Monday, March 31, 2025
মোগল আমলে যেমন ছিল ঢাকার ঈদ by সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
মোগল আমলে যেমন ছিল ঢাকার ঈদ by সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
ছবির সেই ঈদের মিছিলটি নিমতলী প্রাসাদ থেকে বের হয়ে হোসেনি দালান, বেগমবাজার, চকবাজার ঘুরে আবার নিমতলীতে গিয়ে শেষ হয়। জলরঙে আঁকা শিল্পী আলম মুসাওয়ারের এসব চিত্রকলায় ধরা আছে শত শত বছর ধরে পুরান ঢাকায় মোগল ঐতিহ্যের পরম্পরার কথা।
একই সময়ের মোগল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রের একটি দৃশ্য দেখা যাক। হাতি এনে বসানো হলো বাদশাহর সামনে। পাশে হাওদায় রাখা রত্নখচিত শৈল্পিক কেদারায় বসলেন বাদশাহ। কেদারা তুলে দেওয়া হলো হাতির পিঠে। হাতিযোগে বাদশাহ আর পদযোগে রাজকর্মচারীরা চললেন দিল্লির ঈদগাহ অভিমুখে নামাজ পড়তে। মোগল আমলের শেষ দিকের ঈদ মিছিলের এমন বর্ণনা পাওয়া যাবে মুন্সি ফাইজুদ্দিনের ‘বাজম-ই আখির’ নামের লেখা উর্দু কাব্যগ্রন্থে। সতেরো শতকে লেখা হয় এই কাব্যগ্রন্থ।
মূলত মোগলদের ঈদের দুই ধারার বর্ণনা পাওয়া যায়। রাজ্য বিজয়ের জন্য যখন ঘোড়ার খুরের সঙ্গে পথে পথে ছন্দ মেলাতে হতো অথবা শত্রুর আক্রমণ থেকে পালিয়ে বাঁচতে হতো, তখন ঈদের উৎসব হতো না। কিন্তু যখন ঈদ উৎসব করতে চেয়েছেন, তখন তা হয়েছে শত শত বছর পরও স্মরণ করার মতোই জাঁকজমকপূর্ণ ইতিহাস। তবে এর সবই ছিল মোগল বাদশাহ, সুবেদার ও বিত্তবানদের জন্য। সাধারণ মানুষের জীবনে সে প্রভাব কমই পড়েছে মোগল আমলে। হোক দিল্লিতে অথবা ঢাকায়।
ঈদ গণমানুষের উৎসব ও অংশগ্রহণের হয়েছে ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর। তখন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের কাছে আবার ফিরে এসেছে মোগলরীতির ঈদ ঐতিহ্য। গত শতকের পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের পুরান ঢাকার ঈদে ছিল সেই ছাপ, যা এখনো বর্তমান এখানকার প্রবীণদের শৈশবস্মৃতিতে। এক মাস সিয়াম সাধনার পর রোজার ঈদের দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতো চাঁদ দেখা দিয়ে।
একই চাঁদ দিল্লি আর ঢাকার আকাশে
দিল্লির লালকেল্লায় চাঁদ দেখার খবর সম্রাটের কানে পৌঁছানোর পর ‘নাকাখানা’ থেকে তোপধ্বনি করার মাধ্যমে তা জানিয়ে দেওয়া হতো শহরবাসীকে। তবে চাঁদটি যে কেল্লা থেকে দেখা যাবেই, এমন নিশ্চয়তা ছিল না। তাই মোগল বাদশাহরা নিশ্চিত হতে ঘোড়সওয়ার পাঠিয়ে দিতেন শহরের নানা দিকে। অশ্বারোহীরা দূরে দূরে বিভিন্ন টিলায় উঠে যেতেন চাঁদ দেখতে।
সত্যি চাঁদ দেখা গেছে কি না, এ জন্য আবার কাজিকে সাক্ষী মানতে হতো। সেই হুলুস্থুল ব্যাপার ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়েছে ক্ষমতার পালাবদলে। একসময় খোদ বাহাদুর শাহ জাফরকে ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়েছে ইংরেজ শাসকদের নজরদারিতে। তবে মোগল বাদশাহর মতো এত জাঁকজমক না থাকলেও পুরান ঢাকার বিত্তবানদের শখও কম ছিল না চাঁদ দেখা নিয়ে।
এই আয়োজনের বর্ণনা পাওয়া যায় ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হেকিম হাবীবুর রাহমানের ‘ঢাকা পাচাস বারাস পাহ্লে’ গ্রন্থে। তিনি বলেছেন, ‘অতি শৌখিন লোকেরা নৌকার সাহায্যে মধ্য নদীতে গিয়ে চাঁদ দেখতেন। কিশোর ও যুবক সবাই যেত। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সী লোকেরা নিজের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করার জন্য অবশ্যই যেতেন...অবশেষে চাঁদ দেখা গেল। বন্দুকের গুলি ছোড়া হলো। তোপধ্বনি করা হলো। এমন সরব হলো যে বধিরও জানতে পারল যে চাঁদ উঠেছে।’
এ বর্ণনা ১৯৪৫ সালের আগের ঢাকার। কিন্তু এখন আর চাঁদ দেখতে না যেতে হয় ঘোড়া নিয়ে দূরের টিলায়, না যেতে হয় বুড়িগঙ্গায়। দিল্লি বা ঢাকা সব জায়গাতেই চাঁদ উঠলে দেখতে পারে সবাই। তবু কিন্তু চাঁদ দেখা গেল কি গেল না, তা নিয়ে উন্মাদনার কমতি ঘটেনি এখনো।
মোগল রীতির প্রভাবের একটি বড় উদাহরণ স্থাপত্য, যার সাক্ষী হয়ে আছে এ অঞ্চলের কয়েকটি শাহি ঈদগাহ। যেখানে ঈদের নামাজ আদায় করতে যাওয়াই ঈদের সকালের প্রথম আনুষ্ঠানিকতা।
স্থাপনায় মোগল ইতিহাস
ঢাকার প্রথম শাহি ঈদগাহ নির্মাণের সময় বহু আগের। বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের অধীনে আসার ৪৪ বছর পর ১৬৪০ সালে। সম্রাট শাহজাহানের ছেলে শাহ সুজার প্রধান অমাত্য মীর কাশিম নির্মাণ করেছিলেন বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত পুরাকীর্তি ধানমন্ডির ঈদগাহটি। এখানে একসময় অনুষ্ঠিত ঈদের প্রধান জামাতে আসতেন সুবা বাংলার সুবাদার, নায়েবে নাজিম ও তাঁদের পরিষদেরা। সাধারণ মানুষ এই মসজিদে নামাজ আদায়ের সুযোগ পেয়েছেন অনেক পরে।
৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী সিলেটের শাহি ঈদগাহটিও মোগল আমলের। সপ্তদশ শতকের গোড়ার দিকে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে এই ঈদগাহ নির্মিত হয়েছিল। ওই সময় সিলেটের ফৌজদার ছিলেন ফরহাদ খাঁ। তাঁরই তত্ত্বাবধানে ঈদগাহ নির্মিত হয় বলে জানা যায়। পরে অনেক রকম পরিবর্তন হয়েছে, তবে মূল স্থাপত্য নকশা আছে সেই সুপ্রাচীন আদলেই। ফলে এই ঈদগাহও মোগল স্থাপত্যের নিদর্শন। সাধারণ মানুষের জীবনে সে আমলে ঈদের উৎসবের কথা সেভাবে জানা না গেলেও মোগলদের তৈরি বিভিন্ন স্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঈদের স্মৃতি।
আরেকটি ছিল ঈদ মিছিল। তখন রাজনির্দেশেই আয়োজিত হতো ঈদের মিছিল। যার অনুকরণে ঢাকায়ও হয়েছে মিছিল, যার উদাহরণ রয়েছে পোস্টকার্ডে।
ঈদ মিছিলের আয়োজন
মুহম্মদ সাকি মুস্তক খান ও মির্জা মুহম্মদ কাজিম প্রণীত ‘মসির ই আলমগিরি’ নামে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের জীবনীতে উল্লেখ পাওয়া যায়, তাঁর অধিকাংশ বিজয় রোজার মাসে হয়েছে। প্রথম দিকে তাই এ মাসে শুরু হয়েছিল উদ্যাপন। সংযমের মাস বিবেচনায় পরে উৎসব সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ঈদের দিন সকাল থেকে পরবর্তী ১০ দিন পর্যন্ত।
মোগল আমলের শেষ দিকের ঈদ বর্ণনা স্থান পেয়েছে ‘বাজম-ই আখির’ বইতে। বইটি উর্দু থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন ভারতের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও স্থাপত্য নিয়ে গবেষণা করা প্রখ্যাত লেখক রানা সাফভি। রানা সাফভির ‘হাউ দ্য বাদশাহস অব দিল্লি সেলিব্রেটেড ঈদ ডিউরিং দ্য ফাইনাল ইয়ারস অব দ্য মোগল এম্পায়ার’ প্রবন্ধে উল্লেখ পাওয়া যায়, ঈদ মিছিলের কথা। সেখানে উল্লেখ আছে বাহাদুর শাহ জাফর হাতির পিঠে ওঠার জন্য কেদারায় বসার পর তাঁর পাশে বসলেন বাদশাহর ছেলেরা। ঈদগাহ অভিমুখে ঈদের প্রথম জামাত আদায়ের সে যাত্রাই হতো ঈদ মিছিল। মোগল আমলের এই ঐতিহ্য ঢাকা শহরেও এসেছে মোগল আমলেই। প্রসঙ্গত, ঢাকার চকবাজারের শাহি মসজিদ আর দিল্লির জামা মসজিদের নির্মাণকালের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ৩০ বছরের মতো।
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর থেকে প্রকাশিত পোস্টকার্ডে সতেরো শতকের শুরুতে নায়েব নাজিমদের ঈদ উৎসব উদ্যাপন, ঈদ মিছিলের দৃশ্য আমরা আগেই বর্ণনা করেছি। তবে তখনো ঈদ শুধু বিত্তবানদের। রাজধানী ঢাকাতে সবাইকে নিয়ে ঈদ মিছিলের জমকালো আয়োজন আবার শুরু হয় দেশভাগের পর পাকিস্তান আমলে। তবে সে মিছিল থেকে সামাজিক সচেতনতা, প্রশাসকদের ব্যর্থতা নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রূপের কথাও উঠে আসে। ফলে ঈদ মিছিল অনেকটা জড়িয়ে ছিল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে।
পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের সেই ঈদ মিছিলের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ঢাকা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আজিম বখশ প্রথম আলোকে বললেন, ঈদের নামাজের ক্ষেত্রে ভাগ ছিল তখনো। আহলে হাদিসের অনুসারীরা ঈদের জামাত পড়তে যেতেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে। পুরান ঢাকার ঈদগাহতে নামাজ শেষে এলাকার বিশিষ্টজনেরা যেতেন পঞ্চায়েত সরদারের বাড়িতে। তখন নারীরা ঈদের নামাজ বাড়িতেই পড়তেন।
খাবারে মোগল প্রভাব
উর্দু রোডের বাসিন্দা লেখক হুমায়রা হুমা প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘সুপারি কাটার সরতা দিয়ে চিকন করে কেটে রাখা হয় খুরমা। সেটা ভিজিয়ে রাখা হয় দুধের মধ্যে। বাড়ির মা-খালা, স্ত্রী কাজটি আগের রাতে করে রাখেন। পুরুষেরা সেই খাবার মুখে দিয়ে যান নামাজ পড়তে। এই প্রচলন বহুকালের।’
ঈদ উৎসবের মোগল ঐতিহ্যের অনেক কিছু হারিয়েছে এভাবে। তবু রয়েছে রসনাবিলাসের পরম্পরা। মোরগ পোলাও থেকে কাচ্চি বিরিয়ানি, কোরমা থেকে কোপ্তা—এর সবকিছুতে মোগলদের রসুইঘরের মতো পেস্তাবাদাম, দুধ, ঘি, জাফরানের ব্যবহার প্রাধান্য পায় পুরান ঢাকার ঈদের রান্নায়।
উর্দু রোড, আগামসি লেন, বংশালসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন মহল্লার পুরুষেরা ঈদের সকালে নামাজ পড়তে যান দুধে ভেজানো খোরমা খেয়ে। এর নাম শির খোরমা। কোনো কোনো বাড়িতে সকালেই হয় দুধ সেমাই, জর্দা, লাচ্ছা সেমাই। ফিরে এসে খান পোলাও বা খিচুড়ির সঙ্গে নানা পদের মাংস। এই মিষ্টি মুখে দিয়ে নামাজে যাওয়া মোগল আমলের পরম্পরা।
বংশালের কয়েকজন ষাটোর্ধ্ব বাসিন্দা বললেন, তাঁদের ছোটবেলায় ঘরে পিতলের তৈরি সেমাইয়ের কল দিয়ে সেমাই বানানো হতো। এর নাম ছিল চুটকি। সেটাই রান্না করা হতো ঈদের দিন সকালে। পানি ঠান্ডা করার কায়দা ছিল কর্পূর, ফিটকিরি। ঈদের রান্নার মসলা করে রাখা হতো আগের রাতে। এখন এসব কল্পনা মনে হয়। সময় কোথায় মানুষের!
বংশালের এই বাসিন্দাদের অনেকের সন্তান এখন থাকেন বর্ধিত ঢাকায়। তাঁরা ঈদের দিন বংশালের বাড়িতে যান। তবে ঐতিহ্য রক্ষার বাধ্যবাধকতা নেই তাঁদের দ্রুতগতির জীবনে। এখানকার বাসিন্দারা অভিযোগ করলেন, পুরান ঢাকার ঐতিহ্য বলে অনেক কিছু চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে এখন, যা আদতে পুরান ঢাকার নয়। যেমন চকবাজারের ইফতারের আইটেমের নাম বলে অনেক কিছু বিক্রি হয়। কিন্তু একসময় মানুষ কি কেনা খাবারের ওপর নির্ভরশীল ছিল?
ইতিহাসবিদ ও গবেষক হাশেম সূফী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকার ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো হলেও বর্তমান পুরোনো ঢাকার ঐতিহ্য মোগল আমল থেকে। সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন শুরু হয়েছে পাকিস্তান আমলের শেষ সময় থেকে। এ সময় রেস্তোরাঁয় খাওয়ার প্রচলন শুরু হয়। এরপর বাংলাদেশের জন্মের অনেক পরে শুরু হয় হোটেলে বসে ইফতারের সুযোগ।’
![]() |
| ঢাকার নবাবদের আয়োজনে হতো বাহারি ঘোড়দৌড়। ঈদ উৎসব তখনও আমজনতার হয়নি। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
March
(433)
-
▼
Mar 31
(11)
- মার্কিন যুদ্ধবিমান এবং ইরান : ভারত মহাসাগরে কী ঘটত...
- মোগল আমলে যেমন ছিল ঢাকার ঈদ by সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
- ঈদের দিনেও গাজায় হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৪
- পঞ্চান্ন বছর আগের ‘ঝিনুক’ ঈদসংখ্যা by হোসাইন মোহাম...
- পানির বোতল কত দিন পরপর পরিষ্কার করা উচিত
- অল্প বয়সেও কেন হার্ট অ্যাটাক হয় by ডা. আফলাতুন আকত...
- রেড রোডে নামাজের মঞ্চ থেকে মুসলমানদের আশ্বস্ত করেছ...
- কলকাতার রেড রোডে ঈদের ঐতিহাসিক জামাত অনুষ্ঠিত
- ট্রাম্পের যত ‘বিতর্কিত সিদ্ধান্ত’: আদালতে একের পর ...
- মুসলিম বিশ্বে ঈদ আসে, গাজায় ঈদ আসে না
- কাঁদতে কাঁদতে গাজার বাসিন্দা বললেন, ‘আমরা তো সব হা...
-
▼
Mar 31
(11)
-
▼
March
(433)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment