Monday, January 5, 2026
মাদুরোকে তুলে এনে যুক্তরাষ্ট্র কি ভেনেজুয়েলা ‘চালাতে’ পারে, আন্তর্জাতিক আইন কী বলছে
মাদুরোকে তুলে এনে যুক্তরাষ্ট্র কি ভেনেজুয়েলা ‘চালাতে’ পারে, আন্তর্জাতিক আইন কী বলছে
ট্রাম্প প্রশাসন এখনো বিস্তারিতভাবে তাদের এই পদক্ষেপের আইনি ব্যাখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে অতীতের কিছু অভিযান এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিওর মন্তব্য থেকে কিছু ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
১৯৮৯ সালে বুশ প্রশাসন পানামার নেতা ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে সেখানে অভিযান চালিয়েছিল। তখন তারা এই অভিযানকে ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সামরিক সহায়তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। মাদুরোর মতো নরিয়েগার বিরুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্র মাদক পাচারের অভিযোগ এনেছিল। পেন্টাগন একইভাবে মাদুরোকে তুলে নেওয়ার অভিযানকে বিচার বিভাগের প্রতি ‘সহায়তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ভেনেজুয়েলায় অভিযান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আইনি ভিত্তি নিয়ে বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হলো—
যুক্তরাষ্ট্রের কি ভেনেজুয়েলা ‘শাসন’ বৈধ
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প যখন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই দেশ ‘চালাবে’ বা যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে ভেনেজুয়েলা চলবে। তখন তাঁর কথায় ইঙ্গিত ছিল, তিনি মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে তাঁর কথা মানতে বাধ্য করবেন।
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ট্যাবলয়েড দ্য নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ভেনেজুয়েলা চালাতে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, যদি ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরা যা চাই তা করেন, তবে আমাদের সেটা করতে হবে না।’
তবে ট্রাম্প সাংবাদিকদের এও বলেছেন, দেশের তেলের স্বার্থে সেখানে সরাসরি সৈন্য পাঠাতে হলে তিনি তাতে মোটেই ‘ভীত নন’।
এখন প্রশ্ন হলো, দেলসি রদ্রিগেজ যদি ট্রাম্পের কথা মানতে অস্বীকার করেন, তবে তিনি কীভাবে দেশটি চালাবেন? ট্রাম্প এর কোনো আইনি ভিত্তি ব্যাখ্যা করেননি, যা আন্তর্জাতিক আইনবিশেষজ্ঞদের বিভ্রান্তিতে ফেলেছে।
‘কারডোজো স্কুল অব ল’–এর অধ্যাপক রেবেকা ইংবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ভেনেজুয়েলা ‘চালানোর’ কোনো আইনি পথ তিনি দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইনে একটি অবৈধ দখলদারত্বের মতো শোনাচ্ছে এবং ঘরোয়া আইনেও প্রেসিডেন্টের এমন কিছু করার ক্ষমতা নেই।
ইংবার আরও যোগ করেন, এটি করতে গেলে ট্রাম্পের কংগ্রেসের কাছ থেকে তহবিলের প্রয়োজন হবে।
১৯৮৯ সালের পানামা অভিযান এখানে খুব একটা বড় উদাহরণ হতে পারে না। সে সময় নরিয়েগা নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করলে বিরোধদলীয় প্রার্থী গুইলারমো এনদারাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে শপথ পাঠ করানো হয়েছিল। তখন এনদারাই পানামা চালিয়েছিলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি দেশটি পরিচালনার দায়িত্ব নেননি।
মাদুরোকে তুলে আনা কি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে আনা জাতিসংঘের সনদের লঙ্ঘন বলে মনে হচ্ছে, যে সনদ যুক্তরাষ্ট্রও স্বাক্ষর করেছে। জাতিসংঘের সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো দেশ অন্য কোনো দেশের সার্বভৌম অঞ্চলে অনুমতি ছাড়া, আত্মরক্ষা ছাড়া বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতি ছাড়া শক্তি প্রয়োগ করতে পারে না।
সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র যখন বিদেশের মাটিতে ড্রোন হামলা চালায়, তখন তারা দাবি করে, সেই দেশের সরকারের অনুমতি আছে অথবা এটি আত্মরক্ষার জন্য করা হয়েছে। কিন্তু কাউকে বিচারের জন্য গ্রেপ্তার করা ‘আইন প্রয়োগকারী’ কাজ, এটি কোনো ‘আত্মরক্ষা’ নয়।
১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য পানামায় অভিযানের নিন্দা জানানোর পক্ষে ভোট দিয়েছিল। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৭৫-২০ ভোটে এটিকে ‘আন্তর্জাতিক আইন এবং রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
মার্কিন আইনে জাতিসংঘের এই নিষেধাজ্ঞার কি কোনো গুরুত্ব আছে
এই জায়গাটি আরও বেশি জটিল। স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোকে দেশের ‘সর্বোচ্চ আইন’ হিসেবে গণ্য করে মার্কিন সংবিধান এবং প্রেসিডেন্টের ওপর দায়িত্ব দেয়, যেন ‘আইনগুলো সঠিকভাবে পালন করা হয়’।
কিন্তু সরকারি আইনজীবীরা এমন তত্ত্ব সামনে আনেন, সংবিধান কখনো কখনো প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক আইনের সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে বিদেশে শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা দিয়ে থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, পানামা অভিযানের সময় বিচার বিভাগের আইনি পরামর্শক অফিস (ওএলসি) দাবি করেছিল, মার্কিন ফৌজদারি মামলার কোনো পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বিদেশে এফবিআই পাঠানোর ‘সহজাত সাংবিধানিক ক্ষমতা’ বুশের আছে, এমনকি যদি সেই অভিযানে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হয়ে থাকে তবুও।
এই মতবাদে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম পি বার। পরে প্রকাশ পাওয়া তাঁর এই যুক্তির বেশ সমালোচনা করেছিলেন আইনবিশেষজ্ঞরা। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক আইনজীবী ব্রায়ান ফিনুকেইন ২০২০ সালের একটি প্রবন্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন, পি বারের মেমো দুটি বিষয়কে ভুলভাবে গুলিয়ে ফেলেছে। ফলে দুটি প্রশ্ন উঠছে।
একটি প্রশ্ন হচ্ছে, কংগ্রেস যদি আলাদা কোনো আইন না করে, তবে মার্কিন আদালত কোনো স্বাক্ষরিত চুক্তি কার্যকর করতে পারে কি না।
অন্য প্রশ্নটি হচ্ছে, আদালত কার্যকর করতে পারুক আর নাই পারুক—সব স্বাক্ষরিত চুক্তিই সেই ধরনের আইন কি না, যা প্রেসিডেন্ট সাংবিধানিকভাবে মানতে বাধ্য।
ফিনুকেইন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের সনদ মানতে বাধ্য এবং এটি স্বাক্ষরের সময়ও তা–ই বোঝা গিয়েছিল। এমনকি কোনো আদালত যদি তাঁকে এটি মানতে বাধ্য করার নির্দেশ না–ও দেন, তবু তিনি মানতে বাধ্য। তবে সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত রায় দেননি।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বোমা হামলা আসলে কী
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মাদুরোকে তুলে আনার জন্য মার্কিন বাহিনীর দলকে বহনকারী হেলিকপ্টারগুলো যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছিল। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কারাকাসে বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান–দলীয় সিনেটর মাইক লি শনিবার সকালে এক পোস্টে বলেছিলেন, যুদ্ধের ঘোষণা বা সামরিক অভিযানের অনুমতি ছাড়া কোন সাংবিধানিক ভিত্তিতে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা জানার অপেক্ষায় আছেন তিনি।
কয়েক ঘণ্টা পর লি জানান, মার্কো রুবিও তাঁকে ফোন করে বলেছেন, আজ রাতে যে হামলা দেখা গেছে, তা মূলত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে যাওয়া কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য করা হয়েছে।
লি বলেন, রুরিও তাঁকে আরও বলেছেন, এই পদক্ষেপ সম্ভবত সংবিধানের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীন প্রেসিডেন্টের ‘সহজাত সুরক্ষা ক্ষমতার’ আওতায় পড়ে, যা মার্কিন কর্মীদের আসন্ন হামলা থেকে রক্ষার অনুমতি দেয়।
এটি মূলত ‘সহজাত সুরক্ষা ক্ষমতা’র প্রয়োগ বলে মনে হচ্ছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের এই তত্ত্ব অনুযায়ী, ফেডারেল আইন কার্যকর করতে যাওয়া কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই প্রেসিডেন্ট তাঁর সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারেন।
ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে অভিবাসন কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে ফেডারেল সৈন্য মোতায়েনের ক্ষেত্রেও এই তত্ত্ব ব্যবহার করেছে।
মার্কিন জেনারেল কেইন শনিবার বলেছেন, বেশ কয়েকবার মার্কিন হেলিকপ্টারগুলো আক্রমণের মুখে পড়েছিল এবং তারা পাল্টা গুলি চালিয়েছিল। মূলত এই অভিযানে মোতায়েন করা ইউনিটের ‘আত্মরক্ষার সহজাত ক্ষমতা’র প্রয়োগ করা হয়েছে।
মাদুরোর স্ত্রীর বিষয়ে কী তথ্য আছে
মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস ২০২০ সালে মাদুরোর বিরুদ্ধে আনা মূল অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন না। কিন্তু তাঁকেও বন্দী করা হয়েছে। বিচারের জন্য তাঁকেও যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি ঘোষণা করেছেন, তাঁকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার আদালত একটি অতিরিক্ত অভিযোগপত্র প্রকাশ করেছেন, যেখানে ফ্লোরেসকে আসামি হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। তারিখটি অস্পষ্ট করে রাখা হলেও এই অভিযোগপত্র পেশ করা মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল ক্লেটন গত বছর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
মার্কিন আদালত কি গ্রেপ্তারের পদ্ধতি নিয়ে মাথা ঘামাবেন
সম্ভবত না। মাদুরো যদি এই যুক্তিও দেখান, জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী তাঁর গ্রেপ্তার অবৈধ ছিল, তবু মার্কিন আদালতগুলোর তাঁর বিচার করার ক্ষমতা থাকবে।
আসামিকে অবৈধভাবে আদালতে আনা হয়েছে—১৮৮৬, ১৯৫২ ও ১৯৯২ সালে বেশ কিছু মামলায় আদালত এমন যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে নজির রয়েছে। মূলনীতি হলো আসামি কীভাবে সেখানে এসেছেন, তা বড় কথা নয়। আদালতে তাঁর উপস্থিতিই বিচারের জন্য যথেষ্ট।
রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মাদুরো কি ‘দায়মুক্তি’ পাবেন
আন্তর্জাতিক আইনে রাষ্ট্রপ্রধানদের বিদেশি আদালতে ছাড় পাওয়ার একটি দীর্ঘস্থায়ী নীতি রয়েছে। ১৮১২ সালের এক রায় থেকেই সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করেন, ‘সার্বভৌম ব্যক্তি’ বিদেশি ভূখণ্ডে গ্রেপ্তার বা আটক থেকে মুক্ত থাকবেন।
মাদুরো কি তাহলে এই ছাড় পাওয়ার যোগ্য? তাঁর আইনজীবীরা অবশ্যই এই দাবি করবেন। তবে এটি নির্ভর করবে এই বিষয়ের ওপর—কাউকে কেবল একটি দেশের নেতা হিসেবে দেখা এবং তাঁকে রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মেনে নেওয়া—এই দুটি বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য কী? আর সেটি কে নির্ধারণ করবে?
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বারবার বলেছেন, মাদুরো ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট নন। বরং তিনি একটি মাদক পাচারকারী সংস্থার প্রধান, যিনি সরকারের ছদ্মবেশে আছেন।
পানামার তৎকালীন নেতা ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে গ্রেপ্তারের পর রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ছাড় দেওয়ার দাবি করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। কিন্তু তৎকালীন বুশ প্রশাসন যুক্তি দিয়েছিল, তিনি এর যোগ্য নন। ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ও আপিল আদালত নরিয়েগার বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন।
জর্জ বুশের নাকচ করে দেওয়াই কেবল আদালতের রায়ের ভিত্তি ছিল না, বরং পানামার আইনও ওই রায়ে বিবেচ্য ছিল। সে দেশের আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট হবেন একজন নির্বাচিত ব্যক্তি। কিন্তু নরিয়েগা ছিলেন একজন সামরিক নেতা।
মাদুরোর অবস্থান আরও জটিল। তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং হুগো চাভেজের মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হন। ২০১৩ সালের নির্বাচনে তিনি খুব সামান্য ব্যবধানে জয়ী হন। যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে দীর্ঘদিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
ভেনেজুয়েলার জাতীয় নির্বাচনী কাউন্সিল ২০১৮ ও ২০২৪ সালে নিকোলা মাদুরোকে বিজয়ী ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সেই ফলাফলে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ ২০১৯ সাল থেকে এবং জো বাইডেনের মেয়াদে ২০২৪ সাল থেকেও যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতি দেয়নি।
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ২০১৫ সালের একটি নজির টেনে অধ্যাপক ইংবারের অনুমান, ‘সুপ্রিম কোর্ট সম্ভবত এই রায়ই দেবেন, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়মুক্তি বাতিলের স্বার্থ মাদুরোকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্পের আছে। আর তাই মাদুরো রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে কোনো ছাড় পাবেন না।’
| যুক্তরাষ্ট্রের ড্রাগ অ্যাডমিনিস্টেশনের কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে নিকোলা মাদুরোকে। ৩ জানুয়ারি ২০২৬, যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1402)
-
▼
January
(307)
-
▼
Jan 05
(16)
- গাজা দখলের ইসরায়েলি ‘হলুদ’ নকশা কি ঠেকাতে পারে ট্র...
- ভেনেজুয়েলাকে নিশানা করলেন ট্রাম্প, এরপর কে by স্টি...
- পশ্চিমাদের টেক্কা দিতে যেভাবে নিজস্ব ‘ম্যানহাটান প...
- মাদুরোকে ২১০০ মাইল পাড়ি দিয়ে যেভাবে নেওয়া হলো নিউই...
- ইয়েমেনের ঘটনা দেখিয়ে দিল সৌদি আরব ও আমিরাত পরস্পর...
- মাদুরোর উত্তরসূরি ভেনেজুয়েলার নেত্রী দেলসি কে, যুক...
- মাদুরোকে তুলে এনে যুক্তরাষ্ট্র কি ভেনেজুয়েলা ‘চাল...
- পঙ্খিরাজ, ভাষামানিকসহ ১০ জাতের ধান সংরক্ষণ করতে চা...
- বান্দরবানে চিত্র প্রদর্শনী: পাল্লায় উঠেছে প্রাণ-প্...
- বাসচালক থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট
- ব্রুকলিনের আটককেন্দ্রে রাখা হবে মাদুরোকে, অনেক কিউ...
- নিকোলা মাদুরোপুত্র মাদুরো গুয়েরা সম্পর্কে যা জানা গেল
- ধাপে ধাপে চাষ করেন জাহাঙ্গীর, ১৩ বিঘা জমিতে লেটুস,...
- মাদুরো আটক: ভেনেজুয়েলা সরকারের একটি সূত্র সক্রিয়ভা...
- ভেনেজুয়েলায় হামলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে ট্রাম্পকে ফ...
- ‘ক্রসরোডে’ বাংলাদেশের রাজনীতি
-
▼
Jan 05
(16)
-
▼
January
(307)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment