Sunday, October 12, 2025
প্রেমিকাসহ খুন হন ‘ফ্যাসিবাদের জনক’, জনসমক্ষে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয় দুজনের মরদেহ by মো. আবু হুরাইরাহ্
প্রেমিকাসহ খুন হন ‘ফ্যাসিবাদের জনক’, জনসমক্ষে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয় দুজনের মরদেহ by মো. আবু হুরাইরাহ্
বিংশ শতাব্দীর শুরুর উত্তাল সময় মুসোলিনি ইউরোপীয় রাজনীতির এক প্রভাবশালী ও বিতর্কিত চরিত্রে পরিণত হন। যুদ্ধ, একনায়কতন্ত্র, দমন–পীড়ন আর জাতীয়তাবাদে মোড়া তাঁর শাসনব্যবস্থা ইতালিকে যেমন এক নতুন মোড়ে দাঁড় করিয়েছিল, তেমনই বিশ্বরাজনীতিতে এক ভয়ংকর দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছিল।
ইতালির ছোট্ট শহর প্রেদাপ্পিওতে জন্ম নেওয়া এ মানুষটির জন্মদিনে ফিরে দেখা জরুরি, কীভাবে একজন শিক্ষক হয়ে উঠেছিলেন ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর একনায়ক। তাঁর উত্থান–পতনের গল্প শুধু এক ব্যক্তির নয়, একটি গোটা সমাজ তথা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিবর্তনেরই কাহিনি।
দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবার থেকে রাজনীতির কেন্দ্রে
বেনিতো আমিলকারে আন্দ্রেয়া মুসোলিনি জন্ম নিয়েছিলেন ইতালির উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় প্রেদাপ্পিও শহরের ডোভিয়া এলাকার এক দরিদ্র পরিবারে। বাবা ছিলেন সমাজতন্ত্রী মনোভাবাপন্ন এক কামার, আর মা ছিলেন একজন শিক্ষক। বাবা অ্যান্ড্রেয়া ছেলেকে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতি ও বিপ্লবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। নামের মধ্যেই এর ছাপ ছিল। ‘বেনিতো’ নামটি রাখা হয় মেক্সিকোর বিপ্লবী নেতা বেনিতো জুয়ারেজের অনুপ্রেরণায়।
ছোটবেলা থেকেই বেনিতো ছিলেন খ্যাপাটে স্বভাবের, রগচটা ও অগাধ আত্মবিশ্বাসী। পড়াশোনায় মাঝারি হলেও ভাষা আর বক্তৃতায় তাঁর দখল ছিল ঈর্ষণীয়। মাত্র ১০ বছর বয়সে এক সহপাঠীকে ছুরি মারার ঘটনায় স্কুল থেকে বহিষ্কার হন মুসোলিনি।
তবুও ১৮ বছর বয়সে শিক্ষকতার যোগ্যতা অর্জন করে কিছুদিন স্কুলে পড়ান মুসোলিনি। কিন্তু সেই পেশাগত স্থিরতা তাঁর বিপ্লবী চেতনায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পরে রাজনীতির উত্তাল আবহ তাঁকে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে যুক্ত করে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা শুরু করেন স্থানীয় পত্রিকাগুলোয়।
সমাজতন্ত্র থেকে ফ্যাসিবাদে যাত্রা
মুসোলিনি শুধু রাজনীতিবিদ নন, ছিলেন এক অসাধারণ লেখক ও সাংবাদিক। সমাজতান্ত্রিক ভাবধারা ছড়িয়ে দিতে তিনি লেখালেখি শুরু করেন। ১৯১১ সালে তিনি ‘আভান্তি!’ নামে মিলানের এক সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার পত্রিকার সম্পাদক হন। এ সময় তিনি জোরালোভাবে শ্রেণিসংগ্রাম ও শ্রমিক অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেন।
কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে নাটকীয় পরিবর্তন আসে। তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে ইতালির পুনরুজ্জীবনের জন্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা জরুরি। এই মতের কারণে তাঁকে সমাজতান্ত্রিক দল থেকে বহিষ্কার করা হয় (১৯১৪ সাল)।
এ সিদ্ধান্তই মুসোলিনির জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সমাজতন্ত্র থেকে সরে এসে তিনি নতুন জাতীয়তাবাদী ও যুদ্ধপন্থী মতবাদের দিকে ঝোঁকেন, যা ভবিষ্যতের ফ্যাসিবাদের ভিত্তি গড়ে দেয়।
১৯১৯ সালে বেনিতো মুসোলিনি প্রতিষ্ঠা করেন উগ্র জাতীয়তাবাদী ও সশস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন ‘ফ্যাসিও দি কমবাত্তিমেন্তো’। পরে জাতীয় ফ্যাসিবাদী দলে (ন্যাশনাল ফ্যাসিস্ট পার্টি বা পিএনএফ) পরিণত হয় এটি। দলের সদস্যদের পরনে ছিল কালো শার্ট, হাতে লাঠি আর মুখে জাতীয় শৃঙ্খলার কথা।
এই ব্ল্যাক শার্টধারীরা বামপন্থী আন্দোলন ও শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা চালাতেন। গণতন্ত্রকে দুর্বল বলে তাঁরা জাতীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলার নামে শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন। তাঁদের মূল কৌশল ছিল—ভয় দেখানো, মারধর ও হত্যা। একরকম সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে তাঁরা ইতালির রাজনীতিতে ফ্যাসিজমের জন্ম দেন।
১৯২২ সালের অক্টোবরে মুসোলিনি প্রায় ৩০ হাজার ব্ল্যাক শার্টধারী নিয়ে ‘মার্চ অন রোম’ নামের এক বিক্ষোভ শুরু করেন। রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ইতালির রাজা ভিক্টর ইমানুয়েল তৃতীয় সামরিক হস্তক্ষেপ না করে মুসোলিনিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান।
এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই শেষ হয় ইতালির গণতন্ত্রের অধ্যায়। শুরু হয় একনায়কত্বের যাত্রা। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেও দ্রুতই মুসোলিনি নিজের হাতে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৩৯ বছর।
একনায়কতন্ত্র কায়েম
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মুসোলিনি দ্রুত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেন। ১৯২৫ সালের পর থেকে তিনি নিজেকে ‘ইল দুচে’ অর্থাৎ ‘দ্য লিডার (নেতা)’ বলে অভিহিত করতে থাকেন। এ পর্যায়ে এসে পার্লামেন্টের ক্ষমতা খর্ব করেন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে আনেন ও বিরোধীদের নির্যাতন–নিপীড়ন শুরু করেন।
এভাবে মুসোলিনি একটি ‘করপোরেট রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যস্থতায় সব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। তবে বাস্তবে এ নীতির আড়ালে ছিল সরকারি দমন, বিধিনিষেধ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার আয়োজন।
মুসোলিনির শাসনব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা। শিশুদের জন্য ফ্যাসিবাদী আদর্শে গড়া স্কুল, যুবকদের জন্য মিলিশিয়া আর সংবাদমাধ্যমের জন্য সরকারের গাইডলাইন—সবই ছিল একনায়কের বন্দনায় নিবেদিত। নিজেকে ‘রোমান সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি’ হিসেবে তুলে ধরে তিনি ইতালির জাতীয়তাবাদকে উসকে দেন।
মুসোলিনির এই ফ্যাসিবাদী শাসন ইউরোপের বাক্স্বাধীনতার ওপরে ছিল প্রথম বড় আঘাত।
যুদ্ধ ও ফ্যাসিবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা
মুসোলিনির নেতৃত্বে ইতালি ১৯৩০–এর দশকে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই তাঁর সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিচয় দেন। ১৯৩৫ সালে তিনি আবিসিনিয়া (বর্তমান ইথিওপিয়া) আক্রমণ করে জয় করেন এবং জাতিপুঞ্জের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আগ্রাসন চালিয়ে যান।
স্পেনের গৃহযুদ্ধে ফ্রাঙ্কোর ফ্যাসিবাদী বাহিনীকেও সমর্থন দেন মুসোলিনি। ধীরে ধীরে তাঁর আদর্শ নাৎসি জার্মানির হিটলারের সঙ্গে মিলতে শুরু করে। ১৯৩৯ সালে হিটলারের সঙ্গে ‘প্যাক্ট অব স্টিল’ নামের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে ইতালিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির আনুষ্ঠানিক মিত্র করে তোলেন তিনি।
আদর্শিকভাবে নাৎসিবাদের সঙ্গে মুসোলিনির ফ্যাসিবাদের কিছু পার্থক্য থাকলেও উভয় শাসকই কর্তৃত্ববাদ, জাতীয়তাবাদ ও সহিংসতা ব্যবহার করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন।
হিটলার ও মুসোলিনির জোট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগুনে ঘি ঢালার কাজ করে।
পতনের শুরু ও করুণ পরিণতি
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির পক্ষে অবস্থান নেওয়া মুসোলিনির জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে। ১৯৪৩ সালে মিত্রবাহিনীর আক্রমণে ইতালির বিভিন্ন এলাকা হাতছাড়া হতে শুরু করে। ইতালির জনগণ ফ্যাসিবাদের প্রতি আস্থা হারান।
মুসোলিনিকে ইতালির রাজার পক্ষ থেকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে হিটলারের নাৎসি বাহিনী তাঁকে মুক্ত করে পুতুল রাষ্ট্র ‘সলো প্রজাতন্ত্র’ গঠনের পর এর প্রধান বানায়। তবে এ পুতুল রাষ্ট্র স্থায়ী হয়নি।
১৯৪৫ সালের এপ্রিলে মিত্রবাহিনীর অগ্রযাত্রার মুখে পালানোর চেষ্টা করেন মুসোলিনি। কিন্তু লাভ হয়নি। লোম্বার্দি অঞ্চলে পার্বত্য পথে পালানোর সময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাঁকে আটক করেন। ২৮ এপ্রিল প্রেমিকা ক্লারা পেতাচ্চির সঙ্গে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
পরদিন মুসোলিনি ও তাঁর প্রেমিকার মরদেহ মিলান শহরের পিয়াতসালে লোরেতো চত্বরে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ দৃশ্য একই সঙ্গে যেমন প্রতীকী বিদ্রোহ ও ঘৃণা, তেমনই ইতিহাসের এক নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক সমাপ্তির প্রতীক হয়ে রয়েছে।
বিতর্কিত উত্তরাধিকার
মুসোলিনির উত্তরাধিকার অর্থাৎ তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ, শাসনব্যবস্থা ও ইতালির ইতিহাস ও সমাজে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আজও বিতর্কিত হয়ে আছে। অনেকে তাঁকে আধুনিক ইতালির একজন দৃঢ় নেতৃত্বের নির্মাতা বলে দেখেন। আবার অনেকে মনে করেন, তিনি ছিলেন ইতিহাসের এক ভয়ংকর একনায়ক; যাঁর ভুল সিদ্ধান্তে ইতালিকে ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
ইতালিতে এখনো কিছু চরম ডানপন্থী দল মুসোলিনির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়। বিশেষ করে তাঁর নাতনি আলেসান্দ্রা মুসোলিনি একসময় ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নির্বাচিত হন ডানপন্থী দল থেকে।
ফ্যাসিবাদ: ইতিহাসের শিক্ষা
ফ্যাসিবাদ শুধু একটি রাজনৈতিক মতবাদ নয়। এটি একটি সামাজিক প্রকল্প, যেখানে ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, গণতান্ত্রিক চর্চা—সবকিছুই রাষ্ট্রের পূজায় বলি দেওয়া হয়। মুসোলিনি এ মতাদর্শকে নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন।
ইতিহাসের শিক্ষা বলছে, নেতার অন্ধ অনুসরণ, যুদ্ধ ও জাতীয়তাবাদের নামে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ কখনো একটি জাতিকে উন্নতির পথে নিতে পারে না; বরং তা এগিয়ে নিয়ে যায় ধ্বংসের দিকেই।
{তথ্যসূত্র: দ্য ডকট্রিন অব ফ্যাসিজম, বেনিতো মুসোলিনি; রিচার্ড বসওয়ার্থ, মুসোলিনি: আ বায়োগ্রাফি; ক্রিস্টোফার হিবার্ট, মুসোলিনি: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ইল দুচ; বিবিসি হিস্ট্রি; এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা}
![]() |
| অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে বেনিতো মুসোলিনি (ডানে) ছবি: এক্স থেকে নেওয়া |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ▼ 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment