Tuesday, July 7, 2015
শহীদ জননীর জন্য ভালোবাসা by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
শহীদ জননীর জন্য ভালোবাসা by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
১...
২৬ জুন শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুদিবস ছিল। আমার বিশ্বাস হয় না দেখতে দেখতে একুশ বছর কেটে গেছে। মনে হয় এই তো মাত্র সেদিন নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সিতে সভা-সমিতি করে গাড়ি করে তাঁর সাথে আমি ঘুরে বেড়িয়েছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলনে যিনি ইস্পাতের মতো কঠিন, সিংহীর মতো শক্তিশালী, সেই একই মানুষ ব্যক্তিগত পরিবেশে নিরিবিলি কথা বলায় সময় একেবারেই সহজ সরল। নিজের কথা বলতে গিয়ে একটু পরপর তিনি বাচ্চা মেয়ের মতো খিলখিল করে হেসে উঠেন। মাঝে মাঝেই মনে হয়, আমার কত বড় সৌভাগ্য আমি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মতো একজন মানুষের স্নেহ পেয়েছি।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে যখন শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তখন নূতন প্রজন্মের তরুণেরা সেখানে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিশাল একটি ছবি লাগিয়েছিল। আমার মনে হত, সেই ছবির জাহারানা ইমাম এক ধরনের স্নেহ নিয়ে শাহবাগের লক্ষ লক্ষ তরুণ তরুণীর দিকে তাকিয়ে আছেন। মনে আছে একদিন সন্ধ্যে বেলা মোমবাতি জ্বালানোর একটি কর্মসূচি ছিল। শাহবাগে লক্ষ লক্ষ মোমবাতি মিটি মিটি করে জ্বলছে এবং তার মাঝে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিশাল প্রতিকৃতি স্মিত হাসিতে সবার দিকে তাকিয়ে আছে, সে রকম একটা ছবি আছে। আমি মাঝে মাঝেই সেই ছবিটি দেখি, আমার খুব ভালো লাগে। মনে হয়, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সত্যিই আমাদের সাথে আছেন। সত্যি সত্যি আমার দিকে তাকিয়ে বলছেন, “আমি বলেছিলাম না, এই দেশের মাটিতে একদিন যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবেই হবে।”
মৃত্যুর ঠিক আগে আগে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি এলাকায় আমরা বেশ কয়েকজন সারা রাত গাড়ি চালিয়ে মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েটের হাসপাতালে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। তখন তাঁর কথা বন্ধ হয়ে গেছে, মুখে কিছু বলতে পারেন না, কিছু বলতে চাইলে কাগজে লিখে দেন। এক সাথে বেশি ভিজিটর যাওয়া নিষেধ। তাঁর ছেলে জামী আমাদের দুজন দুজন করে নিয়ে গেছে। আমি যখন গিয়েছি তখন ধবধবে সাদা একটা বিছানায় চুপচাপ বসে আছেন। আমাদের দেখে মৃদু হাসলেন এবং তখন আমার সাথে যে ছিল সে ভেউ ভেউ করে কাঁদতে শুরু করল। জাহানারা ইমাম কাগজে লিখলেন, “এখন কান্নার সময় না, এখন হাসার সময়।”
কাগজে লিখে লিখে আমাদের সাথে কথা বললেন। এক সময় আমাদের সময় শেষ হয়ে গেল, তখন আমরা বিদায় নিয়ে চলে এলাম। আমরাও জানি, তিনিও জানেন, আমাদের আর দেখা হবে না। মনে আছে তখন কাগজে লিখেছিলেন, এই দেশের মাটিতে যুদ্ধাপরীর বিচার হবেই হবে। কাগজগুলো কার কাছে আছে কোথায় আছে কে জানে।
তার কয়েক দিন পরই শহীদ জননী মারা গেলেন। মারা যাওয়ার আগের মাসগুলো তিনি চিকিৎসার জন্যে তাঁর ছেলের কাছে থাকেন। তাঁর মন ভালো করার জন্যে আমি তাঁকে মাঝে মাঝে ছোটখাট উপহার পাঠাতাম। একবার আমাদের পাঠানো একটা উপহারের প্যাকেট পেয়ে তিনি খুব খুশি হয়ে আমাকে একটা চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিটি আমি সযত্নে রক্ষা করেছিলাম, কিন্তু বাসার অসংখ্য কাগজপত্রের ভিড়ে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল। সেদিন বইপত্র গোছাতে গোছাতে হঠাৎ করে সেই চিঠিটি আমি আবার খুঁজে পেলাম, সেটি পড়ে আমার বুকটা কেমন জানি টন টন করে উঠল। আমাদের কাছে লেখা একান্তই ব্যক্তিগত চিঠি, কিন্তু তারপরও আমি সেটা পাঠকদের জন্যে তুলে দিই। শহীদ জননী লিখেছেন:
স্নেহের জাফর ও ইয়াসমিন,
‘‘তোমাদের পাঠানো প্যাকেটটা এমন সময়ে আজ বিকেলে পেলাম যখন আমার মনের অবস্থা যাকে বলে all time low সেই পর্যায়ে। কারণটা হল, প্রথম থেকে জানতাম ৬ সপ্তাহের রেডিয়েশান থেরাপি দেওয়া হবে Five days a week, মোটমাট 30 treatments, হঠাৎ গত সপ্তাহে ডাক্তার বললেন, 25 treatments দেব। হিসেব করে দেখা গেল, ৩০ ডিসেম্বর ২৫ তম রে-থেরাপি নেওয়া শেষ হবে। বাড়িশুদ্ধ সবাই খুশি। আজ হঠাৎ ডাক্তার বললেন, না, ৩০টাই নিতে হবে। যেটা শেষ হবে ৭ জানুয়ারি (ছুটিছাটা বাদে)। রাগ এবং হতাশা দুটোই প্রবল হয়েছে। এমন সময় তোমাদের পাঠানো অপূর্ব উপহারসামগ্রী এল, যার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছে তোমাদের চিঠিটি। আসলে, জাফর, তোমার অনুভবের গভীরতাটাই আমাকে অভিভূত করেছে সবচেয়ে বেশি।
গতবারও তুমি আমাকে একটা চমৎকার বাঁধানো লেখার খাতা দিয়েছিলে, (এবং কলমও)। আসলে আমি এত কাটাকুটি করে লিখি, এত revise করি যে, এত সুন্দর বাঁধানো খাতায় লিখতে সাহস হয় না। তবু তোমার অনুভূতির প্রগাঢ় প্রকাশ হিসেবে খাতাটা আমার কাছে রইবে।
অক্টোবরে এখানে এসেই লাইব্রেরি থেকে মরিসনের বই আনতে বলেছিলাম ফ্রিডাকে। একমাত্র Tar Baby ছাড়া অন্য সব বই বাইরে। তার মানে সবাই এখন নিয়ে পড়ছে। Tar Babyএর জায়গায় জায়গায় ভাষার এমন মনোমুগ্ধকর বুনন– পড়তে পড়তে অভিভূত হয়ে গেছি। আমি ওর সব বই এখনও পড়িনি, তবু মনে হয় ওর ভাষার যাদুময়তা ওর লেখার অন্যতম asset-
গান এক পিঠ শোনা হল– অন্য পিঠের একটি গানের প্রথম লাইনটি এই মাত্র কানে ঠেকল– ‘আমার পথে পথে পাথর ছড়ানো’। পুরো গানটায় এখন মনোযোগ দিতে পারছি না, তবে প্রথম লাইনটাই মনে দাগ কেটে দিল– আমারও পথে পথে বাধার পাথর ছড়ানো।
বাচ্চা দুটিসহ তোমাদের দুজনকে অনেক দোয়া ও ভালোবাসা জানিয়ে শেষ করছি।’’
– খালাম্মা
২১ ডিসেম্বর, ৯৩; মিশিগান
২.
শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে একটা কথা কখনও বলা হয়নি। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন আমাদের পরিবারের সবার খুবই প্রিয় বই ছিল আমেরিকায় লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডারের লেখা বইগুলো। তখন ইংরেজি পড়া শিখিনি, তাই বাংলা অনুবাদ পড়েছি। এখনও আমার স্মৃতির মাঝে জ্বলজ্বল করে ‘ঘাসের বনে ছোট্ট কুটির’ নামের সেই বইটা। আমি জানতাম না এই বইগুলো আসলে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম অনুবাদ করেছেন। আমার খুব আফসোস হয়, তাঁকে কখনও বলতে পারিনি তাঁর অনুবাদ করা বইগুলো আমাদের সব ভাইবোনকে ছেলেবেলাতে কত আনন্দ দিয়েছে।
তাঁকে আরও একটা কথা কখনও বলা হয়নি; সেটি হচ্ছে, তাঁর ছেলে রুমী আর আমি ঢাকা কলেজে সহপাঠী ছিলাম। রুমীর কথা সবাই জানে। বাংলাদেশে ‘একাত্তরের দিনগুলো’ বইটি পড়েনি এ রকম মানুষ আর কতজন আছে? আমিও রুমীর কথা জানি, রুমীর মা বলে আমরা সবাই তাঁকে শহীদ জননী বলি। অথচ আমি কখনও রুমীর ছবি ভালো করে দেখিনি। কিছুদিন আগে রুমীর ভালো একটা ছবি দেখে আমি চমকে উঠেছিলাম। কারণ ঢাকা কলেজে আমরা একসাথে পড়েছি। আমি ছিলাম মফস্বল থেকে আসা হাবাগোবা একজন ছাত্র। রুমী ছিল প্রাণশক্তিতে ভরপুর তেজস্বী একজন ছেলে। তখন উনসত্তরের গণআন্দোলন চলছে, কলেজে লেখাপড়া সে রকম হয়নি। যখন হয়েছে তখনও আমি পাবলিক লাইব্রেরিতে বসে গল্প বই পড়ে সময় কাটিয়েছি। ঢাকা কলেজের সহপাঠীদের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে, কিন্তু রুমীর আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া হয়নি। একাত্তরে সে শহীদ হয়েছিল।
রুমী আর আমি সহপাঠী জেনে একটি মেয়ে কয়দিন আগে আমাকে লিখেছে, রুমী বেঁচে থাকলে সে আমাকে যে রকম জাফর স্যার বলে ডাকে রুমীকেও নিশ্চয়ই সেভাবে রুমী স্যার বলে ডাকত। কিন্তু এখন রুমী তাদের কাছে রুমী স্যার নয়, সে কমবয়সী একজন রুমী হিসেবে বেঁচে থাকবে।
আমি শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে এই কথাগুলোও বলতে পারিনি।
৩.
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের দ্বিতীয় ছেলে জামীর সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল মিশিগানে। বছর তিনেক আগে সে আমার সাথে যোগাযোগ করে অনুরোধ করেছিল জাহানারা ইমামের আত্মজৈবনিক বই ‘অন্যজীবন’ বইটি চারুলিপি প্রকাশনী থেকে নূতন করে প্রকাশিত হবে, আমি কি তার ভূমিকা লিখে দিতে পারব ? কী আশ্চর্য একটি অনুরোধ, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটা বইয়ের ভূমিকা লিখব আমি? আমার মতো একজন মানুষ?
আমি বইটির ভূমিকা লিখেছিলাম। আমরা সংগ্রামী তেজস্বী জাহানারা ইমামকে চিনি তাঁর তীব্র গণআন্দোলনের নেতৃত্বের ইতিহাস থেকে। কিন্তু কেউ কি জানে তিনি একসময় যখন ছোট একটা বালিকা ছিলেন তখন কী ভাবতেন, যখন কিশোরী ছিলেন তখন কী করতেন ? ‘অন্যজীবন’ বইটিতে সেই বালিকা, কিশোরী আর তরুণী হাজানারা ইমামের ছবিটুকু আঁকা আছে। আমি আমার মতো করে তাঁর সেই বইয়ের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলাম। তাঁর মৃত্যুদিবসে আমার বার বার তার কথা মনে পড়ছে। পাঠকদের সাথে একটু ভাগাভাগি করে নিই।
অন্যজীবন
জাহানারা ইমাম
ভূমিকা
‘‘অনেক দিন আগের কথা, নিউ ইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এসেছেন। আমার খুব ইচ্ছে তাঁর সাথে একটু পরিচিত হই। যখন তাঁর আশেপাশে কেউ নেই তখন কুন্ঠিতভাবে তাঁর কাছে গিয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে বললাম, ‘আপনি আমাকে চিনবেন না, আমার বড় ভাই হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদ।’ জাহানারা ইমাম আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘আমি তোমাকেও চিনি। আমি তোমার বইও পড়েছি।’ তারপর তিনি আমার বই নিয়ে খুব দয়ার্দ্র কিছু কথা বললেন। শহীদ জননীর কথাগুলো আমার জীবনে খুব বড় ভূমিকা পালন করেছিল। আমি তখন তখনই ঠিক করেছিলাম, আমার লেখা কেউ পড়ুক আর নাই পড়ুক আমি এখন থেকে নিয়মিত লিখে যাব।
তারপর আমি খুব একটা সাহসের কাজ করে ফেললাম, মুক্তিযুদ্ধের উপর লেখা আমার কয়েকটি গল্পের একটা পাণ্ডুলিপি তাঁর হাতে দিয়ে তাঁকে অনুরোধ করলাম কিছু একটা লিখে দিতে। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম আমার বইটির জন্যে খুব সুন্দর কয়টি কথা লিখে দিয়েছিলেন। তাঁর সেই কথাগুলো পিছনের মলাটে লিখে যখন বইটি প্রকাশিত হল, তখন আমার মনে হল সেই লেখাটি আমার জন্যে অনেক বড় সম্মান, সেই বইটি আমার জীবনের খুব বড় একটি সম্পদ।
আজ আমি শহীদ জননীর ‘অন্যজীবন’ বইটির ভূমিকা লিখতে বসেছি, আমি কি কাউকে বোঝাতে পারব এটি আমার জন্য কত বড় সম্মান? তিনি যদি আজ বেঁচে থাকতেন তাহলে কি আমার এই দুঃসাহস দেখে ফিক করে হেসে দিতেন না?
বইটির নাম ‘অন্যজীবন’, জাহানারা ইমাম শুরুতেই বলে দিয়েছেন পরিণত জীবনে তিনি যখন তাঁর জীবনের প্রথম দশকের দিকে তাকান তখন তাঁর বিশ্বাসই হতে চায় না সেটি তাঁর নিজের জীবন। আমরা যখন পড়ি তখন পাঠক হিসেবেও কিন্তু বিষয়টা টের পেতে শুরু করি। আত্মজৈবনিক বই, কিন্তু শুরুতে উত্তম পুরুষে লেখা হয়নি। জাহানারা ইমাম ‘জুড়ু’ নামের একটা বালিকার কথা বলে গেছেন যে খুব ধীরে ধীরে ‘আমি’ হয়ে উঠেছে। নিজেকে বাইরে থেকে দেখার এই পদ্ধতিটি আমার কাছে অভিনব মনে হয়েছে। অন্যজীবনে নিজের চরিত্রটি যে অন্যের জীবন সেটি এভাবেই যেন অনেক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বইটিতে আজ থেকে সত্তর কিংবা আশি বছর আগের জীবনের একটা ছবি উঠে এসেছে। সেই ছবি কখনও একটি শিশু বা বালিকার চোখে দেখা, কখনও-বা পরিণত জাহানারা ইমামের চোখে দেখা। লেখার মাঝে অনেক বিষয় উঠে এসেছে, তবে নিঃসন্দেহে আলাদাভাবে যে বিষয়টি চোখে পড়ার সেটি হচ্ছে, ত্রিশ এবং চল্লিশ দশকের মেয়েদের বেড়ে ওঠা। ছোট ছোট অসংখ্য ঘটনা দিয়ে একটি অপূর্ব কাহিনি গেঁথে তোলা হয়েছে যার ভেতরে বৈচিত্র্যের ছড়াছড়ি। মাকে বাবা বাংলা লেখাপড়া শেখানোর চেষ্টা করেছেন সেই বিষয়টিই কেউ মানতে রাজি নন। আবার রক্ষণশীল সেই পরিবারের মায়ের হাতে পিস্তল, রাতের অন্ধকারে চোরকে প্রতিহত করতে গুলি ছুঁড়তে দ্বিধা করছেন না। কঠিন পর্দার কারণে মহিলাদের গরুর গাড়িতে আটকে রেখে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করছে। সেই মহিলারাই বিয়ের অনুষ্ঠানে কোমর দুলিয়ে নেচে চলেছে, গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে উন্মত্তের মতো কাদা ছোঁড়াছুড়ি, রং ছোঁড়াছুড়ি করছে।
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের কর্মজীবন ছিল শিক্ষাবিদের জীবন, সেদিক দিয়ে বিবেচনা করলে তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরুটি ছিল যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। ক্লাস সিক্স শেষ করে আর লেখাপড়া করবেন না বলে মনস্থির করে ফেলেছেন। কেউ যখন তাঁকে লেখাপড়া করাতে রাজি করতে পারছেন না তখন হঠাৎ করে নিজে থেকেই আবার লেখাপড়ায় আগ্রহ ফিরে পেলেন। কারণটি বিচিত্র, তিনি খবরের কাগজে বিজয়লক্ষী পণ্ডিতের ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলেন। মুগ্ধতা যতটুকু না বিজয়লক্ষী পণ্ডিতের বিদ্যাবুদ্ধি আর পাণ্ডিত্যে, তার থেকে বেশি তাঁর হাতকাটা ব্লাউজ আর বব-ছাটা চুলে! ভারতবর্ষের মানুষ বিজয়লক্ষী পণ্ডিতকে কতটুকু স্মরণ রেখেছে কিংবা ভবিষ্যতে কতটুকু স্মরণ রাখবে আমরা জানি না। কিন্তু আমরা নিঃসন্দেহে নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, বাংলাদেশের মানুষ শহীদ জননীর কথা কখনও ভুলে যাবে না। আজ থেকে সত্তর বছর আগের সেই কিশোরী বালিকাটি কি কখনও সেটা কল্পনা করেছিল?
‘অন্যজীবন’ বইয়ের যে অংশটুকু আমাকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করেছে সেটি হচ্ছে, কৈশোরে তাঁর বই পড়ার তীব্র আগ্রহে। স্কুল শেষ করেই রবীন্দ্র রচনাবলীতে ডুবে গেছেন, বোঁনার নিচে লুকিয়ে বঙ্কিমের ‘কপালকুণ্ডলা’ পড়ছেন। ছোট বয়সে বড়দের ‘নভেল’ পড়ার কারণে নিগৃহীত হচ্ছেন, তবু কোনোমতে নিজেকে খামাতে পারছেন না। বইয়ের জন্যে তীব্র আকর্ষণের কাছে সব যুক্তি, সব বাধা-নিষেধ তুচ্ছ হয়ে যাচ্ছে।
আমরা দেখি ছটফটে একটা কিশোরী সাইকেলে করে শহর চষে ফেলছে, তার আনন্দ আমাদের স্পর্শ করে। আবার দেখতে পাই, হঠাৎ করে বড় হয়ে যাওয়ার অপরাধে তাকে শাড়ি পরিয়ে ঘরের ভেতর বন্দি করে ফেলা হয়েছে, সেই যাতনাটুকুও সমানভাবে আমাদের ব্যথিত করে।
‘অন্যজীবন’ বইয়ের শেষ অংশে জাহানারা ইমাম তরুণী হয়ে উঠেছেন। তাঁর জীবনে প্রায় একই সাথে রাজনীতি আর প্রেম এসে দেখা দিয়েছে। আমরা আবিস্কার করি, প্রেমকে সম্মান দেখাতে গিয়ে তিনি রাজনীতিকে বিসর্জন দিয়েছেন। সে জন্যে তাঁর ভেতরে অস্পষ্ট বেদনাবোধ। এই বইয়ে উল্লেখ নেই, কিন্তু আমরা জানি শেষ জীবনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে তাঁর নেতৃত্বে সারা দেশে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল। আমরা জানি না তরুণ বয়সে রাজনীতিকে বিসর্জন দেওয়ার সেই অতৃপ্তিটুকু শেষ বয়সে পূর্ণ হয়েছিল কী না ! কিন্তু আমরা অন্তত এটুকু জানি, তাঁর এই ভূমিকাটির জন্যে এই দেশের মানুষ তাঁকে বুকের ভেতরে ঠাঁই দিয়েছে।
‘অন্যজীবন’ বইটিতে এই অসাধারণ মানুষটিকে আমরা ছটফটে শিশু, প্রাণোচ্ছিল কিশোরী আর মায়াবতী তরুণী হিসেবে দেখতে পাই। মানুষটি নেই, কিন্তু এই ছটফটে শিশু, প্রাণোচ্ছল কিশোরী আর মায়াবতী তরুণীটি তো আমাদের চোখের সামনে আছেন। সত্যি মানুষ থেকেও বেশি সত্যি এই শিশু, এই কিশোরী আর এই তরুণীকে আমরা কেমন করে ভুলব?’’
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
১০ জানুয়ারি, ২০১২
এটি ছিল ‘অন্যজীবন’ বইয়ের ভূমিকা।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬ জুন শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুদিবস ছিল। আমার বিশ্বাস হয় না দেখতে দেখতে একুশ বছর কেটে গেছে। মনে হয় এই তো মাত্র সেদিন নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সিতে সভা-সমিতি করে গাড়ি করে তাঁর সাথে আমি ঘুরে বেড়িয়েছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলনে যিনি ইস্পাতের মতো কঠিন, সিংহীর মতো শক্তিশালী, সেই একই মানুষ ব্যক্তিগত পরিবেশে নিরিবিলি কথা বলায় সময় একেবারেই সহজ সরল। নিজের কথা বলতে গিয়ে একটু পরপর তিনি বাচ্চা মেয়ের মতো খিলখিল করে হেসে উঠেন। মাঝে মাঝেই মনে হয়, আমার কত বড় সৌভাগ্য আমি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মতো একজন মানুষের স্নেহ পেয়েছি।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে যখন শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তখন নূতন প্রজন্মের তরুণেরা সেখানে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিশাল একটি ছবি লাগিয়েছিল। আমার মনে হত, সেই ছবির জাহারানা ইমাম এক ধরনের স্নেহ নিয়ে শাহবাগের লক্ষ লক্ষ তরুণ তরুণীর দিকে তাকিয়ে আছেন। মনে আছে একদিন সন্ধ্যে বেলা মোমবাতি জ্বালানোর একটি কর্মসূচি ছিল। শাহবাগে লক্ষ লক্ষ মোমবাতি মিটি মিটি করে জ্বলছে এবং তার মাঝে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিশাল প্রতিকৃতি স্মিত হাসিতে সবার দিকে তাকিয়ে আছে, সে রকম একটা ছবি আছে। আমি মাঝে মাঝেই সেই ছবিটি দেখি, আমার খুব ভালো লাগে। মনে হয়, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সত্যিই আমাদের সাথে আছেন। সত্যি সত্যি আমার দিকে তাকিয়ে বলছেন, “আমি বলেছিলাম না, এই দেশের মাটিতে একদিন যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবেই হবে।”
মৃত্যুর ঠিক আগে আগে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি এলাকায় আমরা বেশ কয়েকজন সারা রাত গাড়ি চালিয়ে মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েটের হাসপাতালে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। তখন তাঁর কথা বন্ধ হয়ে গেছে, মুখে কিছু বলতে পারেন না, কিছু বলতে চাইলে কাগজে লিখে দেন। এক সাথে বেশি ভিজিটর যাওয়া নিষেধ। তাঁর ছেলে জামী আমাদের দুজন দুজন করে নিয়ে গেছে। আমি যখন গিয়েছি তখন ধবধবে সাদা একটা বিছানায় চুপচাপ বসে আছেন। আমাদের দেখে মৃদু হাসলেন এবং তখন আমার সাথে যে ছিল সে ভেউ ভেউ করে কাঁদতে শুরু করল। জাহানারা ইমাম কাগজে লিখলেন, “এখন কান্নার সময় না, এখন হাসার সময়।”
কাগজে লিখে লিখে আমাদের সাথে কথা বললেন। এক সময় আমাদের সময় শেষ হয়ে গেল, তখন আমরা বিদায় নিয়ে চলে এলাম। আমরাও জানি, তিনিও জানেন, আমাদের আর দেখা হবে না। মনে আছে তখন কাগজে লিখেছিলেন, এই দেশের মাটিতে যুদ্ধাপরীর বিচার হবেই হবে। কাগজগুলো কার কাছে আছে কোথায় আছে কে জানে।
তার কয়েক দিন পরই শহীদ জননী মারা গেলেন। মারা যাওয়ার আগের মাসগুলো তিনি চিকিৎসার জন্যে তাঁর ছেলের কাছে থাকেন। তাঁর মন ভালো করার জন্যে আমি তাঁকে মাঝে মাঝে ছোটখাট উপহার পাঠাতাম। একবার আমাদের পাঠানো একটা উপহারের প্যাকেট পেয়ে তিনি খুব খুশি হয়ে আমাকে একটা চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিটি আমি সযত্নে রক্ষা করেছিলাম, কিন্তু বাসার অসংখ্য কাগজপত্রের ভিড়ে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল। সেদিন বইপত্র গোছাতে গোছাতে হঠাৎ করে সেই চিঠিটি আমি আবার খুঁজে পেলাম, সেটি পড়ে আমার বুকটা কেমন জানি টন টন করে উঠল। আমাদের কাছে লেখা একান্তই ব্যক্তিগত চিঠি, কিন্তু তারপরও আমি সেটা পাঠকদের জন্যে তুলে দিই। শহীদ জননী লিখেছেন:
স্নেহের জাফর ও ইয়াসমিন,
‘‘তোমাদের পাঠানো প্যাকেটটা এমন সময়ে আজ বিকেলে পেলাম যখন আমার মনের অবস্থা যাকে বলে all time low সেই পর্যায়ে। কারণটা হল, প্রথম থেকে জানতাম ৬ সপ্তাহের রেডিয়েশান থেরাপি দেওয়া হবে Five days a week, মোটমাট 30 treatments, হঠাৎ গত সপ্তাহে ডাক্তার বললেন, 25 treatments দেব। হিসেব করে দেখা গেল, ৩০ ডিসেম্বর ২৫ তম রে-থেরাপি নেওয়া শেষ হবে। বাড়িশুদ্ধ সবাই খুশি। আজ হঠাৎ ডাক্তার বললেন, না, ৩০টাই নিতে হবে। যেটা শেষ হবে ৭ জানুয়ারি (ছুটিছাটা বাদে)। রাগ এবং হতাশা দুটোই প্রবল হয়েছে। এমন সময় তোমাদের পাঠানো অপূর্ব উপহারসামগ্রী এল, যার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছে তোমাদের চিঠিটি। আসলে, জাফর, তোমার অনুভবের গভীরতাটাই আমাকে অভিভূত করেছে সবচেয়ে বেশি।
গতবারও তুমি আমাকে একটা চমৎকার বাঁধানো লেখার খাতা দিয়েছিলে, (এবং কলমও)। আসলে আমি এত কাটাকুটি করে লিখি, এত revise করি যে, এত সুন্দর বাঁধানো খাতায় লিখতে সাহস হয় না। তবু তোমার অনুভূতির প্রগাঢ় প্রকাশ হিসেবে খাতাটা আমার কাছে রইবে।
অক্টোবরে এখানে এসেই লাইব্রেরি থেকে মরিসনের বই আনতে বলেছিলাম ফ্রিডাকে। একমাত্র Tar Baby ছাড়া অন্য সব বই বাইরে। তার মানে সবাই এখন নিয়ে পড়ছে। Tar Babyএর জায়গায় জায়গায় ভাষার এমন মনোমুগ্ধকর বুনন– পড়তে পড়তে অভিভূত হয়ে গেছি। আমি ওর সব বই এখনও পড়িনি, তবু মনে হয় ওর ভাষার যাদুময়তা ওর লেখার অন্যতম asset-
গান এক পিঠ শোনা হল– অন্য পিঠের একটি গানের প্রথম লাইনটি এই মাত্র কানে ঠেকল– ‘আমার পথে পথে পাথর ছড়ানো’। পুরো গানটায় এখন মনোযোগ দিতে পারছি না, তবে প্রথম লাইনটাই মনে দাগ কেটে দিল– আমারও পথে পথে বাধার পাথর ছড়ানো।
বাচ্চা দুটিসহ তোমাদের দুজনকে অনেক দোয়া ও ভালোবাসা জানিয়ে শেষ করছি।’’
– খালাম্মা
২১ ডিসেম্বর, ৯৩; মিশিগান
২.
শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে একটা কথা কখনও বলা হয়নি। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন আমাদের পরিবারের সবার খুবই প্রিয় বই ছিল আমেরিকায় লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডারের লেখা বইগুলো। তখন ইংরেজি পড়া শিখিনি, তাই বাংলা অনুবাদ পড়েছি। এখনও আমার স্মৃতির মাঝে জ্বলজ্বল করে ‘ঘাসের বনে ছোট্ট কুটির’ নামের সেই বইটা। আমি জানতাম না এই বইগুলো আসলে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম অনুবাদ করেছেন। আমার খুব আফসোস হয়, তাঁকে কখনও বলতে পারিনি তাঁর অনুবাদ করা বইগুলো আমাদের সব ভাইবোনকে ছেলেবেলাতে কত আনন্দ দিয়েছে।
তাঁকে আরও একটা কথা কখনও বলা হয়নি; সেটি হচ্ছে, তাঁর ছেলে রুমী আর আমি ঢাকা কলেজে সহপাঠী ছিলাম। রুমীর কথা সবাই জানে। বাংলাদেশে ‘একাত্তরের দিনগুলো’ বইটি পড়েনি এ রকম মানুষ আর কতজন আছে? আমিও রুমীর কথা জানি, রুমীর মা বলে আমরা সবাই তাঁকে শহীদ জননী বলি। অথচ আমি কখনও রুমীর ছবি ভালো করে দেখিনি। কিছুদিন আগে রুমীর ভালো একটা ছবি দেখে আমি চমকে উঠেছিলাম। কারণ ঢাকা কলেজে আমরা একসাথে পড়েছি। আমি ছিলাম মফস্বল থেকে আসা হাবাগোবা একজন ছাত্র। রুমী ছিল প্রাণশক্তিতে ভরপুর তেজস্বী একজন ছেলে। তখন উনসত্তরের গণআন্দোলন চলছে, কলেজে লেখাপড়া সে রকম হয়নি। যখন হয়েছে তখনও আমি পাবলিক লাইব্রেরিতে বসে গল্প বই পড়ে সময় কাটিয়েছি। ঢাকা কলেজের সহপাঠীদের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে, কিন্তু রুমীর আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া হয়নি। একাত্তরে সে শহীদ হয়েছিল।
রুমী আর আমি সহপাঠী জেনে একটি মেয়ে কয়দিন আগে আমাকে লিখেছে, রুমী বেঁচে থাকলে সে আমাকে যে রকম জাফর স্যার বলে ডাকে রুমীকেও নিশ্চয়ই সেভাবে রুমী স্যার বলে ডাকত। কিন্তু এখন রুমী তাদের কাছে রুমী স্যার নয়, সে কমবয়সী একজন রুমী হিসেবে বেঁচে থাকবে।
আমি শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে এই কথাগুলোও বলতে পারিনি।
৩.
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের দ্বিতীয় ছেলে জামীর সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল মিশিগানে। বছর তিনেক আগে সে আমার সাথে যোগাযোগ করে অনুরোধ করেছিল জাহানারা ইমামের আত্মজৈবনিক বই ‘অন্যজীবন’ বইটি চারুলিপি প্রকাশনী থেকে নূতন করে প্রকাশিত হবে, আমি কি তার ভূমিকা লিখে দিতে পারব ? কী আশ্চর্য একটি অনুরোধ, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটা বইয়ের ভূমিকা লিখব আমি? আমার মতো একজন মানুষ?
আমি বইটির ভূমিকা লিখেছিলাম। আমরা সংগ্রামী তেজস্বী জাহানারা ইমামকে চিনি তাঁর তীব্র গণআন্দোলনের নেতৃত্বের ইতিহাস থেকে। কিন্তু কেউ কি জানে তিনি একসময় যখন ছোট একটা বালিকা ছিলেন তখন কী ভাবতেন, যখন কিশোরী ছিলেন তখন কী করতেন ? ‘অন্যজীবন’ বইটিতে সেই বালিকা, কিশোরী আর তরুণী হাজানারা ইমামের ছবিটুকু আঁকা আছে। আমি আমার মতো করে তাঁর সেই বইয়ের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলাম। তাঁর মৃত্যুদিবসে আমার বার বার তার কথা মনে পড়ছে। পাঠকদের সাথে একটু ভাগাভাগি করে নিই।
অন্যজীবন
জাহানারা ইমাম
ভূমিকা
‘‘অনেক দিন আগের কথা, নিউ ইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এসেছেন। আমার খুব ইচ্ছে তাঁর সাথে একটু পরিচিত হই। যখন তাঁর আশেপাশে কেউ নেই তখন কুন্ঠিতভাবে তাঁর কাছে গিয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে বললাম, ‘আপনি আমাকে চিনবেন না, আমার বড় ভাই হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদ।’ জাহানারা ইমাম আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘আমি তোমাকেও চিনি। আমি তোমার বইও পড়েছি।’ তারপর তিনি আমার বই নিয়ে খুব দয়ার্দ্র কিছু কথা বললেন। শহীদ জননীর কথাগুলো আমার জীবনে খুব বড় ভূমিকা পালন করেছিল। আমি তখন তখনই ঠিক করেছিলাম, আমার লেখা কেউ পড়ুক আর নাই পড়ুক আমি এখন থেকে নিয়মিত লিখে যাব।
তারপর আমি খুব একটা সাহসের কাজ করে ফেললাম, মুক্তিযুদ্ধের উপর লেখা আমার কয়েকটি গল্পের একটা পাণ্ডুলিপি তাঁর হাতে দিয়ে তাঁকে অনুরোধ করলাম কিছু একটা লিখে দিতে। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম আমার বইটির জন্যে খুব সুন্দর কয়টি কথা লিখে দিয়েছিলেন। তাঁর সেই কথাগুলো পিছনের মলাটে লিখে যখন বইটি প্রকাশিত হল, তখন আমার মনে হল সেই লেখাটি আমার জন্যে অনেক বড় সম্মান, সেই বইটি আমার জীবনের খুব বড় একটি সম্পদ।
আজ আমি শহীদ জননীর ‘অন্যজীবন’ বইটির ভূমিকা লিখতে বসেছি, আমি কি কাউকে বোঝাতে পারব এটি আমার জন্য কত বড় সম্মান? তিনি যদি আজ বেঁচে থাকতেন তাহলে কি আমার এই দুঃসাহস দেখে ফিক করে হেসে দিতেন না?
বইটির নাম ‘অন্যজীবন’, জাহানারা ইমাম শুরুতেই বলে দিয়েছেন পরিণত জীবনে তিনি যখন তাঁর জীবনের প্রথম দশকের দিকে তাকান তখন তাঁর বিশ্বাসই হতে চায় না সেটি তাঁর নিজের জীবন। আমরা যখন পড়ি তখন পাঠক হিসেবেও কিন্তু বিষয়টা টের পেতে শুরু করি। আত্মজৈবনিক বই, কিন্তু শুরুতে উত্তম পুরুষে লেখা হয়নি। জাহানারা ইমাম ‘জুড়ু’ নামের একটা বালিকার কথা বলে গেছেন যে খুব ধীরে ধীরে ‘আমি’ হয়ে উঠেছে। নিজেকে বাইরে থেকে দেখার এই পদ্ধতিটি আমার কাছে অভিনব মনে হয়েছে। অন্যজীবনে নিজের চরিত্রটি যে অন্যের জীবন সেটি এভাবেই যেন অনেক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বইটিতে আজ থেকে সত্তর কিংবা আশি বছর আগের জীবনের একটা ছবি উঠে এসেছে। সেই ছবি কখনও একটি শিশু বা বালিকার চোখে দেখা, কখনও-বা পরিণত জাহানারা ইমামের চোখে দেখা। লেখার মাঝে অনেক বিষয় উঠে এসেছে, তবে নিঃসন্দেহে আলাদাভাবে যে বিষয়টি চোখে পড়ার সেটি হচ্ছে, ত্রিশ এবং চল্লিশ দশকের মেয়েদের বেড়ে ওঠা। ছোট ছোট অসংখ্য ঘটনা দিয়ে একটি অপূর্ব কাহিনি গেঁথে তোলা হয়েছে যার ভেতরে বৈচিত্র্যের ছড়াছড়ি। মাকে বাবা বাংলা লেখাপড়া শেখানোর চেষ্টা করেছেন সেই বিষয়টিই কেউ মানতে রাজি নন। আবার রক্ষণশীল সেই পরিবারের মায়ের হাতে পিস্তল, রাতের অন্ধকারে চোরকে প্রতিহত করতে গুলি ছুঁড়তে দ্বিধা করছেন না। কঠিন পর্দার কারণে মহিলাদের গরুর গাড়িতে আটকে রেখে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করছে। সেই মহিলারাই বিয়ের অনুষ্ঠানে কোমর দুলিয়ে নেচে চলেছে, গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে উন্মত্তের মতো কাদা ছোঁড়াছুড়ি, রং ছোঁড়াছুড়ি করছে।
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের কর্মজীবন ছিল শিক্ষাবিদের জীবন, সেদিক দিয়ে বিবেচনা করলে তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরুটি ছিল যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। ক্লাস সিক্স শেষ করে আর লেখাপড়া করবেন না বলে মনস্থির করে ফেলেছেন। কেউ যখন তাঁকে লেখাপড়া করাতে রাজি করতে পারছেন না তখন হঠাৎ করে নিজে থেকেই আবার লেখাপড়ায় আগ্রহ ফিরে পেলেন। কারণটি বিচিত্র, তিনি খবরের কাগজে বিজয়লক্ষী পণ্ডিতের ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলেন। মুগ্ধতা যতটুকু না বিজয়লক্ষী পণ্ডিতের বিদ্যাবুদ্ধি আর পাণ্ডিত্যে, তার থেকে বেশি তাঁর হাতকাটা ব্লাউজ আর বব-ছাটা চুলে! ভারতবর্ষের মানুষ বিজয়লক্ষী পণ্ডিতকে কতটুকু স্মরণ রেখেছে কিংবা ভবিষ্যতে কতটুকু স্মরণ রাখবে আমরা জানি না। কিন্তু আমরা নিঃসন্দেহে নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, বাংলাদেশের মানুষ শহীদ জননীর কথা কখনও ভুলে যাবে না। আজ থেকে সত্তর বছর আগের সেই কিশোরী বালিকাটি কি কখনও সেটা কল্পনা করেছিল?
‘অন্যজীবন’ বইয়ের যে অংশটুকু আমাকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করেছে সেটি হচ্ছে, কৈশোরে তাঁর বই পড়ার তীব্র আগ্রহে। স্কুল শেষ করেই রবীন্দ্র রচনাবলীতে ডুবে গেছেন, বোঁনার নিচে লুকিয়ে বঙ্কিমের ‘কপালকুণ্ডলা’ পড়ছেন। ছোট বয়সে বড়দের ‘নভেল’ পড়ার কারণে নিগৃহীত হচ্ছেন, তবু কোনোমতে নিজেকে খামাতে পারছেন না। বইয়ের জন্যে তীব্র আকর্ষণের কাছে সব যুক্তি, সব বাধা-নিষেধ তুচ্ছ হয়ে যাচ্ছে।
আমরা দেখি ছটফটে একটা কিশোরী সাইকেলে করে শহর চষে ফেলছে, তার আনন্দ আমাদের স্পর্শ করে। আবার দেখতে পাই, হঠাৎ করে বড় হয়ে যাওয়ার অপরাধে তাকে শাড়ি পরিয়ে ঘরের ভেতর বন্দি করে ফেলা হয়েছে, সেই যাতনাটুকুও সমানভাবে আমাদের ব্যথিত করে।
‘অন্যজীবন’ বইয়ের শেষ অংশে জাহানারা ইমাম তরুণী হয়ে উঠেছেন। তাঁর জীবনে প্রায় একই সাথে রাজনীতি আর প্রেম এসে দেখা দিয়েছে। আমরা আবিস্কার করি, প্রেমকে সম্মান দেখাতে গিয়ে তিনি রাজনীতিকে বিসর্জন দিয়েছেন। সে জন্যে তাঁর ভেতরে অস্পষ্ট বেদনাবোধ। এই বইয়ে উল্লেখ নেই, কিন্তু আমরা জানি শেষ জীবনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে তাঁর নেতৃত্বে সারা দেশে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল। আমরা জানি না তরুণ বয়সে রাজনীতিকে বিসর্জন দেওয়ার সেই অতৃপ্তিটুকু শেষ বয়সে পূর্ণ হয়েছিল কী না ! কিন্তু আমরা অন্তত এটুকু জানি, তাঁর এই ভূমিকাটির জন্যে এই দেশের মানুষ তাঁকে বুকের ভেতরে ঠাঁই দিয়েছে।
‘অন্যজীবন’ বইটিতে এই অসাধারণ মানুষটিকে আমরা ছটফটে শিশু, প্রাণোচ্ছিল কিশোরী আর মায়াবতী তরুণী হিসেবে দেখতে পাই। মানুষটি নেই, কিন্তু এই ছটফটে শিশু, প্রাণোচ্ছল কিশোরী আর মায়াবতী তরুণীটি তো আমাদের চোখের সামনে আছেন। সত্যি মানুষ থেকেও বেশি সত্যি এই শিশু, এই কিশোরী আর এই তরুণীকে আমরা কেমন করে ভুলব?’’
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
১০ জানুয়ারি, ২০১২
এটি ছিল ‘অন্যজীবন’ বইয়ের ভূমিকা।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 07
(75)
- বিচারক নুরুল হুদা মডেল সংসদে আলোচিত হোক by মিজান...
- হযত উসমান (রা:) এর সংহ্মিপ্ত জিবনী...
- উচ্চশিক্ষার নিম্ন যাত্রা! by সোহরাব হাসান
- মায়া কোন কর্তৃত্ববলে মন্ত্রী, রুলের নির্দেশনা চেয়ে...
- শেখ হাসিনা যা বলেছেন, যা বলেননি by সোহরাব হাসান
- ‘পলাতক’ সাংসদ সংসদে, হাজিরা খাতায় সই
- ছাত্রলীগের গাড়ি ভাঙচুর: রেস্তোরাঁয় ‘ফাউ’ খেতে গি...
- গাফফার চৌধুরী এবং লাত, উজ্জা আর মানাত দেবী by আরিফ...
- আলোচনায় ফিরছে হতবাক ইউরোপ: সরে দাঁড়ালেন গ্রিসের ...
- বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পেল শ্যাম্পেন
- নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস...
- পারলেন না মেসি : চিলি চ্যাম্পিয়ন
- গুঞ্জন শুনি
- মেগা প্রকল্পে জাপানের সহায়তা অনিশ্চিত by মিজানুর র...
- রাষ্ট্রের চেয়ে ব্যাংক ডাকাত ও শেয়ার লুটেরাদের হাত ...
- ছিটমহলে যৌথ জনগণনা শুরু
- অপর্যাপ্ত প্রস্তুতি, চাপ ও অপূর্ণাঙ্গ তথ্য সংকটের ...
- বেহাল সড়ক
- সংসদে অনির্ধারিত আলোচনা: ‘একুশের গানের রচয়িতাকে ত...
- এ রায় ইউরোপবিরোধী নয়: সিপ্রাস
- গ্রামের ৪০ ভাগ গ্রাহককে ঘুষ দিয়ে বিদ্যুতের সেবা পে...
- শহীদ জননীর জন্য ভালোবাসা by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- দুই-তৃতীয়াংশ শিশুকে মারধর করেন মা–বাবা :বিবিএসের জরিপ
- নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি ডলার দুর্নীতির অভিযোগ
- ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রের নারী উদ্যোক্তা: ফলপ্রসূ প্রশ...
- এবার হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা by ইশতিয়াক পারভেজ
- ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলবে পাকিস্তান
- রওশনের ক্ষমা চাওয়ার অধিকার নেই- এরশাদ
- ইন্টারনেটের ব্যবহার নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান
- গ্রিস উদ্ধার পাবে কীভাবে?
- ইউনূস সমর্থকরা গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত ...
- বইয়ের ভারে শিশুদের মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে যাচ্ছে: সংসদ...
- কোকেন কাণ্ড: চট্টগ্রামে ল্যাটিন আমেরিকার একাধিক কন...
- সাতজনকে চিহ্নিত করেছে ডিবি
- জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে খালেদার বৈঠক: কেন্দ্রীয় নেত...
- রাজধানীতে ছাত্রলীগের তাণ্ডব, ভাঙচুর
- বর্ষবরণে নিপীড়নকারীদের আটকের কথা বললেন মন্ত্রী, পু...
- এবার মাছ-মাংস যত খুশি
- পুলিশ ছেড়ে দেওয়ার পরই আওয়ামী লীগে
- মুড়ি ফোটার শব্দে জীবনের ছন্দ by মজিবর রহমান
- অসম প্রতিযোগিতায় দেশি ফ্যাশন by আসাদ জোবায়ের
- বেশি বেশি টি–টোয়েন্টি চান সৌম্য
- মেসি কী পারবেন নোভাৎনা হতে?
- গুলশান লেকে রাজউকের অভিযান, শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ...
- গাড়ি ধোয়া সেই ছেলেটিই এখন চিলির নায়ক by শিহাব শাকির
- গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশদানকারী বিচারককে বদলি
- ‘শিশুকাল পার করছে নারীর ক্ষমতায়ন’
- তিউনিসিয়া ‘যুদ্ধাবস্থায়’ আছে: প্রেসিডেন্ট
- নির্বাচনের আগের সমস্যা রয়েই গেল by অরূপ দত্ত
- জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ফের আদালত অবমাননার অভিযোগ
- জাবির আকাশে উড়লো মনুষ্যবিহীন আকাশযান by নুর আলম
- চট্টগ্রামের সদরঘাট থেকে ১১শ’ কেজি বিস্ফোরকসহ ২ জন আটক
- ফ্রোইস-ইউকিরিন দুই রোবটের বিয়ে
- রূপগঞ্জ বাজিমাত সিরিয়ালের ‘কিরণমালার’!
- কিশোরগঞ্জে ‘কিরণমালা’য় বুঁদ কিশোরী-তরুণী
- স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের সঙ্গে ৮৭টি চুক্তি: সংসদে...
- চাকরিক্ষেত্রে যোগ্যতাই হোক একমাত্র মানদণ্ড
- অর্থমন্ত্রীর সত্য ভাষণ: ‘আমাদের লোকজনের’ও শাস্তি চাই
- ময়মনসিংহ বিএনপির রাজনীতি: কোন্দলে কাবু উত্তর, দক্...
- ময়মনসিংহের আ.লীগ রাজনীতি: মতিউরের আধিপত্য থেকে মুক...
- ফেলানী হত্যাকাণ্ড: ন্যায়বিচার না পাওয়ার ক্ষত শুকান...
- পুলিশের ‘ঘুষ তহবিল’- ঊর্ধ্বতনেরাও দায় এড়াতে পারেন না
- মঠবাড়িয়া-বড় মাছুয়া স্টিমারঘাট সড়ক: খানাখন্দে বে...
- ঈদে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজে ২৫০০ টাকায় ভ্রমণ!
- বরিশাল সিটি করপোরেশন: পথচারীদের ফুটপাত ব্যবসায়ীদে...
- মামলা থেকে বাঁচতে আওয়ামী লীগে: তাহলে আইনের শাসন কে...
- আনারকলি, সারারায় আভিজাত্যের ঠমক by তানভীর সোহেল
- ব্যবসায়ীদের মুখে চওড়া হাসি by মনিরুজ্জামান
- এশিয়ার শেয়ারবাজারে নাড়া দিয়েছে গ্রিসের ‘না’
- ঈদ মৌসুমে ছিনতাই-চাঁদাবাজি: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ব...
- যৌথ জরিপ শুরু ছিটমহলে
- গ্রিসে ‘না’ জয়ী, ইউরোপীয় নেতাদের মুখ গোমড়া
- ‘রাজনীতিবিদদের মতো কথা বলা পুলিশের দায়িত্ব নয়’ -ড....
- সংসদে দেওয়া বক্তব্য সম্পর্কে যা বললেন স্বরাষ্ট্র প...
- ‘বিভাজন ভুলে ঐক্য গড়ে তুলুন’ -খালেদা জিয়া
-
▼
Jul 07
(75)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment