিপক্ব থেকে যায়, যে দুই বছরের শিশুর মতো আচরণ করে। এই মানুষগুলো কখনোই শৈশবের অহংকেন্দ্রিক, আত্মকেন্দ্রিক, অপরিণত পর্যায় অতিক্রম করতে পারে না।
আমি এই উপসর্গকে একটি দেশ বা জাতিকে বর্ণনা করার জন্য প্রসারিত করতে পারি, যদি এটি বর্ণনার সঙ্গে খাপ খায়।
আমি আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশের জন্য এই উপমা টানতে বাধ্য হচ্ছি। সমাজের অবস্থা দেখে মনে হয় না কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি দেশে আছে। যে যার খুশিমতো আন্দোলন চালাচ্ছে। তার দাবি নিয়ে হয় অফিস ঘেরাও করছে কিংবা রাস্তা অবরোধ করছে, তার অধিকর্তা কিংবা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের অপসারণ চাইছে। তাদের কাছে নিজের চাওয়া সবচেয়ে জরুরি, যা এখনই সমাধান করতে হবে। তা না হলে সে ঘেরাও ছাড়বে না, রাস্তায় কাউকে চলতে দেবে না, দরকার হলে আমৃত্যু অনশন করতেও রাজি।
মানুষের আচরণ থেকে বোঝা যায় না যে এটি এমন একটি দেশ, যার বয়স ৫৫ পার হতে চলেছে আর দেশের জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক মধ্যবয়স পেরিয়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আচরণ সেই ‘পিটার প্যান’ চরিত্রের মতো, তারা এত বছরেও বদলাতে পারেনি। প্রতিটি দাবির জন্য তারা তাৎক্ষণিক সন্তুষ্টি চায়। এ দাবির ব্যাপারে কেউ কম যায় না।
ছাত্র, সরকারি কর্মচারী, পুলিশ, ব্যবসায়ী, পরিবহনশ্রমিক এবং তারপর রাজনীতিবিদেরা যে দাবিগুলো উত্থাপন করেছেন, তার উদাহরণ নিন।
দেশ একটি বিশাল আন্দোলনের ময়দানে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রায় প্রতিটি গোষ্ঠী নিয়ত বিক্ষোভ জানাচ্ছে আর তাদের নালিশের তাৎক্ষণিক সমাধান চাইছে। তারা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত নতিস্বীকার করবে না। এটা হয়তো থামত, কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে অনেক ক্ষেত্রে তারা জয়ী হয়েছে এবং তারপর অন্যান্য অসন্তুষ্ট অংশের কাছ থেকে নতুন দাবি উত্থাপিত হচ্ছে। এ এক অন্তহীন চক্র। কিন্তু কীভাবে এবং কখন এটি শুরু হয়েছিল?
৯ মাস আগে ছাত্রদের দ্বারা শুরু হওয়া ব্যাপক বিক্ষোভ আমাদের ইতিহাসের এক অন্যতম রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছিল, যার ফলে একটি অত্যন্ত অজনপ্রিয় সরকার এবং এর সমানভাবে অজনপ্রিয় নেতাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল। কিন্তু ৯ মাস আগের অস্থিরতা এখনো শেষ হয়নি। দুর্নীতিগ্রস্ত ও অত্যাচারী শাসনের পতনে যে গণস্বস্তি ও আনন্দ উদ্যাপন করা হয়েছিল, তা হয়ে গেল ক্ষণস্থায়ী।
দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে থাকা জনগণের আশা ছিল, দেশ এক নতুন পথে যাবে। এর পাশাপাশি আরও একটি আশা ছিল, স্বৈরাচারী শাসনের শিকার জনগণ দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ফিরিয়ে আনার যত্ন নেবে।
নিজেদের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে অন্যের অধিকারের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হবে।
ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সরকারি ও বেসরকারি ক্যাডারদের মতো নতুন কোনো জুলুমবাজ দল গড়তে দেবে না। অন্তত আন্দোলনের প্রথম দিকে মানুষের আশা তা–ই ছিল।
কিন্তু আমাদের তরুণদের আন্দোলনের পর দেশ ও জনগণের আচরণে পরিবর্তন আশা করা গেলেও শেষ পর্যন্ত সব শ্রেণির মানুষকে সম্পৃক্ত না করতে পারলে দেশকে আইনের শাসন ও শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না।
এর মূল কারণ, এ পর্যন্ত আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার—যার সঙ্গে কিছু তরুণ আন্দোলনকারীও জড়িত—তারা দেশের অস্থিরতাকে এখনো দূর করতে পারছে না। তা নিজেদের মধ্যে মতবিভেদের জন্য হোক কিংবা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিরোধের জন্য হোক।
এটা ঠিক যে আগস্টের সরকার পরিবর্তন কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে ছিল না, বরং এটা ছিল একটা গণ-আন্দোলনের পরিবর্তন। যেহেতু এ ধরনের আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রথমে বিক্ষিপ্ত থাকে, তাই আইনশৃঙ্খলা স্থাপনে সরকারকে বেগ পেতে হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জরুরি কাজ প্রথম দিকে বিঘ্নিত হয়। কিন্তু যখন একটি সরকার নিয়মমাফিক গঠিত হয় ও অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নেয়, তখন দেশ আশা করে যে এই নতুন সরকার জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা মেটাতে তৎপর হবে যত দিন তারা এ দায়িত্বে আছে।
এই মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম দেশে আইনশৃঙ্খলা স্থাপন, মানুষের মৌলিক অধিকার, অর্থাৎ জানমালের নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে চলাফেরা এবং নিজের অধিকারের সঙ্গে অন্যের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানোর নিশ্চিত করা।
কিন্তু কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নেতৃত্বের পরিবর্তন হলেও এই মৌলিক অধিকারগুলো সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়েনি। আমরা বুঝতে পারি, বছরের পর বছর ধরে চাপা পড়ে থাকা অভিযোগগুলো ভুক্তভোগী গোষ্ঠী থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণের কারণ হতে পারে এবং আমরা জুলাই আন্দোলনের পরে প্রথম কয়েক সপ্তাহে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে নিষ্ক্রিয়তা দেখেছি।
এই জড়তা এমন একটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে এসেছিল, যা এত দিন একটি দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্বের অধীন কাজ করে আসছিল। তবে আমরা আশা করেছিলাম, অন্তর্বর্তী সরকার স্থিতিশীল হলে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।
দুর্ভাগ্যবশত আগের সরকার চলে যাওয়ার প্রায় ৯ মাস পরও সেই স্থিতিশীলতার মুহূর্ত দেখা যাচ্ছে না। এই অস্থিতিশীলতায় অবদান রাখছে এমন ঘটনা বা যেসব গোষ্ঠী, যাদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ আছে বলে মনে হয় না। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের অপসারণের জন্য চিৎকার করে এবং দাবি পূরণের জন্য সামান্যতম অজুহাতে তাদের রাস্তায় নেমে যায়।
চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে চান বা রাস্তা অবরোধ করে তাঁদের ওপরওয়ালাকে অফিস থেকে সরিয়ে দিতে চান। অতি সম্প্রতি তরুণদের দ্বারা গঠিত একটি রাজনৈতিক দল তাদের দাবির তাৎক্ষণিক সমাধানের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে।
সর্বশেষ উদাহরণ, সরকারি কর্মকর্তাদের একটি অংশ কাজ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (এটিকে কলমবিরতি বলছে), কারণ তারা একটি সরকারি সংস্থাকে দ্বিখণ্ডিত করার সরকারি সিদ্ধান্তকে অনুমোদন করে না।
আমরা আমাদের কিছু জনগণের কর্মকাণ্ডকে শিশুসুলভ বলতে পারি, কিন্তু একে নিয়ন্ত্রণ করার এবং এ ব্যবহার বন্ধ করার জন্য কি কোনো প্রাপ্তবয়স্ক নেই সরকারে?
সমস্যার মূলে আমি এখন যা দেখছি, বর্তমান সরকারের কোনো আদেশ নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী (ইংরেজিতে কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল) নেই। সরকারের শীর্ষে থাকা ব্যক্তিরা হয়তো রাজনীতিতে অভিজ্ঞ নন, কিন্তু তাঁরা খ্যাতিমান সংগঠন পরিচালনায় অভিজ্ঞ ব্যক্তি। তাঁদের জানা উচিত, সরকার পরিচালনা করা সবাইকে খুশি করা নয়।
প্রশাসন পরিচালনার জন্য প্রয়োজন দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা ও আইনের প্রয়োগ। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জন্য দায়িত্ব নেওয়াও প্রয়োজন। এই দায়িত্বের ব্যর্থতা শুধু সরকারপ্রধানের ওপর বর্তায় না, যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যিনি আছেন, প্রথমত তাঁর ওপর বর্তায়। সরকারপ্রধান সেই ব্যক্তি নন, যাঁর কাছে সব বিক্ষোভকারীকে প্রতিটি দাবি আদায়ের জন্য দৌড়াতে হবে। একইভাবে সব প্রতিবাদ রাস্তা অবরোধ ও অফিসের কার্যক্রম বন্ধের মাধ্যমে প্রদর্শন করার জন্য নয়। মানুষের অভিযোগ প্রকাশের অধিকার আছে, কিন্তু তা অন্যের চলাফেরার অধিকারে বাধা সৃষ্টি করার লাইসেন্স দেয় না।
দুর্ভাগ্যবশত দেশের বর্তমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ইঙ্গিত দেয় না যে এগুলো শিগগিরই শেষ হতে চলেছে। কারণ, এখন পর্যন্ত সব মহলে বিরাজ করা বিভ্রান্তি নিরসনে সমন্বিত প্রচেষ্টার কোনো নজির আমরা দেখিনি। আমরা জানি, সচেতন জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চায় না সরকার। কিন্তু সেই স্বাধীনতা দেশকে নৈরাজ্যে পরিণত করুক, এটা কেউ চায় না। এ স্বাধীনতা ক্রমেই মানবাধিকারের প্রথম নীতি, যা অন্যের অধিকারের আনুগত্য এবং সম্মান করাকে লঙ্ঘন করছে।
আমাদের যুবকেরা একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ভূমিকায় ছিল। কিন্তু দেশকে আইনের শাসন দিতে ব্যর্থ একটি সরকারকে অপসারণের তাদের আন্দোলনের সাফল্য অচিরেই বাষ্পীভূত হয়ে যাবে, যদি বর্তমান অচলাবস্থা শিগগিরই শক্ত হাতে শেষ করা না যায়। বিক্ষোভ ও সমাবেশ শুরু হওয়ার আগে যাঁরা সেই সংস্থাগুলো পরিচালনা করছেন, তাঁরা থামাতে পারতেন বা পারেন, যদি তাঁরা এ সংস্থাগুলোর সমস্যা আগে থেকে চিহ্নিত করতে পারেন এবং তা সুরাহার জন্য প্রথমে নিজেরা এবং না পারলে তাঁর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে যান। সরকারের উচিত এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনাকে দায়িত্ব দেওয়া। তাদের রাস্তায় নামার দরকার নেই। যদি তারা সমস্যাগুলো সমাধান করতে না পারে, তবে সে ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করা দরকার।
এসব প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা দরকার। রাস্তাঘাট নিরাপদ করা দরকার, এগুলো সমাবেশের জায়গা নয়। পরিশেষে প্রত্যেক আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা দরকার। সরকারি–বেসরকারি যে–ই হোক।
শুধু আইন প্রয়োগ করে হয়তো আমরা একশ্রেণির মানুষের বালখিল্য ব্যবহার বন্ধ করতে পারব না। তবে দেশের মানুষের সার্বিকভাবে মানসিক পরিপক্বতার জন্য আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও সামগ্রিকভাবে মানসিক পরিবর্তন দরকার। তাদেরও পরিপক্বতার প্রয়োজন। চাইলেই আজ ক্ষমতা হাতে আসবে, সেটা ঠিক নয়। জনগণ সেটা দেবে, যখন আপনাদের তারা উপযুক্ত মনে করবে। আশা করছি, আমাদের শিশুসুলভতা দূর হবে সবার ইচ্ছা থাকলে।
* জিয়াউদ্দিন চৌধুরী সিভিল সার্ভিসের সাবেক কর্মকর্তা
| দেশ একটি বিশাল আন্দোলনের ময়দানে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রায় প্রতিটি গোষ্ঠী নিয়ত বিক্ষোভ জানাচ্ছে আর তাদের নালিশের তাৎক্ষণিক সমাধান চাইছে। ছবি : প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
May
(344)
-
▼
May 26
(9)
- সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর খুন
- তাজমহলের সুরক্ষায় বসছে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম
- ইসরায়েলের চেষ্টায় থামবে না ইরানের পারমাণু কর্মসূচি...
- পাক-ভারতের দুই হায়দরাবাদ, দুই বেকারি, দুই রকম ভাগ্য
- আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করলো ইসরাইল: গাজ...
- অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, না দেশের ব্যর্থতা by...
- গাজার ৭৭ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইসরায়েল
- আমেরিকাকে বাদ দিয়েই ইউরোপকে চলতে হবে by জোশকা ফিশার
- ভারতের মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেওয়া নতুন ‘যুদ্ধ’ by...
-
▼
May 26
(9)
-
▼
May
(344)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment