Monday, August 3, 2015
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০: প্রয়োগ ও কার্যকারিতা
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০: প্রয়োগ ও কার্যকারিতা
৯
জুলাই ২০১৫, প্রথম আলোর আয়োজনে ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও
সুরক্ষা) আইন ২০১০: প্রয়োগ ও কার্যকারিতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে
প্রকাশিত হলো।

আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: আমাদের আজকের বিষয়
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০-এর প্রয়োগ ও
কার্যকারিতা। আমরা এ বিষয়ে কত দূর অগ্রসর হতে পেরেছি, আমাদের সমস্যা
কোথায়, এই আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে আমরা আর কী কী করতে
পারি—এসব বিষয়েই আমরা আজ আলোচনা করব।
একটা সময়ব্যাপী অনেক নারী সংগঠন, বেসরকারি সংগঠন এ নিয়ে
আন্দোলন করেছে। শেষ পর্যন্ত ২০১০ সালে এই আইনটি হয়। তারপরও অনেক দিন আইনটি
সুপ্ত অবস্থায় ছিল, সংশ্লিষ্ট বিধি প্রণয়ন করতে বেশ কিছুটা সময় লেগে গেছে।
২০১১ সালে বিবিএস অর্থাৎ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর
একটি জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, দেশের ৮৭ শতাংশ বিবাহিত নারী কোনো না
কোনোভাবে পরিবারে স্বামী বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের দ্বারা নির্যাতনের শিকার
হয়েছেন, আর ৮০ শতাংশ নারী মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব বিষয় আজকের
আলোচনায় আসবে। এখন আলোচন করবেন আবুল হোসেন।
আবুল হোসেন
ভারতে
২০০৫ সালে এ রকম একটা আইন প্রণীত হয়। এরপর আমাদের দেশেও এমন একটি আইন
প্রণয়নের ব্যাপারে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি আসতে থাকে। তখন এ লক্ষ্যে একটি
জোটও গঠন হয়, পারিবারিক সহিংসতা রোধে নাগরিক জোট। এরপর সেই জোট আর
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা এই আইনের
খসড়া প্রণয়ন করি। বর্তমান মাননীয় স্পিকার তখন মহিলা ও শিশুবিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। সে সময় তিনি এই আইন প্রণয়নকেই তাঁর
অগ্রাধিকার হিসেবে ঠিক করেন। এরপর সব প্রক্রিয়া শেষ হলে ২০১০ সালে সংসদে
আইনটি পাস হয়।
তবে আইনটির বিধি প্রণয়ন করতে আরও তিন বছর লেগে যায়। তিনটি সংস্থা মূলত এই আইনটি নিয়ে কাজ করে। প্রথমত, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আইনটির প্রয়োগকারী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। দ্বিতীয়ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তারা কাজ করেন, তৃতীয়ত, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও (এনজিও) এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
কোন এনজিওগুলো কাজ করবে, আমরা তাদের তালিকা গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। আর বিধিতে যে রেজিস্ট্রারের কথা বলা হয়েছে, সেটা আমরা করে ফেলেছি। আমরা আবেদন ফরম ছাপিয়েছি, যেখানে অভিযোগকারীর কথা লিপিবদ্ধ করা হবে। আমরা এই ফরমটি প্যাড আকারে ছাপিয়ে ৬৪টি জেলার প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।
পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তথ্য সংরক্ষণের রেজিস্ট্রার দেশের সব থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি। ফলে এখন কেউ চাইলে মামলা করতে পারবেন, আগে যে জটিলতা ছিল, সেটা আর এখন নেই। পিএইচআর ও বিএনডব্লিউএলকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ, তারা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাদের এই আইন ও তার প্রয়োগের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
তবে আইনটির বিধি প্রণয়ন করতে আরও তিন বছর লেগে যায়। তিনটি সংস্থা মূলত এই আইনটি নিয়ে কাজ করে। প্রথমত, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আইনটির প্রয়োগকারী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। দ্বিতীয়ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তারা কাজ করেন, তৃতীয়ত, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও (এনজিও) এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
কোন এনজিওগুলো কাজ করবে, আমরা তাদের তালিকা গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। আর বিধিতে যে রেজিস্ট্রারের কথা বলা হয়েছে, সেটা আমরা করে ফেলেছি। আমরা আবেদন ফরম ছাপিয়েছি, যেখানে অভিযোগকারীর কথা লিপিবদ্ধ করা হবে। আমরা এই ফরমটি প্যাড আকারে ছাপিয়ে ৬৪টি জেলার প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।
পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তথ্য সংরক্ষণের রেজিস্ট্রার দেশের সব থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি। ফলে এখন কেউ চাইলে মামলা করতে পারবেন, আগে যে জটিলতা ছিল, সেটা আর এখন নেই। পিএইচআর ও বিএনডব্লিউএলকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ, তারা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাদের এই আইন ও তার প্রয়োগের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্টদের জন্য পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠানেরও
আয়োজন করেছে। আমার কথা হচ্ছে সরকার আইন করেছে। এখন বড় এনজিওগুলো
দায়িত্ব নিলে মানুষ আইনটি সম্পর্কে জানতে পারবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো
একসঙ্গে বসে আইনের দুর্বলতা খুঁজে বের করতে পারে।
ফারহানা আফরোজ
শুরুতে
প্রটেক্টিং হিউম্যান রাইটস প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেওয়া দরকার। এটি একটি
পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্প। এর লক্ষ্য হচ্ছে কর্ম এলাকায় পারিবারিক সহিংসতার
উচ্চহার কমিয়ে আনা। এটি বাংলাদেশের ছয়টি জেলার আটটি উপজেলার ১০২টি ইউনিয়নে
বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০১০ সালের আগে পারিবারিক সহিংসতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য
করা হতো না। আমাদের লক্ষ্য ছিল, আইনটি বাস্তবায়নে কাজ করা। এর সঙ্গে যঁারা
সংশ্লিষ্ট আছেন, তঁাদের দক্ষতা বাড়ানো ও আইনটি বাস্তবায়নে তঁাদের
সংবেদনশীল করে তোলা।
আমরা যখন কাজ শুরু করি, তখন কর্ম এলাকার নারীরা অভিযোগ নিয়ে আমাদের কাছে তেমন একটা আসতেন না। প্রথম বছর ইউনিয়ন পর্যায়ে মাত্র ২৫৬ জন নারী অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন, আর আজ চার বছর পর সেই সংখ্যা ৫৪ গুণ বেড়েছে, সাড়ে ১৩ হাজার নারী আমাদের কাছে তঁাদের অভিযোগ জানিয়েছেন।
আমরা তঁাদের আইনি সহায়তা প্রদান করেছি। যেসব নারী সন্তানসহ পরিবার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন, আমরা তঁাদের সুরক্ষাসহ ভরণপোষণ লাভ করতে সহায়তা করেছি। তালাকের পর নারীরা তঁাদের মালামাল নিয়ে যেতে পারতেন না, আমরা এখন তঁাদের সেই মালামাল উদ্ধার করতে সহায়তা করছি।
এই আইন সে ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পেরেছে। পাশাপাশি এই আইনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে বিচারকদের অবারিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফলে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
আমরা যখন কাজ শুরু করি, তখন কর্ম এলাকার নারীরা অভিযোগ নিয়ে আমাদের কাছে তেমন একটা আসতেন না। প্রথম বছর ইউনিয়ন পর্যায়ে মাত্র ২৫৬ জন নারী অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন, আর আজ চার বছর পর সেই সংখ্যা ৫৪ গুণ বেড়েছে, সাড়ে ১৩ হাজার নারী আমাদের কাছে তঁাদের অভিযোগ জানিয়েছেন।
আমরা তঁাদের আইনি সহায়তা প্রদান করেছি। যেসব নারী সন্তানসহ পরিবার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন, আমরা তঁাদের সুরক্ষাসহ ভরণপোষণ লাভ করতে সহায়তা করেছি। তালাকের পর নারীরা তঁাদের মালামাল নিয়ে যেতে পারতেন না, আমরা এখন তঁাদের সেই মালামাল উদ্ধার করতে সহায়তা করছি।
এই আইন সে ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পেরেছে। পাশাপাশি এই আইনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে বিচারকদের অবারিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফলে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
তৌহিদা খন্দকার
পারিবারিক
সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০-এর প্রয়োগ ও কার্যকারিতা নিয়ে
আমি একটি উপস্থাপনা পেশ করছি। এই আইনটি হওয়ার আগে সাধারণ আইনজীবীরা নারী ও
শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলাগুলো করতেন। এতে পরিবারে আরও বেশি সমস্যা
সৃষ্টি হতো। কারণ, ওই আইনে মামলা হলে ৬০ দিনের মধ্যে জামিন পাওয়ার সুযোগ
ছিল না।
আর দেখা যেত, পরিবারের প্রায় সবাইকে, এমনকি যারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না, তাদেরও আসামি করা হতো। ফলে নানা সমস্যা হতো। এ কারণে নারী আইনজীবীদের প্রত্যাশা ছিল, সংসার ধরে রাখতে পারে এমন একটি আইন করা হবে। এই আইনটির মাধ্যমে সে প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।
পিএইচআর প্রকল্প শুরু হওয়ার এক বছর আগে একটি জরিপ করা হয়েছিল। সেই জরিপে দেখা যায়, ৫৩ শতাংশ নারী স্বামীর দ্বারা শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন। সেই জরিপে আরও দেখা যায়, ৩৮ শতাংশ নারী মনে করেন, স্ত্রীকে নির্যাতন করার অধিকার স্বামীর আছে। এমনকি এখনো যে কর্ম এলাকায় আমরা কাজ করি, সেখানকার নারীরা বলেন, স্ত্রীকে ছোটখাটো চড়-থাপড় মারা, সকালে উঠে গালাগাল করার অধিকার স্বামীর আছে।
ফলে এই আইনের বাস্তবায়ন কত দূর হয়েছে, আমরা তা এখান থেকে বুঝতে পারি। প্রথমত, আমরা পারিবারিক সহিংসতা যে অপরাধ, আর এ–সংক্রান্ত যে একটি আইন আছে, সে বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। ইউনিয়ন পর্যায়ে সুরক্ষা দল তৈরি করা হয়েছে, আর তারা কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিচারব্যবস্থাকে প্রতিটি ইউনিয়নে মানুষের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দেওয়ার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আইন যঁারা বাস্তবায়ন করবেন, তঁাদের দক্ষতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো আইনে মানসিক নির্যাতনের বিচার করার সুযোগ নেই, এই আইনে সেটা করা সম্ভব হয়েছে।
আর দেখা যেত, পরিবারের প্রায় সবাইকে, এমনকি যারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না, তাদেরও আসামি করা হতো। ফলে নানা সমস্যা হতো। এ কারণে নারী আইনজীবীদের প্রত্যাশা ছিল, সংসার ধরে রাখতে পারে এমন একটি আইন করা হবে। এই আইনটির মাধ্যমে সে প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।
পিএইচআর প্রকল্প শুরু হওয়ার এক বছর আগে একটি জরিপ করা হয়েছিল। সেই জরিপে দেখা যায়, ৫৩ শতাংশ নারী স্বামীর দ্বারা শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন। সেই জরিপে আরও দেখা যায়, ৩৮ শতাংশ নারী মনে করেন, স্ত্রীকে নির্যাতন করার অধিকার স্বামীর আছে। এমনকি এখনো যে কর্ম এলাকায় আমরা কাজ করি, সেখানকার নারীরা বলেন, স্ত্রীকে ছোটখাটো চড়-থাপড় মারা, সকালে উঠে গালাগাল করার অধিকার স্বামীর আছে।
ফলে এই আইনের বাস্তবায়ন কত দূর হয়েছে, আমরা তা এখান থেকে বুঝতে পারি। প্রথমত, আমরা পারিবারিক সহিংসতা যে অপরাধ, আর এ–সংক্রান্ত যে একটি আইন আছে, সে বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। ইউনিয়ন পর্যায়ে সুরক্ষা দল তৈরি করা হয়েছে, আর তারা কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিচারব্যবস্থাকে প্রতিটি ইউনিয়নে মানুষের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দেওয়ার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আইন যঁারা বাস্তবায়ন করবেন, তঁাদের দক্ষতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো আইনে মানসিক নির্যাতনের বিচার করার সুযোগ নেই, এই আইনে সেটা করা সম্ভব হয়েছে।
আর আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগও এ অাইনে আছে। এই আইনে
আমরা পারিবারিক সহিংসতার সংজ্ঞা পেয়েছি। এই আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ
করা সত্ত্বেও স্ত্রীকে স্বামীর ঘরে বসবাসের আদেশ দিতে পারেন আদালত, এটা
খুবই ইতিবাচক একটা ব্যাপার।
সালিসের ক্ষেত্রে নারীর সুরক্ষা নেই, আদালত এই আদেশও দিতে
পারেন। মামলা চলাকালীন তঁাকে কেউ হয়রানি বা নির্যাতন করতে পারবে না। আবার
শেল্টার সাপোর্টের বিধান আছে এই আইনে। বিচারক যদি মনে করেন, অভিযোগকারী
স্বামীর ঘরে নিরাপদ নন, তাহলে নিরাপত্তার জন্য তঁাকে শেল্টার সাপোর্টে
রাখার আদেশ দিতে পারেন।
এমনকি সন্তানের সুরক্ষার বিধানও এই আইনে আছে। অনেকগুলো
ভালো দিক থাকা সত্ত্বেও আইনটির প্রয়োগ হচ্ছে না। পিএইচআরের অাটটি
উপজেলায় তিন বছরে মামলা হয়েছে ১৭১টি আর একই জেলার অন্য ৫৭টি উপজেলায় মামলা
হেয়ছে ৮১টি।
নারীরা স্বামী ও তঁার আত্মীয়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে চান
না। ফলে অনেক অভিযোগই দেরিতে আসে, আর সেটা এই আইনের আওতায় আনা যায় না,
তখন সেটা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় আনতে হয়। কিছু ঘটলে দেখা
যায়, নারীরা তাৎক্ষণিকভাবে স্বামীকে শাস্তি দিতে চান। সেটা এই আইনে সম্ভব
নয়। আবার অনেক সময় আদালতের পরিবেশ এই আইনের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
নয়।
৬০ শতাংশ মামলার ক্ষেত্রে মানুষ দ্রুত সালিসের মাধ্যমে
বিচার চায়। কিন্তু এই আইনে সুস্পষ্টভাবে সালিসের কথা নেই। আর মালামাল
উদ্ধারের বিষয়ে এখানে সুস্পষ্ট কিছু বলা নেই, কে উদ্ধার করবে, কীভাবে নিয়ে
যাবে সে বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। কিছু সুপারিশ পেশ করছি: আইনের ধরন বিবেচনা
করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের পরিবর্তে দায়িত্ব সুনির্দিষ্টভাবে পারিবারিক
আদালতকে দেওয়া যেতে পারে।
আর তদন্তের সময়সীমা ১০-১৫ দিন নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত,
বিধিমালা আরও বিস্তারিত হওয়া উচিত। আর সংবাদমাধ্যমকে আরও জোরালো ভূমিকা
পালন করতে হবে, আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। চলমান মামলা মনিটরিংয়ের
ব্যবস্থা রাখা উচিত।
গৌরাঙ্গ চন্দ্র মণ্ডল
দুই
বছরে ২৫টি মামলার তদন্ত করেছি। এর মধ্যে ১৭টি মামলার তদন্ত শেষে মালামাল
বিবাদীকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলায় তদন্তের সময়সীমা নির্ধারিত থাকে,
কিন্তু আমাদের কাছে চিঠি আসে থানা হয়ে। ফলে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর
চিঠি আমাদের হাতে আসে। সে ক্ষেত্রে তদন্ত করতে একটু সময় লেগে যায়।
এ ছাড়া বিবাদীদের নোটিশ দেওয়া হয় না। আর মালামাল উদ্ধার করে বিবাদীকে চিঠির কপি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আদেশ নেই, তারপর সোনাদানার ক্ষেত্রে আমরা ঝামেলায় পড়ি, কারণ এটা দৃশ্যমান নয়। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চান না। ফলে মালামাল উদ্ধার করতে সমস্যা হয়।
বিবাদীরা নানা চাতুরীরও আশ্রয় নেয়। আবার বিবাদীরা থানাকে প্রভাবিত করে চিঠি প্রেরণে বিলম্ব সৃষ্টি করে। আদালত চিঠি দেন না বলে বিবাদীরা স্বাক্ষর করতে চায় না। এ ছাড়া আরও নানা বাস্তব সমস্যার সৃষ্টি হয়। মালামাল জব্দ করে কোথায় রাখা হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই।
মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে অত জায়গা নেই, আবার থানা বলে তাদের তো মালামাল রাখার কথা নয়। অনেক মামলায় দেখা যায়, স্বামী বিদেশে থাকে। পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ রোধেও কাজ করছি।
এ ছাড়া বিবাদীদের নোটিশ দেওয়া হয় না। আর মালামাল উদ্ধার করে বিবাদীকে চিঠির কপি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আদেশ নেই, তারপর সোনাদানার ক্ষেত্রে আমরা ঝামেলায় পড়ি, কারণ এটা দৃশ্যমান নয়। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চান না। ফলে মালামাল উদ্ধার করতে সমস্যা হয়।
বিবাদীরা নানা চাতুরীরও আশ্রয় নেয়। আবার বিবাদীরা থানাকে প্রভাবিত করে চিঠি প্রেরণে বিলম্ব সৃষ্টি করে। আদালত চিঠি দেন না বলে বিবাদীরা স্বাক্ষর করতে চায় না। এ ছাড়া আরও নানা বাস্তব সমস্যার সৃষ্টি হয়। মালামাল জব্দ করে কোথায় রাখা হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই।
মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে অত জায়গা নেই, আবার থানা বলে তাদের তো মালামাল রাখার কথা নয়। অনেক মামলায় দেখা যায়, স্বামী বিদেশে থাকে। পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ রোধেও কাজ করছি।
জিনাত আরা হক
আমাদের
লক্ষ্য হচ্ছে কাজটা স্রেফ প্রকল্পের মধ্যে যেন সীমিত না থাকে। কারণ,
প্রকল্পের মধ্য দিয়ে মানুষের প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়। আমাদের বর্তমান স্পিকার
এই আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আইন মানেই কি শাস্তি
দেওয়া? মানুষ মনে করত, নির্যাতন হয় ঘরের বাইরে। এ রকম একটা ভ্রান্ত ভাবনা
আমাদের ছিল। কিন্তু আমরা বলেছি, পরিবারেই সবচেয়ে বেশি নির্যাতন হয়।
বিবিএসের জরিপের আগে আইসিডিডিআরবির একটি জরিপ ছিল। যেখানে ৬০ ভাগ নারী বলেছিলেন, তঁারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। কথা হচ্ছে এই আইনটি আমরা ধারণ করতে পারছি কি না। এই আইনটি প্রতিরোধমূলক। কিন্তু দেখা যায়, নারীরা এই আইনের দ্বারস্থ হলে স্বামীরা স্ত্রীকে তালাক দেয়।
এই আইনটি আসলে চরিত্র সংশোধনমূলক, যেটা পাশ্চাত্যে আছে। কিন্তু আমাদের দেশে সে রকম বিধান নেই বললেই চলে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মানদণ্ড নেই, এটা এই আইনের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ। শুধু মালামাল উদ্ধার নয়, কেউ সহিংসতায় আহত হলে তার ক্ষতিপূরণ তো দিতে হবে, সেটা নির্ধারণের একটি মানদণ্ড থাকতে হবে।
এই আইনের অনেক ভালো দিক আছে, সেগুলো ঠিকঠাক প্রয়োগ হচ্ছে না। এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অংশীজনের সংখ্যা অনেক, অনেকগুলো সংস্থা একত্রে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে দেখেছি, সেখানে একটি পৃথক আদালত সেটি পরিচালনা করছেন। কারণ, এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন মানসিকতা থাকতে হবে। এখানে একজন নারী তঁার স্বামী, শ্বশুরের বিচার চাচ্ছেন, আবার তিনি ঘরও ভাঙতে চাচ্ছেন না। আমাদের সমাজে সেটা করা খুব কঠিন। ফলে এটা নিছক ফৌজদারি মামলার মতো চোর-পুলিশের ব্যাপার নয়।
বেসরকারি সংস্থাগুলো সাধারণত আলাদাভাবে কাজ করে, এটা আমার এক দুঃখের জায়গা ছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারছি। গণমাধ্যমও এ বিষয়টিতে জোর দেবে আশা করি।
বিবিএসের জরিপের আগে আইসিডিডিআরবির একটি জরিপ ছিল। যেখানে ৬০ ভাগ নারী বলেছিলেন, তঁারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। কথা হচ্ছে এই আইনটি আমরা ধারণ করতে পারছি কি না। এই আইনটি প্রতিরোধমূলক। কিন্তু দেখা যায়, নারীরা এই আইনের দ্বারস্থ হলে স্বামীরা স্ত্রীকে তালাক দেয়।
এই আইনটি আসলে চরিত্র সংশোধনমূলক, যেটা পাশ্চাত্যে আছে। কিন্তু আমাদের দেশে সে রকম বিধান নেই বললেই চলে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মানদণ্ড নেই, এটা এই আইনের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ। শুধু মালামাল উদ্ধার নয়, কেউ সহিংসতায় আহত হলে তার ক্ষতিপূরণ তো দিতে হবে, সেটা নির্ধারণের একটি মানদণ্ড থাকতে হবে।
এই আইনের অনেক ভালো দিক আছে, সেগুলো ঠিকঠাক প্রয়োগ হচ্ছে না। এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অংশীজনের সংখ্যা অনেক, অনেকগুলো সংস্থা একত্রে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে দেখেছি, সেখানে একটি পৃথক আদালত সেটি পরিচালনা করছেন। কারণ, এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন মানসিকতা থাকতে হবে। এখানে একজন নারী তঁার স্বামী, শ্বশুরের বিচার চাচ্ছেন, আবার তিনি ঘরও ভাঙতে চাচ্ছেন না। আমাদের সমাজে সেটা করা খুব কঠিন। ফলে এটা নিছক ফৌজদারি মামলার মতো চোর-পুলিশের ব্যাপার নয়।
বেসরকারি সংস্থাগুলো সাধারণত আলাদাভাবে কাজ করে, এটা আমার এক দুঃখের জায়গা ছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারছি। গণমাধ্যমও এ বিষয়টিতে জোর দেবে আশা করি।
হোমায়রা আজিজ
নারী
নির্যাতনের রূপ হিসেবে আমরা শারীরিক নির্যাতন ও যৌতুক—এ দুটোকে
প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। কিন্তু পরিবারের মধ্যে যৌন নির্যাতন যে পারিবারিক
সহিংসতার মধ্যে পড়ে, সে বিষয়ে আমরা এখনো সচেতন নই। ফলে এটা যে
প্রতিকারমূলক আইন, তার সুবিধা তারা নিতে পারছে না।
এমনকি মানসিক, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতনও যে পারিবারিক সহিংসতার মধ্যে পড়ে, সেটা সবাইকে বুঝতে হবে। ফলে শুধু প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নয়, স্থানীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম ও আইনজীবী তঁাদেরও এটা বুঝতে হবে। দ্বিতীয় ব্যাপার হচ্ছে এই আইনে নারীরা কোন ধরনের প্রতিকার পাবেন, সেটাও নারীদের জানাতে হবে।
প্রান্তিক নারীদের কাছে এই তথ্য পৌঁছানোর ভালো ব্যবস্থা নেই। সরকার ও কিছু এনজিও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে, কিন্তু শুধু এটুকুই যথেষ্ট নয়। সমাজের সবাইকে এ নিয়ে কাজ করতে হবে। তৃতীয়ত, পারিবারিক সহিংসতা নারীসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আমরা মনে করি, এ ধরনের আইন শুধু আইনিভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়, এর জন্য সমাজের অংশগ্রহণ দরকার। অর্থাৎ সমাজে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। আবার এর কারণে শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তার মানসিক বিকাশ হচ্ছে না, পুষ্টি চাহিদা মিটছে না, শিক্ষা গ্রহণ ভালো হচ্ছে না, মায়েরা আমাদের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন।
এই সামগ্রিক সামাজিক ক্ষতির দিকটা বুঝতে না পারলে আমরা এই আইনের সুফল পাব না। আর আইনের আশ্রয় নিতে গেলে তো নারীদের নানা কলঙ্কের ভাগীদার হতে হয়। ফলে যে পুরুষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তাদের জন্য পরামর্শ সহায়তার ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।
আর ভরণপোষণের ক্ষেত্রে দেখেছি, আদালত দ্বারা নিশ্চিত করা না গেলে সেটা বাস্তবায়ন করা যায় না। সে কারণে শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। গ্রামে-গঞ্জে কাজ করে মনে হয়েছে, আদালতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও বাড়াতে হবে, তার পরিবেশ আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করতে হবে।
এমনকি মানসিক, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতনও যে পারিবারিক সহিংসতার মধ্যে পড়ে, সেটা সবাইকে বুঝতে হবে। ফলে শুধু প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নয়, স্থানীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম ও আইনজীবী তঁাদেরও এটা বুঝতে হবে। দ্বিতীয় ব্যাপার হচ্ছে এই আইনে নারীরা কোন ধরনের প্রতিকার পাবেন, সেটাও নারীদের জানাতে হবে।
প্রান্তিক নারীদের কাছে এই তথ্য পৌঁছানোর ভালো ব্যবস্থা নেই। সরকার ও কিছু এনজিও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে, কিন্তু শুধু এটুকুই যথেষ্ট নয়। সমাজের সবাইকে এ নিয়ে কাজ করতে হবে। তৃতীয়ত, পারিবারিক সহিংসতা নারীসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আমরা মনে করি, এ ধরনের আইন শুধু আইনিভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়, এর জন্য সমাজের অংশগ্রহণ দরকার। অর্থাৎ সমাজে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। আবার এর কারণে শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তার মানসিক বিকাশ হচ্ছে না, পুষ্টি চাহিদা মিটছে না, শিক্ষা গ্রহণ ভালো হচ্ছে না, মায়েরা আমাদের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন।
এই সামগ্রিক সামাজিক ক্ষতির দিকটা বুঝতে না পারলে আমরা এই আইনের সুফল পাব না। আর আইনের আশ্রয় নিতে গেলে তো নারীদের নানা কলঙ্কের ভাগীদার হতে হয়। ফলে যে পুরুষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তাদের জন্য পরামর্শ সহায়তার ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।
আর ভরণপোষণের ক্ষেত্রে দেখেছি, আদালত দ্বারা নিশ্চিত করা না গেলে সেটা বাস্তবায়ন করা যায় না। সে কারণে শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। গ্রামে-গঞ্জে কাজ করে মনে হয়েছে, আদালতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও বাড়াতে হবে, তার পরিবেশ আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা নিয়েও ভাবার
অবকাশ আছে। আর নারী অধিকার–সংক্রান্ত অন্যান্য আইনের সঙ্গে এটিকে কীভাবে
সংগতিপূর্ণ করা যায়, তা-ও আমাদের ভেবে দেখতে হবে, আইন প্রণয়নের সময়ও আমরা এ
কথা বলেছি।
তালাকের ক্ষেত্রে তো স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির মালিকানার
অধিকার পান, এ বিষয়ে কিছু করা যায় কি না তা ভেবে দেখতে হবে। যদি তালাকের
পরিমাণ বাড়তে থাকে, তাহলে এই আইনের অধীনে মামলা চলাকালে তালাক দেওয়া যাবে
না, এমন বিধান করা যায়।
শেষ কথা হলো ক্ষতিপূরণের জন্য প্রশাসনিক নীতিমালা ও
হাতিয়ার তৈরি করা দরকার, তাহলে নারীরা এই আইনের দ্বারস্থ হতে উৎসাহী হবেন।
সামগ্রিকভাবে এ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সরকারের সীমিত অংশগ্রহণ থাকতে পারে,
সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী
এই
আইনে ধারা ৪(ঘ), ৬(ঙ)েত লিগ্যাল এইডের সাহায্য নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমি
বলব, এই আইনের সঙ্গে লিগ্যাল এইডের সম্পর্ক খুবই নিবিড়। নারীদের
ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে
পারে।
আমরা আইনি তথ্য সরবরাহ করি। মামলার খরচ নির্বাহ করি, সালিসের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করি, সেটা মামলার আগেও হতে পারে, আবার পরেও হতে পারে। একজন নারী পরামর্শের জন্য আমাদের কাছে আসতে পারেন।
তিনি মামলা না করে অপর পক্ষের সঙ্গে সালিস করতে চাইলেও আমাদের মাধ্যমে তা করতে পারেন। এমনকি মামলা করার পরও তঁারা আসতে পারেন। এই আইনটি আমাদের দেশের একটি অনন্য আইন। এই আইনে শাস্তির বদলে প্রতিকারের কথা বলা হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, এই আইনে তত্ত্বাবধানের অভাব রয়েছে, সমন্বয় ও যোগাযোগ করা হচ্ছে কি না, তা আমরা জানি না। এ ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন আইনজীবীরা।
যঁার সামর্থ্য আছে, তিনি তো আর এনজিওগুলোর কাছে যাবেন না, তঁাকে আমরা সহায়তাও দেব না। এই মানুষেরা আইনজীবীদের কাছে গেলে তঁারাই সিদ্ধান্ত নেন, কোন মামলা করা হবে। আবার এই আইনে শিশুদের ব্যাপারে বিস্তারিত বলা হয়নি। আলাদা আদালতের কথা এসেছে। আমার মনে হয়, পারিবারিক আদালতের বিষয়টি চিন্তা করা উচিত ছিল।
কিন্তু পারিবারিক আদালতের আংশিক ফৌজদারি চরিত্র আছে। এই মামলাগুলো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও যায়, ফলে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব তৈরি হয়। মামলার ধারা কী, প্রকৃতি কী—সেগুলো আর বিবেচ্য বিষয় থাকে না। ফলে এই ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতই ভালো।
তদন্তের বিষয়ে যে মতামত এসেছে, আমাদের সে ব্যাপারে দ্বিমত আছে। কারণ, আপসের সম্ভাবনা থাকলে হঠাৎ করে আদেশ দিয়ে দিলে তো শেষ, আর কিছু থাকল না।
আমরা আইনি তথ্য সরবরাহ করি। মামলার খরচ নির্বাহ করি, সালিসের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করি, সেটা মামলার আগেও হতে পারে, আবার পরেও হতে পারে। একজন নারী পরামর্শের জন্য আমাদের কাছে আসতে পারেন।
তিনি মামলা না করে অপর পক্ষের সঙ্গে সালিস করতে চাইলেও আমাদের মাধ্যমে তা করতে পারেন। এমনকি মামলা করার পরও তঁারা আসতে পারেন। এই আইনটি আমাদের দেশের একটি অনন্য আইন। এই আইনে শাস্তির বদলে প্রতিকারের কথা বলা হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, এই আইনে তত্ত্বাবধানের অভাব রয়েছে, সমন্বয় ও যোগাযোগ করা হচ্ছে কি না, তা আমরা জানি না। এ ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন আইনজীবীরা।
যঁার সামর্থ্য আছে, তিনি তো আর এনজিওগুলোর কাছে যাবেন না, তঁাকে আমরা সহায়তাও দেব না। এই মানুষেরা আইনজীবীদের কাছে গেলে তঁারাই সিদ্ধান্ত নেন, কোন মামলা করা হবে। আবার এই আইনে শিশুদের ব্যাপারে বিস্তারিত বলা হয়নি। আলাদা আদালতের কথা এসেছে। আমার মনে হয়, পারিবারিক আদালতের বিষয়টি চিন্তা করা উচিত ছিল।
কিন্তু পারিবারিক আদালতের আংশিক ফৌজদারি চরিত্র আছে। এই মামলাগুলো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও যায়, ফলে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব তৈরি হয়। মামলার ধারা কী, প্রকৃতি কী—সেগুলো আর বিবেচ্য বিষয় থাকে না। ফলে এই ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতই ভালো।
তদন্তের বিষয়ে যে মতামত এসেছে, আমাদের সে ব্যাপারে দ্বিমত আছে। কারণ, আপসের সম্ভাবনা থাকলে হঠাৎ করে আদেশ দিয়ে দিলে তো শেষ, আর কিছু থাকল না।
সে কারণেই মামলাটা আমাদের সময় সময় একটু দীর্ঘায়িত করতে হয়।
আদালতের আদেশের কপির কথা এসেছে। কথা হচ্ছে, আদালত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব
বলে দিলে সমস্যা হতে পারে। অনেক সিদ্ধান্ত ঘটনাস্থলে না গেলে নেওয়া যায় না।
সে ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আপনাকে নিজের বিচক্ষণতা কাজে লাগাতে
হবে।
সৈয়দা শিরীন আকতার
এই
প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে সিলেটে ৮০ জন
আইনজীবীকে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এমনকি আমরা বিজ্ঞ বিচারক মহোদয়ের সঙ্গে
মতবিনিময় সভা করেছি। তবে এটাও যথেষ্ট নয়। এই প্রকল্পের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে আমি সিলেটে ২৮টি মামলা পরিচালনা করেছি।
৬০ ভাগ ক্ষেত্রে সালিসের মাধ্যমে সমস্যার সমধান হয়ে গেছে। কিছু তালাক হয়েছে, আর বেশির ভাগ নারীই নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ভুক্তভোগী নারীরা অনেক দেরি করে আসেন, তঁারা আসেন পরিস্থিতি তালাকের পর্যায়ে চলে গেলে।
অনেক ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট জারি হলে প্রতিপক্ষ এসে বলে, তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন, সেখানে তঁার সন্তান হয়েছে। ফলে সে আর এই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে এই আইনে প্রতিকার দেওয়া সম্ভব নয়।
তখন দেনমোহর ও ভরণপোষণ আদায়ের জন্য পারিবারিক আদালতে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনজীবীদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, তঁারা অনেক সময় এসব মামলা গতানুগতিকভাবে পরিচালনা করেন। শাস্তি বা খালাস—এর মধ্যেই তঁারা সীমাবদ্ধ থাকতে চান। প্রতিকার বা সুরক্ষার দিকে তঁাদের নজর নেই।
এই আইনে ভরণপোষণের কথা বলা আছে, কিন্তু না জানার কারণে সেটা অনেক সময় প্রয়োগ করা হয় না। এই আইনের প্রয়োগের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবী, পুলিশ, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা—সবারই সমন্বিত প্রশিক্ষণ দরকার। বিচ্ছিন্নভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে লাভ নেই।
এই মামলার জন্য জেলা পর্যায়ে আলাদা আদালত থাকা দরকার। তা না হলে মামলা দীর্ঘায়িত হয়। আলাদা আদালত থাকলে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) প্রক্রিয়ায় এসব মামলা আরও ভালোভাবে চালানো সম্ভব হতো।
এই আইনে এ রকম একটি বিধান যুক্ত করা যেতে পারে যে ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিটি মামলায় একটি বা দুটি সেশন এডিআর করতে বাধ্য। গত চার বছরে বালাগঞ্জ উপজেলা থেকে আমরা এডিআরের মাধ্যমে ভরণপোষাণ ও দেনমোহরের ১ কোটি ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আদায় করতে পেরেছি, আদালতের মাধ্যমে সেটা হয়তো সম্ভব হতো না বা দীর্ঘায়িত হতো।
৬০ ভাগ ক্ষেত্রে সালিসের মাধ্যমে সমস্যার সমধান হয়ে গেছে। কিছু তালাক হয়েছে, আর বেশির ভাগ নারীই নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ভুক্তভোগী নারীরা অনেক দেরি করে আসেন, তঁারা আসেন পরিস্থিতি তালাকের পর্যায়ে চলে গেলে।
অনেক ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট জারি হলে প্রতিপক্ষ এসে বলে, তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন, সেখানে তঁার সন্তান হয়েছে। ফলে সে আর এই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে এই আইনে প্রতিকার দেওয়া সম্ভব নয়।
তখন দেনমোহর ও ভরণপোষণ আদায়ের জন্য পারিবারিক আদালতে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনজীবীদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, তঁারা অনেক সময় এসব মামলা গতানুগতিকভাবে পরিচালনা করেন। শাস্তি বা খালাস—এর মধ্যেই তঁারা সীমাবদ্ধ থাকতে চান। প্রতিকার বা সুরক্ষার দিকে তঁাদের নজর নেই।
এই আইনে ভরণপোষণের কথা বলা আছে, কিন্তু না জানার কারণে সেটা অনেক সময় প্রয়োগ করা হয় না। এই আইনের প্রয়োগের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবী, পুলিশ, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা—সবারই সমন্বিত প্রশিক্ষণ দরকার। বিচ্ছিন্নভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে লাভ নেই।
এই মামলার জন্য জেলা পর্যায়ে আলাদা আদালত থাকা দরকার। তা না হলে মামলা দীর্ঘায়িত হয়। আলাদা আদালত থাকলে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) প্রক্রিয়ায় এসব মামলা আরও ভালোভাবে চালানো সম্ভব হতো।
এই আইনে এ রকম একটি বিধান যুক্ত করা যেতে পারে যে ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিটি মামলায় একটি বা দুটি সেশন এডিআর করতে বাধ্য। গত চার বছরে বালাগঞ্জ উপজেলা থেকে আমরা এডিআরের মাধ্যমে ভরণপোষাণ ও দেনমোহরের ১ কোটি ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আদায় করতে পেরেছি, আদালতের মাধ্যমে সেটা হয়তো সম্ভব হতো না বা দীর্ঘায়িত হতো।
প্রকল্প শেষ হয়ে গেলে তো মানুষকে লিগ্যাল এইডের কাছে
যেতে হবে। কিন্তু মানুষ বিনা মূল্যে আইন সহায়তার বিষয়টি মানুষ জানে না। ফলে
এ–বিষয়ক প্রচার–প্রচারণা চালাতে হবে। এই সেবাটিকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত
নিয়ে যেতে হবে।
শাহনাজ হুদা
সত্যি
কথা বলতে, এখন পর্যন্ত স্নাতক পর্যায়ে এই আইনে তেমন জোর দেওয়া হয়নি।
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে তুলনামূলক পারিবারিক আইনের ওপর একটি অধ্যায় আছে।
সেখানে পারিবারিক সহিংসতা ও লৈঙ্গিক সহিংসতার বিষয়ে পড়ানো হয়। আমাদের
গ্রাম আদালতকে অনেকে আদালত বলতে চান না।
কারণ, এটি পুরোপুরি বিচারিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি আংশিক বিচারিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে বিচারক থাকেন না, ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচজন সদস্য এখানে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। গ্রাম আদালতের আইনে একটি বিধান যুক্ত করা হয়েছে, কোনো নারীর মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে সেখানে একজন নারী থাকতেই হবে। জেলা আদালত অনেক দূর, নারীরা আবার সেখানে নানা কারণে যেতে চান না। ফলে গ্রাম আদালতে কিছু কাজ হয়ে গেলে ভালো হয়। পারিবারিক আদালতের বিচারককে যেন অন্য মামলা পরিচালনা করতে না হয়। এটা বোধ হয় শুধু ঢাকাতেই আছে, অন্য জায়গায় নেই।
এই আইনে সহিংসতার শাস্তির বিধান নেই। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শুধু যৌতুকের বিচার হয়। কিন্তু যদি এমন হয়, তখন স্বামী স্ত্রীকে তালাক না দিয়ে বা তার অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে, আর তা নিয়ে সহিংসতা হয়, তাহলে সেই নারীর প্রতিকার চাওয়ার জায়গা থাকে না।
সে কারণে তঁাকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়, বলতে হয়, স্বামী যৌতুক চেয়েছিল, দেওয়া হয়নি বলে সে স্ত্রীকে মেরেছে। এমনও হয়েছে, আদালত এ ধরনের মামলা তঁার এখতিয়ারভুক্ত নয় বলে সেশন আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
এ জন্য সহিংসতার বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়ে আসা উচিত। আর স্বামীর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে যদি সেটা আদালতের মাধ্যমে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করা যায়, তাহলে একটা সংযোগ সৃষ্টি করা যাবে।
কারণ, এটি পুরোপুরি বিচারিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি আংশিক বিচারিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে বিচারক থাকেন না, ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচজন সদস্য এখানে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। গ্রাম আদালতের আইনে একটি বিধান যুক্ত করা হয়েছে, কোনো নারীর মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে সেখানে একজন নারী থাকতেই হবে। জেলা আদালত অনেক দূর, নারীরা আবার সেখানে নানা কারণে যেতে চান না। ফলে গ্রাম আদালতে কিছু কাজ হয়ে গেলে ভালো হয়। পারিবারিক আদালতের বিচারককে যেন অন্য মামলা পরিচালনা করতে না হয়। এটা বোধ হয় শুধু ঢাকাতেই আছে, অন্য জায়গায় নেই।
এই আইনে সহিংসতার শাস্তির বিধান নেই। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শুধু যৌতুকের বিচার হয়। কিন্তু যদি এমন হয়, তখন স্বামী স্ত্রীকে তালাক না দিয়ে বা তার অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে, আর তা নিয়ে সহিংসতা হয়, তাহলে সেই নারীর প্রতিকার চাওয়ার জায়গা থাকে না।
সে কারণে তঁাকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়, বলতে হয়, স্বামী যৌতুক চেয়েছিল, দেওয়া হয়নি বলে সে স্ত্রীকে মেরেছে। এমনও হয়েছে, আদালত এ ধরনের মামলা তঁার এখতিয়ারভুক্ত নয় বলে সেশন আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
এ জন্য সহিংসতার বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়ে আসা উচিত। আর স্বামীর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে যদি সেটা আদালতের মাধ্যমে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করা যায়, তাহলে একটা সংযোগ সৃষ্টি করা যাবে।
সালমা আলী
এই
আইনের প্রতিটি লাইন নিয়ে অনেক চিন্তা করা হয়েছে। কিন্তু আইনটি বাস্তবে
প্রয়োগ করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা
আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে আমরা বলেছিলাম, পারিবারিক আদালতে এই আইনটি
প্রয়োগ করা হোক।
তারপর আমরা গ্রাম আদালতের কথা বলেছিলাম, এই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও উন্নত ও কার্যকর করা যায় কি না। আইনটির উন্নয়ন ঘটানোর এখনো সময় আছে। মুসলিম দেশগুলোতে তালাকের সময় সব মিটিয়ে ফেলা হয়, দেনমোহর, ভরণপোষণ প্রভৃতি। কিন্তু আমাদের দেশে তা হয় না। সারা পৃথিবীতেই নারীবান্ধব ভালো আইন আছে, কিন্তু তার প্রয়োগ নেই।
আমরা এটা প্রমাণ করতে পেরেছি, পারিবারিক নির্যাতন আর শুধু ঘরের ব্যাপার নয়, এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মেয়েরা সংসার টিকিয়ে রাখতে চায় বলে তারা এটা ঘরের বাইরে আনতে চায় না।
এদিকে আইনের বিধিতে কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। বিশেষ করে মামলাটা দ্রুত গ্রহণ করতে হবে। কারণ, একটি মেয়ে অনেক ধাপ পেরিয়ে মামলা করতে আসে। ফলে সে যেন আইনজীবী ছাড়াই মামলা করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে, বিধিতে এটা আনা দরকার।
বিচারক নাইমা হায়দারের আদালতে এমন দৃষ্টান্ত আমরা দেখেছি, সেখানে ই-মেইলের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। এই আইন প্রয়োগ, নারীর সুরক্ষা, প্রতিকার প্রভৃতি সবকিছুর জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ লাগবে। সর্বোপরি, আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার থাকতে হবে, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা পরিহার করতে হবে। আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় ও মনিটরিং প্রয়োজন হবে। দেখা যায়, যেখানে প্রকল্প আছে, সেখানে ভালো কাজ হয়, ভারতেও সেটা হয়েছে।
তারপর আমরা গ্রাম আদালতের কথা বলেছিলাম, এই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও উন্নত ও কার্যকর করা যায় কি না। আইনটির উন্নয়ন ঘটানোর এখনো সময় আছে। মুসলিম দেশগুলোতে তালাকের সময় সব মিটিয়ে ফেলা হয়, দেনমোহর, ভরণপোষণ প্রভৃতি। কিন্তু আমাদের দেশে তা হয় না। সারা পৃথিবীতেই নারীবান্ধব ভালো আইন আছে, কিন্তু তার প্রয়োগ নেই।
আমরা এটা প্রমাণ করতে পেরেছি, পারিবারিক নির্যাতন আর শুধু ঘরের ব্যাপার নয়, এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মেয়েরা সংসার টিকিয়ে রাখতে চায় বলে তারা এটা ঘরের বাইরে আনতে চায় না।
এদিকে আইনের বিধিতে কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। বিশেষ করে মামলাটা দ্রুত গ্রহণ করতে হবে। কারণ, একটি মেয়ে অনেক ধাপ পেরিয়ে মামলা করতে আসে। ফলে সে যেন আইনজীবী ছাড়াই মামলা করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে, বিধিতে এটা আনা দরকার।
বিচারক নাইমা হায়দারের আদালতে এমন দৃষ্টান্ত আমরা দেখেছি, সেখানে ই-মেইলের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। এই আইন প্রয়োগ, নারীর সুরক্ষা, প্রতিকার প্রভৃতি সবকিছুর জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ লাগবে। সর্বোপরি, আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার থাকতে হবে, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা পরিহার করতে হবে। আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় ও মনিটরিং প্রয়োজন হবে। দেখা যায়, যেখানে প্রকল্প আছে, সেখানে ভালো কাজ হয়, ভারতেও সেটা হয়েছে।
মালিক আব্দুল্লাহ্ আল-আমিন
আমাদের
সুন্দর একটি আইন আছে। এই আইনকে আরও বেশি কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে
হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। তা না হলে আমাদের
অভিষ্ট লক্ষ্যে পেঁৗছাতে সময় লাগবে। এটি একটি ফলপ্রসূ আইন। আমরা এই আইনটিকে
অরও বেশি কার্যকর করতে চাই। এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত হলে ভুক্তভোগীরা
বিশেষভাবে উপকৃত হবে। তবে বাস্তবতা হলো আমরা এখনো সবার দোরগোড়ায়
যেতে পারিনি। এ ি্বষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। কিন্তু প্রকল্প
এলাকায় যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। প্রকল্প এলাকার মতো সারা দেশে এ অগ্রগতি
অর্জন করা প্রয়োজন।
সরকার এ ক্ষেত্রে সচেতন রয়েছে। সরকার এ ক্ষেত্রে ভালো ভূমিকাও রাখছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিনা মূল্যে দরিদ্রদের আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। তবে সবাইকে সচেতন করার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম: অামরা পারিবারিক সহিংসতামুক্ত সমাজ দেখতে চাই। এ ক্ষেেত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। পারিবারিক সহিংসতার বিচারের উদ্দেশ্য হলো সম্ভব হলে পরিবারের মধ্যে রেখেই সমাধান বের করা। এ দিকটি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা প্রয়োজন। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
সরকার এ ক্ষেত্রে সচেতন রয়েছে। সরকার এ ক্ষেত্রে ভালো ভূমিকাও রাখছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিনা মূল্যে দরিদ্রদের আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। তবে সবাইকে সচেতন করার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম: অামরা পারিবারিক সহিংসতামুক্ত সমাজ দেখতে চাই। এ ক্ষেেত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। পারিবারিক সহিংসতার বিচারের উদ্দেশ্য হলো সম্ভব হলে পরিবারের মধ্যে রেখেই সমাধান বের করা। এ দিকটি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা প্রয়োজন। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
পারিবারিক সহিংসতা একটি অপরাধ। এর প্রতিকারের জন্য আইন রয়েছে।
ইউএসএআইডির অর্থায়নে প্রটেক্টিং হিউম্যান রাইটস (পিএইচআর) পাঁচ বছর মেয়াদি
একটি প্রকল্প। এ প্রকল্পে কাজ শুরুর সময় ইউনিয়ন পর্যায়ে মাত্র ২৫৬ জন নারী
অভিযোগ করেন। আজ চার বছর পর এ সংখ্যা ৫৪ গুণ বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১৩ হাজার
* ৫৩ শতাংশ নারী স্বামীর দ্বারা শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন
* ৮৭ শতাংশ নারী জীবনে একবার হলেও স্বামীর দ্বারা কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হন
সূত্র: পিএইচআর ভিত্তি জরিপ ২০১১ এবং বিবিএস জরিপ ২০১১
আলোচনায় সুপারিশ
* এই আইনের অধীনে মামলা পরিচালনার ক্ষেেত্র আইনি সহায়তা প্রদান সংস্থার ভূমিকা আরও বেগবান করা
* মানুষ বিনা মূল্যে আইন সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি জানে না। এ বিষয়ে
প্রচার–প্রচারণা চালাতে হবে। এই সেবাটিকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে
হবে
* মামলা চলার সময়ে তালাক দিতে হলে তা আদালতের মাধ্যমে করতে হবে—আইনে এমন বিধান অন্তর্ভুক্তকরণ
* সকল পর্যয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করতে হবে
* মহিলা–বিষয়ক কর্মকর্তার দক্ষতা উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, লজিস্টিক সাপোর্ট ও বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন
যাঁরা অংশ নিলেন
মালিক আব্দুল্লাহ্ আল-আমিন: পরিচালক (জেলা জজ), জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
শাহনাজ হুদা : সাবেক চেয়ারপারসন, আইন অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আবুল হোসেন : প্রকল্প পরিচালক, নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রকল্প
সালমা আলী : নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি
সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী : জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ), জেলা ও দায়রা জজ অফিস ঢাকা
সৈয়দা শিরীন আকতার : প্যানেল আইনজীবী, পিএইচআর প্রোগ্রাম, সিলেট
হোমায়রা আজিজ : পরিচালক, নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন, কেয়ার বাংলাদেশ
জিনাত আরা হক : ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর, আমরাই পারি, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট
গৌরাঙ্গ চন্দ্র মণ্ডল : উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা, বালাগঞ্জ সিলেট
তৌহিদা খন্দকার : পরিচালক, আইন সহায়তা, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি
ফারহানা আফরোজ : প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপক, পিএইচআর প্রোগ্রাম, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1389)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 03
(30)
- বিএনপিতে নেই বিএনপি! by সোহরাব হাসান
- ফাঁসিতে ঝুলতেই হলো মেমনকে by সৌম্য বন্দে্যাপাধ্যায়
- তাদের কাছে কালাম একজন ত্রাণকর্তা
- শিক্ষকের অমর্যাদা এবং সমাজের অন্ধকার by শরদিন্দু ভ...
- ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় ভারত-চীন সীমান্ত বৈঠক
- সর্বদলীয় বৈঠক আজ
- নিখোঁজ বিমানের দ্বিতীয় ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার
- রাজধানীতে বাড়তি ৩০০ চিকিৎসক তবু চলছে পদায়ন by শেখ ...
- সিএমপি নিজের কাজে কতটা সফল? by বিশ্বজিৎ চৌধুরী
- রাজধানীতে জলাবদ্ধতা অন্তহীন জনদুর্ভোগ by ইফতেখার ...
- আমরা তালা মারতে পারি না, পারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় -ব...
- ইউজিসির ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন -বিশেষ সাক্ষাৎকারে:...
- পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০: ...
- অচল ডাকসু, সচল ফি by ফররুখ মাহমুদ
- ফের পালিয়ে শিফা খালেদের ঘরে by ওয়েছ খছরু
- পাট গবেষণা উপকেন্দ্রে গবেষণাগার নেই by জয়নাল আবেদী...
- এক সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষকের ভীতিকর কাহিনী
- পাটগ্রামের ছিটমহল সেজেছে সাধ্যমতো: কাজ বন্ধ রেখে ...
- রামপুরা প্রধান সড়কে মরণফাঁদ: কাউন্সিলর বললেন, মান...
- সাবেক গার্লফ্রেন্ডের খাটের তলায় ৩ দিন লুকিয়ে...
- ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা রক্ষা’ প্রকল্...
- তিস্তার বাঁধ ভেঙে তিন ইউনিয়ন জলাবদ্ধ
- চীন মৈত্রী প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু: এবার টোলমুক্ত কর...
- অপহরণে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ -কন্ট্রোল ...
- ফসল পানির নিচে: রাজনগরে অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ প...
- মেয়েও সুখীকে দেখে ভয় পায়
- বহিষ্কারের এখতিয়ার নেই আওয়ামী লীগের: লতিফ
- বুড়িগঙ্গা সেতুতে অবরোধ অব্যাহত
- আইসিস বর্বর, তার চেয়েও বর্বর আমেরিকা
- ২১ আলোকবর্ষ দূরে নতুন ৩ মহাপৃথিবী!
-
▼
Aug 03
(30)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment