Thursday, April 3, 2025
একটি কাগজের নোট যেভাবে অস্ত্র হয়ে উঠল by জাভেদ হুসেন
একটি কাগজের নোট যেভাবে অস্ত্র হয়ে উঠল by জাভেদ হুসেন
ডলার হলো সেই মুদ্রা। ধীরে ধীরে সে গোটা পৃথিবীকে তার শিকলে জড়িয়েছে। এটি কীভাবে সম্ভব হলো? এর পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ পরিকল্পনা। এর শিকড় ছড়িয়ে আছে যুদ্ধ, তেল, ঋণ এবং কূটনৈতিক চালবাজির গভীরে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডলারের রাজত্ব শুরু
ডলারের বিশ্বজয়ের শুরু হয় ১৯৪৪ সালে। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে। যুদ্ধে ইউরোপ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ব্রিটেন আর্থিক সংকটে জর্জরিত। জার্মানি ও জাপানের অর্থনীতি চূর্ণ–বিচূর্ণ। এমন অবস্থায় বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার জন্য আমেরিকার নিউ হ্যাম্পশায়ারে ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক লেনদেনের ভিত্তি হবে মার্কিন ডলার। আর তা সোনার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। অর্থাৎ, প্রতিটি ডলার একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সোনার সমতুল্য হবে। আর বিশ্বের অন্যান্য মুদ্রাগুলো তাদের মান নির্ধারণের জন্য ডলারের ওপর নির্ভর করবে।
এই ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায়। কারণ, এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশকে নিজেদের মুদ্রার মান ঠিক রাখতে হলে ডলারের রিজার্ভ রাখতে হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ডলার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।
নিক্সনের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এবং ডলারের মুক্তি
এই ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি সীমাবদ্ধতা ছিল। যেহেতু ডলার স্বর্ণের সঙ্গে যুক্ত, তাই যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইচ্ছেমতো ডলার ছাপাতে পারত না। কারণ, প্রতিটি ডলারের বিপরীতে সমপরিমাণ স্বর্ণ মজুত রাখতে হতো।
কিন্তু ১৯৬০-এর দশকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্র তখন ভিয়েতনাম যুদ্ধে বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছে। পাশাপাশি দেশটির ভেতরেই সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করা হচ্ছিল। এসব কারণে বাজারে প্রচুর ডলার ছড়িয়ে পড়েছিল; কিন্তু সেই অনুপাতে স্বর্ণের মজুত ছিল না।
এরই মধ্যে ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দাবি করে যে তারা তাদের হাতে থাকা ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ নিতে চায়। এটি ছিল ব্রেটন উডস চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী তাদের বৈধ অধিকার। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পারল, যদি সবাই স্বর্ণ দাবি করতে থাকে, তাহলে তাদের ভান্ডারে থাকা স্বর্ণে টান পড়বে। তৈরি হবে অর্থনৈতিক সংকট।
এই পরিস্থিতিতে ১৯৭১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি ঘোষণা করলেন, ‘এখন থেকে ডলার আর স্বর্ণের সঙ্গে যুক্ত থাকবে না।’ এর মানে দাঁড়াল, যুক্তরাষ্ট্র এখন থেকে ইচ্ছেমতো ডলার ছাপাতে পারবে, এবং এর কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকবে না। বিশ্ব অর্থনীতিতে এটি ছিল এক বিশাল ধাক্কা। এটি ইতিহাসে ‘নিক্সন শক’ নামে পরিচিত।
এই ঘোষণার মাধ্যমে ডলার এক সম্পূর্ণ নতুন রূপে আবির্ভূত হলো। সে এখন শুধু একটি কাগজের মুদ্রা নয়। বরং এক প্রকার বিশ্বাসের প্রতীক। মানুষ যত দিন বিশ্বাস করবে যে ডলার মূল্যবান, তত দিন এটি চলবে।
পেট্রোডলারের সৃষ্টি এবং তেলের রাজনীতি
নিক্সন যখন ডলারকে সোনার মান থেকে মুক্ত করলেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিল—বিশ্বের অন্যান্য দেশ কেন এখনো ডলার গ্রহণ করবে? কারণ, এখন এটি কেবল একটি কাগজ, যার পেছনে কোনো বাস্তব সম্পদ নেই।
এই সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নজর দিল। ১৯৭৩ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে একটি গোপন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেখানে বলা হয়—সৌদি আরব তেল বিক্রির ক্ষেত্রে শুধু ডলার গ্রহণ করবে। এর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা ও নিরাপত্তা দেবে। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য ওপেক (অর্গানাইজেশন ফর পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) দেশগুলোও এই চুক্তির অনুসরণ করে।
ফলাফল হলো, বিশ্বের সব দেশকে তাদের প্রয়োজনীয় তেল কেনার জন্য ডলার সংগ্রহ করতে হলো। যারাই তেল কিনতে চাইল, তাদের ডলারের প্রয়োজন পড়ল। ফলে, দেশগুলো তাদের রিজার্ভে ডলার জমাতে বাধ্য হলো। এভাবেই ডলার স্বর্ণের পরিবর্তে ‘তেলের মানদণ্ডে’ পরিণত হলো। একে বলা হয় ‘পেট্রোডলার ব্যবস্থা’।
এই ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করল। কারণ, এখন তারা যত খুশি ডলার ছাপাতে পারে। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকে তা ব্যবহার করতে বাধ্যও করতে পারে।
আন্তর্জাতিক ঋণের ফাঁদ এবং ডলারের আধিপত্য
ডলার কেবল লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে বিশ্বকে শাসন করেনি, এটি একটি ভয়ংকর ঋণের ফাঁদও তৈরি করেছে।
বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ডলারে ঋণ দিতে শুরু করল। এই ঋণের সঙ্গে কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হতো, যেমন—সরকারি সম্পদ বেসরকারিকরণ, সামাজিক খাতের বাজেট কমানো, মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া ইত্যাদি।
অনেক দেশ এই ঋণের জালে আটকে পড়ে। তারা ডলার ঋণ নিয়েছে, কিন্তু যখন তারা এটি পরিশোধ করতে পারছে না। ফলে তাদের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে। তখন যুক্তরাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সেই দেশগুলোর নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে।
এভাবে ডলার শুধু একটি মুদ্রা নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠল।
ডলারের আধিপত্যের চ্যালেঞ্জ
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মার্কিন ডলার বৈশ্বিক বাণিজ্যের মূল মুদ্রা হিসেবে রাজত্ব করে আসছে। বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ, জ্বালানি লেনদেন—সবকিছুতেই ডলারের একচেটিয়া আধিপত্য ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক দেশ ও জোট ডলারের বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগোতে শুরু করেছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে শক্তিশালী পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যা ভবিষ্যতে ডলারের অব্যাহত আধিপত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
চীন ও ইউয়ানের উত্থান: ডলারের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী
বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের উত্থান গত দুই দশকে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ২০০০ সালের দিকে চীনের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল। কিন্তু ২০২০-এর পর দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়। চীন শুধু উৎপাদনশীলতার দিক থেকে নয়, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাদের নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের ব্যবহার বাড়িয়ে ডলারের আধিপত্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে।
চীন এখন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ নামে একটি বিশাল অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। সেখানে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বহু দেশ যুক্ত হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় চীন বিভিন্ন দেশে ট্রেনলাইন, বন্দর, সড়ক এবং শিল্প–কারখানা নির্মাণ করছে। এর বিনিময়ে চীন ওই দেশগুলোর সঙ্গে ইউয়ানে লেনদেন করছে। ফলে এসব দেশেও ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ছে এবং ডলারের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে উঠছে।
এ ছাড়া চীন বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় চুক্তি করেছে। এর ফলে দেশগুলো চাইলে ডলারের পরিবর্তে সরাসরি ইউয়ানে লেনদেন করতে পারে।
বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম রাশিয়া ও ইরান ইতিমধ্যেই চীনের সঙ্গে তেল ও গ্যাস লেনদেনে ডলারের পরিবর্তে ইউয়ান গ্রহণ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও এখন চীনের সঙ্গে ইউয়ানে বাণিজ্য করার পরিকল্পনা করছে।
রাশিয়া ও পেট্রোডলারের পতনের সূচনা
রাশিয়া ডলারের আধিপত্য ভাঙতে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণ করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে রাশিয়ার ব্যাংকগুলোকে আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম সুইফট সিস্টেম থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর ফলে রাশিয়া ডলারভিত্তিক লেনদেন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা শুরু করে।
রাশিয়া এখন তার প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে রুবল ও ইউয়ানভিত্তিক লেনদেন চালু করেছে। ভারত ও চীনের সঙ্গে রাশিয়া তেলের দাম রুবল ও ইউয়ানে নিচ্ছে, যা ডলারের জন্য বড় একটি ধাক্কা। ফলে ‘পেট্রোডলার’ ব্যবস্থা, যেখানে এখন ধীরে ধীরে দুর্বল হতে শুরু করেছে।
ব্রিকস জোটের বিকল্প মুদ্রা পরিকল্পনা
বিশ্ব অর্থনীতিতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ব্রিকস (ব্রাজিল, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, চায়না, সাউথ আফ্রিকা) জোটের শক্তিশালী হয়ে ওঠা। এই দেশগুলো একত্রিত হয়ে ডলারের বিকল্প একটি মুদ্রা তৈরির চেষ্টা করছে।
২০২৩ সালে ব্রিকস সম্মেলনে নতুন সদস্য হিসেবে সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও ইথিওপিয়া যোগ দেয়। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ। তারা যদি ডলারের বদলে ব্রিকস মুদ্রা বা ইউয়ানে লেনদেন শুরু করে, তাহলে এটি ডলারের ওপর সরাসরি আঘাত হানবে।
ব্রিকস দেশগুলো নিজেদের মধ্যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি বিকল্প আন্তর্জাতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল মুদ্রা চালুর পরিকল্পনা করছে। যদি তারা এটি বাস্তবায়ন করতে পারে, তবে এটি ডলারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
মধ্যপ্রাচ্যে পরিবর্তন: সৌদি আরব কি ডলার ছেড়ে দেবে?
২০২৩ সালে চীন ও সৌদি আরবের মধ্যে ইউয়ানে তেল বিক্রির আলোচনা শুরু হয়। সৌদি আরব যদি চূড়ান্তভাবে ইউয়ানে তেল বিক্রি শুরু করে, তাহলে এটি পেট্রোডলার ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যেই চীনের সঙ্গে ইউয়ানে লেনদেন শুরু করেছে। এ ছাড়া ইরান ও রাশিয়া আগেই ডলারের বিকল্প খুঁজে নিয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এই পরিবর্তন ডলারের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
ডিজিটাল মুদ্রার উত্থান: ডলার কি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে?
বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবস্থার উত্থান ডলারের জন্য আরেকটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
চীন ইতোমধ্যেই ‘ডিজিটাল ইউয়ান’ চালু করেছে, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইউরোপ, রাশিয়া এবং ভারতের মতো দেশগুলোও তাদের নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রার উন্নয়ন করছে।
যদি এই ডিজিটাল মুদ্রাগুলো ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে, তাহলে বিশ্বব্যাপী ডলারের ব্যবহার কমতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র কি এই পরিবর্তন ঠেকাতে পারবে?
ডলারের আধিপত্য হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশাল অর্থনৈতিক ধাক্কা হতে পারে। কারণ, মার্কিন সরকার এত দিন ধরে বিশাল পরিমাণ ঋণ নিয়ে চলেছে, যার বেশির ভাগই ডলার ছাপিয়ে পরিশোধ করা হয়। যদি বিশ্ব ডলারের বিকল্প ব্যবহার শুরু করে, তাহলে মার্কিন ডলারের চাহিদা কমে যাবে এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো বেশ কয়েকটি কৌশল অবলম্বন করছে ডলারের প্রভাব ধরে রাখতে—যেমন, নতুন বাণিজ্য চুক্তি করা; বিশ্বব্যাপী সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা ও চীনের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বাণিজ্যযুদ্ধ চালিয়ে তাদের মুদ্রার উত্থান ঠেকানো।
তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এই কৌশলগুলো কত দিন কার্যকর থাকবে?
ডলার এখনো বিশ্বের প্রধান মুদ্রা। কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন আসছে। চীন, রাশিয়া, ব্রিকস দেশগুলো এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ ডলারের বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে।
রাতারাতি হয়তো কিছু ঘটবে না। তবে একসময় ব্রিটিশ পাউন্ডও বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এখন তার সেই দাপট আর নেই। ডলারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে চলেছে? উত্তর সময়ই দেবে।
* জাভেদ হুসেন প্রথম আলোর সম্পাদকীয় সহকারী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1404)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
April
(427)
-
▼
Apr 03
(21)
- ট্রাম্প কেন ইউরোপের মৃত্যু দেখতে চান by নাথালি টর্চি
- বিএনপি এখন কী করবে? by কাজী মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান
- ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
- দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন টিউলিপ
- ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক: কবে নাগাদ বাড়ছে পণ্যের দাম...
- কোচবিহার: ‘কতো রবো আমি পন্থের দিকে’ by মাহমুদ হাফিজ
- ঢাকার ছাদ রেস্তোরাঁয় তাপপ্রবাহের বিপদ by মো. মাইদু...
- ইন্ডিয়া টুডেকে মাহফুজ আনাম: ‘বিএনপি নির্বাচনের জন্...
- সেই সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের নির্দেশনায় চট্টগ্রামে ...
- ভারতকে আরেকটি মিয়ানমার হতে দেওয়া ঠিক হবে না, ওয়াক্...
- একটি কাগজের নোট যেভাবে অস্ত্র হয়ে উঠল by জাভেদ হুসেন
- ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা ব্যবহার...
- মধ্যরাতে ওসির সঙ্গে মাতলামি, স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন...
- বেহুদা প্যাঁচাল: সকল দলের সরকার তত্ত্ব এবং কিছু কথ...
- ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল
- মিয়ানমারে ভূমিকম্প: মসজিদে নামাজ পড়ার সময় নিহত ৫০০...
- মাস্কের বিপুল অর্থব্যয় সত্ত্বেও জয়ী ডেমোক্র্যাট প্...
- ট্রাম্পের ‘লিবারেশন ডে’, বিশ্ব বাণিজ্যে নয়া ঝুঁকির...
- ‘জবরদস্তিমূলক’ নির্মাণ কাঠামো ধ্বংস: যোগী আদিত্যনা...
- মিয়ানমারে ভূমিকম্প: বদলেছে নদীর গতিপথ, মহাশূন্য থে...
- উল্টো দিকে ঘুরছে পৃথিবী, চিন্তায় বিজ্ঞানীরা
-
▼
Apr 03
(21)
-
▼
April
(427)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment